Blog

  • Hindus Under Attack: রাশ টানা যায়নি হিন্দু নির্যাতন, লাভ জেহাদে, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: রাশ টানা যায়নি হিন্দু নির্যাতন, লাভ জেহাদে, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। ভারত তো বটেই, বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ৩১ মে থেকে ৬ জুন, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার জলছবি।

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Hindus Under Attack)

    কর্নাটকে, বিশেষত বেঙ্গালুরু ও রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহলের দাবি, এই রাজ্যে ২০ লাখেরও বেশি নথিভুক্তহীন অভিবাসী অবৈধভাবে বসবাস করছে। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা, জনসংখ্যাগত ভারসাম্য, অবৈধ বসতি গঠন এবং অনুপ্রবেশকারী চক্রের নেপথ্যে যে রাজনৈতিক মদত রয়েছে, সেই অভিযোগকেই মান্যতা দেয়। এর জেরে শুরু হয়ে নতুন করে বিতর্ক। চলতি বছর বকরি ইদ উপলক্ষে নমাজ আদায়, সংযম ও আইন মেনে ধর্মীয় আচার পালনের প্রত্যাশা থাকলেও, দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা, হিংসা এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বহু হিন্দু সংগঠন ও নাগরিকের দাবি, ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বারবার এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

    ছাত্রীকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ

    ইডির টিটিআই (TTI) সংক্রান্ত তদন্তের পর ভারতে পরিচালিত বিদেশি চার্চ-সমর্থিত ধর্মান্তর কার্যকলাপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তে টিটিআইয়ের আর্থিক কাঠামোর পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চার্চ, মিশনারি সংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও আলোচনায় এসেছে। উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এক ছাত্রীকে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে বিয়ে করার এবং পরে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি ধর্মীয় পরিচয় গোপন করেছিল। পরিচয় দিয়েছিল হিন্দু বলে। প্রেমের সেই ফাঁদে পায় দেয় ওই ছাত্রী। তার পরেই খসে পড়ে অভিযুক্তের মুখোশ। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    বকরি ইদে হিংসা

    তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেজি অরুণরাজ কবি-সন্ত তিরুভাল্লুভরকে গেরুয়া পোশাকে চিত্রিত করার বিরোধিতা করেছেন (Roundup Week)। একটি অনুষ্ঠানে তিরুভাল্লুভরের গেরুয়া বস্ত্রপরিহিত প্রতিকৃতি প্রদর্শনের পর তিনি জানান, ‘তিরুক্কুরাল’ সমগ্র মানবজাতির নৈতিক ও আদর্শগত মূল্যবোধের প্রতীক। তাই এঁকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখা উচিত নয়। উত্তরপ্রদেশের বালরামপুরে বকরি ইদের দিন ধনরাজ মৌর্য নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন মুসলমান যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আসিফ, সাজিদ, মাজিদ এবং সলিম-সহ কয়েকজনের মারের চোটে গুরুতর জখম হাসপাতালে ভর্তি হন ধনরাজ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই মারা যান তিনি। আসিফদের হাতে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে চাপ

    উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন জেলার বিকাশনগরে এক মহিলাকে ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে ধর্ষণ এবং (Roundup Week) পরে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে চাপ দেওয়ার অভিযোগে দানিশ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তেলঙ্গানার নারায়ণপেটে এক কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কয়েকটি সংগঠন ঘটনাটিকে ‘লাভ জেহাদে’র পরিণতি বলে দাবি করলেও, পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন। লাভ জেহাদের অভিযোগের সত্যতাও নিশ্চিত হয়নি। তবে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও পকসো আইনের বিভিন্ন ধারায় গ্রেফতার করে আদালতের নির্দেশে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে ফাসিউদ্দিন নামে বছর আঠারোর এক সদ্য যুবককে (Hindus Under Attack)।

    পুনর্বহাল, ক্ষতিপূরণের দাবি

    কাঞ্চিপুরমের বরদরাজা পেরুমল মন্দিরে বৈকাসি ব্রহ্মোৎসব উপলক্ষে নির্ধারিত ইয়ালি বাহন শোভাযাত্রা বাতিল হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হয়েছে, হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এনডাওমেন্টস (HR&CE) বিভাগের আধিকারিকরা মন্ত্রীর নির্দেশেই শতাব্দীপ্রাচীন এই শোভাযাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঘটনায় সৃষ্টি হয়েছে বিতর্কের। উইপ্রো টেকনোলজিসের পুনে অফিসের এক প্রাক্তন কর্মী কর্মক্ষেত্রে হয়রানি, ধর্মীয় বৈষম্য এবং জবরদস্তিমূলক আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন। পুনর্বহাল, ক্ষতিপূরণ ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন। অভিযোগে তিনি ‘কর্পোরেট জেহাদে’র প্রসঙ্গও উত্থাপন করেছেন (Roundup Week)। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    হিন্দুবিরোধী মনোভাবের জন্ম

    অনেকের মতে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অধিকাংশ বিদ্বেষমূলক অপরাধের পেছনে কাজ করে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসারিত হিন্দুবিরোধী মনোভাব। তাঁদের দাবি, ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দুবিরোধী বৈষম্য তুলনামূলকভাবে দৃশ্যমান হলেও, ভারত-সহ কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দুবিরোধী প্রবণতা রয়েছে, যা হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ ও বৈষম্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। দৈনন্দিন জীবনে থাকা এমন সব সূক্ষ্ম বৈষম্য অবশ্য সহজে চোখে পড়ে না। তবে প্রচলিত আইন, নীতিমালা ও বিভিন্ন ঘটনার ধারা বিশ্লেষণ করলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের ওপর ধাপে ধাপে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গের উল্লেখ করা যায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, অন্যান্য উৎসবের ক্ষেত্রে ভিন্ন নীতি অনুসরণ (Roundup Week)এবং নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় এতে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরেই ভারতের হতাশ তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে ককরোচ জনতা পার্টি, সংক্ষেপে সিজেপি (Cockroach Janta Party)। ভাইরাল ভিডিও, ইনফ্লুয়েন্সার নেটওয়ার্ক, ইনস্টাগ্রামে প্রচার এবং সরকারবিরোধী বার্তার মাধ্যমে সংগঠনটি নিজেদের দেশের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল যুব আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। তাদের নেতৃত্ব বারবার দাবি করেছে, সংগঠনের অনুসারীর সংখ্যা কয়েক কোটি এবং এটি একটি তৃণমূলভিত্তিক গণআন্দোলনের প্রতিফলন।

    ককরোচ জনতা পার্টি, প্রশ্ন যেখানে (Cockroach Janta Party)

    তবে ৬ জুন, দিল্লির যন্তর-মন্তরে (Jantar Mantar) আয়োজিত সংগঠনের প্রথম বড় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের বড় ফারাকটাই তুলে ধরে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক ও অনিয়মের তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল অনলাইন ক্ষোভকে বাস্তব রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের সক্ষমতা প্রদর্শন করা। কিন্তু সমাবেশের ভিড় নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয়—ককরোচ জনতা পার্টি কি সত্যিই একটি গণভিত্তিক আন্দোলন, নাকি এটি মূলত অ্যালগরিদম, ভাইরাল কনটেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল একটি ডিজিটাল ঘটনা?

    সমাবেশে লোকজন কই?

    সিজেপি (Cockroach Janta Party) কোনও প্রচলিত রাজনৈতিক দল বা ছাত্র সংগঠন থেকে গড়ে ওঠেনি। বরং ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবকেন্দ্রিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল পরিমাণ ফলোয়ার রয়েছে দাবি করে প্রথমবারের মতো বড় জনসমাবেশের আয়োজন করায় ৬ জুনের বিক্ষোভকে অনেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুহূর্ত হিসেবে দেখেছিলেন। প্রশ্ন উঠেছিল, কোটি কোটি অনলাইন ফলোয়ার কি হাজার হাজার মানুষকে রাজপথে নামিয়ে আনতে পারবে? সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কি রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে? ভাইরাল জনপ্রিয়তা কি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ভিত্তি হতে পারবে? বিক্ষোভের জমায়েত দেখে অবশ্য এই সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বিস্তৃত প্রচার ও একাধিক ইনফ্লুয়েন্সারের সক্রিয় অংশগ্রহণ সত্ত্বেও, যন্তর-মন্তরের সমাবেশে উপস্থিতি সংগঠনের দাবি করা বিশাল ফলোয়ারের সংখ্যার তুলনায় নিতান্তই নগন্য (Jantar Mantar)।

    সংগঠনের শক্তি

    বিক্ষোভে ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবক ও সমর্থকদের দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্বও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনেকে অনুষ্ঠানের দৃশ্যপট মোবাইলবন্দি করে তৈরি করছিলেন অনলাইন কনটেন্ট (Cockroach Janta Party)। তাই অনেকের কাছে পুরো পরিবেশটি রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি একটি বড় ইনফ্লুয়েন্সার সমাবেশের আকারও নেয়। সিজেপির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা। প্রচলিত ছাত্র আন্দোলনের মতো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্থানীয় সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের পরিবর্তে এই সংগঠনের শক্তি মূলত এসেছে অনলাইন প্রচার ও ভাইরাল হওয়া কনটেন্ট থেকে (Jantar Mantar)।

    কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে সভা নয়

    সমাবেশে ককরোচ আঁকা মুখোশ, পোস্টার, শিল্পকর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক নানা প্রতীক ব্যাপকভাবে দেখা যায়। সমাবেশে অংশ নেওয়া অনেকের কাছে এটি সমমনা সমর্থক ও অনলাইন পরিচিতদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এটি ডিজিটাল আন্দোলনের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া অনায়াস হলেও, সেই সমর্থনকে দীর্ঘমেয়াদি ফিল্ড লেভেলের সংগঠনে রূপ দেওয়া অনেক বেশি কঠিন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থী ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অনিশ্চয়তা এবং নিয়োগ ও ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন (Cockroach Janta Party)। তাঁদের অনেকেই জানান, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে নয়। শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত ত্রুটি-বিচ্যুতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই তাঁরা উপস্থিত হয়েছেন (Jantar Mantar)।

    সরকারবিরোধী কণ্ঠ

    অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে আবার এমনও জানিয়েছে, বহু সমর্থক বাস্তবে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক, শেয়ার ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মধ্যেই নিজেদের সমর্থন সীমাবদ্ধ রাখেন। সিজেপির উত্থানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় এই ইনফ্লুয়েন্সার অতীতে বিভিন্ন বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছেন। বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাঁর প্রকাশ্য যোগাযোগ এবং নিজেকে সরকারবিরোধী কণ্ঠ হিসেবে উপস্থাপন করা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চার বিষয় হয়েছেন তিনি। বিদেশি ভাষ্যকার এবং পাকিস্তানের কিছু কর্মীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি যদি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করে, তাহলে নেতৃত্ব, আদর্শ, অর্থায়ন, নেটওয়ার্ক ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে (Jantar Mantar)। যন্তর-মন্তরের কর্মসূচিতে প্রধান দাবি ছিল, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

    দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? 

    সমালোচকদের একাংশের মতে, কেবল একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেই শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তা নয়। এতে একটি বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে আসে—প্রতীকী জবাবদিহি কি যথেষ্ট, নাকি বাস্তব সংস্কারের জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতিগত প্রস্তাব, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? বিক্ষোভে এই প্রশ্নগুলির সুস্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ৬ জুনের এই কর্মসূচি হয়তো তাৎক্ষণিক দাবির চেয়ে বেশি আলোচিত হবে ডিজিটাল যুগের আন্দোলনের শক্তি ও সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন হিসেবে। সিজেপি অনলাইন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে, সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করতে এবং তরুণদের মধ্যে একটি পরিচিত ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে সফল হয়েছে।

    ভাইরাল জনপ্রিয়তা বনাম বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি

    কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে পারবে কি না, তা এখনই বলা যাবে না (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এলেও কোটি কোটি অনলাইন ব্যবহারকারীর দাবি এবং বাস্তব জনসমাগমের ব্যবধানই এই কর্মসূচির সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে (Jantar Mantar)। ভবিষ্যতে সেই ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আপাতত এই জমায়েত একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জনপ্রিয়তা এবং বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি সবসময় এক নয় (Cockroach Janta Party)।

     

  • Nitin Nabin: “ভারতের যুবসমাজ বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষের হাতের পুতুল নয়”, ককরোচ সমর্থকদের তোপ নীতিন নবীনের

    Nitin Nabin: “ভারতের যুবসমাজ বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষের হাতের পুতুল নয়”, ককরোচ সমর্থকদের তোপ নীতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল যুগের ক্ষমতা ব্যবহার করে তরুণদের নেতিবাচক দিকে প্ররোচিত করার চেষ্টা ভারতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। রবিবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে দলের একটি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এল, যখন দিল্লির প্রধান প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে হাজার কিলোমিটার দূর থেকে একটি বড় ধরনের সমাবেশ চলছে। এই সমাবেশের নেতৃত্বে রয়েছেন ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দিপকে, যিনি বিদেশফেরত একজন রাজনৈতিক ব্যঙ্গশিল্পী। এর আগে তিনি আম আদমি পার্টির (AAP) সোশ্যাল মিডিয়া টিমে কাজ করতেন।

    ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক রাজনীতি করবে (Nitin Nabin)

    এই নব্য আন্দোলনকারীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের দিকে ইঙ্গিত করে নীতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এই যুবসমাজের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই দেশ এগিয়ে চলেছে… তাই আমি তাঁদের সতর্ক করতে চাই যাঁরা এই দেশের যুবসমাজকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে টেনে নিয়ে যেতে চান। ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক রাজনীতি করবে। আমরা অবশ্যই গণতান্ত্রিক উপায়ে সব ধরনের প্রতিবাদ করব, কিন্তু গণতন্ত্রের মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না।”

    বোস্টন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ (PR) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট দিপকে আমেরিকায় থাকাকালীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (Cockroach Janta Party) নামক ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল তৈরি করে নজর কাড়েন। তিনি এটিকে একটি ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ বলে দাবি করেছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি দিল্লিতে নামেন এবং কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত সেন্ট্রাল দিল্লি জেলার যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দেন। সেখানে তিনি এমন কিছু রাজনৈতিক মন্তব্য করেন, যেগুলিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের অনেকেই পাতি এবং চর্বিতচর্বণ আখ্যা দিয়েছেন।

    যুবসমাজ গুটি কয়েক মানুষের হাতের পুতুল নয়

    ঝাড়খণ্ডে দলীয় বৈঠকে অংশ নিতে আসা নীতিন নবীন (Nitin Nabin) তীব্র সমালোচনা করেন সেইসব বিত্তশালী ও ক্ষমতালোভী অভিজাত টুকরে টুকরে গ্যাংকে, যাঁরা ‘জেন-জি’ (Gen-Z) ট্যাগ ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সুপরিকল্পিতভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষ ভাবছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজকে দিকনির্দেশনা দেবেন। ভারতের যুবসমাজ কৃষকদের সঙ্গে গ্রামের চাতালে বসে, গ্রামের মেঠো পথে থাকে, আমাদের কোচিং ইনস্টিটিউট এবং কলেজের ক্যাম্পাসে থাকে। ভারতের যুবসমাজ গুটি কয়েক মানুষের হাতের পুতুল হয়ে এগিয়ে যাবে না।” উল্লেখ্য, দিপকের ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলি মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লাখ লাখ ফলোয়ার পেয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় থাকা মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলির হ্যান্ডেলের ফলোয়ারকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    কখনওই বরদাস্ত করা হবে না

    রাঁচির এই অনুষ্ঠানে নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “আজ দেশের মানুষের কাছে একটি বড় বার্তা দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ডিজিটাল মাধ্যম দেশ ও যুবসমাজের উন্নয়নের কাজে লাগানো যায়। কিন্তু দেশের যুব সমাজকে নেতিবাচক দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা কখনওই বরদাস্ত করা হবে না। তাই আমি বলব, আমার দেশের যুবসমাজ, একটি উন্নত ভারত গড়তে হলে আপনাদের সবাইকে জেগে উঠতে হবে…”

    বিজেপির এই কর্তা দু’দিনের সফরে ঝাড়খণ্ডে গিয়েছেন। আজ, রবিবার তাঁর বোকারো স্টিল সিটিতে যাওয়ার কথা। এরপর তিনি রাঁচিতে বিজেপির জেলা ইন-চার্জ, জেলা সভাপতি এবং দলের বিশেষ মিডিয়া ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এদিকে, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীরা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) এবং ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET-UG) পরীক্ষায় ওঠা অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি করেছেন।

  • Gilgit Baltistan Elections: গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন, পাক উদ্যোগে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Gilgit Baltistan Elections: গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন, পাক উদ্যোগে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রে সাধারণ নির্বাচন (Gilgit Baltistan Elections) আয়োজনের কড়া প্রতিবাদ জানাল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দে করে বলা হয়েছে, এই অঞ্চল ভারতের (India) অংশ, যা পাকিস্তান অবৈধ ও জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (Gilgit Baltistan Elections)

    পাকিস্তান সরকার জানিয়েছিল, ছ’বছর পরে গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন হবে ২ জুন। এর পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় ভারত। সরকারি বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, “ভারত সরকার ফের তার সুপরিচিত অবস্থান স্পষ্ট করছে যে, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ, যার মধ্যে তথাকথিত গিলগিট-বাল্টিস্তানও অন্তর্ভুক্ত, ১৯৪৭ সালে জম্মু-কাশ্মীরের সম্পূর্ণ, বৈধ ও অপরিবর্তনীয় ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির ফলে ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ।” বিদেশমন্ত্রক এও জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং পাকিস্তানের দখলে থাকা গিলগিট-বাল্টিস্তানও সেই দাবিরই অন্তর্ভুক্ত।

    দখল করা এলাকা খালি করুক পাকিস্তান

    পাকিস্তানকে অবৈধভাবে দখল করে রাখা অঞ্চল খালি করার আহ্বান জানিয়ে ভারত বলেছে, ওই অঞ্চলের চরিত্র বা প্রশাসনিক অবস্থার কোনও ধরনের বাস্তব পরিবর্তন আনার চেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত সরকার পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা অঞ্চলে কোনও ধরনের বাস্তব পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং জোর দিয়ে বলে যে, এসব পদক্ষেপ পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারিত্বের সত্যকে আড়াল করতে পারবে না। পাকিস্তানকে এই ভারতীয় ভূখণ্ড খালি করতেই হবে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে (Gilgit Baltistan Elections), এই ধরনের উদ্যোগ মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক শোষণ এবং স্বাধীনতা হরণের মতো গুরুতর সমস্যাগুলি ঢাকতে পারবে না।

    মানবাধিকার কর্মীর বক্তব্য

    এদিকে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানবাধিকার কর্মী আমজাদ আইয়ুব মির্জা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ওই অঞ্চলে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে, ক্রমশ চাপ বাড়ছে রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর। তাঁর দাবি, অন্য রাজনৈতিক কর্মীদেরও গ্রেফতার এবং আটক করা হচ্ছে। গিলগিট-বাল্টিস্তান আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির বহু সদস্যকে জেলে পাঠানো হচ্ছে স্রেফ তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও অর্থনৈতিক অধিকারের দাবিকে দমন করতে।

    গিলগিট-বাল্টিস্তান

    প্রসঙ্গত, গিলগিট-বাল্টিস্তান পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের একটি অঞ্চল বলে দাবি করে ভারত, যদিও প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে পাকিস্তান।ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলটি জম্মু-কাশ্মীরের দেশীয় রাজ্যের অংশ ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত (India) স্বাধীন হওয়ার পর এবং দেশভাগের সময়, তৎকালীন শাসক মহারাজা হরি সিং জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার দলিলে সই করেছিলেন। যদিও তারপর থেকে গিলগিট-বাল্টিস্তান এবং তথাকথিত “আজাদ জম্মু-কাশ্মীর” পাকিস্তানের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গিলগিট-বাল্টিস্তান পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। পাক সরকার এলাকাটি শাসন করলেও, বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ওই এলাকার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল (Gilgit Baltistan Elections)। পাক সরকারের বিরুদ্ধে বাসিন্দাদের ক্ষোভের পারা ক্রমেই বাড়ছে (India)।

     

  • UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি পরিষেবা ও দ্রুত পুলিশি সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। সেই মডেল কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে সম্প্রতি লখনউ সফরে গেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের (West Bengal Police) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। রাজ্যের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) সুকেশ জৈন। লখনউয়ে ‘ইউপি-১১২’ সদর দফতরে গিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকাঠামো এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী খতিয়ে দেখেন।

    কীভাবে কাজ করে ‘ইউপি-১১২’?

    উত্তরপ্রদেশের জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থা ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) বর্তমানে দেশের অন্যতম সফল মডেল হিসেবে পরিচিত। অপরাধ, দুর্ঘটনা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, নারী নিরাপত্তা কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদের মুহূর্তে একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেয় এই পরিষেবা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিদের জানানো হয়, ‘ইউপি-১১২’-এ কোনও জরুরি ফোনকল যাতে উপেক্ষিত না হয়, তার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কোনও কল অপারেটর ব্যস্ত থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই কল অন্য উপলব্ধ অপারেটরের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হয়।

    মুহূর্তে শনাক্ত হয় কলারের অবস্থান

    প্রতিনিধিদলকে দেখানো হয় কীভাবে সিস্টেমটি কলারের অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে নিকটবর্তী পুলিশের কাছে তথ্য পাঠায়। এর ফলে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছতে পারে পুলিশ। এছাড়াও, প্রতিটি জরুরি কলের জন্য ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নথিভুক্ত থাকে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়ে ওঠে, যা সাধারণ মানুষের আস্থাও বাড়ায়।

    গড় সাড়া দেওয়ার সময় মাত্র সাড়ে ৬ মিনিট

    ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধিদলকে জানায়, উন্নত প্রযুক্তি ও সুসংহত ব্যবস্থাপনার কারণে তাদের গড় প্রতিক্রিয়া সময় প্রায় ৬.৫ মিনিট। বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির উত্তরপ্রদেশেও এই দ্রুত পরিষেবা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে।

    যোগী সরকারের পুলিশি সংস্কারের ফল

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)-এর আমলে উত্তরপ্রদেশে যে পুলিশি সংস্কার ও প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ হয়েছে, তারই অন্যতম সফল ফল ‘ইউপি-১১২’ (UP-112)। এক্ষেত্রে নজরদারি ব্যবস্থা, জরুরি পরিষেবা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং পুলিশ পরিকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে জননিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে কি চালু হবে একই মডেল?

    সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিজেদের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন সফল মডেল পর্যালোচনা করছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এখনও পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল চালুর বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি, তবে লখনউ সফর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও তথ্য ভবিষ্যতে রাজ্যের জরুরি পরিষেবা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Daily Horoscope 07 June 2026: নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 07 June 2026: নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাধার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) বুকের সমস্যা বৃদ্ধি।

    ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক অবসাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) দিনটি ভালো-খারাপ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ২) বিবাহ নিয়ে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভালো কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) মধুর ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ২) দাম্পত্য কলহের অবসান।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে কাজের জন্যে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) অন্যের জিনিসের উপর লোভ সামলাতে না পারলে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সংসারে মনঃকষ্ট।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) চাকরির জায়গায় বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Lord Ram Idol: বাংলাদেশে নির্মীয়মান রামের মূর্তি ভেঙে ফেলার ডাক উগ্র ইসলামপন্থী বক্তার

    Lord Ram Idol: বাংলাদেশে নির্মীয়মান রামের মূর্তি ভেঙে ফেলার ডাক উগ্র ইসলামপন্থী বক্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলায় ভগবান রামের (Lord Ram Idol) নির্মীয়মান একটি মূর্তি ভেঙে ফেলার হুমকি দিলেন উগ্র ইসলামপন্থী এক ব্যক্তি। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমান গোষ্ঠীগুলির নানা মন্তব্যও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হিন্দু দেবতা রামকে ‘হিন্দুত্বের প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে হিংসায় উসকানি দেওয়া হচ্ছে।

    উগ্র ইসলামি বক্তার হুমকি (Lord Ram Idol)

    ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক উগ্র ইসলামি বক্তা হুমকি দিয়ে বলেন, “পলাশবাড়ী উপজেলায় হিন্দুদের দেবতা রামের মূর্তি নির্মাণের কাজ যদি নির্বিঘ্নে চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, এ দেশে কোনও সম্মানিত ইসলামি আলেম নেই। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুত্ববাদীদের হাতে গণহত্যার শিকার হওয়ারই যোগ্য।” তিনি এও বলেন, “পলাশবাড়ীতে রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। সেটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দাও। সরকারকেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলতে হবে। সরকার যদি তা না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ (মুসলমানরা) সেটি ধ্বংস করবে। সরকারকে সাহায্য করা মুসলমানদের দায়িত্ব। বাংলাদেশে এই মন্দির ভেঙে ফেলতেই হবে।”

    ভারত দখলের হুমকি

    এর আগে ভারত দখলের হুমকি দিয়েছিলেন এই উগ্র ইসলামি বক্তা। তাঁর দাবি, “বাংলাদেশ থেকে ভারতের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালানো হবে। ভারত দখল করা হবে। মোদি ও তাঁর রাম রাজ্য গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের মুসলমানরা যদি একযোগে আক্রমণ করে, তাহলে ভারত এক ঘণ্টাও টিকতে পারবে না।” প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যেই চলছে এই আক্রমণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

     

  • Self Survey Housing Scheme: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি চালুর নির্দেশ পদ্ম সরকারের

    Self Survey Housing Scheme: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি চালুর নির্দেশ পদ্ম সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অন্যান্য রাজ্যের ধাঁচে এবার এ রাজ্যেও (West Bengal) চালু হচ্ছে ‘সেলফ সার্ভে’ বা স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেরাই আবাস প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন (Self Survey Housing Scheme)।

    আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি (Self Survey Housing Scheme)

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে ‘AwasPlus 2024’ এবং ‘AadhaarFaceRD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে আধার-ভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। এরপর সরকারি সার্ভেয়াররা আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী আবেদনকারী এই যোজনায় অনুদান পাওয়ার অধিকারী কিনা, তা যাচাই করবেন। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সার্ভেয়াররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে যোগ্য পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করবেন, যাতে কোনও প্রকৃত উপভোক্তা তালিকার বাইরে না রয়ে যান।

    ত্রিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা

    উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ত্রিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অন্তত ১০ শতাংশ পরিবারের তথ্য ব্লক বা মহকুমা স্তরে পুনরায় যাচাই করা হবে (Self Survey Housing Scheme)। পাশাপাশি ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্লকস্তরের আধিকারিকদের পৃথক পর্যালোচনা এবং ২ শতাংশ ক্ষেত্রে জেলাস্তরের আধিকারিকদের সরাসরি যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।প্রশাসনের দাবি, এই বহুমাত্রিক যাচাই ব্যবস্থার ফলে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হবে এবং সম্ভাব্য অনিয়ম বা ভুলত্রুটি সহজেই ধরা পড়বে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব বা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সমীক্ষা ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন (West Bengal) এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Self Survey Housing Scheme)।

     

  • Suvendu Adhikari: সিএএ মামলার পুরনো ফাইল খুলে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর, কীভাবে আদায় করা হবে ক্ষতিপূরণ, জানেন?

    Suvendu Adhikari: সিএএ মামলার পুরনো ফাইল খুলে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর, কীভাবে আদায় করা হবে ক্ষতিপূরণ, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের (CAA Protest Investigation) সময় ভাঙচুর করা হয়েছিল রেলের সম্পত্তি, আগুন লাগানো হয়েছিল ট্রেনে। ঘটনায় ফের তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে পুরনো মামলার ফাইল আবার খোলার নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    রেলমন্ত্রীর কাছে পদক্ষেপ করার অনুরোধ (Suvendu Adhikari)

    সূত্রের খবর, নবান্নে রেলের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বৈঠকের সময় রেলমন্ত্রীর কাছে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন শুভেন্দু। ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন এলাকায় সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় ট্রেনে ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল রেলের। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত হয়েছিল রেল পরিষেবা। বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল এবং ঘুরপথে চালিয়ে সামাল দেওয়া হয়েছিল পরিস্থিতি। জানা গিয়েছে, ভবানীপুরে আরপিএফের একটি বিশেষ অফিস গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বসেই পুরনো নথি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজ চলবে। তদন্তে প্রয়োজনীয় সমস্ত সহযোগিতা দেওয়ার জন্য রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও পুলিশের শীর্ষ কর্তাদেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

    ক্ষতিপূরণ আদায়

    আইন অনুযায়ী, রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা বা ভাঙচুর করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের অপরাধে জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) নির্দেশ, ক্ষতিগ্রস্ত রেল সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ অভিযুক্তদের কাছ থেকেই আদায় করতে হবে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে, আইন অনুযায়ী তার সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে (CAA Protest Investigation)। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে সরকারি তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি আদালতে। তাই নেওয়া হয়নি ব্যবস্থাও। এবার সেই ফাইল ফের খুলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কোমর কষে নেমেছে রাজ্যের পালাবদলের সরকার (Suvendu Adhikari)।

     

  • Indian Cricket Team: অস্তাচলে সূর্যকুমার, উদয় সূর্যবংশীর! ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক শ্রেয়স

    Indian Cricket Team: অস্তাচলে সূর্যকুমার, উদয় সূর্যবংশীর! ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক শ্রেয়স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ভারতীয় দলের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আয়ারের নাম ঘোষণা করল ভারতীয় বোর্ড। গত কয়েক দিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হয়ে গেল অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের যুগ। আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং এশিয়ান গেমসের দল নির্বাচনের পরেই এই ঘোষণা করে বিসিসিআই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দলে জায়গা পাননি। সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিলক বর্মা। যশপ্রীত বুমরাকে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজ না রাখা হলেও এশিয়ান গেমসের দলে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দলে অবশেষে সুযোগ পেয়েছেন তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী।

    নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    আগামী ২৬ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এর পরপরই ১ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া। তারপর রয়েছে ২০২৬ এশিয়ান গেমস। এই দল ঘোষণার সবচেয়ে বড় চমক লুকিয়ে রয়েছে অধিনায়কত্বে। ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বের ব্যাটন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। তাঁর পরিবর্তে আয়ারল্যান্ড সফর, ইংল্যান্ড সিরিজ এবং এশিয়ান গেমসে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের (Shreyas Iyer) কাঁধে। অনেকেই মনে করছেন, অজিত আগরকরের অধীনে নির্বাচক কমিটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

    উদয় সূর্যবংশীর

    মুম্বইয়ে বোর্ডের সদর দফতরে জাতীয় নির্বাচকদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। সেই বৈঠকেই সূর্যকুমার যাদবকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে হার্দিক পাণ্ডিয়া এবং রিঙ্কু সিংকে। তবে বড় চমক হিসাবে প্রথমবারের মতো ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছে মাত্র ১৫ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশী। আইপিএলে দারুণ পারফরম্যান্স করে আলোচনায় আসা এই কিশোরকে নিয়ে আগে থেকেই আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ঘোষিত তিনটি দলেই তাকে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক হলে বয়সের দিক থেকে সে ভেঙে দিতে পারে শচীন তেণ্ডুলকরের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলেন লিটল মাস্টার। আর বৈভবের বয়স এখন মাত্র ১৫ বছর ৭১ দিন। ফলে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামলেই সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে।

    বৈভবকে নিয়ে আশাবাদী নির্বাচকরা

    জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগরকর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আইপিএলে টানা দুই মরশুম ও অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই তাকে দলে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। তিনি বলেন, “বৈভব নিজের যোগ্যতায় সুযোগ পেয়েছে। ওর পারফরম্যান্সই ওকে দলে নিতে বাধ্য করেছে। ও খুবই তরুণ। কিন্তু আইপিএলে ও অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে ভালো খেলেছে। আমরা সবাই ওর প্রতিভা ও মানসিক দৃঢ়তা দেখতে পাচ্ছি। সুযোগ পেলে নিজের সামর্থ্য আবারও প্রমাণ করবে বলেই আমরা আশাবাদী।”

    আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ভারতের দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষন, শিবম দুবে, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর পটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সি ভি বরুণ, রবি বিষ্ণোই, মহম্মদ সিরাজ, হর্ষিত রানা, আরশদীপ সিংহ, প্রিন্স যাদব, বৈভব সূর্যবংশী।

    এশিয়ান গেমসের নির্বাচিত দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষন, শিবম দুবে, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর পটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সিভি বরুণ, রবি বিষ্ণোই, হর্ষিত রানা, আর্শদীপ সিংহ, বৈভব সূর্যবংশী, যশপ্রীত বুমরা

LinkedIn
Share