Tag: Balurghat

Balurghat

  • Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৯ মাস ধরে বেতন মিলছে না। কর্মবিরতির হুমকি গত মাসেই  দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাতেও টনক নড়েনি প্রশাসন বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সোমবার দুপুর থেকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা সদর হাসপাতালে আচমকা  কর্মবিরতি শুরু করে দিলেন সাফাই কর্মীরা।

    হাসপাতালে পরিষেবা শিকেয় (Balurghat)

    গত কয়েকদিন আগে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতাল (Hospital) সেরার শিরোপা পায়। সুপার স্পেশালিটি এই হাসপাতালে কলকাতার এক এজেন্সির অধীনে কর্মীরা রয়েছেন। ৯ মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এজেন্সির মালিককে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই, নিয়মিত বেতনের দাবিতে এদিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের পুরনো ভবনের অস্থায়ী কর্মীরা। আর এতেই প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের পরিষেবায়। প্রায় ১১৬ জন অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মী এভাবে কর্ম বিরতিতে যোগ দেওয়ায় পুরো হাসপাতাল জুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। পুরো হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর, পিপি ইউনিট, ডায়ালিসিস, সি সি ইউ, এস এন সি ইউ, লিফট সহ সমস্ত পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা থেকে সাফাই কোনও কিছুই কার্যত এদিন থেকে আর হচ্ছে না। এভাবে এতজন কর্মী একসঙ্গে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্ম বিরতিতে যাওয়ার কারণে মাথায় হাত পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও। জেলা হাসপাতাল সুপারের পক্ষ থেকে সিএমওএইচ, জেলাশাসকসহ উচ্চ আধিকারিকদের সকলের কাছে এই  বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

     আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

     বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের নেতা yeবিজয় বাঁশফোড় বলেন, আমরা গত ৯ মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছি না। সামান্য কিছু টাকা দেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংসার চালানো সম্ভব নয়। এদিকে সামনের মাস থেকে আর কোনও টাকায় দিতে পারবেন না বলে এজেন্সির মালিক জানিয়ে দিয়েছেন। তাই, পরিষেবা বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছি।

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা কী বললেন?

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা অজয় কুমার ঘোষ বলেন, গত নয় মাস ধরে নিয়মিত বিল পাচ্ছি না। প্রায় দেড় কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ট্রেজারিতে চারটে বিল জমা করা হলেও, সব থেকে নূন্যতম বিল ছাড়া হচ্ছে। বিষয়টি বারবারই  হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি। বকেয়া টাকা না পেলে কী করে আমি কর্মীদের বেতন দেব? 

    হাসপাতাল সুপারের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে (Hospital) সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন,  বালুরঘাটের ট্রেজারি অফিসার রয়েছেন তিনি উদ্দেশ্য  প্রণোদিতভাবে কর্মীদের বেতন আটকে রেখেছেন। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এমনকী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অর্ডারেও কর্মীদের বিল ছাড়ছেন না। এভাবে কর্মীদের কর্ম বিরতিতে হাসপাতালে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা স্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে কিছুটা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের কাজে রাজ্যের ঢিলেমি, সরব সুকান্ত

    Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের কাজে রাজ্যের ঢিলেমি, সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ (Balurghat) সম্প্রসারণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজে ঢিলেমির অভিযোগ উঠল রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। জুলাই মাসের মধ্যেই রেল দফতরের হাতে এক-তৃতীয়াংশ জমি হস্তান্তর করার প্রশাসনিক দাবি থাকলেও, বাস্তবে কিন্তু ঘটেছে অন্যরকম। ৭০ শতাংশ জমিদাতাই এখনও টাকা পাননি। শুধু তাই নয়, কত টাকা পাওয়া যাবে, ওই টাকা কবে ঢুকবে বা কবে জমি তাঁদের ছাড়তে হবে ইত্যাদি নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন জমিদাতারা। আর তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে এই কাজে গতি আনার দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সোমবার সুকান্তবাবু বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজ জেলা প্রশাসনের। জমিদাতাদের বিঘা প্রতি কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে বা কত টাকা তাঁরা পাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তাঁদের জানানো উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার এই খাতে প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেছে, তাই জেলা প্রশাসনকে জমি অধিগ্রহণের (Land Acquisition) কাজে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

    সমস্যায় ১০০টি পরিবার (Balurghat)

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে বালুরঘাট পর্যন্ত ট্রেন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের দাবি ওঠে। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ইউপিএ সরকার ওই রেলপথের অনুমোদন দিয়ে দেয়। বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত ২৯.৭ কিলোমিটার পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘদিন ওই প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু জমিদাতা ইতিমধ্যেই টাকা পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু প্রথম দফায় বালুরঘাট ব্লকের যে সমস্ত এলাকার জমি রেল দফতরকে জুলাই মাসের মধ্যে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে প্রশাসনের, সেই সব এলাকার জমিদাতাদের অধিকাংশই এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত লাইন আত্রেয়ী নদী পেরিয়ে বালুরঘাট শহরে ঢুকে ভাটপাড়া, অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে ঢুকবে হিলি ব্লকে।

    বালুরঘাট পুরসভা লাগোয়া ভাটপাড়া গ্রামাঞ্চলের যে দিকে রেল লাইন যাবে, সেখানকার অধিকাংশ বাসিন্দাই এখনও তাঁদের জমির প্রাপ্য টাকা পাননি। অথচ জেলা প্রশাসন দাবি করছে, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক-তৃতীয়াংশ জমি তুলে দেওয়া হবে রেল কর্তৃপক্ষের হাতে এবং দুর্গাপুজোর মধ্যেই ৭০ শতাংশ জমি রেলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। গত বছর দুর্গাপুজোর পর থেকেই টাকা দেওয়া হবে বলে শুনেছেন জমিদাতারা। তাঁদের বসবাসের বাড়ি এবং জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে অন্যত্র। এই ১০০টি পরিবারকে জমি কিনে বাড়ি করে নিতে হবে। এই সুযোগে এলাকায় জমির দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু সরকারি কোষাগার থেকে কত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বা যে হিসেবে টাকা দেওয়া হবে, সেই টাকা দিয়ে আদৌ জমি কিনে বাড়ি করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান জমিদাতারা। এমনকী তাঁদের অভিযোগ, জমি দান করতে সম্মতি জানালেও কত দাম দেওয়া হবে জমির জন্য, তা তাঁদের কাছে পরিষ্কার নয়। বারবার জেলা প্রশাসনিক দফতরে গিয়েও তাঁরা জানতে পারেননি, কত টাকা পেতে পারেন বা কবে ঢুকবে টাকা। সেই কারণে সমস্যায় পড়েছে এই ১০০টি পরিবার।

    কী বলছেন জমিদাতারা?

    জমিদাতা লোকনাথ হালদার বলেন, বছরখানেক আগেই কাগজপত্র প্রশাসনের কাছে জমা করে দিয়েছি। এখন আমাদের অন্যত্র জমি কিনে নেওয়ার কথা। কিন্তু কত টাকা পাব বা কবে টাকা পাব, এই ব্যাপারে কিছুই জানতে পারছি না। এদিকে জমিও (Balurghat) কিনতে পারছি না, জমির দামও বেড়ে যাচ্ছে।

    কী জানাল জেলা প্রশাসন?

    জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানান, এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৩০ শতাংশ জমিদাতাদের (Balurghat) টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যেই বালুরঘাট স্টেশন থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত জমি রেলকে হস্তান্তর করা হবে। পুজোর আগে এই প্রকল্পের জন্য সমস্ত জমিই রেলকে হস্তান্তর করা হবে। সম্প্রতি রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    সক্রিয় হওয়ার আর্জি সুকান্তর (Balurghat)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, জেলা প্রশাসনের কাজ হল জমি অধিগ্রহণ করা। তাদের উচিত, জমিদাতাদের সঠিক তথ্য জানানো, তাঁরা প্রতি বিঘার উপর কত করে দাম পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকারকে জমি অধিগ্রহণের জন্য। জেলা প্রশাসনের সক্রিয় হওয়া উচিত (Land Acquisition)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “হিলিতে আন্তর্জাতিকমানের চেক পোস্ট তৈরি করা হচ্ছে”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “হিলিতে আন্তর্জাতিকমানের চেক পোস্ট তৈরি করা হচ্ছে”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে অত্যাধুনিক মানে স্থলবন্দর তৈরি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার থেকে প্রায় ২৫ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই চিহ্নিত এলাকা শুক্রবার পরিদর্শনে যান উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি ওই স্থলবন্দরের পাশে তৈরি হবে বালুরঘাট হিলি সম্প্রসারিত রেলপথের হিলি রেলস্টেশন। এদিন তিনি হিলি সীমান্ত এলাকায় দুটি জায়গায় পরিদর্শন করেন।

    হিলি চেকপোস্ট নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    হিলি সীমান্তে ইতিমধ্যেই রয়েছে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও ল্যান্ড পোর্ট। আমদানি-রপ্তানিসহ দুই দেশের নাগরিকেরা ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করেন। কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি ইমিগ্রেশন সেন্টার এবং স্থলবন্দর আরও উন্নতমানের করার জন্য হিলিতে নতুন করে জমির প্রয়োজন হয়। এরপর সুকান্ত মজুমদারকে হিলির মারওয়ারি ভবনে হিলিবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। হিলি চেকপোস্ট নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, হিলিতে কেন্দ্রীয় সরকার ইন্ট্রিগ্রেটেড চেক পোস্ট বা আইসিপি তৈরি করছে। রাজ্য সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় ১০০ বিঘা জমি চেয়েছিল। ৭৫ বিঘা জমি রাজ্য সরকার এখনও অব্দি চিহ্নিত করেছে। হিলিতে বড় একটি আইসিপি হবে। আইসিপির পাশেই হিলির রেল স্টেশন হবে। হিলিতে আন্তর্জাতিকমানের চেক পোস্ট তৈরি করা হচ্ছে। হিলির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বানিজ্য যাতে বাড়ে, তারজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা

    বোলপুরে মা-ছেলেকে আগুন লাগিয়ে খুন করা প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) সাংসদ সুকান্ত বলেন, আমরা বগুটুই কাণ্ডের ছায়া আবার দেখতে পাচ্ছি। মমতার রাজত্বে একের পর এক যেসব ঘটনা ঘটছে। কোচবিহার থেকে শুরু করে সন্দেশখালির ঘটনা, তারপর একের পর এক মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। এটাতেই স্পষ্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভালো নেই। ছানি কাণ্ড নিয়ে তিনি (BJP) বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো কোন জায়গায় গিয়েছে এটাই তার অন্যতম উদাহরণ। এই ছানি অপারেশনের ক্ষেত্রে সব থেকে ভয় যেটা থাকে, যাতে ইনফেকশন না হয়। এমন অবস্থা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যে ছানি অপারেশনের পরে তাতে ছত্রাক গজাচ্ছে। গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য  ব্যাবস্থার ওপর ছত্রাক জমে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সালিশি সভার আগে তৃণমূল নেতার সামনে পিটিয়ে খুন, শোরগোল

    Balurghat: সালিশি সভার আগে তৃণমূল নেতার সামনে পিটিয়ে খুন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের রেশ এখনও কাটতে না কাটতেই আবার সালিশি সভার আগেই একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। আর সেটা হয়েছে খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের সামনেই। চা়ঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাটের (Balurghat) কুমারগঞ্জ থানা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জটু বর্মন(৫৪)। তাঁর বাড়ি কুমারগঞ্জ ব্লকের রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবত্ত গ্রামে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দুপুরে। জোটুবাবু তাঁর দাদার জমির ওপর দিয়ে ট্র্যাক্টর নিয়ে গিয়েছিলেন। কেন তাঁর জমির ওপর দিয়ে ট্র্যাক্টর নিয়ে যাবেন? এনিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে একদফা বচসা হয়। রাতে সেই বচসা বড় আকার ধারণ করে। এনিয়ে গ্রামে সালিশি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য  জব্বার আলি মণ্ডল হাজির হন। সালিশি সভা শুরুর আগেই ফের সেই প্রসঙ্গ ওঠে। এরপরই জটুবাবুকে মারধর করা হয়। গোটা ঘটনাটিই ঘটে পঞ্চায়েত সদস্যের সামনে। অভিযোগ, দাদা কালীপদ বর্মন ও তাঁর স্ত্রী দীপালি ও তাঁর দুই ছেলে মিলে জটুবাবুকে বেধড়ক মারধর করে। শাবল দিয়ে মারা হয় তাঁর বুকে ও পায়ে। বাম পা ভেঙে যায় তাঁর। বুকেও আঘাত লাগে। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। জটুবাবুকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে প্রথমে কুমারগঞ্জ, পরে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও এই ঘটনা নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    মৃতের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    জটুবাবুর ছেলে সনাতন বর্মন বলেন, ‘জ্যাঠার ফাঁকা জমির ওপর দিয়ে ট্র্যাক্টর নিয়ে যাওয়ার জন্যই বাবাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। জমিতে কোনও ফসল থাকলে আলাদা ব্যাপার ছিল।  ঝগড়ার পর বাবাকে বাড়ি থেকে বের করে শাবল দিয়ে মারধর করা হয়। স্থানীয় তৃণমূলের (Trinamool Congress) গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করব। ওদের দৃষ্টান্তমূল্য শাস্তির দাবি করছি।’

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এবিষয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, ঘটনাটি সত্যি। এরমধ্যে কোনও রাজনৈতিক রং নেই। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মীমাংসা করার জন্য গিয়েছিলেন। পারিবারিক গন্ডগোল। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এইটা দুঃখজনক ঘটনা। এই সালিশি সভার নাম করে ডেকে তাঁকে খুন করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হোক। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যর সামনে খুন হয়েছে। এইটা তদন্ত সাপেক্ষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কাটমানি নিয়ে চেয়ারম্যানের মদতে চলছে জলাশয় ভরাট! এসডিও-র কাছে নালিশ বিজেপির

    Balurghat: কাটমানি নিয়ে চেয়ারম্যানের মদতে চলছে জলাশয় ভরাট! এসডিও-র কাছে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট পুরসভার খোদ চেয়ারম্যান অশোক মিত্রের ওয়ার্ডে চলছে জলাশয় ভরাট। নিজের ওয়ার্ডে ভরাট চললেও পুরকর্তৃপক্ষ নজর না দেওয়ায় উঠছে প্রশ্ন। সরব হয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’দিন আগেই সরকারি জায়গা দখল হওয়া নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। জলাশয় ভরাট না করার কথা বলেছেন বার বার। তারপরেও পুরসভা (Balurghat) পদক্ষেপ না নেওয়ায় এবার মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি।

    কীভাবে ভরাট হচ্ছে জলাশয়? (Balurghat)

    জানা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে কিংবা মাঝেমধ্যেই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওই জলাশয়ে ট্রাক্টরে করে আবর্জনা ও নির্মাণ সামগ্রী ফেলা হচ্ছে। চেয়ারম্যানের (Balurghat) মদতেই এই ডোবা ভরাট হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। ওই ওয়ার্ডে রয়েছে একাধিক জলাভূমি ও ডোবা।  নানা সময়ে সেগুলি ভরাটের অভিযোগ আসে। এবার সন্তোষী মন্দিরের কাছে জলাশয় ভরাটের অভিযোগ। ওই জমির চরিত্র জলাভূমি রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। ফলে, সেটি কোনওভাবেই ভরাট করা যায় না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন সদর মহকুমা শাসক সুব্রত কুমার বর্মনও। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই জয়দেব পাল জলাশয় ভরাটের কথা স্বীকার করেছেন। কারও কাছে অনুমতি নেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি। শুধুমাত্র আমাদের রাস্তা করার জন্য এ ভরাট করেছি। রাস্তা না হলে যাতায়াত করা মুশকিল হবে।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    চেয়ারম্যান (Balurghat) অশোক মিত্র বলেন, বিজেপি নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতে পুরসভার বিরুদ্ধে কুৎসা, অপপ্রচার করে থাকে। আমার কাছে এখনও এই ধরনের অভিযোগ বা তথ্য আসেনি। বিজেপি যে জায়গার কথা বলছে, সেটি ব্যক্তিগত সম্পত্তি। পারিবারিক সমস্যা রয়েছে। জলাশয় বলতে সেখানে কিছু নেই। আর জলাশয় ভরাট করা হলে পুরসভা বরদাস্ত করবে না। এর আগে আমার ওয়ার্ডে জলাশয় ভরাটের খবর এসেছিল। সেবার পুরসভা কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবারও অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সরব বিজেপি

    বিজেপির (BJP) বালুরঘাট টাউন মণ্ডলের সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত বলেন, চেয়ারম্যানের মদতেই তাঁর বাড়ির কাছে জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে। এর আগেও তাঁর বাড়ির কাছে আরেকটি পুকুর ভরাট করা হচ্ছিল। সেবার আন্দোলন হওয়ায় ভরাট করতে পারেনি। আমাদের মনে হয়, কাটমানি নিয়েই এই ভরাট চলছে। আমরা এসডিও’র কাছেও অভিযোগ দায়ের করেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল! গেটে তালা ঝুলিয়ে সরব বিজেপি কর্মীরা

    Balurghat: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল! গেটে তালা ঝুলিয়ে সরব বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল। এমন অভিযোগে বালুরঘাট (Balurghat) খিদিরপুর শ্মশানে বৈদ্যুতিক  চুল্লির গেটের সামনে প্রতীকী তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি। মূলত, তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন। জানা গিয়েছে, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে মেরামতি করার পরও ফের অকেজো হয়ে গিয়েছে শ্মশানের চুল্লি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে প্রায় ১ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বৈদ্যুতিক চুল্লিটি তৈরি করা হয়। অভিযোগ, চুল্লি তৈরি করার পর থেকেই দুটি চুল্লি বিকল হয়ে যায়। পুরসভা থেকে একটি চুল্লি সংস্কার করলেও তা বিকল হয়ে যায়। গত ৯ মাস ধরে বৈদ্যুতিক চুল্লিটি বিকল হয়ে পড়েছিল। বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা থেকে খিদিরপুর শ্মশানে ইলেকট্রিক চুল্লি গঠনগত ত্রুটি সারিয়ে তোলার জন্য ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কাজ শুরু হয়েছিল।পরে, চুল্লিটি চালু হওয়ার পর ফের বিকল হয়ে পড়ে। চলতি  মাসের ১২ তারিখ ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নতুন করে সারিয়ে তোলা হয় চুল্লিটি। এরপর শহর জুড়ে পুরসভার পক্ষ থেকে লাগাতার প্রচার করা হয়, চুল্লি মেরামতি করা হয়েছে। ১২ দিনের মধ্যে মেশিন ফের বিকল হয়ে পড়েছে। সোমবার বিকেলে দাহ করতে না পেরে বালুরঘাট খিদিরপুর শ্মশানে প্রবল বিক্ষোভ দেখান শ্মশান যাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফের ওপর পাচারকারীদের হামলা, চলল গুলি

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মঙ্গলবার বালুরঘাট (Balurghat) খিদিরপুর বৈদ্যুতিক চুল্লির গেটে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) কর্মীরা। বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর প্রসাদ  দত্ত বলেন, বালুরঘাট পুরসভা শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে। ৩৬ লক্ষ টাকা খরচ করে বালুরঘাট পুরসভা ১২ দিনের জন্য চুল্লি ঠিক করেছে। পুরসভা এর মধ্যেও কাটমানি খেয়ে রেখেছে, যারজন্য চুল্লি ঠিক করার ১২ দিনের মধ্যে বিকল হয়ে পড়েছে। আমরা এর প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে যাব। এই বিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার এমসিআইসি বিপুল ক্রান্তি ঘোষ বলেন, বিজেপি এটাকে নিয়ে রাজনীতি করছে। আজকে গেটে তালা মেরে বিজেপি খুব নোংরা কাজ করেছে। চুল্লিতে ইলেকট্রিক আপ-ডাউন করার জন্য চুল্লির কয়েকটি কোয়েল পুড়ে যায়, যারজন্য চুল্লি বন্ধ রাখা হয়েছে। চুল্লিটির সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী দুদিনের মধ্যে চুল্লিটি ঠিক হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বালুরঘাট থেকে ছুটবে দক্ষিণ ভারতের ট্রেন”, বড় আশ্বাস দিলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “বালুরঘাট থেকে ছুটবে দক্ষিণ ভারতের ট্রেন”, বড় আশ্বাস দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের ছেলে ভোটে জিতেছেন, হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। মন্ত্রীসভায় জোড়া মন্ত্রক পেয়েছেন বালুরঘাটের দ্বিতীয় বারের বিজেপির সাংসদ। শিক্ষা মন্ত্রক ও উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মন্ত্রী হবার পর প্রথম  বালুরঘাট রেল স্টেশনের কাজ পরিদর্শন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    বালুরঘাট-দক্ষিণ ভারত ট্রেন চলবে (Sukanta Majumdar)

    পরিদর্শনে এসে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “বালুরঘাট স্টেশনের কাজের অগ্রগতি কতটা হয়েছে তা খতিয়ে দেখলাম। যেসব জায়গাগুলিতে আমার অসুবিধা মনে হয়েছে, সেগুলি ডিআরএমকে এবং নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে জানাব। স্টেশন এখন অনেকটা সেজে উঠেছে। আরও কাজ হবে। লিফ্ট, চলমান সিঁড়ি লাগানোর কথা রয়েছে। আমিও তাড়া দেব যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এগুলি হয়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “বালুরঘাট স্টেশনের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। স্টেশনটি অনেকটা সেজে উঠেছে। আমরা কথাবার্তা শুরু করেছি। আমরা খুবই আশাবাদী। বালুরঘাট থেকে দক্ষিণ ভারতে ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, প্রত্যেকটি লাইনেই কোনও না কোনও ট্রেন আছে। এরজন্য পরিকাঠামো আরও বাড়াতে হবে। দক্ষিণ ভারতের ট্রেন এখান থেকে চালু করতে গেলে এখানে আরও দুটি রেক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সেটা হওয়ার পরই আমরা বালুরঘাট থেকে দক্ষিণ ভারতের ট্রেন চালাতে পারব। তাই, শুধুমাত্র তৃতীয় প্ল্যাটফর্ম নয়, আরও দুটি রেল ট্র্যাক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেগুলির কাজ শেষ হলেই বালুরঘাট থেকে ছুটবে দক্ষিণ ভারতের ট্রেন।

    আরও পড়ুন: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    অনুপ দাস নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের দক্ষিণ ভারতের একটা ট্রেন দরকার। চিকিৎসা করাতে জেলার বেশিরভাগ মানুষ দক্ষিণ ভারতের দিকে যায়। কিন্তু, সেখানে যেতে দু-তিনটি ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। আমাদের সাংসদ যদি বালুরঘাট (Balurghat) থেকে দক্ষিণ ভারতের ট্রেন চালু করেন, তাহলে আমাদের খুব ভালো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে জেতার জন্য বালুরঘাটবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি তৃণমূলকে চোর ও কাটমানির দল বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একইসঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যানকে চোর বলে কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    পুর চেয়ারম্যানকে তোপ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান নিজেকে নবাব মনে করেন। তিনি বালুরঘাটবাসীকে ঘোলা জল খাওয়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি তো চোর। এই চোরেদের নিজেদের সিংহাসন ছেড়ে দেওয়া উচিত। এক সংস্থার কাছ থেকে বকেয়া বিলের টাকা দেবার জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ খেয়েছেন। এটা আমরা বলছি না, বলছেন সেই ঠিকাদার সংস্থার মালিক। নিজেরা নিজেদেরকে চোর প্রমাণিত করছে, আর ভোটেও এই ভাবে চুরি করার চেষ্টা করেছিল। এই পুরসভার  চেয়ারম্যান বালুরঘাটবাসীকে যে নোংরা, ঘোলা জল খাইয়েছে আমরাও সেই জল চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে চেয়ারম্যানকে খাওয়াবো। ঠিকাদারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি নেওয়া প্রসঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ওই ঠিকাদার মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আমরা আইন অনুযায়ী নোটিস পাঠিয়েছি।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন

    এইদিকে দুর্গাপুরে স্বামীর চাকরি ফিরে পেতে তৃণমূল নেতাদের কুপ্রস্তাব প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতারা এমন না করে তাহলে তৃণমূল নেতা কি করে হল। তৃণমূল নেতারা চরিত্রহীন হবে, লম্পট হবে, চোর হবে এইটা তো তৃণমূল নেতাদের চিহ্নিত করার বৈশিষ্ট্য। কুণাল ঘোষ এক বৈঠকে তোলাবাজি নিয়ে কাউন্সিলরদের সতর্ক করেছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,তৃণমূল তো তোলাবাজি করবেই। তৃণমূলের এক একজনের কাউন্সিলরদের সম্পত্তি দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। আমাদের এই ছোট শহরের বাসিন্দাদের যত  সম্পত্তি আছে, তত সম্পত্তি যোগ করলে কলকাতার এক একজন কাউন্সিলরদের সম্পত্তি আছে। রেজিনগর স্কুলে পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেরাচ্ছে দুই ছাত্র। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,গোটা রাজ্য তো এখন আগ্নেয়াস্ত্র বানানোর কুটির শিল্প হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজের জেলায় সুকান্ত, তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন

    Sukanta Majumdar: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজের জেলায় সুকান্ত, তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ফিরলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে মালদায় অংশগ্রহণ করার পর সড়কপথে বালুরঘাট যান সুকান্তবাবু। বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুর থেকেই দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া শুরু করেন। বর্ণাঢ্য মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    তৃণমূলকে তুলোধনা (Sukanta Majumdar)

     সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে তোপ দেগে বলেন, ভোটে হেরে গিয়ে জল ও লাইট বন্ধ করে মানুষের ওপর অত্যাচার করা বন্ধ করুন। যদি ভেবে থাকেন জল, আলো বন্ধ করে মানুষকে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করবেন তাহলে ভুল ভাববেন। কারণ, মানুষ তত বেশি  বিজেপিতে ভোট দেবেন। আর সুকান্ত মজুমদারকে বারবার জেতাবেন। এই লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর তথা তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড়, সেখান থেকে আমি ১৮ টা ওয়ার্ডে লিড পাই। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর ওয়ার্ড থেকেও লিড পাই। সেই রাগে তৃণমূল গঙ্গারামপুর শহর জুড়ে পথবাতি  ও বাড়ি বাড়ি পানীয় জল বন্ধ করে রেখেছিল। তৃণমূল হয়তো ভেবেছে জল, লাইট বন্ধ করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করবে। আমি একটা কথা বলে দিচ্ছি জল, লাইট বন্ধ করে মানুষকে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করতে পারবেন না। মানুষ তত বেশি বিজেপিকে ভোট দেবে।

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    মন্ত্রী এই জেলার প্রতিটি মানুষ

    মন্ত্রী হবার পর প্রথম জেলায় ফিরে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি জেলাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য সাংসদ করেছেন। আর আমাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমি না মন্ত্রী এই জেলার প্রতিটি মানুষ। আপনারা আশীর্বাদ করেছেন বলেই এইটা সম্ভব হয়েছে। আমি জেতার পর জেলার উন্নয়ন করার কথা দিয়েছিলাম। আমি সেই উন্নয়নগুলো করব। আর থমকে যাওয়া কিছু কাজ রয়েছে ,সেগুলো আগে চালু করব। আপনারা শুধু আমার পাশে থাকুন।

    প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ড নিয়ে সরব সুকান্ত

    প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে কাউকে রেয়াত নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এই প্রসঙ্গ সুকান্ত মজুমদার বলেন,ইউজিসি নেট হবার পর আমাদের সরকার খুঁজে বের করেন প্রশ্ন ফাঁস করেছে কিছু লোক। তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হয়। বিহার পুলিশ কিছুজনকে গ্রেফতার করেছে। কারা এর সঙ্গে যুক্ত সেটা সবাই জানে। আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, যারা এই কাজ করেছে, তারা সবাই জেলে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের ছেলে মন্ত্রী হতেই আশায় বুকবাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কেন্দ্রের জোড়া মন্ত্রক পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিজেপির এই রাজ্য সভাপতিকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একটি প্রান্তিক জেলা। এই জেলাতে তেমন নেই কোনও শিক্ষা ব্যবস্থা, তেমন নেই কোনও চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই জেলার মানুষ সবদিক থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করে থাকেন। জেলাতে থমকে রয়েছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের কাজ। জেলাতে নেই কোনও স্থায়ী বিশ্ববিদ্যালয়। জেলার সদর শহর বালুরঘাটে তৈরী হয়েছে বিমান বন্দর কিন্তু সেখানে চলাচল করেনা বিমান। জেলাবাসী আশা করছেন, সুকান্ত সমস্ত থমকে যাওয়া কাজগুলি চালু করবেন। এই আশাতে বুক বাঁধছেন বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    জেলায় শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন করবেন (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবারে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় বারের বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ হলেন। প্রথমবার সাংসদ হয়ে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হন আর এবারে সাংসদ হয়ে তিনি জেলাবাসীকে চমক দিয়ে দিলেন। ঘরের ছেলে হলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ঘরেই উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো নেই। সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেলেও তার হাল বেহাল। স্থায়ী ভবন নেই। নেই স্থায়ী পরিকাঠামো, অধ্যাপক সহ অনেক কিছুই। এমন পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থার জেলা থেকে তিনি এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ফলে আশায় বুক বাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্তের হাত ধরে কি জেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি হবে? এমন চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে।

    হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোর

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলেও, এখনও তৈরি হয়নি স্থায়ী ভবন। বালুরঘাট তথা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনা করা হোক। আবার হিলি থেকে মেঘালয় বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে মাত্র একশো কিলোমিটার একটা করিডর হলে একেবারে আমুল বদলে দিতে পারে পূর্ব ভারতের সাথে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাবে। সেই কারণেই জেলাবাসী হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোরের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। নানা আন্দোলন করেও এতদিনে এই করিডোর বাস্তবায়নের পথ মিলছিল না। তবে এবারে ঘরের ছেলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হতেই জেলাবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান জেলার মানুষ। এই বিষয়ে বালুরঘাটবাসী তুহিনশুভ্র মন্ডল বলেছেন, “আমাদের ঘরের ছেলে সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) মন্ত্রী হয়েছেন। তাও আবার দুটি মন্ত্রকের। আমরা তাঁর কাছে আশা রাখছি আমাদের জেলার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি এবং কর্মসংস্থানের প্রগতি হোক। হিলি-তুরা করিডর দ্রুত এইবার বাস্তবায়ন হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “হিলি-তুরা করিডোর নিয়ে আগেই নানা চিঠি মন্ত্রকে দিয়েছিলাম। করিডরটি চালু হলে শুধু জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গে নয় সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উন্নতি ঘটবে। তাই এই করিডোর বাস্তবায়ন করতে যা যা পদক্ষেপ করতে হবে, করব। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কেন্দ্র সরকার কী কী করতে পারে, এ বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে চাই। রাজ্য সরকার যদি সহযোগিতা করে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ অর্থ সহায়তা দিতে কোনও অসুবিধা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share