Tag: Bengali news

Bengali news

  • Investment Fraud: বিনিয়োগের নামে ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণা! চিন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো চক্র

    Investment Fraud: বিনিয়োগের নামে ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণা! চিন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা! আর তাতেই ৭০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারকরা (Investment Fraud)। জানা গিয়েছে, চিন থেকে বসেই নিয়ন্ত্রণ করা হতো গোটা চক্র। এত বড় প্রতারণা চক্রে সংযোগ পাওয়া গিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লা জঙ্গি গোষ্ঠীরও। ভারত থেকে গোয়েন্দারা গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছেন প্রতারণাচক্রের (Investment Fraud) বেশ কিছু দালালকে। শনিবার হায়দরাবাদ পুলিশ এই প্রতরণা চক্রের কথা সামনে এনেছে।

    কীভাবে চলতো প্রতারণা? 

    বাড়িতে বসেই সামান্য কাজের অফার দেওয়া হতো। কীরকর কাজ? ইউটিউবে ভিডিও লাইক করতে হবে অথবা গুগলে গিয়ে রিভিউ লিখতে হবে। ব্যস এইটুকু করলেই মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা। এই ছিল প্রতারকদের ফাঁদ। এখানেই প্রতিবছর আটকে পড়েছেন হাজার হাজার ভারতীয়। সামান্য এই কাজের সঙ্গে দেওয়া হতো বিনিয়োগের প্রস্তাব। স্বল্প টাকার বিনিয়োগে মিলবে মোটা অঙ্কের রিটার্ন। প্রতারকদের (Investment Fraud) এই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করেই টাকা রাখতেন অনেকে। যা চলে যেত সন্ত্রাসের ফান্ডে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দারা। মহম্মদ মুনাওয়াল, অরুল দাস, সমীর খান, শাহ সুমীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে হায়দরাবাদ থেকে। আহমেদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রকাশ মূলচাঁদ ভাই এবং কুমার প্রজাপতিকে। মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে গগন সোনী, পারভেজ এবং নইমুদ্দিন সেখকে।

    কী বলছে পুলিশ?

    হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার বলেন,জনৈক শিবা কুমার নামের এক ব্যক্তির ২৮ লাখ টাকার প্রতারণা (Investment Fraud) বিষয় সামনে আসতেই তদন্ত শুরু হয়। সন্ধান মেলে ‘রাধিকা মার্কেটিং কোম্পানি’-এর। এখানেই মহম্মদ মুনাওয়ালের একটি অ্যাকাউন্ট ও ফোন নম্বর পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, এই কোম্পানিতে অ্যাকাউন্ট খোলানোর বিনিময়ে প্রতারকরা পেত নগদ ২ লাখ টাকা। কিছু অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রিত হতো দুবাই থেকে। এই সংস্থায় যে টাকা ডিপোজিট হতো তার একটা বড় অংশ সন্ত্রাসের কাজে ব্যবহার হতো বলে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

     

    আরও পড়ুুন: দিল্লির প্রগতি ময়দানের নয়া কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ  

    Gyanvapi Mosque: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার কাজ। এদিন সোয়া ১১টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় এই মামলার শুনানি। তার আগেই ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের পাঠানো সমীক্ষক দলকে কাজ করতে বারণ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    সমীক্ষায় স্থগিতাদেশ

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আপাতত সেখানে স্থিতাবস্থা থাকুক। ততক্ষণ যেন কোনও খনন করা না হয়। এমন কোনও পদ্ধতিতেও যেন সমীক্ষা চালানো না হয়, যাতে সেই কাঠামোর ক্ষতি হয়। এর পাশাপাশি মুসলমান পক্ষকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ২৬ জুলাই পর্যন্ত জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বারাণসী আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এএসআই

    প্রসঙ্গত, বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশে আজ, সোমবার থেকে শুরু হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার কাজ। এদিন ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের ২৪ জনের একটি দল শুরু করেছিল সমীক্ষার কাজ। সমীক্ষকদের সঙ্গে মসজিদে গিয়েছিলেন চার মহিলা আবেদনকারী এবং তাঁদের আইনজীবীরা। ভোর থেকেই সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছিল বলে জানান বারাণসীর জেলাশাসক। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মসজিদ চত্বরে আঁটসাঁট করা হয়েছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। বারাণসী জেলা আদালতের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির তরফে আবেদন করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় কাজ।

    প্রসঙ্গত, একুশের অগাস্ট মাসে জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) মা শৃঙ্গার গৌরী (বর্তমানে যা ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত) এবং মসজিদের ভিতরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্ব দাবি করে প্রার্থনার অনুমতি চেয়ে মামলা দায়ের করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। এর পরেই মসজিদের ভিতরের ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেন বারাণসীর নিম্ন আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর। পরে প্রাপ্ত নমুনাগুলির কার্বন ডেটিংয়ের পরীক্ষার আবেদন জানায় হিন্দু সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, মসজিদ চত্বরের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে। তার বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়। অজয় কুমার বিশ্বেশ সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেছিলেন, শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য জ্ঞানবাপী চত্বরে কোনওরকম বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কাজ করা যাবে না। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জানানো হয়েছিল ইলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। গত মে মাসে হিন্দু মহিলা ভক্তদের তরফে সিল করা ওজুখানা (Gyanvapi Mosque) এলাকার বাইরে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Heavy Rainfall: অতিভারী বৃষ্টির জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল! গুজরাটে কমলা সতর্কতা

    Heavy Rainfall: অতিভারী বৃষ্টির জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল! গুজরাটে কমলা সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতি ভারী বৃষ্টিতে কয়েক সপ্তাহ আগেই নাজেহাল হয়েছিল উত্তর ভারতে জনজীবন। তার রেশ এখনও চলছে। বেশ কয়েক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও জল জমেই রয়েছে। কিন্তু উত্তর ভারতের বাসিন্দাদের চিন্তা এবং উদ্বেগ বাড়িয়েছে হাওয়া অফিসের ঘোষণা। ভারতের আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে উত্তর ভারতে ফের ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার ফের বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার জল। অন্যদিকে, বন্যায় হিমাচলে রবিবারে ৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মৌসম ভবন, গুজরাট ও কেরলে ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে।

    গুজরাটে জারি কমলা সর্তকতা…

    গুজরাটে ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) কারণে দ্বারকার সিনহন এবং ঘি ড্যামে জলস্তর ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, জুনাগড়, সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের বন্যার জলস্তর নামতে শুরু করেছে। প্রশাসন দুর্গতদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি মানুষকে সরানো হয়েছে বলে খবর। এরই মাঝে রবিবার গুজরাটের মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে হাওয়া অফিসের ঘোষণা, ‘‘২৪ জুলাই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে গুজরাটে। পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যের দ্বারকা, রাজকোট, ভাবনগর প্রভৃতি জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক বৃষ্টি হবে।’’ গুজরাটের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সেরাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জুনাগড়ের এলাকায় জলস্তর প্রতিটি বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে খবর।   

    ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল

    সোমবার অতিভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) পূর্বাভাস রয়েছে কেরলে। এর জেরে কেরলের কুন্নুর, ওয়ানাদ, কোঝিকোড় জেলায় স্কুলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেরলের এই জেলাগুলিতে যেমন কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে তেমনি হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এর্নাকুলাম, পালাক্কাদ, ত্রিশূর, মালাপ্পুরাম জেলায়। ত্রিশূর জেলায় পিএসসি পরীক্ষার সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলেই জানিয়েছে প্রশাসন। কেরলের এই পরিস্থিতির কারণে মৎস্যজীবীদের আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত সমুদ্র যাত্রায় নিষেধ করা হয়েছে। মৌসম ভবন বলছে, ‘‘ ২৪ থেকে ২৭ জুলাই অতিভারী বৃষ্টি হবে কেরলে। পাশাপাশি উপকূল এলাকায় ৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: ‘মোদি’ পদবি মামলায় পূর্ণেশ ও গুজরাট হাইকোর্টকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘মোদি’ পদবি মামলায় পূর্ণেশ ও গুজরাট হাইকোর্টকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ পদবি মামলায় সাজার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ওই মামলায় এবার বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদিকে নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আরএস গাভাই ও বিচারপতি পিকে মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলায় অবস্থান জানতে শীর্ষ আদালতের তরফে নোটিশ পাঠানো হয়েছে গুজরাট সরকারকেও। ৪ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি। শুক্রবার বেঞ্চ জানিয়েছে, এই পর্যায়ে মামলার দীর্ঘায়িত শুনানির প্রয়োজন নেই। সাজার ওপর স্থগিতাদেশ হবে না রায় বহাল থাকবে, শুনানি হবে তা নিয়েই।

    রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে কর্নাটকের কোলারের এক জনসভায় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদি। চলতি বছর ২৩ মার্চ সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচএইচ বর্মা দু বছর জেলের সাজা দেন রাহুলকে। উচ্চতর আদালতে আবেদনের জন্য তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দিয়েছিলেন বিচারক।

    দু বছরের কারাদণ্ড

    দু বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হওয়ায় রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। বাংলোর অধিকারও খোয়ান রাহুল। সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাহুলের আর্জি ৭ জুলাই খারিজ করে দেয় গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের বেঞ্চ। এর আগে রাহুল আবেদন করেছিলেন সুরাটের দায়রা আদালতও। গুজরাট হাইকোর্টের সাজার রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন রাহুল। আবেদনে বলা হয়, যদি গুজরাট হাইকোর্টের ৭ জুলাইয়ের রায় স্থগিত করা না হয়, তাহলে তা বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশ, স্বাধীন চিন্তাভাবনার কণ্ঠরোধের পরিবেশ তৈরি করবে।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ‘ঘেরাও’য়ের ডাক মমতা-অভিষেকের, তুলোধনা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    আইনজীবীদের একাংশের মতে, সুপ্রিম কোর্ট যদি সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়, তবে হারানো সাংসদ পদ ফিরে পেতে পারেন রাহুল। সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দিলে জেলে যেতে না হলেও, সাংসদ পদ ফিরে পাবেন না। আর গুজরাট হাইকোর্টের রায় বহাল থাকলে জেলে যাওযার আশঙ্কা বাড়বে রাহুলের। কেবল তা-ই নয়, আগামী ছ বছর তিনি নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Forex Reserves: ফের বাড়ল বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ, জানেন ভারতের ভাঁড়ারে কত রয়েছে?

    Forex Reserves: ফের বাড়ল বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ, জানেন ভারতের ভাঁড়ারে কত রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। সেই কারণেই বৃহত্তর অর্থনীতির তালিকায় ইংল্যান্ডকে সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ভারত (India)। একটি দেশের অর্থনীতি কতটা শক্তপোক্ত তা বোঝা যায় সেই দেশের ভাঁড়ারে কত বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চিত রয়েছে, তার পরিমাণের ওপর।

    বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ

    জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে ভারতের ভাঁড়ারে সঞ্চিত বৈদেশিক মুদ্রার (Forex Reserves) পরিমাণ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার। বেড়েছে ১ হাজার ২৭৪ কোটি মার্কিন ডলার। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সূত্রের তথ্য বলছে, চলতি সপ্তাহে তার আগের সপ্তাহে সঞ্চিত জমা রাশির পরিমাণ মাত্র ১২৩ কোটি মার্কিন ডলার বেড়ে হয়েছিল ৫৯ হাজার ৬২৮ কোটি ডলার। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, গত তিন সপ্তাহে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ডলারের সঞ্চয় বাড়িয়েছে। এটা করার কারণ হল, ডলারের অভাবে রফতানি যেন মার না খায়। রুপি যেন দাঁড়িয়ে থাকে ৮২-র আশপাশে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ডলার কেনায় এশিয় মুদ্রার মূল্য পড়লেও, ভারতের রুপির মূল্যমান রয়েছে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে।

    সর্বকালীন রেকর্ড

    উল্লেখ্য যে, ২০২১ সালের অক্টোবরে দেশের ফোরেক্স কিটি বা বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার পৌঁছে গিয়েছিল (Forex Reserves) ৬৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে। এটাই সর্বকালীন রেকর্ড। পরে তা কমতে শুরু করে। বিশ্বজুড়ে অতিমারি এবং তার জেরে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে সৃষ্ট চাপের মধ্যে ভারতীয় টাকার ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহারের কারণে পরে তা কমেছে। এতদিন পরে তা ফের বাড়ল। ১৩ জানুয়ারি যে সপ্তাহ শেষ হয়েছিল, তাতে দেখা গিয়েছিল ওই সপ্তাহে বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার ১ হাজার ৪১ কোটি মার্কিন ডলার বেড়েছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    আর ১৪ জুলাই যে সপ্তাহ শেষ হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, মোট সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার সবচেয়ে বড় অংশ — ফরেন কারেন্সি অ্যাসেট বা বিদেশি মুদ্রা সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ১১৯ কোটি মার্কিন ডলার বেড়ে হয়েছে ৫৪ হাজার ১৬ কোটি মার্কিন ডলার। মার্কিন ডলারে প্রকাশ করা বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের মধ্যে ইউরো, পাউন্ড ও উয়ানের মতো মুদ্রার উত্থান-পতনের প্রভাবও রয়েছে। এর পাশাপাশি, সঞ্চিত (Forex Reserves) সোনার মূল্য ১১৩ কোটি মার্কিন ডলার বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৫১৯ কোটি মার্কিন ডলার। এছাড়া, আইএমএফের কাছে দেশের মুদ্রার ভাঁড়ার বেড়ে হয়েছে ৫১৭ কোটি মার্কিন ডলার এবং স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস বা এসডিআর-এর সঞ্চয় বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৮৪৮ কোটি মার্কিন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ‘ঘেরাও’য়ের ডাক মমতা-অভিষেকের, তুলোধনা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Sukanta Majumdar: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ‘ঘেরাও’য়ের ডাক মমতা-অভিষেকের, তুলোধনা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাবেশের পোশাকি নাম শহিদ দিবস। সেখানে শহিদদের স্মৃতিতর্পণের চেয়ে বেশি ছিল বিজেপিকে আক্রমণ। মণিপুর এবং ১০০ দিনের কাজের বকেয়া নিয়ে আক্রমণ শানানো হয়েছে পদ্ম শিবিরকে। ২১ জুলাইয়ের এই মঞ্চ থেকে মমতার দাওয়াই, “৫ অগাস্ট ব্লকে ব্লকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি থেকে ১০০ মিটার দূরে প্রতীকী ঘেরাও করতে হবে।”

    সুকান্তর নিশানায় মমতা

    তৃণমূল নেত্রীর এহেন নিদানকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “এটা কেমন রাজনীতি! এটা কেমন গণতন্ত্র! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল বাংলার গণতন্ত্র পুরো শেষ করে দিয়েছে। চুরিতে একের পর এক রেকর্ড। আজ সেই দল বলছে কিনা যে বিজেপির ব্লক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বাড়ি ঘেরাও করতে হবে। আর তাঁদের আট ঘণ্টা বাড়ি থকে বেরোতে দেওয়া যাবে না। বাড়িতে কাউকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। পুরো ভারতে আমাদের বিপক্ষ দলের সামনে আমরা প্রশ্ন ছুড়ে দিতে চাই, এটা কেমন রাজনীতি?” মণিপুরের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “মণিপুরের ঘটনা ভীষণ দুঃখের। কিন্তু বাংলার হালও তো ভাল নয়। এখানে শুধু নারী নির্যাতনের ভিডিও করতে দেয় না। বাংলায়ও বিজেপির মহিলা কর্মীকে নগ্ন করে হেনস্থা করা হয়েছে।”

    শুভেন্দুর নিশানায় অভিষেক

    এদিন তৃণমূল নেত্রীর আগে প্রায় একই রকম কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন তাঁর ভাইপো তথা তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁকে পাল্টা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “ডিম-ভাতের উৎসবে তাঁর অহঙ্কার, দম্ভ দেখুন। বলছে, ৫ অগাস্ট বিজেপির ছোট থেকে বড় নেতাদের বাড়ি ঘিরবে। বিজেপি বিধায়ক বলেন, “ভাইপো শুনে রাখুন, আপনার বিরুদ্ধে এফআইআরের আবেদন নিয়ে আমরা কোর্টে যাচ্ছি। আপনি আমার মৌলিক অধিকার ২২৬, বাবা সাহেব আম্বেদকর দিয়ে গেছেন— আমার বাড়িতে কে ঢুকবে, কে বেরোবে। একটা বিজেপি কর্মীর বাড়ি ঘেরাও করে দেখুন, দিল্লিতে পার্লামেন্টে আপনাদের এমপিদের ঢুকতে দেব না।” শুভেন্দু যোগ করেন, “পরে মমতা সংশোধন করে বলেছেন, একটু ভুল বলে ফেলেছেন (অভিষেক)। আমরা গ্রামে গ্রামে করব না, ব্লকে করব। ১০০ মিটার দূরে করব। এটাও কিন্তু বলতে পারেন না মুখ্যমন্ত্রী।”

    আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jagdeep Dhankhar: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    Jagdeep Dhankhar: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনকে নিজের কাজ করতে দিতে হবে। যদি তদন্তের স্বার্থে কেন্দ্রীয় এজেন্সি কাউকে ডেকে পাঠায় তাহলে বিরোধিতা না করে সাহায্য করাই কর্তব্য বলে অভিমত বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankar)। রবিবার, দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই কথা বলেন তিনি।

    ধনখড়ের অভিমত

    সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উপস্থিত পড়ুয়াদের আইন নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন ধনখড় (Jagdeep Dhankar)। সেই বক্তৃতার মাঝেই তিনি টেনে আনেন ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সি এবং সংসদের অচলাবস্থা প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘আইন সকলের জন্য সমান। কোনও পরিবার সেখানে বড় নয়। আইনের কাছে সকলকে জবাবদিহি করতে হবে। ভারতে এখন আইন সঠিক পথে চলছে। তাই যাঁরা আইন লঙ্ঘন করতেন, তাঁদের জন্য চাপের কারণ হয়েছে।’ পাশাপাশি ধনখড় বলেন, ‘আইন লঙ্ঘনকারীরা এখন চাপে পড়ে পথে নামছে। কিন্তু কেন তাদের পথে নামতে হচ্ছে সেটাই ভাবার বিষয়।’ এরপরই বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপালের সংযোজন, ‘কাউকে যদি কোনও এজেন্সি ডেকে পাঠায়, তবে গণতন্ত্রের নিয়ম মেনে সেই ডাকে সাড়া দেওয়া উচিত।’

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে আজ এক বেলায় ৭৩টি পঞ্চায়েত ভোট মামলার শুনানি

    সংসদের অচলাবস্থা প্রসঙ্গে উপরাষ্ট্রপতি

    রবিবারের ওই বক্তৃতায় সংসদের অচলাবস্থার প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন ধনখড় (Jagdeep Dhankar)। তিনি বলেন, ‘‘আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমেই জনগণের মঙ্গল করা সম্ভব। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অচলাবস্থা তৈরি করে, কাজে বাধা সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের মন্দিরকে কলুষিত করার চেষ্টা হচ্ছে। যে ভাবে দিনের পর দিন এই দু’টি বিষয়কে সুকৌশলে অস্ত্রের মতো ব্যবহার করে গণতন্ত্রের মন্দিরকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে, তা দেখে আমি মর্মাহত।’’ ধনখড় একই সঙ্গে নিজের মতামত জানিয়ে বলেছেন, ‘‘কিছু শক্তি ক্ষতি করার মানসিকতা থেকেই উন্নয়নের এই পবিত্রভূমিকে কলঙ্কিত করতে চাইছে। আমি এ দেশের তরুণ প্রজন্মকে বলব এই ধরনের শক্তিকে তোমাদেরই সমূলে বিনাশ করতে হবে। আর আমি জানি তোমরা সেটা পারবে।’’  তরুণ প্রজন্মের ওপর ভরসা রেখেই এদিন বক্তব্য রাখেন ধনখড়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেয়াদ কি বাড়ানো যায়? কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মেয়াদ কি বাড়ানো যায়? কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের পর এখনও রাজ্যের  আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি  পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে দাবি বিজেপির। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর আসছে। তাই রাজ্যে আরও এক মাস কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানাল বিজেপি। সেই আর্জি শুনেই  রাজ্যে আরও চার সপ্তাহ  কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা যায় কি না কেন্দ্রকে বিবেচনা করে দেখতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে গেলে সমস্যা

    এই বিষয়ে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। আদালতে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এখনও বিভিন্ন জায়গায় মহিলা শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। বিজেপি কর্মীরা ঘর ছাড়া। বহু এলাকায় এখনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। তাই রাজ্যের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থেই আরও চার সপ্তাহ কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হোক।” কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে গেলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে বলে দাবি করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারে জনপ্রিয়তার নিরিখে বাইডেন-সুনককে পিছনে ফেললেন মোদি

    কী বলছে আদালত

    শুক্রবার সেই মামলার শুনানির সময়,  হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ভোটের ফল প্রকাশের পরে প্রথম ১০ দিনের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আরও রাখতে হলে কেন্দ্রের মতামত নিতে হবে। তারাই সিদ্ধান্ত নিক। কেন্দ্রীয় বাহিনী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। তাই এই পরিস্থিতিতে আদালত (Calcutta High Court) কোনও নির্দেশ দিতে পারব না। তবে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করতে পারে। তার পরে বাহিনী রাখা হবে কিনা, সেটা তাদের উপর নির্ভর করছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২২ জুলাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এ রাজ্যে থাকার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপর আর কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কি না তা নিয়ে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতকে জানাবে। সোমবার ফের এই মামলার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘নাচগান-পাগলু ড্যান্সের মঞ্চ, সঙ্গে ডিম-ভাত’’! তৃণমূলের সমাবেশকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘নাচগান-পাগলু ড্যান্সের মঞ্চ, সঙ্গে ডিম-ভাত’’! তৃণমূলের সমাবেশকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একুশের মঞ্চ এক কাটমানির মঞ্চ। পাগলু ডান্সের মঞ্চ। ওখানে যাওয়ার জন্য সকাল-দুপুর-রাত তিনবেলা শুধু ডিম-ভাত।” ২১ জুলাই উপলক্ষে ধর্মতলায় তৃণমূল আয়োজিত সমাবেশকে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার ফের একবার চিটফান্ডকাণ্ডে তিনি নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতারের দাবি

    শুভেন্দু বলেন, “চিটফান্ডকাণ্ডে গ্রেফতার সুদীপ্ত সেন, গৌতম কুণ্ডুরা মুখ্যমন্ত্রীর ফান্ডে টাকা দিতেন। একমাত্র উপেন বিশ্বাস ছাড়া তৃণমূলের সব বিধায়ককেই ২০ লক্ষ করে টাকা দেওয়া হয়েছিল। তার ভিত্তিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়কে জেরা করা উচিত।” চিটফান্ডকাণ্ডে মেইন বেনিফিসিয়ারি হিসেবে তৃণমূল সুপ্রিমোকে গ্রেফতারির দাবিও জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকরণের সামনে থেকে যে অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করেছিলেন, তার টাকা কোথা থেকে এল, ডেলোর বৈঠকে কী হয়েছিল, এই সব তথ্য প্রমাণ আমি সিবিআইকে দিয়েছি।”

    ‘ইটিং ফিটিং সিটিং’

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “একুশের মঞ্চ মানে তৃণমূলের মঞ্চ, জনগণের নয়। একুশে জুলাইয়ের আন্দোলন যুব কংগ্রেসের আন্দোলন, তৃণমূলের কিছু নয়। আর গুলি করেছিল সিপিএম। অর্থাৎ ২১ জুলাই যদি কিছু হয়ে থাকে তাহলে কংগ্রেসের সমাবেশ করা উচিত। যদিও এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষায় জগাই-মাধাই-বিদায় তিনজন বেঙ্গালুরুতে বসে ইটিং ফিটিং সিটিং সব করে ফেলেছে। ফলে কে কার সঙ্গে আছেন, বলা মুশকিল।”

    আরও পড়ুুন: ‘ভোট-সন্ত্রাস’-এর তদন্তে ফের রাজ্যে বিজেপির প্রতিনিধি দল

    চিটফান্ড সংস্থা সারদা কেলেঙ্কারিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জড়িত বলে একাধিকবার দাবি করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কাছে এ ব্যাপারে প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। সেই তথ্য প্রমাণ তিনি সিবিআইয়ের কাছে জমা দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার সারদাকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়ে সিবিআইয়ের অধিকর্তাকে চিঠি দিলেন তিনি। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে ওই চ্যানেলকে (একটি বেসরকারি চ্যানেলের নাম উল্লেখ করেন) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাকা দিতেন। টাকা দিতেন সুদীপ্ত সেন, গৌতম কুন্ডুরাও। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: “আলোচনা থেকে পালাবেন না”, মণিপুরকাণ্ডে বিরোধীদের অনুরোধ অনুরাগের  

    Manipur: “আলোচনা থেকে পালাবেন না”, মণিপুরকাণ্ডে বিরোধীদের অনুরোধ অনুরাগের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোর ঘটনায় উত্তাল হয়েছে সংসদ। নষ্ট হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশনের মূল্যবান দুটি দিন। অধিবেশন শুরুর পরপরই স্থগিত করে দিতে হয়েছে অধিবেশন। সোমবার, মণিপুরকাণ্ডে ফের একবার উত্তাল হতে পারে সংসদের উভয় কক্ষই। তাই এদিন আলোচনা থেকে বিরোধীদের পালিয়ে না যাওয়ার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

    অনুরাগের আবেদন

    তিনি বলেন, “যে কোনও রাজ্যেই মহিলাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের ঘটনা হৃদয় বিদারক। মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান অপরাধের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা রাজ্যগুলির দায়িত্ব। আমার মতে, সরকারের সঙ্গে সঙ্গে পুরো সমাজকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে হবে। এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। সংসদের ভিতরে আলোচনা হওয়া দরকার। সব দলের সেই আলোচনায় অংশ নেওয়া উচিত। কারওর এই আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। আমি বিরোধীদের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি, আলোচনা থেকে পালাবেন না। আসুন, আলোচনায় অংশ নিন। রাজস্থান হোক, বিহার হোক, মণিপুর (Manipur) হোক – যে যে রাজ্যে এই ধরনের সমস্যা আছে, বুঝতে হবে নির্যাতিতারা আমাদেরই দেশেরই মা-মেয়ে। কেউ কীভাবে এরকম কাজ করতে পারে? এই জন্যই সবার প্রতি আমার অনুরোধ, আসুন সোমবার সংসদে এই বিষয়ে গুরুতর আলোচনা করি। বিরোধীদের এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়, বরং আলোচনা করা উচিত। বিরোধীরা আলোচনার দাবি জানান, আলোচনায় অংশ নেন না।”

    উত্তপ্ত মণিপুর

    প্রসঙ্গত, হিন্দু মেইতেই এবং খ্রিস্টান কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়েছে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুর। সংঘর্ষ শুরু হয় ৩ মে। তার পরের দিনই কাংপোকপি জেলায় দুই মহিলাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় হাঁটতে বাধ্য করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজনকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। ১৯ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। তার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছ’ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা কড়া শাস্তি পাবে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহও জানান, এই ঘটনায় জড়িত সকলকে শাস্তি দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: দিল্লির প্রগতি ময়দানের নয়া কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share