Tag: bangla news

bangla news

  • Assam: ‘‘বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা’’! হুমকি দিয়ে যুবক গ্রেফতার, মিলল জঙ্গি-যোগ

    Assam: ‘‘বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা’’! হুমকি দিয়ে যুবক গ্রেফতার, মিলল জঙ্গি-যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) হাইলাকান্দি থেকে এক যুবককে আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের মতো অসম সহ ভারতের বিভিন্ন অংশে হিংসা করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। ধৃতের নাম রেজুয়ান উল্লা মাজারভূইয়া।

    ফেসবুকে কী লিখেছিলেন? (Assam)

    রেজুয়ান ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। তাতে তিনি লিখেছিলেন, “বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা। খুব শিগগিরই অসমে বাংলাদেশের প্রভাব শুরু হবে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্ট দেখে এক নেটিজেন তাঁকে কোথা থেকে এসেছেন জিজ্ঞাসা করলে, রেজুয়ান বাংলায় উত্তর দিয়ে বলেন, “আমি ভারতে কাজ করলেও আল-কায়েদার (Al-Qaeda) সঙ্গে যুক্ত। সবসময় পাকিস্তানে আল-কায়েদা সংগঠনের সঙ্গে কাজ করছি। আমি বাংলাদেশকে আমার হৃদয়ে রাখি এবং সবসময় বাংলাদেশকে কাছে রাখি। বাংলাদেশই আমাদের বন্ধুত্বের প্রধান কারণ।”

    থানায় জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার!

    হাইলাকান্দি পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেলের কর্তাদের ফেসবুক পোস্টটি নজরে পড়ে। এরপরই রেজুয়ানকে দক্ষিণ অসমের (Assam) হালিয়াকান্দি জেলার রংপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তানে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) সঙ্গে তাঁর যোগসূত্রের দাবি নিয়ে থানায় তাঁকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি দাবি করেন, যে পাকিস্তানে আল-কায়েদা অপারেটিভদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ জানিয়েছে যে, রেজুয়ান পোস্টটি “আমাদের হাইলাকান্দি” নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার করেছিলেন। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত প্রোফাইলেও অনুরূপ একটি বার্তা পোস্ট করেছেন। হাইলাকান্দির (Assam) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সমীর বড়ুয়া বলেন, রেজুয়ানের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়ার পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে ধারা ৬১ (২০  (অপরাধী ষড়যন্ত্র), ১৪৭ (ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা), এবং ৩৯ ধারা সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ (বিএনএস) এর ১৯৬  (শত্রুতা প্রচার) এর অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭ (ইউএপিএ) ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।

    ইসলামপন্থিরা ভারতে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার স্বপ্ন দেখছে!

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সংরক্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ জামাত-ই-ইসলামির মতো ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলি হাইজ্যাক করেছে বলে অভিযোগ। অনেক বিরোধী নেতা এবং ইসলামপন্থিরা ভারতে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য একই ধরনের হিংসা ঘটানোর স্বপ্ন দেখছেন বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা রয়েছে। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা ভারতে একই ধরনের ‘বিদ্রোহ’ আশা করে মন্তব্য করেছেন। কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ, মণিশঙ্কর আইয়ার এবং একাধিক কংগ্রেস নেতারা দাবি করেছেন যে, ভারতের পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতোই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধানে এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” উপশ্রেণি সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। গত সপ্তাহে সাব কোটা মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Supreme Court), রাজ্যগুলির এই ক্ষমতা রয়েছে যে, সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলিকে আরও উন্নীত করার লক্ষ্যে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত বিভাগের মধ্যে কোটা বরাদ্দ করতে পারবে।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব? (Ashwini Vaishnaw)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংবিধানের প্রদত্ত এসসি এবং এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ-শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপর বিশদ আলোচনা করেছে। তবে, তাকে এখনই কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।” এর পরেই মন্ত্রী বলেন, “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধান অনুযায়ী, এসসি-এসটি সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, রাজ্যগুলিকে অবশ্যই এসসি-এসটিতে ক্রিমি লেয়ার চিহ্নিত করতে হবে। সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দিতে হবে তাদের। কিন্তু এনডিএ সরকার সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ।” তিনি বলেন, “এসসি-এসটি সংরক্ষণের বিধান হওয়া উচিত সংবিধান মেনে।”

    বৈঠকে মন্ত্রিসভা

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকেই সংবিধানে প্রদত্ত এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু আম্বেডকরের সংবিধানে এসসি-এসটি’র জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই, সেহেতু সংবিধান অনুযায়ীই সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    চলতি মাসের শুরুর দিকে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে (Ashwini Vaishnaw) সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এসসি-এসটি বিভাগে কোটা যুক্ত করার অনুমোদন দেয়। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এসসি-এসটি ক্যাটেগরির মধ্যে একটি নয়া সাব ক্যাটেগরি তৈরি করা যেতে পারে। এর অধীনে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য আলাদা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে (Supreme Court)। শুক্রবার, বিজেপির এসসি-এসটি সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধি দল দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপি সাংসদ ফাগ্গান সিং কুলাস্তে। সেখানে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি ক্রিমি লেয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবেন না।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আমাদের বৈঠকের সময় আমরা এসসি/এসটি সংরক্ষণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের দ্বারা প্রকাশিত ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে  আলোচনা করেছি, যা এসএস/এসটি সম্প্রদায়ের ক্রিমি লেয়ারকে চিহ্নিত করার ও তাদের সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।”

    তিনি বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মতামতের সঙ্গে এক মত হয়েছেন। এবং এটি বাস্তবায়ন না করার অঙ্গীকার করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছি।”

    অশ্বিনীর মতো প্রায় একই বক্তব্য শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের গলায়ও। শুক্রবার লোকসভায় তিনি বলেন, “এসসি/এসটির উপ শ্রেণিবিভাগে ক্রিমি লেয়ারের উল্লেখটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের একটি পর্যবেক্ষণ, সিদ্ধান্তের অংশ নয়। সদস্যদের সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা উচিত নয়।”

    ২০০৫ সালের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, এসসি-এসটির মধ্যে শ্রেণি বিভাজনের এক্তিয়ার কোনও রাজ্যের সরকারের নেই। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ সেই রায় খারিজ করে দিয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও এসসি-এসটির মধ্যে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, উপশ্রেণি চিহ্নিতকরণের বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সমতার নীতি লঙ্ঘন করছে না। তবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এই রায়ের ক্ষেত্রে ঐকমত্যে পৌঁছায়নি বৃহস্পতিবার। বেঞ্চের ছয় বিচারপতি এসসি-এসটির মধ্যে অতি পিছিয়ে পড়া অংশকে চিহ্নিত করে কোটার মধ্যে কোটার সুবিধা দেওয়ায় ছাড়পত্র দিলেও (Supreme Court) ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন (Ashwini Vaishnaw) বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jhulan Yatra 2024: এ বছর ঝুলনযাত্রা কবে? কেন পালিত হয় এই উৎসব? জানুন কাহিনি

    Jhulan Yatra 2024: এ বছর ঝুলনযাত্রা কবে? কেন পালিত হয় এই উৎসব? জানুন কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মের (Hindu Dharma) অন্যতম জনপ্রিয় উৎসব হল ঝুলন যাত্রা (Jhulan Yatra 2024)। এই উৎসব প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে পালিত হয়। ইংরেজি মাস হিসেবে দেখলে জুলাই-অগাস্টের মধ্যেই পড়ে ঝুলন যাত্রা। কৃষ্ণভক্ত বৈষ্ণবদের মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎসব মনে করা হয় ঝুলন যাত্রাকে। ঝুলন উৎসব পূর্ণিমায় অনুষ্ঠিত হয় তাই একে শ্রাবণী পূর্ণিমাও বলা হয়। শ্রাবণ মাসের শুক্লা পক্ষের একাদশী তিথি থেকে রাখিপূর্ণিমা — এই পাঁচ দিন ধরে ঝুলনযাত্রা পালন করা হয়। দোলযাত্রা এবং জন্মাষ্টমীর মতোই কৃষ্ণ ভক্তরা এই উৎসবে প্রভুর বন্দনায় মেতে ওঠেন। ২০২৪ সালের ঝুলন যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে ৩১ শ্রাবণ শুক্রবার। ইংরেজি তারিখ হিসেবে ১৬ অগাস্ট।

    হিন্দু বাড়িগুলিতেও রাধাকৃষ্ণের ভক্তরা এই উৎসব (Jhulan Yatra 2024) পালন করেন

    দেশজুড়েই পালিত হয় এই উৎসব (Jhulan Yatra 2024)। এর মধ্যে মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী ও মায়াপুর- ঝুলন যাত্রার জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত হয়ে রয়েছে। ঝুলন যাত্রাকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ ভক্তদের পা পড়ে মথুরা-বৃন্দাবন-পুরী-মায়াপুরে। বৃন্দাবনের মধ্যে শ্রী রূপ-সনাতন গৌড়ীয় মঠ, বাঁকেবিহারী মন্দির এবং রাধারমণ মন্দির, মথুরার দ্বারকাধীশ মন্দির, পুরীর গৌড়ীয় মঠ, ইস্কন মন্দির, গোবর্ধন পীঠ, শ্রী রাধা কান্ত মঠ, শ্রী জগন্নাথ বল্লভ মঠ এবং মায়াপুরের ইসকন প্রভৃতি স্থানে এই উৎসব অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়। দোলনায় অধিষ্ঠিত করা হয় রাধাকৃষ্ণের মূর্তি। ভক্তরা কৃষ্ণ বন্দনায় মেতে ওঠেন। তবে শুধুমাত্র মন্দিরেই নয়, এর পাশাপাশি হিন্দু (Hindu Dharma) বাড়িগুলিতেও রাধাকৃষ্ণের ভক্তরা, এই উৎসব পালন করেন। দুই মূর্তিকে সাজিয়ে পুজো করা হয়। প্রতি পাড়াতেই হিন্দু বালক-বালিকারা এদিন রাধাকৃষ্ণের বেশে সেজে ওঠে।

    শ্রীকৃষ্ণকে হলুদ রঙের বস্ত্র পরালে মিলবে শুভ ফল

    পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে শুধুমাত্র মায়াপুরই নয়, এর পাশাপাশি নবদ্বীপ ও শান্তিপুরেও ঝুলনযাত্রা বড় করেই পালিত হয়। ঝুলন যাত্রায় (Jhulan Yatra 2024) ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাল্যকাল থেকে কিশোর বয়স পর্যন্ত পৌরাণিক ঘটনাগুলিকে পুতুল দিয়ে সাজানো হয়। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, ঝুলন উৎসবে রাধার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণকে দোলনায় অধিষ্ঠিত করলে ভগবানের আশীর্বাদ পাওয়া যায়। কলকাতার বরানগরের পাটবাড়ি আশ্রম ও বউ বাজারের বিখ্যাত রামকানাই অধিকারীর বাড়িতে ঝুলনযাত্রা উৎসব দেখার জন্য প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। হিন্দু শাস্ত্রবিদরা বলছেন, ঝুলন যাত্রার বিশেষ দিনে শ্রীকৃষ্ণকে হলুদ রঙের বস্ত্র পরিয়ে, হলুদ মিষ্টি, হলুদ ফল, হলুদ ফুল সহযোগে পুজো করলে বিশেষ সুফল মেলে। এর পাশাপাশি ঝুলন যাত্রার উৎসবে ময়ূরের পালক কিনে তা ভগবানের পাশে রাখলে খুব তাড়াতাড়ি শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ঝুলন যাত্রার কেন পালিত হয়? বৈষ্ণব শাস্ত্রের কাহিনী জানুন

    হিন্দু শাস্ত্রবিদরা বলছেন, যুগ যুগ ধরেই ঝুলন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দ্বাপর যুগে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বৃন্দাবনে থাকাকালীন তিনি নানা লীলা করেন। কিশোর শ্রীকৃষ্ণ ও রাধারানির প্রেমের অংশই হল ঝুলন যাত্রা উৎসব।

    এই নিয়ে একটি কাহিনীও বৈষ্ণবদের শাস্ত্র অনুযায়ী প্রচলিত রয়েছে। একবার ব্রজের গোপীরা সেজেগুজে কুঞ্জবনে এসেছিলেন, সেখানে তাঁরা রাধা ও কৃষ্ণকে দোলনায় দোল খাওয়াবেন বলে সমবেত হয়েছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ সেদিন রাধাকে নিজের হাতে সাজিয়েছিলেন। বৈষ্ণব শাস্ত্র অনুযায়ী, ঐদিন গোপীরা কোনওভাবেই বুঝতে পারছিলেন না, কোনটা রাধা আর কোনটা কৃষ্ণ! দুজনকেই তাঁরা শ্রীকৃষ্ণ হিসেবে দেখতে পাচ্ছিলেন আবার কখনও দুজনকেই রাধা হিসেবে দেখছিলেন। এভাবেই তাঁরা শ্রীকৃষ্ণকে রাধা মনে করে তাঁকেই দোলনার কাছে নিয়ে যান। রাধা ভেবে গোপীরা শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করেন যে, তাঁর চেহারা এমন পুরুষের মতো কীভাবে হল? কথিত আছে, সেসময় শ্রীকৃষ্ণ রাধার কণ্ঠে জবাব দিয়েছিলেন যে, তাঁর ওপর মন্ত্রপূত জল ফেলে শ্রীকৃষ্ণ এরকম পুরুষালী চেহারা করে দিয়েছেন, তিনি আসলে রাধা। বৈষ্ণব শাস্ত্র মতে, এরপরেই গোপীদের একে একে আড়ালে নিয়ে যেতে থাকেন শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁদের বোঝাতে থাকেন, তিনি রাধা নন। আবার যোগমায়া বলে গোপীদের সেসব কথা তিনি ভুলিয়েও দেন। এরপরে জানা যায়, রাধা গোপীদের শ্রীকৃষ্ণের (Jhulan Yatra 2024) ছলনা ধরিয়ে দিয়েছিলেন। গোপীদের ভুল ভেঙেছিল এর ফলে। তারপর একে একে সমস্ত সখীরা, রাধাকৃষ্ণকে দোলনায় বসিয়ে দোল খাইয়েছিলেন। সেই থেকে শুরু ঝুলনযাত্রা। সাধারণভাবে ঝুলনে রাধাকৃষ্ণের মূর্তি পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে দোল খাওয়ানোর রীতি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • J&K Assembly Election: জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন দোড়গোড়ায়, ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের

    J&K Assembly Election: জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন দোড়গোড়ায়, ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন আসন্ন। এমনই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমার। সম্প্রতি একটি (Election Commission) বৈঠকে রাজীব কুমার বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের বিধানসভা নির্বাচনের (J&K Assembly Election) মাধ্যমে তাঁদের নিজস্ব সরকার করার সময় এসেছে। সময় এসেছে বিধানসভা নির্বাচনের মাধ্যমে আপনার নিজের সরকার তৈরি করার।”

    নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ভূস্বর্গ (J&K Assembly Election)

    বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে অপর দুই নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) জ্ঞানেশ কুমার এবং এস এস সন্ধু ছিলেন। রাজীব কুমার এদিন বলেন, “এখন, সময় এসেছে যে স্বপ্নগুলি আপনারা আমাদের দেখিয়েছিলেন তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।” রাজীব এখানে লোকসভা নির্বাচনের উদাহরণ প্রস্তুত করেন। লোকসভা নির্বাচনের সময় উপত্যকার ভোটকেন্দ্রগুলির সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছিলেন স্থানীয়রা। যদিও নির্বাচন্ন আসন্ন জানালেও তাঁর দিনক্ষণ জানা যায়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়া কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্বাচন কমিশনের তরফে দেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য-স্তরের (J&K Assembly Election) প্রাথমিক পর্যালোচনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অমরনাথ যাত্রা শেষ হবে ১৯ অগাস্ট। নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করার আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বাহিনীর প্রাপ্যতার মূল্যায়ন হবে।

    ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই নির্বাচন (Election Commission)

    কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ৩০ সেপ্টেম্বরের (J&K Assembly Election) সময়সীমা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার জানান, “আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এটি মাথায় রাখব।” অগাস্টে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনার জম্মু-কাশ্মীরের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, সারা দেশ জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের উৎসাহকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভোটারদের সুবিধার্থে প্রতি দুই কিলোমিটারে একটি ভোট কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি কভারেজ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ”ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা”, অভিযোগ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডেরই

    জম্মু অঞ্চলে জঙ্গি হামলায় সাম্প্রতিক বৃদ্ধির বিষয়ে রাজীব কুমার জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ২০৫টি সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা, ইউনূসকে খোলা চিঠি ঐক্য পরিষদের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ২০৫টি সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা, ইউনূসকে খোলা চিঠি ঐক্য পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা পদত্যাগের পর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে হিন্দু সহ সংখ্যালঘুদের ওপর। এবার সেই দেশের সংখ্যালঘুররা জোটবদ্ধ হয়ে সরব হয়েছেন। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বিদায়ের পর বাংলাদেশের ৫২টি জেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর হামলার ২০৫টি ঘটনার বিবরণ দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ তথা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠিও দেওয়া হয়েছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নজরুল হামিদ মিলনায়তনে চিঠি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।

    চিঠিতে কী লেখা রয়েছে? (Bangladesh Crisis)

    খোলা চিঠিটি ইউনূসকে একটি নতুন যুগের প্রধান হিসেবে স্বাগত জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনায় গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঐক্য পরিষদ। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, অনেক হিন্দু মন্দিরে (Bangladesh Crisis) আগুন দেওয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার পরিবার বাড়়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে। একাধিক স্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং বহু নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এই সময়ে অন্যান্য সংখ্যালঘুরাও দুর্ভোগ সহ্য করেছে। ৫ অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক হিংসার ফলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা চরম আতঙ্ক, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তয় রয়েছেন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহল নিন্দা জানিয়েছে। এই পরিস্থিতির অবিলম্বে অবসান দাবি করা হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ পুজো উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের শপথ অনুষ্ঠান থেকে কোরান ছাড়া অন্য ধর্মগ্রন্থ বাদ দেওয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    ৫২টি জেলায় হিন্দু নিপীড়নে ২০৫টি ঘটনা

    ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি যে এখন পর্যন্ত ৫২টি জেলায় (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু নিপীড়নের অন্তত ২০৫টি ঘটনা ঘটেছে। আমরা সুরক্ষা চাই। কারণ, আমাদের জীবন একটি বিপর্যয়পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আমরা রাত জেগে আমাদের বাড়িঘর ও মন্দির পাহারা দিচ্ছি। এমন ঘটনা আমার জীবনে দেখিনি। দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুনরুদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ বাদ দেওয়া আমাদের সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বৈষম্যবিরোধী। আমরা আশা করি যে, সমস্ত প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাধ্য না হলে কেউ তাদের বাড়ি, মন্দির বা তুলসী গাছ ছেড়ে যায় না। অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য এখন অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন। আমিও এক বন্ধুর বাড়িতে থাকতে বাধ্য হচ্ছি।”  

    নিপীড়নে জড়িতদের শাস্তির দাবি

    কাউন্সিলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজল দেবনাথ বলেন, “যারা সংখ্যালঘুদের (Bangladesh Crisis) নিপীড়নে জড়িত তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক কারণে কোনও সংখ্যালঘু ব্যক্তির ওপর হামলা হলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।” প্রেসিডিয়ামের আরেক সদস্য সুব্রত চৌধুরী বলেন, “আমরা সংখ্যালঘু নিপীড়ন বন্ধ করার বিষয়ে অনেক কথা শুনেছি। কিন্তু, আমরা কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখিনি। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য ও সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।” প্রেসিডিয়াম সদস্য রঞ্জন কর্মকার এবং বাসুদেব ধর উপস্থিত ছিলেন পরিষদের বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Medical College: তদন্ত কমিটিতে ইন্টার্ন! আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় সিবিআই দাবি শুভেন্দুর

    RG Kar Medical College: তদন্ত কমিটিতে ইন্টার্ন! আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় সিবিআই দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Medical College) ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে যে ১১ জনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ওই ১১ জনের কমিটিতে কয়েকজন ইন্টার্ন ডাক্তারও রয়েছেন। যাঁরা রেজিস্টার্ড ডাক্তারই নন, তাঁরা কী করে এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় তদন্তভার পেতে পারে, প্রশ্ন তুলে গোটা ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে শুক্রবার রাতে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা। 

    তদন্ত কমিটি নিয়ে প্রশ্ন 

    বিরধী দলনেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠনের নামে আদতে অভিযুক্তদের আড়াল করা হতে পারে। এক্স হ্যান্ডলে বিরোধী দলনেতার পোস্ট, রাজ্য সরকার ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই কমিটিতে কয়েকজন ইন্টার্ন রয়েছেন। আমার ধারণা, রাজ্য সরকার নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে অথবা তারা বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে নারাজ। সরকারি হাসপাতালে (RG Kar Medical College) কীভাবে এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। লেখেন, ‘‘ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধ লুকাতে চেষ্টা করছে বলেও সরাসরি তোপ দাগেন তিনি। এর খানিকক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পড়ুয়াদের সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। 

    সিবিআই তদন্তের দাবি (CBI Investigation)

    আরজি করে (RG Kar Medical College) ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সংশ্লিষ্ট ঘটনাটির প্রসঙ্গে শুভেন্দুর বক্তব্য, ‘‘এমন ঘটনা কখনও এই রাজ্যে হয়নি। আমরা রাজ্যের মানুষের সঙ্গে আছি। শীঘ্রই এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দরকার।’’ আন্দোলনকারী মেডিক্যাল পড়ুয়াদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে শুভেন্দুর অভিযোগ, রাজ্য নাম কা ওয়াস্তে তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে চাইছে। তাই সিবিআই তদন্ত হওয়া জরুরি। মেডিক্যাল পড়ুয়াদের এ ব্যাপারে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে না দেয় তাহলে পরিবারকে শুভেন্দু অধিকারীর পরামর্শ, ‘‘আপনারা আদালতের দ্বারস্থ হন।‌ আমরা পাশে থাকব।’’

    কী ঘটেছিল (RG Kar student death)

    শুক্রবার, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (RG Kar Medical College) মহিলা চিকিৎসক পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। তিনি চেস্ট ডিপার্টমেন্টের পোস্ট গ্রাজুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ডিপার্টমেন্টের সেমিনার রুম থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। দেহের পাশে মোবাইল, ল্যাপটপ, ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেহ মাটিতে পড়ে ছিল সংজ্ঞাহীন অবস্থায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্নাতকোত্তর স্তরে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ওই ছাত্রী বৃহস্পতিবারও রাত ২টো পর্যন্ত হাসপাতালের ওয়ার্ডে ডিউটি করেন। পরে কর্মরত আরও দুই জুনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া সেরে পড়াশোনার জন্য সেমিনার হলে চলে যান ওই তরুণী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়ুয়ার দেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও অর্ধনগ্ন অবস্থায় তাঁকে পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। মৃতের চিকিৎসক বন্ধুদের অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    কেন সিবিআই (RG Kar student death)

    ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে না এলেও পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ডাক্তারি ছাত্রীর যৌনাঙ্গ-সহ দেহের বিভিন্ন অংশে অন্তত ১০টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘শারীরিক নির্যাতন করে তরুণী ডাক্তারি পড়ুয়াকে খুন করা হয়েছে। ধর্ষণের সম্ভাবনার বিষয়টিও সামনে আসছে। সে কারণেই সিবিআই তদন্তের দাবি।’’ পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে অভিযুক্তদের আড়াল করার অভিযোগ এনেছেন বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পাল, কাউন্সিলর সজল ঘোষ, আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, ‘‘আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Medical College) এইভাবে শিক্ষার্থী পড়ুয়া ডাক্তারকে, শারীরিক অত্যাচার করে খুন করা, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে আইনশৃঙ্খলার অবনতির বড় প্রমাণ, আমি গোটা রাজ্যের ছাত্র সমাজকে বলছি, মাঠে নামুন। প্রয়োজনে পতাকা ছাড়া নামুন। পুরো রাজ্যের মানুষ আপনাদের সঙ্গে আছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার দাবিতে প্রবাসীদের প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনে

    Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার দাবিতে প্রবাসীদের প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশ জুড়ে হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। বাড়ি ভাঙচুর করে লুটপাটের ঘটনা ঘটছে। মহিলাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে একের পর এক মন্দির। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু অসহায় হিন্দুদের সুরক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হলেন বাংলাদেশি (Bangladesh Protest Rally) ও ভারতীয় প্রবাসী সদস্যরা। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিরুদ্ধে মৌলবাদী গোষ্ঠীর নৃশংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের (London) রাজপথে প্ল্যাকার্ড হাতে শত শত মানুষ সামিল হন।

    প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ (Bangladesh Protest Rally)

    বাংলাদেশি (Bangladesh Protest Rally) এবং ভারতীয় প্রবাসী সদস্যরা আইকনিক বিগ বেনের কাছে জড়ো হন। সেখান থেকে প্রতিবাদ মিছিল করে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে যান। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করার দাবিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে সরব হন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকেরাও যোগ দিয়েছিলেন। সংখ্যালঘুদের অবস্থা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। বিশেষ করে, হিন্দুরা যাঁরা রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দেশজুড়ে গণহত্যার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। মিছিলে প্রতিবাদকারীদের হাতে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসা বন্ধ করার প্ল্যাকার্ড দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিটিশ সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ এবং অপরাধীদের চিহ্নিত ও শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভকারীরা ৫ অগাস্ট সারা বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ৪০টিরও বেশি ঘটনার একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    বিক্ষোভকারীরা কী বললেন?

    প্রতিবাদ মিছিলের (Bangladesh Protest Rally) পর প্রতিবাদকারীদের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাই এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের ধর্ষণ ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়। মানবাধিকার লঙ্ঘন উদ্বেগজনক এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী বিক্ষোভকারীদের আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের জন্য এটা একটি গুরুতর হুমকি। চরমপন্থী গোষ্ঠী এবং নির্দিষ্ট কিছু ইসলামিক সংগঠন রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ সালের ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি ভাঙচুর করে অপমান করা হয়েছে। এসব ঘটনা ইঙ্গিত করে যে চরমপন্থীরা রাজনৈতিক ইস্যুকে সামনে রেখে এসব করছে। কারণ, ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতে মূর্তি নিষিদ্ধ।

    বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ

    হাসিনা পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশ (Bangladesh Protest Rally) জুড়ে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে। এর আগে,  অস্ট্রেলিয়ান ইহুদি অ্যাসোসিয়েশনও (এজেএ) বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। মঙ্গলবার ৬ অগাস্ট  জারি করা একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ান ইহুদি অ্যাসোসিয়েশনের সিইও রবার্ট গ্রেগরি বলেন, “বাংলাদেশে আমরা হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের ভয়ঙ্কর ফুটেজ দেখেছি। অস্ট্রেলিয়ার সরকারকে অবশ্যই নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Railway Projects: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    Railway Projects: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আটটি বড় রেল প্রকল্পের (Railway Projects) অনুমোদন দিল মোদি সরকার (Modi Government)। জানা গিয়েছে, প্রকল্পগুলি দেশের সাতটি রাজ্যের ১৪টি জেলাতে বাস্তবায়িত হবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বসেছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক (Modi Cabinet) এবং সেখানেই আটটি বড় রেল প্রকল্পকে (Railway Projects) অনুমোদন দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পগুলিতে মোট খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি টাকা, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক বিবৃতিতে সংবাদ মাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন। অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও জানান, এর ফলে নতুন রেললাইন সম্প্রসারণের কাজও যেমন হবে, তেমনই যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত হবে।

    কোন কোন রাজ্যে হবে এই প্রকল্প (Railway Projects)? 

    জানা গিয়েছে, এই রেলওয়ে প্রকল্পগুলির অন্তর্ভুক্ত রাজ্যগুলি হল— ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, তেলঙ্গানা এবং পশ্চিমবঙ্গ। এর ফলে ভারতের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক আরও ৯০০ কিলোমিটার বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। আটটি এই বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৬৪টি নতুন স্টেশনে গড়ে উঠবে এবং এর ফলে যুক্ত হতে পারবেন ৫১০টি গ্রামের প্রায় ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ, একথা জানিয়েছে কেন্দ্র (Modi Cabinet)। ওই প্রেস বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, অজন্তা গুহা যা কিনা ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি পেয়েছে, তাও এবার জুড়বে রেলওয়ে প্রকল্পের (Railway Projects) মাধ্যমে।

    প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৩২.২০ কোটি লিটার জ্বালানি বেঁচে যাবে

    মোদি সরকারের (Modi Government) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যে রাজ্যগুলিতে এই প্রকল্প শুরু হতে চলেছে সেগুলি পণ্য সামগ্রী যাতায়াতের ক্ষেত্রে এবং কৃষিভিত্তিক পণ্যের সরবরাহের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি, এই সমস্ত রাজ্যগুলি দিয়েই কয়লা, সার, লোহা, স্টিল, সিমেন্ট, অ্যালুমিনিয়াম পাউডার সরবরাহ হয়। এর পাশাপাশি, বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় রেল (Railway Projects) হল পরিবেশবান্ধব একটি যোগাযোগের মাধ্যম। এর পাশাপাশি, উন্নত ও দ্রুতগামী যাতায়তের মাধ্যমও বটে। রেলের এই প্রকল্পগুলির (Railway Projects)  মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা যেমন সহজ হবে তেমনই পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র (Modi Cabinet)। আরও জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিবছর ৩২.২০ কোটি লিটার জ্বালানি বেঁচে যাবে এবং এর ফলে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমন ০.৮৭ মিলিয়ন টন কমবে, যা সাড়ে তিন কোটি বৃক্ষরোপণের সমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PMAY: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    PMAY: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিএম আবাস যোজনার আওতায় (PMAY) তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi Cabinet) বৈঠকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awaas Yojana) আওতায় নির্মিত এই বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ এবং এলপিজি কানেকশন দেওয়া হবে। সব বাড়িতে বসানো হবে জলের কলও। অর্থাৎ বাড়িগুলোতে জল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের কোনও অভাব থাকবে না। গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকা মিলেই এই নতুন তিন কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। 

    কোথায় কত বাড়ি, কত টাকা বরাদ্দ (PMAY)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ৩ কোটি বাড়ির মধ্যে ২ কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) এর অধীনে এবং এক কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-আরবানের (PMAY-U) অধীনে নির্মিত হবে। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, এটি “এনডিএ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।” তিনি জানান, আবাস যোজনা প্রকল্পে (Pradhan Mantri Awaas Yojana) গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলের জন্য পৃথক পৃথক অর্থ প্রদান করবে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY-2.0) শহরাঞ্চলে আরও ১ কোটি বাড়ি তৈরি হবে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের সাহায্যার্থে এই প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বাড়ির জন্য ২.৩০ লক্ষ টাকা ভরতুকি দেবে কেন্দ্র। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে বাড়ি তৈরির জন্য কেন্দ্রের ভরতুকির মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ৫ বছর পর্যন্ত। ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষ পর্যন্ত তা মিলবে। এর জন্য ৩ লক্ষ ৬ হাজার ১৩৭ কোটি বরাদ্দ করা হচ্ছে। যার মধ্যে অধিকাংশ টাকা দেবে কেন্দ্র, বাকিটা রাজ্যের প্রদেয়।

    আরও পড়ুন: ফাঁকা স্ট্যাম্প পেপারে সই! পরিবারকে পণবন্দি করে হিন্দুদের লুট বাংলাদেশে

    কারা সুবিধা পাবেন

    বিবৃতি অনুসারে, ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত অবশিষ্ট ৩৫ লক্ষ অসম্পূর্ণ বাড়িগুলির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, “২০২৪-২০২৯ এই পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণের (PMAY-G) অধীনে আরও দুই কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। এর ফলে প্রায় ১০ কোটি লোক উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।” দেশের সমস্ত মানুষ পাবেন পাকা ছাদ। এই লক্ষ্য নিয়ে পিএম আবাস যোজনা (PMAY) নিয়ে আসা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যাঁদের বাড়ি নেই তাঁরা এই যোজনার মাধ্যমে লাভ তুলতে পারবেন। একই সঙ্গে বিপিএল তালিকাভুক্তরা এই যোজনার লাভ পাবেন। এই নির্মাণের জন্য সমতল এলাকায় ১.২০ লক্ষ টাকা এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের রাজ্যগুলি এবং হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলিতে ১.৩০ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে (Modi Cabinet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: মুখে ‘জয় শ্রীরাম’, নদী পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা বাংলাদেশিদের, রুখল বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: মুখে ‘জয় শ্রীরাম’, নদী পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা বাংলাদেশিদের, রুখল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। গত জুলাই মাস থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি দেশজুড়ে। হাসিনা পদত্যাগ করার পর লাগামছাড়া অত্যাচার শুরু হয়েছে হিন্দুদের ওপর। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীরা আতঙ্কিত। এই আবহের মধ্যে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় চেয়ে সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন শ’য়ে শ’য়ে মানুষ। সকলেই ভারতে আশ্রয় চান। তাঁদের সীমান্তেই আটকে দিয়েছে বিএসএফ। তবে, জিরো পয়েন্টে দাঁড়িয়েই থাকেন ওই শরণার্থীরা। কেউ কেউ আওয়ামি লিগের নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। কেউ কেউ ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেন। শুক্রবার এমনই দৃশ্য চোখে পড়ল কোচবিহারের (Cooch Behar) শীতলখুচির পাঠানটুলি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে।

    সীমান্তে ভিড় শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির (Bangladesh Crisis)

    বুধবার জলপাইগুড়ির বেরুবাড়িতে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন অনেক মানুষ। ওই স্থানে কাঁটাতার নেই। বিএসএফ জানায়, তাঁরা জিরো পয়েন্টে অপেক্ষা করছিলেন। সকলে ভারতে ঢোকার অনুমতি চান। যদিও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ফেরত পাঠায় বিএসএফ। শুক্রবার দেখা যায়, আরও বেশি সংখ্যক মানুষ বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসার জন্য শীতলখুচির পাঠানটুলিতে জড়ো হয়েছেন। বিএসএফ অবশ্য তাঁদের সীমান্তের ফেন্সিংয়ের আগেই আটকে রাখে। তখনই জিরো পয়েন্টে মাটিতে বসে হাসিনার সরকারের সমর্থনে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বিএসএফ সূত্রে খবর, বাংলাদেশের লালমণিরহাট জেলার গাইবান্দা, পশ্চিম গোতামারি, পূর্ব গোতামারি, ডাকুয়াটারি এলাকা থেকে ওই বাসিন্দারা এসেছেন।

    ‘জয় ভারত মাতা’, ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশি সীমান্তের পাশে ডাকুয়াটারির খর্ব নদীর পারে জমায়েত হন ওই বাংলাদেশিরা। নদীর জলে নেমে হাসিনার সমর্থনে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি ওই বাংলাদেশিরা ‘জয় ভারত মাতা’, ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে থাকেন। কেউ কেউ চিৎকার করে বলেন, ‘‘বাড়ির মা, বোনেদের তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে।’’ শেষ পর্যন্ত অবশ্য ভারতে প্রবেশ করতে পারেননি তাঁরা। সীমানায় মোতায়েন থাকা বিএসএফের ১৫৭ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা তাঁদের জিরো পয়েন্টে আটকে দেন। পরে বিএসএফ একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই স্থানে প্রায় হাজার জন ছিলেন। প্রত্যেকে ভারতে ঢুকতে চান। তবে, জওয়ানেরা তাঁদের কর্তব্যে অবিচল ছিলেন। তাঁরা বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেন ওই বাংলাদেশি (Bangladesh Crisis) নাগরিকদের।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    সীমান্তে বিএসএফ-এর সঙ্গে সেনাও মোতায়েন

    গৌড়বঙ্গের মালদা-দিনাজপুর ও প্রায় ৭০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। সেই সব এলাকাতেও সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় আশঙ্কা রয়েছে ভারতে অনুপ্রবেশেরও। সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে বিএসএফ জওয়ানের সংখ্যা। এতেও সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাই মালদা ও দুই দিনাজপুর জেলার সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে ভারতীয় সেনাও। তিন জেলায় নিযুক্ত বিএসএফের ব্যাটালিয়নকে হেলিপ্যাড তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এ নিয়ে রাজ্য পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগকেও সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উত্তরবঙ্গে সীমান্তে এখন বাংলাদেশি (Bangladesh Crisis) নাগরিকরা জড়ো হয়েছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সীমান্তগুলি কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার (Cooch Behar), উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে মালদা, সমস্ত জেলায় বিএসএফ-এর পাশাপাশি সেনাও মোতায়েন করা হয়েছে কিছু সীমান্তে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি, মালদার মহদিপুর ও উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর সীমান্তে দল গঠন করে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সেনার দলগুলি সীমান্তে অস্থায়ী ছাউনিতে থাকছে। তেমন কোনও ঘটনা ঘটলে যাতে দ্রুত মোকাবিলা করা যায় তার জন্যই আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share