Tag: ABVP

ABVP

  •  Narendra Modi: “কখনও শিখ কখনও সন্ন্যাসী, জরুরি অবস্থায় ছদ্মবেশে কাজ করতাম”, বললেন মোদি

     Narendra Modi: “কখনও শিখ কখনও সন্ন্যাসী, জরুরি অবস্থায় ছদ্মবেশে কাজ করতাম”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি অবস্থার পুরো সময় ধরেই ছদ্মবেশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এক দুই বছর আগের সময় নয়, প্রায় ৫০ বছর আগেকার ঘটনা। ২৫ জুন ১৯৭৭ সালে তৎকালীন ইন্দিরা সরকার সংবিধানকে বিসর্জন দিয়ে গোটা দেশে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। সারা দেশ কারগারে পরিণত হয়েছিল। মোদি, কংগ্রেসের সেই সময়ের অন্ধকার দিনের কথা তুলে ধরেছেন সংসদে। কীভাবে দেশে এই গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করেছিলেন, সেই বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, “কখনও শিখ কখনও সন্ন্যাসী, জরুরি অবস্থায় ছদ্মবেশে কাজ করতাম।”

    কী বললেন মোদি (Narendra Modi)?

    সংসদে জরুরি অবস্থা সম্পর্কে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদি (Narendra Modi) বলেছেন, “এই রকম দমন পীড়ন থেকে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সবরকম কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কংগ্রেসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে গুজরাটে ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছিল। ১৯৭৪ সালে ছাত্রযুব সমাজ গড়ে তুলেছিল নবনির্মাণ আন্দোলন। ছাত্র সমাজের শক্তি সেই সময় দেখা গিয়েছিল। আমি সেই সময় আরএসএস-এর যুব প্রচারক হয়ে সামজিক কাজ করছিলাম। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের অধীনে আমরা কাজ করছিলাম। যুব সমাজের আন্দোলন দেশ ব্যাপী ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। কংগ্রেসের আগ্রাসী চোখ থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে ছদ্মবেশী রূপ নিয়ে নানান গোপন মিটিং করতাম। আমাদের অনেক সঙ্গীরা এই কাজে সমাজ জাগরণে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।”

    আরও পড়ুনঃ লোকসভায় টানা দ্বিতীয়বার স্পিকার নির্বাচিত হলেন ওম বিড়লা, অভিনন্দন মোদির

    আর কী বলেন?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) কংগ্রেসের এই জরুরি অবস্থকে অন্ধকার দিন বলেছেন। তিনি বলেছেন, “আমাদের আরএসএস বরিষ্ঠ নেতা জগড়া, বসন্ত গজেন্দ্রগড়করের সঙ্গে আলোচনা করে তথ্য দেওয়া-নেওয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। এই সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ সমাজের অন্তরালে থেকে কাজ করছিল। গুজরাটে তৈরি করা হয়েছিল লোক সংঘর্ষ সমিতি। সেই আমি আমি মাত্র ২৫ বছর বয়সে সঙ্ঘের কার্যবাহ হয়ে গিয়েছিলাম। এই সময় নানান লেখালেখি করতাম। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লেখাগুলির মাধ্যমে যাতে চিহ্নিত না হয়ে যাই, সেই জন্য শিখ বা গৈরিক সন্ন্যাসীর বেশে আত্মগোপন করে কাজ করেছিলাম।”

    উল্লেখ্য ১৯৭৮ সালে জরুরি অবস্থার উপর ‘সংঘর্ষ মা গুজরাট’ নামক একটি বই লেখেন মোদি। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বাবুভাই যশভাই প্যাটেল এই বইয়ের প্রকাশ করেছিলেন। সেই সময় মোদির মাত্র বয়স ছিল ২৭ বছর।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal University: গবেষিকার রহস্য মৃত্যুতে অধ্যাপককে গ্রেফতারের দাবি, আন্দোলনে এবিভিপি

    North Bengal University: গবেষিকার রহস্য মৃত্যুতে অধ্যাপককে গ্রেফতারের দাবি, আন্দোলনে এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (North Bengal University) এক গবেষিকার রহস্যজনক মৃত্যুতে নাম জড়ালো এক অধ্যাপকের। এমনিতেই এই গবেষিকার মৃত্যু নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মৃত্যুর দুদিন পর কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ না গ্রহণ করায় অধ্যাপকের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নামল এবিভিপি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (North Bengal University)

    বিশ্ববিদ্যালয় (North Bengal University) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ববিতা দত্ত নামে গবেষিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে মাটিগাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অধ্যাপকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছে মৃতার পরিবার। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক বার গবেষিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বিভাগীয় প্রধান। কিন্তু, চলতি মাসে গবেষিকাকে তিনি জানান যে, বিয়ে করা সম্ভব নয়। তার পরেই ‘রহস্যজনক’ ভাবে মৃত্যু হয়েছে ববিতার।তদন্তে নেমে পুলিশ ববিতার ভাড়াবাড়ি থেকে ওই অধ্যাপকের বেরিয়ে যাওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। বস্তুত, ববিতার ঘর থেকে একটি চিঠি উদ্ধার হয়। যা সুইসাইড নোট বলেই মনে করা হচ্ছে। সেখানে অধ্যাপকের নাম রয়েছে। কিন্তু, তার পরেও কেন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবাশিস দত্ত বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ছাত্রী-শিক্ষক অথবা গবেষক-অধ্যাপকের সম্পর্ক সম্মানের, শ্রদ্ধার এবং স্নেহের। সেখানে এই রকমের ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়।”

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে এবিভিপি

    সোমবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (North Bengal University) প্রশাসনিক ভবনের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কর্মী এবং সমর্থকেরা। ‘অভিযুক্ত’ বিভাগীয় প্রধানের গ্রেফতারের দাবিতে সরব পড়ুয়াদের একাংশ। এদিন দুপুরে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ল-মোড়ে গণস্বাক্ষর গ্রহণ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনি ভবনের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এবিভিপি রাজ্য সম্পাদক দীপ্ত দের অভিযোগ, “ববিতা দত্ত আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JNU: প্রথম কোনও নির্বাচনে জেএনইউ-তে চ্যালেঞ্জের মুখে বাম জোট, উল্লেখযোগ্য শক্তিবৃদ্ধি এবিভিপির

    JNU: প্রথম কোনও নির্বাচনে জেএনইউ-তে চ্যালেঞ্জের মুখে বাম জোট, উল্লেখযোগ্য শক্তিবৃদ্ধি এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম কোনও নির্বাচনে জেএনইউ-তে (JNU) চ্যালেঞ্জের মুখে বাম জোট। রবিবার ভোট গণনা চলাকালীন একাধিক সংবাদমাধ্যম পূর্বাভাস দিতে শুরু করে বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার গেরুয়া হতে চলেছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বাক্স খুলতেই বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। প্রাথমিক ট্রেন্ডে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন এবিভিপির প্রার্থীরা। রবিবার ২৫ মার্চ গণনা শুরু হতেই লড়াইতে একেবারে ‘কাঁটে কি টক্কর’ দেখা যায়। কিন্তু, রাত ১১টার পর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা হতেই দেখা যায়, সেন্ট্রাল প্যানেলের চার আসনেই জিতেছেন বাম জোটের প্রার্থীরা। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন জেএনইউতে উল্লেখযোগ্যভাবে অনেকটাই শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে এবিভিপির।

    জোর টক্কর

    এত ভোট আগে কখনও পায়নি আরএসএস অনুপ্রাণিত এই ছাত্র সংগঠন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এবিভিপি-কে রুখতে সমস্ত বাম ও অতিবাম সংগঠনগুলি নিজেদের মধ্যে জোট করে। এর ফলে বাম ভোট কোনওভাবে ভাগ হয়নি। এতকিছুর পরেও দেখা যায়, এবিভিপির প্রার্থীরা জোর টক্কর দিয়েছেন। ১৯৬৯ সালে সালে জেএনইউ (JNU) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বাম ছাত্র সংগঠনগুলির দাপট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে ছিল ব্যাপক। এবার প্রথম নির্বাচন যখন তাদের দাপট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।

    একনজরে ভোটের ফলাফল

    প্রেসিডেন্ট পদ

    ধনঞ্জয় (বাম)- ৩,১০০
    উমেশ চন্দ্র আজমীরা (এবিভিপি)- ২,১১৮

    ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ

    অভিজিৎ ঘোষ (বাম)- ২৭৬২
    দীপিকা শর্মা (এবিভিপি)- ১৮৪৮

    সাধারণ সম্পাদক পদ

    অর্জুন আনন্দ (এবিভিপি)- ২৪১২
    প্রিয়ংশী আর্য (বাপসা)- ৩৪৪০

    যুগ্ম সম্পাদক পদ

    গোবিন্দ ডাঙ্গি (এবিভিপি)- ২৫৯১
    মহঃ সাজিদ (বাম)- ৩০৩৫

    রেকর্ড ভোট চলতি বছরে

    জেএনইউ-র (JNU) ছাত্র ইউনিয়নের ভোটে গত ১২ বছরে রেকর্ড ভোট পড়েছে চলতি বছরের ভোটগ্রহণে। ৭৩ শতাংশ ভোট পড়ে। ৭৭৫১ সংখ্যক ভোটার সংখ্যা নিয়ে চার পদের জন্য ভোট হয় জেএনইউয়ের ছাত্র ইউনিয়নে। শেষবার ২০১৯ সালে জেএনইউএর ভোটে ভোট পড়েছিল ৬৭.৯ শতাংশ। এমনটাই বলছে, ‘দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র প্রতিবেদন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ভোট বেশি পড়লে তা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতারই প্রতিফলন হয় সাধারণত। এবারেও তাই হল। উল্লেখযোগ্য শক্তিবৃদ্ধি হল এবিভিপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২২ মার্চ দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNUSU Elections 2024) ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রবিবারই ঘোষণা হবে নির্বাচনের ফলাফল। প্রসঙ্গত, ৪ বছর পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। নির্বাচনে ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উমেশচন্দ্র আজমিরা। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে এবিভিপি প্রার্থী অর্জুন আনন্দ, সহ-সভাপতি পদে এবিভিপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন দীপিকা শর্মা। যুগ্ম সম্পাদক পদের জন্য এবিভিপি প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ দাঙ্গি। এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থীর কথায় উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের মতো ইস্যু থেকে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সবটাই। প্রসঙ্গত, দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী, অতি বামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের। কিছু ক্ষেত্রে তা প্রমাণিতও হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী জানালেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী উমেশচন্দ্র আজমিরা (JNUSU Elections 2024) জানিয়েছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুটি উল্লেখযোগ্য ইস্যু রয়েছে। একটি হল ফেলোশিপ এবং অপরটি হল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। এ প্রসঙ্গে উমেশ জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীরা ফেলোশিপ ঠিক সময়মতো পান না। এছাড়া যে পরিমাণ ফেলোশিপ পান পড়ুয়ারা, তার পরিমাণ অত্যন্ত কম। উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা অত্যন্ত কম। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশদ্রোহীদের কার্যকলাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে (JNUSU Elections 2024) এই ধরনের কার্যকলাপ যথেষ্ট চ্যালেঞ্জেরও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

    মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১

    উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো তাঁরা এমনভাবে গড়ে তুলতে চান, যাতে সেখানে বিশ্বমানের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি তাঁদের লক্ষ্য রয়েছে, অ্যাকাডেমিক ব্লক-২ তৈরি করারও। নির্বাচনে জিতলে আন্তর্জাতিক মানের একটি লাইব্রেরী করারও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী (JNUSU Elections 2024)। দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছ’টি নতুন হস্টেল তৈরি করারও কথা জানিয়েছেন উমেশ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তা চালু হয়। দুপুরে একঘণ্টার বিরতির পর বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। জেএনইউয়ের ভোটে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১ পড়ুয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এবিভিপির প্রার্থী ঘোষণা, ক্যাম্পাসে শিক্ষা পরিমণ্ডলকে উন্নত করার ডাক

    JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এবিভিপির প্রার্থী ঘোষণা, ক্যাম্পাসে শিক্ষা পরিমণ্ডলকে উন্নত করার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। এবিভিপির ইউনিট সম্পাদক বিকাশ প্যাটেল বলেন,  “বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শিক্ষা পরিমণ্ডলকে উন্নত করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। একই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে সুনিশ্চিত করতে হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে সকলের জন্য শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে শক্তিশালী ছাত্র সংসদের প্রার্থী নির্বাচন করে ক্যাম্পাসের ছাত্র স্বার্থকে অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। আগামী ২২ মার্চ ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দিন। প্রেসিডেন্ট বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে ২০ মার্চ এবং নাম প্রত্যহারের শেষ দিন ওই দিনই।”

    ছাত্র সংসদের প্রার্থী কারা কারা (JNU)?

    জেএনইউ (JNU) এবিভিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন উমেশ চন্দ্র আজমিরা, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হয়েছেন দীপিকা শর্মা, সম্পাদক পদের প্রার্থী অর্জুন আনন্দ এবং যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ ডাঙ্গী। একই ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ৪২ টি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবিভিপি।

    প্রেসিডেণ্ট প্রার্থীর পরিচয়

    প্রেসিডেন্ট প্রার্থী উমেশ চন্দ্র আজমিরা মূলত তেলঙ্গানার ওয়ারাঙ্গলের বাসিন্দা। হায়দ্রাবাদের নিজাম কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক। এরপর জেএনইউতে (JNU) স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে স্নাতকোত্তর এবং এমফিল করেছেন। বর্তমানে তিনি ওই বিভাগের গবেষক ছাত্র।

    ভাইস প্রেসিডেন্টের পরিচয়

    ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী দীপিকা শর্মা হলেন হরিয়ানার ভিওয়ানির বাসিন্দা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দৌলত রাম কলেজ থেকে স্নাতক হয়েছেন। তিনি জেএনইউর (JNU) স্কুল অফ এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স থেকে এমএসসি করেছেন। বর্তমানে ওই বিভাগের গবেষক ছাত্রী তিনি।

    সম্পাদক ও সহ সম্পাদকের পরিচয়

    সম্পাদক প্রার্থী অর্জুন হলেন মূলত হিমাচলের বাসিন্দা। তিনি ধর্মশালার একটি কলেজ থেকে ভূগোল বিষয়ে স্নাতক হয়েছিলেন। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএ করেন। বর্তমান জেএনইউর (JNU) সেন্টার ফর নর্থ ইস্ট স্টাডিজ থেকে গবেষণা করছেন। সহ সম্পাদকের প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ। তাঁর বাড়ি মধ্যপ্রদেশে। এলাহাবাদ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়েছেন। এরপর জেএনইউতে অ্যামেরিকান স্টাডিজে এমফিল করেছেন। বর্তমানে স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিভাগের গবেষক ছাত্র তিনি। এবিভিপির সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে জয় বিষয়ে আশাবাদী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানের দখল কে নেবে, এই নিয়েই আজ বিবাদ চরমে ওঠে। এভিবিপি ছাত্রদের অভিযোগ, “বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপির হাতে তুলে দিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ। এটা রাজনৈতিক পক্ষপাত।” উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এই কলেজে পতাকা লাগিয়ে ক্যাম্পাসের দখল নেয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। টিএমসিপি-র এই দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানায় এভিবিপি। কলেজে পাল্টা আজ পতাকা লাগায় এভিবিপি। এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসে পুলিশ।

    টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্য (Nadia)

    আজ সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে (Nadia) টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল এবিভিপি। বিক্ষোভরত ছাত্রদের বোঝাতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় প্রিন্সিপালকে। প্রিন্সিপালকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখা যায়। অপরদিকে তৃণমূলের বহিরাগত দুষ্কৃতীরা কলেজের মধ্যে লাঠি নিয়ে প্রবেশ করলে মুহূর্তের মধ্যেই কলেজ ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ এসে এভিবিপির আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে। এরপর উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে।

    এবিভিপির বক্তব্য

    কলেজের এবিভিপি নেতা পাপন বিশ্বাস কলেজ (Nadia) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “অধ্যক্ষ নিজে তৃণমূলের পক্ষপাত করছেন। টিএমসিপিদের জোর করে বসন্ত উৎসব করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি এখানে কাটমানি খেতে আসেননি। আমাদের না জানিয়ে বসন্ত উৎসবের টাকা তুলে দিয়েছেন। এই বিষয় আমরা আপত্তি জানাই। আমরা এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাই। কালেজে ছাত্র সংসদ নেই বলেই অধ্যক্ষ এইভাবে শাসকের পক্ষাবলম্বন করলেন। অবিলম্বে আমরা ছাত্র সংসদের নির্বাচন চাই।”

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলজের (Nadia) প্রিন্সিপাল দীপঙ্কর ঘোষ বলেন, “আমি কলেজকে ঠিক ভাবে পরিচালনা করতে চাই। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে এবং বিপক্ষে নেই। নিজেদের দলীয় পতাকা লাগানোর অধিকার সকলের রয়েছে। তবে যেহেতু কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি, তাই এই মুহূর্ত ক্যাম্পাস সকলের। আমি উভয় পক্ষকে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার আবেদন জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: এবিভিপি-র শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্মমভাবে লাঠিচার্জ, চ্যাংদোলা করে নিয়ে গেল পুলিশ

    ABVP: এবিভিপি-র শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্মমভাবে লাঠিচার্জ, চ্যাংদোলা করে নিয়ে গেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শিলিগুড়িতে এবিভিপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাঠি চালাল পুলিশ। পুলিশের লাঠিতে জখম হলেন অসংখ্য ছাত্র ছাত্রীর। এদিন এবিভিপি (ABVP) উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই মিছিরকে আটকাতেই  উত্তরকন্যার আগে  তিনবাত্তি মোড়ে নির্মমভাবে লাঠি চালায় পুলিশ।

    কেন উত্তরকন্যা অভিযান? (ABVP)

    রাজ্যের নারী নির্যাতন সহ সন্দেশখালি ঘটনার ন্যায় বিচারের দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিল এবিভিপি। এই কর্মসূচির তিনদিন আগেই ঘোষণা করেছিল এবিভিপি (ABVP)। রাজ্যে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনার মাঝে সন্দেশখালি ঘটনা উঠে এসেছে। তাতে নবান্নে চরম বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই অভিযান কর্মসূচি ছিল।  তাই কোনও স্মারকলিপি নয়, প্রতিবাদি মিছিল নিয়ে উত্তরকন্যায় পৌঁছে সেই বার্তা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিল এবিভিপি।

    জারি করা হয় ১৪৪ ধারা

    উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারে হাজারে ছাত্র-যুব এদিন এবিভিপির (ABVP) এই মিছিলে অংশ নেয়। দিল্লি থেকে আসেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  যাজ্ঞবাল্ক শুক্লা। এই বিশাল মিছিল দেখে চিন্তায় পড়ে পুলিশ প্রশাসন। যে কোনওভাবে মিছিল আটকাতে তৎপর ছিল পুলিশ। শিলিগুড়ি থেকে উত্তরকন্যা যাওয়ার মূল রাস্তার জায়গায় জায়গায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। জলপাই মোড় থেকে তিনবার মোড় ব্যারিকেড করে রেখেছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।  বেলা দুটোর পর বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল এসে জলপাই মোড়ে  জমায়েত হয়। শুরু হয় উত্তরকন্যা অভিমুখে যাত্রা।

    কীভাবে মিছিল আটকাল পুলিশ?

    নৌকাঘাট অতিক্রম করার মুখেই প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে চলে মিছিল। তিনবাত্তি মোড়ে মিছিল পৌঁছতেই দেখা যায় দলবেঁধে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে মিছিলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বিনা প্ররোচনাতেই এবিভিপি (ABVP) মিছিলের ওপর পুলিশের নির্মমভাবে লাঠি চালায়। এই আক্রমণে বহু ছাত্র ছাত্রী রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে অনেকে দৌঁড়ে পালান। দেখা যায় অলিতে গলিতে চলে যাওয়া এবিভিপি সমর্থকদের পুলিশ টেনে-হিঁচড়ে টেনে আনছে মারতে মারতে। এবিভিপি বহু ছাত্র-যুব সদস্যকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এর মধ্যে সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  যাজ্ঞবাল্ক শুক্লা রয়েছেন।  তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় দেখা যায় পুলিশ তাকে টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে।

    আরও পড়ুন: প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সায়ন্তিকা

      এবিভিপি-র নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিভিপি-র উত্তরবঙ্গ জোনের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় বলেন, আমাদের আন্দোলন সফল। কেননা এবিভিপির মিছিলকে আটকাতে এদিন পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে যেভাবে  বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে। আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  যাজ্ঞবাল্ক শুক্লাকে পুলিশ যেভাবে টেনে হিঁচড়ে মেরে গাড়িতে তুলেছে, এতে প্রমাণ হয় সত্যকে চাপা দিতে পুলিশ দিয়ে তৃণমূল সরকার ন্যায় বিচারের দাবিতে এবিভিপি আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। পুলিশ যেভাবে লাঠি চালিয়েছে, তাতে প্রমাণ হয়েছে এবিভিপির আন্দোলন সফল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) নন্দীগ্রামের কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। এবিভিপি এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে। উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং ঝামেলায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অবশেষে স্থানীয় থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

    উত্তপ্ত সীতানন্দ কলেজ  (Purba Medinipur)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সরস্বতী পুজোকে ঘিরে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন এবং আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা বাধে। একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক মারামারি। কার্যত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সীতানন্দ কলেজ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।

    এবিভিপির বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে (Purba Medinipur) এই বছর দুটি পুজো হয়েছে। শাসক দলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজো করে আর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি কলেজের গেটের বাইরে পুজোর আয়োজন করেছিল। গেটের বাইরে এবিভিপির বেশ কিছু পতাকা লাগানো হয়েছিল। কিন্তু এবিভিপি অভিযোগ করে বলে, তাঁদের পতাকা, ফেস্টুন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ছিঁড়ে দেয়। এরপর শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন এবিভিপি কর্মী।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ইচ্ছে করেই এবিভিপির কর্মীরা তৃণমূলের পুজোতে আক্রমণ করে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি এবং মারামারি হয়। ব্যাপক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ ক্যাম্পাস।” পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ নামে এবং নন্দীগ্রাম (Purba Medinipur) থানায় অভিযোগ জানানো হয়।       

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: এবিভিপির ৬৯তম সম্মেলনে হাজির অমিত শাহ, কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    ABVP: এবিভিপির ৬৯তম সম্মেলনে হাজির অমিত শাহ, কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই দিল্লিতে শুরু হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ৬৯তম সর্বভারতীয় সম্মেলন। চলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শুক্রবারই সম্মেলনের প্রকাশ্য অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রসঙ্গত, ছাত্র জীবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদেরই কর্মী ছিলেন অমিত শাহ। এদিন তাঁর ভাষণে উঠে আসে রামমন্দির থেকে কাশ্মীর প্রসঙ্গ।

    কী বললেন অমিত শাহ

    এদিন অমিত শাহ বলেন, ‘‘একটা সময় ছিল যখন আমরা স্লোগান দিতাম, ‘কাশ্মীর হো ইয়া গুয়াহাটি, আপনা দেশ, আপনা মাটি।’ আজকে আমি বলতে চাই, কাশ্মীরও আমাদের। আর পুরো উত্তর-পূর্ব ভারতও আমাদের।’’ এদিন অমিত শাহের বক্তব্যে উঠে আসে রাম মন্দির প্রসঙ্গও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘১৯৯০-এর দশকে যখন আমরা আন্দোলন করতাম রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে, তখন তা আমাদের কাছে স্বপ্ন ছিল কিন্তু নরেন্দ্র মোদির আমলে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে এবং আগামী ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হতে যাচ্ছে রামমন্দিরের।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, ‘‘মোদি জমানায় এগিয়ে চলেছে (ABVP) দেশ এবং তার প্রমাণ ভারতের স্থান পৃথিবীর অর্থনৈতিক মানচিত্রে এগারো থেকে উঠে এসেছে সেরা পাঁচে।’’

    সারাদেশ থেকে ৮,৫০০ প্রতিনিধি হাজির

    সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবারই দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ নগরে পৌঁছে যান সারা দেশ থেকে ৮,৫০০ প্রতিনিধি। সম্মেলনের আয়োজন ও ব্যবস্থায় কাজ করছেন আরও ৪ হাজার কর্মী। সম্মেলন স্থলকে মোট ১২টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলি হল, সন্ত জ্ঞানেশ্বর, অহল্যাবাই হোলকর, লাচিত বরফুকন, ভগবান বীরসা মুন্ডা, মদনমোহন মালব্য, গুরু তেগবাহাদুর, সুব্রহ্মণ্য ভারতী, মহারানা প্রতাপ, গুরু নানক দেব, ভগবান বিশ্বকর্মা, রানি দুর্গাবতী, রানি লক্ষ্মীবাঈ, রানি মা গাইদিনলিউতে। ৬৯তম অধিবেশনে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যাজ্ঞবল্ক্য শুক্ল এবং সভাপতি হিসেবে (ABVP) নির্বাচিত হয়েছেন রাজশরণ শাহি।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাজির মোট ৪৩২ জন প্রতিনিধি

    প্রসঙ্গত, দিল্লিতে চলা এই অধিবেশনে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি এবং রাজ্য সম্পাদকেরও নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দৃষ্টিতে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদকে (ABVP) দুটি প্রান্তে ভাগ করা হয়েছে। একটি উত্তরবঙ্গ এবং অপরটি দক্ষিণবঙ্গ। উত্তরবঙ্গের সভাপতির দায়িত্ব এসেছেন বিশ্বজিৎ রায় এবং সম্পাদকের দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে দীপ্ত দে’কে। দক্ষিণবঙ্গে সভাপতির দায়িত্বে পেয়েছেন পবিত্র দেবনাথ, সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন অনিরুদ্ধ সরকার। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ থেকে ১০১ জন প্রতিনিধি দিল্লির অধিবেশনে হাজির হয়েছেন এবং দক্ষিণবঙ্গ থেকে এই সংখ্যা ৩৩১।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীররঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপিকাকে ফোন করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের টিএমসিপি’র সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে এই ফোনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রের নাম বিভাস হালদার। প্রতিবাদে কলেজ ক্যাম্পাসে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি।

    শাস্তির দাবিতে এবিবিপির বিক্ষোভ (Nadia)

    অধ্যাপিকার ওপর এহেন আচরণের প্রতিবাদে সোমবার মাজদিয়া (Nadia) কলেজের সামনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দাবি একটাই তৃণমূল ছাত্র নেতার শাস্তি চাই। আর এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কৃষ্ণগঞ্জ থানার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। ঘটনায় পুলিশ বাধা দিলে, এভিবিপি ছাত্রছাত্রীরা জোর করে কলেজে ঢুকতে গেলে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। সেই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি বাবিন মুখার্জী।

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলেজ (Nadia) প্রিন্সিপাল এই প্রসঙ্গে বলেন, “আই কার্ড থাকলে ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে।” এরপর প্রিন্সিপালের হস্তক্ষেপে যারা আইডেন্টিটি কার্ড নিয়ে এসেছিল, সেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের কলেজের ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে প্রিন্সিপাল আরও বলেন, “ফোনে অশালীন মন্তব্য করার ঘটনায় অধ্যাপিকা নিজে বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।”

    টিএমসিপি ছাত্রনেতার শাস্তির দাবি

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপুরে কলেজের (Nadia) অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও স্টাফদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রিন্সিপাল। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় কোনও মতেই অধ্যাপিকার উপর এই অসভ্য আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্ত ছাত্র যাতে শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share