Tag: বাংলা খবর

  • West Bengal Corruption Investigation: ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার দুর্নীতির তদন্তে গঠিত বিশেষ কমিশন, মাথায় অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

    West Bengal Corruption Investigation: ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার দুর্নীতির তদন্তে গঠিত বিশেষ কমিশন, মাথায় অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে সরকারে আসে তৃণমূল। ২০২৬ পর্যন্ত একাধারে মসনদে রাজ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তৃণমূলের এই অপশাসনের রাজত্বে সামনে এসেছে ভূরি ভূরি দুর্নীতির অভিযোগ। আর্থিক দুর্নীতি থেকে, লটারি, শিক্ষা ও কয়লা- দুর্নীতির অভিযোগে বর্তমানে জেলেও রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট। এবার পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ওঠা একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির পাহাড় খতিয়ে দেখতে বড়সড় পদক্ষেপ রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকারের (West Bengal Corruption Investigation)। বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময়ের সমস্ত দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে একটি ‘বিশেষ কমিশন’ (Special Commission) গঠন নবান্নের।

    নবান্নের বিজ্ঞপ্তি

    সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দফতর, প্রকল্প এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ওঠা যাবতীয় দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে এই কমিশন। এই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশনের (Special Commission) চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

    স্ক্যানারে কোন কোন দফতর?

    নবান্ন সূত্রের খবর, ২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত গত দেড় দশকে শিক্ষা, খাদ্য ও জোগান, ত্রাণ ও বিপর্যয় মোকাবিলা, পুরসভা, পঞ্চায়েত, আবাসন, মৎস্য-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতরে ওঠা দুর্নীতির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করবে এই কমিশন। কমিশনের তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে, আমফান-পরবর্তী ত্রাণ বণ্টনে আর্থিক অনিয়ম এবং বিভিন্ন কর্মসংস্থান প্রকল্পে ওঠা তছরুপের অভিযোগ। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগে অনিয়ম, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং মিড-ডে মিল প্রকল্পের আর্থিক গরমিল। সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অপব্যবহার, সরকারি হাসপাতাল এবং চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত বেনিয়মের অভিযোগ।

    শুধুই আর্থিক নয়, তদন্তে ক্ষমতার অপব্যবহারও

    কমিশনের তদন্তের এক্তিয়ার শুধু আর্থিক দুর্নীতিতেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং এর পরিধি অনেকটাই বিস্তৃত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত বেআইনি গ্রেফতার বা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগগুলোও এবার খতিয়ে দেখা হবে। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বেআইনি নির্মাণ রুখতে প্রশাসনের একাংশের নিষ্ক্রিয়তা বা মদত ছিল কি না? তা-ও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুরসভার নিয়ম লঙ্ঘন করে কীভাবে একের পর এক বেআইনি নির্মাণ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল? তার নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালীদের চিহ্নিত করা হবে।

    কারা থাকছেন কমিটিতে?

    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই বিশেষ কমিশনের (Special Commission) প্রশাসনিক কাঠামোও অত্যন্ত মজবুত করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে এই বিশেষ টিমে থাকছেন একজন প্রবীণ আইপিএস (IPS) আধিকারিক। থাকছেন একজন আইএএস (IAS) বা ডব্লিউবিসিএস (WBCS) আধিকারিক। প্রযুক্তিগত ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়ে কমিশনকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবেন পশ্চিমবঙ্গ রাজস্ব পরিষেবা (WBRS)-র একজন আধিকারিক। প্রয়োজনে রাজ্য সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে কমিশন আরও সদস্য নিয়োগ করতে পারবে।

    সিভিল কোর্টের ক্ষমতা ও টাকা উদ্ধারের সুপারিশ

    কমিশনকে তদন্তের সুবিধার্থে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ‘সিভিল কোর্ট’ বা দেওয়ানি আদালতের সমতুল্য ক্ষমতা। ফলে কমিশন প্রয়োজনে, যে কোনও ব্যক্তি বা সরকারি আধিকারিককে তলব করে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। প্রয়োজনীয় গোপন নথি তলব ও সাক্ষ্যও গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়াও তদন্তের স্বার্থে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে বসে শুনানি ও অনুসন্ধান চালানোর অবাধ অধিকার থাকবে কমিশনের কাছে। এরইমধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা অপচয় হয়েছে, তা কীভাবে উদ্ধার (Recovery) করা সম্ভব? সেই বিষয়েও সরকারকে নির্দিষ্ট সুপারিশ করতে পারবে এই কমিশন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে কমিশনকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী সময়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ফলে বিগত দেড় দশকের একাধিক হেভিওয়েট দুর্নীতির তদন্তে এই বিশেষ কমিশনের ভূমিকা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতি ও প্রশাসনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মোড় ঘোরানো হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Taslima Nasrin Kolkata Return: বাম-তৃণমূলের ১৯ বছরের ‘অচলাবস্থা’ ভাঙল নতুন সরকার, সশরীরে কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা

    Taslima Nasrin Kolkata Return: বাম-তৃণমূলের ১৯ বছরের ‘অচলাবস্থা’ ভাঙল নতুন সরকার, সশরীরে কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে কাটল দীর্ঘ ১৯ বছরের নির্বাসন দশা। ‘দ্বিতীয় ঘরে’ ফিরছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। বাম আমল থেকে শুরু করে তৃণমূল জমানা- যে কলকাতার মাটি ছোঁয়ার অনুমতি মেলেনি বারবার, অবশেষে সেই প্রিয় শহরেই সশরীরে ফিরছেন বাংলাদেশের বিতর্কিত তথা লড়াকু সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার (West Bengal Government) ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যেই তাঁর ফেরার এই পথ সুগম হলো। জীবিতাবস্থায় কলকাতায় ফেরার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন লেখিকা।

    কে তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)?

    তসলিমা নাসরিন পেশায় চিকিৎসক হলেও মূলত একজন প্রখ্যাত ও আপসহীন সাহিত্যিক। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই লেখিকা তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে নারীবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও মানবাধিকারের সপক্ষে সোচ্চার হয়েছেন। ১৯৯৩ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হওয়া নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তিনি লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘লজ্জা’। এই বইটির প্রকাশের পর থেকেই ধর্মীয় মৌলবাদীদের রোষানলে পড়েন তিনি, তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা হয় ফতোয়া।

    কেন রাজ্য (কলকাতা) ছাড়তে হয়েছিল?

    বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin) কলকাতাকেই নিজের দ্বিতীয় বাড়ি বানিয়েছিলেন। কিন্তু এখানেও শান্তিতে থাকতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতায় তসলিমার উপস্থিতির বিরুদ্ধে এবং তাঁর ভিসা বাতিলের দাবিতে কিছু উগ্রপন্থী সংগঠন শহরে ব্যাপক হাঙ্গামা ও হিংসাত্মক আন্দোলন সৃষ্টি করে। তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতির দোহাই দিয়ে কার্যত তসলিমা নাসরিনকে তড়িঘড়ি কলকাতা ছাড়তে বাধ্য করে। পরবর্তীকালে তৃণমূলের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনেও সেই অচলাবস্থা কাটেনি। এমনকী বইমেলায় তাঁর বই প্রকাশ নিয়েও বারবার জট তৈরি হয়েছে। মূলত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় চাপের কারণেই কোনও সরকারই তাঁকে কলকাতায় ফেরানোর ঝুঁকি নিতে চায়নি।

    বিজেপি সরকারকে ধন্যবাদ

    কলকাতায় ফেরার অনুমতি পেয়েই বর্তমান রাজ্য সরকারকে (West Bengal Government) ধন্যবাদ জানিয়েছেন তসলিমা (Taslima Nasrin)। তিনি বলেন, ‘‘আগের সরকারগুলি যে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি অথবা নিতে চায়নি, নতুন সরকার সেই অচলাবস্থা ভাঙার চেষ্টা করেছে। একজন লেখককে তাঁর প্রিয় শহর থেকে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় চাপে নির্বাসিত করে রাখা কোনও গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য গৌরবের বিষয় নয়।’’ নিজের বিখ্যাত ‘প্রশ্ন’ কবিতার কথা স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,  একসময় ভেবেছিলেন মৃত্যুর পরই হয়ত কলকাতা তাঁকে গ্রহণ করবে, কিন্তু জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারার আনন্দই আলাদা। এই প্রত্যাবর্তনের জন্য তিনি কলকাতার সাধারণ মানুষ ও বিজেপি সরকারকে কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালেই রাজ্যসভায় এই বিষয়ে সওয়াল করেছিলেন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। কেন তসলিমাকে কলকাতা থেকে বিতারণ? তা নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন বামেদের বিরুদ্ধেও। তসলিমার এই প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থেই বাম ও তৃণমূল সরকার এতদিন লেখিকাকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। তিনি বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়ন, হিন্দুদের উপরে অত্যাচারের বিরুদ্ধে বই লিখেছিলেন৷ সেই বই আবার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বাজেয়াপ্ত করিয়েছিলেন৷ প্রকৃত সত্য যাতে সামনে না আসে৷’’ সব মিলিয়ে, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তসলিমা নাসরিনের এই ঘরে ফেরা শুধু এক ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়, বরং মুক্তচিন্তা ও বাকস্বাধীনতার এক নতুন জয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

  • Malaria New Drug: এক ডোজেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশা! কলকাতায় শেষ পর্যায়ে নতুন ওষুধের ট্রায়াল

    Malaria New Drug: এক ডোজেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশা! কলকাতায় শেষ পর্যায়ে নতুন ওষুধের ট্রায়াল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। তবে মশাবাহিত এই রোগে শুধু সংক্রমণের দাপটের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে না। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগের বদলে যাওয়া প্রকৃতি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তবে, রোগের চরিত্র বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ম্যালেরিয়ার দাপটকে কাবু করতে আরো সক্রিয় ওষুধ তৈরির প্রস্তুতিও চলছে। খোদ কলকাতাতেই পরীক্ষা চলছে। আক্রান্তের কাছে একটা ডোজ পৌঁছে গেলেই, ম্যালেরিয়ার দাপট কমবে। গবেষকেরা এমনটাই আশা করছেন।

    কেন ম্যালেরিয়ার চরিত্র বদল হচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার বদল হচ্ছে। পৃথিবী জুড়েই জলবায়ুর পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানির মতো ইউরোপের দেশগুলোর পাশপাশি ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে জলবায়ুর পরিবর্তনের বিশাল প্রভাব পড়ছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্যে। একাধিক রোগের প্রকৃতি বদল হচ্ছে। নানান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার চরিত্র ও বদলে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের জেরে বদলে গিয়েছে ম্যালেরিয়ার চরিত্র। মশাবাহিত এই রোগ আগের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

    বদলে যাওয়া রূপে কতখানি বিপদ বাড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ার ওষুধ রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে তাই ম্যালেরিয়া তুলনামূলক কম বিপজ্জনক বলেই মনে হয়। কিন্তু চরিত্র বদল করে ম্যালেরিয়া ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সাধারণত দুই তিন দিন জ্বরের পরে পরীক্ষা করিয়ে আক্রান্ত সংক্রমণের বিষয়ে জানতে পারেন। তারপরে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু নতুন চরিত্রের এই ম্যালেরিয়া মাত্র দুই-তিন দিনের মধ্যেই শরীরে গভীর প্রভাব ফেলছে। বিশেষত অন্ত্র, লিভার, মস্তিষ্কের উপরে গভীর ক্ষত তৈরি করছে। একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিচ্ছে। ফলে, শরীরের সক্রিয়তা কমছে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। বাজার চলতি ওষুধে রোগ প্রতিরোধ করতে যে সময় নিচ্ছে, তাতে আক্রান্তের অবস্থা আরও সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে। ফলে, মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ম্যালেরিয়া সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

    নয়া দাওয়াইয়ে কেন বাড়তি ভরসা?

    কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে ম্যালেরিয়া নিয়ে নতুন ওষুধের পরীক্ষা চলছে। প্রস্তুতি পর্ব প্রায় শেষের দিকে। কর্তৃপক্ষের একাংশ জানাচ্ছেন, নতুন ওষুধ ম্যালেরিয়ার বাড়তি সঙ্কটের বোঝা কমাতে পারবে। তাঁরা আশাবাদী, ম্যালেরিয়ার চরিত্র বদল হয়ে যাওয়ায়, যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় নতুন ওষুধ বাড়তি সাহায্য করবে। নতুন ওষুধের চতুর্থ পর্বের ট্রায়াল চলছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন ওষুধ মাত্র একটা ডোজেই কাজ করবে। যে কোনও রকমের ম্যালেরিয়া মোকাবিলা করতে এক ডোজেই সাহায্য হবে। বাজার চলতি ম্যালেরিয়ার ওষুধ একাধিকবার খেতে হয়। ম্যালেরিয়া এখন আরও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে দ্রুত নিরাময় জরুরি। না হলেই লিভার, অন্ত্র ও মস্তিষ্ক বিকল হয়ে যাওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই ম্যালেরিয়া দ্রুত নিরাময় করতে সাহায্য করবে, এমন ওষুধ প্রয়োজন। নতুন ওষুধ সেই কাজে সক্ষম হবে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কলকাতা ও তার আশপাশে কেন বাড়ছে ম্যালেরিয়ার দাপট?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক বছরেই ম্যালেরিয়ার দাপট উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে একদিকে ম্যালেরিয়া আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আবার আরেকদিকে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জনসচেতনতার অভাব। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া সহ একাধিক জেলায় দাপট বাড়াচ্ছে। গত বছরেও জুন মাস থেকে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছিল। চলতি বছরেও এই সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় অধিকাংশ জায়গায় নিকাশি ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় মারাত্মক জল জমে। একদিন বৃষ্টি হলেই কয়েক দিন ধরে জমা জলের ভোগান্তি থাকে। এগুলো মশার বংশবিস্তার করে। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন বাগান, বাড়ির আশপাশের এলাকায় জল জমলেও মশাবাহিত রোগের দাপট বাড়তে থাকে। তাই ম্যালেরিয়ার দাপট ও বাড়ে।
    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, প্রচন্ড জ্বর, তীব্র মাথার যন্ত্রণা, বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো শারীরিক পরীক্ষা করানো জরুরি। রোগ নির্ণয়ে দেরি হলে ম্যালেরিয়া মোকাবিলা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

  • Sagar Beg Threat Case: সাগর বেগকে ‘খুনের হুমকি’, পাকিস্তান-ভিত্তিক ‘জঙ্গি-গ্যাংস্টার’ সিন্ডিকেটের পর্দাফাঁস! নেপথ্যে কে?

    Sagar Beg Threat Case: সাগর বেগকে ‘খুনের হুমকি’, পাকিস্তান-ভিত্তিক ‘জঙ্গি-গ্যাংস্টার’ সিন্ডিকেটের পর্দাফাঁস! নেপথ্যে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের হিন্দু নেতা সাগর বেগ (Sagar Beg)। এবার সেই হিন্দু নেতাকেই প্রকাশ্যে হুমকির অভিযোগের (Sagar Beg Threat Case) ঘটনায় চাঞ্চল্য। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (Intelligence Agencies) ও দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। এই হুমকির নেপথ্যে নাকি রয়েছে পাকিস্তানি কুখ্যাত “টেরর-ক্রাইম সিন্ডিকেট” (Terror-Gangster Syndicate)।

    কে এই হিন্দু নেতা?

    মহারাষ্ট্রের আহিল্যানগর (পূর্বতন আহমেদনগর) জেলার শ্রীরামপুর (Shrirampur) এলাকার বাসিন্দা সাগর বেগ (Sagar Beg)।২০২৪ সালের মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে শ্রীরামপুর আসন থেকে স্বতন্ত্র (Independent) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। প্রায় ২১.৯৫% ভোটও পেয়েছিলেন সাগর বেগ (Sagar Beg)। তিনি মূলত হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন ইস্যুতে কড়া ও উগ্র বক্তব্য রাখার জন্য পরিচিত। সম্প্রতি শ্রীরামপুরের এই নেতার বাড়িতেই বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া এবং তাঁকে খুনের জন্য গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির সিন্ডিকেট থেকে সরাসরি হুমকির অভিযোগ ওঠে।

    কী অভিযোগ সাগর বেগের?

    হিন্দু নেতার অভিযোগ,”পাকিস্তানের কুখ্যাত গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি এবং আজমল গুজ্জর তাঁর এবং তাঁর ভাইয়ের উপর নজরদারি চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বাড়ি পেট্রল বোমা বা আইইডি (IED) দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার জন্য ভারতের স্থানীয় অপরাধীদের মোটা অঙ্কের টাকা ও অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে”। বান্টি জাহাঙ্গীরদার হত্যাকাণ্ডেও তাঁর নাম জড়ানো নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছেন। সাগর বেগের আরও দাবি, তিনি একজন হিন্দুত্ববাদী নেতা হিসেবে সনাতন ধর্মের জন্য কাজ করেন এবং রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। তাই তাঁর বিরোধীরা পাকিস্তানের এই অপরাধী সিন্ডিকেটের সঙ্গে হাত মিলিয়ে খুনের মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে ‘জেড প্লাস’ বা সর্বোচ্চ স্তরের কড়া নিরাপত্তা দাবি করেছেন সাগর বেগ (Sagar Beg)।

    পরিকল্পনা ‘টার্গেট কিলিং’!

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলির প্রাথমিক ধারণা, ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্যই এই ধরনের “টার্গেট কিলিং”-এর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। হুমকিদাতাদের সঙ্গে পাকিস্তানের কুখ্যাত অপরাধী ও জঙ্গি নেটওয়ার্কের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের অভ্যন্তরে নাশকতা চালানোর চেষ্টা করছে।

    সরকারের পদক্ষেপ

    এদিকে, সাগর বেগের উপর হামলার হুমকির (Sagar Beg Threat Case) বিষয়টি জানার পরই কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকার। তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে জোরদার করা হয়েছে। সেরাজ্যের পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো হুমকিদাতাদের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট, আইপি অ্যাড্রেস এবং যোগাযোগের উৎসগুলো চিহ্নিত করার জন্য প্রযুক্তিগত তদন্ত শুরু করেছে। মহারাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

    হত্যা-হুমকির মূল ট্রিগার

    তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, সাগর বেগকে হত্যার এই প্রকাশ্য হুমকির নেপথ্যে রয়েছে শ্রীরামপুর এলাকার সাম্প্রতিক তীব্র রাজনৈতিক ও অপরাধমূলক শত্রুতা, যার ট্রিগার ছিল বান্টি জাহাঙ্গীরদার হত্যাকাণ্ড।

    কে এই বান্টি জাহাঙ্গীরদার? আসলাম সাব্বির শেখ ওরফে বান্টি জাহাঙ্গীরদার। ২০১২ সালের পুনে সিরিয়াল বম্ব ব্লাস্ট (Jangli Maharaj Road blasts) মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ২০২৩ সালে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে আহমেদনগরের শ্রীরামপুর এলাকায় ফিরে আসে এবং স্থানীয় রাজনীতিতে নিজের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করতে থাকে। ২০২৫-এর ৩১ ডিসেম্বর, দুই বাইক আরোহী শুটারের এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন হয় আসলাম সাব্বির শেখ ওরফে বান্টি জাহাঙ্গীরদার। এই খুনের নেপথ্যে নাম জড়িয়েছিল সাগর বেগেরও। বান্টি জাহাঙ্গীরদারের এই খুনের পরই পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি এবং আজমল গুজ্জরের সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। জাহাঙ্গীরদারের হত্যার “প্রতিশোধ” নিতেই এই পাকিস্তানি নেক্সাসটি প্রকাশ্যে সাগর বেগকে তাদের পরবর্তী টার্গেট হিসেবে ঘোষণা করেছে, বলেও মনে করা হচ্ছে।

    নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড শাহজাদ ভাট্টি!

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রটি প্রথাগত কোনও একক জঙ্গি সংগঠন নয়। এটি অপরাধ ও সন্ত্রাসের মেলবন্ধনে তৈরি একটি “হাইব্রিড মডেল”, যার মাস্টারমাইন্ড পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি (Shahzad Bhatti)। সূত্রের খবর, শাহজাদ ভাট্টি ও তার সহযোগী আজমল গুজ্জর বর্তমানে পাকিস্তান অথবা বিদেশের কোনও নিরাপদ আস্তানা থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে অপরাধ চক্র পরিচালনা করছে। সূত্রের খবর, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে ভারতের বেকার বা লক্ষ্যচ্যুত যুবকদের টার্গেট করা হচ্ছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের দাবি, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা ও সুরক্ষায় ভাট্টি এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে।

    ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল

    সীমান্তপার থেকে পরিচালিত এই বিপজ্জনক নেক্সাসকে গুঁড়িয়ে দিতে এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে। এই হাইব্রিড থ্রেট মোকাবিলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA), গোয়েন্দা ব্যুরো (IB), রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (R&AW) এবং বিভিন্ন রাজ্যের স্পেশাল সেল বা এটিএস (ATS) এখন যৌথভাবে কাজ করছে। রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে যে কোনও চক্রান্ত শুরুতেই নসাৎ করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে ড্রোন অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF) এখন অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, জ্যামার এবং থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়েছে। শাহজাদ ভাট্টির মতো গ্যাংস্টাররা যেহেতু ভারতের তরুণদের ফাঁদে ফেলতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে, তাই সাইবার উইংগুলো ডার্ক ওয়েব, সন্দেহভাজন ইনস্টাগ্রাম/টেলিগ্রাম গ্রুপগুলোর উপর কড়া নজর রাখছে। উস্কানিমূলক আইডিগুলো ব্লক করার পাশাপাশি এদের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করা হচ্ছে। বিদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা গ্যাংস্টারদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকার কঠোর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ (Red Corner Notice) জারি করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে এদের আর্থিক লেনদেন বন্ধ করার জন্য কাজ চলছে।

    ভারতের অটল অবস্থান

    ভারতের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নীতি এখন অত্যন্ত স্পষ্ট—”জিরো টলারেন্স” (Zero Tolerance)। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বারবার স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, ভারতের অভ্যন্তরীণ শান্তি বিঘ্নিত করার কোনও অপচেষ্টাই বরদাস্ত করা হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সাগর বেগের মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রশাসন যেকোনও চরম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। পাকিস্তান-ভিত্তিক এই ধূর্ত ও হাইব্রিড নেটওয়ার্কের কোমর ভেঙে দিতে ভারতের এই সর্বাত্মক প্রতিরোধ যুদ্ধ আগামী দিনে আরও তীব্র হবে।

     

  • Bangladesh: গ্রেফতার ৮১ ফুটের রাম মূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা, ‘বাছাইকৃত বিচার’- সরব হিন্দু সংগঠনগুলো

    Bangladesh: গ্রেফতার ৮১ ফুটের রাম মূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা, ‘বাছাইকৃত বিচার’- সরব হিন্দু সংগঠনগুলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পটপরিবর্তনের আবহে ফের একবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার এবং বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। সম্প্রতি ৮১ ফুটের একটি শ্রীরাম মূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার (Haridas Chandra Arrest) করেছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর এই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে একাধিক হিন্দু অধিকার রক্ষা সংগঠন। তাদের দাবি, দেশে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে “বাছাইকৃত বিচার” (Selective Justice) চালানো হচ্ছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    স্থানীয় সূত্র ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের গাইবান্ধায় বিশাল আকৃতির (৮১ ফুট) একটি রাম মূর্তি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দাবি করা হচ্ছিল, এটি নির্মিত হলে তা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এবং বিশ্বের অন্যতম উঁচু রাম মূর্তি হতো। এই উদ্যোগের পর থেকেই স্থানীয় কিছু গোষ্ঠী ও প্রশাসনের একাংশের পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা হয়। মূর্তি নির্মাণের আইনি বৈধতা, জমির মালিকানা এবং ধর্মীয় অনুভূতির অজুহাত দেখিয়ে এই প্রকল্পের বিরোধিতা করা শুরু হয়। এই বিতর্কের জেরেই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার (Haridas Chandra Arrest) করে পুলিশ।

    পুলিশের দাবি

    পুলিশের দাবি, এই গ্রেপ্তারের সঙ্গে রাম মূর্তি বিতর্কের কোনও সম্পর্ক নেই, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট আর্থিক অপরাধের মামলা।২০২০- ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তাঁর ৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং ৪টি মোবাইল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা হয় এবং প্রায় সমপরিমাণ টাকা তুলেও নেওয়া হয়। কোনও বৈধ পেশা বা আয়ের উৎস ছাড়াই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। সিআইডির দাবি, হরিদাস এবং তাঁর সহযোগীরা অবৈধ ‘হুন্ডি’ ও হাওয়ালার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের একটি চক্র গড়ে তুলেছিল।

    হিন্দু সংগঠনগুলোর তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া

    পুলিশ বিষয়টিকে মানি লন্ডারিং হিসেবে দেখালেও, হিন্দু ধর্মীয় ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, মন্দিরের জন্য সংগৃহীত অনুদানকে অবৈধ প্রতিপন্ন করতে এবং ৮১ ফুটের রাম মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতেই পুলিশ এই সাজানো মামলা এনেছে। হরিদাস চন্দ্রের গ্রেপ্তারের (Haridas Chandra Arrest) খবর সামনে আসতেই তীব্র নিন্দা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক স্তরের বিভিন্ন হিন্দু অধিকার রক্ষা গোষ্ঠীর। সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে:

    “বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘু হিন্দুদের ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙচুর, জমি দখল এবং উৎসব উদযাপনে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। সেই সমস্ত ঘটনায় দোষীরা পার পেয়ে গেলেও, একটি ধর্মীয় মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় হরিদাস চন্দ্রকে যেভাবে দ্রুততার সাথে গ্রেপ্তার করা হলো, তা চরম বৈষম্যমূলক।”

    তাদের আরও অভিযোগ, অপরাধের বিচার সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। কিন্তু এখানে বেছে বেছে শুধু হিন্দুদের কণ্ঠরোধ করার জন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ দেখানো হচ্ছে। নিজের জমিতে বা নির্দিষ্ট নিয়মে ধর্মীয় প্রতীক বা মূর্তি নির্মাণ করা যেকোনও নাগরিকের মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতাই খর্ব করা হয়েছে। এই ধরণের আইনি পদক্ষেপের ফলে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও বেশি মাত্রায় ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বারবার সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে আসছে। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র এবং হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের মতো ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের ঘটনা সরকারের সেই আশ্বাসকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। অধিকারকর্মীরা দ্রুত হরিদাস চন্দ্রের নিঃশর্ত মুক্তি এবং এই ঘটনার পিছনে থাকা প্রকৃত উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

  • Rath Yatra Weather Update: রথযাত্রায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি! দক্ষিণবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা মৎস্যজীবীদের

    Rath Yatra Weather Update: রথযাত্রায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি! দক্ষিণবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা মৎস্যজীবীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথের মেলায় এবার সঙ্গী হতে চলেছে ছাতা আর রেনকোট! আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস তো তেমনটাই বলছে। আগামী ১৬ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে রথযাত্রা। এবার রথযাত্রার দিনসহ বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে বাংলা (Rath Yatra Weather Update)। কী বলছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর?

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস (Rath Yatra Weather Update)

    পবিত্র রথযাত্রার দিনসহ আগামী কয়েক দিন রাজ্যজুড়ে দফায় দফায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির দাপট বেশি থাকবে। একই সঙ্গে সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে এবং দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টি নামবে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    রথের দিন বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Heavy Rain Forecast)। হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উৎসবের দিনেই দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, যা রথের আনন্দ কিছুটা মাটি করতে পারে বলেও আশঙ্কা। অন্যদিকে, সপ্তাহের শেষে বৃষ্টির দাপট মূলত পশ্চিমের জেলাগুলোতে বেশি থাকবে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টি!

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় সপ্তাহের মাঝে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কম থাকবে । বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও কোনও বিশেষ সতর্কতা বা অ্যালার্ট নেই। তবে শনিবার থেকে চিত্রটা বদলে যাবে। সপ্তাহান্তে ফের দুর্যোগ ফিরবে পাহাড়ে। আগামী রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং দার্জিলিংয়ে অতি ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain Forecast) লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরের বাকি জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    মৎস্যজীবীদের জন্য লাল সতর্কতা

    সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের জেরে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সমুদ্র চরম উত্তাল থাকবে। এই সময়ে সমুদ্রের উপর ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মৎস্যজীবীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়ার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।

    কেন এই অকাল দুর্যোগ?

    আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমানে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল হয়ে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশের উপর থাকা ঘূর্ণাবর্তটি আরও দক্ষিণে সরে এসে উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে। বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত আরও একটি অক্ষরেখার কারণে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। এই জোড়া ফলার প্রভাবেই রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে অঝোর ধারায় বৃষ্টির পরিস্থিতি।

    অন্যদিকে, আজ শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি এবং ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছানোর কারণে বৃষ্টি না হলে ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তিও বজায় থাকবে।

  • US Citizen Arrested: পাসপোর্ট ছাড়াই নেপাল সীমান্তে ধৃত মার্কিন নাগরিক, নিজেকে প্রাক্তন নৌসেনা অফিসার বলে দাবি!

    US Citizen Arrested: পাসপোর্ট ছাড়াই নেপাল সীমান্তে ধৃত মার্কিন নাগরিক, নিজেকে প্রাক্তন নৌসেনা অফিসার বলে দাবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি ছাড়াই অবৈধভাবে নেপাল সীমান্ত (Nepal Border) পার হওয়ার চেষ্টা! অভিযোগে এক মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার (US Citizen Arrested) করল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (SSB)। উত্তরপ্রদেশের মহরাজগঞ্জ জেলার সোনৌলি সীমান্ত এলাকা থেকে আটক জর্ডান ব্রাউন (৩৬) নামের ওই ব্যক্তি। ধৃত ব্যক্তি নিজেকে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা এবং মার্কিন নৌবাহিনীর (US Navy) প্রাক্তন কর্মকর্তা বলে দাবি করেছেন। এসএসবি (SSB)-এর ২২ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা মৈনিহাওয়া এলাকার ৫১৬ নম্বর সীমান্ত (Border Security) পিলারের কাছে রুটিন টহল দেওয়ার সময় ওই ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন। জওয়ানেরা তাঁকে থামতে বললেই পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাঁকে ধরে ফেলে।

    থাইল্যান্ডে পাসপোর্ট হারিয়ে গোয়ায়!

    মহরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, জেরার মুখে জর্ডান ব্রাউন দাবি করেছেন, তিনি পর্যটন ভিসা নিয়ে থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই কোনওভাবে তাঁর পাসপোর্টটি হারিয়ে যায়। এরপর তিনি সমুদ্রপথে প্রথমে শ্রীলঙ্কা এবং পরে ২০১৫ সালের ২ নভেম্বর ভারতে প্রবেশ করেন। গত প্রায় সাত মাস ধরে তিনি ভারতের গোয়ায় কোনও নথিপত্র ছাড়াই বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি তিনি গোয়া থেকে বেঙ্গালুরু হয়ে সোনৌলি সীমান্তে পৌঁছান এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে নেপালে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। ইতিমধ্যেই তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৩১,৪৬০ টাকা নগদ এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কোনও পাসপোর্ট বা ভিসা তিনি দেখাতে পারেননি। এরপর এসএসবি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের (UP Police) হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিক আইনের (Immigration and Foreigners Act) ২১/২৩ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে সোনৌলি থানার পুলিশ।

    ধৃত ৫ ইউক্রেনীয় ও ১ মার্কিন নাগরিক

    অন্যদিকে, মিয়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে যুদ্ধ ও ড্রোনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে পাঁচ ইউক্রেনীয় এবং একজন মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার (US Citizen Arrested) করেছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ধৃতদের গত ৩ জুলাই পাতিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করা হয়। এনআইএ-এর অভিযোগ, এই বিদেশি নাগরিকেরা প্রথমে পর্যটন ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং এরপর মিজোরাম সীমান্ত হয়ে অবৈধভাবে মিয়ানমারে যান। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে ওই গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোন যুদ্ধ এবং অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে বর্তমানে তাঁরা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

  • Wayanad landslide: ওয়েনাডে ভয়াবহ ভূমিধস, ‘কোথায় সাংসদ? ছোট্ট ট্যুইটেই দায় সারলেন প্রিয়াঙ্কা!’ কটাক্ষ বিজেপির

    Wayanad landslide: ওয়েনাডে ভয়াবহ ভূমিধস, ‘কোথায় সাংসদ? ছোট্ট ট্যুইটেই দায় সারলেন প্রিয়াঙ্কা!’ কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের ওয়েনাডে তখন চলছিল সুড়ঙ্গ প্রকল্পের কাজ। আচমকাই ঘটে বিপত্তি। নেমে আসে ভয়াবহ ভূমিধস (Wayanad landslide)। ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮, আহত বহু। কিন্তু কোথাও দেখা নেই সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (Where Is Priyanka)। এত বড় ঘটনা! যেখানে ৮ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ গেল? সেখানে একবারও খোঁজ নিতে আসতে পারলেন না সাংসদ?

    দায় সারলেন সাংসদ?

    ওয়েনাডে বিপর্যয়ের (Wayanad landslide) পর এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার পরিবর্তে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করতেই হয়তো বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি সঙ্কটের এই মুহূর্তে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ওয়েনাডের সাংসদ। কিন্তু সত্যিই কি পাশে দাঁড়ালেন সাংসদ? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

    এত বড় বিপর্যয়, কোথায় সাংসদ (Where Is Priyanka)?

    প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই ওয়েনাডের আনাক্কাম্পোইল-মেপ্পাডি টুইন-টিউব টানেল প্রকল্পে কাজ করার সময় আচমকাই ভূমিধস নামে। অভিযোগ, ভূমিধসের (Wayanad landslide) পর থেকে একবারও নাকি এলাকা পরিদর্শনে আসেননি কংগ্রেস নেত্রী তথা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ছোট্ট একটি ট্যুইট করেই দায় সারলেন প্রিয়াঙ্কা? প্রশ্ন তুলে সরব বিজেপি। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে চাঁচাছোলা আক্রমণ বিজেপির৷  কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ। ওয়েনাডকে ‘রাজনৈতিক ঘুঁটি’ বানিয়ে রেখেছে গান্ধী পরিবার৷ দাবি বিজেপির।

    বিজেপির অভিযোগ

    রবিবার বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সি আর কেশবন এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন,”ওয়েনাড প্রথম থেকেই কংগ্রেস পরিবারের কাছে শুধুই একটি রাজনৈতিক দাবার ঘুঁটি। ভূমিধসের পর একবারও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ঘটনাস্থলে যাননি। নিহত বা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতেও দেখা যায়নি তাঁকে”।

    পাশাপাশি একহাত নিতে ছাড়লেন না রাহুল গান্ধীকেও। তিনি বলেন,”রাহুল যখন ওয়েনাডের সাংসদ ছিলেন, তখনও এলাকার মানুষ অভিযোগ করতেন যে তিনি খুব কমই কেন্দ্রে আসতেন এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন না। আগেই লোকসভা নির্বাচনের পর রাহুল গান্ধী রায়বরেলি আসন ধরে রেখে ওয়েনাডের ভোটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। একই ধরনের রাজনীতি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর প্রতিনিধিত্বেও দেখা যাচ্ছে।”

    বর্তমান পরিস্থিতি

    অন্যদিকে, ওয়েনাডের ভূমিধসে (Wayanad landslide) মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮। রবিবার ধ্বংসস্তূপ থেকে শেষ নিখোঁজ ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হওয়ার পর এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। ওয়েনাডের কল্লাডি এলাকায় নির্মীয়মাণ আনাক্কাম্পোইল-মেপ্পাডি টুইন-টিউব টানেল প্রকল্পে এই ভূমিধস হয়। ওয়েনাড ও কোঝিকোড় জেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতেই এই প্রকল্পের কাজ চলছিল।

    নিখোঁজ বিক্রম রানার দেহ উদ্ধার

    গত পাঁচ দিন ধরেই নিখোঁজ বিক্রম রানাকে খুঁজে বের করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছিল প্রশাসন। সেইমতোই রবিবার বড়সড় তল্লাশি অভিযানে নামে এনডিআরএফ (NDRF), স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG), দমকল, র‌্যাপিড রেসপন্স টিম, বন দফতর এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত বিক্রম রানার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

    স্বভাবতই, ওয়েনাডের এই ভয়াবহ টানেল বিপর্যয়কে (Wayanad landslide) কেন্দ্র করে কেরলের রাজনীতিতে বিজেপি-কংগ্রেস দ্বন্দ্ব এখন তুঙ্গে। একদিকে যখন স্বজনহারা পরিবারগুলোর কান্না আর ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে, ঠিক তখনই এই বিপর্যয়কে হাতিয়ার করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার অভিযোগে সরব দুই পক্ষই। বিজেপির দাবি, ওয়েনাডের মানুষ কেবল ভোটের সময়ই গান্ধী পরিবারের দেখা পান, বিপদের দিনে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকে না। অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ও ‘সস্তার রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, কংগ্রেস নেতৃত্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছেন এবং উদ্ধারকাজে সবরকম সহযোগিতা করছেন। তবে এই রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়ির ঊর্ধ্বে উঠে ওয়েনাডবাসী এখন কেবল একটাই প্রশ্ন তুলছেন- ভোটের সময় দেওয়া বড় বড় প্রতিশ্রুতির পর, চরম বিপদের দিনে তাঁদের ঘরের সাংসদকে কি সত্যিই পাশে পাওয়া যাবে না? নাকি প্রতিবারের মতো এবারও কেবল রাজনীতির দাবার ঘুঁটি হয়েই রয়ে যাবে ওয়েনাড?

  • Vietnam Boat Capsized: ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকোডুবি, ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের নিথরদেহ ফিরলো মুম্বইয়ে

    Vietnam Boat Capsized: ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকোডুবি, ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের নিথরদেহ ফিরলো মুম্বইয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিয়েতনামে নৌকোডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক। এবার তাঁদের মরদেহ এসে পৌঁছলো মুম্বাইয়ে। মঙ্গলবারই ‘ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্স’-এর বিশেষ বিমান ‘VN979’-এ করে মরদেহ নিয়ে আসা হয় মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Mumbai Airport)। সেখান থেকেই মৃতদেহগুলি নিজের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করে ভারত সরকার। শোকস্তব্ধ পরিবারগুলোর হাতে শেষকৃত্যের জন্য মরদেহগুলো তুলে দিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে প্রশাসন। মৃতদেহগুলো মুম্বাই (Mumbai) থেকে সড়ক ও আকাশপথে চেন্নাই, হায়দরাবাদ, তিরুবনন্তপুরম এবং কোয়েম্বাটুরের মতো বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে স্বজনেরা তাঁদের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    কীভাবে দুর্ঘটনা (Vietnam Boat Capsized)?

    ১১ জুলাই, শনিবার। ভিয়েতনামের ফু কোক দ্বীপের কাছে ‘হোন মে রুত এনগোই’ দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল পর্যটক বোঝাই একটি নৌকো। নৌকোয় ছিলেন ৩২ জন ভারতীয় পর্যটকসহ মোট ৩৬ জন আরোহী। ঠিক যখন, বাকি পর্যটকেরা ছবি তোলায় ব্যস্ত, তখনই ঘটে গেল বিপত্তি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দ্বীপ থেকে খুব বেশি হলে ৩০০ মিটার পৌঁছতেই ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে উল্টে পড়ে নৌকোটি (Vietnam Boat Capsized)। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, হঠাৎ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মুখে পড়ে উল্টে যায় নৌকোটি। জলে ডুবে যান পর্যটকরা। দ্রুত ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে যায় উদ্ধারকারী দল। ৩৬ জনের মধ্যে ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, দুর্ভাগ্যবশত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক প্রাণ হারান।

    নিহত ও আহতদের বিবরণী

    মৃত ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। ৩ জন অন্ধ্রপ্রদেশের এবং ২ জন কেরালার বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত একমাত্র ভারতীয় পর্যটকের চিকিৎসা চলছে। ফু কোক দ্বীপে একটি জরুরি অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে হো চি মিন সিটির একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    তৎপর ছিল ভারতীয় দূতাবাস

    দুর্ঘটনার পর থেকেই ভিয়েতনামে (Vietnam) নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস এবং হো চি মিন সিটির কনস্যুলেট জেনারেল সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। মৃতদের সনাক্তকরণ ও আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে তাঁরা ভিয়েতনাম সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন। সহযোগিতার জন্য ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।

  • Jhapatpara to Islampura: গুজরাটের ঝাপটপাড়া কীভাবে হয়ে উঠল ‘ইসলামপুরা’? স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, দ্রুত তদন্তের দাবি

    Jhapatpara to Islampura: গুজরাটের ঝাপটপাড়া কীভাবে হয়ে উঠল ‘ইসলামপুরা’? স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, দ্রুত তদন্তের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের পাটান জেলার হরিজ শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েক দশক ধরে যে এলাকাটি সাধারণ মানুষের কাছে ‘ঝাপটপাড়া’ নামে পরিচিত ছিল, সেটিই এখন সরকারি নথিপত্রে ‘ইসলামপুরা’ (Jhapatpara to Islampura) নামে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার এই নাম পরিবর্তনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হিন্দু সংগঠনগুলো স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

    নতুন নামের উৎপত্তি (Jhapatpara to Islampura)

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত ৫০ থেকে ৮০ বছর ধরে এই এলাকায় তাদের পূর্বপুরুষেরা বসবাস করছেন এবং পুরনো সমস্ত নথিতে এই জায়গার নাম ‘ঝাপটপাড়া’ হিসেবেই লিপিবদ্ধ রয়েছে। তবে গত ১০-১২ বছরে এলাকায় মুসলিম জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে।

    বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য (Gujarat Demography Shift)

    ২০১১ সাল নাগাদ এই এলাকায় মাত্র ২০-২৫টি মুসলিম পরিবার ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পরিবারে দাঁড়িয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বহিরাগত বলে দাবি করা হচ্ছে। এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি নতুন মসজিদ ও মাদ্রাসা তৈরি হয়, যার অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির পর নতুন বাসিন্দারা এলাকাটিকে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামপুরা’ বলে ডাকতে শুরু করেন। পরবর্তীতে নতুন কোনও নথিপত্র বা পরিচয়পত্র (যেমন আধার কার্ড) আপডেট করতে গেলে ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ঝাপটপাড়া’র বদলে ‘ইসলামপুরা’ (Jhapatpara to Islampura) লেখা আসতে শুরু করে।

    সরকারি নথিতে অসঙ্গতি

    আশ্চর্যের বিষয় হলো, যেখানে নতুন ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্রে ‘ইসলামপুরা’ নামটির ব্যবহার বাড়ছে, সেখানে পুরসভার মূল নথিপত্রে এখনও এলাকাটির নাম ‘ঝাপটপাড়া’ হিসেবেই নথিভুক্ত রয়েছে। এমনকি এলাকার একজন মুসলিম বাসিন্দা গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছেন যে, জায়গাটির আসল নাম ঝাপটপাড়া হলেও বর্তমানে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে এটি ইসলামপুরা নামে পরিচিতি পেয়েছে।

    হিন্দু সংগঠন ও বাসিন্দাদের দাবি

    স্থানীয় হিন্দু পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জনসংখ্যার পরিবর্তনের কারণে কোনও এলাকার সরকারি নাম নিজে থেকেই বদলে যেতে পারে না। এই পরিস্থিতির কারণে অনেক পুরনো পরিবার বাধ্য হয়ে নিজেদের বাড়িঘর বিক্রি করে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এলাকায় ‘ডিস্টার্বড এরিয়াস অ্যাক্ট’ (Disturbed Areas Act) কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এই ঘটনার পিছনে কোনও প্রশাসনিক গাফিলতি বা ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জানাচ্ছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)-এর স্থানীয় নেতৃত্ব। সরকারি নথিতে অবিলম্বে ‘ইসলামপুরা’ নাম বাদ দিয়ে পূর্বের ঐতিহ্যবাহী ‘ঝাপটপাড়া’ নামটি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share