Tag: ABVP

ABVP

  • ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণ করতে ভারতের বেসরকারি শিল্পক্ষেত্র ও উদ্যোক্তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আহ্বান জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত সংগঠনের তিন দিনব্যাপী জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ (NEC) বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয় না ঘটলে গবেষণার প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়— এই মূল বার্তাটিই উঠে এসেছে এবিভিপি-র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা থেকে।

    জিডিপির ১ শতাংশেরও কম খরচ গবেষণায় (ABVP)

    এবিভিপি-র (ABVP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডক্টর বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বৈঠকে ভারতের বর্তমান গবেষণা ব্যবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারত তার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) ১ শতাংশেরও কম অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে ব্যয় করে। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই খরচের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যেমন— ইসরো (ISRO), ডিআরডিও (DRDO) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় আইআইটি বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে। বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে ধরে রাখতে হলে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অবদান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।”

    উদীয়মান প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন

    এবিভিপির (ABVP) পক্ষ থেকে ভারতীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ প্রতিভাদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অংশীদারিত্বের (Industry-Academia Partnership) মডেল তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে সমসাময়িক এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি হল-

    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও কোয়ান্টাম টেকনোলজি।
    • ● সাইবার নিরাপত্তা (Cybersecurity) এবং বায়োটেকনোলজি।
    • ● পরিবেশবান্ধব বা পরিচ্ছন্ন শক্তি (Clean Energy)।

    এবিভিপি সংগঠনের মতে, এই উদীয়মান খাতগুলিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল দেশের উদ্ভাবনী ক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং গবেষণা খাতে ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ব্যয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

    ডিগ্রি অর্জনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশ গঠন

    ডক্টর সোলাঙ্কি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “এবিভিপি (ABVP) সব সময়ই বিশ্বাস করে যে শিক্ষা মানে কেবল মাত্র একটি ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া নয়; শিক্ষা হল দেশ গঠন এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মূল ভিত্তি।” তিনি আরও বলেন, “শিল্পক্ষেত্রের সম্পদ ও পরিকাঠামোর সঙ্গে যদি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মেধা ও দক্ষতার সঠিক মেলবন্ধন ঘটানো যায়, তবে তা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ে তোলার জাতীয় সংকল্পকে এক অভূতপূর্ব গতি প্রদান করবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক নয়, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।”

    জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ব্যাপক মন্থন

    ভুবনেশ্বরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই তিন দিনের জাতীয় বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৫০০ জন ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধি অংশ নেন। গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারিত্ব ছাড়াও এই সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র বাস্তবায়ন, ত্রি-ভাষা নীতি, ক্যাম্পাস স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নারী নিরাপত্তা এবং ‘আর্বান নকশাল’ বা শহুরে মাওবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়গুলি নিয়ে গভীর আলোচনা (NEC) হয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির উপস্থিতিতে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের আবহ তৈরি হয়েছিল, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে নতুন জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রসার ঘটাতে ছাত্র সমাজকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশাবাদী এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্ব।

  • ABVP: সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট খুলবে এবিভিপি, দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ডাক

    ABVP: সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট খুলবে এবিভিপি, দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে পদ্ম ফুটতেই (BJP Bengal Victory) রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) প্রদেশ কার্যালয়ে ঢল নেমেছে জেন জিদের। স্বদেশ মাতার বন্দনা, দেশের সুরক্ষা এবং দুর্নীতি মুক্ত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিকে ছাড়ার হিড়িক দেখা দিয়েছে ছাত্র সমাজের মধ্যে। রাজনৈতিক পালা পরিবর্তনের পর এবিভিপির পক্ষ থেকে লিংড কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করার জোরালো দাবি উঠেছে। সেই সঙ্গে সংগঠনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট খুলবে বিদ্যার্থী পরিষদ। বাংলার ভেঙে পড়া শিক্ষা পরিকাঠামকে পুনঃনির্মাণের দাবি তোলা হয় এই হিন্দুত্ববাদী ছাত্র সংগঠনের তরফে।

    ক্যাম্পাসে শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ (ABVP)

    অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) পর অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) তরফে সাফ দাবি করা হয়, নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে সমস্ত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্বাচন করতে হবে। ছাত্র অধিকারের দাবিতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। স্বাভাবিক পঠনপাঠন এবং ক্যাম্পাসকে রাজনীতি মুক্ত করে এবিভিপি সকল ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করার কথা জোর দিয়ে জানিয়েছে। ভর্তিতে কাটমানি, তোলাবাজি, নেশামুক্ত ক্যাম্পাস এবং কাম্পাসে নারী সুরক্ষার বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিরাপদ করার দাবিও তুলেছে এবিভিপি। বঙ্গের কৃষ্টি-সংস্কৃতির জাগরণের আরেকবার পুনঃজাগরণের কথায় জোর দেওয়া হয়েছে।

    ২০১৬ সালের পর থেকে কোনও নির্বাচন হয়নি

    ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে থেকেই জেলা ভিত্তিক সংগঠনের কাজ সম্পন্ন করেছে এবিভিপি। ইতিমধ্যে কলকাতা, শহরতলী, উত্তর ২৪ পরগনা, বর্ধমান, মেদিনীপুর, হুগলি, শিলিগুড়ি, মালদা, কোচবিহারে এবিভিপির শক্ত সংগঠন রয়েছে। রাজ্যের তৃণমূল সরকারের আমলে গত ৮ বছর আগে ২০১৯ সালে শেষ ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছিল কেবলমাত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যায় এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে। একক ভাবে এবিভিপি (ABVP) বিশেষ ভাবে নিজেদের ভোট অঙ্কে বিরাট প্রতিফলন হয়েছিল। তবে রাজ্যের বাকি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যাম্পাসগুলিতে ২০১৬ সালের পর থেকে কোনও নির্বাচন হয়নি। একক ভাবে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজেদের একাধিপত্য জোরপূর্বক দখল করে রেখে ছিল। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির (BJP Bengal Victory) ফলে ক্যাম্পাসকে ভয় মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে বঙ্গের জেন জি সমাজ।

    রাজনীতির আখড়া গড়ে তুলেছে

    এবিভিপির দাবি, তৃণমূলের রাজত্বে গত আট বছর এ রাজ্যের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রসংসদ গঠন করা যায়নি। স্বচ্ছ ভাবে করা হয়নি ছাত্র সংসদের ভোট। বারবার তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রসংসদ নিষ্ক্রিয় করে রেখছে শাসকদল তৃণমূল। ইউনিয়ন রুমে ক্যাম্পাসের তৃণমূল নেতারা ছাত্রীদের ধর্ষণের মতো ঘটনাও ঘটেছে।  সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে এমন ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছিল সর্বত্র। অকারণে শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষকদের সঙ্গে অভব্য আচরণ, মারধর এবং রাজনীতির আখড়া গড়ে তুলেছে। কলজেগুলিকে লোকাল রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের প্রভাব বন্ধ করতে হবে। যাদবপুরের মতো জায়গায় স্বপ্নদীপের মতো একজন প্রথম বর্ষের ছাত্রকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছিল। ক্যাম্পাসে নামাজ, ইফতারের নামে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের কাজ করেছে তৃণমূল। তাই সার্বিক ভাবে অপসংস্কৃতির সমাপ্তি ঘটিয়ে একটি শিক্ষার পরিমণ্ডল চায় এবিভিপি।

    দুর্নীতিগ্রস্তদের সংগঠনে না

    এবিভিপি-র (ABVP) রাষ্ট্রীয় মিডিয়া সেলের সহ-আহ্বায়ক দেবাঞ্জন পাল জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যেই গোটা রাজ্য থেকে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা এবিভিপি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছেন। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যেরা সব থেকে বেশি যোগ দিতে চাইছেন আমাদের সংগঠনে। কিন্তু নেতৃত্বের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসের পরিবেশ যাঁরা এত দিন নষ্ট করে এসেছেন, ভাবমূর্তি খারাপ তাঁদের কোনও ভাবেই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না। ২০১৭-র পর থেকে কোথাও ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। এই ন’বছরে যাঁরা পড়াশোনা করেছেন, তাঁরা বুঝতেই পারলেন না ছাত্র রাজনীতি কী। তৃণমূল স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ধ্বংস করেছে আমরা সেটা ফিরিয়ে আনব।”

    ছাত্র সমাজের বিরাট পরিবর্তন

    রাজ্যে গত ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনের (West Bengal Election 2026) অবসান হয়েছে। পদ্মশিবির উত্তর থেকে দক্ষিণে দিকে দিকে জয়যুক্ত হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের ঢেউ (BJP Bengal Victory) আছড়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের অলিগলিতে। লাগাম ছাড়া নারীধর্ষণ এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে একক ভাবে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে জয়যুক্ত হয়েছে। মমতার মা মাটি সরকারের লাগাম ছাড়া তোষণনীতির বিরুদ্ধে এবং হিন্দু সুরক্ষার পক্ষে জনাদেশ এসেছে। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র-যুব সমাজের মধ্যেও বিরাট পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদ্যার্থী পরিষদ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে হিংসা মুক্ত পরিবেশ চায় এবিভিপি। এমনটাই জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফে।

  • Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) জন্য বড় ধাক্কা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পবন খেরাকে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট যে আগাম জামিন দিয়েছিল, এবার তার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করেছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Supreme Court)

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পবন খেরা (Pawan Khera) অভিযোগ করেছিলেন যে, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা একাধিক দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন এবং তাঁর বিদেশে অঘোষিত সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেন। জালিয়াতি, মানহানি এবং প্রতারণার অভিযোগে এই মামলা রুজু করা হয়।

    হাইকোর্টের রায় ও সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ (Supreme Court)

    গত ১০ এপ্রিল তেলঙ্গানা হাইকোর্ট পবন খেরাকে (Pawan Khera) এক সপ্তাহের জন্য ‘ট্রানজিট’ আগাম জামিন দিয়েছিল যাতে তিনি অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু অসম সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়। আজ শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকারের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদালত জানায়, মামলা যেখানে নথিভুক্ত হয়েছে (অসম), সেখানে আবেদন না করে কেন তেলঙ্গানা হাইকোর্টে যাওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা যুক্তি দেন যে এটি ‘ফোরাম শপিং’ (পছন্দমতো আদালত বেছে নেওয়া)-এর নামান্তর। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের জামিনের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পবন খেরা (Pawan Khera) যদি এখন অসমের কোনও উপযুক্ত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই স্থগিতাদেশ সেই আবেদনের বিচারে কোনও বাধা হবে না। তবে আপাতত তাঁর রক্ষাকবচ সরে যাওয়ায় আইনি চাপ বাড়ল কংগ্রেস নেতার ওপর।

  • Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা এবং লখনউসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের মদতে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অপরাধে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) তিন সক্রিয় সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। এই তিন অভিযুক্ত পাকজঙ্গি সংগঠনের (Pakistan Linked Terror) সঙ্গে সরাসরি যুক্তের প্রমাণ মিলেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Pakistan Linked Terror)

    তদন্তে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন জঙ্গি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের (Pakistan Linked Terror) নির্দেশে ভারতের ধর্মীয় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। বিশেষ করে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং রাজ্যের রাজধানী লখনউ ছিল তাদের মূল নিশানায়। ২০২১ সালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) প্রথমে এই মডিউলটির (Al-Qaeda) সন্ধান পায় এবং পরে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    আদালতের রায়

    লখনউয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে জানায় যে, অভিযুক্তদের (Pakistan Linked Terror) বিরুদ্ধে আনা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারাগুলি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আইইডি (IED) তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালত এই অপরাধকে ‘বিরল’ হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

    পাকিস্তানি যোগসূত্র

    সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা (Al-Qaeda) টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে বসে থাকা আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।

    স্লিপার সেল

    তারা উত্তরপ্রদেশে একটি বড় ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করছিল এবং স্থানীয় তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার কাজ চালাচ্ছিল।

    নাশকতার পরিকল্পনা

    ভিড়ভাড় এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা ব্যবহারের ছক ছিল তাদের।

    নিরাপত্তা মহলে স্বস্তি

    এই রায়ের ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একটি বড় সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পরবর্তী সময়ে এই ধরণের নাশকতার ছক রুখে দেওয়া এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Al-Qaeda) দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) ত্রিপুণিতুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে এক এবিভিপি (ABVP) কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)-কে মদত দেওয়ার এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (ABVP)

    অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি (ABVP) পরীক্ষার সমস্ত নিয়মাবলী পালন করা সত্ত্বেও তাকে প্রবেশপত্র বা হল টিকিট দেওয়া হয়নি। এবিভিপি-র দাবি, ওই ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হওয়ার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের অধ্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএফআই-এর হয়ে কাজ করছে এবং হিন্দুত্ববাদী ছাত্রদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এবিভিপি-র অভিযোগ

    এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্বের দাবি, কেরলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএফআই-এর একাধিপত্য কায়েম রাখার জন্য প্রশাসনের একাংশ সাহায্য করছে। ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। তারা জানায়, ছাত্রটির উপস্থিতির হার (attendance) পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

    অধ্যক্ষের অবস্থান ও বিতর্ক

    যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের (Kerala) পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে অভিযোগ উঠেছে যে অধ্যক্ষ ছাত্রটির সমস্যার সমাধান না করে বরং এসএফআই-এর সুবিধা করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই ছাত্রের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে এবিভিপি বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    কেরলের বর্তমান পরিস্থিতি

    কেরলের (Kerala) বিভিন্ন কলেজে সম্প্রতি এসএফআই এবং এবিভিপি-র (ABVP) মধ্যে সংঘাতের খবর বারবার সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ ছাত্রের শিক্ষাগত অধিকার রাজনৈতিক কারণে খর্ব করা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল বা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছে এবিভিপি।

  • ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ ফেব্রুয়ারি, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) বেশ কয়েকজন ছাত্রের উপর নৃশংসভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আক্রান্তদের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। মূল অভিযোগ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। সমতা মিছিলের পর আকস্মিক আক্রমণ বলে জানা গিয়েছে।

    পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসের ভেতরে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলির দ্বারা এই আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল। লাঠি, লোহার রড এবং পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ফলে বেশ কয়েকজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। এবিভিপির ছাত্র নেতারা বলেছেন, “যা ঘটেছে তা স্বতঃস্ফূর্ত সংঘর্ষ নয় বরং রাতের সুযোগ নিয়ে বাম-সমর্থিত গোষ্ঠীর দ্বারা পরিচালিত একটি সমন্বিত আক্রমণ।”

    স্টাডি রুমের ভেতরে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা (ABVP)

    এক বিবৃতিতে, এবিভিপি-এর (ABVP) জেএনইউ ছাত্র সংসদের যুগ্ম সম্পাদক বৈভব মীনা বলেছেন, “গত ৭-৮ দিন ধরে বামপন্থী দলগুলি ক্যাম্পাসে আক্রমণাত্মক ধর্মঘট চালিয়ে আসছে। রবিবার রাতে, প্রায় ৩০০-৪০০ মুখোশধারীর একটি দল বিভিন্ন বিভাগের স্কুলে প্রবেশ করে। এরপর জোরপূর্বক অধ্যয়ন কক্ষগুলি দখল করে নেয়। তাদের বাধা দিতেই প্রতীকের ওপর হামলা করা হয়। তাঁকে এখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অবস্থা গুরুতর। লাইব্রেরি এবং রিডিং হলগুলিতে যারা পড়াশুনা করছিলেন তাঁদের জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজয় নামে এক ছাত্রকে ১০০-১৫০ জনের একটি দল ঘিরে ফেলে এবং নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। নিরাপত্তা কর্মী এবং পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে অন্ধ করার চেষ্টা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সমাজ বিজ্ঞান স্কুলের ভেতরে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হল এই আক্রমণ। বায়োটেকনোলজির ছাত্র প্রতীক ভরদ্বাজকে বামপন্থী কর্মীরা অতর্কিত আক্রমণ করেছে। এবিভিপি (ABVP) অভিযোগ করেছে, নির্মমভাবে মারধর করার আগে সাময়িকভাবে অন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রতীকের চোখে অগ্নিনির্বাপক পাউডার ঢেলে দেওয়া হয়েছিল।

    এবিভিপির জেএনইউ মিডিয়া কনভেনর বিজয় জয়সওয়াল এই ঘটনাটিকে “পূর্বপরিকল্পিত” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা বিশেষভাবে এবিভিপি কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

    ভিসির মন্তব্যকে ঢাল করে উত্তেজনা

    ইউজিসি ইক্যুইটি নিয়মকানুন নিয়ে উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুদি পণ্ডিতের (JNU) কথিত মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বামা এনএসইউআই। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের তরফে “সমতা মিছিল” বের করা হয়। আর তারপর উপস্থিত শক্তি দিয়ে হিংসার ঘটনাকে নেতৃত্ব দেয়। তবে এই বিক্ষোভ মিছিলে প্রচুর বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    সন্ত্রাসের রাত

    এই ঘটনার পর, এবিভিপির (ABVP) তরফে প্রশাসনের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর ব্যবস্থা এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। গোটা ঘটনাকে সন্ত্রাসের রাত বলে অভিহিত করা হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীর একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এত বড় আকারের হিংসার ঘটনা ঘটবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এরপর থেকে ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • RSS: আরএসএস শাখার ওপর হামলা, কাঠগড়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থীরা

    RSS: আরএসএস শাখার ওপর হামলা, কাঠগড়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আরএসএস (RSS) শাখার ওপর হামলার অভিযোগ। সোমবার শাখা চলাকালীন শিক্ষার্থীরা তাতে অংশ নিয়েছিলেন। ঘটনাটির পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং এবিভিপি ও বিজেপি অন্ধ্রপ্রদেশের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো (ABVP) হয়।

    এবিভিপি নেতার বক্তব্য (RSS)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির এক নেতা জানান, প্রতিদিনের মতো সেদিনও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শাখা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। শাখা যখন শেষের দিকে, তখন প্রায় ২০ জন এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থী সেখানে এসে ‘আরএসএস গো ব্যাক’, ‘ভিসি ডাউন ডাউন’ এবং ‘হিন্দুরা সন্ত্রাসবাদী’—এই ধরনের আরএসএস-বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক স্লোগান দিতে শুরু করে। এনিয়ে দু’পক্ষই বচসায় জড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা শাখায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শারীরিক নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর এবিভিপির শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন এবং স্থানীয় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাটির বিবরণ ও অভিযুক্তদের নাম জমা দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। আহত শিক্ষার্থীদের কেজিএইচ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

    পরিকল্পিতভাবে হামলা

    এবিভিপির ওই নেতা সন্দেহ প্রকাশ করেন যে, বিশাখাপত্তনমে চলমান ‘নেভি ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ ২০২৬’—যেখানে ৭২টি দেশ অংশ নিচ্ছে—সেখান থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই এসএফআই এবং এআইএসএফ পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে (RSS)। বুধবার এবিভিপির তরফে অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। উপাচার্য উপস্থিত না থাকায় কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপির সভাপতি পিভিএন মাধব হামলার নিন্দা করেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “একটি শান্তিপূর্ণ আরএসএস শাখা এবং এবিভিপি কর্মীদের ওপর এসএফআই এবং এআইএসএফের মার্কসবাদী দুষ্কৃতীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। শিক্ষার্থীরা যখন তাদের মতাদর্শ ও পদ্ধতি প্রত্যাখ্যান করে, তখন তারা হতাশ হয়ে এই ধরনের নৃশংস হামলা চালায় জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলির ওপর। আমরা (ABVP) নিশ্চিত, দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে তাদের (RSS)।”

     

  • ABVP: সদস্য সংখ্যা ৭৭ লক্ষ! নতুন রেকর্ড গড়ল বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এবিভিপি

    ABVP: সদস্য সংখ্যা ৭৭ লক্ষ! নতুন রেকর্ড গড়ল বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন (Dehradun) শহরের ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ড ময়দানে। শুক্রবার অধিবেশনের বিশেষ পর্বে রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি বছরের প্রতিবেদন পেশ করেন। এই প্রতিবেদনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭৭ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। এই বিরাট অঙ্কের সদস্য সংখ্যা নিজেই নিজের রেকর্ডকে ভেঙেছে বলে মনে করছেন এবিভিপি সমর্থকরা।

    পুনঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র (ABVP)

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৭৬৯৮৪৪৮ জন। বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন হিসেবে এবার এবিভিপি আরও একবার মাইল ফলক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের স্বীকৃতি আগেই পেয়েছিল। এবার সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে নিজেই নিজের কাছে আরেক রেকর্ড গড়ল এই ছাত্র সংগঠন। এবিভিপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৮ নভেম্বর আরও একবার রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সভাপতি হিসবে নবনির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর রঘু রাজ কিশোর তেওয়ারি। তবে গত বছর এবিভিপির সদস্য গ্রহণের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৯.৩৬ লক্ষ। এই বছর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রধান অতিথি প্রাক্তন ইসরো কর্তা

    শুক্রবার দেরাদুনে (Dehradun) ৭১তম অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) রাষ্ট্রীয় সম্মেলনে বক্তৃতা দিয়েছেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজ্ঞানী এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “বিশ্বাস এবং তথ্য একে অপরের পরিপূরক। সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবন একসঙ্গে কাজ করে। আমাদের ঋষিরা চেতনা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধাতুবিদ্যা, স্থাপত্য এবং চিকিৎসাবিদ্যা অন্বেষণ করেছিলেন। আমাদের আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলিতে আধুনিক বিজ্ঞানের অন্তর্দৃষ্টি এবং গোপন রহস্য রয়েছে। সমস্ত জ্ঞান আমাদের মধ্যে রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্যে জ্ঞান, পবিত্রতা এবং তপস্যা আধ্যাত্মিক ধ্যান এর মাধ্যমে অর্জন করতে হয়েছে। বিজ্ঞান এমন একটি হাতিয়ার যার রূপান্তরের ক্ষমতা রয়েছে। আর সংস্কার হল এমন একটি উদ্দেশ্য যা বছরের পর বছর এবং প্রজন্মের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। একই ভাবে সেবা হল আমাদের মাতৃভূমির প্রতি আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য।”

  • Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। এই অধিবেশনের মুখ্য অতিথি হিসেবে থাকবেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডক্টর এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করবেন। উল্লেখ্য এবিভিপির এই বার্ষিক অনুষ্ঠান প্রত্যেক বছর হয়ে থাকে। এই বছরের অধিবেশনে সারা ভারত থেকে প্রায় ১৫০০ ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    চন্দ্রযান-৩ সাফল্যে সোমনাথ (Dr. S Somanath)

    বিদ্যার্থী পরিষদের অধিবেশনের অর্থ হল কাশ্মীর থেকে কন্যা কুমারী এবং কচ্ছ থেকে কোহিমা পর্যন্ত ভারতের ছাত্রছাত্রীদের মহাসামাগম। আরও ভালো করে বললে, ভারতের সারমর্মকে তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে। সারা দেশের ছাত্রছাত্রীদের উজ্জীবিত করাই প্রধান উদ্দেশ্য। এবারের অধিবেশনে ২৮ নভেম্বর ভাষণ দেবেন এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি একজন বিশিষ্ট মহাকাশ বিজ্ঞানী। ঐতিহাসিক চন্দ্রযান-৩, আদিত্য এল ওয়ান, সৌর মিশন, এক্সপিওএসএটি উক্ষেপণ এবং আইএনএসএটি সিরিজের জন্য কাজ করে তিনি বিরাট সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। ভারতের মহাকাশ জগতে গবেষণায় আমূল পরিবর্তন, প্রগতি এবং উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বেশ কিছু পরিমাণে স্টার্ট আপের সূচনাও করেছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করে বিশ্বের দরবারে ভারতকে অনেক উপরে নিয়ে গিয়েছেন।

    সকলকে অনুপ্রাণিত করবে

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বিরেন্দ্র সোলাঙ্কি বলেছেন, “ডক্টর এস সোমনাথের (Dr. S Somanath) মহাকাশ গবেষণা বিশ্বের দরবারে বিরাট কৃতিত্ব পেয়েছে। তিনি ভারতকে বিশ্বের কাছে উন্নত রাষ্ট্রের পর্যায়ের দিকে নিয়ে যাওয়াতে আরও অনেকটা এগিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাবনা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তরুণ প্রজন্মকে গবেষণায় আগ্রহ যোগাবে। তাঁকে আমরা আমাদের অধিবেশনে স্বাগত জানাই।”

  • JNUSU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে বন্দেমাতরম ধ্বনিতে বিশাল মিছিল এবিভিপির

    JNUSU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে বন্দেমাতরম ধ্বনিতে বিশাল মিছিল এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNUSU) ছাত্র সংসদের নির্বাচনকে ঘিরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ক্যাম্পাসে বিরাট মশাল মিছিলের আয়োজন করেছে। ক্যাম্পাসে বিদ্যার্থী পরিষদ কতটা শক্তিশালী তাকেই প্রদর্শিত করেছে এই মিছিলে। ক্যাম্পাসে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগের কথা তুলে ধরে সরব হতে দেখাও গিয়েছে। একই ভাবে জাতীয়তাবাদী স্লোগান ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘ভারত মাতা জয়ধ্বনি’-তে ক্যাম্পাস বিরাট ভাবে আলোড়িত হয়।

    কয়েকশত ছাত্রের মিছিল (JNUSU)

    ৩১ অক্টোবর রাতে জেএনইউতে মশালের লাল আগুনের মহামিছিল ক্যাম্পাসকে দারুণ ভাবে শিহরিত করে তুলেছিল। ক্যাম্পাসের গঙ্গা ধাবা থেকে মিছিল শুরু হয় এবং বরাক হস্টেল পর্যন্ত পদযাত্রা করে শেষ করা হয়। মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবিভিপির রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি। এই মশাল যাত্রা ছিল বাম-নকশালদের লাল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যাত্রা। কয়েক’শ ছাত্র, অধ্যাপক, গবেষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী যোগদান করেন। তবে আগামী ছাত্র সংসদের নির্বচানে এবিভিপি বিশেষ ভাবে আশাবাদী। এই মশাল মিছিলে যোগদান করে নেতৃত্ব দেন এবিভিপির কেন্দ্রীয় প্যানেলের প্রার্থীরা। সভাপতি পদপ্রার্থী দাঁড়িয়েছেন বিকাশ প্যাটেল, সহসভাপতি পদে প্রার্থী তানিয়া কুমারী, সাধারণ সম্পাদক পদে পদপ্রার্থী রাজেশ্বর কাণ্ডদুবে আর যুগ্ম সম্পাদক অনুজ।

    বামপন্থীরা ক্যাম্পাসের বাতাবরণকে বিষিয়ে দিয়েছে

    এবিভিপির পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনী প্রচার প্রধান অরুণ শ্রীবাস্তব বলেন, “আজ আমরা ক্যাম্পাসে একটি বড় মশাল মিছিল করেছি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বামপন্থীরা ক্যাম্পাসের বাতাবরণকে বিষিয়ে দিয়েছে। নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা থেকে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা মুক্তি চায়। এই বছর ক্যাম্পাসের সকল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ এবং উদ্দীপনা চরম তুঙ্গে। প্রত্যকে পদে এবিভিপি জয়ী হবে।” উল্লেখ্য গত বছর এবিভিপির তরফে যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছিল।

    উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বামপন্থী ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ আফজল গুরু, ইয়াকুব মেমনরে মতো জঙ্গির মৃত্যুদিন পালন করে ভারতকে ভাগ করার স্লোগান তুলেছিল। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে বিরাট ঝড় উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত লজ্জার এবং ভারতের জন্য অত্যন্ত খারাপ বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সাধারণ মানুষের মনেও ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল।

LinkedIn
Share