Tag: ABVP

ABVP

  • ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) ত্রিপুণিতুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে এক এবিভিপি (ABVP) কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)-কে মদত দেওয়ার এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (ABVP)

    অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি (ABVP) পরীক্ষার সমস্ত নিয়মাবলী পালন করা সত্ত্বেও তাকে প্রবেশপত্র বা হল টিকিট দেওয়া হয়নি। এবিভিপি-র দাবি, ওই ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হওয়ার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের অধ্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএফআই-এর হয়ে কাজ করছে এবং হিন্দুত্ববাদী ছাত্রদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এবিভিপি-র অভিযোগ

    এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্বের দাবি, কেরলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএফআই-এর একাধিপত্য কায়েম রাখার জন্য প্রশাসনের একাংশ সাহায্য করছে। ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। তারা জানায়, ছাত্রটির উপস্থিতির হার (attendance) পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

    অধ্যক্ষের অবস্থান ও বিতর্ক

    যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের (Kerala) পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে অভিযোগ উঠেছে যে অধ্যক্ষ ছাত্রটির সমস্যার সমাধান না করে বরং এসএফআই-এর সুবিধা করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই ছাত্রের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে এবিভিপি বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    কেরলের বর্তমান পরিস্থিতি

    কেরলের (Kerala) বিভিন্ন কলেজে সম্প্রতি এসএফআই এবং এবিভিপি-র (ABVP) মধ্যে সংঘাতের খবর বারবার সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ ছাত্রের শিক্ষাগত অধিকার রাজনৈতিক কারণে খর্ব করা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল বা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছে এবিভিপি।

  • ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ ফেব্রুয়ারি, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) বেশ কয়েকজন ছাত্রের উপর নৃশংসভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আক্রান্তদের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। মূল অভিযোগ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। সমতা মিছিলের পর আকস্মিক আক্রমণ বলে জানা গিয়েছে।

    পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসের ভেতরে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলির দ্বারা এই আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল। লাঠি, লোহার রড এবং পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ফলে বেশ কয়েকজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। এবিভিপির ছাত্র নেতারা বলেছেন, “যা ঘটেছে তা স্বতঃস্ফূর্ত সংঘর্ষ নয় বরং রাতের সুযোগ নিয়ে বাম-সমর্থিত গোষ্ঠীর দ্বারা পরিচালিত একটি সমন্বিত আক্রমণ।”

    স্টাডি রুমের ভেতরে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা (ABVP)

    এক বিবৃতিতে, এবিভিপি-এর (ABVP) জেএনইউ ছাত্র সংসদের যুগ্ম সম্পাদক বৈভব মীনা বলেছেন, “গত ৭-৮ দিন ধরে বামপন্থী দলগুলি ক্যাম্পাসে আক্রমণাত্মক ধর্মঘট চালিয়ে আসছে। রবিবার রাতে, প্রায় ৩০০-৪০০ মুখোশধারীর একটি দল বিভিন্ন বিভাগের স্কুলে প্রবেশ করে। এরপর জোরপূর্বক অধ্যয়ন কক্ষগুলি দখল করে নেয়। তাদের বাধা দিতেই প্রতীকের ওপর হামলা করা হয়। তাঁকে এখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অবস্থা গুরুতর। লাইব্রেরি এবং রিডিং হলগুলিতে যারা পড়াশুনা করছিলেন তাঁদের জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজয় নামে এক ছাত্রকে ১০০-১৫০ জনের একটি দল ঘিরে ফেলে এবং নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। নিরাপত্তা কর্মী এবং পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে অন্ধ করার চেষ্টা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সমাজ বিজ্ঞান স্কুলের ভেতরে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হল এই আক্রমণ। বায়োটেকনোলজির ছাত্র প্রতীক ভরদ্বাজকে বামপন্থী কর্মীরা অতর্কিত আক্রমণ করেছে। এবিভিপি (ABVP) অভিযোগ করেছে, নির্মমভাবে মারধর করার আগে সাময়িকভাবে অন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রতীকের চোখে অগ্নিনির্বাপক পাউডার ঢেলে দেওয়া হয়েছিল।

    এবিভিপির জেএনইউ মিডিয়া কনভেনর বিজয় জয়সওয়াল এই ঘটনাটিকে “পূর্বপরিকল্পিত” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা বিশেষভাবে এবিভিপি কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

    ভিসির মন্তব্যকে ঢাল করে উত্তেজনা

    ইউজিসি ইক্যুইটি নিয়মকানুন নিয়ে উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুদি পণ্ডিতের (JNU) কথিত মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বামা এনএসইউআই। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের তরফে “সমতা মিছিল” বের করা হয়। আর তারপর উপস্থিত শক্তি দিয়ে হিংসার ঘটনাকে নেতৃত্ব দেয়। তবে এই বিক্ষোভ মিছিলে প্রচুর বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    সন্ত্রাসের রাত

    এই ঘটনার পর, এবিভিপির (ABVP) তরফে প্রশাসনের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর ব্যবস্থা এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। গোটা ঘটনাকে সন্ত্রাসের রাত বলে অভিহিত করা হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীর একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এত বড় আকারের হিংসার ঘটনা ঘটবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এরপর থেকে ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • RSS: আরএসএস শাখার ওপর হামলা, কাঠগড়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থীরা

    RSS: আরএসএস শাখার ওপর হামলা, কাঠগড়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আরএসএস (RSS) শাখার ওপর হামলার অভিযোগ। সোমবার শাখা চলাকালীন শিক্ষার্থীরা তাতে অংশ নিয়েছিলেন। ঘটনাটির পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং এবিভিপি ও বিজেপি অন্ধ্রপ্রদেশের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো (ABVP) হয়।

    এবিভিপি নেতার বক্তব্য (RSS)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির এক নেতা জানান, প্রতিদিনের মতো সেদিনও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শাখা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। শাখা যখন শেষের দিকে, তখন প্রায় ২০ জন এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থী সেখানে এসে ‘আরএসএস গো ব্যাক’, ‘ভিসি ডাউন ডাউন’ এবং ‘হিন্দুরা সন্ত্রাসবাদী’—এই ধরনের আরএসএস-বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক স্লোগান দিতে শুরু করে। এনিয়ে দু’পক্ষই বচসায় জড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা শাখায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শারীরিক নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর এবিভিপির শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন এবং স্থানীয় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাটির বিবরণ ও অভিযুক্তদের নাম জমা দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। আহত শিক্ষার্থীদের কেজিএইচ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

    পরিকল্পিতভাবে হামলা

    এবিভিপির ওই নেতা সন্দেহ প্রকাশ করেন যে, বিশাখাপত্তনমে চলমান ‘নেভি ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ ২০২৬’—যেখানে ৭২টি দেশ অংশ নিচ্ছে—সেখান থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই এসএফআই এবং এআইএসএফ পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে (RSS)। বুধবার এবিভিপির তরফে অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। উপাচার্য উপস্থিত না থাকায় কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপির সভাপতি পিভিএন মাধব হামলার নিন্দা করেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “একটি শান্তিপূর্ণ আরএসএস শাখা এবং এবিভিপি কর্মীদের ওপর এসএফআই এবং এআইএসএফের মার্কসবাদী দুষ্কৃতীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। শিক্ষার্থীরা যখন তাদের মতাদর্শ ও পদ্ধতি প্রত্যাখ্যান করে, তখন তারা হতাশ হয়ে এই ধরনের নৃশংস হামলা চালায় জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলির ওপর। আমরা (ABVP) নিশ্চিত, দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে তাদের (RSS)।”

     

  • ABVP: সদস্য সংখ্যা ৭৭ লক্ষ! নতুন রেকর্ড গড়ল বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এবিভিপি

    ABVP: সদস্য সংখ্যা ৭৭ লক্ষ! নতুন রেকর্ড গড়ল বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন (Dehradun) শহরের ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ড ময়দানে। শুক্রবার অধিবেশনের বিশেষ পর্বে রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি বছরের প্রতিবেদন পেশ করেন। এই প্রতিবেদনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭৭ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। এই বিরাট অঙ্কের সদস্য সংখ্যা নিজেই নিজের রেকর্ডকে ভেঙেছে বলে মনে করছেন এবিভিপি সমর্থকরা।

    পুনঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র (ABVP)

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৭৬৯৮৪৪৮ জন। বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন হিসেবে এবার এবিভিপি আরও একবার মাইল ফলক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের স্বীকৃতি আগেই পেয়েছিল। এবার সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে নিজেই নিজের কাছে আরেক রেকর্ড গড়ল এই ছাত্র সংগঠন। এবিভিপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৮ নভেম্বর আরও একবার রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সভাপতি হিসবে নবনির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর রঘু রাজ কিশোর তেওয়ারি। তবে গত বছর এবিভিপির সদস্য গ্রহণের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৯.৩৬ লক্ষ। এই বছর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রধান অতিথি প্রাক্তন ইসরো কর্তা

    শুক্রবার দেরাদুনে (Dehradun) ৭১তম অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) রাষ্ট্রীয় সম্মেলনে বক্তৃতা দিয়েছেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজ্ঞানী এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “বিশ্বাস এবং তথ্য একে অপরের পরিপূরক। সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবন একসঙ্গে কাজ করে। আমাদের ঋষিরা চেতনা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধাতুবিদ্যা, স্থাপত্য এবং চিকিৎসাবিদ্যা অন্বেষণ করেছিলেন। আমাদের আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলিতে আধুনিক বিজ্ঞানের অন্তর্দৃষ্টি এবং গোপন রহস্য রয়েছে। সমস্ত জ্ঞান আমাদের মধ্যে রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্যে জ্ঞান, পবিত্রতা এবং তপস্যা আধ্যাত্মিক ধ্যান এর মাধ্যমে অর্জন করতে হয়েছে। বিজ্ঞান এমন একটি হাতিয়ার যার রূপান্তরের ক্ষমতা রয়েছে। আর সংস্কার হল এমন একটি উদ্দেশ্য যা বছরের পর বছর এবং প্রজন্মের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। একই ভাবে সেবা হল আমাদের মাতৃভূমির প্রতি আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য।”

  • Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। এই অধিবেশনের মুখ্য অতিথি হিসেবে থাকবেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডক্টর এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করবেন। উল্লেখ্য এবিভিপির এই বার্ষিক অনুষ্ঠান প্রত্যেক বছর হয়ে থাকে। এই বছরের অধিবেশনে সারা ভারত থেকে প্রায় ১৫০০ ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    চন্দ্রযান-৩ সাফল্যে সোমনাথ (Dr. S Somanath)

    বিদ্যার্থী পরিষদের অধিবেশনের অর্থ হল কাশ্মীর থেকে কন্যা কুমারী এবং কচ্ছ থেকে কোহিমা পর্যন্ত ভারতের ছাত্রছাত্রীদের মহাসামাগম। আরও ভালো করে বললে, ভারতের সারমর্মকে তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে। সারা দেশের ছাত্রছাত্রীদের উজ্জীবিত করাই প্রধান উদ্দেশ্য। এবারের অধিবেশনে ২৮ নভেম্বর ভাষণ দেবেন এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি একজন বিশিষ্ট মহাকাশ বিজ্ঞানী। ঐতিহাসিক চন্দ্রযান-৩, আদিত্য এল ওয়ান, সৌর মিশন, এক্সপিওএসএটি উক্ষেপণ এবং আইএনএসএটি সিরিজের জন্য কাজ করে তিনি বিরাট সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। ভারতের মহাকাশ জগতে গবেষণায় আমূল পরিবর্তন, প্রগতি এবং উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বেশ কিছু পরিমাণে স্টার্ট আপের সূচনাও করেছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করে বিশ্বের দরবারে ভারতকে অনেক উপরে নিয়ে গিয়েছেন।

    সকলকে অনুপ্রাণিত করবে

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বিরেন্দ্র সোলাঙ্কি বলেছেন, “ডক্টর এস সোমনাথের (Dr. S Somanath) মহাকাশ গবেষণা বিশ্বের দরবারে বিরাট কৃতিত্ব পেয়েছে। তিনি ভারতকে বিশ্বের কাছে উন্নত রাষ্ট্রের পর্যায়ের দিকে নিয়ে যাওয়াতে আরও অনেকটা এগিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাবনা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তরুণ প্রজন্মকে গবেষণায় আগ্রহ যোগাবে। তাঁকে আমরা আমাদের অধিবেশনে স্বাগত জানাই।”

  • JNUSU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে বন্দেমাতরম ধ্বনিতে বিশাল মিছিল এবিভিপির

    JNUSU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে বন্দেমাতরম ধ্বনিতে বিশাল মিছিল এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNUSU) ছাত্র সংসদের নির্বাচনকে ঘিরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ক্যাম্পাসে বিরাট মশাল মিছিলের আয়োজন করেছে। ক্যাম্পাসে বিদ্যার্থী পরিষদ কতটা শক্তিশালী তাকেই প্রদর্শিত করেছে এই মিছিলে। ক্যাম্পাসে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগের কথা তুলে ধরে সরব হতে দেখাও গিয়েছে। একই ভাবে জাতীয়তাবাদী স্লোগান ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘ভারত মাতা জয়ধ্বনি’-তে ক্যাম্পাস বিরাট ভাবে আলোড়িত হয়।

    কয়েকশত ছাত্রের মিছিল (JNUSU)

    ৩১ অক্টোবর রাতে জেএনইউতে মশালের লাল আগুনের মহামিছিল ক্যাম্পাসকে দারুণ ভাবে শিহরিত করে তুলেছিল। ক্যাম্পাসের গঙ্গা ধাবা থেকে মিছিল শুরু হয় এবং বরাক হস্টেল পর্যন্ত পদযাত্রা করে শেষ করা হয়। মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবিভিপির রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি। এই মশাল যাত্রা ছিল বাম-নকশালদের লাল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যাত্রা। কয়েক’শ ছাত্র, অধ্যাপক, গবেষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী যোগদান করেন। তবে আগামী ছাত্র সংসদের নির্বচানে এবিভিপি বিশেষ ভাবে আশাবাদী। এই মশাল মিছিলে যোগদান করে নেতৃত্ব দেন এবিভিপির কেন্দ্রীয় প্যানেলের প্রার্থীরা। সভাপতি পদপ্রার্থী দাঁড়িয়েছেন বিকাশ প্যাটেল, সহসভাপতি পদে প্রার্থী তানিয়া কুমারী, সাধারণ সম্পাদক পদে পদপ্রার্থী রাজেশ্বর কাণ্ডদুবে আর যুগ্ম সম্পাদক অনুজ।

    বামপন্থীরা ক্যাম্পাসের বাতাবরণকে বিষিয়ে দিয়েছে

    এবিভিপির পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনী প্রচার প্রধান অরুণ শ্রীবাস্তব বলেন, “আজ আমরা ক্যাম্পাসে একটি বড় মশাল মিছিল করেছি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বামপন্থীরা ক্যাম্পাসের বাতাবরণকে বিষিয়ে দিয়েছে। নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা থেকে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা মুক্তি চায়। এই বছর ক্যাম্পাসের সকল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ এবং উদ্দীপনা চরম তুঙ্গে। প্রত্যকে পদে এবিভিপি জয়ী হবে।” উল্লেখ্য গত বছর এবিভিপির তরফে যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছিল।

    উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বামপন্থী ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ আফজল গুরু, ইয়াকুব মেমনরে মতো জঙ্গির মৃত্যুদিন পালন করে ভারতকে ভাগ করার স্লোগান তুলেছিল। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে বিরাট ঝড় উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত লজ্জার এবং ভারতের জন্য অত্যন্ত খারাপ বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সাধারণ মানুষের মনেও ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল।

LinkedIn
Share