Tag: Bengali news

Bengali news

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এ সংশোধন এনে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা যেসব ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের নিজের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণা করা (CAA) বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি (CAA)

    সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে (Passport), আবেদনকারীদের এখন ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের কাছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ সরকারের জারি করা বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ কোনও পাসপোর্ট নেই। যদি কোনও আবেদনকারীর কাছে বর্তমানে সচল পাসপোর্ট থাকেও, তবে তাঁকে পাসপোর্ট নম্বর, কোথায়, কবে ইস্যু হয়েছে, এবং মেয়াদ শেষের তারিখ-সহ সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে।

    আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র

    সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র দিতে হবে এই মর্মে যে, নাগরিকত্বের আবেদন অনুমোদিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা তাঁদের বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট বা সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্টের কাছে জমা দেবেন। নয়া এই বিধানটি নাগরিকত্ব বিধির সিডিউল আইসি (Schedule IC)-এর পরে সংযোজন করা হয়েছে। এটি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ভুক্ত নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন (CAA)। এই পদক্ষেপটি সিএএ (Citizenship Amendment Act, 2019)-এ কার্যকর করতে করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা (CAA) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ (Passport) পাবেন।

    নাগরিকত্ব বিধির প্রথম বিজ্ঞপ্তি

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব বিধি (CAA) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রথমে জারি হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে। সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছে ১১ মার্চ, ২০২৪ সালে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়েছিল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA)। আইনটি নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের মুখে পড়ে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের স্বস্তি দেওয়াই এই আইনের উদ্দেশ্য। তিনি এও জানিয়েছিলেন, এই আইন ভারতের কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয় (Passport)। ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে। নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন দেওয়ার লক্ষ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

    অমিত শাহের দাবি

    শাহ বলেছিলেন, এই আইনে যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, তা ভারতে প্রবেশের তারিখ ও বছর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং যোগ্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যেসব আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছিলেন, এই সব অভিবাসীদের পাসপোর্ট বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য করা হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে (Passport) সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বছরের পর বছর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। তাই বহু মানুষ ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছেন (CAA)।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংক্ষেপে ‘ফাও’ (FAO)-এর সর্বোচ্চ সম্মান ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’ দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। ‘ফাও’ প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এটি ভারতের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সম্মান (Indian Farmers)। আমি এই পদক ভারতের কৃষকদের উৎসর্গ করছি।” তিনি বলেন, “ভারতে কৃষিই মূলধারা। আমরা আমাদের ভূমিকে পুজো করি।”

    মানুষের কল্যাণে মোদির অবদান (PM Modi)

    রোমে ‘ফাও’-র সদর দফতরের ঐতিহাসিক প্লেনারি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার মহাসচিব কিউ দংয়ু (Qu Dongyu) এই পদক তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হাতে। তিনি বলেন, “মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ও অঙ্গীকার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষকদের কল্যাণে যুগান্তকারী প্রকল্প চালুর জন্য এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সর্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রসংঘের কৌশলগত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) পূরণ এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের সময় আন্তর্জাতিক স্তরে কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা

    তিনি ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে রূপান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করেন। কৃষক-কেন্দ্রিক, উদ্ভাবনী ও যুগান্তকারী উদ্যোগগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ‘ফাও’-র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের খাদ্য ও কৃষি সংক্রান্ত উদ্যোগগুলির ব্যাপকতা ও প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচি, করোনা অতিমারির পর থেকে ৮০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, ১১ কোটিরও বেশি কৃষককে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া, প্রাকৃতিক ও পুনর্জাগরণমূলক কৃষির উন্নয়নে জাতীয় উদ্যোগ এবং ফাও-র সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উদযাপনের প্রশংসা করেন (PM Modi)।

    মোদির ক্রেডিট

    তিনি এও বলেন, “ভারতের জি২০ সম্মেলনে সভাপতিত্বের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বিশ্বজনীন সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে (Indian Farmers)।” তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ভারতে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে (PM Modi)।

  • Daily Horoscope 21 May 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 May 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. অর্থনৈতিক দিক আগের তুলনায় ভালো থাকবে।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে অযথা তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    বৃষ

    ১. ধৈর্য ধরে কাজ করলে লাভ পাবেন।
    ২. পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।
    ৩. শরীরের যত্ন নেওয়া দরকার।

    মিথুন

    ১. অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়তে পারে।
    ২. পড়াশোনায় সাফল্যের যোগ আছে।
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    কর্কট

    ১. পরিবারে সুখবর আসতে পারে।
    ২. কর্মস্থলে প্রশংসা পাবেন।
    ৩. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ভেবে নিন।
    ৩. আর্থিক দিক মোটামুটি শুভ।

    কন্যা

    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২. শত্রুপক্ষ থেকে সতর্ক থাকুন।
    ৩. স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    তুলা

    ১. প্রেমের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ৩. নতুন পরিচয় কাজে লাগতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১. মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
    ২. পরিবারের সমর্থন পাবেন।
    ৩. সরকারি কাজে অগ্রগতি হবে।

    ধনু

    ১. দূরের খবর আনন্দ দিতে পারে।
    ২. চাকরিক্ষেত্রে উন্নতির যোগ আছে।
    ৩. ভ্রমণ শুভ হতে পারে।

    মকর

    ১. অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী হবে।
    ২. পুরনো সমস্যা মিটতে পারে।
    ৩. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১. নতুন কাজে সাফল্য আসতে পারে।
    ২. দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকবে।
    ৩. অতিরিক্ত রাগ এড়িয়ে চলুন।

    মীন

    ১. ধর্মীয় কাজে মন যাবে।
    ২. কর্মক্ষেত্রে ধীরে চলাই ভালো।
    ৩. শরীরের প্রতি অবহেলা করবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার ১১ দিনের মাথায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি দিয়ে দিল শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের বড় বার্তাও দিলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় এলে যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে কথা নির্বাচনী প্রচারেই লাগাতার বলে (Infiltrator Deportation) গিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পর সেটাই করা হল বাস্তবায়িত।

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে পারলেই গ্রেফতার করবে পুলিশ। তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। কেন্দ্রের আইন বুধবার (২০ মে) থেকেই রাজ্যে লাগু হচ্ছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় সরকার আবেদন করেছিল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তের জন্য জমি দিতে। আগের সরকার (তৃণমূল সরকার) তা দিতে চায়নি। ফলে এই মুহূর্তে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে সীমান্ত এলাকা। দু’সপ্তাহের মধ্যে আমাদের আমলারা, বিশেষ করে ভূমি এবং রাজস্ব দফতরের সচিবরা ২৭ কিমি ফেনসিং এবং আউটপোস্টের জন্য জমি চিহ্নিত করে আজ তুলে দিচ্ছেন।” তিনি বলেন, “আমাদের রাজ্য ২২০০ কিমির মধ্যে ১৬০০ কিমিতে কাঁটাতার দিতে পারেনি। ৬০০ কিলোমিটার অংশ রয়েছে কাঁটাতারবিহীন। ২০১৬ সালে রাজনাথ সিং ব‍্যক্তিগতভাবে জমি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যন্ত অনুরোধ করেছিলেন। তার পরেও জমি দেওয়া হয়নি।”

    অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে (CM Suvendu Adhikari)। ২০২৫-এর ১৪ মে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বিগত সরকার, একদিকে সিএএর বিরোধিতা করেছিল, আর অন্যদিকে ভারত সরকারের এই আইন কার্যকর করেনি। এবার সেই আইনই কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলাজনিত অপরাধ, লাভ জেহাদ, বলপূর্বক ধর্মান্তর, নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে যে ধরনের অসামাজিক কাজকর্মের বৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য করেছি, যারা তার সঙ্গে যুক্ত বলে ধরা পড়েছে, তাদের বড় অংশই বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী। এদিন, বিএসএফের তরফে ফুলের তোড়া এবং স্মারক দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে (Infiltrator Deportation)।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, ২০২৪-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, আইনে নির্দিষ্ট করা সম্প্রদায়ের যে সব মানুষ বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে, তাদের কোথাও কোন‌ও হেনস্থা করা হবে না (CM Suvendu Adhikari)। যারা ওই সময়ের পরে এসেছে, তাদের রাজ্য পুলিশ সরাসরি গ্রেফতার করে বিএসএফের হাতে তুলে দেবে, যাতে বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করা যায় (Infiltrator Deportation)।

     

  • WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগেও, যে ঘরটায় বসতেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, সেই ঘরটা এখনও অবধি তালাবন্দি (WB Assembly Row)। যদিও ইতিমধ্যেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করার কথা জানানো হয়েছে।

    বিধানসভার সচিবের বক্তব্য (WB Assembly Row)

    এহেন পরিস্থিতিতে আরটিআই করেছিলেন এই প্রবীণ তৃণমূল নেতা। এই বিষয়ে জবাব দিলেন বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস। তাঁর সাফ কথা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Shovondeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস।শোভনদেবের আরটিআইয়ের জবাবে সচিব মনে করিয়ে দেন, বিধানসভার ভেতরে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর সিদ্ধান্তকে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যায় না। স্পিকার নির্বাচনের দিন শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতার প্রথাগত রীতি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ঠিকই, তবে তার মানে এই নয় যে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীকালে তাঁর পদের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কোনও নথি চাইতে পারবে না।

    ‘রেজুলিউশন কপি’ কোথায়?

    একটি চিঠি পেশ করে তিনি জানান, তৃণমূলের তরফে যে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে বিধায়কদের কোনও ‘রেজুলিউশন কপি’ (সমর্থনপত্র) অ্যাটাচ করা ছিল না। তাই জানা যায়নি শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে দলের ঠিক কতজন বিধায়ক সমর্থন করছেন। একই ত্রুটি ছিল ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার আবেদন পত্রের ক্ষেত্রেও। সচিবের বক্তব্য, এই আইনি ও প্রশাসনিক ত্রুটির কারণেই বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু নিয়ম মেনে (WB Assembly Row) দলীয় সিদ্ধান্তের রেজুলিউশন কপি চেয়েছিলেন। যদিও তা এখনও জমা দেওয়া হয়নি। বিধানসভার সচিব চিঠিটা দেখিয়ে বলেন, “এই চিঠির সঙ্গে কোনও রেজুলিউশন কপি যুক্ত ছিল না। শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে  ক’জন বিধায়ক তাঁর (Shovondeb Chattopadhyay) মত ব্যক্ত করেছেন, সেটা উল্লেখ নেই।” ফিরহাদ হাকিমকেও চিফ হুইপ করতে কতজন তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেছেন, তারও উল্লেখ নেই। সেই কারণেই সমস্যা হচ্ছে বলে জানান বিধানসভার সচিব (WB Assembly Row)।

     

  • TMC: প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কঙ্কালসার চেহারা! দলীয় কর্মসূচিতে গরহাজির সিংহভাগ বিধায়ক

    TMC: প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কঙ্কালসার চেহারা! দলীয় কর্মসূচিতে গরহাজির সিংহভাগ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিধানসভায় ধরা পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কঙ্কালসার চেহারাটা! ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে গোহারা হেরে গিয়ে কালীঘাটের ঘরে সেঁধিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। বাকি ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার সদস্য, বিধানসভার নন। এহেন দুই হেভিওয়েট ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ পর্দার আড়ালে চলে যাওয়ায় ফাঁপরে পড়েছেন ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী বিধায়করা (MLAs Skip Protest Programme)। ২৯৪টি আসন রয়েছে বিধানসভায়। ভোট হয়েছে ২৯৩টিতে। বৃহস্পতিবার, ২১ তারিখে পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে। এই ২৯৩টির মধ্যে মাত্র ৮০টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন ঘাসফুলের প্রতিনিধিরা। বুধবার দলীয় কর্মসূচিতে দেখা গেল না তাঁদেরই ৪৬ জনকে। তার জেরে মাত্র আধঘণ্টার মধ্যেই নমো নমো করে কর্মসূচি সেরে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাতে হল তৃণমূলকে।

    ‘ফ্লপ’ তৃণমূলের কর্মসূচি (TMC)

    ফেরা যাক খবরে। এদিন ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিধানসভার আম্বেডকর মূর্তির পাদদেশে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন তৃণমূল বিধায়করা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দেখা গেল না তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের অর্ধেকেরও বেশিকে। প্রশ্ন হল, কেন? এ প্রসঙ্গে বেলেঘাটার বিধায়ক তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, “আমাদের পরিষদীয় দলের বৈঠক থেকে এই কর্মসূচিটা হয়েছে। আমরা সেটা ভাগ করে নিয়েছি (TMC)। কয়েকজন আমরা এখানে বসব, যাঁরা এলাকা সামলেও আসতে পারবেন। আবার বহু এলাকায় মানুষ ঘরছাড়া, যেখানে মানুষ এখনও বাড়িই ঢুকতে পারছেন না, থানার সঙ্গে কো-অর্ডিনেট করা দরকার, সেই বিধায়কদের বলা হয়েছে অবিলম্বে সেখানে চলে যেতে।”

    শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা তৃণমূলের!

    কুণাল বলেন, “মানুষের পাশে বসে না থেকে, সবাই এখানে থাকবেন? আবার এরকমও হতে পারে ক’দিন বাদে, তাঁরা এসে কোনও ইস্যুতে বসবেন, আমরা এলাকায় থাকব।” কুণালের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বুঝতে পেরে বালিগঞ্জের বিধায়ক তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের অনেক নেতা-কর্মীকে কেস দেওয়া হচ্ছে। তাই বহু বিধায়কই এসব ঝামেলা সামাল দিতে গিয়ে আটকে পড়েছেন৷ বিভিন্ন কারণে দলের বিধায়করা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন (MLAs Skip Protest Programme)৷ তাই অনেকে আসতে পারেননি৷” তিনি বলেন, “আমরা সবাই একসঙ্গেই আছি। এটা ভাবার কোনও কারণ নেই যে আমরা আলাদা আছি (TMC)৷”

    তৃণমূলে ভাঙন ধরছে…!!

    তবে, তৃণমূলের বিধায়করা যা-ই বলুন না কেন, বিধায়কের দলে অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার কি তৃণমূলে বড়সড় ভাঙন ধরতে চলেছে? বিজেপির দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের ভিতরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়কের অনুপস্থিতিকে সেই অস্বস্তিরই প্রতিফলন বলে কটাক্ষ করেছে তাঁরা।  ভাঙনের জল্পনা ছড়িয়েছে দলের অন্দরেও। কারণ, ধর্না মঞ্চে রাজনৈতিক স্লোগানের মধ্যেও বিশেষভাবে নজর কাড়ে একটি বিষয়। কর্মসূচিতে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ ধ্বনি শোনা গেলেও, একসময় তৃণমূলের সভা-সমাবেশে নিয়মিত উচ্চারিত হওয়া ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ স্লোগান এদিন প্রায় শোনা যায়নি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পরিবর্তন দলের অন্দরমহলের বর্তমান সমীকরণেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    জাহাঙ্গিরকে নিয়েও অসন্তোষ দলে…

    এই প্রথম নয়। সম্প্রতি, ফলঘোষণার পর কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হওয়া বৈঠকেও অনুপস্থিত ছিলেন একাধিক তৃণমূল নবনির্বাচিত বিধায়ক।  বিধায়কের দলে অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র জল্পনা। তার ওপর, মঙ্গলবারের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরাও জাহাঙ্গির খানের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে দলের ভিতরেই অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জাহাঙ্গির খানকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই দেখা হয়। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার নিয়ে হওয়া মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দলের একাংশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। একাধিক বিধায়কও দাবি তুলেছেন, জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দল যেন কড়া পদক্ষেপ করে। ফলে, সবমিলিয়ে বিরাট পরাজয়ের পর দলের অন্দরে বিদ্রোহ ও বিক্ষোভের আঁচ প্রকট হয়ে উঠেছে।

  • CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই বাম-তৃণমূল জমানার ঘুণ ধরা সমাজব্যবস্থাটাকে আমূল বদলে দিতে কোমর কষে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এর আগে রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশকে ফ্রি-হ্যান্ড খেলতে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পর উদ্যোগী হয়েছেন রাজ্যের হাসপাতালগুলির (Hospital Security Guidelines) ভোল বদলাতে। সেই কারণেই দিন কয়েক আগে এসএসকেএম হাসপাতালে হাই-প্রোফাইল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার রেশ কাটার আগেই ‘অ্যাকশনে’ নেমে পড়েছে লালবাজার।

    দালাল-রাজ নির্মূলে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)

    সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং দালাল-রাজ নির্মূল করতে শহরের পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আজ, বুধবার থেকেই নয়া নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। গত শুক্রবারই স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ কর্তা এবং মেডিক্যাল কলেজগুলির প্রিন্সিপাল-সুপারদের নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বহিরাগতদের প্রবেশ রোখার ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বার্তা পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন।

    বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা কলকাতার পাঁচ হাসপাতালে

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতার পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। এই হাসপাতালগুলি হল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, এসএসকেএম হাসপাতাল, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ভেতরে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিংবা চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই গুচ্ছের গাইডলাইন জারি করা হয়েছে লালবাজারের তরফে (Hospital Security Guidelines)।

    আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বলয়

    আগে হাসপাতালে যে কেউ, যখন তখন দালালদের হাত ধরে হাসপাতালে ঢুকে পড়ত। নয়া ব্যবস্থায় হাসপাতালে ঢুকতে গেলেই কড়া চেকিংয়ের মুখে পড়তে হবে। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদেরও পরিচয়পত্র বা নির্দিষ্ট কালার-কোডেড ব্যান্ড খতিয়ে দেখে তবেই দেওয়া হবে হাসপাতালে ঢোকার ছাড়পত্র। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল চত্বরে সর্বক্ষণ নজরদারির জন্য সক্রিয় থাকবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম। কোনওরকম অশান্তির আঁচ পেলেই মুহূর্তের মধ্যে খবর চলে যাবে কন্ট্রোল রুমে। রাতের শিফটে ডিউটিতে থাকা জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সুরক্ষায় হাসপাতাল চত্বরে চলবে পুলিশের বিশেষ ‘নাইট পেট্রলিং’। মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুম এবং ডিউটি রুমের আশপাশে নজরদারি করা হয়েছে দ্বিগুণ।

    বাড়ানো হচ্ছে নজরদারিও

    করা নিরাপত্তার বলয় তৈরির পাশাপাশি ঢেলে সাজানো হচ্ছে হাসপাতালগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও। পরিকাঠামো ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে তা আরও উন্নত করা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও হাইড্র্যান্ট প্রস্তুত থাকবে। দমকল বিভাগের সঙ্গেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সমন্বয় রাখার কথা বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায় (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতালগুলিতে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা, নিয়মিত তা পরীক্ষা করতে হবে। হাসপাতালের সব জায়গা যাতে সিসিটিভির আওতায় চলে আসে, তাও নিশ্চিত করাতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায়। সব জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Hospital Security Guidelines)। পুলিশকর্মী ছাড়াও হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বেসরকারি সংস্থাকে নির্দিষ্টি ডিউটি রোস্টার বানানোর নির্দেশও দিয়েছে লালবাজার। সেই হিসেবেই তাদের কর্মী নিয়োগ করতে বলা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অবৈধ পার্কিংও বন্ধ করা হচ্ছে। রোগীর পরিবার, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্য কারও গাড়ি রাখা যাবে না। হাসপাতালের প্রধান গেটগুলির সামনের এলাকা হকারমুক্ত করা হবে। হাসপাতালজুড়ে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের জন্য বড় বড় করে লেখা থাকবে হেল্পলাইন নম্বর।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই পাঁচটি হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষের সঙ্গে স্থানীয় থানা, ডিভিশনাল ও লালবাজার কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ থাকবে। প্রতি রাতে প্রতিটি হাসপাতালে টহল দেবে পুলিশকর্মী এবং নিরাপত্তা কর্মীর যৌথ দল (CM Suvendu Adhikari)।  ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূল জমানায় আরজি করকাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া ক্ষতে প্রলেপ দিতে এবং হাসপাতালে দালাল-রাজে ইতি টানতে শুভেন্দুর সরকার যে কোনও আপস করতে রাজি নয়, লালবাজারের এই তৎপরতাই তার প্রমাণ। দুর্নীতি এবং দাদাগিরি বন্ধে নয়া মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। সেই বার্তা পেয়েই পুলিশ-প্রশাসনের সর্বস্তরেই শুরু হয়েছে খোলনলচে বদলানোর কাজ (Hospital Security Guidelines)।

    প্রসঙ্গত, বছর দুই আগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। তারপর থেকেই জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। মমতা জমানার এই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নবান্নে এসেছে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরেই রাজ্যের নানা ভেঙে পড়া ব্যবস্থাকে স্বমহিমায় ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে পদ্ম-পার্টি (CM Suvendu Adhikari)।

  • PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তারপর থেকে আর বড় কোনও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (G7 Summit) মুখোমুখি হওয়া হয়নি দুই রাষ্ট্রনেতার। এবার হবে। জুন মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেই ফের মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই ‘মহান বন্ধু’। ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক স্টাইলের কারণে একটি ছোট্ট দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশ্ন হল, এতে কি আর ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যিক টানাপোড়েন কমবে? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে জুন পর্যন্ত।

    জি৭ শীর্ষ সম্মেলন (PM Modi)

    ভারত জি৭-এর স্থায়ী সদস্য নয়। তবে বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে নিয়মিত যোগ দেয় এই সম্মেলনে। এ বছর ওই সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ স্বয়ং আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-ব্যাঁ (Evian-les-Bains) ১৫-১৭ জুন হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসার পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও ট্রাম্প। শুল্ক উত্তেজনার পটভূমিতে অনুষ্ঠিত সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ট্রাম্প মোদিকে ‘মহান বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছনোর অঙ্গীকারও করেছিলেন এই দুই রাষ্ট্রনেতা।

    নোবেল পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্পের দাবি

    যদিও গত বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্প হঠাৎই দাবি করতে থাকেন, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি হয়েছে তাঁরই মধ্যস্থতায়। এর পর থেকে ট্রাম্প যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই বলে বেড়িয়েছেন, তাঁরই বাণিজ্যিক চাপের কারণে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পুরোপুরি যুদ্ধে জড়ায়নি। ট্রাম্পের এহেন ঘোষণায় খুব খুশি হয়েছিল শাহবাজ শরিফের দেশ। তবে পাকিস্তান ট্রাম্পের প্রশংসা করলেও, ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়ে দেন, যুদ্ধবিরতি হয়েছে সরাসরি ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনা করেই, কারও মধ্যস্থতায় নয়। বস্তুত, এর পর থেকেই তলানিতে ঠেকে দুই ‘হুজুরে’র সম্পর্ক (G7 Summit)।

    ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

    গত বছর জুনে কানাডায় হয়েছিল জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে পার্শ্ব বৈঠকে ফের সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল এই দুই নেতার। যদিও ট্রাম্প হঠাৎ করেই সম্মেলন ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাতিল হয়ে যায় প্রস্তাবিত বৈঠক। পরে অবশ্য ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে কানাডা থেকে ফেরার পথে ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু মোদির পূর্বনির্ধারিত ক্রোয়েশিয়া সফর থাকায়, সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে ভারত। তবে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে সরকারি কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ভারতের আশঙ্কা ছিল যে ট্রাম্প হয়ত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে মোদিকে নিয়ে একটি ছবি তোলার জন্য চাপ দিতে পারেন। সেই সময় একইসঙ্গে (PM Modi) হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুনিরকেও।

    ভারতকে শায়েস্তা করার চেষ্টা

    তার পর থেকে সময় যত গড়িয়েছে, ততই অবনতি হয়েছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের। ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় ভারতকে শায়েস্তা করতে চেষ্টার কম কসুর করেননি ট্রাম্প। তাঁর সরকার প্রথমে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। রাশিয়ার তেল কেনায় বসানো হয় অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও। ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্কট বেসেন্ট (Scott Bessent) এবং পিটার নাভারো (Peter Navarro) বারবার অভিযোগ করেন, রাশিয়ার তেল কিনে ঘুরপথে ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে সাহায্য করছে ভারত। এই শুল্ক-চাপ মূলত ভারতকে আমেরিকার দিকে ঝুঁকে থাকা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি করানোর মরিয়া চেষ্টা ছিল বলেই খবর (G7 Summit)।

    সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত

    এই পুরো পর্বটায় কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মাথা নত করেননি ট্রাম্পের চাপের কাছে। শুধু তা-ই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শার্ম এল-শেখ এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান (ASEAN) সম্মেলনের মতো বৈশ্বিক অনুষ্ঠানও এড়িয়ে যান। কারণ সেখানে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারত ট্রাম্পের। গত সেপ্টেম্বরে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত মেলে। ট্রাম্প জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফের গতি পায় বাণিজ্য আলোচনা। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছয় দুই দেশ। ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক কমিয়ে করা হয় ১৮ শতাংশ। বিভিন্ন সময় ট্রাম্পের করা মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আবারও শোনা কিংবা দেখা যায় পরিচিত বাক্য — “ইন্ডিয়া থেকে আমার বন্ধু” (PM Modi)।

    ট্রাম্পের মুখে মোদি-স্তুতি

    তবে ইরান যুদ্ধ এবং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিলের রায়ের কারণে আটকে যায় আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি সই। ১৭ এপ্রিল টানা ৪০ মিনিট ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। চলতি বছরে এটি ছিল তাঁদের তৃতীয় ফোনালাপ। যদিও সেই কথোপকথনের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে শোনা যায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন মোদি-ট্রাম্প। ফোনালাপের পর (G7 Summit) সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “ওঁর (মোদির) সঙ্গে আমার খুব ভালো কথা হয়েছে। উনি ভারত থেকে আমার বন্ধু। উনি দারুণ কাজ করছেন।” এই প্রেক্ষিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ফের মুখোমুখি হতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্র প্রধানের এই সাক্ষাৎই কেড়ে নিতে পারে তামাম দুনিয়ার নজর (PM Modi)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসি, করমর্দন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের বাইরেও হবে আসল পরীক্ষা — দুই দেশ সাম্প্রতিক বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা কাটিয়ে উঠতে পারে কি না। খুব সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত আলাপও দিকনির্দেশ করে দিতে পারে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায়ের।

     

  • OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল করে দেওয়া হল ওবিসি সংরক্ষণ (OBC Quota Row) নিয়ে রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকারের নীতি। নজিরবিহীন এই পদক্ষেপ করল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা। ওবিসি সংরক্ষণ কমিয়ে করা হল ৭ শতাংশ (TMC Govt Policy)। আগে ওবিসি ‘এ’ ক্যাটেগরিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সুযোগ মিলত। ওবিসি ‘বি’ ক্যাটেগরিতে ছিল ৭ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১০-সালের আগের সংরক্ষণ নীতিই বহাল রাখল রাজ্য সরকার। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু জাতি তাদের নায্য অধিকার ফিরে পাবে। ৭ শতাংশ সংরক্ষণের জন্য অনগ্রসর হিসেবে ৬৬টি জাতির তালিকাও প্রকাশ করেছে রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত প্রথম সরকার।

    ওবিসি সংরক্ষণের হার (OBC Quota Row)

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে একলপ্তে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্তও নেয় রাজ্যের নয়া মন্ত্রিসভা। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য থাকা ওবিসি সংরক্ষণ আপাতত বাতিল করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে এই মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, কেবল তফশিলি জাতি এবং উপজাতির বাইরে থাকা প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু সম্প্রদায়ই পাবেন নয়া সংরক্ষণ ব্যবস্থার সুবিধা। সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে অবিলম্বে কার্যকর হতে চলেছে এই নয়া নিয়ম। মঙ্গলবারই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। রাজ্যপালের নির্দেশে প্রকাশ করা হয়েছে সেই তালিকাও।

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ!

    বাম রাজত্বের শেষ পর্বে এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রথম দিকে ২০১০-এর মার্চ থেকে ২০১২-র মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের নাম তোলা হয়েছিল ওবিসির তালিকায়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে মামলা দায়ের হয় (OBC Quota Row)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে তুষ্টিকরণে রাজনীতি করতে গিয়ে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকায় জায়গা দেয়। ২০২৩ সালে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকায় নিয়ে আসে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ের সংখ্যা পৌঁছয় ১৭৯-এ।

    শুভেন্দুর সরকারের ফরমান

    ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল সরকারের আমলে যত ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছিল শুভেন্দুর সরকার। সোমবারের বৈঠকে সেই তালিকা যাচাই এবং উপ-শ্রেণিবিভাগের তালিকা বাতিল করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় ক্যাবিনেট। তার পর মঙ্গলবারই জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে বাকি ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল। আদালতের যুক্তি ছিল, ধর্মের ভিত্তিতে এই সম্প্রদায়গুলিকে ওবিসি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ২০১০ থেকে বিলি হওয়া ৫ লাখের মতো ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়ে যায়। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত (TMC Govt Policy) রাজ্য সরকার। সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি বলেই অসমর্থিত সূত্রের খবর (OBC Quota Row)।

  • Daily Horoscope 20 May 2026: আবেগে সিদ্ধান্ত নেবেন না এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 20 May 2026: আবেগে সিদ্ধান্ত নেবেন না এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. অকারণ তর্ক এড়িয়ে চলুন।
    ৩. অর্থ নিয়ে দুশ্চিন্তা কমবে।

    বৃষ

    ১. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা আছে।
    ৩. সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি কমবে।

    মিথুন

    ১. আবেগে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
    ২. চাকরিক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে।
    ৩. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কর্কট

    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২. নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ৩. অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।

    সিংহ

    ১. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ২. অহংকার থেকে দূরে থাকুন।
    ৩. হঠাৎ খরচ বাড়তে পারে।

    কন্যা

    ১. পরিশ্রমের ফল মিলবে।
    ২. আটকে থাকা কাজ এগোবে।
    ৩. সম্পর্কের ক্ষেত্রে ধৈর্য রাখুন।

    তুলা

    ১. আর্থিক দিক ভালো থাকবে।
    ২. নতুন পরিচয় উপকারে আসবে।
    ৩. দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১. গোপন শত্রুর থেকে সতর্ক থাকুন।
    ২. কাজে সাফল্য আসবে।
    ৩. সন্ধ্যার পর মন ভালো হবে।

    ধনু

    ১. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ২. আধ্যাত্মিক আগ্রহ বাড়বে।
    ৩. অর্থনৈতিক উন্নতির যোগ আছে।

    মকর

    ১. কাজে দেরি হতে পারে।
    ২. পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধ এড়ান।
    ৩. ধৈর্যে সমস্যার সমাধান হবে।

    কুম্ভ

    ১. নতুন যোগাযোগ লাভ দেবে।
    ২. ব্যবসায় শুভ ফল মিলবে।
    ৩. প্রেমে সুখবর আসতে পারে।

    মীন

    ১. ভাগ্য সহায় থাকবে।
    ২. আটকে থাকা টাকা ফেরত মিলতে পারে।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share