Tag: ABVP

ABVP

  • Ram Navami: রামনবমী পালনে না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের, ইফতার পার্টি কেন, প্রশ্ন হিন্দু ছাত্রদের

    Ram Navami: রামনবমী পালনে না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের, ইফতার পার্টি কেন, প্রশ্ন হিন্দু ছাত্রদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) বিরুদ্ধে। মুসলমানদের রমজান উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছিল ইফতার পার্টির। সেখানেই রামনবমীর (Ram Navami) উৎসব পালন করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, উপাচার্যের অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রামনবমী পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি প্রশাসনের তরফে। যার জেরে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হিন্দু ছাত্র সংগঠনগুলি। তাদের প্রশ্ন, মাত্র কয়েকদিন আগেই একই ক্যাম্পাসে ইফতার পার্টির অনুমতি কীভাবে দেওয়া হয়েছিল?

    রামনবমী পালনের অনুমতি নয় (Ram Navami)

    বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি নোট জারি করে জানানো হয়, “উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে রামনবমী পালনের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।” প্রসঙ্গত, ক্যাম্পাসে হিংসা রোধে ব্যর্থতা ও প্রশাসনিক নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অন্তর্বর্তী উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে অপসারণ করেছেন। তাই আপাতত বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য উপাচার্যের পদ। সেই যুক্তি দেখিয়েই হিন্দু ছাত্র সংগঠনগুলিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রামনবমী পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু স্টুডেন্টস ইউনিয়ন ও অন্য আয়োজকরা এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করে একে সুস্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব বলে অভিযোগ করেছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রামনবমী পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু ছাত্র সংগঠনগুলি।

    রামনবমী পালন হবেই!

    রামনবমী উৎসব পালনের অন্যতম প্রধান আয়োজক সোমসূর্য ব্যানার্জি বলেন, “আমরা এ বছর ক্যাম্পাসের ভেতরেই রামনবমী পালন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গতবার প্রথমে অনুমতি মিললেও, পরে প্রতিবাদের মুখে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এবার আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি চেয়েছি। কোনও অবস্থায়ই পিছু হটব না।” তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে যদি ইফতার পার্টির আয়োজন করা যায়, তাহলে আমরা কেন রামনবমী পালন করতে পারব না? আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। যদি কেউ আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তার মোকাবিলা করব।” প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করার অভিযোগও করেন সোমসূর্য। তিনি বলেন, “প্রশাসনের দুটি সম্প্রদায়ের জন্য দুটি আলাদা নিয়ম কেন? আমরা এই বৈষম্য মেনে নেব না।” বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা থাকা উচিত। উৎসব পালনের অধিকার সকলেরই থাকা প্রয়োজন (Jadavpur University)।

    বাধা এসএফআই-ও

    হিন্দু ছাত্র সংগঠনগুলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রামনবমী (Ram Navami) পালন করতে উদ্যোগী হলেও, বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইও। সংগঠনের তরফে এক সদস্য বলেন, “এবিভিপি এই অনুষ্ঠানের পিছনে আছে। তবে আমরা তাদের ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালন করতে দেব না। আমরা বাইরের লোকদের প্রবেশ করতেও দেব না। ক্যাম্পাসে গুন্ডামি করতে দেব না।” এসএফআইয়ের এই বক্তব্যের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হিন্দু ছাত্ররা এসএফআই এবং অন্যান্য বামপন্থী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের ধর্মীয় অধিকার দমন করার অভিযোগ তুলেছে। যদিও তারা অন্য ধর্মের উৎসব পালনকে সমর্থন করছে। হিন্দু ছাত্র সংঘের এক নেতা বলেন, “এটি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের পুরানো ভণ্ডামি। তারা মুখে সমন্বয়ের কথা বলে, কিন্তু হিন্দু উৎসব বন্ধ করতে যে কোনও পর্যায়ে নামতে পারে।”

    এবিভিপির বক্তব্য

    এবিভিপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার ট্রাস্টি বোর্ডের রাজ্য সভাপতি শান্তনু সিংহ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে বামপন্থীদের ঘাঁটি হিসেবে চিত্রিত করা হয়, কিন্তু বাস্তব অন্য কথা বলে। এদের উন্নতি বা অগ্রগতিতে কোন আগ্রহ নেই। এদের একমাত্র লক্ষ্য হল অরাজকতা সৃষ্টি করা এবং তাদের মতাদর্শের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন কোনও কণ্ঠস্বরকে দমন করা। আমরা আর তাদের শর্ত চাপিয়ে দিতে দেব না। আমরা (Jadavpur University) প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মোকাবিলা করব।” গত কয়েক মাসে নানা সময় অশান্ত হয়ে উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। মার্চ মাসে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সফরের (Ram Navami) সময়ও ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভ হয়। মন্ত্রীকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয় বলেও অভিযোগ। মন্ত্রীকে ঘেরাও করার পাশাপাশি তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। এর পরেই সরিয়ে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে।

    এখানেও সেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি‍!

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রামনবমী পালনের জন্য ছাত্রদের দেওয়া অনুমতি প্রত্যাহার করে নেন। ১৫ এপ্রিল অনুমতি দেওয়া হলেও, ঠিক তার পরের দিনই কোনও কারণ না দর্শিয়েই অনুমতি প্রত্যাহার করা হয়। অভিযোগ, সেবারও উৎসব পালনে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। উৎসব বন্ধের দাবিতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের বাইরে রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ দেখিয়েছিল (Ram Navami)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও চলছে তুষ্টিকরণের রাজনীতির সেই ধারা। সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকের স্বার্থেই অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ইফতার পার্টির আয়োজনের। আর সেই একই কারণে (Jadavpur University) বাধা দেওয়া হচ্ছে রামনবমী (Ram Navami) পালনে।

  • ABVP: বামেদের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে জেএনইউ-তে ‘একাত্মতা যাত্রা’ করল এবিভিপি

    ABVP: বামেদের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে জেএনইউ-তে ‘একাত্মতা যাত্রা’ করল এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ফের একবার খবরের শিরোনামে দিল্লির জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)। সম্প্রতি, অভিযোগ ওঠে যে জওরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক বিভাজনের মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্যের কারণে সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ঠিক এই আবহে পাল্টা আন্দোলনে নামল এবিভিপি। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) তরফে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই ডাক দেওয়া হয় একাত্মতা যাত্রার। এই কর্মসূচিতে ছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    কী জানাল এবিভিপি (ABVP)?

    এবিভিপির-র (ABVP) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের বিক্ষোভের আসল উদ্দেশ্য হল, ভারতের প্রাচীনতম সনাতন সভ্যতা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিতে রক্ষা করা। সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতেই বামপন্থীদের বিরুদ্ধে এমন বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এবিভিপি। বাম ছাত্র সংগঠনগুলির বিভাজনের মন্তব্যের বিরুদ্ধে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গঙ্গা ধাবা থেকে এই একাত্মতা যাত্রা শুরু হয় এবং তা চলে বারাক হস্টেল পর্যন্ত।

    আগেও এমন আন্দোলন করেছে এবিভিপি (ABVP)

    প্রসঙ্গত, এটাই নতুন নয়, এর আগেও বাম সংগঠনগুলির বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে এবিভিপি রাষ্ট্রীয় একতা যাত্রার আয়োজন করেছে। সেখানে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এবিভিপি কর্মীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি (ABVP) শাখা জানিয়েছে, তারা যে কোনও ধরনের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে। এরপাশাপাশি তারা বামেদের এমন বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে পথে নামাতেও প্রস্তুত বলে জানিয়েছে।

    কী বললেন এবিভিপির জেএনইউ-র সভাপতি?

    অখিল ভারতী বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) জেএনইউ শাখার সভাপতি রাজেশ্বর কান্ত দুবে এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘জেএনইউ-র একটা পরিচয় রয়েছে। এটি বিবিধতার মধ্যে ঐক্যের কথা বলে। এখানে যদি কেউ আঘাত করে তাহলে আমরা তার পাল্টা জবাব দেবই। জেএনইউ-র একাত্মতা যাত্রার মাধ্যমে আমরা এইবার তাই প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে এই বার্তা দিতে চাইলাম যে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করেনা।’’

  • Ram Janmabhoomi: রাম মন্দির আন্দোলনের ‘প্রথম করসেবক’ কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত, শোক প্রকাশ মোদির

    Ram Janmabhoomi: রাম মন্দির আন্দোলনের ‘প্রথম করসেবক’ কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত, শোক প্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Janmabhoomi) ট্রাস্টি কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত হলেন। দীর্ঘদিন কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবশেষে ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন তিনি। রিপোর্ট অনুযায়ী , চৌপাল দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘এক অনন্য রামভক্ত ছিলেন কামেশ্বর চৌপাল (Kameshwar Chaupal), তাঁর প্রয়াণে আমি দুঃখিত।’’ প্রসঙ্গত, কামেশ্বর চৌপালকে ‘প্রথম করসেবক’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৮৯ সালে তিনি রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য প্রথম ইট স্থাপন করেছিলেন বলে জানা যায়। তিনি বিহারের প্রাক্তন এমএলসি ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে এদিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক্স হ্যান্ডেলে শোক প্রকাশ (Ram Janmabhoomi) করা হয়। শোক প্রকাশ করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কামেশ্বর চৌপাল বিহারের সুপৌল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন

    সূত্রের খবর, চৌপালের মেয়ে তাঁকে আগে একটি কিডনি দান করেছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিস্থাপন ফলপ্রসূ হয়নি (Ram Janmabhoomi)। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে মারা গেলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৫৬ সালের ২৪ এপ্রিল কামেশ্বর চৌপাল বিহারের সুপৌল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ছিলেন। এর পাশাপাশি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বনবাসী কল্যাণ কেন্দ্র, আরএসএস এবং এবিভিপি সহ সঙ্ঘ পরিবারের একাধিক সংগঠনে কাজ করেন তিনি।

    শোক প্রকাশ অমিত শাহের

    প্রসঙ্গত, কামেশ্বর চৌপালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন অমিত শাহ। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Ram Janmabhoomi) লিখেছেন, ‘‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের স্থায়ী সদস্য এবং বিজেপির সিনিয়র নেতা কামেশ্বর চৌপাল জি’র প্রয়াণ অত্যন্ত দুঃখজনক। শ্রীরাম জন্মভূমি আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। সামাজিক কাজ ও বঞ্চিতদের কল্যাণের জন্য বিশেষ কাজ করেছিলেন কামেশ্বর চৌপাল। প্রভু শ্রীরাম তাঁর আত্মাকে শ্রীচরণে স্থান দিন এবং তাঁর শোকগ্রস্ত পরিজনদের মানসিক শক্তি প্রদান করুন।’’

  • ABVP: ‘‘দেশ গঠনের কাজ করছে এবিভিপি’’, বললেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি

    ABVP: ‘‘দেশ গঠনের কাজ করছে এবিভিপি’’, বললেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা এবিভিপির (ABVP) ৪৯তম রাজ্য সম্মেলনে হাজির ছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। সেখানেই তিনি জানান যে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এমন একটি সংগঠন, যারা দেশ গঠনের কাজ করে চলেছে নিরন্তরভাবে। এবিভিপির জ্ঞান-চরিত্র-একতা আদর্শের কথাও তিনি তুলে ধরেন এদিন। তিনি আরও জানান, শিক্ষা এবং সমাজের বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রসঙ্গত, এবিভিপি ওড়িশার ৪৯তম রাজ্য সম্মেলন শুরু হয় কটকের ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এবং সেখানেই একথা বলতে শোনা যায় ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে (Odisha CM)। মোহন মাঝি আরও বলেন, ‘‘জাতীয় স্বার্থে, জাতির পুনর্গঠনে দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে বহন করে চলেছে এবিভিপি।’’

    যে কোনও নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয় ওড়িশায়

    একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ওড়িশা সরকারের (ABVP) ছাত্রদরদী বিভিন্ন নীতির কথাও এদিন তুলে ধরেন নিজের বক্তব্যে। তিনি জানান, পরীক্ষা ব্যবস্থায়ও স্বচ্ছতা আনা হয়েছে ওড়িশায়। যে কোনও নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয় ওড়িশায়। এর পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০ নিয়েও এদিন কথা বলেন তিনি। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন স্কলারশিপের ব্যবস্থাও ওড়িশায় রয়েছে বলে নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন তিনি।

    রাজ্য সম্মেলনে হাজির ছিলেন এবিভিপি (ABVP) ওড়িশার রাজ্য সম্পাদক অরিজিৎ পট্টনায়ক

    ওড়িশায় পরবর্তী অ্যাকাডেমিক বছর থেকে বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের বক্তব্যে মোহন চরণ মাঝি আরও জানান, আগামী দিনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ছাত্র নেতৃত্বকেই ভবিষ্যতে ওড়িশার দায়িত্ব নিতে হবে। প্রত্যেক ছাত্র নেতৃত্বকে তিনি তাঁদের কর্তব্য এবং সমাজের দায়বদ্ধতাও স্মরণ করান। রাজ্য সম্মেলনে হাজির ছিলেন এবিভিপি (ABVP) ওড়িশার রাজ্য সম্পাদক অরিজিৎ পট্টনায়ক। তিনি সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন। ওড়িশা এবিভিপি এক লাখ সদস্য করাতে পেরেছে বলে তিনি নিজের রিপোর্টে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই অ্যাকাডেমিক বছরে ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৭ জন পড়ুয়া সংগঠনে নাম লিখিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABVP: এবিভিপির ৭০ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে ভাষণ দেবেন যোগী আদিত্যনাথ

    ABVP: এবিভিপির ৭০ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে ভাষণ দেবেন যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ৭০ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে ভাষণ দেবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Chief Minister Yogi Adityanath)। জানা গিয়েছে, আগামীকাল রবিবার, ২৪ নভেম্বর গোরক্ষপুরে দেশের প্রতি ছাত্রসমাজের দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কে এই ভাষণ দেবেন তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বেলিত ছাত্রসমাজ। 

    ভারত সহ নেপালের ৪৪টি প্রদেশের প্রতিনিধিদের যোগদান(ABVP)

    ১৯৪৯ সালের ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ তথা এবিভিপি (ABVP)। এই বছর ৭০ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারত সহ নেপালের ৪৪টি প্রদেশ থেকে মোট ১৫০০ ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষক সম্মলেনে অংশ গ্রহণ করেছেন। ২৪ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত অধ্যাপক যশবন্তরাও কেলকর যুব পুরস্কারের অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Chief Minister Yogi Adityanath)। এই অনুষ্ঠানে পুরস্কার দেওয়া হবে মহারাষ্ট্রের বিশিষ্ট সমাজসেবী দীপেশ নায়ারকে। তিনি সামজিক ক্ষেত্রে শিক্ষার প্রগতি বিস্তারে কাজ করছেন। বিশেষ করে শরীরীক প্রতিবন্ধীদের ব্যক্তিদের পড়াশুনা করানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। পুরস্কার স্বরূপ ১ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হবে তাঁকে।

    উদ্যোগ, কর্মসংস্থান, আত্মনির্ভরতা

    উল্লেখ্য, প্রখ্যাত ভারতীয় ব্যবসায়ী এবং জোহা কর্পোরেশনের সিইও শ্রীধর ভেম্বু ২২ নভেম্বর এই এবিভিপির (ABVP) রাষ্ট্রীয় সম্মলেনের উদ্বোধন করেন। এদিন তিনি ভাষণ দিতে গিয়ে যুব সমাজের উদ্যোগ, কর্মসংস্থান, আত্মনির্ভরতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার প্রয়োগের বিষয়ে অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

    একই ভাবে এবিভিপির নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি বলেন, “এবিভিপি এই বিশেষ সম্মলেনের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মানববিদ্যা, বিজ্ঞান, ম্যানেজমেন্ট, প্রকৌশল, চিকিৎসা-সহ ইত্যাদি বিষয়ে যোগদানের জন্য উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণার কাজ করছে। সেই সঙ্গে একটি যুব পুরস্কার দেওয়া হয়। সমাজ এবং জাতির প্রতি কর্তব্যের ভাবনা দিয়ে কাজকে প্রধান্য দেওয় হয়। দিব্যাঙ্গ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জ্ঞানের আলো পৌঁছে দিতে বিরাট কাজ করছেন শ্রী দীপেশ নায়ার। জীবনকে অর্থপূর্ণ এবং সার্থক করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত অপরিহার্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abvp: শুক্রবার শুরু এবিভিপির ৭০তম জাতীয় সম্মেলন, বৃহস্পতিতে হচ্ছে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক

    Abvp: শুক্রবার শুরু এবিভিপির ৭০তম জাতীয় সম্মেলন, বৃহস্পতিতে হচ্ছে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবিভিপির (Abvp) ৭০তম সর্বভারতীয় সম্মেলন বসছে গোরক্ষপুরে, ২২-২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সম্মেলন। তার আগে গতকাল ২০ নভেম্বর গোরক্ষপুরে (Gorakhpur) সম্পন্ন হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের একদিনের কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির বৈঠক। গোরক্ষপুরের দীনদয়াল উপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ ভবনে বৈঠকে শুরুতে মা সরস্বতী ও স্বামী বিবেকানন্দের চিত্রে পুষ্প নিবেদন করেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সভাপতি রাজশরণ শাহি ও এবিভিপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক যাজ্ঞব্লক্য শুক্লা ও জাতীয় সংগঠন সম্পাদক আশিষ চৌহ্বান।

    আরও পড়ুন: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    এবিভিপির (Abvp) মানবন্দনা যাত্রা

    উপস্থিত প্রতিনিধিদের প্রত্যেককেই এক সুরে বন্দেমাতরম গাইতে শোনা যায়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বসবে এবিভিপির জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক। গোরক্ষপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণেই হবে ওই বৈঠক। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে চলছে রানি অহল্যাবাই হোলকারের ৩০০তম জন্মবার্ষিকী। এই সময়ে মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বর থেকে মানবন্দনা যাত্রা শুরু করেছে এবিভিপি। এই যাত্রা পৌঁছাবে গোরক্ষপুরের (Gorakhpur) ৭০তম জাতীয় সম্মেলনে। মানবন্দনা যাত্রা উত্তরপ্রদেশে প্রয়াগরাজ এবং অযোধ্যা- এই দুই নগরের ওপর দিয়েই যাবে বলে জানিয়েছে এবিভিপি (Abvp) নেতৃত্ব। এই যাত্রার মাধ্যমে রানি অহল্যাবাইয়ের কর্মকাণ্ড জনগণের মধ্যে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে এবিভিপি নেতৃত্ব এবং ভারতের সংস্কৃতি পুনরুত্থানে তাঁর অবদান স্মরণ করা হবে।

    কী বললেন এবিভিপির (Abvp) সর্বভারতীয় সভাপতি? 

    আজ বৃহস্পতিবার অহল্যাবাইয়ের স্মরণে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সাধারণ সম্পাদক শ্রী চম্পত রাই। জানা গিয়েছে, গতকাল সেন্ট্রাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে শিক্ষা ও সামাজিক নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। এবিভিপি-র (Abvp) সর্বভারতীয় সভাপতি ডক্টর রাজশরণ শাহি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘গোরক্ষপুরের জনগণের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে। এই শহরের তাৎপর্যপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে।’’

     

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darivit Incident: দাড়িভিট কাণ্ডের ৬ বছর, শহীদ স্মরণে একাধিক অনুষ্ঠান এবিভিপির

    Darivit Incident: দাড়িভিট কাণ্ডের ৬ বছর, শহীদ স্মরণে একাধিক অনুষ্ঠান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর দাড়িভিট কাণ্ডের ৬ বছর পূর্তি হল। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের এই দিনেই বাংলা ভাষার শিক্ষকের দাবিতে আন্দোলনে নামে দাড়িভিট স্কুলের পড়ুয়ারা। সেই আন্দোলনেই (Darivit Incident) পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ। গুলিতে নিহত হন দুই ছাত্র নেতা রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মন। বর্বরোচিত সেই ঘটনার ৬ বছর পূর্তিতে শহীদ রাজেশ-তাপসের স্মরণে এদিন একাধিক অনুষ্ঠান হয় দাড়িভিটে। মিছিল, জনসভা, সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের মাধ্যমে দিনভর দিনটি পালন করে এবিভিপি (Abvp)।

    কারা হাজির ছিলেন? (Darivit Incident) 

    সংগঠনের (Darivit Incident) দুই কর্মীর স্মরণ সভায় এদিন এবিভিপি নেতৃত্ব যেমন হাজির ছিলেন, তেমনই রাজেশ-তাপসের পরিবারের সদস্যরাও সামিল হন অনুষ্ঠানগুলিতে। মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এদিন সকালে। দাড়িভিট হাইস্কুল থেকে শহীদ রাজেশ-তাপসের সমাধিস্থল পর্যন্ত মিছিল করে এবিভিপি (Abvp)। এই মিছিলে অসংখ্য সাধারণ মানুষকেও সামিল হতে দেখা যায়। এদিনের শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সহ সংগঠন সম্পাদক গোবিন্দ নায়েক, রায়গঞ্জ লোকসভার সাংসদ কার্তিক পাল, এবিভিপির উত্তরবঙ্গ প্রান্তের সভাপতি ডঃ বিশ্বজিৎ রায়, সংগঠনের জাতীয় কমিটির সদস্য শুভব্রত অধিকারী, এবিভিপির প্রাক্তন রাজ্য নেতা রাতুল বর্মন প্রমুখ।

    কী বলছেন এবিভিপি নেতৃত্ব? 

    বেলা একটা নাগাদ রাজেশ-তাপসের সমাধিস্থলে (Darivit Incident) শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এরপরে সমাধিস্থল থেকে কিছুটা দূরেই অনুষ্ঠিত হয় স্মরণসভা। এই সভায় এবিভিপির নেতা গোবিন্দ নায়ক বলেন, ‘‘রাজেশ-তাপস বিচার পাবেই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং আমরা আশাবাদী খুব তাড়াতাড়ি দুই শহীদ বিচার পাবে ও দোষীদের শাস্তি হবে।’’ প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাসেই কলকাতা হাইকোর্ট দাড়িভিট কাণ্ডে (Darivit Incident) এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়। এবিভিপির প্রাক্তন রাজ্য নেতা রাতুল বর্মন মাধ্যমকে ফোনে বলেন, ‘‘আজকের দিনেই পশ্চিমবঙ্গের ভাষা শহীদ রাজেশ-তাপস দেখিয়ে দিয়েছিলেন মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন কীভাবে করতে হয়! নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে তাঁরা যুব সমাজের কাছে মাতৃভাষা রক্ষার লড়াইয়ের এক উদাহরণ স্থাপন করতে পেরেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mission Sahasi: আরজি কর-কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ, ৩০০ তরুণীকে আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ এবিভিপি-র

    Mission Sahasi: আরজি কর-কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ, ৩০০ তরুণীকে আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ এবিভিপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতলে (RG Kar Case) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ড সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। ন্যায় বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-আন্দোলন হচ্ছে সর্বত্র। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় মহিলাদের জন্য দু’দিনের আত্মরক্ষা কর্মশালা ‘মিশন সাহসী’ (Mission Sahasi) অনুষ্ঠিত করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান যৌন নিপীড়নের ঘটনাকে মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ-আন্দোলনের পাশাপাশি আত্মরক্ষার পাঠে নারী সামাজে ব্যাপক সাড়া পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৩০০ জন তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় (Mission Sahasi)

    ১৪ এবং ১৫ সেপ্টেম্বর স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া কমপ্লেক্সে, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) আত্মরক্ষার বিশেষ কর্মশালা ‘মিশন সহসী’-র (Mission Sahasi) শিবির আয়োজন করেছিল। এই কর্মশালায় প্রায় ৩০০ জন তরুণী অংশগ্রহণ করেছিলেন। কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দিয়েছেন বিখ্যাত মার্শাল আর্ট বিশেষজ্ঞ, গ্র্যান্ডমাস্টার শিফুজি শৌর্য ভরদ্বাজ। দুই দিনে টানা ১২ ঘণ্টা করে আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেন তিনি। একইভাবে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, এবিভিপি-র রাষ্ট্রীয় সংগঠন সম্পাদক আশীষ চৌহান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পাদক শালিনী ভার্মা। স্কুল, কালেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং নার্সিং কলেজের ছাত্রী সহ আরও অনেক মেয়েরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    মানসিক শক্তিকে আরও উচ্চ স্তরে নিয়ে যায়

    ‘মিশন সাহসী’ হল এবিভিপি-এর চলমান কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি প্রধান ধারা, যেখানে তরুণী, যুবতী, ছাত্রী সহ সমাজের নানা বর্গের মহিলাদের আত্মরক্ষার কৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ হয়ে থাকে। এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মেয়েদের আত্মবিশ্বাসকে বৃদ্ধি করা। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে আশিস চৌহান এই উদ্যোগের গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি বলেন, “মিশন সাহসী (Mission Sahasi) মহিলাদের শক্তিশালী করে দাঁড়াতে সক্ষম করে, তাঁদের আত্মরক্ষার দক্ষতাকে বৃদ্ধি করে। অটল সাহসের সঙ্গে যেকোনও চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিক শক্তিকে আরও উচ্চস্তরে নিয়ে যায়। সম্প্রতি আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনার প্রেক্ষিতে এই প্রশিক্ষণ একান্ত আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এই রাজ্য সন্দেশখালির মতো নারী নির্যাতনের ঘটনা মানুষের মনকে ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করেছে। তাই আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। আমরা ২০১৯ সাল থেকে এই মিশন সহসীর কাজ শুরু করেছিলাম। ইতিমধ্যেই ভারত জুড়ে দেড় কোটির বেশি মেয়েকে আত্মরক্ষামূলক কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ দিতে পেরেছি। পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি মহিলাদের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহ করে হত্যার ঘটনা ক্রমবর্ধমান ভাবে ঘটে চলেছে। এই রাজ্যের সরকার নারী সুরক্ষা নিয়ে অত্যন্ত উদাসীন। তাই মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে ঘটা নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে মিশন সাহসী একটি প্রতিবাদের ভাষা।”

    আন্দোলনের সঙ্গে চাই সমাধানও

    এই কর্মশালাটিকে (Mission Sahasi) মহিলাদের ক্ষমতায়নের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে দেখা হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আরও বিষয়টি প্রসাঙ্গিক। নারী নির্যাতনের ঘটনা রাজ্যে মারাত্মক আকার নিয়েছে। এবিভিপির রাষ্ট্রীয় সম্পাদক শালিনী ভার্মা অনুষ্ঠানে বলেন, “মিশন সহসীর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গের যুবতী মহিলাদের আত্মরক্ষার জন্য একান্ত প্রয়োজন। নির্মমভাবে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। এটি একটি সংঘটিত জঘন্য অপরাধ। এবিভিপি-র কর্মীরা প্রতিবাদে রাজপথে বিক্ষোভ করছে এবং ন্যায় বিচারের দাবিতে একই সময়ে মিশন সাহসী অভিযান শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ রাজ্যের মহিলাদের আত্মরক্ষার দক্ষতা শিখতে এবং কঠিন পরিস্থিতিতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম করবে। আমরা মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ প্রদান করছি। স্কুল, কলেজ, মেডিক্যাল, প্যারামেডিক্যাল কলেজ এবং নার্সিং ইনস্টিটিউটের শত শত মেয়েরা এখানে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এবার তাঁরা নিজ নিজ ক্যাম্পাস বা জেলায় মেয়েদের আরও শেখানোর জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য হল পশ্চিমবঙ্গে চলমান সমস্যার একটি যৌক্তিক সমাধান খুঁজে বের করা। শুধু আন্দোলন নয়, চাই সমাধানের রাস্তাও।”

    মেয়েদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ মমতা সরকার

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের জাতীয় কার্যনির্বাহী সদস্য তুলসী সরকার বলেন, “রাজ্যের মেয়েদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ মমতা সরকার। তাই আমরা মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কর্মসূচি (Mission Sahasi) নিয়েছি। দুই দিনে মোট চারটি অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন আত্মরক্ষার কৌশল শিখেছেন। এরপর আমরা জেলা স্তরে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করব। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করব।”

    মেয়দের নির্ভীক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবে

    একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি রশ্মি সামন্ত। তিনি বলেন, “মিশন সাহসী (Mission Sahasi) হল এবিভিপির একটি মহৎ উদ্যোগ। যার লক্ষ্য মেয়েদের একটি শক্তিশালী এবং নির্ভীক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একটি উন্নত জীবন প্রদান করা। এই প্রশিক্ষণ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং এটি বাংলার ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব তৈরি করবে। আমরা আশাবাদী যে বাংলা এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসবে এবং এবিভিপি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক পাতাতেন সন্দীপ, কামড়াতেন-মারতেন’’! বিস্ফোরক দাবি

    মামলায় গ্রেফতার এখনও পর্যন্ত ৩

    উল্লেখ্য, গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল (RG Kar Case) কলেজ ও হাসপাতালের হলে চতুর্থ তলায় সেমিনার অর্ধনগ্ন অবস্থায় এক মহিলা চিকিৎসককে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা যায় যে যৌন নিপীড়ন করে খুন করা হয়েছিল। মামলার তদন্ত পুলিশ করলেও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বর্তমানে সিবিআই তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে হাসপাতলের প্রাক্তন অধ্যক্ষ, টালা থানার ওসি এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনার দিন থেকে ন্যায় বিচারের দাবিতে বিদ্যার্থী পরিষদ ‘লক্ষ্মীর সুরক্ষা’, স্বাস্থ্য ভাবন অভিযান, মশাল মিছিল, রাত দখল-সহ একাধিক কর্মসূচি পালন করতে দেখা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (RG Kar) ন্যায় বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য। আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন রাজ্যবাসী। কোনও রকম দলীয় পতাকা বা প্রতীক ছাড়া ‘পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজ’-এর নামে ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ‘ব্যক্তিগত’ ভাবে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে মঙ্গলবার শ্যামবাজার মোড়ে বিজেপি পাঁচদিনের জন্য ধর্না-বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে। একই ভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নেমেছিলেন। কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সামাজিক সংগঠনও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তায় নেমেছে।

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু(RG Kar)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একজন মহিলা চিকিৎসককে (RG Kar) ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে বলেন, “সব পরিবারের পক্ষ থেকে একজন করে এই আন্দোলনে যোগদান করুন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেখানে যাব। তবে এটা কোনও দলের আহ্বান নয়। সকলেই বুঝে গিয়েছেন, সব সমস্যার মাথা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলব, ২৬ তারিখের মধ্যে পদত্যাগ করুন, যাতে ২৭ তারিখে কোনও গুলি চালাতে না হয়।”

    আরও পড়ুনঃ টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    বিক্ষোভ-প্রতিবাদে উত্তাল রাজ্য

    আরজি করের (RG Kar) ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোমবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেছিল আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার আগেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছিল। এরপর এবিভিপি এবং পুলিশের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে, উভয় পক্ষের মধ্যে চলে সংঘর্ষ। ছাত্রদের দাবি, পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে। এরপর ২০ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। একই ভাবে মহিলা ডাক্তার খুনের ঘটনায় পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলেজ স্ট্রিটে আন্দোলন হয়েছিল। অপর দিকে গড়িয়াহাটে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল এবং যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-র নেতৃত্বে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা পথ অবরোধ করে প্রতিবাদ সভা করেছিলেন। ঠিক একই সময়ে আবার হাওড়া ব্রিজে বিজেপির পক্ষ থেকে পথ অবরোধ করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখানো হয়। তাতে পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এইভাবে দিকে দিকে ক্রমেই জোরদার হচ্ছে রাজ্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABVP Protest March: দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, এবিভিপির স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

    ABVP Protest March: দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, এবিভিপির স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Doctor Rape-Murder) জেরে উত্তাল রাজ্য। প্রবল চাপে মমতা সরকার। প্রতিনিয়ত বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ। ঘন ঘন দাবি উঠছে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের। ঠিক এই আবহে মঙ্গলবার বিধাননগরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) স্বাস্থ্য ভবন অভিযান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। এখানেও দাবি এক— মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। এবিভিপির আন্দোলনকে (ABVP Protest March) দমাতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ। অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড দেখা গেল শহরে। বৃহস্পতিবার একই দাবিতে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ আটকাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে পুলিশকে। বিজেপির বিক্ষোভ কীভাবে তারা সামলায় সেটাই এখন দেখার! নারী নিরাপত্তার ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য, ঠিক এই আবহে বিজেপির বিক্ষোভেও ব্যাপক জমায়েত হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আন্দোলনের জোয়ারে ভাঙল ব্যারিকেড (ABVP Protest March)

    অভিযানের আগে এদিন সিটি সেন্টারে জমায়েত করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। মিছিল আটকাতে এদিন ব্যারিকেড করে পুলিশ তবে আন্দোলনের জোয়ারে তা মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে। এর পরেই শুরু হয় অশান্তি। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে শুরু হয় সংঘর্য। ছাত্রদের সঙ্গে বেধে যায় খণ্ডযুদ্ধ। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেশ কয়েকজন এবিভিপি কর্মীকে (ABVP Protest March) আটক করে প্রিজন ভ্যানের তোলে পুলিশ। অন্যদিকে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক লাঠিচার্জের অভিযোগ এনেছেন এবিভিপির রাজ্য নেতৃত্ব। তাদের বেশ কয়েকজন সদস্য লাঠিচার্জের ঘটনায় আহত বলেও জানিয়েছে এবিভিপি নেতৃত্ব।

    কী বলছেন এবিভিপির (ABVP) রাজ্য নেতা?

    এবিভিপির (ABVP Protest March) রাজ্য নেতা সঙ্গীত ভট্টাচার্যর কথায়, ‘‘আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবেই স্বাস্থ্যভবন অভিযান করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ আমাদের উপরে লাঠি না চালালেই পারত।’’ তাঁর আরও দাবি, ‘‘আমরা ভাঙচুর চালাতে যাইনি। রাজ্যের যে পরিস্থিতি তাতে নিখোঁজ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে খুঁজতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের আক্রমণ করল। কিন্তু আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Doctor Rape-Murder) যারা ভাঙচুর চালাল তাদের যা খুশি তাই করতে দিল পুলিশ।’’
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share