Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Chingrighata Viaduct: তৃণমূল জমানায় থমকে ছিল ১৮ মাস, বিজেপি আসতেই চিংড়িঘাটায় মাত্র ১২০ ঘণ্টায় শেষ হল ভায়াডাক্ট বসানোর কাজ

    Chingrighata Viaduct: তৃণমূল জমানায় থমকে ছিল ১৮ মাস, বিজেপি আসতেই চিংড়িঘাটায় মাত্র ১২০ ঘণ্টায় শেষ হল ভায়াডাক্ট বসানোর কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা, আদালত পর্যন্ত গড়ানো টানাপোড়েন এবং দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ বন্ধ থাকার পর অবশেষে বড় সাফল্য পেল কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন প্রকল্প। ইএম বাইপাসের ব্যস্ত চিংড়িঘাটা মোড়ে মাত্র ১২০ ঘণ্টার মধ্যে দু’দফায় গুরুত্বপূর্ণ ভায়াডাক্ট বসিয়ে ‘মিসিং লিংক’-এর বড় অংশ সম্পূর্ণ করল রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (RVNL)। এই কাজ শেষ হওয়ায় নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডরের অরেঞ্জ লাইনের সেক্টর ফাইভ সংযোগের পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেল।

    দু’দফায় ৬২ মিটার ভায়াডাক্ট বসানোর নজির

    প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়েছিল ১৫ মে রাত ৮টা থেকে। টানা ৬০ ঘণ্টার ট্র্যাফিক ব্লকের মধ্যে ৩১৭ ও ৩১৮ নম্বর পিলারের মাঝে ২৮ মিটার দীর্ঘ কংক্রিট ভায়াডাক্ট বসানো হয়। এই ভায়াডাক্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল মোট ১০টি কংক্রিট সেগমেন্ট। এর মধ্যে আটটির ওজন ছিল প্রায় ৬০ টন এবং দু’টির ওজন প্রায় ৪০ টন। প্রথম পর্যায়ের কাজ নির্ধারিত সময়ের প্রায় আড়াই ঘণ্টা আগেই শেষ হয়। ফলে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যেই উল্টোডাঙামুখী রাস্তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল।

    এরপর দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয় ২২ মে রাত ৮টা থেকে। ২৫ মে সকাল পর্যন্ত চলা আরও একটি ৬০ ঘণ্টার ব্লকে ৩১৮ ও ৩১৯ নম্বর পিলারের মধ্যে ৩৪ মিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট বসানো হয়। এই অংশে ১২টি কংক্রিট সেগমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। দু’দফার কাজ মিলিয়ে মোট ৬২ মিটার ভায়াডাক্ট সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ৩১৭ থেকে ৩১৯ নম্বর পিলারের সংযোগ সম্পূর্ণ হয়েছে, যা এতদিন অরেঞ্জ লাইনের সবচেয়ে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ চিংড়িঘাটা অংশ?

    চিংড়িঘাটা মোড়ের ৩৬৬ মিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ ছিল। এই ‘মিসিং লিংক’-এর কারণেই নিউ গড়িয়া থেকে চলা অরেঞ্জ লাইন এখনও সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। বর্তমানে এই লাইন নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা মেট্রোপলিটন স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার চালু রয়েছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের মতে, চিংড়িঘাটার এই ভায়াডাক্ট সম্পূর্ণ হলে অরেঞ্জ লাইন সরাসরি সেক্টর ফাইভের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং ভবিষ্যতে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর গ্রিন লাইনের সঙ্গেও সংযোগ স্থাপন করবে। এতে নিউ টাউন, সেক্টর ফাইভ, রুবি, গড়িয়া এবং বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের যাতায়াতে বড় সুবিধা হবে।

    দেড় বছর কেন আটকে ছিল কাজ?

    আরভিএনএল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এই অংশে কাজ কার্যত থমকে ছিল। মূল সমস্যা ছিল ট্র্যাফিক ব্লকের অনুমতি। চিংড়িঘাটা মোড় কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ট্র্যাফিক করিডর হওয়ায় দীর্ঘ সময় রাস্তা বন্ধে আপত্তি জানানো হয়েছিল। বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। আরভিএনএল আইআইটি-গৌহাটির একটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেয়, যেখানে বলা হয়েছিল যে মাঝপথে কাজ থামালে নির্মাণের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পরে আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং সরকার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক অনুমতি মেলায় টানা ৬০ ঘণ্টার ট্র্যাফিক ব্লকের ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

    ৫০০ টনের লঞ্চার মেশিন এখন এগোবে নিক্কো পার্কের দিকে

    চিংড়িঘাটার গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাজ শেষ হওয়ার পর এবার ৫০০ মেট্রিক টনের বিশাল লঞ্চার মেশিন ধাপে ধাপে ৩২৯ নম্বর পিলারের দিকে এগোবে। সেখানেই নিক্কো পার্ক সংলগ্ন গৌরকিশোর ঘোষ মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে ভায়াডাক্টের সংযোগ ঘটানো হবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই সংযোগ সম্পূর্ণ হলে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ট্রায়াল এবং পরবর্তী পরিষেবা চালুর কাজ দ্রুত এগোবে।

    তৈরি হচ্ছে নতুন ৬০ মিটার রাস্তা

    ভবিষ্যতের কাজ সহজ করতে চিংড়িঘাটা সংলগ্ন সল্টলেক বাইপাসের ধারের খালের পাশে নতুন ৬০ মিটার রাস্তা তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ এবং আরভিএনএল যৌথভাবে এলাকা পরিদর্শন করেছে। এই রাস্তা তৈরি হলে ভবিষ্যতের ট্র্যাফিক ডাইভারশন এবং মেট্রো নির্মাণের কাজ আরও সহজ হবে।

    কবে চালু হতে পারে পরিষেবা?

    মেট্রো সূত্রের দাবি, সব কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের শেষের দিকেই নিউ গড়িয়া থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইনের পরিষেবা চালু হতে পারে। যদিও পুরো নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডর চালু হতে ২০২৭ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অরেঞ্জ লাইন সম্পূর্ণ চালু হলে কলকাতার পূর্বাংশে যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। ইএম বাইপাস এবং ভিআইপি রোডের উপর চাপ কমবে, পাশাপাশি সেক্টর ফাইভ ও বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের জন্য এটি হবে অন্যতম দ্রুততম গণপরিবহণ ব্যবস্থা।

  • TMC Leaders: রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা, এক সপ্তাহে ৭০ জনেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী গ্রেফতার, তালিকায় কাউন্সিলর থেকে পঞ্চায়েত সদস্য

    TMC Leaders: রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা, এক সপ্তাহে ৭০ জনেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী গ্রেফতার, তালিকায় কাউন্সিলর থেকে পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত এক সপ্তাহে আইনশৃঙ্খল রক্ষায় ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। আর্থিক অনিয়ম, সরকারি তহবিলের অপব্যবহার, আয় বহির্ভূত সম্পত্তি, সাধারণ মানুষকে হেনস্থা এবং নির্বাচন-পরবর্তী ও পূর্ববর্তী হিংসার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গত সাত দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৭০ জনেরও বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (BJP Bengal)। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম ‘প্রভাবশালী’ মুখ প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু, যিনি কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কাউন্সিলর এবং স্থানীয় নেতাকেও গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ। কেবল শনিবারই রাজ্যজুড়ে অন্তত ১৭ জন তৃণমূল (TMC Leaders) নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কলকাতা ও বিধাননগরে আইনি পদক্ষেপ (TMC Leaders)

    শনিবার কলকাতা এবং বিধাননগর এলাকা থেকে মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লে। তোলাবাজির অভিযোগে বাগুইআটি থানার পুলিশ বিধাননগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে। সম্রাট প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূল নেত্রী তথা কীর্তনিয়া অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং কোচবিহার থেকেও একাধিক নেতাকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ (TMC Leaders)

    হাওড়া ও হুগলি

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামীণ হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গুরুপদ মাঝি ও তাঁর ভাই রাজুকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালের হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হুগলির দাদপুর থানার পুলিশ হারিট গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আলতাব হোসেন মল্লিককে গ্রেফতার করেছে। হুগলির কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু পাল ওরফে খোকনকে সরকারি জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ, অবৈধ ব্যবসা এবং জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। তাঁকে গ্রেফতার করার সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক (BJP Bengal) দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বিধায়কের অভিযোগ, গত ২০ বছর ধরে ক্ষমতার অপব্যবহারে এই বেআইনি কাজ চলেছে এবং এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ খরচ ধৃত কাউন্সিলরের কাছে থেকেই আদায় করা হবে।

    দিয়ায় গ্রেফতার

    নদিয়ার আড়ংঘাটায় সমান্তরাল প্রশাসন চালানো এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ থেকে চড়া দামে নির্মাণসামগ্রী কিনতে বাধ্য করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা (TMC Leaders) রমজান আলি মণ্ডল। তাঁর গ্রেফতারির পর পুলিশ (BJP Bengal) তাঁর সহযোগী প্রদীপ সাঁতরাকেও হেফাজতে নিয়েছে। ধানতলা থানার পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে রানাঘাট আদালতে পেশ করেছে।

    মুর্শিদাবাদ

    বড়ঞা থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে কুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা দাপুটে নেতা আবু বক্করকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে সেলিম বারি নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণনাশের চেষ্টা-সহ একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। তাঁকে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পাণ্ডবেশ্বরের ছোড়া পঞ্চায়েতের প্রধানের পর এবার ভোটের সময় সন্ত্রাস ও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন পঞ্চায়েত সদস্য ও কোলিয়ারি শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক শেখ কামরুদ্দিন। তবে কামরুদ্দিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে দাবি করেছেন।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপি কর্মীদের মারধর ও অর্থ আদায়ের অভিযোগে দিনহাটা-২ ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভবরঞ্জন বর্মণকে (TMC Leaders)  গ্রেফতার করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। আদালত তাঁর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি আইনজীবী নিহাররঞ্জন গুপ্ত জানান, ২০২৪ সালের নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের (BJP Bengal) ভিত্তিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এই ভাবেই রাজ্যজুড়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ এবং ভোট পরবর্তী হিংসায় নেতৃত্ব দেওয়া তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার করে জেলে ভরার কাজ করছে বিজেপি সরকার। সময় যত যাচ্ছে ধরপাকড়ের সংখ্যা আরও বাড়ছে।

  • Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Keralam) রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়ো আইএএস (IAS) পরিচয় ধারণ এবং জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। কেরল রাজ্য জনশিক্ষা অধিকর্তা (Director of Public Instruction – DPI) আসিফ কে ইউসুফের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে এই সংগঠন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে।

    নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট (Keralam)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেরল রাজ্য নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, আসিফ কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়োগ সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘন করে, এবং ভুয়ো নথির সাহায্যে নিজেকে আইএএস পরিচয় দিয়েছেন। সংগঠনের পক্ষ (Keralam) থেকে আরও অভিযোগ, এর আগেও ইউসুফের ওবিসি (OBC) নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। সেখানে তিনি নিজের পারিবারিক আয় গোপন করে কেন্দ্রীয় লোকসেবা আয়োগের (UPSC) সুবিধা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই এই ধরনের একজন ব্যক্তিকে কেন সরকারি পদে রাখা হবে?

    প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ?

    ভিএইচপি (VHP) নেতৃত্ব কেরল সরকারের সমালোচনা করে আরও জানিয়েছে, এই ধরনের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পদে একজন বিতর্কিত এবং জালিয়াতিতে অভিযুক্ত আধিকারিককে বসিয়ে রাখা রাজ্যের প্রশাসনিক স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। সংগঠনের হুঁশিয়ারি, যদি রাজ্য সরকার অবিলম্বে ওই কর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং তাঁকে পদ থেকে অপসারণ না করে, তাহলে তারা রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেরালার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে কেরল (Keralam) রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে বাম শাসনের পতন ঘটিয়ে কংগ্রেস-ইউডিএফ জোট সরকার গড়েছে। রাজ্যে মুসলিম লীগের দল ক্ষমতায় আসতেই হিন্দুদের নানা ধর্মীয় আচার নিয়ে উসকানিমূলক কাজকর্ম শুরু হয়েছে বলেও দাবি ভিএইপির।

  • Pakistan: পাকিস্তানে রেললাইনের কাছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ২৪, দায় স্বীকার বালুচ গোষ্ঠীর

    Pakistan: পাকিস্তানে রেললাইনের কাছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ২৪, দায় স্বীকার বালুচ গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বালুচিস্তানের (Baloch Group) একটি রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে হত অন্তত ২৪ জন। এই হামলায় জখম হয়েছেন বহু মানুষ। এঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার প্রধান রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের কাছে এই আত্মঘাতী বিস্ফোরণটি ঘটে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।

    ঘটনার সময় স্টেশন চত্বরে সেনাকর্মীদের ব্যাপক ভিড় ছিল (Pakistan)

    পুলিশ ও স্থানীয় (Pakistan) প্রশাসন সূত্রে খবর, ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময় থাকায় ঘটনার সময় স্টেশন চত্বরে সাধারণ যাত্রী ও সেনাকর্মীদের ব্যাপক ভিড় ছিল। ট্রেনটি কোয়েটার চমন পট্টকে একটি সিগন্যাল পার হওয়ার সময় বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ি এর ট্রেনের একটি বগিতে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। এর পরেই ঘটে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের অভিঘাতে প্ল্যাটফর্মের ছাউনির একটি অংশ ভেঙে পড়ে এবং চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আর্তদের উদ্ধার করে কোয়েটার সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই হাসপাতাল চত্বরে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। নিহতদের মধ্যে অনেক সেনা সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। এঁরা পেশোয়ার যাচ্ছিলেন। সংবাদ সংস্থার দাবি, তাঁরা ঈদের ছুটি কাটাতে যাচ্ছিলেন। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ট্রেনের দুটি বগি উল্টে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই তাতে ধরে যায় আগুন। 

    অত্যন্ত সুসংগঠিত ফিঁদায়ে হামলা

    এই হামলার দায় স্বীকার (Baloch Group) করেছে ‘বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি’ (BLA) । এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, রেল স্টেশনে উপস্থিত পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একটি দলকে লক্ষ্য করেই তারা এই আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে। বিএলএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আজ সকালে, বালুচ লিবারেশন আর্মির ফিঁদায়ে অর্থাৎ আত্মত্যাগী ইউনিট মজিদ ব্রিগেড একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ফিঁদায়ে হামলায় কোয়েটা ক্যান্টনমেন্ট থেকে দখলদার বাহিনীর সদস্যদের বহনকারী একটি ট্রেনকে টার্গেট করেছেএই অভিযানের সম্পূর্ণ দায় স্বীকার করছে বালুচ লিবারেশন আর্মি।”

    তীব্র সমালোচনা পাকিস্তানে

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী ও বালুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা এই হামলাকে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। দিয়েছেন ঘটনার নেপথ্যে থাকা সন্ত্রাসবাদীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করার আশ্বাস। এই ঘটনার পর কোয়েটা-সহ বালুচিস্তান (Baloch Group) প্রদেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: স্বাস্থ্যখাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ কেন্দ্রের, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: স্বাস্থ্যখাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ কেন্দ্রের, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই এল বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের প্রথম কিস্তির অর্থ ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে। নবগঠিত বিজেপি সরকারের আশা, এতদিন ধরে বকেয়া থাকা বাকি অর্থও দ্রুত পাওয়া যাবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।”

    ২,১০৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে (Suvendu Adhikari)

    শনিবার নবান্নের সভাঘরে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) এই সুখবরটি দেন। তিনি বলেন, “আজ পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। ‘ন্যাশনাল হেলথ মিশন’ (NHM)-এর আওতায় ভারত সরকার চলতি অর্থবর্ষের জন্য আমাদের ২,১০৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি বাবদ এক-চতুর্থাংশ অর্থাৎ ৫০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তহবিলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।”

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পূর্বতন সরকারের সময় ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের বরাদ্দ অর্থ রাজ্য নেয়নি। আমি সেই বকেয়া অর্থ ছাড়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছি। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষের ‘ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট’ (খরচের শংসাপত্র) তাঁরা পাননি। আগামী ৩০ মে-র মধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব ও অর্থসচিব তা পাঠিয়ে দিলে, গত দুই অর্থবর্ষের বকেয়া টাকাও দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।”

    যৌথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবার

    পাশাপাশি, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পেও কেন্দ্রের তরফে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৯৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। ফলত, সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতে ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ মঞ্জুর করেছে কেন্দ্র, যার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে হস্তান্তরিত হয়েছে। এছাড়া, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের (15th Finance Commission) তহবিলও শীঘ্রই আসতে চলেছে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া অর্থ আদায় নিয়ে বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ টানাপোড়েন চলেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব বারবার অভিযোগ তুলেছিল যে, রাজ্যের বিজেপি নেতাদের পরামর্শেই কেন্দ্র টাকা আটকে রেখেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই, কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যবাসী এর সুফল পেতে শুরু করবেন।”

    উত্তরবঙ্গে এইমস গড়ার প্রস্তাব

    রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো আরও উন্নত করতে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) জানান, বর্তমানে আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং পশ্চিম বর্ধমান—এই চার প্রশাসনিক জেলায় কোনও মেডিকেল কলেজ নেই। এই জেলাগুলিতে মেডিকেল কলেজ গড়ার জন্য জমি চিহ্নিত করে কেন্দ্রের কাছে দ্রুত প্রস্তাব পাঠাবে নতুন সরকার। এর পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গে একটি এইমস (AIIMS) গড়ে তোলার জন্যও প্রস্তাব পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে চিকিৎসকদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের (In-house Training) জন্য কেন্দ্রের তিনটি বিশেষ প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসবে। শুভেন্দু জানান, বাংলার নবনির্মাণে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের উন্নয়নে অর্থ কোনও বাধা হবে না বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন।

  • Suvendu Adhikari: ৩ জুনের মধ্যে সমস্ত সরকারি দফতরের শূন্যপদের তালিকা তলব নবান্নের, নয়া নিয়োগের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ৩ জুনের মধ্যে সমস্ত সরকারি দফতরের শূন্যপদের তালিকা তলব নবান্নের, নয়া নিয়োগের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় পদক্ষেপ করল নয়া রাজ্য সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে থাকা বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ (Vacancies) পূরণের লক্ষ্যে ৩ জুনের মধ্যে সমস্ত বিভাগের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এই পদক্ষেপ তারই সূচনা বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ১ মে পর্যন্ত সমস্ত শূন্যপদের তালিকা (Suvendu Adhikari)

    নবান্ন সূত্রে জারি করা এই বিশেষ নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজ্যের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতর, ডিরেক্টরেট অফিস এবং আঞ্চলিক কার্যালয়—এই তিনটি স্তরের শূন্যপদের (Vacancies) তথ্য আলাদাভাবে প্রস্তুত করতে হবে। তবে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশদ বিবরণী প্রতিটি দফতরের নিজস্ব হেফাজতেই সংরক্ষিত থাকবে; নবান্নে শুধুমাত্র সংকলিত রিপোর্টটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পাঠাতে হবে। এই রিপোর্টে চলতি বছরের ১ মে পর্যন্ত তৈরি হওয়া সমস্ত শূন্যপদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তিন বিভাগীয় স্তরে দিতে হবে তথ্য

    রিপোর্ট পেশ করার প্রক্রিয়াটিকে সুশৃঙ্খল করতে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, শূন্যপদের (Vacancies) এই তথ্য শুধুমাত্র ‘এক্সেল স্প্রেডশিট’ (Excel Spreadsheet) আকারে সফ্‌ট কপি হিসেবে জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ তথ্যটিকে তিনটি পৃথক শিটে বিন্যস্ত করতে হবে— ‘এ’ বিভাগে মূল দফতর, ‘বি’ বিভাগে ডিরেক্টরেট এবং ‘সি’ বিভাগে আঞ্চলিক কার্যালয়ের তথ্য থাকবে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত এই ফরম্যাটের কোনওরূপ পরিবর্তন ঘটানো যাবে না।

    স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ

    গত সরকারের আমলে শিক্ষক নিয়োগ ও পুরসভা নিয়োগে (Vacancies) ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ আইনি জটিলতা এবং প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের মতো ঘটনায় রাজ্যের কর্মসংস্থান ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লাগে কলঙ্কের কালি। মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, নিয়োগ দুর্নীতির কালিমা ঘোচাতে হবে। বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা জারির পর মনে করা হচ্ছে যে, নবান্ন অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে রাজ্যে এক নতুন এবং আইনি জটিলতামুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার সূচনা করতে চলেছে।

  • Shamik Bhattacharya: রাজ্যের অর্থ-ব্যবস্থার হাল ফেরাতে নির্মলার দরবারে শমীক, তাঁত ও চা শিল্প নিয়ে বিশেষ আলোচনা

    Shamik Bhattacharya: রাজ্যের অর্থ-ব্যবস্থার হাল ফেরাতে নির্মলার দরবারে শমীক, তাঁত ও চা শিল্প নিয়ে বিশেষ আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অর্থ-ব্যবস্থার হাল ফেরাতে উদ্যোগী বঙ্গ বিজেপি। কেন্দ্রের কাছ থেকে রাজ্যের বকেয় টাকা পেতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বাংলায় এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। তার সুফল বঙ্গবাসীকে দিতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। ক্ষমতায় এসেই অন্নপূর্ণা ভান্ডার (Annapurna Bhandar) থেকে ডিএ (DA)-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এবার কেন্দ্রীয় বকেয়া নিয়ে নির্মলার দরবারে শমীক। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়েই মূলত দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

    শমীক-সীতারমন বৈঠকে কী কী আলোচনা

    দিল্লিতে গিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য। প্রায় তিনদিন ধরে রাজধানীতে রয়েছেন তিনি। শনিবার সকালে নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করেন শমীক। সূত্রের খবর, বাংলার অর্থনীতি নিয়ে রাজ্যের কী কী পদক্ষেপ করা উচিত এই মুহূর্তে সেই বিষয়ে কথা হয়েছে। তবে, বৈঠকের সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে অংশ, সেটা হল কেন্দ্রীয় বকেয়া। হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা যে বকেয়া রয়েছে, তা তৃণমূল জমানায় পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয়, তৃণমূল জমানায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে তাতে দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছিল। সূত্রের খবর, বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রকে শোধরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই বিষয়গুলি অর্থমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

    শমীক ভট্টাচার্য কী বললেন?

    সীতারমনের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ এখন পরিযায়ীদের রাজ্য হয়ে গিয়েছে। পরিযায়ী হয়েই সবাই বাইরে চলে যাচ্ছে। মাথাপিছু আয় আজ সবথেকে নীচে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর সঙ্গে একই পংক্তিতে দাঁড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী সোনার বাংলা তৈরির কথা দিয়েছেন। আমরা সোনার বাংলা তৈরি করব। আমাদের স্বপ্ন আছে এবং স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য নির্দিষ্ট কর্মসূচি আছে, পরিকল্পনা আছে। নির্মলাজি পশ্চিমবঙ্গকে এই অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে কী করে উত্তরণের পথ দেখাতে পারেন, সেই সম্পর্কে তিনি অভিহিত আছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। বাংলার শ্রীহীন অবস্থা থেকে রাজ্যকে বের করে আনা সম্ভব। তারজন্য যা করবার তিনি সেটা করবেন। প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, গৃহমন্ত্রী সবাই মিলে আমরা এই অবস্থা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে নিঃসন্দেহে অন্য জায়গায় পৌঁছে দিতে পারব।”

    তাঁত শিল্পের উন্নতিতে কথা

    সূত্রের খবর, অর্থমন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতির আলোচনায় আলাদা করে গুরুত্ব পেয়েছে তাঁত শিল্প এবং টেক্সটাইল হাব। এই বিশেষ সেক্টর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একদা বাংলার তাঁত ছিল জনপ্রিয়। এখন সেই শিল্প ধুঁকছে। কিন্তু রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার সেই ক্ষয়িষ্ণু শিল্পে গতি আনতে বদ্ধপরিকর। তাঁত শিল্পের বিকাশের জন্য আলাদা প্যাকেজ নিয়েও কথআ হয় এদিন।

    চা শিল্পের বিকাশ

    বাংলার চা শিল্পের বিকাশ এবং উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ দেবে কেন্দ্রীয় সরকার৷ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নীতিতেই এ বার করা হবে রাজ্যের চা শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়ন—একথাও জানান বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য৷ শমীক বলেন, ‘বাংলার চা শিল্প একসময়ে গোটা দেশের গর্ব ছিল৷ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ত আমাদের রাজ্যের চা৷ তৃণমূল সরকারের কার্যকালে রাজ্যের চা শিল্প ধুঁকতে শুরু করেছে৷ গত ১৫ বছরে উত্তরবঙ্গের চা শিল্পের বিকাশের জন্য বাস্তবে কোনও গঠনমূলক প্রকল্প প্রণয়ন করেনি তৃণমূল সরকার৷ ফলে একের পর চা বাগান দিনে দিনে আর্থিক কষ্টে জর্জরিত হয়ে রুগ্ন হয়ে পড়েছে৷ তারপরেও হুঁশ ফেরেনি বিগত সরকারের৷’তাঁর সংযোজন, ‘রাজ্যের কয়েক লক্ষ মানুষের রুটিরুজি যে শিল্পের সঙ্গে জড়িত, তাকে শেষ হতে দেবো না আমরা৷ কেন্দ্রীয় প্যাকেজকে কাজে লাগিয়ে উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির সার্বিক বিকাশ ত্বরান্বিত করবে রাজ্য সরকার৷’

    বাংলার বকেয়া-সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ

    রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল বেরোলে দেখা যায়, গেরুয়া ঝড়ে কার্যত শোচনীয় অবস্থায় হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে বারবার এখানকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে গেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা। শুধু তা-ই নয়, এই পরিস্থিতি থেকে রাজ্যকে তুলে আনার জন্য ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার গড়ার আহ্বান জানান তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শহরা বাংলাকে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নেওয়া হচ্ছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর, শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনার পর বাংলার বকেয়া-সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ করা হবে সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও কথা বলবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নির্মলা সীতারমন।

     

     

     

     

     

  • NJP Varanasi Bullet Train: মাত্র ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে বারাণসী, এনজেপি থেকে বারাণসী বুলেট ট্রেন! উত্তরবঙ্গে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের মেগা চমক

    NJP Varanasi Bullet Train: মাত্র ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে বারাণসী, এনজেপি থেকে বারাণসী বুলেট ট্রেন! উত্তরবঙ্গে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের মেগা চমক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উচ্চগতির রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও এক বড় অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দেশের বুলেট ট্রেন মানচিত্রে এবার জুড়তে চলেছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ির নাম। নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) থেকে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত একটি অত্যাধুনিক বুলেট ট্রেন করিডর গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় রেল। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী জুলাই মাস থেকেই এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ শুরু হতে পারে।

    ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার আসতেই রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার

    রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল এবং ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের আবহে এই প্রকল্পকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রেল সূত্রের দাবি, সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রকল্পের ‘ডিটেইলড প্রজেক্ট রিপোর্ট’ (ডিপিআর) তৈরি হয়ে যাবে। এরপর তা রেল বোর্ডে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। বোর্ডের সবুজ সঙ্কেত মিললেই শুরু হবে করিডর নির্মাণের কাজ।

    জুলাই থেকেই শুরু হতে পারে সমীক্ষা

    সূত্রের খবর, ‘ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড’ (NHSRCL)-এর তরফে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ সমীক্ষক দল গঠন করা হয়েছে। এই দল আকাশপথ ও স্থলপথে সম্ভাব্য করিডর চিহ্নিত করার কাজ করবে।

    সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হবে—

    • ● চূড়ান্ত রুট নির্ধারণ
    • ● সম্ভাব্য স্টেশন চিহ্নিতকরণ
    • ● জমি ও পরিকাঠামো সংক্রান্ত সমীক্ষা
    • ● প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত এই বুলেট ট্রেন চালু হলে বারাণসী থেকে পাটনা হয়ে এনজেপি পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। বর্তমানে একই যাত্রাপথ অতিক্রম করতে ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগে। এই করিডর পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যকে উচ্চগতির রেল যোগাযোগে যুক্ত করবে।

    জাপানের ‘শিনকানসেন’ প্রযুক্তিতে তৈরি হবে পরিষেবা

    ভারতে প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প মুম্বই-আহমেদাবাদ করিডরে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেই প্রকল্পের আদলেই শিলিগুড়ি-বারাণসী করিডর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। রেলের দাবি, এই প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে জাপানের অত্যাধুনিক ‘শিনকানসেন’ প্রযুক্তি। ট্রেনের নকশা, সিগন্যালিং ব্যবস্থা, নিরাপত্তা মানদণ্ড—সব ক্ষেত্রেই জাপানি প্রযুক্তির ছাপ থাকবে। মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেনের মতোই এই করিডরেও ঘণ্টায় প্রায় ৩২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন ছুটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে আসতে পারে বড় পরিবর্তন

    প্রকল্প ঘোষণার পর থেকেই আশাবাদী উত্তরবঙ্গের ব্যবসায়ী ও পর্যটন মহল। তাঁদের মতে, বুলেট ট্রেন চালু হলে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি, পর্যটন এবং বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। বর্তমানে উত্তর ভারতের পর্যটকদের ডুয়ার্স, দার্জিলিং বা কালিম্পং পৌঁছতে দীর্ঘ সময় লাগে। বুলেট ট্রেন পরিষেবা চালু হলে বারাণসী ও উত্তর ভারতের অন্যান্য শহর থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিলিগুড়ি পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে।

    এর ফলে—

    • ● ডুয়ার্স ও পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে পারে
    • ● হোটেল ও পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়তে পারে
    • ● পরিবহণ ও লজিস্টিক খাতে উন্নতি হতে পারে
    • ● স্থানীয় যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে

    শিলিগুড়ির তিন দিকে তিন আন্তর্জাতিক সীমান্ত!

    শিলিগুড়ি, যা ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডরের উপর অবস্থিত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থল যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর-পূর্ব ভারতের সমস্ত সড়ক ও রেলপথ এই সরু ভূখণ্ডের উপর দিয়েই গিয়েছে। তাই একে বলা হয়ে থাকে, ‘উত্তরপূর্বের দুয়ার’। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন বিদেশসচিব ও বিজেপি সাংসদ হর্ষবর্ধন শ্রিংলা শিলিগুড়ি অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র সম্ভবত বিশ্বের একমাত্র সংসদীয় কেন্দ্র, যার সঙ্গে তিনটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত যুক্ত রয়েছে। তাঁর কথায়, “পশ্চিমে নেপাল, পূর্বে ভুটান এবং দক্ষিণে বাংলাদেশ রয়েছে। আর একটু উত্তরে গেলেই চিন সীমান্তও এসে যায়।”

    এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের দোরগোড়ায় উত্তরবঙ্গ

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত এই হাই-স্পিড রেল করিডর ভবিষ্যতে অসমের রাজধানী গুয়াহাটি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে মূল ভূখণ্ড ভারতের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের ‘অষ্টলক্ষ্মী’ রাজ্যগুলির সরাসরি যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি বুলেট ট্রেনে মানুষ অতি কম সময়ে বারাণসী পৌঁছে যেতে পারবেন। উত্তরবঙ্গ এখন যোগাযোগ ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে।” স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ শিলিগুড়িকে শুধুমাত্র একটি ট্রানজিট শহর হিসেবে নয়, বরং পূর্ব ভারতের একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে।

    বাগডোগরা বিমানবন্দর ও এনজেপি স্টেশনের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ

    এলাকায় আরও একাধিক বড় অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ চলছে। বাগডোগরা বিমানবন্দর এবং নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনের ব্যাপক আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বাগডোগরা বিমানবন্দরের নতুন সিভিল এনক্লেভ নির্মাণে প্রায় ১,৫৪৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। সেখানে ৭০,৩৯০ বর্গমিটারের অত্যাধুনিক টার্মিনাল তৈরি হবে, যা একসঙ্গে ৩,০০০ জন পিক আওয়ার যাত্রী সামলাতে পারবে এবং বছরে প্রায় ১ কোটি যাত্রী পরিষেবা দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। এই প্রকল্পের আওতায় এ-৩২১ ধরনের বিমানের জন্য ১০টি পার্কিং বে-সহ নতুন অ্যাপ্রন, দুটি লিঙ্ক ট্যাক্সিওয়ে এবং মাল্টি-লেভেল কার পার্কিং সুবিধাও তৈরি করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০২৭ সালের মধ্যে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের প্রধান বিমানবন্দর হিসেবে বাগডোগরা একটি অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Modi Rubio Meeting: ভারত ও আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ রুবিওর

    Modi Rubio Meeting: ভারত ও আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ রুবিওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের আবহে চার দিনের ভারত সফরে এসেছেন আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিও (Modi Rubio Meeting)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। শনিবার কলকাতা (Marco Rubio in India) থেকে ভারত সফর শুরু করলেন রুবিও। এদিন দুপুরে দিল্লি পৌঁছোন তিনি। রাজধানীতে নেমে সেবাতীর্থে মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসেন রুবিও। এক ঘণ্টার বেশি বৈঠক হয় দুই রাষ্ট্রনেতার। বৈঠক শেষে এক্স পোস্ট করে মোদি জানান কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে রুবিওর সঙ্গে।

    কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা

    রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্স পোস্টে লেখেন, ‘‘আমরা ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। শুধু তা-ই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিও।’’রুবিওর এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি জানান, এই সফর কোনও সম্পর্ক মেরামতের উদ্দেশ্যে নয়। বরং দুই বিশ্বস্ত অংশীদারের মধ্যে যোগাযোগের প্রতিফলন। তিনি এ-ও জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন। আসন্ন কোয়াড সম্মেলন নিয়েও আশাবাদী সার্জিও। তিনি জানান, ওই সম্মেলনে অনেক কিছু আলোচনার আছে। আশা করা যায়, ইতিবাচক ফলাফল বেরোবে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘দূরদৃষ্টির’ প্রশংসাও করেছেন সার্জিও।

    গত ১৪ বছরে এই প্রথম কলকাতায়

    শনিবার সকালে সস্ত্রীক কলকাতায় এসে পৌঁছোন রুবিও (Marco Rubio in India)। গত ১৪ বছরে এই প্রথম আমেরিকার কোনও বিদেশসচিব পশ্চিমবঙ্গে এলেন। শেষ বার কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব হিসাবে এসেছিলেন হিলারি ক্লিন্টন। ২০১২ সালে এই মে মাসেই তিনি কলকাতায় পা রাখেন। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা চলে যান তালতলার মাদার হাউসে। সেখানে ঘণ্টাখানেক থাকার পর রুবিও যান নির্মলা শিশুভবনে। এর পর কলকাতা থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন রুবিও। আগামী ২৬ মে পর্যন্ত রুবিও ভারতে থাকবেন। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দিল্লি ছাড়াও তাঁর আগরা, জয়পুরে যাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল ঘটে গিয়েছে। প্রথম বার এ রাজ্যে সরকার গঠন করেছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আমেরিকার বিদেশসচিবের এই কলকাতা সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

    কোয়াড বৈঠকে অংশ

    শুধু কলকাতা নয়, পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের আবহে রুবিওর ভারত সফরের কূটনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ায় সমস্যার সমাধান এবং শান্তি স্থাপনের পক্ষে কথা বলেছে। হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি বলেও বার বার দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। উল্লেখ্য, ভারত সফরের শেষ দিনে অর্থাৎ, ২৬ মে কোয়াডের বৈঠকে যোগ দেবেন রুবিও। তাঁর ভারত সফরে আসার অন্যতম উদ্দেশ্য ওই বৈঠক। কোয়াডের সদস্য দেশ অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং, জাপানের বিদেশমন্ত্রী মোটেগি তোশিমিৎসুর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও সেই বৈঠকে থাকবেন।

  • Yuva Bharati Krirangan: ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশের পরই সরল যুবভারতীর সামনের সেই ‘বিদঘুটে’ মূর্তি

    Yuva Bharati Krirangan: ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশের পরই সরল যুবভারতীর সামনের সেই ‘বিদঘুটে’ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী স্টেডিয়ামের (Yuva Bharati Krirangan ) সামনে থেকে সরিয়ে ফেলা হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনা এবং নকশায় তৈরি মূর্তি। ২০১৭ সালে যুব বিশ্বকাপের সময় ‘বিদঘুটে’ এই বিতর্কিত মূর্তিটি বসানো হয়। আইএসএলের ডার্বি দেখতে গিয়ে মূর্তিটি সরিয়ে ফেলার কথা বলেছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। কাজ শুরু হতে বেশি দেরি হল না। শনিবার সকালে নির্দেশমতো সেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওই মূর্তিতে কোমর থেকে পা পর্যন্ত শরীরের উপর পৃথিবী এবং তার উপর বিশ্ববাংলার লোগো ছিল। দু’পায়ে ছিল দু’টি ফুটবল। প্রথম থেকেই এই মূর্তি নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল। পায়ের বলে লেখা ‘জয়ী’।

    শুরু থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে ওই মূর্তি

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন। ‘অনর্থক’ এই মূর্তি তৈরির পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। ওই মূর্তিটির যে কী অর্থ, তা বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে পরিষ্কার ছিল না। রাজ্যে পালাবদলের পর ১৭ মে যুবভারতীতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বি দেখতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ বলেছিলেন, “এরকম অদ্ভূত বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল।” তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে মূর্তিটা ভেঙে দেওয়া হবে।

    বসানো হবে কোনও ফুটবলারের মূর্তি

    মন্ত্রীর ইঙ্গিত মতোই শুক্রবার মধ্যরাতে সরিয়ে ফেলে হয়েছে মূর্তিটি। তবে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলা হয়নি। মূর্তির দু’পায়ের মোজার উপরের অংশ কেটে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও এক জোড়া মোজা এবং জুতোর সঙ্গে দু’টি বল থেকে গিয়েছে। বাকি অংশটিও সম্ভবত সরিয়ে দেওয়া হবে। সেই স্থানে কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে বলে চর্চা চলছে। ডার্বির রাতেই নিশীথ বলেছিলেন, “আমরা এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, আমরা সেটা পরিবর্তন করব। এর বদলে বিখ্যাত কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হবে।”

     

LinkedIn
Share