Tag: AAP

AAP

  • Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা যতই জোটের জুজু দেখাক, আর যতই হইচই করুক, ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী।” বৃহস্পতিবার দিল্লি বিল নিয়ে আলোচনার সময় এই কথাগুলিই বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “দিল্লি বিল একবার পাশ হয়ে গেলে আম আদমি পার্টি আর জোটে থাকবে না।” বিরোধী সাংসদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দিল্লির কথা ভাবুন, জোটের কথা নয়।” শাহ বলেন, “দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদিই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এই বিলের পরে আপনাদের জোট যেভাবেই হোক ভেঙে যাবে। কেজরিওয়াল আপনাদের বিদায় জানাবেন।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিরোধীরা কেবল তাদের জোট নিয়ে চিন্তা করে, দেশ নিয়ে নয়। আমার ভাল লেগেছে যে এতদিন পর আলোচনা হচ্ছে। সংসদে ৯টি বিল পাশ হয়েছে। বিরোধীরা অংশ নেননি…তাঁরা দেশের কথা চিন্তা করেন না, কেবলমাত্র তাঁদের জোটের কথা চিন্তা করেন…।”

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজধানী দিল্লি সম্পর্কিত যে কোনও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের রয়েছে। আর তার জন্যই আমলা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সটি সরকারের তরফে জারি করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে সংবিধানকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।” শাহ বলেন, “দিল্লির আপ সরকার দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হোন। ২০১৫ সালে আপ সরকার ক্ষমতায় আসে। দিল্লিবাসীকে পরিষেবা নয়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করাই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সেই সঙ্গে ভিজিল্যান্স বিভাগকে কবজায় রাখার লক্ষ্যও ছিল।”

    আরও পড়ুুন: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “বাংলো তৈরির মতো দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ভিজিল্যান্সকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছিল কেজরিওয়াল সরকার। তাই জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, বিআর আম্বেদকরের মতো নেতারা দিল্লিকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’! তাই পুরো বাদল অধিবেশনের জন্য আম আদমি পার্টির (AAP) রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহকে সাসপেন্ড করলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে আজ, সোমবার বাদল অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও উত্তপ্ত ছিল সংসদ। এদিন রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সঞ্জয়। এর পরেই সাংসদ পদের অবমাননা করায় তাঁকে সাসপেন্ড করেন ধনখড়। ২৬৭ নম্বর ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা চেয়ে বিক্ষোভ দেখানোয় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সতর্ক করে দেন সাংসদ তৃণমূলের ডেরেক ও’ ব্রায়েনকে।

    সাসপেন্ড সঞ্জয়

    এদিন মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয় সহ কয়েকজন সাংসদ। এজন্য সঞ্জয়কে একাধিকবার সতর্ক করে দেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁকে তাঁর আসনে গিয়ে বসতেও অনুরোধ করা হয়। তার পরেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয়। এর পর রাজ্যসভার নেতা পীযূষ গয়াল আপ সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় সেই প্রস্তাব। তার পরেই সঞ্জয়কে সাসপেন্ড করা হয়।

    ধনখড়-ডেরেক বিতণ্ডা 

    এদিকে, এদিন ধনখড়ের সঙ্গে সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের তুমুল বিতণ্ডা হয়। তার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় রাজ্যসভার অধিবেশন। এদিন রাজ্যসভায় কী কী নোটিশ এসেছে, তার উল্লেখ করছিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান (Jagdeep Dhankhar)। ১৭৬ এর অধীনে যেসব নোটিশ এসেছে, সেই নোটিশ নিয়ে বলার সময় সাংসদদের নাম বলেন ধনখড়।

    আর ২৬৭-র অধীনে যেসব নোটিশ এসেছিল, সেগুলি বলার সময় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান কেন সাংসদদের নাম উল্লেখ করলেন না, তা নিয়েই শুরু হয় বিতণ্ডা।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড়, ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ প্রধান হাইকোর্টের বিচারপতির

    এর পর রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সাংসদদের নাম বলতে শুরু করেন। তখন ডেরেক ফের ‘কোন দল? কোন দল?’ বলে চেঁচামেচি জুড়ে দেন।  ধনখড় তাঁকে বলেন, “আপনি বসুন। তারপর বলুন কী হয়েছে।” ডেরেক তা করতে অস্বীকার করেন। এরপরেও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ ব্রায়েন আপনি দয়া করে বসুন। আপনি কিন্তু চেয়ারকে চ্যালেঞ্জ করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” মঙ্গলবারই তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং আপ (AAP) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Aravind Kejriwal) বৈঠককে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার ঠিক পরের দিনই ওই বৈঠককে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট-বোমা

    বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশ করে ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র তৈরি করতে পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নকে গতকাল অনৈতিকভাবে ব্যবহার করলেন আঞ্চলিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সব থেকে উদ্বেগের বিষয় হল এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।”

    শুভেন্দুর প্রশ্ন একাধিক

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “সমালোচক অথবা নিন্দুকরা হয়তো পাল্টা প্রশ্ন করবেন, দু তিন জন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সচিবালয়ে বৈঠক করলে ভুলটা কোথায়? তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, এটা যদি মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠক হয়, তাহলে তার আলোচ্যসূচি কোথায়? সেখানে কি দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে কোনও সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে? যেমন, দিল্লি সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তাদের আবগারি নীতি প্রণয়নে সাহায্য করবে? বা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দফতর দিল্লি সরকারের শিক্ষা দফতরকে কীভাবে সৎ ও স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ করতে হয়, তার প্রশিক্ষণ দেবে, ইত্যাদি…”

    কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধী শক্তিকে একত্রিত করতে কোমর কষে নেমেছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, “আর তো ৬ মাস, তার আগেও হতে পারে, কোনও মিরাকেল হতে পারে।” কেজরিওয়াল বলেন, “দিদি বলেছেন, রাজ্যসভায় সমর্থন করবেন।” মমতা-কেজরির এই বৈঠক হয় ঘণ্টাখানেক। বৈঠকে আপ নেতা তথা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন দিল্লির তিন মন্ত্রী আপের সঞ্জয় সিংহ, রাঘব চাড্ডা এবং আতিশি। বৈঠকের পর নবান্নে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও করেন মমতা-কেজরি।

    আরও পড়ুুন: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে আপ (AAP) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রস্তাবিত বৈঠককে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মঙ্গলবার দুপুরে মমতা-কেজরি বৈঠক হওয়ার কথা।

    দিলীপের (Dilip Ghosh) নিশানায় মমতা

    এদিন নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে এসে দিলীপ বলেন, “গতবারও একই ঘটনা ঘটেছিল। মোদির সামনে কে যাবেন? কেউ যেতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “গতবার মমতা লাফালাফি করেছিলেন। সবাইকে মাছ-ভাত খাইয়েছিলেন। তারপর তো ওঁর ১২টি সিট কমে গিয়েছিল। তাই আর উনি এবার রাজি হচ্ছেন না। একটু হাওয়া দিলেই অনেক সময় উনি রাজি হয়ে যান। তাই এক একজন এসে হাওয়া দিচ্ছে। বলছে, দিদি, আপনি রাজি হয়ে যান। ওঁকে আসরে নামানোর চেষ্টা চলছে। কেবল ওঁকে রাজি করাতে এক এক সময় এক একজন কলকাতায় আসছেন। কিন্তু উনি জেনে গিয়েছেন, মোদির সামনে গেলে হাওয়া খারাপ হয়ে যাবে।”

    দিলীপের (Dilip Ghosh) নিশানায় অভিষেক

    এদিন তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো তথা ঘাসফুল শিবিরের নম্বর টু নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “এদিকে বলছে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন। এদিকে রক্ষাকবচ চাইতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন। এ বেঞ্চ থেকে ও বেঞ্চ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আদালতের সময় নষ্ট করছেন। সরকারি পয়সা অপচয় করছেন। তাঁকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চাট্টিখানি কথা নয়। এই চালাকি সবাই বোঝে। একাধিক নেতা আগেও এই চেষ্টা করেছেন। এ কোর্ট সে কোর্ট ঘুরে তাঁরা ভিতরে গিয়েছেন। অপেক্ষা করুন। কাজ চলছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    বর্তমানে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের নব জোয়ার কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন অভিষেক। সেখানকারই এক সভায় মোদির বয়স তুলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “৩৬ বছরেই কেউ যদি এত দুর্নীতি করে, ৭২ এ গিয়ে কী করবে?  মোদি ৫০ বছর ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে রয়েছেন। তাঁকে যারা কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল, তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। উনি যেন ভুলে না যান, মোদি-শাহকে ফাঁসাতে কেস গুজরাট থেকে তুলে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেখানেও গিয়েছেন। কেউ রাস্তা অবরোধ করেনি। কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে যায়নি। কেউ সরকারকে গালাগাল দেয়নি। আমরা আগুনের থেকে সোনা চকচকে হয়ে বেরিয়ে আসার মতো কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেরিয়ে এসেছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই মোদির’, জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    PM Modi: ‘ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই মোদির’, জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কোনও কলেজের ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই। শুক্রবার এমনটাই জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)। প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ করার জন্য সরব হওয়ায় আম আদমি পার্টি (AAP) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। দেশের একজন শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী দরকার, এই প্রচার শুরু করেছে আম আদমি পার্টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এমন প্রচারের পাশাপাশি তাঁর ডিগ্রির প্রমাণ চেয়ে জাতীয় তথ্য কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ডিগ্রি…

    এদিন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি বীরেন বৈষ্ণবের সিঙ্গল বেঞ্চ এদিন খারিজ করে দেয় চিফ ইনফর্মেশন কমিশনের অর্ডার। তাদের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের ডিগ্রি প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পাবলিক ইনফর্মেশন অফিসারকে। একই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল গুজরাট ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক ইনফর্মেশন অফিসারদেরও। গুজরাট হাইকোর্ট অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে এই মর্মে ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে। কেজরিওয়ালই প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন। এরপরই চিফ ইনফর্মেশন কমিশন একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই গুজরাট হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিল গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুুন: আবাস যোজনার রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দেওয়া তথ্য অনুসারে ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন। মাস্টার্স করেছেন ১৯৮৩ সালে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার যুক্তি ছিল, একজন ডক্টরেট ও একজন শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন ব্যক্তির মধ্যে গণতন্ত্রে কোনও বিভাজন করা হয় না। এই ক্ষেত্রে কোনও জনগণের স্বার্থও জড়িত নয়। পরন্তু এতে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। জন প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার সঙ্গে তাঁর ডিগ্রির কোনও সম্পর্ক নেই। কারও শিশুসুলভ কৌতুহলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না। আরটিআইয়ের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ ছাড়া কোনও কিছু জানতে চাওয়া অযৌক্তিক বলেও জানিয়েছিলেন তুষার মেহতা। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পক্ষে আইনজীবী পার্সি ক্যাভিনা বলেন, এই আবেদন মোটেই শিশুসুলভ কৌতুহল নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ডিগ্রি সার্টিফিকেট দেখতে চেয়েছি। মার্কশিট নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Liquor Scam: দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি কী? বিতর্কের মূল কারণ কী?

    Delhi Liquor Scam: দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি কী? বিতর্কের মূল কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর নতুন আবগারি নীতি আনে দিল্লি সরকার। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া আবগারি দফতরের দায়িত্বে। মদ কেনার পাশাপাশি বিক্রির পদ্ধতিতেও বেশ কিছু বদল আনা হয়। নতুন আবগারি নীতিতে সরকারি মদের দোকানগুলি বন্ধ করে বেসরকারি মদের দোকানগুলিকে মদ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়। এর পর গত ২ মে দিল্লির আবগারি নীতি সংশোধন করে নয়া নীতি মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবিত হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ৩০ জুলাই নতুন মদ নীতি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছেন, ১ অগাস্ট থেকে শুধুমাত্র সরকারি মালিকানাধীন মদের দোকান থেকেই মদ বিক্রি করা যাবে।

    কী নিয়ে বিতর্ক?

    আবগারি নয়া নীতিতে মদের হোম ডেলিভারি, ভোর তিনটে পর্যন্ত মদের দোকান খোলা রাখা, লাইসেন্সধারী মদ বিক্রেতাদের সীমাহীন ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩০ জুলাই ২০২২ সালে তা বাতিল করা হয়। আপ সরকারের দাবি ছিল এই নতুন আবগারি নীতির ফলে মদের কালোবাজারি বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়বে। কিন্তু এই নীতি কার্যকর করতেই আবগারি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বেনিয়ম এমনকী আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে।

    আরও পড়ুন: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    নতুন মদ নীতিতে অনিয়মের কারণেই দিল্লি সরকারের আবগারি বিভাগের বিরুদ্ধে তদন্ত নামে সিবিআই। ফলে নতুন আবগারি নীতি চালুর ঠিক ৮ মাস পর তা প্রত্যাহার করা হয়। বলা হয়, নতুন নীতিতে পদ্ধতিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। এর পর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সরকার পুরনো আবগারি নীততে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিনিধি তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনা সরকারের এই নতুন নীতিতে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই সংক্রান্ত মামলারই তদন্ত করছে সিবিআই। এর পাশাপাশি তিনি দিল্লির মুখ্য সচিবকে নতুন মদ নীতির ‘অবৈধ প্রণয়ন, সংশোধনী এবং বাস্তবায়নে অফিসার এবং সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা’ নিয়ে বিশদ রিপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পর এই মামলায় তদন্তে নেমেই গতকাল গ্রেফতার করা হল আবগারি দফতরের দায়িত্বে থাকা দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে।

  • CBI: এবার বেআইনি নজরদারি চালানোর অভিযোগে মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পথে সিবিআই

    CBI: এবার বেআইনি নজরদারি চালানোর অভিযোগে মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পথে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করতে চলেছে সিবিআই (CBI)। সূত্রের খবর ইতিমধ্যে সবুজ সংকেতও দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দিল্লির অন্দরের খবর প্রধানমন্ত্রীর অফিস দিল্লির উপ-রাজ্যপাল বিকে সাক্সেনার পাঠানো এই সংক্রান্ত প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। সাক্সেনার কাছে সিবিআই (CBI) এই মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়েছিল।
    আপাতত সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে দিল্লির মদনীতি কেন্দ্রীক অনিয়মের মামলার তদন্ত চলছে। সেই মামলায় তাঁকে আবারও তলব করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বক্তব্য, মদনীতি সংক্রান্ত অনিয়মের ঘটনায় মণীশই মূল অভিযুক্ত। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আবগারি নীতি তৈরি করা হয়েছিল যাতে ব্যবসায়ীরা উপরি লাভ করতে পারে। অভিযোগ, যে আপ সবসময় দুর্নিতীমুক্ত প্রশাসনের কথা বলে অতিরিক্ত লাভের একটি অংশ গিয়েছে তাদের নির্বাচনী তহবিলে।

    সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে নতুন কী অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে সিবিআই (CBI)

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে বলা হয়েছে, দিল্লির আম আদমি সরকারের অধীনে ‘ফিডব্যাক ইউনিট’ নামে একটি সেল আছে। দিল্লি সরকারের অধীনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজকর্মের দিকে নজর রাখা, অভিযোগ থাকলে খতিয়ে দেখাই এই ইউনিটের কাজ বলে জানানো হয়। অথচ দিল্লির রাজ্যপালকে এর বিন্দু বিসর্গও জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল হওয়ার সুবাদে দিল্লির যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ দেখভাল কেন্দ্র সরকারই করে থাকে।

    কিন্তু সিবিআই (CBI) বিভিন্ন মহলের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছে, ওই ইউনিট রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, আমলা, ব্যবসায়ী-সহ প্রায় সাতশো জনের উপর নজরদারি চালিয়েছে, যা তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। জানা গেছে, ফিডব্যাক ইউনিট এভাবে বেআইনি নজরদারি চালিয়েছিল ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর অবধি।
    সিবিআইয়ের (CBI) দাবি, ওই ইউনিটটির কাজকর্ম নিয়মিত দেখভাল করে থাকেন মণীশ এবং তিনিই ঠিক করতেন কাদের উপর নজরদারি চালাতে হবে। শুধু বিরোধী দলের নেতা কর্মী নয়, নিজেদের দলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের উপরেও নজরদারি চালাত এই ইউনিট।  ২০১৫-র শেষপ্রান্তে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফিডব্যাক ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মন্ত্রিসভায় এজন্য কোনও নোট পেশ করা হয়নি। মৌখিকভাবে জানিয়ে প্রস্তাবটি পাশ করিয়ে নেওয়া হয়। এটাও বেনিয়ম বলছে সিবিআই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Delhi Mayor Election: তিনবার ব্যর্থ হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফের হচ্ছে দিল্লির মেয়র নির্বাচন

    Delhi Mayor Election: তিনবার ব্যর্থ হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফের হচ্ছে দিল্লির মেয়র নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর থেকে তিন বার চেষ্টা করা হয়েছে মেয়র নির্বাচনের। তার পরেও দিল্লির মেয়র নির্বাচন (Delhi Mayor Election) হয়নি। উল্টে প্রতিবারই মেয়র নির্বাচন নিয়ে পুরসভায় হাতাহাতিতে জড়িয়েছে আপ (AAP) ও বিজেপি (BJP)। এহেন আবহে ফের মেয়র নির্বাচনের দিন ধার্য হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার হবে দিল্লি পুরসভার মেয়র নির্বাচন। ১৬ ফেব্রুয়ারি মেয়র নির্বাচন হোক বলে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রবিবার আধিকারিকরা জানান, সাক্সেনা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।

    গোড়ার কথা…

    ৬ জানুয়ারি দিল্লির মেয়র নির্বাচনের কথা ছিল। সেদিন অধিবেশনের শুরুতেই আপ ও বিজেপির প্রতিনিধিদের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। অশান্তি পরিণতি পায় হাতাহাতিতে। অধিবেশন কক্ষের মধ্যেই একে অপরকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুড়তে থাকেন। এমতাবস্থায় দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর মেয়র নির্বাচন (Delhi Mayor Election) পিছিয়ে দেন ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। অশান্তির জেরে সেই অধিবেশনও ভন্ডুল হয়ে যায়। ভন্ডুল হয়ে যায় ৬ ফেব্রুয়ারির অধিবেশনও। তার জেরে এখনও মেয়র পাননি দিল্লিবাসী। সেই মেয়র নির্বাচনই ফের হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার।

    আরও পড়ুুন: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    ডিসেম্বর মাসে ভোট হয় দিল্লি পুরনিগমের। এই পুরনিগমের আসন সংখ্যা ২৫০। এর মধ্যে আপ পেয়েছিল ১৩৪টি আসন। গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছিল ১০৪টি। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর আগেই পুরসভায় ১০জনকে মনোনীত সদস্য হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এ কাজ করছেন বলে অভিযোগ তুলেছিল আপ। এর পরেই আপ নেতৃত্ব প্রশ্ন তোলেন, দিল্লির সরকারকে এড়িয়ে কীভাবে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ১০ জন আল্ডারম্যান নিয়োগ করে তাঁদের মেয়র নির্বাচনের ভোটাধিকার দিতে পারেন। এ নিয়েই অশান্তির সূত্রপাত। যার জেরে মাস দুয়েক কেটে গেলেও এখনও মেয়র পায়নি দিল্লি।

    দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, হাউস মিটিংয়ে অল্ডারম্যানরা ভোট (Delhi Mayor Election) দিতে পারেন না। এই যুক্তিতেই লেফটেন্যান্ট গভর্নরের তীব্র বিরোধিতা করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আম আদমি পার্টির দাবি, দিল্লি পুরনিগমের রশি হাতে নিতে চাইছে বিজেপি। মেয়র পদে তারা একজন বিজেপি নেতাকে বসাতে চাইছে। যদিও পুরনিগমের ভোটে সব চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে আপই। প্রসঙ্গত, এর আগে টানা ১৫ বছর দিল্লি পুরসভার ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। গত ডিসেম্বরে সেই রাশই হাতছাড়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Mayor Election: ফের ভেস্তে গেল দিল্লির মেয়র নির্বাচন, এই নিয়ে  তৃতীয়বার

    Delhi Mayor Election: ফের ভেস্তে গেল দিল্লির মেয়র নির্বাচন, এই নিয়ে তৃতীয়বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারও ভেস্তে গেল দিল্লির মেয়র, ডেপুটি মেয়র নির্বাচন (Delhi Mayor Election)। এই নিয়ে তিনবার এমনটা ঘটল। মেয়র নির্বাচনের জন্য ফের পরবর্তী দিন ঘোষণা করবেন দিল্লির উপ রাজ্যপাল। এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ শুরু হয় দিল্লির পুর অধিবেশন। প্রথমে ঘোষণা মতো মেয়র এবং ডেপুটি মেয়র নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেন নির্বাচনের প্রিসাইডিং অফিসার সত্য শর্মা।

    কী জানা গেল? 

    কিন্তু এরপরেই তিনি ঘোষণা করেন, মেয়র, ডেপুটি মেয়র এবং স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার পাবেন অল্ডারম্যান সদস্যেরা (Delhi Mayor Election)। এই ঘোষণা আসা মাত্রই অশান্তি শুরু হয়ে যায়। এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির সদস্যেরা। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান দিতে থাকে আপ এবং বিজেপি। এর কিছুক্ষণ পরেই মেয়র নির্বাচন না করেই মুলতবি হয়ে যায় অধিবেশন।

    আপ নেতাদের দাবি, আপ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে ক্রশ ভোটিং-এর সম্ভাবনা থাকছে। তাছাড়া, বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়া। সূত্রের খবর,  আগামী ১০ দিনের মধ্যে মেয়র নির্বাচন সারতে এবং শীর্ষ আদালতের নজরদারিতে সেই নির্বাচন করানোর আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে আপ।

    এর আগে ৬ এবং ২৪ জানুয়ারিও মেয়র নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল দিল্লিতে (Delhi Mayor Election)। কিন্তু সে দিন অধিবেশনের শুরুতেই হাঙ্গামা শুরু হয়ে যায় আপ এবং বিজেপির প্রতিনিধিদের মধ্যে। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। অধিবেশন কক্ষের মধ্যেই একে অপরকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুড়তে থাকেন। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির উপরাজ্যপাল বিনয় সাক্সেনা মেয়র নির্বাচন ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দেন। কিন্তু সেই অধিবেশনও ভন্ডুল হয়ে যায়। সোমবার তৃতীয় বার নির্বাচনের জন্য দু’দলকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু এ বারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায়, মেয়র নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে জট রয়েই গেল।

    আরও পড়ুন: প্রবল ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়াল! কঠিন সময়ে তুরস্ক ও সিরািয়ার পাশে ভারত 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর নির্বাচন হয় দিল্লি পুরসভায়। নির্বাচন শেষে ২৫০ আসনের পুরনিগমের ১৩৪টিতে জয়ী হয় আপ (Delhi Mayor Election)। গত ১৫ বছর ধরে দিল্লি পুরনিগম ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। কিন্তু এবার তারা পেয়েছে ১০৪টি আসনে। কংগ্রেস পায় ৯ টি আসন। সেই হিসাবে দিল্লি পুরসভার মেয়র এবং ডেপুটি মেয়র প্রার্থী আপ-এরই হওয়ার কথা। দিল্লি পুরনিগম আইন, ১৯৫৭ অনুযায়ী নির্বাচনের পরই প্রথম অধিবেশনেই মেয়র এবং ডেপুটি মেয়র নির্বাচন করতে হবে। কিন্তু নির্বাচনের পরে ২মাস কেটে গেলেও মেয়র নির্বাচন করতে পারেনি পুরনিগম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Delhi Mayor: ফের স্থগিত হয়ে গেল দিল্লি পুরনিগমের মেয়র নির্বাচন, কেন জানেন?

    Delhi Mayor: ফের স্থগিত হয়ে গেল দিল্লি পুরনিগমের মেয়র নির্বাচন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের স্থগিত হয়ে গেল দিল্লি পুরনিগমের মেয়র নির্বাচন। আজ, মঙ্গলবার ওই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো সকাল থেকে দিল্লির সিভিক সেন্টারে ছিল কড়া প্রহরার ব্যবস্থা। এদিন নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হয় ভোটাভুটির প্রক্রিয়া। তার পরেই আপ এবং বিজেপি কাউন্সিলরদের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়ে যায়। তার জেরে অধিবেশন মুলতুবি করে দিতে বাধ্য হন প্রোটেম স্পিকার। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ভেস্তে গেল দিল্লি পুরনিগমের মেয়র নির্বাচন প্রক্রিয়া। এক মাসেরও বেশি আগে হয় দিল্লি পুরনিগমের ভোট। তার পর থেকে ওই পুরনিগমের মেয়র ও ডেপুটি মেয়রের পদ রয়েছে ফাঁকা। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে বিজেপি ও আপ কাউন্সিলরদের হট্টগোলের জেরে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল মেয়র নির্বাচন। এদিন ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গেল অধিবেশন।

    দিল্লি পুরনিগম…

    দিল্লি পুরনিগমের আসন সংখ্যা ২৫০। ডিসেম্বরের প্রথম দিকে ভোট গ্রহণ হয়। ২৫০টি আসনের মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি জয়ী হয় ১৩৪টি আসনে। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলে কেজরিওয়ালের দল। ক্ষমতাসীন বিজেপির ঝুলিতে যায় ১০৪টি আসন। পুরনিগমের ৯টি আসনে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থীরা। মেয়র পদে জয়ের জন্য প্রয়োজন ১২৬ জন কাউন্সিলরের সমর্থন।

    মেয়র (Delhi Mayor) পদে আম আদমি পার্টির (AAP) প্রার্থী হয়েছেন শেলি ওবেরয়। আর বিজেপির হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন শালিমার বাগের তিন বারের কাউন্সিলর রেখা গুপ্তা। এদিনই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ডেপুটি মেয়রও। ওই পদে বিজেপির প্রার্থী রামনগরের কাউন্সিলর কমল বাগড়ি। আর কেজরিওয়ালের দলের হয়ে ওই পদে লড়ছেন আলে মহম্মদ ইকবাল।

    আরও পড়ুুন: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্যপথে ফের দেখা যাবে বাংলার ট্যাবলো, থিম কি জানেন?

    পুর নির্বাচনে আপ জয়লাভ করলেও, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিজেপি কাউন্সিলর সত্য শর্মাকে প্রোটেম স্পিকার মনোনীত করেন। এদিন সত্য শর্মা শপথ গ্রহণের জন্য প্রথমে ডাকেন মনোনীত ১০ কাউন্সিলরকে। পরে শপথ গ্রহণ করেন নির্বাচিত কাউন্সিলররাও। এরপর মেয়র ও ডেপুটি মেয়র নির্বাচনের আগে ১৫ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত ছিল। সূত্রের খবর, সেই সময় বিজেপির কয়েকজন কাউন্সিলর মোদি মোদি বলে স্লোগান দিতে দিতে সিভিক সেন্টারের ভিতরে ঘোরাঘুরি করতে শুরু করেন। আপ নেতা কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন তাঁরা। আপ কাউন্সিলরদের বেঞ্চের সামনে গিয়েও তাঁরা স্লোগান দেওয়া শুরু করেন বলে অভিযোগ। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন আপ কাউন্সিলররাও। এর পরেই অধিবেশন মুলতুবি করে দেন প্রোটেম স্পিকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share