Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • SCALP-Meteor Missile: লাগবে নয়া রাফালে, সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার স্ক্যাল্প-মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ভারত

    SCALP-Meteor Missile: লাগবে নয়া রাফালে, সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার স্ক্যাল্প-মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ভারত

    সুশান্ত দাস

    গুলি ছাড়া যেমন বন্দুক মূল্যহীন, ঠিক তেমনই ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া যুদ্ধবিমানেরও কোনও মূল্য নেই। বৃহস্পতিবারই ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার অনুমোদন দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তবে, স্রেফ যুদ্ধবিমান কিনলেই তো হবে না, তার অস্ত্রও পেতে হবে। যে কারণে, রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমানে ব্যবহার করার জন্য বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুল বরাতও দেওয়ার তোড়জোড় করছে মোদি সরকার। আর এই তালিকায় রয়েছে একজোড়া ভয়ঙ্কর ও পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্র— স্ক্যাল্প (SCALP) বা স্টর্ম শ্যাডো (Storm Shadow) এবং মিটিয়র (Meteor)। বরাতের মূল্য প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। বলাবাহুল্য, এই দুই ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি করে ফ্রান্স— যে দেশ থেকে আসছে রাফাল জেট।

    ৩০ কোটি ইউরোর চুক্তি

    কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, এই মর্মে ভারত ও ফ্রান্স একটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি চূড়ান্ত করার দিকে এগোচ্ছে। প্রায় ৩০ কোটি ইউরো (ভারতীয় মুদ্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের এই চুক্তির আওতায় ভারতীয় বায়ুসেনা বিপুল সংখ্যক স্ক্যাল্প ক্রুজ মিসাইল কিনতে চলেছে। এই স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানের ভিতরে জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, ফ্রান্স থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্ক্যাল্প ক্রুজ মিসাইল কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    স্ক্যাল্প মিসাইল কী ও কেন তা গুরুত্বপূর্ণ?

    স্ক্যাল্প (SCALP)-এর পূর্ণরূপ <Système de Croisière Autonome à Longue Portée>। ফরাসি এই শব্দগুচ্ছের অর্থ হল— দূরপাল্লার স্বায়ত্তশাসিত ক্রুজ সিস্টেম। আন্তর্জাতিকভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ‘স্টর্ম শ্যাডো’ নামেও পরিচিত। ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা এমবিডিএ নির্মিত যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্রুজ মিসাইল মূলত বাঙ্কার, কমান্ড সেন্টার, বিমানঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর মতো উচ্চ-মূল্যের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য তৈরি। এই মিসাইল অত্যন্ত নিচু উচ্চতায় উড়ে ভূখণ্ড অনুসরণ করে এগোতে পারে, ফলে শত্রুপক্ষের রেডার এড়ানো সম্ভব হয়। এর গাইডেন্স সিস্টেমে রয়েছে জিপিএস, ইনার্শিয়াল ন্যাভিগেশন, টেরেন ম্যাপিং এবং ইনফ্রারেড সিকার। এর পাল্লা ২৫০ কিলোমিটারেরও বেশি, ফলে যুদ্ধবিমান নিরাপদ দূরত্ব থেকেই আঘাত হানতে পারে।

    অপারেশন সিঁদুরে ব্যবহার

    গত বছরের অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান থেকে ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের সঙ্গে স্ক্যাল্প মিসাইল ব্যবহার করে পাকিস্তানের মুরিদকে ও বাহাওয়ালপুর জেলায় জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়। আধিকারিকদের মতে, লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়। ৬–৭ মে রাতের অভিযানের পর ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (PAF) একাধিক ঘাঁটিতে ক্রুজ মিসাইল হামলা চালায়। এই অভিযানে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করা হয় এবং সেখানে থাকা যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমানের মতো একাধিক উচ্চ-মূল্যের সম্পদ ধ্বংস করা হয়। স্ক্যাল্প মিসাইল রাফাল যুদ্ধবিমানের অস্ত্রভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই ভবিষ্যতেও ব্যবহৃত হবে।

    মিটিয়র মিসাইল কী ও কেন তা গুরুত্বপূর্ণ?

    স্ক্যাল্প-এর পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনা রাফাল যুদ্ধবিমানের যুদ্ধক্ষমতা আরও বাড়াতে বিপুল সংখ্যক মিটিয়র (Meteor) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল কেনার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এর জন্য প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল হল মিটিয়র। এটি একটি আধুনিক প্রজন্মের বিয়ন্ড-ভিজুয়াল-রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। এটি আকাশযুদ্ধে শত্রু বিমানের বিরুদ্ধে অনেক দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য আঘাত হানার জন্য তৈরি করা হয়েছে। মিটিয়র মিসাইলের কার্যকর পাল্লা প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি। এর উন্নত গাইডেন্স সিস্টেমে রয়েছে ইনার্শিয়াল ন্যাভিগেশন, ডেটালিঙ্ক আপডেট এবং শেষ ধাপে অ্যাকটিভ রাডার সিকার, যার ফলে ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও লক্ষ্যবস্তু নির্ভুলভাবে শনাক্ত ও ধ্বংস করা সম্ভব হয়। এই মিসাইলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর র‌্যামজেট প্রোপালশন সিস্টেম। সাধারণ মিসাইল যেখানে শেষ পর্যায়ে গতি ও শক্তি হারায়, সেখানে মিটিয়র পুরো উড়ানজুড়েই উচ্চগতি বজায় রাখতে পারে। ফলে দ্রুতগামী ও কৌশলী শত্রু বিমান, ড্রোন কিংবা ক্রুজ মিসাইল ধ্বংস করার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এই মিসাইলগুলো ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য কেনা ২৬টি রাফাল-মেরিন Rafale-M) যুদ্ধবিমানের সঙ্গেও যুক্ত করা হবে, যেগুলি আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা।

    ভারতের ভবিষ্যৎ বায়ুশক্তির কেন্দ্রে রাফাল

    প্রস্তাবিত স্ক্যাল্প ও মিটিয়র মিসাইল কেনা ভারতের বিমান শক্তিকে রাফালকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শীঘ্রই ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা বিষয়ক মস্ত্রিসভার কমিটিতে। এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে আগামী এক দশকের মধ্যে ভারতের রাফাল বহর প্রায় ১৭৫-এ পৌঁছাতে পারে, যা শত্রুদেশের গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা ও প্রতিরোধ শক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। ভারত ও ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ক্রমশ গভীর হওয়ার প্রেক্ষাপটে, যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত কর্মক্ষমতার ভিত্তিতেই এই স্ক্যাল্প ও মিটিয়র মিসাইল চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আরও সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এবার কয়লা পাচার মামলার (Bengal Coal Scam) মূল অভিযুক্ত লালা সিন্ডিকেটের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার পুরনো কয়লা পাচার মামলাতেই ১০০ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এর ফলে এই মামলায় এখন পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মোট অঙ্ক দাঁড়াল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। তদন্তকারীরা জানান, গত ৪ জানুয়ারি দিল্লি ও কলকাতায় একযোগে চালানো তল্লাশি অভিযানের সময়ই লালা সিন্ডিকেটের গড়া এই বিপুল সম্পদের নথি উদ্ধার হয়। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হত কয়লা পাচার?

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে আরও জানা গেছে, কয়লা পাচারের অর্থ দুটি বেনামি সংস্থার নামে জমি কেনা ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ্যমে লুকানো হয়েছিল। ভুয়ো চালানের মাধ্যমে ১০ বা ২০ টাকার নোট আটকে তার ছবি ব্যবহার করে লেনদেন দেখানো হত। এই সামান্য চালানের আড়ালেই গড়ে ওঠে কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি। তদন্তে উঠে এসেছে, চালানে পিন আটকানো ১০ বা ২০ টাকার নোট। ওই নোটের নম্বরই আসলে কোড। নাম তার ‘লালা প‌্যাড’। কয়লা মাফিয়া হিসাবে অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নামেই নামকরণ হয় এই প‌্যাডের। এই নোট-সহ প‌্যাডের ছবি হোয়াটসঅ‌্যাপে কয়লা পাচারের (Bengal Coal Scam) সঙ্গে যুক্ত পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হত। এই টাকা আটকানো চালান যে ট্রাক চালকের কাছে থাকত, তাঁকে আটকানো হত না। ভুয়ো চালানের সঙ্গে পাঠানো হত ট্রাকের নম্বর প্লেটও। সেই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ছেড়ে দেওয়া হত বেআইনি কয়লা-সহ ট্রাক। এভাবেই বেআইনি কয়লা খাদান থেকে কয়লা পাচার হত বলে দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। ইডির গোয়েন্দারা জানান, ওই কয়লা পাচার চক্র বিপুল টাকা পাচার করত হাওয়ালার মাধ‌্যমেও। সেই ক্ষেত্রেও ১০ টাকার নোটের নম্বর ব‌্যবহার করা হত। ওই নম্বর দেখেই হাওয়ালা চক্র জায়গামতো পাঠিয়ে দিত কোটি কোটি টাকা। তদন্তকারীদের ধারণা, লালা সিন্ডিকেটের মোট দুর্নীতির পরিমাণ ২,৭০০ কোটি টাকারও বেশি।

    জড়িত পুলিশ আধিকারিক?…

    একদিকে পুরনো মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন মামলায় (Bengal Coal Scam) চলছে জোরদার তলব। সম্প্রতি কয়লা পাচার সংক্রান্ত নতুন মামলায় বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে হাজিরার নির্দেশ দেয় ইডি। নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর বদলে দুই আইনজীবী—শুভ্রাংশু পাল ও দেবতনু দাস হাজির হন। তাঁদের কাছ থেকেই মনোরঞ্জন মণ্ডল এবং তাঁর বাবা-মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। রাজ্যের বিভিন্ন রেল সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা সামনে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর এবং পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেই সূত্রেই প্রকাশ্যে আসে অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তার সিন্ডিকেটের নাম। গত বছর ইডি (Enforcement Directorate) এই ঘটনায় আরও একটি নতুন মামলা দায়ের করে। ভোটমুখী বাংলায় সেই তদন্ত এখন ফের তীব্র গতিতে এগোচ্ছে।

  • Gen Naravane Memoir Row: জেনারেল নারাভানে স্মৃতিকথা বিতর্ক! কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীদের বই প্রকাশে নির্দেশিকা আনছে কেন্দ্র

    Gen Naravane Memoir Row: জেনারেল নারাভানে স্মৃতিকথা বিতর্ক! কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীদের বই প্রকাশে নির্দেশিকা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানের (Gen Naravane Memoir Row) অপ্রকাশিত বইকে ঘিরে বিতর্কের জেরে কেন্দ্র সরকার কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’ (Four Stars of Destiny) শীর্ষক এই অপ্রকাশিত বইটি সম্প্রতি আলোচনায় আসে। লোকসভায় চলতি বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বইটির কিছু অংশ উদ্ধৃত করার চেষ্টা করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন নারাভানে। তাঁর ‘অপ্রকাশিত’ বইয়ের কিছু অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। যার পর শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    সেনা কর্মীদের জন্য কঠোর নির্দেশিকা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বই প্রকাশ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি বৈঠক হয়েছে এবং সেখানে বিস্তারিত উপস্থাপনাও করা হয়েছে। প্রস্তাবিত নির্দেশিকায় সার্ভিস রুলস এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট (ওএসএ)-এর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সম্প্রতি জেনারেল নারাভানের অপ্রকাশিত বইকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে স্পষ্ট ও কঠোর নিয়ম প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই নতুন নির্দেশিকা তৈরি করা হচ্ছে।
    বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কর্তব্যরত অবস্থায় সেনা আধিকারিক বা আমলাদের বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিয়ম রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম প্রযোজ্য, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুযায়ী, গোপন কোনও তথ্য, স্পর্শকাতর কোনও কথোপকথন, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা বা বিদেশনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তা খোলসা করা যায় না। আবার সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস পেনশন রুল ২০২১ সালে সংশোধন করা হয়, যাতে বলা হয়েছে, কাজ সংক্রান্ত কোনও রকম লেখা প্রকাশ করতে গেলে তাঁর আগের সংস্থার বর্তমান প্রধানের ছাড়পত্র প্রয়োজন। নিয়ম না মানলে পেনশন তুলতে সমস্যা হতে পারে। দেশের তিন বাহিনী এর অন্তর্ভুক্ত না হলেও, তাঁরাও বিধিনিয়ম মেনে চলবেন বলে প্রত্যাশা করা হয়।

    কী থাকতে পারে নতুন নিয়মে?

    নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হবে, কোনো পাণ্ডুলিপি প্রকাশের আগে কী প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যদি বইয়ে সামরিক অভিযান, কৌশল বা সংবেদনশীল তথ্য সংক্রান্ত বিষয় থাকে, তবে লেখককে তা প্রকাশের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে জমা দিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক প্রকাশের অনুমতি দেবে। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বই লেখার বিষয়ে একক কোনো আইন নেই। কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য। তবে উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় নিরাপত্তা ও গোপন তথ্য সুরক্ষা সর্বাধিক গুরুত্ব পায়। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুযায়ী, গোপন বা সংবেদনশীল সামরিক তথ্য প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অবসর গ্রহণের পরও আজীবন প্রযোজ্য থাকে।

  • India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার পর ভারত (India) এখন আর একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে (India Chile FTA)। এই চুক্তিটি প্রচলিত বাণিজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বহুমাত্রিক সুবিধা এনে দিতে পারে। নয়াদিল্লি বর্তমানে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। চিলিকে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিচ গত বছর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এগিয়ে নিতে ভারত সফর করেন। চুক্তিটি (India Chile Trade Deal) সম্পন্ন হলে ভারতের উৎপাদন, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ গবেষণা খাতে কৌশলগত সুবিধা মিলবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ চিলি (India)

    দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত চিলি লিথিয়াম, তামা এবং কোবাল্ট-সহ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এসব সম্পদ ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং সৌরশক্তি শিল্পের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে চিন একতরফাভাবে রেয়ার আর্থ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ভারতের শিল্পোন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এসব কাঁচামালের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে (India Chile Trade Deal)। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও চিলির সঙ্গে আলোচনা প্রায় দু’দশক আগে শুরু হয়। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের আলোচনা শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে একটি প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলেও তা পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পরিণত হয়নি। বর্তমানে যে আলোচনা চলছে, তাতে একাধিক খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হচ্ছে। উভয় দেশ ডিজিটাল পরিষেবা, বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (India) (MSME) খাতে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    পীযূষ গোয়েলের ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চিলির সঙ্গে একটি বিস্তৃত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত-চিলি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে (India Chile FTA)। এর মধ্যে ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২.৬০ বিলিয়ন ডলার। ভারত প্রধানত যানবাহন, ওষুধ, রাসায়নিক পণ্য, ইস্পাতজাত সামগ্রী, বস্ত্র, চামড়াজাত পণ্য, রাবার এবং জুতো রফতানি করে। অন্যদিকে চিলি তামা, আয়োডিন, আখরোট, কিউই এবং আপেলের মতো পণ্য সরবরাহ করে, যা ভারতের শিল্প কাঁচামাল ও কৃষিপণ্যের সরবরাহকে শক্তিশালী করে। ভারতীয় কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যেই উদীয়মান এই অংশীদারিত্বের সুফল নিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়া সম্প্রতি চিলিতে একটি পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বিরল মৃত্তিকা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদক্ষেপ ভারতের বিদেশে সরাসরি  খনিজ সম্পদ সুরক্ষিত করার কৌশলগত অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে। বেসরকারি খাতও এ ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছে (India Chile Trade Deal)। আদানি গ্রুপ-সহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী বিশেষ করে খনি ও পরিকাঠামো খাতে চিলিতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখছে।

    আলোচনা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন প্রস্তাবিত ভারত–চিলি চুক্তিকে (India Chile Trade Deal) একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে, সীমিত উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উন্নত (India Chile FTA) উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে (India)।

  • Epilepsy in West Bengal: রাজ্যে বাড়ছে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা! কোন বয়সে বাড়তি বিপদ? কী এর সমাধান?

    Epilepsy in West Bengal: রাজ্যে বাড়ছে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা! কোন বয়সে বাড়তি বিপদ? কী এর সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে বাড়ছে এপিলেপসি (Epilepsy in West Bengal) বা মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। গোটা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি এবং নানান জটিলতা তৈরি করে। তাই প্রথম থেকেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ জরুরি (Epilepsy Symptoms Prevention) বলেই মত চিকিৎসক মহলের।

    দেশের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা কত?

    সর্বভারতীয় এক সমীক্ষায় সম্প্রতি জানা গিয়েছে, গোটা ভারতেই এপিলেপসি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সঙ্কট। ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে প্রতি ১০০০ জনে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ জন। শহরে পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। প্রতি ১০০০ জনে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ জন। পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় ১০০০ জনে এপিলেপসি আক্রান্তের (Epilepsy in West Bengal) সংখ্যা ১৫ জন। পুরুষদের মধ্যে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেশি। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ পুরুষদের ১০০০ জনের মধ্যে ৩৭ জন এপিলেপসিতে আক্রান্ত হন। কলকাতা সহ বড় শহরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    কেন রাজ্যে এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ স্ট্রোক এবং ডিমেনশিয়ার মতো স্বাস্থ্য সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এপিলেপসি আক্রান্তের একটি বড় অংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। যারা জীবনের কোনও একটা সময় স্নায়বিক সমস্যায় ভুগেছেন। আবার অনেকের স্ট্রোক হয়েছে কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো জটিল সমস্যা রয়েছে। তাই এপিলেপসির (Epilepsy in West Bengal) মতো সমস্যা তৈরি হয়েছে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে স্ট্রোকের ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিমেনশিয়ার মতো সমস্যাও বাড়ছে। তাই এপিলেপসির মতো জটিলতায় আরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

    কোন বয়সে এপিলেপসি হওয়ার ঝুঁকি থাকে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স এপিলেপসি আক্রান্ত হওয়ার সীমারেখা টানতে পারে না। শিশুর জন্মের পরে প্রথম দুই বছরের মধ্যেই এই রোগ দেখা দিতে পারে। আবার সম্পূর্ণ সুস্থ একজন মানুষ পঞ্চাশ কিংবা পঞ্চান্ন বছর বয়সে নতুন ভাবে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হলে বছর বারো বয়সের পরে রোগের প্রকোপ অনেকখানি কমে। শিশুদের এই রোগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তুলনায় বয়স্কদের এই রোগ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। ৫০ কিংবা ৬০ বছর বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগ নিয়ন্ত্রণ তুলনায় জটিল হয়ে ওঠে।

    কেন হয় এপিলেপসি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের স্নায়ুতে অস্বাভাবিক ক্রিয়ার জন্য একধরনের শক্তি তৈরি হয়। যা শরীরের জন্য অতিরিক্ত। আর তার ফলেই খিঁচুনির মতো রোগ দেখা যায়। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এপিলেপসি বলা হয়।
    শিশু মাতৃগর্ভে থাকাকালীন মস্তিষ্কে ঠিকমতো অক্সিজেন না পৌঁছলে জন্মের পরেই শিশু এপিলেপসি আক্রান্ত (Epilepsy in West Bengal) হতে পারে। এছাড়াও ১-২ বছর বয়সে কোনও জটিল ভাইরাস ঘটিত অসুখ, মেনিনজাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলে শিশুর এপিলেপসি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এপিলেসসি আক্রান্ত হওয়ার একাধিক কারণ থাকতে পারে। মূলত স্ট্রোকের কারণেই বয়স্কেরা এই রোগে আক্রান্ত হন। এছাড়া, কোনও ধরনের দূর্ঘটনার ফলেও এই রোগ হতে পারে। পথ দূর্ঘটনা কিংবা অত্যন্ত গভীর মানসিক চাপের জেরে মস্তিষ্কের স্নায়ুতে অস্বাভাবিক ক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তার ফলে এপিলেপসি হতে পারে। আবার শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা অতিরিক্ত কমে গেলে মস্তিষ্কে গভীর প্রভাব পড়ে। তার জেরেও এপিলেপসি হতে পারে।

    ঘুমের মধ্যেই কি রয়েছে সুস্থ থাকার দাওয়াই?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এপিলেপসি পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়। তবে এপিলেপসি নিয়ন্ত্রণ (Epilepsy Symptoms Prevention) সম্ভব। ঘন ঘন খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো শরীরের জন্য বিপজ্জনক। তাতে স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হয়। তাই এপিলেপসি আক্রান্তের সুস্থ থাকা জরুরি। কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এপিলেপসি আক্রান্তের স্নায়ুর বিশ্রাম সবচেয়ে জরুরি। তাই পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এপিলেপসি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আক্রান্তের নিয়মিত ৮-৯ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। তাতে মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাবে। স্নায়ু অস্বাভাবিক অতিরিক্ত সক্রিয় হবে না। মানসিক চাপ তৈরি হয়, এমন কাজ কখনোই করা উচিত নয়। এপিলেপসি আক্রান্তের পাশপাশি তার পরিবারকেও এদিকে নজর দিতে হবে বলে জানাচ্ছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা বলছেন, মানসিক চাপ স্নায়ুর উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। তাই এপিলেপসি আক্রান্তের (Epilepsy in West Bengal) আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই তাঁদের মানসিক চাপ দেওয়া চলবে না। এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে হবে। খাবারে যাতে অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট এবং তেল মশলা না থাকে সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ এগুলো পর্যাপ্ত ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। প্রয়োজনে নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। কিন্তু স্নায়ু্র কাজ স্বাভাবিক থাকে। এছাড়া চিকিৎস যদি ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন, তাহলে নিয়ম মেনে সেই ওষুধ খেতে হবে বলেও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Nandini Chakravorty Summoned: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য! মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে দিল্লিতে তলব

    Nandini Chakravorty Summoned: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য! মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে দিল্লিতে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বিধি না মানার অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে তলব করা হল। একটি নয়, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কমিশনের একাধিক নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে ফোন করে তলব করা হয়েছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এর আগে গত অগস্টে মনোজ পন্থ রাজ্যের মুখ্যসচিব থাকার সময়ে তাঁকেও তলব করেছিল কমিশন। তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন কমিশনের দফতরে।

    কী কী নির্দেশ মানা হয়নি ?

    এর আগেই কমিশনের তরফ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে কড়া চিঠি এসেছিল। কমিশনের বেশি কিছু নির্দেশ না-মানার বিষয়টি চিঠিতে উল্লিখিত ছিল বলেই খবর। বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ও ময়নার দু’জন করে ইআরও এবং এইআরও ও একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সহ মোট ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু, এফআইআর দায়ের তো দূর, উল্টে অফিসারদের পাশে দাঁড়ান খোদ মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা তৎকালীন মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে তলব করে নির্বাচন কমিশন। তবে, কমিশনের নির্দেশমতো, সেই এফআইআর দায়ের হয়নি! সম্প্রতি এ নিয়ে ফের মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি দিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, এটা নির্বাচন কমিশনের দেওয়া বিধিবদ্ধ নির্দেশের লঙ্ঘন।

    নির্দেশাবলীর লঙ্ঘন

    এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়ায় গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, বসিরহাট-২ এর বিডিও সুমিত্রপ্রতিম প্রধানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বসিরহাট উত্তরের এইআরও হওয়ার সুবাদে, নির্বাচন কমিশনকে না জানিয়েই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ১১ জন কর্মকর্তা নিয়োগ করেছিলেন তিনি যা নিয়মবিরুদ্ধে। তাঁকে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। কিন্তু তা না করায় মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে কমিশন বলেছে, এর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের এবং নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নির্দেশাবলী লঙ্ঘন করা হয়েছে। এছাড়া , তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার হিসেবে নাম ঘোষণার পরেও, অশ্বিনী কুমার যাদব, শ্রী রণধীর কুমার এবং স্মিতা পাণ্ডের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কেন সেই বদলি তা জানানো হয়নি। তা না মানাকেও এসআইআর সংক্রান্ত নির্দেশাবলীর লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন।

     

     

     

  • T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন! অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবোয়ে, এই নিয়ে ২ বার

    T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন! অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবোয়ে, এই নিয়ে ২ বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রথম অঘটন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া। একের পর এক তারকার চোটে শুরু থেকেই সমস্যায় ছিল অজিরা। শুক্রবার অস্ট্রেলিয়াকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিলেন সিকন্দর রাজারা। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কলম্বোতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ট্রাভিস হেডের দল। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবোয়ে করে ২ উইকেটে ১৬৯। জবাবে অস্ট্রেলিয়া করল ১৯.৩ ওভারে ১৪৬। পুরো ২০ ওভার ব্যাটই করতে পারলেন না অজিরা। ২৩ রানে জিতল জিম্বাবোয়ে। এ দিন ম্যাচের কোনও সময়ই অস্ট্রেলিয়ার চেনা দাপট দেখা যায়নি।

    অস্ট্রেলিয়ার খটকা জিম্বাবোয়ে

    অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে জিম্বাবোয়ের ব্যাটাররা অসাধারণ পারফর্ম করে। জবাবে ১৪৬ রানে শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। শুক্রবার ১৭০ রান তাড়া করতে নেমে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবোয়ের বোলিং আক্রমণের সামনে কলম্বোর ২২ গজে দাঁড়াতেই পারেননি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম চার ব্যাটার। জশ ইংলিস (৮), ট্রেভিস হেড (১৭), ক্যামেরন গ্রিন (০) এবং টিম ডেভিড (০) পর পর ফিরে যান। খাতায়-কলমে দুর্বল হলেও জিম্বাবোয়ে যে কোনও মুহূর্তে যে চমকে দিতে পারে, সে কথা অজানা নয় ৷ অন্য়দিকে প্রথম ম্য়াচ সহজে জিতলেও চোট-আঘাতে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে একটা খটকা ছিলই ৷ শুক্রবারের কলম্বোয় সেই খটকাই যেন বাস্তব রূপ নিল ৷ এর আগেও বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের কাছে হারতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল জিম্বাবোয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দু’দেশ এখনও পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে এই দু’বারই। সেই হিসাবে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল আফ্রিকার দেশটি। সব মিলিয়ে দু’দেশ চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। ফল ২-২।

    নেপালকে হারিয়ে নজির ইটালির

    প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এসে নজির গড়ল ইটালি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তারা শুধু প্রথম ম্যাচই জিতল না, নেপালকে ১০ উইকেটে হারাল আজুরিরা। ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়ে নজর কেড়েছিল নেপাল। অথচ ইটালির বিরুদ্ধে অসহায় দেখাল রোহিত পৌড়েলের দলকে। ওয়াংখেড়ের ২২ গজে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না নেপাল। ধারাবাহিক ব্যবধানে উইকেট হারিয়েছে তারা। ১৯.৩ ওভারে ১২৩ রানে শেষ হয় যায় নেপালের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কোনও উইকেট না হারিয়ে ১২.৪ ওভারে ১২৪ রান ইটালির। দুই ওপেনার ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়েন। বেশি আগ্রাসী ছিলেন অ্যান্টনি মোস্কা। তিনি ৩২ বলে অপরাজিত ৬২ রান করেন ৩টি চার এবং ৬টি ছক্কার সাহায্যে। তাঁর তিন বছরের ছোট ভাই জাস্টিন মোস্কা ৪৪ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিনি ৫টি চার এবং ৩টি ছয় মেরেছেন। নেপালের কোনও বোলারই ইটালির দুই ওপেনিং ব্যাটারের আগ্রাসন থামাতে পারেননি। প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েই জয়ের স্বাদ পেল ইউরোপের দেশটি।

  • India Brazil Relations: ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক নয়া উচ্চতায়, ২৬০ কোম্পানি ও ১৪ মন্ত্রী নিয়ে দিল্লি সফরে আসছেন লুলা

    India Brazil Relations: ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক নয়া উচ্চতায়, ২৬০ কোম্পানি ও ১৪ মন্ত্রী নিয়ে দিল্লি সফরে আসছেন লুলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (Luiz Inácio Lula da Silva)। আগামী ১৮ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (President Lula PM Modi Meet) সঙ্গে দেখা করার জন্য দিল্লি আসছেন লুলা। তাঁর সঙ্গে থাকছে ব্রাসিলিয়ার ২৬০টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রতিনিধিদল ও ১৪ জন মন্ত্রিসভার সদস্য। ভারত সফরে এটাই হবে ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রতিনিধিদল, যা এই সফরের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিকটি তুলে ধরছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট লুলার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি এই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের (President Lula in India) সমস্ত দিক পর্যালোচনা করবেন এবং ভারত-ব্রাজিল কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার উপায় খুঁজবেন। সঙ্গে থাকা মন্ত্রীরা তাঁদের ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা

    ২১ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট লুলার মধ্যে শীর্ষ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। সেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শক্তি (নবায়নযোগ্য সহ), কৃষি, স্বাস্থ্য ও ওষুধ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বিরল খনিজ পদার্থ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) ও এআই-এর ক্ষেত্রে সহযোগিতা, মহাকাশ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংযোগের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়, বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা, সংস্কারকৃত বহুপাক্ষিকতা, বিশ্বব্যাপী শাসন এবং গ্লোবাল সাউথের সমস্যা নিয়েও মতবিনিময় করবেন। রাষ্ট্রসংঘ সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে দুই দেশের মতামত একই।

    কূটনৈতিক গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট

    এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন বৈশ্বিক ভূরাজনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। গত জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র সঙ্গে প্রেসিডেন্ট লুলার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে ওঠে। সেই ধারাবাহিকতায় দিল্লি সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রাজিল সরকার। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সফরে প্রেসিডেন্ট লুলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন। প্রসঙ্গত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শীর্ষ বৈঠকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, নীতিনির্ধারক এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার, তথ্য সুরক্ষা, উদ্ভাবন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। ভারত এই ক্ষেত্রকে ভবিষ্যতের বৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে। দিল্লিতে নিরাপত্তা ও প্রোটোকল সংক্রান্ত প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণ

    সফরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ১৯–২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় “এআই ইমপ্যাক্ট সামিট”-এ প্রেসিডেন্ট লুলার অংশগ্রহণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল উন্নয়নে দুই গণতান্ত্রিক দেশের অভিন্ন আগ্রহ এই অংশগ্রহণে প্রতিফলিত হবে। ব্রাজিলের শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলির সিইও-রা এই সফরে আয়োজিত একটি বিজনেস ফোরামে অংশ নেবেন, যা ভারত ও ব্রাজিলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে প্রতিফলিত করে। বর্তমানে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ব্রাজিল ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও রেয়ার আর্থ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন, ওষুধশিল্প এবং ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে বিপুল সম্ভাবনা দেখছেন দুই দেশের নীতিনির্ধারকরা।

    দ্রৌপদী মুর্মু-র সঙ্গেও সাক্ষাৎ লুলার

    এটি হবে প্রেসিডেন্ট লুলার ষষ্ঠ ভারত সফর এটি। তিনি প্রথমবার ২০০৪ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারত সফর করেন এবং শেষবার ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ভারতে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট লুলা প্রায়শই সাক্ষাৎ করেছেন। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২৫ সালের ৭-৮ জুলাই ব্রাসিলিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছিলেন, যা ছিল ৫৭ বছরের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। দুই নেতা ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের সময়ও দেখা করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট লুলা ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হবে।

    কাছে আসছে ভারত ও ব্রাজিল

    আমেরিকার শুল্ক বসানোর পর থেকেই পৃথিবীতে নতুন অক্ষ তৈরি হতে শুরু করেছে। আর এমন পরিস্থিতিতেই কাছে এসেছে ভারত এবং ব্রাজিল। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা জানান, ভারত এবং ব্রাজিলের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান রয়েছে। ব্রাজিলিয়ানরা ভালোবাসে ভারতীয়দের। আর ভারতীয়রা ভালোবাসে ব্রাজিলকে। তাই একটা শক্ত পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে উঠতেই পারে বলে তিনি মনে করেন। গত বছরে ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সাক্ষাতের পরে সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষার পাশাপাশি কৃষি, জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার। সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হবে লুলা ও মোদির। বিদেশ মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘ভারত ও ব্রাজিলের সম্পর্ক বহু দশকের। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি গবেষণা, স্বাস্থ্য এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। এই সফর সেই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’

  • T20 World Cup 2026: লক্ষ্য পাকিস্তান ম্যাচ! নামিবিয়াকে রেকর্ড ৯৩ রানে হারিয়ে কলম্বোর পথে সূর্যরা

    T20 World Cup 2026: লক্ষ্য পাকিস্তান ম্যাচ! নামিবিয়াকে রেকর্ড ৯৩ রানে হারিয়ে কলম্বোর পথে সূর্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) প্রথম দুই ম্যাচে তুলনামূলক সহজ দুই প্রতিপক্ষকে দুরমুশ করে রবিবারের ভারত-পাক মহারণের প্রস্তুতি সেরে ফেললেন সূর্যকুমাররা। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারিয়ে ভারত পয়েন্ট টেবিলের প্রথম স্থানে চলে এল। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ই ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি ব্যবধানে জয়। শুক্রবারই শ্রীলঙ্কা রওনা হবে ভারতীয় দল। রবিবার কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে নামবেন সূর্যরা। অনেক টালবাহানার পর অবশেষে ভারত ম্যাচে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। তারাও এই মুহূর্তে গ্ৰুপের দ্বিতীয় পজিশনে। রবিবার পাক বধ করতে পারলেই সুপার এইটের রাস্তা অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে গুরু গম্ভীরের দলের কাছে। তার আগে নামিবিয়াকে হারিয়ে পাক ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেন ঈশানরা।

    রেকর্ড রানে জয় ভারতের

    বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ১৮তম ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ভারতের ওপেনার ঈশান কিষাণ। মাত্র ২৪ বলে ৬১ রান করেন, যার মধ্যে ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। ইশান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থিত হন এবং নামিবিয়ার বোলারদের হতাশ করেন। ইশান মাত্র ২০ বলে তার পঞ্চাশ রান করেন। এদিন ২৮ বলে ৫২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন হার্দিক। তাঁদের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান তোলে ভারত। ২১১ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় নামিবিয়া। বল হাতে ভারতকে এগিয়ে দেন তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। অসাধারণ বোলিং করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়াও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন, তাঁর ঝুলিতে যায় ২ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ১১৬ রানে গুটিয়ে যায় নামিবিয়ার ইনিংস। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারিয়ে রেকর্ড গড়েন সূর্যরা।

    ভারত-পাক মহারণই আসল পরীক্ষা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দু’ম্যাচে জয় এলও দলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারানোর পর মেনে নিলেন সূর্যকুমার যাদব। সূর্য মেনে নিলেন, সব কিছু ঠিকমতো হচ্ছে না। ম্যাচের পর তিনি বললেন, ‘‘ভালো ম্যাচ হল। ঈশান কিশন আর সঞ্জু স্যামসন দারুণ শুরু করেছিল। ৬-৭ ওভারে মনে হচ্ছিল ২৪০-২৫০ রান হয়ে যাবে। সেটা হল না। উইকেটে বল একটু থেমে আসছিল। নামিবিয়ার বোলারেরাও খুব ভালো বল করল। ওদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। ক্রিকেট এই জন্যই অনিশ্চয়তার খেলা।’’ ভারতীয় দলের অধিনায়ক খুশি বুমরা, হার্দিকের পারফরম্যান্সে। সূর্য বললেন, ‘‘বুমরাহ পুরো ৪ ওভার বল করল। এটা আমাদের বড় পাওনা। অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে জুটিতে বরুণ চক্রবর্তীও খুব ভালো বল করল।’’ আলাদা করে বললেন হার্দিকের কথা। সূর্য উচ্ছ্বসিত তাঁকে নিয়ে, ‘‘হার্দিক দুর্দান্ত। ভালো ব্যাট করল। নতুন বলে বল করল। শেষের দিকের ওভারগুলোতেও বেশ ভালো বল করল। যখন প্রয়োজন হচ্ছে, তখনই কিছু না কিছু করছে। আমাদের কাছে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা হয়তো আমরা নিখুঁত করতে পারিনি। তবে দল ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’’ আসলে রবিবার ভারত-পাক মহারণই যে আসল পরীক্ষা, তা ভালোই জানেন সূর্য।

  • Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবার একসঙ্গে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন মোদি। দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) ও তার মিত্ররা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ইতিমধ্যেই ২১১টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Two-thirds Majority) নিশ্চিত করেছে।

    অভিনন্দন বার্তায় কী লিখলেন মোদি

    শুক্রবার সকালে সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদি লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”

    কৌশলী পদক্ষেপ মোদির

    ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন। গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। বারবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি করলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি একেবারে নিশ্চুপ। এমনকী বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহেও দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের আভাস পেয়েই মোদির বার্তা কৌশলী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি-র

    প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    বিপুল ভোটে জয়ী তারেক

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য কোনও দল বা জোটকে ১৫১টি আসনে জিততে হতো। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দু’টি আসনেই (ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬) জয়ী হয়েছেন। ৭৭ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে বিপুল জয় খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট। এই আসনে তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মহম্মদ আবিদুর রহমান। ইতিমধ্যেই বিএনপি-র তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ‘বিপুল সংখ্যক আসনে’ নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মৃতিতে, দেশবাসীর প্রতি শুভকামনায় বিএনপি-র তরফে বিভিন্ন মজসিদে প্রার্থনা করা হবে। তাদের তরফে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি-র তরফে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা জয় উপলক্ষে কোনও বিজয়মিছিল বা সভা করছে না।

    ভারত-বিরোধিতা কাজে এল না

    লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।

    গণভোটের গণনা

    দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারা দেশ থেকে আসা বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি ইতিমধ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে চলছে গণভোটের গণনা। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা’র (বাসস) খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭টি এবং না ভোট পড়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৬টি। এ বারই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা না হলেও সংসদ নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা আসতে চলেছে বিএনপি। এ বার গণভোটের যে ইঙ্গিত মিলছে তাতে স্পষ্ট, হ্যাঁ ভোট এগিয়ে অনেকটাই।

LinkedIn
Share