Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 43: “যদি দক্ষিণে হাওয়া আপনি আসে, পাখা রেখে দেওয়া যায়, আর পাখার কি দরকার?”

    Ramakrishna 43: “যদি দক্ষিণে হাওয়া আপনি আসে, পাখা রেখে দেওয়া যায়, আর পাখার কি দরকার?”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ঈশ্বরকে ভালবাসা জীবনের উদ্দেশ্য—The End of life

    চিত্ত তদগত হওয়া, তাঁকে খুব ভালবাসা। সুধাহ্রদ কিনা অমৃতের হ্রদ। ওতে ডুবলে মানুষ মরে না। অমর হয়। কেউ কেউ মনে করে, বেশি ঈশ্বর ঈশ্বর (Ramakrishna) করলে মাথা খারাপ হয়ে যায়। তা নয়। এ-যে সুধার হ্রদ! অমৃতের সাগর। বেদে তাঁকে অমৃত বলেছে, এতে ডুবে গেলে মরে না—অমর হয়।

    নিষ্কামকর্ম বা কর্মযোগ ও জগতের উপকার

    পূজা, হোম, যাগ কিছুই কিছু নয়। যদি তাঁর উপর ভালবাসা আসে, তাহলে আর এ-সব কর্মের বেশি দরকার নাই। যতক্ষণ হাওয়া পাওয়া না যায়, ততক্ষণই পাখার দরকার, যদি দক্ষিণে হাওয়া আপনি আসে, পাখা রেখে দেওয়া যায়। আর পাখার কি দরকার?

    তুমি যে-সব কর্ম করছ, এ-সব সৎকর্ম। যদি আমি কর্তা এই অহংকার ত্যাগ করে নিস্কামভাবে করতে পার, তাহলে খুব ভাল। এই নিস্কামকর্ম করতে করতে ঈশ্বরেতে (Ramakrishna) ভক্তি ভালবাসা আসে। এইরূপ নিস্কামকর্ম করতে করতে ঈশ্বরলাভ হয়।

    কিন্তু যত তাঁর উপর ভক্তি ভালবাসা আসবে, ততই তোমার কর্ম কমে যাবে। গৃহস্থের বউ, পেটে যখন ছেলে হয়—শাশুড়ী তার কর্ম কমিয়ে দেয়। যত মাস বাড়ে, শাশুড়ী কর্ম কমায়। দশমাস হলে আপদে কর্ম করতে দেয় না, পাছে ছেলের কোন হানি হয়, প্রসবের কোন ব্যাঘাত হয়। (হাস্য) তুমি যে-সব কর্ম করছ এতে তোমার নিজের উপকার। নিস্কামভাবে কর্ম করতে পারলে চিত্তশুদ্ধি হবে। ঈশ্বরের (Ramakrishna) উপর তোমার ভালবাসা আসবে। ভালবাসা এলেই তাঁকে লাভ করতে পারবে। জগতের উপকার মানুষ করে না, তিনিই করেছেন, যিনি চন্দ্র-সূর্য করেছেন, যিনি মা-বাপের স্নেহ, যিনি মহতের ভিতর দিয়া, যিনি সাধু-ভক্তের ভিতর ভক্তি দিয়েছেন। যে-লোক কামনাশূন্য হয়ে কর্ম করবে সে নিজেরই মঙ্গল করবে।

    আরও পড়ুন:“ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইলেন, দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ“বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন রবিবারই। আর সোমবার জোড়া মন্ত্রক পেলেন দুবারের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । মন্ত্রক ঘোষণা হতেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা পৌঁছে গেলেন সুকান্ত মজুমদারের বাড়ি। মিষ্টিমুখ করালেন সুকান্তর সহধর্মিনী ও তাঁর মাকে। পরিবারের সকলের সঙ্গে আনন্দের দিনকে আরও আনন্দময় করে তুললেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে প্রথমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রবিবার। তারপর থেকেই উচ্ছ্বাসে মাতেন বিজেপির কর্মী -সমর্থকরা। সোমবার দিনভর উৎকণ্ঠায় ছিলেন কর্মীরা। সুকান্ত মজুমদার কোন দফতর পাচ্ছেন তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রক বন্টনের খবর পৌঁছাতেই খুশিতে মাতেন সকলে। বাজিও ফাটানো হয়। মিষ্টি বিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। প্রসঙ্গত,এই প্রথম বালুরঘাট থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে জেলায়। এরপরেই বাজি ও শহরবাসীকে মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতা -কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    কী বললেন সুকান্ত?

    দিল্লি থেকে এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘আমার মতো একজন সাধারণ কর্মীকে যেভাবে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আমার নিজের যত সামর্থ্য রয়েছে, সবটুকু দিয়ে মোদিজি লক্ষ্যকে সামনে এদিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা তো শেষ। সেটাকে কেন্দ্রের তরফে যতটা করা যায়, সেই চেষ্টা করব।’ সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চক্রবর্তী বলেন, আমরা খুব খুশি। আশা করি তিনি ভালো করে কাজ করবেন ও জেলার উন্নয়ন করবেন। এই বিষয়ে  এক শহরবাসী বলেন, আমরা আশাবাদী এবার আমাদের জেলা ও শহরের উন্নয়ন হবে।

    পূর্ণমন্ত্রী হলে আরও বেশি খুশি হতাম

    সুকান্ত মজুমদারের মা নিবেদিতা মজুমদার বলেন, ‘খুবই আনন্দ হচ্ছে। ছেলেটা বাড়িতে থাকলে আরও ভাল লাগত। শুনলাম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছে। ও যদি পূর্ণমন্ত্রী হত, আরও বেশি খুশি হতাম। ছোটবেলা থেকেও যে কাজটা করে, খুব মন দিয়ে কাজ করে। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর একটা দিনও বিশ্রাম পায়নি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফটওয়্যার ডেভেলপার নয়, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে সব চেয়ে বেশি চাহিদা হ্যাকারদের। কিন্তু এই হ্যাকারদের অপরাধী নয়, বরং গোয়েন্দা বলা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাকিং শব্দটির সঙ্গে সাইবার অপরাধীরা ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু হ্যাকারদের শায়েস্তা করতেও হ্যাকিং জানতে হয়। সেই কৌশলকে বলে ‘এথিক্যাল হ্যাকিং’ (Ethical Hacker) অর্থাৎ যেখানে নৈতিকতা থাকে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় নয়া পালক যোগ করল দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার জুঙ্গালপোরা গ্রামের বাসিন্দা মুনীব আমিন।

    কে এই মুনীব?  

    মুনীব হলেন একজন কাশ্মীরি প্রযুক্তিবিদ, যিনি সম্প্রতি এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় তার কাজের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছে। একজন এথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে ’ (Ethical Hacker) কাজের ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ২০২৩ সালের অগস্ট মাসে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA)-এর ‘হল অফ ফেম’-এ বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। মুনীবের কৃতিত্ব সাইবার নিরাপত্তা জগতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং আজকের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে সংবেদনশীল তথ্য রক্ষায় তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে তিনি ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক (BCA) ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করছেন। 
    আসলে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে ভাবে তথ্য চুরি ও সাইবার হানা বাড়ছে তা ঠেকাতেও এই এথিক্যাল হ্যাকারদের ’ (Ethical Hacker)  প্রয়োজন। তাই সাইবার জগতে মুনীবের এই কৃতিত্ব একটি অনুপ্রেরণা হিসাবে রয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে মুনীব বলেছিল, “আজকের ডিজিটাল যুগে, কিছুই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। একটি সংস্থা যত বড়ই হোক না কেন, যদি এটি কোনও নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে এটি হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা থেকেই যায়।”  

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    এথিক্যাল হ্যাকিং এর ভবিষ্যৎ ’ (Ethical Hacker)  

    আর ঠিক এই কারণেই সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity Expert) এবং এথিক্যাল হ্যাকিং বর্তমান সময়ে একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে ভারত এবং বিদেশে এই কাজের জন্য একাধিক চাকরির পরিসর রয়েছে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং দুনিয়ায় প্রবেশ করতে সাধারন ডিগ্রির চেয়েও বেশি প্রয়োজন হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে স্ব-শিক্ষা এবং জ্ঞান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সকাল থেকে সঙ্গী ঘাম! কবে বর্ষা দক্ষিণবঙ্গে বলতে পারল না হাওয়া অফিস

    Weather Update: সকাল থেকে সঙ্গী ঘাম! কবে বর্ষা দক্ষিণবঙ্গে বলতে পারল না হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই চাঁদিফাটা রোদ। ঘেমে-নেয়ে এক সার। সারাক্ষণ জলে ডুব দিয়ে থাকলে ভাল নতুবা, জল গড়াবে মাথা থেকে পা। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিতে কাহিল শহরবাসী। গরমের ছুটি শেষে সবে খুলেছে স্কুল। ফের ছুটি বাড়ালে ভাল হয় এমনই ভাবনা, ছোট থেকে বড়দের। আপাতত আরও দুইদিন এমনই থাকবে আবহাওয়া জানাল হাওয়া অফিস। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার বৃষ্টি (Monsoon) হতে পারে বিভিন্ন জেলায়। ইতিমধ্যে পশ্চিমের ৪ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা (Weather Update) থাকছে।

    দক্ষিণে মৌসুমী বায়ুর প্রবেশ

    হাওয়া অফিস সূত্রে (Weather Update) খবের, ১৪ তারিখের আগে মৌসুমী বায়ুর (Monsoon) দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ নিয়ে কোনও আপডেট দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। জুনের এক সপ্তাহ কেটে গেলেও ছিটেফোঁটা বৃষ্টির দেখা নেই। সাধারণত ১০ জুন দক্ষিণবঙ্গে মৌসুমী বায়ুর প্রবেশ করার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। উল্টে গরম বাড়ছে প্রতিদিন। গত ৩১ মে থেকে একই জায়গায় থমকে মৌসুমী অক্ষরেখা। এই সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণে মৌসুমী বায়ু আসার সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দক্ষিণবঙ্গে আসতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। তবে তার আগে বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    গরমে নাজেহাল শহর থেকে জেলা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় থাকছে চরম গরম ও প্যাচপ্যাচে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি। আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আজ মঙ্গলবারও তেমনভাবে কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের চার জেলা  বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় তৈরি হতে পারে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। বুধবার বিকেলের পর থেকে পরিবর্তন হতে পারে আবহাওয়ার। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থাকছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.১ ডিগ্রি বেশি। পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ভোরে ৫৬ শতাংশ এবং বেলা বাড়লে ৮৫ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    উত্তরে চলছে বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির (Monsoon) পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। উপরের দিকের পাঁচ জেলাতে বৃষ্টি চলবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলাতে ভারী বৃষ্টি সঙ্গে দমকা বাতাসের পূর্বাভাস। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। বুধ ও বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝড়ো বাতাস বইবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Cabinet 3.0: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    Modi Cabinet 3.0: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet 3.0) বাংলার দুই মুখ। বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মদুমদারকে দেওয়া হল গুরু দায়িত্ব। গত মন্ত্রিসভায় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন শান্তনু এবারও তাঁর মন্ত্রক একই রইল। তবে প্রথমবার মন্ত্রী হয়েই জোড়া মন্ত্রকের দায়িত্ব পেলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁকে শিক্ষা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

    সুকান্তর উপর ভরসা

    প্রথম বার প্রতিমন্ত্রী হয়েই জোড়া দফতরের দায়িত্ব পেলেন সুকান্ত। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) এবার শিক্ষামন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ডেপুটি হিসেবে কাজ করবেন সুকান্ত। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার মধ্যে দিয়েই সুকান্তের রাজনীতিতে প্রবেশ। রাজনীতিতে আসার আগে অধ্যাপনা করতেন সুকান্ত। তিনি ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক। শিক্ষার সঙ্গে তাঁর যোগ ছিলই। অনেকের মতে, সে সব বিবেচনা করেই তাঁকে এই মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারও কারও এ-ও বক্তব্য, বাংলায় শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সে সব ভেবেও সুকান্তকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। একইসঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকেরও ডেপুটি হিসেবে মোদির মন্ত্রিসভায় কাজ করবেন সুকান্ত। এই মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। 

    আর পড়ুন: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    শান্তনুর দায়িত্ব

    মতুয়া সম্প্রদায়ের মুখ শান্তনু ঠাকুরকে এবারও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। সর্বানন্দ সোনোয়ালের ডেপুটি হিসেবে কাজ করবেন শান্তনু। রবিবার শপথগ্রহণের পর সোমবার মন্ত্রক বণ্টন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগের মন্ত্রিসভায় বাংলা থেকে চার জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এ বার জন বার্লা ভোটে টিকিট পাননি। নিশীথ প্রামাণিক এবং সুভাষ সরকার ভোটে হেরে গিয়েছেন। এবারের নতুন মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet 3.0) বাংলা থেকে দু’জনকে দায়িত্বে আনা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: চিনকে ‘শিক্ষা’ দিতে তিব্বতের ৩০ জায়গার নাম বদল করছে মোদি সরকার!

    PM Modi: চিনকে ‘শিক্ষা’ দিতে তিব্বতের ৩০ জায়গার নাম বদল করছে মোদি সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচলপ্রদেশ ভারতের ছিল, আছে এবং থাকবেও। বিশ্ব দরবারে বারংবার একথা বলে এসেছে ভারত। তার পরেও ভারতের এই অঙ্গরাজ্যের বেশ কিছু জায়গার নাম পরিবর্তন করে দিয়েছে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার। কেবল তা-ই নয়, সে দেশের মানচিত্রেও দেখানো হয়েছে অরুণাচলপ্রদেশের ওই অঞ্চলগুলিকে। চিনের এই ‘আগ্রাসনে’র প্রতিবাদ করেছে ভারত। তার পরেও অব্যাহত লালফৌজের আগ্রাসন।

    ‘মধুর’ প্রতিশোধ (PM Modi)

    এবার তাই ‘মধুর’ প্রতিশোধ নিতে চাইছে তৃতীয় মোদি সরকার (PM Modi)। জানা গিয়েছে, চিনের তিব্বতের স্বশাসিত কয়েকটি জায়গার নাম বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। যে অঞ্চলটির নাম বদলাতে চাইছে নয়াদিল্লি, সেই অঞ্চলটিকে চিন চেনে জাংনান বা দক্ষিণ তিব্বত নামে। এই অঞ্চলেরই বেশ কয়েকটি জায়গার নাম বদল করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে টিম-মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে, নাম বদলের এই বিষয়টি দেখছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘তথ্য যুদ্ধ বিভাগ’। এর পাশাপাশি অরুণাচলপ্রদেশের যে জায়গাগুলির নাম বদলে দিয়েছে চিন, তা যে অবৈধ, ওই অঞ্চলগুলি যে ভারতেরই, তার সমর্থনে এশিয়াটিক সোস্যাইটির মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক প্রমাণ জোগাড় করছে তারা।

    নামকরণ হবে ভারতীয় নামে

    তিব্বতের তিরিশটিরও বেশি জায়গার একটি তালিকা তৈরি করেছে সেনাবাহিনীর তথ্য যুদ্ধ বিভাগ। প্রাচীনকালে এই জায়গাগুলির ভারতীয় ভাষায় যে নাম ছিল, ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে তা খুঁজে বের করা হয়েছে। সেই নামেই নামকরণ হবে তিব্বতের এই জায়গাগুলির। পরিবর্তিত সেই জায়গাগুলির নামের তালিকাও প্রকাশ করবে ভারত। বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক প্রচার মঞ্চেও তুলে ধরার উদ্যোগ নিচ্ছে মোদি সরকার। প্রাক্তন ইনটেলিজেন্স ব্যুরো অফিসার বেণু ঘোষ বলেন, “তাঁর স্ট্রংম্যান ইমেজের শক্তিতেই এবারের নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই তাঁর ওই স্ট্রংম্যান ইমেজ ধরে রাখতে তিনি যে তিব্বতের বিভিন্ন জায়গার নাম বদলে দেবেন, সেটা খুব স্বাভাবিক।”

    আর পড়ুন: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    চিন জোর করে তিব্বত দখলের পর বেজিংয়ের ওপর ব্যাপক ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি। প্রতিবাদস্বরূপ, দলাই লামাকে ভারতে আশ্রয় দিয়েছে কেন্দ্র। কূটনৈতিক মহলের মতে, এবার চিনের দখল করা তিব্বতের বিভিন্ন অংশের নাম বদলে ড্রাগনের দেশকে জোর ধাক্কা দিতে চাইছে মোদির ভারত (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope 11 June 2024: আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে, এতে কান দেবেন না

    Daily Horoscope 11 June 2024: আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে, এতে কান দেবেন না

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে আজকের দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে। এতে মনে খুশি আসবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন। 

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) অতিরিক্ত কাজের চাপে শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা। সতর্ক থাকুন।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ দেখা দিতে পারে। 

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    কন্যা

    ১) খরচ বাড়তে পারে। হিসাব করে চলুন।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে। 

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে, এতে কান দেবেন না।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে। 

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে। ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ। 

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট। ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ। বিশ্রাম নিন।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন। মনোমালিন্য করবেন না কারও সঙ্গে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে। 

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি। ভেবো চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাকিরা কে কোন দফতর পেলেন?

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাকিরা কে কোন দফতর পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ৯ জুন তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শপথ নেওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই নয়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের মন্ত্রক ভাগ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বসেছিল মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। সেখানেই ভাগ করে দেওয়া হয় দায়িত্ব।

    পূর্ণমন্ত্রী (PM Modi)

    নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি তাঁর হাতে থাকছে কর্মীবর্গ, জনসাধারণের অভিযোগ, অবসরকালীন ভাতা, পারমাণবিক শক্তি এবং মহাকাশ মন্ত্রক।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক – রাজনাথ সিং

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক – অমিত শাহ

    অর্থমন্ত্রক – নির্মলা সীতারামণ

    সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক – নীতিন গডকরি

    বিদেশমন্ত্রক – এস জয়শঙ্কর

    কৃষিমন্ত্রক – শিবরাজ সিং চৌহান

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রক – জিতন রাম মাঝি

    নগরোন্নয়ন ও বিদ্যুৎ – মনোহর লাল খট্টর

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক – জেপি নাড্ডা

    মহিলা ও শিশুকল্যাণমন্ত্রক – অন্নপূর্ণা দেবী

    বন্দর, জাহাজ (PM Modi) ও জল পরিবহণমন্ত্রক – সর্বানন্দ সোনোয়াল

    শিক্ষামন্ত্রক – ধর্মেন্দ্র প্রধান

    অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক – রামমোহন নাইডু

    রেল ও তথ্য এবং প্রযুক্তি মন্ত্রক – অশ্বিনী বৈষ্ণব

    টেলিকম ও উত্তরপূর্ব ভারত উন্নয়ন মন্ত্রক – জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

    বাণিজ্যমন্ত্রক – পীযূষ গোয়েল।

    ভারী শিল্প ও ইস্পাতমন্ত্রক – এইচ ডি কুমারস্বামী

    পঞ্চায়েত, মৎস্য ও পশু প্রতিপালন এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক – লালন সিং

    সামাজিক ন্যায়মন্ত্রক – বীরেন্দ্র কুমার

    ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রক – প্রহ্লাদ জোশী

    আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক – জুয়েল ওঁরাও

    বস্ত্রমন্ত্রক – গিরিরাজ সিং

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন – ভূপেন্দ্র যাদব

    সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক – গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত

    সংখ্যালঘু বিষয়ক ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রক – কিরেন রিজিজু

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রক – হরদীপ সিং পুরী

    শ্রম ও যুবকল্যাণ এবং ক্রীড়ামন্ত্রক – মনসুখ মাণ্ডব্য

    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক – চিরাগ পাশোয়ান

    কয়লা ও খনিমন্ত্রক – জি কিষান রেড্ডি

    জলশক্তিমন্ত্রক – সিআর পাটিল

    রাষ্ট্রমন্ত্রীর তালিকা

    জাহাজ রাষ্ট্রমন্ত্রী – শান্তনু ঠাকুর

    বিদ্যুৎ রাষ্ট্রমন্ত্রী – শ্রীপদ নায়েক

    সড়ক পরিবহণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – অজয় টামটা, হর্ষ মালহোত্রা

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রাষ্ট্রমন্ত্রী – শোভা করন্দলাজে

    শিক্ষা ও উত্তর ভারত উন্নয়নমন্ত্রক রাষ্ট্রমন্ত্রী – সুকান্ত মজুমদার

    বাণিজ্য ও শিল্প এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী – জিতিন প্রসাদ

    অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী – পঙ্কজ চৌধুরী

    কো-অপারেশন রাষ্ট্রমন্ত্রী – কৃষ্ণণ পাল

    সামাজিক ন্যায় ও উন্নয়ন – রামদাস আঠাওয়ালে

    কৃষি রাষ্ট্রমন্ত্রী – রামনাথ ঠাকুর

    স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী – নিত্যানন্দ রাই

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, রাসায়নিক ও সার – অনুপ্রিয়া প্যাটেল

    জলশক্তি ও রেল রাষ্ট্রমন্ত্রী – ভি সোমান্না

    গ্রামোন্নয়ন ও যোগাযোগ রাষ্ট্রমন্ত্রী – চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি

    মৎস্য, পশু প্রতিপালন, দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ ও পঞ্চায়েত রাষ্ট্রমন্ত্রী – এসপি সিং বাঘেল

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও বিদেশ রাষ্ট্রমন্ত্রী –কীর্তি বর্ধন সিং

    ক্রেতাসুরক্ষা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সামাজিক ন্যায় ও উন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী বিএল বর্মা

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, পর্যটন রাষ্ট্রমন্ত্রী – সুরেশ গোপী

    তথ্য ও সম্প্রচার, সংসদীয় বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী – এল মুরুগণ

    স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী – বন্দি সঞ্জয় কুমার

    গ্রামোন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী – কমলেশ পাশওয়ান

    কৃষি রাষ্ট্রমন্ত্রী – ভগীরথ চৌধুরী

    কয়লা ও খনি রাষ্ট্রমন্ত্রী – সতীশ চন্দ্র দুবে

    প্রতিরক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী – সঞ্জয় শেঠ

    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও রেল রাষ্ট্রমন্ত্রী –রভনীত সিং বিটু

    আদিবাসী বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী – দুর্গাদাস

    যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী – রক্ষা নিখিল খাদসে

    মহিলা ও শিশুকল্যাণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – সাবিত্রী ঠাকুর

    আবাসন ও নগরোন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী – তোখান সাহু

    জলশক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী – রাজভূষণ চৌধুরী

    ভারী শিল্প ও ইস্পাত রাষ্ট্রমন্ত্রী – ভূপতি রাজু শ্রীনিবাস বর্মা

    ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – নিম্বুবেন জয়ন্তিভাই বোম্ভানিয়া

    কো-অপারেশন ও অসামরিক বিমান পরিবহণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – মুরলিধর মোহল

    সংখ্যালঘু বিষয়ক, মৎস্য ও পশু প্রতিপালন এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – জর্জ কুরিয়েন

    বিদেশ, বস্ত্র রাষ্ট্রমন্ত্রী – পবিত্র মার্ঘেরিটা

    স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী

    পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও সংস্কৃতিমন্ত্রক – রাও ইন্দরজিৎ সিং

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ভূবিজ্ঞান মন্ত্রক –জিতেন্দ্র সিং

    আইনমন্ত্রক – অর্জুন রাম মেঘওয়াল

    আয়ূষ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক – যাদব প্রতাপ রাও

    দক্ষতা উন্নয়ন (PM Modi) ও উদ্যোগমন্ত্রক – জয়ন্ত চৌধুরী

    আর পড়ুন: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কাজই যে তাঁর ধ্যান-জ্ঞান, ভারতবাসীর কল্যাণই যে নিরন্তর সাধনা, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৯ জুন, রবিবার প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিয়েছেন এনডিএর সর্বসম্মত নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি।

    অফিসে প্রথম দিন মোদির (PM Modi)

    সোমবার প্রথম অফিস করেন তিনি। এদিন অফিসে প্রথম যে কাজটি করলেন প্রধানমন্ত্রী, সেটি হল পিএম কিষান নিধি প্রকল্পের সপ্তদশ ইনস্টলমেন্টে স্বাক্ষর। এর ফলে উপকৃত হবেন ৯.৩ কোটি কৃষক। তাঁদের মধ্যে বিলি করা হবে ২৯ হাজার কোটি টাকা। শপথ নেওয়ার পর এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যান সাউথ ব্লকে, অফিসে। সেখানেই তিনি স্বাক্ষর করেন পিএম কিষান নিধি প্রকল্পে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বার জয়ী হয়ে কিষান নিধি প্রকল্প চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কৃষক কল্যাণ

    কৃষক কল্যাণে তাঁর সরকার যে দায়বদ্ধ, এনডিএ সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এদিন কিষান নিধি প্রকল্পে সপ্তদশ ইনস্টলমেন্টে স্বাক্ষর করে তা বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নানা সময় প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, তাঁর সরকার পুরোপুরি কৃষকদের প্রতি দায়বদ্ধ। এদিন ফাইলে স্বাক্ষর করে তিনি বলেন, “আমাদের সরকার কিষান কল্যাণে পুরোপুরি দায়বদ্ধ। তাই দায়িত্ব নিয়েই আমি প্রথম যে ফাইলটিতে সই করলাম, সেটি কৃষক কল্যাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমি আরও বেশি করে কৃষক এবং কৃষি ক্ষেত্রে কাজ করে যাব।”

    আর পড়ুন: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা,” অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৬তম কিস্তির টাকা পাওয়ার দিন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সরকার ৯ কোটিরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। এই প্রকল্পে ১৫তম কিস্তির টাকা ঢুকেছিল ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ায় বন্ধ ছিল ওই প্রকল্পে বরাদ্দ। নির্বাচন-পর্ব সাঙ্গ হতেই এ সংক্রান্ত ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: শহরাঞ্চলের ভোট বিজেপির পক্ষে, রাজ্যের কতগুলি পুরসভায় এগিয়ে পদ্মশিবির?

    Lok Sabha Election 2024: শহরাঞ্চলের ভোট বিজেপির পক্ষে, রাজ্যের কতগুলি পুরসভায় এগিয়ে পদ্মশিবির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটের নিরিখে (Lok Sabha Election 2024) কলকাতা পুরসভার অনেকগুলি ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। শুধু কলকতা নয় লোকসভা ভোটের ফলাফল পুরসভাওয়াড়ি বিশ্লেষণ করলে বিজেপি এবং তৃণমূলের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো। বাংলার ১২১টি পুরসভার মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬৯টি পুরসভা এলাকায়। ধুলিয়ান এবং বহরমপুর পুরসভায় এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। বাকি ৫১টিতে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। কলকাতা পুরসভাতেও ওয়ার্ডভিত্তিক ভাবে বাড়ল বিজেপির ভোট।

    নানা ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি

    গ্রামীণ ভোটে তৃণমূলের ‘আধিপত্য’ থাকলেও দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— পুর এলাকায় বিজেপির (BJP) পক্ষে সমর্থন বেশি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৭টিতে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু লোকসভা ভোটে সেই দাপট কিছুটা স্তিমিত। ৪৭ টি আসনে এগিয়ে গিয়েছে বিরোধী বিজেপি ও সিপিএম। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় (Lok Sabha Election 2024) ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডগুলি। ২০২২-এ কলকাতা পুরসভায় ১৩৪টি ওয়ার্ডে জিতেছিল তৃণমূল এবার তাদের লিডের সংখ্যা কমে হয়েছে ৯৮। 

    উত্তর কলকাতার ছবি

    উত্তর কলকাতার ২৪টি ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। ৩৬টি ওয়ার্ডে এগিয়ে তৃণমূল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২০টি ওয়ার্ড এগিয়েছিল বিজেপি। এ বার আরও বাড়তি চারটি ওয়ার্ডে এগিয়েছে তারা। উত্তর কলকাতার কাশীপুর বেলগাছিয়া বিধানসভার ২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। শ্যামপুকুর বিধানসভা ৮,২১, ২৪ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছে বিজেপি। জোড়াসাঁকো বিধানসভার ২২, ২৩, ২৫, ২৭,৩৮,৪০, ৪১, ৪২ ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। চৌরঙ্গী বিধানসভার ৪৫, ৪৭,৪৮,৪৯, ৫০, ৫১ ও ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিল বিজেপি।

    দক্ষিণ কলকাতার ছবি

    কলকাতা দক্ষিণ লোকসভার অন্তর্গত মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচটি ওয়ার্ড থেকে এগিয়েছে বিজেপি (BJP)। ভবানীপুর বিধানসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২ ও ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভাল ব্যবধান এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। কসবা বিধানসভার  ৬৭, ৯২, ১০৭ ও ১০৮ ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে। কলকাতা বন্দর বিধানসভার ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছে বিজেপি।  বেহালা পূর্ব বিধানসভার ১১৬ ও ১১৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং বেহালা পশ্চিমের ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছে বিজেপি। 

    পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েটরা 

    একাধিক হেভিওয়েট কাউন্সিলরদের ওয়ার্ডে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক, দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি ও মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার-তাঁর ওয়ার্ড ৮৫। সেখানে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন শশী পাঁজার নিজের ওয়ার্ড এবং তাঁর মেয়ে পূজা পাঁজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডেও পিছিয়ে তৃণমূল। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ও মেয়র পরিষদ অসীম কুমার বসুর ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। একই ছবি ৭২ নম্বরের তৃণমূল কাউন্সিলর ও মেয়র পরিষদ সন্দীপরঞ্জন বক্সীর ওয়ার্ডেও। এছাড়াও তৃণমূলের হেভিওয়েট কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারপার্সন জুঁই বিশ্বাস, সুশান্ত ঘোষ, সুদীপ পোল্লে,  সাধনা বসু, সুস্মিতা ভট্টাচার্যের ওয়ার্ডে তৃণমূলের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কাউন্সিলর সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়ের ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডেও ফুটেছে পদ্ম। তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে-র ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডেও এগিয়ে রয়েছে বিজেপি (BJP)। 

    আরও পড়ুন: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    রাজ্যের নানা পুরসভায় এক ছবি

    গ্রামীণ ভোটে (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের ‘আধিপত্য’ থাকলেও দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— পুর এলাকায় বিজেপির (BJP) পক্ষে সমর্থন বেশি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যের ১২১টি পুরসভায় ভোট হয়েছিল। ভোটের ফলাফলে দেখা গিয়েছিল, নদিয়ার তাহেরপুর বাদ দিয়ে বাকি ১২০টি পুরসভাই জিতেছে তৃণমূল। তাহেরপুর ছিল সিপিএমের দখলে। কিন্তু এই লোকসভা ভোটে দেখা যাচ্ছে, সেই হিসেব উল্টে গিয়েছে। বালুরঘাট থেকে ঘাটাল, খড়্গপুর থেকে বাঁশবেড়িয়া— পুর এলাকায় পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অধিকাংশ ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share