Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • PM Modi Election Rally: ‘‘এ বার যা দেখলাম, পূর্বোদয় হবেই’’ ভাটপাড়ার সভা থেকে বললেন মোদি

    PM Modi Election Rally: ‘‘এ বার যা দেখলাম, পূর্বোদয় হবেই’’ ভাটপাড়ার সভা থেকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ১৪২টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ। সোমবার দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিন। ব্যারাকপুরের ভাটপাড়ায় সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী মোদির হাতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মঙ্গল পাণ্ডে, বড়মার ছবি তুলে দেওয়া হয়। ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলে ভাষণ শুরু করেন নরেন্দ্র মোদি। যাঁরা তাঁর ছবি এঁকে এনেছিলেন, তাঁদের থেকে তা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেন তিনি। প্রার্থীদের ডেকে নেন পাশে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘১৮৫৭ সালে এই ব্যারাকপুরে স্বাধীনতার প্রথম লড়াইকে শক্তি জুগিয়েছিল। আজ এই ভূমি বাংলায় পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করছে। একটাই ধ্বনি, পাল্টানো দরকার।’’ রাজ্যের ভোটের ফল ঘোষণা ৪ মে। এই প্রেক্ষিতে বিজেপির নেতৃত্বাধীন পরবর্তী সরকার গঠনের সময় বঙ্গে আসার প্রতিশ্রুতিও দেন। তিনি বলেন, ‘‘সকাল সকাল আমাকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন বহু মানুষ। হেলিপ্যাড থেকে যখন আসছিলাম, রাস্তার দু’পাশে মানুষের উৎসাহ দেখে আমি অভিভূত। কল্পনা করতে পারিনি। এই ভোটে আমার এটা শেষ সভা। বাংলায় যেখানে যেখানে গিয়েছি, মানুষের যা মেজাজ দেখেছি, এই বিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছি যে, ৪ মে-র পরে বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতেই হবে।’’

    অঙ্গ, কলিঙ্গের পর বঙ্গ…

    বাংলার এই ভোটকে পূর্ব ভারতের ভাগ্য বদলানোর ভোট বলে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘বাংলার সেবা করা, সুরক্ষিত করা, বড় চ্যালেঞ্জ থেকে তাকে রক্ষা করা আমার ভাগ্যে লেখা রয়েছে। আমার দায়িত্বও। এই দায়িত্ব থেকে পিছু হঠব না। বাংলার এই ভোট, গোটা পূর্ব ভারতের ভাগ্য বদলানোর ভোট। যখন ভারত সমৃদ্ধ ছিল অতীতে, তখন তিনটি মজবুত স্তম্ভ ছিল— অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ অর্থাৎ বিহার, বাংলা, ওড়িশা। এই তিন স্তম্ভ দুর্বল যখন হয়, গোটা ভারতে ঝটকা লেগেছে। আজ বিকশিত ভারতে এই তিন স্তম্ভ জরুরি। ভারতের ভাগ্যোদয় পূর্বোদয় ছাড়া সম্ভব নয়। ভারতের ভাগ্যোদয় এবং পূর্বোদয় পরস্পরের পরিপূরক। ২০১৩ সাল থেকে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকে বলছি, পূর্ব ভারত যখন এগোবে, তখন দেশ এগোবে। অঙ্গ, কলিঙ্গে কমল ফুটেছে। এখন বাংলার পালা।’’

    বাংলায় পূর্বোদয় হচ্ছেই…

    বাংলায় পূর্বোদয় যে হচ্ছেই, সে বিষয়ে নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘এ বার যা দেখলাম, পূর্বোদয় হবেই। অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গের নারীশক্তি ভরসা করে বিজেপি-তে। বাংলা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সাংসদ করেছিল। তার প্রেরণা বিজেপির সঙ্কল্প হয়। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে তাঁর একটি সঙ্কল্প পূরণ করেছি। আরও একটি সঙ্কল্প রয়েছে শ্যামাপ্রসাদের— বাংলার সমৃদ্ধি এবং শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান। বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন হলে শ্যামাপ্রসাদের সঙ্কল্প পূরণ করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, ‘‘বাংলায় যে বিজেপি সরকার আসছে, তারা শ্যামাপ্রসাদের সঙ্কল্প পূরণ করবে। ভারতের প্রগতি, সংস্কৃতি, স্বাধীনতায় বাংলার সন্তানদের ভূমিকা ছিল বড়। কিছু দূরে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। বন্দে মাতরমের দেড়শো বছর পূর্তিতে বাংলাও ঐতিহাসিক পরিবর্তন করতে চলেছে। বন্দে মাতরম দাসত্ব থেকে মুক্তির মন্ত্র ছিল। এ বার বাংলার নব নির্মাণের মন্ত্র তৈরি করতে হবে। সুজলং, সুফলংকে নীতি করব, শস্য শ্যামলং -কে রোজগারের পথ করব। মলয়জ শীতলং-কে সুখ সমৃদ্ধির পথ করব। দুর্গার শক্তিকে সুরক্ষার গ্যারান্টি করব।’’

    তৃণমূলের কাছে কোনও রূপরেখা নেই…

    মোদি জানান, বাংলার মানুষের ভবিষ্যতের জন্য তৃণমূলের কাছে কোনও রূপরেখা নেই। তাই কোনও তৃণমূল নেতা রিপোর্ট কার্ড দেয়নি। তিনি বলেন, ‘‘প্রচারের সময় বাংলার বিকাশ নিয়ে বিজেপির পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। তৃণমূলের নেতারা একবারও মা-মাটি-মানুষের নাম নেয়নি এই ভোটে। যে মন্ত্র নিয়ে তারা বাংলায় সরকার গড়েছিল, তা ওরা ভুলে গিয়েছে। ১৫ বছর ওদের সুযোগ দিয়েছেন, মায়ের জন্য, নারী সুরক্ষার জন্য কিছু করেনি। মাটি, কৃষক, যুবক, মানুষের জন্য কিছু করেনি। কিছু বলার নেই বলে একটাই ফর্মুলা নিয়েছে, গালি দাও, হুমকি দাও, মিথ্যা বলো। মোদীকে, সেনাকে গালি দিয়েছে। বাংলার লোকজনকে হুমকি দিয়েছে। তৃণমূলের এক জন নেতাও রিপোর্ট কার্ড দেয়নি। যারা নিজের কাজের রিপোর্ট দিতে পারে না, তাঁদের কি সুযোগ দেওয়া উচিত? কিছু করেন, বরবাদীর জন্য সুযোগ দেবেন?’’ বাংলার মানুষের ভবিষ্যতের জন্য তৃণমূলের কাছে কোনও রূপরেখা নেই। কী করা হবে, কোথায় নিয়ে যাবে, তা-ও বলে না তৃণমূল। কারণ ওদের কোনও ইচ্ছা নেই, দূরদর্শিতা নেই।’’

    তৃণমূলের সিন্ডিকেট-রাজকে উৎখাতের ডাক

    ব্যারাকপুরে কেন পরিবর্তন প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যা এদিন সভায় দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘পরিবর্তন কেন জরুরি, তা ব্যারাকপুরের থেকে বেশি কেউ জানে না। যে ব্যারাকপুরে আগে বাইরে থেকে লোক আসতেন, কাজের জন্য, আজ সেখান থেকে লোক পালিয়ে যাচ্ছেন। বাধ্য হচ্ছেন। এখানে কারখানার শব্দ আসত এক সময়, আজ গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। অকল্যান্ড পাটকলে কী হল, সবাই দেখেছেন। আজ ব্যারাকপুরের দুর্ভাগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাট, কাপড়কল বন্ধ হয়েছে একটার পর একটা। ব্যারাকপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেল্টে গত কয়েক মাসে এক ডজন পাটকল বন্ধ হয়েছে।’’ এক সময় শিল্পের জন্য পরিচিত ব্যারাকপুর এখন গুলি-বোমার জন্য কুখ্যাত। সেই কথা মনে করিয়ে তৃণমূলের সিন্ডিকেট-রাজকে উৎখাতের ডাক দেন মোদি। বলেন, ‘‘আপনাদের রোজগার বন্ধ হচ্ছে। গুন্ডাদের রোজগারের জায়গা, বোমার কারখানা ফুলেফেঁপে উঠছে। তৃণমূলের সিন্ডিকেটের দোকান বাড়ছে। এটাই ওদের জঙ্গলরাজ। নিজের বাড়ি, দোকান নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে ওদের সিন্ডিকেটকে জিজ্ঞেস করতে হয়। তৃণমূলের সিন্ডিকেটকে ভাগাতে হবে, ওদের হারাতে হবে। তৃণমূলকে সরাবেন তো? আজ ভারতের জন্য গোটা দুনিয়া উৎসাহিত। আমি আশ্বাস দিচ্ছি, কলকাতা এবং আশপাশের এসব এলাকা মেক ইন্ডিয়ার বড় হাব হবে। বিজেপি সরকার কারখানা নিয়ে সব সমস্যার সমাধান করবে। পরিকল্পনা করব। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী করুন। পিএম, সিএম এক সঙ্গে উন্নয়ন করবে।’’

    মোদির গ্যারান্টি…

    ক্ষমতায় এলে বিজেপি কী কী করবে, তার একটা আভাস দিয়ে রাখেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘এখানে রোজগার নেই। তাই যুবসমাজ বাধ্য হয়ে বাইরে কাজ করতে গিয়েছে। বৃদ্ধেরা একা হয়ে গিয়েছেন। বৃদ্ধাবাসের সংখ্যা বাড়ছে। বিজেপি সরকার এসে বাংলার যুবকদের এখানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। সরকারি নিয়োগ সময়ে হবে। নিয়োগ পত্র দেওয়া হবে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। সরকারি কর্মীদের তৃণমূলের ভয় থেকে মুক্ত করা হবে। মোদির গ্যারান্টি শুনে নিন, সপ্তম কমিশনের লাভ পাবেন সরকারি কর্মীরা। এখানে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিস্তার হবে। আর্ট, গেমিং ক্ষেত্রে নতুন মঞ্চ করা হবে যুবসমাজের জন্য। বাংলার স্কুলে যাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব হয়, সেই চেষ্টা করা হবে। গ্রামে ১২৫ দিনের আয়ের গ্যারান্টি দেওয়া হবে। জিরামজি আইন কার্যকর করা হবে। পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা, মৎস্য যোজনা কার্যকর করা হবে, যাতে কারিগর, শিল্পীরা, মৎস্যজীবীদের আয় বৃদ্ধি হবে।’’ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের হয়ে জোর সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘পিএম স্বনিধি যোজন, ফুটপাথে যারা কাজ করেন, তারাও ব্যাঙ্ক থেকে সাহায্য পাবেন। এগুলো মোদির গ্যারান্টি। এখানে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী করুন, ডাবল ইঞ্জিনের লাভ পাবেন। কলকাতায় মেট্রোর যাতে দ্রুত বিস্তার হয়, তাই বিজেপি-কে ভোট দিন। বৈদ্যুতিন বাসের নতুন নেটওয়ার্ক হবে।

    মহিলাদের বিশেষ প্রতিশ্রুতি…

    মহিলাদের ওপর হওয়া অন্যায়-অত্যাচারের প্রত্যেকটা হিসেব নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘এই মাটি রানি রাসমণির সাহসের গাঁথায় সমৃদ্ধ। সেখানকার মেয়েদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল। এই রাজ্যকে অসুরক্ষিত করেছে মহিলাদের জন্য। ভোট দিতে যাওয়ার সময়ে গুন্ডাদের কথা মনে করবেন। যে বোনদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে, তাঁরা ন্যায় পাবেন। হিসাব নেব। সব ফাইল খুলব। মহিলাদের রোজগার, চিকিৎসা বিজেপির প্রাথমিক লক্ষ্য। বাংলায় বিজেপি সরকার গর্ভবতীদের ২১ হাজার টাকা দেবে। মেয়ে হলে সুকন্যা সমৃদ্ধির সুবিধা দেবে। কলেজে ভর্তি হলে টাকা পাবেন। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইলে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। পাকা ঘর পাবেন। তৃণমূল আপনাদের অধিকারের চাল লুটে নেয়। বিজেপি বন্ধ করবে। বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুক্ত চিকিৎসা হবে। ১৫ বছরে কলকাতার পরিচয় বদলে দিয়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের এনেছে। সকলে মিলে এ সব বন্ধ করব। কলকাতাকে সিটি অফ ফিউচার করব।’’

    বাংলাকে সব বন্ধন থেকে মুক্তি করার ডাক

    বিজেপিকে সমর্থন করার জন্য সব ধর্মের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘বিজেপি জমানায় কোনও ভারতীয় নাগরিক, যে ধর্মেরই হোন তিনি, তাঁদের সমস্যা হবে না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের ছাড়া হবে না। মতুয়া, নমশূদ্রদের বলছি, নাগরিকত্ব মিলবেই। সব কাগজ, অধিকার পাবেন, যা ভারতীয় নাগরিকেরা পান। এটা মোদির গ্যারান্টি। নেতাজি বলেছিলেন, রক্ত দাও, স্বাধীনতা দেব। আপনারা ৭০ বছর কংগ্রেস, বাম, তৃণমূলকে দিয়েছেন। আজ তারা সব জোটে রয়েছে। একটা সুযোগ বিজেপি-কে দিন, মোদিকে দিন, সকলে মিলে বাংলাকে সব বন্ধন থেকে মুক্তি দেব। হিংসা, তৃণমূলের দুর্নীতি, ভয়, সিন্ডিকেট, অনুপ্রবেশকারী, বেকারত্ব, পরিবারবাদ, তোষণের রাজনীতি থেকে মুক্তি দেব। পুরনো গৌরব ফিরে আসবে। সব বুথ থেকে তৃণমূলকে সাফ করুন। কমল চিহ্নে ভোট দিন।’’

  • kharif-2026: খরিফ শষ্য মৌসুম শুরু হওয়ার আগে সারের ঘাটতির আশঙ্কা নাকোচ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার; মজুত ও সরবরাহ নিয়ে বিশেষ আশ্বাস

    kharif-2026: খরিফ শষ্য মৌসুম শুরু হওয়ার আগে সারের ঘাটতির আশঙ্কা নাকোচ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার; মজুত ও সরবরাহ নিয়ে বিশেষ আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের খরিফ শষ্য চাষের মৌসম (kharif-2026) শুরু হওয়ার আগেই দেশে সারের ঘাটতি হতে পারে বলে যে জল্পনা ছড়িয়েছিল, তা এবার সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় সার মন্ত্রক এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, আসন্ন চাষের মরসুমের জন্য দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে সারের মজুত (Fertiliser) রয়েছে এবং কৃষকদের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল) সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ইউরিয়া, ডিএপি (DAP) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    দেশজুড়ে গুদামগুলোতে পর্যাপ্ত মজুত (kharif-2026)

    কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশজুড়ে গুদামগুলোতে সারের বর্তমান মজুত গত বছরের তুলনায় সন্তোষজনক। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামের (Kharif-2026) ওঠানামা সত্ত্বেও ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চাষীরা (Fertiliser) যাতে উদ্বিগ্ন না হন, তাই সরকারের এই পদক্ষেপ।

    উৎপাদন ও আমদানি

    দেশীয় সার কারখানাগুলোতে (kharif-2026) উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার আমদানির প্রক্রিয়াও মসৃণভাবে চলছে। বিশেষ করে ইউরিয়ার ক্ষেত্রে ভারত আত্মনির্ভরতার দিকে দ্রুত এগোচ্ছে বলে বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। চাষের জন্য সবরকম অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে জেলা স্তরে সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হচ্ছে। কালোবাজারি বা কৃত্রিম অভাব (Fertiliser) রুখতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কৃষকদের জন্য আশ্বাস

    কেন্দ্রীয় কৃষি (Fertiliser) মন্ত্রক জানিয়েছে, খরিফ মৌসমের সময় সারের চাহিদা সাধারণত বৃদ্ধি পায়, কিন্তু সেই বর্ধিত চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ (Buffer Stock) বর্তমানে হাতে রয়েছে। কৃষকদের প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত সার মজুত না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় সার (Kharif-2026) ও রসায়ন মন্ত্রকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “আমরা পরিস্থিতির ওপর প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছি। কোনও রাজ্য থেকেই সারের ঘাটতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষকরা যাতে সঠিক সময়ে এবং নির্ধারিত দামে সার পান, তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”

    মূলত বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে সারের দাম বাড়ার যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে এই বিবৃতি কৃষকদের মনে স্বস্তি জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে। খরিফ চাষের মূল ভিত্তি হিসেবে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Bengal Assembly Election 2026: অশান্তি পাকানো হতে পারে! যাদবপুর, কলকাতা, আলিয়ার ছাত্রাবাসে কড়া নজর কমিশনের

    Bengal Assembly Election 2026: অশান্তি পাকানো হতে পারে! যাদবপুর, কলকাতা, আলিয়ার ছাত্রাবাসে কড়া নজর কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে (Bengal Assembly Election 2026) বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলোতে কড়া নজরদারি ও বিশেষ তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ইতিমধ্যে বহিরাগত এবং নানা কর্মকাণ্ডের গোপন সূত্রে খবর মেলায় সক্রিয় ভূমিকায় নেমেছে নির্বাচন কমিশ।

    অশান্তি সৃষ্টির আশঙ্কা (Election Commission India)!

    কমিশন (Election Commission India) সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের প্রাক্কালে কোনওভাবেই যাতে বহিরাগতরা হস্টেলগুলোতে আশ্রয় নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। বিশেষ করে যে জেলাগুলোতে ভোট রয়েছে, সেই সংলগ্ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসগুলোর ওপর বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

    বুধবার ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (Bengal Assembly Election 2026)। সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া। তাই এই জেলাগুলির একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ছে বলে খবর।

    নজরে কোন কোন ক্যাম্পাসের হোস্টেল?

    একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হস্টেলে বহিরাগতদের জামায়েতের ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Bengal Assembly Election 2026)। তাই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, বেলগাছিয়ার ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণীর বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নজরে রাখা হয়েছে। এছাড়াও তেঘরিয়ায় হজ টাওয়ার, নিউটাউনে হজ হাউস, পার্ক সার্কাসে হজ হাউস, রাজারহাট নিউটাউনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস, পার্ক সার্কাসে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস, তালতলার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকেও সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের যুব আবাস সহ ৫৬টি বিভিন্ন‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস রয়েছে, যেখানে থাকবে কমিশনের (Election Commission India) কড়া নজরদারি

    বহিরাগত ব্যক্তিদের উপর নজর

    ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কর্তৃপক্ষকে এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। হস্টেলগুলোতে কারা অবস্থান করছেন, কোনও বহিরাগত ব্যক্তি সেখানে আছেন কি না—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের (Bengal Assembly Election 2026) আগে যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

  • IPL 2026: ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিঙ্কু! লখনউ ম্যাচে ইতিহাস কেকেআর তারকার, সুপার ওভারে জয় নাইটদের

    IPL 2026: ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিঙ্কু! লখনউ ম্যাচে ইতিহাস কেকেআর তারকার, সুপার ওভারে জয় নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাহির রেকর্ড ভেঙে এখন কেকেআর-এর ‘সঙ্কটমোচন’ রিঙ্কু সিং। দলের বিপদে রিঙ্কু যখন ক্রিজে নামেন, কেকেআর সমর্থকরা তখন ভরসা পান। মাঝে যদিও সময়টা ভালো যাচ্ছিল না কিন্তু আবারও নিজেকে প্রমাণ করলেন রিঙ্কু (Rinku Singh)। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে কেবল দলকে জেতাননি, বরং আইপিএলের ইতিহাসে (IPL 2026) কিংবদন্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির এক দীর্ঘস্থায়ী রেকর্ড নিজের নামে করে নিলেন কেকেআরের এই বাঁহাতি ব্যাটার।

    ধোনির রেকর্ড-এ থাবা

    আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ইনিংসে ৬ নম্বর বা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি এতদিন ছিল এমএস ধোনির দখলে। ২০১১ সালে আরসিবির বিরুদ্ধে ধোনি করেছিলেন ৭০ রান। দীর্ঘ ১৫ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন রিঙ্কু সিং। লখনউয়ের বিপক্ষে তাঁর অপাজিত ৮৩ রানের ইনিংসটি এখন তালিকার শীর্ষে। এই তালিকায় তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে দীনেশ কার্তিক (৬৯) এবং শার্দূল ঠাকুর (৬৮)। প্রথম ইনিংসে লোয়ার অর্ডারে (৬ বা তার নিচে) নেমে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক রানের মালিকও এখন রিঙ্কু। এখানে তাঁর আগে রয়েছেন কেবল কেকেআরের সতীর্থ আন্দ্রে রাসেল, যিনি ২০১৮ সালে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৮৮ রান করেছিলেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে আইপিএল ইতিহাসে ৬ বা তার নিচে নেমে সর্বাধিক রানের এলিট ক্লাবেও এখন জ্বলজ্বল করছে রিঙ্কুর নাম। যেখানে হার্দিক (৯১), আন্দ্রে রাসেল (৮৮), জিতেশ শর্মা (৮৫) এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির (৮৪) মতো বিগ হিটাররা রয়েছেন। সেখানে পাঁচ নম্বরে রয়েছেন রিঙ্কু সিং।

    সুপার ফিনিশার রিঙ্কু

    ইডেনে রাজস্থান রয়‌্যালসের বিরুদ্ধে টিমকে প্রথম জয় এনে দিয়েছিলেন। আর লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রিঙ্কু যা করলেন, সেটা এককথায় অতিমানবীয়। টস হেরে প্রথমে ব‌্যাট করে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় কেকেআর। ৩১ রানের মধ্যে চারটে উইকেট চলে যায়। সেখান থেকেই টিমকে টানতে থাকেন রিঙ্কু। শেষ ওভারে টানা চারটে ছয়। সেটাই কেকেআরকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেয়। তারপর ফিল্ডিংয়ে পাঁচটা ক‌্যাচ (একটা সুপার ওভারে)। রিঙ্কুর দৌলতেই সুপার ওভারে লখনউকে হারিয়ে ম্যাচে নাটকীয় জয় পায় নাইটরা। ম্যাচ শেষে হর্ষ ভোগলে তাঁকে ‘সঙ্কটমোচন’ বলে ডাকলেও ম্যাচের সের রিঙ্কু তা বিনম্রভাবে হাসিমুখে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, ধোনির উত্তরসূরি হিসেবে একজন নিখুঁত ফিনিশারের খোঁজে থাকা ভারতীয় ক্রিকেটে রিঙ্কু সিং এখন এক অপরিহার্য নাম।

  • Assembly Election 2026: দফায় দফায় আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী! থানার সামনেই সংঘর্ষ, জওয়ানকে লক্ষ্য করে ‘গুলি’, উত্তপ্ত জগদ্দল

    Assembly Election 2026: দফায় দফায় আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী! থানার সামনেই সংঘর্ষ, জওয়ানকে লক্ষ্য করে ‘গুলি’, উত্তপ্ত জগদ্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে উত্তপ্ত ভাটপাড়ার জগদ্দল এলাকা। অভিযোগ, নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং-এর উপর হামলা চালায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের কর্মীরা। হামলা চালানো হয় ভাটপাড়ার বিজেপি প্রার্থী পবন কুমার সিংয়ের বাড়িতেও। থানার ভিতরে পুলিশের সামনেই আক্রান্ত হন জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। রবিবার রাতেই জগদ্দল থানার (TMC-BJP Clash Jagaddal) সামনে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সময় দুই দলের কর্মীরা একে অপরের দিকে পাথর ছোড়ে বলে প্রাথামিকভাবে অভিযোগ। যার জেরে ইতিমধ্যেই পুলিশ স্টেশনের বাইরে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গুলিও চালানো হয়। সেইসময়ই গুলিবিদ্ধ হন এক সিআইএসএফ জওয়ান। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

    বিজেপি প্রার্থীদের উপর দফায় দফায় হামলা

    নির্বাচনের আগে নৈহাটি থেকে জগদ্দল বা ভাটপাড়ায় উত্তেজনা-সংঘর্ষ নতুন নয়। তবে গত কয়েক দিন সে ভাবে অশান্তি দেখা যায়নি। কিন্তু দ্বিতীয় দফা ভোটের দু’দিন আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে। ওই বিধানসভা এলাকার আটচালা বাগানে তৃণমূল এবং বিজেপির সংঘর্ষ হয়। সে নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার এবং নোয়াপাড়ার প্রার্থী অর্জুন সিং-এর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। থানা থেকে বেরিয়ে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বিজেপি প্রার্থী রাজেশের কটাক্ষ, ‘‘চটিচাটা পুলিশ গুন্ডা দিয়ে আক্রমণ করিয়েছে।’’ জগদ্দল এলাকায় রবিবার সন্ধ্যায় দুই দলের সংঘর্ষের খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র‌্যাফ নামে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে জগদ্দল থানায় অর্জুনকে নিয়ে উপস্থিত হন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বিজেপি প্রার্থী রাজেশ।

    তৃণমূল নেত্রী মমতার প্ররোচনাতেই হামলা

    বিজেপির অভিযোগ, থানার সামনেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাঁদের উপর ইটবৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ করেন অর্জুন। থানা থেকে বেরিয়ে রাজেশ আঙুল তোলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। তাঁর কথায়, ‘‘আমার বিরুদ্ধে বিদায়ী চিফ মিনিস্টার মানুষকে উস্কেছেন। বলেছেন, সকলে বদলা নেবেন কি না। একটা থানার ভিতরে আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে। আইসি-রা পালিয়েছেন। গুন্ডারা এসে আমাদের লোকেদের পিটিয়েছে।’’ অশান্তির সূত্রপাত গতকাল রাতে। জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থী রাজেশ শর্মার অভিযোগ, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। এফআইআর করা হয়নি। কবে করবে তিনি জানেন না। তারপরই দেখা যায় তৃণমূলের একটা গুণ্ডাবাহিনী থানায় ঢুকে যায়। প্রায় দেড়-দুশো লোক ছিল। তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। সেইসময় পুলিশ পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলেন রাজেশ শর্মা। খবর পেয়ে থানায় পৌঁছন অর্জুন সিং।

    তালা মেরে বসেছিল পুলিশ!

    নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন জানান, হামলার খবর পেয়ে তিনি থানায় আসেন। তৃণমূলের প্রচুর লোক সেইসময় ঘটনাস্থলে ছিল। সেইসময় ভয়ে তালা মেরে থানার ভিতরে বসেছিল পুলিশ। এমনই অভিযোগ অর্জুন সিংয়ের। এই আবহে অর্জুনকে ঘিরে একপ্রস্থ ধস্তাধস্তি চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

    গুলিবিদ্ধ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান

    এরপরই বিজেপি প্রার্থী পবন সিংয়ের বাড়িতে হামলা অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আচমকা তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ইট ছুড়তে শুরু করেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সেইসময় বেরিয়ে আসেন পবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ান যোগেশ শর্মা। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আহত জওয়ানকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।

    তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার

    ঘটনার পর থেকে থমথমে ভাটপাড়া। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। অশান্তির ঘটনার পরই ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলরের খোঁজে পলিশ। ভাটপাড়ার ভাইস চেয়ারম্যানের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান।

    হিংসাই তৃণমূলের হাতিয়ার

    বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। এই দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। যদিও নির্বাচনের আগে একের পর এক অশান্তির খবর আসছে। যেমন ভাঙড়ে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর তাজা বোমা। তৃণমূলকর্মীর বাড়ি থেকেই মিলেছে বোমাগুলি। এর পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে এই ঘটনার তদন্তের ভার পুলিশের থেকে এনআইএর কাঁধে চলে গিয়েছে। তারপর আবার জগদ্দলে এমন ঘটনা ঘটল। তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এলাকা। আক্রান্ত হলেন একের পর এক বিজেপি প্রার্থী-সহ কর্মী-সমর্থকেরা।  গেরুয়া শিবিরের দাবি, প্রথম দফায় শান্তিপূর্ণ মানুষের বিপুল ভোটদান রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের মনে ভয় ধরিয়েছে। তাই দ্বিতীয় দফা ভোটে হিংসাকেই হাতিয়ার করতে চাইছে তারা।

  • Assembly Election 2026: বোমা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান, ভাঙড়ে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    Assembly Election 2026: বোমা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান, ভাঙড়ে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের (Assembly Election 2026) মুখে ষড়যন্ত্রের আভাস পেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সতর্ক নির্বাচন কমিশনও। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের মাঝেরহাট এলাকায় পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কাঁচা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান চালানোর জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে প্রথম দফা ভোটের মতোই নির্বিঘ্নে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। কিন্তু তা পণ্ড করার উদ্দেশে নানারকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সন্দেহ

    শনিবার কলকাতা পুলিশের একটি দল গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর কাশীপুর থানা এলাকার মাঝেরহাটের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকে ৭৯টি কাঁচা বোমা উদ্ধার হয়। মেলে বোমা তৈরির নানা কাঁচামাল, প্রায় ৩.৩৭ কেজি গান পাউডার, ১.৬১ কেজি সালফার, পাটের দড়ি ইত্যাদি। কয়েক জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নিষিদ্ধ জিনিসগুলো জড়ো করেছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সন্দেহ, কোনও ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা হচ্ছিল ওই স্থানে। ইতিমধ্যে এনআইএ একটি এফআইআর-ও দায়ের করেছে। রবিবার অমিত শাহের মন্ত্রকের ওই ঘটনার ‘গুরুত্ব’ বিচার করে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। নোটিসে বলা হয়েছে, অবৈধ জিনিসপত্র জড়ো করা, বিস্ফোরক তৈরি করা ইত্যাদি সাধারণ মানুষের মনে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে। তাঁদের নিরাপত্তার খাতিরে এবং ষড়যন্ত্রীদের ধরার জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার

    পুলিশ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। কিন্তু অভিযুক্তদের কেউ এখনও গ্রেফতার হননি। আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। রাজ্যের সাত জেলায় মোট ১৪২টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে। প্রথম দফায় কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। এই অবস্থায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্বও শান্তিপূর্ণ ভাবে করার লক্ষ্যে। দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে পুলিশকে অবিলম্বে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, ভোটের দিন যে কোনও ভাবেই বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) তদন্ত চালাচ্ছে, এমন ক্ষেত্রেও পুলিশ পদক্ষেপ করতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    পুলিশকেও পড়তে হবে শাস্তির মুখে

    রাজ্যে অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনের সময়ে বোমাবাজির অভিযোগ উঠছে। তবে গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনের কোথাও বোমাবাজির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসেনি। দ্বিতীয় দফার ভোটও সেই রকমই শান্তিপূর্ণ রাখার লক্ষ্যে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বুথমুখী রাস্তাগুলিতেও থাকবে কমিশনের ‘চোখ’। এত দিন বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এবার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। কমিশন সূত্রে খবর, কলকাতার পুলিশ কমিশনার থেকে শুরু করে ডিসি, এসপি, আইসি এবং ওসি স্তর পর্যন্ত সকল পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তারা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এলাকা থেকে যদি কোনও বিস্ফোরক উদ্ধার হয় বা কেউ ভয় দেখানোর কৌশল ব্যবহার করেন, তবে সংশ্লিষ্ট ওসি বা আইসি-কে নজিরবিহীন পরিণতির মুখে পড়তে হবে। সে ক্ষেত্রে কাউকেই যে ছাড় দেওয়া হবে না, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

    ভাঙড় আছে ভাঙড়ে

    ভাঙড় আছে ভাঙড়ে। এই রাজ্যে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক হিংসার সাক্ষী থাকা জায়গাগুলির তালিকায় ওপরের দিকে নাম রয়েছে ভাঙড়ের। সেই ভাঙড়েই ভোটের আগেই গত ১৮ এপ্রিল তৃণমূল নেতার পরিত্যক্ত বাড়িতে থেকে দুই ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। রবিবারই ভাঙড়ে আর একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় অহিদুল ইসলাম মোল্লা নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ দিন পলাতক থাকার পর শনিবার তাঁকে একটি গাড়িতে দেখে মারধর করেছিলেন স্থানীয় কয়েক জন। পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। গত মার্চে বিস্ফোরণে এক জনের মৃত্য এবং তিন জন জখম হওয়ার ঘটনায় ওই অভিযুক্তকে পরে এনআইএ গ্রেফতার করেছে। উল্লেখ্য, এবার ভাঙড়ে লড়াই মূলত আইএসএফের বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বনাম তৃণমূলের শওকত মোল্লার। আবার একদা তৃণমূলের ‘তরতাজা সৈনিক’ আরাবুল ইসলাম দল বদল করে আইএসএফে যোগ দিয়েছেন। আরাবুল ক্য়ানিং পূর্ব থেকে লড়ছেন। তবে ভাঙড়ের এই নেতার দলবদলে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে ওই এলাকায়। সব মিলিয়ে ভোটের আগে উত্তপ্ত ভাঙড়।

    বিরোধীদের অভিযোগ

    এই ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে ভোটদান থেকে বিরত রাখতেই অন্ধকারের সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। এর আগে এই ভাঙড়েই বহুবার বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। ভোটের মুখে এভাবে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। এই আবহে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে কমিশন। ভাঙড়ে এবারের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত গায়েনের দাবি, বরাবরই এই অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন সাধারণ মানুষ। আগামী ২৯ এপ্রিল যাতে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন কমিশনের কাছে সেই আর্জি রাখেন তিনি।

     

     

     

     

  • Summer Fruits: গ্রীষ্মে নিয়মিত এই চার ফল মেনুতে থাকছে তো! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Summer Fruits: গ্রীষ্মে নিয়মিত এই চার ফল মেনুতে থাকছে তো! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। বেলা বাড়তেই রোদের দাপটে জেরবার বঙ্গবাসী। দুপুরে বাইরে থাকতে হলে, অসুস্থ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই এই তীব্র গরম থেকে বাঁচতে চার ফলেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন চার ফলেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    গরমে বাড়তে পারে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। গরমের শরীর ঠাণ্ডা রাখা জরুরি। তবেই শরীর সুস্থ রাখা যাবে।

    তরমুজ!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে তরমুজ খুবই জরুরি। কারণ, তরমুজে ৯০ শতাংশ জল থাকে। তাই এই ফল ডিহাইড্রেশন রুখতে বিশেষ সাহায্য করে‌। শরীরের জলের ঘাটতি গরমে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। অতিরিক্ত গরম এবং ঘামের জেরে যাতে শরীরে জলের ঘাটতি না হয়, তাই এই ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তরমুজ শরীরের ক্লান্তি দূর করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরের ক্লান্তি বাড়ে। তাই তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ তরমুজ শরীরের ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে। আবার এই ফল হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়। এই আবহাওয়ায় বেশি সময় বাইরে থাকলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই ফল খেলে সেই বিপদ কিছুটা এড়ানো যাবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আম!

    গরমে বাজারে দেদার পাওয়া যায় আম। বাঙালির পছন্দের খাবারের তালিকায় চিরকাল থাকে আম।‌ আম কাঁচা হোক বা পাকা, বাঙালি নানান ভাবেই এই ফল খেতে পছন্দ করে। কখনো কাঁচা আমের সরবত আবার কখনো দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পাকা আম, নানা রকম ভাবেই আম খায়। স্বাদের পাশপাশি আম এই গরমে স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আম ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ একটি ফল। তাই এই ফল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। গরমে নানান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের দাপট বাড়তে পারে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখা জরুরি। তাই আম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আম খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। তাছাড়া কাঁচা আম শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষ সাহায্য করে‌। যা এই গরমে খুবই জরুরি। আম অতিরিক্ত ঘাম এবং জলের ঘাটতি গরমে দ্রুত পূরণ করে। তাই এই আবহাওয়ায় আম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    শশা!

    শশা ফাইবার সমৃদ্ধ ফল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শশা শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করার পাশপাশি ফাইবারের চাহিদাও মেটায়। তাই এই গরমে নিয়মিত শশা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাছাড়া শশা হজমের জন্য খুবই উপকারি। লিভার ও অন্ত্র সুস্থ রাখতে শশা খাওয়া বিশেষ উপকারি। তাই শশা গরমে বাড়তি সাহায্য করে। কারণ, গরমে অনেক সময়েই হজমের গোলমাল হয়। তাই এমন খাবার খাওয়া জরুরি, যা অন্ত্র ও লিভার সুস্থ রাখে। তাই নিয়মিত শশা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বেল!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বেল গরমে বিশেষ উপকারি একটি ফল। এই ফলে থাকে ভালো ব্যাকটেরিয়া। তাই ডায়ারিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে ডায়ারিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই গরমে এই ফল খাওয়া জরুরি। তাছাড়া বেল হজম শক্তি বাড়ায়। গরমে হজমের গোলমাল এড়ানোর দিকে বিশেষ নজরদারি দেওয়া প্রয়োজন। তাই বেল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যকর খাওয়া প্রয়োজন। এই চার ফল সেই খাবারের তালিকায় রাখা জরুরি। এতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। আবার শরীর সুস্থ থাকবে। তবে রাস্তার পাশের কাটা ফল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাটা ফেলে রাখা ফলে নানান ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই ডায়রিয়া সহ নানান রোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই তাজা ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাড়িতে ফল কেটে সঙ্গে সঙ্গে খেলে তবেই শরীরের উপকার হবে। গরমে সুস্থ থাকা সম্ভব হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র বনাম কাজের নিরিখে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার প্রবেশ করল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এর নিজস্ব এআই চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর (Grok) একটি উত্তর বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তুলনামূলক এক প্রশ্নের উত্তরে মোদিকেই এগিয়ে রেখেছে গ্রকের তথ্য ভিত্তি।

    ঘটনাটি ঠিক কী (Grok)?

    সম্প্রতি একজন ব্যবহারকারী গ্রক-এর (Grok) কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ভারতের প্রগতি এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদি এবং রাহুল গান্ধীর মধ্যে কার অবদান বা গ্রহণযোগ্যতা বেশি? এর উত্তরে গ্রক (Grok) কোনও ব্যক্তিগত মতামত না দিয়ে বিভিন্ন ডেটা বা তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।

    Grok-এর বিশ্লেষণে যা উঠে এসেছে

    উন্নয়ন ও অর্থনীতি

    গ্রক (Grok) তার উত্তরে উল্লেখ করেছে যে, গত এক দশকে ভারতের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযান এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সাফল্য পরিসংখ্যানগতভাবে প্রমাণিত।

    পরিবারতন্ত্র বনাম যোগ্যতা

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রক (Grok) রাহুল গান্ধীকে ‘পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির’ (Dynastic Politics) উত্তরাধিকারী হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি মোদিকে একজন ‘স্বনির্ভর’ এবং ‘ডেটা-নির্ভর’ নেতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

    গ্রক-এর জনপ্রিয়তা ও জনমত

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের নিরিখেও তথ্যের ভিত্তিতে মোদিকে অনেক বেশি রেটিং দিয়েছে এই এআই (AI)।

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি এই প্রতিবেদনটিকে তাদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির নিরপেক্ষ ডেটাও মোদিকে শ্রেষ্ঠ বলছে, সেখানে বিরোধীদের পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরণের এআই (AI) মডেলের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, অ্যালগরিদম বা ডেটা অনেক সময় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে।

    প্রযুক্তির যুগে রাজনীতির লড়াই আর কেবল জনসভায় সীমাবদ্ধ নেই, তা এখন এআই (AI)-এর ল্যাবেও পৌঁছে গেছে। এলন মাস্কের গ্রক (Grok) যেভাবে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে, তা আগামী নির্বাচনে এবং রাজনৈতিক বিতর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) প্রচার তুঙ্গে। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুর নাগরে এক জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Election Rally)। তৃণমূলের ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আজ বাংলার মা-মাটি-মানুষের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।”

    কাঁদছেন ‘মা’ (Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “তৃণমূলের শাসনে বাংলার মায়েরা সুরক্ষিত নন। সন্দেশখালি থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মা-বোনেদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তাতে আজ ‘মা’ কাঁদছেন। তৃণমূল কেবল ভোটের জন্য নারীবন্দনা করে, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ।”

    অনুপ্রবেশকারীদের দখলে ‘মাটি’

    বাংলার ‘মাটি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “আজ বাংলার মাটি বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তৃণমূল সীমান্ত খুলে দিয়েছে, যার ফলে বাংলার জনবিন্যাস কাঠামো বদলে যাচ্ছে এবং প্রকৃত ভূমিপুত্ররা নিজেদের অধিকার হারাচ্ছেন।”

    আতঙ্কিত ‘মানুষ’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally)  বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষ আজ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এখানে সিন্ডিকেট রাজ এবং তোলাবাজিই শেষ কথা। মানুষ নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু এই নির্বাচন সেই ভয়কে জয় করার নির্বাচন।”

    দুর্নীতি ও উন্নয়ন নিয়ে তোপ

    প্রধানমন্ত্রী (Bengal Elections 2026) তাঁর ভাষণে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এবং রেশন দুর্নীতির প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “বাংলার যুবকদের ভবিষ্যৎ তৃণমূল বিক্রি করে দিয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নের টাকা এখানে দুর্নীতির পকেটে চলে যাচ্ছে।” তিনি (PM Modi Election Rally) জনগণকে আশ্বস্ত করেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলা হবে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর নির্বাচনকে (Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতি এখন তপ্ত। প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিজেপি এবার দুর্নীতি এবং আইনশৃঙ্খলা—এই দুটি ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইছে। পালটা তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণকে ‘মিথ্যাচারের ঝুলি’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বহিরাগতদের নয়, নিজেদের মেয়েকেই বেছে নেবে।

  • Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী পাক জঙ্গি (Pakistani Taliban Network) নেটওয়ার্কের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (TTP)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে গোপন অভিযান চালানো হয়েছে।

    ওয়ারেন্ট অফিসার-কে ঘিরে তদন্ত শুরু (Pakistani Taliban Network)

    তদন্তের সূত্রপাত হয় দুই মাস আগে নিখোঁজ হওয়া জনৈক ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-কে ঘিরে। ওই অফিসার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি টিটিপি (TTP) আস্তানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর (Pakistani Taliban Network) হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় তিনি বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) ভেতরে টিটিপি-র রিক্রুটমেন্ট বা সদস্য সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।

    গ্রেফতার ও আটক

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা, তেজগাঁও এবং চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটিতে চিরুনি তাল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে অন্তত দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার, দশ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) এবং বেশ কয়েকজন বিমান সেনাকে গ্রেফতার (Pakistani Taliban Network) করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও অন্তত ডজনখানেক সদস্যকে আটক রাখা হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া সদস্য

    তদন্তের আগেই অন্তত চার থেকে ছয় জন বিমান সেনা তুরস্ক, পাকিস্তান, পর্তুগাল ও নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই জহুরুল হক ঘাঁটির মসজিদের জনৈক ইমাম এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আক্রান্ত বিমান ঘাঁটিগুলোতে বেসামরিক (Bangladesh Air Force) কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি নিম্নপদস্থ কর্মীদের মোবাইল ফোন জব্দ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিটিপি-র এই অনুপ্রবেশ মূলত স্পর্শকাতর ইউনিট যেমন রাডার অপারেশন এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল। কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে টিটিপি-র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার একটি পরিকল্পনাও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

    যদিও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দফতর থেকে পাকজঙ্গি (Pakistani Taliban Network) প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান বা গ্রেফতার নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিরাপত্তা তল্লাশি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের (Bangladesh Air Force) সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে উগ্রবাদী অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

LinkedIn
Share