Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Sheikh Hasina: গভীর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ হাসিনার

    Sheikh Hasina: গভীর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস বাংলাদেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বাংলাদেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ইউনূসের (Muhammad Yunus)। দিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে ‘বাঙলাদেশে গণতন্ত্র বাঁচাও’ শীর্ষক এক সভায় অডিও বার্তায় এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার আওয়ামী লিগ সরকারের একাধিক প্রাক্তন মন্ত্রী, সদস্য সহ বহু বিশিষ্টজন। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল। যদিও এই নির্বাচনে আওয়ামী লিগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনও সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে।

    দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত

    ২০২৪ সালে দেশ ছেড়ে আসতে বাধ্য হবার পর এই প্রথম অডিও বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারকে (Muhammad Yunus) তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন হাসিনা। অডিও বার্তায় তিনি বলেন, “দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত। গণতন্ত্র নির্বাসনে। আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। জীবন ও সম্পত্তির কোনও নিরাপত্তা নেই।” প্রায় এক ঘণ্টার বক্তৃতায় আগাগোড়া তিনি নিশানা করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক গভীর খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে কখনও ‘খুনি ফ্যাসিবাদী’, কখনও ‘সুদখোর’, কখনও ‘টাকা পাচারকারী’, আবার কখনও ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ বলেও আক্রমণ শানান হাসিনা।

    বিদেশিদের হাতের পুতুল ইউনুস

    শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রী। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। দীর্ঘ বক্তৃতায় ইউনূসের সরকারকে ‘অবৈধ’ এবং ‘হিংসাত্মক’ বলেও আক্রমণ শানান তিনি। ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, অরাজকতা এবং গণতন্ত্রহীন এক যুগ ঠেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। পড়শি দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিকে সার্বভৌমত্ব এবং সংবিধানের জন্য এক অস্তিত্বের লড়াই হিসাবে ব্যাখ্যা করেন তিনি। ইউনূস সরকারকে ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল’ বলে আক্রমণ শানান তিনি। এবং ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল হয়ে যাওয়া’ এই সরকারকে উৎখাত করার ডাক দেন হাসিনা। অন্তবর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ‘এক বিশাল জেলখানা, এক বধ্যভূমি এবং এক মৃত্যু উপত্যকা’য় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন হাসিনা।

    স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ

    তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন! যে সময়ে তিনি দেশ থেকে উৎখাত হয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সেটাই তাঁর শেষ ‘টার্ম’ ছিল। ২৪ ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার ছেলে জয় এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তেমনটাই বার্তা দিয়েছিলেন। তাতে প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে এবার আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ কী? এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর একটা অডিয়ো বার্তা! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ নিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফ্যাসিস্ট ইউনূস প্রশাসনকে উৎখাতের ডাক দিলেন। গোটা এই পরিস্থিতির জন্য কেবল ইউনূস প্রশাসনকেই দায়ী করেননি তিনি। এর পিছনে বাংলাদেশের সম্পত্তি লুঠের জন্য বিদেশি শক্তির মদতকেও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশ এখন একটি অনির্বাচিত ক্ষমতা দ্বারা পরিচালিত, যেখানে সন্ত্রাস চলছে। বাংলাদেশের ভূমি-সম্পদ লুঠের জন্য বিদেশি শক্তি সক্রিয়।” এই ‘অন্ধকার যুগ’ থেকে দেশকে পুনরুদ্ধারের জন্য দেশবাসীকে আরও একবার মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন হাসিনা।

    কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র

    কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইউনূস ও সহযোগীরা, এদিন তা-ও জানান হাসিনা। বললেন, “২০২৪ সালের ৫ অগস্ট একটা সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে।” এ প্রসঙ্গেই ইউনূসকে সরাসরি বার্তা দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূসের বিরুদ্ধে বলব, নিজের দেশের লোককেই উপেক্ষা করা বন্ধ করুন।” পাশাপাশি তিনি বলেন দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা, ইউনূস প্রশাসনকে অপসারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করুন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়েছিলাম। সেদিন থেকে দেশ সন্ত্রাসের কবলে।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “গণতন্ত্র ধূলোয় মিশে গিয়েছে। দেশের মেয়ে-নারীরা নির্যাতিত। বিচারব্যবস্থা এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।”

    হতাশ না হবার বার্তা

    এদিন শেখ হাসিনার মুখে শোনা গেছে হতাশ না হবার বার্তা। তিনি বলেছেন, “আশা ছাড়বেন না। যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে চায় তাঁদের হাত থেকে আমাদের দেশকে ফিরিয়ে আনার লড়াইতে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনর্গঠন করতে আমাদের সাহায্য করুন।” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন যে আওয়ামি লিগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল, অবর্ণনীয়ভাবে দেশের সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের সঙ্গে মিশে আছে। এই দল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বহুত্ববাদের গর্বিত ঐতিহ্যের রক্ষক। এই সরকারকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করে উৎখাতের ডাক দেন শেখ হাসিনা। তাঁর কথায়, সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তির উচিত একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় শপথ নেওয়া।

     

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা আনতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং বিহার থেকে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার আসছেন বাংলায়। রাজ্যের কাজে আর কোনওরকম ভরসা করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অগত্যা তাই স্ক্রুটিনি ও নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    কেন এই পদক্ষেপ

    পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (State and Union Territory) এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে, যাকে বলা হচ্ছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR in Bengal)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কমিশনের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল তিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়েছিলেন ২৯৪ জন আধিকারিককে এই রাজ্যে পাঠানোর জন্য। যাদের সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার হিসেবে কাজে ব্যবহার করা হবে রাজ্যের এসআইআর এর চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী সোমবারের মধ্যে এই ২৯৪ জন আধিকারিক রাজ্যে এসে পৌঁছে যাবেন এবং প্রত্যেকেই ২৯৪ টি এলাকার ইআরওদের সঙ্গে মিলে কাজ করবেন। একদিকে স্ক্রুটিনি, অন্যদিকে নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যের ওপর আর কোনওরকমেই ভরসা করতে পারছে না। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে রাজ্য সরকারের কাছে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের জন্য বারংবার চিঠি দিলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক লোক দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। সেই কারণেই রাজ্যে চলা এসআইআর (SIR in Bengal) এর কাজে অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এবং কোনওভাবেই রাজ্যের ওপর ভরসা না করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা ক্ষেত্রে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভারকে নিয়োগ করার। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে শনিবার লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে। সেখানেও দেখা দিয়েছে বড় সমস্যা। এখনও পর্যন্ত সব তালিকা প্রস্তুত নেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় এই তালিকা শনিবার কতটা প্রকাশ পায় সেটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে।

  • Republic Day 2026: অপরাধী শনাক্ত করতে স্মার্ট চশমা! প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তায় পুলিশের চোখে এআই-হাতিয়ার

    Republic Day 2026: অপরাধী শনাক্ত করতে স্মার্ট চশমা! প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তায় পুলিশের চোখে এআই-হাতিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) উপলক্ষে রাজধানী দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উৎসবকে (Republic Day Parade Security) সুরক্ষিত রাখতে দিল্লিজুড়ে মোতায়েন করা হবে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশকর্মী এবং আধাসামরিক বাহিনীর ৭০টিরও বেশি কোম্পানি।

    ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত স্মার্ট চশমা

    এই প্রথমবার নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্বলিত স্মার্ট চশমা (AI Smart Glasses), যাতে ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (Facial Recognition System) ও থার্মাল ইমেজিং (Thermal Imaging) প্রযুক্তি সংযুক্ত থাকবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই স্মার্ট চশমাগুলি সরাসরি পুলিশি অপরাধী ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ভিড়ের মধ্যেই সন্দেহভাজন বা ঘোষিত অপরাধীদের তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। নয়াদিল্লির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবেশ কুমার মহলা জানান, এই ‘ওয়্যারেবল ডিভাইস’গুলি পুলিশকর্মীদের মোবাইল ফোনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং অপরাধ সংক্রান্ত ডেটাবেসে সরাসরি প্রবেশাধিকার দেবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকলে ডিভাইসের পর্দায় সবুজ বক্স দেখা যাবে, আর অপরাধের ইতিহাস থাকলে লাল বক্স ভেসে উঠবে।

    ১০ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন

    নিরাপত্তা বলয়ে থাকছে বহুস্তরীয় ব্যারিকেডিং এবং ছয় স্তরের তল্লাশি ও দেহ তল্লাশি ব্যবস্থা। হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যার মধ্যে বহু ক্যামেরায় এফআরএস প্রযুক্তি রয়েছে। ফেসিয়াল রিকগনিশন সুবিধাসহ মোবাইল নজরদারি গাড়িও বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হবে। মহলা বলেন, “যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।” একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে মক ড্রিলও চালানো হচ্ছে। মোট মোতায়েন বাহিনীর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার পুলিশকর্মী বিশেষভাবে নয়া দিল্লি এলাকায় থাকবেন। সমস্ত জেলার ডিসিপিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনও কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকর্মীদের।

    বিভিন্ন পয়েন্টে উচ্চক্ষমতার এআই ক্যামেরা

    এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি, উত্তর ও মধ্য দিল্লি জুড়ে প্রায় ৪,০০০টি ছাদভিত্তিক নিরাপত্তা পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। কুচকাওয়াজের রুট ও সংলগ্ন এলাকায় বসানো হচ্ছে প্রায় ৫০০টি উচ্চক্ষমতার এআই ক্যামেরা। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক দর্শনার্থীকে নিরাপত্তা স্টিকার প্রদান করা হবে। ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি)রা ইতিমধ্যেই রুট সার্ভে এবং অ্যান্টি-সাবোতাজ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এবং জনপ্রিয় বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

    ভাড়াটে ও গৃহকর্মী যাচাই অভিযান

    প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শহর জুড়ে ভাড়াটে ও গৃহকর্মী যাচাই অভিযান চলছে। পাশাপাশি অটোচালক, ট্যাক্সিচালক, দোকানদার ও স্থানীয় পরিষেবা প্রদানকারীদের নিয়ে ‘চোখ ও কান’ সচেতনতা বৈঠক করা হচ্ছে, যাতে তাঁরা কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি দ্রুত পুলিশের নজরে আনতে পারেন। এছাড়াও প্রতিবেশী রাজ্যগুলির পুলিশের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যাতে তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ প্রস্তুতি আরও জোরদার করা যায়।

  • Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) কড়া বার্তা দিল দিল্লির নির্বাচন সদন (Election Commission of India)। পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) সামনে রেখেই এই হুঁশিয়ারি বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ সিইও-দের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। বিধি মেনেই সব রাজ্যের সিইও-দের সেই এক্তিয়ার দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের সিইও-দের কাছে চিঠি করেছেন। কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিএলও-দের গাফিলতিতেই ভুল

    বিএলও-দের বিরুদ্ধে আরও কড়া কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ, পশ্চিমবঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে বিএলওদের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে কমিশনকে দোষী হতে হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিভ্রান্তি, অভিযোগ আর অসন্তোষ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আর নরম মনোভাব নয়, স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হল দিল্লি থেকে। নির্দেশিকায় পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী বিএলওরা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ কর্মচারী। তাঁদের দায়বদ্ধতা একমাত্র কমিশনের প্রতিই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক জায়গায় কমিশনের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে কাজ করছেন তাঁরা। এই প্রবণতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ

    যদি কোনও বিএলও কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতিতে যুক্ত থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও (District Election Officer), যিনি পদাধিকার বলে জেলাশাসক (District Magistrate), তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে ওই বিএলওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল কাজে কোনও ঢিলেমি নয়। নিয়ম ভাঙলে তার দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককেই। এবার থেকে সিইও-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও। এত দিন সিইও-কে বাদ রেখে জাতীয় কমিশন সিদ্ধান্ত নিত৷ এবার সেই স্বাধীনতা দেওয়া হল সিওকে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, গাফিলতি, অসদাচরণ, কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা, কিংবা ভোটার নিবন্ধন বিধি অমান্য করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেন সিইও। পাশাপাশি, কোনও এসআইআর-এর কাজে বিএলও-দের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • S-400 Air Defence System: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এস-৪০০! কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে তিন সেনার যৌথ শক্তি

    S-400 Air Defence System: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এস-৪০০! কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে তিন সেনার যৌথ শক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষের সময় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (S-400 Air Defence System) প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade 2026) প্রদর্শিত হতে চলেছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি কার্তব্য পথের (Kartavya Path) কুচকাওয়াজে এটি প্রদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছে সেনা। ডিপার্টমেন্ট অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ট্যাবলোতে এস-৪০০ সিস্টেমটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন এয়ার কমোডোর মনীশ সভরওয়াল।

    ‘ট্রাই-সার্ভিসেস ট্যাবলো – অপারেশন সিঁদুর’

    ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সন্ত্রাসী পরিকাঠামো লক্ষ্য করে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) অভিযানে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল। গত বছরের অগাস্ট মাসে বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং নিশ্চিত করেছিলেন যে, ওই অভিযানের সময় ভারতের এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাকিস্তানের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। এ বছরের ডিপার্টমেন্ট অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ট্যাবলোর (Tri-Services tableau) থিম রাখা হয়েছে ‘ট্রাই-সার্ভিসেস ট্যাবলো – অপারেশন সিঁদুর’, যার মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার যৌথ অপারেশনাল সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সমন্বয় তুলে ধরা হবে। মেজর জেনারেল নভরাজ ধিল্লোঁ জানিয়েছেন, টানা চতুর্থবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেবেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভবনিশ কুমার।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ ট্যাবলোর থিম

    এয়ার কমোডোর মনীশ সভরওয়াল জানান, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ট্যাবলোতে একটি প্রতীকী দৃশ্যের মাধ্যমে দেখানো হবে কীভাবে একটি সু-৩০ যুদ্ধবিমান থেকে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তানের একটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছিল। এই ট্যাবলোতে এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স উপাদানও প্রদর্শিত হবে, যা বিশ্বের সর্বাধিক দূরত্ব থেকে পাকিস্তান বায়ুসেনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো (নজরদারি অ্যাওয়াক্স বিমান) ধ্বংস করেছিল। এয়ার কমোডোর বলেন, “এর মাধ্যমে আবারও দেশের সংকল্পকে তুলে ধরা হবে—যদি আমরা সবাই একসঙ্গে লড়াই করি, তবে বিজয় অনিবার্য।”

    কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন মোট ৬,০৫০ জন সামরিক কর্মী

    এবারের কুচকাওয়াজে মোট ৬,০৫০ জন সামরিক কর্মী অংশ নেবেন। পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্ল্যাটফর্ম যেমন ‘ভৈরব’, ‘শক্তিবাণ’, আনম্যানড গ্রাউন্ড ভেহিকল (UGV) এবং অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) প্রদর্শিত হবে। এর পাশাপাশি, লাদাখ স্কাউটস, কাইটস, জান্সকার পোনি এবং ব্যাকট্রিয়ান উটও প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে কার্তব্য পথে মোট ৩০টি ট্যাবলো চলবে। এর মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এবং ১৩টি বিভিন্ন মন্ত্রক, দফতর ও পরিষেবার ট্যাবলো থাকবে।

    এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল থিম

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল থিম হবে — “স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম” এবং “সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত”। এই ট্যাবলোগুলির মাধ্যমে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি স্মরণ করা হবে এবং একই সঙ্গে আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের অগ্রগতি ও দেশের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রের মন্ত্রকগুলির ট্যাবলোতে সংস্কৃতি, উন্নয়ন, পর্যটন ও আত্মনির্ভরতার নানা দিক প্রদর্শিত হবে, যা প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনকে আরও বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে।

  • Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে রেলমন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাড়তে চলেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রেল মন্ত্রকের জন্য প্রায় ২.৭–২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি আধিকারিকরা। এটি গত বাজেটের আনুমানিক ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২–৪ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে সরকার রেল খাতে মূলধনী ব্যয়ের গতি বজায় রাখতে চায়। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রেল নেটওয়ার্ক জুড়ে গুণগত মান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি

    সরকারি সূত্র অনুযায়ী, মহামারির পরবর্তী সময়েও ভারতীয় রেলে বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং নীতিনির্ধারকদের মতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। একজন শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “প্রতি বছর ন্যূনতম ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয় প্রয়োজন—এ বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত আমূল পরিবর্তন, ক্রয় ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগই প্রধান লক্ষ্য।” রেল মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে, তবে গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকার করেন। আধিকারিকরা আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভারতীয় রেলকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

    রেলে আরও গতি বাড়াতে চায় সরকার

    গত বছরের অক্টোবরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানদণ্ড আরও কঠোর করা হবে। তিনি বলেন, “এখন আর ধাপে ধাপে সামান্য উন্নতি যথেষ্ট নয়। প্রস্তুত থাকুন—যাঁরা মানোন্নয়ন করবেন না, তাঁরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন।” শিল্প মহলের মতে, সরকার উন্নতমানের যন্ত্রপাতিতে বেশি ব্যয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্র্যাক বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রেলের মূল নজর থাকবে জট কমানো। রেল চলাচলে গতি বাড়ানোর দিকে। এর মধ্যে নতুন রুট নির্মাণ, গেজ পরিবর্তন, ডাবল লাইন সম্প্রসারণ এবং ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

  • Tesla: ট্রাম্পের শুল্ক-চাপের মধ্যেই ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দ্বিগুণ করল টেসলা

    Tesla: ট্রাম্পের শুল্ক-চাপের মধ্যেই ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দ্বিগুণ করল টেসলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ সংগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াল মার্কিন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা (Tesla)। ২০২৫ সালে টেসলা ভারতীয় অটো কম্পোনেন্ট নির্মাতাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৪ থেকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা, যা এক বছর আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধি ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছেন।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী

    সূত্রের খবর, চলতি বছরে ভারত থেকে যন্ত্রাংশ কেনায় টেসলার মোট ব্যয় ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারে পৌঁছতে পারে। তুলনায় ২০২৩ সালে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। চিন ও তাইওয়ানের মতো প্রচলিত উৎপাদন কেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করার কৌশলের সঙ্গে এই পদক্ষেপ সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন শিল্প বিশেষজ্ঞরা। শিল্প মহলের মতে, উত্তর আমেরিকার বাইরে টেসলার দ্রুততম বর্ধনশীল সোর্সিং হাবগুলোর একটি হয়ে উঠেছে ভারত। একাধিক ভারতীয় টিয়ার-১ কম্পোনেন্ট সরবরাহকারী ইতিমধ্যেই ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন সংস্থাটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। গত এক বছরে টেসলা ভারত থেকে যে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে, তার পরিমাণ বহুগুণে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বৃদ্ধি টেসলার অভ্যন্তরীণ কোডনেমযুক্ত প্রকল্প “রেডউড”-এর সঙ্গে যুক্ত। এটি একটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ি, যা একটি কমপ্যাক্ট ক্রসওভার হিসেবে বিশ্ববাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে। এই এন্ট্রি-লেভেল মডেলের সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কারণেই বহু বিলিয়ন ইউরোর কম্পোনেন্ট অর্ডার তৈরি হয়েছে, যার বড় অংশ পূরণ করছে ভারতীয় সরবরাহকারীরা।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক শুল্কজনিত চাপের তুলনায় টেসলার (Tesla) সোর্সিং সিদ্ধান্তে বেশি প্রভাব ফেলছে খরচে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, প্রকৌশল দক্ষতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মোবিলিটির ডিরেক্টর পুনীত গুপ্ত বলেন, “ভারতীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব টেসলার জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে খরচ কমে, দ্রুত লোকালাইজেশন সম্ভব হয় এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমে। অন্যদিকে, ভারতীয় সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রেও এটি লাভজনক। টেসলার সঙ্গে কাজ করা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে টেসলার সঙ্গে কাজ করা ভারতীয় সংস্থাগুলোর গুরুত্ব বাড়ে।” ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক বাড়ানোর ফলে নতুন করে বাণিজ্য উত্তেজনা তৈরি হলেও, ভারতীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে টেসলার সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

  • Suspect Registry: সাইবার জালিয়াতি দমনে বড় সাফল্য, লক্ষাধিক জাল লেনদেন রুখল কেন্দ্রের ‘সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি’

    Suspect Registry: সাইবার জালিয়াতি দমনে বড় সাফল্য, লক্ষাধিক জাল লেনদেন রুখল কেন্দ্রের ‘সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার জালিয়াতির বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হওয়া জাতীয় সাইবার অপরাধ ‘সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি’  (Suspect Registry) ইতিমধ্যেই হাজার হাজার কোটি টাকা বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই রেজিস্ট্রির মাধ্যমে লক্ষাধিক প্রতারণামূলক লেনদেন রিয়েল-টাইমে আটকানো সম্ভব হয়েছে।

    কী এই ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি

    ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই রেজিস্ট্রির উদ্বোধন করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (I4C) এই উদ্যোগটি পরিচালনা করছে। এর মূল উদ্দেশ্য—সাইবার অপরাধীদের আগেভাগেই শনাক্ত করে অনলাইন প্রতারণা প্রতিরোধ করা। এই রেজিস্ট্রি তৈরি হয়েছে ন্যাশনাল সাইবারক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল (NCRP)-এ নাগরিকদের জমা দেওয়া অভিযোগ, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিভিন্ন পুলিশ দফতরের তথ্যের ভিত্তিতে।

    কীভাবে কাজ করে সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি

    বর্তমানে এই রেজিস্ট্রিতে প্রায় ১৪ লক্ষের বেশি সন্দেহভাজন সাইবার অপরাধীর তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— মোবাইল নম্বর, ই-মেল আইডি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, অন্যান্য ডিজিটাল পরিচয়। যখনই ইউপিআই, নেট ব্যাঙ্কিং বা ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে কোনও লেনদেন শুরু হয়, তখন সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট গেটওয়ে সেই তথ্য সাসপেক্ট রেজিস্ট্রির সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যদি কোনও সন্দেহভাজন সাইবার অপরাধীর সঙ্গে মিল পাওয়া যায়, তাহলে লেনদেনটি সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করে দেওয়া হয়। ফলে প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছনোর আগেই তা আটকানো সম্ভব হচ্ছে।

    এআই প্রযুক্তির ব্যবহার

    এই রেজিস্ট্রিতে ব্যবহার করা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর ডেটা অ্যানালিসিস ও প্যাটার্ন রিকগনিশন টুল। নতুন অভিযোগ ও তথ্য যুক্ত হওয়ায় রেজিস্ট্রিটি প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে, যা একে আরও কার্যকর করে তুলছে। সাসপেক্ট রেজিস্ট্রির অ্যাক্সেস রয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। সিবিআই, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ এই রেজিস্ট্রি ব্যবহার করতে পারে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ইতিমধ্যেই সব ব্যাঙ্ককে এই রেজিস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কতটা সাফল্য মিলেছে

    সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ চালু হওয়ার পর প্রথম ৯০ দিনের মধ্যেই— ৬.১০ লক্ষের বেশি প্রতারণামূলক লেনদেন বাতিল করা হয়েছে। প্রায় ১৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৮,০৩১.৫৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সরকারি সূত্র স্পষ্ট করেছে, এই সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি জিএসটি জালিয়াতি শনাক্ত করার জন্য নয়। এটি শুধুমাত্র ফিশিং, অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো অ্যাপ, আইডেন্টিটি থেফট ও ডিজিটাল আর্থিক অপরাধ মোকাবিলার জন্য তৈরি। এই রেজিস্ট্রি তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি নাগরিকদের গোপনীয়তাও বজায় থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি ভারতের জন্য একটি গেম-চেঞ্জার, যা ভবিষ্যতে ডিজিটাল প্রতারণা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনবে।

  • Netaji Jayanti 2026: আজ নেতাজির ১২৯ তম জয়ন্তী, ফিরে দেখা তাঁর স্মরণীয় উক্তিগুলি যা আজও অনুপ্রেরণা জোগায়

    Netaji Jayanti 2026: আজ নেতাজির ১২৯ তম জয়ন্তী, ফিরে দেখা তাঁর স্মরণীয় উক্তিগুলি যা আজও অনুপ্রেরণা জোগায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ‘‘তোমরা আমাকে রক্ত ​​দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’’— তাঁর এই উক্তি আজও দেশবাসীকে প্রেরণা জোগায়, উদ্দীপ্ত করে। আজ নেতাজির (Netaji) ১২৯ তম জয়ন্তী। ১৮৯৭ সালে আজকের দিনেই ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন দেশের এই মহান সন্তান। ভারতের একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক, যাঁর জন্মবৃত্তান্ত পাওয়া গেলেও, মৃত্যু সম্পর্কে আজ পর্যন্ত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি অমর হয়ে আছেন ভারতবাসীর মনে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji) জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    এক কঠিন সংকল্প!

    ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৭ই জানুয়ারি ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে কলকাতার এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বের হন। এক কঠিন সংকল্প! যে কোনও মূল্যে মাতৃভূমির শৃঙ্খল মোচন করতেই হবে। বাইরে থেকে আঘাত করতে হবে অত্যাচারী ব্রিটিশকে। দেশের সীমানা ত্যাগ করেন ২৬ জানুয়ারি। তারপর জার্মানি সেখান থেকে সাবমেরিনে জাপান। দায়িত্ব নেন আজাদ হিন্দ বাহিনীর। ১৯৪৩ সালে তৈরি করেন আজাদ হিন্দ সরকার। জাপান, জার্মানি , ইতালি সমেত মোট ৮টি দেশ স্বীকৃতি দেয় এই সরকারকে। তাঁর বাহিনীর ভারত ভূখন্ডে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরে নেতাজী (Netaji) ওই দ্বীপের নতুন নাম শহীদ ও স্বরাজ দ্বীপ।

    নেতাজি সুভাষ বসুর (Netaji) কিছু স্মরণীয় উক্তি—

    • ● সংগ্রাম আমাকে মানুষ করে তুলেছে এবং আত্মবিশ্বাস দিয়েছে, যা আগে আমার ছিল না।
    • ● জীবনে সংগ্রাম না থাকলে, ভয় না পেলে জীবনের অর্ধেক স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।
    • ● আপনার নিজের শক্তিতে বিশ্বাস করুন, ধার করা শক্তি আপনার জন্য মারাত্মক।
    • ● উঁচু চিন্তা দ্বারা দুর্বলতা দূর হয়। আমাদের সর্বদা উঁচু চিন্তাই করা উচিত।
    • ● সাফল্য সবসময় ব্যর্থতার স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। তাই ব্যর্থতাকে কেউ ভয় পাবেন না।
    • ● মনে রাখবেন, সবচেয়ে বড় অপরাধ হচ্ছে অন্যায়কে সহ্য করা এবং অন্যায়ের সঙ্গে আপস করা।
    • ● যার ‘পরমানন্দ’ নেই সে কখনও মহান হতে পারে না।
    • ● যারা ফুল দেখে উত্তেজিত হন, তাঁরা কাঁটাও দ্রুত অনুভব করেন।
    • ● সর্বদাই কিছু না কিছু আশার আলো থাকে, যা আমাদের জীবন থেকে বিচ্যুত হতে দেয় না।
    • ● যদি কখনও মাথা নত করতে হয়, বীরের মতো মাথা নত করুন।
    • ● একজন আদর্শ সৈনিকের সামরিক প্রশিক্ষণ যেমন প্রয়োজন তেমনি আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণও প্রয়োজন।
    • ● স্বাধীনতা কেউ কাউকে দেয় না তা ছিনিয়ে নিতে হয়।
    • ● টাকা এবং যে কোনও সম্পদের দ্বারা কখনও স্বাধীনতা আসে না। স্বাধীনতা আসে সাহসিকতা, শক্তি এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে।
    • ● জাতীয়তাবাদের আদর্শ হল তিনটি সত্যম, শিবম, সুন্দরম।
    • ● রক্তমূল্য ছাড়া কখনও স্বাধীনতা আসে না, তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।
  • Saraswati Puja 2026: সরস্বতী পুজোর দিন হলুদ রঙের পোশাক কেন পরা হয়? কী এর মাহাত্ম্য?

    Saraswati Puja 2026: সরস্বতী পুজোর দিন হলুদ রঙের পোশাক কেন পরা হয়? কী এর মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বসন্ত পঞ্চমী। আজ সরস্বতী পুজো। চারদিকে চলছে বাগদেবীর আরাধনা। সরস্বতী পুজোয় (Saraswati Puja 2026) হলুদ রঙের পোশাক পরার চল রয়েছে। এই দিন কিশোর ছেলেদের হলুদ পাঞ্জাবি ও কিশোরীদের হলুদ শাড়ি পরতে দেখা যায়। তবে ঠিক কোন কারণে হলুদ পরা হয়? সে কারণই আমরা জানব। মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে (Saraswati Puja) আরাধিত হন দেবী সরস্বতী। অনেকে মনে করেন, এই দিন থেকেই আগমন ঘটে বসন্ত ঋতুর। তাই একে বসন্ত পঞ্চমীও বলা হয়ে থাকে। সরস্বতী পুজোর সঙ্গে হলুদ রঙের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে বলেই জানাচ্ছেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।

    হলুদ রঙকে শুভ বলে মানা হয় (Saraswati Puja 2026)

    হলুদ রঙকে শুভ বলে মানা হয়। এতে দেবী সরস্বতী সন্তুষ্ট হন বলেই ভক্তদের বিশ্বাস। মনে করা হয় বসন্ত পঞ্চমী থেকেই শীত ঋতুর অবসান ও বসন্তের আগমন বার্তা ঘোষিত হয়। দেবীকে হলুদ ফুল অর্পণ করা হয়। সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য সরস্বতীকে হলুদ রঙের ফুল নিবেদন করা ভালো বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, হলুদ রঙ জীবনে আনে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি। ঠিক এই কারণেই মা সরস্বতীকে হলুদ রঙের ফুল নিবেদন করা হয়। অন্যদিকে এর বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে। মনে করা হয়, হলুদ রঙ মানসিক চাপ দূর করে মনে গভীর শান্তি আনে। এর পাশাপাশি হলুদ রঙ আত্মবিশ্বাস বাড়াতেও সাহায্য করে।

    হলুদ রঙে থাকে পজিটিভ এনার্জি

    সরস্বতী পুজোর সময়ে সর্ষে ফুলে (Saraswati Puja 2026) ছেয়ে যায় চারিদিকে। তাই কেউ কেউ বলেন, হলুদ ফুল দিয়ে ঘর সাজালে পজিটিভ এনার্জি থাকে। একইসঙ্গে হলুদ রঙকে সুখ, আশা, জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও রোদের প্রতীক বলে মানা হয়। বসন্ত ও বন্ধুত্বের রঙও হল হলুদ।

    বাস্তুশাস্ত্র মতেও হলুদ রঙের আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে

    বাস্তুশাস্ত্র মতেও হলুদ রঙের আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। হলুদ রঙের অর্থ কোনও কিছুর নতুন সূচনা। হলুদ রঙ শুভ ও মঙ্গলদায়ক শক্তির দিকে আমাদের আকর্ষণ করে। হলুদ রঙ আশার রঙ হিসেবেও পরিচিত অনেকের কাছে। একে জীবনের এবং শুভবুদ্ধির রঙ বলে মানা হয়। বসন্তের শুরুতে এই রঙ মনে নতুন আশার সঞ্চার (Saraswati Puja 2026) ঘটায় আবার সুস্বাস্থ্যেরও প্রতীকও হলুদ রঙ।

LinkedIn
Share