Jadavpur Incident: যাদবপুরে দেশবিরোধী কাজ! এনআইএ তদন্তের দাবি এবিভিপির, অধ্যাপক রাজেশ্বর সিনহার বিরুদ্ধেও অভিযোগ

jadavpur incident anti national activity in the university campus abvp demands nia probe

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) ক্যাম্পাসের ভেতরে দেশবিরোধী কার্যকলাপ চলছে অভিযোগ এবিভিপির। ঠিক কীভাবে এবং কার মদতে এই কাজ হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে এবার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা ‘এনআইএ’ (NIA)-কে দিয়ে তদন্তের দাবি তুলল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি- ABVP)। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ‘জুটা’ (JUTA)-র সাধারণ সম্পাদক তথা বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রাজেশ্বর সিনহার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্র সংগঠন। তাঁদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ঐতিহ্যবাহী এমব্লেম বা প্রতীকচিহ্ন ভাঙার নেপথ্যে হাত রয়েছে ওই অধ্যাপকেরই, আর সেই অপরাধে রাজ্যের থানায় থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হবে।

সাংবাদিক বৈঠকে এবিভিপি

ঘটনার সূত্রপাত গত বুধবার রাতে। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ‘ফেটসু’ (FETSU)-র জিবি মিটিংকে কেন্দ্র করে আচমকাই তেতে ওঠে যাদবপুর ক্যাম্পাস। বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে এবিভিপি সমর্থকদের তুমুল হাতাহাতি ও সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ঘটনার জেরে দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিলে নামলে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ভেঙে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমব্লেম। সাংবাদিক বৈঠক ডাকে এসএফআই। ঘটনার ৩৭ ঘণ্টা পর সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন উপাচার্য। সেই বিক্ষোভের ঘটনার রেশ টেনেই রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠকের ডাক দেয় এবিভিপি নেতৃত্ব।

এনআইএ-কে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সাংবাদিক বৈঠকে এবিভিপির নেতা-নেত্রীরা অভিযোগ করেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে আস্তানা বানিয়ে এক শ্রেণির সমাজবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি কাজ করছে। তাই বিষয়টি কেবল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে না রেখে সরাসরি উচ্চ শিক্ষা দফতর এবং এনআইএ-কে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করানো প্রয়োজন। এবিভিপির দাবি, সংঘর্ষের দিন তাঁদের একাধিক ছাত্রকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। অন্যদিকে, সংঘর্ষ চলাকালীন ক্যাম্পাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক এমব্লেমটির একটি অংশ ভেঙে পড়ে। উল্লেখ্য, এই ঐতিহ্যবাহী এমব্লেমের নকশা তৈরি করেছিলেন স্বয়ং নন্দলাল বসু। দুই পক্ষের মারামারির মধ্যেই শিল্পাচার্যের আঁকা সেই এমব্লেমের পদ্মের পাপড়ির বলয়টি ভেঙে টুকরো হয়ে যায়।

মিথ্যে অপবাদ দেওয়ার অভিযোগ

এবিভিপির দাবি, এমব্লেম ভাঙার সঙ্গে তাদের সংগঠনের কোনও কর্মী জড়িত নন। বরং এর পেছনে রয়েছেন জুটার সম্পাদক তথা বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রাজেশ্বর সিনহা। এবিভিপি নেতৃত্ব জানান, এবিভিপির কেউ যে প্রতীকচিহ্ন ভেঙেছে, তার কোনও ছবি বা ভিডিও প্রমাণ নেই। তাই মিথ্যে অপবাদ দেওয়ার অভিযোগে ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তবে সংগঠনের কোনও সদস্য যদি নিরপেক্ষ তদন্তে অপরাধী প্রমাণিত হন, তবে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কার করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share