Tag: bangla news

bangla news

  • Amit Shah: “বিজেপি একটি ‘বিমারু’ রাজ্যকে উন্নত রাজ্যে নিয়ে এসেছে”, মধ্যপ্রদেশে দাবি শাহের  

    Amit Shah: “বিজেপি একটি ‘বিমারু’ রাজ্যকে উন্নত রাজ্যে নিয়ে এসেছে”, মধ্যপ্রদেশে দাবি শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি একটি অসুস্থ রাজ্যকে দেশের উন্নত রাজ্যের সমকক্ষে নিয়ে এসেছে।” মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল স্থির করতে গোয়ালিয়রে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেখানেই একথা বললেন তিনি। বিজেপি সরকারের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করে শাহ বলেন, “মধ্যপ্রদেশের বিমারু তকমা সরাতে সফল হয়েছে বিজেপি সরকার।”

    রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার

    এদিন গোয়ালিয়রে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শাহ। বৈঠক শেষে তুলে ধরেন রিপোর্ট কার্ড। তিনি বলেন, “২০ বছর আগে বিজেপি সরকার অসুস্থ রাজ্য হিসেবে মধ্যপ্রদেশকে নিয়েছিল এবং কুড়ি বছরের মধ্যে দেশের উন্নত রাজ্যগুলির সমকক্ষে নিয়ে এসেছে। আগামিদিনে প্রধানমন্ত্রী মোদিজির নেতৃত্বে কীভাবে এই রাজ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, তারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আশিস বসু এক সময় উন্নয়নের নিরিখে বিহার, সংযুক্ত মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশকে ‘বিমারু’ রাজ্য বলে উল্লেখ করেছিলেন।

    কংগ্রেসকে নিশানা শাহের 

    এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে শাহ (Amit Shah) বলেন, “কংগ্রেসের ৫৩ বছরের শাসনকালে মধ্যপ্রদেশকে বিমারু রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে বিজেপি এ রাজ্যকে উন্নত রাজ্যের স্তরে নিয়ে গিয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকেও এদিন একহাত নেন শাহ। তিনি বলেন, “রাজ্যকে লুঠ করেছে কমলনাথের সরকার।” আসন্ন নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, দাবি শাহের। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২৯টি আসনের মধ্যে বিজেপি ২৭টি পাবে বলেও দাবি করেন শাহ। এদিনের বৈঠকে রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক, সাংসদ, দলের জেলা সভাপতিদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন হাজার দেড়েক দলীয় নেতা-কর্মীও।  

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    বৈঠক শেষে শাহ (Amit Shah) বলেন, “২০০৩ সালে মধ্যপ্রদেশবাসী একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁরা মিস্টার বাঁতাধরকে (প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিংহ) সরিয়ে আমাদের ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন।” কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত প্রায় পাঁচ দশক রাজ্য শাসন করেছে কংগ্রেস। রিপোর্ট কার্ড দেখাক তো!” তিনি বলেন, “মধ্যপ্রদেশের জন্ম ১৯৫৬ সালে। মাঝে পাঁচ-ছ বছর বাদ দিলে তখন থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। তার পরেও তাদের শাসনে মধ্যপ্রদেশ ছিল বিমারু।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RBI Report: ছক্কা বিজেপি শাসিত দুই রাজ্যের, লগ্নিতে প্রথম ইউপি, দ্বিতীয় গুজরাট, বলছে রিপোর্ট  

    RBI Report: ছক্কা বিজেপি শাসিত দুই রাজ্যের, লগ্নিতে প্রথম ইউপি, দ্বিতীয় গুজরাট, বলছে রিপোর্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছক্কা হাঁকাল বিজেপি শাসিত দুই রাজ্য – গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশ। এই দুই রাজ্যে মোট নয়া বিনিয়োগ দেশের মধ্যে ৫২.৭ শতাংশ। শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও, এমনই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টে (RBI Report)। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে নয়া লগ্নির ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশ।

    মোদি জমানায় দেশের অর্থনীতি

    রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে ভারতের। মোদি জমানায় দেশের অর্থনীতি হয়েছে আগের তুলনায় বেশ শক্তপোক্ত। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ইংল্যান্ডকে সরিয়ে ভারত দখল করেছে পঞ্চম স্থান। অচিরেই ভারত তৃতীয় স্থান দখল করবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এহেন আবহে প্রত্যাশিতভাবেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাড়ছে বিনিয়োগের পরিমাণও। এই নিরিখেই সবার ওপরে রয়েছে গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশ। ঘটনাচক্রে দুই দেশের রাশই রয়েছে বিজেপির হাতে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট

    দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট (RBI Report) থেকে জানা গিয়েছে, বিনিয়োগের পরিমাণের নিরিখে তালিকার এক নম্বরে রয়েছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ। সেখানে নতুন লগ্নি হয়েছে ৪৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। এর পরের স্থানটিই দখল করেছে গুজরাট। সেখানে বিনিয়োগ হয়েছে ৩৭ হাজার ৩১৭ কোটি টাকার কাছাকাছি। এর পরেই রয়েছে ওড়িশা। সেখানে নতুন বিনিয়োগের পরিমাণ ১১ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র ও কর্নাটক। লগ্নির পরিমাণ যথাক্রমে ৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ও ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। কর্নাটকের পরে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে লগ্নির পরিমাণ ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা। তার পরেই রয়েছে তেলঙ্গনা। সেখানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। তার পর রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ। বিনিয়োগের পরিমাণ যথাক্রমে ৪ হাজার ৯০০ কোটি এবং ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রকাশিত ওই রিপোর্টের তালিকায় প্রথম ১০ নেই তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গ। 

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ওই রিপোর্টেই (RBI Report) বলা হয়েছে, লগ্নি বৃদ্ধির কারণ ব্যবসা করার অনায়াস পরিস্থিতি, বিরাট ও ক্রমবর্ধমান বাজার এবং অবস্থান। ওপরের রাজ্যগুলিতে সেগুলি থাকায় বেড়েছে বিনিয়োগ। যোগী সরকার আবার ইউপি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট পলিসি ২০২০ ও ইউপি স্টার্টআপ পলিসি ২০২১ চালু করেছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসব কারণেই গুজরাটকেও ছাপিয়ে গিয়েছে যোগীর রাজ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Onion: পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ কেন্দ্রের

    Onion: পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোম্যাটোর দামের আঁচে হাত পুড়েছিল দেশবাসীর। পেঁয়াজের (Onion) দামও যাতে মধ্যবিত্তের হাতে ছ্যাঁকা না লাগায়, তাই পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে পেঁয়াজের জোগান বৃদ্ধি পাবে। অর্থনীতির সূত্র মেনে ভারসাম্য থাকবে চাহিদা ও জোগানের। ফলে দামও চলে যাবে না ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    পেঁয়াজের দাম

    পেঁয়াজের (Onion) দাম অবশ্য এখনও মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়নি। তবে সেপ্টেম্বরেই পেঁয়াজের দামের আঁচে ছ্যাঁকা লাগতে পারে। সেই কারণেই পেঁয়াজ রফতানিতে আরোপ করা হল ৪০ শতাংশ শুল্ক। এই বিধি জারি থাকবে চলতি বছরের শেষ দিন পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে মজুত রয়েছে তিন লক্ষ টন পেঁয়াজ। তাই রফতানি না হলে দাম খুব একটা বাড়ার কথা নয়। যদিও ১০ অগাস্ট পেঁয়াজের সর্বভারতীয় দর ছিল কেজি প্রতি ২৭.৯০ পয়সা। এ থেকেই মূল্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত পায় কেন্দ্র। কেননা গত বছর এই সময় পেঁয়াজের সর্বভারতীয় দর ছিল ২৫.৯০ পয়সা। তার পরেই দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্র। চাপানো হয় শুল্ক।

    শুল্কের দাওয়াই 

    আগামী বছর দেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে টোম্যাটো, পেঁয়াজের (Onion) মতো নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির দাম বেড়ে বেড়ে যাক, তা চাইছে না কেন্দ্র। কিছুদিন আগেই টোম্যাটোর দাম পৌঁছে গিয়েছিল কেজি প্রতি দুশোর ঘরে। নেপাল থেকে টোম্যাটো আমদানি করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। ভর্তুকিও দেয়। তবে ভর্তুকিযুক্ত দামে টোম্যাটো বিক্রি হলেও, চাহিদার তুলনায় তা কম। টোম্যাটোর দামে রাশ টানতে ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন ও ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশনকে পাইকারি বাজারে টোমাট্যো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রির নির্দেশও দিয়েছে কেন্দ্র। স্বাধীনতা দিবস থেকেই পাইকারি বাজারে টোম্যাটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। তার জেরে ইদানিং টোম্যাটোর দাম চলে এসেছে মধ্যবিত্তের নাগালে। ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই লাল আনাজ। টোম্যাটোর পর ফের যাতে পেঁয়াজের (Onion) ঝাঁঝে চোখের জল ফেলতে না হয় মধ্যবিত্তকে, তাই শুল্কের দাওয়াই প্রয়োগ কেন্দ্রীয় সরকারের।

    আরও পড়ুুন: তদন্ত চলাকালীন পদত্যাগ ডিনের, যাদবপুরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    RSS: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে পথে নামছে আরএসএস (RSS) অনুমোদিত ভারতীয় কিষান সংঘ। দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামবে তারা। ভারতীয় কিষান সংঘ স্থির করেছে, সাধারণ নির্বাচনের আগে এক কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে। এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে সংগ্রহ করা হবে ওই পরিমাণ সদস্য।

    কৃষকদের কাছে পৌঁছনো

    কিষান সংঘের এক কর্তার অবশ্য দাবি, এর সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সঙ্গে সাধারণ নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা আমাদের কাজ করি। আমাদের কাজই হল কৃষকদের কাছে পৌঁছনো, তাঁদের উদ্বেগের কথা জেনে সরকারের কাছে তুলে ধরা। সেটা কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয় সরকারের কাছেই।” জানা গিয়েছে, সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে।

    লক্ষ্য লক্ষ গ্রাম

    চলবে আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত। কিষান সংঘের (RSS) তরফে দীনেশ কুলকার্নি বলেন, “সংগঠনের লক্ষ্যই হল অন্তত এক লক্ষ গ্রামে যাওয়া। এই গ্রামগুলির এক কোটিরও বেশি বাসিন্দার কাছে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এঁদের ভারতীয় কিষান সংঘের সদস্য করা হবে।” তিনি বলেন, “মোদি সরকার যেসব কল্যাণমূলক পদক্ষেপ করেছে, সেগুলি তুলে ধরা হবে তাঁদের সামনে। এর পাশাপাশি কিষান সংঘ কৃষকদের জন্য কী কী কাজ করেছে, তাও তুলে ধরা হবে।” কোভিড অতিমারির আগেও এই ধরণের অভিযান হয়েছিল বলে মনে করিয়ে দেন কুলকার্নি। তিনি বলেন, “ভারতে সাড়ে ৬ লক্ষ রেভেন্যু গ্রাম রয়েছে। আমাদের অভিযানের লক্ষ্যই হল এই গ্রামগুলির কৃষকদের সঙ্গে সংগঠনের যোগসূত্র স্থাপন করা।” তিনি বলেন, “আমরা বিশেষত পঞ্জাবের কৃষকদের কাছে পৌঁছতে চাইছি।”

    আরও পড়ুুন: তদন্ত চলাকালীন মাঝ পথে পদত্যাগ ডিনের, যাদবপুরকাণ্ডে ঘনাচ্ছে রহস্য

    আরএসএসের (RSS) এক কর্তা বলেন, “আমাদের লক্ষ্যই হল প্রত্যন্ততম গ্রামের কৃষকটির কাছেও পৌঁছে যাওয়া। কৃষক সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরতে আমরা প্রতিবাদ করে চলেছি। স্মারকলিপিও দিয়েছি। গ্রামাঞ্চলে তাঁদের সমস্যা তুলে ধরতে আমরা তরুণ কৃষকদের কিষান সংঘের সদস্য করার চেষ্টা করছি। সদস্য সংগ্রহ অভিযানের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে স্থানীয় ইউনিটগুলি।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • INDIA: ছত্তিশগড়ের সভায় কংগ্রেসকে নিশানা আপ সুপ্রিমোর, ভাঙনের পথে ‘ইন্ডিয়া’?

    INDIA: ছত্তিশগড়ের সভায় কংগ্রেসকে নিশানা আপ সুপ্রিমোর, ভাঙনের পথে ‘ইন্ডিয়া’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির দশা চলছে ‘ইন্ডিয়া’য় (INDIA)? ‘ইন্ডিয়া’র সদস্যদের নিষেধ না শুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তা নিয়ে সংগঠনের অন্দরেই হয়েছিল গুঞ্জন। এবার ফের কাদা ছোড়াছুড়ি হল কংগ্রেস এবং আপের। ‘ইন্ডিয়া’য় রয়েছে এই দুই রাজনৈতিক দলই। তার জেরেই উঠছে প্রশ্ন, ‘ইন্ডিয়া’র আয়ু আর কতদিন?

    ‘ইন্ডিয়া’

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। পূর্বতন ‘ইউপিএ’ নাম বদলে নয়া নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’। এই ‘ইন্ডিয়া’য় যেমন আপ রয়েছে, তেমনি রয়েছে কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের পাশাপাশি রয়েছে শারদ পাওয়ারের এনসিপি। এই ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরেই এবার ফের অশান্তির আগুন। দোরগোড়ায় ছত্তিশগড় বিধানসভার নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারে সে রাজ্যে গিয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ছত্তিশগড়ের রাশ রয়েছে কংগ্রেসের হাতে।

    কেজরির নিশানায় কংগ্রেস

    সেখানে রায়পুরের ভরা জনসভায় কেজরিওয়াল বলেন, “আমি (INDIA) একটা রিপোর্ট পড়েছিলাম যেখানে ছত্তিশগড়ের সরকারি স্কুলগুলির বেহাল দশার উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার একাধিক স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। এমনও অনেক স্কুল রয়েছে, যেখানে ১০টি ক্লাস রয়েছে, কিন্তু শিক্ষক একজন। অনেক শিক্ষকই ভাল বেতন পান না। তিনি বলেন, দিল্লির সরকারি স্কুলগুলি দেখুন বা দিল্লিতে থাকা আত্মীয়দের জিজ্ঞাসা করুন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এমন সরকার ক্ষমতায় এসেছে যে শিক্ষা ক্ষেত্রে এত কিছু করেছে। আপ ক্ষমতায় এলে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনা পয়সায় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন কেজরিওয়াল। এদিনের সভায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা ভগবন্ত মান।

    আরও পড়ুুন: পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে খেজুরিতে ফের সভা, ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

    কেজরিওয়ালের এহেন মন্তব্যে বেজায় চটেছে কংগ্রেস (INDIA)। হাত শিবিরের নেতা পবন খেরা বলেন, “দিল্লির সরকারের সঙ্গে ছত্তিশগড় সরকারের তুলনা টানার কী প্রয়োজন? যদি তুলনা করতেই হয়, তবে পূর্ববর্তী রমন সিং সরকারের সঙ্গে তুলনা করুন। আপনি নিজের পছন্দ মতো কোনও একটি ক্ষেত্র বেছে নিন। তারপর দিল্লিতে কংগ্রেস সরকার আর আপনার সরকারের কাজের মধ্যে তুলনা করা হোক। বিতর্ক করতে আপনি প্রস্তুত?” প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, নানা বিষয়ে একাধিকবার অশান্তি হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শাহ-নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হল  জানেন?

    PM Modi: শাহ-নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হল  জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর কয়েকদিন মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ধসের জেরে বিধ্বস্ত হিমাচল প্রদেশ। প্রাণহানি, বাড়িঘর ভেঙে পড়া, রাস্তাঘাট চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মার খেয়েছে পর্যটন শিল্পও। পুরো পরিস্থিতিকে ‘রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়’ বলে ঘোষণা করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।

    উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী

    হিমাচল প্রদেশের বিপর্যয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। প্রকৃতির রোষে বিধ্বস্ত এই রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে শনিবার বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, রবিবার হিমাচল প্রদেশের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে যাবেন নাড্ডা। এদিনের বৈঠকে শাহের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী বিশদে জানতে চান হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে।

    শাহকে তদারকি করার নির্দেশ

    প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এই দুই রাজ্যে ত্রাণ বিলি ও উদ্ধারকাজে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে শাহকে তদারকি করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলার পরামর্শও তিনি দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। রবিবার হিমাচলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবেন নাড্ডা। এদিনের বৈঠকের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে। চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই ভোট হবে মধ্যপ্রদেশ, মিজোরাম, রাজস্থান, ছত্তিশগড় এবং তেলঙ্গনায়। এর মধ্যে দুটি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। পাঁচ রাজ্যের রশিই যাতে বিজেপির হাতে আসে, তাই চেষ্টার কসুর করছেন না পদ্ম-নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুুন: পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে খেজুরিতে ফের সভা, ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

    তাই এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী কৌশল কী হবে, তা নিয়েও আলোচনা করেন। রবিবার মধ্যপ্রদেশ যাচ্ছেন শাহ। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনেও যাতে গত বারের চেয়ে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফেরা যায়, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করেছেন শাহ ও নাড্ডা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jadavpur University: যাদবপুরে ছাত্র-মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি! জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

    Jadavpur University: যাদবপুরে ছাত্র-মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি! জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব়্যাগিংয়ের সঙ্গে সঙ্গেই এবার যাদবপুরে উঠল ‘তোলাবাজির’ অভিযোগ। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন থেকে মেইন হস্টেলে ‘তোলাবাজি’ চালিয়ে গিয়েছেন সিনিয়ররা। যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় (Jadavpur University Student Death) এখনও পর্যন্ত প্রাক্তনী ও বর্তমান পড়ুয়া নিয়ে মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে শুক্রবার রাতে তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ (police custody)। শনিবার তাঁদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সেখানে বিচারক অভিযুক্তদের আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে করানো হোক। এই দাবি জানিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। যাদবপুরেরই এক প্রাক্তনী মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে করানো হোক। শুধু সিবিআই নয়, তদন্তে যুক্ত করা হোক এনআইএ ও এনসিবিকেও। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ তদন্ত করছে ঠিকই, কিন্তু অনেক ধীর গতিতে। এছাড়াও তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগও তুলেছেন যাদবপুরের ওই প্রাক্তন পড়ুয়া। তিনি বলেন, সিবিআই তদন্ত করলে তাড়াতাড়ি মৃত্যু রহস্যের (Jadavpur Student Death Case) কিনারা হবে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    তোলাবাজির অভিযোগ

    পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত সৌরভ চৌধুরী ও তাঁর গ্যাং হস্টেলের মধ্যে নবাগতদের থেকে টাকা তুলত। ‘তোলাবাজি’ চলত ডিজিটাল কায়দায়। টাকা পেলেই শুরু হতো মোচ্ছব। পুলিশ সূত্রে খবর, কোথাও সিনিয়ররা খাওয়া-দাওয়া করলে সেখানে ডিজিটাল পেমেন্ট করতে বলা হতো নবাগতদের।

    আরও পড়ুন: ‘‘পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে মিলেছে ‘মানি ট্রেল’-এর সন্ধান’’! সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই

    কুৎসিত ইঙ্গিত যাদবপুর-কাণ্ডে ধৃতের

    যাদবপুর কাণ্ডের তদন্তে ১১ অগস্ট প্রথমে গ্রেফতার করা হয় সৌরভ চৌধুরীকে। তারপর গ্রেফতার করা হয় দীপশেখর দত্ত, মনোতোষ ঘোষকে। ১৬ অগস্ট গ্রেফতার করা হয় সপ্তক কামিল্যা, অসিত সর্দার, মহম্মদ আরিফ, সুমন নস্কর, অঙ্কন সর্দার, মহম্মদ আসিফ আজমল নামে ৬ পড়ুয়াকে। এরইমধ্যে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করা হয় শেখ নাসিম আক্তার, হিংমাশু কর্মকার, সত্যব্রত রায়কে। গ্রেফতারির সময়ে সত্যব্রতর একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, সত্যব্রত মুখ ঢাকা অবস্থায় মধ্যমা দেখাচ্ছেন সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরাগুলিতে। সত্যব্রত কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের বর্তমান ছাত্র৷ বাড়ি নদীয়ার হরিণঘাটায়৷ জানা গিয়েছে, ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার আগে সেদিন রাতে তাঁর ফোন থেকেই ডিন অফ আর্টসের ফোনে ফোন গিয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: এআই-প্রযুক্তির ব্যবহারে ভারতে তৈরি হচ্ছে ভাষা অনুবাদক ‘ভাষিণী’, এনিয়ে কী বললেন মোদি?

    Digital India: এআই-প্রযুক্তির ব্যবহারে ভারতে তৈরি হচ্ছে ভাষা অনুবাদক ‘ভাষিণী’, এনিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশই আমরা এগিয়ে চলেছি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর যুগে। এআই-কে ব্যবহার করে ভারত তৈরি করছে ‘ভাষিণী’, যা সমস্ত আঞ্চলিক ভাষার একটি উন্নত অনুবাদক অ্যাপ হিসেবে কাজ করবে আগামী দিনে। এ নিয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের সমাজের প্রতিটি স্তরে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে (Digital India) পৌঁছে দিতে এই নতুন উদ্যোগ।’’ 

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ফিচার! ৬০ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তা পাঠানো যাবে এবার

    জি-২০ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এদিনই তিনি বক্তব্য রাখেন জি-২০ সম্মেলনে। ‘ডিজিটাল ইকনোমিক মিনিস্টারস মিটিং’’-এ তিনি আরও বলেন, ‘‘ডিজিটাল ব্যবস্থার (Digital India) উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতবর্ষে আদর্শ পরিবেশ রয়েছে। কারণ এখানে বিশ্বের মধ্যে সবথেকে কম দামে ডেটা পাওয়া যায়।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘‘ভারতবর্ষে বর্তমানে ৮৫ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছেন, যাঁরা পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে কম দামে ডেটা ব্যবহার করেন।’’

    আরও পড়ুন: প্রতিবারে ৫০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে ইউপিআই লাইটে, লাগবে না পাসওয়ার্ড

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া (Digital India)

    প্রধানমন্ত্রী এদিন ব্যাখ্যা করেন যে কীভাবে আমাদের দেশের প্রযুক্তি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুফল দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ডিজিটাল পরিচয়ের (Digital India) প্ল্যাটফর্ম আধার পৌঁছেছে ১৩০ কোটি মানুষের কাছে। জনধন অ্যাকাউন্ট, আধার কার্ড এবং মোবাইল এই তিনটির দ্বারা ভারতবর্ষে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিপ্লব এসেছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা প্রযুক্তিভিত্তিক একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাইছি, যা যেকোনও সমস্যার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাকবে সর্বদা। এর জন্য আমাদের দরকার ‘ফোর-সি’ কনভিকশন (প্রত্যয়), কমিটমেন্ট (সংকল্প), কো-অর্ডিনেশন (সমন্বয়) এবং কোলাবোরেশন (সহযোগিতা)। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন আরও বলেন, ‘‘এদেশে আঞ্চলিক ভেদে অসংখ্য ভাষা রয়েছে। কয়েক ডজন ভাষার বৈচিত্র্যময় দেশ এই ভারত ভূমি। আমাদের দেশ সদা প্রস্তুত রয়েছে বিশ্বের সঙ্গে জ্ঞান এবং নতুন নতুন চিন্তাধারা বিনিময়ের জন্য। ভারতের প্রাচীন সভ্যতা থেকে বর্তমানের আধুনিক প্রযুক্তি (Digital India), সবটাই রয়েছে সকলের জন্য।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Municipality Recruitment Scam: ‘‘পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে মিলেছে ‘মানি ট্রেল’-এর সন্ধান’’! সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই

    Municipality Recruitment Scam: ‘‘পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে মিলেছে ‘মানি ট্রেল’-এর সন্ধান’’! সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Recruitment Scam) মামলায় মানি ট্রেল অর্থাৎ ঘুষের টাকা কোন হাত ঘুরে কার হাতে পৌঁছেছে, তার হদিশ পেয়েছে সিবিআই। শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্টে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়েই পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। এরপর আদালতের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সিবিআই। 

    তদন্তের স্বার্থে এখনই নথি প্রকাশ্যে নয়

    স্কুলের পাশাপাশি পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতেও (Municipality Recruitment Scam) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই তদন্তের বিরোধিতা করে নতুন করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সিবিআই, ইডি অবশ্য ইতিমধ্যেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আইনজীবী এসভি রাজু জানিয়েছেন, এই দুর্নীতিতেও ঘুষের টাকা হাতবদল হয়ে কার কার কাছে পৌঁছেছে (মানি ট্রেল), তদন্তে তা স্পষ্ট হয়েছে। তদন্তকারীরা এই সংক্রান্ত প্রামান্য নথিও হাতে পেয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে সেই নথি এখনই আদালতে পেশ করা সম্ভব নয়। তদন্ত শেষ হলেই চার্জশিট দায়ের করা হবে।  সোমবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: কলকাতার বুকে বুলডোজার চালিয়ে ভাঙা হল বিজেপি নেতার বাড়ি, অভিযুক্ত শাসক দল

    পুর নিয়োগে প্রায় ২০০ কোটির দুর্নীতির (Municipality Recruitment Scam)  অভিযোগ ওঠে। স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া প্রোমোটার অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাশির সময়ে পুরসভার নিয়োগে অনিয়ম সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি জানিয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে ইডি-র দাবি ছিল, ১০০ কোটি টাকারও বেশি লেনদেনের তথ্য মিলেছে। অয়নের সংস্থাকে দিয়ে পুরসভায় ‘গ্রুপ ডি’ পদে বহু বেআইনি নিয়োগ হয়েছিল, বলে অভিযোগ। রাজ্যের তরফে এই মামলায় শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন কপিল সিব্বল। তিনি দাবি করেন, শিক্ষা থেকে পুরসভা সব দুর্নীতির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার স্বতঃ প্রণোদিত তদন্ত করার প্রবণতা ঠিক নয়। দুর্নীতি হলে রাজ্যের পুলিশ সেটা খতিয়ে দেখতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup: এশিয়া কাপের দল বাছাই! সোমবার নির্বাচক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন রোহিত

    Asia Cup: এশিয়া কাপের দল বাছাই! সোমবার নির্বাচক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন রোহিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শেষেই শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপের (Asia Cup 2023) আসর। ২১ অগাস্ট সেই এশিয়া কাপের জন্যই দল ঘোষণা করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। আগামী সোমবার নির্বাচকমণ্ডলীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন রোহিত শর্মা। সূত্রের খবর, এশিয়া কাপের দল বাছাই নিয়ে অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলীর সঙ্গে বিসিসিআইয়ের অফিসে বৈঠকে বসবেন ভারত অধিনায়ক।

    এশিয়া কাপের প্রস্তুতি

    আগামী ৩০ অগাস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে এবারের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2023)। সেখানেই ২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নামতে চলেছে টিম ইন্ডিয়া। সেই ম্যাচ ঘিরে যে এখন থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই মুহূর্তে সকলেই প্রায় এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করে দিয়েছে। শুধুমাত্র ভারত এবং শ্রীলঙ্কাই বাকি ছিল দল ঘোষণা করার জন্য। সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ২১ অগাস্টই এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষণা করতে চলেছে বিসিসিআই। শ্রীলঙ্কা (Srilanka) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মাটিতে এবার এশিয়া কাপ আয়োজিত হবে। এশিয়ার প্রতিটি দলের কাছেই এই টুর্নামেন্ট ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। অক্টোবরে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ সুযোগ। ভারতীয় দল এই মুহূর্তে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে। সেখানে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররা কেউই যাননি। বিশ্রামে আছেন মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজের মতো তারকা অভিজ্ঞ পেসাররাও। নতুনদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের জন্য দল বাছাইয়ের আগে সবাইকে দেখে নিতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট। 

    আরও পড়ুন: শ্যুটিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ানশিপে তুরস্ককে হারিয়ে সোনা জয় ভারতীয় জুটির

    রোহিতের সঙ্গে বৈঠক

    উল্লেখ্য, এশিয়া কাপে (Asia Cup 2023) অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল তিনটি দলই তাঁদের দল ঘোষণা করে ফেলেছে। বিশ্বকাপের জন্য প্রাথমিক দল বেছে নিয়েছে ইংল্য়ান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মত খেতাব জয়ের অন্যতম দাবিদার ২ দেশ। এই পরিস্থিতিতে এখনও এশিয়া কাপের জন্যই দল বেছে নেয়নি বিসিসিআই। রোহিতের সঙ্গে বৈঠকের পরই হয়ত চূড়ান্ত স্কোয়াড বাছাই হবে। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছেন জসপ্রীত বুমরা। চোটের জন্য দলের বাইরে রয়েছেন লোকেশ রাহুল ও শ্রেয়স আইয়ার। এই মুহূর্তে তারা সুস্থ হয়ে উঠলেও এশিয়া কাপের দলে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। তবে লোকেশ রাহুলের ফেরা নিয়ে অনেকেই আশাবাদী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share