Tag: Bengali news

Bengali news

  • Goddess Durga: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী কী? জেনে নিন তাঁদের মাহাত্ম্য

    Goddess Durga: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী কী? জেনে নিন তাঁদের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রাবণকে বধ করার জন্য দেবী দুর্গার অকালবোধন করেছিলেন। এই নিয়ম বা প্রথা মেনে শারদীয়া দুর্গাপুজো করে থাকে বাঙালি সমাজ। কিন্তু দুর্গাপুজোর আসল সময় হল বসন্ত ঋতুতে, যা দেবী বাসন্তীর পুজো হিসেবে পরিচিত। নবরাত্রির সঙ্গে দেবী দশভূজার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তিথি-নক্ষত্র মিলিয়ে রীতিনীতির মধ্যেই পুজো করা হয়। বসন্ত ঋতুতে চৈত্র মাসে যে নবরাত্রি পালন করা হয়, তাতে দেবী দুর্গাকে (Goddess Durga) নয়টি অবতারে পুজো করা হয়।

    কবে পালিত হয়?

    চৈত্র নবরাত্রি পালিত হয় চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের প্রতিপদ তিথিতে। এই সময় মা দুর্গা (Goddess Durga) নয় রকম অবতারে পূজিতা হন। এই পুজো পশ্চিমবঙ্গে যেমন বাসন্তী পুজো নামে পরিচিত, ঠিক তেমনি মহারাষ্ট্রের কোঙ্কণে চৈত্র নবরাত্রিকে গুড়ি পদওয়া বলা হয়। আবার দক্ষিণ ভারতে নবরাত্রি উগাদি নামেও পরিচিত। নবরাত্রি পালনের সঙ্গে বসন্তকালীন চৈতালি ফসল কাটার একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে ভক্তের মনের বাসনা পূর্ণ হয় বলে বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।

    দেবীর নয় অবতার

    দেবী বাসন্তীর ন’টি অবতার হল, দেবী শৈলপুত্রী, দেবী ব্রহ্মচারিণী, দেবী চন্দ্রঘণ্টা, দেবী কুস্মাণ্ডা, দেবী স্কন্ধমাতা, দেবী কাত্যায়নী, দেবী কালরাত্রি, দেবী মহাগৌরী, দেবী সিদ্ধিদাত্রী। নয় দিন ধরে পুজো করে মায়ের কাছে বর চেয়ে অশুভ শক্তির পরাজয় এবং শুভ শক্তির জাগরণের জন্য কামনা করা হয়। সংসারের শ্রীবৃদ্ধি, অর্থধন লাভ, সন্তানদের সাফল্য, পারবারিক সুখ সমৃদ্ধি এবং নারী শক্তির জাগরণের আশায় ভক্তরা এই নবরূপে দেবী বাসন্তী মায়ের পুজো করে থাকেন। বলা হয়ে থাকে, দেবী দুর্গা (Goddess Durga) মা নৌকাতে করে পরিবারের সঙ্গে মর্ত্যে বাপের বাড়িতে আসেন। নবরাত্রির পর আবার কৈলাসে পাড়ি দেন মা দুর্গা।

    দেবী শৈলপুত্রী

    দেবী শৈলপুত্রী হলেন হিমালয়ের কন্যা। তাঁর স্বামী হলেন ভগবান শিব। তাঁর দুই সন্তান কার্তিক এবং গণেশ। দক্ষরাজের কন্যা হলেন সতী। সতীর অপর নাম শৈলপুত্রী। এই দেবীর পুজো করা হয় নবরাত্রির (Chaitra Navratri 2023) প্রথম দিনে।

    দেবী ব্রহ্মচারিণী

    দেবী ব্রহ্মচারিণী হলেন মা দুর্গার (Goddess Durga) অবতার। তাঁর পুজো করা হয় নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে। দেবী দুর্গার তপস্যার প্রতীক হলেন দেবী ব্রহ্মচারিণী। তিনি ভগবান ব্রহ্মার চলার পথে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন।

    দেবী চন্দ্রঘণ্টা

    দেবী চন্দ্রঘণ্টা হলেন দেবী দুর্গার (Goddess Durga) আরেক রূপ। বাঘের উপর উপবিষ্ট থাকেন। অসুর বিনাশিনী দেবী। দশ হাতে পদ্ম, গদা, ত্রিশূল, তলোয়ার, তীরধনুক ইত্যাদি দশ অস্ত্রে সুসজ্জিত থাকেন। দেবীর মস্তকে অর্ধচন্দ্র অবস্থান করে। তাই দেবীকে চন্দ্রঘণ্টা নামে ডাকা হয়।

    দেবী কুস্মাণ্ডা

    দেবী কুস্মাণ্ডা হলেন চতুর্থ অবতার। এই দেবী স্বয়ং ব্রহ্মাণ্ডকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর অনাহত চক্রে মানুষকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করেন।

    দেবী স্কন্দমাতা

    দেবী স্কন্ধ হলেন পঞ্চম অবতার। তিনি ভক্তের কাছে মুক্তি এবং শক্তির প্রতীক। তিনি এই রূপে সিংহবাহনা। ত্রিনয়নী এবং চারটি মস্তকে সজ্জিত। স্কন্দের জননী হওয়ায় তাঁকে স্কন্দমাতা বলা হয়।

    দেবী কাত্যায়নী

    দেবী কাত্যায়নী হলেন মহিষাসুরমর্দিনী। তিনি হলেন মায়ের ষষ্ঠ অবতার। সকল অশুভ শক্তিকে পরাজয় করে অসুরদের বিনাশ করে থাকেন। বৈদিক যুগে কাত্যায়ন নামে এক ঋষি ছিলেন। তাঁর সূত্রেই এই নাম।

    দেবী কালরাত্রি

    দেবী কালরাত্রি হলেন দুর্গার (Goddess Durga) সপ্তম অবতার। সব রকম রাক্ষস এবং ভূতেদের বিনাশ করে থাকেন এই দেবী।

    দেবী মহাগৌরী

    মহাগৌরী হলেন দেবীর অষ্টম অবতার। তিনি হলেন ভক্তের সমৃদ্ধি এবং সুখ প্রদানের দেবী।

    দেবী সিদ্ধিদাত্রী

    সিদ্ধিদাত্রী দেবী হলেন মহা সিদ্ধি প্রদানের দেবী। নবরাত্রির নবম অবতার এবং ভগবান শিবের পত্নী। সিদ্ধিদাত্রীকে বলা হয় শিবের অর্ধাঙ্গিনী দেবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • J-K Encounter: জম্মুর রাজৌরিতে সেনা এনকাউন্টারে খতম ২ জঙ্গি, মৃত্যু এক জওয়ানের

    J-K Encounter: জম্মুর রাজৌরিতে সেনা এনকাউন্টারে খতম ২ জঙ্গি, মৃত্যু এক জওয়ানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরিতে ভয়াবহ সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ (J-K Encounter)। টানা ২ দিন ধরে চলছে দুপক্ষের গুলির লড়াই। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত ২ জঙ্গিকে খতম করেছে নিরাপত্তাবাহিনী (Indian Army)। সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন এক সেনা জওয়ান। আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।  জওয়ানকে রক্ষা করতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গেল এক সেনা সারমেয়র। 

    ‘অপারেশন সুজানিগালা’য় খতম ২ জঙ্গি, মৃত্যু এক জওয়ানের

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রজৌরির পত্রারা অঞ্চলে দু’জন সন্দেহভাজনের গতিবিধির লক্ষ্য করা যায়। এরপরই অভিযান  (J-K Encounter) শুরু হয়। জঙ্গিরা পালিয়ে নারলা গ্রামের দিকে চলে যায়। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পোশাকি নাম দেওয়া হয়— ‘অপারেশন সুজালিগালা’ (Operation Sujaligala)। কিন্তু গ্রামেই হামলার মুখে পড়ে সেনা এবং পুলিশের যৌথ বাহিনী। জম্মু জোনের অতিরিক্ত ডিজিপি মুকেশ সিং বলেন ‘‘তল্লাশির সময় জঙ্গিরা গুলিবর্ষণ করলে, পাল্টা প্রতিরোধ করে বাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ গুলি বিনিময় হয়। এই এনকাউন্টারে ২ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। শহিদ হয়েছেন এক জওয়ান। গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও দুই জওয়ান এবং এক স্পেশাল পুলিশ অফিসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।’’

    হ্যান্ডলারকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ বলিদান দিল সেনার কুকুর

    এদিকে, ওই অভিযানে জঙ্গির ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সেনার (J-K Encounter) এক সারমেয়র। জানা গিয়েছে, প্রথমে এক জঙ্গি খতম হওয়ার পর আরেকজন পালিয়ে যায়। সেই সময় দ্বিতীয় জঙ্গি কোথায় লুকিয়ে আছে, তা জানতে সেনার ২১ আর্মি ডগ ইউনিটের সদস্যা ল্যাব্রাডর প্রজাতির সারমেয় ‘কেন্ট’-কে ডাকা হয় (Army Labrador Kent)। ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফে জানানো হয়েছে, গন্ধ শুঁকে কেন্ট যখন জঙ্গিদের একেবারে কাছে পৌঁছে যায়, তখন আচমকা এক জঙ্গি গুলি চালাতে শুরু করে। নিজের হ্যান্ডলারকে বাঁচাতে জঙ্গির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ৬ বছর বয়সী ‘কেন্ট’। হ্যান্ডলার বেঁচে গেলেও মৃত্যু হয় কেন্টের।

    পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ করেছিল দুই জঙ্গি!

    এদিকে, মৃত জঙ্গিদের (J-K Encounter) কাছ থেকে ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে, যেখানে জামাকাপড় সহ আরও বেশ কয়েকটি অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নাশকতার ছক কষে পাকিস্তান থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করেছিল ওই দুই জঙ্গি। ওই এলাকায় আর কোনও জঙ্গি ঘাপটি মেরে বসে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে গোটা গ্রামে চিরুনি-তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: স্রেফ ছাঁট বেচেই চন্দ্রাভিযানের খরচ তুলে নিল মোদি সরকার! কত আয় হল জানেন?

    Modi Government: স্রেফ ছাঁট বেচেই চন্দ্রাভিযানের খরচ তুলে নিল মোদি সরকার! কত আয় হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান-৩ পাঠাতে ভারতের খরচ হয়েছিল ৬০০ কোটি টাকা। স্রেফ ছাঁট বিক্রি করে প্রায় সেই পরিমাণ টাকা তুলে ফেলল নরেন্দ্র মোদির সরকার (Modi Government)। সম্প্রতি বিক্রি করা হয়েছে বাতিল কাগজপত্র, ফাইল, অকেজো এবং বাজেয়াপ্ত করা যানবাহন। সেখান থেকেই সরকারের রোজগার হয়েছে ৬০০ কোটির কাছাকাছি টাকা। সরকারের এই আয়ের হিসেব চলতি বছরের অগাস্ট মাস পর্যন্ত। অক্টোবর মাসের মধ্যে উপার্জনের পরিমাণ হাজার কোটির গণ্ডি পেরিয়ে যেতে পারে বলে সরকারি সূত্রেই খবর।

    মোদি সরকারের সাফাই অভিযান

    ২০২১ সালে প্রথম প্রশাসনিক দফতরগুলিতে সাফাই অভিযান চালায় নরেন্দ্র মোদির সরকার। সে বছর অক্টোবরে ছাঁট বেচে সরকারের আয় হয়েছিল ৬২ কোটি টাকা। দ্বিতীয় দফার সাফাই অভিযানে কেন্দ্রীয় সরকারের ১.০১ লক্ষ অফিসে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। সেসব জায়গা থেকেই বিক্রি করা হয়েছে বিভিন্ন সরকারি দফতরের নষ্ট হয়ে যাওয়া স্টিলের আলমারি, বাতিল কাগজপত্র, ফাইল, বাজেয়াপ্ত করা পুরনো গাড়ি। জানা গিয়েছে, অপ্রয়োজনীয় ৩১ লক্ষ ফাইল সরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন অফিসের আলমারি থেকে। গত দু’ বছরে খালি করা হয়েছে ১৮৫ বর্গফুট জায়গা (Modi Government)।

    গত বছর আয়ের পরিমাণ 

    ২০২২ সালের অক্টোবরে এই ছাঁট বেচেই সরকার রোজগার করেছিল ৩৭১ কোটি টাকা। আর এবার হাতে এল প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। ২ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ফের একবার হবে সাফাই অভিযান। অংশ নেবে কেন্দ্রের সব ক’টি দফতরের অফিসগুলিই। সরকারের লক্ষ্য অক্টোবরে অন্তত ৪০০ কোটি টাকার ছাঁট বিক্রি করা। সম্প্রতি চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান-৩ পাঠায় ভারত। ভারতের আগে অনাবিষ্কৃত দক্ষিণ মেরুতে পা রাখেনি কোনও দেশ। ভারতের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রাশিয়াও চেষ্টা করেছিল চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করতে। তবে ব্যর্থ হয় রাশিয়ার চন্দ্রাভিযান।

    আরও পড়ুুন: “শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে মিশে যাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, দাবি প্রাক্তন সেনা প্রধানের

    চাঁদের মাটিতে পা রাখার আগেই মুখ থুবড়ে পড়ে রাশিয়ার চন্দ্রযান। এর দিন কয়েক পরে চন্দ্রভূমে পা রাখে ইসরো প্রেরিত চন্দ্রযান-৩। রচিত হয় ইতিহাস। এই ইতিহাস সৃষ্টি করতে ভারতকে ব্যয় করতে হয়েছিল ৬০০ কোটি টাকা। যে টাকা মোদি সরকার (Modi Government) রোজগার করে নিল কেবল ছাঁট বেচেই।

    বুদ্ধি থাকলে কীই না হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Flood in Libya: ‘ড্যানিয়েল’-এ নিশ্চিহ্ন লিবিয়ার একাংশ! মৃত্যু ৫০০০ পার, নিখোঁজ আরও ১০ হাজার

    Flood in Libya: ‘ড্যানিয়েল’-এ নিশ্চিহ্ন লিবিয়ার একাংশ! মৃত্যু ৫০০০ পার, নিখোঁজ আরও ১০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী ঝড় আর সঙ্গে আসা ভয়ঙ্কর বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট প্লাবন— এই দুয়ের মিশেলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত লিবিয়া (Flood in Libya)। এমনিতে, বছরভর যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অবস্থায় থাকে উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশ। এবার প্রাকৃতিক রোষানলে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল দেশটির একাংশ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ হাজারের গণ্ডি। নিখোঁজ ১০ হাজারের বেশি।

    ঘাতকের নাম ‘ড্যানিয়েল’

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রবল শক্তিতে সেদেশে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী ঝড় ‘ড্যানিয়েল’ (Storm Daniel)। ঝড়ের দাপটে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। এর জেরে পরপর নদীবাঁধ ভেঙে গেলে, প্লাবিত হয় আশেপাশের শহর ও এলাকায়। জলে তোড়ে ভেসে যায় উপকূলবর্তী ডার্না শহরের একাংশ (Flood in Libya)। একটা বড় অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় জলের তলায়। আর সেই সঙ্গে তলিয়ে যান হাজার হাজার মানুষ। ডার্না ছাড়াও ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বাতাহ, আল-বায়দা, আল-মার্জ, তোবরুকের মতো শহর। ঝড়ের প্রভাবে যে দিকে তাকানো যায়, সেই দিকেই কেবল ধ্বংসস্তূপ আর মৃত দেহ, জনশূন্য এলাকা।

    সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর গ্রিসের উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে উৎপন্ন হয়েছিল ঝড় ‘ড্যানিয়েল’। ৫ ও ৬ তারিখে গ্রিসে রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়। প্রবল বর্ষণে গ্রিসেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়। এর পর ড্যানিয়েল আরও শক্তি সঞ্চয় করে ‘মেডিকেন’ (মেডিটেরানিয়ান হারিকেন)-এ পরিণত হয়ে আছড়ে পড়ে লিবিয়ায় (Flood in Libya)। লিবিয়ার আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অংশে ১৫০ থেকে ২৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। হড়পা বানের সৃষ্টি হয়। জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে আল-বায়দাত শহরে। সেখানে ২৪-ঘণ্টায় ৪০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি  তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ডার্না এবং বেনগাজি শহরের।

    এত ক্ষয়ক্ষতির কারণ কী?

    জানা গিয়েছে, ডারনায় বেশ কয়েকটি নদীবাঁধ রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে তিনটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় হড়পা বানে জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে একেবারে সমুদ্রে নিয়ে ফেলেছে বহু বসতি। আর তার জেরেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, প্রথমে বৃষ্টির ফলে চাপ পড়ে ভেঙে যায় ডার্না শহরের ১২ কিমি আগে থাকা একটি বাঁধ। পর্যায়ক্রমে, তা চাপ ফেলে শহরের ১ কিমি আগের একটি বাঁধের ওপর। সেটিও ভেঙে গেলে, গোটা শহর জলের তোড়ে ভেসে যায়। ডার্না শহরেই কমপক্ষে ১০০০ দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে গোটাটাই সরকারি হিসেব। প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। লিবিয়ার উপকূলবর্তী একটি শহরের জনসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার। জলের তোড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে শহরের একটি অংশ। বেসরকারি হিসেব বলছে, এখানেই মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে (Flood in Libya)। 

    ‘ভুতুড়ে’ শহরে পরিণত ডার্না

    সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, ডার্না শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একটা অংশ রাতারাতি যেন মানচিত্র থেকে ‘ভ্যানিশ’ হয়ে গিয়েছে। সেখানে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। গাড়িঘোড়া উল্টে পড়ে রয়েছে রাস্তার ধারে। গাছপালা উপড়ে ঢেকে গিয়েছে রাস্তা। ঘরবাড়ি সব ভেঙে পড়ে রয়েছে। একটি লোকও চোখে পড়ছে না কোথাও। চারদিকে শুধু লাশের পাহাড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি এবং ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, ডার্নার বুক দিয়ে তীব্র গতিতে জল ছুটে চলেছ। এখন সেখানে শুধু শ্মশানের স্তব্ধতা। ধসের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে আরও কয়েকশো দেহ। কিছু মানুষ যাঁরা এখনও বেঁচে রয়েছেন শহরে, তাঁরা ঘরে বন্দি (Flood in Libya)। 

    প্রশাসনের বক্তব্য

    লিবিয়ার অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী এবং পূর্বাঞ্চল প্রশাসনের সদস্য হিচেম আবু চকিত্তত জানিয়েছেন, শহরের ২৫ শতাংশ ধুয়ে মুছে গেছে। ডারনা শহরেই মারা গেছেন প্রায় দুই হাজার ২০০ জন। লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ওথমান আবদুলজলিল সোমবার ক্ষতিগ্রস্থ শহর পরিদর্শন করেন। তিনি ঝড়ের ও বন্যার ধ্বংসলীলায় শহরকে ভুতের শহর বলে মন্তব্য করেন। এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ দ্য রেড ক্রস অ্যান্ড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিরা জানান, নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। 

    প্রতিবেশী দেশগুলির সাহায্যের আশ্বাস

    লিবিয়ার (Flood in Libya) প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় প্রতিবেশী দেশগুলি নিজেদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ ১৬৮টি অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। সম্প্রতি ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করতে ইতালি সাহায্য পাঠিয়ছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও লিবিয়াতে সৌদি আরব, আমেরিকা সাহায্যের জন্য ত্রাণ পাঠিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ কী করছিল?

    Duttapukur: দত্তপুকুরে ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে কিছুদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। সেই বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আস্ত একটি তিনতলা বাড়ি। এবার সেই বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর (Duttapukur) থানার কদম্বগাছি উলা মাঝেরপাড়া গ্রামে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কী করে বিস্ফোরণ ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Duttapukur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ দত্তপুকুরের (Duttapukur) কদম্বগাছি উলা মাঝেরপাড়া গ্রামে একটি জমির পাশে প্রচুর পরিমাণে  বোমা মজুদ করে রাখা হয়েছিল। আর সেই বোমা ফেটে এবার আবারও বোমা বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তার জেরে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কম্পনের তীব্রতা অনুভব করেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি এদিন যে স্থানে বিস্ফোরণ হয় সেই স্থানে মাটি বহুদূর উড়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই স্থানে এর আগেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ করেন, এই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বোমা বাধার কাজ চলতো।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে বোমা বিস্ফোরণের আওয়াজ আমরা শুনতে পাই। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বাড়িঘর পুরো কেঁপে ওঠে, এমনই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তারপরেই এলাকার লোকজন সবাই মিলে বেরিয়ে সেখানে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, প্লাস্টিকের ড্রামে করে বোমা মাটির মধ্যে গর্ত করে রাখা ছিল। আর সেখানেই বিস্ফোরণ হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনই প্রায় এখানে বোমা বাধার কাজ চলে। এলাকাবাসী আরও বলেন,  আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের উপরে আক্রমণ হয়। এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী তারা প্রতিনিয়ত আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে। পুলিশের একাংশকে হাত করেই এখানে দুষ্কৃতীরা বোমা বাঁধার কাজ করত। পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগে থেকে এসব চলত। দত্তপুকুরের (Duttapukur) ঘটনার পর কিছুদিন সব কিছু বন্ধ ছিল। ফের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় পুলিশের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • VK Singh: “শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে মিশে যাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, দাবি প্রাক্তন সেনা প্রধানের

    VK Singh: “শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে মিশে যাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, দাবি প্রাক্তন সেনা প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শীঘ্রই নিজে থেকেই ভারতের সঙ্গে মিশে যাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর।” রাজস্থানের দৌসায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা প্রাক্তন সেনা প্রধান ভিকে সিংহ (VK Singh)। চলতি বছরই রয়েছে রাজস্থান বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে রাজস্থানে এসেছেন মন্ত্রী। এখানেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “শীঘ্রই নিজে থেকেই ভারতের সঙ্গে মিশে যাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর। একটু অপেক্ষা করুন।”

    শিয়া মুসলিমদের দাবি

    নির্বাচনমুখী রাজস্থানে ‘পরিবর্তন সঙ্কল্প যাত্রা’র আয়োজন করা হয়েছে বিজেপির তরফে। এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও। সেই কারণেই দৌসায় এসেছিলেন মন্ত্রী। উল্লেখ্য, শিয়া মুসলমানরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন লাদাখের কারগিল চেকপোস্ট খুলে দেওয়ার। সেই প্রসঙ্গেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ভারতে মিশে যাওয়ার কথা বলেন মন্ত্রী (VK Singh)। জানা গিয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনসংখ্যা ৪৫ লাখের কাছাকাছি। এর ৯৭ শতাংশই মুসলিম। বাকি তিন শতাংশ হিন্দু সহ অন্যান্য ধর্মের।

    চিনা আগ্রাসন নিয়ে জবাব মন্ত্রীর

    কেবল পাকিস্তান নয়, চিনা আগ্রাসন নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন বিদেশ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী। মানচিত্রের নয়া সংস্করণে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে নিজেদের এলাকা বলে দেখিয়েছে বেজিং। এদিন সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “এটা চিনের পুরনো অভ্যাস। শুধুমাত্র ভারতের কিছু অংশ নিয়ে মানচিত্র প্রকাশ করে ওরা কিছু করতে পারবে না। এতে কিছু বদলাবে না। কোন এলাকাগুলি আমাদের, আমাদের সরকার তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। অবান্তর দাবি করলেই অন্য লোকের এলাকা আপনার হয়ে যায় না।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইডি দফতরে পৌঁছলেন অভিষেক, শুরু জিজ্ঞাসাবাদ

    প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লি বরাবরই দাবি করে আসছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের। অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। মে মাসে গোয়ায় অনুষ্ঠিত এসসিও-র বিদেশমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টোও। তাঁর সামনেই অবৈধভাবে দখল করা এলাকা তাঁরা কখন ফাঁকা করে দেবেন, এ প্রশ্নও তুলেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    কংগ্রেস সরকারের আমলে রাজস্থানে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, এদিন তাও জানিয়েছেন মন্ত্রী (VK Singh)। বছর কয়েক আগে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়ে পাক ভূখণ্ডে থাকা বেশ কিছু জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছিল ভারত। তার পর থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতে নিয়ে আসার আশ্বাস দিচ্ছেন বিজেপির বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রী। অখণ্ড কাশ্মীরের স্বপ্ন যে অচিরেই পূরণ হতে চলেছে, এদিন প্রাক্তন সেনা প্রধানের কথায়ই তা স্পষ্ট।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED on Abhishek Banerjee: কিছু প্রশ্ন রয়েছে, তাই তলব করা হয়েছে অভিষেককে, হাইকোর্টে জানাল ইডি

    ED on Abhishek Banerjee: কিছু প্রশ্ন রয়েছে, তাই তলব করা হয়েছে অভিষেককে, হাইকোর্টে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সরাসরি রক্ষাকবচ মিলল না তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। মামলা যতক্ষণ বিচারাধীন, ততক্ষণ যেন ইডি কোনও পদক্ষেপ না করে, আদালতের কাছে এমনই আবেদন জানান তৃণমূল নেতার আইনজীবী।

    “নির্দেশনামায় কেন নতুন শব্দবন্ধ লিখতে যাব?”

    ইডির (ED on Abhishek Banerjee) আইনজীবীর মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ইডির আধিকারিকরা এই মামলার শুরু থেকে কোনও কড়া পদক্ষেপ করেননি। মঙ্গলবার ফের শুনানি হয় এই মামলার। মামলা ওঠে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। তিনি বলেন, “এই মামলার শেষ মুহূর্তে নির্দেশনামায় কেন নতুন শব্দবন্ধ লিখতে যাব? কালকেও আমার বিচার্য বিষয় একই থাকবে।  জামিনের মামলা শুনানির জন্য আমার কাছেই আসবে।” প্রসঙ্গত, ইসিআইআর খারিজের দাবিতে যখন মামলা চলছে, তখন ১০ সেপ্টেম্বর অভিষেককে নতুন করে সমন পাঠানো হয়েছে।

    অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন

    ১৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। অভিষেকের আইনজীবী জানান, বুধবার তাঁর (অভিষেকের) বিশেষ একটি বৈঠক রয়েছে। তিনি বলেন, “এটা বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ। কাল তাঁকে গ্রেফতারও করা হতে পারে। এই ধরনের হয়রানির মানে কি?” ইডির আইনজীবী বলেন, “সমন পাঠানো মানে কড়া পদক্ষেপ নয়। তিনি অভিযুক্ত নন।  ইডির (ED on Abhishek Banerjee) কিছু প্রশ্ন রয়েছে। তাই তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সমন পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের কোনও বাধা নেই। গ্রেফতার করতে আমাদের কোনও সমনের দরকার নেই।  আমরা যখন ইচ্ছা গিয়ে গ্রেফতার করতে পারি। গ্রেফতারির জন্য সমন পাঠানো হয়েছে এই আশঙ্কা অমূলক।” তিনি বলেন, “এই আদালতের অন্য এজলাসেও মামলা চলছে।  সেখানে আমাদের রিপোর্ট দিতে হবে। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘টাকা সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট দুবাই’’! মমতার বিদেশ সফর নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বিচারপতি ঘোষ বলেন, “ইসিআইআর খারিজের মূল মামলায় অভিষেক এবং ইডির বক্তব্যের লিখিত আকারে খুশি (ED on Abhishek Banerjee) নয় আদালত। ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন করে লিখিত আকারে বক্তব্য পেশ করতে হবে।” অভিষেকের আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন,  “আপনি এমন কিছু নির্দেশনামার উল্লেখ করেছেন যা আপনার বিপক্ষে যেতে পারে। আপনি মুখে যা বলেছেন এবং লিখিত আকারে যা জমা দিয়েছেন তার মধ্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। অনেক বক্তব্য লিখিত আকারে দেননি।” এদিন রিপোর্ট জমা দিল সিএফএসএল। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে  ১৯ সেপ্টেম্বর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা, হলফনামা তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা, হলফনামা তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মামলা। তার জেরে মঙ্গলবার রাজ্যপালের দফতরের হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হলফনামা জমা দিতে হবে ৪ অক্টোবরের মধ্যে। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে চাওয়া হয় হলফনামা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৬ অক্টোবর।

    কেন্দ্রের আইনজীবীকে প্রশ্ন আদালতের

    মামলাকারীর অভিযোগ, রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগের যে বিল বিধানসভায় পাশ হয়েছে, তা আটকে রেখে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি করেছেন রাজ্যপাল। এদিন মামলার শুনানিতে কেন্দ্রের আইনজীবীকে আদালতের (Calcutta High Court) প্রশ্ন, “যদি সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়, তাহলেও কি আদালত রাজ্যপালকে কোনও একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার অনুরোধ জানাতে পারে না? ডানদিকে হোক, বামদিকে হোক বা কেন্দ্রে হোক, যেখানেই হোক, কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার অনুরোধ রাজ্যপালকে আদালত জানাতে পারে না? এই ধরনের সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের কৈফিয়ত তলব করা যায় না, সময় বেঁধে দেওয়া যায় না, কিন্তু যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধও কি আদালত করতে পারে না?”

    কী জবাব দিলেন কেন্দ্রের আইনজীবী?

    কেন্দ্রের আইনজীবী বলেন, “সংবিধান রাজ্যপাল সহ একাধিক সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিকে রক্ষাকবচ দিয়েছে। তাঁরা জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। মামলাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় খতিয়ে দেখা হোক। তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক। এই পরিচয় গোপন করে তিনি মামলা করেছেন। তাই এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।”

    রাজ্য সরকারের আইনজীবী বলেন (Calcutta High Court), “একটি বিল যাওয়ার পরে রাজ্যপাল তিনটি কাজ করতে পারেন। প্রথমত, তিনি বিলে সম্মতি জানিয়ে সই করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, তিনি পরামর্শ দিয়ে বা না দিয়ে পুনরায় বিবেচনার জন্য বিধানসভায় বিলটি ফেরত পাঠাতে পারেন। তৃতীয়ত, তিনি বিলটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিতে পারেন। বিলটি তাঁর কাছে যাওয়ার পর এক বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও, রাজ্যপাল এই তিনটি পদক্ষেপের কোনওটিই করেননি।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! ভোটার তালিকায় ত্রুটি রুখতে গুচ্ছ নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা ও রাজ্য মন্ত্রিসভায় পাশ হওয়ার পর ২০২২ সালের ১৫ জুন বিলটি পাঠানো হয় রাজ্যপালের কাছে। বিলটিতে তিনি সই করলে সেটি আইনে পরিণত হত। রাজ্যপাল বিলটি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। এর প্রেক্ষিতেই দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! ভোটার তালিকায় ত্রুটি রুখতে গুচ্ছ নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Loksabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! ভোটার তালিকায় ত্রুটি রুখতে গুচ্ছ নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Elections 2024)। তার আগে ভোটার তালিকায় ত্রুটি রুখতে জেলাশাসকদের সতর্ক করে দিলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পদমর্যাদার দুই আধিকারিক ধর্মেন্দ্র সাউ ও নীতীন ব্যাস।

    কমিশনের কড়া নির্দেশ

    সোমবার কলকাতার একটি হোটেলে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। সেখানেই সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ভোটার তালিকায় কোনওরকম ত্রুটি থাকা চলবে না। সংশোধিত ভোটার তালিকা থেকে মৃতদের নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই। ধর্মেন্দ্র ও নীতীন জানান, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে যেসব নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। কমিশনের নির্দেশ যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘন করা না হয়।

    ভোটার তালিকা প্রকাশ কবে?

    ভোটার তালিকা সংশোধনের পর ১ নভেম্বর সংশোধিত ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করা হবে। নতুন বছরের ৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, এমনই ঠিক আছে। ভোটার তালিকা নিয়ে কোনও রাজনৈতিক দল যাতে অভিযোগের আঙুল তুলতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক হয়ে এগোতে হবে। বুথগুলোকে (Loksabha Elections 2024) এখনই চূড়ান্ত করে ফেলতে হবে। সেখানকার সুবিধা-অসুবিধাগুলি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে শুরু করবে বলেও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে।

    আরও পড়ুুন: ভোটার তালিকায় কারচুপি করছে শাসক দল, অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    জেলাশাসকদের সঙ্গে নির্বাচনী আধিকারিকদের এদিন প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয়। প্রত্যেক জেলাশাসকের  সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করেন তাঁরা। এদিন জেলাশাসকদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও ভোটারের নাম (Loksabha Elections 2024) যেন দু’ জায়গায় না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। দু’ জায়গায় নাম থাকলে কমিশনের নিয়ম মেনে একটি জায়গা থেকে নাম বাদ দিতে হবে। ভোটার তালিকায় নাম তুলতে গিয়ে নতুন ভোটাররা যাতে প্রতিকূলতার সম্মুখীন না হন, সেদিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। কাটাতে হবে প্রতিকূলতা। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে সব অভিযোগ জমা পড়েছে, এদিন তার তালিকা জমা নেন নির্বাচনী আধিকারিকরা। এই সব অভিযোগের নিষ্পত্তি কীভাবে হয়েছে, তাও শোনেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সৌদির যুবরাজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হল জানেন?

    PM Modi: সৌদির যুবরাজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৯ সালে তৈরি হওয়া ভারত-সৌদি আরব কৌশলগত অংশীদারি পরিষদের বৈঠকও হয়েছে দিল্লিতে।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত যুবরাজকে

    এদিনের বৈঠকে ভারত ও সৌদি দুই দেশই পশ্চিম উপকূলবর্তী তেল উত্তোলনের ৫০০ কোটি ডলারের প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করার রূপরেখা নিয়ে কথা বলেছে। জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ উৎপাদন, মহাকাশ গবেষণায় সহযোগিতা বাড়ানো নিয়েও কথা হয়েছে দুই দেশের। রবিবারই নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে দু’ দিনের জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেই উপলক্ষে দেশে এসেছেন সৌদির যুবরাজ। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানানো হয় তাঁকে।  

    ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক করিডর শুরুর সিদ্ধান্ত 

    প্রসঙ্গত, ব্রিটেন, চিন এবং ফ্রান্সের পর ভারতই চতুর্থ দেশ যার সঙ্গে কৌশলগত পরিষদ গঠন করল সৌদি আরব। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে সহযোগিতা গোটা অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য খুবই জরুরি। আজকের আলোচনায় সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা গতকালই ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক করিডর শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই করিডর অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে ডিজিটাল সংযোগ বাড়াবে। ভারত ও সৌদির বাণিজ্য সম্পর্ক দুই দেশকেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলেও আমরা আত্মবিশ্বাসী। গ্রিড সংযোগ, পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের সহযোগিতার অপরিসীম সুযোগ রয়েছে। এই দুই দেশ মিলে ঐতিহাসিকভাবে অর্থনৈতিক করিডরের সূচনা করেছি।” 

    আরও পড়ুুন: ‘‘টাকা সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট দুবাই’’! মমতার বিদেশ সফর নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সৌদির যুবরাজ বলেন, “আমরা কঠোর পরিশ্রম করে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপের মধ্যের এই অর্থনৈতিক করিডরকে বাস্তবে পরিণত করব। আমরা ভবিষ্যতের সুযোগের লক্ষ্যে এখন কাজ করছি।” এদিনের বৈঠকে ভারত (PM Modi) ও সৌদি একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে সম্মত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে ভারতে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন সৌদির যুবরাজ। সেই বিনিয়োগকে সঠিক দিশা দেখাতেই গঠিত হয়েছে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share