Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • DRDO SFDR Test: র‌্যামজেট প্রযুক্তিতে যুগান্তকারী অগ্রগতি, ডিআরডিও-র পরীক্ষায় নতুন মাইলফলক ভারতের

    DRDO SFDR Test: র‌্যামজেট প্রযুক্তিতে যুগান্তকারী অগ্রগতি, ডিআরডিও-র পরীক্ষায় নতুন মাইলফলক ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে ভারত আরও এক ধাপ এগোল। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) সফলভাবে সলিড ফুয়েল ডাক্টেড র‌্যামজেট (SFDR) প্রযুক্তির পরীক্ষা চালিয়েছে। বিশ্বে হাতে গোনা কয়েকটি দেশই এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করেছে। সেই এলিট গ্রুপের নবতম সদস্য হল ভারত।

    ডিআরডিও সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ওড়িশার উপকূলবর্তী চাঁদিপুরে অবস্থিত ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR)-এ এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এই সাফল্যের ফলে ভারত সেই বিশেষ দেশগুলির তালিকায় প্রবেশ করল, যারা র‌্যামজেট-চালিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির অধিকারী। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দীর্ঘপাল্লার আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    র‌্যামজেট প্রযুক্তি ঠিক কী?

    র‌্যামজেট একটি এয়ার-ব্রিদিং জেট ইঞ্জিন, যেখানে প্রচলিত জেট ইঞ্জিনের মতো ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে না। ক্ষেপণাস্ত্রের নিজস্ব উচ্চগতিকে ব্যবহার করে বাতাসকে সংকুচিত (কমপ্রেসড্) করা হয়। সলিড ফুয়েল ডাক্টেড র‌্যামজেটে কঠিন জ্বালানি নিয়ন্ত্রিতভাবে জ্বালানো হয় এবং বাইরের বাতাস ইঞ্জিনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ গতিতে শক্তিশালী থ্রাস্ট সরবরাহ করে। প্রচলিত রকেট মোটর যেখানে দ্রুত জ্বালানি পুড়িয়ে গতি হারায়, সেখানে র‌্যামজেট-চালিত ক্ষেপণাস্ত্র দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চগতিতে উড়তে পারে— বিশেষ করে শেষ পর্যায়ে। ফলে এগুলি আরও দ্রুত, অধিক কৌশলী এবং শত্রু বিমান দ্বারা এড়ানো কঠিন হয়ে ওঠে।

    কীভাবে পরীক্ষা চালাল ডিআরডিও?

    ডিআরডিও জানিয়েছে, পরীক্ষার সময় প্রথমে একটি ভূমিভিত্তিক বুস্টারের সাহায্যে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে নির্দিষ্ট গতিতে পৌঁছানো হয়। নির্ধারিত ম্যাক সংখ্যায় পৌঁছানোর পর র‌্যামজেট সিস্টেম সক্রিয় হয়। পরীক্ষার সময় নজেলহীন বুস্টার, সলিড ফুয়েল ডাক্টেড র‌্যামজেট মোটর এবং ফুয়েল ফ্লো কন্ট্রোলার-সহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সাব-সিস্টেম পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করেছে বলে জানিয়েছে ডিআরডিও। ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ ও কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণের জন্য বঙ্গোপসাগর উপকূলে একাধিক উন্নত ট্র্যাকিং যন্ত্র মোতায়েন করা হয়েছিল। উড়ানের সময় সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রযুক্তির সাফল্য নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রোপালশন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে এই পরীক্ষায়। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরি (DRDL), হাই এনার্জি ম্যাটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি (HEMRL), রিসার্চ সেন্টার ইমারাত (RCI) এবং ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR)-সহ ডিআরডিও-র একাধিক ল্যাবের শীর্ষ বিজ্ঞানীরা সরাসরি এই পরীক্ষার তত্ত্বাবধান করেন।

    কেন ভারতের জন্য এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাফল্যের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বড়। র‌্যামজেট-চালিত আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উচ্চ শক্তি বজায় রাখে। এর ফলে যুদ্ধবিমানগুলি বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ (BVR) যুদ্ধে আরও বেশি সুবিধা পাবে। যুদ্ধবিমানের পাইলটরা বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ যুদ্ধে শত্রু বিমানের বিরুদ্ধে আরও আগে এবং আরও নিরাপদ দূরত্ব থেকে আক্রমণ চালাতে পারবেন।

    কঠিন প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ জয়

    বিশ্বজুড়ে খুব কম দেশই এই জটিল প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছে, কারণ অধিক উচ্চগতিতে ক্ষেপণাস্ত্রে স্থিতিশীল দহন বজায় রাখা অত্যন্ত কঠিন প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ। ভারতের এই সাফল্য বিদেশি প্রযুক্তির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমাবে এবং স্বদেশি প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে আরও মজবুত করবে। ডিআরডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতের একাধিক ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে ব্যবহৃত হবে, যা ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে এবং উন্নত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে।

  • Mamata on CEC Impeachment: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব স্রেফ একটা রাজনৈতিক কৌশল মরিয়া মমতার?

    Mamata on CEC Impeachment: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব স্রেফ একটা রাজনৈতিক কৌশল মরিয়া মমতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাত আরও তীব্র করল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) টিএমসি ইঙ্গিত দিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে তারা অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে। বাংলায় এসআইআর শুরুর পর থেকেই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নানা ইস্যুতে নিশানা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata on CEC Impeachment)। মঙ্গলবার বঙ্গ ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের সময় তিনি বললেন, তাঁরা চান জ্ঞানেশ কুমারের ইমপিচমেন্ট হোক। তবে, এর জন্য যা প্রয়োজন, তা করার ক্ষমতা মমতার নেই, বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। এর কোনও রাজনৈতিক ও আইনি ব্যাখ্যাও নেই। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, নির্বাচনের আগে রাজ্যে সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশের মুখে দেশের সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য তৃণমূল পরিকল্পনা করে এই মিথ্যা কৌশল দেখাচ্ছে।

    তৃণমূলের অবস্থান

    দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করে তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, “যেভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুল। এতে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার বিপন্ন হচ্ছে। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের এমপিচমেন্টের বিষয়টি বিবেচনা করছি।” এর আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে নির্বাচিতভাবে তৃণমূল বিধায়কদের কেন্দ্রগুলিকে নিশানা করা হচ্ছে। মমতার অভিযোগ, বিজেপি-নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রগুলিতে যেখানে মাত্র ৩,০০০–৪,০০০ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেখানে তৃণমূল বিধায়কদের আসনে ৪০,০০০ থেকে শুরু করে এক লক্ষ পর্যন্ত নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। নিজের ভবানীপুর কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, খসড়া ভোটার তালিকা থেকেই প্রায় ৪০,০০০ নাম বাদ পড়েছে এবং চূড়ান্ত তালিকায় তা এক লক্ষে পৌঁছতে পারে। তাঁর আরও দাবি, গোটা রাজ্যে প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম কোনও যথাযথ আলোচনা ছাড়াই খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

    অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন সব অভিযোগ স্পষ্টভাবে খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, এসআইআর একটি সংবিধানস্বীকৃত ও নিয়মমাফিক প্রক্রিয়া, যার উদ্দেশ্য হল নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা। কমিশন দাবি করেছে, এই প্রক্রিয়া সব কেন্দ্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। সোমবারের বৈঠক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল সূত্র জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার পক্ষপাতের অভিযোগ তুললেও কমিশনের শীর্ষ কর্তারা সংযত থেকে আইনি কাঠামোর ব্যাখ্যা দেন। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে বাধা, অফিস ভাঙচুর বা আধিকারিকদের কাজে হস্তক্ষেপ হলে কঠোর আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

    রাহুলের পাশে মমতা!

    কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বারবার বলছেন, বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে রেট্রোস্পেকটিভ আইন আনা হবে। সেকথা জানিয়ে সাংবাদিকরা মমতার কাছে জানতে চান, আপনি কি তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন? বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কি ভবিষ্যতে কোনও আইন আনা হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কোনও কিছু যদি জেনুইন হয়, প্র্যাকটিক্যাল হয় এবং জনতার ভালোর জন্য হয়। আমরাও চাইব তাঁর ইমপিচমেন্ট হোক। আমাদের নম্বর নেই। কিন্তু, ইমপিচমেন্ট তো হতে পারে। ধারা তো রয়েছে। রেকর্ড তো হয়ে যাবে। উনি যদি এমন করেন, তবে আমরা আমাদের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের স্বার্থে এককাট্টা হয়ে কাজ করি। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”

    রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা তৃণমূলের

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদটি একটি সাংবিধানিক পদ। ফলত, সাংবিধানিক পদে কেউ থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন। তবে, মৌসম নুরের ইস্তফার পর তৃণমূলের সাংসদ সদস্য সংখ্যা ৪১। সেই জায়গা থেকে যদি তৃণমূল এই লক্ষ্যে এগোয়, তাহললে সম্ভবত ইন্ডি ব্লকের অনেক দলকেই কাছে চাইবে তৃণমূল। এক্ষেত্রে অখিলেশের সমাজবাদী পার্টিকে ঘাসফুল শিবির পাশে পাবে বলে মনে করছে তৃণমূল। এই জায়গা থেকে রাজনৈতিক ঘূর্ণিতে দুটি দিক উঠে আসছে। সূত্রের খবর, এই ইম্পিচমেন্টের জন্য তৃণমূলের উদ্যোগ নেওয়ার ব্যাপারটি, বিজেপি বিরোধী শিবির ইন্ডি ব্লকে তৃণমূলকে উজ্জ্বল জায়গায় রাখবে।

    বিরোধী ইন্ডি জোটের অন্দরেও বিতর্ক

    এই ইমপিচমেন্ট-সংক্রান্ত আলোচনা নতুন করে বিরোধী ইন্ডি জোটের অন্দরেও বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ বাড়াতেই কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী শরিকদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। তবে সংবিধান অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ করতে হলে সংসদের উভয় কক্ষে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, যা রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে অত্যন্ত কঠিন প্রক্রিয়া।

    মমতার নাটক, অভিমত শুভেন্দুর

    এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতা ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর ও ইমপিচমেন্ট প্রসঙ্গকে “নাটক” বলে কটাক্ষ করেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘ইমপিচমেন্টের মানে জানেন উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)? কত সংখ্যা লাগে জানেন? ইমপিচমেন্ট কীভাবে পাশ করাতে হয় জানেন? কত সাংসদের ভোট লাগে জানেন? দুভার্গ্য, ১৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রী, সাতবারের সাংসদ ইমপিচমেন্টের পদ্ধতিই জানেন না। সকাল থেকে উনি শুধু মিথ্যাচারের ন্যারেটিভ তৈরি করছেন।’ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ভোটার তালিকা সংশোধন ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে ইমপিচমেন্টের হুমকি ততই রাজ্য রাজনীতির বড় ফ্ল্যাশপয়েন্ট হয়ে উঠতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ইমপিচমেন্ট সম্ভব নয়

    আইনজ্ঞরা বলছেন, সিইসি–কে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। এটা একটা স্বশাসিত সংস্থা। তাঁর অপসারণের জন‍্য সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাশ করাতে হবে। এর জন্য সংসদের দুই কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। যদিও এই সংখ্যা বিরোধীদের কাছে নেই। ফলে জ্ঞানেশকে এখনই সরানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে না। তবে বাংলা–সহ দেশের পাঁচটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা ভোটের আগে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আর নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে ভুল বার্তা দিতেই মমতার এই পদক্ষেপ। বিজেপির দাবি, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে তৃণমূল।

  • Bengali Spices: বাঙালি মশলা আর পদেই নিয়ন্ত্রণে যন্ত্রণা! রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস আক্রান্তদের জন্য উপকারি কোন খাবার?

    Bengali Spices: বাঙালি মশলা আর পদেই নিয়ন্ত্রণে যন্ত্রণা! রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস আক্রান্তদের জন্য উপকারি কোন খাবার?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হাতের কব্জি, পায়ের পাতা কিংবা হাঁটু হঠাৎ করেই ফুলতে শুরু করে।‌ যন্ত্রণার তীব্রতার জেরে সামান্য কয়েক লাইন লেখা কিংবা ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে যাওয়ার মতো স্বাভাবিক কাজ করাও কঠিন হয়ে যায়‌। বয়স এই রোগের সীমারেখা মানে না। পরিস্থিতি অনেক সময়েই এমন হয়ে যায় যে স্বাভাবিক জীবন‌যাপন বেশ কঠিন হয়ে যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সাধারণ হাড়ের সমস্যা নয়। এই রোগের নাম রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনও বয়সেই এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। জীবন যাপনের সামান্য কিছু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অবশ্য যন্ত্রণাকে কাবু করে স্বাভাবিক জীবন যাপনে সাহায্য করতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস কী?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হল একধরনের অটোইমিউন রোগ। অর্থাৎ, শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি নিজের শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ শক্তি শরীরের বিভিন্ন সংযোগস্থলের আস্তরণের উপরে হানা দেয়। সেই আস্তরণে ক্ষয় তৈরি করে। এর ফলে হাত, পা, কনুই, হাঁটু, কোমর দুর্বল হয়ে যায়। যন্ত্রণা হয়। হাত-পা অসাড় হয়ে যায়। স্বাভাবিক কাজ করতেও কষ্ট হয়।

    কেন হয় রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার নির্দিষ্ট কোনও একটি কারণ নেই। তবে মূলত জিনঘটিত কারণে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে বংশানুক্রমিক ভাবে এই রোগ পরবর্তী প্রজন্মের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। জিন ঘটিত কারণের পাশপাশি ধূমপানের অভ্যাস এই রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলেও জানাচ্ছে সাম্প্রতিক গবেষণা। সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ধূমপানের অভ্যাস শরীরে একাধিক পরিবর্তন ঘটায়। হরমোনের ভারসাম্যের পরিবর্তনের পাশপাশি রক্ত ও স্নায়ুর উপরেও এই অভ্যাস গভীর প্রভাব ফেলে। এর জেরেও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো রোগ হতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুরুষদের তুলনায় মহিলারা এই‌ রোগে বেশি আক্রান্ত হন। হরমোন ঘটিত কারণেই মহিলাদের এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে তাঁরা জানাচ্ছেন।‌

    কেন এই রোগ বাড়তি উদ্বেগজনক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হলে সম্পূর্ণ সেরে ওঠা সম্ভব নয়। এই রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি। এই রোগে আক্রান্ত হলে স্বাভাবিক জীবন যাপন অনেক সময়েই ব্যহত হতে পারে। দীর্ঘ সময় তীব্র যন্ত্রণায় ভোগার জেরে মানসিক স্বাস্থ্য ও ভেঙে পড়ে। অনেক সময়েই অবসাদ গ্রাস করে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকী, বন্ধ্যত্বের মতো সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

    কোন বাঙালি মশলা আর পদ কাবু করতে পারে যন্ত্রণা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বেশ‌ কিছু ঘরোয়া মশলা আর খাবার। আর সেই তালিকায় প্রথমেই থাকছে হলুদ এবং আদার মতো মশলা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হলুদ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপরে প্রভাব ফেলে। তাই রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রান্নায় নিয়মিত হলুদ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। আদা ব্যথা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আদা প্রদাহ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই তীব্র যন্ত্রণা হলে রান্নায় আদা বাটা মেশানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত আদা খেলে যেকোনও ধরনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

    নিয়মিত বাদাম খান…

    রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস অটো ইমিউন ডিজিজ। শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি যাতে শরীরের শত্রু না হয়ে ওঠে সেটা নিয়ন্ত্রণ করাই এই রোগের প্রধান চ্যালেঞ্জ। আর সেই কাজে সাহায্য করে কাঠবাদাম, আখরোটের মতো বাদাম জাতীয় খাবার। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কাঠবাদাম, আখরোট, চিয়া সিডের মতো খাবার খেলে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আবার সংযোগস্থলের আস্তরণের ক্ষয় কমবে।

    পালং শাক

    বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত পদ হল পালং শাকের তরকারি। আর এই খাবার শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। একাধিক ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর থাকার জেরেই এই উপকার হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাক রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ সাহায্য করে।

    পাতিলেবু

    রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কাবু রাখতে যে কোনও ধরনের লেবু নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খাবার পাতে পাতিলেবু রাখা বাঙালির চিরকালীন অভ্যাস।‌ গরমে আবার অনেকেই লেবুর সরবত খান। এই ধরনের অভ্যাস রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে বাড়তি উপকার দেবে। পাতিলেবুর পাশপাশি কমলালেবু খেলেও সমান উপকার পাওয়া যাবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • TMC: ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা, অভিযোগ শুভেন্দুর

    TMC: ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা, অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল (TMC) আশ্রিত জমি মাফিয়ারা (Land Mafia)। প্রকাশ্যে এই জলাশয় বোঝানোর কাজ চললেও, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপই করেনি বলে অভিযোগ। সোমবার বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে জলাশয় ভরাট করার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “এই মুহূর্তে ভাঙড়ে যা ঘটছে, তা মানুষের জীবন ও পরিবেশের বিরুদ্ধে এক সুস্পষ্ট অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আর তৃণমূল সরকারই এর সবচেয়ে বড় সহায়ক।”

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন শুভেন্দু (TMC)

    শুভেন্দু জানান, ওই পুকুরটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্পত্তি। তিনি বলেন, “ঘন অন্ধকার রাতের আড়ালে তৃণমূল-মদতপুষ্ট জমি মাফিয়ারা ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারের প্রবেশপথে অবস্থিত একটি বিশাল জনসাধারণের পুকুর নির্লজ্জভাবে ভরাট করছে। এটি কোনও সাধারণ জলাশয় নয়, এই জমিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের অধীন বলে সরকারিভাবে নথিভুক্ত।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তবুও মাটি বোঝাই ডাম্পার এবং জেসিবি মেশিন সম্পূর্ণ দায়মুক্তির সঙ্গে সেখানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে, আর প্রশাসনের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতো—তারা সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করছে (TMC)।”

    শুভেন্দুর সতর্ক বার্তা

    বিজেপি নেতা সতর্ক করে বলেন, “এই ধরনের কার্যকলাপ মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে—যেমনটি কয়েক দিন আগে আনন্দপুরে দেখা গিয়েছিল।” শুভেন্দু বলেন, “এখানেও কার্যত বেআইনি নির্মাণ, নিয়ন্ত্রণহীন কার্যকলাপ এবং সরকারি দফতরগুলির কোনও নজরদারি ছাড়াই সব কিছু চলার জন্য ভিত গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি কোনও শাসনব্যবস্থা নয়, এটি মাফিয়ারাজ (Land Mafia)। ব্যক্তিগত মুনাফা ও রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য পরিকল্পিত ভাবে জলাশয়, পরিবেশ এবং জন-নিরাপত্তা ধ্বংস করা হচ্ছে (TMC)।”

     

  • Adani Defence: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে গতি, ভারতে হেলিকপ্টার উৎপাদন বাড়াতে আদানি ডিফেন্স–লিওনার্দোর সমঝোতা

    Adani Defence: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে গতি, ভারতে হেলিকপ্টার উৎপাদন বাড়াতে আদানি ডিফেন্স–লিওনার্দোর সমঝোতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে বড়সড় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়ে আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ও ইতালির প্রতিরক্ষা সংস্থা লিওনার্দো একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণা করেছে। এই অংশীদারিত্বের আওতায় ভারতে একটি সম্পূর্ণ সমন্বিত হেলিকপ্টার উৎপাদন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। দুই সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (MoU) অনুযায়ী, ভারতে সামরিক হেলিকপ্টারের উন্নয়ন, উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে ভারতকে ভবিষ্যতে রোটরক্রাফ্ট উৎপাদনের একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কথা ভাবা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান অপারেশনাল চাহিদা পূরণ করবে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ ক্ষেত্রে মোদি সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সহযোগিতার মূল লক্ষ্য

    সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হবে লিওনার্দোর উন্নত সামরিক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভারতীয় বাহিনীর চাহিদা পূরণ করা। প্রকল্পটির অধীনে ধাপে ধাপে দেশীয়করণ (indigenisation), ভারতে পূর্ণাঙ্গ মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (MRO) সুবিধা স্থাপন এবং পাইলট প্রশিক্ষণ পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। ভবিষ্যতে এই ইকোসিস্টেমটি অসামরিক হেলিকপ্টার বাজারের চাহিদা পূরণ এবং বৈশ্বিক সাপ্লাই চেনের সঙ্গেও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। লিওনার্দোর হেলিকপ্টার নকশা ও প্রকৌশল দক্ষতার সঙ্গে আদানি ডিফেন্সের উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে অভিজ্ঞতা মিলিয়ে একটি শক্তিশালী, হেলিকপ্টার উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মতে, এই প্রকল্প প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকৌশল, উৎপাদন, লজিস্টিকস ও রক্ষণাবেক্ষণ পরিষেবায় হাজার হাজার উচ্চদক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে গতি

    আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেসের ডিরেক্টর জিত আদানি বলেন, এই অংশীদারিত্ব একটি স্থিতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী হেলিকপ্টার ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাঁর মতে, বিশ্বমানের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং ভারতের শিল্পগত গতি একত্রিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সংযোজন, দক্ষ কর্মসংস্থান ও কৌশলগত আত্মনির্ভরতা নিশ্চিত করবে। আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেসের সিইও আশিস রাজবংশী জানান, আগামী এক দশকে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজন হতে পারে ১,০০০টিরও বেশি হেলিকপ্টার। এই অংশীদারিত্ব দেশীয়করণ প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে, অভ্যন্তরীণ সাপ্লাই চেনকে শক্তিশালী করবে এবং ভারতকে বিশ্বমানের হেলিকপ্টার উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। লিওনার্দো হেলিকপ্টার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিয়ান পিয়েরো কুটিল্লো বলেন, ভারতের রোটরক্রাফ্ট শিল্প শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশটির উদ্যোগে সহায়তা করতে পেরে তারা আনন্দিত। তাঁর বক্তব্য, এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই সংস্থার পরিপূরক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভারত আধুনিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তি ও উন্নত অপারেশনাল সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে। এই ঘোষণা ভারতের ক্রমবিকাশমান মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি একদিকে প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতা জোরদার করবে, অন্যদিকে ভারতকে বৈশ্বিক স্তরে হেলিকপ্টার উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের একটি বিশ্বাসযোগ্য কেন্দ্রে পরিণত করার ভিত্তি তৈরি করবে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মার্কিন মুলুকেও

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মার্কিন মুলুকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ ও স্লোগান কর্মসূচি শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। শনিবার দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের কেন্দ্রে বিপুল (Hindus) সংখ্যক মানুষ সমবেত হয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসার প্রতিবাদে র‍্যালি করে। মার্কিন মুলুকের অন্তত ২২টিরও বেশি শহরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঘটনা প্রতিবাদের ব্যাপকতা, তীব্রতা এবং বাংলাদেশে হিংসার ভয়াবহতা ও তাৎক্ষণিক আন্তর্জাতিক নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

    বিরাট জমায়েত (Bangladesh)

    ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্টেসিয়া শহরে অন্যতম বৃহৎ জমায়েত দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মনোযোগ দাবি করেন এবং ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহির আহ্বান জানান। কারণ তাঁর শাসন কালেই দেশে উগ্রপন্থী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশে শান্তি ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার দাবি জানিয়ে “ওম শান্তি”-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলি জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভগুলি ছিল শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও রাজনৈতিকভাবে শালীন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য গঠিত গ্লোবাল কোয়ালিশনের মিডিয়া প্রতিনিধি গীতা সিকান্দ বলেন, “এই আন্দোলনের উদ্দেশ্যই হল বিশ্ববাসীর দৃষ্টি দুর্বল ও নির্যাতিত সম্প্রদায়ের যন্ত্রণার দিকে আকর্ষণ করা। আমরা সুরক্ষা, জবাবদিহি ও শান্তি চাই।”

    সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের নিদর্শন

    সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের নিদর্শন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ও এই বিক্ষোভে অংশ নেয় এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের জন্য ন্যায়বিচারের দাবি তোলে (Hindus)। আমেরিকার পশ্চিম, মধ্য-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে র‍্যালি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শীতপ্রধান অঞ্চলে মাইনাস তাপমাত্রার মধ্যেও মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের সাফ কথা, বাংলাদেশের সঙ্কট আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সর্বোচ্চ জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান হিংসার পরিস্থিতির দিকে নজর দিতে হবে এবং ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ নিরীহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে উগ্রপন্থী উদ্দেশ্যে টার্গেট করা হচ্ছে। তাঁরা বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষারও আহ্বান জানান (Bangladesh)।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতার বক্তব্য

    মানবাধিকার সংগঠনগুলি আরও উল্লেখ করে যে, ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে একাধিকবার সাম্প্রদায়িক হিংসা ও উগ্রপন্থী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বারবার নিশানায় এসেছে। তবে ইউনূসের রাজত্বে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা সুরেন্দ্র শর্মা বলেন,
    “সমষ্টিগত কণ্ঠস্বর তোলা হচ্ছে প্রথম ধাপ। আমরা সব সম্প্রদায়ের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদা চাই।” প্রতিদিন বাংলাদেশের পরিস্থিতি যে আরও গভীর সঙ্কটে তলিয়ে যাচ্ছে এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হচ্ছে না, তাও জানান তিনি। অভিযোগ, ইউনূস জমানায় উগ্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলি আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে, যার ফলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। প্রশাসনের ব্যর্থতায় দেশটি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছে (Hindus)। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা বাংলাদেশকে কার্যত নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীগুলি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রশ্নে নীরব রয়েছে (Bangladesh)।

    পরিস্থিতির গুরুত্ব

    বাংলাদেশে বাড়তে থাকা সাম্প্রদায়িক হিংসার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, তা পরিস্থিতির গুরুত্বই প্রতিফলিত করে। গত সপ্তাহে ব্রিটেনেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে লেবার সরকারের কাছে বাংলাদেশে ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও হিন্দু সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়। তবে বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে চললেও এবং ঢাকায় নতুন ক্ষমতাকাঠামো গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, হিন্দু সংখ্যালঘুদের জীবন ও অধিকার এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে—যেখানে তাঁদের ওপর হামলা, মারধর, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং প্রকাশ্যে মানুষকে পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটছে (Bangladesh)। ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হলেও, ব্রিটেন এবং আমেরিকায় শক্তিশালী আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ ও কণ্ঠস্বর বাংলাদেশে হিন্দুদের জীবনরক্ষায় একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলেই (Hindus) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

  • Census 2027: এবার জনগণনা হবে ডিজিটালি, কী সুবিধা হবে জানেন?

    Census 2027: এবার জনগণনা হবে ডিজিটালি, কী সুবিধা হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগণনা ২০২৭ (Census 2027) হবে সম্পূর্ণরূপে একটি ডিজিটাল কাঠামোর ওপর, যা ভারতের জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও নজরদারির পদ্ধতিতে এক বড় (National Coding System) রূপান্তরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারের তরফে জারি করা সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী, এই জনগণনায় মাঠপর্যায়ের কাজ ও তদারকি সহজ করতে মোবাইল প্ল্যাটফর্ম, কেন্দ্রীভূত ওয়েব পোর্টাল এবং রিয়েল-টাইম ডেটা ট্রান্সমিশনের ওপর নির্ভর করা হবে।

    ডিজিটালি পরিচালনার জন্য নকশা (Census 2027)

    নথিগুলিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে জনগণনা ২০২৭, আগের জনগণনাগুলির কেবল ডিজিটাল সংস্করণ নয়, বরং এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা শুরু থেকেই ডিজিটালি পরিচালনার জন্য নকশা করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় তথ্যসংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, ভৌগোলিক তথ্য ও নজরদারিকে একীভূত করে একটি একক জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। সার্কুলার অনুযায়ী, তথ্য সংগ্রহ করা হবে তথ্যসংগ্রাহকদের ব্যবহৃত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে। এর পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য স্ব-তথ্য প্রদানের ব্যবস্থাও থাকবে। পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS) এবং হাউজিং লিস্টিং ব্লক ক্রিয়েশন (HLBC) ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির সাহায্যে রিয়েল-টাইমে তথ্য পাঠানো, মাঠপর্যায়ের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং জেলা, রাজ্য ও জাতীয় স্তরে কেন্দ্রীভূত তদারকি সম্ভব হবে। আধিকারিকদের মতে, এই কাঠামোর লক্ষ্যই হল, কাজের সময় কমানো, ত্রুটি হ্রাস করা এবং পুরো জনগণনা প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি বাড়ানো।

    ডিজিটাল রোলআউট

    ডিজিটাল রোলআউটের পাশাপাশি, দেশজুড়ে প্রতিটি প্রশাসনিক ও আবাসিক একককে একরূপভাবে শনাক্ত করার জন্য একটি নতুন জাতীয় অবস্থান-কোডিং কাঠামোও চূড়ান্ত করা হয়েছে (National Coding System)। এই কোডিং ব্যবস্থায় প্রতিটি এলাকাকে একটি সহজ কিন্তু স্বতন্ত্র সংখ্যাসূচক পরিচিতি নম্বর দেওয়া হবে, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণের সময় মূল রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এই কাঠামো অনুযায়ী, শনাক্তকারী কোডগুলি স্তরভিত্তিকভাবে নির্ধারিত হবে—রাজ্য ও জেলা থেকে শুরু করে শহর, গ্রাম, ওয়ার্ড এবং তথ্যসংগ্রহ ব্লক পর্যন্ত—যার ফলে ডিজিটাল ম্যাপিং ও তথ্যের সমন্বয় সহজ হবে (Census 2027)। সার্কুলার অনুযায়ী, শহুরে ওয়ার্ডগুলিকে “০০০১” থেকে ধারাবাহিক নম্বর দেওয়া হবে। আইনসম্মত শহরের সঙ্গে সংযুক্ত আউটগ্রোথ বা সংলগ্ন বসতিগুলিকে তাদের মূল নগর এককের সঙ্গে সংযুক্ত ক্রমান্বিত কোড দেওয়া হবে।

    ডেটাবেসে শ্রেণিবিন্যাসের স্পষ্টতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে

    সামঞ্জস্য বজায় রাখতে, ২০১১ সালের জনগণনায় থাকা প্রশাসনিক এককগুলির পূর্ববর্তী শনাক্তকারী কোড অপরিবর্তিত থাকবে। নতুনভাবে গঠিত জেলা, রাজ্য ও স্থানীয় সংস্থাগুলিকে একটি কেন্দ্রীভূত জুরিসডিকশন পোর্টালের মাধ্যমে তৈরি সংক্ষিপ্ত ক্রমান্বিত কোড বরাদ্দ করা হবে। জাতীয় ডেটাবেসে শ্রেণিবিন্যাসের স্পষ্টতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে গ্রাম, বনগ্রাম, আইনসম্মত শহর ও সেনসাস টাউনের জন্য পৃথক সংখ্যাসূচক পরিসর নির্ধারণ করা হয়েছে (Census 2027)। গণনা সংক্রান্ত সার্কুলারগুলিতে একটি বিস্তৃত ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ কাঠামোর কথাও বলা হয়েছে, যার লক্ষ্য একটি ডিজিটালি দক্ষ কর্মীবাহিনী তৈরি করা। এই প্রশিক্ষণ হবে ‘ক্যাসকেড মডেলে’, যেখানে জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষকরা মাস্টার ট্রেনারদের প্রশিক্ষণ দেবেন, এবং মাস্টার ট্রেনারেরা মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

    বিশ্বাসযোগ্য জনগণনা

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, লক্ষ্য হল এমন একটি উচ্চদক্ষ ও অনুপ্রাণিত কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা, যারা নির্বিঘ্ন, নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য জনগণনা সম্পন্ন করতে পারবে। এতে ডিজিটাল সরঞ্জাম, তথ্যের অখণ্ডতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অনুশীলনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে (Census 2027)। হাউস লিস্টিং ও হাউজিং পর্যায়কে জনগণনা ২০২৭-এর ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সার্কুলারে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ের সকল স্তরের কর্মীদের মধ্যে জনগণনার ধারণা, সংজ্ঞা ও প্রশ্নাবলি সম্পর্কে স্পষ্ট ও অভিন্ন বোঝাপড়া থাকা জরুরি।তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য পেশাদারিত্ব ও ‘সেবা ভাব’ নিয়ে পরিচালনা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এতে নৈতিক আচরণ ও জনআস্থাকে জনগণনার মূল নীতির অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সার্কুলারে বিস্তারিত সময়সূচি ও পরিকাঠামোগত (National Coding System) প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ রয়েছে। দেশজুড়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নির্ধারিত হয়েছে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে। মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ আগে সব তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে (Census 2027)।

    প্রশিক্ষণস্থলের সুবিধা

    ব্যাচের আকার, শ্রেণিকক্ষের সময়কাল এবং প্রশিক্ষণস্থলের সুবিধা—যেমন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সংযোগ ও অডিও-ভিজুয়াল সরঞ্জাম—সব কিছুই মানসম্মত করা হয়েছে, যাতে সব রাজ্যে প্রশিক্ষণের গুণগত মান একরূপ থাকে। প্রশিক্ষণে উপস্থিতি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতা ডিজিটালভাবে সিএমএমএস পোর্টালের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। ফলে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটিও জনগণনা ২০২৭-এর রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থার অংশ হয়ে উঠবে (National Coding System)।

     

  • Supreme Court to WhatsApp: “নিয়ম মানতে না পারলে ভারত ছাড়ুন”—হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি নীতিতে মেটাকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court to WhatsApp: “নিয়ম মানতে না পারলে ভারত ছাড়ুন”—হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি নীতিতে মেটাকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপের বিতর্কিত প্রাইভেসি নীতি নিয়ে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court to WhatsApp) তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা মেটা। আমেরিকার এই মেসেজিং অ্যাপ সংস্থার গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন স্বয়ং দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। সুপ্রিম কোর্টের তরফে মেটা সংস্থাকে কড়া ভাষায় বলা হয়, ব্যবহারকারীদের তথ্য বাণিজ্যিক উদ্দেশে ব্যবহার করা যায় না।এ দিন, (৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মার্কিন সংস্থাকে সতর্ক করে বলেন, “আমাদের দেশের গোপনীয়তা নিয়ে খেলা করতে পারেন না, আমরা নিজেদের তথ্যের একটা ডিজিটও শেয়ার করতে দেব না।”

    গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতির অপব্যবহার হতে পারে

    হোয়াট্‌সঅ্যাপের (WhatsApp Policy) হয়ে সওয়াল করা কৌঁসুলি আদালতে যুক্তি দেন যে, আন্তর্জাতির নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই তাঁরা গোপনীয়তার নীতি তৈরি করেছেন। মেটার তরফে জানানো হয়, সংস্থার অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেই তথ্য আদানপ্রদান করা হয়। তবে এই যুক্তি মানতে চায়নি শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, বাণিজ্যিক কাজে তথ্য আদানপ্রদান করাকে মান্যতা দেওয়া হবে না। ভারতের গোপনীয়তার নীতি এবং ইউরোপের এই সংক্রান্ত নিয়ম যে অনেক আলাদা, তা-ও স্মরণ করিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। হোয়াট্‌সঅ্যাপের ২০২১ সালের গোপনীয়তার নীতি নিয়ে হওয়া একটি মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। সরকারের তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা শীর্ষ আদালতে সওয়াল করে জানান, হোয়াট্সঅ্যাপের এই গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতির অপব্যবহার হতে পারে। ব্যবহারকারীদের তথ্য হোয়াট্‌সঅ্যাপ কী ভাবে বাণিজ্যিক লাভের জন্য কাজে লাগাচ্ছে, তাও তুলে ধরেন সলিসিটর জেনারেল।

    সংস্থার গোপনীয়তার নথি সাধারণ মানুষ বুঝবে কীভাবে

    মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপের তরফে হাজির আইনজাবী মুকুল রোহতগি ও অখিল সিব্বল বলেন যে হোয়াটসঅ্যাপে সব মেসেজ ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্টেড’ (end-to-end encrypted)। কোম্পানিও এই তথ্য বা মেসেজ দেখতে পায় না। ন্যাশনাল ল ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হোয়াট্‌সঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও। একই সঙ্গে এদিন সেটিও শোনে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। দু’পক্ষের সওয়াল জবাবের পর মেটা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “যদি আপনারা আমাদের সংবিধান মেনে চলতে না-পারেন, তা হলে ভারত ছেড়ে চলে যান। আমরা নাগরিকদের গোপনীয়তার সঙ্গে আপস করতে দেব না।” হোয়াট্‌সঅ্যাপের গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, অনেক বিষয়ই স্পষ্ট নয়। সংস্থার গোপনীয়তার নথি এক জন সাধারণ মানুষ—যিনি কোনও আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন— তিনি বুঝতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্ন তোলে আদালত। হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-র নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালত বলে, “যদি একজন গরিব মহিলা বা রাস্তার ধারের কোনও বিক্রেতা কিংবা এমন একজন ব্যক্তি যিনি শুধু তামিল বোঝেন, তারা কি এই নীতি বুঝতে পারবেন? কখনও কখনও আমাদেরও সমস্যা হয় আপনাদের নীতি বুঝতে… বিহারের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কীভাবে বুঝবেন? এটা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি। আমরা এটা অ্যালাও করব না।”

    মেটাকে কী কী বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পরবর্তী শুনানির আগে ব্যবহারকারীর কোনও তথ্য মেটার মাধ্যমে প্রকাশ্যে আনতে পারবে না হোয়াট্‌সঅ্যাপ। তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে হোয়াট্‌সঅ্যাপ এবং মেটা কর্তৃপক্ষকে বক্তব্য জানানোরও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। শীর্ষ আদালতের তরফে এদিন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-কে ডেটা প্রাইভেসি, বিহেভিওরাল অ্যানালাইসিস এবং ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট হোয়াটসঅ্যাপকে ব্যবহারকারীদের কোনও তথ্য মেটার সঙ্গে ভাগ করতে বারণ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই মামলার পুরো শুনানি হচ্ছে না, ততদিন পর্যন্ত তথ্য় শেয়ার করতে পারবে না হোয়াটসঅ্যাপ।

    কেন এই মামলা?

    হোয়াটসঅ্যাপ ২০২১ (WhatsApp Policy) সালে একটি প্রাইভেসি পলিসি এনেছিল যেখানে বলা হয়, হয় “মেনে নাও নয়তো বিদায় হও”। সেই সময় হোয়াটসঅ্যাপ তার গ্রাহকদের বাধ্য করেছিল তাদের নতুন শর্তাবলী মেনে নিতে, নয়তো অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছিল। মেটার ওই পলিসির কারণে তাদের উপরে ২১৩.১৪ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল ভারতের ‘কম্পিটিশন কমিশন’ (CCI)। কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (NCLAT) সেই জরিমানার আদেশটিকেই বহাল রাখে। ট্রাইব্যুনালের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।

    মেটাকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ

    ওই মামলায় আদালত হোয়াটসঅ্যাপের মাদার কোম্পানি মেটাকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যেখানে স্পষ্ট করে বলতে হবে তারা বিজ্ঞাপনের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্য শেয়ার করবে না। অন্যথায় তাদের মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে তথ্য শেয়ার করা নিয়ে সিসিআই একটি পাল্টা আপিল করেছিল, যা ট্রাইব্যুনাল গ্রহণ করেছে। যদিও এর আগে ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছিল যে কোম্পানিটি তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেনি।

    সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা

    মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court to WhatsApp) এই বিষয়টিকে “সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা বলে বর্ণনা করেছে। আদালতের প্রশ্ন, যখন কোনো নীতি ‘মানলে মানো নাহলে যাও’—এভাবে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন তাকে ব্যবহারকারীদের’স্বেচ্ছায় দেওয়া সম্মতি’ হিসেবে কীভাবে ধরা যায়? বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মূল সমস্যাটি হল তারা যে সম্মতি আদায় করেছে তা আসলে “তৈরি করা বা কৃত্রিম সম্মতি”। প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করেন। বলেন, “যদি হোয়াটসঅ্যাপে একজন চিকিৎসককে মেসেজ পাঠানো হয় যে আপনার সর্দি-কাশি হয়েছে এবং চিকিৎসক আপনাকে কিছু ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আপনি ওই ওষুধের বিজ্ঞাপন দেখতে শুরু করেন।” সরকারের তরফে হাজির সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হোয়াটসঅ্যাপের এই নীতিকে শোষণমূলক (exploitative) বলেই উল্লেখ করেন। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি আমাদের সংবিধান অনুসরণ করতে না পারেন, তাহলে ভারত ছেড়ে চলে যান। আমাদের নাগরিকদের গোপনীয়তা কোনওভাবে আপোস করতে পারব না।”

     

     

     

  • Assembly Election 2026: ঘনিয়ে আসছে ভোট, চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর

    Assembly Election 2026: ঘনিয়ে আসছে ভোট, চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভিএম, ভি ভি প্যাটের পর এবার গণনা কেন্দ্রের চূড়ান্ত প্রস্তুতিও সেরে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। চলতি বছর রাজ্যে যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026) হতে চলেছে তার জন্য সম্পূর্ণ তৈরি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (ECI)। সেই মোতাবেক রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫০টি গণনা কেন্দ্রকে চূড়ান্ত করতে পেরেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দফতর। বুধবার এই তালিকাই পাঠানো হবে নির্বাচন কমিশনে। কমিশনের তরফে চূড়ান্ত শিলমোহর পড়লেই রাজ্যের এই গণনা কেন্দ্রগুলিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কেবলমাত্র গণনা কেন্দ্রই নয়, কোন গণনা কেন্দ্রে কত রাউন্ড গণনা হবে তারও তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের পদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য (Assembly Election 2026)

    নির্বাচন কমিশনের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেই রাজ্যে আসবে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ফুল বেঞ্চ ঘুরে যাওয়ার পরেই অর্থাৎ মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই নির্বাচন কমিশন আগেভাগেই সব কাজ সেরে রাখছে। ইতিমধ্যেই ইভিএম, ভিভিপ্যাট থেকে শুরু করে বুথের সংখ্যা একপ্রকার চূড়ান্ত করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। বাকি ছিল কেবলমাত্র গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা চূড়ান্ত করার। এবার সেই সংখ্যাও চূড়ান্ত করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর পাঠাতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। সেখানে শিলমোহর পড়লেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সব রকম পদক্ষেপ করতে শুরু করবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৩০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর এই সংখ্যা বাড়তেও পারে (Assembly Election 2026)। তবে সাম্প্রতিক অতীতে কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে যে প্যারামিটার ছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সেই প্যারামিটার ভেঙে নয়া মানচিত্র তৈরি হয়ে গিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথের ভেতরে এবার থাকবে দু’টি করে ক্যামেরা, বুথের বাইরে একটি।

    নাকা চেকিংয়ের সংখ্যা

    বাকি বুথগুলিতে ভিতরে ও বাইরে একটি করে ক্যামেরা লাগানো হবে। নাকা চেকিংয়ের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সেখানেও থাকবে প্রতি ক্ষেত্রে একটি করে ক্যামেরা, এর সঙ্গে থাকবে মোবাইল ভ্যান যার মাথায় লাগানো থাকবে একটি করে ক্যামেরা, আর এইসব ক্যামেরায় ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে লাইভ ওয়েবকাস্টিং করা হবে। যে পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে, তাতে এই বিধানসভা নির্বাচন সম্ভবত এক দফায়ই হতে চলেছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে ভোটের দামামা বেজে গেলেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে এখনও প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় আছে (ECI)। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিগত দিনের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না করে নতুন আর এক ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কমিশনের এক পদস্থ কর্তা জানান, কমিশনের লক্ষ্য এবার একদিকে যেমন এক দফায় নির্বাচন করা, তেমনি অন্যদিকে রক্তপাতহীন সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করে মানুষকে তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার ক্ষমতা দেওয়া।

    স্পর্শকাতর, অতি-স্পর্শকাতর বুথ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে ইতিমধ্যেই কয়েক দফায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে বিস্তর বৈঠক হয়েছে। এই বৈঠকের মধ্যে দিয়েই উঠে এসেছে স্পর্শকাতর থেকে শুরু করে অতি-স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত এলাকার বুথের সামগ্রিক চিত্র। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রতি বুথে যেমন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, তেমনই এলাকায়ও টহলদারের কাজে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমেও নজরদারির কাজ চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীই। অর্থাৎ ২০২১ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবার একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে, তেমনি অন্যদিকে বিগত দিনের ইতিহাস মুছে ফেলে রাজ্যে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এখন দেখার, আদতে এই স্পর্শকাতর এবং অতি-স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা বেড়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় যেখানে এবার রাজ্যে বুথের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ছুঁতে চলেছে (Assembly Election 2026)।

     

LinkedIn
Share