Tag: Bengal news

Bengal news

  • TMC: চোর তাড়াও, গ্রাম বাঁচাও! তৃণমূলের বিরুদ্ধে পোস্টারে ছয়লাপ এলাকা, কারা দিল?

    TMC: চোর তাড়াও, গ্রাম বাঁচাও! তৃণমূলের বিরুদ্ধে পোস্টারে ছয়লাপ এলাকা, কারা দিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের অলিতেগলিতে পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ করল বিজেপি। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে চোর তাড়াও, গ্রাম বাঁচাও। এমনই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের মনোহরপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোহরপুর ও হরিসিংপুর গ্রামে। একইসঙ্গে সিপিএমও গ্রামজুড়ে পোস্টার দিয়েছে। এই পঞ্চায়েতে দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল (TMC) ক্ষমতায় রয়েছে। পোস্টারে কোনও দলের নাম নেই। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তাই ভোটের আগে তৃণমূলকে (TMC) টার্গেট করে এই পোস্টার দিয়েছে বিরোধীরা। যা নিয়ে জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    পোস্টার দেওয়া নিয়ে বিরোধীদের কী বক্তব্য?

    পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও জোরদার করছে বিরোধীরা। বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ জানা বলেন, রাজ্যজুড়ে সর্বস্তরে তৃণমূল (TMC) দুর্নীতি করেছে। দুর্নীতির দায়ে একাধিক বিধায়ক, মন্ত্রী সব জেলে রয়েছে। আমাদের এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল নেতারা সব দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। গ্রাম ভাল রাখতে এই দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তাই, আমরা পাড়ায় পাড়ায় এই পোস্টার দিয়েছি। এতে মানুষকে অনেকটাই সচেতন করা যাবে। সিপিএম নেতা সমীর হাজরা বলেন, ১০০ দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবাস যোজনার বাড়ি, এলাকার সাধারণ মানুষকে না দিয়ে সমস্ত কিছুর সুবিধা নিয়েছে তৃণমূলের (TMC) নেতা কর্মীরা। তারা সকলেই চোর। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আমাদের মূল স্লোগান চোর তাড়াও, গ্রাম বাঁচাও।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    পোস্টার নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ করেছে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। তৃণমূলের ঘাটাল ব্লকের সভাপতি দিলীপ মাঝি বলেন, বিজেপি-সিপিএম যে এক তা এই ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেল। তৃণমূল (TMC) যা উন্নয়ন করেছে সেই নিরিখে মানুষ আমাদের ভোট দেবে। আর এসব দেখে বিরোধীরা ভয় পেয়ে গিয়েছে। তাই, পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসবে, বাম-রাম সব এক হয়ে যাবে। তবে, এসব পোস্টার দিয়ে লাভ নেই। বরং, এসব করার জন্য এলাকার মানুষ ওদের সহজেই চিনতে পারছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: গোটা রাজ্যে ফের বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    Nabanna: গোটা রাজ্যে ফের বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা রাজ্যে ফের মাস্ক আর স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, আর গাফিলতি করা যাবে না। তাই শীঘ্রই মুখ্যসচিব এক নির্দেশিকা প্রকাশ করতে চলেছেন বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

    একদিকে যেভাবে গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ সকলকে রীতিমতো বিপাকে ফেলেছে, অন্যদিকে করোনা ফের ব্যাট হাতে নেমে পড়েছে। আর শুধু নামাই নয়, ভালো পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যাটিংটাও করতে শুরু করেছে। যার ফলে প্রতিদিন রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে একরকম প্রস্তুতি নিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও যেভাবে করোনা ফের ভাবাচ্ছে, তাতে সকলের কপালেই ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। একে গরম অসহনীয় হয়ে পড়েছে, তার সঙ্গে আবার নতুন করে মাস্ক আর স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক হতে চলেছে।

    করোনা নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাই সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সোমবার ওই বৈঠকে তিনি বলেছেন, ফের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে এবং ভালো করে হাত ধুতে হবে। সরকারি অফিসে ও অন্যত্র নিয়মিত স্যানিটাইজ করতে হবে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, তিনি মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করতে বলেছেন। বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সবাই মাস্ক পরুন। হাত নিয়মিত স্যানিটাইজ করুন। পুরসভাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেন নিয়মিত বাজার ও অন্যান্য জনবহুল এলাকায় স্যানিটাইজ করে। 

    হাসপাতালকে বলা হয়েছে প্রস্তুত থাকতে

    সারা দেশেই করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ছে। তাই এই সতর্কতা। করোনা ঠেকাতে হাসপাতালগুলি প্রস্তুত কিনা, তা নিয়ে সম্প্রতি দেশ জুড়ে মক ড্রিল করা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকেও সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, পরিকাঠামোর দিক থেকে কোনও খামতি যেন না থাকে। বিশেষত, অক্সিজেন যেন থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rozgar Mela: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    Rozgar Mela: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুসরণ করুন। বেকার যুবকদের পুলিশের লাঠির বাড়ি নয়, চাকরি দিন। যুবরাই দেশের ভবিষ্যৎ। বৃহস্পতিবার এনজেপি-তে রোজগার মেলা (Rozgar Mela) অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি এই আবেদনই জানালেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। এদিন কাশ্মীর কলোনিতে রেলের ভিআইপি গেস্ট হাউসে এই রোজগার মেলায় মোট ২৫৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২১২ জন রেলের। এদিন একই সময়ে দেশের অন্যান্য স্থানেও এই রোজগার মেলার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দফতরে মোট ৭১ হাজার ৫০৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    পশ্চিমবঙ্গে বেকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    নিশীথ প্রামাণিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশকে সমৃদ্ধ করতে প্রতিশ্রুতিমতো যুবদের চাকরি (Rozgar Mela) দিয়ে চলেছেন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বেকার ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য রাস্তায় ধর্না দিচ্ছে। ন্যায্য দাবির সেই কন্ঠকে রোধ করতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পুলিশ দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের পেটাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে বলবো, প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা না করে তাঁকে অনুসরণ করুন। বেকার ছেলেমেয়েদের পুলিশের লাঠির বাড়ি নয়, চাকরি দিন। তাঁরাই দেশের ভবিষ্যৎ। এক প্রশ্নের উত্তরে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি চুরি করছেন। এক যুগ ধরে এরাজ্যে সরকারি দফতরে নিয়োগ নেই, শিল্প নেই। বেকার ছেলেমেয়েরা রাস্তায় কাঁদছে। সরকারি চাকরিজীবীরা ন্যায্য ডিএ’র জন্য ধর্না দিচ্ছেন। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার সবদিকেই  চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন সবেতেই ব্যর্থ। অর্থনৈতিক দিক থেকেও বেহাল অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে এই রাজ্য। তবু এদের দুর্নীতি থেমে নেই। একের পর এক তদন্তে সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতারা ধরা পড়ছেন। আগামীতে আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে। 

    ‘খেলো ইন্ডিয়া’ নিয়ে রাজ্যকে তোপ

    রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) এক প্রশ্নের উত্তরে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, দুঃখ লাগে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় কেন্দ্রের ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এরাজ্যের খেলাধুলোর উন্নয়নে কোনও উদ্যোগ নেননি। খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র তৈরির জন্য সব রাজ্যের কাছে প্রস্তাব চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। সবাই সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে একাধিক খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র তৈরি করে ফেলেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ কোনও প্রস্তাব পাঠায়নি, বারবার বলা সত্ত্বেও। তাই রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো উত্তরবঙ্গ খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অথচ উত্তরবঙ্গে ফুটবল-ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স-এর প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। এদের আত্মপ্রকাশের জন্য রাজ্য সরকার কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না। শিলিগুড়িতে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রয়োজন রয়েছে। সে ব্যাপারেও মুখ্যমন্ত্রী কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তাঁরা যদি প্রস্তাব দেন, তাহলে কেন্দ্র সরকার শিলিগুড়িতে ক্রিকেটের জন্য স্টেডিয়াম তৈরি করে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে রাজ্যজুড়ে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। রাজ্যবাসী চাতক পাখির মতো অপেক্ষায়, কখন বৃষ্টি নামবে। ঠিক এরকমই একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে পানীয় জলের তীব্র সংকট। প্রচণ্ড গরমে একটু পানীয় জলের জন্য মাথা খুঁড়ে মরলেও তা মিলছে না। এমনই করুণ অবস্থা চলছে আসানসোলের বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এমনই। তাঁদের আরও অভিযোগ, এই সমস্যার কথা পুর কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করছে না। ফলে প্রচণ্ড গরমে অশেষ দুর্ভোগের মধ্য দিয়েই তাঁদের দিন কাটাতে হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP Demonstration)। 

    আন্দোলনে বিজেপি, নেতৃত্বে অগ্নিমিত্রা পল

    পানীয় জল সহ একাধিক দাবি নিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার পক্ষ থেকে বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বুধবার ঘেরাও করা হল (BJP Demonstration) আসানসোল পৌর নিগমের ৭ নম্বর বরো অফিস। বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করে আসেন ৭ নম্বর বরো অফিসের সামনে। পুলিশ সেই সময় ব্যারিকেড তৈরি করে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। যদিও পুলিশের সেই ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিস চত্বরে ঢুকে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

    এদিনের এই ঘেরাও কর্মসূচিতে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল বলেন, বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সংকট রয়েছে। ওই সমস্যা মেটাচ্ছে না পৌরসভা। পাশাপাশি এদিন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিসের সামনে চলে আসার ঘটনাটিও অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি কখনও নিয়ম ভাঙে না। বিজেপি নেত্রী বলেন, মানুষ জল পাচ্ছে না। হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার দূরে গিয়ে জল আনতে হচ্ছে। সারাদিনে একবার হয়ত জল আসে। অনেক সময় তাও আসে না। মানুষ কেন জল পাচ্ছে না, তার জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে। প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা চুরি করছেন, দুর্নীতি করছেন, জায়গায় জায়গায় কেন্দ্রীয় সরকারের জমি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ সামান্য জলটুকুও পাচ্ছে না। এসবের জবাব চাইতেই আমরা এসেছি (BJP Demonstration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল মানুষ যখন পরিবেশ (Environment) ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করার খেলায় মত্ত, ঠিক তখনই দুর্গাপুরের এক দম্পতি নজির সৃষ্টি করলেন। দেশ ও দশের জন্য তাঁদের উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা দেখে অনেকেই মুগ্ধ। পরিবেশ রক্ষার আর্জি সরাসরি দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দিতে তাঁদের উদ্যোগও প্রশংসনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    কী উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুরের ওই দম্পতি?  

    দুর্গাপুর জবরপল্লির বাসিন্দা শ্রী পৃথ্বীরাজ সঞ্জয় চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি রমা চক্রবর্তী বিগত ৫২ দিন ধরে পায়ে হেঁটে প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দুর্গাপুর থেকে দিল্লি পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে একবার দেখা করে তাঁদের আর্জি সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছে দেবেন, একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই। যে মহৎ উদ্দেশে এতদূর পথ পায়ে হেঁটে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন, তা হল, আমাদের এই ধরিত্রীকে (Environment) রক্ষা করা এবং তার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ। 
    দুর্গাপুর থেকে তাঁরা যাত্রা শুরু করেছিলেন চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিঠিতেই তাঁরা জানিয়েছেন, টানা ৫২ দিনে অতিক্রম করেছেন ১৫০০ কিলোমিটার পথ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে কী কী আর্জি তাঁরা জানালেন?

    ছোট্ট চিঠিতে খুবই সংক্ষেপে তাঁরা যেসব আর্জি জানিয়েছেন, সেগুলি হল: “সেভ রিভার গঙ্গা”, ভারতবর্ষের লাইফলাইন এবং পবিত্রতম নদী মা গঙ্গাকে বাঁচানো। পরিবেশকে (Environment) বাঁচাতে প্রতিটি বাড়িতে, স্কুলে, রাস্তার পাশে গাছ লাগানো। মাটিকে শুদ্ধ রাখার তাগিদে বজ্র্য পদার্থকে প্রকৃত ব্যবস্থাপনা করা। বৃষ্টির জল ধরে রেখে তার সঠিক ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। সৌরবিদ্যুৎ চালিত আলো রাস্তায় এবং ঘরে ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। মহিলা স্বশক্তিকরণের উদ্দেশে আরও বেশি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং যে কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর হাসপাতালের বিল মুকুব করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buxa Tiger Reserve: বক্সার জঙ্গলে দাপিয়ে বেড়াবে ৩০ টি হাইস্পিড মোটরবাইক, কেন এই সিদ্ধান্ত?

    Buxa Tiger Reserve: বক্সার জঙ্গলে দাপিয়ে বেড়াবে ৩০ টি হাইস্পিড মোটরবাইক, কেন এই সিদ্ধান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকালয়ে আসা হাতিদের তাড়ানোর বিষয়টি তো আছেই। এমনকী বক্সার জঙ্গলে (Buxa Tiger Reserve) কাঠের চোরাশিকারিদের হদিশ পেলেই ছুটে যাবে হাইস্পিড মোটরবাইক। রাজ্যের বন দফতর বক্সার (Buxa Tiger Reserve) ৭৬০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চলে নজরদারির জন্য সম্প্রতি ৩০ টি হাইস্পিড মোটরবাইক পাঠিয়েছে। দক্ষ বনকর্মীদের ওইসব মোটরবাইকে বিভিন্ন অপারেশনের কাজে পাঠানো হবে বলে বন দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। 

    পরিকাঠামোর অভাবে লেজেগোবরে অবস্থা

    পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে বক্সায় (Buxa Tiger Reserve) এমনিতেই বন দফতরের নজরদারির একটা অভাব ছিল। পাশাপাশি আধুনিক অস্ত্র, এমনকী বনকর্মীদের যাতায়াতের জন্য আধুনিক যানবাহনও ছিল না। বন দফতরের নিজস্ব মাত্র তিনটি গাড়ি ও ১৬ টি ভাড়ার গাড়ি দিয়েই কাজ চলত। একদিকে চোরাশিকারি এবং কাঠপাচারচক্রের সঙ্গে বনকর্মীদের চোর-পুলিশ খেলা তো চলতই, উটকো ঝামেলা হয়ে গিয়েছিল চাবাগান এবং বনবস্তি এলাকায় হাতি সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীদের তাণ্ডবের ঘটনা। সব মিলিয়ে মূলত যানবাহনের অভাবেই কর্মীদের লেজেগোবরে অবস্থা হত। অনেক সময়ই দেখা যায়, এলাকায় হাতি ঢুকে পড়েছে। অথচ বন দফতরে ফোন করা হলেও গাড়ি না থাকায় তারা আসতে পারছেন না। ফলে হাতি তাণ্ডব চালিয়ে, ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে দিয়ে চলে যায়। পরে যখন বন দফতরের কর্মীরা যান, তাঁদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। এখন সেই সমস্যা কমবে বলেই অনেকে আশাবাদী। 

    কী বলছেন বন দফতরের কর্তারা

    তবে সম্প্রতি হাইস্পিড মোটরবাইক বন দফতরের হাতে চলে আসায় চোরাশিকার, কাঠপাচার এবং হাতির মতো বন্যপ্রাণীদের তাড়ানোর কাজ অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বন দফতরের কর্তারা। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের এফডি অপূর্ব সেন বলেন, ৩০ টি মোটর বাইক খুব শীঘ্রই বিভিন্ন বিট অফিসে (Buxa Tiger Reserve) পৌঁছে দেওয়া হবে। সেখান থেকেই বনকর্মীরা ওইসব বাইক বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: দুর্গাপুজো নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্য, বিশ্বভারতীর উপাচার্যের জবাবদিহি চাইল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    Visva-Bharati: দুর্গাপুজো নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্য, বিশ্বভারতীর উপাচার্যের জবাবদিহি চাইল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্যের ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ঐতিহ্যবাহী উপাসনা গৃহে বসে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেছিলেন, “দুর্গাপুজো ইংরেজদের পদলেহন করার জন্য শুরু হয়েছিল।” এমনকী, তিনি আরও বলেছিলেন, “দুর্গামঞ্চে অনেক ধরনের পানীয় পান করার সুযোগ ছিল।” নিরাকার ব্রহ্ম মন্দিরে বসে উপাচার্যের এহেন মন্তব্যের বিরুদ্ধে আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।

    মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহ। যদিও, উপাসনা গৃহের সম্পূর্ণ নির্মাণ তিনি দেখে যেতে পারেননি। নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা ও সর্বধর্মকে সম্মান, আলোচনার জন্য দ্বার খোলা ছিল৷ এই উপাসনা গৃহ মহর্ষির তৈরি শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের অন্তর্গত। প্রতি বুধবার সকালে এখানে উপাসনার রেওয়াজ রয়েছে৷ এছাড়া, বিশেষ উপাসনাও হয়।

    কী বলেছিলেন উপাচার্য?

    গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই উপাসনা মন্দিরে বসে কেন বিশ্বভারতী (Visva-Bharati) কর্তৃপক্ষ বসন্তোৎসব বন্ধ করেছে, তার ব্যাখ্যা দেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা জানেন আজ দুর্গাপুজো বিশ্বের একটা অন্যতম পুজো হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে। কিন্তু, দুর্গাপুজোর ইতিহাস যদি দেখেন, এই দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল বৃটিশদের পদলেহন করার জন্য। তৎকালীন রাজাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হত, কে ইংরেজ সাহেবদের দুর্গাপুজোর মঞ্চে নিয়ে আসবেন। সেই দুর্গামঞ্চে অনেক ধরনের অনুষ্ঠান হত ও অনেক ধরনের পানীয় পান করারও সুযোগ থাকত। পরবর্তীতে দুর্গাপুজো একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু, শুরু হয়েছিল ইংরেজদের পদলেহন করার জন্য।”

    কী অভিযোগ জানাল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট?

    দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে নিরাকার ব্রহ্মমন্দির তথা সর্বধর্ম সম্মানের পীঠস্থান ঐতিহ্যবাহী উপাসনা গৃহে বসে উপাচার্যের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। ১০ মার্চ ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বিশ্বভারতীর আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেন ও প্রতিকার চান৷ পাশাপাশি শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, উপাসনা মন্দিরে বসে বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী আশ্রমিক, পড়ুয়া, প্রাক্তনীদের বারংবার অপমান করছেন৷ উপাসনা গৃহের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যক্তি আক্রমণ ও দুর্গাপুজো ঐতিহ্য নিয়ে মন্তব্য ঠিক নয়। সংবেদনশীল।

    মন্তব্য করতে চায়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অশোক মাহাতর কাছে রিপোর্ট তলব করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। অর্থাৎ, উপাচার্যের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জবাবদিহি চাইলেন আচার্য প্রধানমন্ত্রী। যদিও, এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়। রামনবমীর শোভাযাত্রায় গিয়ে বহু ভক্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত (TMC Attack) হলেন বেশ কয়েকজন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে। ঘটনাস্থল কাঁথি-১ নম্বর ব্লকের দুলালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হামির মহল গ্রাম। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবিষ্যতে যে ফের হামলা হবে না, এমন আশ্বস্ত হতে পারছেন না অনেকেই।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার রাতে এই গ্রামের শিবভক্তরা চন্দনেশ্বর থেকে জল নিয়ে যখন পাকা রাস্তা ছেড়ে গ্রামে প্রবেশ করেন, তখন বাবার মাথায় ঢালতে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। সেই সময় ভক্তদের উপর চড়াও হয় (TMC Attack) তৃণমূলের বেশ কিছু দুষ্কৃতী, অভিযোগ এমনটাই। গণ্ডগোলের খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপর ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালেন। আহতরা বেশিরভাগ মাজনা ও কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, রাজনৈতিক হানাহানি তো আছেই। কিন্তু এর মধ্যে ধর্মাচরণে এভাবে কেন আঘাত হানা হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।

    পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার আবেদন বিজেপির

    শিবভক্তদের এভাবে আক্রান্ত (TMC Attack) হওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অসীম মিশ্র পুলিশকে দ্রুত সক্রিয় হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

    প্রতিক্রিয়া দিলেন না তৃণমূল নেতা

    একটা গণ্ডগোল হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। বললেন কাঁথি এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রদীপ গায়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Corruption: মমতার ‘উন্নয়নের পথ’ থমকে গেছে গোঘাটে, দুর্নীতির অভিযোগে কাজ বন্ধ

    Panchayat Corruption: মমতার ‘উন্নয়নের পথ’ থমকে গেছে গোঘাটে, দুর্নীতির অভিযোগে কাজ বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তা সত্ত্বেও হুঁশ নেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের! ঢালাই রাস্তা তৈরি নিয়ে দুর্নীতির (Panchayet Corruption) অভিযোগ তুলে এমনই দাবি গ্রামবাসীদের। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির গোঘাট এক নম্বর ব্লকের বালি গ্রাম পঞ্চায়েতের জগৎপুরে। ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের মূল রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজে খুবই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছিল। পাশাপাশি এস্টিমেট অনুযায়ী রাস্তা তৈরি হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন ওই গ্রামের মানুষ। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাস্তা তৈরি শুরু হতেই গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। বেশ কয়েক ঘন্টা কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে। এলাকায় উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। জানা গিয়েছে, পথশ্রী প্রকল্পের শিলান্যাস হতেই এই কাজ শুরু হয়েছে। তাও আবার কোনও নিয়ম না মেনেই। তাতেই ক্ষোভ বাসিন্দাদের।
    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বালির জগৎপুর গ্রামের দ্বারকেশ্বর নদীবাঁধ থেকে মূল ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়। এর জন্য প্রায় ৪৫ লাখ টাকার বরাত পান ঠিকাদার। কিন্তু অভিযোগ, ৬ ইঞ্চি উচ্চতার জায়গায় রাস্তা আড়াই ইঞ্চি উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ, নিয়ম না মেনেই এই কাজ হচ্ছে। মাঝখানে বালি দিয়ে ভরাট করে দু সাইডে মেজারমেন্ট ঠিক রেখে অনিয়ম করা হচ্ছে। সিমেন্ট ও স্টোনচিপস কম দিয়ে কোনও রকমে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন গ্রামের মানুষজন?

    এই নিয়ে স্থানীয় যুবক সৌমেন সামন্ত বলেন, “রাস্তার কাজ গত রবিবার থেকে শুরু হয়। কিন্তু পরেরদিন থেকেই রাস্তায় বড় বড় ফাটল দেখা যাচ্ছে। সিমেন্টের ভাগ খুব কম। এতটাই নিম্নমানের মশলা দিয়ে কাজ হচ্ছে, যা সহজেই খুলে যাচ্ছে। ৬ ইঞ্চি ঢালাইয়ের জায়গায় ৩ ইঞ্চি ঢালাই দিচ্ছে। তাই গ্রামের সব মানুষ এই দুর্নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। এইভাবে রাস্তা করলে হবে না। আজ এই জায়গায় হচ্ছে, পরে অন্য জায়গাতেও তো হবে। তাই এই প্রতিবাদ”। অপরদিকে দিলীপ সামন্ত নামে আরও একজন ব্যক্তি বলেন, “রাস্তা তৈরি নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি (Panchayet Corruption) হচ্ছে। বালির ভাগ বেশি দিয়ে কেবল ভরাট করে চলে যাচ্ছে। দুদিনে যদি ফাটল হয়, তাহলে আগামিদিনে তো রাস্তা ধসে যাবে। রাস্তা যদি ভাল না হয়, তাহলে কাজ বন্ধ থাকবে”।

    কী বলছেন ঠিকাদার এবং পঞ্চায়েত প্রধান?

    অন্যদিকে ঠিকাদার সুজিৎ মণ্ডল জানান, “এস্টিমেট অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। গ্রামের মানুষের জন্য বাঁধের রাস্তাটা করে দিয়েছি। সামান্য ফাটল দেখা দিয়েছে। ওটা সিমেন্ট দিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে”। তবে এই বিষয়ে বালি অঞ্চলের পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুঞ্জয় পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “রাস্তা তৈরির কাজ (Panchayet Corruption) বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।
    ঠিকঠাক কাজ যাতে হয় তার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে”। সব মিলিয়ে মানুষের প্রাথমিক দাবি, মজবুত ঢালাই রাস্তার। কিন্তু তা না হওয়ায় বালির জগৎপুর গ্রামের মানুষ ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Taekwondo Championship: তাইকোন্ডো ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জয় আসানসোলের তিন যমজ বোনের

    Taekwondo Championship: তাইকোন্ডো ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জয় আসানসোলের তিন যমজ বোনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইকোন্ডো ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে (Taekwondo Championship) ব্রোঞ্জ ছিনিয়ে আনল একসঙ্গে তিন যমজ বোন। সুচেতা চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিতা চট্টোপাধ্যায় ও সুপ্রীতা চট্টোপাধ্যায়। এরা ট্রিপলেট বা তিন যমজ বোন। আসানসোল ডিসেরগড় এসডি হাইস্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে তারা এই পুরস্কার ছিনিয়ে এনেছে রাজস্থানের কোটা থেকে। কুলটির ডিসেরগরের বাসিন্দা পেশায় গৃহশিক্ষক বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় উদ্যোগ নিয়ে এই তিনজনকে আড়াই বছর আগে তাইকোন্ডো প্রশিক্ষণে দেন। প্রশিক্ষক শুভ গঙ্গোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় এই তিন বোন স্বর্ণপদক জয়লাভ করেছিল হাওড়াতে। তারপরে তাদের ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে পাঠানো হয়। গত ২৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজস্থানের কোটাতে ছিল ৩৬ তম ন্যাশনাল সাব জুনিয়ার ইউরোজি এবং ১০ তম ন্যাশনাল সাব জুনিয়ার পুমাসে তাইকোন্ডো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২-২৩। প্রতিযোগিতার আয়োজক ছিল রাজস্থান তাইকোন্ডো অ্যাসোসিয়েশন ও তাইকোন্ডো ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া।

    পুরস্কার জেতার পর লক্ষ্য কী ?

    তিন বোনেরই একজন সুচেতা বলল, পুরস্কার জেতার আশা তো ছিলই। কিন্তু সঙ্গে দোলাচলও ছিল যে, পারবো কি পারবো না। যদিও লড়াইয়ে (Taekwondo Championship) নামার আগে তার ছিল ফুল কনফিডেন্স। তখন না ছিল মনে ভয়, না ছিল কোনও টেনশন। এখন রোজ সকালে দু’ঘণ্টা, বিকালে দু’ঘণ্টা প্র্যাকটিস চলছে। পুরস্কার জেতার পর বেজায় খুশি তারা। তবে এখানেই তারা থেমে থাকতে চায় না। তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হল ইন্টারন্যাশনাল অর্থাৎ বিদেশে যাওয়া, বিশেষত অলিম্পিকে যোগ দিয়ে পুরস্কার ছিনিয়ে আনা। এই কাজে বাবা-মা যে তাদের মারাত্মকভাবে সাহায্য করছে, সে কথা তারা অকপটে স্বীকার করেছে।  

    কী বলছেন গর্বিত বাবা-মা ? 

    তিন যমজ মেয়ে একসঙ্গে পুরস্কার ছিনিয়ে আনায় স্বাভাবিকভাবেই খুশিতে ডগমগ বাবা-মা দুজনেই। বামাপ্রসাদবাবু বললেন, এদের বাবা হিসেবে আমি তো গর্বিত বটেই। ওরা আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। বিশ্বাস, ভবিষ্যতে এরা আমাদের স্বপ্ন পূরণ করবেই। কারণ এখন যেভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, তাতে মেয়েরা আমাদের কথা মনপ্রাণ দিয়ে শুনে চলে। আমি নিজে যতটা পারি ওদের সাহায্য করি। চেষ্টা করি। তবে ওদের মায়ের সাপোর্ট ছাড়া এটা (Taekwondo Championship) সম্ভব হত না। 

    মা মনে করেন, আত্মরক্ষার্থে এটা আজকালকার দিনে খুবই জরুরি। তিনি নিজেও চেয়েছিলেন এটি শিখতে। যে কোনও কারণেই হোক তা হয়ে ওঠেনি। তাই মেয়েদেরকে প্রথম থেকেই এটি শেখাচ্ছেন। মেয়েরা আরও ভালো ফল করবে, এটা তাঁর আশা ছিল। তবে আপাতত তিনি খুশি। ভবিষ্যতে ওরা আরও বড় হোক, নিজেদের পায়ে দাঁড়াক, এটাই তাঁর একমাত্র কামনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share