Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানায় প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধে ছিল ঘুঘু। সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতে কোমর কষে ময়াদানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জেলে বসেই ফোনের (Prison Phone) সাহায্যে দিব্যি সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল সন্দেশখালির শাহজাহান-সহ অনেক দাগি। গারদের আড়ালে থাকা এই চক্র ভাঙতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার-চিফ কন্ট্রোলার-সহ ২ জনকে। ওই জেল থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর মোবাইল ফোন। ওই সব ফোনের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “প্রেসিডেন্সি জেলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে প্রচুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। অপরাধীরা জেলের মধ্যেও অপরাধচক্র চালিয়ে যাচ্ছিল। বছরের পর বছর এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। দমদম জেল-সহ বিভিন্ন জেলে এই অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আগের সরকারের অপদার্থতায় এই ঘটনা ঘটেছে।”  তিনি বলেন, “সন্দেশখালির কুখ্যাত শাহজাহান-সহ অনেকে জেলে বসেই নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে (Suvendu Adhikari)। জেলে বসে অপরাধচক্র চালানোর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হয়েছে ২ জনকে। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার ও চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত মোবাইলের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে (Prison Phone)। জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত। সবার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    জেলে বসেই চালাচ্ছিল অপরাধের নেটওয়ার্ক!

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা আগের সরকারে ছিলেন, তাঁদের সাপোর্টও থাকতে পারে, আবার গাফিলতিও থাকতে পারে। শাসকদলের একাংশের সহযোগিতায় গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের মধ্যেও তাদের অপরাধের নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে। আমি স্বরাষ্ট্রসচিবকে বলব কেসটা সিআইডিকে হস্তান্তর করতে। সিমগুলো কাদের নামে আছে, কী করে ঢুকল, এটার রুটটাকে বের করতে হবে, তাহলে এটা বন্ধ হবে।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক চাপ কাজ করতে পারে, থাকতে পারেন কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তিও।” প্রসঙ্গত, গত বছর বরানগরের একটি সোনার দোকানে ডাকাতি ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, প্রেসিডেন্সি জেলে বসেই সোনার দোকানে হামলার ছক কষা হয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে জেলে ঘুঘুর বাসা ভাঙতে উদ্যোগী হন মুখ্যমন্ত্রী।

    জেল থেকে উদ্ধার মোবাইল ফোন

    শুক্রবার বিকেলে প্রেসিডেন্সি জেলে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। লিড ধরে বন্দিদের সেলে ঢুকে চালানো হয় খানাতল্লাশি। তার পরেই এক এক করে প্রকাশ্যে আসে (Suvendu Adhikari) কী ভীষণ অপরাধ চক্রের কারবার চালানো হচ্ছিল স্রেফ জেলে বসেই। এসবই হচ্ছিল মোবাইলের মাধ্যমে। জেলের ডাস্টবিন, ইটের খাঁজে থাকা সামান্য ফাটল, বাথরুমের ঘুলঘুলি, ভেন্টিলেটরের কোণ মায় একজস্ট ফ্যানের ব্লেডের পেছনেও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ফোন। এদিনের তল্লাশিতে সব মিলিয়ে মোট ২৩টি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২টিই অত্যন্ত ছোট আকারের ‘মাইক্রো ফোন’ এবং একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যান্ড্রয়েড’ ফোন। জানা গিয়েছে, ফোনগুলি কোনও বন্দির কাছে থাকত না, লুকোনো থাকত ‘কমন স্পেসে’। সহজে যাতে কারও নজরে না পড়ে (Prison Phone), তাই এই ব্যবস্থা। এই অপরাধচক্রের শেকড় কতদূর বিস্তৃত, তার নাগাল পেতে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ‘ভয়েস স্যাম্পলিং’ পরীক্ষার মাধ্যমে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হবেন, ফোনগুলির সাহায্যে ঠিক কারা এবং কতবার বাইরে যোগাযোগ করেছে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu Adhikari: অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে রাজ্য সরকার, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে রাজ্য সরকার, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তিলজলার ঘটনাকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, অবৈধ নির্মাণের (Illegal Construction) ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে হাঁটবে রাজ্য সরকার। তিনি জানান, যাঁদের বিল্ডিং প্ল্যান নেই, সেই সমস্ত অবৈধ কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘সিইএসসি-কে বিদ্যুৎ সচিবের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, যত এই ধরনের বিল্ডিং আছে, যাদের বিল্ডিং প্ল্যান স্যাংশন নেই, সেই সব কারখানা, বিশেষ করে তিলজলা, কসবা, মোমিনপুর, একবালপুর-সহ এলাকাগুলিতে দ্রুত ইন্টারনাল অডিট করা হবে। প্ল্যানের অনুমোদন না থাকলে বিদ্যুৎ পরিষেবা ডিসকানেক্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

    পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ

    মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, একদিনের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার জন্য। কলকাতা পুরসভার (KMC) উদ্যোগে কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তা করা হবে। কেএমসি-কেও বলা হয়েছে, এই ধরনের অবৈধ, বিপজ্জনক কারখানাগুলিতে জলের লাইন কেটে দেওয়ার জন্য। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে হাঁটবে সরকার। শুভেন্দুর বার্তা, ‘যাঁরা সতর্ক হতে চান, সতর্ক হয়ে যান। যাঁরা বেআইনি কাজকর্ম করছেন, তাঁদের আমরা এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে কড়া নির্দেশ দিচ্ছি।’ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করার নির্দেশও দিয়েছেন শুভেন্দু। আলাদা করে উল্লেখ করেছেন কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুরের মতো এলাকার কথা।

    কঠোর প্রশাসনিক বার্তা

    উল্লখ্যে, মঙ্গলবার তিলজলায় একটি চামড়ার কারখানায় আগুন লাগে। দু’জনের মৃত্যু হয়। তিন জন হাসপাতালে ভর্তি। মঙ্গলবারের ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই তিনি জানান, ওই কারখানার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। পুরোপুরি অবৈধ ওই কারখানা। কারখানার মালিক শেখ নাসির ও শামিম মহম্মদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দুর্নীতি ও বেআইনি নির্মাণ— এই দুই ইস্যুতেই নতুন সরকার শুরু থেকে কঠোর প্রশাসনিক বার্তা দিতে চাইছে। ক্ষমতায় আসার পরে প্রথম কয়েক দিনের সিদ্ধান্ত থেকেই বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা

    রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, যে অবৈধ ভবনগুলির ফায়ার লাইসেন্স বা এনওসি নেই, সেগুলিকে নোটিস পাঠানো শুরু হচ্ছে। ওই ভবনের মালিকদের প্রথমে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তার পরেও নিয়ম না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক পদক্ষেপ করা হবে। তিনি আরও জানান, তপসিয়ার ওই ভবনটিতে সিঁড়ি এতটাই সরু ছিল যে, সেখান থেকে লোকজন নামতে পারেননি। পিছন দিকে লোহার ঘোরানো সিঁড়ি থাকা উচিত ছিল বলেও মনে করেন তিনি।

     

     

  • India-UAE Oil Deal: জ্বালানি সুরক্ষায় মোদির মাস্টারস্ট্রোক! ভারতের জন্য ৩ কোটি ব্যারেল তেল মজুত করবে আমিরশাহি

    India-UAE Oil Deal: জ্বালানি সুরক্ষায় মোদির মাস্টারস্ট্রোক! ভারতের জন্য ৩ কোটি ব্যারেল তেল মজুত করবে আমিরশাহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় কৌশলগত পদক্ষেপ নিল ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সংক্ষিপ্ত আবুধাবি সফরের পর শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, আমিরশাহি ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে (SPR) সর্বাধিক ৩ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত করার পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ভারত-আমিরশাহি সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই চুক্তি বড় ভূমিকা নিতে পারে।

    ভারতের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভে আমিরশাহির তেল মজুত

    চুক্তি অনুযায়ী, আবুধাবি জাতীয় তেল সংস্থা, সংক্ষেপে অ্যাডনক (ADNOC)-এর অপরিশোধিত তেল ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে সংরক্ষণ করা হতে পারে। এর মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে অবস্থিত বিদ্যমান স্টোরেজ সুবিধা যেমন অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তেমনই ওডিশার চণ্ডিখোলে ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলিকেও এই পরিকল্পনার আওতায় আনা হতে পারে। ভারতের জন্য এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বিঘ্নিত হলেও দেশের কাছে জরুরি পরিস্থিতির জন্য পর্যাপ্ত তেল মজুত থাকবে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ এবং তার জ্বালানি চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর।

    ফুজাইরাহে তেল মজুতের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    দুই দেশ ভারতের বৃহত্তর স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে আমিরশাহির ফুজাইরাতে অপরিশোধিত তেল মজুতের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখেছে। এর পাশাপাশি, ভারতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি (LNG) এবং এলপিজি (LPG) সংরক্ষণ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনায় যৌথ সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এর ফলে ভারত ভবিষ্যতে গ্যাসভিত্তিক জ্বালানি সুরক্ষায়ও আরও শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারে।

    কৌশলগত চুক্তি ও এলপিজি সরবরাহে সমঝোতা

    এই সফরে ভারত ও আমিরশাহি স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেছে। পাশাপাশি, এলপিজি সরবরাহ সংক্রান্ত পৃথক চুক্তিও চূড়ান্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতের জ্বালানি আমদানি ঝুঁকি কমাবে এবং ভবিষ্যতের সরবরাহ সঙ্কট মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

    পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা বাড়ায় বাড়ছে উদ্বেগ

    এই চুক্তিগুলি এমন সময়ে সামনে এল, যখন পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ রুট। যদি এই রুটে বিঘ্ন ঘটে, তাহলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং সরবরাহ—দুই ক্ষেত্রেই বড় ধাক্কা লাগতে পারে। ফলে ভারত, চীন, জাপানের মতো বড় আমদানিকারক দেশগুলি বিকল্প কৌশল খুঁজছে।

    আমিরশাহির বড় পাইপলাইন প্রকল্পে গতি

    একই সময়ে আমিরশাহি তাদের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইন (West-East Pipeline) প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাডনককে এই প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এই পাইপলাইনটি আমিরশাহির রফতানি সক্ষমতা বাড়াবে এবং হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে সরাসরি ফুজাইরার মাধ্যমে তেল রফতানির সুযোগ দেবে। এর ফলে আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

    ভারত-আমিরশাহি সম্পর্ক আরও গভীর

    সাম্প্রতিক এই চুক্তিগুলি স্পষ্ট করে যে ভারত ও আমিরশাহি কেবল বাণিজ্যিক অংশীদার নয়, বরং কৌশলগত সহযোগী হিসেবেও নিজেদের সম্পর্ক আরও গভীর করছে। জ্বালানি, অবকাঠামো ও সরবরাহ নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত তার ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নিজস্ব কৌশলগত মজুত বাড়াতে যে পথে এগোচ্ছে, আমিরশাহির সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই পরিকল্পনাকে নতুন গতি দিল।

  • CM Suvendu Adhikari: হাসপাতাল চত্বরে দালালরাজ বরদাস্ত করা হবে না, এসএসকেএমে বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: হাসপাতাল চত্বরে দালালরাজ বরদাস্ত করা হবে না, এসএসকেএমে বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে শুক্রবার এসএসকেএম হাসপাতালে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ আধিকারিক, স্বাস্থ্য অধিকর্তা, কলকাতার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক ও চিকিৎসকেরা। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার ১২টি মেডিক্যাল কলেজ সরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবং মেডিক্যাল সুপারদের সঙ্গে এদিন বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। বিজেপির দুই জয়ী ডাক্তার বিধায়ক, বিধাননগর থেকে জয়ী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী ইন্দ্রনীল খাঁও এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

    কেন্দ্র ও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যে সংযোগ স্থাপন

    অতীতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। এই অভিযোগের জায়গাগুলিতে কীভাবে উন্নতি করা যায়, কীভাবে ভুলত্রুটি সংশোধন করা যায় এবং এ বিষয়ে সরকারি আধিকারিকদের কী কী করণীয়, সেই নিয়ে কথা বলতেই এসএসকেএম হাসপাতালে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu in SSKM)। কেন্দ্র ও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যে সংযোগ স্থাপনে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই কারণে কেন্দ্রীয় সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকদেরও এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন কেন্দ্র সরকারের অধীনস্ত চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের অধিকর্তা। রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন। কলকাতার সবকয়টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পদাধিকারীদের ডাকা হয়েছে এই বৈঠকে।

    দালাল-রাজ মানা হবে না

    হাসপাতাল সূত্রের খবর, বৈঠকে হাসপাতালগুলির বেহাল অবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলিতে সক্রিয় দালালচক্র এবং রোগী রেফার করে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর প্রবণতা নিয়ে কড়া বার্তা দেন তিনি। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ভাবেই হাসপাতাল চত্বরে দালালরাজ বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    ‘ওয়ার রুম’ তৈরির সিদ্ধান্ত

    রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ জমছিল। রোগী ভোগান্তি, বেডের অভাব, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য থেকে শুরু করে চিকিৎসা পরিষেবার নানা ত্রুটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল। সেই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর সরাসরি নজরদারি চালাতে স্বাস্থ্যভবনে একটি বিশেষ ‘ওয়ার রুম’ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মুখ্যমন্ত্রী

    হাসপাতালের সেই ওয়ার রুমের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের সরাসরি সংযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি, বেডের অবস্থা, রোগী পরিষেবা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ডাক্তারি পড়ুয়াদের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। ক্যাম্পাস চত্বরে বহিরাগতদের আনাগোনা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যজুড়ে অ্যাপ নির্ভর অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। অ্যাম্বুল্যান্সগুলিতে জিপিএস ট্র্যাকার থাকবে।

    হাসপাতালগুলিতে বেড সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ

    বাংলায় সরকারি হাসপাতালগুলিতে বেহাল দশা স্বাস্থ্য পরিষেবার। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে অনেক সময় মেলে না বেড। মেঝেতে শুয়েই চিকিৎসা চলে রোগীদের। এই নিয়ে রয়েছে ভুড়ি ভুড়ি অভিযোগ। এদিনের বৈঠকে হাসপাতালগুলিতে বেড সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বোর্ডে হাসপাতালের মোট বেড সংখ্যা, কতগুলি বেড খালি রয়েছে এবং কতজন রোগী ভর্তি রয়েছেন, সেই তথ্য রিয়েল টাইমে দেখাতে হবে। প্রশাসনের মতে, এর ফলে রোগী ও তাঁদের পরিবারের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে এবং স্বচ্ছতা বাড়বে। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালগুলির ১৫ শতাংশ বেড সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের বিষয়েও খুব শীঘ্রই বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় হসপিটালের বেড নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি হবে।

    হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার

    এছাড়াও সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে সমস্ত কর্মীর জন্য আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হাসপাতালের ভিতরে কে কর্মরত এবং কে বহিরাগত, তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। মেডিক্যাল কলেজগুলিতেও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। তিনি যে নির্দেশগুলো দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে-রোগী কল্যাণ সমিতিতে পলিটিকাল লোক রাখা চলবে না। বৈধ আইডি কার্ড দিতে হবে ৩১ মে’র মধ্যে। এর ফলে হাসপাতালে বহিরাগত বা দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা সহজ হবে। ডাক্তার ও স্টাফেদের জন্য আলাদা কার্ড থাকবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বৈঠকে।

    রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং

    এবার থেকে রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং হবে। রোগী কল্যাণ সমিতি চালু রাখতে হবে। পলিটিকাল লোক রাখা চলবে না। হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত না এমন লোক রাখবেন না। অবৈধ স্ট্রাকচার থাকলে হসপিটাল ভাঙতে হবে হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের পুনর্গঠন করতে হবে। আর এই রিয়েল টাইম ট্র্যাকিংয়ের সাহায্যে কোথায় কয়টি বেড আছে তা সরাসরি দেখতে পারবেন রোগীর পরিজনরা।

    স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব

    আগামী পাঁচ বছর স্বাস্থ্য পরিষেবা কীভাবে চলবে, কীভাবে স্বাস্থ্য প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো যায়, যাতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ, অভিযোগ কমে, এই বৈঠকের মাধ্যমে সেই গতিপ্রকৃতিই নির্ধারণ করা হয় বলে অনুমান। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতেই রয়েছে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেই অবস্থিত রাজ্যের বৃহত্তম সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএম। ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেই প্রশাসনিক মহলের ধারণা। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই শুভেন্দু বলেছিলেন, কথা কম কাজ বেশি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শুভেন্দুকে একেবারে দাবাং মুডে দেখা যাচ্ছে। এদিন এসএসকেএম-এর বৈঠকে মূলত ‘দালালরাজ’ নির্মূল করা এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।

     

     

  • Falharini Kali Puja 2026: আজ ফলহারিণী কালীপুজো, পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির বিশেষ দিন, জানুন মাহাত্ম্য

    Falharini Kali Puja 2026: আজ ফলহারিণী কালীপুজো, পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির বিশেষ দিন, জানুন মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১ জৈষ্ঠ্য শনিবার, ফলহারিণী কালীপুজো। বাংলায় কালীপুজোর চল সারা বছর ধরেই দেখা যায়। দুর্গাপুজোর পরে যে কালীপুজো হয় তা জনপ্রিয় দীপান্বিতা কালী পুজো নামে পরিচিত। এছাড়াও রয়েছে রক্ষাকালী পুজো। স্থানীয়ভাবেও বাংলার নানা প্রান্তে কালীপুজো হয়। কোনও কোনও গৃহস্থের বাড়িতেও কালী পুজো বছরের বিশেষ সময়ে দেখা যায়। জৈষ্ঠ্য মাসের অমাবস্যা তিথিতে যে কালীপুজো হয় তা ফলহারিণী কালীপুজো (Falharini Kali Puja 2026) নামে প্রসিদ্ধ।

    ফলহারিণী অমাবস্যা কতক্ষণ থাকবে?

    এবছর, শনিবার এই অমাবস্যা তিথি (Falharini Amavasya) থাকায়, দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকামতে, ফলহারিণী অমাবস্যা ১৬ মে ২০২৬ সালে ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে পড়েছে। অর্থাৎ তিথি শনিবার পড়েছে। আর তিথি শেষ হচ্ছে, ১৭ মে রবিবার ভোররাত ১টা ১৩ মিনিটে। উল্লেখ্য, এই পঞ্জিকামতে, তিথি ১ জ্যৈষ্ঠ শুরু, তিথি শেষ ২ জ্যৈষ্ঠ। অন্যদিকে, অমাবস্যা ১৫ মে শুক্রবার ভোর ৪টে ১ মিনিটে পড়ছে। অমাবস্যা তিথি শেষ হবে ১৬ মে শনিবার রাত ১টা ৪৯ মিনিটে।

    পাপক্ষয়, আত্মশুদ্ধি ও মাতৃশক্তির আরাধনার বিশেষ তিথি

    হিন্দু ধর্মবিশ্বাসে এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মনে করা হয়—মা কালী এই তিথিতে ভক্তদের পাপ, দুঃখ, ক্লেশ ও কর্মফলের বন্ধন থেকে মুক্তি দেন। ‘ফলহারিণী’ শব্দটির অর্থই হল— যিনি কর্মফল হরণ করেন। তাই সাধারণ কালীপুজোর তুলনায় এই পূজার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অনেক গভীর। ফলহারিণী কালীপুজো মূলত তন্ত্রসাধনা, আত্মশুদ্ধি এবং ঈশ্বরচিন্তার একটি বিশেষ দিন হিসেবে বিবেচিত। বাংলার বহু বাড়ি, মন্দির ও আশ্রমে এই দিন মা কালীর বিশেষ পুজো, হোম-যজ্ঞ, চণ্ডীপাঠ ও নামসংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। ভক্তরা উপবাস পালন করে মাতৃশক্তির কৃপা প্রার্থনা করেন।

    ফলহারিণী কালীপুজোর পৌরাণিক তাৎপর্য

    শাস্ত্র মতে, জগজ্জননী মা কালী শুধু সংহারক নন, তিনি মুক্তিদাত্রীও। জীবনের সঞ্চিত কর্মফল, অহংকার, লোভ, ক্রোধ এবং মোহ দূর করে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার শক্তি রয়েছে তাঁর মধ্যে। এই কারণেই ফলহারিণী অমাবস্যায় মা কালীর পূজার বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষ জন্মে জন্মে নিজের কর্মের ফল বহন করে। শুভ কর্মে যেমন ভালো ফল আসে, তেমনই অশুভ কর্ম দুঃখ ও বাধার কারণ হয়। ফলহারিণী কালীপুজো সেই কর্মফলের শৃঙ্খল থেকে মুক্তির প্রতীক। এই দিনে আন্তরিক ভক্তি ও প্রার্থনার মাধ্যমে মা কালীর কাছে জীবনের নেতিবাচক শক্তি দূর করার আবেদন জানানো হয়।

    ফলের মালা পরানোর রীতি দেখা যায়

    ভক্তদের বিশ্বাস, মা কালী জীবের কর্মফল অনুসারে তাদের আশীর্বাদ প্রদান করেন। তিনি প্রসন্না হলে জীবের দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি মেলে। পাশাপাশি জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে। ফলহারিণী অমাবস্যায় দেবীকে বিভিন্ন মরশুমি ফল দিয়ে পুজো দিলে দেবী সন্তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস। আম, জাম, কলা, লিচু-সহ বিভিন্ন ফলের মালা তৈরি করে দেবীকে পরানোর রীতি দেখা যায়।

    কেন এই পুজো ফলহারিণী কালীপুজো নামে পরিচিত?

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, জৈষ্ঠ্য মাসে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল সমেত নানারকম মরসুমী ফল পাওয়া যায়। ভক্তরা তাঁদের ইষ্টদেবীকে এই ফল নিবেদন করে থাকেন। দেবী ভক্তদের কর্মফল হরণ করে তাদেরকে মোক্ষফল প্রদান করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, ফলহারিণী কালীপুজো করলে বিদ্যা, কর্ম এবং অর্থ ভাগ্যের উন্নতি ঘটে প্রেম প্রণয়ের বাধা দূর হয়, দাম্পত্য সংসারী জীবনেও সুখ শান্তি বিরাজ করে। এককথায় এই বিশেষ পুজোয় ভক্তরা আধ্যাত্মিক, নৈতিক, মানসিক শক্তি পেয়ে থাকেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।

    এই দিনেই সারদা দেবীকে পুজো করেছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    ফলহারিণী কালীপুজোর আরেকটি ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব রয়েছে। জানা যায়, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ফলহারিণী কালীপুজোর দিনে সারদা দেবীকে পুজো করেছিলেন জগৎ কল্যাণের জন্য। এই ঘটনা হিন্দু আধ্যাত্মিক জগতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১২৮০ বঙ্গাব্দের জৈষ্ঠ্য মাসের অমাবস্যা তিথিতে ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে ষোড়শী রূপে পুজো করেছিলেন সারদা মা’কে। শ্রী রামকৃষ্ণ তাঁর সাধনার পরম পরিণতি হিসেবে স্ত্রী সারদা দেবীর মধ্যে আদ্যাশক্তির প্রকাশ দেখেছিলেন। ফলহারিণী কালীপুজোর রাতেই তিনি সারদা দেবীকে দেবীর আসনে প্রতিষ্ঠা করে পুজো করেন। এর মাধ্যমে নারীশক্তি, মাতৃত্ব ও দেবীত্বের এক অনন্য ব্যাখ্যা সামনে আসে। পরবর্তীতে এই সময়ের কালী পুজো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে ফলহারিণী কালী (Falharini Kali Puja 2026) পুজো নামেই প্রসিদ্ধি পায়।

  • FIR Against Abhishek: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, অভিষেকর বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর, কোন কোন ধারায় অভিযোগ?

    FIR Against Abhishek: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, অভিষেকর বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর, কোন কোন ধারায় অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উসকানিমূলক ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। বিধানসভা ভোটের প্রচারপর্বে বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক সভা থেকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। ভোটের ফল ঘোষণার পর বিজেপি কর্মীদের ‘দেখে নেওয়া’, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম করে হুঁশিয়ারি এবং ডিজে বাজানোর রূপক ব্যবহার করে মন্তব্য—এসব নিয়েই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। সেই সমস্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এবার বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের (FIR Against Abhishek) করলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার।

    কোন ধারায় মামলা?

    রাজীব সরকার নামে এক সমাজকর্মীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হিংসায় উস্কানি, হুমকি-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সাব-ইন্সপেক্টর সোমনাথ সিনহা রায়কে। অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে-র মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচনী জনসভা থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য পেশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, গত ৭ এপ্রিল কলকাতায় আয়োজিত একটি প্রাক-নির্বাচনী সভায় অভিষেকের একটি মন্তব্যকে ঘিরেও মূল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে তৃণমূল সাংসদকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “আমি দেখে নেব ৪ মে কে তাঁদের বাঁচাতে আসে। দিল্লি থেকে কোন গডফাদার তাঁদের রক্ষা করতে আসেন, তাও আমি দেখে নেব।”

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা

    অভিযোগকারী দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানিমূলক ও ভয় দেখানোর মতো ভাষণ দিয়েছেন। অভিযোগে আরামবাগ, হরিণঘাটা ও নানুরের সভার উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, ওই ভাষণগুলিতে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল যা জনশৃঙ্খলা নষ্ট করতে পারে। আরও দাবি করা হয়েছে, সেই বক্তৃতার ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়া ও ফেসবুক পেজে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগেই বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছিল, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষা ও শব্দচয়ন রাজনৈতিক সৌজন্যের সীমা ছাড়িয়েছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক হিংসাকে উসকে দিতে পারে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাঁধানোর উসকানি, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা তৈরি করা, ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা প্রচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • Agnimitra Paul: শহরের পরিচ্ছন্নতায় ডিজিটাল পদক্ষেপ, অভিযোগ জানাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার

    Agnimitra Paul: শহরের পরিচ্ছন্নতায় ডিজিটাল পদক্ষেপ, অভিযোগ জানাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গকে নির্মল ও পরিচ্ছন্ন (Instant Garbage Cleaning) করে তুলতে এক অভিনব প্রযুক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার (BJP Government)। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেন, “রাস্তায় জমে থাকা আবর্জনা দ্রুত অপসারণে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (App) চালু করতে চলেছে পূর্ত দফতর।”

    অ্যাপের কার্যকারিতা ও মন্ত্রীর বক্তব্য (Instant Garbage Cleaning)

    মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেন, “সারা পশ্চিমবঙ্গের যেকোনও প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ এই অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন। দীর্ঘদিনের জঞ্জাল সমস্যার (Instant Garbage Cleaning) স্থায়ী সমাধানে এটি অত্যন্ত কার্যকর হবে।” ইতিমধ্যে সমস্ত কাজকর্মে নজর রাখতে পুরসভা এলাকায় ১২৮টি সিসিক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার।

    • জিয়ো-ট্যাগিং প্রযুক্তি: এই অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা রাস্তায় পড়ে থাকা আবর্জনার ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন। জিয়ো-ট্যাগিং ব্যবস্থার মাধ্যমে আবর্জনার সঠিক অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত হয়ে যাবে।
    • দ্রুত পরিষেবা: অভিযোগ পাওয়ার ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট পুরসভাকে সেই স্থান পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পরিকাঠামো উন্নয়ন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) পূর্বতন সরকারের শাসনকালের অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “ড্রেন পরিষ্কার না হওয়া বা যত্রতত্র আবর্জনা পড়ে থাকার সংস্কৃতি এবার বন্ধ হবে। কলকাতার মতো সুন্দর শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের অঙ্গীকার। নগরোন্নয়ন দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই অ্যাপটি জনসমক্ষে আনা হবে।”

    অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

    প্রশাসনিক সংস্কারের পাশাপাশি অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদেও বর্তমানে সরকার অত্যন্ত সক্রিয়। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভা গড়িয়া মিতালি সঙ্ঘের নিকটবর্তী একটি অবৈধ ‘ক্লক টাওয়ার’ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছে। আদালতের নির্দেশানুসারে মাঠের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা এই নির্মাণটি অপসারণ করা হচ্ছে। তিলজলার পর গড়িয়ার এই পদক্ষেপ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রযুক্তি এবং কড়া প্রশাসনিক নজরদারির মেলবন্ধনে রাজ্যের পৌর পরিষেবাগুলিতে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এই ডিজিটাল উদ্যোগ (Instant Garbage Cleaning) সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি করবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

  • NEET Paper Leak: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় সাফল্য পেল সিবিআই, গ্রেফতার ‘কিংপিন’ পুণের রসায়নের অধ্যাপক!

    NEET Paper Leak: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় সাফল্য পেল সিবিআই, গ্রেফতার ‘কিংপিন’ পুণের রসায়নের অধ্যাপক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করা নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস মামলায় বড় অগ্রগতি দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া এই কেলেঙ্কারিতে সিবিআই জানিয়েছে, তারা গোটা চক্রের ‘কিংপিন’কে গ্রেফতার করেছে। ধৃত ব্যক্তি হলেন পুনের রসায়নের অধ্যাপক পিভি কুলকার্নি (PV Kulkarni), যিনি প্রশ্নফাঁসের মূল উৎস বলে তদন্তকারীদের দাবি। সিবিআই সূত্রে খবর, কুলকার্নি মহারাষ্ট্রের লাতুরের বাসিন্দা এবং পুনেতে বসবাস করতেন। তিনি ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ-র (National Testing Agency বা NTA) হয়ে পরীক্ষার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে নিট-এর প্রশ্নপত্রে অ্যাক্সেস পান। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে তিনি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করেন বলে অভিযোগ।

    কীভাবে ফাঁস হল প্রশ্ন?

    তদন্তে উঠে এসেছে, পিভি কুলকার্নি নিজের বাড়িতে ‘রাজ কোচিং ক্লাসেস’ (Raj Coaching Classes) নামে ব্যক্তিগত কোচিং চালাতেন। নিট পরীক্ষার ঠিক আগে, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে তাঁর কোচিং সেন্টারে একটি বিশেষ ক্লাস নেওয়া হয়। অভিযোগ, সেই ক্লাসে তিনি পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন, অপশন এবং সঠিক উত্তর ছাত্রছাত্রীদের ডিক্টেট করেন। পড়ুয়ারা সেগুলি নিজেদের খাতায় লিখে নেয়। পরে তদন্তকারীরা ছাত্রদের খাতায় লেখা প্রশ্নের সঙ্গে ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্র মিলিয়ে দেখেন। দেখা যায়, বহু প্রশ্ন হুবহু মিলে গিয়েছে। এর থেকেই সিবিআই নিশ্চিত হয় যে প্রশ্নফাঁসের উৎস পরীক্ষার অভ্যন্তরীণ কোনও ব্যক্তি।

    জড়িত আরও এক অভিযুক্ত

    এই মামলায় বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে মনীষা বাঘমারে (Manisha Waghmare) নামে এক মহিলাকে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি একটি বিউটি পার্লার চালাতেন এবং ছাত্রছাত্রীদের কাছে ফাঁস হওয়া মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও কলেজে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। প্রতিটি ছাত্রের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ। এরপর তাদের পিভি কুলকার্নির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হতো।

    দেশজুড়ে তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত নথি ও মোবাইল

    সিবিআই গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। তদন্তকারীরা বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। এগুলির ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ চলছে। তদন্তকারীদের মতে, এই তথ্যপ্রমাণ থেকে আরও বড় চক্রের হদিশ মিলতে পারে। সিবিআই জানিয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রকের অধীন উচ্চশিক্ষা দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মামলা রুজু করা হয়। তারপরই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।

    ৮ জন গ্রেফতার, একাধিক রাজ্যে ছড়ানো নেটওয়ার্কের খোঁজ

    এখনও পর্যন্ত এই মামলায় মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জয়পুর, গুরুগ্রাম, নাসিক, পুনে এবং আহিল্যানগর থেকে অভিযুক্তদের ধরা হয়েছে। ধৃত পাঁচ অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হলে ৭ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই প্রশ্নফাঁস চক্র কতটা বিস্তৃত ছিল এবং একাধিক রাজ্যে এর নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে ছিল কি না।

    ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

    নিট হল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসতেই দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবার গভীর উদ্বেগে। ইতিমধ্যেই পরীক্ষার স্বচ্ছতা, এনটিএ-র ভূমিকা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর ভবিষ্যতে মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

  • Oman Gujarat Gas Pipeline: ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, হরমুজ এড়িয়ে ওমান-গুজরাট গ্যাস করিডর বানাতে চলেছে ভারত

    Oman Gujarat Gas Pipeline: ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, হরমুজ এড়িয়ে ওমান-গুজরাট গ্যাস করিডর বানাতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ এবং তার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক সংকট ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ওমান থেকে সরাসরি গুজরাট পর্যন্ত একটি বিশাল সাব-সি (সমুদ্রতলের নিচে) গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। প্রায় ৪০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হতে চলা এই প্রকল্পকে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশলের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে প্রকল্পের কার্যকারিতা সমীক্ষা প্রতিবেদন (feasibility report) তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। অনুমোদন মিললে এই পাইপলাইন নির্মাণে সময় লাগতে পারে ৫ থেকে ৭ বছর।

    কেন এই প্রকল্পে জোর দিচ্ছে ভারত?

    ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৮৮ শতাংশ এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহ হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ওই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা তৈরি হলে ভারতকে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

    • ● জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন
    • ● শিপিং খরচ ও বীমা ব্যয় বৃদ্ধি
    • ● আমদানি বিলের চাপ
    • ● সরবরাহ শৃঙ্খলে অনিশ্চয়তা

    এই সংকট স্পষ্ট করে দেয়, একক সামুদ্রিক রুটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভারতের জন্য বড় ঝুঁকি। ফলে বিকল্প জ্বালানি করিডর তৈরি এখন কৌশলগত অগ্রাধিকার।

    প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য

    প্রস্তাবিত পাইপলাইনটি ওমান থেকে আরব সাগর পেরিয়ে সরাসরি গুজরাটে পৌঁছবে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীকে পুরোপুরি বাইপাস করা সম্ভব হবে।

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি—

    • ● প্রকল্প ব্যয়: ৪০,০০০ কোটি টাকা
    • ● দৈর্ঘ্য: প্রায় ২,০০০ কিমি
    • ● রুট: ওমান → আরব সাগর → গুজরাট
    • ● গভীরতা: ৩,০০০ মিটারেরও বেশি
    • ● নির্মাণকাল: অনুমোদনের পর ৫-৭ বছর
    • ● সম্ভাব্য সমাপ্তি: ২০৩৩-২০৩৫

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের অন্যতম জটিল গভীর সমুদ্রের শক্তি অবকাঠামো প্রকল্প হতে পারে।

    কোন সংস্থাগুলি যুক্ত?

    এই প্রকল্পে একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    • ● গেল (GAIL) – প্রকল্পের প্রধান অপারেটর ও কার্যকারিতা পরিকল্পনাকারী
    • ● ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড (EIL) – প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন
    • ● ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC) – সর্বশেষ ব্যবহারকারী ও অংশীদার

    বিশেষভাবে গেল-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংস্থাটি ভারতের মোট গ্যাস ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের ৭০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করে।

    হরমুজ সংকটে কতটা ক্ষতি হয়েছে?

    ২০২৬ সালের হরমুজ অস্থিরতার জেরে ভারতের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। সরকারি ও শিল্প সূত্র অনুযায়ী—

    • ● মাত্র ৬ সপ্তাহে ক্ষতি: প্রায় ৬২,৫০০ কোটি টাকা
    • ● ২০২৬-এর প্রথম ত্রৈমাসিকে ক্ষতি: ১.৯৮ লক্ষ কোটি টাকা
    • ● তেল সংস্থাগুলির দৈনিক ক্ষতি: ১,৬০০-১,৭০০ কোটি টাকা

    জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধি আটকে রাখলেও, এর ফলে আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

    চিনের সঙ্গে অবকাঠামোগত প্রতিযোগিতা

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও বড় কারণ। বিশেষত চিন ইতিমধ্যেই বিকল্প জ্বালানি করিডর ও পাইপলাইন অবকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। ভারতে তুলনামূলকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার এখনও কম এবং গ্যাস অবকাঠামোও সীমিত। ফলে দ্রুত সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্যায়ন এখন জরুরি।

    সেজ প্রকল্পের সম্ভাবনা

    বেসরকারি সংস্থা সাউথ এশিয়া গ্যাস এন্টারপ্রাইজ (SAGE)-ও আগে অনুরূপ সমুদ্রতলে পাইপলাইন প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছিল।

    সেজ প্রকল্পের তথ্য

    • ● ব্যয়: ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার
    • ● ক্ষমতা: দৈনিক ৩১ মিলিয়ন মেট্রিক ঘনমিটার
    • ● সম্ভাব্য সাশ্রয়: বছরে ৭,০০০ কোটি টাকা

    সরকার চাইলে এই বিদ্যমান নকশা বা feasibility work ব্যবহার করে সময় ও খরচ কমাতে পারে।

    ভারতের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমান-গুজরাট পাইপলাইন কেবল একটি গ্যাস পরিবহন প্রকল্প নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রূপরেখার বড় রূপান্তর।

    সম্ভাব্য সুবিধা

    • ● হরমুজের ওপর নির্ভরতা কমবে
    • ● গ্যাস সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে
    • ● প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি ব্যয় কমবে
    • ● শিল্প খাতে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়বে
    • ● দীর্ঘমেয়াদে কৌশলগত সুবিধা মিলবে

    হরমুজ সংকট ভারতের সামনে জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ওমান-গুজরাট সাবসি পাইপলাইন প্রকল্প দেশের জ্বালানি নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আগামী এক দশকে ভারত আরও সহনশীল, বৈচিত্র্যময় এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে নিরাপদ জ্বালানি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবে।

  • PCOS Renamed PMOS: পিসিওএস আর নয়! বদলে গেল নাম, এবার থেকে এই নতুন নামে চিনবে চিকিৎসকরা, কেন প্রয়োজন ছিল নামবদলের?

    PCOS Renamed PMOS: পিসিওএস আর নয়! বদলে গেল নাম, এবার থেকে এই নতুন নামে চিনবে চিকিৎসকরা, কেন প্রয়োজন ছিল নামবদলের?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম বললেই এখন আর চলবে না। বরং, রোগ চিহ্নিত হলে রোগীকে জানাতে হবে, সঠিক সমস্যা কোথায়! রোগীর উদ্বেগ এবং সংশয় কমাতেই এই নয়া উদ্যোগ।

    নতুন নামকরণ কী হল? কেন পিসিওডি-র নাম বদল?

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা স্থির করেছেন পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) বললে অসংখ্য আক্রান্তের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হচ্ছে। ওভারিতে সিস্ট বা বাড়তি মাংস পিন্ড সরাসরি পাওয়া না গেলেও, কেন তাকে পিসিওডি আক্রান্ত বলে জানানো হচ্ছে, এই নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক এন্ড্রোক্রাইন সোসাইটির পরামর্শে এর নয়া নামকরণ হয়েছে, পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PMOS)। এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পিসিওডির সমস্যা বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে। তবে আক্রান্তের ওভারিতে অনেক সময়েই সিস্ট পাওয়া যায় না। তবে তার হরমোন ঘটিত সমস্যা হয়। এই নয়া নামকরণের আসল উদ্দেশ্য রোগ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা কমানো। তাঁরা জানাচ্ছেন, পলি এন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হল শরীরের সমস্ত হরমোন ঘটিত সমস্যা এবং শরীরের নিজস্ব শক্তি ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্যা।

    পিসিওডি এবং পিএমওডি মধ্যে ফারাক কোথায়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের যেকোনও হরমোন ঘটিত সমস্যা কিন্তু পিসিওডি নয়। ওভারিতে অতিরিক্ত মাংস পিন্ড থাকলে তবেই সেটা পিসিওডি বলা যেতে পারে। কিন্তু অনেক সময়েই রোগীর ওভারিতে সিস্ট থাকে না। অথচ নানান হরমোন ঘটিত সমস্যা দেখা দেয়। অনিয়মিত ঋতুস্রাব, অতিরিক্ত ওজন, বন্ধ্যাত্বের সমস্যা হয়। যেগুলো শরীরের হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে ঘটে। তাকে কখনই পিসিওডি বলা ঠিক নয়। বলা উচিত পিএমওডি। রোগ চিহ্নিত করে ঠিকমতো বোঝাতে পারলে তবেই রোগী সচেতন হবেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য এই রোগ হয়। তাই রোগীর নিজের সমস্যা সম্পর্কে ঠিকমতো জানা জরুরি। রোগ নিয়ে বাড়তি জটিলতা ও বিভ্রান্তি এড়ানো দরকার।

    কেন এই রোগের দাপট বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শারীরিক পরিশ্রমের অভাবের জেরেই এই ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সময়েই বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রম কম করা এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের জন্য এই ধরনের হরমোন ঘটিত সমস্যা তৈরি হয়। তবে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত থাকলে পিএমওএসের দাপট বাড়ে‌। ভারতের মতো দেশে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই পিএমওএসের (PMOS) প্রকোপ ও বাড়ছে। জিনগত কারণেও এই রোগ হয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারে মা-বোন-মাসি এই রোগে আক্রান্ত হলে পরবর্তী প্রজন্মের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ কী কী?

    ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে পিএমওএস আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বৃদ্ধির অন্যতম কারণ চটজলদি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া। বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ বিশেষত কম বয়সিদের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাবার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই খাবারে অতিরিক্ত ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে। পিৎজা, বার্গার, হটডগের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবার শরীরে পুষ্টির জোগান দেয় না। বরং, শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে সাহায্য করে। ফলে, অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা তৈরি হয়। একদিকে এমন খাদ্যাভাস যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিচ্ছে, আরেকদিকে এমন জীবন যাপন, যেখানে শারীরিক পরিশ্রমের সুযোগ কম। এই দুইয়ের জেরেই হরমোনের ভারসাম্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। ফলে, পিএমওএসের (PMOS) মতো রোগের দাপট বাড়ছে। তাছাড়া, অনিদ্রা, মানসিক অবসাদ এই রোগের দাপট বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কম বয়সি মেয়েদের মধ্যে মানসিক চাপ এবং অবসাদ বাড়ছে। তাঁরা অনিদ্রার সমস্যার শিকার হচ্ছেন। এগুলো শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। শারীরিক শক্তি ক্ষয় হয়। ফলে পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    কাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও মহিলাই পিএমওএসে আক্রান্ত হতে পারেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তবে পরিবারের কেউ পিসিওডি কিংবা পিএমওএসে আক্রান্ত হলে, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। তাছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবোলিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (PMOS) ঝুঁকি বেড়ে যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে স্থূলতার সমস্যা থাকলে, এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

LinkedIn
Share