Tag: ABVP

ABVP

  • Rajasthan: প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ ভজনলাল শর্মার

    Rajasthan: প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ ভজনলাল শর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে রাজস্থানের (Rajasthan) ১৫তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ভজনলাল শর্মা। এদিনই তাঁর সঙ্গে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে দেখা যায় দিয়া কুমারী এবং প্রেমচাঁদ বৈরওয়াকে। শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্র। রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে (Rajasthan) হয় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এবং দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও মন্ত্রী শপথ নেননি। বিজেপির সূত্রে খবর, পরবর্তী সময় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হবে।

    কারা হাজির ছিলেন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি, উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য সমেত অন্যান্যরা। এই দিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজস্থানের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটও।

    শপথের আগে জয়পুরের একটি মন্দিরে পুজো দেন ভজনলাল

    শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের (Rajasthan) আগে জয়পুরের একটি স্থানীয় মন্দিরে পুজো অর্পণ করেন মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা। তার আগে তিনি বাবা এবং মায়ের পা ধুয়ে প্রণামও করেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপি নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রসঙ্গত, ছত্তিসগড়, রাজস্থান (Rajasthan), মধ্যপ্রদেশের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয় ৩ ডিসেম্বর। সেদিনই তিন রাজ্যে বিপুল জয় পায় বিজেপি। তারপরে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাকি ২ রাজ্যের মতো রাজস্থানেও পর্যবেক্ষক দল গঠন করে। পর্যবেক্ষক দল বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেন ভজনলালকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও ছিলেন এই পর্যবেক্ষক দলে। তাঁর উপস্থিতিতে ভজনলালের নাম ঘোষণা করেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া।

    প্রাক্তন এবিভিপি কর্মী ছিলেন ভজনলাল

    এর আগে ভজনলাল বিজেপির রাজস্থানের সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছেন। ভজনলাল শর্মা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের প্রাক্তন কর্মী বলে পরিচিত। তিনি ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের বিতাড়ণের বিরুদ্ধে এবিভিপির আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে ছিলেন। সেই সময় অযোধ্যায় রাম মন্দির আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০ আসন বিশিষ্ট রাজস্থান (Rajasthan) বিধানসভাতে বিজেপি জিতেছে ১১৫টি আসনে কংগ্রেস জিততে সমর্থ হয়েছে ৬৯ আসনে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম! সভাপতি পদে এবিভিপির প্রার্থী মুসলিম ছাত্রী

    ABVP: হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম! সভাপতি পদে এবিভিপির প্রার্থী মুসলিম ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সভাপতি পদে এবিভিপির (ABVP) প্রার্থী এবার শাইক আয়েশা। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন যে কোনওভাবেই সাম্প্রদায়িক নয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী দেখেই তা স্পষ্ট হচ্ছে, একথা বলছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সমর্থকরা। এই নির্বাচনে আয়েশার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী আবার মহম্মদ আতিক আহমেদ। তিনি এসএফআই, ‘আম্বেদকর স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ এবং ‘ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ফোরাম’ এই তিনটি ছাত্র সংগঠনের জোট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের প্রার্থী হওয়ার পরে আয়েশা যেন সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছেন। নিজের নির্বাচনী প্রচারে বিভিন্ন জায়গায় বক্তব্যের মাধ্যমে ছাত্রদের সমস্যার কথাগুলোও তুলে ধরছেন এবিভিপির প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা পাচার কাণ্ডে ১০ রাজ্যে এনআইএ অভিযান! গ্রেফতার ৪৪, বাংলা থেকে ধৃত ৩

    রসায়নের ছাত্রী আয়েশা, বাড়ি বিশাখাপত্তনম

    জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) সভাপতি প্রার্থী আয়েশী বর্তমানে রসায়ন বিভাগের ছাত্রী। বর্তমানে তিনি গবেষণা করছেন। বিশাখাপত্তনমের বাসিন্দা আয়েশা হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি-এর ইউনিটের সহ-সভাপতি দায়িত্ব রয়েছেন। হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি নেতৃত্বের দাবি, ‘‘আয়েশা বেশ কয়েক বছর ধরে বিদ্যার্থী পরিষদের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং গত দুই বছর ধরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সোচ্চারও হয়েছেন। ছাত্রদের বিভিন্ন সমস্যায় আয়েশাকে সহজেই পাশে পাওয়া যায় এই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে।’’

    প্রথম মুসলিম মহিলা প্রতিদ্বন্দিতা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি পদে

    এবিভিপি নেতৃত্ব আরও বলেন, ‘‘শুধু এবিভিপির (ABVP) প্রার্থী হিসেবেই নয়। হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে তিনিই (আয়েশা) প্রথম মুসলিম মহিলা যিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।’’ তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে আয়েশা বলেন, ‘‘শিক্ষার প্রতি নিবেদিতপ্রাণ এবং গোটা দেশকে এক করার জন্য চেষ্টাই আমাকে এবিভিপির প্রতি আকৃষ্ট করেছিল। এবিভিপি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদের আরও সংগঠিত করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর, সেই কারণেই আমি এবিভিপির প্রতিনিধিত্ব করছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: দিল্লির ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ঝড় এবিভিপির, সেন্ট্রাল প্যানেলে বিপুল জয়

    ABVP: দিল্লির ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ঝড় এবিভিপির, সেন্ট্রাল প্যানেলে বিপুল জয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন সেন্ট্রাল প্যানেলে চারটির মধ্যে তিনটে পদেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, সম্পাদক এবং সহ-সম্পাদক পদে এই জয় মিলেছে। অন্যদিকে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে এবিভিপি জিততে পারেনি সহ সভাপতি পদটি। প্রসঙ্গত শুক্রবারই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শনিবার নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন সব দলের কাছেই একটি প্রেস্টিজ ফাইট ছিল। বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট, তার আগে দিল্লির ছাত্র সংসদ ভোটে এবিভিবির (ABVP) বিপুল জয় যুব সমাজের মতামতের প্রতিফলন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে প্রচারে নেমেছিলেন খোদ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কিন্তু এদিনের ফলাফলে তাঁকে ফের হতাশ হতে হল। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির।

    কোন প্রার্থী কত ভোটে জিতলেন 

    সভাপতি পদে জয়লাভ করেছেন এবিভিপি (ABVP) প্রার্থী তুষার দেধা, তাঁর জয়ের ব্যবধান ৩,৭২২ ভোট।

    সহ-সভাপতি পদে জয়লাভ করেছেন কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের অভি দাহিয়া, মাত্র ৯৪০ ভোটে পরাস্ত হয়েছেন এবিভিপি প্রার্থী সুশান্ত ধানকার।

    সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন এবিভিপি প্রার্থী অপরাজিতা, তাঁর জয়ের ব্যবধান ১২,৮২০ ভোট।

    সহ-সম্পাদক পদে জয় লাভ করেছেন এবিভিপি প্রার্থী শচীন বৈশ্লা। তাঁর জয়ের ব্যবধান ৯,৭৭৫ ভোট।

    ট্যুইট কিরণ রিজিজুর 

    এভিপির এই বড় জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে এবিভিপি (ABVP) প্রার্থীদের অভিনন্দন যেমন জানিয়েছেন, পাশাপাশি রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করেছেন।

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২টির মধ্যে ৩৪টি কলেজে জিতল এবিভিপি

    সেন্ট্রাল প্যানেল ছাড়াও বিশ্ববিদ্য়ালয়ের অন্তর্গত কলেজগুলিরও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অখিল ভারতের বিদ্যার্থী পরিষদ ছাড়াও কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই, সিপিএম-এর ছাত্র সংগঠন এসএফআই, সিপিআই (এম এল)-এর ছাত্র সংগঠন আইসা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে দায়িত্বে ছিলেন চন্দ্রশেখর। প্রধান নির্বাচন কমিশনের কথায়, মোট ৪২ শতাংশ ভোট পড়েছিল এই নির্বাচনে। যেখানে প্রায় একলাখ ছাত্র-ছাত্রী ভোটদান করেছিল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ১৭টি কলেজে জয় পেয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন, অন্যদিকে এবিভিপি জিতেছে ৩৪টি কলেজে। করোনাকালে বিগত বছরগুলিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন বন্ধ ছিল। শেষবারের মতো ২০১৯ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়। সেবারও চারটি প্যানেলের মধ্যে তিনটিতে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল এবিভিপি (ABVP) প্রার্থীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: নকশালপন্থী সংগঠনকে নিষিদ্ধ না করলে যাদবপুরে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি এবিভিপির

    Jadavpur University: নকশালপন্থী সংগঠনকে নিষিদ্ধ না করলে যাদবপুরে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাদবপুরে (Jadavpur University) নকশালপন্থী, মাওপন্থী যেসব ছাত্র সংগঠন রয়েছে, তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করতে হবে।” শুক্রবার এমনই দাবি তুললেন এবিভিপির (দক্ষিণবঙ্গ) রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “যে ছাত্র সংগঠনগুলির সদস্যদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ উঠছে, তাদের নেতৃত্ব সেই অভিযুক্ত সদস্যদের নিয়ে কোনও মন্তব্য করছেন না কেন?”

    এবিভিপির হুমকি

    ইউজিসিকে আরও কড়া পদক্ষেপের জন্য আবেদন জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাওবাদী, নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিকে ২১ অগাস্টের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা না করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে এবিভিপি। ২৫ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাঁচাও অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা। এদিকে, এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) তিন নম্বর গেটের সামনে থেকে খুলে ফেলা হয়েছে বিজেপি যুব মোর্চার মঞ্চ। বৃহস্পতিবার এই অবস্থান মঞ্চেই ভাষণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পরই সংঘর্ষ বাঁধে এবিভিপির সঙ্গে আরএসএফের কর্মী-সমর্থকদের। পরে আরএসএফের বিরুদ্ধে যাদবপুর থানায় এফআইআরও দায়ের করেন শুভেন্দু।

    পুলিশের হুঁশিয়ারি ডেকরেটার্সকে 

    শুক্রবারও ওই মঞ্চেই কর্মসূচি ছিল বিজেপির যুব মোর্চার। মোর্চার অভিযোগ, পুলিশ তাদের কর্মসূচি বাতিল করে মঞ্চ খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। এরই প্রতিবাদে ধর্না মঞ্চের সামনেই অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। তাঁদের দাবি, শনিবার পর্যন্ত কর্মসূচির কথা জানিয়ে মঞ্চ বাঁধার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার হঠাৎই পুলিশের তরফে আধ ঘণ্টার মধ্যে মঞ্চ খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। সময়ের (Jadavpur University) মধ্যে মঞ্চ খোলা না হলে সব কিছু বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় ডেকরেটার্সদের। বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, আমাদের মঞ্চ ঘিরে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ছিল। তৃণমূলও মঞ্চ বেঁধেছিল। কিন্তু সেখানে ভিড় ছিল না। ভয় পেয়েই রাজ্য সরকার পুলিশকে মঞ্চ খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে যাদবপুরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে অতি বামপন্থীরা! তোপ সুকান্তর

    মঞ্চ খোলা শুরু হতেই মঞ্চের সামনে বসে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। পরে যাদবপুর থানার সামনে গিয়েও বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ইন্দ্রনীল বলেন, “পুলিশ আমাদের কোনও কর্মসূচিতেই অনুমতি দেয় না। ওরা তৃণমূলের কথায় চলে। আমরা কর্মসূচি পালন করতে পুলিশের অনুমতির অপেক্ষা করব না। হস্টেলে যখন ছাত্রের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল, তখন পুলিশ কোথায় ছিল?” বৃহস্পতিবার শুভেন্দু দাবি করেছিলেন, বাম এবং অতি-বামেরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) থেকে উপড়ে ফেলার হুমকিও দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • RSS: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    RSS: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রবীণ আরএসএস (RSS) নেতা মদন দাস দেবী। বয়স হয়েছিল ৮১। সোমবার সকালে বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিন আরএসএসের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে এই খবর জানানো হয়। উল্লেখ্য, শুধু আরএসএস নয়, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজিং সেক্রেটারিও ছিলেন। আরএসএসের ট্যুইটবার্তা অনুযায়ী, সকাল ৫ টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগরে একটি হাসপাতালে তাঁর প্রয়াণ ঘটেছে। অটলবিহারী বাজপেয়ি এবং লালকৃষ্ণ আদবানির সমসাময়িক এই নেতা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আরএসএসের নানা চিন্তাভাবনা এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে কথা বলার ক্ষমতা রাখতেন। আরএসএস এবং বিজেপির বহু শীর্ষ নেতার আদর্শ তিনিই।

    শোক প্রকাশ নরেন্দ্র মোদির

    প্রবীণ এই নেতার (RSS) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি অনেক কিছুই শিখেছেন তাঁর কাছে। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইটবার্তায় বলেছেন, “মদন দাস দেবীজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। জাতির সেবায় তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “তাঁর সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, শুধু এমনটাই নয়, তাঁর কাছ থেকে আমি অনেক কিছু পেয়েছি। এমন একটা বেদনাদায়ক সময়ে তাঁর পরিবার এবং কর্মীদের ঈশ্বর শক্তি দিন।”

    শোক প্রকাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুও আরএসএসের (RSS) ওই প্রবীণ নেতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই মৃত্যু সংবাদ বেদনাদায়ক। তাঁর চিন্তাভাবনা এবং জ্ঞান সব সময় আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। দেশপ্রেমী মানুষ এবং দলের কার্যকর্তারাও তাঁর আদর্শ এবং অনুপ্রেরণায় সমৃদ্ধ।

    শেষ জীবন

    বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি সংগঠনের নানা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেও শরীর যতটা দিত, সেই অনুযায়ী সারা দেশ ঘুরে বেড়াতেন। দিল্লি এলে থাকতেন আরএসএসের (RSS) দীনদয়াল উপাধ্যায় রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাততলার কমিউনে। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা এই নেতা সঙ্ঘের যুগ্ম সম্পাদকের পদে কাজ করেছেন। সর্ব সময়ের এই প্রচারক শেষ জীবনে অসুস্থতার কারণে বেঙ্গালুরুতে ছিলেন চিকিৎসার জন্য। আরএসএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর নশ্বর দেহ স্থানীয় সঙ্ঘ কার্যালয়ে দুপুর দেড়টা থেকে চারটে পর্যন্ত রাখার পর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে পুনেতে। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: বিভিন্ন দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে এবিভিপি! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ

    ABVP: বিভিন্ন দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে এবিভিপি! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখাল এবিভিপি (ABVP)। পুলিশ এসে বিক্ষোভ সরাতে গেলে শুরু হয় দুপক্ষের ধস্তাধস্তি। পুলিশের বিরুদ্ধে এদিন লাঠিচার্জেরও অভিযোগ তুলেছে এবিভিপি (ABVP)। তাদের আরও দাবি, ধস্তাধস্তির সময় রাজ্যনেত্রী শিল্পা মণ্ডলের পোশাক ছিঁড়ে দেয় পুলিশ। সম্প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এমন সময় সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠনও এই ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। আজকের বিক্ষোভ সেই কর্মসূচিরই একটা অংশ, এমনটাই জানা গেছে এবিভিপি (ABVP) সূত্রে।

    আরও পড়ুন: অবাককাণ্ড! কাঠের তৈরি খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না এই গ্রামের বাসিন্দারা, কেন জানেন?

    কেন এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ?

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ, ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস গড়া সহ একাধিক দাবিতে এদিন তারা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অভিযানের ডাক দেয়। কলকাতা সমেত শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৫০০ অধিক এবিভিপি কর্মী এদিনের বিক্ষোভে হাজির ছিলেন বলে দাবি এবিভিপির। মিছিল শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি থেকে। সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক বিরাজ বিশ্বাস এবং রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মিছিল চলতে শুরু করে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই মিছিলের পথ আটকায় পুলিশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এবিভিপি(ABVP) কর্মীরা জোর করে এগিয়ে যেতে চাইলে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।

    কী বলছেন এবিভিপির নেতৃত্ব ?

    সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক বিরাজ বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকার দেওলিয়া হয়ে গিয়েছে। পুরো শিক্ষা দফতর রয়েছে জেলের ভিতরে। শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে প্রতিদিন। পুলিশ এদিনের মিছিলে অন্যায়ভাবে লাঠিচার্জ করেছে, এমনটাই অভিযোগ এবিভিপির (ABVP) রাজ্য নেতা মৃদাঙ্ক সাহার। তিনি বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ আজকে লাঠিচার্জ করেছে। অন্যায়ভাবে ৫০ জনেরও বেশি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। শুধু তাই নয় ধস্তাধস্তির সময় রাজ্য সহ সম্পাদিকা শিল্পা মন্ডলের পোশাক পর্যন্ত ছিঁড়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতার বাড়িতে তৃণমূলীদের হামলা, জখম প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ ৩

    ABVP: মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতার বাড়িতে তৃণমূলীদের হামলা, জখম প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ হোলির দিনে পাড়ার মধ্যে মদ্যপ যুবকরা অভব্য আচরণ করছিল। অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের জেরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন  বারাকপুরে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের কলেজ পল্লির এলাকার মানুষ। কিন্তু, সাহস করে কেউ মদ্যপদের প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসেনি। প্রাক্তন সেনা কর্মী জন্মেঞ্জয় মাহাতোর দুই ছেলে জগদীশ ও সমীরণ বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করেন। জগদীশবাবু বারাকপুরের অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক (Abvp)। আর জন্মেঞ্জয়বাবু কার্গিল যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সেনা অফিসার ছিলেন। তাদের বাধায় দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। পরে, মদ্যপরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, দলবল নিয়ে এসে মদ্যপরা প্রাক্তন সেনা কর্মীর বাড়ির ভিতরে ঢুকে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচত। বাড়ির ভিতরে দুই ছেলের উপর হামলা হতে দেখে প্রাক্তন সেনা কর্মী বাধা দিয়ে এগিয়ে আসেন। তাঁর উপরও হামলাকারীরা চড়াও হন। হামলার জেরে প্রাক্তন সেনা কর্মীসহ তিনজন জখম হন। স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে তাঁরা চিকিত্সা করেন। পরে, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    এলাকায় তৃণমূলের দাপট দেখাতেই কী দলবল নিয়ে হামলা? Abvp

    শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা তৃণমূলের খাস তালুক। এই এলাকায় প্রাক্তন সেনা কর্মীর ছেলে প্রকাশ্যেই এবিভিপি-র (Abvp) নেতৃত্ব দেন। ফলে, স্থানীয় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আগে থেকে প্রাক্তন সেনা কর্মীর বাড়ির দিকে নজর ছিল। মদ্যপদের পাড়া থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতারা সুযোগ পেয়ে যায়। দলবল নিয়ে তারা এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রাক্তন সেনা কর্মী জন্মেঞ্জয় মাহাত বলেন, পাড়ার মধ্যে ওরা চরম অভব্য আচরম করছিল। গালিগালাজ দিচ্ছিল। তাই, প্রতিবাদ করা হয়েছিল। সকলেই তৃণমূল কর্মী (Tmc) হিসেবে পরিচিত। নিজেদের দাপট দেখাতেই এভাবে বাড়ির ভিতরে ঢুকে ওরা হামলা চালায়। হামলার জেরে বড় ছেলের কলার বোন ভেঙে যায়। ছোট ছেলের পা ভাঙে। আমার মাথা ফেটে যায়। ওরা হামলা চালানোর সময় তৃণমূলের স্থানীয় প়ঞ্চায়েতের প্রধানের  নাম নিয়েছিল। হামলার বিষয় নিয়ে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান অরুণ ঘোষ বলেন, এটা নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়। এরসঙ্গে দলের কোনও বিষয় নেই। আর আমি কাউকে এই ধরনের কাজে মদত দিই না।

    অন্যদিকে, বিজেপির নোয়াপাড়া যুব মোর্চার কনভেনার সুপ্রিয় দে-র উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সুপ্রিয়বাবু বলেন, দোল খেলে বাড়ি ফেরার পথে ওরা আমার পথ আটকায়। এরপর আমার উপর হামলা চালায়। ওরা দুষ্কৃতীকারী। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

     

     

  • ABVP: এবিভিপি-র আন্দোলনের জের, ধর্মীয় মৌলবাদ ছড়ানোর অভিযোগে দায়িত্ব থেকে সরানো হল ৬ শিক্ষককে

    ABVP: এবিভিপি-র আন্দোলনের জের, ধর্মীয় মৌলবাদ ছড়ানোর অভিযোগে দায়িত্ব থেকে সরানো হল ৬ শিক্ষককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) অভিযোগের ভিত্তিতে মধ্যপ্রদেশের একটি সরকারি আইন কলেজের মোট ছ’জন শিক্ষককে সরানো হল দায়িত্ব থেকে। উগ্র মৌলবাদ ছড়ানো এবং দেশের সেনাবাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারের অভিযোগ ছিল ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এই ছ’জনের মধ্যে চারজন শিক্ষক মুসলিম ধর্মাবলম্বী বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত আমারই এক অংশ’, পদ্মভূষণ পেয়ে বললেন সুন্দর পিচাই

    আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠনের (ABVP) অভিযোগের পর, বিচার বিভাগীয় তদন্ত চলাকালীন এই শিক্ষকরা পাঁচ দিনের জন্য ক্লাসে পড়াতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ। এবিভিপি কর্মীরা (ABVP), শাসাকিয়া নবীন বিধি মহাবিদ্যালয়ের (সরকারি নতুন আইন কলেজ) ক্যাম্পাসের এই ছয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন করছিলেন। তার জেরেই সরানো হল দায়িত্ব থেকে।   

    আরও পড়ুন: গুজরাটে ভোটদানের হার কম, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি?

    এবিভিপি-র বিবৃতি

    কলেজের এবিভিপি ইউনিটের (ABVP) সভাপতি দীপেন্দ্র ঠাকুর, কলেজ অধ্যক্ষ ডঃ ইনামুর রহমানের কাছে একটি অভিযোগ করেন, যে কলেজের কিছু শিক্ষক প্রথম বর্ষের ছাত্রদের মধ্যে “ধর্মীয় মৌলবাদ এবং সরকার ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক কথা” প্রচার করেছেন। এবিভিপি-র আরও অভিযোগ, লাভ জেহাদের প্রচারও চালাচ্ছিলেন এই শিক্ষকরা। 

    আরও পড়ুন: ‘সবাই একটাই বিয়ে করবে’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে কমিটি গড়ে বললেন চৌহান

    কলেজ কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

    কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “এবিভিপি-র  (ABVP) অভিযোগ গুরুতর হওয়ায় আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে জেলা আদালতের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এই তদন্ত করবেন। তদন্ত যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যায় সেজন্য অভিযুক্ত ছয় শিক্ষককে আগামী পাঁচ দিনের জন্য সমস্ত রকম দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: দেশকে রক্ষা করার জন্য ছাড়লেন আইআইটি-র সুযোগ! জানুন গৌরব যাদবের স্বপ্নপূরণের কাহিনী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • JNU: জেএনইউ-তে ব্রাহ্মণ বিরোধী স্লোগান বামেদের, নিন্দায় এবিভিপি

    JNU: জেএনইউ-তে ব্রাহ্মণ বিরোধী স্লোগান বামেদের, নিন্দায় এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বিতর্কে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)। এবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের (JNU) বেশ কয়েকটি ভবনের দেওয়ালে ব্রাহ্মণ বিরোধী স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)।

    আরও পড়ুন: মহিলা বিচারপতিদের নিয়ে পৃথক ডিভিশন বেঞ্চ গঠন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির

    এদিন স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-২ ভবনের দেয়াল ভাঙচুর করে ব্রাহ্মণ ও বনিয়া সমাজের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ছাত্র-ছাত্রীদের।

    এই ঘটনায় জেএনইউ কর্তৃপক্ষের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: এনডিটিভি ডিরেক্টর পদে ইস্তফা প্রণয়-রাধিকার, সংস্থা ছাড়লেন রবীশও

    “ব্রাহ্মণ ক্যাম্পাস ছোড়ো”, “ব্রাহ্মণ ভারত ছোড়ো” এবং “ব্রাহ্মণ-বনিয়ারা, “উই আর কামিং ফর ইউ” ইত্যাদি স্লোগানে ভরে উঠেছে বিভিন্ন দেয়াল (JNU) । স্লোগানগুলি লাল কালিতে লেখা। জনৈক অধ্যাপকের চেম্বারের সামনে লেখা হয়েছে, “গো ব্যাক টু শাখা”। 

    এবিভিপির বিবৃতি

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, এই ভাঙচুরের ঘটনা এবং বিকৃত স্লোগানগুলির জন্য বাম ছাত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। ABVP-এর JNU ইউনিটের সভাপতি রোহিত কুমার এদিন জানান, “এবিভিপি, শিক্ষাক্ষেত্রে কমিউনিস্ট গুন্ডাদের দ্বারা এই ভাঙচুরের ব্যাপক নিন্দা করছে। কমিউনিস্টরা JNU-এর স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-2 ভবনের দেওয়ালে গালাগালি পর্যন্ত লিখেছে। তারা ভয় দেখানোর জন্য, মুক্ত চিন্তার অধ্যাপকদের চেম্বারকে অবধি বিকৃত করেছে, হুমকির ভাষা লিখে”। তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে শিক্ষাক্ষেত্রগুলি বিতর্ক এবং আলোচনার জন্য ব্যবহার করা উচিত, সমাজ এবং ছাত্রদের বিষাক্ত করার জন্য নয়।

    অধ্যাপক সংগঠনের বিবৃতি

    JNU শিক্ষকদের একটি সংগঠনও এই ভাঙচুরের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একটি টুইট পোস্ট করেছে এবং এর জন্য বামেদেরকে দায়ী করেছে।
    JNU টিচার্স ফোরাম ট্যুইটারে লিখেছে, “বামেরা প্রতিটি ভিন্নমতের কণ্ঠকে ভয় দেখায়, ভাঙচুরের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
  • TET Agitation: টেট চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবিভিপির

    TET Agitation: টেট চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল রাতে টেট উত্তীর্ন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের জোর করে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে বিকাশ ভবনের সামনে  বিক্ষোভ দেখাল আরএসএস এবং বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। পুলিশ তাদের জোর করে তুলতে গেলে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়। অপরদিকে শুক্রবার মধ্যরাতের ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে মধ্য কলকাতায় মিছিল করে বিজেপি।   

    এদিন দুপুরে বিধাননগরের বিকাশ ভবনের সামনে জড়ো হন এবিভিপি সমর্থকরা। বৃহস্পতিবার রাতের পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখান তাঁরা। প্রায় একই সময়ে এবিভিপির বিক্ষোভস্থল থেকে কিছু দূরেই বাম ছাত্রযুবদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি চলছিল। অপরদিকে এবিভিপি সমর্থকদের পুলিশ সরাতে এলে সেখানেও ধুন্ধুমার বেধে যায়। বেশ কিছুক্ষণ পরে তাদের প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবারের পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ দুপুরে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ে সদর দফতর থেকে মিছিল করেন বিজেপির নেতাকর্মীরা। প্রতিবাদে সেই মিছিলে নেতৃত্ব দেন অগ্নিমিত্রা পাল। মিছিল গান্ধীমূর্তিতে আন্দোলনকারীদের কাছে যাওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: “এই সরকারকে একটাও ভোট না”, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চাকরিপ্রার্থীরা

    অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “দেখুন আমাদের কতদূর যেতে দেয়। গতরাতে যা করেছে তাকে ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না কি আন্দোলন করে আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর মুখোস আজ খুলে গেছে।”

    এদিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য পুলিশি অত্যাচারের তীব্র নিন্দা করেছেন। ট্যুইটে তিনি লেখেন, “হিটলারের বাহিনীর মতো মাঝরাতে অভিযান চালিয়ে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্মমভাবে বলপ্রয়োগ করে আন্দোলনরত ২০১৪-র টেট  উত্তীর্ণদের তুলে দিয়েছে। যাঁরা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসের কাছে আইন মেনেই অবস্থান করছিলেন।” 

     


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share