Tag: bangla news

bangla news

  • Takshila University: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

    Takshila University: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তক্ষশীলা। অনেক ঐতিহাসিক একে পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ও বলে থাকেন। সিন্ধু নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায় বিভিন্ন বৌদ্ধশাস্ত্রে, জাতকের কাহিনীতে। রামায়ণ-মহাভারতেও উল্লেখ মেলে তক্ষশীলার। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিখ্যাত প্রত্নতাত্বিক স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম তক্ষশীলার ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়টি সিন্ধু নদীর পূর্ব তীরে তক্ষশীলা শহরে অবস্থিত ছিল জানা যায়। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, তক্ষশীলা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে জাতকের কাহিনীতে অর্থাৎ খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে এর বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিল বলে জানা যায়। জানা যায়, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Takshila University) ১০,৫০০ জনেরও বেশি ছাত্র পড়াশোনা করতেন।

    আরও পড়ুন: বিদ্যাচর্চার উৎকর্ষ কেন্দ্র ছিল প্রাচীন ভারতের বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ভাব বিনিময়ের কেন্দ্র

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষের সঙ্গে বহির্বিশ্বের যে বাণিজ্যিক পথ সেখানেই অবস্থিত ছিল। অর্থাৎ তৎকালীন পারস্য এবং মধ্যপ্রাচ্যকে যুক্ত করে যে বাণিজ্য পথ সেখানেই এর অবস্থান ছিল। এমন অবস্থানের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বহু ছাত্র এবং পণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতেন। যার ফলে তক্ষশীলা একটি সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ভাব বিনিময়ের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    কোন কোন বিষয় পড়ানো হতো?

    বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের মত অনুসারে, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, চিকিৎসা, দর্শন, সাহিত্য, ভাষাবিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব, স্থাপত্য, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং যুদ্ধবিদ্যার মতো বিষয়গুলিতে পঠন পাঠন চলত। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষণ পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং সেখানকার অধ্যাপকরা ছাত্রদের বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করাতেন। পড়ুয়ারা বিতর্কে অংশগ্রহণ করতেন। এর পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবহারিক দিকেও ছাত্ররা পারদর্শী হয়ে উঠতেন। ছাত্রদের মধ্যে বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা এই সমস্ত কিছুই বাড়ানো হতো পঠন-পাঠনের মাধ্যমে।

    ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় যা নালন্দা এবং বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকেও অনেকটাই প্রাচীন ছিল। সেখানে ছিল একটি বিশাল আকারের গ্রন্থাগার। এখানে বিভিন্ন সাহিত্যের পান্ডুলিপি সংরক্ষণ করা ছিল। ছাত্র এবং অধ্যাপকরা এই লাইব্রেরীতে আসতেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুকুল পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করা হতো। যেখানে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপকদের সঙ্গেই থাকতেন। তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধন গড়ে উঠত। এইভাবে ছাত্রদের শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক বিকাশ সম্পূর্ণ হতো। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতি তৎকালীন দিনে দূরদূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল।

    প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে উল্লেখ

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন গ্রন্থে পাওয়া যায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- 

    অর্থশাস্ত্র: প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিত কৌটিল্য বা চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত অর্থশাস্ত্র রচনা করেছিলেন এখানে বসেই। তাঁর গ্রন্থে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও জ্ঞান চর্চার এক খ্যাতনামা কেন্দ্র হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন।

    মহাভারত: বহু শতাব্দী আগে রচিত মহাকাব্য মহাভারত। সেখানেও তক্ষশীলা নগর সমেত তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।

    রামায়ণ: জ্ঞান চর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান হিসেবে রামায়ণে তক্ষশীলার উল্লেখ পাওয়া যায়। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় (Takshila University) প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব রামায়ণ অনুসারে কৈকেয়ীর পুত্র তথা ভগবান রামের ভাই ভরতকে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। জানা যায়, ভরত তাঁর পুত্র তক্ষকে ওই নগর শাসনের জন্য নিযুক্ত করেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর নামানুসারে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় নামটি এসেছে বলে মনে করা হয়।

    জাতকের কাহিনী: বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য হল জাতকের কাহিনী। এই জাতকের কাহিনীতে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায়।

    বিভিন্ন গ্রিক ও চিনা সাহিত্য: মেগাস্থিনিস সমেত অন্যান্য পরিব্রাজকদের বিভিন্ন লেখায় উঠে এসেছে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়। এ থেকেই বোঝা যায় তক্ষশীলা কতটা খ্যাতিসম্পন্ন ছিল। সে সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায় চীনা পরিব্রাজকদের লেখাতেও।

    মনুস্মৃতি: মনুস্মৃতি, কথাসরিত সাগর প্রভৃতি প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায়। 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দিক

    কঠিন প্রতিযোগিতা: জানা যায় সে সময় ছাত্ররা সহজেই তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতেন না। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য তাঁদেরকে একটি কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষার দিতে হতো এবং তার মাধ্যমেই সুযোগ মিলতো সেখানে পড়াশোনা করার।

    আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়: ভারতীয় বিভিন্ন সাহিত্য, চিনা এবং গ্রিক পরিব্রাজকদের লেখা থেকে জানতে পারা যায় যে এটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে উঠেছিল। কারণ এখানে পারস্য, গ্রিস, মধ্য এশিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে ছাত্ররা পড়তে আসতেন।

    বৃত্তি: বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের গবেষণা থেকে জানতে পারা যায় তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় যোগ্য ছাত্রদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা ছিল।

    ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর: তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকরা ছাত্রদের ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দিতেন বলে জানা যায়। তাঁদেরকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও চলত।

    কারা পড়াতেন?

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন পাণিনির খ্যাতনামা সংস্কৃত পণ্ডিত। পাণিনির অষ্ট্যাধ্যায়ী তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বসেই রচিত হয় বলে জানা যায়। এটি সংস্কৃতের জটিল এবং নিয়মভিত্তিক ব্যাকরণ ছিল। অন্যদিকে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী চাণক্যও তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপনা করতেন বলে জানা যায়। ভারতীয় চিকিৎসার জনক বলে পরিচিত চরক তক্ষশীলায় অধ্যাপনা করতেন। অন্যদিকে গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত ডাক্তার বলে পরিচিত ছিলেন জিবক, তিনিও তক্ষশীলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য পাটনায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু কিছু বৌদ্ধ সাহিত্য দাবি করে যে চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে অধ্যয়ন ও শিক্ষার জন্য তক্ষশীলায় নিয়ে গেছিলেন।

    আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    পতনের কারণ 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় (Takshila University) শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। এর পতনের অনেক কারণ রয়েছে। রাজনৈতিক এবং আর্থসামাজিক কারণও বেশ কতকগুলি রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ: মনে করা হয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে হুণ শাসক তোরমান এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করেন। যার ফলে তক্ষশীলার শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন: মনে করা হয় উত্তর ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনও তক্ষশীলা (Takshila University) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Siliguri: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। রাজ্যের তৃণমূল সরকার মাতৃত্বকালীন মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য বার বার কৃতিত্বের দাবি করে। এভাবে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে রাজ্য সরকারের সেই দাবি জোর ধাক্কা খেয়েছে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গের একমাত্র রেফারেল সেন্টার ৫৫ বছরের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। 

     প্রশ্নের মুখে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Siliguri)

    উত্তরবঙ্গ (Siliguri) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে  দীর্ঘদিন ধরে নানান অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের দিয়ে চলছে প্রসূতি বিভাগ। অনেক সময় নার্সরা প্রসব করান। দুপুরের পর থেকে সিনিয়র ডাক্তারদের দেখা মেলে না। গত ১ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে এই অভিযোগগুলিই সামনে চলে এসেছে। দু’সপ্তাহে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার দিকটি দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    কী বলছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ

    হাসপাতালের (Siliguri) অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার (মেডিক্যাল) ডাঃ নন্দন কুমার বন্দোপাধ্যায় বলেন, ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উদ্বেগজনক। যে দশজন মারা গিয়েছেন তাদের মধ্যে  ইসলামপুর থেকে ২ জন,   জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ২ এবং ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া ও শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে একজন করে প্রসূতি সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার হয়ে এসেছিলেন। এদের কারও কিডনির, কারও হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য জটিলতা  ছিল। তাই তাদের প্রয়োজনীয় সব রকম  চিকিৎসার পরিষেবা দেওয়ার পরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের ফেসিলিটি নোডাল অফিসার ডাঃ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, প্রসূতিদের শুরুতেই দেখা উচিত, কারও কিডনির অসুখ, লিভারের সমস্যা রয়েছে কিনা বা অন্য কোনও জটিল রোগব্যাধিতে আক্রান্ত কিনা প্রসূতিরা সেটা প্রথমেই নির্ণয় করা প্রয়োজন। চিকিৎসার একদম নীচু স্তরে যাতে প্রসূতিদের এই দিকগুলির ওপর নজর দেওয়া হয় সে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওয়াকিবহাল করা হবে।

     প্রসূতিদের চিকিৎসায় গাফিলতি?

    রাজ্যের তৃণমূল সরকার দাবি করে, ব্লক থেকে জেলা, সব সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোর উন্নয়ন করে এবং সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখজনকভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে। গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম থেকেই সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা দেখভাল করেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেন। প্রসূতিদের অহেতুক রেফারও বন্ধ করা হয়েছে। তাহলে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে তাদের সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার করা হল কেন? শুরুতে  চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • POK: ‘একজনের ভুলে হাতছাড়া কাশ্মীরের একাংশ’, নাম না করে নেহরুর দুর্বলতা স্মরণ জয়শঙ্করের

    POK: ‘একজনের ভুলে হাতছাড়া কাশ্মীরের একাংশ’, নাম না করে নেহরুর দুর্বলতা স্মরণ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও একজনের দুর্বলতা এবং ভুলের জন্য কাশ্মীরের একটা অংশ (POK) ভারতের হাতছাড়া হয়েছে।” নাম না করে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দিকে ইশারা করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বৃহস্পতিবার ‘বিশ্ববন্ধু’ ভারত নামে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন POK ফেরত নিতে ভারত প্রতিজ্ঞবদ্ধ এব্যাপারে কারও মনে সন্দেহ থাকা উচিত নয়।

    কোনও লক্ষণরেখা নেই, CPEC সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা জয়শঙ্করের

    বিদেশমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, যদি ভারত পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তাহলে চিন ভারতের উপর হামলা করতে পারে। কারণ সিপেক রয়েছে সেখানে। প্রত্যুত্তরে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “আমি বিশ্বাস করি না এরকম লক্ষণ রেখা আছে বলে। আমরা মনে করি কারও ভুল কিংবা দুর্বলতার জন্য পিওকে সাময়িকভাবে হাতছাড়া হয়েছে। বিশ্বস্তরে আমরা আগেও বলেছি, আবারও বলছি, পিওকে ভারতের অংশ ছিল, আছে এবং আগামীতেও থাকবে। ভারতীয় সংসদে আমাদের প্রস্তাব আছে আমরা পিওকে ফেরত নেব। তবে কীভাবে, কখন হবে তা সময় বলে দেবে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত চাঁদে পা রাখছে, করাচির ম্যানহোলে শিশুমৃত্যু হচ্ছে’, পাক সাংসদের মন্তব্য ভাইরাল

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি (S Jaishankar) আরও বলেন, “পাকিস্তান (Pakistan) কিংবা তাঁর কোন প্রতিবেশী পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) উপরে নিজেদের দাবি করতে পারে না। ভারত (India) একমাত্র আইনসঙ্গত দাবিদার। আমি চিনে (China) রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছি। আমরা সকলেই জানি চিনের পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কাশ্মীরের (Kashmir) উপরে তাঁদের মনোভাব। কিন্তু আমরা ওদের আগেও বলেছি এখনও বলছি পাকিস্তান হোক বা চিন, কেউ আমাদের অংশের উপরে নীতিগতভাবে দাবি করতে পারে না। জবরদখলকারিরা কখনও মালিক হতে পারে না। তাঁরা জবরদখল করে রেখেছে এবং ওখানে নির্মাণ কাজ চালিয়েছে। তাতেও মালিকানা স্বত্ব ভারতেরই থাকে। 

    পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে চুক্তি

    পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ১৯৬৩ সালের চুক্তির কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, “ইসলামাবাদ যখন পাক অধিকৃত ভূখণ্ডের (POK) একটি অংশ চিনকে বন্ধুত্বের স্বরূপ হস্তান্তর করে তখন চুক্তিতে বলা হয়েছিল চিন শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান বা ভারতের যে কোনও দেশের আঞ্চলিক দাবিকে সম্মান করবে। দক্ষিণ এশিয়ায় যেভাবে ভূরাজনৈতিক গতিবিধিতে পরিবর্তন এসছে সে প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “ভারত নিজের অবস্থান বিশ্ব দরবারে জোরালো ভাবে তুলে ধরেছে। এবং ভারতের সমর্থনেও অনেক রাষ্ট্র আছে। আমাদের নিজেদের অবস্থান শক্ত রাখতে হবে এবং নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। এখন আমরা যেভাবে আমাদের দাবি তুলে ধরতে পারি ১০ বছর আগেও সেটা হত না। এখন ভারতের বাইরে ভারতীয়রা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 19: “ঐশ্বর্য দেখেই সকলে ভুলে যায়, যাঁর ঐশ্বর্য তাঁকে খোঁজে না”

    Ramakrishna 19: “ঐশ্বর্য দেখেই সকলে ভুলে যায়, যাঁর ঐশ্বর্য তাঁকে খোঁজে না”

     শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ শ্যামপুকুরে—প্রাণকৃষ্ণের বাটিতে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কলিকাতায় আজ শুভাগমন করিয়াছেন। শ্রীযুক্ত প্রাণকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের শ্যামপুকুর বাটির দ্বিতলায় বৈঠকখানা ঘরে ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। এইমাত্র ভক্তসঙ্গে বসিয়া প্রসাদ পাইয়াছেন। আজ ২ রা এপ্রিল, রবিবার, ১৮৮২ খ্রীঃ, ২১ শে চৈত্র, ১২৮৮, শুক্লা, চতুর্দশী; এখন বেলা ১/২ টা হইবে। কাপ্তেন ওই পাড়াতেই থাকেন; ঠাকুরের ইচ্ছা এ-বাড়িতে বিশ্রামের পর কাপ্তেনের বাড়ি হইয়া, তাহাকে দর্শন করিয়া কমলকুটির নামক বাড়িতে শ্রীযুক্ত কেশব সেনকে দর্শন করিতে যাইবেন। প্রাণকৃষ্ণের বৈঠকখানায় বসিয়া আছেন; রাম, মনোহর, কেদার, সুরেন্দ্র, গিরীন্দ্র (সুরেন্দ্রর ভাতা), রাখাল, বলরাম, মাস্টার প্রভৃতি ভক্তেরা উপস্থিত।

    পাড়ার বাবুরা ও অন্যান্য নিমন্ত্রিত ব্যক্তিরাও আছেন, ঠাকুর কি বলেন—শুনিবার জন্য সকলেই উৎসুক হইয়া আছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন, ঈশ্বর ও তাঁহার ঐশ্বর্য। এই জগৎ তাঁর ঐশ্বর্য।

    কিন্তু ঐশ্বর্য দেখেই সকলে ভুলে যায়, যাঁর ঐশ্বর্য তাঁকে খোঁজে না। কামিনী-কাঞ্চন ভোগ করতে সকলে যায়, কিন্তু দুঃখ, অশান্তিই বেশি। সংসার যেন বিশালাক্ষীর দ, নৌকা দহে একবার পড়লে আর রক্ষা নাই। সেকুল কাঁটার মতো এক ছাড়ে তো আর একটি জড়ায়। গোলোকধান্দায় একবার ঢুকলে বেরুনো মুশকিল। মানুষ যেন ঝলসা পোড়া হয়ে যায়।

    একজন ভক্ত—এখন উপায়?

    উপায়—সাধুসঙ্গ আর প্রার্থনা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—উপায়ঃ সাধুসঙ্গ আর প্রার্থনা।

    বৈদ্যের কাছে না গেলে রোগ ভাল হয় না। সাধুসঙ্গ একদিন করলে হয় না, সর্বদাই দরকার, রোগ লেগেই আছে। আবার বৈদ্যের কাছে না থাকলে নাড়ীজ্ঞান হয় না, সঙ্গে সঙ্গে ঘুরতে হয়। তবে কোনটি কফের নাড়ী, কোনটি পিত্তের নাড়ী বোঝা যায়।

    আরও পড়ুনঃ “ভজানন্দ ব্রহ্মানন্দ, এই আনন্দই সুরা! মানবজীবনের উদ্দেশ্য ঈশ্বরে প্রেম”

    আরও পড়ুনঃ “খ্রিষ্টান, ব্রহ্মজ্ঞানী, হিন্দু, মুসলমান—সকলেই বলে, আমার ধর্ম ঠিক, কিন্তু মা, কারুর ঘড়ি তো ঠিক চলছে না”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির..”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arthritis: আর্থ্ররাইটিসে আক্রান্ত কিনা জানবেন কীভাবে? ছোট থেকে কোন দিকে খেয়াল রাখা দরকার?

    Arthritis: আর্থ্ররাইটিসে আক্রান্ত কিনা জানবেন কীভাবে? ছোট থেকে কোন দিকে খেয়াল রাখা দরকার?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হাতে-পায়ে যন্ত্রণাতেই ভোগান্তি আটকে নেই। কিছুক্ষণ একটানা হাঁটাচলা করলেই, এমনকি দাঁড়িয়ে থাকলেও হাঁটু, কোমরে মারাত্মক যন্ত্রণা হয়। স্বাভাবিক জীবন যাপনে ব্যাঘাত ঘটে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স্কদের পাশপাশি কমবয়সিরাও আর্থ্ররাইটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। আধুনিক জীবন যাপনের জেরে মানুষের শরীরে একাধিক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এর জেরেই আর্থ্ররাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আর আর্থ্ররাইটিস কেবল ব্যথা-যন্ত্রণার ভোগান্তি বাড়ায় না। এতে আক্রান্ত হলে একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। যেমন, হৃদরোগ, ত্বকের সমস্যা, চোখের শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়। তাই আর্থ্ররাইটিস (Arthritis) নিয়ে সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে বুঝবেন আপনি আর্থ্ররাইটিসে আক্রান্ত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি উপসর্গ আর্থ্ররাইটিসের লক্ষণ স্পষ্ট করে‌। প্রথমত, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট যেমন হাঁটু, কোমরে লাগাতার যন্ত্রণা অনুভব হলে সতর্ক‌ থাকা জরুরি। লাগাতার যন্ত্রণা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে নজরদারি রাখতে হবে। তাহলে আর্থ্ররাইটিসের প্রকোপ কমবে। বারবার পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। অনেকে কম বয়সিরাও‌ রাস্তায় বা বাড়ির ভিতরে হঠাৎ পড়ে যান।‌ বারবার পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে, বুঝতে হবে শরীরের ফিটনেসের সমস্যা রয়েছে। আর্থ্ররাইটিস (Arthritis) আক্রান্ত হলে শরীরের হাড় দুর্বল হয়। তখন শারীরিক কসরতের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। নিয়মিত হাঁটাচলা করা, ব্যায়াম করার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে। তবেই শারীরিক ফিটনেস বাড়বে। শরীরের ওজন মারাত্মক বেড়ে গেলে আর্থ্ররাইটিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই মারাত্মক স্থূলতায় ভোগেন। স্থূলতা দেখা দিলে হাড়ের উপরে বাড়তি চাপ পড়ে। আর্থ্ররাইটিসের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে নজরদারি জরুরি।

    সন্তানের কোন দিকে নজরদারি ঝুঁকি কমাবে? (Arthritis)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আর্থ্ররাইটিস আর প্রবীণ বয়সের রোগের সীমারেখায় আটকে নেই। এই রোগের দাপট তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে। ছোট থেকেই কয়েকটি বিষয়ে অভিভাবকেরা সচেতন হলে বড় বিপদ এড়ানো যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের শরীরে ভিটামিন ডি-র চাহিদা পূরণ জরুরি। খাবারে যাতে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকে সেদিকে নজর দিতে হবে। তাই দরকার ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। যেমন ডিম, সমুদ্রের মাছ, ওলিভের মতো ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। 

    ক্যালসিয়ামের অভাব যেন না থাকে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড় মজবুত হলেই আর্থ্ররাইটিসের (Arthritis) ঝুঁকি কমবে। তাই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেতে হবে। তাই নিয়মিত ডিম ও দুধ, পনীর, ছানা, মুসুর, ছোলার মতো খাবার মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এগুলো হাড় শক্ত করে। 

    নিয়মিত যোগাভ্যাস করা জরুরি (Arthritis)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীর সুস্থ থাকে। একদিকে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফিটনেস বাড়ে। ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই নিয়মিত শিশুকে যোগাভ্যাসে অভ্যস্ত করলে আর্থ্ররাইটিসের‌ মতো রোগের ঝুকি কমানো‌ যায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pak Refugees in Delhi: ‘‘এখন থেকে আমরা ভারতীয়’’, নাগরিকত্ব পেয়ে মোদিকে ধন্যবাদ পাক শরণার্থীদের

    Pak Refugees in Delhi: ‘‘এখন থেকে আমরা ভারতীয়’’, নাগরিকত্ব পেয়ে মোদিকে ধন্যবাদ পাক শরণার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন থেকে ভারতীয় শরনার্থীদের (Pak Refugees in Delhi) আর পাকিস্তানি বলা যাবে না। অর্থাৎ পাকিস্তান থেকে আসা দিল্লিতে বসবাসকারী শরণার্থীরা এখন থেকে ভারতের নাগরিক। সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্রের প্রথম সেট জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীরা বৃহস্পতিবার নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের মাধ্যমে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার সিএএ-র অধীনে নিয়মগুলি ঘোষণা করার পর দুই মাসের মধ্যে নাগরিকত্বের শংসাপত্রের এই প্রথম সেট জারি করেছে। 

    শরণার্থীদের বক্তব্য 

    এই প্রসঙ্গে শরণার্থীরা (Pak refugees in Delhi) বলেছেন, “আমরা ৫ অক্টোবর ২০১৩ সালে পাকিস্তান থেকে দিল্লিতে আসি। যখন সিএএ বিল পাস হয়েছিল তখন আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম। এরপরে আমরা নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করেছি যাতে আমরা কিছু কাজও শুরু করতে পারি। আমরা একমাস আগে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলাম এবং আমরা তা ১৫ মে পেয়েছি। এখন আমাদের ভবিষ্যতও উজ্জ্বল হবে। তাই আমরা ভারত সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।” একই সঙ্গে আরও এক শরণার্থী বলেন, “আমরা যখন ১০ বছর আগে এখানে এসেছি, তখন আমাদের নাগরিকত্ব ছিল না। নাগরিকত্ব পেয়ে আমরা খুব খুশি। আগে আমাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হতাম। কিন্তু এখন আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষা পাবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। এতদিন ধরে আমাদের পাকিস্তানি বলা হতো। এখন থেকে আমরা ভারতীয়।” 

    আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর ভাইরাল বক্তৃতার জবাব মোদির

    অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন 

    জানা গিয়েছে, সিনিয়র সুপারেনটেন্ডেন্টদের সভাপতিত্বে জেলা স্তরের কমিটিগুলি নথিগুলির সঠিক যাচাই করে আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের (Pak refugees in Delhi) শংসাপত্রের প্রথম সেট জারি করেছে। নিয়ম অনুযায়ী, যাচাই এর পরে আবেদন গুলি ডিরেক্টরের নেতৃত্বে রাজ্য স্তরের ক্ষমতা প্রাপ্ত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এই আবেদনের প্রক্রিয়াকরণ সম্পূর্ণভাবে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ, ম্যাচ কবে, কোথায়?

    T20 World Cup 2024: টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ, ম্যাচ কবে, কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল শেষ হতেই শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের (T20 World Cup 2024) মহাযুদ্ধ। আগামী ২ জুন থেকে শুরু হচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপ। দীর্ঘদিন কোনও আইসিসি ট্রফি জিততে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। ক্রমাগত ভাল খেললেও তীরে এসে তরী ডুবেছে বারবার। গতবছরও একদিনের বিশ্বকাপে গোটা টুর্নামেন্ট অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেও হেরে গিয়েছিল রোহিত অ্যান্ড কোং। স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাই ট্রফি জয়ের জন্য মরিয়া রোহিতরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ হিসেবে একটি খেলাই খেলতে পারবে টিম ইন্ডিয়া।  ১ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত (India vs Bangladesh) ৷

    কবে কবে প্রস্তুতি ম্যাচ

    আইসিসি প্রতিটি দলকে কমপক্ষে দু’টি করে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ দিচ্ছে ৷ এবার কোন দল ক’টি ম্যাচ খেলবে, তা নির্ভর করছে তাদের আয়োজক দেশে পৌঁছানোর উপর ৷ ভারতে এই মুহূর্তে আইপিএল চলছে ৷ ২৬ মে ফাইনাল হবে ৷ সূত্রে খবর অনুযায়ী, ভারতীয় দল (India vs Bangladesh) দু’ভাগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছবে ৷ প্রথম দলটি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার শেষ হলেই রওনা দেবে ৷ আর আইপিএল ফাইনালে টি-২০ বিশ্বকাপ দলের কোনও ক্রিকেটার খেললে, তাঁরা দ্বিতীয় ধাপে রওনা দেবেন ৷ ফলে পুরো ভারতীয় দল ১ জুন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ৷ টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ৫জুন ভারতের প্রথম ম্যাচ আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে৷

    প্রস্তুতি ম্যাচ নেই পাকিস্তানের

    গত বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) দুই ফাইনালিস্ট পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারবে না। বিশ্বকাপের ঠিক আগে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড নিজেদের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে। সেই কারণে তাদের কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ দেওয়া হয়নি। এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল নিউ জিল্যান্ড। তাই তাদেরও কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ দেওয়া হয়নি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি ১৬টি প্রস্তুতি ম্যাচের তালিকা ঘোষণা করেছে। এই ম্যাচগুলি অবশ্য আন্তর্জাতিক ম্যাচের তালিকাভুক্ত নয়। তাই প্রতিটি দল নিজেদের ১৫ জনকেই খেলাতে পারবে। ভারত একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেললেও কয়েকটি দল দু’টি করে খেলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: তৃণমূল নেতার মদতেই সক্রিয় মাফিয়ারা, রমরমিয়ে চলছে বালি-পাথর পাচার

    Jalpaiguri: তৃণমূল নেতার মদতেই সক্রিয় মাফিয়ারা, রমরমিয়ে চলছে বালি-পাথর পাচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা যেন বালি -পাথর মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ভোট পার হতেই ফের সক্রিয় বালি-পাথর মাফিয়ারা। এই মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য এতটাই যে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের মারধর, তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর সহ প্রাণে মারার হুমকিও দিচ্ছে। তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই বেআইনি কারবার চলছে। ভূ-ততত্ত্ববিদদের আশঙ্কা,  বালি -পাথর উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনই যদি লাগাম না টানা হয় তাহলে আগামীদিনে ভয়ংকর বিপর্যয়ের মুখে পড়বে গোটা ডুয়ার্স সহ গোটা জলপাইগুড়ি জেলা।

    মাফিয়াদের হাতে বার বার আক্রান্ত প্রশাসনের কর্মীরা (Jalpaiguri)

    বৃহস্পতিবারও বালি,পাথর বোঝাই ওভারলোডিং ডাম্পারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ধূপগুড়ির (Jalpaiguri)  ভূমি রাজস্ব দফতরের এক রেভিনিউ অফিসার। দিন দুয়েক আগেও অবৈধ বালি  পাচার করা রুখতে গিয়ে ময়নাগুড়ির এক রেভিনিউ আধিকারিককে বালি মাফিয়ারা মারধর ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। সব কিছু জেনেও প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি এই মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, মাল ব্লকের লিস, ঘিষ সহ বিভিন্ন নদী থেকে সারাদিন বালি এবং পাথর উত্তোলন করে চলেছে একদল বালি ও পাথর মাফিয়া। অভিযোগ, মাফিয়ারা পাহাড়ের গা ঘেষে বিভিন্ন মেশিন বসিয়ে পাহাড় কেটে পাথর নিয়ে পাচার করছেন। দিনভর নদীতে বালি উত্তোলন করে রাতে শুরু হয় তার পাচার। রাত বাড়তেই মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি থেকে কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত পর্যন্ত রাস্তার দখল নেয় বালি ও পাথর বোঝাই ডাম্পার। যে এলাকা থেকে বালি ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে প্রকাশ্যেই তা দেখা যাচ্ছে। প্রশাসন এখানে ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করছেন। প্রতিদিন কয়েকশ গাড়ি বালি এবং পাথর পাচার করছে তারা।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    জেলা তৃণমূল নেতার মদতেই চলছে এই কারবার!

    একটি সূত্রের খবর, শাসক দলের এক জেলা (Jalpaiguri) নেতার সক্রিয় মদতে এই পাচার চলছে। শুধু তাই নয় তাঁর মাথায় রাজ্যের এক মন্ত্রীর হাত আছে বলেও জানা  গিয়েছে। ওই জেলা নেতার বেশ কয়েকটি ডাম্পার, আর্থ মুভারসহ বিভিন্ন রকম খনন করার যন্ত্র রয়েছে। সেইসব যন্ত্রপাতি নদী বক্ষে নামিয়ে দিয়ে খনন করা হয়। যা কিনা পুরোপুরি বেআইনি। কিন্তু বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাধবে কে? কার সাধ্য আছে? মাথায় যে মন্ত্রীর হাত রয়েছে। তাই মালবাজার থানা, ক্রান্তি থানা, ময়নাগুড়ি থানা এলাকা পেড়িয়ে বুক চিতিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে যাচ্ছে গাড়ি গুলি। রাতে পাচারের বড় সুবিধা সেই সময় রাস্তায় শুধু পুলিশ থাকে, ভূমি ও রাজস্ব দফতরের আধিকারিকরা থাকে না। তাই রাতের সময়টাকেই বেছে নেয় পাচারকারীরা।

    পাচারে যুক্ত তৃণমূলের লোকজন, স্বীকার শাসক দলের নেতার

    এই বিষয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তমাল ঘোষ বলেন, এই পাচারের ব্যবসায় আমাদের দলের লোক সরাসরি জড়িত। দলের এক জেলা কমিটির সদস্যের সক্রিয়তায় এই পাচার চক্র চলে। তিনি এখন বালি পাথরের মাফিয়ায় পরিণত হয়েছেন। যার ফলে দল বিপাকে পড়ছে। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, গোটা পাচার চক্র চলছে তৃণমূলের মদতে। তাই সরকারি আধিকারিকদের গায়ে হাত তোলার সাহস পায় মাফিয়ারা। আর পুলিশ তাদের দেখতেই পায়না। তাই পাচারকারীরাও বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DEV: নিয়োগ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত দেব! অডিও প্রকাশ করে মারাত্মক অভিযোগ হিরণের

    DEV: নিয়োগ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত দেব! অডিও প্রকাশ করে মারাত্মক অভিযোগ হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চমদফা নির্বাচনের আগে ফের আরও এক অডিও ভাইরাল হয়েছে। এবার ঘটনার কেন্দ্রে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল। এই লোকসভা কেন্দ্রের দুইজন তারকা প্রার্থী। এক দিকে বিজেপির হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং অপরে তৃণমূলের প্রার্থী দেব। একটি অডিও (DEV) এবার প্রকাশ্যে এনেছেন বিজেপি প্রার্থী। যদিও মাধ্যম এই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি। হিরণের দাবি, চাকরির জন্য ৯ লক্ষ টাকা দিয়েছে এক মহিলা। দেব-ঘনিষ্ঠ এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। চাকরি না মেলায় এবার টাকা ফেরত চান ওঁই মহিলা। মহিলার সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এই ভিডিওতে উঠে এসেছে। ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ভিডিওর বক্তব্য (DEV)

    হিরণ যে অডিও (DEV Video) টি সামনে এনেছেন তাতে রয়েছে-

    মহিলাঃ দেব দা কেমন আছেন?

    দেবঃ ভালো আছি, তুমি কেমন আছো?

    মহিলাঃ একদম ভালো আছি দাদা। দেবদা (DEV) একটা ছোট বিষয় ছিল। সমস্যার সমাধান হচ্ছে না, তাই ফোন করতে বাধ্য হলাম। রাম আমার কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকা নিয়েছিল। চাকরি দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু দেয়নি। আমি কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। সমস্যার সমাধান চাই।

    দেবঃ বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।

    আরও পড়ুনঃপূর্ব মেদিনীপুরে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে সিবিআই

    দেবের বক্তব্য

    তৃণমূল প্রার্থী দেব এই বিষয়ে বলেন, “মহিলার কণ্ঠস্বর (DEV Video) এডিট করা হয়েছে। বিজেপি ভোটের মুখে অপপ্রচার করছে। এই সব কাজের ভিত্তি নেই, মিথ্যা। দরকার হলে এবার মামলা করব।” অপর দিকে তৃণমূল নেতা এবং দেব ঘনিষ্ঠ রামপদ মান্না বলেছেন, “এটা বিজেপির চক্রান্ত, ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।” আবার বিজেপি প্রার্থী হিরণ বলেন, “দেব সবটাই জানেন, চাকরি বিক্রি করার একটা চক্র চলছে। মানুষ সাহস করে মুখ খুলছে। তৃণমূলের সর্বত্র স্তরে দুর্নীতি ঢুকে রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই তদন্তের জন্য একাধিকবার সন্দেশখালিতে  (Sandeshkhali) গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। অভিযোগকারীদের মধ্যে কয়েকজনের বাড়ি গিয়ে কথা বলা এবং জমি সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। কিছুদিন আগে সন্দেশখালিতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠের আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে বেশকিছু অস্ত্র উদ্ধার করে তদন্তকারী সংস্থা। এবার সন্দেশখালি নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ শুনতে সেখানেই অস্থায়ী শিবির বা ক্যাম্প অফিস তৈরি করল সিবিআই।

    অস্থায়ী শিবির চালু করল সিবিআই (Sandeshkhali)

     কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) থেকেই এ বার তদন্ত করবেন সিবিআই আধিকারিকেরা। ধামাখালিতে একটি ব্যাঙ্কের কাছে অস্থায়ী শিবির করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের কাছে সন্দেশখালি নিয়ে যে অভিযোগগুলি জমা পড়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখার কাজ হবে ওই অস্থায়ী শিবিরে। এর পাশাপাশি সেখানে অভিযোগকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলবেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই অস্থায়ী শিবিরে অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য  কলকাতার সিবিআই দফতর থেকে কয়েকজন আধিকারিক সন্দেশখালি পৌঁছে গিয়েছেন। এসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিকও সন্দেশখালি যান। অস্থায়ী শিবিরে অনেক সহজেই এলাকার মানুষ তাঁদের অভাব অভিযোগ জানাতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: জেরক্সের দোকানে জাল আধার-ভোটার কার্ড সক্রিয়, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    অনলাইনে অভিযোগও জমা নেওয়া হবে

    সিবিআইয়ের ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ইমেলের মাধ্যমে অভিযোগ জমা নেওয়াও বন্ধ করছে না তারা। তবে, গ্রামের মানুষ যাতে সহজে অভিযোগ জানাতে পারেন, তাই সেখানেই অস্থায়ী শিবির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি। গত ১০ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নারী নির্যাতন এবং জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। অভিযোগ জানাতে অনলাইন পোর্টাল খুলতে বলা হয়। সেই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়, সন্দেশখালির নিগৃহীতেরা কী ভাবে সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ জানাবেন, তা সন্দেশখালি জুড়ে প্রচার করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সেই মতো প্রচার করা হয়েছিল। সিবিআই দফতরে ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পড়েছিল। ইতিমধ্যে একাধিকবার সিবিআই আধিকারিকরা সন্দেশখালিতে গিয়ে তদন্ত করেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখেন। এবার অস্থায়ী শিবির করেই এই কাজ করবে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share