Tag: Bengali news

Bengali news

  • UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তৌকির রাজা। উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত দায়রা আদালত (UP Court) তাঁকে তলব করল ১১ মার্চ। ওই হিংসায় অভিযুক্ত ছিলেন রাজা। ২০১০ সালের ওই হিংসায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বরেলি শহরের।

    হিংসার আগুন বরেলিতে (UP Court)

    ২০১০ সালের ২ মার্চ হিংসার আগুন জ্বলে বরেলিতে। ছাবাইয়ে ফারাওয়াফতের শোভাযাত্রার রুটকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। বির্তক হয়েছিল হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে। তার জেরে শুরু হয় হিংসা। দাবানলের মতো যা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পাথর ছোড়া, ভাঙচুর মায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছিল আকছার। মিছিলের আয়োজক ছিলেন (UP Court) সুন্নি মুসলমানেরা। বরেলি সেক্টরের মিলাদ-উন-নবি সংস্কৃতি বহন করেন এই সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। প্রথমে যে রুটে যাওয়ার কথা ছিল শোভাযাত্রার, পরে তা বদলে দেওয়া হয়। তার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। পরে হিংসা শুরু হলে অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুত নামানো হয় বাহিনী। অবশ্য তার আগেই জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল বহু বাড়ি, দোকানপাট।

    গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজাকেও

    পরে পরিস্থিতির খানিক উন্নতি হলে শুরু হয় ধরপাকড়। গ্রেফতার করা হয় মৌলানা তৌকির রাজাকেও। অভিযোগ, জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়ে হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছিলেন তিনি। রাজা গ্রেফতার হতেই শুরু হয় প্রতিবাদ আন্দোলন। পাল্টা হিংসাও শুরু হয়। ফের নামানো হয় বাহিনী। তার পরেই স্বাভাবিক হয় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। প্রবীণ পুলিশ সুপার এমকে ভাসারকে বদলি করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওায়া হয় পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব সাভারওয়ালকে। তিনি ছিলেন স্টেট অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের ডিআইজি। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল আশিস কুমারকেও। তাঁর বদলে জেলাশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয় অনিল গর্গকে।

    আরও পড়ুুন: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা বলেন, “আমরা যদি হিংসার ঘটনাপ্রবাহের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব হিংসার পক্ষে যথেষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে। হিংসার ধরণ দেখলেও বোঝা যায়, দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একবারও প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় জড়িয়ে পড়েনি। ২ মার্চও মানুষ পাথর ছুড়ছিল। তার পরেই সংগঠিত একদল লোক বাড়িঘর-দোকানদানিতে আগুন লাগাচ্ছিল, ভাঙচুর করছিল। হিংসার দ্বিতীয় পর্যায়েও যুক্ত ছিলেন না দুই সম্প্রদায়ের মানুষ। ছিল সংগঠিত দু’দল জনতা। আর ছিল প্রশাসন (UP Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Covid 19 Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিনের ২১৭টি ডোজ নিয়ে দিব্যি রয়েছেন! জার্মান প্রৌঢ়কে দেখে তাজ্জব সকলে

    Covid 19 Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিনের ২১৭টি ডোজ নিয়ে দিব্যি রয়েছেন! জার্মান প্রৌঢ়কে দেখে তাজ্জব সকলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার ভ্যাকসিন (Covid 19 Vaccine) নিয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণা চলছেই। কোন ভ্যাকসিন কতটা কার্যকরী সে নিয়েও চলেছে দীর্ঘদিনের গবেষণা। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ভারতের ভ্যাকসিন সব থেকে বেশি কার্যকরী। এবার ভ্যাকসিনের হাইপারডোজ (Vaccine Overdose) নিয়ে এক গবেষণায় উঠে এল রীতিমতো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    শরীরে কোভিড ভ্যাকসিনের ২১৭টি ডোজ (Vaccine Overdose)!

    করোনা ভ্যাকসিনের হাইপারডোজ কি শরীরে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে? এমন প্রশ্ন দানা বাঁধে অনেকেরই মনে। সম্প্রতি, এক গবেষণায় মিলল তারই উত্তর। একজন জার্মান নাগরিক যিনি দাবি করেছেন,  ভ্যাকসিনের (Covid 19 Vaccine) আটটি বিভিন্ন ধরনের ২১৭টি ডোজ তিনি নিয়েছেন নিজের শরীরে। এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি শরীরে। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন। জানা গিয়েছে, ওই  জার্মান নাগরিক বিগত ২৯ মাস ধরে ২১৭টি ভ্যাকসিনের ডোজ (Vaccine Overdose) নিয়েছেন। যার মধ্যে ১৩৪টি ডোজ গবেষকরা পরীক্ষা করেছিলেন।

    হাইপারডোজ শরীরে কি প্রভাব ফেলবে?

    এই এত হাইপারডোজ সত্যিই কি শরীরে কোনও প্রভাব ফেলে? বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে ওই ব্যক্তি ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত জানতে পারেন, কোনও রকমের ইনফেকশন তাঁর শরীরে সংক্রমিত হয়নি। ভ্যাকসিনের (Covid 19 Vaccine) কোনও বিরূপ প্রভাবও তাঁর শরীরে পড়েনি। এর পাশাপাশি, গবেষকরা ওই ব্যক্তির কোনও কোষে কোনও রকমের আলাদা প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করেননি। ওই কোষগুলি সেভাবেই কাজ করছিল যেমনটা ঠিক ভ্যাকসিনের আগে ছিল। এর পাশাপাশি যাঁরা চিকিৎসকদের অনুমোদনের পরে সীমিত সংখ্যক ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন, তাঁদের মতোই ওই কোষগুলি সক্রিয় ছিল। মস্তিষ্কের কোষগুলির ক্ষেত্রে গবেষকরা লক্ষ্য করেন, এগুলি আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    কী বলছেন গবেষক?

    এ বিষয়ে গবেষক ডাক্তার কিলিয়ান সোবার জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনগুলি সত্যিই খুব কার্যকর এবং তার কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এর পাশাপাশি, তিনি সতর্কও করেছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে সীমিত পরিমাণ ভ্যাকসিনই নিতে হবে। তার বেশি যেন না নেওয়া হয়। শেষে ওই গবেষক এও জানিয়েছেন, হাইপারডোজের ভ্যাকসিনের (Covid 19 Vaccine) কারণে ইমিউনিটি সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তবে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে, এই ভেবে কেউ যেন অতিরিক্ত ভ্যাকসিন (Vaccine Overdose) না নেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ৫৬০ ভরি! কেষ্টর কালীপ্রতিমার গয়না রাখা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লকারে ইডির তল্লাশি

    Anubrata Mondal: ৫৬০ ভরি! কেষ্টর কালীপ্রতিমার গয়না রাখা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লকারে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্কের লকারে রাখা রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের  (Anubrata Mondal) কালীপ্রতিমার গয়না। বীরভূমের (Birbhum) বোলপুরের রাষ্ট্রায়ত্ত সেই ব্যাঙ্কে চলছে ইডির তল্লাশি। ২০২১ সালে সোনার মুকুট, কানের দুল, গলার হার মিলিয়ে ৫৬০ ভরি সোনার গয়না দিয়ে মা কালীকে সাজানো হয়েছিল। এই গয়নার আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। উল্লেখ্য এই সোনার অলঙ্কারে কালীপুজো হতো বেশ ধুমধাম করে। বর্তমানে কেষ্ট মণ্ডল গরু পাচার মামলায় দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি। আর্থিক দুর্নীতির মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা আজ ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে তাল্লাশি অভিযান চালিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    তল্লাশিতে উদ্ধার গহনা (Anubrata Mondal)

    ঠিক দুপুর ১২ টার সময় বোলপুরের (Birbhum) একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সামনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির অফিসারেরা গাড়ি নিয়ে হাজির হন। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা ব্যাঙ্ককে ঘিরে ফেলা হয়। এরপর ব্যাঙ্কের ভিতরে প্রবেশ করেন ইডির ৫ জন অফিসার। বোলপুর তৃণমূল পার্টি অফিসের ভিতরে পুজো হত এই কালীপ্রতিমার। এই পুজো কেষ্ট মণ্ডলের পুজো এবং প্রতিমার গায়ে থাকত এই বিপুল পরিমাণের গয়না। এই গয়নাকে পুজোর পর রাখা হত ব্যাঙ্কের লকারে। ফলে এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্যই তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারী অফিসারেরা। ব্যাঙ্ক থেকে একাধিক কাজপত্র এবং নথি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০১১ সাল থেকে

    ১৯৮৮ থেকে এই কালীপুজো শুরু হলেও কার্যত ২০১১ সালের পর থেকেই এই পুজোর জাঁকজমক বৃদ্ধি পায়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পুজোর ব্যাপক আয়োজন বৃদ্ধি পায়। সবটার নেতৃত্বে থাকতেন বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ২০২০ সালে এই পুজোর প্রতিমাকে ৩০০ ভরির সোনার গয়না দিয়ে সাজানো হয়েছিল। ২০২১ সালে সোনার মুকুট, বাউটি, বাজুবন্ধন, কানের দুল, গালার হার, হাতের আংটি, কোমরের বিছে মিলিয়ে প্রায় ৫৬০ ভরির গয়না দিয়ে সাজিয়ে ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। এই গয়নার বাজার মূল্য প্রায় কয়েক কোটি টাকা। ফলে সম্পত্তির উৎস ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সন্ধান করছেন তদন্তকারী অফিসারেরা। তবে অনুব্রতর গ্রেফতারের পর থেকেই পুজোতে ভাটা দেখা দেয়। সোনার গয়নার বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে ইমিটেশনের গয়না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISIS Love: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    ISIS Love: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিস-প্রীতির (ISIS Love) জেরে ফের গ্রেফতার কেরলের এক বাসিন্দা। বর্তমানে সে আফগানিস্তানে ছিল। আফগান গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেফতার করে তাকে। আফগানিস্তানে বসেই সানাউল ইসলাম নামের ওই যুবক ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক এবং সিরিয়া (আইসিস) নিয়ন্ত্রণ করত।

    কেরলের আইসিস যোগ…

    আফগানিস্তান প্রশাসনের তরফে সানাউলের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। আইসিসে (ISIS Love) যোগ দিতে তাজিকিস্তান হয়ে সে আফগানিস্তানে গিয়েছিল বলেও দাবি তালিব প্রশাসনের। এর ঠিক এক মাসে আগেই কেরল থেকে এনআইএ আদালত রিয়াজ আবু বক্করকে ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে ষড়যন্ত্র করার দায়ে অভিযুক্ত করেছিল। এবার প্রকাশ্যে এল আরেক কেরল যুবকের আইসিস-প্রীতির উদাহরণ। গত বছর জুলাইয়েও এনআইএ কেরলে আইসিস মডিউলের একজনকে গ্রেফতার করেছিল। ভারতের ধর্মীয় স্থানে নাশকতার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে।  

    কেরলের যুবাদের আইএস-প্রীতি কেন?

    ২০১৭ সালে কেরল পুলিশ জানিয়েছিল, সে রাজ্যের প্রায় ১০০ জন যোগ দিয়েছে আইসিসে। প্রশ্ন হল, কী কারণে আইসিস-প্রীতি বাড়ছে কেরলের যুবকদের? জানা গিয়েছে, কেরলের যে তরুণরা আইসিসে যোগ দিয়েছে, তাদের সিংহভাগই মপলা মুসলমান, যারা বিশ্বাস করে তারা আরব ব্যবসায়ীদের বংশধর কিংবা উচ্চবর্ণের ধর্মান্তরিত হিন্দু। এই মুসলমানদের বাস মূলত মালাপূরম, কালিকট এবং কান্নুরে।

    আরও পড়ুুন: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    অর্থের টোপ দিয়ে মগজধোলাই!

    সাতের দশক থেকে কেরলের বহু মানুষ মধ্য প্রাচ্যে চলে যাচ্ছেন রোজগারের ধান্ধায়। সেখান থেকেই তাঁরা যোগাযোগ রাখছেন ভরতে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। তাছাড়া, এই অঞ্চলে সৌদি আরব থেকেও প্রচুর মুদ্রা ঢোকে। সেই মুদ্রার টোপ গিলে এ রাজ্যের তরুণদের একাংশ সৌদি এবং সালাফি পণ্ডিতদের কাছ থেকে ধর্মীয় নীতিকথা শিখছে। কেরলে আইসিসের (ISIS Love) মাথারা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সফল। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তারা নিয়োগ করছে তরুণদের। করছে মগজধোলাই।

    কেরলে একাধিক আইএস মডিউল সক্রিয়

    কেরলে আইসিসের অনেকগুলি মডিউল রয়েছে। এর মধ্যে আবদুল রশিদের কাসারগড় মডিউল এ রাজ্যের ২৪ জনকে আফগানিস্তানের মতো আইএসআইএস কলোনিগুলিতে পাঠিয়ে দিতে সফল হয়েছে। এই মডিউলে রয়েছে ধর্মান্তরিত যুবতী সোনিয়া সেবাস্টিয়ান এবং তার মুসলমান স্বামীও। তারাও পালিয়েছে আফগানিস্তানে। কান্নুরের আরও একটি মডিউল কেরলের ৪০-৫০ জন তরুণকে মৌলবাদে দীক্ষিত করেছে। এরাও পরে যোগ দিয়েছে আইসিসে (ISIS Love)। এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (পিএফআই) মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Opinion Poll: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জিতবে ৩৭৮টি আসনে, ইঙ্গিত ‘ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায়

    Opinion Poll: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জিতবে ৩৭৮টি আসনে, ইঙ্গিত ‘ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং দাবি করেছেন (Opinion Poll) লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন। এনডিএ পাবে ৪০০টি। দিন কয়েক আগে ‘মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষায়ও জানা গিয়েছিল বিপুল আসনে জিতে কেন্দ্রে ফিরতে চলেছে বিজেপিই। এবার ‘ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায় জানা গেল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জয়জয়কার বিজেপিরই।

    ওপিনিয়ন পোল (Opinion Poll)

    ‘ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্স’-এর ওপিনিয়ন পোলের সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গলবার। তাতেও দেখা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যদ্বাণী খুব একটা ভুল নয়। সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জয়ী হবে ৩৭৮টি কেন্দ্রে। আর ‘ইন্ডি’ জোট (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) পেতে পারে ৯৮টি আসন। এর মধ্যে অবশ্য তৃণমূল নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল, জগন মোহন রেড্ডির ওয়াইএসআরসিপি, চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপি, নবীন পট্টানায়েকের বিজেডি এবং নির্দল মিলিয়ে পেতে পারেন বাকি ৬৭টি আসন। মনে রাখতে হবে, লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৫ হলেও, নির্বাচন হবে ৫৪৩টিতে।

    কী বলছে সমীক্ষা?

    বিজেপি যে একাই রাজ করবে, তাও জানা গিয়েছে সমীক্ষায় (Opinion Poll)। জানা গিয়েছে, পদ্ম শিবির একাই জয়ী হবে ৩৩৫টি আসনে। গুজরাটের ২৬টি আসনেই ক্লিন স্যুইপ হয়ে যাবে বিরোধীরা। মধ্যপ্রদেশের ২৯টি আসনেও খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে বিরোধীরা। রাজস্থানের ২৫, হরিয়ানার ১০, দিল্লির ৭, উত্তরাখণ্ডের ৫ এবং হিমাচলপ্রদেশের ৪টি আসনেও মুছে যাবে বিরোধীরা। দক্ষিণের রাজ্য কেরলেও এবার থাবা বসাচ্ছে গেরুয়া পার্টি। সমীক্ষায় প্রকাশ, এ রাজ্যেও তিনটি আসনে জয়ী হতে পারে বিজেপি। সমীক্ষার ফল মিললে এই প্রথম কেরলে খাতা খুলতে চলছে বিজেপি। ওপিনিয়ন পোল থেকে এও জানা গিয়েছে, তিরুবনন্তপুরম লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের শশী তারুরকে জোর টক্কর দেবেন বিজেপির রাজীব চন্দ্রশেখর। শেষ হাসি হাসতে পারেন চন্দ্রশেখরই।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

    অন্যান্য বারের মতো এবারও সবার নজর থাকবে উত্তরপ্রদেশের দিকে। সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, যোগীরাজ্যে বিজেপি জিততে পারে ৭৪টি আসনে। সহযোগী রাষ্ট্রীয় লোক দল এবং আপনা দল পেতে পারে দুটি করে আসন। বাকি দুটি আসন যেতে পারে অখিলেশ যাদবের ঝুলিতে। শূন্য হাতে ফিরতে হতে পারে কংগ্রেস ও বহুজন সমাজবাদী পার্টিকে।

    বিজেপির আশা, বাংলার ৪২টি আসনের মধ্যে ২০টি, বিহারের ৪০টির মধ্যে ১৭টি, ঝাড়খণ্ডের ১৪টির মধ্যে ১২টি, কর্নাটকের ২৮টির মধ্যে ২২টি, মহারাষ্ট্রের ৪৮টির মধ্যে ২৫টি, ওড়িশার ২১টির মধ্যে ১০টি, অসমের ১৪টির মধ্যে ১০টি পাবে তারা। তামিলনাড়ুতে ৪টি এবং তেলঙ্গানার ৫টি আসনেও পদ্ম প্রার্থীরা জয়ী হবেন বলে আশা বিজেপির ভোট ম্যানেজারদের (Opinion Poll)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Russia Ukraine War: ‘জোর করে পাঠানো হয় যুদ্ধে’! সাহায্যের আর্জি রুশ সেনার জালে পড়া ৭ ভারতীয়র

    Russia Ukraine War: ‘জোর করে পাঠানো হয় যুদ্ধে’! সাহায্যের আর্জি রুশ সেনার জালে পড়া ৭ ভারতীয়র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার রাশিয়ার সেনাবাহিনীর জালে (Russia Ukraine War) জোরপূর্বক ভারতীয় যুবকদের আটকে পড়ার ঘটনা সামনে এল। পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুরের বাসিন্দা একদল যুবক কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তাঁদেরকে যেন অতি দ্রুত এই ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের অভিযোগ প্রতারণার মাধ্যমে সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয় এবং ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে (Russia Ukraine War) পাঠানো হয়। ১০৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে সাতজন যুবককে দেখা যাচ্ছে তাঁরা একটি ঘরে আটকে রয়েছেন। ঘরটি অত্যন্ত নোংরা এবং সংকীর্ণ। যুবকরা নিজেদের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি ওই ভিডিওতে প্রকাশ করেছেন।

    বেলারুশে নিয়ে গিয়ে জোর করে চুক্তিপত্রে সই করানো হয়

    ওই যুবকদের মধ্যে রয়েছেন গগনদীপ সিং যিনি গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর রাশিয়াতে গিয়েছিলেন নতুন বছরের উদযাপন করতে। তাঁদের সঙ্গে ছিল ৯০ দিনের ভিসা। জানা গিয়েছে, ওই যুবকদের বেলারুশে নিয়ে যাওয়া হয়। গগনদীপ জানিয়েছেন, তাঁদেরকে বেলারুশে (Russia Ukraine War) নিয়ে যায় এক এজেন্ট। আরও জানা গিয়েছে, বেলারুশে যেতে তাঁদের আলাদা ভিসা লাগবে এটা যুবকরা জানতেন না। যখন তাঁরা সেখানে পৌঁছান তখন তাঁদের কাছে ভিসা ছিল না। এরপরেই সেখানকার স্থানীয় পুলিশ যুবকদের দলটিকে গ্রেফতার করে এবং রাশিয়ার সরকারের হাতে তুলে দেয়। পরবর্তীকালে যুবকদের জোর করে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।

    উদ্বিগ্ন পরিবার, কী বলছে বিদেশমন্ত্রক?

    শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, গগনদীপ সিং-এর পরিবার ইতিমধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাঁর ভাই অমৃত সিং সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁরা ভীষণ চাপে রয়েছেন। কারণ তাঁদেরকে একধরনের চুক্তিপত্রে সই করানো হয়। যেখানে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, হয় তাঁদেরকে ১০ বছরের জন্য জেলে যেতে হবে অথবা রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হবে। জানা গিয়েছে, ওই যুবকদেরকে ১৫ দিনের মিলিটারি ট্রেনিং-ও (Russia Ukraine War) দেওয়া হয় এবং তারপরেই তাঁদেরকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, সাত জন যুবকের ওই ভিডিও নতুন কিছু নয়। এর আগে আরও প্রায় ২৪ জন ভারতীয় যুবক এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। শুধু পাঞ্জাব বলে নয় একই অভিযোগ সামনে এসেছিল কেরল থেকেও। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণবীর জয়সওয়াল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারত সরকার যথেষ্ট সক্রিয় হয়েছে রাশিয়ান প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং ওই ব্যক্তিদেরকে ফেরত আনার বিষয়ে। গত সপ্তাহতেই কুড়ি জনেরও বেশি ভারতীয়কে এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে সমর্থ হয় মোদি সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DMK: “আমরা রামের শত্রু”! ডিএমকে নেতা এ রাজার ঘৃণাভাষণের কড়া সমালোচনা বিজেপির

    DMK: “আমরা রামের শত্রু”! ডিএমকে নেতা এ রাজার ঘৃণাভাষণের কড়া সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা রামের শত্রু। ভারত কোনও জাতি নয়।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন ডিএমকে নেতা এ রাজা। যার জেরে ফের একবার বিতর্কে জড়িয়েছে ডিএমকে। ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে ডিএমকে (DMK)। তাই ‘ইন্ডি’ ব্লককে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন ডিএমকে নেতা?

    সম্প্রতি একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ রাজা জানান, তামিলনাড়ুবাসী কখনওই ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, “এই যদি হয় জয় শ্রীরাম, যদি তোমরা ভারত মাতা কী জয় বলো, তাহলে জেনে রেখো, আমরা কখনওই জয় শ্রীরাম ও ভারত মাতা কি জয় স্লোগান গ্রহণ করব না। তামিলনাড়ু এগুলো নেবে না। তোমরা বলে দাও, আমরা রামের শত্রু।” মার্চ মাসের ৩ তারিখে কোয়েম্বাটরের এক জনসভায় ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজা (DMK)। সমালোচনা করেছিলেন হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণেরও। ডিএমকের এই নেতা বলেছিলেন, “রামায়ণ এবং ভগবান রামে আমার বিশ্বাস নেই।” রাজা যেদিন মন্তব্যটি করেছিলেন, ঘটনাচক্রে সেদিন ছিল তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকের এমকে স্ট্যালিনের জন্মদিন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও নিশানা করেছিলেন। ভারতকে জাতি বলার সমালোচনাও করেছিলেন। তাঁর দাবি, ভারত কোনও জাতি নয়, উপমহাদেশ।

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    ডিএমকে নেতার মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে রাজাকে উদ্ধৃত করে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “ভারত জাতি নয়। এটা ভালো করে বুঝুন। ভারত কখনওই জাতি নয়। একটা জাতি মানে এক ভাষা, এক ঐতিহ্য এবং এক সংস্কৃতি। তখনই এটা হবে একটা জাতি। ভারত জাতি নয়, উপমহাদেশ।” ডিএমকের ঘৃণাভাষণের সমালোচনাও করেছেন অমিত। বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ ডিএমকের এই নেতাকে ‘মাওবাদী আদর্শে’ উদ্বুদ্ধ বলেছেন। রাজার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের অবস্থান কী, তাও জানাতে বলেছেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “এঁরা হচ্ছেন সেই মানুষ যাঁরা ভারতের শেষ দেখতে চায়। টুকরে টুকরে গ্যাংকে সমর্থন করেন। রাজ্যসভায় দলীয় প্রার্থী বিজয়ী হতেই এঁরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিলেন।” অযোধ্যার হনুমান গড়ি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রমেশ দাস বলেন, “ডিএমকে নেতা যা বলেছেন, তা ত্রুটিপূর্ণ। গোটা বিশ্বই রামময়। আমরা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে জানাব (DMK)।”

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro Route: দেশের মধ্যে প্রথম! গঙ্গার তলায় মেট্রোপথের উদ্বোধন মোদির, করলেন সফরও

    Kolkata Metro Route: দেশের মধ্যে প্রথম! গঙ্গার তলায় মেট্রোপথের উদ্বোধন মোদির, করলেন সফরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার তলায় মেট্রো লাইনের (Kolkata Metro Route) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার রাত্রিতেই কলকাতায় পা দেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সকাল ১০টা ১০ নাগাদ সড়কপথে রাজভবন থেকে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত ৪.৮ কিলোমিটার রুট। গঙ্গার তলায় এই মেট্রো চালু হওয়ার ফলে সংযুক্ত হল হাওড়া ও কলকাতা। জলের তলায় মেট্রো লাইন রয়েছে ৫২০ মিটার। এই পথ অতিক্রম করতে মেট্রোর সময় লাগবে ৪৫ থেকে ৫০ সেকেন্ড মতো। প্রসঙ্গত, দেশের মধ্যে প্রথম কোনও রাজ্যে চালু হল এমন ‘আন্ডার ওয়াটার মেট্রো লাইন’। এদিন মেট্রো প্রকল্পের (Kolkata Metro Route) উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাজির ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সমেত অন্যান্য আধিকারিকরা।

    মেট্রো সফরে জমিয়ে আড্ডা দেন প্রধানমন্ত্রী 

    এসপ্ল্যানেডের মেট্রো স্টেশন পরিদর্শন করার পরেই তিনি (নরেন্দ্র মোদি) সোজা নেমে আসেন প্ল্যাটফর্মে। সেখানে দুটি বিশেষ মেট্রো তাঁর জন্য রাখা ছিল আগে থেকেই। একটিতে উঠে পড়েন তিনি। ওই মেট্রোর কামরায় থাকা ছাত্রদের-ছাত্রীদের ডেকে পাশে বসিয়ে নেন নমো। মেট্রো সফর করতে করতে পড়ুয়াদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিতেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।

    বারাসতের কাছারি ময়দানের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

    মেট্রো পথের যে অংশটি গঙ্গার নীচে দিয়ে গিয়েছে, সেই অংশটি নীল আলো এবং জলজ প্রাণীর লাইটিং দিয়ে সাজিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। মেট্রো সফরে জানালা থেকে সেগুলিকে পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর হাওড়া ময়দানে পৌঁছে সেখান থেকে হেলিপ্যাডের কাছে যান তিনি। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে সোজা উড়ে যান বিমানবন্দরে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বারাসতের কাছারি ময়দানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shajahan: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    Sheikh Shajahan: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shajahan) ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সন্দেশখালি, সরবেরিয়া এবং কলকাতায় রয়েছে সে সব জমি, ফ্ল্যাট, ভেড়ি রয়েছে। মঙ্গলবারই সন্দেশখালি (Sandeshkshli) মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ইডি (ED) জানিয়েছে, তহবিল তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ-র (PMLA) আওতায়, ‘প্রভিশনালি’, অর্থাৎ, অস্থায়ীভাবে এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    ইডির নজরে কোন কোন জায়গা

    মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইডি (ED) জানিয়েছে, বিভিন্ন অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ, বিভিন্ন অস্থাবর সম্পত্তির আকারে লুকিয়ে রেখেছে শাহজাহান (Sheikh Shajahan)। এর মধ্যে ১৪টি স্থাবর সম্পত্তি এবং আরও কিছু অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। ১৪টি স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে সরবেড়িয়া গ্রাম, সন্দেশখালি (Sandeshkshli) এবং কলকাতায় থাকা শাহজাহানের অ্যাপার্টমেন্ট, কৃষিজমি, মৎস্য চাষের জমি, বসত এলাকার জমি ও ভবন ইত্যাদি। এছাড়া, শাহজাহানের দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ‘অ্যাটাচ’ করা হয়েছে। রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় বেশ কিছুদিন ধরেই ইডির আতসকাঁচের নীচে ছিলেন শাহজাহান। তাঁর বিপুল সম্পত্তি র খোঁজও চলছিল। গত ৫ জানুয়ারি রেশন ‘দুর্নীতি’ মামলায় সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল ইডি। সেখানে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা হয়েছিল। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল আর বেশিদিন থাকবে না’’, ইস্তফা দিয়েই হুঙ্কার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ইডির (ED) উপর হামলা, রেশন কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত থাকা ছাড়াও শাহজাহান (Sheikh Shajahan) ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি (Sandeshkshli) এলাকায় জোর করে জমিদখল, মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। গত বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতারের পর, রাজ্য পুলিশের হেফাজতেই আছেন তিনি। মঙ্গলবারই, কলকাতা হাইকোর্ট শাজাহানকে সিবিআই-এর কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে জরুরি শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তাই মঙ্গলবার বিকেলে শাহজাহানকে হেফাজতে নিতে ভবানী ভবনে পৌঁছেও সন্দেশখালির বাঘকে ছাড়াই ফিরে যেতে হয় সিবিআইকে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share