Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Govt Job Age Limit: কথামতো কাজ নতুন সরকারের! চাকরির পরীক্ষায় বৃদ্ধি পেল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

    Govt Job Age Limit: কথামতো কাজ নতুন সরকারের! চাকরির পরীক্ষায় বৃদ্ধি পেল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের নিয়োগ দুর্নীতির জেরে রাজ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ সরকারি চাকরির পরীক্ষা। শিক্ষিত, মেধাবী, যোগ্য প্রার্থীদের বয়সও বেড়ে গিয়েছে। তাদের কথা মাথায় রেখেই রাজ্যে পালাবদলের পর বৃদ্ধি করা হল সরকারি চাকরিতে (Govt Job Age Limit) আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা। ঘোষণা আগেই করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ বার সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়ে গেল নবান্ন থেকে। গ্রুপ এ, গ্রুপ বি, গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তাঁদের মুখে হাসি ফুটল।

    বিজ্ঞপ্তিতে কী জানানো হল

    রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট শাখার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ এ চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে এ-ও বলা হয়েছে, গ্রুপ এ-র কোনও চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা আগে থেকেই ৪১ বছরের বেশি থাকলে, তাতে কোনও বদল হবে না। গ্রুপ বি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪৪ বছর করা হয়েছে। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি পেয়ে হচ্ছে ৪৫ বছর। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ মে থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। ২০১৫ সালের পরে পশ্চিমবঙ্গে কোনও নিয়োগ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতীর চাকরির আবেদনের জন্য বয়ঃসীমা পেরিয়ে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিভিন্ন পদে কত বয়সের ঊর্ধ্বসীমা

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, গ্রুপ ‘এ’ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে কোনও নির্দিষ্ট পদ বা পরিষেবায় আগে থেকেই যদি ৪১ বছরের বেশি বয়সসীমা কার্যকর থাকে, তাহলে সেই উচ্চতর সীমা অপরিবর্তিত থাকবে। গ্রুপ ‘বি’ পদে নিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা করা হয়েছে ৪৪ বছর। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘সি’ এবং গ্রুপ ‘ডি’ পদে আবেদনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৪৫ বছর নির্ধারণ করেছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন নিয়মিত নিয়োগ না হওয়ার কারণে রাজ্যের বহু যোগ্য যুবক-যুবতী পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগই পাননি। তাঁদের বয়স বেড়ে গিয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁদের সামনে ফের একবার নতুন করে আশার আলো জেগে উঠল। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থানের বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছিল বিজেপি। কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

  • PM Modi: নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ‘আফসলাইডাইক’ বাঁধে প্রধানমন্ত্রী মোদি, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ডাচ মডেল কেন প্রয়োজন ভারতের, জানেন?

    PM Modi: নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ‘আফসলাইডাইক’ বাঁধে প্রধানমন্ত্রী মোদি, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ডাচ মডেল কেন প্রয়োজন ভারতের, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ‘আফসলাইডাইক’ বাঁধ পরিদর্শনে (Netherlands Afsluitdijk Dam) গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর চার দেশীয় ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেতেনের (Rob Jetten) সঙ্গে তিনি এই সুবিশাল জলকপাট ও বাঁধ এলাকাটি ঘুরে দেখেন। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি সাধারণ দ্বিপাক্ষিক সৌজন্য সফর মনে হলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শনের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

    জল ব্যবস্থাপনায় পথপ্রদর্শক নেদারল্যান্ডস (PM Modi)

    পরিদর্শন শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ডাচ প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, “জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ডস এক যুগান্তকারী কাজ (Netherlands Afsluitdijk Dam) করেছে। সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের এই অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে। আজ সকালে আফসলাইডাইক বাঁধটি পরিদর্শন করে এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। এই পরিদর্শনে আমার সঙ্গী হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী রব জেতেনকে ধন্যবাদ। সেচকাজ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ জলপথের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে আমরা ভারতে এই ধরণের আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    প্রকৌশল এবং উদ্ভাবনের এক অনন্য প্রতীক!

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও এই সফরকে ভারত-ডাচ অংশীদারিত্বের এক নতুন অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন, “প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের এক অনন্য প্রতীক! নেদারল্যান্ডসের চমৎকার জল ব্যবস্থাপনা, বন্যা প্রতিরোধ ও মিষ্টি জল সংরক্ষণের প্রতীক এই আফসলাইডাইক বাঁধ। এই সফরটি গুজরাটের উচ্চাভিলাষী ‘কল্পসর প্রকল্প’-এর (Kalpasar Project) ক্ষেত্রে ডাচ (Netherlands Afsluitdijk Dam) দক্ষতার প্রাসঙ্গিকতাকে তুলে ধরেছে।”

    ভারতের জলশক্তি মন্ত্রক এবং ডাচ পরিকাঠামো মন্ত্রকের মধ্যে  প্রযুক্তিগত সহযোগিতার জন্য একটি সম্মতিপত্রও (Letter of Intent) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    কী এই আফসলাইডাইক বাঁধ?

    নেদারল্যান্ডসের সমুদ্রের জলের সঙ্গে লড়াইয়ের দীর্ঘ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল এই আফসলাইডাইক বাঁধ। প্রায় ৮০ বছর আগে তৈরি হওয়া এই ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধটি উত্তর সাগরকে (North Sea) মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে এবং ‘আইসেলমির’ (IJsselmeer) নামক একটি বিশাল মিষ্টি জলের হ্রদ তৈরি করেছে। এটি মূলত সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি এবং ভয়াবহ বন্যা থেকে নিম্নভূমি অঞ্চলের নেদারল্যান্ডসকে রক্ষা করে।

    ৮০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়

    বর্তমানে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে এই প্রকল্পটিকে আরও আধুনিক করে “আফসলাইডাইক ২.০” রূপ দেওয়া হচ্ছে। নতুন এই নকশাটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে এটি আগামী ১০,০০০ বছরে একবার আসতে পারে এমন প্রলয়ঙ্কারী ঝড়কেও অনায়াসে রুখে দিতে পারে। এতে আধুনিক স্লুইস গেট, উন্নত জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা, মাছের চলাচলের করিডোর এবং জোয়ার-ভাটা ও সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।

    ভারতের ‘কল্পসর প্রকল্প’ ও ডাচ মডেলের প্রয়োজনীয়তা

    ভারতের কেন এই ডাচ মডেল (Netherlands Afsluitdijk Dam) প্রয়োজন, তার উত্তর লুকিয়ে রয়েছে গুজরাটের খাম্বাত উপসাগরে প্রস্তাবিত ‘কল্পসর প্রকল্প’-এর মধ্যে। গত কয়েক দশক ধরে সমীক্ষার স্তরে থাকা এই মেগা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল সমুদ্রের বুকে একটি বাঁধ তৈরি করে বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি জলের জলাধার তৈরি করা।

    ডাচদের মতোই ভারতও খাম্বাত উপসাগরে বাঁধ দিয়ে জোয়ার-ভাটার শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সেচের জল পৌঁছানো এবং জলপথ ও সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে চায়। হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জলবিজ্ঞান প্রযুক্তিতে নেদারল্যান্ডসের শতাব্দী প্রাচীন জ্ঞান এবং ভারতের বিশাল কর্মযজ্ঞের মেলবন্ধন ঘটলে খাম্বাত উপসাগরের এই অবাস্তব মনে হওয়া প্রকল্পটিকেও বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও মিষ্টি জলের সংকটের মাঝে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) এই সফর ভারতের ভবিষ্যৎ পরিকাঠামো ও জল সুরক্ষায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করল।

  • Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রী (Indian Railway) এবং রাজ্যের রেল পরিকাঠামোর জন্য বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন রেল প্রকল্প ও পরিষেবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পৃথক চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে রেল মন্ত্রকের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা নেবে। নতুন অনুমোদিত ৩টি প্রধান রেল প্রকল্পগুলি হোল…

    ১. কলকাতা- জয়পুর নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন (Ashwini Vaishnaw)

    কলকাতা ও রাজস্থানের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল মন্ত্রক একটি নতুন দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে। ১৮০৬১/১৮০৬২ সাঁতরাগাছি-খাতিপুরা এক্সপ্রেস খড়গপুর হয়ে কলকাতার সাঁতরাগাছি এবং জয়পুরের খাতিপুরা স্টেশনের (Indian Railway) মধ্যে চলাচল করবে। এই নতুন ট্রেনটি চালু হলে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং পারিবারিক কারণে দুই রাজ্যের মধ্যে যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে এবং বর্তমান ট্রেনগুলির ওপর চাপ কমবে।

    ২. নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি লাইনের ডবলিং (দ্বৈতকরণ)

    উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ রেল করিডোর নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে প্রায় ৭.১৫ কিলোমিটার রেল লাইনের ডবলিং বা দ্বৈতকরণের কাজ অনুমোদন পেয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনে ডবল ট্র্যাকিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বাড়বে, যানজট ও বিলম্ব কমবে এবং রেলের পরিচালন ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    ৩. শালবনী-আদ্রা তৃতীয় লাইনের সমীক্ষা

    দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শালবনী থেকে আদ্রা পর্যন্ত ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত তৃতীয় রেল লাইনের ‘ফাইনাল লোকেশন সার্ভে’ (FLS)-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষার পর একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (DPR) তৈরি করা হবে। খনিজ ও শিল্পসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মসৃণ চলাচলের জন্য এই তৃতীয় লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো (Indian Railway) উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার পাশাপাশি চলতি মাসেই রাজ্যে রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আরও ৮৯৫.৩০ কোটি টাকার একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় রেল।

    রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, এই নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের ব্যস্ততম রেল রুটগুলির জট কেটে যাবে, যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমবে এবং সার্বিকভাবে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

  • Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যায় বিশাল পুলিশবাহিনীর উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর কর্তৃপক্ষ হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন (Howrah Railway Station) সংলগ্ন এলাকায় চালায় উচ্ছেদ অভিযান। এলাকার বেশ কিছু অবৈধ দখল ও বেআইনি নির্মাণ গুঁড়িয়ে দিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তায়। পুরসভার আধিকারিকরা বুলডোজার (Demolition) ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত কাঠামো ভেঙে দেন।

    আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন (Demolition)

    হাওড়ার এই ঘটনার  প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যজুড়ে সব ধরণের বেআইনি নির্মাণ ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খড়গপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “দেশজুড়েই এবার বুলডোজার চলবে। যেখানেই বেআইনি নির্মাণ দেখা যাবে, সেখানেই বুলডোজার নামানো হবে। বাংলায় ক্ষমতায় আসা নতুন সরকার প্রথম দিন থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। যারা এই ধরণের বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাছে আমার অনুরোধ—আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন। সরকার আপনাদের সব রকম সহযোগিতা করবে। তবে সরকারি জমি দখল করা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলকাতার তিলজলা এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর এলাকার একাধিক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তার পরেই সেখানে চালানো হয়েছিল উচ্ছেদ অভিযান। তার রেশ ধরেই হাওড়ায় (Howrah Railway Station) চালানো হল এই অভিযান। ইতিমধ্যেই শিয়ালদা স্টেশন চত্বরও হকার মুক্ত করা হয়েছে।

    ‘আমরা তাড়াহুড়ো করছি না’

    রাজ্যের আর এক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল উচ্ছেদ অভিযানের সাফাই গেয়ে জানান, প্রশাসন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও বেআইনি নির্মাণ থাকে, তবে আমরা প্রথমে নোটিশ পাঠাব এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখতে চাইব। বৈধ কোনও কাগজ না থাকলে আমরা নির্মাণের অনুমতি দেব না। তবে আমরা কোনও তাড়াহুড়ো করছি না, বাসিন্দাদের নথিপত্র দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে।”

    আগের সরকার ব্যর্থ ছিল

    হাওড়ার (Howrah Railway Station) এই উচ্ছেদ অভিযান সমর্থন করেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষও। তাঁর অভিযোগ, পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই বিপুল পরিমাণ বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে তিলজলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সাধারণ বাসিন্দারা প্রশাসনের এই আকস্মিক সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, উচ্ছেদ বা ভাঙচুর শুরু করার আগে বাড়িঘর থেকে নিজেদের জরুরি নথিপত্র ও আসবাবপত্র বের করে নেওয়ার জন্য প্রশাসন যেন তাঁদের আরও কিছুটা সময় দেয়।

  • Bhojshala Verdict: ভোজশালা রায়, ধার জেলার সেই ঐতিহাসিক সরস্বতী মূর্তি কীভাবে পৌঁছাল লন্ডনে? ফেরতের দাবি

    Bhojshala Verdict: ভোজশালা রায়, ধার জেলার সেই ঐতিহাসিক সরস্বতী মূর্তি কীভাবে পৌঁছাল লন্ডনে? ফেরতের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের সাম্প্রতিক একটি ঐতিহাসিক রায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আদালত ধার জেলার বিতর্কিত ‘ভোজশালা’ (Bhojshala Verdict) চত্বরটিকে হিন্দু দেবী সরস্বতীর মন্দির (Saraswati Murti) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই রায়ের পর পরই ব্রিটিশ আমলে ভারত থেকে চুরি যাওয়া বাগদেবীর সরস্বতী মূল মূর্তিটি লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরদার হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, এই রায় ঐতিহাসিক। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যার রাম জন্মভূমি ও মন্দির উদ্ধারের পর ইন্দোর হাইকোর্টের ভোজশালা সংক্রান্ত এই রায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

    রাজা ভোজের আমল ও গৌরবময় ইতিহাস (Bhojshala Verdict)

    ভোজশালার (Bhojshala Verdict) ইতিহাস একাদশ শতকের। পরমার রাজবংশের বিখ্যাত রাজা ভোজ ধারে সংস্কৃত শিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, এটি ব্যাকরণ, দর্শন ও সাহিত্যের এক বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ ছিল, যেখানে জ্ঞানের দেবী সরস্বতীর (Saraswati Murti) আরাধনা হত নিয়মিত। এই বিদ্যাপীঠের প্রধান উপাস্য দেবী হিসেবে একটি অনন্য সরস্বতী মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল, যা পরমার আমলের ভাস্কর্য ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

    আক্রমণ ও ধ্বংসের ইতিহাস

    শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মধ্য ভারতে বিভিন্ন ইসলামিক আগ্রাসনের সময় ভোজশালা (Bhojshala Verdict) চত্বরটি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৩০৫ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি এই জায়গায় হামলা চালান, হত্যা করেন হাজার হাজার হিন্দু পণ্ডিত ও শিক্ষার্থীকে। পরবর্তী কালে ১৪০১ খ্রিস্টাব্দে দিলওয়ার খান এবং ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে মেহমুদ শাহ এই মন্দিরের অংশবিশেষ ধ্বংস করে সেটিকে দরগা ও মসজিদে রূপান্তর করার চেষ্টা করেন। তবে সেখানকার খোদাই করা স্তম্ভ ও শিলালিপি আজও প্রমাণ করে, এটি আদতেই একটি প্রাচীন হিন্দু শিক্ষাকেন্দ্র ও মন্দির ছিল। এই ভাঙচুরের পর মূল সরস্বতী মূর্তিটি দীর্ঘদিন ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে ছিল।

    ব্রিটিশ আমলে উদ্ধার ও লন্ডনে পাচার

    উনিশ শতকে ব্রিটিশ রাজত্বে মূর্তিটির ইতিহাসের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। ১৮৭৫ সালে ধার অঞ্চলে খননকার্য চালানোর সময় ব্রিটিশ অফিসার উইলিয়াম কিনক্লেড এই নান্দনিক মূর্তিটি উদ্ধার করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক মানসিকতার অংশ হিসেবে, ভারতের বহু অমূল্য সম্পদের মতোই এই মূর্তিটিকেও সম্মতি ছাড়াই দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৮৮৬ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে মূর্তিটি ইংল্যান্ডে পাচার করা হয়। বর্তমানে এটি লন্ডনের বিখ্যাত ‘ব্রিটিশ মিউজিয়াম’-এ মধ্যযুগীয় ভারতীয় ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। পাশ্চাত্যের কাছে এটি কেবল একটি প্রাচীন শিল্পসামগ্রী হলেও, ভারতীয়দের কাছে এটি একটি জীবন্ত ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতীক।

    হাইকোর্টের রায় ও ভারতের আইনি অবস্থান

    সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ ২০০৩ সালের ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের (ASI) একটি আদেশ বাতিল করেছে। এখন থেকে ওই চত্বরে মুসলমানদের শুক্রবারের নামাজ পড়ার অনুমতি রদ করে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা এবং বিচারপতি আলোক অবস্থির ডিভিশন বেঞ্চ ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভোজশালা (Bhojshala Verdict)  মূলত রাজা ভোজের তৈরি করা একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং এটি একটি সরস্বতী মন্দির (Saraswati Murti)।

    এই রায়ের পর আদালত উল্লেখ করেছে যে, কেন্দ্র সরকার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লন্ডন থেকে এই পবিত্র মূর্তিটি ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। এই পর্যবেক্ষণ ভারতের ‘#BringBackOurGods’ (আমাদের ঈশ্বরদের ফিরিয়ে দাও) আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে।

    মূর্তি প্রত্যর্পণের জোরালো দাবি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বর্তমান ভারত সরকার বিগত কয়েক বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতের বহু প্রাচীন ও চুরি যাওয়া ঐতিহ্যবাহী মূর্তি ফিরিয়ে এনেছে। ইউনেস্কোর (UNESCO) হিসেব অনুযায়ী, ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ভারত থেকে প্রায় ৫০,০০০ প্রাচীন মূর্তি ও শিল্পকর্ম পাচার হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে এই ধরণের প্রাচীন সামগ্রীর বেআইনি চোরাচালান দমনেও ভারত এখন বিশ্বমঞ্চে সোচ্চার।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারে এই সরস্বতী মূর্তিটি ফিরিয়ে আনার পক্ষে ভারতের দাবি অত্যন্ত জোরালো। কারণ প্রথমত, এর ঐতিহাসিক উৎস সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত। দ্বিতীয়ত, ভারতের আদালত এটিকে একটি মন্দির হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এবং তৃতীয়ত, এটি ঔপনিবেশিক শোষণের মাধ্যমে বেআইনিভাবে দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ভোজশালার (Bhojshala Verdict) এই আইনি জয় কেবল একটি ঐতিহাসিক সত্যকেই প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং লন্ডনে বন্দি থাকা মা সরস্বতীর মূর্তিকে (Saraswati Murti) স্বদেশে ফিরিয়ে আনার পথও প্রশস্ত করল কয়েক দশক পর।

  • Odisha Tribals: ওড়িশায় ধর্মান্তকরণের চেষ্টা! আদিবাসী সংস্কৃতি-ঐতিহ্যে বহিরাগতদের থাবার অভিযোগ

    Odisha Tribals: ওড়িশায় ধর্মান্তকরণের চেষ্টা! আদিবাসী সংস্কৃতি-ঐতিহ্যে বহিরাগতদের থাবার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার আদিবাসী (Odisha Tribals) অধ্যুষিত মালকানগিরি জেলায় ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) প্রক্রিয়া এবং তার ফলে স্থানীয় প্রাচীন সংস্কৃতির ওপর আঘাতের অভিযোগকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজেদের আদিম রীতিনীতি, সামাজিক ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি রক্ষার দাবি জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন এই দুর্গম এলাকার আদিবাসী গ্রামবাসীরা।

    খ্রিস্টান মিশনারি গোষ্ঠীর একাধিপত্য (Odisha Tribals)

    ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশা-ছত্তিশগড় সীমান্তের কাছে কালিমেল্লা ব্লকের মাঙ্গিপালি গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে যুক্ত কিছু সংগঠনের ধর্মীয় কার্যকলাপ দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে গ্রামে সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের (Religious Conversion) নিজস্ব পরিচয়, ঐতিহ্য ও প্রথা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি গ্রামের প্রতিনিধিরা মহকুমা শাসকের (Sub-Collector) দফতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন। দাবি জানান, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের। প্রাক্তন বিধায়ক মুকুন্দ সোধি এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান দেবা মাদকামির মতো স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতিতে পল্লবী খাড়ার (Odisha Tribals) হাতে এই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

    আদিবাসী সংস্কৃতি অবমাননার অভিযোগ  (Odisha Tribals)

    গ্রামবাসীদের (Odisha Tribals) সূত্রে জানা গিয়েছে, মাঙ্গিপালি গ্রামে প্রায় ২৫০টি পরিবারের বাস, মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ১,০০০। এদের মধ্যে সিংহভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, আগে মাত্র কয়েকটি পরিবার খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলেও, বর্তমানে গ্রামের আরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ভিন্ন ভাষী মানুষ গ্রামে এসে নিয়মিত প্রার্থনা সভা ও ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন করছে। গ্রামবাসীদের দাবি, এই ধরনের অনুষ্ঠানে আদিবাসীদের (Religious Conversion)  ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাস, রীতিনীতি এবং পূজাপদ্ধতি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এই ধরণের কার্যকলাপ চলতে থাকলে দীর্ঘদিনের আদিবাসী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    প্রশাসনের কাছে আইনি পদক্ষেপের দাবি

    গ্রামবাসীরা (Odisha Tribals) প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গ্রামে ঠিক কতজন মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তার একটি সরকারি তদন্ত বা যাচাইকরণ করা হোক। পাশাপাশি, তাঁদের নিজস্ব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাতে কোনও ধরণের বিঘ্ন না ঘটে, তা নিশ্চিত করার অনুরোধও জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, মালকানগিরি একটি তফশিলি এলাকা (Scheduled Area)। সাংবিধানিক নিয়ম এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই অঞ্চলের আদিবাসী ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত। তাই এই অঞ্চলের সামাজিক সম্প্রীতি ও আদিবাসী পরিচয় রক্ষায় প্রশাসনকে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

    আইন প্রয়োগের দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) জাতীয় সম্পাদক সুধাংশু পট্টনায়েক বলেন, “খ্রিস্টান মিশনারি দলগুলি বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপের মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে তাদের পূর্বপুরুষদের সংস্কৃতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এটি কেবল আদিবাসী ঐতিহ্যের জন্যই নয়, দেশের সুরক্ষার জন্যও এক গভীর উদ্বেগের বিষয়।”

    তিনি বলেন, “রাজ্যে ধর্মান্তকরণ (Odisha Tribals) বিরোধী আইন থাকা সত্ত্বেও তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না। আর সেই কারণেই বাধ্য হয়ে গ্রামবাসীরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ওড়িশা সরকারের উচিত এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা এবং অবৈধ ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।”

  • Suvendu Adhikari: অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে রাজ্য সরকার, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে রাজ্য সরকার, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তিলজলার ঘটনাকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, অবৈধ নির্মাণের (Illegal Construction) ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে হাঁটবে রাজ্য সরকার। তিনি জানান, যাঁদের বিল্ডিং প্ল্যান নেই, সেই সমস্ত অবৈধ কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘সিইএসসি-কে বিদ্যুৎ সচিবের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, যত এই ধরনের বিল্ডিং আছে, যাদের বিল্ডিং প্ল্যান স্যাংশন নেই, সেই সব কারখানা, বিশেষ করে তিলজলা, কসবা, মোমিনপুর, একবালপুর-সহ এলাকাগুলিতে দ্রুত ইন্টারনাল অডিট করা হবে। প্ল্যানের অনুমোদন না থাকলে বিদ্যুৎ পরিষেবা ডিসকানেক্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

    পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ

    মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, একদিনের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার জন্য। কলকাতা পুরসভার (KMC) উদ্যোগে কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তা করা হবে। কেএমসি-কেও বলা হয়েছে, এই ধরনের অবৈধ, বিপজ্জনক কারখানাগুলিতে জলের লাইন কেটে দেওয়ার জন্য। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে হাঁটবে সরকার। শুভেন্দুর বার্তা, ‘যাঁরা সতর্ক হতে চান, সতর্ক হয়ে যান। যাঁরা বেআইনি কাজকর্ম করছেন, তাঁদের আমরা এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে কড়া নির্দেশ দিচ্ছি।’ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করার নির্দেশও দিয়েছেন শুভেন্দু। আলাদা করে উল্লেখ করেছেন কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুরের মতো এলাকার কথা।

    কঠোর প্রশাসনিক বার্তা

    উল্লখ্যে, মঙ্গলবার তিলজলায় একটি চামড়ার কারখানায় আগুন লাগে। দু’জনের মৃত্যু হয়। তিন জন হাসপাতালে ভর্তি। মঙ্গলবারের ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই তিনি জানান, ওই কারখানার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। পুরোপুরি অবৈধ ওই কারখানা। কারখানার মালিক শেখ নাসির ও শামিম মহম্মদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দুর্নীতি ও বেআইনি নির্মাণ— এই দুই ইস্যুতেই নতুন সরকার শুরু থেকে কঠোর প্রশাসনিক বার্তা দিতে চাইছে। ক্ষমতায় আসার পরে প্রথম কয়েক দিনের সিদ্ধান্ত থেকেই বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা

    রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, যে অবৈধ ভবনগুলির ফায়ার লাইসেন্স বা এনওসি নেই, সেগুলিকে নোটিস পাঠানো শুরু হচ্ছে। ওই ভবনের মালিকদের প্রথমে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তার পরেও নিয়ম না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক পদক্ষেপ করা হবে। তিনি আরও জানান, তপসিয়ার ওই ভবনটিতে সিঁড়ি এতটাই সরু ছিল যে, সেখান থেকে লোকজন নামতে পারেননি। পিছন দিকে লোহার ঘোরানো সিঁড়ি থাকা উচিত ছিল বলেও মনে করেন তিনি।

     

     

  • India-UAE Oil Deal: জ্বালানি সুরক্ষায় মোদির মাস্টারস্ট্রোক! ভারতের জন্য ৩ কোটি ব্যারেল তেল মজুত করবে আমিরশাহি

    India-UAE Oil Deal: জ্বালানি সুরক্ষায় মোদির মাস্টারস্ট্রোক! ভারতের জন্য ৩ কোটি ব্যারেল তেল মজুত করবে আমিরশাহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় কৌশলগত পদক্ষেপ নিল ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সংক্ষিপ্ত আবুধাবি সফরের পর শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, আমিরশাহি ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে (SPR) সর্বাধিক ৩ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত করার পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ভারত-আমিরশাহি সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই চুক্তি বড় ভূমিকা নিতে পারে।

    ভারতের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভে আমিরশাহির তেল মজুত

    চুক্তি অনুযায়ী, আবুধাবি জাতীয় তেল সংস্থা, সংক্ষেপে অ্যাডনক (ADNOC)-এর অপরিশোধিত তেল ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে সংরক্ষণ করা হতে পারে। এর মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে অবস্থিত বিদ্যমান স্টোরেজ সুবিধা যেমন অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তেমনই ওডিশার চণ্ডিখোলে ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলিকেও এই পরিকল্পনার আওতায় আনা হতে পারে। ভারতের জন্য এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বিঘ্নিত হলেও দেশের কাছে জরুরি পরিস্থিতির জন্য পর্যাপ্ত তেল মজুত থাকবে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ এবং তার জ্বালানি চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর।

    ফুজাইরাহে তেল মজুতের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    দুই দেশ ভারতের বৃহত্তর স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে আমিরশাহির ফুজাইরাতে অপরিশোধিত তেল মজুতের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখেছে। এর পাশাপাশি, ভারতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি (LNG) এবং এলপিজি (LPG) সংরক্ষণ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনায় যৌথ সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এর ফলে ভারত ভবিষ্যতে গ্যাসভিত্তিক জ্বালানি সুরক্ষায়ও আরও শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারে।

    কৌশলগত চুক্তি ও এলপিজি সরবরাহে সমঝোতা

    এই সফরে ভারত ও আমিরশাহি স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেছে। পাশাপাশি, এলপিজি সরবরাহ সংক্রান্ত পৃথক চুক্তিও চূড়ান্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতের জ্বালানি আমদানি ঝুঁকি কমাবে এবং ভবিষ্যতের সরবরাহ সঙ্কট মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

    পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা বাড়ায় বাড়ছে উদ্বেগ

    এই চুক্তিগুলি এমন সময়ে সামনে এল, যখন পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ রুট। যদি এই রুটে বিঘ্ন ঘটে, তাহলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং সরবরাহ—দুই ক্ষেত্রেই বড় ধাক্কা লাগতে পারে। ফলে ভারত, চীন, জাপানের মতো বড় আমদানিকারক দেশগুলি বিকল্প কৌশল খুঁজছে।

    আমিরশাহির বড় পাইপলাইন প্রকল্পে গতি

    একই সময়ে আমিরশাহি তাদের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইন (West-East Pipeline) প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাডনককে এই প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এই পাইপলাইনটি আমিরশাহির রফতানি সক্ষমতা বাড়াবে এবং হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে সরাসরি ফুজাইরার মাধ্যমে তেল রফতানির সুযোগ দেবে। এর ফলে আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

    ভারত-আমিরশাহি সম্পর্ক আরও গভীর

    সাম্প্রতিক এই চুক্তিগুলি স্পষ্ট করে যে ভারত ও আমিরশাহি কেবল বাণিজ্যিক অংশীদার নয়, বরং কৌশলগত সহযোগী হিসেবেও নিজেদের সম্পর্ক আরও গভীর করছে। জ্বালানি, অবকাঠামো ও সরবরাহ নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত তার ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নিজস্ব কৌশলগত মজুত বাড়াতে যে পথে এগোচ্ছে, আমিরশাহির সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই পরিকল্পনাকে নতুন গতি দিল।

  • CM Suvendu Adhikari: হাসপাতাল চত্বরে দালালরাজ বরদাস্ত করা হবে না, এসএসকেএমে বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: হাসপাতাল চত্বরে দালালরাজ বরদাস্ত করা হবে না, এসএসকেএমে বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে শুক্রবার এসএসকেএম হাসপাতালে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ আধিকারিক, স্বাস্থ্য অধিকর্তা, কলকাতার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক ও চিকিৎসকেরা। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার ১২টি মেডিক্যাল কলেজ সরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবং মেডিক্যাল সুপারদের সঙ্গে এদিন বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। বিজেপির দুই জয়ী ডাক্তার বিধায়ক, বিধাননগর থেকে জয়ী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী ইন্দ্রনীল খাঁও এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

    কেন্দ্র ও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যে সংযোগ স্থাপন

    অতীতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। এই অভিযোগের জায়গাগুলিতে কীভাবে উন্নতি করা যায়, কীভাবে ভুলত্রুটি সংশোধন করা যায় এবং এ বিষয়ে সরকারি আধিকারিকদের কী কী করণীয়, সেই নিয়ে কথা বলতেই এসএসকেএম হাসপাতালে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu in SSKM)। কেন্দ্র ও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যে সংযোগ স্থাপনে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই কারণে কেন্দ্রীয় সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকদেরও এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন কেন্দ্র সরকারের অধীনস্ত চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের অধিকর্তা। রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন। কলকাতার সবকয়টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পদাধিকারীদের ডাকা হয়েছে এই বৈঠকে।

    দালাল-রাজ মানা হবে না

    হাসপাতাল সূত্রের খবর, বৈঠকে হাসপাতালগুলির বেহাল অবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলিতে সক্রিয় দালালচক্র এবং রোগী রেফার করে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর প্রবণতা নিয়ে কড়া বার্তা দেন তিনি। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ভাবেই হাসপাতাল চত্বরে দালালরাজ বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    ‘ওয়ার রুম’ তৈরির সিদ্ধান্ত

    রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ জমছিল। রোগী ভোগান্তি, বেডের অভাব, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য থেকে শুরু করে চিকিৎসা পরিষেবার নানা ত্রুটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল। সেই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর সরাসরি নজরদারি চালাতে স্বাস্থ্যভবনে একটি বিশেষ ‘ওয়ার রুম’ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মুখ্যমন্ত্রী

    হাসপাতালের সেই ওয়ার রুমের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের সরাসরি সংযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি, বেডের অবস্থা, রোগী পরিষেবা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ডাক্তারি পড়ুয়াদের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। ক্যাম্পাস চত্বরে বহিরাগতদের আনাগোনা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যজুড়ে অ্যাপ নির্ভর অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। অ্যাম্বুল্যান্সগুলিতে জিপিএস ট্র্যাকার থাকবে।

    হাসপাতালগুলিতে বেড সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ

    বাংলায় সরকারি হাসপাতালগুলিতে বেহাল দশা স্বাস্থ্য পরিষেবার। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে অনেক সময় মেলে না বেড। মেঝেতে শুয়েই চিকিৎসা চলে রোগীদের। এই নিয়ে রয়েছে ভুড়ি ভুড়ি অভিযোগ। এদিনের বৈঠকে হাসপাতালগুলিতে বেড সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বোর্ডে হাসপাতালের মোট বেড সংখ্যা, কতগুলি বেড খালি রয়েছে এবং কতজন রোগী ভর্তি রয়েছেন, সেই তথ্য রিয়েল টাইমে দেখাতে হবে। প্রশাসনের মতে, এর ফলে রোগী ও তাঁদের পরিবারের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে এবং স্বচ্ছতা বাড়বে। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালগুলির ১৫ শতাংশ বেড সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের বিষয়েও খুব শীঘ্রই বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় হসপিটালের বেড নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি হবে।

    হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার

    এছাড়াও সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে সমস্ত কর্মীর জন্য আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হাসপাতালের ভিতরে কে কর্মরত এবং কে বহিরাগত, তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। মেডিক্যাল কলেজগুলিতেও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। তিনি যে নির্দেশগুলো দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে-রোগী কল্যাণ সমিতিতে পলিটিকাল লোক রাখা চলবে না। বৈধ আইডি কার্ড দিতে হবে ৩১ মে’র মধ্যে। এর ফলে হাসপাতালে বহিরাগত বা দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা সহজ হবে। ডাক্তার ও স্টাফেদের জন্য আলাদা কার্ড থাকবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বৈঠকে।

    রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং

    এবার থেকে রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং হবে। রোগী কল্যাণ সমিতি চালু রাখতে হবে। পলিটিকাল লোক রাখা চলবে না। হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত না এমন লোক রাখবেন না। অবৈধ স্ট্রাকচার থাকলে হসপিটাল ভাঙতে হবে হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের পুনর্গঠন করতে হবে। আর এই রিয়েল টাইম ট্র্যাকিংয়ের সাহায্যে কোথায় কয়টি বেড আছে তা সরাসরি দেখতে পারবেন রোগীর পরিজনরা।

    স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব

    আগামী পাঁচ বছর স্বাস্থ্য পরিষেবা কীভাবে চলবে, কীভাবে স্বাস্থ্য প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো যায়, যাতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ, অভিযোগ কমে, এই বৈঠকের মাধ্যমে সেই গতিপ্রকৃতিই নির্ধারণ করা হয় বলে অনুমান। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতেই রয়েছে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেই অবস্থিত রাজ্যের বৃহত্তম সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএম। ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেই প্রশাসনিক মহলের ধারণা। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই শুভেন্দু বলেছিলেন, কথা কম কাজ বেশি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শুভেন্দুকে একেবারে দাবাং মুডে দেখা যাচ্ছে। এদিন এসএসকেএম-এর বৈঠকে মূলত ‘দালালরাজ’ নির্মূল করা এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।

     

     

  • Falharini Kali Puja 2026: আজ ফলহারিণী কালীপুজো, পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির বিশেষ দিন, জানুন মাহাত্ম্য

    Falharini Kali Puja 2026: আজ ফলহারিণী কালীপুজো, পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির বিশেষ দিন, জানুন মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১ জৈষ্ঠ্য শনিবার, ফলহারিণী কালীপুজো। বাংলায় কালীপুজোর চল সারা বছর ধরেই দেখা যায়। দুর্গাপুজোর পরে যে কালীপুজো হয় তা জনপ্রিয় দীপান্বিতা কালী পুজো নামে পরিচিত। এছাড়াও রয়েছে রক্ষাকালী পুজো। স্থানীয়ভাবেও বাংলার নানা প্রান্তে কালীপুজো হয়। কোনও কোনও গৃহস্থের বাড়িতেও কালী পুজো বছরের বিশেষ সময়ে দেখা যায়। জৈষ্ঠ্য মাসের অমাবস্যা তিথিতে যে কালীপুজো হয় তা ফলহারিণী কালীপুজো (Falharini Kali Puja 2026) নামে প্রসিদ্ধ।

    ফলহারিণী অমাবস্যা কতক্ষণ থাকবে?

    এবছর, শনিবার এই অমাবস্যা তিথি (Falharini Amavasya) থাকায়, দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকামতে, ফলহারিণী অমাবস্যা ১৬ মে ২০২৬ সালে ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে পড়েছে। অর্থাৎ তিথি শনিবার পড়েছে। আর তিথি শেষ হচ্ছে, ১৭ মে রবিবার ভোররাত ১টা ১৩ মিনিটে। উল্লেখ্য, এই পঞ্জিকামতে, তিথি ১ জ্যৈষ্ঠ শুরু, তিথি শেষ ২ জ্যৈষ্ঠ। অন্যদিকে, অমাবস্যা ১৫ মে শুক্রবার ভোর ৪টে ১ মিনিটে পড়ছে। অমাবস্যা তিথি শেষ হবে ১৬ মে শনিবার রাত ১টা ৪৯ মিনিটে।

    পাপক্ষয়, আত্মশুদ্ধি ও মাতৃশক্তির আরাধনার বিশেষ তিথি

    হিন্দু ধর্মবিশ্বাসে এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মনে করা হয়—মা কালী এই তিথিতে ভক্তদের পাপ, দুঃখ, ক্লেশ ও কর্মফলের বন্ধন থেকে মুক্তি দেন। ‘ফলহারিণী’ শব্দটির অর্থই হল— যিনি কর্মফল হরণ করেন। তাই সাধারণ কালীপুজোর তুলনায় এই পূজার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অনেক গভীর। ফলহারিণী কালীপুজো মূলত তন্ত্রসাধনা, আত্মশুদ্ধি এবং ঈশ্বরচিন্তার একটি বিশেষ দিন হিসেবে বিবেচিত। বাংলার বহু বাড়ি, মন্দির ও আশ্রমে এই দিন মা কালীর বিশেষ পুজো, হোম-যজ্ঞ, চণ্ডীপাঠ ও নামসংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। ভক্তরা উপবাস পালন করে মাতৃশক্তির কৃপা প্রার্থনা করেন।

    ফলহারিণী কালীপুজোর পৌরাণিক তাৎপর্য

    শাস্ত্র মতে, জগজ্জননী মা কালী শুধু সংহারক নন, তিনি মুক্তিদাত্রীও। জীবনের সঞ্চিত কর্মফল, অহংকার, লোভ, ক্রোধ এবং মোহ দূর করে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার শক্তি রয়েছে তাঁর মধ্যে। এই কারণেই ফলহারিণী অমাবস্যায় মা কালীর পূজার বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষ জন্মে জন্মে নিজের কর্মের ফল বহন করে। শুভ কর্মে যেমন ভালো ফল আসে, তেমনই অশুভ কর্ম দুঃখ ও বাধার কারণ হয়। ফলহারিণী কালীপুজো সেই কর্মফলের শৃঙ্খল থেকে মুক্তির প্রতীক। এই দিনে আন্তরিক ভক্তি ও প্রার্থনার মাধ্যমে মা কালীর কাছে জীবনের নেতিবাচক শক্তি দূর করার আবেদন জানানো হয়।

    ফলের মালা পরানোর রীতি দেখা যায়

    ভক্তদের বিশ্বাস, মা কালী জীবের কর্মফল অনুসারে তাদের আশীর্বাদ প্রদান করেন। তিনি প্রসন্না হলে জীবের দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি মেলে। পাশাপাশি জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে। ফলহারিণী অমাবস্যায় দেবীকে বিভিন্ন মরশুমি ফল দিয়ে পুজো দিলে দেবী সন্তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস। আম, জাম, কলা, লিচু-সহ বিভিন্ন ফলের মালা তৈরি করে দেবীকে পরানোর রীতি দেখা যায়।

    কেন এই পুজো ফলহারিণী কালীপুজো নামে পরিচিত?

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, জৈষ্ঠ্য মাসে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল সমেত নানারকম মরসুমী ফল পাওয়া যায়। ভক্তরা তাঁদের ইষ্টদেবীকে এই ফল নিবেদন করে থাকেন। দেবী ভক্তদের কর্মফল হরণ করে তাদেরকে মোক্ষফল প্রদান করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, ফলহারিণী কালীপুজো করলে বিদ্যা, কর্ম এবং অর্থ ভাগ্যের উন্নতি ঘটে প্রেম প্রণয়ের বাধা দূর হয়, দাম্পত্য সংসারী জীবনেও সুখ শান্তি বিরাজ করে। এককথায় এই বিশেষ পুজোয় ভক্তরা আধ্যাত্মিক, নৈতিক, মানসিক শক্তি পেয়ে থাকেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।

    এই দিনেই সারদা দেবীকে পুজো করেছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    ফলহারিণী কালীপুজোর আরেকটি ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব রয়েছে। জানা যায়, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ফলহারিণী কালীপুজোর দিনে সারদা দেবীকে পুজো করেছিলেন জগৎ কল্যাণের জন্য। এই ঘটনা হিন্দু আধ্যাত্মিক জগতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১২৮০ বঙ্গাব্দের জৈষ্ঠ্য মাসের অমাবস্যা তিথিতে ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে ষোড়শী রূপে পুজো করেছিলেন সারদা মা’কে। শ্রী রামকৃষ্ণ তাঁর সাধনার পরম পরিণতি হিসেবে স্ত্রী সারদা দেবীর মধ্যে আদ্যাশক্তির প্রকাশ দেখেছিলেন। ফলহারিণী কালীপুজোর রাতেই তিনি সারদা দেবীকে দেবীর আসনে প্রতিষ্ঠা করে পুজো করেন। এর মাধ্যমে নারীশক্তি, মাতৃত্ব ও দেবীত্বের এক অনন্য ব্যাখ্যা সামনে আসে। পরবর্তীতে এই সময়ের কালী পুজো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে ফলহারিণী কালী (Falharini Kali Puja 2026) পুজো নামেই প্রসিদ্ধি পায়।

LinkedIn
Share