Tag: bangla news

bangla news

  • Durand Cup: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    Durand Cup: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) প্রথম ম্যাচেই জয় পেল মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে। বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বলে শট মেরে ডুরান্ড কাপের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের ৯০ মিনিট কার্যত মাঠ দাপিয়ে বেড়াল মোহনবাগানের তরুণ দল। এবার বাগান যে দল সাজিয়েছে, তাতে সিনিয়র ফুটবলার রয়েছেন মাত্র তিনজন। তরুণ দলের দাপটে কার্যত দিশেহারা দেখাচ্ছিল বাংলাদেশ আর্মিকে। গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় ব্যবধানে জয় পেত মোহনবাগান। বাগান জয়ী হতেই বর্ষার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সবুজ মাঠ ভরে উঠল সবুজ-মেরুন আবিরে।

    বাগানের তিন অভিজ্ঞ ফুটবলার

    এদিন বাগানের তিন অভিজ্ঞ ফুটবলার সুমিত রাঠি, লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংয়ের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করেন সুহেল ভট্ট, রবি রানারা। গোল করেন লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিং, সুহেল ভাট, হামতে এবং কিয়ান নাসিরি। এদিন নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাস খেলে বাংলাদেশ আর্মিকে ধরাশায়ী করেন বাগানের (Mohun Bagan) ফুটবলাররা। খেলা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। ডানদিক থেকে একটি গ্রাউন্ড ক্রস শটে ১-০ গোলে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। লিস্টনকে ক্রসটা বাড়িয়েছিলেন রবি।

    গোলের সুযোগ হাতছাড়া 

    এর ঠিক তিন মিনিটের মাথায় আরও একটি গোল দিতে পারত মোহনবাগান। সুহেলের শট গোলপোস্টে ধাক্কা লেগে ফিরে আসায় গোলটি হয়নি। ২৮ মিনিটের মাথায় লালরিনলিয়াঙ্কাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ট্যাকল করে বাংলাদেশ আর্মির ডিফেন্ডাররা। তার জেরে পেনাল্টি পেয়ে যায় বাগান। সেই পেনাল্টি শট থেকেই দলের স্কোর ২-০ করে দিলেন মনবীর। পরে আরও একটি গোল করেন সুহেল। তাঁকে পাস দিয়েছিলেন লিস্টন।

    আরও পড়ুুন: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    দ্বিতীয়ার্ধেও দাপিয়ে বেড়ালেন বাগানের (Mohun Bagan) খেলোয়াড়রা। ৫৮ মিনিটের মাথায় লিস্টনের থেকে বল পেয়ে দলের স্কোর ৪-০ করে দিলেন হামতে। ৭৫ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক পায় বাগান। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। শেষমেশ ৮৯ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশ আর্মির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন কিয়ান নাসিরি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা যতই জোটের জুজু দেখাক, আর যতই হইচই করুক, ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী।” বৃহস্পতিবার দিল্লি বিল নিয়ে আলোচনার সময় এই কথাগুলিই বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “দিল্লি বিল একবার পাশ হয়ে গেলে আম আদমি পার্টি আর জোটে থাকবে না।” বিরোধী সাংসদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দিল্লির কথা ভাবুন, জোটের কথা নয়।” শাহ বলেন, “দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদিই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এই বিলের পরে আপনাদের জোট যেভাবেই হোক ভেঙে যাবে। কেজরিওয়াল আপনাদের বিদায় জানাবেন।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিরোধীরা কেবল তাদের জোট নিয়ে চিন্তা করে, দেশ নিয়ে নয়। আমার ভাল লেগেছে যে এতদিন পর আলোচনা হচ্ছে। সংসদে ৯টি বিল পাশ হয়েছে। বিরোধীরা অংশ নেননি…তাঁরা দেশের কথা চিন্তা করেন না, কেবলমাত্র তাঁদের জোটের কথা চিন্তা করেন…।”

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজধানী দিল্লি সম্পর্কিত যে কোনও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের রয়েছে। আর তার জন্যই আমলা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সটি সরকারের তরফে জারি করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে সংবিধানকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।” শাহ বলেন, “দিল্লির আপ সরকার দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হোন। ২০১৫ সালে আপ সরকার ক্ষমতায় আসে। দিল্লিবাসীকে পরিষেবা নয়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করাই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সেই সঙ্গে ভিজিল্যান্স বিভাগকে কবজায় রাখার লক্ষ্যও ছিল।”

    আরও পড়ুুন: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “বাংলো তৈরির মতো দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ভিজিল্যান্সকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছিল কেজরিওয়াল সরকার। তাই জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, বিআর আম্বেদকরের মতো নেতারা দিল্লিকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা হতাশাগ্রস্ত। তাঁরা আপনাদের ফাঁদে ফেলতে চাইবে। কিন্তু কোনও অবস্থায়ই বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না।” বুধবার এনডিএর (NDA) সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিতর্কিত বিষয় ও মন্তব্য থেকে তাঁদের দূরে থাকার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    লোকসভা নির্বাচনে গতবারের চেয়েও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। তাই এনডিএর সদস্য ১১টি দলের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তিনি। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন ৪৩০ জন সাংসদের সঙ্গে। প্রথম বৈঠকটি হয়েছে ৩১ জুলাই। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রথম দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলা, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের সাংসদরা। আর বুধবারের বৈঠকে (PM Modi) উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গনা, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, কেরালা, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরের সাংসদরা।

    বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ

    গত কয়েক বছরে বিজেপির কয়েকজন নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। তার জেরে বিপাকে পড়তে হয়েছে দলকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তাই আগেভাগে সাংসদদের সতর্ক করে দিলেন মোদি। বিজেপি এবং এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রচারের সুরও বেঁধে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। প্রথম দিনের বৈঠকেই তিনি সাংসদদের জানিয়েছিলেন, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ কিংবা রাম জন্মভূমির মতো জাতীয় বিষয় নিয়ে প্রচার করতে হবে না। প্রচারের মূল সুর হবে জনগণের মানোন্নয়নে বিভিন্ন রাজ্যে মোদি সরকার কী কী কাজ করেছে, তার ফিরিস্তি। এর পাশাপাশি করতে হবে বিরোধীদের শানিত আক্রমণ। বিজেপি বিরোধী ২৬ দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে প্রচারের হাতিয়ার কী হবে, তাও বলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    প্রথম বৈঠকে তিন তালাক বাতিলের প্রসঙ্গটিকে প্রচারের হাতিয়ার করতে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পরের বৈঠক হয়েছে ১ অগাস্ট। এই বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’র মোকাবিলায় ইউপিএ সরকারের আমলের দুর্নীতিগুলিকে হাতিয়ার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। এর পরের বৈঠক হবে ৮ অগাস্ট। সেদিন উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও গোয়ার ৭৬ জন সাংসদ। তার পরের দু দিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দমন-দিউ এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংসদদের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Militant: আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে গুজরাটে গ্রেফতার বাংলার তিন যুবক, হতবাক এলাকাবাসী

    Militant: আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে গুজরাটে গ্রেফতার বাংলার তিন যুবক, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল কায়দা জঙ্গি (Militant) সন্দেহে গুজরাটে গ্রেফতার বাংলার তিন যুবক। ধৃতদের মধ্যে দুজন বর্ধমান এবং একজন তারকেশ্বরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। রাজকোটের সোনিবাজার থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা। ধৃতদের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল এবং ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম শইফ নামাজ এবং আব্দুল শুকুর। পাড়ার ছেলের সঙ্গে জঙ্গিযোগ জেনে এলাকার মানুষরা হতবাক হয়ে পড়েছেন।

    কী বললেন শইফ নামাজের পরিবারের লোকজন?

    এদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে কালনা থানার আংগারসোন এলাকায় শইফ নামাজের বাড়িতে পৌঁছে দেখা গেল, বাড়িতে তার মা-বাবা দুজনেই রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। মা-বাবা দুজনেই এদিন বলেন, আমাদের ছেলে কোনওরকমভাবেই জঙ্গি (Militant) কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত নয়। আমাদের ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। শুধু আমরা বলছি না, প্রতিবেশী সকলেই বলছে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় সে। কেন তাকে গ্রেফতার করা হল আমরা বুঝতে পারছি না। শইফ কেমন ছেলে তা এলাকার মানুষ জানেন। আমরা এই ঘটনা কোনওভাবে মেনে নিতে পাচ্ছি না।

    আব্দুল শুকুরকে নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    মগজ ধোলাই করে নতুনদের জঙ্গি (Militant) সংগঠনে টানত নাদনঘাটের ঘোলা গ্রামের আব্দুল শুকুর। গুজরাট এটিএস তাকে গ্রেফতার করার পর একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গ্রামে সে ভালো ছেলে হিসাবে পরিচিত হলেও তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। গ্রামে কারও সঙ্গে এসে তেমনভাবে মিশতো না। প্রয়োজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলত না। তবে গুজরাট থেকে ঘরে এলে সে নিয়ম করে মসজিদে যেত। পরিবারের লোকজনদের নিয়ম করে মসজিদে যাওয়ার  নির্দেশও দিয়েছিল। বাড়িতে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করত। কাজের মধ্যেও সে সব সময় ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক তৈরি দেখতো। গ্রামের বাসিন্দারা বলছেন, সব সময় চুপচাপ থাকা ছেলেটা আলকায়েদা জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে এমনটা  ভাবাই যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata on EVM Hacking: চব্বিশে ফিরছেন মোদি-ই! আঁচ করেই কি মমতার মুখে ফের ‘ইভিএম হ্যাক’ তত্ত্ব?

    Mamata on EVM Hacking: চব্বিশে ফিরছেন মোদি-ই! আঁচ করেই কি মমতার মুখে ফের ‘ইভিএম হ্যাক’ তত্ত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন (2024 Loksabha Polls) হতে এখনও প্রায় ৮ মাস বাকি। তার আগে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের মোকাবিলা করতে ঘটা করে গতমাসে ‘ইন্ডিয়া’ জোট গড়েছে ২৬টি বিরোধী দল— যার অন্যতম সদস্য হলো তৃণমূল কংগ্রেস। সেই দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটা করে বলেছিলেন যে, এই ‘ইন্ডিয়া’ নামটা নাকি তাঁরই দেওয়া, যা কি না সকলের মনে ধরেছে। গঠনের সময় বিরোধীরা ঠিক করেছিল, যে মোদিকে যেনতেন ভাবে নির্বাচনী ময়দানে রুখতে হবে। যার প্রথম ধাপ হবে সংসদ থেকে। অর্থাৎ, কিনা সংসদে মোদি সরকারের আনা কোনও বিল ও প্রস্তাব যাতে পাশ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য সকল বিরোধী ঐক্যবদ্ধ ভাবে ‘মোদি-বিরোধিতা’য় সামিল হবে। 

    বিরোধীদের দুই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার

    কিন্তু, এক পক্ষকালও পার হয়নি, বিরোধীদের সেই রঙিন স্বপ্নের ফানুস ইতিমধ্যেই আছাড় খেয়ে মাটিতে লুটোপুটি খেতে শুরু করে দিয়েছে। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে, বিরোধীরা দুটি ইস্যুকে হাতিয়ার করবে বলে বেছে রেখেছিল। এক, মণিপুর ইস্যুকে হাতিয়ার করে মোদির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে। দুই, দিল্লি পরিষেবা অধ্যাদেশ বিল রুখতেই হবে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে সংসদে। গৃহীতও হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই নিয়ে আলোচনা-বিতর্ক এবং ভোটাভুটি হওয়ার কথা। ঠিক একইভাবে, সংসদে সরকারের তরফে পেশ করা হয়েছে দিল্লি অধ্যাদেশ (সংশোধনী) বিল। 

    সংসদে কোনটা পাশ করবে, আর কোনটা আটকে যাবে— তা নির্ভর করে সংখ্যাতত্ত্বের ওপর। সংখ্যাতত্ত্ব অর্থাৎ, কক্ষে কোন পক্ষের সংখ্যা কত? বা বলা ভালো, কোন পক্ষ কতটা শক্তিশালী? যেদিন ‘ইন্ডিয়া’ জোট তাদের প্রথম বৈঠক করল, তার এক সপ্তাহ পরই, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট তাদের শক্তিপ্রদর্শন করে। বিরোধীদের যেখানে ২৬টি দলের সমর্থন ছিল, সেখানে নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন দিতে এগিয়ে আসে ৩৯টি দল। এর পরই বিরোধীদের ফানুস ফেটে যায়। যে কারণে, বিরোধীদের তরফে থেকে বলতে শুরু করে দেওয়া হয় যে, ‘‘অনাস্থা যে পাশ হবে না, তা জানা ছিলই। আমরা চাই, যাতে মোদি সংসদে বলুন।’’

    লোকসভায় এনডিএ-র ধারেকাছে নেই বিরোধীরা

    কেন বিরোধীদের এই মতবদল? এর উত্তর লুকিয়ে সেই সংখ্যাতত্ত্বে। এবার এক নজরে দেখে নেওয়া বর্তমান সংখ্যাতত্ত্ব ঠিক কী বলছে। প্রথমে আসা যাক দুই কক্ষ-বিশিষ্ট সংসদের নিম্ন কক্ষ অর্থাৎ লোকসভার প্রসঙ্গে। যেখানে উঠতে চলেছে অনাস্থা ইস্যু। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় সংখ্যা গরিষ্ঠতার জন্য দরকার ২৭২ আসনের। বর্তমানে লোকসভায় বিজেপির একারই সাংসদ সংখ্যা ৩০১। ফলে, বিজেপি একাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে। পুরো এনডিএ জোট ধরলে সংখ্যাটা ৩৩২।

    এছাড়া, শাসক জোটের সঙ্গী না হওয়া সত্ত্বেও নবীন পট্টনায়েকের বিজেডি ও জগন রেড্ডির ওয়াইএসআর মোদি সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। লোকসভায় বিজেডির ১২ ও ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ২২ জন সাংসদ রয়েছেন। এই সংখ্যাটা এনডিএ-র সঙ্গে যুক্ত হলে তা ৩৬৬-তে পৌঁছে যায়। এরপরেই চন্দবাবু নাইচুর সমর্থনের কথাও জানা যাচ্ছে। তার সদস্য রয়েছেন তিনজন। ফলে, ৩৭০-এর আশেপাশে। অন্যদিকে, বিরোধীদের কত সংখ্যা হলো, এটার পর সেই নিয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    রাজ্যসভাতেও সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিত এনডিএ

    এতো গেল লোকসভার কথা। কিন্তু, কোনও বিলকে আইনে রূপান্তর করাতে হলে, তাকে দুকক্ষেই পাশ হতে হবে। ফলে, এবার দেখে নেওয়া যাক সংসদের উচ্চকক্ষ অর্থাৎ রাজ্যসভার দিকে। যেমন, দিল্লি অধ্যাদেশ বিল লোকসভায় তো বটেই, রাজ্যসভাতেও পাশ করানোর বিষয়ে আশাবাদী কেন্দ্র। রাজ্যসভায় বিজেপি ও তাদের সহযোদীদের ১০৫ জন সদস্য রয়েছেন। এর সঙ্গে, পাঁচ মনোনীত সদস্যের ভোট পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি তথা এনডিএ। এছাড়া, এক্ষেত্রেও, বিজেডি ও ওয়াইএসআর কংগ্রেসকে পাশে পাচ্ছে বিজেপি। তাদের রয়েছে ৯ সাংসদ। সমর্থন জানাচ্ছে অন্ধ্রের আরেক দল চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপি। তাদের রয়েছে একটি আসন। এর পরে, যদি নির্দল সাংসদরা সমর্থন জানান এনডিএ-কে, তাহলে সংখ্যা ১৩০ ছাড়িয়ে যাবে। ২৪৫-আসনের রাজ্যসভায় সাতটিআসন ফাঁকা রয়েছে। ফলে, বর্তমান ২৩৮ আসনের বিচারে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮-১২০।

    এখন থেকেই হারের ‘অজুহাত’ খোঁজা শুরু বিরোধীদের?

    এই দুই ইস্যু হাতছাড়া হয়ে গেছে বুঝতে পেরেই এখন থেকেই প্রমাদ গুণতে শুরু করে দিয়েছে বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ জোট। আগামী ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনেও (2024 Loksabha Polls) যে মোদির জয়ধ্বজ অব্যাহত থাকবে, তা টের পেয়ে গিয়েছেন জোটের ‘হুজ হু’-রা। সেই কারণেই এখন থেকে হারের বিভিন্ন ‘অজুহাত’ খুঁজতে বেরিয়ে পড়েছেন ‘ইন্ডিয়া’-জোটের কাণ্ডারিরা। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ বৃহস্পতিবারই দেখিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata on EVM Hacking)। ফের একবার তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে ‘ইভিএম হ্যাক’-এর তত্ত্ব— যা বিরোধীদের অত্যন্ত পছন্দের অজুহাতের অন্যতম। এদিন নবান্ন থেকে মমতা বলেছেন, ‘‘ওরা (বিজেপি) এখন থেকেই নানা পরিকল্পনা করছে। ইলেক্ট্রিক মেশিন (ইভিএম) হ্যাক করার নানারকম ব্যবস্থা করছে। আমাদের কাছে খবর এসেছে। কিছু প্রমাণ পেয়েছি। কিছু খুঁজছি। ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে আলোচনা হবে।’’ 

    লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha Polls) ৮ মাস আগেই কি তাহলে হার মেনে নিলো মমতার ‘ইন্ডিয়া’!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, সংখ্যালঘুরা আর তৃণমূলকে ভোট দেবেন না। তাই নানারকম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।” বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধিবেশন শেষে এই ভাষায়ই মমতাকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যেহেতু সংখ্যালঘু ভোট তাঁর সঙ্গে নেই, তাই লোকসভা নির্বাচনের আগে মমতা ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন বলেও মনে করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, সংখ্যালঘু ভোট তাঁর সঙ্গে নেই। প্রথমে বালিগঞ্জ কিছুটা বুঝিয়েছিল। সাগরদিঘিতে চওড়া ফাটল দেখা দিয়েছে। ভাঙড়ের মানুষ ভোট দিতে পারলে তাঁরাও বুঝিয়ে দিতেন। ওখানকার বীর আরাবুলকেও হারতে হয়েছে। তাই বিভিন্নভাবে সংখ্যালঘুদের ভুল বোঝানোর চেষ্টা হচ্ছে। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।”  

    শুভেন্দুর অভিযোগ 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “২১ তারিখ শুনলাম নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম, মোয়াজ্জেমদের নিয়ে মিটিং ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মিটিংয়ের আগে টাউন হলে ববি হাকিম, জাভেদ খান, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা মিটিং করেছেন। সেখানে সিদ্দিকুল্লা বলেছেন, তাঁর সংগঠন জমিয়েত উলেমা হিন্দের লোক এনে নেতাজি ইন্ডোর ভরিয়ে দেবেন। আবার ববি নাকি বলেছেন, আমি গাড়ির ব্যবস্থা করে দেব। ওই মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে কেউ যেন ইমাম ভাতা বা মোয়াজ্জেম ভাতা বাড়াতে না বলেন।”

    ‘আন প্রেডিক্টেবল’

    মুখ্যমন্ত্রীকে ‘আন প্রেডিক্টেবল’ বলে সম্বোধন করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওই অনুষ্ঠানেই হয়তো ইমাম, মোয়াজ্জেমদের ভাতা পাঁচশো কিংবা হাজার টাকা বাড়িয়ে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।” তিনি বলেন, “ভোট বড় বালাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, সংখ্যালঘুরা আর তৃণমূলকে ভোট দেবেন না। তাই নানারকম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।”

    আরও পড়ুুন: চার্জশিটে অভিষেকের নাম! দুর্নীতির টাকায় বিপুল সম্পত্তি কালীঘাটের কাকুর, দাবি ইডির

    এদিন বেকারত্ব নিয়েও তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী চান না, বাংলার লোকের চাকরি হোক।” বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “একজনকে চাকরি দিতে গেলে ন্যূনতম কাউকে ২৫ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে।

    মুখ্যমন্ত্রী এতেও ভোটের রাজনীতি করছেন। তাই রাজ্যের একাধিক বিভাগে শূন্যপদ থাকলেও, তিনি নিয়োগ করছেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে কটাক্ষ-বাণ হেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি কেন একজনকে ২৫ হাজার টাকা দেব? আমি ওই টাকা ব্যয় করে পাঁচশো টাকা একাধিক পরিবারকে দেব, তাহলে আমরা ২০০ ভোট পাব, এটাই উনি চান।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Malda: গঙ্গায় উঠল প্রায় ৫০ কেজি ওজনের কাতলা! কত দামে বিক্রি হল জানেন?

    Malda: গঙ্গায় উঠল প্রায় ৫০ কেজি ওজনের কাতলা! কত দামে বিক্রি হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক-দু’ কেজি নয়, প্রায় ৫০ কেজি। গঙ্গার এই কাতলা মাছ কেনার জন্য সাত সকালে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে গেল মালদার (Malda) নেতাজি পৌর বাজারের মাছ বাজারে। ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দাম! কিন্তু তাতে কী! ওই দামেই দেদার বিক্রি হচ্ছে গঙ্গার ওই বিশালাকার কাতলা মাছ। জানা গিয়েছে, মানিকচকের গঙ্গায় ধরা পড়ে মাছটি। আর মাছ বাজারে আসতেই সবার চোখ ছানাবড়া। মাছ তো নয়, যেন গিলে খেতে আসছে। এমন অভিজ্ঞতাই বা কজনের হয়। তাই মাছ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার লোভ সামলাতে পারেননি অনেকেই। কেনার হিড়িক পড়ে যায় ক্রেতাদের মধ্যে। মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, এই প্রথম বাজারে প্রায় ৫০ কেজি ওজনের মাছ এসেছে। বিশালাকৃতির ওই কাতলা মাছ দেখতে এবং ছবি তুলতেও ভিড় জমান বহু মানুষ।

    কী বলছেন মাছ বাজারের (Malda) ব্যবসায়ীরা?

    এক ব্যবসায়ী কায়ূম মোল্লা জানালেন, রাজমহল গঙ্গায় এই মাছ ধরা পড়েছে। এই মাছের দাম গোটা ধরলে মোটামুটি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি। কেটে ৮০০, ৯০০ এমনকি হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে বলে তাঁরা মনে করছেন। বিরাট চাহিদা আছে দেখেই কাটা হল। খরিদ্দাররা এ বলে আমি নেব, ও বলে আমি নেব। হুড়োহুড়ি লেগে গেছে। তিনি আরও জানান, এই নেতাজি মার্কেটে (Malda) সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়। ইলিশের আমদানি কম আছে বলে দামটা একটু বেশি চলছে। তবে কাতলা মাছ এত বড় সাইজের তাঁরা আগে কখনও দেখেননি। আরেক বিক্রেতা ইমরান বললেন, মাছের ওজন দাঁড়াল ৪৮ কেজি। তিনি জানান, এর আগে ৩৫ থেকে ৪০ কেজি ওজনের মাছ এসেছিল। এত বড় মাছ এই প্রথম। তাছাড়া গঙ্গার মাছের বরাবরই বিশাল চাহিদা থাকে। এবারেও তার অন্যথা হয়নি। তার ওপর এতো বড় মাছ।

    কী বললেন ক্রেতারা (Malda)?

    এমন বিরাট মাছ দেখে ক্রেতারা (Malda) যে কতখানি উল্লসিত, তা তাঁদের চোখমুখই বলে দিচ্ছিল। এক ক্রেতা জানান, এমনিতেই গঙ্গার মাছের প্রতি তাঁদের বরাবর আলাদা একটা টান আছে। তার ওপর এতো বড় মাছ দেখে তাঁদের চোখ জুড়িয়ে গেছে। এমন বিরল অভিজ্ঞতা যাতে চিরস্থায়ী হয়, তার জন্য তাঁরা এই ঘটনা মোবাইলে ক্যামেরাবন্দিও করছেন। এই মাছের স্বাদ কেমন হবে, তা ভেবেও অনেকে রোমাঞ্চিত। সব মিলিয়ে গোটা বাজার জুড়ে যেন উৎসবের আমেজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Morgan Stanley: ভারতের অর্থনীতি ‘ওভারওয়েট’, চিন ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’, রিপোর্টে দাবি মর্গ্যান স্ট্যানলির

    Morgan Stanley: ভারতের অর্থনীতি ‘ওভারওয়েট’, চিন ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’, রিপোর্টে দাবি মর্গ্যান স্ট্যানলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে ভারতীয় অর্থনীতির ব্যাপক উত্থানের সম্ভাবনা দেখছে মর্গ্যান স্ট্যানলি (Morgan Stanley)। আমেরিকার বিখ্যাত আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী এই সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্টে ভারতকে ‘ওভারওয়েট রেটিং’ দেওয়া হয়েছে। সংস্থার দাবি, আর্থিক বৃদ্ধির নিরিখে ভারত ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’ থেকে উন্নীত হয়েছে ‘ওভারওয়েটে’। কেবল তাই নয়, আমেরিকার ‘ট্রিপল এ’ তকমাও কেড়ে নিয়েছে মার্কিন এই সংস্থা।

    ভারতের অর্থনীতির বিপুল উত্থানের সম্ভাবনা

    ভারতকে ‘ওভারওয়েট রেটিং’ দেওয়া হলেও, চিনকে নামানো হয়েছে ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’ স্তরে। শি জিনপিংয়ের দেশে আর্থিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে বলেই রিপোর্টে পূর্বাভাস সংস্থার। সেই তুলনায় ভারতের অর্থনীতির বিপুল উত্থানের সম্ভাবনা দেখছেন মর্গ্যান স্ট্যানলির বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন করোনা অতিমারির অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষত সারিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে মোদির ভারতের অর্থনীতি। ভারতের অর্থনীতি যে ক্রমেই ‘স্বাস্থ্যবান’ হচ্ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল ঢের আগেই। বিশ্বব্যাঙ্ক, আইএমএফ, ব্লুমবার্গ ইকনমিক্স সহ নানা আর্থিক পরামর্শদাতা সংস্থার রিপোর্টে মিলেছিল এই ইঙ্গিত। এবার একই ইঙ্গিত মিলল মর্গ্যান স্ট্যানলির (Morgan Stanley) রিপোর্টেও। নভেম্বর মাসেও মার্কিন ওই সংস্থা জানিয়েছিল, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত হতে চলেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। জাপান, জার্মানি নয়, ভারতের আগে থাকবে কেবল আমেরিকা ও চিন।

    জিডিপি বৃদ্ধির হার

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছে গিয়েছে ৭.২ শতাংশে। ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে ৬.২ শতাংশের ওপরে থাকার ঘটনাকে আশাব্যঞ্জক বলা হয়েছে মর্গ্যান স্ট্যানলির রিপোর্টে। কী কারণে রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে ভারতের অর্থনীতির? মর্গ্যান স্ট্যানলির (Morgan Stanley) রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে সরকারি স্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী পদক্ষেপ করেছে মোদির দেশ। বিপুল জনশক্তি ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর জোরও দিয়েছে এশিয়ার এই দেশ। মর্গ্যান স্ট্যানলির বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোড়া পদক্ষেপের জেরে শক্তিশালী হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে হামলা, রিষড়ার পর হাওড়ার শিবপুরে তদন্তে এল এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যখন দিল্লির তখতে বসে মোদি সরকার, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশ নম্বরে ছিল ভারত। বর্তমানে এই তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে মোদির দেশ। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখলে ছিল ইংল্যান্ডের। ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Recruitment Scam: চার্জশিটে অভিষেকের নাম! দুর্নীতির টাকায় বিপুল সম্পত্তি কালীঘাটের কাকুর, দাবি ইডির

    Recruitment Scam: চার্জশিটে অভিষেকের নাম! দুর্নীতির টাকায় বিপুল সম্পত্তি কালীঘাটের কাকুর, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর (Kalighater Kaku) বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে চলেছে ইডি। সুজয়ের বিরুদ্ধে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে ১২৬ পাতার মূল চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চার্জশিটে ইডি-র (ED) দাবি, এ পর্যন্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর ১১ টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এই সব সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট, বিভিন্ন জায়গায় জমি। এই সমস্ত সম্পত্তিই কেনা হয়েছে কালীঘাটের কাকু, তাঁর স্ত্রী বাণী ভদ্র ও কাকুর নিয়ন্ত্রিত দুটি কোম্পানির নামে। নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) মামলায় ইডি-র চার্জশিটে, প্রথমবার উল্লেখ করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নাম। 

    অভিষেক ঘনিষ্ঠ কালীঘাটের কাকু

    চার্জশিটের ২২ নম্বর পাতায় ইডি দাবি করেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই কালীঘাটের কাকু। যুব তৃণমূলের তৎকালীন সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্থিক বিষয়গুলি দেখাশোনা করতেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ২৬ নম্বর পাতায়, কালীঘাটের কাকুর বয়ানের একাংশ তুলে ধরেছে ইডি। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র জানিয়েছেন, তিনি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের একজন কর্মী ছিলেন। ইডির চার্জশিটে কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানি এস ডি কনসালটেন্সির যোগ, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিস থেকেই এস ডি কনসালটেন্সির কাজকর্ম পরিচালনা এবং পরিবর্তে মোটা টাকা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্য়াকাউন্টে ঢোকার মতো একাধিক চাঞ্চল্য়কর দাবি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-তে জোর! কম্পিউটার-ল্যাপটপের আমদানিতে ‘নিষেধাজ্ঞা’ কেন্দ্রের

    চার্জশিটে ইডি-র দাবি

    ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগকাণ্ডে চাকরিপ্রার্থীদের (Recruitment Scam) কাছ থেকে তোলা অবৈধ টাকা সাদা করতে নামে-বেনামে একাধিক সম্পত্তি কিনেছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। ১২৬ পাতার চার্জশিটের ৮৩ নম্বর পাতায় বলা হয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের নির্দেশে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিয়ে কলকাতার ভবানীপুরে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন দেবরূপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। এই দেবরূপ হলেন সুজয়কৃষ্ণের মেয়ে পারমিতা চট্টোপাধ্যায়ের স্বামী। চার্জশিটে বলা হয়েছে, ফ্ল্যাটটি কিনতে জামাইকে দিবাকর খেমকা নামের এক ব্যক্তি এবং তাঁর অধীনস্থ সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার ঋণ পাইয়ে দিয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। ইডির দাবি, ‘ওয়েলথ উইজার্ড’ নামের একটি সংস্থার কাছ থেকে আরও ৪৫ লক্ষ টাকা ঋণের বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন ‘কালীঘাটের কাকু’। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ministry Of Commerce: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-তে জোর! কম্পিউটার-ল্যাপটপের আমদানিতে ‘নিষেধাজ্ঞা’ কেন্দ্রের

    Ministry Of Commerce: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-তে জোর! কম্পিউটার-ল্যাপটপের আমদানিতে ‘নিষেধাজ্ঞা’ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কম্পিউটার আমদানির ক্ষেত্রে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Ministry Of Commerce)। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেডের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, এখন থেকে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, অল ইন ওয়ান পার্সোনাল কম্পিউটার এবং কম্পিউটারে ব্যাবহৃত যন্ত্র আমদানি করা যাবে না। তবে একটি ল্যাপটপ বিদেশ থেকে বৈধ কাগজ নিয়ে দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকছে না। তাই ব্যাগেজ সিস্টেমে কোনও বদল আনা হয়নি। তবে আগের মতোই সরকারকে দিতে হবে ইমপোর্ট ডিউটি। দেখাতে হবে লাইসেন্স।

    কেন নিষেধাজ্ঞা

    রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট কাজে ব্যাবহৃত কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ আমদানি করা যাবে। তবে একবারে সেই আমদানীকৃত যন্ত্রাংশের সংখ্যা ২০-র বেশি হলে চলবে না। তবে এই সকল আমদানিকৃত কম্পিউটার যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হবে না বলে উল্লেখ করতে হবে। কেন্দ্রীয় বানিজ্য মন্ত্রকের (Ministry Of Commerce) এই নোটিস ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিশেষজ্ঞের ধারণা, ল্যাপটপ, পার্সোনাল কম্পিউটার, ট্যাবলেট আমদানি করার ফলে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয় ভারতের। দেশে যদি এই জিনিসগুলি আরও বেশি মাত্রায় তৈরি হয় তাহলে শুধু অর্থনীতি মজবুত হবে না, অনেকটাই দাম কমে যাবে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং পার্সোনাল কম্পিউটারের। তাতে আরও গতি পাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রজেক্ট। 

    আরও পড়ুন: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    বেকায়দায় চিন

    ইতিমধ্যে বহু বিদেশি কোম্পানি ভারতে বিনিয়োগে উৎসাহ দেখিয়েছে। এই বিধিনিষেধের জেরে আরও অনেকে আগ্রহী হবে। কারণ ভারতের বাজার অনেক বড়। তাছাড়া ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং যে সব কম্পিউটার আমদানি করা হয় তার অধিকাংশই চিনের তৈরি। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত এক ঢিলে দুই পাখি মারবে বলে মত অনেকের। চিনের অর্থনীতি দুর্বল হবে। আর শক্তিশালী হবে ভারতের অর্থনীতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share