Tag: Bengali news

Bengali news

  • Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’! তাই পুরো বাদল অধিবেশনের জন্য আম আদমি পার্টির (AAP) রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহকে সাসপেন্ড করলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে আজ, সোমবার বাদল অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও উত্তপ্ত ছিল সংসদ। এদিন রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সঞ্জয়। এর পরেই সাংসদ পদের অবমাননা করায় তাঁকে সাসপেন্ড করেন ধনখড়। ২৬৭ নম্বর ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা চেয়ে বিক্ষোভ দেখানোয় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সতর্ক করে দেন সাংসদ তৃণমূলের ডেরেক ও’ ব্রায়েনকে।

    সাসপেন্ড সঞ্জয়

    এদিন মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয় সহ কয়েকজন সাংসদ। এজন্য সঞ্জয়কে একাধিকবার সতর্ক করে দেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁকে তাঁর আসনে গিয়ে বসতেও অনুরোধ করা হয়। তার পরেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয়। এর পর রাজ্যসভার নেতা পীযূষ গয়াল আপ সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় সেই প্রস্তাব। তার পরেই সঞ্জয়কে সাসপেন্ড করা হয়।

    ধনখড়-ডেরেক বিতণ্ডা 

    এদিকে, এদিন ধনখড়ের সঙ্গে সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের তুমুল বিতণ্ডা হয়। তার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় রাজ্যসভার অধিবেশন। এদিন রাজ্যসভায় কী কী নোটিশ এসেছে, তার উল্লেখ করছিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান (Jagdeep Dhankhar)। ১৭৬ এর অধীনে যেসব নোটিশ এসেছে, সেই নোটিশ নিয়ে বলার সময় সাংসদদের নাম বলেন ধনখড়।

    আর ২৬৭-র অধীনে যেসব নোটিশ এসেছিল, সেগুলি বলার সময় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান কেন সাংসদদের নাম উল্লেখ করলেন না, তা নিয়েই শুরু হয় বিতণ্ডা।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড়, ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ প্রধান হাইকোর্টের বিচারপতির

    এর পর রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সাংসদদের নাম বলতে শুরু করেন। তখন ডেরেক ফের ‘কোন দল? কোন দল?’ বলে চেঁচামেচি জুড়ে দেন।  ধনখড় তাঁকে বলেন, “আপনি বসুন। তারপর বলুন কী হয়েছে।” ডেরেক তা করতে অস্বীকার করেন। এরপরেও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ ব্রায়েন আপনি দয়া করে বসুন। আপনি কিন্তু চেয়ারকে চ্যালেঞ্জ করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘উত্তরবঙ্গের প্রতি ফোকাসটা কম, পিছিয়ে পড়া মনে হয়’, একী বললেন তৃণমূলের মেয়র গৌতম দেব

    TMC: ‘উত্তরবঙ্গের প্রতি ফোকাসটা কম, পিছিয়ে পড়া মনে হয়’, একী বললেন তৃণমূলের মেয়র গৌতম দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ১৩ বছরের রাজত্বে উত্তরবঙ্গ যে বঞ্চিত তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন শিলিগুড়ির মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী গৌতম দেব। সোমবার শিলিগুড়ি জার্নালিস্ট ক্লাবে প্রখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড় অর্জুন মান্তু ঘোষের উপর একটি গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি। এখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সবসময় আমাদের উত্তরবঙ্গের প্রতি ফোকাসটা কম। উত্তরবঙ্গ হলেই কেমন যেন পিছিয়ে পড়া-পিছিয়ে পড়া মনে হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে।ֹ’ 

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে তৃণমূলের (TMC) দাবিকে ধাক্কা দিলেন গৌতম দেব

    মেয়রের এই বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কারণ, তৃণমূলের (TMC) নেতা, মন্ত্রীরা সব সময় দাবি করেন, রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর উত্তরবঙ্গ আর অবহেলিত নয়। প্রচুর উন্নতি হয়েছে। সেখানে এদিন গৌতম দেবের এই বক্তব্য তৃণমূলের সেই দাবিকে ধাক্কা দিচ্ছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূলের রাজ্য নেতা মুখে উত্তরবঙ্গের প্রতি বঞ্চনার কথা শুনে বিরোধীরা সরব হয়েছে।

    গৌতম দেবকে কেন ধন্যবাদ জানালেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি মনে করে, উত্তরবঙ্গের প্রতি তৃণমূল (TMC) সরকারের বঞ্চনা নিয়ে তাদের অভিযোগে এদিন  সীলমোহর দিলেন গৌতম দেব। তাঁর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শিলিগুড়ির বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ বলেন, আমি শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে ধন্যবাদ জানাই। কেননা তৃণমূলের অনেক নেতাই প্রকাশ্যে না হলেও নিজেদের মধ্যে উত্তরবঙ্গের প্রতি বঞ্চনার কথা বলেন। এদিন সরাসরি সেটা স্বীকার করে নিলেন শিলিগুড়ির মেয়র।

    বিতর্ক শুর হতেই ঢোক গিললেন গৌতম দেব

    তাঁর বক্তব্যে নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই ঢোক গেলেন গৌতম দেব। এদিন অনুষ্ঠানের পর শিলিগুড়ি পুরসভায় সাংবাদিকরা এনিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি খেলার ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের প্রতি বঞ্চনার কথা বলেছি। ঋদ্ধিমান সাহা, মান্তু ঘোষ দিনের পর দিন ভাল পারফরম্যান্স করে যাওয়ার পরও জাতীয় ক্ষেত্রে সেই গুরুত্ব পাননি, বঞ্চিত হয়েছেন। এদিন আমার ওই বক্তব্যে রাজনীতি বা রাজ্য সরকারের বঞ্চনার কোনও বিষয় নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড়, ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ প্রধান হাইকোর্টের বিচারপতির

    Calcutta High Court: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড়, ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ প্রধান হাইকোর্টের বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড় জমে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। আজ, সোমবার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত অন্তত ৭৩টি মামলার শুনানি রয়েছে। এরই মাঝে নতুন আবেদন শুনে ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। সব মামলার শুনানি স্থগিত করে দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।

    মামলার পাহাড় 

    এদিন যে ৭৩টি মামলার শুনানি রয়েছে আদালতে, তার মধ্যে ২৬টি জনস্বার্থ মামলা রয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। এর মধ্যেই একটি মামলায় নতুন করে আবেদন নিয়ে এসেছিলেন এক মামলাকারী। এই সময়ই উষ্মা প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) বলেন, “মামলা তো চলছে। কেন আবার নাক গলাচ্ছেন? এ নিয়ে তো অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মামলা রয়েছে। তা ছাড়াও এত মামলা রয়েছে। আমরা কিন্তু সব মামলার শুনানি স্থগিত করে দিতে বাধ্য হব। শেষ কয়েক মাসে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না।” 

    মামলা প্রত্যাহার

    তিনি বলেন, “মামলা তো দায়ের করেছেন। নতুন করে আবেদন কেন? মামলা প্রত্যাহার করে নিন। না হলে মামলা খারিজ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কড়া অর্থদণ্ড দেব। আপনারা কি আদালতের সঙ্গে রাজনীতির খেলা শুরু করার চেষ্টা করছেন? আদালতের কাছে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখুন।” এর পরেও মামলাকারী অনড় থাকায় তাঁর মামলা খারিজ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্য লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির দফতরে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পরেই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘শ্লীলতাহানি’! বিজেপির দুই মহিলা প্রার্থীকে পুলিশি পাহারায় বাড়ি পাঠানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

    অবশ্য এই প্রথম নয়, দিন কয়েক আগেও রাজনৈতিক মামলার বহর দিন দিন বেড়ে যাওয়া উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court)। তার দিন দুই আগেও ওই একই কারণে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন হাইকোর্টেরই বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। তিনি বলেছিলেন, “সারা দিন কি শুধু রাজনৈতিক মামলাই শুনব? অন্য মামলা কি আর শোনা যাবে না!এত এত রাজনৈতিক মামলা শোনার সময় দেওয়া যাবে না।” তিনি এও বলেছিলেন, “এই সব মামলা আমি রিলিজ করে দেব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ২৭ থেকে ২৮টা মামলা রয়েছে। তার ওপর এই রকম আরও ১০টা মামলা এখনই রয়েছে। এত এত রাজনৈতিক মামলা শোনার সময় দেওয়া যাবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 pargana: মাদ্রাসার বাথরুমে ছাত্রীকে ধর্ষণ! গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

    South 24 pargana: মাদ্রাসার বাথরুমে ছাত্রীকে ধর্ষণ! গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের মধ্যে নাবালিকা ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ওই স্কুলেরই অস্থায়ী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার (South 24 pargana) ঢোলাহাট থানার হাই মাদ্রাসা স্কুলে। এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড় রাজ্যের নারী নিরাপত্তা। বিরোধীরা বারবার দাবি করে, মমতার আমলে বাংলা নারী নির্যাতনে দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে গিয়েছে। বিরোধীদের এই অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, তা জেলায় জেলায় মহিলা নিগ্রহের একাধিক ঘটনা সামনে আসতেই বোঝা যাচ্ছে। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মণিপুরের ঘটনায় সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু তাঁর নিজের রাজ্যের নারীদের নিরাপত্তা দিতে পেরেছেন কি? এটাই প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের।

    কী বলছে নির্যাতিতার পরিবার?

    নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, গত শুক্রবার ওই নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে স্কুলের বাথরুমের মধ্যে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ওই হাই মাদ্রাসা স্কুলের (South 24 pargana) অস্থায়ী শিক্ষক ফইজুদ্দিন মোল্লা। শুধু তাই নয়, পরিবারের আরও অভিযোগ, এরপর ওই নাবালিকা স্কুল ছাত্রী চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে তাকে বাথরুমের মধ্যেই তালা দিয়ে আটকে রেখে পালিয়ে যায় ওই অস্থায়ী শিক্ষক। এরপর অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীরা বিষয়টি তার পরিবারের লোকজনকে জানায়। পরিবারের লোকজন ওই নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে বাথরুমের মধ্য থেকে উদ্ধার করে। এরপরেই ওই নাবালিকা স্কুল ছাত্রী পরিবারের কাছে সমস্ত ঘটনা জানায়। 

    পকসো ও ভারতীয় দন্ডবিধি ৩৭৬ ধারায় মামলা রজু পুলিশের

    পরবর্তী সময় ওই ছাত্রীর পরিবার রবিবার ঢোলাহাট থানায় অস্থায়ী শিক্ষক ফইজুদ্দিন মোল্লার নামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতেই তদন্ত নামে ঢোলাহাট থানার (South 24 pargana) পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত শিক্ষককে। সোমবার কাকদ্বীপ আদালতে তোলা হয় ফইজুদ্দিনকে। ওই অস্থায়ী স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ও পকসো আইনে মামলা রজু করেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। অন্যদিকে ওই ছাত্রীর পরিবার ওই অস্থায়ী শিক্ষকের কঠিনতম শাস্তির দাবি তুলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    RSS: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রবীণ আরএসএস (RSS) নেতা মদন দাস দেবী। বয়স হয়েছিল ৮১। সোমবার সকালে বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিন আরএসএসের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে এই খবর জানানো হয়। উল্লেখ্য, শুধু আরএসএস নয়, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজিং সেক্রেটারিও ছিলেন। আরএসএসের ট্যুইটবার্তা অনুযায়ী, সকাল ৫ টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগরে একটি হাসপাতালে তাঁর প্রয়াণ ঘটেছে। অটলবিহারী বাজপেয়ি এবং লালকৃষ্ণ আদবানির সমসাময়িক এই নেতা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আরএসএসের নানা চিন্তাভাবনা এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে কথা বলার ক্ষমতা রাখতেন। আরএসএস এবং বিজেপির বহু শীর্ষ নেতার আদর্শ তিনিই।

    শোক প্রকাশ নরেন্দ্র মোদির

    প্রবীণ এই নেতার (RSS) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি অনেক কিছুই শিখেছেন তাঁর কাছে। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইটবার্তায় বলেছেন, “মদন দাস দেবীজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। জাতির সেবায় তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “তাঁর সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, শুধু এমনটাই নয়, তাঁর কাছ থেকে আমি অনেক কিছু পেয়েছি। এমন একটা বেদনাদায়ক সময়ে তাঁর পরিবার এবং কর্মীদের ঈশ্বর শক্তি দিন।”

    শোক প্রকাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুও আরএসএসের (RSS) ওই প্রবীণ নেতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই মৃত্যু সংবাদ বেদনাদায়ক। তাঁর চিন্তাভাবনা এবং জ্ঞান সব সময় আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। দেশপ্রেমী মানুষ এবং দলের কার্যকর্তারাও তাঁর আদর্শ এবং অনুপ্রেরণায় সমৃদ্ধ।

    শেষ জীবন

    বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি সংগঠনের নানা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেও শরীর যতটা দিত, সেই অনুযায়ী সারা দেশ ঘুরে বেড়াতেন। দিল্লি এলে থাকতেন আরএসএসের (RSS) দীনদয়াল উপাধ্যায় রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাততলার কমিউনে। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা এই নেতা সঙ্ঘের যুগ্ম সম্পাদকের পদে কাজ করেছেন। সর্ব সময়ের এই প্রচারক শেষ জীবনে অসুস্থতার কারণে বেঙ্গালুরুতে ছিলেন চিকিৎসার জন্য। আরএসএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর নশ্বর দেহ স্থানীয় সঙ্ঘ কার্যালয়ে দুপুর দেড়টা থেকে চারটে পর্যন্ত রাখার পর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে পুনেতে। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarkeswar: শ্রাবণের প্রথম সোমবার! শিবভক্তদের ভিড়ে ঠাসা তারকেশ্বর, ৬ জোড়া ট্রেন পূর্ব রেলের

    Tarkeswar: শ্রাবণের প্রথম সোমবার! শিবভক্তদের ভিড়ে ঠাসা তারকেশ্বর, ৬ জোড়া ট্রেন পূর্ব রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণের প্রথম সোমবার। দেশজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত আজ মেতেছেন দেবাদিদেব মহাদেবের আরধনায়। পুরাণ বলে, শ্রাবণের সোমবার হল শিবের জন্মবার। তাই এইসময় মহাদেব ভক্তদের প্রতি বিশেষ প্রসন্ন হন। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে জনপ্রিয় শৈব তীর্থ তারকেশ্বর (Tarkeswar)। ফি বছর লাখ লাখ ভক্ত পায়ে হেঁটে জল নিয়ে যান মহাদেবের উদ্দেশে। চলতি বছরের শ্রাবণের পয়লা সোমবারে লক্ষাধিক পূর্ণাথীর ভিড় দেখা গেল তারকেশ্বর মন্দিরে। 

    চলতি বছরে শ্রাবণ মাসে ৮টি সোমবার পাবেন ভক্তরা

    প্রথা অনুযায়ী, মূলত প্রতি বছর গুরু পূর্ণিমার দিন থেকে শুরু হয় এখানে শ্রাবণী মেলা। রাখী পূর্ণিমার দিন পর্যন্ত চলে মেলা। বাংলা পঞ্জিকা মতে, চলতি বছরের শ্রাবণ মল মাস। এবছর তাই মোট ৮টি সোমবার পাবেন ভক্তরা মহাদেবের মাথায় জল ঢালতে। ১৭ আষাঢ় অর্থাৎ গুরু পূর্ণিমার দিন থেকে শুরু হয়েছে শ্রাবণী মেলা, দুই মাস চলবে এই মেলা। শেষ হবে আগামী ১২ ভাদ্র রাখী পূর্ণিমার দিন।

    তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ৬ জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালাচ্ছে পূর্ব রেলওয়ে 

    লাখ লাখ ভক্ত পাড়ি দেবেন তারকেশ্বরের (Tarkeswar) উদ্দেশে। তাই তাদের যাতায়তে যেন কোনও অসুবিধা না হয়, তার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে ভারতীয় রেল। মোট ৬ জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হচ্ছে তারকেশ্বরের রুটে। প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, মেলা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে পূর্ণার্থীদের সুরক্ষার স্বার্থে। তারকেশ্বরের (Tarkeswar) মূল মন্দিরে প্রবেশের আগে মোট আটটি ড্রপ গেট করেছে প্রশাসন। রয়েছে সাতটি পুলিশি সহায়তা ক্যাম্প, চারটি স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্যাম্প। পাশাপাশি মন্দির সংলগ্ন দুধপুকুর হল ভক্তদের অন্যতম আস্থার কেন্দ্র। এখানে স্পিড বোট সহ সর্বক্ষণ হাজির থাকছে বিপর্যয় মোকাবিলার একটি দল। ২৪ ঘণ্টার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফায়ার ব্রিগেডের একটি টিম। মোতায়েন করা হয়েছ বোম্ব ডিসপোশাল টিমও। তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে রাস্তায় পর্যাপ্ত পানীয় জল ও আলোর ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • EPF Interest Hike: চাকরিজীবীদের মুখে হাসি! পিএফ-এ সুদের হার বৃদ্ধি কেন্দ্রের, জানুন নতুন রেট

    EPF Interest Hike: চাকরিজীবীদের মুখে হাসি! পিএফ-এ সুদের হার বৃদ্ধি কেন্দ্রের, জানুন নতুন রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও চওড়া হলো বেতনভোগী চাকরিজিবীদের মুখের হাসি। সোমবার, প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার (EPF Interest Hike) বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো মোদি সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আগের তুলনায় অতিরিক্ত ০.০৫ শতাংশ সুদ বেশি মিলবে। এই মর্মে, এদিন ইপিএফও-র সব অফিসকে নোটিস পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কেন্দ্রের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক বলেছে, ‘‘কর্মচারী ভবিষ্যৎ তহবিল প্রকল্পে ১৯৬২ এর অনুচ্ছেদ ৬০(১) অনুযায়ী, ২০২২-২৩ সালের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) স্কিমের প্রতিটি সদস্যের অ্যাকাউন্টে ৮.১৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে।” 

    কত হলো সুদের হার?

    এর আগে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে এই সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। সেখান থেকে কমিয়ে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে পিএফ-এর সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ। ২০২০-২১ সালে সেই হারই বহাল রাখা হয়েছিল। তবে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তা কমিয়ে ৮.১ শতাংশ করা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালের পর এটাই পিএফ-এর সর্বনিম্ন সুদের হার। তবে আজ বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্র সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হলো পিএফ-এর সুদের হার (EPF Interest Hike) বাড়ানো হচ্ছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের জন্য। আজকের সিদ্ধান্তের ফলে, এখন থেকে চাকরিজীবীদের পিএফে সুদের হার হলো ৮.১৫ শতাংশ। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ছ’কোটি সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। 

    কেন প্রয়োজন প্রভিডেন্ট ফান্ড?

    ইপিএফ স্কিম বেতনভোগী কর্মচারীদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) এই তহবিল পরিচালানা করে। অবসরকালীন সুবিধা ছাড়াও কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের পরে আর্থিক নিরাপত্তা দেয় এই প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা। এই তহবিলে (EPF Interest Hike) প্রতি মাসে একজন কর্মচারী তাদের উপার্জনের ১২ শতাংশ জমা দেন। কর্মীদের পাশাপাশি মালিকপক্ষও ১২ শতাংশ অবদান জমা করে। তার মধ্যে নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে ৩.৬৭ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়। বাকি ৮.৩৩ শতাংশ যায় কর্মচারী পেনশন স্কিমে(EPS)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aliah University: দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নেতারা! আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএমসিপি ইউনিটের গণ ইস্তফা

    Aliah University: দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নেতারা! আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএমসিপি ইউনিটের গণ ইস্তফা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিতে মদত দিচ্ছেন সংগঠনের নেতারা, এমন অভিযোগ জানিয়ে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aliah University) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিটের সব নেতা একযোগে পদত্যাগ করলেন। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ক সার্কাস এবং নিউ টাউন ক্যাম্পাসের বিক্ষুব্ধ পদাধিকারীরা ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মীর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন পদত্যাগীরা। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা তৃণাঙ্কুর বলেন, ‘‘সব অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এটা একেবারেই সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা খুব তাড়াতাড়ি নতুন কমিটি তৈরি করব। তবে আমরা নিশ্চিত যে, আলিয়ার পড়ুয়ারা আগের মতোই টিএমসিপির সঙ্গেই রয়েছে।’’ তবে পড়ুয়াদের মধ্যে যে পরিমাণে ক্ষোভ জমছে তাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার বিবৃতিতে যে চিঁড়ে ভিজবে না তা বলা বাহুল্য।

    সংখ্যালঘু ছাত্রদের জন্য মমতার আমলেই গড়ে ওঠে এই বিশ্ববিদ্যালয়

    শুধুমাত্র সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় (Aliah University) তৈরি হয় তৃণমূলের আমলেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’টি ক্যাম্পাস তৈরি করেন। তবে দীর্ঘ দিন ধরেই নানা রকমের অভিযোগ উঠছিল বলে জানা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য নেই দীর্ঘদিন ধরেই। সম্প্রতি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এই সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। কেরলের অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস এম ওয়াহাবের নাম অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য হিসাবে ঘোষণা করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র নেতারা?  

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাসের টিএমসিপি সাধারণ সম্পাদক ওয়াদিল আলম পদত্যাগের বিষয়ে বলেন, ‘‘আলিয়া মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এখানে নানা অনিয়ম চলছে। লেখাপড়া তো হচ্ছেই না, তার সঙ্গে একের পর এক দুর্নীতি হয়ে চলেছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বার বার অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় আমরা ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ পদত্যাগীদের আরও দাবি, পড়ুয়ারাও ক্ষুব্ধ। একদিনে এই ক্ষোভ তৈরি হয়নি বলেও দাবি তাঁদের। পড়ুয়াদের স্বার্থপূরণ হয়নি বলেই পদত্যাগের এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তাঁরা। নানা অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aliah University) গেট থেকে সাইকেল স্ট্যান্ড তৈরিতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই নাকি দুর্নীতি হয়েছে। টেন্ডার ছাড়াই একজনকে হোস্টেলের খাবারের কনট্রাক্ট দেওয়া হয়েছে। এসব নানা অভিযোগ উঠছে। যার বিরুদ্ধে এত অভিয়োগ সেই মীর সিদ্দিকি এদিন বলেন, ‘‘আমি সংগঠনের স্বার্থেই যা করার করেছি। কোনও অন্যায় কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত নই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: রাজ্যে আরও ১০ দিন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল হাইকোর্ট

    Panchayat Elections 2023: রাজ্যে আরও ১০ দিন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Elections 2023) পর্ব মিটে গেলেও রাজ্যে এখনও বিক্ষিপ্ত ভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটছে। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Forces) আরও ১০ দিন রেখে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ।

    পর্যায় ভিত্তিক বাহিনী প্রত্যাহার 

    সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে কেন্দ্রের আইনজীবী জানান, বাহিনীর সময়সীমা বাড়ানোয় আপত্তি নেই কেন্দ্রের। বাহিনী থাকার সময় ১০ দিন বাড়ানো সম্ভব। হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হলফনামা দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেই বলা হয় যে এক সঙ্গে সব বাহিনী প্রত্যাহার না করে তারা দফায় দফায় তা প্রত্যাহারে আগ্রহী। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের আইনজীবী আদালতে জানান, অবশিষ্ট ২৩৯ কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে ১৩৯ কোম্পানি বাহিনী ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়ে গিয়েছে। এরপর প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম তাঁর নির্দেশে বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও যখন চাইছে তাহলে আরও ১০ দিন রাজ্যে বাহিনী রেখে দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে আজ এক বেলায় ৭৩টি পঞ্চায়েত ভোট মামলার শুনানি

    তবে এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বাহিনীর যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন, বলে জানায় আদালত। নইলে বাহিনী রেখে দেওয়ার কোনও অর্থ হয় না। যে সব জায়গায় এখনও অশান্তি রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগানো হোক। এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর আরও ১০দিন পর্যন্ত থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আজই সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজ্য থেকে বাহিনী প্রত্যাহারের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশ, এখন কোথায় বাহিনী যাবে, তা ঠিক করবে কমিশন ও রাজ্য। সোমবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে। বাহিনী প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুত স্পেশ্যাল ট্রেনও। যেমন খড়্গপুর থেকে রাজকোটের দিকে সোমবারই একটি স্পেশ্যাল ট্রেন রওনা দিচ্ছে। বিএসএফের ২০ কোম্পানি বাহিনী থাকবে তাতে। মেচেদা থেকে বেগুসরাই ও রাজকোটের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা সিআরপিএফের বড় বাহিনীর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে ভারত, কবে জানেন?

    Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে ভারত, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক হল জিডিপি (GDP)। একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সমষ্টিগত মূল্যই হল মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি। আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে এই উৎপাদন যে হারে বাড়ে, সেটি হল জিডিপির প্রবৃদ্ধি। যাঁরা পলিসি তৈরি করেন, যাঁরা বিনিয়োগ করেন, যাঁরা ব্যবসা করেন এবং দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবস্থা জানতে প্রয়োজন হয় জিডিপি জানার। এতে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করতে এবং অর্থনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয় অর্থনীতির রূপকারদের।

    বাড়ছে জিডিপি

    বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমীক্ষার পূর্বাভাস অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, চলতি বছর বিশ্বে জিডিপি (GDP) বেড়েছে ২.৬ শতাংশ। গত বছর এটাই নেমে গিয়েছিল ৩.৩ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি সহ নানা কারণে বিশ্বে জিডিপির হার সামান্য কমলেও, তা ফের বেড়েছে। এমতাবস্থায় জিডিপির পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গোল্ডম্যান স্যাচ। ২০৭৫ সালের মধ্যে ভারত, আমেরিকা, চিন, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপির হার কেমন হবে, সে ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গোল্ডম্যান স্যাচ। চলতি বছর মুদ্রাস্ফীতির হার অন্যান্য দেশের তুলনায় কম ছিল ভারতেই। এখানে মুদ্রাস্ফীতির হার পাঁচ শতাংশের কম ছিল। পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩৮ শতাংশ।

    সমীক্ষার পূর্বাভাস 

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গোল্ডম্যান স্যাচের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৭৫ সালের মধ্যে ভারত হবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (GDP) দেশ। এই সময়সীমার মধ্যে বাড়বে আমদানি। আবিষ্কার এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও ঘটবে বিপ্লব। বেসরকারি সংস্থাগুলি আরও বেশি করে পাবে বিনিয়োগের পরিবেশ। একটি গবেষণায় গোল্ডম্যান স্যাচ জানিয়েছে, ভারতের বর্তমান জিডিপি দাঁড়িয়েছে ৩.৭৩৭ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারে। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে জিডিপির হার বাড়বে ৫.৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারে।

    আরও পড়ুুন: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ

    ২০৭৫ সালের মধ্যে এটাই লাফিয়ে গিয়ে দাঁড়াবে ৫২.৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারে। আমেরিকাকে পেছনে ফেলে অর্থনীতিতে এগিয়ে যাবে চিন। তার পরের জায়গাটাই হবে ভারতের। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এই তিন মাসে ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার ছিল ৬.১ শতাংশ। কৃষি, উৎপাদন, খনি এবং নির্মাণ শিল্পে প্রভূত উন্নতির জেরেই বেড়েছিল জিডিপির হার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share