Tag: bangla news

bangla news

  • Delhi Police: লাঠি উঁচিয়ে দিল্লি পুলিশ! তড়িঘড়ি রাজঘাট ছাড়লেন অভিষেক ও তাঁর দলবল

    Delhi Police: লাঠি উঁচিয়ে দিল্লি পুলিশ! তড়িঘড়ি রাজঘাট ছাড়লেন অভিষেক ও তাঁর দলবল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে বাজার গরম করতে রাজঘাটে ধরনায় বসে ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অবস্থান কর্মসূচির কোনও লিখিত অনুমতি ছিল না, তাই ধরনার মাঝপথেই লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে এল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। আর এতেই বেআইনি জমায়েত ছত্রভঙ্গ হল তৃণমূলীদের। দিল্লি পুলিশের সঙ্গে এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে তৃণমূল কর্মীদের সরানোর তোড়জোড় শুরু করে, তখনই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় রাজ্যের শাসক দলের কর্মীদের। সেই সময়ে বাধ্য হয়ে জায়গা ছেড়ে পালিয়ে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    লাঠি উঁচিয়ে পুলিশ

    তৃণমূল দাবি করছে যে সাংবাদিক বৈঠকও করতে দেওয়া হয়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগেই জোর করে গাড়িতে তুলে রাজঘাট থেকে নাকি বের করে দিয়েছে তাঁকে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। শাসকদলের নেতৃত্বের এহেন আচরণকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘বাংলার বাঘ দিল্লিতে ইঁদুর।’’ এ নিয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড দিন কমান্ডের বক্তব্য, ‘‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই ধরনায় বসে ছিলাম কিন্তু পুলিশ (Delhi Police) এসে আমাদের এখান থেকে উঠে যেতে বলে। অনুমতি ছাড়া যে রাজঘাট এভাবে অবরোধ করে রাখা যায়না, তা কি জানেনা রাজ্যের শাসক দল! প্রশ্ন বিভিন্ন মহলের। দিল্লির পুলিশ এবং সিআরপিএফ অবশ্য তৃণমূল নেতৃত্বকে বলতে থাকে যে রাজঘাটে এভাবে ধরনায় বসার কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অসুবিধা হচ্ছে। তাতেও কর্ণপাত না করাতে এই সক্রিয় হয় প্রশাসন।

    শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ

    কলকাতাতে বিজেপির কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু। সাংবাদিকরা তৃণমূলের দলীয় কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন করতেই নন্দীগ্রামের বিধায়কের জবাব, ‘‘বিক্ষোভ করতে গিয়েছিল ওরা। ২০ মিনিট পরই লাঠি উঁচিয়েছে সিআইএসএফ আর দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। সকলে চলে গিয়েছে। ওরা বাংলায় বাঘ, সিংহ। দিল্লিতে লাঠি দেখাতেই ইঁদুর।’’ শুভেন্দুর আরও সংযোজন, ‘‘মমতা ব্যানার্জী টাকা চুরি করেছে, তাই যাননি। প্রশ্ন তুলুন ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়ো জবকার্ডগুলো কোথায়?’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বাংলায় বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য মোদি ও গিরিরাজকে ধন্যবাদ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বাংলায় বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য মোদি ও গিরিরাজকে ধন্যবাদ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য নরেন্দ্র মোদি ও গিরিরাজ সিংহকে ধন্যবাদ জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একশো দিনের কাজ সহ নানা প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ তুলে সোমবারই দিল্লিতে ধর্নায় বসেছে তৃণমূল। এহেন আবহে শুভেন্দুর এই দাবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    শুভেন্দু উবাচ

    এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য নরেন্দ্র মোদি ও গিরিরাজ সিংহকে ধন্যবাদ। ১০০ দিনের প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার জন্য কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ইউপিএ-এনডিএ আমলের সঙ্গে যদি তুলনা করা হয়, তাহলে মোদি সরকারের আমলে বাংলার জন্য বরাদ্দ অনেক বেশি। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি ও মাননীয় কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত রাজ মন্ত্রী শ্রী গিরিরাজ সিংহকে।

    এমজিএনআরইজিএ, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার মতো রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের স্কিমগুলি বাস্তবায়নের জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে কেন্দ্রীয় তহবিলের বরাদ্দ যথেষ্ট পরিমাণে বাড়ানোর জন্য। যদি ইউপিএ এবং এনডিএ শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া তহবিলের তুলনা করা হয়, তাহলে এটা স্পষ্ট হবে যে মোদি সরকার কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বহুগুণ বাড়িয়েছে। শুধু যদি এই টাকা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার ও প্রশাসন বাংলার গ্রামের মানুষের কাজে ঠিক মতো ব্যবহার করত…।”

    বঞ্চনা করেছেন মমতা 

    বিজেপির (Suvendu Adhikari) দাবি, বাংলার মানুষের সঙ্গে যদি কেউ বঞ্চনা করে থাকে তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই করেছে। শুভেন্দু এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, “ইউপিএ জমানায় এমজিএনআরইজিএতে বাংলার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৪ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। সেখানে এনডিএ সরকার এই প্রকল্পে বরাদ্দ করেছে ৫৪ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। পিএমএওয়াইতে ইউপিএ সরকার বরাদ্দ করেছিল ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সেখানে মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে ৩০ হাজার কোটি টাকা।” এদিকে, ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুকান্ত দেখান খরচ করতে না পারায় কীভাবে দিল্লিতে ফেরত গিয়েছে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ (Suvendu Adhikari)। মোদি জমানায় যে আগের চেয়ে বাংলার জন্য বরাদ্দ বেড়েছে, তাও দেখিয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: লুট হয়েছে ১০০ দিনের কাজের টাকা, চোর না ধরে দিল্লিতে ধর্নায় তৃণমূল!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Agitation: লুট হয়েছে ১০০ দিনের কাজের টাকা, চোর না ধরে দিল্লিতে ধর্নায় তৃণমূল!

    TMC Agitation: লুট হয়েছে ১০০ দিনের কাজের টাকা, চোর না ধরে দিল্লিতে ধর্নায় তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একপ্রস্ত নাটক দিল্লিতে! ঘাসফুলের ব্যানারে এ (কু)নাট্যরঙ্গের কুশীলব অবশ্যই তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সোমবার শুরু হওয়া এই নাট্যানুষ্ঠান (TMC Agitation) চলবে দু দিন ধরে। তৃণমূলের দাবি, একশো দিনের কাজে টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। প্রশ্ন হল, কেন দিচ্ছে না? এক কথায় এর পাল্টা উত্তর পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। বলা হয়েছে, ‘চোর ধরো, জেল ভরো’ কর্মসূচি পালন করলেই মিলবে টাকা!

    টাকা পাওয়ার শর্ত

    একশো দিনের প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা দেওয়ার আগে একটি শর্ত দিয়েছিল। সেটি হল, একশো দিনের যে টাকা পাঠানো হচ্ছে, তার প্রতিটি পাই-পয়সা জনগণের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তা তো হচ্ছেই না, অথচ নেপোয় মারছে দই। এই নেপোদের ধরে ধরে জেলে ভরতে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, কেন্দ্রের সেই শর্ত না মেনে দুর্নীতিবাজদের প্রশ্রয় দিয়ে দিল্লি অভিযানে গিয়েছে তৃণমূল। দলীয় কর্মীদের এই ঝাঁকের কইয়ের মাঝে রয়েছেন সেই কালপ্রিটরাও, যাঁরা জনগণের অর্থ ভোগ করছেন নির্লজ্জের মতো। সোমবার তৃণমূলের কর্মসূচির পাল্টা জবাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র খাঁ এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

    কী অভিযোগ বিজেপির?

    বিজেপির অভিযোগ, গত বছর সেন্ট্রাল টিমের ভিজিটে (TMC Agitation) যে দুর্নীতিগুলো উঠে এসেছিল, তার রিকভারি অ্যামাউন্ট তারা ঠিক করে দিয়েছিল। কোনও পঞ্চায়েত এখনও সেই অর্থ জমা করেনি। আর্থমুভার দিয়ে পুকুর কাটিয়ে ভুয়ো মাস্টাররোল তৈরি করে টাকা তোলা হয়েছে একশো দিনের কাজে। দলের পেটোয়া কর্মীদের নামে বানানো ওই মাস্টাররোল থেকে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। নামেই একশো দিনের কাজ। অভিযোগ, জবকার্ড হোল্ডারদের সিংহভাগই কাজ পেয়েছেন, কেউ ১০ দিন, কেউবা ২০ দিন, কেউ আবার ৩০ দিন। হাতে গোণা দলীয় কর্মীদের মধ্যে যাঁরা একশো দিনই কাজ পেয়েছেন, তাঁদের থেকেও জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে একটা মোটা অঙ্কের টাকা। আধার জবকার্ড সিডিং হওয়ার আগে একই শ্রমিককে বিভিন্ন জব কার্ডে ঢুকিয়েও অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    একশো দিনের কাজ প্রকল্পে একটি পরিবারের একটি মাত্র জব কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ দেখা যাচ্ছে, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে জবকার্ড তৈরি করে লুটে নেওয়া কাঁড়ি কাঁড়ি হয়েছে টাকা। যেখানে কাজ (TMC Agitation) হয়েছে, সেখানে স্থায়ী ডিসপ্লে বোর্ড নেই। সেন্ট্রাল টিম রাজ্যে এলেই তড়িঘড়ি লাগানো হচ্ছে ডিসপ্লে বোর্ড। চাষযোগ্য জমিকে পুকুরে পরিণত করা হয়েছে একশো দিনের কাজে। যদিও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির চরিত্র বদল করা হয়নি। একশো দিনের আইবিএস স্কিমগুলি কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রাম সভায় আলোচনা কিংবা বেনিফিশিয়ারি কমিটি তৈরি না করেই দলীয় কর্মীদের জায়গায় স্কিমগুলি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূলের ৮০০ কোটি টাকা রয়েছে’’! চাঞ্চল্যকর দাবি শুভেন্দুর

    শুধু তাই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েতে যে কনট্রাকচুয়াল ওয়ার্কাররা কাজ করেন, তাঁদের কন্ট্রাক্ট পরের বছর পুনর্নবিকরণ না করার ভয় দেখিয়ে কেন্দ্রের বিভিন্ন স্কিমে দুর্নীতি করতে বাধ্য করা হয়। সর্বোপরি, একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ডেভেলপমেন্ট মিটিংয়ে সরকারি আধিকারিকরা গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীদের অপমান, মাইনে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, চোখ রাঙানি ইত্যাদি হাতিয়ার ব্যবহার করে তৈরি করতে বলেছেন শ্রম দিবস। এঁদের দিয়েই ভুয়ো মাস্টাররোল বানিয়ে এবং কর্মদিবস সৃষ্টি করে লুটে নেওয়া হয়েছে সরকারি অর্থ।

    এত অভিযোগ সত্ত্বেও (TMC Agitation) দলীয় কর্মীদের দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে ধর্নায় বসিয়ে ভোটের আগে সস্তা জনপ্রিয়তা কুড়োনোর ফিকির কতটা কাজে দেবে, তা বলবে সময়। তবে দুর্নীতি থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরানোর যে ফন্দি তৃণমূল কর্তারা এঁটেছেন, তাতে চমক আছে বইকি!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মন্ত্রী-মেয়র জোড়া পদে থেকে কি আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন ফিরহাদ?” চিঠি রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মন্ত্রী-মেয়র জোড়া পদে থেকে কি আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন ফিরহাদ?” চিঠি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার খোদ মৌচাকেই ঢিল মারলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)! ‘মন্ত্রী এবং মেয়র দুই পদে থেকেই কি আর্থিক দিক থেকে লাভবান হচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম?’ প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যপাল। কলকাতা পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। এমতাবস্থায় রাজ্যপালের এহেন প্রশ্ন-বাণে বিব্রত রাজ্য সরকার। রাজ্যপালের অভিযোগ, ডেঙ্গিতে মৃত অনেকের পরিবার পুরসভায় ফোন করেও মেয়রের খোঁজ পাচ্ছেন না।

    কী বলছেন রাজ্যপাল?

    রাজ্য সরকারকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “পুরসভায় ফোন করলে তাঁদের বলা হচ্ছে মেয়র নবান্নে আছেন। আবার নবান্নে খোঁজ নিলে বলা হচ্ছে, পুরমন্ত্রী কলকাতা পুরসভায় রয়েছেন। …রাজভবনের পিস রুমে এনিয়ে অনেক অভিযোগ এসেছে। কলকাতায় মেয়র নিখোঁজ বলে বিজ্ঞাপনও দিতে চাইছেন অনেকে।”

    কোন অঙ্কে মন্ত্রী-মেয়র পদে ফিরহাদ?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু মুখ ফিরহাদ। তৃণমূল নেত্রীর খুব কাছের (CV Ananda Bose) মানুষ হিসেবে পরিচিত। মুসলমান ভোট যাতে ঘাসফুলের ঝুলিতেই পড়ে, তা নিশ্চিত করতে ফিরহাদকে করা হয় মন্ত্রী। আবার কলকাতা পুরসভা এলাকার মধ্যেই পড়ে খিদিরপুর, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজারের মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। অতএব, ভোট কুড়োতে প্রয়োজন সংখ্যালঘু মুখের। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, সেই কারণেই ফিরহাদকে একই সঙ্গে বসানো হয়েছে মন্ত্রী এবং মেয়র পদে।

    রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যকে পাঠানো চিঠিতে রাজ্যপাল জানতে চেয়েছেন একজন ব্যক্তি কীভাবে এরকম গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ সামলাচ্ছেন? রাজ্যপালের প্রশ্ন, “এখানে কি অফিস অফ প্রফিটের কোনও বিষয় আছে?”  রাজ্য সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও উত্তর এখনও মেলেনি। যদিও ফিরহাদ জানান, তিনি এখন দিল্লিতে রয়েছেন। কলকাতায় ফিরে সাংবাদিক বৈঠক করে সবটা জানাবেন। তিনি বলেন, “আমি কীভাবে মেয়র এবং মন্ত্রী তা আমার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানলেই হবে।”

    আরও পড়ুুন: মাথার দাম ৩ লক্ষ! দিল্লিতে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আইএস জঙ্গি

    শেষ বর্ষায় রাজ্যে (CV Ananda Bose) ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গির দাপট। গত এক সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের ১৭টি জেলা ও স্বাস্থ্য জেলায় নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬১৩ জন। সব মিলিয়ে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজার ১৪০ জন। আক্রান্তের পাশাপাশি দীর্ঘায়িত হচ্ছে মৃতের তালিকাও। কলকাতায়ও বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। সূত্রের খবর, এমতাবস্থায় মেয়র-মন্ত্রী গিয়েছেন তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

    জনসেবার চেয়ে পার্টিসেবাই অগ্রাধিকারের তালিকায় ঠাঁই পেল ফিরহাদের!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • AIIMS Kalyani: কল্যাণী এইমসে চলছে ১৩৭ পদে চিকিৎসক নিয়োগ, কবে আবেদনের শেষ তারিখ জেনে নিন

    AIIMS Kalyani: কল্যাণী এইমসে চলছে ১৩৭ পদে চিকিৎসক নিয়োগ, কবে আবেদনের শেষ তারিখ জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারদের জন্য সুখবর। যেসমস্ত চিকিৎসকরা কল্যাণী এইমসে সরকারি চাকরি করতে চান, তাঁরা খুব দ্রুত নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কল্যাণী এইমসে (AIIMS Kalyani) চিকিৎসক শূন্যপদ পূরণে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। মোট শূন্যপদ হল ১৩৭টি। বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

    নিয়োগে যোগ্যতা

    এই শূন্য পদে যোগ্যতা (AIIMS Kalyani) হিসাবে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পোস্ট গ্রেজুয়েশন মেডিক্যাল ডিগ্রি হিসাবে এমডি, এমএস, ডিএনবি যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসাবে হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে এমডি, এমবিবিবিএস, ডিএনবি যোগ্যতা সম্পন্নরাও আবেদন করতে পারবেন।

    কোন কোন বিভাগে শূন্যপদ রয়েছে

    কল্যাণী এইমস (AIIMS Kalyani) বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গিয়েছে, এইমসের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক পদে বিভিন্ন বিভাগে নিয়োগ করা হবে। তবে এই পদগুলি সব নন-অ্যাকাডেমিক পদ। যেসব বিভাগগুলোতে নিয়োগ করা হবে সেগুলো হল— রেডিওলজি, পালমোনারি মেডিসিন, ফিজিওলজি, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, বায়োকেমিস্ট্রি, কমিউনিটি অ্যান্ড ফ্যামিলি মেডিসিন, ডার্মাটোলজি, ইএনটি, ফরেন্সিক মেডিসিন অ্যান্ড টক্সিকোলজি, জেনারেল মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মাইক্রোবায়োলজি, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গায়নোকোলজি, অপথ্যালমোলজি, অর্থোপেডিক্স, পেডিয়াট্রিক্স, প্যাথোলজি, ফার্মাকোলজি, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন অ্যান্ড ব্লাড ব্যাঙ্ক, ট্রমা অ্যান্ড এমারজেন্সি মেডিসিন, অ্যানাস্থেসিয়া এবং অ্যানাটমি। মোট শূন্যপদ হল ১৩৭টি হলেও যোগ্যতা অনুসারে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে।

    বয়সসীমা এবং বেতন

    এই বিজ্ঞপ্তিতে (AIIMS Kalyani) বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের বয়স ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। পদপ্রার্থীদের বেতনের ক্রম হবে ১৫৬০০ থেকে ৩৯১০০ প্রতি মাসে। সেই সঙ্গে গ্রেস পে হিসাবে অতিরিক্ত মিলবে আরও ৬৬০০ টাকা। একই ভাবে থাকবে অতিরিক্ত সুবিধা।

    আবেদন ফি এবং নিয়োগ পদ্ধিত

    এইমস কল্যাণীতে (AIIMS Kalyani) এনইএফটি-র মাধ্যমে ফি জমা করতে হবে। আবেদনের মূল্য ১০০০ টাকা। আবেদন করার পর প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বাছাই করা হবে। আরও বলা হয়েছে বিজ্ঞাপনে যে প্রার্থীদের আবেদন পত্রে উল্লিখিত বয়স, শিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শংসাপত্র, ডকুমেন্ট সেলফ-অ্যাটেস্টেড কপি আনতে হবে সাক্ষাৎকারের দিন।

    কিভাবে আবেদন করবেন

    প্রার্থীরা ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় টাকা জমা দেওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সহ একটি সিস্টেম জেনারেটেড হবে। এই রেজিস্ট্রেশনকে ডাউনলোড করে রাখতে হবে। নিয়োগ সাক্ষাৎকারের দিন ১৩ অক্টোবর এবং ১৪ অক্টোবর ২০২৩। অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে  এবং আবেদনের শেষ তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২৩।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের ৮০০ কোটি টাকা রয়েছে’’! চাঞ্চল্যকর দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের ৮০০ কোটি টাকা রয়েছে’’! চাঞ্চল্যকর দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের অবস্থান চলছে দিল্লিতে। ধরনা নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের দাবি, ব্লক স্তরের নেতাদেরও প্লেনে করে উড়িয়ে আনা হয়েছে দিল্লিতে। এছাড়া ১০০টি ভল্ভো বাসে করে কর্মীদেরকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাজধানীর উদ্দেশে। রাজ্যের শাসক দলের এই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস ঠিক কী! তা নিয়েও চলছে জোর চর্চা। অন্যদিকে দিল্লিতে তৃণমূলের অবস্থান কর্মসূচি নিয়ে তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ধনী দল বলেও মন্তব্য করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর মতে ৮০০ কোটি টাকা রয়েছে তৃণমূলের।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী 

    রবিবারই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অবস্থান কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর মতে, “যন্তর মন্তরে যা খুশি করুন এপাং ওপাং ঝপাং! আমরা সবাই কোলা ব্যাঙ! যন্তর মন্তরের বাইরে কিছু করতে যাবেন না। ওখানে কিন্তু বিনীত গোয়েল নেই! অমিত শাহের পুলিশ, লাঠির সাইজ ৬ ফুট।” শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন আরও বলেন “তৃণমূল কংগ্রেস তো ভারতের তৃতীয় ধনীতম দল। বর্তমানে তাদের তহবিলের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। সেই টাকা দিয়ে ২০-২৫টা চার্টার্ড ফ্লাইট বুক করে তো ওরা কর্মীদের সরাসরি দিল্লি নিয়ে যেতে পারত। একেকটা বড় বিমানে ২৫০-৩০০ লোক যেতে পারতেন।”

    ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

    সোমবারই তৃণমূলের পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে দিল্লি এবং কলকাতায় দু’ জায়গাতেই কর্মসূচি রয়েছে নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। দিল্লিতে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে সাংসদদের দল যাবেন পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন জমা দিতে তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নয়ছয়-এর প্রতিবাদে কলকাতার সড়কে ধরনা অবস্থান করবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, ১০০ দিনের কাজে বারংবারই দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। বেশ কয়েক মাস আগে উত্তর দিনাজপুরের একটি মামলাতে দেখা যায় তৃণমূলের নেতারা যেখানে পুকুর খননের কাজ দেখিয়েছেন, সেখানে রয়েছে আস্ত একটি ভুট্টার খেত। এই ঘটনায় রীতিমতো আশ্চর্য হয়ে যায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। অভিযোগ, কাজ না করেও মেলে ১০০ দিনের কাজের টাকা, সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ভুয়ো প্রকল্পের মাধ্যমেও চলে একশ দিনের কাজের টাকা নয়ছয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games: এশিয়ান গেমসে ইতিহাস ভারতের! স্পিড স্কেটিংয়ে জোড়া পদক পুরুষ ও মহিলা দলের

    Asian Games: এশিয়ান গেমসে ইতিহাস ভারতের! স্পিড স্কেটিংয়ে জোড়া পদক পুরুষ ও মহিলা দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ভারত কি পারবে রবিবারের পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করতে? সেটা জানতে হলে, কিছুটা সময় ধৈর্য ধরতে হবে। তবে, এদিন সকালে জোড়া পদক জয় দিয়ে এশিয়ান গেমসে (Asian Games) নবম দিনের অভিযান শুরু করল ভারত। একই সঙ্গে নতুন ইতিহাসও রচনা করল ভারত (India at Hangzhou Games)। 

    স্পিড স্কেটিং রিলেতে পদক জয়

    এদিন ৩০০০ মিটার স্পিড স্কেটিং রিলেতে পুরুষ ও মহিলাদের দল ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে (Asian Games)। এই প্রথম এই ইভেন্টে কোনও পদক জয় করল ভারতীয় দল (Asian Games)। পুরুষদের স্পিড স্কেটিংয়ের ফাইনালে ৪ মিনিট ১০.১২৮ সেকেন্ড দৌড় শেষ করে ব্রোঞ্জ জেতে ভারতের আরিয়ানপাল সিংহ ঘুমান, আনন্দকুমার ভেলকুমার, সিদ্ধান্ত কাম্বলে ও বিক্রম ইনগালে। অন্যদিকে, মহিলাদের ৩০০০ মিটার স্পিড স্কেটিং রিলেতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন সঞ্জনা বাথুলা, কার্থিকা জগদীশ্বরণ, হিরাল সাধু ও আরাথি কস্তুরি রাজ।

     

    পিটি ঊষার নজির স্পর্শ

    এদিকে, সোমবার নজির সৃষ্টি করেছেন ভারতের (India at Hangzhou Games) মহিলা স্প্রিন্টার বিথ্যা রামরাজ। এদিন সকালে মেয়েদের ৪০০ মিটার হার্ডলসে বিথ্যা রামরাজ শীর্ষে থেকে হিট শেষ করেছেন এবং ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তবে, উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ৫৫.৪২ সেকেন্ডে চারশো মিটার দৌড় সম্পূর্ণ করেন বিথ্যা। আর তার মাধ্যমে তিনি স্পর্শ করেন ৪০ বছর আগের করা কিংবদন্তী পিটি উষার রেকর্ড। ১৯৮৪ সালের অলিম্পিকে একই সময় নিয়ে জাতীয় রেকর্ড গড়েছিলেন পিটি ঊষা।

    পারলেন না সুতীর্থা-ঐহিকা

    তবে, এদিন স্বপ্নপূরণ করতে পারলেন না দুই বঙ্গতনয়া। প্রত্যাশা থাকলেও, সোনা-রুপো হাতছাড়া করলেন সুতীর্থা মু‌খোপাধ্যায় ও ঐহিকা মুখোপাধ্যায়। টেবিল টেনিসে মহিলাদের ডাবলসের সেমিফাইনালে উত্তর কোরিয়ার জুটির কাছে হারলেন তাঁরা। ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল তাঁদের।

    পদক সংখ্যা ৫০ পার 

    গতকাল অর্থাৎ, রবিবার, এশিয়াডে (Asian Games) ছিল ভারতের স্মরণীয় দিন। এদিন ১৫টি পদক এসেছে ভারতের ঝুলিতে। এর মধ্যে, ৯টি পদক এসেছে শুধুমাত্র অ্যাথলেটিক্স থেকেই। ২০১০ সালের এশিয়ান গেমসে এক দিনে ১১টি পদক জিতেছিল তারা। সেই রেকর্ড ভেঙে গেল রবিবার। বর্তমানে ভারতের দখলে মোট ৫৬টি পদক রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি সোনা, ২১টি রুপো ও ২২টি ব্রোঞ্জ রয়েছে (India at Hangzhou Games)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games 2023: অ্যাথলেটিক্সে জোড়া সোনা, স্টিপলচেজে ইতিহাস অবিনাশের, শট পাটে ফের বাজিমাত তেজিন্দারের

    Asian Games 2023: অ্যাথলেটিক্সে জোড়া সোনা, স্টিপলচেজে ইতিহাস অবিনাশের, শট পাটে ফের বাজিমাত তেজিন্দারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সোনা জয় ভারতের (Asian Games 2023)। ৩ হাজার মিটার স্টিপলচেজে সোনা জিতলেন অবিনাশ সাবল। ৮ মিনিট ১৯.৫০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করেন তিনি। অবিনাশের দৌলতে চলতি এশিয়ান গেমসে অ্যাথলেটিক্সে প্রথম সোনা জিতল ভারত। রবিবার অবিনাশের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাপানের রিয়োমা আওকিক। এঁর সঙ্গে অবিনাশের সময়ের পার্থক্য ছিল প্রায় চার সেকেন্ডের। জাপানেরই সেইয়া সুনাডা তৃতীয় হয়েছেন।

    রেকর্ড গড়লেন অবিনাশ

    এদিন ইরানের দৌড়বিদ হোসেন কিহানির রেকর্ড ভাঙেন অবিনাশ। গত এশিয়ান গেমসে ৮ মিনিট ২২.৭৯ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে সোনা জিতেছিলেন কিহানি। এবার তাঁকে হারিয়ে সোনা ছিনিয়ে নিলেন মহারাষ্ট্রের অবিনাশ। ভারতীয় সেনার সদস্য অবিনাশ। গত কমনওয়েলথ গেমসে রুপো পেয়েছিলেন তিনি। এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও গত বছর রুপো পেয়েছিলেন তিনি। এবার জিতলেন সোনা।

    সোনা জয় তেজিন্দারেরও

    এদিন অ্যাথলেটিক্সে দেশকে (Asian Games 2023) সোনা এনে দিয়েছেন আরও একজন। তিনি তেজিন্দারপাল সিং তুর। এশিয়ান গেমসে পুরুষদের শট পাটে সোনা জিতেছেন তিনি। ২০.৩৬ মিটার দূরত্বে শট পাট ছুড়ে সোনা ছিনিয়ে নিয়েছেন তেজিন্দারপাল। তেজিন্দারের দখলেই রয়েছে পুরুষদের শট পাটের এশীয় রেকর্ড। ২১.৭৭ মিটার দূরত্বে শট পাট ছুড়ে এশীয় রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। আঠারোর এশিয়ান গেমসেও সোনা এসেছিল তেজিন্দারের ঝুলিতে। সেবার ২০.৭৫ মিটার দূরত্বে শট পাট ছুড়ে রেকর্ড করেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: দেশ পাচ্ছে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তেলঙ্গনায় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    পঞ্জাবে তেজিন্দারের বাবা পরম সিং তুরকে ‘হিরো’ বলে ডাকা হত। দড়ি টানাটানি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ছিলেন পরম সিং। তাঁকে দেখেই খেলাধুলোয় উৎসাহ জন্মে তেজিন্দারের। কয়েক বছর আগে ত্বকের ক্যানসার ধরা পড়ে পরম সিংয়ের। বছর তিনেকের মধ্যে মারণ ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ে হাড়েও। গুরুতর অসুস্থ তিনি। সেই কারণে কমনওয়েলথ গেমস শেষ না করেই বাড়ি ফিরে আসার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তেজিন্দার। খেলা ছেড়ে দেওয়ার কথাও (Asian Games 2023) ভেবেছিলেন। পরিবারের সদস্যরাই এই দুই সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে নিরস্ত করেন তাঁকে। পরম সিং বলেন, “আমি দড়ি টানাটানিতে যে পরিশ্রম করতাম, তার ছ’ গুণ পরিশ্রম ও আজ করেছে। বিদেশের মাটিতে ভারতের পতাকা উড়িয়েছে আমার ছেলে। এর থেকে বেশি আর কী চাই!”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দেশ পাচ্ছে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তেলঙ্গনায় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: দেশ পাচ্ছে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তেলঙ্গনায় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ পেতে চলেছে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। রবিবার ভোটমুখী তেলঙ্গনার মহবুব নগরে একথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কেন্দ্রীয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হবে ‘সম্মক্কা সরাক্কা সেন্ট্রাল ট্রাইবাল ইউনির্ভাসিটি’। উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের পরম শ্রদ্ধার দেবী সম্মাক্কা ও সরাক্কা। তাঁদের নামেই হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে উঠবে মুলুগু জেলায়।

    কেন্দ্রীয় উপজাতি বিশ্ববিদ্যালয়

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুলুগু জেলায় কেন্দ্রীয় সরকার একটি কেন্দ্রীয় উপজাতি বিশ্ববিদ্যালয় গড়বে। যার নাম হবে উপজাতিদের দেবী সম্মক্কা ও সরাক্কার নামে। এজন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তাঁদের ভালবাসার জন্য তেলঙ্গনাবাসীকে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই।” এর পাশাপাশি নিজামাবাদে একটি ন্যাশনাল টারমারিক বোর্ড গঠনের কথাও ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আরও বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করেন তিনি।

    ট্রেন যাত্রার সূচনা

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একটি ট্রেনের যাত্রার সূচনাও করেন। ট্রেনটি চলবে হায়দ্রাবাদ-রাইচুর-হায়দ্রাবাদ রুটে। কৃষ্ণ স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়বে। এই ট্রেনটির মাধ্যমে মহবুবনগর এবং নারায়ণপেত জেলার সংযোগ স্থাপন হবে। ট্রেনটি চালু হলে ছাত্রছাত্রী, নিত্যযাত্রী, কর্মী এবং স্থানীয় হ্যান্ডলুম ইন্ডাস্ট্রির কর্মীদের সুবিধা হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোভিড অতিমারির পরে হলুদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বেড়েছে। বিশ্ববাজারেও হলুদের চাহিদা বেড়েছে। সেই কারণে হলুদের দিকে আমাদের বেশি করে নজর দিতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ২০২৯ সালেই কার্যকর হবে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতি!

    উৎপাদন থেকে রফতানি সব দিকেই নজর দিতে হবে। হলুদ চাষিদের প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ সুযোগের কথা ভেবে কেন্দ্র জাতীয় হলুদ বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী এদিন নাগপুর-বিজয়ওয়াড়া ইকনমিক করিডরের শিলান্যাসও করেন। অনুষ্ঠানে মহিলা সংরক্ষণ বিলের প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “উৎসবের ঋতু শুরু হয়ে গিয়েছে। নবরাত্রি উৎসব দোরগোড়ায়। সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ করে আমরা শক্তিপূজার যাথার্থতাকেই মান্যতা দিয়েছি।” হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি বিল্ডিংয়েরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: ২০২৯ সালেই কার্যকর হবে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতি!

    One Nation One Election: ২০২৯ সালেই কার্যকর হবে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নীতি রূপায়ণে ফর্মুলা খুঁজতে জোরকদমে কাজ শুরু করে দিয়েছে আইন কমিশন। ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই যাতে সব রাজ্যের বিধানসভাগুলির নির্বাচন করিয়ে নেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে কমিশন। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বিধানসভাগুলির মেয়াদ বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে।

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র পক্ষে প্রধানমন্ত্রী

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র পক্ষে বরাবর সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই নীতি কার্যকর হলে লাভ হবে একাধিক। একদিকে যেমন নির্বাচনের খরচ কমবে, তেমনি অন্যদিকে কাজ কমবে সরকারি আধিকারিকদের। নির্বাচনের জন্য যে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হয়, তার জেরে যে ব্যাহত হয় উন্নয়নমূলক কাজকর্ম, সেসবও আর হবে না। লোকসভা ও বিধানসভাগুলির নির্বাচন এক সঙ্গে হলে সাশ্রয় হবে জনগণের অর্থ। স্বাধীনতার পরবর্তী বেশ কয়েক বছর এক সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন (One Nation One Election)। সেই ব্যবস্থাই ফিরিয়ে আনতে চাইছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র তত্ত্ব বাস্তবায়িত করতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্র।

    কাজ শুরু আইন কমিশনের

    আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। ২০২৯ সাল পর্যন্ত দেশ চালাবে নতুন সরকার। তার মধ্যে কোনও এক সময় বিভিন্ন নির্বাচন এক সঙ্গে করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে আইন কমিশন। কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল কমিশন। যেহেতু ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ সম্পন্ন করতে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন, তাই চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে কমিশনের কিছু সময় প্রয়োজন। লোকসভা, বিধানসভার পাশাপাশি স্থানীয় স্তরের নির্বাচনগুলিও এক সঙ্গে করা যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুুন: যৌন সম্পর্কে সম্মতির বয়স কমানো যাবে না, কেন্দ্রকে পরামর্শ ল’ কমিশনের

    এই বিষয়টি দেখার জন্যও আইন কমিশনকে বলা হতে পারে বলে কমিশনের একটি সূত্রে খবর। ২০২৯ সালে এক সঙ্গে নির্বাচন করাতে হলে বিধানসভাগুলির মেয়াদ বাড়ানো বা কমানোর সুপারিশ করা হতে পারে। ২০১৮ সালে ২১তম আইন কমিশন মোদি সরকারের ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র (One Nation One Election) প্রস্তাব সমর্থন করেছিল। এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রকে একটি রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share