Tag: bangla news

bangla news

  • IPL 2026: ফের ধাক্কা কেকেআর শিবিরে! এবার আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    IPL 2026: ফের ধাক্কা কেকেআর শিবিরে! এবার আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2026) শুরুর সাত দিন আগে ফের ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) শিবিরে। হর্ষিত রানার পর চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন বাংলার জোরে বোলার আকাশদীপ। শনিবার সরকারি ভাবে আকাশদীপকে না পাওয়ার কথা জানিয়েছে কেকেআর। ফলে আইপিএল শুরুর আগে আরও দুর্বল হল কেকেআরের বোলিং আক্রমণ।

    চোট পেয়ে অনিশ্চিত আকাশদীপ

    গত ১৮ মার্চ থেকে ইডেন গার্ডেন্সে প্রস্তুতি শিবির শুরু করেছে কেকেআর। এই শিবিরে যোগ দেননি আকাশদীপ। তিনি বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে রিহ্যাব করছেন। তাঁর অবস্থা সম্পর্কে কেকেআর কর্তৃপক্ষ বা বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে শনিবার কেকেআর-এর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘‘চোটের জন্য গোটা আইপিএলেই আকাশদীপকে পাওয়া যাবে না। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।’’ ২৯ বছরের বোলারকে ১ কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল কেকেআর। হর্ষিতের পরিবর্ত বোলার এখনও নির্বাচন করতে পারেননি কেকেআর কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে আকাশদীপের চোট আরও বিপদে ফেলে দিল রাহানাদের। আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল। কেকেআরের প্রথম ম্যাচ ২৯ মার্চ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে।

    চিন্তায় কেকেআর বোলিং 

    কদিন আগেই দলের বড় তারকা পেসার হর্ষিত রানা চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছেন। টি-২০ বিশ্বকাপের আগে চোট পেয়ে টিম ইন্ডিয়ার স্কোয়াড থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন হর্ষিত। শ্রীলঙ্কার তারকা পেসার মাথিশা পাথিরানাও চোটের কারণে এপ্রিলের মাঝ পর্যন্ত খেলতে পারবেন না। ফলে দলের পেস আক্রমণ নিয়ে মাথায় হাত অজিঙ্কা রাহানের দলের। এখন শাহরুখ খানের দলের পেসার হিসাবে থাকছেন বৈভব আরোরা, কার্তিক ত্যাগী, উমরন মালিক ও জিম্বাবোয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি। খুব সম্ভবত উমরন মালিক ও কার্তিক ত্যাগীকে প্রথম ম্য়াচে স্পেশালিস্ট পেসার হিসাবে খেলানো হতে পারে। দুই স্পিনার হিসাবে খেলতে পারেন সুনীল নারিন ও বরুণ চক্রবর্তী। থাকছেন কিউই স্পিনার-অলরাউন্ডার রচিন রবীন্দ্রকেও। হাত ঘোরাতে দেখা যেতে পারে ২৫ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার অজি পেস-অলরাউন্ডার ক্যামেরুন হোয়াইটকেও।

    কেকেআর পূর্ণাঙ্গ দল: অজিঙ্কা রাহানে, আংকৃশ রঘুবংশী, অনুকুল রায়, মনীশ পান্ডে, রমনদীপ সিং, রিঙ্কু সিং, ⁠রোভমান পাওয়েল, সুনীল নারিন, উমরান মালিক, বৈভব অরোরা, বরুণ চক্রবর্তী, ক্যামেরন গ্রিন, তেজস্বী সিং, টিম সাইফার্ট, ফিন অ্যালেন, রাহুল ত্রিপাঠি, কার্তিক ত্যাগী, দক্ষ কামরা, রাচিন রবীন্দ্র, মাথিশা পাথিরানা, সার্থক রঞ্জন।
  • West Bengal Assembly Election: ‘দ্রুত দায়িত্ব বুঝে নিন’, বৈঠকে নবনিযুক্ত আধিকারিকদের বলল কমিশন

    West Bengal Assembly Election: ‘দ্রুত দায়িত্ব বুঝে নিন’, বৈঠকে নবনিযুক্ত আধিকারিকদের বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দফায় বঙ্গে হবে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এই নির্বাচন যাতে ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ হয়, তাই চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না নির্বাচন কমিশন (ECI)। শুক্রবার রাজ্যের সদ্য নিয়োজিত ডিএম, এসপি, ডিজি এবং সিপির সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এই বৈঠকে তাঁদের দ্রুত দায়িত্বভার গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট জেলায় গিয়ে দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, ডিএম-এসপিদের বাংলো এবং সংশ্লিষ্ট লজিস্টিক ব্যবস্থাও যথা শীঘ্র সম্ভব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বলা হয়েছে।

    বাংলোর দখল নিন (West Bengal Assembly Election)

    জানা গিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিদায়ী আধিকারিকরা বাংলো ছাড়তে দেরি করে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ঠিকঠাক হস্তান্তর করেন না। কখনও কখনও এই প্রক্রিয়ায় ইচ্ছে করে দেরি করার অভিযোগও ওঠে। এই পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সেই জন্যই কড়া নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনের আধিকারিকরা। বৈঠকে কমিশনের তরফে নবনিযুক্ত আধিকারিকদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দায়িত্বভার গ্রহণ থেকে শুরু করে ফিল্ড পর্যায়ের কাজ, সব ক্ষেত্রেই দ্রুত এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, সদ্য বদলি হওয়া ডিএম এবং এসপিরা যাতে নির্বিঘ্নে কাজ শুরু করতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট বাংলোগুলি তাড়াতাড়ি খালি করে দিতে হবে। প্রশাসনিক বৈঠক, সমন্বয় এবং অন্যান্য সরকারি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সব পরিকাঠামোও প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। এজন্য ২২ মার্চের মধ্যেই আবিশ্যকভাবে বাংলোগুলি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বদলি হওয়ার পরেও বাংলো আটকে রেখেছেন জেলাশাসকরা। তাঁদের দ্রুত বাংলো খালি করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কোনওভাবেই দখল করে রাখা যাবে না বাংলো।

    ৬টি মূল লক্ষ্য স্থির করে দিল কমিশন

    আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে ৬টি মূল লক্ষ্যও স্থির করেছে কমিশন (West Bengal Assembly Election)। এগুলি হল বুথ দখল রোধ করা, ভুয়ো ভোট প্রতিরোধ করা, অশান্তিমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা, কোনও প্রভাব ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা, ভোটারদের জন্য ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা এবং রাস্তা আটকানো, ভোটারদের বেরতে বাধা বা ভয় দেখিয়ে বুথে যাওয়া থেকে আটকানো রোধ করা। এদিকে, এদিনই জানা গিয়েছে, দিন কয়েকের মধ্যেই দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। নির্বাচন (ECI) সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক বৈঠক করবেন তিনি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (West Bengal Assembly Election) মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি।

  • Strait of Hormuz: শীঘ্রই মিটতে চলেছে জ্বালানি সংকট! হরমুজ পেরোচ্ছে ভারতের আরও ২ এলপিজি ট্যাঙ্কার

    Strait of Hormuz: শীঘ্রই মিটতে চলেছে জ্বালানি সংকট! হরমুজ পেরোচ্ছে ভারতের আরও ২ এলপিজি ট্যাঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও দুই অপরিশোধিত তেলবাহী ভারতীয় জাহাজ পার করবে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অস্থির হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতীয় পতাকাবাহী আরও দুইটি এলপিজি ট্যাঙ্কার—‘পাইন গ্যাস’ (Pine Gas) এবং ‘জগ বসন্ত’ (Jag Vasant)—আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রণালী অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে ওই দুই জাহাজ। মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, দুটি জাহাজই যাত্রার সংকেত পাঠাতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক সূত্রের দাবি, খুব শীঘ্রই তারা রওনা দিতে পারে।

    ভারতীয় জাহাজগুলির অবস্থান

    ২ দিন আগের রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে ২২টি ভারতীয় জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (Indian Oil Corporation)-এর ‘পাইন গ্যাস’ এবং ভারত পেট্রোলিয়ম-এর (Bharat Petroleum) ‘জগ বসন্ত’ ও রয়েছে। দু’টি জাহাজই এলপিজি ট্যাঙ্কার। সহজ ভাষায় বললে, রান্নার গ্যাস আসছে। জাহাজ দু’টি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজার কাছে নোঙর করে রয়েছে। তবে শীঘ্রই রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় নৌপরিবহণ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা জানিয়েছেন, এই দু’টি জাহাজ চলাচলের বিষয়ে এখনও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্রিয়। গত সপ্তাহে ইরান দু’টি ভারতীয় এলপিজি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেয়। ইতিমধ্যেই এলপিজি নিয়ে সেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ইরানের সুসম্পর্ক এবং ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানের ফলেই এই সুযোগ মিলেছে।

    তেল পরিবহণে স্থবিরতা, সীমিত চলাচল

    গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে কোনও ক্রুড অয়েল ট্যাঙ্কার চলাচল করেনি। ইরানের হুঁশিয়ারির পর বহু জাহাজই নোঙর করে অপেক্ষা করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলার পর ইরান ওই প্রণালীর উপর ‘দখল’ রেখেছে। হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, কোনও পণ্যবাহী জাহাজকে প্রণালী পার করতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এগোনোর চেষ্টা করে, তবে পরিণতি ‘সাংঘাতিক’ হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। কয়েকটি জাহাজে হামলাও হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দেয় ইরান।

    ভারতের কূটনৈতিক উদ্যোগ

    এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার নিরাপদ নৌ-চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা ভারতের ২২টি জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আন্তর্জাতিক স্তরে যোগাযোগ রাখছেন। গত সপ্তাহে ইরান দু’টি ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কারকে পারাপারের অনুমতি দিয়েছিল। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে সীমিত পরিসরে জাহাজ চলাচল এখনও সম্ভব। এই দুই ভারতীয় ট্যাঙ্কারের সম্ভাব্য যাত্রা এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কারণ, এটি ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হবে কিনা, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে।

    ইরান থেকে তেল আমদানি!

    আগেই হরমুজ দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে বারবার ছাড়পত্র দিয়েছে ইরান। সেদেশ থেকে ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি। তেল কেনা নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত কিছুটা শিথিল করেছেন ট্রাম্প। এমতাবস্থায়, সেই সুযোগই কাজে লাগাতে চাইছিল ভারত। যদিও ইরান জানিয়ে দিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির মতো অতিরিক্ত তেলের জোগান এই মুহূর্তে তাদের হাতে নেই। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ভারতের তৈল শোধনাগারগুলি ইরান থেকে পুনরায় ক্রুড অয়েল আমদানি শুরু করার বিষয়ে প্ল্যান করছে। তেহরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা ছাড় দিচ্ছে। সেই সুযোগেই ভারত বিকল্প উৎস হিসেবে ইরানের দিকে ঝুঁকছে। তবে ইরানের তেল মন্ত্রকের বক্তব্যই কিছুটা চিন্তার বিষয়। তাদের দাবি, বর্তমানে কোনও ‘ফ্লোটিং ক্রুড’ বা অতিরিক্ত মজুত নেই।

    ইরান-মার্কিন সংঘাতে তেলের দামে আগুন

    হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাসের দাম হুহু করে বেড়েছে (Global Oil Crisis)। ইরানের বক্তব্য, পথ শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ট্যাঙ্কারদের জন্যই বন্ধ, অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে আপাতত বাধা নেই। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “হরমুজ খোলা। শুধু যারা আমাদের শত্রু বা আমাদের আক্রমণ করছে এবং তাদের মিত্রদের জন্যই এটি বন্ধ।”

    ভারতের জন্য কী বার্তা?

    কয়েকদিন আগেই ভারতের দু’টি জাহাজ ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দাদেবী’ নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে গুজরাতে পৌঁছেছে। এখন নজর আরও দুই জাহাজের গতিপ্রকৃতিতে। হরমুজে এলপিজি ট্যাঙ্কার জগ বসন্ত (Jag Vasant), বিডব্লিউ এল্ম (BW Elm), বিডব্লিউ লয়্যালিটি (BW Loyalty), পাইন গ্যাস (Pine Gas), গ্রিন সাংভি (Green Sanvi), জগ বিক্রম (Jag Vikram) এবং গ্রিন আশা (Green Asha) আটকে ছিল। এর মধ্যে কমপক্ষে চারটি ‘ভেরি লার্জ গ্যাস ক্যারিয়ার’, বাকি তিনটি মিড-সাইজ ক্যারিয়ার। ভারতের মাসিক চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ বহন করছে এই জাহাজগুলি। এই ৬টি ট্যাঙ্কার মিলিয়ে বহন করছে প্রায় ৩.৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন এলপিজি (LPG), যা ভারতের মাসিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ। তুলনায়, সম্প্রতি নিরাপদে দেশে এসে পৌঁছনো শিবালিক (Shivalik) ও নন্দা দেবী (Nanda Devi) নামের দুটি ট্যাঙ্কার এনেছিল প্রায় ৪৬ হাজার টন করে এলপিজি (LPG)। ‘পাইন গ্যাস’ ও ‘জগ বসন্ত’-এও ৪৫ থেকে ৪৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি থাকতে বলে জানা যাচ্ছে।

  • India: আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল ভারত, পাঠানো হল জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী

    India: আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল ভারত, পাঠানো হল জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)। ১৬ মার্চ পাকিস্তানের হামলায় যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসা এবং তাঁরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, তাই কাবুলে ২.৫ টন জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর (Medical Aid) একটি চালান পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    ১৬ মার্চের ওই নৃশংস হামলায় বহু মানুষ জখম হন। তার জেরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মতে, এই চালানে জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কিট এবং অন্যান্য উপকরণ রয়েছে, যা আপৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করতে পাঠানো হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “১৬ মার্চের নৃশংস হামলায় আহতদের চিকিৎসা ও দ্রুত আরোগ্যের সহায়তায় ভারত কাবুলে ২.৫ টন জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কিট এবং যন্ত্রপাতি পাঠিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ভারত (India) আফগান জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে সব ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”

    মোদি সরকারের মানবিক মুখ

    এই প্রথম নয়, মোদি সরকারের মানবিক মুখ আগেও দেখেছেন আফগানরা। গত সেপ্টেম্বরে ভূমিকম্পের জেরে বস্তুত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল তালিবান-শাসিত আফগানিস্তান। তার পরে পরেই ভারত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছিল। ওই ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছিল কমবেশি ১৪০০ জনের। এক্স হ্যান্ডেলে শোকপ্রকাশও করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করও জানিয়েছিলেন, আফগানিস্তানকে সর্বতোভাবে মানবিক সাহায্য করতে প্রস্তুত ভারত। পরে নয়াদিল্লি কাবুলে পাঠিয়েছিল চালের বস্তা, তাঁবু এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বোঝাই ট্রাক। সেই সময় জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, ভারত কাবুলে হাজারটি পরিবারের জন্য তাঁবু পাঠিয়েছে। খাদ্য সামগ্রী পাঠানো হয়েছে ১৫ টন।

    প্রসঙ্গত, সোমবারই পাক বিমানবাহিনী হামলা চালায় কাবুলের একটি বড় রিহ্যাব হাসপাতালে। আফগানিস্তানের দাবি, ওই হামলায় নিহত হয়েছেন ৪০০জন। জখম হয়েছেন ২৫০ জন। পাক হামলার (Medical Aid) সময় হাসপাতালটি ভর্তি ছিল রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মীতে (India)। তা সত্ত্বেও সেখানে হামলা চালানো হয়েছিল বলেই দাবি কাবুলের।

     

  • DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত মহার্ঘ ভাতা (DA) সংক্রান্ত আইনি লড়াই বর্তমানে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে। এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ এবং অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI)-এর তথ্যকে ভিত্তি করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য দাবি করেছে কর্মচারীরা। ভোটের আগে মামলা মমতা সরকারকে চাপে ফেলবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের থেকে এখনও ৪০ শতাংশ ডিএ পাওয়ার বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে রাজ্যের কর্মীরা।

    ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ (Calcutta High Court)

    বিচারপতি (Calcutta High Court) মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছে ইউনিটি ফোরাম নামে একটি সংস্থা। ইতিমধ্যে শুনানি হয়েছে কোর্টে। তাতে রাজ্য প্রশাসনের আর্থিক অবস্থান ও কর্মীদের অধিকারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সূচক অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যে হারে ডিএ (DA) পান, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও সেই সমতা বজায় রাখা উচিত। রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করার সময় ডিএ-র যে হিসেব দিয়েছিল, তা বর্তমান বাজারদরের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    আর্থিক সামর্থ্য বনাম আইনি বাধ্যবাধকতা

    রাজ্য সরকার বারবারই তাদের সীমিত আর্থিক সংস্থানের কথা উল্লেখ করেছে। তবে আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ডিএ কেবল দয়ার দান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকারের আওতায় পড়ে। ডিএ মামলাটি এখন কেবল আইনি লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই, এটি একটি বড় সামাজিক ও প্রশাসনিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন (DA) কমিশনের কাঠামো সংস্কার এবং কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ-র ফারাক কমানোর বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই বলে দেবে, রাজ্যের অর্থভাণ্ডার ও কর্মচারীদের অধিকারের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে।

    পিটিশনে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়

    কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ষষ্ঠ বেতন কমিশন (DA) যে পদ্ধতিতে বেতন ও ভাতার হার নির্ধারণ করেছে, তা বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্র ও রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার মধ্যে যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে, তা মেটানোর কোনো সুনির্দিষ্ট দিশা রাজ্য সরকার দেখায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। মামলাকারীদের (Calcutta High Court) মতে, মহার্ঘ ভাতা কোনো দয়া বা অনুদান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখার জন্য একটি বিধিবদ্ধ অধিকার। রাজ্য সরকার এই অধিকার থেকে কোনও ভাবেই কর্মচারীদের বঞ্চনা করা যাবে না।

  • Hormuz Strait Crisis: মোদির কূটনৈতিক জয়! লোহিত সাগর দিয়ে ভারতে অপরিশোধিত তেল পাঠাচ্ছে সৌদি আরব

    Hormuz Strait Crisis: মোদির কূটনৈতিক জয়! লোহিত সাগর দিয়ে ভারতে অপরিশোধিত তেল পাঠাচ্ছে সৌদি আরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে খুশির খবর পেল ভারত। নরেন্দ্র মোদির দেশে অপরিশোধিত তেল পাঠাতে একটি নয়া পথ ব্যবহার করতে শুরু করেছে সৌদি আরব (Hormuz Strait Crisis)। ইতিমধ্যেই লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর থেকে একাধিক ট্যাঙ্কার ভারতের বিভিন্ন (Saudi Arabia) বন্দরের দিকে রওনা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্নের কারণে উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি বিকল্প সরবরাহপথ খুঁজতে বাধ্য হয়েছে।

    নয়া পথে আসছে তেল (Hormuz Strait Crisis)

    মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। ইরান ওই এলাকায় কিছু জাহাজকে টার্গেট করায় অনেক জাহাজ এই পথ এড়িয়ে চলছে। সাধারণত, বিশ্বব্যাপী তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে জ্বালানি আমদানিও মূলত এই পথের ওপরই নির্ভরশীল। এখন সৌদি আরব লোহিত সাগর হয়ে ভারতে তেল সরবরাহ শুরু করেছে। ট্র্যাকিং সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব থেকে চারটি অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার বর্তমানে ভারতের পথে রয়েছে। এগুলিতে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রয়েছে। চলতি মাসের শেষে আরও ৯ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ভারতে পৌঁছনোর কথা। এই নয়া লোহিত সাগর রুটের খবর ১৬ মার্চ প্রথম প্রকাশ করে ব্লুমবার্গ। যদিও সৌদি আরব এই জ্বালানি সরবরাহে একটি শর্ত দিয়েছে, সেটি হল মাসিক বরাদ্দের কেবল একটি অংশই এই পথে পাঠানো হবে।

    ‘সামনের দরজা’ বনাম ‘পেছনের দরজা’

    সাধারণত উপসাগরীয় অঞ্চলের অধিকাংশ তেলই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। একে ‘সামনের দরজা’ বলা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জেরে এই পথটি জাহাজ চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে (Saudi Arabia)। এদিকে, ‘পেছনের দরজা’ হিসেবে বিবেচিত লোহিত সাগর রুটে ইয়ানবু থেকে ১২০০ কিমি দীর্ঘ পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহণ করা হয়। অবশ্য এই পাইপলাইনের ক্ষমতা সীমিত। তাই এই পথে হরমুজ প্রণালী রুটের তুলনায় কম পরিমাণ তেল পরিবহণ করা যায়। লোহিত সাগর রুটও ঝুঁকিমুক্ত নয়। এটি বাব আল-মানডাব প্রণালী দিয়ে যায়, যা ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলার আওতায় রয়েছে। এর আগে ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্ব চলাকালীন হুথিরা লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলিকে টার্গেট করেছিল। তাই সেই সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্নের সৃষ্টি হয়েছিল (Saudi Arabia)। সেই কারণেই অনেক জাহাজ লোহিত সাগর এড়িয়ে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়। এর ফলে পরিবহণ খরচ বেড়ে যায় (Hormuz Strait Crisis)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যদি হুথিরা ফের হামলা শুরু করে, তাহলে এই রুটেও জাহাজ চলাচল ফের সমস্যার মুখে পড়তে পারে।

     

  • Appellate Tribunal: নাম বাদ পড়লে, ভয় নেই! অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন কমিশনের, জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    Appellate Tribunal: নাম বাদ পড়লে, ভয় নেই! অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন কমিশনের, জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশের আগে অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সুপারিশের ভিত্তিতে এই ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) গঠন করা হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতিদের রাজ্যের বিভিন্ন জেলার অ্যাপিলেট অথরিটি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এই বিচারকরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন তা-ই চূড়ান্ত। সেটা কমিশনও মেনে নেবে। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নির্ভুল রাখতে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কারা কোন বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন

    কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে ১৯ জন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিচারপতিকে নিয়ে এই ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) গঠন করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমও আছেন অ্যাপিলেট অথরিটি হিসেবে। তিনি উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং কলকাতার আবেদন শুনবেন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছাড়াও প্রাক্তন বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনায়। পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে প্রাক্তন বিচারপতি তপেন সেন, প্রাক্তন বিচারপতি প্রণব কুমার দেব কোচবিহারে, পূর্ব বর্ধমানে প্রাক্তন বিচারপতি প্রভাত কুমার দে, প্রাক্তন বিচারপতি রঘুনাথ রায় নদিয়া, প্রাক্তন বিচারপতি অশোক কুমার দাস অধিকারী হাওড়া, প্রাক্তন বিচারপতি দীপক সাহা রায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে, প্রাক্তন বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে, প্রাক্তন বিচারপতি তৌফিক উদ্দিন দক্ষিণ দিনাজপুরে, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং বিশ্বজিৎ বসুকে বিধানসভা অনুযায়ী মুর্শিদাবাদে, প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, প্রাক্তন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় হুগলি, প্রাক্তন বিচারপতি মুমতাজ খান পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া, প্রাক্তন বিচারপতি মীর দারা শেকো পশ্চিম বর্ধমান, প্রাক্তন বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে উত্তর দিনাজপুর, প্রাক্তন বিচারপতি মনোজিৎ মণ্ডল বীরভূম এবং প্রাক্তন বিচারপতি সিদ্ধার্থ রায় চৌধুরীকে মালদা জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কারা আবেদন করবেন ট্রাইবুনালে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরিয়ে গিয়েছে। সেই তালিকায় ৬০ লক্ষের বেশি নাম বিচারাধীন বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় ছিল। আর সেই সব ভোটারদের নথি যাচাই করছে জুডিশিয়াল অফিসারের। এই নথি নিষ্পত্তির পর একটা বড় অংশের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে আপিল ট্রাইবুনালে (Appellate Tribunal) আবেদন জানাতে পারবেন। বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ২০ লক্ষ ভোটারের নামের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে সোমবার। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পরে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাজের অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর পরবর্তী সপ্তাহ থেকে প্রতি শুক্রবার একটি করে তালিকা প্রকাশ করা হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ঝুলে থাকা ৬০ লক্ষ আবেদনের সবক’টির নিষ্পত্তি ঘটছে।

    কীভাবে আবেদন করবেন

    এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে ট্রাইবুনালে (Appellate Tribunal) করা যাবে আবেদন? আর সেই বিষয়টাও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, অনলাইন ও অফলাইন, দুইভাবেই আবেদন করা যাবে ট্রাইবুনালে। কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে ECI Net প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে https://ecinet.eci.gov.in-এ গিয়ে আপিল করুন। তাহলেই কাজ হবে। আপনার আবেদন শুনবে ট্রাইবুনাল। আপনি চাইলে অফলাইনেও আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ডিএম, এসডিও ও এডিএম অফিসে গিয়ে করতে হবে আবেদন। তারপর ওই সংশ্লিষ্ট অফিস থেকেই নথি ডিজিটালাইজড করে আপলোড করে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময় শুরু হবে নিষ্পত্তি। সমস্ত আবেদনের নিষ্পত্তি হয়ে গেলে আর ট্রাইবুনালের কোনও অস্তিত্ব থাকবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গে বিশেষ নজর

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল (WB Voter List Tribunal) গঠন করে নির্বাচন কমিশন (ECI) বুঝিয়ে দিল এসআইআর প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে ভোটপর্ব সবেতেই স্বচ্ছ্বতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর তারা। উত্তরবঙ্গের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে কমিশনের। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সুপারিশে রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে। ১৯টির মধ্যে ৫টি ট্রাইবুনাল উত্তরবঙ্গে। মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর ছাড়া কোচবিহারের জন্য পৃথক পৃথক ট্রাইবুনাল থাকছে। অন্য একটি ট্রাইবুনাল কালিম্পং, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার আবেদনের নিষ্পত্তি করবে।

  • Assembly Elections 2026: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ সোমবার! তার পর কবে অতিরিক্ত তালিকা, জানাল কমিশন

    Assembly Elections 2026: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ সোমবার! তার পর কবে অতিরিক্ত তালিকা, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কবে বেরোবে, তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার (Assembly Elections 2026) বিকেলেই প্রথম দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বার করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, বুথভিত্তিক সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary List) পুরো প্রস্তুত না হওয়ায় শুক্রবার তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের তরফে ৪০ হাজার বুথের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই দুটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বার করবে কমিশন।

    প্রতি শুক্রবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ২৭ লাখ ৩০ হাজার অভিযোগের নিস্পত্তি হয়েছে। রাজ্যের সাত হাজারের বেশি বুথ থেকে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা কমিশনের কাছে পৌঁছেছে। তবে সম্পূর্ণ তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি। বাকি বুথ থেকে তালিকা কমিশনে আসার পরেই প্রথম অতিরিক্ত তালিকাটি প্রকাশ করা যাবে। সোমবার বিকেলের পর শুক্রবার ফের তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার পরে প্রতি শুক্রবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তবে তা ছিল অসম্পূর্ণ। ওই তালিকায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জনের নাম ‘যোগ্য’ হিসাবে রয়েছে। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটার রয়েছেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন।

    ইদের পরেই তালিকা প্রকাশ

    হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বানানোর কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে হবে। শুক্রবারই প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট দিন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। ইদের সময় তালিকা প্রকাশে মত নেই বিচারকদের। তাঁদের আশঙ্কা, ইদের সময় তালিকা বেরোলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের। গতকালই দুই দফায় ডিজি ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সিইও ও বিশেষ পর্যবেক্ষকের সঙ্গেও বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। ইদের সময় তালিকা প্রকাশে মত ছিল না বিচারকদের। পরবর্তীতে ইদ মেটার পরই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তের মাঝেই বৃষ্টির ছোঁয়া। রাতভর বৃষ্টি হল কলকাতায়। শনিবার সকাল থেকেও আকাশের মুখ ভার। রোদ ওঠেনি। উল্টে ঝিরঝির বৃষ্টি হয়ে চলেছে। কয়েকদিন এমন আবহাওয়া (Rain in Bengal) থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও দেখা দিতে পারে শিলাবৃষ্টি। সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্রও আপাতত দু’দিন উত্তাল থাকবে। ঘূর্ণাবর্তের কারণেই শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর (Weather Update)।

    দক্ষিণবঙ্গে ধারাপাত

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি রয়েছে। বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু অঞ্চলে আজ ঝড়ো হাওয়ার গতি আরও বেশি হতে পারে- ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সেই সঙ্গে থাকতে পারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও। কলকাতা ও বাকি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (West Bengal Today) দমকা হাওয়ার গতি ৫০-৬০ কিমির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস। রবিবারও বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে দক্ষিণবঙ্গে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রবিবার হালকা বৃষ্টিপাত (Weather Update) দেখা যেতে পারে।

    রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ উত্তরপ্রদেশের উপর এবং ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সেখান থেকে একটি অক্ষরেখা মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ হয়ে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। তা গিয়েছে ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণ অসমের উপর দিয়ে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অক্ষরেখাটির উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তাই রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

    ঠান্ডা হাওয়ার দাপট

    ঝড়বৃষ্টির (Rain Forecast) কারণে এক ধাক্কায় কলকাতার পারদ নেমে গিয়েছে ছ’ডিগ্রি। শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে তা হয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও যা ৪.৪ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দু’দিন পারদ নামার পর ফের তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ চলছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। মালদা, উত্তর দিনাজপুর-সহ উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি চলবে।

LinkedIn
Share