Tag: Bengali news

Bengali news

  • TMC Posts Loyalty Row: চন্দ্রিমার ইস্তফায় কালীঘাটে জোর ধাক্কা, তৃণমূলের সব সাংগঠনিক পদ ছাড়লেন মমতার ‘ছায়াসঙ্গী’, কারণ জানেন?

    TMC Posts Loyalty Row: চন্দ্রিমার ইস্তফায় কালীঘাটে জোর ধাক্কা, তৃণমূলের সব সাংগঠনিক পদ ছাড়লেন মমতার ‘ছায়াসঙ্গী’, কারণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারের পরে পরেই তৃণমূলের (TMC Posts Loyalty Row) অন্দরে শুরু হয়ে যায় ভাঙন। তার জেরে একের পর এক নেতা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে তৈরি করে ফেলেন তৃণমূলেরই আরও একটি (Chandrima Bhattacharya) গোষ্ঠী। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের এই গোষ্ঠীই আপাতত নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে। তৃণমূলে ‘ভাতিজা’র উত্থানের যে ক্ষোভ সঞ্চিত হচ্ছিল, দল হারতেই তা উগরে দেয় গলিত লাভা। তার জেরে একের পর তৃণমূল নেতা বদলাতে থাকেন শিবির। এবং সেই কারণেই কালীঘাটে শুরু হয় ক্ষয়, আর ফুলে ফেঁপে উঠতে শুরু করে ঋতব্রতর শিবির।

    মমতা শিবিরে চন্দ্রিমা-ধাক্কা (TMC Posts Loyalty Row)

    এহেন আবহে ফের একবার বড় ধাক্কা খেল মমতা শিবির। দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মমতার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মাত্র এক মাস আগে তাঁকে দলের রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব নিয়েওছিলেন। তার পর এদিন সেই পদ-সহ দলের সমস্ত দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন তিনি। মমতাকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে চন্দ্রিমা শুধু রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকেই নয়, দলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক হিসেবের অনুমোদিত স্বাক্ষরকারীর দায়িত্ব এবং নির্বাচন কমিশনে দলের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, চিঠিতে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে নয়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, চন্দ্রিমার এহেন পদক্ষেপের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

    বিশ্বাসের বুকে ছুরি!

    সোমবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে মমতা ও ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন দু’পক্ষের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াই রয়েছে। তার ঠিক আগে চন্দ্রিমার ইস্তফা মমতার শিবিরের পক্ষে বড় অস্বস্তির কারণ। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর দলের যখন ছন্নছাড়া দশা, ঠিক তখনই মমতা নয়া সাংগঠনিক কমিটি গঠন করে তার দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা ‘অতি-বিশ্বস্ত’ চন্দ্রিমার ওপর।  পরাজয়ের পরেও দলের প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাই তাঁর এই সিদ্ধান্তে আরও চড়েছে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ। চন্দ্রিমার পদত্যাগের নেপথ্যে তাঁর ছেলে সৌরভ বসুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থানও অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন সৌরভ। তারপর থেকেই দলের অন্দরে শুরু হয় নানা জল্পনা। অভিযোগ ওঠে, চন্দ্রিমা বাইরে থেকে মমতা-ঘনিষ্ঠ থাকলেও ভেতরে ভেতরে তিনি সাহায্য করছেন বিদ্রোহী শিবিরকে। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন চন্দ্রিমা (TMC Posts Loyalty Row)।

    ক্ষোভ উগরে দিলেন চন্দ্রিমা

    ইস্তফা দেওয়ার পর নিজের ক্ষোভ ও অভিমানের কথা (Chandrima Bhattacharya) প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন চন্দ্রিমা। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার করা হচ্ছিল যে তিনি নাকি তৃণমূল ভবনের চাবি ঋতব্রতদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন চন্দ্রিমা। তিনি বলেন, ‘‘আমি চাবি তুলে দেওয়ার কে? এই অধিকার তো নির্বাচন কমিশন বা আদালতের। যখন আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন এই পদে আর না থাকাই শ্রেয়। সবাই সঙ্গ ছেড়ে গেলেও আমি মমতাদির সঙ্গ ছাড়িনি। কিন্তু ওঁর মনে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করে আমি ওঁর মনকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না।’’

    তৃণমূল ভবনের দখল

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ঋতব্রতপন্থী নেতারা তপসিয়ায় অবস্থিত তৃণমূল ভবনের দখল নেওয়ার পর থেকেই এই বিতর্ক তৈরি হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই চন্দ্রিমাকে ঘিরে নানা অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত সেই অপবাদই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। শুধু সাংগঠনিক ক্ষোভ নয়, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন চন্দ্রিমা। অর্থ ও স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী থাকলেও, আদতে পুরো দায়িত্ব পাননি বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। চন্দ্রিমার কথায়, ‘‘আমি ছিলাম হাফপ্যান্ট বা বারমুডা মন্ত্রী। রাজ্যবাসী যে বাজেট একটু পরে জেনেছে, আমি তা জেনেছি (TMC Posts Loyalty Row) একটু আগে। সরকারি আধিকারিকরাই সব জানতেন।’’ এই মন্তব্যে প্রাক্তন মন্ত্রীর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Chandrima Bhattacharya)।

    চন্দ্রিমার রাজনৈতিক জীবন

    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চন্দ্রিমা মমতার অন্যতম বিশ্বস্ত মুখ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। স্বাস্থ্য, অর্থ ও আইন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বস্তুত চোখ বুজে তুলে দিয়েছিলেন চন্দ্রিমার ওপর। ২০১৭ সালে উপনির্বাচনে দক্ষিণ কাঁথি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দমদম কেন্দ্র থেকেও জয়ী হন তিনি। যদিও তীরে এসে তরী ডোবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে। দক্ষিণ দমদম কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর কাছে গোহারা হারেন মমতার ‘কাছের লোক’ চন্দ্রিমা।

    চন্দ্রিমার পরবর্তী পদক্ষেপ

    নিজের বাহান্ন বছরের রাজনৈতিক জীবনের এই মোড়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট করেননি চন্দ্রিমা। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর মনে অভিযোগের চেয়ে অভিমানই বেশি। যদিও তৃণমূলের এই ক্রান্তিকালে চন্দ্রিমার মতো একজন হেভিওয়েট নেত্রী দলের সব সাংগঠনিক পদ ছেড়ে দেওয়ার রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ শুনানির ঠিক আগে তাঁর এই (Chandrima Bhattacharya) ইস্তফা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে আরও বেআব্রু করে দিল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (TMC Posts Loyalty Row)।

     

  • UNESCO: তক্ষশিলার প্রাচীন নিদর্শনে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিল ইউনেস্কো

    UNESCO: তক্ষশিলার প্রাচীন নিদর্শনে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিল ইউনেস্কো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আমরা গর্বের সঙ্গে বিদেশে সবাইকে বলি, আমরা সিন্ধু সভ্যতার সন্তান।’’ সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ কথাই বললেন পাকিস্তানের (Pakistan) তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার। তাঁর এহেন বক্তব্যের কারণেই জন্ম হয়েছে নয়া বিতর্কের। কারণ, রাষ্ট্রসঙ্ঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) পাকিস্তানকে তক্ষশিলার দু’টি প্রাচীন প্রত্নস্থলে সংরক্ষণের নামে অনুপযুক্ত কাজ করার অভিযোগে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে।

    ইউনেস্কোর অভিযোগ (UNESCO)

    ইউনেস্কোর অভিযোগ, পাকিস্তানের প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর বিভাগ তক্ষশিলার মহরা মরাদু বৌদ্ধ বিহার ও স্তূপ এবং সিরকাপ প্রাচীন নগরীর সংরক্ষণকাজে সিমেন্ট ও আধুনিক গাঁথুনি ব্যবহার করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রত্নসংরক্ষণ নীতির পরিপন্থী এই পদক্ষেপের ফলে ঐতিহাসিক কাঠামোগুলির মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং ঐতিহাসিক সত্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেই মনে করছে ইউনেস্কো। সম্প্রতি ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে জানানো হয়, অবিলম্বে এই পরিবর্তন প্রত্যাহার করে যথাযথ সংশোধনমূলক ব্যবস্থা না নিলে তক্ষশিলাকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

    প্রত্ন নিদর্শনে আধুনিকতার ছোঁয়া

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে এক দর্শনার্থী তক্ষশিলার বিভিন্ন জায়গার ছবি এবং ভিডিও ইউনেস্কোর কাছে পাঠান। তাতে দেখা যায়, প্রাচীন ইটের দেওয়াল ভেঙে নতুন গাঁথুনি তৈরি করা হয়েছে এবং কোথাও কোথাও দেওয়ালের উচ্চতাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর গত ১২ জুন ইউনেস্কোর বিশেষজ্ঞ দল পাক প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে প্রত্নস্থল পরিদর্শন করে (UNESCO)। তক্ষশিলা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন নগরী। বৈদিক সাহিত্য, মহাভারত এবং বৌদ্ধ জাতক কাহিনিতে এই নগরীর উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীকালে এটি গান্ধার শিল্প, বৌদ্ধ সংস্কৃতি এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে।

    অবহেলার শিকার

    সমালোচকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার প্রাক-ইসলাম পর্বের ইতিহাসকে গুরুত্ব না দিলেও, সাম্প্রতিক সময়ে সিন্ধু সভ্যতা ও তক্ষশিলাকে পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যদিও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যথাযথ নীতি অনুসরণ না করায় তাদের এই উদ্যোগ প্রশ্নের মুখে পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মহেঞ্জোদারো, হরপ্পা, তক্ষশিলা এবং সোয়াট উপত্যকার বহু বৌদ্ধ প্রত্নস্থল বছরের পর বছর অবহেলার শিকার (Pakistan)। অর্থাভাবের অজুহাতে এসব জায়গার সংরক্ষণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ ইসলামি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলির রক্ষণাবেক্ষণে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই (UNESCO) অভিযোগ। ২০০৯ সালে সোয়াট উপত্যকায় সপ্তম শতাব্দীর একটি পাহাড় খোদাই করা বুদ্ধমূর্তি বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয় জঙ্গিরা। ওই অঞ্চলের বহু বৌদ্ধ স্তূপ এবং প্রত্নস্থলও হামলার শিকার হয়। বিভিন্ন সময়ে প্রত্নবস্তু চুরি ও অবৈধ খননের ঘটনাও ঘটেছে।

    ইউনেস্কোর সতর্কবার্তা

    বিশ্লেষকদের অভিযোগ, পাকিস্তানে বহু প্রাচীন হিন্দু মন্দির, শিখ গুরুদ্বার এবং অন্যান্য ইসলাম-পূর্ব ঐতিহাসিক কাঠামো ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থাপনাও নানা সময়ে পড়েছে হামলার মুখে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে সিন্ধু সভ্যতাকে নিজেদের জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অনুদান অর্জন এবং নিজেকে সিন্ধু সভ্যতার প্রধান উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কৌশল নেওয়া হয়েছে (UNESCO)। সংশ্লিষ্টমহলের দাবি, বাস্তবে প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণে ধারাবাহিক অবহেলা এবং ইউনেস্কোর সাম্প্রতিক সতর্কবার্তা পাকিস্তানের এই অবস্থানকেই ফেলেছে প্রশ্নের মুখে (Pakistan)।

     

  • BJP: বাংলায় শিল্প ফেরাতে মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক শমীকের, বিনিয়োগে আগ্রহের দাবি

    BJP: বাংলায় শিল্প ফেরাতে মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক শমীকের, বিনিয়োগে আগ্রহের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ছেড়ে চলে যাওয়া শিল্পপতিদের ফের রাজ্যে ফিরিয়ে এনে নতুন করে শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে সক্রিয় হয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি (BJP) সরকার। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই মুম্বইয়ে শিল্পপতি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বৈঠক শেষে তিনি দাবি করেন, বহু শিল্পপতি পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    কী বললেন শমীক? (BJP)

    শমীক জানান, গত চার দশকে বাম ও তৃণমূল সরকারের আমলে যাঁরা বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তাঁদের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘নতুন শিল্পনীতি ও নতুন জমিনীতি নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করছে। যাঁরা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, কিন্তু যাঁদের সঙ্গে বাংলার নাড়ির যোগ রয়েছে, তাঁরা আবার বাংলায় ফিরে আসতে আগ্রহী। আমি সরকার নই, আমি দলের প্রতিনিধি। আমি তাঁদের জানিয়েছি, সরকার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরির কাজ করছে। খুব দ্রুত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শিল্পায়নের সুফল দেখতে পাবেন।’’

    শিল্পপতিদের আশ্বাস শমীকের

    মুম্বই সফরে বস্ত্র, ইস্পাত, কাচ, অর্ধপরিবাহী যন্ত্রাংশ-সহ বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শমীক। এর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে বিনিয়োগকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা একাধিক নয়া উদ্যোগের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করেন তিনি। তাঁদের সামনে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পবান্ধব পরিবেশ, দক্ষ মানবসম্পদ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শমীক। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, শিল্পপতিদের আর কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হবে না। সরাসরি রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেই তাঁরা বিনিয়োগের বিষয়ে এগোতে পারবেন। তাঁর কথায়, ‘‘মুম্বইয়ের শিল্পপতিদের বলেছি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার শিল্প গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। খুব দ্রুত তাঁরা সেই পরিবর্তন অনুভব করবেন।’’ তিনি এও (BJP) বলেন, ‘‘শুধু শিল্পের কথা বললেই শিল্পায়ন হয় না। শিল্প গড়ে তুলতে সুস্পষ্ট শিল্পনীতির প্রয়োজন। আমাদের সরকার সেই নীতির ওপর কাজ করছে।’’

    শিল্পায়ন নিয়ে যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    শিল্পায়নকে রাজ্য সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা সম্মেলন কেন্দ্রে নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি জানান, রাজ্যে একটি হোসিয়ারি কারখানা এবং একটি ইস্পাত কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। সরকার দ্রুত সেই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে (Samik Bhattacharya)। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, খুব শিগগিরই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় দু’হাজার একশো কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে। সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যে একটি শিল্প সম্মেলনের আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে দেশ-বিদেশের বহু শিল্পপতি এবং বিনিয়োগকারীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন

    মুম্বই সফর প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শমীক লেখেন, ‘‘মুম্বইয়ের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ ও শিল্পোন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত শিল্পপতিরা পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’’ তিনি (Samik Bhattacharya) আরও লেখেন, ‘‘শিল্প, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার, শিল্পমহল ও বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক সহযোগিতাই পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি (BJP)।’’

     

  • Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনেইয়ের (Khamenei) শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। তেহরানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তাঁরা ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় মার্গেরিটা জানান, বিহারের রাজ্যপালের সঙ্গে তিনি তেহরানে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি (Khamenei)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি ভারত ও ইরানের দীর্ঘদিনের সভ্যতাগত সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। পাশাপাশি, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের ইমাম খোমেনির মোসাল্লা নমাজ প্রাঙ্গণে আজ, ৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে বিদায়ী অনুষ্ঠান। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। ৬ জুলাই তেহরানে বের হবে শোকযাত্রা।

    শোকবইয়ে স্বাক্ষর ভারতের

    ৭ জুলাই ইরানের কোম শহরে আর একটি শোকযাত্রা হবে। ৯ জুলাই মাশহাদে হবে চূড়ান্ত শেষকৃত্য। পরে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে খামেনেইকে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম (Khamenei)। এর আগে, ৫ মার্চ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসে গিয়ে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। তিনি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতালির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ইরানের (Iran) দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন এবং খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন (Khamenei)।

     

  • Daily Horoscope 04 July 2026: কাজে মনোনিবেশ করুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 04 July 2026: কাজে মনোনিবেশ করুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি সমস্যায় পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) কাজকর্মে একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) কড়া হাতে সমস্যার মোকাবিলা ও তার সমাধান বের করুন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ।

    ২) কাজকর্মে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) সারাদিনে প্রচুর সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) নতুন ও অভিনব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) আনন্দ ও সন্তুষ্টির স্তর উচ্চপর্যায়ে থাকবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন হবে।

    ২) মনের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের চিন্তাভাবনা আসবে।

    ৩)  পারিবারিক বিষয়ে চিন্তিত থাকবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ৩) নানান সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) পরিশ্রম ও বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সমস্ত কাজ পূর্ণ করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) কাজকর্ম বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনার কর্মশৈলী দেখে বরিষ্ঠরাও প্রভাবিত হবে।

    ৩) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) অনিশ্চয়তা ও সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) ব্যবসায় মনোনিবেশ করুন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) অর্থ আগমন হবে।

    কুম্ভ

    ১) আজ চিন্তিত থাকবেন।

    ২) কাজকর্মে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) লক্ষ্য লাভের চেষ্টা করা জরুরি।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি সম্ভব।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে ‘বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫’। নয়া আইনের আওতায় সারা (VB G RAM G) দেশে গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে (Minimum Wage)। পাশাপাশি যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের নিশ্চিত মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    বাড়ল গড় দৈনিক মজুরি (VB G RAM G)

    নয়া ব্যবস্থায় জাতীয় স্তরে ঘোষিত গড় দৈনিক মজুরি ২৯৮.৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩২৭.৪ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ গড়ে ১০ শতাংশেরও বেশি মজুরি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, দেশের কোনও এলাকায়ই ঘোষিত ন্যূনতম দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার নীচে থাকবে না। সমস্ত রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং নির্ধারিত মজুরি অঞ্চলের জন্য সংশোধিত মজুরির হার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং হিমাচল প্রদেশে দৈনিক মজুরি ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নতুন আইনে গ্রামীণ পরিবারগুলির জন্য নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সীমা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হবে।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সরকারের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে তোলা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামে মহিলাদের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। নতুন আইন নির্বিঘ্নে কার্যকর করতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য অন্তর্বর্তী বরাদ্দ হিসেবে ৯৫ হাজার ৬৯২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিয়েছে। এই অর্থ কর্মসংস্থান অব্যাহত রাখা, সময়মতো মজুরি দেওয়া এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের কাজে ব্যয় করা হবে। কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫ গ্রামীণ ভারতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই আইন গ্রামীণ শ্রমিকদের আরও বেশি জীবিকা সুরক্ষা, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাস জোগাবে (VB G RAM G)।”

    সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন

    তিনি বলেন, “১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের আইনি নিশ্চয়তা গ্রামীণ পরিবারের পাশে থাকার সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। সরকারের অগ্রাধিকার হল, প্রত্যেক যোগ্য শ্রমিক যাতে প্রয়োজনের সময় কাজ পান, তা নিশ্চিত করা (Minimum Wage)।” মন্ত্রী জানান, নয়া আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও কারিগরি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে উঠবে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন আরও জোরদার হবে এবং আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নাগরিকদের শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর গ্রাম গড়ে তোলার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান (VB G RAM G)।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন যাঁরা

    এই আইনের জাতীয় সূচনা অনুষ্ঠান হয় বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপমুখ্যমন্ত্রী কোনিদেলা পবন কল্যাণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী চন্দ্র শেখর পেম্মাসানি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানে নতুন কর্মসূচির সূচনা, উপভোক্তাদের গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কার্ড বিতরণ, নতুন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম চালু, বিভিন্ন (Minimum Wage) প্রকাশনা প্রকাশ, উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং আইন কার্যকর করতে একাধিক উদ্যোগেরও সূচনা করা হয় (VB G RAM G)।

     

  • Daily Horoscope 03 July 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 July 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

     

    কর্কট

     

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

     

    কন্যা

     

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় চাপ বাড়লেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

     

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

     

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

     

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

     

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে বদলে ফেলা হয়েছিল তিলোত্তমার সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা!

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে বদলে ফেলা হয়েছিল তিলোত্তমার সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নয়া বিতর্ক তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুন মামলায়। রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট বা বদলে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতার পরিবার। প্রাক্তন এক ফরেনসিক আধিকারিকের পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই এই অভিযোগ (Rape Murder Case) প্রকাশ্যে এসেছে। পরিবারের দাবি, চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক গুরুত্বপূর্ণ নমুনা পরিবর্তন বা নষ্ট করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    বদলে ফেলা হয়েছিল ভিসেরা নমুনা! (RG Kar)

    পরিবারের বক্তব্য, কয়েক দিন আগে নির্যাতিতার বাবার নামে ওই চিঠি পৌঁছয়। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় সংগ্রহ করা লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর ভিসেরা নমুনা পরে বদলে ফেলা হয়। সাধারণত মৃত্যুর আগে কোনও বিষাক্ত পদার্থ বা ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা জানতে এই নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়। অভিযোগ, সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণই পরে বদলে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, শুধু রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারেই নয়, সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর সময়ও নমুনা বদল করা হয়েছে। তাই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। যদিও এই অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি নথি বা স্বাধীন তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    এই পরিস্থিতিতে প্রাপ্ত চিঠিটি শিয়ালদহ আদালতে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিলোত্তমার পরিবার। আদালতের কাছে তাদের আবেদন, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। পরিবারের দাবি, “এত গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া প্রকৃত সত্য সামনে আসবে না এবং (RG Kar) বিচারপ্রক্রিয়াও প্রশ্নের মুখে পড়বে।” চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি এবং সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও ওই তিন ফরেনসিক কর্মী ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। যদিও এই দাবির পক্ষেও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ পেশ করা হয়নি। এদিকে, তিলোত্তমার পরিবারের করা অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুললেও, সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক বিভাগ বা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ (Rape Murder Case) বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এখন রাজ্যবাসী তাকিয়ে আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে (RG Kar)।

     

  • Russia: রাশিয়ায় জ্বালানি সঙ্কট চরমে, ভারত থেকে পেট্রোল কিনছে পুতিনের দেশ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Russia: রাশিয়ায় জ্বালানি সঙ্কট চরমে, ভারত থেকে পেট্রোল কিনছে পুতিনের দেশ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় বিপর্যস্ত রাশিয়া (Russia)। ভ্লাদিমির পুতিনের দেশের তেল শোধনাগারগুলির উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রাশিয়ায় দেখা দিয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। এই সমস্যা থেকে (Gasoline Supplies) বেরতে ভারত থেকে পেট্রোল আমদানি শুরু করেছে মস্কো। একসময় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিকারী দেশ হিসেবে পরিচিত রাশিয়াকে এখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শিল্প সূত্রে খবর, সমুদ্রপথে ভারতের পাঠানো পেট্রোলের চালান ইতিমধ্যেই রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ একদিকে যেমন দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করছে, তেমনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর চাপও স্পষ্ট করে দিয়েছে।

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলার জের (Russia)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত থেকে রাশিয়ার পেট্রোল আমদানির প্রধান কারণ হল ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একের পর এক তেল শোধনাগারের ক্ষতি। গত কয়েক মাসে ইউক্রেন রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। ফলে একাধিক রিফাইনারির উৎপাদন কমে গিয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই সঙ্কট দেখা দিয়েছে দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি সরবরাহে। এই পরিস্থিতির জেরে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বহু জায়গায় পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। জোগানের তুলনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতির সূত্র মেনে বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু এলাকায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। দ্রুত বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের ওপর চাপও দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে (Gasoline Supplies)। হঠাৎ করে সৃষ্টি হওয়া এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারত ছাড়াও প্রতিবেশী বেলারুশ থেকে জ্বালানি জোগাড়ের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে মস্কো।

    ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধন কেন্দ্র

    গত এক দশকে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধন কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের আধুনিক রিফাইনারিগুলিতে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে কেনা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেলও রয়েছে। সেই তেল পরিশোধনের পর তৈরি হওয়া পেট্রোলিয়াম পণ্যই এখন আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি রাশিয়াতেও (Russia) রফতানি হচ্ছে। অর্থাৎ, রাশিয়া থেকে কেনা অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ফের সেই দেশেই পেট্রোল হিসেবে পাঠাচ্ছে ভারত। শিল্পমহলের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই অন্তত ৬০ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল ভারতের বন্দর থেকে রাশিয়ার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। একাধিক ট্যাঙ্কার বর্তমানে রাশিয়ার বন্দরের পথে রয়েছে। এও জানা গিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে কয়েক লাখ টন করে পেট্রোল আমদানির পরিকল্পনাও করছে রাশিয়া।

    ইউক্রেনের সামরিক কৌশল

    সম্প্রতি, ইউক্রেন তাদের সামরিক কৌশলে বড়সড় (Gasoline Supplies) পরিবর্তন এনেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি সংঘর্ষের পাশাপাশি রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামোকে টার্গেট করে হামলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সে দেশের তেল শোধনাগার, জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্র, ফুয়েল ডিপো এবং পরিবহণ নেটওয়ার্কে ধারাবাহিক ড্রোন হামলার লক্ষ্য রাশিয়ার (Russia) সামরিক ও অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করা। এরই প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে রাশিয়ার জ্বালানি উৎপাদনে। যার জেরে পুতিনের দেশে দেখা গিয়েছে ঘোরতর তেল সঙ্কট। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও স্বীকার করেছেন, ড্রোন হামলার ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। যদিও সরকারের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে,  এবং চেষ্টা চলছে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার।

    রাশিয়ার পেট্রোল আমদানির প্রভাব

    বিশ্লেষকদের মতে, ভারত থেকে রাশিয়ার এই পেট্রোল আমদানির প্রভাব পড়তে পারে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও। ভারতীয় পরিশোধিত জ্বালানির রফতানির চাহিদা বাড়তে পারে, ভারত-রাশিয়া সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী পেট্রোল বাণিজ্যের রুটেও আসতে পারে বড়সড় পরিবর্তন। ভবিষ্যতে রাশিয়ার শোধন ক্ষমতা আরও কমে গেলে আঞ্চলিক জ্বালানির দামেও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়তে পারে আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি।

    জ্বালানি সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ভারত ও রাশিয়ার (Russia) মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ছাড় মূল্যে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড আমদানিতে ভারত বর্তমানে রাশিয়ার অন্যতম বড় ক্রেতা। এবার সেই সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেল, কারণ এবার পাল্টা পরিশোধিত পেট্রোল ভারত থেকে রফতানি হচ্ছে রাশিয়ায়। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও কীভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, এই ঘটনা তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী দিনে এই আমদানির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করবে ইউক্রেনের হামলার তীব্রতা এবং রাশিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত রিফাইনারিগুলি কত দ্রুত মেরামত করা যায়, তার ওপর। যদি হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে রাশিয়াকে আরও দীর্ঘ সময় ভারত-সহ অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে পরিশোধিত জ্বালানি পেতে। অন্যদিকে, শোধনাগারগুলির উৎপাদন স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে আমদানি কমে আসতে পারে। তবে আপাতত জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকা রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (Gasoline Supplies)। উল্লেখ্য, রাশিয়ার ১১টি টাইম জোনজুড়েই জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই চালু করতে হয়েছে রেশনিং ব্যবস্থা, ফিলিং স্টেশনগুলিতে দীর্ঘ গাড়ির সারি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চড়া দরে বিকোচ্ছে গ্যাসোলিন। ক্রেমলিন (Russia) জানিয়েছে, রাশিয়া অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, এবং গ্রহণযোগ্য মূল্যে জ্বালানি আমদানি নিয়েও আলোচনা করছে।

     

  • Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালিতে সরকারি জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল ক্যাফে। এই অভিযোগে ক্যাফে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন (Matla River Encroachment)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুলডোজার দিয়ে ‘অরণ্যের কূলে’ নামের ওই ক্যাফের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। ক্যাফেটির মালিকানা রয়েছে তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার নামে (Ex TMC MLA)।

    গড়াগড়ি খাচ্ছে ইমরানের সাধের ক্যাফে (Ex TMC MLA)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, মৌখালি সেতুর কাছাকাছি মাতলা নদীর চর এবং সেচ দফতরের জমির ওপর অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল ক্যাফেটি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দফতর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারপরেই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে জারি করা হয় নোটিশ। শেষমেশ ভেঙে দুরমুশ করে দেওয়া সরকারি জমি দখল করে গড়ে তোলা ব্যবসার কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন ইমরানকে ক্যাফের বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য মহকুমাশাসকের দফতরে ডাকা হয়েছিল। প্রশাসনের দাবি, জমা পড়া নথি যাচাই করে দেখা যায়, ক্যাফে নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনের কোনও বৈধ প্রমাণ মেলেনি। সরকারি জমি দখলের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এরপরই জারি করা হয় ক্যাফে ভাঙার নির্দেশ।

    বুলডোজার অভিযান

    ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় এনআইএর হাতে শওকত গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তের সূত্র ধরেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জমির নথি ও নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখা হয় (Ex TMC MLA)। অভিযান চলাকালীন এলাকায় যাতে অপ্রীতিকর কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তাই ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার। বুলডোজার অভিযান চলাকালীন সময়ে ঘটনাস্থলে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ক্যানিং মহকুমা পুলিশের আধিকারিক, জীবনতলা থানার কর্তারা এবং প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিক। মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচুর জওয়ানকে।

    অবৈধ জমির ওপর কারবার!

    ক্যাফে ভাঙার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে ব্যবসা চললেও, এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই সময় যত গড়িয়েছে, ততই ফুলে ফেঁপে উঠেছে অবৈধ জমির ওপর গড়ে তোলা কারবার। প্রশাসনের দাবি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী এই (Matla River Encroachment) পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ক্যাফে ভাঙার কাজ শেষ হওয়ার পর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও (Ex TMC MLA)।

LinkedIn
Share