মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) ত্রিপুণিতুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে এক এবিভিপি (ABVP) কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)-কে মদত দেওয়ার এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।
ঘটনার প্রেক্ষাপট (ABVP)
অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি (ABVP) পরীক্ষার সমস্ত নিয়মাবলী পালন করা সত্ত্বেও তাকে প্রবেশপত্র বা হল টিকিট দেওয়া হয়নি। এবিভিপি-র দাবি, ওই ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হওয়ার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের অধ্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএফআই-এর হয়ে কাজ করছে এবং হিন্দুত্ববাদী ছাত্রদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।
এবিভিপি-র অভিযোগ
এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্বের দাবি, কেরলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএফআই-এর একাধিপত্য কায়েম রাখার জন্য প্রশাসনের একাংশ সাহায্য করছে। ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। তারা জানায়, ছাত্রটির উপস্থিতির হার (attendance) পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।
অধ্যক্ষের অবস্থান ও বিতর্ক
যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের (Kerala) পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে অভিযোগ উঠেছে যে অধ্যক্ষ ছাত্রটির সমস্যার সমাধান না করে বরং এসএফআই-এর সুবিধা করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই ছাত্রের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে এবিভিপি বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
কেরলের বর্তমান পরিস্থিতি
কেরলের (Kerala) বিভিন্ন কলেজে সম্প্রতি এসএফআই এবং এবিভিপি-র (ABVP) মধ্যে সংঘাতের খবর বারবার সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ ছাত্রের শিক্ষাগত অধিকার রাজনৈতিক কারণে খর্ব করা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল বা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছে এবিভিপি।

Leave a Reply