Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Final Phase Of SIR: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বড়সড় সংশোধন! এপ্রিল থেকেই শুরু শেষ পর্যায়ের এসআইআর

    Final Phase Of SIR: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বড়সড় সংশোধন! এপ্রিল থেকেই শুরু শেষ পর্যায়ের এসআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আরও ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR)-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Final Phase Of SIR) সম্পন্ন হয়েছে। বাকি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি এই নতুন পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হবে। প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। কমিশন (Election Commission Of India) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কোন কোন রাজ্যে শুরু হবে এসআইআর

    বৃহস্পতিবার কমিশন অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, লাদাখ, মহারাষ্ট্র, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, দিল্লি, ওড়িশা, পাঞ্জাব, সিকিম, ত্রিপুরা, তেলঙ্গানা ও উত্তরাখণ্ডের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, গত বছরের জুন মাসেই সারা দেশে এসআইআর চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে বিহারে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে এবং ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রায় ৬০ কোটি ভোটারকে নিয়ে কাজ চলছে। বাকি প্রায় ৪০ কোটি ভোটারকে এই ১৭টি রাজ্য ও ৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অসমে এসআইআর-এর বদলে ‘বিশেষ সংশোধন’ প্রক্রিয়া ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে।

    বাংলায় কোন পর্যায়ে এসআইআর

    এসআইআর-এর (Final Phase Of SIR) এই প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কও কম নয়। তবে, বিহারে প্রস্তুতি চলাকালীনই কমিশনের কিছু আধিকারিক দাবি করেছিলেন, তৃণমূল স্তরে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশ, নেপাল ও মায়ানমারের কয়েকজন অনুপ্রবেশকারী নাগরিকের নাম ভোটার তালিকায় পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গেও সেই ধরনের নাগরিকের খোঁজ মিলেছে। সীমান্তে ভিড়ও চোখে পড়েছে। যদিও পরবর্তীতে কমিশন এই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট সংখ্যা বা প্রমাণ প্রকাশ করেনি। পশ্চিববঙ্গ-সহ ১২ রাজ্যে চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া। ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কিন্তু তালিকা প্রকাশের দিন নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সূত্রের খবর, নির্ধারিত ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই তালিকা প্রকাশ নাও হতে পারে। বাড়তে পারে সময়সীমা। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘‘যদি অভিযোগ নিষ্পত্তি শেষ না হয়, যদি কাজ না শেষ হয় সেক্ষেত্রে সময় বাড়বে। আগে তো ইআরও এইআরও, জেলাশাসকরা বলুক কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সময় বাড়বে।”

  • India France Relation: মাইক্রোসফট থেকে শানেল— বহুজাতিক সংস্থাগুলোর মাথায় ভারতীয়রা! ‘‘বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত’’, প্রশংসা মাক্রঁর

    India France Relation: মাইক্রোসফট থেকে শানেল— বহুজাতিক সংস্থাগুলোর মাথায় ভারতীয়রা! ‘‘বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত’’, প্রশংসা মাক্রঁর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত (India France Relation)। আধুনিক ভারত কেবল বৈশ্বিক উদ্ভাবনে অংশগ্রহণই করে না, বরং নেতৃত্ব দিচ্ছে। মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া–ফ্রান্স ইনোভেশন ফোরামে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ (Modi-Macron Meeting) ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘‘আজকের বিশ্বে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ভারত শুধু অংশগ্রহণকারী নয়, বরং পথপ্রদর্শক।’’ বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থার শীর্ষপদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইওদের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে মাক্রঁ ভারতের প্রতিভা ও ক্ষমতার বিশেষ স্বীকৃতি দেন।

    নেতৃত্বে ভারত

    ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ বলেন, “ভারত বৈশ্বিক উদ্ভাবনে শুধু অংশগ্রহণ করে না; ভারত নেতৃত্ব দেয়। অ্যালফাবেট (Alphabet)-এর সিইও ভারতীয়। মাইক্রোসফট (Microsoft)-এর সিইও ভারতীয়। আইবিএম (IBM)-এর সিইও ভারতীয়। অ্যাডোবে (Adobe)-এর সিইও ভারতীয়। পালো অলটো নেটওয়ার্ক (Palo Alto Networks)-এর সিইও ভারতীয়। এমনকি শানেল (Chanel)-এর সিইও-ও ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলাপুরের বাসিন্দা।” উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন সংস্থা শানেল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন খ্যাতনামা ডিজাইনার কোকো শানেল। মাক্রঁ সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai), সত্য নাদেলা (Satya Nadella), অরবিন্দ কৃষ্ণ (Arvind Krishna), শান্তনু নারায়ণ (Shantanu Narayen), নিকেশ অরোরা (Nikesh Arora) এবং লীনা নায়ার (Leena Nair)-এর কথা উল্লেখ করেন। এই সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সভায় উপস্থিত ভারতীয় প্রতিনিধিদের মুখে হাসি ফোটায়।

    ভারতের উদ্ভাবনী শক্তির প্রশংসা

    অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর উপস্থিত ছিলেন। মাক্রঁ-র বক্তব্যে ভারতের উদ্ভাবনী শক্তি, বিশাল মানবসম্পদ এবং বৃহৎ জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে দ্রুত ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষমতার বিশেষ প্রশংসা করা হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতের শিল্প গঠনে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। মাক্রঁর তিন দিনের ভারত সফরের সূচনাতেই দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে “স্পেশাল গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ”-উন্নত করার কথা ঘোষণা করে। প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং উচ্চপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায় উভয় দেশ। বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, বর্তমান বিশ্বে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব এক শক্তিশালী স্থিতিশীলতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

    ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব বিশ্বে স্থিতিশীলতার এক শক্তি

    মোদি বলেন, “বিশ্ব আজ অনিশ্চয়তার সময় পার করছে। এমন পরিবেশে ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব বিশ্বের স্থিতিশীলতার এক শক্তি। আমরা ফ্রান্সের দক্ষতা এবং ভারতের ব্যাপকতার সমন্বয় ঘটাচ্ছি।” মোদি বলেন, ‘‘রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিম এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভারত ও ফ্রান্স গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফ্রান্স ভারতের অন্যতম প্রাচীন কৌশলগত অংশীদার এবং দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত বিশেষ ও বিশ্বাসভিত্তিক। প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রেসিডেন্ট মাক্রঁর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে এই সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বলেন, “আজ আমরা আমাদের সম্পর্ককে ‘বিশেষ বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত করছি।” দুই নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সহ-উৎপাদন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খল, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং শিক্ষা বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উন্নত প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৌশলগত খনিজ ও টেকসই জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে মোট ২১টি চুক্তি ও নথিতে সই হয়েছে।

    প্রতিরক্ষা নির্ভরতা

    সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হল ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য বহু বিলিয়ন ডলারের চুক্তি। ফরাসি প্রতিরক্ষা সংস্থা দাসো এভিয়েশন নির্মিত রাফাল কেনার প্রস্তাব ইতিমধ্যেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রায় ৩০ বিলিয়ন ইউরোর এই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে। অধিকাংশ বিমানই ভারতে তৈরি হবে বলে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, ভারত এর আগে ৬২টি রাফাল কিনেছে। সম্ভাব্য এই চুক্তিকে ফরাসি বিশ্লেষকরা “শতাব্দীর চুক্তি” হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। মোদি ও মাক্রঁ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্ণাটকের ভেমাগালে ভারতের প্রথম হেলিকপ্টার ফাইনাল অ্যাসেম্বলি লাইন উদ্বোধন করেন। এটি ভারতের টাটা গ্রুপ এবং ইউরোপীয় বিমান নির্মাতা এয়ারবাস-এর যৌথ উদ্যোগ। এখানে এয়ারবাসের জনপ্রিয় এক-ইঞ্জিনের হেলিকপ্টার এইচ১২৫ তৈরি হবে। গত এক দশকে ফ্রান্স ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ খাতনির্ভর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বর্তমানে বছরে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার। ভারতে ফরাসি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার। ভারত গত এক দশকে রাশিয়ার ওপর প্রতিরক্ষা নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকেছে এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর নীতি নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    ভারত-ফ্রান্স পাশাপাশি

    ইন্ডিয়া–ফ্রান্স ইয়ার অব ইনোভেশন উদ্বোধনের পর মাক্রঁ তাঁর বক্তব্যের একটি অংশ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে ক্যাপশন দেন, ‘জয় হো!’। এটি তাঁর চতুর্থ ভারত সফর এবং প্রথম মুম্বই সফর। গত বছর মোদির ফ্রান্স সফরের এক বছর পর এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি  নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে-এ অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এও মোদির সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মাক্রঁ। সোমবার রাতেই ভারতের মাটিতে পা রেখেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। তিনি একা নন, সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী লেডি ব্রিজিত মাক্রঁ-ও। তিনদিন ভারতেই একাধিক কর্মসূচি তাঁদের। উন্নত উপাদান, জৈবপ্রযুক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, উদীয়মান প্রযুক্তি, এমএসএমই, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং স্টার্টআপ খাত—এই সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছে কূটনৈতিক মহল। মাক্রঁ-র এই সফর এবং ফোরামের বার্তা স্পষ্ট— বিশ্বের উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও নেতৃত্বের মানচিত্রে ভারত এখন কেন্দ্রীয় শক্তি, আর ফ্রান্স সেই যাত্রায় ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে।

  • Sleep Disorders in Children: সন্তানের ঘুমের ব্যাঘাত! নেপথ্যে কি অভিভাবকদের মোবাইল আসক্তি?

    Sleep Disorders in Children: সন্তানের ঘুমের ব্যাঘাত! নেপথ্যে কি অভিভাবকদের মোবাইল আসক্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

     

    রাতের খাবার ঘড়ির কাঁটা মেপে শেষ হচ্ছে। পরের কয়েক মিনিট মোবাইলে পছন্দের কার্টুন কিংবা ভিডিও গেমের জন্য বরাদ্দ। ঘড়ি মেপে রাত নটা কিংবা দশটার মধ্যে বিছানায় শুয়ে পড়লেও চোখে ঘুম নেই! পরের দিন স্কুল! ভোর হতেই উঠে পড়তে হবে। কিন্তু রাতে ঠিক সময়ে কিছুতেই ঘুম হয় না। বকুনি বা ঘুম পাড়ানি গান, কোনো দাওয়াই কাজে আসছে না। ফলে পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে না। এর ফলে দেখা দিচ্ছে নানান সমস্যা। সন্তানের অপর্যাপ্ত ঘুম (Sleep Disorders in Children) নিয়ে চিন্তিত বাবা-মা! কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অপর্যাপ্ত ঘুমের পিছনে থাকে অভিভাবকদের কয়েকটি অভ্যাস (Parental Mobile Addiction)। যা পরিবর্তন না করলে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি হবে না। বরং, ঘুমের ঘাটতি নানান বিপদ বাড়াবে।

    অভিভাবকদের কোন অভ্যাস সন্তানের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাত জেগে মোবাইল দেখা এখন অনেকের অভ্যাস। শিশুদের মধ্যেও বড়দের এই অভ্যাসের গভীর প্রভাব পড়ছে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু শিশু রাত দশটার মধ্যে বিছানায় শুয়ে পড়লেও দুটোর আগে ঘুমোয় না। বাবা-মা জানাচ্ছেন, পরের দিন সকাল সাতটার মধ্যে ঘুম থেকে উঠতে হয়। কিন্তু রাত দুটোর আগে সন্তানের চোখে ঘুম নেই। এর ফলে দিনের পর দিন অপর্যাপ্ত ঘুম (Sleep Disorders in Children) হচ্ছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেই শিশুদের অভিভাবকেরাও অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকেন। অধিকাংশ সময়েই তাঁরা শিশুর পাশে শুয়ে মোবাইলের বিনোদনে বুঁদ হয়ে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটান।‌ যা ছয়-সাত বছরের শিশুর জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তাছাড়া অন্ধকার ঘরে মোবাইলের আলো তীব্র হয়। এর ফলে বাচ্চার ঘুমের পরিবেশ নষ্ট হয়।

    কী উচিত, কী উচিত নয়

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই বাবা-মা প্রয়োজনে কিংবা অন্যান্য কারণে অনেক রাত পর্যন্ত ফোনে কথা বলেন। ফলে, তার জেরেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তবে, সন্তানের ঘুম না হওয়ার (Sleep Disorders in Children) অন্যতম কারণ স্ক্রিন টাইম বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশু ঘুমোতে যাওয়ার আগে মোবাইলে অনেকটা সময় কাটায়। যা একেবারেই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। মোবাইলে যে ধরনের ভিডিও শিশুরা দেখে, তা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। এর ফলে শিশুরা সহজে ঘুমোতে পারে না। ঘুমোতে যাওয়ার আগে এমন কোনও কাজ করা উচিত নয়, যা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। তাই সন্তানের স্ক্রিন টাইম (Parental Mobile Addiction) নিয়েও সচেতন থাকা জরুরি।

    সন্তানের অপর্যাপ্ত ঘুম বুঝবেন কীভাবে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য আট থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এর থেকে কম সময় ঘুম হলে, তা অপর্যাপ্ত ঘুম (Sleep Disorders in Children)। নিয়মিত কোনও শিশু যদি আট থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমোনোর সময় না পায়, তাহলে সেই ঘাটতি, তার শরীর ও মনে গভীর ভাবে পড়ে‌। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সময়ের হিসাব ছাড়াও শিশুর আচরণ দেখেও ঘুমের ঘাটতি আন্দাজ করা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পাঁচ-ছয় বছরের শিশু দিনের অধিকাংশ সময় ঘ্যানঘ্যান করলে, সব কাজে অনীহা দেখালে কিংবা তার আচরণে মারাত্মক অসংগতি দেখা দিলে বুঝতে হবে, মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছে না।

    কেন ঘুম জরুরি? সন্তানের ‘ভালো’ ঘুম হবে কীভাবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ‘ভালো’ ঘুম সম্পর্কে সচেতনতা নেই। রাতে কোনও রকম ব্যাঘাত ছাড়া একটানা সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম হল ‘ভালো’ ঘুম। রাতে পর্যাপ্ত ঘুমোলে তবেই শরীর ও মস্তিষ্কের সমস্ত স্নায়ু ঠিকমতো বিশ্রাম পায়। পেশির বিশ্রাম হয়। হরমোন নিঃসরণ ঠিকমতো হয়। পিটুইটারি গ্রন্থি ঠিকমতো কার্যকর থাকে। যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখে। শরীরের নিজস্ব একটি ঘড়ি রয়েছে। ঘুম ঠিকমতো হলে তবেই সেই ঘড়ি কাজ করবে। দিনভর সময় মতো সমস্ত কাজ হবে। শরীর প্রয়োজনীয় এনার্জি ব্যালেন্স করতে পারবে। অসময়ে ঘুম অর্থাৎ, দিনের বেলা বা সকালে ঘুমোলে স্নায়ু এবং হরমোনের ভারসাম্যে সেই প্রভাব পড়ে না।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য বাবা-মায়ের কয়েকটি অভ্যাস পরিবর্তন জরুরি। সন্তানের ঘুমের আগে কোনওভাবেই স্ক্রিন টাইম অতিরিক্ত হওয়া চলবে না। বই পড়া বা ডায়েরি লেখার মতো অভ্যাস তৈরি করতে হবে। যাতে মস্তিষ্ক বাড়তি উত্তেজিত না হয়। আবার নিজেদের স্ক্রিন টাইম নিয়েও সচেতন হতে হবে। সন্তানকে ঘুম পাড়ানোর সময় নিজে মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকলে, তা শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে (Sleep Disorders in Children)। সেই সময় ফোনে কথা বলা বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে হবে। তাহলেই ‘ভালো’ ঘুম সম্ভব।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • T-20 World Cup 2026: সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত! কবে, কোথায়, কাদের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যরা?

    T-20 World Cup 2026: সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত! কবে, কোথায়, কাদের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (T-20 World Cup 2026) গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার কলম্বোর মাঠে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করে ফেলেছে ভারত। সেখানে তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। কবে কোথায় হবে সেই ম্যাচ হবে তা-ও জানা গিয়েছে। সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত। লড়াই হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে। তার আগে বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও জয়ের ধারা বজায় রাখতে চায় গুরু গম্ভীরের ছেলেরা। সুপার এইট-এর লড়াইয়ের কলকাতায় একটি ম্যাচ খেলবে ভারত। তাই ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে মহানগরী।

    সুপার এইটে দু’টি গ্রুপ

    বিশ্বকাপের সুপার এইটে দু’টি গ্রুপ রয়েছে। গ্রুপ ‘এক্স’ ও গ্রুপ ‘ওয়াই’। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল থেকে যে দুই দল নক আউটে উঠবে, তাদের আলাদা আলাদা গ্রুপে রাখা হবে। তবে সুপার এইটে আটটি দল আগে থেকে ধরে রাখা হয়েছে। তারা গ্রুপ পর্বে যে স্থানেই শেষ করুক না কেন, নক আউটে নির্দিষ্ট জায়গাতেই খেলবে। সুপার এইটে ভারতের তিনটি ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। অন্য গ্রুপে রয়েছে, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও সম্ভাব্য পাকিস্তান।

    লড়াই কঠিন

    সুপার এইটে আগামী রবিবার ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ভারত সেখানে দারুণ জয় পায়। সূর্যকুমারের দল দারুণ ছন্দে। ২৬ ম্যাচের মধ্যে ২৫টা ম্যাচ জিতেছে। ফলে সুপার এইটের লড়াইয়েও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভারতের সামনে জিম্বাবোয়ে। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। সেটাই কিছুটা হলেও চিন্তার কারণ। সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ১ মার্চ মুখোমুখি ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ম্যাচ হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। ক্যারাবিয়ানরা আপাতত দাপুটে ফর্মে। দক্ষিণ আফ্রিকাও সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক। ভারতও অবশ্য ছন্দেই রয়েছে। তবু সুপার এইট অন্য পরীক্ষা। এখানে ভুলের জায়গা কম। সামান্য স্খলনে গুনতে হতে পারে বিরাট মাশুল। তাই সদা সতর্ক ভারত। ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া সূর্যরা।

    টি-২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার ‘সুপার-৮’ সূচি

    ২২ ফেব্রুয়ারি – ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আমেদাবাদ)

    ২৬ ফেব্রুয়ারি – ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই)

    ০১ মার্চ – ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা)

  • Espionage Case: নৌসেনার তথ্য পাচার পাকিস্তানে! চরবৃত্তির অভিযোগে কেরলে ধৃত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা

    Espionage Case: নৌসেনার তথ্য পাচার পাকিস্তানে! চরবৃত্তির অভিযোগে কেরলে ধৃত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কেরলে গ্রেফতার করা হল পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দাকে। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গোপন তথ্য ফাঁসের একটি চক্র সক্রিয় ছিল। সম্প্রতি কর্নাটকে দায়ের হওয়া গুপ্তচরবৃত্তি মামলায় (Espionage Case) চতুর্থ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে কেরল পুলিশ (Kerala Police)। এই ঘটনার তদন্ত এখন একাধিক রাজ্যে বিস্তৃত হয়েছে।

    গোপন তথ্য বেআইনিভাবে পাঠানো

    পুলিশ সূত্রে খবর, ১৭ ফেব্রুয়ারি উডুপি পুলিশ ২১ বছর বয়সি আলিফ ইসলামকে গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে জানা গেলেও কেরালার ইডুক্কি জেলার মারায়ুর গ্রামে বসবাস করছিলেন। তার পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিদেশি যোগাযোগ রয়েছে কি না তাও যাচাই করছে পুলিশ। এই মামলার সূত্রপাত মালপে থানায় দায়ের হওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগে বলা হয়, উডুপি জেলার মালপে বন্দরে অবস্থিত কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের একটি ইউনিট থেকে গোপন তথ্য বেআইনিভাবে পাঠানো হয়েছে। কেরলের সরকারি এই প্রতিরক্ষা সংস্থা ভারতীয় নৌসেনার জন্য টাগবোট, সহায়ক জাহাজসহ বিভিন্ন নৌযান নির্মাণ করে এবং বেসরকারি ক্ষেত্রেও পরিষেবা দেয়।

    আর্থিক সুবিধার আশ্বাস দিয়ে জাল বিস্তার

    তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহাজের নম্বর, গতিবিধির সময়সূচি ও প্রযুক্তিগত তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুকের মাধ্যমে পাকিস্তানে অবস্থানকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের কাছে পাঠানো হচ্ছিল। প্রায় দেড় বছর ধরে এই তথ্য আদান-প্রদান চলছিল বলে অভিযোগ, পরে তা ধরা পড়ে। পুলিশের দাবি, অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে অভিযুক্তদের প্রলোভন দেখিয়ে আর্থিক সুবিধার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং ব্যাঙ্ক লেনদেনের নথি খতিয়ে দেখছে ডিজিটাল ফরেনসিক দল। সম্ভাব্য ‘হ্যান্ডলার’দের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

    আরও এক মূল সন্দেহভাজনের খোঁজ

    এর আগে নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২৫-এ আরও তিন অভিযুক্ত—গুজরাটের হিরেন্দ্র কুমার এবং উত্তরপ্রদেশের রোহিত ও সন্ত্রী—গ্রেফতার হয়। রোহিত ও সন্ত্রী সুশমা মেরিন প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি ঠিকাদারি সংস্থার মাধ্যমে মালপে ইউনিটে কাজ করতেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, কেরলে কর্মরত থাকাকালীন সময় থেকেই রোহিত গোপন তথ্য পাঠাচ্ছিল। পুলিশের মতে, আলিফ ইসলামের গ্রেফতার এই গুপ্তচরচক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক উন্মোচনে সহায়ক হতে পারে। আরও এক মূল সন্দেহভাজন এবং একটি ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনের খোঁজে তল্লাশি চলছে, যার মাধ্যমে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    বিভিন্ন রাজ্যে তদন্তের জাল

    অভ্যন্তরীণ তদন্তে তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা প্রকাশ পেলে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সিইও। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর রাষ্ট্র-বিরোধী কার্যকলাপ ও গোপন তথ্য বেআইনিভাবে আদান-প্রদানের ধারায় মামলা রুজু করে উডুপি পুলিশ। উডুপির পুলিশ সুপার হরিরাম শঙ্কর জানিয়েছেন, তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে এবং শীঘ্রই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ও জাতীয় পর্যায়ের সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হতে পারে। এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক বলেন, “প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

  • Indian Army Used AI: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় চিন! আগাম জানতে অরুণাচলে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় সেনা

    Indian Army Used AI: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় চিন! আগাম জানতে অরুণাচলে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিন কি সক্রিয় হচ্ছে? অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে লাল ফৌজ? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Indian Army Used AI) সাহায্যে তা আগাম জেনে সতর্ক হচ্ছে ভারতীয় সেনা। শুধু তা-ই নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিন সেনার অতি সক্রিয়তাকেও কৃত্রিম বুদ্ধমত্তার সাহায্যে রুখে দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর মঞ্চে এমনই দাবি করলেন স্ট্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড-এর কমান্ডার-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং রানা। জানালেন, আধুনিক যুদ্ধ, কৌশলগত নীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনায় এআই এখন বড় পরিবর্তন আনছে।

    অরুণাচলে এআই–এর সফল প্রয়োগ

    বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু তা-ই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামরিক এবং প্রতিরক্ষা দুনিয়ার ধরনও বদলে দিতে পারে আগামী দিনে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এআই যে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে, অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় কীভাবে এআই-কে কাজে লাগাচ্ছে ভারতীয় সেনা তা জানালেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। তিনি জানিয়েছেন, খুব কম খরচে এবং স্থানীয় ভাবে তৈরি এআই ব্যবস্থাকে অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় কাজে লাগানো হয়েছিল। সেই ব্যবস্থাই ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করে দেয় যে, চিনা ফৌজ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় অতি সক্রিয়। নতুন সামরিক ঘাঁটি বানানোর কাজ শুরু করেছে তারা। লেফটেন্যান্ট জেনারেলের দাবি, চিনা ফৌজের এই অতিসক্রিয়তা সম্পর্কে আগাম জানতে পারায় ভারতীয় সেনার পক্ষেও পদক্ষেপ করতে অনেক সুবিধা হচ্ছে। যার জেরে আগাম রণকৌশল ঠিক করা, সেনা হতাহতের বিষয়টিও এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং বলেন, “আমরা এআই সিস্টেমের মাধ্যমে বুঝতে পারি যে কিছু একটা বড় প্রস্তুতি চলছে। শেষ পর্যন্ত আমরা তাদের পদক্ষেপের সময়ও অনুমান করতে পেরেছিলাম।”

    চলমান “এআই রেস”

    রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। সেখানে কী ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আগামী দিনে এআই যে একটা বড় ভূমিকা নিতে চলেছে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল রানা বলেন, এআই আর ভবিষ্যতের ধারণা নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে এটি এখন কেন্দ্রীয় উপাদান। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের বাড়তি বিনিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি একে চলমান “এআই রেস” বলে অভিহিত করেন।

    কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্সের ঝুঁকি

    নির্দিষ্ট বা সীমিত এআই থেকে কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্স (ASI)–এ উত্তরণের সম্ভাবনা নিয়ে সতর্কবার্তাও দেন তিনি। তাঁর মতে, উন্নত এআই প্রযুক্তি যেমন সুযোগ সৃষ্টি করবে, তেমনি অপব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়াবে। তিনি বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের মতো এআই–ও কৌশলগত প্রতিরোধের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। তবে ডিজিটাল প্রকৃতির কারণে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা পারমাণবিক প্রযুক্তির তুলনায় অনেক কঠিন হবে। তিনি ভারতের জন্য একটি সমন্বিত এআই নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান। এৎ ফলে অর্থনীতি, সাইবার, মহাকাশ ও সামরিক খাতে এআই সমন্বিত তথ্যের ব্যবহার সুবিধাজনক হবে।

  • Airbus H125 Helicopter: এভারেস্টে উড়তে সক্ষম হেলিকপ্টার তৈরি হবে ভারতেই! ‘এয়ারবাস এইচ১২৫’ কতটা কার্যকর? কী এর বৈশিষ্ট্য?

    Airbus H125 Helicopter: এভারেস্টে উড়তে সক্ষম হেলিকপ্টার তৈরি হবে ভারতেই! ‘এয়ারবাস এইচ১২৫’ কতটা কার্যকর? কী এর বৈশিষ্ট্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ফ্রান্স যৌথভাবে বিশ্বের প্রথম এমন হেলিকপ্টার তৈরি করবে, যা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতায় উড়তে সক্ষম হবে। মঙ্গলবার ‘বন্ধু’ ইমানুয়েল মাক্রঁকে পাশে নিয়ে এই কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই উদ্যোগকে তিনি ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের এক নতুন অধ্যায় বলে উল্লেখ করেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ কর্নাটকের কোলার জেলার ভেমাগালে ‘এয়ারবাস এইচ১২৫’ হেলিকপ্টারের অ্যাসেম্বলি লাইনের উদ্বোধন করেন। মোদি ও মাক্রঁ মুম্বই থেকে ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরুতে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “ভারতে এই হেলিকপ্টার অ্যাসেম্বলি শুরুর মাধ্যমে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি হল। আমরা গর্বিত যে ভারত ও ফ্রান্স এমন একটি হেলিকপ্টার তৈরি করবে, যা মাউন্ট এভারেস্ট পর্যন্ত উড়তে পারবে। এটি বিশ্বজুড়েও রফতানি করা হবে। অর্থাৎ, ভারত–ফ্রান্স অংশীদারিত্বের কোনও সীমা নেই—এটি গভীর সমুদ্র থেকে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।”

    তৈরি হবে সামরিক সংস্করণও

    সূত্রের খবর, ভারতে তৈরি প্রথম এয়ারবাস এইচ১২৫ হেলিকপ্টার সরবরাহ করা হবে ২০২৭ সালের শুরুতে। অসামরিক সংস্করণের পাশাপাশি ভেমাগালের কারখানায় এই হেলিকপ্টারের সামরিক সংস্করণও উৎপাদিত হবে, যার নাম হবে ‘এইচ১২৫এম’ (এম ফর মিলিটারি)। এই উৎপাদন কেন্দ্রটি ইউরোপীয় বিমান নির্মাণ সংস্থা এয়ারবাসের সহযোগিতায় টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড (TASL) নির্মাণ করেছে। এই প্রথমবার কোনও বেসরকারি ভারতীয় সংস্থা দেশের মাটিতে সম্পূর্ণভাবে হেলিকপ্টার সংযোজন ও পরীক্ষার কাজ করবে।

    এয়ারবাস এইচ১২৫ হেলিকপ্টার কী?

    • ● এয়ারবাসের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এইচ১২৫ বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত সিঙ্গল-ইঞ্জিন হেলিকপ্টার।
    • ● এয়ারবাস এইচ১২৫ একমাত্র হেলিকপ্টার, যা ইতিহাসে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় অবতরণ করেছে। এর ফলে এটি বিদ্যমান লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টারগুলির তুলনায় অনেক বেশি উচ্চতায় কার্যক্ষমতা প্রমাণ করেছে।
    • ● ভারতীয় সেনাবাহিনী যেসব অত্যন্ত-উচ্চ ও উচ্চ-তাপমাত্রার অঞ্চলে কাজ করে, সেখানে এই ক্ষমতা একটি বড় কৌশলগত সুবিধা হয়ে উঠতে পারে।
    • ● এয়ারবাস এইচ১২৫ প্রথম উড়ান দেয় ১৯৭৪ সালে এবং ১৯৭৫ সালে পরিষেবায় যোগ দেয় একটি বহুমুখী লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার হিসেবে। এর সামরিক সংস্করণ এয়ারবাস এইচ১২৫এম চালু হয় ১৯৯০ সালে, যা সশস্ত্র নজরদারি, হালকা আক্রমণ ও পাইলট প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
    • ● বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৩৫টিরও বেশি দেশের ৪৪টি সশস্ত্র বাহিনীর কাছে এয়ারবাস এইচ১২৫ ও এয়ারবাস এইচ১২৫এম-এর ৪০০টির বেশি সামরিক সংস্করণ পরিষেবায় রয়েছে। প্রধান ব্যবহারকারী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, ব্রাজিল (বায়ুসেনা ও নৌসেনা), মেক্সিকো, কাতার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও তাইল্যান্ড।

    এয়ারবাস এইচ১২৫-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য

    • ● রোটরের ব্যাস: ১০.৬৯ মিটার (৩৫.০৭ ফুট)
    • ● মোট দৈর্ঘ্য: ১২.৯৪ মিটার (৪২.৪৫ ফুট)
    • ● কেবিনের আয়তন: ৩ ঘনমিটার (পাইলট বাদে)

    ওজন ও বহনক্ষমতা:

    • ● সর্বাধিক টেক-অফ ওজন:
    • ● ডুয়াল হাইড্রোলিক্স সহ ২,৩৭০ কেজি
    • ● বাহ্যিক লোড বহনের ক্ষেত্রে ২,৮০০ কেজি
    • ● কার্যকর লোড ক্ষমতা: ১,০৭৫ কেজি

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য:

    • ● হেলিওনিক্স (Helionix) অ্যাভিওনিক্স সিস্টেম
    • ● ৪-অক্ষের (Axis) অটোপাইলট
    • ● সিন্থেটিক ভিশন সিস্টেম
    • ● ট্র্যাফিক অ্যাভয়ডেন্স ফাংশন
    • ● ডুয়াল হাইড্রোলিক্স ও ক্র্যাশওয়ার্দি ডিজাইন (নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য)

    এই হেলিকপ্টারে একজন পাইলটসহ সর্বোচ্চ ছয়জন যাত্রী বসতে পারেন। এটি এমার্জেন্সি মেডিক্যাল সার্ভিস (EMS) স্ট্রেচার বহন করতে পারে এবং বাহ্যিক স্লিং লোড হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। স্লিং লোড বহনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ১,৪০০ কেজি।

    ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কীভাবে শক্তি বাড়াবে

    • ● এইচ১২৫এম মূলত অধিক-উচ্চতার অঞ্চলে বহুমুখী সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য উন্নত করা হয়েছে। এয়াবাসের মতে, এই হেলিকপ্টার কম শব্দ ও কম হিট সিগনেচার নির্গমন করে। ফলে ট্যাকটিক্যাল নজরদারি ও গোয়েন্দা অভিযানে এটি বিশেষভাবে কার্যকর।
    • ● যে সব অঞ্চলে ভৌগোলিক অবস্থান ও উচ্চতা বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে এইচ১২৫এম-এর কর্মক্ষমতা এবং দেশীয় উৎপাদন মিলিয়ে এটি ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।
    • ● এই হেলিকপ্টার জাতি গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, বিশেষ করে বেসামরিক ও আধা-সরকারি পরিষেবাগুলিকে শক্তিশালী করতে।
    • ● এটি জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি, আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত হবে। কেন্দ্রের উড়ান (UDAN) প্রকল্পের আওতায় এই হেলিকপ্টার প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় শেষ মাইল সংযোগ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে, ফলে পর্যটন বৃদ্ধি পাবে এবং যাত্রী পরিবহণ সহজ হবে।
    • ● স্থানীয়ভাবে এইচ১২৫এম উৎপাদন ভারতের সামরিক ক্ষমতাকে অধিক-উচ্চতা, সন্ত্রাসদমন এবং প্রশিক্ষণমূলক অভিযানে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে।
  • Liver Diseases: লিভারের রোগ বাড়ছে ভারতীয়দের! সতর্কবার্তা আইসিএমআর-এর, কেন চিন্তার বিষয়?

    Liver Diseases: লিভারের রোগ বাড়ছে ভারতীয়দের! সতর্কবার্তা আইসিএমআর-এর, কেন চিন্তার বিষয়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সামান্য পরিমাণ খাবার খেলেও বমি, হজমের অসুবিধা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাই মুশকিল। পেটের চর্বি দিন দিন বাড়ছে। আবার খাবার খাওয়ার পরেই বুকের ভিতরে এক ধরনের অস্বস্তি বোধ হয়। এমন অসুবিধায় ভুগছেন অনেকেই। বিশেষত কম বয়সী ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে এই উপসর্গ বেশি দেখা যাচ্ছে। আবার পঞ্চাশোর্ধ্ব ভারতীয় মহিলাদের অনেকেই এই ধরনের ভোগান্তির শিকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণ হজমের অসুবিধা বলে এই সমস্যা এড়িয়ে গেলেই বিপদ বাড়বে। ভারতীয়দের লিভারের অসুখ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক একাধিক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ভারতীয়দের মধ্যে লিভারের অসুখ বাড়ছে। বিশেষত কম বয়সি ভারতীয়দের মধ্যে এই অসুখ বেশি দেখা দিচ্ছে। এর ফলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    সম্প্রতি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-র এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৪০ শতাংশ ভারতীয় নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। যাদের মধ্যে অধিকাংশের বয়স ৩০-৪০ বছর। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, মদ্যপানে অভ্যস্ত না হলেও কম বয়সী ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের অসুখ দেখা দিচ্ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। আবার ঋতুস্রাব পরবর্তী পর্বে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে এই অসুখ দেখা দিচ্ছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব প্রায় ৪৫ শতাংশ ভারতীয় মহিলা নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিপুল সংখ্যক ভারতীয়ের এই অসুখ যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার উদ্বেগজনক রোগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভার আসলে লিভারের সমস্যা। লিভারে অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট জমে যাওয়ার ফলেই এই রোগ হয়। সাধারণত অতিরিক্ত মদ্যপানে অভ্যস্ত হলে অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হন। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মদ্যপান না করলেও লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার বলা হচ্ছে। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলেই লিভারে ক্ষত তৈরি হচ্ছে। ফলে লিভারের কার্যকারিতা কমছে। লিভার শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সেটার কার্যকারিতা নষ্ট‌ হলে শরীর সুস্থ থাকবে না। নানান জটিলতা তৈরি হবে। বিশেষত কম বয়সীদের মধ্যে এই নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের প্রকোপ দীর্ঘ সুস্থ জীবন‌যাপনের পথে অন্তরায় হয়ে উঠছে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন ভারতীয়দের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক দশকে ভারতীয়দের জীবন যাপনে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। খাদ্যাভাসের পরিবর্তন ঘটেছে। অধিকাংশ ভারতীয় এখন চটজলদি খাবারে অভ্যস্ত। আর চটজলদি খাবারে অধিকাংশ সময়েই পুষ্টিগুণ থাকে না। তাই শরীরের অপ্রয়োজনীয় ওজন বাড়ছে। ভারতীয়দের মধ্যে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ার অন্যতম কারণ প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস। একদিকে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত প্রোটিন খাবার খাওয়া, আরেকদিকে নিয়মিত শারীরিক কসরত না করা। এই দুইয়ের জন্য ভারতীয়রা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাছাড়া পঞ্চাশ বছরের পরে মহিলাদের শরীরে নানান হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। তাই পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলাদের এই রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে।

    কাদের ঝুঁকি বেশি? এই রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হলে অন্যদের আগাম সতর্ক থাকা জরুরি। তাছাড়া ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই খাবারে বাড়তি নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার না খাওয়া, প্রাণীজ প্রোটিনের পাশপাশি সব্জি, ফাইবার জাতীয় খাবার সমান পরিমাণে খাওয়া জরুরি। তাহলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে। আবার ছোটো থেকেই নিয়মিত শারীরিক কসরতে অভ্যস্ত হওয়া জরুরি। কারণ, তাতে শরীরে অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি নষ্ট হয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাহলে লিভারেও অতিরিক্ত ফ্যাট জমবে না। রোগের ঝুঁকিও কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Pakistan Cricket Crisis: ভারতের কাছে হারতেই পাক রাজনীতিতে তোলপাড়, সেনা-পিসিবি সংঘাত চরমে, কুর্সি যাচ্ছে নকভির?

    Pakistan Cricket Crisis: ভারতের কাছে হারতেই পাক রাজনীতিতে তোলপাড়, সেনা-পিসিবি সংঘাত চরমে, কুর্সি যাচ্ছে নকভির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের অভিঘাত সীমাবদ্ধ নেই সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরে। ক্রমে তা তীব্র আকার নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে একেবারে পাকিস্তানের প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে। যার জেরে সংঘাত বেঁধেছে পিসিবি ও পাক সামরিক বাহিনীর মধ্যে। পরিস্থিতি এমন যে পিসিবি প্রধানের কুর্সি নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ক্রিকেটে হারের জের, পাক রাজনীতিতে তোলপাড়

    বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় জয়ের মাধ্যমে সুপার ৮ পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে নিয়েছে ভারত। কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে গ্রুপ এ-এর ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে ব্যাটে ও বলে একতরফা আধিপত্য দেখায় মেন ইন ব্লু। অন্যদিকে, ভারতের হাতে পাকিস্তানের এই পরাজয় শুধু মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি বিষয়টি পৌঁছেছে দেশের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির পর্যন্ত।

    ক্ষুব্ধ পাক সেনার সর্বেসর্বা আসিম মুনির

    খবরে প্রকাশ, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দুর্বল ও নিম্নমানের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ পাক সেনার সর্বেসর্বা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেনাবাহিনীর দৃষ্টিতে এই ম্যাচ শুধুমাত্র একটি ক্রিকেটীয় ব্যর্থতা নয়, বরং জাতীয় মর্যাদার বিষয় হিসেবেও দেখা হয়েছে। তাদের মতে, দলটি ম্যাচের জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত ছিল না। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, প্রতিরক্ষা সচিবের মাধ্যমে মুনিরের এই অসন্তোষের কথা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে জানানো হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দল নির্বাচন, প্রস্তুতি এবং প্রকাশ্য মন্তব্যের ধরন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর জেরে পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নকভি বর্তমানে তীব্র চাপে রয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁকে পদ থেকে সরানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

    মোহসিন নকভিকে নিয়ে বিতর্ক

    এর আগে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আইসিসি বাতিল করার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। যদিও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে তারা। পিসিবির ওই আট দিনের নাটকের মাঝেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে মোহসিন নকভিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানকে আইসিসি শাস্তি দিতে পারে কি না। উত্তরে তিনি ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নাম উল্লেখ করে বলেন, পাকিস্তান সরকার কাউকে ভয় পায় না। “সবাই আমাদের ফিল্ড মার্শালকে চেনে,” মন্তব্য করেন নকভি।

    সেনা সদর দফতরের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

    মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্রিকেট ও প্রশাসনিক বিষয়ে নিজের নাম জড়ানোয় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। অনুমতি ছাড়া তাঁর নাম ব্যবহার করায় সামরিক মহলেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তার উপর ভারতের কাছে পাকিস্তানের লজ্জাজনক পরাজয় পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। সূত্রের দাবি, ওই মন্তব্যের পরই রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত সেনা সদর দফতর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। সেনা নেতৃত্বের মতে, সেনাপ্রধানের নাম উল্লেখ করে পিসিবি চেয়ারম্যান নকভি সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন এবং ক্রিকেট প্রশাসনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে জড়িয়ে ফেলেছেন। এর ফলে একটি ক্রীড়াজনিত পরাজয় এখন পিসিবি চেয়ারম্যান ও সেনা নেতৃত্বের মধ্যে কৌশলগত বিরোধে রূপ নিয়েছে।

    নকভির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

    ইসলামাবাদের সূত্র জানিয়েছে, আসিম মুনির তাঁর সামরিক সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলোর দিকেও নজর আকর্ষণ করেছেন। এই ঘটনার পর জল্পনা বেড়েছে যে, পিসিবি চেয়ারম্যান হিসেবে নকভির ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। সেনাবাহিনীকে সন্তুষ্ট করা এবং ক্রিকেট প্রশাসনের ওপর আস্থা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সাংগঠনিক পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে খবর।

  • Pathum Nissanka: দুরন্ত শতরান, উড়ন্ত ক্যাচ! নিশাঙ্কা-ঝড়ে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার জয়ের নেপথ্যে ২ প্রাক্তন ভারতীয় কোচ

    Pathum Nissanka: দুরন্ত শতরান, উড়ন্ত ক্যাচ! নিশাঙ্কা-ঝড়ে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার জয়ের নেপথ্যে ২ প্রাক্তন ভারতীয় কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সোমবার ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। দুরন্ত অপরাজিত শতরান করে অজিদের থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। দলের এই দুর্দান্ত জয়ের পরে ২ ভারতীয়ের অবদানের কথা স্বীকার করেন শ্রীলঙ্কার হেড কোচ তথা সেদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য।

    ‘টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ’

    আগের দুই টি-২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ-পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হওয়া শ্রীলঙ্কা এবার ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সুপার ৮ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। এই ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক নিশাঙ্কা। অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে তিনি টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরি করেন। শুধু ব্যাটিং নয়, ফিল্ডিংয়েও নজর কেড়েছেন নিশাঙ্কা। পয়েন্ট পজিশনে দাঁড়িয়ে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তিনি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সুইচ হিট করা বল অসাধারণ দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। অনেক সমর্থকই এই ক্যাচকে ইতিমধ্যেই ‘টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

    জয়ের কারিগর রাঠৌর-শ্রীধর

    ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়সূর্য দলের সাফল্যের কৃতিত্ব দেন ভারতের দুই প্রাক্তন কোচ আর শ্রীধর এবং বিক্রম রাঠৌরকে। গত বছর পর্যন্ত এই দুজন টিম ইন্ডিয়ার কোচ ছিলেন। শ্রীধর ছিলেন ফিল্ডিং কোচ এবং রাঠৌর ছিলেন ব্যাটিং কোচ। বিক্রম রাঠৌর ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্য ছিলেন এবং পাঁচ বছর ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে, শ্রীধর এখন লঙ্কাবাহিনীর ফিল্ডিং কোচের ভূমিকায়। অন্যদিকে, চলতি আইসিসি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত মাসে তাঁকে ব্যাটিং পরামর্শদাতা তথা কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছে শ্রীলঙ্কা। এই দুজন নিজেদের পূর্ণ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শ্রীলঙ্কাকে একটা সংঘবদ্ধ দলে পরিণত করেছেন। সেকথা স্বীকার করে নেন জয়সূর্য।

    ভারতীয় কোচেদের প্রশংসায় জয়সূর্য-শানাকা

    সাংবাদিক সম্মেলনে জয়সূর্য বলেন, “শ্রীধর আমাদের ফিল্ডিং কোচ এবং বিক্রম আমাদের ব্যাটিং কোচ। দু’জনেই খুব ভালো মানুষ। অনুশীলনে আমরা যা চাই, তাঁরা সেটাই করান। আইপিএল অভিজ্ঞতা নিয়ে বিক্রম খেলোয়াড়দের সঙ্গে দারুণভাবে কাজ করছেন। আমরা ব্যাটারদের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছি এবং তাঁদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছি। বিক্রম ও শ্রীধর সত্যিই অসাধারণ কাজ করেছেন।” শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকাও ব্যাটিং কনসালট্যান্ট বিক্রম রাঠৌরের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, রাঠৌর দলের ব্যাটারদের মধ্যে আরও আক্রমণাত্মক মানসিকতা গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিক্রম রাঠৌর আমাদের দলের জন্য খুব ভালো সংযোজন। তাঁর জ্ঞান এবং মানসিকতা—তিনি সবসময় চাইতেন আমরা আক্রমণাত্মকভাবে খেলি, যাতে খেলোয়াড়রা নিজেদের আরও মুক্তভাবে প্রকাশ করতে পারে। তিনি সত্যিই দলের জন্য মূল্যবান সংযোজন।”

    কার্যত ছিটকে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

    এদিকে, প্রথমে জিম্বাবোয়ের কাছে পরাজয়। এবার শ্রীলঙ্কার কাছে ম্যাচ হেরে প্রতিযোগিতা থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার পথে অস্ট্রিলিয়া। মিচেল মার্শরা এখন খাদের কিনারায়। অন্য দলের খেলার দিকে তাকিয়ে। তবে, সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ। কারণ, আয়ারল্যান্ডকে যদি জিম্বাবোয়ে হারিয়ে দেয়, তাহলে, তারা সুপার-৮ পর্যায়ে চলে যাবে। ছিটকে যাবে অস্ট্রেলিয়া। এই গ্রুপ থেকে সোমবারই সুপার-৮ এ নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র আশা, যদি জিম্বাবোয়ে নিজেদের পরের দুটি ম্যাচই খুব বাজেভাবে হারে। এবং শেষ ম্যাচে যদি অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে যদি জেতে, তাহলে হয়ত কোনও একটা মিরাক্যল হতে পারে।

LinkedIn
Share