Tag: মাধ্যম বাংলা

  • ‘Ek Ped Maa Ke Naam’: ৪০ কোটি চারা রোপণ! সবুজ ইতিহাস গড়ল উত্তরপ্রদেশ, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশ

    ‘Ek Ped Maa Ke Naam’: ৪০ কোটি চারা রোপণ! সবুজ ইতিহাস গড়ল উত্তরপ্রদেশ, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ রক্ষা এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়ল উত্তরপ্রদেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ (Ek Ped Maa Ke Naam) অভিযানের আওতায় ‘বৃক্ষরোপণ মহাযজ্ঞ-২০২৬’-এর মধ্য দিয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে একদিনে রেকর্ডসংখ্যক ৪০ কোটিরও বেশি চারা রোপণ করে ইতিহাস যোগী রাজ্যের। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করার পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সেরাজ্যের জনগণকে এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। পরিবেশ সংরক্ষণের এই মহাযজ্ঞ ইতিমধ্যেই জাতীয় স্তরে বিপুল প্রশংসা কুড়োচ্ছে।

    ‘বৃক্ষরোপণ মহাযজ্ঞ-২০২৬’ (Vriksharopan Mahayagya-2026)

    গত ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দেশবাসীকে ধরিত্রী রক্ষা ও নিজের মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ অভিযানে শামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সুদক্ষ পরিচালনায় গোরক্ষপুরে এই সরকারি কর্মসূচি নিমেষের মধ্যে এক বিশাল ‘জনআন্দোলনে’ রূপ নেয়। যা ‘বৃক্ষরোপণ মহাযজ্ঞ-২০২৬’ (Vriksharopan Mahayagya-2026) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। গ্রাম থেকে শহর, স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে সরকারি দফতর, কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ চাকুরিজীবী—সব স্তরের মানুষ অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে নিজেদের মায়ের নামে গাছ লাগিয়ে এই সবুজ বিপ্লবে অংশ নেন।

    উত্তরপ্রদেশের সবুজ মহোৎসব

    গোটা রাজ্যের সমস্ত জেলা মিলিয়ে একযোগে ৪০ কোটিরও বেশি চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র সংখ্যা বাড়ানোই নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে রোপণ করা হয়েছে নিম, বট, অশ্বত্থ, আম, জাম এবং বিভিন্ন ভেষজ ও ফলদায়ী চারা। প্রতিটি চারাগাছের সঠিক দেখভাল নিশ্চিত করতে এবং জিও-ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে সেগুলির বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করার বিশেষ ব্যবস্থাও নেয় রাজ্য প্রশাসন।

    মুখ্যমন্ত্রী যোগীর বার্তা

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন,”মা এবং ধরিত্রী-উভয়েই আমাদের জীবনদাতা। প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী আহ্বানকে উত্তরপ্রদেশের ২৫ কোটি মানুষ যেভাবে আপন করে নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এই ৪০ কোটি গাছ আগামী প্রজন্মকে এক স্বাস্থ্যকর ও দূষণমূক্ত পরিবেশ উপহার দেবে”।

    পরিবেশ রক্ষায় ভারতের রোল মডেল উত্তরপ্রদেশ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global Warming) এই কঠিন সময়ে একদিনে ৪০ কোটি চারাগাছ রোপণ করা কেবল ভারতের বুকেই নয়, বিশ্ব পরিবেশের ইতিহাসেও এক অন্যতম বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি। উত্তরপ্রদেশের এই পদক্ষেপ অন্যান্য রাজ্যগুলির কাছেও পরিবেশ রক্ষায় একটি রোল মডেল বা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পরিবেশবিদদের একাংশ বলছেন, এই বিপুল পরিমাণ গাছ আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশের গ্রিন কভার বা বনাঞ্চলের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলবে এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে বড় ভূমিকা নেবে।

  • 56th International Physics Olympiad 2026: ভারতের ক্লিন সুইপ! ৫টি সোনা জিতে বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস

    56th International Physics Olympiad 2026: ভারতের ক্লিন সুইপ! ৫টি সোনা জিতে বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বমঞ্চে ফের ভারতের জয়জয়কার! কলম্বিয়ার বুকরাম্যাঙ্গায় (Bucaramanga) আয়োজিত ৫৬তম আন্তর্জাতিক পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে (56th International Physics Olympiad 2026) ইতিহাস গড়ল ভারতীয় পড়ুয়ারা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পাঁচজন ভারতীয় ছাত্রই সোনা (Five Gold Medals) জিতে দেশবাসীকে গর্বিত করেছেন। এই দুর্দান্ত ‘ক্লিন সুইপ’-এর হাত ধরে রাশিয়া, চিন, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানের মতো হেভিওয়েট দেশগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্ব তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করল ভারত। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই মেধা প্রতিযোগিতায় ভারতের এই জয় বিজ্ঞান শিক্ষায় দেশের ক্রমবর্ধমান শক্তিরই প্রমাণ।

    ৩৭৮ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে শীর্ষস্থানে ভারত

    এবারের অলিম্পিয়াডে বিশ্বের ৮৭টি দেশ থেকে মোট ৩৮১ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। তাদের সবাইকে পিছনে ফেলে ভারতীয় দলের পাঁচ রত্ন ভারতের পতাকা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন। মেধা এবং নিখুঁত পারফরম্যান্সের জোরে পাঁচজনই সোনা পকেটে পুরে নেন।

    ভারতের সোনার ছেলেরা (Five Gold Medalist)

    দেশের নাম উজ্জ্বল করা এই পাঁচ কৃতি ছাত্র হলেন, কনিষ্ক জৈন (পুনে), ঋদ্ধেশ অনন্ত বেন্দালে (ইন্দোর), ঋষিত গর্গ (দিল্লি), শ্রেষ্ঠ সুরাইয়া (মুম্বই), স্বৈয়ত জোশী (আমেদাবাদ)।

    মাসের পর মাস কঠিন পরিশ্রম

    বিশ্বের দরবারে এই সাফল্য কিন্তু একদিনে আসেনি। আন্তর্জাতিক স্তরের এই কঠিন প্রতিযোগিতার জন্য পড়ুয়াদের মাসের পর মাস কঠোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের অধীনে পদার্থবিদ্যার অ্যাডভান্সড থিওরি, ল্যাবরেটরির জটিল কাজ এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস সেশনের মধ্য দিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করেছিলেন এই তরুণ বিজ্ঞানীরা। এই পুরো যাত্রায় ভারতীয় দলের মেন্টর ও গাইড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন হোমি ভাবা সেন্টার ফর সায়েন্স এডুকেশন (HBCSE-TIFR)-এর অধ্যাপক অন্বেষ মজুমদার, ড. লীনা জোশী এবং বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত থাকা আইআইএসইআর (IISER) কলকাতার অধ্যাপক আনন্দ দাশগুপ্ত ও নিশা কেলকর। তাঁদের যোগ্য নেতৃত্বই ছাত্রদের এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

    আন্তর্জাতিক পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কী?

    এটি প্রতি বছর আয়োজিত হওয়া স্কুল স্তরের বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও কঠিন পদার্থবিজ্ঞান প্রতিযোগিতা। এখানে অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের কঠিন তাত্ত্বিক (Theoretical) এবং ব্যবহারিক বা পরীক্ষামূলক (Experimental) পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। এর মাধ্যমে তাদের পদার্থবিদ্যার গভীরতা, বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং কঠিন সমস্যা সমাধানের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

    শিক্ষামহলে খুশির হাওয়া

    ভারতীয় দলের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে দেশের শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী মহলে খুশির হাওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সেরা বিজ্ঞান শিক্ষা ব্যবস্থার দেশগুলির সাথে প্রথম স্থান ভাগ করে নেওয়া প্রমাণ করে যে, ভারতীয় পড়ুয়াদের মেধা আন্তর্জাতিক স্তরেও কতটা শক্তিশালী। এই জয় দেশের হাজার হাজার তরুণ পড়ুয়াকে আগামীদিনে বিজ্ঞান চর্চা এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

  • Chhattisgarh Naxalism: মাওবাদীদের বড় নাশকতার ছক বানচাল! আত্মসমর্পণকারীদের তথ্যে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-সোনা

    Chhattisgarh Naxalism: মাওবাদীদের বড় নাশকতার ছক বানচাল! আত্মসমর্পণকারীদের তথ্যে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের মাওবাদী (Chhattisgarh Naxalism) দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী। দক্ষিণ বস্তার দান্তেওয়াড়া এবং কাঙ্কের জেলায় দুটি পৃথক অভিযানে মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক, সোনা ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সময়মতো মাওবাদীদের এই গোপন আস্তানা বা ‘ডাম্প’গুলির হদিশ মেলায় বড়সড় নাশকতার ছক ব্যর্থ করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

    আত্মসমর্পণকারীদের তথ্যে তোলপাড় দান্তেওয়াড়া

    পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি মাওবাদী মতাদর্শ এবং হিংসার পথ ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছে বেশ কিছু মাওবাদী। তাদেরই দেওয়া সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত তথ্যের ভিত্তিতে দান্তেওয়াড়া জেলার বারসুর থানার অন্তর্গত তোড়মা গ্রামের ঘন জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকায় একটি বিশাল তল্লাশি অভিযান (Dantewada Operation) চালানো হয়। সেখানেই মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বিশাল গোপন ডাম্পের সন্ধান পায় বাহিনী। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মোট বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। পুলিশের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বড়সড় হামলা চালানো এবং এলাকায় নাশকতামূলক কাজের উদ্দেশ্যেই মাওবাদীরা এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল।

    দান্তেওয়াড়া থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী (Maoist Arms Recovery)

    ১১৬ গ্রাম ওজনের সোনার বিস্কুট, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৬ লক্ষ টাকা। নগদ ২ লক্ষ টাকা। ১টি ইনসাস (INSAS) রাইফেল এবং ১৬টি ইনসাস ম্যাগাজিন। ৪টি একে-৪৭ ম্যাগাজিন এবং ৬৮ রাউন্ড গুলি। ২৩টি এসএলআর (SLR) ম্যাগাজিন এবং ৩৪ রাউন্ড গুলি। ৫টি ১২-বোর বন্দুক এবং ৭ রাউন্ড গুলি। ৩টি বিজিএল (BGL) লঞ্চার এবং ১টি বিজিএল সেল। ২টি কারবাইন ম্যাগাজিন। ৮টি .৩০৩ রাউন্ড গুলি এবং ৪৫টি .৩০৩ চার্জার। ১০টি ভাঙা ভরমার বন্দুক, ১টি রিভলভার এবং ১টি এয়ারগান। ৬টি টিফিন বোমা, ৪টি পাইপ বোমা, ১২২টি তির বোমা, ১টি প্যারা বোমা, ২টি দেশি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২টি দেশি মর্টার, ১ স্টিল বক্স জিলেটিন, ২০টি ডেটোনেটর, ১ বান্ডিল কোডেক্স ওয়্যার এবং ১৪টি কুকার। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে, মাওবাদী ইউনিফর্ম, ওষুধ, লিফলেট-প্যামফলেট এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

    মাওবাদীদের বার্তা পুলিশের 

    বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও রসদ উদ্ধারকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে প্রশাসন। বস্তার রেঞ্জের পুলিশ আইজি বদ্রী নারায়ণ মিনা, সিআরপিএফ ডিআইজি (অপারেশনস) রাকেশ চৌধুরী এবং দান্তেওয়াড়ার পুলিশ সুপার গৌরব রাইয়ের যৌথ নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে এই অভিযানটি সফল হয়। দান্তেওয়াড়া পুলিশের পক্ষ থেকে সমস্ত পথভ্রষ্ট মাওবাদীদের স্পষ্ট বার্তা,  হিংসার পথ ও মাওবাদী মতাদর্শ পুরোপুরি ত্যাগ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে। অস্ত্র ছেড়ে পরিবারের সঙ্গে শান্তি, অহিংসা ও এলাকার উন্নয়নের পথে শামিল হওয়ার জন্যও বার্তা জেলা পুলিশের।

    কাঙ্কের-নারায়ণপুর সীমান্তেও উদ্ধার ‘মাওবাদী ডাম্প’

    অন্যদিকে, দান্তেওয়াড়ার পাশাপাশি ছত্তীসগঢ়ের কাঙ্কের ও নারায়ণপুর জেলার সীমান্তবর্তী কোয়লিবোড়া থানা এলাকাতেও মাওবাদীদের আরও একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়েছে বাহিনী। আলপরাস ও গুমচুর গ্রামের মধ্যবর্তী পাহাড়ি জঙ্গলে রুটিন টহলদারির সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) এবং ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG)-এর একটি যৌথ দল মাটির নিচে কিছু লুকানো রয়েছে বলে সন্দেহ করে। এরপর সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি করতেই উদ্ধার হয় আধুনিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র। কাঙ্কেরের পুলিশ সুপার নিখিল রাখেচা, বিএসএফ-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট অঙ্কুশ কুমার এবং কোয়লিবোড়ার থানা ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক নির্মল জংড়ের নেতৃত্বে এই যৌথ অভিযানটি সফল হয়।

    কাঙ্কের থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী 

    ২টি .৩০৩ রাইফেল এবং ৩২ রাউন্ড তাজা গুলি। ১টি ল্যাপটপ এবং ১টি ট্যাবলেট। ১টি রেডিও সেট এবং ৩টি ওয়্যারলেস ব্যাটারি। ২টি মাওবাদী ইউনিফর্ম এবং ৫টি পাউচ। ২টি চার্জার এবং ১টি সাধারণ ব্যাটারি। বিপুল পরিমাণ মাওবাদী সাহিত্য ও বইপত্র।

    উল্লেখ্য, বস্তার বা দান্তেওয়াড়ার এই জঙ্গলগুলোতে মাওবাদীদের অস্ত্রভাণ্ডার বা ‘ডাম্প’ উদ্ধারের ঘটনা এটা প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে মাটির নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ মরণাস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। তবে এবারের ঘটনাটি বাকি সময়ের চেয়ে অনেকটাই আলাদা এবং তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে মূলত গোয়েন্দা সূত্রে বা তল্লাশি চালাতে গিয়ে আচমকা এই ধরনের ডাম্পের সন্ধান মিলত। কিন্তু এবার খোদ আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরাই স্বেচ্ছায় পুলিশকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাদের গোপন আস্তানা চিনিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, লাল সন্ত্রাসবাদীদের পায়ের তলা থেকে মাটি কেবল সরছেই না, বরং খোদ সংগঠনের অন্দরেই মাওবাদী মতাদর্শের মৃত্যু ঘটেছে। বারবার অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রথম সারির ক্যাডারদের এই আত্মসমর্পণ বলাই বাহুল্য ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী সাম্রাজ্যের পতনের কাউন্টডাউন আরও ত্বরান্বিত করল।

  • Palakkad To Space: ‘গডস ওন কান্ট্রি’ থেকে মহাকাশ জয়! কেরালার এক জেলা থেকেই বিশ্ব কাঁপানো ৩ নভোচারী

    Palakkad To Space: ‘গডস ওন কান্ট্রি’ থেকে মহাকাশ জয়! কেরালার এক জেলা থেকেই বিশ্ব কাঁপানো ৩ নভোচারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের মহাকাশ মানচিত্রে আজ অনন্য উচ্চতায় ভারত। তবে এবারের গৌরবগাথা কোনও একক রকেটের উৎক্ষেপণ বা উপগ্রহের কক্ষপথ জয়ের নয়; এবারের ইতিহাস তৈরি হয়েছে মানুষের মেধা, গভীর পারিবারিক ও আঞ্চলিক শিকড়ের মেলবন্ধনে। কেরালার ‘গডস ওন কান্ট্রি’ খ্যাত পালাক্কাদ (Palakkad) জেলা আজ বিশ্বমঞ্চে এক অবিশ্বাস্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। একটিমাত্র জেলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তিনজন বিখ্যাত মহাকাশচারীর নাম, যা আমেরিকা বা রাশিয়ার মতো পরাশক্তি বাদ দিলে পৃথিবীর আর কোনও অঞ্চলের ক্ষেত্রে ভাবাই যায় না। পাশাপাশি, আগামী ১৫ জুলাই ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসা (NASA) নভোচারী ড. অনিল মেনন রাশিয়ার ‘সয়ূজ এমএস-২৯’ (Soyuz MS-29) মহাকাশযানে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (ISS) উদ্দেশ্যে তাঁর প্রথম মহাকাশ যাত্রা শুরু করতে চলেছেন।

    পালাক্কাদের সেই তিন ‘মহাকাশ বীর’ (Palakkad To Space)

    ড. অনিল মেনন (নাসা নভোচারী ও গবেষক)- আমেরিকায় বেড়ে উঠলেও ড. অনিল মেননের শিকড় কেরালার পালাক্কাদেই (Palakkad)। তাঁর বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয়। অনিল একাধারে একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এবং মার্কিন স্পেস ফোর্সের কর্নেল। মহাকাশে যাওয়ার আগে তিনি ভারতের পোলিও নির্মূল অভিযানেও মাঠপর্যায়ে কাজ করেছিলেন। আগামী ১৫ জুলাই কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে দীর্ঘ ৮ মাসের এক বৈজ্ঞানিক মিশনের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন।

    আন্না মেনন (ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাণিজ্যিক মহাকাশচারী)- ড. অনিল মেননের স্ত্রী আন্না মেনন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্পেসএক্সের (SpaceX) ঐতিহাসিক ‘পোলারিস ডাউন’ মিশনের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়েছেন। বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক স্পেসওয়াক (spacewalk) এবং পৃথিবী থেকে রেকর্ড দূরত্বে পাড়ি দেওয়া নারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। বর্তমানে তিনি নাসার মহাকাশচারী হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। অনিল ও আন্না বর্তমান বিশ্বের অন্যতম এক বিরল এবং সফল ‘মহাকাশচারী দম্পতি’।

    এয়ার কমোডোর প্রশান্ত বালকৃষ্ণ নায়ার (ভারতের গগনযান বীর)- গৌরবের মুকুটে সবচেয়ে বড় পালকটি হলেন ভারতের নিজস্ব ‘গগনযান’ মিশনের অন্যতম প্রধান মহাকাশচারী এয়ার কমোডোর প্রশান্ত বালকৃষ্ণ নায়ার। তিনিও পালাক্কাদেরই সন্তান। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর স্বপ্নের অন্যতম প্রধান মুখ তিনি।

    হিউস্টন থেকে পালাক্কাদ

    আমেরিকার হিউস্টনে প্রশিক্ষণের সময় অনিল মেনন এবং প্রশান্ত নায়ারের মধ্যে এক চমৎকার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। অনিলের এই ঐতিহাসিক যাত্রার প্রাক্কালে প্রশান্ত নায়ার ও তাঁর স্ত্রী (অভিনেত্রী লেনা) একটি অত্যন্ত আবেগঘন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। প্রশান্ত লিখেছেন, “ভাই অনিল এবং প্রিয় আন্না… এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারা অত্যন্ত আবেগপূর্ণ একটি বিষয়। ভারত এবং কেরালার মাটির সঙ্গে তোমাদের এই টান আমরা সবসময় মনে রাখব। তোমরা দুজনে মিলে সত্যিই একটি সম্পূর্ণ মহাকাশচারী পরিবার”।

    ভারতের মহাকাশ যাত্রার এক প্রতীকী বৃত্ত পূরণ

    মালয়ালি তথা সমগ্র ভারতবাসীর জন্য এই উদযাপনের আনন্দ আরও দ্বিগুণ। কারণ, ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’ (ISRO)-এর জন্ম হয়েছিল কেরালারই এক প্রত্যন্ত মাছ ধরার গ্রাম ‘থুম্বা’ (Thumba)-তে। আর আজ কেরালারই এক জেলা থেকে উঠে আসা তিন ব্যক্তিত্ব বৈশ্বিক মহাকাশ গবেষণার মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছেন। আমেরিকার নাসা, রাশিয়ার রশকমস কিংবা ভারতের ইসরো- সংস্থা যাই হোক না কেন, পালাক্কাদের এই তিন নক্ষত্র প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ রূপায়ণে ভারতের ভূমিকা এখন আর শুধু প্রযুক্তি সরবরাহে সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানব অভিযানের নেতৃত্বেও ভারত আজ প্রথম সারিতে।

  • Dhamrai Rath: পাক বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছিল ৫০০ বছরের ইতিহাস, তবু আজও স্বমহিমায় বর্তমান ধামরাই-এর রথযাত্রা

    Dhamrai Rath: পাক বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছিল ৫০০ বছরের ইতিহাস, তবু আজও স্বমহিমায় বর্তমান ধামরাই-এর রথযাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগুনে পুড়েও, ফুরিয়ে যায়নি ৫০০ বছরের ঐতিহ্য। প্রতি বছর রথযাত্রার সময় প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ টানার উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। পুরী বা আমেদাবাদের রথযাত্রার কথা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, একসময় পৃথিবীর অন্যতম সেরা ও বিশাল রথযাত্রা হত বাংলাদেশের ঢাকার কাছে ধামরাইয়ে (Dhamrai Rath Yatra)। প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো এই রথযাত্রার ইতিহাস যেমন গৌরবের, তেমনই কষ্টেরও। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এর ওপর নির্মম আঘাত হেনেছিল। তার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল রথ, যদিও মুছে ফেলা যায়নি ভক্তদের মনের বিশ্বাসকে।

    ৫০০ বছরের পুরানো উৎসব

    ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে ধামরাই জনপদ। এখানকার রথযাত্রা শুরু হয়েছিল প্রায় ৫০০ বছর আগে (500 Year Old Rath Yatra Bangladesh)। পুরানো ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৬৭২ সালেও এই রথযাত্রা উৎসব হত খুব ধুমধাম করে। উৎসব দেখতে একসময় শুধু বাংলা নয়, ওড়িশা, অসম, মায় নেপাল থেকেও হাজার হাজার মানুষ এই উৎসবে যোগ দিতেন। টানা এক মাস ধরে চলত মেলা। হত নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। ধামরাইয়ের বিখ্যাত যশোমাধব মন্দির থেকে যাত্রা শুরু করত রথ। শেষ হত আধ কিলোমিটার দূরের গোপীনগর মন্দিরে গিয়ে।

    পুরীর রথের চেয়েও বড় ধামরাইয়ের রথ (Dhamrai Rath Yatra)!

    উনিশ শতকের শুরুর দিকে ধামরাইয়ের জমিদাররা মিলে একটি বিশাল কাঠের রথ তৈরি করেন। এলাকার সেরা কাঠমিস্ত্রিরা প্রায় এক বছর ধরে এই রথটি বানিয়েছিলেন। রথটি ছিল প্রায় ৬০ ফুট উঁচু (60 feet tall Dhamrai Rath)। পুরীর বর্তমান রথটি ৪৪ ফুট উঁচু, অর্থাৎ ধামরাইয়ের রথটি ছিল তার চেয়েও ঢের বড়। রথে ছিল ৩২টি বিশাল কাঠের চাকা। রথটি টানার জন্য প্রায় ১,০০০ কেজি ওজনের মোটা দড়ি ব্যবহার করা হত।

    দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা ও ১৯৭১-এর কালো অধ্যায়

    ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান আলাদা হওয়ার পর জমিদারি প্রথা লোপ পেলে রথযাত্রার আয়োজকরা পড়েন ঘোর সঙ্কটে। তখন গর্বের এই ঐতিহ্য বাঁচাতে এগিয়ে আসেন টাঙ্গাইলের বিখ্যাত দানবীর তথা সমাজসেবক রণদাপ্রসাদ সাহা (আরপি সাহা)। তিনি নিজের খরচে এই রথ ও উৎসবের সব দায়িত্ব নেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের (Bangladesh) মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সব ওলটপালট হয়ে যায়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রণদাপ্রসাদ ও তাঁর ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়। তারপর আর খোঁজ মেলেনি তাঁদের।

    রথ পুড়িয়ে দিল পাক বাহিনী

    পাক হানাদারদের অত্যাচারের জেরে যে কেবল রণদাপ্রসাদ ও তাঁর জওয়ান ছেলে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন তা নয়, দুষ্কৃতীরা ইতিহাসখ্যাত এই রথে আগুন লাগিয়ে দেয়। দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের ১০ জুন। রোষের আগুনে সপ্তাহখানেক ধরে ধিকধিক করে পুড়ে গিয়েছিল ধামরাই তথা তামাম বাংলার এই গর্ব। রথ পুড়ে যাওয়ায় ১৯৭১ ও ১৯৭২ সালে ধামরাইয়ে রথযাত্রা হয়নি। বাংলাদেশের ৫০০ বছরের এই রথযাত্রার ইতিহাসে (500 Year Old Rath Yatra Bangladesh) এটি ছিল একটি বড় আঘাত।

    নতুন করে পথ চলা ও ভারতের সাহায্য

    স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের পর ১৯৭৩ সালে একটি ছোট রথ বানিয়ে ফের শুরু হয় উৎসব। যদিও আগের সেই জাঁকজমক আর ছিল না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষের আসাও অনেকটাই কমে গিয়েছিল। এরপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। ২০০৯ সালে ভারত সরকার (Indian govt) ধামরাইয়ের এই ঐতিহ্য বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। ভারত সরকারের আর্থিক সহায়তায় ২০১০ সালে একটি নতুন রথ নির্মাণ করে শুরু হয় উৎসব। এই নতুন রথটি ৪০ ফুট উঁচু, চাকা রয়েছে ১৬টি। সেই থেকে ফি বছর উৎসবে টানা হয় এই রথটিই। আজও ধামরাইয়ে প্রতি বছর রথযাত্রা হয়। বসে মেলাও। রথের রশি ছুঁয়ে পুণ্য অর্জন করে হাজারো ভক্ত। আগের সেই অতিকায় রথ আর নেই, ফুরিয়ে গিয়েছে সেদিনের সেই জাঁকও। তবে ধামরাইয়ের বাসিন্দাদের মন থেকে মুছে ফেলা যায়নি সেই ৬০ ফুটের কাঠের রথ এবং তাকে কেন্দ্র করে সপ্তাহভর উৎসবের ছবি। বস্তুত, এটাই ধামরাইয়ের রথযাত্রার আসল শক্তি।

  • Ram Mandir: ‘মন্দিরের টাকায় মসজিদের পাঁচিল!’, রাম মন্দির বিতর্কে সপা-কে নজিরবিহীন তোপ যোগী আদিত্যনাথের

    Ram Mandir: ‘মন্দিরের টাকায় মসজিদের পাঁচিল!’, রাম মন্দির বিতর্কে সপা-কে নজিরবিহীন তোপ যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান চুরি বিতর্ককে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে তুমুল পারদ চড়ল। দানবাক্স থেকে টাকা গায়েব হওয়ার ঘটনা নিয়ে বিজেপি সরকারকে যখন সমাজবাদী পার্টি (SP) ও কংগ্রেস কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই অযোধ্যার মাটি থেকে বিরোধীদের অতীত মনে করিয়ে দিয়ে পাল্টা নজিরবিহীন আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের।

    যোগীর বিস্ফোরক অভিযোগ (Ram Mandir)

    অযোধ্যার এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “সমাজবাদী পার্টির নেতারা একসময় মন্দিরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে ভক্তদের দেওয়া অনুদানের টাকা পকেটে পুরতেন। এরপর সেই মন্দিরের অনুদানের টাকা ডাইভার্ট করে মসজিদের পাঁচিল তৈরিতে ব্যবহার হত।”

    বিরোধীদের গিরগিটির সাথে তুলনাও করলেন ইউপির মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য়নাথ। “কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি এখন অযোধ্যার প্রতি ভক্তির কথা বলছে! অথচ এই কংগ্রেসই একসময় সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বলেছিল ভগবান রামের কোনও অস্তিত্ব নেই। আর সমাজবাদী পার্টি তো রামভক্ত কারসেবকদের উপর গুলি চালিয়েছিল। আজ হঠাৎ তাদের রামভক্তি জেগে উঠল কী করে?” প্রশ্ন যোগীর।

    ‘সনাতন ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত!’ সুর চড়াল সমাজবাদী পার্টি

    অন্যদিকে, রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকার অনুদান এবং সোনা-রুপোর গয়না গায়েব হওয়ার ঘটনাকে  ‘বিরাট কেলেঙ্কারি’ বলে উল্লেখ সমাজবাদী পার্টির (SP)। সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের কাঠগড়ায় যোগী সরকার। অভিযোগ,”সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগের দান ও কোটি কোটি টাকার অনুদান ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেনি মন্দির ট্রাস্ট। দানবাক্স থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাওয়া আসলে কোটি কোটি সনাতনীদের ভাবাবেগে বড় আঘাত। রাজ্যের বিজেপি সরকার বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলার মতো আসল সমস্যা থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই বিরোধীদের উপর উল্টে আক্রমণ করছে। মেরুকরণের রাজনীতি করছে।”

    চুরির ঘটনায় যোগীর কঠোর অবস্থান

    রাম মন্দিরের (Ram Mandir) অনুদান চুরি নিয়ে নিজের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তাঁর সাফ বার্তা, “কাউকেই রেয়াত করা হবে না। মন্দিরের ট্রাস্ট নিজেই চুরির ঘটনাটি সরকারের নজরে এনে তদন্ত চেয়েছিল। সরকার অবিলম্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত ৮ জনকে শনাক্ত করে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে ও তাদের গ্রেফতারও করা হয়েছে।” উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, “অপরাধীদের যখন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, তখন গুটি কয়েক মানুষের পাপের জন্য পুরো রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টকে বদনাম করার এবং অযোধ্যাকে অপমান করার কোনও অধিকার বিরোধীদের নেই।”

    এদিকে, ২০২৭-এই রয়েছে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাম মন্দিরকে কেন্দ্র করে তপ্ত রাজনীতি। উত্তরপ্রদেশে নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করতে মরিয়া বিরোধীরা, বারাবার সরকারের দিকেই আঙুল তুলছে। যদিও বিরোধীদের চক্রান্তে একেবারেই কান দিতে নারাজ যোগী সরকার। বিরোধীদের বারবার নিজেদের জায়গা বুঝিয়ে দিচ্ছেন ‘বুলডোজার বাবা’। এখন দেখার কোন দিকে মোড় নেয় এই বিতর্ক?

  • Puri Rath Yatra: পুরীর রথযাত্রা উৎসব বিঘ্নহীন করতে মোতায়েন ১২ হাজার পুলিশ, ভক্তদের নিরাপত্তায় উড়বে ড্রোনও

    Puri Rath Yatra: পুরীর রথযাত্রা উৎসব বিঘ্নহীন করতে মোতায়েন ১২ হাজার পুলিশ, ভক্তদের নিরাপত্তায় উড়বে ড্রোনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে পুরীর রথযাত্রা উৎসব। এই উপলক্ষে প্রতি বছর লাখ লাখ ভক্ত সমাগম ঘটে ওড়িশার এই শহরে। বিশ্বখ্যাত পুরীর রথযাত্রাকে (Puri Rath Yatra) ঘিরে এবার আরও কড়া প্রশাসন। রথযাত্রা উৎসব নির্বিঘ্নে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরী জুড়ে। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জল, স্থল এবং আকাশ-তিন ক্ষেত্রেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয় তৈরি করছে ওড়িশা পুলিশ।

    ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও ড্রোন প্রযুক্তি (Rath Yatra Security)

    ওড়িশা পুলিশের ডিজিপি (DGP) ওয়াই বি খুরানিয়ার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠকে ভক্তদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আকাশপথে কড়া নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হবে ড্রোন। অনাকাঙ্ক্ষিত ড্রোনের উড়ান রুখতে সাহায্য নেওয়া হচ্ছে অ্যান্টি-ড্রোন (anti-drone)  প্রযুক্তির সাহায্যও। সমুদ্রে ও উপকূলীয় এলাকায় কড়া নজরদারির জন্য ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy), কোস্ট গার্ড এবং ওড়িশা মেরিন পুলিশ একযোগে কাজ করবে। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির জন্য জাহাজে কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন থাকবে। রথে রশিতে টান পড়ার সময় ভক্তদের হুড়োহুড়ি (stampede) এড়াতে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ ব্যারিকেড ও সুশৃঙ্খল দেবদর্শনের ব্যবস্থা।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    মেলা প্রাঙ্গণের পাশাপাশি গোটা পুরী শহরকে সুরক্ষিত রাখতে প্রায় ১২,০০০ পুলিশ কর্মী দিনরাত ডিউটি করবেন। ওড়িশা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF, BSF) এবং আরপিএফও। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় হাই অ্যালার্টে থাকবে বেশ কিছু বিশেষ দল, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল (Bomb Disposal Squad), স্নিফার ডগ বা কে-৯ স্কোয়াড (Sniffer Dogs / K-9 Squad), এনএসজি (NSG) প্রশিক্ষিত বিশেষ কমান্ডো বাহিনী (SOG), এবং স্পেশাল টেকনিক্যাল ইউনিট (STU)।

    অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা

    উৎসবে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে পকেটমার, ছিনতাইকারী বা ট্রেনের ভেতরে দুষ্কর্ম করা দুষ্কৃতীরা যাতে মাথাচাড়া দিতে না পারে, সেজন্যও বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চিহ্নিত ও দাগী অপরাধীদের ছবি বড় বড় পাবলিক প্লেস, রেল স্টেশন ও থানায় ঝুলিয়ে দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ ও আরপিএফ (RPF) তাদের সহজেই শনাক্ত করতে পারে। পুলিশের পক্ষ থেকে পুরী শহরের সমস্ত হোটেল, লজ, ধর্মশালা, মঠ এবং বাস স্ট্যান্ডগুলিতে নিয়মিত তল্লাশি ও চেকিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব (Puri Rath Yatra) যাতে শান্তিপূর্ণ এবং বিঘ্নহীনভাবে শেষ হয়, তাই সবরকম প্রস্তুতি সেরে রেখেছে ওড়িশা প্রশাসন।

  • FIR Against Abhishek: ‘সেবাশ্রয়’ নাকি সর্বনাশের আখড়া? অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের তৃতীয় এফআইআর

    FIR Against Abhishek: ‘সেবাশ্রয়’ নাকি সর্বনাশের আখড়া? অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের তৃতীয় এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজ্ঞাপনের চোখা চমক বনাম বাস্তবের করুণ ছবি! বিনামূল্যে চিকিৎসারই পুরস্কার? সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার বদলে আস্ত পা-টাই খোয়ালেন অসহায় মহিলা। প্রশ্নের মুখে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্প ‘সেবাশ্রয়’। সেবাশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যেই এবার আরও চাপ বাড়ল তৃণমূলের এই নেতার। পা খুইয়ে রবীন্দ্রনগর থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR Against Abhishek) দায়ের দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার আক্রার বাসিন্দা মালতী বিশ্বাসের। ‘সেবাশ্রয়ে’র অনিয়ম ও গাফিলতি নিয়ে সাংসদের বিরুদ্ধে এটি তৃতীয় এফআইআর (FIR Against Abhishek)। পাশাপাশি, অভিষেকের আপ্তসহায়ক (PA) সুমিত রায়-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছে এফআইআর (FIR)।

    ‘সেবাশ্রয়ে’র ভুল ওষুধেই মর্মান্তিক পরিণতি?

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘সেবাশ্রয়ে’র বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ সামনে আসছে। হাতুড়ে কিংবা মেডিক্যাল পড়ুয়াদের দিয়ে চিকিৎসা থেকে করানো থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ (Expired) ওষুধ বিলি করার মতো মারাত্মক সব অভিযোগ রয়েছে অভিষেকের বিরুদ্ধে। মালতীর ঘটনাই তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। ঘটনার সূত্রপাত মাস দু’য়েক আগেই। হাঁটুর তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে এলাকার একটি ‘সেবাশ্রয়’ শিবিরে গিয়েছিলেন মালতী। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে কিছু ওষুধ দেন। অভিযোগ, সেই ওষুধ খাওয়ার পর থেকেই তাঁর পায়ের অবস্থার চরম অবনতি হয়, যন্ত্রণা আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে।

    বিনামূল্যে চিকিৎসার নামে মোটা টাকা দাবি!

    শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে মালতি বাধ্য হন অন্য একটি সেবাশ্রয় ক্যাম্পে। অভিযোগ, সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁর চিকিৎসার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা চান। তাহলে, সাংসদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ক্যাম্পেনিংয়ের কী হল? অভিযোগ, টাকা দিতে না চাওয়ায় মালতীকে সরকারি হাসপাতালে রেফার করে দেন ওই ‘সেবাশ্রয়’ শিবিরের কর্তারা। এরপর মালতি ছুটেছেন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। প্রথমে এমআর বাঙুর (M.R. Bangur), পরে সেখান থেকে চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল ও শেষে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ। সেখানেই মালতীর পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, সংক্রমণ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়া আটকাতে ডান পা-টি কেটে বাদ দেওয়া (Amputation) ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।

    বাদ পড়ল পা, তাও মুখে কুলুপ ‘সেবাশ্রয়’

    মালতির করুণ পরিণতির পর বহুবার অভিষেক ও সেবাশ্রয় ক্যাম্পের ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও, তাঁরা বিষয়টি পাত্তাই দিতে চাননি বলে অভিযোগ। অবশেষে রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের উপস্থিতিতে পুলিশের দ্বারস্থ হন অসহায় মালতির পরিবার।

    স্বাস্থ্যভবনের ভূমিকা

    এদিকে ঘটনাটি সামনে আসতেই তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে। নড়েচড়ে বসেছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। ভুক্তভোগী মহিলা ও তাঁর পরিবারকে সমস্ত নথিপত্র-সহ সোমবার সকাল ১১টায় সরাসরি স্বাস্থ্যভবনে (Swasthya Bhawan) ডেকে পাঠানো হয়েছে। এবার তাঁদের মুখেই পুরো অভিযোগ শুনবেন স্বাস্থ্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা।

    চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ধুমধাম করে ‘সেবাশ্রয়’ প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু বাস্তবে একের পর এক ক্যাম্পে অনিয়ম, চিকিৎসায় চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাংসদ এবং তাঁর পিএর নামে এফআইআর দায়ের হওয়ায় এই প্রকল্পের বিশ্বাসযোগ্যতা এখন খাদের কিনারে। রাজ্যে পালাবদলের পর যেভাবে একের পর এক মামলায় জর্জরিত হচ্ছেন অভিষেক, তাতে তাঁর চাপ যে আরও কয়েকগুণ বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।

  • MHA order on National Anthem and National Song: ‘একটুও ভুল উচ্চারণ চলবে না’, কেন্দ্রীয় দফতর থেকে লোকভবন, দেশের গানের মর্যাদা রক্ষায় নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    MHA order on National Anthem and National Song: ‘একটুও ভুল উচ্চারণ চলবে না’, কেন্দ্রীয় দফতর থেকে লোকভবন, দেশের গানের মর্যাদা রক্ষায় নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গীতের অবমাননা রুখতে এবার কড়া কেন্দ্রীয় সরকার। ‘আর চলবে না কোনও ভুল উচ্চারণ’, একেবারে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিল সরকারি নির্দেশিকা। দেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) ‘জন গণ মন’ এবং জাতীয় গীত (National Song) ‘বন্দে মাতরম্‌’ গাওয়া বা বাজানোর ক্ষেত্রে সুর এবং উচ্চারণে যাতে কোনও ভুল না হয়, তা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। গত ৯ জুলাই দেশের সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস এবং লোকভবনে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছে।

    কী রয়েছে নির্দেশিকায় (MHA order on National Anthem and National Song)?

    আর ভুল উচ্চারণ ও শব্দ বদল করা চলবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) এবং জাতীয় গীত (National Song) গাওয়ার সময় ভুল উচ্চারণ করা বা শব্দের হেরফের করা চলবে না। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তাদের ওয়েবসাইটে সঠিক শব্দ এবং উচ্চারণের একটি গাইডলাইনও প্রকাশ করেছে।

    সঠিক নিয়ম

    আমাদের দেশের কিছু রাজ্যে জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি নিজস্ব ‘রাজ্য সঙ্গীত’ (State Song) গাওয়ারও চল রয়েছে। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনও অনুষ্ঠানে রাজ্য সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত বা জাতীয় গীত বাজানো হয়, তবে জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় গীত-দুটিই একসঙ্গে গাইতে বা বাজাতে হবে। প্রথমে গাইতে হবে জাতীয় গীত (বন্দে মাতরম্‌), আর ঠিক তারপরেই গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত (জন গণ মন)। গত জানুয়ারি মাসের একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছিল, সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় গীতের ছয়টি স্তবক বা প্যারা গাইতেই হবে, যার জন্য সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড।

    কোন কোন অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলক?

    নতুন নির্দেশিকায় (MHA Order) বেশ কিছু বিশেষ অনুষ্ঠানের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে জাতীয় গীত (বন্দে মাতরম্‌), আর জাতীয় সঙ্গীত (জন গণ মন) বাধ্যতামূলক। এগুলি হল, রাষ্ট্রপতি যখন কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে আসবেন এবং অনুষ্ঠান শেষে চলে যাবেন, রেডিও (AIR) এবং দূরদর্শনে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ঠিক আগে এবং পরে, নিজ নিজ রাজ্যে রাজ্যপাল বা লেফটেন্যান্ট গভর্নর (LG) যখন কোনও বড় সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং বিদায় নেবেন, এবং প্যারেডের সময় যখন জাতীয় পতাকা সম্মানসহকারে সামনে নিয়ে আসা হবে।

    সোজা কথায়, জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গীত গাওয়ার সময় উচ্চারণ একদম নিখুঁত হওয়া বাধ্যতামূলক। আর কোনও অনুষ্ঠানে দুটিই থাকলে, প্রথমে বন্দে মাতরম্‌ (জাতীয় গীত) এবং তার ঠিক পরেই জন গণ মন (জাতীয় সঙ্গীত) গাইতে বা বাজাতে হবে।

  • One Tunnel, One Highway: ১৪,১১৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যানে আমূল বদলে যাচ্ছে দিল্লি-এনসিআর, যোগীরাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা

    One Tunnel, One Highway: ১৪,১১৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যানে আমূল বদলে যাচ্ছে দিল্লি-এনসিআর, যোগীরাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লির বুকে এক অভূতপূর্ব পরিকাঠামো উন্নয়নের জোয়ার আসতে চলেছে। যাতায়াতের কষ্ট দূর করতে এবং বাণিজ্যকে এক ধাক্কায় রকেটের গতি দিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট প্রায় ১৪,১১৫ কোটি টাকার দুটি মেগা সড়ক প্রকল্পের (One Tunnel, One Highway) সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এই প্রকল্পের হাত ধরে একদিকে যেমন দিল্লির যানজট কমবে, তেমনই উত্তরপ্রদেশের (UP) বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের অর্থনীতিতে ঘটতে চলেছে বিরাট বিপ্লব। এর ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের সময় বাঁচবে, ব্যবসার লজিস্টিক খরচ কমবে, তেমনি চোখ ধাঁধানো উন্নতি দেখা যাবে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়।

    কানপুর-কাবরাই গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে (Kanpur Kabrai Greenfield Highway Cabinet)

    উত্তরপ্রদেশবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের খবর হলো, যোগী রাজ্য পেতে চলেছে এক দুর্দান্ত অর্থনৈতিক করিডর। এই প্রজেক্টের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭,১৪৫.১৪ কোটি টাকা। ১১৭.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হাইওয়েটি হবে সম্পূর্ণ ‘অ্যাক্সেস-নিয়ন্ত্রিত গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে’। যার ফলে সাড়ে ৩ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগবে মাত্রই ৯০ মিনিট।

    অর্থনৈতিক বিপ্লব

    কানপুর-কাবরাই গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে করিডরটি ভোপাল-কানপুর ইকোনমিক করিডরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে। এর ফলে বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে, কানপুর রিং রোড, NH-34 এবং NH-35-এর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে উঠবে। মধ্যপ্রদেশের খনি ও কৃষি অঞ্চলের পণ্য সরাসরি পৌঁছে যাবে উত্তরপ্রদেশের শিল্পতালুকে।

    ৬ লেনের আধুনিক সুড়ঙ্গ (6 Lane Modern Tunnel)

    দিল্লি-এনসিআর এবং গুরুগ্রামের বাসিন্দাদের প্রতিদিনের ট্রাফিক জ্যামের নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে তৈরি হচ্ছে ৬ লেনের আধুনিক টানেল। আনুমানিক ৬,৯৬৯.৬৭ কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে ৮.১ কিলোমিটার দীর্ঘ ৬ লেনের এই টানেলটি। এই সুড়ঙ্গ দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে দক্ষিণ দিল্লির নেলসন ম্যান্ডেলা মার্গকে সরাসরি যুক্ত করবে। আইজিআই (IGI) বিমানবন্দর, বসন্ত কুঞ্জ এবং দ্বারকার মধ্যে যাতায়াত হবে জলভাত। এর সঙ্গেই তৈরি হতে চলা ‘এমস-মহিপালপুর এলিভেটেড করিডর’ যুক্ত হলে নয়ডা, গাজিয়াবাদ এবং পূর্ব দিল্লির দিকে যাওয়া আরও সহজ হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই টানেলটি তৈরির সময় কাজ পাবেন প্রায় ১৭.৩৪ লাখ মানুষ (UP Government)।

    শিল্পে ব্যাপক উন্নতি!

    পরিকাঠামো ও আবাসন খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই প্রকল্প (One Tunnel, One Highway) উত্তরপ্রদেশের ভোল বদলে দেবে। দ্বারকা টানেলের ফলে দক্ষিণ দিল্লি ও গুরুগ্রাম সংলগ্ন এলাকার ফ্ল্যাট ও জমির দাম এবং ভাড়া বাড়বে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় ঘরবাড়ি কেনার জন্য সাধারণ মানুষ ও বিনিয়োগকারীদের ঢল নামবে। কানপুর-কাবরাই হাইওয়ের কারণে লজিস্টিক ও পণ্য পরিবহণের খরচ এক ধাক্কায় অনেকখানি কমে যাবে, যা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত ডেলিভারি দিতে সাহায্য করবে। উন্নত সড়ক যোগাযোগের কারণে বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে নতুন গুদামঘর (Warehousing), বড় বড় হোটেল, মল এবং লজিস্টিক হাব গড়ে উঠবে, যা কর্পোরেট দুনিয়াকে এখানে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করবে। কেন্দ্রের এই ১৪,১১৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যান শুধু রাস্তাই তৈরি করছে না, বরং দিল্লি-এনসিআর এবং উত্তরপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের ভাগ্য বদলে এক নতুন অর্থনৈতিক করিডর তৈরি করছে। এবার যাতায়াত হবে সুপারফাস্ট, আর ব্যবসা ও কর্মসংস্থানে আসবে জোয়ার!

LinkedIn
Share