Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পার্ক সার্কাস সংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সাম্প্রতিক অবনতি এবং অশান্তির ঘটনায় অত্যন্ত কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে কোনও অবস্থাতেই অরাজকতা বা আইন অমান্য করার ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে মুক্তহস্ত করা হয়েছে। এর পর পার্ক সার্কাসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িে তাঁর সাফ কথা, “হাতে পাথর তুলে নেওয়া, ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে গন্ডগোল করা পশ্চিমবঙ্গে আর চলবে না।”

    প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। পার্ক সার্কাসে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

    একই ভাবে আহত পুলিশকর্মী এবং সিআরপিএফদের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওঁদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। কতটা জখম হয়েছেন দেখলাম। আমাদের পুরো বাহিনী গতকাল যে ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেছে, বড় অঘটন ঘটতে দেয়নি, মানুষজনকে বাঁচিয়েছে, তাঁদেরও আমি সাপোর্ট দিতে এসেছিলাম। বলেছি, সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনারা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) অনুযায়ী, ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন। আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে। নগরপালের নেতৃত্বে পুরো দল রয়েছে।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পূর্বতন সরকারের আমলে সুনির্দিষ্ট তোষণ নীতির কারণে কিছু সমাজবিরোধী যে প্রশ্রয় পেয়েছিল, নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে।”

    স্পর্শকাতর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার নির্দেশ

    শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যে কোনও রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় সংগঠন পুলিশকে জানিয়ে তাদের কর্মসূচি করতে পারে। কিন্তু মানুষ জড়ো করে ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া, পাথর ছোড়া… কাশ্মীরে, শ্রীনগরে পুলিশকে পাথর ছোড়া বন্ধ হয়েছে, আমার মনে হয় পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতাতেও এ বার বন্ধ হবে। আমি আবেদন করব, এই কাজগুলো আর করবেন না। যদি মনে করে থাকেন, আগের সরকার আছে, আগের নিয়ম আছে, পুলিশফোর্সকে হাত-পা বেঁধে রেখে দেওয়া হবে, তা হলে কিন্তু ভুল করবেন। তাই ‘ক্লিয়ার মেসেজ’ দিচ্ছি, এই ধরনের অশান্তি, গুন্ডামিতে ‘জিরো টলারেন্স’। দেশ-বিরোধী, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ চালাতে দেব না। হোম মিনিস্টার হিসাবে আমি লাস্ট ওয়ার্ড বলে গেলাম, একটা পুলিশের গায়ে যদি হাত পড়ে, এই সরকার তার জন্য আইন প্রয়োগ করে যত দূর যেতে হয় যাবে। শুধু অ্যারেস্ট (গ্রেফতার) নয়, কনভিকশন (দণ্ড) করানো পর্যন্ত ক্লোজ় মনিটরিংয়ের দায়িত্ব আমাদের হাতে থাকবে। আর পুলিশ বন্ধুদের বলব, আপনাদের প্রশিক্ষণের সময় যা বলা হয়েছে, বিএনএস যা বলে, আপনাদের ঊর্ধ্বতন যে নির্দেশ দেবেন, সেই অনুযায়ী ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন।”

    পার্ক সার্কাস ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) স্থানীয় নাগরিকদের উস্কানিমূলক আচরণ বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে বিন্দু মাত্র আপস নয়

    দুষ্কৃতীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনারাও কান খুলে শুনে নিন, এটাই শেষ ঘটনা। এর পর এমন ঘটনা ঘটতে দেব না। এর পর এমন ঘটনা যদি ঘটান, আমার থেকে খারাপ কোনও পুলিশমন্ত্রী হবে না।” রাজনৈতিক মহলের মতে, পার্ক সার্কাসের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবগঠিত বিজেপি সরকার স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশ্নে তারা বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই কড়া অবস্থান রাজ্যে সুশাসন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

  • Dilip Ghosh: প্রশাসনিক সংস্কারে গতি আনছে নতুন সরকার, বকেয়া ডিএ ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: প্রশাসনিক সংস্কারে গতি আনছে নতুন সরকার, বকেয়া ডিএ ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথগ্রহণের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত একাধিক সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজ্যে বাস্তবায়িত হতে শুরু করেছে। এই আবহেই আজ নবান্নে বিজেপি সরকারের (BJP Bengal) দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং সপ্তম বেতন কমিশন রূপায়ণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সরকার অতি দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    বয়সসীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে

    দীর্ঘদিন বিরোধী আসনে থাকাকালীন পঞ্চায়েত স্তরে যে আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ গেরুয়া শিবির (BJP Bengal) তুলেছিল, সরকার পরিবর্তনের পর সেই দফতরকে সম্পূর্ণ ‘দুর্নীতিমুক্ত’ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে স্পষ্ট করেছেন এই নবনিযুক্ত মন্ত্রী দিলীপ (Dilip Ghosh)। প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন কর্মসংস্থান ও নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই অর্থ দফতরের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ সম্প্রসারণ না হওয়ায় মন্ত্রীর সংখ্যা কম থাকলেও, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকারি কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।”

    অতি শীঘ্রই জমি হস্তান্তর

    ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়েও সোমবার এক তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা থাকা সত্ত্বেও পূর্বতন রাজ্য সরকারের অনীহার কারণে পশ্চিমবঙ্গের একটি বড় অংশের সীমান্ত অসুরক্ষিত ছিল। বর্তমান সরকার (BJP Bengal) দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর জন্য জমি চিহ্নিতকরণ ও পরিমাপের কাজ দ্রুততার সাথে শুরু করেছে এবং অতি শীঘ্রই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”

    স্টেশন চত্বর দ্রুত জবরদখল মুক্ত করার উদ্যোগ

    রেলের জমিতে অবৈধ জবরদখল উচ্ছেদের ক্ষেত্রেও কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার (BJP Bengal)। মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “উত্তরপ্রদেশ সরকারের অনুসৃত প্রশাসনিক মডেল অনুসরণ করে স্টেশন চত্বর দ্রুত জবরদখল মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও সংলগ্ন এলাকা অবরুদ্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত ও বসার ক্ষেত্রে যে চরম ভোগান্তি হতো, তা দূর করতে আরপিএফ (RPF) এবং রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবে। যারা বিরোধিতা করছেন তাঁদের কাছে প্রশ্ন সুশাসনের বিকল্প হিসেবে রাজ্যে কি তবে অরাজকতা চলতে দেওয়া হবে?”

    জন নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ়

    পাশাপাশি, রাজ্যের (BJP Bengal) একাধিক ভিআইপি এবং ভিভিআইপি-দের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। তাঁর (Dilip Ghosh) দাবি, পূর্বতন আমলের বহু জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী ব্যক্তি নানাবিধ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে জনরোষের ভয়ে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে চলতেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা সম্ভব হতো না। এই সিদ্ধান্তের ফলে জননিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

  • Janatar Darbar: শুরু হল শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Janatar Darbar: শুরু হল শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কার্যভার গ্রহণের পর প্রথম ‘জনতার দরবার’ (Janatar Darbar) কর্মসূচির সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ জুন থেকে এই জনসংযোগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের দশ দিন পূর্বেই, অর্থাৎ ১৮ মে সল্টলেকের বিজেপি রাজ্য কার্যালয়ে তিনি এই কর্মসূচির আয়োজন করেন। সাধারণ মানুষ নিজের নিজের সমস্যার কথা তুলে ধরলেন বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রীকে। উল্লেখ্য প্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয় রাজা-মহারাজারা জনতার দরবারে বসতেন। সাধারন মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতেন।

    রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উপস্থিত হন জনতা (Janatar Darbar)

    সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে। উপস্থিত নাগরিকসমাজ জমি সংক্রান্ত বিরোধ, প্রশাসনিক জটিলতা, স্থানীয় স্তরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যার কথা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর নিকট উত্থাপন করেন। শিক্ষার্থীসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষের এই অভাব-অভিযোগ ও আবেদন অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে শোনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর জনতার দরবার (Janatar Darbar) থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কিছু সমস্যার দ্রুত প্রশাসনিক সমাধানের আশ্বাসও প্রদান করেন।

    শপথ গ্রহণের পরেই সিদ্ধান্ত হয়

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জনগণের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শ্রবণের উদ্দেশ্যে এই নিয়মিত জনতার দরবার (Janatar Darbar) কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের প্রশাসনিক ইতিহাসে এই ব্যবস্থার ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। আধুনিক ভারতেও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিংবা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নীতিশ কুমার নিজ নিজ রাজ্যে এই ধরনের সফল জনতার দরবার পরিচালনা করেছেন। এমনকি ২০০১ সালে মধ্যপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উমা ভারতীও তাঁর সরকারি বাসভবনে অনুরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

    প্রথম সপ্তাহেই সুশাসনের ইঙ্গিত

    এদিকে, ভারতীয় জনতা পার্টির (Suvendu Adhikari) রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, রাজ্যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই অর্থাৎ ৯ থেকে ১৬ মে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত (Janatar Darbar) ও পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনাধীনে পশ্চিমবঙ্গ যা অর্জন করতে পারেনি, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই সেই সুশাসনের গতি নিশ্চিত করতে শুরু করেছে। এটিই হলো প্রগতিশীল ও নতুন পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত পরিচয়।”

  • Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) ভিভিআইপি (VVIP) প্রবেশদ্বারের সম্মুখে অবস্থিত পূর্বতন শাসকদলের আমলে নির্মিত বিতর্কিত ভাস্কর্যটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবগঠিত রাজ্য সরকার। গত রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী ‘ডার্বি’ ম্যাচ উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের  ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্টেডিয়ামের নান্দনিক পরিবেশ ও পরিকাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল (Nisith Pramanik)

    তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্মিত এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশাকৃত এই ভাস্কর্যটিতে মানব অবয়বের নিম্নাংশের ওপর ‘বিশ্ববাংলা’র প্রতীক ও ফুটবল প্রদর্শিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, শিল্পসম্মত উৎকর্ষের অভাব এবং ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) প্রবেশদ্বারের নান্দনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ভাস্কর্যটি অপসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক মন্তব্য করেন, ‘‘শিল্পটির গঠনে এক প্রকার অসঙ্গতি রয়েছে এবং এর কোনও সুনির্দিষ্ট অর্থ বা তাৎপর্য প্রকাশ পায় না। এরকম বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই বিগত সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল। এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, কোনও মানে নেই সেটা আমরা রাখব না, আমরা পরিবর্তন করব।’’ তিনি মজা করে আরও বলেন, ‘‘এই ভাস্কর্যটি স্থাপনের পর থেকেই পূর্বতন সরকারের শাসনব্যবস্থায় নানাবিধ জটিলতা ও বিপর্যয় দৃশ্যমান হয়েছিল।’’

    ফুড কোর্ট স্থাপন করা হবে

    ভাস্কর্য অপসারণের পাশাপাশি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত সংস্কারের কথা ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “স্টেডিয়াম চত্বরে দর্শকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত ফুড কোর্ট (Food Court) স্থাপন করা হবে। সেখানে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান কঠোরভাবে বজায় রাখতে ফুড টেস্টিং অফিসার বা খাদ্য পরিদর্শকদের নিয়মিত নিয়োজিত করা হবে, যা দর্শকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।” ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে তিনি আরও জানান যে, প্রশাসনিক ব্যস্ততা না থাকলে যুবভারতীতে (Yuva Bharati Stadium) আয়োজিত ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচগুলোতে তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড় ও দর্শকদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন।

    মেসি ফাইল’ ওপেন

    সাংবাদিক বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীত প্রামাণিক বিগত সময়ে যুবভারতীকে (Yuva Bharati Stadium) কেন্দ্র করে ঘটা বহুল আলোচিত ‘মেসি ফাইল’ বা ম্যাচ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের তদন্ত প্রসঙ্গেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যেসকল ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও অসম্মানিত বোধ করেছিলেন, সরকার তাঁদের সেই সম্মান ও অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দর্শকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে ক্রীড়া মন্ত্রক সর্বতোভাবে সহায়তা প্রদান করবে।

  • Nabanna Cabinet Meeting: নবান্নে বড় ঘোষণা! সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর, মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস ও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    Nabanna Cabinet Meeting: নবান্নে বড় ঘোষণা! সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর, মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস ও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো নতুন বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক। সরকার গঠনের পর এটি ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক, যেখানে রাজ্যের সাধারণ মানুষ, বিশেষত মহিলা ও সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থে একাধিক বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তগুলির বিস্তারিত ঘোষণা করেন। তাঁর কথায়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মানুষের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করেছে এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিকে ফের সক্রিয় করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

    সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত

    দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অন্যতম বড় দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে বেতন কাঠামো এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে আজকের বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন পুনর্বিবেচনা, বকেয়া ডিএ এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত জট দ্রুত কাটতে পারে। যদিও কমিশনের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো, সদস্য তালিকা এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। সাধারণত ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্য পে কমিশন গঠন করে। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। রাজ্য মন্ত্রিসভা সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর দেওয়ার পর বেতন বৃদ্ধির অঙ্ক নিয়েও চলছে জল্পনা।সরকারি কর্মীরা বলছেন, সপ্তম পে কমিশন গঠন হয়ে কার্যকর হলে, একলাফে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে কর্মীদের বেসিক পে।

    প্রতিশ্রুতি পালন বিজেপির

    নির্বাচনী ইস্তেহার থেকে প্রচারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে সপ্তম পে কমিশন। তার ফলে বেতন পরিকাঠামোয় বদল আসবে। ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হয়েছে। রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে। গত ৯ মে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার ঠিক ৯ দিনের মাথায় দ্বিতীয় বৈঠকে সপ্তম পে কমিশনে সায় দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমরা আগে থেকেই বলেছিলাম, শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, প্রশাসনিক কাজেও গতি আনা হবে। সরকার গঠনের পর থেকেই মানুষের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি ফের রাজ্যে চালু করাই আমাদের লক্ষ্য।” যদিও ডিএ নিয়ে এদিনের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে তা অ্যাজেন্ডায় রয়েছে বলেই জানান মন্ত্রী। রাজ্য সরকারের এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সরকারি কর্মীরা।

    ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর বদলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    সবচেয়ে বড় ঘোষণা এসেছে রাজ্যের বহুল জনপ্রিয় মহিলা সহায়তা প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে চালু করা হবে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ নামে। ক্যাবিনেট সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আওতায় আর্থিক সহায়তা পেতেন, তাঁদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পে স্থানান্তরিত করা হবে। ফলে পুরনো উপভোক্তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন হবে না। আগের মতোই সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

    নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু শীঘ্রই

    এছাড়া, যাঁরা এখনও এই প্রকল্পের সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য খুব শীঘ্রই একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। সেখান থেকে আবেদন করে নতুন উপভোক্তারা এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র জন্য আবেদনকারীদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরাও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর সুবিধা পাবেন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ১ জুন থেকে মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত

    মহিলাদের জন্য আরও একটি বড় স্বস্তির ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। আগামী ১ জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে কর্মজীবী, ছাত্রী, গৃহবধূ এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলাদের যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। মন্ত্রী আরও জানান, জুন মাসে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের পর রাজ্যে নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস (E-Bus) পরিষেবা সম্প্রসারণে।

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বার্তা

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা বৈঠক থেকেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে মহিলা কল্যাণ, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দাবি এবং গণপরিবহণ—এই তিন ক্ষেত্রকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ ও বিনামূল্যে বাসযাত্রার মতো সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। জুনের পূর্ণাঙ্গ বাজেটের দিকে এখন নজর থাকবে রাজ্যবাসীর, কারণ সেখানেই এই ঘোষণাগুলির আর্থিক কাঠামো এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট হতে পারে।

  • Shamik Bhattacharya: “তোমাকে মিস করছি… হে বীর”, অভিষেককে কটাক্ষ শমীকের, ফলতায় সংখ্যালঘুদের আশ্বাস বিজেপির

    Shamik Bhattacharya: “তোমাকে মিস করছি… হে বীর”, অভিষেককে কটাক্ষ শমীকের, ফলতায় সংখ্যালঘুদের আশ্বাস বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। গত শনিবার এই কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মনোনীত প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে আয়োজিত একটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি শাসকদলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের কড়া সমালোচনা করেন। এর ঠিক পরদিনই, অর্থাৎ রবিবার, ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে এক ভিন্ন রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করার পাশাপাশি, তাঁকে ফলতায় এসে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সশরীরে প্রচার করার আহ্বান জানান শমীক।

    রাজনৈতিক দাপট আজ অপ্রাসঙ্গিক (Shamik Bhattacharya)

    আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শনিবারের সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি প্রার্থীকে ন্যূনতম এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ী করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলেন। রবিবার শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) সেই লক্ষ্যমাত্রাকে আরও প্রসারিত করে সোয়া লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ের দাবি জানান। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক পরিহাসের সুরে তিনি বলেন, “প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পুলিশি বেষ্টনী ব্যতিরেকে শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের চিরাচরিত রাজনৈতিক দাপট আজ অপ্রাসঙ্গিক। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক যদি ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে আসেন, তবে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকেরা তাঁকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক সৌজন্য প্রদর্শন করবেন। হে বীর তোমায় মিস করছি, তুমি এসো। যিনি বলেছিলেন ডিজে বাজাবেন, আমি বলছিলাম হারমোনিয়াম, জলতরঙ্গও বাজাতে পারেন। সব বাড়ির মধ্যে। যাঁরা লড়াই  করবেন বলছিলেন, বাড়িতে এখন শ্যাডো প্র্যাক্টিস করছেন। যাঁরা বিশু ছিলেন তাঁরা এখন শিশু হয়ে গেছেন। আর পথ নেই।”

    তৃণমূলের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের

    উল্লেখ্য, বিগত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান তাঁর অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। তবে শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পর বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার কার্য পরিচালনায় শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এক প্রকার অনীহা ও জড়তা নজরে আসছে। বিগত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বিজেপি কর্মীদের ওপর নানাভাবে রাজনৈতিক হিংসার দৃষ্টান্ত লক্ষ্য করা গিয়েছে। সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিজেপি কর্মীরা যেখানে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় রয়েছেন, সেখানে শাসকদলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি আজ অত্যন্ত সীমিত।”

    সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    উক্ত সমাবেশ থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক বার্তা প্রদান করেন। শমীক (Shamik Bhattacharya) আশ্বস্ত করে বলেন, “সাধারণ সংখ্যালঘু নাগরিকদের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও আদর্শগত বা রাজনৈতিক বিরোধ নেই। দেশকে নিজের মাতৃভূমি হিসেবে গভীর প্রত্যয়ের সাথে গ্রহণ করেন এবং বিজেপি সর্বদা আপনাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাজ্যে বর্তমানে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আইনি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে, তবে প্রশাসন আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

    দ্রুত এই অঞ্চলে শিল্পায়ন

    ফলতার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে শমীক (Shamik Bhattacharya) ভট্টাচার্য জানান, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং কোনও প্রকার ভীতি ব্যতিরেকে তাঁরা নিজেদের প্রচার কর্মসূচি ও জনসভা পরিচালনা করতে পারেন; বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও রূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে না। তবে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরায় রাজনৈতিক ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দেন তিনি। পরিশেষে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা দূরীকরণের আশ্বাস দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি উল্লেখ করেন, নবগঠিত সরকার দ্রুত এই অঞ্চলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বাস্তবায়ন করবে, যাতে স্থানীয় যুবসমাজকে জীবিকার তাগিদে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিন রাজ্যে গমন করতে না হয়।

    বিজেপির প্রতিকে টেপ লাগানো হয়েছিল

    উল্লেখ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূলের সর্বভারতীয়  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, “যারা আমাদেরকে এসে ধমকাচ্ছে, বাংলার মাটিতে এসে বাঙালিকে চমকাচ্ছে, ‘উল্টা করকে লটকা দেগা’, আমি বলব, সৎ সাহস থাকলে ৪ তারিখ বাংলায় থাকবেন। বেলা ১২টার পর কথা হবে, দেখা হবে। কে কাকে উল্টো করে টাঙায়, বাংলার মানুষ দেখিয়ে দেবে ৪ তারিখ।”

    ফলতায়  এদিন তা নিয়েও বক্তব্য রাখেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “ডায়মন্ড হারবারের কিছু অংশের মানুষকে বোঝানো হয়েছিল, বিরোধী বলে কিছু রাখতে নেই। এখন আমরা বলছি, উত্তরাধিকার কেমন আছ? হয় সোমা ঘোষকে পাঠাচ্ছি লালপার সাদা শাড়ি পড়ে বরণ করবে,  আর নয়তো গ্রিন করিডর করে দিচ্ছি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাড়ি চলে যাও। কী যেন বলে ছিলে, হোদল কুতকুত।”

    তবে ৪ মে ফলাফল ঘোষনার পর তৃণমূলের যে ভরাডুবি হয়েছে তার জেরে বড় নেতাদের আনাগোনা কমে গিয়েছে । এই কেন্দ্রে ব্যাপক ছাপ্পা এবং বিজেপির প্রতীকে টেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের কাছে নালিশ যেতেই ২১ মে ফের আরেকবার ভোট গ্রহণ হবে।

  • Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে অশান্ত পার্ক সার্কাস (Chaos at Park Circus) সেভেন পয়েন্ট। বেআইনি জমায়েত, রাস্তা অবরোধের চেষ্টা। রবিবার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ইটবৃষ্টি করে। পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় জখম হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়ি ও একটি বাসও। পুলিশ সূত্রে খবর, তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দাদের নামে এই জমায়েত হলেও সেখানে বাইরের লোকও উপস্থিত ছিল।

    কীভাবে চলে হামলা

    পুলিশের দাবি, জমায়েতের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে গেলে আচমকাই তাদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনার জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশবাহিনী। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও (Central Forces) ঘটনাস্থলে নামানো হয়েছে বলে খবর। ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অসীম বিশ্বাস জানান, অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা চলছিল। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের উপর হামলা করা হয়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশেই থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি বাসেও বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।

    কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনল পুলিশ

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের ৩ জন আহত হন। ঘটনার পর কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। গ্রেফতার করা হয়েছে ২০ জনকে। ধৃতদের মধ্যে একজন ফেসবুক লাইভ করে আজ জমায়েতের ডাক দিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে। তিনি আরও জানান, গোটা ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারিও দেন পুলিশকর্তা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস এই ঘটনার তাব্র নিন্দা করেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।

    কেন অশান্ত পার্ক সার্কাস

    গত ১২ মে তিলজলা থানা এলাকার জিজে খান রোডের একটি চারতলা বাড়ির দোতলায় থাকা কারখানায় আগুন লাগে। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের তদন্তে প্রাথমিক ভাবে ওই ঘটনায় বেআইনি বাড়ি, বেআইনি কারখানার মতো বিষয় সামনে এসেছে। আগুন লাগার ঘটনার পরেই তিলজলার ওই বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। তবে তার উপর কলকাতা হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, পার্ক সার্কাসে রবিবার দুপুরে বিক্ষোভের মূল কারণ তিলজলায় বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙা। পুলিশের একাংশের দাবি, শনিবার রাতেই পার্ক সার্কাসে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা হয়, তবে সেই সময়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভ দেখানোর ডাক দেওয়া হয়। এ দিন দুপুর ২টো নাগাদ প্রায় ৪০০ জনের একটি জমায়েত দেখা যায় পার্ক সার্কাস সাত মাথার মোড়ে। ওই বিক্ষোভ ও অবরোধের জেরে ঘণ্টা খানেক রাস্তা বন্ধ ছিল। রবিবার হওয়া সত্ত্বেও ব্যস্ত ওই তল্লাটে স্বভাবতই যানজট হয়

    বাইরের লোকও মিশেছিল দাবি পুলিশের

    তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার ব্যবহারের প্রতিবাদে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টে উপস্থিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের বক্তব্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অবৈধ জমায়েতে বাইরের লোকও মিশে ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইন্টেলিজেন্সের তথ্য পেয়ে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ। সেজন্য বড় ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করছিল। পুলিশ হঠাতে গিয়েছিল। তখন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।” ডেপুটি কমিশনার (সাউথ–ইস্ট ডিভিশন বা এসইডি) সৈকত ঘোষ জানান, এ দিনের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার, বেনিয়াপুকুর থানার ওসি এবং কয়েক জন পুলিশকর্মী, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাসচালক ও সাধারণ মানুষ— সব মিলিয়ে জনা দশেক আহত হয়েছেন।

    ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল, বড় কিছু হয়নি

    পুলিশের উপর হামলাকারীদের ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এর পিছনে কারা রয়েছে, আমরা খতিয়ে দেখছি। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরে থেকেও লোক এসেছিল। আমরা সব খতিয়ে দেখছি। কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড়ব না। কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমাদের ৩ পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের কাছে ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল। আমরা তৈরি ছিলাম। সেজন্য বড় কিছু হয়নি।” বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশের উপর হামলা হলে লাঠিচার্জ হবেই। জেন্ডার দেখা হবে না।” রাজ্যের শাসকদল বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র দেবজিত সরকার বলেন, ‘সংবিধান স্বীকৃত আইনের কোনও বিরোধিতা করা যাবে না। সকলকে সংবিধান ও দেশের আইন মেনে চলতে হবে। না–মানলে পুলিশ পদক্ষেপ নেবে। রাজ্য সরকারের পুলিশ পদক্ষেপ করায় তাদের অভিনন্দন।’

  • PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে বিশেষ উপহার বিনিময় করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। রবিবার সুইডেনে পৌঁছনোর পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই প্রতীকী উপহার বিনিময় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ এ বছর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক সুইডেন সফরের শতবর্ষও উদযাপিত হচ্ছে।

    কী উপহার পেলেন নরেন্দ্র মোদি?

    সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে লেখা দুটি এপিগ্রামের (সংক্ষিপ্ত কাব্যপংক্তি) প্রতিলিপি। এর সঙ্গে ছিল একটি ব্যাখ্যামূলক নোট এবং ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের সময় তোলা একটি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এই মূল নথিগুলি সম্প্রতি সুইডিশ ন্যাশনাল আর্কাইভস থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলি রবীন্দ্রনাথের ১৯২১ এবং ১৯২৬ সালের সুইডেন সফরের সময় রচিত।

    কী উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদি?

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলীর একটি বিশেষ সংকলন। সঙ্গে ছিল শান্তিনিকেতনের শিল্পীদের হাতে তৈরি একটি কারুকার্যখচিত ব্যাগ, যার নকশায় ব্যবহার করা হয়েছে সেইসব মোটিফ যা রবীন্দ্রনাথ নিজে স্থানীয় কারিগরদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে বেছে নিয়েছিলেন।

    কবিগুরুর সুইডেন সফর…

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যাগটি রবীন্দ্রনাথের সেই দর্শনের প্রতীক, যেখানে শিল্পকে শুধুমাত্র গ্যালারির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, বুদ্ধিবৃত্তিক শিল্পচর্চা এবং ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধনই ছিল তাঁর ভাবনার মূল ভিত্তি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যক্তিগত কারণে সুইডেনে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ১৯২১ সালে সুইডেন সফরকালে তাঁকে রাজা পঞ্চম গুস্তাভ অভ্যর্থনা জানান। সেই সফরই ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

    উপহার বিনিময়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুইডেন সফর কূটনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। দুই দিনের সফরে তিনি সুইডেনের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানগুলির অন্যতম ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, ডিগ্রি কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’-এ ভূষিত হন। ভারত-সুইডেন সম্পর্ক উন্নয়নে অসামান্য অবদান এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদল-স্তরের বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), উদীয়মান প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, গ্রিন ট্রানজিশন এবং স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুই পক্ষই আশাবাদী।

    রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক কূটনীতি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেন্দ্র করে এই সাংস্কৃতিক কূটনীতি শুধুমাত্র ঐতিহাসিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবন নয়, বরং ভারত-সুইডেন সম্পর্ককে মানবিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিতেও আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। মোদির এই সফর প্রমাণ করল, কূটনীতির ভাষা শুধু বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা নয়—সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং সাহিত্যও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

  • Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিটি অন্যায়ের ‘বিচার হবে’। খুন হওয়া আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath Murder) বাড়িতে গিয়ে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য নির্বাচনের ফলাফল জানা গিয়েছে তখন। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) হবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটানা। মধ্যমগ্রামের কাছে রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে, নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর ১১ দিন অতিবাহিত। রবিবার, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে ভিজল তাঁর চোখও।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে

    রবিবার চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে তাঁর দেশের বাড়ি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে। সন্ধ্যায় চণ্ডীপুর এলাকায় চন্দ্রনাথের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু। আপ্তসহায়কের ছবিতে মালা দিয়ে তিনি কথা বলেন চন্দ্রনাথের মা-সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন পুত্রহারা হাসিরানি রথ। মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথের মা বলেন, ‘‘উনি যে আমার বাড়িতে এসেছেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য। আমার ছেলেকে মনে রেখেছেন উনি। অনেকেই পদ পাওয়ার পর সব ভুলে যান। কিন্তু উনি এসে কান্নাকাটি করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আমাদের পাশে আছেন। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন উনি। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’’

    দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

    চন্দ্রনাথের খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ সিট গঠন করে। সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার থেকে এক ‘শার্প শুটার’কে গ্রেফতার করে আনে তারা। কিন্তু মূল চক্রী কে, কার ষড়যন্ত্রে এই খুন, তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। হাসি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন চন্দ্রনাথকে তিনি নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু সে কথায় আমল দেননি তাঁর পুত্র। মহিলার কথায়, ‘‘হয়তো ভবানীপুরের হার মেনে নিতে পারেনি মাননীয়া। সে জন্য আমার ছেলেকে খুন হতে হল। যাঁরা আমার ছেলেকে মেরেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হোক। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আমাদের আস্থা আছে। উনিও দোষীদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন। আমরা বিচার চেয়েছি। সিবিআইয়ের তদন্ত এগোলে সবটা জানতে পারব।’’

  • Modi 31st International Award: ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান মোদির ঝুলিতে, সুইডেনের ঐতিহাসিক ‘পোলার স্টার’ সম্মান হাতে প্রধানমন্ত্রী

    Modi 31st International Award: ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান মোদির ঝুলিতে, সুইডেনের ঐতিহাসিক ‘পোলার স্টার’ সম্মান হাতে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সুইডেন কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সুইডেনের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’ প্রদান করল সুইডেন সরকার। সোমবার সুইডেন সফরে গোথেনবার্গে পৌঁছনোর পর এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মান তুলে দেন সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। এই পুরস্কার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাষ্ট্রনেতৃত্ব এবং বিশ্বব্যাপী সহযোগিতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। সুইডেনের পাঁচ দেশের সফরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই সম্মান প্রাপ্তি ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা এবং কৌশলগত গুরুত্বকে নতুন মাত্রা দিল বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

    কী এই ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার’?

    ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার’ (Kungliga Nordstjärneorden) সুইডেনের একটি ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা, যা ১৭৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত নাগরিক সেবা, বিজ্ঞান, সাহিত্য, জনকল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক সদ্ভাব বৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এর ‘কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’ গ্রেডটি সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্তরগুলির মধ্যে অন্যতম। সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এই সম্মান দেওয়া হয়।

    সম্মান গ্রহণ করে কী বললেন মোদি?

    সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, এটি ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সম্মান। আমি এই পুরস্কার ভারত ও সুইডেনের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সৌহার্দ্যের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।” তিনি আরও বলেন, সুইডেনের এই সম্মান দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বেরই প্রতিফলন। মোদির কথায়, “ভারত ও সুইডেন শুধু অর্থনৈতিক অংশীদার নয়, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতার ক্ষেত্রেও একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।”

    মোদির ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান

    বিদেশি সরকারের তরফে প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সম্মানের সংখ্যা এবার দাঁড়াল একত্রিশে। গত কয়েক বছরে বিশ্বের একাধিক দেশ মোদিকে তাদের সর্বোচ্চ বা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক সম্মান ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাব, কৌশলগত অবস্থান এবং মোদি সরকারের সক্রিয় কূটনৈতিক নীতির প্রতিফলন। বিশেষ করে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্লোবাল সাউথ-এর স্বার্থরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পক্ষে ভারতের অবস্থান আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসিত হয়েছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মান?

    সুইডিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত-সুইডেন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার-এ পৌঁছেছে।

    দুই দেশের সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে—

    • ● প্রতিরক্ষা সহযোগিতা
    • ● সবুজ শক্তি ও দুষণমুক্ত জ্বালানি প্রযুক্তি
    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
    • ● উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম
    • ● টেকসই নগর উন্নয়ন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি জোরদার করতে সুইডেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। একই সঙ্গে নর্ডিক অঞ্চলে ভারতের প্রভাব বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ।

    ভারত-সুইডেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, উদ্ভাবন, সবুজ প্রযুক্তি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে শুধু একটি সম্মাননা নয়, এই সফরকে ভারত-সুইডেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুইডেনের এই সম্মান বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থান এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার আরেকটি প্রতীক হয়ে থাকল।

LinkedIn
Share