Tag: Bengali news

Bengali news

  • Manipur Violence: মণিপুরে মেইতেইদের ৯টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Manipur Violence: মণিপুরে মেইতেইদের ৯টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েক মাস ধরে চলার পর অবশেষে মণিপুরে (Manipur Violence) নিভেছে অশান্তির আগুন। এবার ব্যবস্থা নিতে শুরু করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজ্যে গোষ্ঠীহিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে মেইতেইদের ন’টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল তারা। চিত্রাঙ্গদার দেশের হিংসায় এই সংগঠনগুলি প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ।

    পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ

    ইউএপিএ অনুযায়ী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এই সংগঠনগুলিকে। মণিপুরে মেইতেইরা সংখ্যাগুরু। অভিযোগ, এদেরই ন’টি সংগঠন প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ। যে সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলি (Manipur Violence) হল, জঙ্গিগোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির রাজনৈতিক শাখা রেভেলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট, ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের সশস্ত্র শাখা মণিপুর পিপলস আর্মি, পিপলস রেভোলিউশনারি পার্টি অফ কাংলেইপাকের সশস্ত্র শাখা রেড আর্মি এবং কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র শাখা কাংলেইপাক রেড আর্মি।

    আগেই বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মণিপুরে যে সরকার কড়া পদক্ষেপ করবে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “মণিপুরের ঘটনা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মণিপুরের ঘটনায় অনেকেই তাঁদের স্বজন হারিয়েছেন। মহিলাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার এক যোগে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি এও বলেছিলেন, “অদূর ভবিষ্যতে মণিপুরে উঠবে শান্তির সূর্য, মণিপুর আবার এগিয়ে যাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। দেশ আপনাদের সঙ্গে আছে, এই সংসদ সঙ্গে আছে। আমরা সবাই মিলে সমাধান করব। শান্তি স্থাপন হবেই।”

    আরও পড়ুুন: জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা!

    গত ৩ মে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরে’র কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। মণিপুর হাইকোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। তার জেরেই শুরু হয় মেইতেই-কুকি সংঘর্ষ। মেইতেইরা হিন্দু। আর কুকি সহ সেখানকার তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের সিংহভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দুই গোষ্ঠীর এই সংঘর্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় (Manipur Violence) দু’শোজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার। হিংসার আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে কয়েকশ’ ঘরবাড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chinese Submarine: করাচি বন্দরে সাবমেরিন, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে চিন! ভারতকে চাপে রাখতে?

    Chinese Submarine: করাচি বন্দরে সাবমেরিন, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে চিন! ভারতকে চাপে রাখতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। তবে তা স্বত্ত্বেও ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে পড়শি দেশ পাকিস্তান। এবার ভারতকে চাপে রাখতে করাচি বন্দরে পাকিস্তান মোতায়েন করেছে চিনা নৌসেনার (Chinese Submarine) যুদ্ধজাহাজ ও ডুবোজাহাজ। সাম্প্রতিক এক উপগ্রহ চিত্রেই ধরা পড়েছে এই ছবি। ভারতীয় জলসীমার অদূরে করাচি বন্দরে নতুন করে নৌঘাঁটি নির্মাণের তোড়জোড়ও শুরু করেছে বেজিং।

    মোতায়েন যুদ্ধজাহাজ

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, উপগ্রহচিত্রে করাচি বন্দরে চিনা টাইপ-০৩৯ ডুবোজাহাজ ও টাইপ-৫২ডি ডেস্ট্রয়ারের মতো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। পাকিস্তানের ওই বন্দরে চিনা টাইপ ৯২৬ সাবমেরিনও মোতায়েন করা হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতকে চাপে রাখতেই এসব (Chinese Submarine) করা হয়েছে। বেজিংয়ের বৃহত্তর কৌশলের অঙ্গ হিসেবেই পাকিস্তানের বন্দরে এই চিনা তৎপরতা। এই অঞ্চলে চিনের একাধিপত্য মেনে নেওয়া, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারতকে সুবিধাজনক শর্ত মানতে বাধ্য করাও এই কৌশলের অঙ্গ। সর্বোপরি, চিন-বিরোধী আমেরিকা থেকে ভারতকে দূরে রাখতেই পাকিস্তানের বন্দর শহর করাচিতে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে ড্রাগনের দেশ।

    যৌথ সামরিক মহড়া 

    এদিকে, সম্প্রতি করাচি উপকূলে পাক নৌসেনার সঙ্গে সি গার্ডিয়ান-৩ যৌথ মহড়াও শুরু করেছে বেজিং। আরব সাগরে দিন সাতেক ধরে চলছে এই মহড়া। জলের পাশাপাশি মহড়া চলছে উত্তর আরব সাগরে করাচির নেভাল বেস থেকে। মহড়া শেষ হবে ১৭ নভেম্বর। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এই মহড়া চিন ও পাকিস্তানের শক্তপোক্ত দ্বিপাক্ষিক মিলিটারি কো-অপারেশনের ফল। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্ত করবে।

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, ভারতকে চাপে রাখতে এর আগে শ্রীলঙ্কার একটি বন্দরে নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছিল চিন। তখন চিনকে ওই বন্দর ব্যবহার করতে দিতে খানিকটা বাধ্য হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কারণ চিনা ঋণের ফাঁসে জড়িয়ে গিয়েছিল এই দ্বীপরাষ্ট্র। পরে ভারতের সহযোগিতায় অর্থনীতির হাল ফেরায় শ্রীলঙ্কা। তার পরেই চিনকে ওই জাহাজ সরিয়ে নিতে বলে কলম্বো। তার পর একই কায়দায় পাকিস্তানকেও ঋণের জালে জড়িয়ে ফেলে বেজিং। এবার তাদের নৌ-বন্দর ব্যবহার করে ও চিন-পাকিস্তান যৌথ নৌবাহিনী-মহড়া সেরে ভারতকে চোখ রাঙাতে চাইছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (Chinese Submarine)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজি নজরুল ইসলামের “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটিকে বিনির্মাণ করতে গিয়ে বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছেন সঙ্গীত পরিচালক এআর রহমান। এমনই অভিযোগ শিল্পীমহলের একটা বড় অংশের। গানটির প্রচলিত সুর বদলে দেওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে এপার-ওপার বাংলায়। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন নজরুলের জন্মভিটে চুরুলিয়ার বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফুঁসছেন কবি পরিবারের সদস্যরাও।

    ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    এহেন আবহে গানটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে জল ঢালতে উদ্যোগী হলেন ছবিটির অন্যতম প্রযোজক সিদ্ধার্থ রয় কপূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, “এই গানকে (Karar Oi Louho Kapat) ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানে প্রযোজক, পরিচালক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আমরা নজরুল পরিবারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় স্বত্ব নেওয়ার পরেই শিল্পের খাতিরে গানটিকে তৈরি করেছি।” ছবি নির্মাতাদের তরফে লেখা হয়েছে, নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। নজরুলের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজি ও তাঁর পুত্র কাজি অনির্বাণের কাছ থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে এই গানের স্বত্ব নেওয়া হয়েছিল।”

    ‘নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে’

    যদিও সংবাদ মাধ্যমকে অনির্বাণ জানিয়েছিলেন, গানের কথা ব্যবহার করা হলেও, সুর বদলানো যাবে না এই মর্মেই ছবি নির্মাতাদের স্বত্ব দিয়েছিলেন তাঁরা। বিবৃতি জারি করে নির্মাতারা জানিয়েছেন, গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে শ্রদ্ধা জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। গানের কথা ব্যবহার ও সুরের পরিবর্তন করা হয়েছে চুক্তি অনুযায়ী। নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। এই অ্যালবামটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়া হাজার হাজার মানুষের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য।  

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমরা মূল গানটিকে ঘিরে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান করি। শিল্প যেহেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল, তাই সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারও আবেগে আঘাত করে থাকে, তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।” “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটির সুর বিকৃত করার প্রতিবাদে সোমবার সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে নজরুল মঞ্চের টিকিট কাউন্টারের সামনে জমায়েত করেছিল হেরিটেজ বেঙ্গল নামে একটি সংস্থা। নজরুলের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে প্রতিবাদ জানান প্রচুর মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধসের জেরে আটকে রয়েছেন জনা চল্লিশেক শ্রমিক। সেই তালিকায় রয়েছেন বাংলার তিন শ্রমিকও। তাই শ্রমিকদের উদ্ধারকার্যের বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ ব্যাপারে তিনি কথা বলেছেন উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে।

    শুভেন্দুর বার্তা

    এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে উদ্ধারকাজ নিয়ে কথা বলেছি। আমি জেনেছি, সেনা ও এনডিআরএফ দিন-রাত এক করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হবে।” রবিবার রাতে উত্তরকাশীতে ব্রহ্মখাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের ওপর একটি নির্মীয়মান সুড়ঙ্গের মুখে ধস নামে। ওই সময় সুড়ঙ্গের ভেতরে ছিলেন জনা চল্লিশেক শ্রমিক। আটকে পড়েন তাঁরা। সোমবার সকাল থেকে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। মঙ্গলবার বেলা ১০টা পর্যন্ত কারও খোঁজ মেলেনি বলেই খবর।

    পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন

    জানা গিয়েছে, সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজ মিলেছে। তাঁদের খাদ্য, জল ও অন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে বলেই জানানো হয়েছে।” তিনি জানান, এ রাজ্যের যে তিন শ্রমিক ওই সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন তাঁরা হলেন, জয়দেব প্রামাণিক, মণির তালুকদার ও সৌভিক পাখিরা। উদ্ধারকারী দলের তরফে এক আধিকারিক জানান, প্রায় ২১ মিটারের একটি স্ল্যাব সুড়ঙ্গের মুখ আটকে দিয়েছিল। সেটি সরানো হয়েছে। এ পর্যন্ত সুড়ঙ্গের ১৯ মিটার এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে।

    একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, কংক্রিটের বড় বড় চাঁই স্তূপীকৃত হয়ে পড়ে রয়েছে সুড়ঙ্গে। সেগুলি সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। বিপর্যয় মোকাবিলা দলের এক আধিকারিক বলেন, “সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপদ জায়গা বলতে রয়েছে প্রায় ৪০০ মিটার এলাকা। এখানেই তাঁরা হাঁটাচলা করতে পারবেন। পারবেন শ্বাস নিতেও।” প্রসঙ্গত, এই (Suvendu Adhikari) সুড়ঙ্গে যাঁরা আটকে রয়েছেন তাঁদের সিংহভাগই বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের।

    আরও পড়ুুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JNU: জেএনইউ-তে বিকৃত করা হল ‘ওনাম উৎসব’, রাজা মহাবলিকে পরানো হল প্যালেস্তাইনের পতাকা

    JNU: জেএনইউ-তে বিকৃত করা হল ‘ওনাম উৎসব’, রাজা মহাবলিকে পরানো হল প্যালেস্তাইনের পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিকৃত করার ফের একবার অভিযোগ উঠল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বড় উৎসব হল ওনাম। ওনাম উৎসব পালন করা হয় ভগবান বিষ্ণুর বামন অবতার এবং রাজা মহাবলির পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন উদযাপনের জন্য। ধর্মীয় বিশ্বাস, তিরুভোনামের দিনে, অসুর রাজা মহাবলি তাঁর প্রজাদের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিটি মালয়ালী পরিবারে যান। মনে করা হয় যে ওনামের দিনে যাঁরা ভগবান বিষ্ণুর পূজা করেন, তাঁদের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে।  ওনামের অসুররাজ মহাবলি কেরলের বড় অংশের মানুষের উপাস্য। সেই মহাবলিকেই বিকৃত করল বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। প্যালেস্তাইনের পতাকা পরিধান করে রয়েছেন মহাবলি এমন বেশে তাঁকে সাজিয়ে পোস্টার বানানো হল। এর পুরোটাই জেএনইউ-এর (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা হামাসের সমর্থনে করল। 

    জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে জেএনইউ-এর বামপন্থী-ইসলামপন্থী

    এতে পরিষ্কার যে বামপন্থী-ইসলামপন্থীরা সমগ্র সমাজের কথা একেবারেই ভাবে না। কারণ হামাস কোনও সামাজিক সংগঠন নয় অথবা মানবাধিকারের জন্যও লড়ে না, তা একটি কট্টর ইসলামিক সংগঠন। অর্থাৎ হিন্দুধর্মের পবিত্র উৎসব ওনামকে বিকৃত করে হামাসকে সমর্থন! দক্ষিণ ভারতের লাখ লাখ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে এভাবেই আঘাত হানল জেএনইউ-এর (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। ওই পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘ওনাম অফ সলিডারিটি’। বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের এমন হিন্দু ধর্মবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে ক্যাম্পাসে কেরলের ছাত্রদের একটি বড় অংশকে। ঠিক এই কারণেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের ওনাম উৎসবে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের সংখ্যাও। প্রতিবছর যেখানে উপস্থিতি থাকে ৭০০ এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী। এবার সেখানে হাজির ছিলেন মাত্র ১৫০ জন। 

    সলিডারিটির নামে ভণ্ডামি

    অন্যদিকে ওনাম উৎসব পালিত হয় অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে। বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা সেটা টেনে নিয়ে এসেছে নভেম্বরের ৯ তারিখে। ওয়াকিবহাল মহল ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে, ইরাকের ইয়েজিদি সমাজ, হামাসের হানায় নিহত ১,৪০০ নিরীহ ইজরায়েলি মানুষের প্রতি সলিডারিটি কেন দেখায় না ক্যাম্পাসের বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। আসলে এর পিছনের উদ্দেশ্য হল ক্যাম্পাসের ভোট-ব্যাঙ্ককে বিভাজিত করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Basudeb Acaria: প্রয়াত বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বাসুদেব আচারিয়া, শোকস্তব্ধ বাঁকুড়া

    Basudeb Acaria: প্রয়াত বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বাসুদেব আচারিয়া, শোকস্তব্ধ বাঁকুড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বাসুদেব আচারিয়া (Basudeb Acaria)। বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের ৯ বারের সাংসদ ছিলেন তিনি। সোমবার দুপুরে হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায়। প্রবীণ এই সিপিএম নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে

    ১৯৪২ সালের ১১ জুলাই পুরুলিয়ায় জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বাসুদেব। ছাত্র বয়সেই জড়িয়ে পড়েছিলেন বাম আন্দোলনে। ১৯৮০ সালে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথম পা রাখেন সংসদে। তার পর থেকে টানা ন’ বার জয়ী হন তিনি। ২০১৪ সালে তৃণমূল ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করে অভিনেত্রী মুনমুন সেনকে। প্রায় এক লক্ষ ভোটে হেরে যান বাসুদেব। আদিবাসীদের নানা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রয়াত এই সিপিএম নেতা। ছিলেন রেলের শ্রমিক আন্দোলনের নেতাও। স্বাক্ষরতা অভিযানে পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম নেতা ছিলেন তিনি। প্রবীণ এই নেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাঁকুড়া।

    শেষকৃত্য সেকেন্দ্রাবাদে

    এ রাজ্য নয়, বাসুদেবের (Basudeb Acaria) শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে সেকেন্দ্রাবাদে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক তথা পলিটব্যুরোর সদস্য মহম্মদ সেলিম জানান, বাসুদেবের এক কন্যা বিদেশে থাকেন। সেকেন্দ্রাবাদ পৌঁছতে তাঁর মঙ্গলবার হয়ে যাবে। তারপর সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে প্রয়াত নেতার। বাঁকুড়া কেন্দ্রে বাসুদেবের প্রার্থী হওয়াটা অনেকটা পড়ে পাওয়ার মতো। ১৯৮০ সালে বিমান বসুকে বাঁকুড়ায় প্রার্থী করতে চেয়েছিল সিপিএম। তখন রাজ্য সম্পাদক ছিলেন প্রমোদ দাশগুপ্ত। বিমান তাঁকে জানিয়ে দেন, ভোটে দাঁড়াবেন না তিনি। সংগঠনেই থাকতে চান। সেই সময় বাসুদেবকে ওই আসনে প্রার্থী করে সিপিএম। তার পরেরটা তো ইতিহাস।

    আরও পড়ুুন: ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলির রোশনাই, সুনককে ক্রিকেট ব্যাট উপহার জয়শঙ্করের

    সাংসদের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বাসুদেব সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। সদস্য ছিলেন রাজ্য কমিটিরও। জানা গিয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর আসানসোল জেলা গ্রন্থাগারের সংহতি মঞ্চে বামপন্থী বিমা কর্মচারিদের একটি সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বাসুদেব। বক্তব্য রাখার কিছু আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার পর থেকে অসুস্থতা ক্রমে বাড়তেই থাকে। এদিন ত্যাগ করেন শেষ নিঃশ্বাস (Basudeb Acaria)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

     

  • PM Kisan Samman Nidhi: আপনার অ্যাকাউন্টে পড়বে ২ হাজার টাকা, কেন জানেন?

    PM Kisan Samman Nidhi: আপনার অ্যাকাউন্টে পড়বে ২ হাজার টাকা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে দীপাবলির উৎসব। খুশিতে মাতোয়ারা দেশ। এহেন আবহে ফের এল খুশির খবর। এবার খবর দিল কেন্দ্র। জানাল, দু’ দিন পরেই দেশবাসী পাবেন দু’ হাজার করে টাকা। অবশ্য সবাই নয়, প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির (PM Kisan Samman Nidhi) এই টাকা পাবেন কেবল দেশের কৃষকরা। কিষান সম্মান নিধি যোজনার ১৫তম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে ১৫ নভেম্বর। ওই দিনই টাকা ঢুকে যাবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে। এর আগে দেওয়া হয়েছে ১৪ কিস্তির টাকা। ১৫ নভেম্বর বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ১৫তম কিস্তির টাকা জমা দেওয়ার সূচনা করবেন।

    সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রকল্পে কেন্দ্র কৃষকদের বছরে ৬ হাজার করে টাকা দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে ১৪ কিস্তির টাকা। ১৫তম কিস্তির টাকা মিলবে ১৫ নভেম্বর। দেশের ৮ কোটিরও বেশি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কৃষকরা পিএম কিষানের (PM Kisan Samman Nidhi) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা পরীক্ষা করতে পারেন।

    কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র তোমর লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৫ নভেম্বর, ২০২৩-এ প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির ১৫তম কিস্তি ডিবিটির মাধ্যমে দেশের যোগ্য কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করবেন। পিএম-কিষান প্রকল্পের অধীনে যোগ্য কৃষক পরিবারকে বছরে ৬ হাজার টাকার আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়, যা ২ হাজার টাকার তিনটি সমান কিস্তিতে দেয় সরকার।”

    কীভাবে দেখবেন টাকা পেয়েছেন কিনা-

    ১. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ‘পিএমকিষান.গভ.ইন’ দেখুন

    ২. পৃষ্ঠার ডানদিকে ‘নো ইওর স্টেটাস’ ট্যাবে ক্লিক করুন।

    ৩. আপনার রেজিস্টার্ড নম্বর লিখুন ও ক্যাপচা কোড পূরণ করুন। ‘গেট ডাটা’ বিকল্পটি নির্বাচন করুন।

    ৪. এখানে আপনার সুবিধাভোগী স্ট্যাটাস স্ক্রিনে আসবে।

    সুবিধাভোগীর তালিকায় আপনার নাম দেখুন –

    ১. পিএম কিষান অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.pmkisan.gov.in দেখুন।

    ২. বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ট্যাবে ক্লিক করুন।

    ৩. ড্রপ-ডাউন থেকে বিশদ বিকল্পটি নির্বাচন করুন, যেমন রাজ্য, জেলা, উপ-জেলা, ব্লক ও গ্রাম নির্বাচন করুন।

    ৪. রিপোর্ট পান ট্যাবে ক্লিক করুন।

    কীভাবে যোগদান করবেন –

    ১. Pmkisan.gov.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে কৃষকের কর্নারে যান।

    ২. New Farmer Registration-এ ক্লিক করুন ও আধার নম্বর লিখুন এবং ক্যাপচা পূরণ করুন।

    ৩. এখন বিস্তারিত লিখুন ও ইয়েস ক্লিক করুন।

    ৪. পিএম কিষান আবেদনপত্র ২০২৩-এ জিজ্ঞাসা করা তথ্য পূরণ করুন। এটি সংরক্ষণ করুন এবং ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য একটি প্রিন্ট আউট নিন (PM Kisan Samman Nidhi)।

    আরও পড়ুুন: ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলির রোশনাই, সুনককে ক্রিকেট ব্যাট উপহার জয়শঙ্করের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলির রোশনাই, সুনককে ক্রিকেট ব্যাট উপহার জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলির রোশনাই, সুনককে ক্রিকেট ব্যাট উপহার জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীপাবলির অনুষ্ঠান পালন করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। রবিবার দীপাবলি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের সরকারি বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তাঁকে স্বাগত জানান সুনক ও তাঁর স্ত্রী অক্ষতা মূর্তি। পরে সুনক ও তাঁর স্ত্রীকে বাসভবনের বাইরে প্রদীপ জ্বালাতে দেখা যায়।

    সুনককে ব্যাট উপহার

    এদিন সুনকের হাতে দীপাবলির উপহার হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটার বিরাট কোহলির স্বাক্ষর করা একটি ব্যাট তুলে দেন জয়শঙ্কর। সুনক ক্রিকেটপ্রেমী। সেই কারণেই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এমন উপহার। সুনককে একটি গণেশ মূর্তিও উপহার দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। উপহার পেয়ে যারপরনাই খুশি ব্রিটেনের ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক।

    জয়শঙ্করের ট্যুইট-বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা তাঁকে জানিয়েছি। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও ইউনাইটেড কিংডম সক্রিয়ভাবে সম্পর্ককে যথাযথ রাখতে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে। মিস্টার ও মিসেস সুনককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান সুনক ও তাঁর স্ত্রী।

    চার দিনের ব্রিটেন সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। তাঁর এই সফরের মধ্যেই পড়েছে দীপাবলি। সেই উপলক্ষে এদিন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে তাঁকে আমন্ত্রণ জানান সুনক। স্ত্রী কয়োকো জয়শঙ্করকে নিয়ে সুনকের বাসভবনে যান ভারতের বিদেশমন্ত্রী। চলতি সফরে জয়শঙ্কর ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি ছাড়াও দেখা করবেন একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিশিষ্টজনের সঙ্গে। সুনক যে হিন্দু, তা আগেও নানা সময় একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছেন তিনি। তবে ঘটা করে দীপাবলি পালন করতে দেখা যায়নি তাঁকে। এবার গেল (S Jaishankar)। স্ত্রীকে নিয়ে দীপাবলির প্রদীপও জ্বালালেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: লালকেল্লায় পতাকা তুলছেন ‘প্রধানমন্ত্রী মমতা’! পুজোতেও ভরপুর রাজনীতি তৃণমূলের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগর যেন বগটুই, শাসকদলের আক্রোশে জ্বলছে একের পর এক বাড়ি, এলাকায় আতঙ্ক

    South 24 Parganas: জয়নগর যেন বগটুই, শাসকদলের আক্রোশে জ্বলছে একের পর এক বাড়ি, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় কর্মী খুন হওয়ার জেরে শাসক দলের কর্মী-সমর্থকরা তাণ্ডব চালাল গ্রামে। সিপিএমের ২০-২৫টি বাড়িতে আগুন লাগানোর পাশাপাশি বামেদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী খুনের ঘটনা জানাজানি হতেই শাসকদলের রোষানলে পড়ে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও পুলিশ ওই মৃত্যুর ঘটনা স্বীকার করেনি। সোমবার সকালে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে (South 24 Parganas)।

    উল্লেখ্য, এদিনই খুব ভোরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন এখানকার এক পঞ্চায়েত সদস্য। নমাজ পড়তে যাওয়ার সময় তাঁকে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন সইফুদ্দিন লস্কর নামে বছর চল্লিশের ওই তৃণমূল নেতা, যিনি একইসঙ্গে বামুনগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য এবং অঞ্চল সভাপতি ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ওই পঞ্চায়েতের প্রধান। এরপরই গ্রামের লোকজন তাড়া করে দু’জনকে ধরে ফেলে। এদের মধ্যেই একজনের গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপরই শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের আক্রোশ গিয়ে পড়ে সিপিএমের ওপর। নির্বিচারে চলে ভাঙচুর, মারধর এবং অগ্নি সংযোগ।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা? (South 24 Parganas)

    ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, রোজকার মতো সোমবার ভোরে ওই তৃণমূল নেতা নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁকে কাছ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখেন, ওই নেতা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছেন। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

    বগটুইয়ের ছায়া?

    এই ঘটনার সঙ্গে অনেকেই বগটুইয়ের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। এখানেও বেছে বেছে বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের (South 24 Parganas) ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দীর্ঘক্ষণ দমকলের গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। বাড়ির পর বাড়ি দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু বাড়ি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ৫৪ দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক হাজির ছিলেন অযোধ্যার দীপোৎসবে

    Yogi Adityanath: ৫৪ দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক হাজির ছিলেন অযোধ্যার দীপোৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে দীপাবলি পালন হয় অযোধ্যায় (Yogi Adityanath)। এই বিপুল সংখ্যক প্রদীপ প্রজ্জলন নাম তুলেছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এ। অযোধ্যার দীপাবলিকে স্বর্গীয় এবং অবিস্মরণীয় আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে রামনগরীর দীপাবলিতে হাজির ছিলেন ৫৪টি দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক। এ কথা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    পরিবার নিয়ে অযোধ্যায় আসুন, বললেন যোগী আদিত্যনাথ

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ‘‘দীপাবলি হল একটি মাধ্যম, যেটির দ্বারা সমস্ত রকমের শুভ শক্তির সঙ্গে সংযোগ করা যায়। আমি প্রত্যেকজনকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং তাঁদের সমৃদ্ধি কামনা করছি।’’ এদিন অযোধ্যায় (Yogi Adityanath) দীপাবলিতে যাঁরা সামিল হয়েছিলেন তাঁদেরকে পরিবার সমেত রামনগরীতে আসার অনুরোধও করেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, ‘‘পরিবার সমেত অযোধ্যায় আসুন, আপনাদের ভাল লাগবে।’’ যোগী আদিত্যনাথ অযোধ্যায় দীপাবলিতে সামিল হওয়ার আগে রবিবার সকালে হাজির ছিলেন হনুমানগড়ির মন্দিরে। সেখানেই ভগবান হনুমানের পুজো করেন তিনি। বর্তমানে যেখানে রামলালা বিরাজ করছে সেই স্থানও পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    বিদেশের শিল্পীরা মঞ্চস্থ করেন রামায়ণ

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, রাশিয়া এ সমস্ত দেশের শিল্পীরাও অযোধ্যার দীপোৎসবে (Yogi Adityanath) অংশগ্রহণ করেন। শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা রামচন্দ্রের চরিত্রকে মঞ্চস্থ করেন। নেপালের জনকপুরের শিল্পীরা ভগবান রামচন্দ্রের জীবনের বিভিন্ন ঘটনাকে মঞ্চস্থ করেন। রাশিয়ান শিল্পীরাও এক অনবদ্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। লেসার শো-এর মাধ্যমে ২০ মিনিটের রামায়ণও দেখানো হয়। এদিনের দীপোৎসবে যোগী আদিত্যনাথ ছাড়াও সামিল হয়েছিলেন গভর্নর আনন্দিবেন প্যাটেল। রামনগরীর অনুষ্ঠানে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্প বৃষ্টিও দেখা যায়।

    ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ স্থান পেয়েছে অযোধ্যার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

    তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে অযোধ্যায় প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ৫১ হাজার প্রদীপ। ২০১৯ সালে প্রদীপের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ১০ হাজার। ২০২০ সালে ৬ লাখ, ২০২১ সালে প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত হয় ৯ লাখ, ২০২২ সালে ১৭ লাখ। চলতি বছরে ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হল অযোধ্যায়। অযোধ্যার এই নয়া রেকর্ড স্থান পেয়েছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share