Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 353: “গোপীরা সর্বভূতে শ্রীকৃষ্ণ দর্শন করেছিল, তৃণ দেখে বলে, শ্রীকৃষ্ণকে স্পর্শ করে পৃথিবীর রোমাঞ্চ হয়েছে”

    Ramakrishna 353: “গোপীরা সর্বভূতে শ্রীকৃষ্ণ দর্শন করেছিল, তৃণ দেখে বলে, শ্রীকৃষ্ণকে স্পর্শ করে পৃথিবীর রোমাঞ্চ হয়েছে”

    দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘দেবী চৌধুরাণী’ পাঠ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২৭শে ডিসেম্বর
    ঈশ্বরদর্শনের উপায়—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    পূর্বকথা—ঠাকুরের ব্রহ্মজ্ঞানের অবস্থা ও সর্বভূতে ঈশ্বরদর্শন 

    “তাঁকে সর্বভূতে দর্শন (Ramakrishna) করতে লাগলুম। পূজা উঠে গেল! এই বেলগাছ! বেলপাতা তুলতে আসতুম! একদিন পাতা ছিঁড়তে গিয়ে আঁশ খানিকটা উঠে এল। দেখলাম গাছ চৈতন্যময়! মনে কষ্ট হল। দূর্বা তুলতে গিয়ে দেখি, আর-সেরকম করে তুলতে পারিনি। তখন রোখ করে তুলতে গেলুম।

    “আমি লেবু কাটতে পারি না। সেদিন অনেক কষ্টে, ‘জয় কালী’ বলে তাঁর সম্মুখে বলির মতো করে তবে কাটতে পেরেছিলুম। একদিন ফুল তুলতে গিয়ে দেখিয়ে দিলে,—গাছে ফুল ফুটে আছে, যেন সম্মুখে বিরাট—পূজা হয়ে গেছে—বিরাটের মাথায় ফুলের তোড়া! আর ফুল তোলা হল না (Kathamrita)!

    “তিনি মানুষ হয়েও লীলা করছেন। আমি দেখি, সাক্ষাৎ নারায়ণ। কাঠ ঘষতে ঘষতে আগুন বেরোয়, ভক্তির জোর থাকলে মানুষেতেই ঈশ্বর দর্শন (Ramakrishna) হয়। তেমন টোপ হলে বড় রুই কাতলা কপ্‌ করে খায়।

    প্রেমোন্মাদ হলে সর্বভূতে সাক্ষাৎকার হয়। গোপীরা সর্বভূতে শ্রীকৃষ্ণ দর্শন করেছিল। কৃষ্ণময় দেখেছিল। বলেছিল, আমি কৃষ্ণ! তখন উন্মাদ অবস্থা! গাছ দেখে বলে, এরা তপস্বী, শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান করছে। তৃণ দেখে বলে, শ্রীকৃষ্ণকে স্পর্শ করে ওই দেখ পৃথিবীর রোমাঞ্চ হয়েছে।

    “পতিব্রতাধর্ম; স্বামী দেবতা। তা হবে না কেন? প্রতিমায় পূজা হয়, আর জীয়ন্ত মানুষে কি হয় না?”

    প্রতিমায় আবির্ভাব—মানুষে ঈশ্বরদর্শন (Ramakrishna) কখন? নিত্যসিদ্ধি ও সংসার

    “প্রতিমায় আবির্ভাব হতে গেলে তিনটি জিনিসের দরকার,—প্রথম পূজারীর ভক্তি, দ্বিতীয় প্রতিমা সুন্দর হওয়া চাই, তৃতীয় গৃহস্বামীর ভক্তি। বৈষ্ণবচরণ বলেছিল, শেষে নরলীলাতেই মনটি কুড়িয়ে আসে।

    “তবে একটি কথা একটি আছে(Kathamrita),—তাঁকে সাক্ষাৎকার না করলে এরূপ লীলাদর্শন হয় না। সাক্ষাৎকারের লক্ষণ কি জান? বালকস্বভাব হয়। কেন বালকস্বভাব হয়? ঈশ্বর নিজে বালকস্বভাব কি না! তাই যে তাঁকে দর্শন করে, তারও বালকস্বভাব হয়ে যায়।”

  • Ramakrishna 352: “তুমি আমার দেবতা, আমি অন্য দেবতার অর্চনা করিতে শিখিতেছিলাম, দেবতার স্থান অধিকার করিয়াছ”

    Ramakrishna 352: “তুমি আমার দেবতা, আমি অন্য দেবতার অর্চনা করিতে শিখিতেছিলাম, দেবতার স্থান অধিকার করিয়াছ”

    দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘দেবী চৌধুরাণী’ পাঠ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২৭শে ডিসেম্বর
    ঈশ্বরদর্শনের উপায়—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    পাঠ চলিতে লাগিল। এইবার ঈশ্বরদর্শনের কথা। প্রফুল্ল এবার দেবী চৌধুরাণী হইয়াছেন। বৈশাখী শুক্লা সপ্তমী তিথী। দেবী বজরার উপর বসিয়া দিবার সহিত কথা কহিতেছেন। চাঁদ উঠিয়াছে। গঙ্গাবক্ষে বজরা নঙ্গর করিয়া আছে। বজরার ছাদে দেবী ও সখীদ্বয়। ঈশ্বর কি প্রত্যক্ষ হন, এই কথা হইতেছে। দেবী বললেন, যেমন ফুলের গন্ধ ঘ্রাণের প্রত্যক্ষ সেইরূপ ঈশ্বর মনের প্রত্যক্ষ হন। “ঈশ্বর মানস প্রত্যক্ষের বিষয় (Kathamrita)।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—মনের প্রত্যক্ষ। সে এ-মনের নয়। সে শুদ্ধমনের। এ-মন থাকে না। বিষয়াসক্তি একটুও থাকলে হয় না। মন যখন শুদ্ধ হয়, শুদ্ধমনও বলতে পার, শুদ্ধ আত্মাও বলতে পার।

    যোগ দূরবীন—পাতিব্রত্যধর্ম ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    মাস্টার—মনের দ্বারা প্রত্যক্ষ যে সহজে হয় না, এ-কথা একটু পরে আছে। বলেছে প্রত্যক্ষ করতে দূরবীন চাই। ওই দূরবীনের নাম যোগ। তারপর যেমন গীতায় আছে, বলেছে, যোগ তিনরকম—জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ, কর্মযোগ। এই যোগ-দূরবীন দিয়ে ঈশ্বরকে দেখা যায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এ খুব ভাল কথা। গীতার কথা।

    মাস্টার—শেষে দেবী চৌধুরানীর স্বামীর সঙ্গে দেখা হল। স্বামীর উপর খুব ভক্তি। স্বামীকে বললে, “তুমি আমার দেবতা। আমি অন্য দেবতার অর্চনা করিতে শিখিতেছিলাম, শিখিতে পারি নাই। তুমি সব দেবতার স্থান অধিকার করিয়াছ।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—“শিখিতে পারি নাই!” এর নাম পতিব্রতার ধর্ম। এও আছে।

    পাঠ সমাপ্ত হইল। ঠাকুর (Kathamrita) হাসিতেছেন। ভক্তেরা চাহিয়া আছেন, ঠাকুর আবার কি বলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে, কেদার ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—এ একরকম মন্দ নয়। পতিব্রতাধর্ম। প্রতিমায় ঈশ্বরের পূজা হয় আর জীয়ন্ত মানুষে কি হয় না? তিনিই মানুষ হয়ে লীলা করছেন।

    “কি অবস্থা গেছে। হরগৌরীভাবে কতদিন ছিলুম। আবার কতদিন রাধাকৃষ্ণভাবে! কখন সীতারামের ভাবে! রাধার ভাবে কৃষ্ণ কৃষ্ণ করতুম, সীতার ভাবে রাম রাম করতুম!

    “তবে লীলাই শেষ নয়। এই সব ভাবের পর বললুম, মা এ-সব বিচ্ছেদ আছে। যার বিচ্ছেদ নাই, এমন অবস্থা করে দাও। তাই কতদিন অখণ্ড সচ্চিদানন্দ এই ভাবে রইলুম। ঠাকুরদের ছবি ঘর থেকে বার করে দিলুম।

  • Eggs: ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে চলতে হবে কোন কোন খাবার? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    Eggs: ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে চলতে হবে কোন কোন খাবার? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের জলখাবারে নরম তুলতুলে ডিমের পোচ কিংবা ফ্রায়েড এগ অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। আবার অনেকে‌ই স্কুল-কলেজ যাওয়ার আগে ঘি-আলু সিদ্ধ ভাতের সঙ্গে ডিম সিদ্ধ নিয়মিত খান। একদিকে পুষ্টি আরেকদিকে স্বাদ! ডিমের (Eggs) এই যুগলবন্দিতে শিশু থেকে বয়স্ক বেশিরভাগ মানুষের কাছেই এই খাবার নিত্যসঙ্গী! তবে, ডিমের সঙ্গে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীরের ভোগান্তি বাড়তে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমের সঙ্গে কিছু খাবার এড়িয়ে চলাই উচিত। তাহলে স্বাস্থ্য সমস্যা হবে না। দেখা যাক, কোন কোন খাবার ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চা কিংবা কফি খাওয়া উচিত নয় (Eggs)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালের জলখাবারে অনেকেই নিয়মিত ডিম খান। কখনও ফ্রায়েড, কখনও পোচ আবার কখনও সিদ্ধ। তবে তার সঙ্গে অনেকেই চা কিংবা কফি জাতীয় গরম পানীয় খেতে পছন্দ করেন। আর এতেই বিপদ বাড়ে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, কফি কিংবা চা জাতীয় পানীয়তে ক্যাফিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি থাকে। এই উপাদান শরীরে অন্যান্য খাবারের পুষ্টিগুণ সহজে পৌঁছতে দেয় না। ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। এতে নানান ভিটামিন, প্রোটিন থাকে। এর সঙ্গে কফি বা চা খেলে সেই পুষ্টি শরীরে পৌঁছতে পারে না।

    দই খেলে বাড়বে বিপদ

    শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত টক দই এবং ডিম-এই দুই খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এই দুই পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত একসঙ্গে খেলে বিপদ বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দই এবং ডিম (Eggs) এই দুই খাবারেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। তাই এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁদের পরামর্শ, সকালে ব্রেকফাস্টে ডিম খেলে, দুপুরের খাবারের পরে টক দই খাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এই দুই খাবার খাওয়ার সময়ের মধ্যে একটা ব্যবধান জরুরি।

    প্রাণীজ প্রোটিন এড়িয়ে চলা জরুরি (Eggs)

    যে কোনও প্রাণীজ প্রোটিন বিশেষত সসেজ কিংবা হ্যাম জাতীয় খাবার ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন থাকে। সসেজ কিংবা হ্যাম হল নানান রকমের মাংসের পদ। এগুলোতেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। একসঙ্গে এত বেশি পরিমাণ প্রোটিন হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই ইংলিশ ব্রেকফাস্ট পছন্দের হলেও হজমের গোলমাল রুখতে, গ্রীষ্মপ্রধান দেশে সসেজ সহ ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ফ্রেঞ্চ ফ্রাই একেবারেই নয়

    ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবার একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ডিমে (Eggs) থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এই প্রোটিন ও ফ্যাট একসাথে শরীরে প্রবেশ করলে, পেট ব্যথা, হজমের গোলমাল হতে পারে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ডিম খাওয়া দরকার। এড়িয়ে চলতে হবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো পদ।

    চিনি এবং কলা একেবারেই এড়িয়ে চলা জরুরি (Eggs)

    ডিম সিদ্ধ, পাউরুটি এবং কলা, জলখাবারের এই পদ প্রায় প্রত্যেকের খুবই পরিচিতি। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম সিদ্ধ এবং কলা একসঙ্গে খেলে বিপদ বাড়তে পারে। কলায় রয়েছে‌ প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট একসঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে অনেক সময়েই বিষক্রিয়া হতে পারে। অর্থাৎ পেটের গোলমাল, পেট ব্যথা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই কারণে ডিমের সাদা চিনি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবার একসঙ্গে খাওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    চিজ এড়িয়ে চলা জরুরি

    চিজ অমলেট অনেকেই খুব পছন্দ করেন। কিন্তু নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ চিজ দেওয়া অমলেট একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিজ অমলেট নিয়মিত খেলে ক্লান্তিবোধ বাড়ে। শরীরে এনার্জির ঘাটতিও‌ দেখা দেয়।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 351: “ভবানী জিজ্ঞাসা কল্লে, ধন নিয়ে শ্রীকৃষ্ণে অর্পণ কেমন করে করবে? প্রফুল্ল বললে, শ্রীকৃষ্ণ সর্বভূতে আছেন, সর্বভূতে ধন বিতরণ করব”

    Ramakrishna 351: “ভবানী জিজ্ঞাসা কল্লে, ধন নিয়ে শ্রীকৃষ্ণে অর্পণ কেমন করে করবে? প্রফুল্ল বললে, শ্রীকৃষ্ণ সর্বভূতে আছেন, সর্বভূতে ধন বিতরণ করব”

    দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘দেবী চৌধুরাণী’ পাঠ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২৭শে ডিসেম্বর
    নিষ্কামকর্ম ও শ্রীরামকৃষ্ণ—ফল সমর্পণ ও ভক্তি

    “প্রফুল্ল—যখন আমার সকল কর্ম শ্রীকৃষ্ণে অর্পণ করিলাম, তখন আমার এ-ধনও শ্রীকৃষ্ণে অর্পণ করিলাম (Kathamrita)।

    ভবানী—সব?

    প্রফুল্ল—সব।

    ভবানী—ঠিক তাহা হইলে কর্ম অনাসক্ত হইবে না। আপনার আহারের জন্য যদি তোমাকে চেষ্টা হইতে হয়, তাহা হইলে আসক্তি জন্মিবে। অতএব তোমাকে হয় ভিক্ষাবৃত্ত হইতে হইবে, নয় এই ধন হইতেই দেহরক্ষা করিতে হইবে। ভিক্ষাতেও আসক্তি আছে। অতএব সেই ধন হইতে আপনার দেহরক্ষা করিবে (Ramakrishna)।”

    মাস্টার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি সহাস্যে) — ওইটুকু পাটোয়ারী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, ওইটুকু পাটোয়ারী, ওইটুকু হিসাববুদ্ধি। যে ভগবানকে চায়, সে একেবারে ঝাঁপ দেয়। দেহরক্ষার জন্য এইটুকু থাকলো—এ-সব হিসাব আসে না।

    মাস্টার—তারপর আছে, ভবানী জিজ্ঞাসা কল্লে, ধন নিয়ে শ্রীকৃষ্ণে অর্পণ কেমন করে করবে? প্রফুল্ল বললে, শ্রীকৃষ্ণ সর্বভূতে আছেন। অতএব সর্বভূতে ধন বিতরণ করব। ভবানী বললে (Kathamrita), ভাল ভাল। আর গীতা থেকে শ্লোক বলতে লাগল,—

    যো মাং পশ্যতি সর্বত্র সর্বঞ্চ ময়ি পশ্যতি।
    তস্যাহং ন প্রণশ্যামি স চ মে ন প্রণশ্যতি ॥
    সর্বভূতস্থিতং যো মাং ভজত্যেকত্বমাস্থিতঃ।
    সর্বথা বর্তমানোঽপি স যোগী ময়ি বর্ততে ॥
    আত্মৌপম্যেন সর্বত্র সমং পশ্যতি যোঽর্জুনঃ।
    সুখং বা যদি বা দুঃখং স যোগী পরমো মতঃ ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এগুলি উত্তম ভক্তের লক্ষণ।

    বিষয়ী লোক ও তাহাদের ভাষা—আকরে টানে

    মাস্টার পড়িতে লাগিলেন।

    “সর্বভূতে দানের জন্য অনেক শ্রমের প্রয়োজন। কিছু বেশবিন্যাস কিছু ভোগবিলাসের ঠাটের প্রয়োজন। ভবানী তাই বললেন, কখন কখন কিছু ‘দোকানদারী’ চাই।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিরক্তভাবে)—“দোকানদারী চাই” (Ramakrishna)। যেমন আকর তেমনি কথাও বেরোয়! রাতদিন বিষয়চিন্তা, লোকের সঙ্গে কপটতা এ-সব করে করে কথাগুলো এইরকম হয়ে যায়। মূলো খেলে মূলোর ঢেঁকুর বেরোয়। দোকানদারী কথাটা না বলে ওইটে ভাল করে বললেই হত, “আপনাকে অকর্তা জেনে কর্তার ন্যায় কাজ করা”। সেদিন একজন গান গাচ্ছিল। সে গানের ভিতরে ‘লাভ’ ‘লোকসান’ এই সব কথাগোলো (Kathamrita) অনেক ছিল। গান হচ্ছিল, আমি বারণ কল্লুম। যা ভাবে রাতদিন, সেই বুলিই উঠে!

  • NDA: অসমের পঞ্চায়েত নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেলেন বিরোধীরা

    NDA: অসমের পঞ্চায়েত নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেলেন বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Polls) খড়কুটোর মতো ভেসে গেলেন বিরোধীরা। বিপুল জয় পেল বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। বছর ঘুরলেই অসম বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যের শাসক দল যে বাড়তি অক্সিজেন পেল, তা বলাই বাহুল্য।

    জেলা পরিষদে বিপুল জয় (NDA)

    অসমে জেলা পরিষদের আসন রয়েছে ৩৭৬টি। তার মধ্যে ৩০০টিতেই জয়ী হয়েছেন এনডিএ প্রার্থীরা। শতাংশের বিচারে এনডিএ পেয়েছে ৭৬ শতাংশেরও বেশি ভোট। পঞ্চায়েতেও জয়ের ধারা অক্ষুণ্ণ রেখেছে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দল এবং তাদের সহযোগীরা। রাজ্যে পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা ২ হাজার ১৯২টি। তার মধ্যে এনডিএ পেয়েছে ১ হাজার ৪৩৬টি আসন। শতাংশের বিচারে ভোটের হার ৬৬।

    কী বললেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক জয় পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, “এই ফল বিজেপি ও আমাদের এনডিএ অংশীদারদের ওপর জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটায়। তারা আমাদের ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করতে প্রাণিত করেছে। ওই নির্বাচনে আমরা কমপক্ষে ৯৫টি আসন জিততে পারি।” অসম বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২৬। গত বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জিতেছিল ৭৫টি আসনে। উপনির্বাচনের পর এনডিএর আসন বেড়ে হয়েছে ৮৪টি।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর হিমন্ত বলেন, “অসম বিধানসভায় এনডিএর আসন সংখ্যা ছুঁতে পারে ১০৪-এর কোঠা।” বিপুল ভোটে জয়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ধন্যবাদ জানান বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা, অমিত শাহ এবং বিএল সন্তোষকেও।

    অসমের বিজেপির সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ শইকিয়া বলেন, “গ্রামীণ উন্নয়নের প্রতি এনডিএ (NDA) সরকারের প্রতিশ্রুতি আমাদের জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসন নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছে।” তিনি বলেন, “ঐতিহাসিক এবং নির্ণায়ক এই জয় দেখায় যে মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে ভোট দিয়েছেন।”

    প্রসঙ্গত, অসমে মোট গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছেন ২১ হাজার ৯২০ জন। তার মধ্যে (Panchayat Polls) মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ১০ হাজার ৮৮৩টি (NDA)।

  • Bangladeshi Islamist: “আত্মঘাতী জঙ্গি পাঠিয়ে তালিবানের ধাঁচে কলকাতা দখল করব”, হুমকি বাংলাদেশি মৌলবীর

    Bangladeshi Islamist: “আত্মঘাতী জঙ্গি পাঠিয়ে তালিবানের ধাঁচে কলকাতা দখল করব”, হুমকি বাংলাদেশি মৌলবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কলকাতায় আত্মঘাতী জঙ্গি (Suicide Bombers) পাঠাব। তালিবানের ধাঁচে কলকাতা দখল করব।” এমনই হুমকি দিতে শোনা গেল বাংলাদেশি এক মৌলবীকে (Bangladeshi Islamist)। তার ওই হুমকি-বার্তার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বক্তব্যের মধ্যেই সে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারও করছিল। ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে ‘ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুস’-এর এক্স হ্যান্ডেল থেকে।

    কলকাতা দখল করো (Bangladeshi Islamist)

    সেখানে ওই বাংলাদেশি মুসলিমকে বলতে শোনা যায়, “যদি বাংলাদেশি সেনাবাহিনী আমাকে এখনই বলে, কলকাতা দখল করো, তাহলে আমি একটি পরিকল্পনা করব। ৭০টি যুদ্ধ বিমান ব্যবহারের কথা না হয় বাদই দিলাম, আমি কলকাতা দখল করতে সাতটি বিমানও ব্যবহার করব না। আমার ৭০টি বিমানের কী দরকার? আমি জানি সেখানে কারা থাকে, যারা মূর্তি পুজো করে, তারা।” বাংলাদেশি ওই মুসলমানকে বলতে শোনা যায়, “আমি জানি, তাদের (হিন্দুদের) প্রিয় খাবার হল মলমূত্র, গোবর এবং কচ্ছপের মতো নোংরা জিনিস। আমি জানি, তারা কতটা কম বোঝে। আমি এও জানি, তারা শারীরিকভাবে কতটা দুর্বল। আমি জানি, তাদের ধর্মের প্রতি তাদের কতটা বিশ্বাস। আমি এই সবই জানি। যদিও আপনি এই জিনিসগুলি না জানেন, তাহলে আপনি একজন মুসলিম সেনাপতি হতে পারবেন না, বুঝেছেন?” ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি জানি, এই হিন্দুরা রক্ত দেখলে কতটা ভয় পায়। মূর্তিপূজারিরা রক্ত দেখলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।”

    আত্মঘাতী বোমারুদের ব্যবহার করব

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক (Bangladeshi Islamist) মদতপুষ্ট জঙ্গিরা বেছে বেছে হত্যা করে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে। তার পক্ষকাল পরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর চালিয়ে বেশ (Suicide Bombers) কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটি দুরমুশ করে দেয় ভারতীয় সেনা। এর পরেই সংঘাত শুরু হয় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এই আবহেই ভাইরাল হল এক বাংলাদেশি মুসলমানের কলকাতা ওড়ানোর ছকের হুমকি। ভিডিওয় তাকে বলতে শোনা যায়, “যদি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাকে অনুমতি দেয়, তাহলে আমি যা করব, তা হল – আমি সব চেয়ে বেশি আত্মঘাতী জঙ্গিদের কলকাতায় পাঠাব। আমি কী ব্যবহার করব? আত্মঘাতী জঙ্গিদের ব্যবহার করব।” সে বলছে, “ইসলামিক আয়াত, তাদের নিয়ম হল আগে মর, তারপর মার। জেন জেড বলছে, এটা তো আগে কখনও শুনিনি, প্রথমবার শুনছি। কিন্তু স্যার, আমি মারা যাওয়ার পর কীভাবে হিন্দুদের হত্যা করতে পারি?”

    প্রথমে মর, তারপর কাফেরদের হত্যা কর

    ইসলামিক আয়াতের প্রসঙ্গ টেনে তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি আক্রমণ করব। তারপর তারা আমাকে আঘাত করবে। আরবি দেশগুলিতে আমি আর একটি আয়াত শিখেছি, ইসলামি আয়াত, প্রথমে মর, তারপর কাফেরদের হত্যা কর। দুটি সুপারপাওয়ার – আমেরিকা ও রাশিয়াকে পরাজিত করতে তালিবানরা এই কৌশল প্রয়োগ করেছিল।” তাকে আরও বলতে শোনা যায়, “আল্লাহু আকবর বলো। তারা এমন বাইক ব্যবহার করেছিল যার শরীরে বোমা বাঁধা ছিল। তারা সেনা ক্যাম্পের দিকে রওনা হয়েছিল। তাদের (Bangladeshi Islamist) গুলি করা হয়েছিল। একটি গুলিতে আপনি সঙ্গে সঙ্গে মারা যাবেন না। তারা তাদের বোমা ভর্তি বাইকটা ক্যাম্পের দেয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়।” সে বলে, “বাইকটি (Suicide Bombers) ক্যাম্পের দেয়ালে ধাক্কা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে। ওই বিস্ফোরণে ৩০০ জন আমেরিকান নাগরিক মারা গিয়েছিল। ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল ক্যাম্পটিও। প্রথমে কে মারা গিয়েছিল? মুসলিম বাইকার। পরে সে কাকে হত্যা করে? কাফেরদের।”

    বাংলাদেশের ভারত দখলের স্বপ্ন

    ভিডিওয় মৌলানা আবদুল কুদ্দুস নামের ওই মৌলবীকে বলতে শোনা যায়, “বাইক নিয়ে বোমা হামলা ঘটাব! বাইক আরোহীর গায়ে বাঁধা থাকবে বোমা। যত পারব, তত আত্মঘাতী বাহিনী পাঠাব।” প্রসঙ্গত, এই মাসের শুরুতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজিবির প্রাক্তন ডিজি আলম ফজলুর রহমান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের ইন্ডিপেনডেন্ট এনকোয়ারি কমিশনের চেয়ারপার্সন (Bangladeshi Islamist)। ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “ভারত পাকিস্তান আক্রমণ করলে বাংলাদেশের উচিত হবে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্য দখল করে নেওয়া। এ ব্যাপারে চিনের সঙ্গে যৌথ সামরিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন বলে মনে করি।” তিনি এও লেখেন, “পাকিস্তানকে সামরিকভাবে রক্ষা করা এখন আমাদের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এটা একটা স্ট্র্যাটেজিক বিষয়। পারস্পরিক নির্ভরতার বিষয়। যদি ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করে তবে চিনের সঙ্গে মিলে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্যকে (Suicide Bombers) দখলে নেওয়া এটা ভারতের পাকিস্তান আক্রমণের রিজিওনাল ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া (Bangladeshi Islamist)।”

  • India: আমেরিকা থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ভারতের

    India: আমেরিকা থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের (India)। আনুষ্ঠানিকভাবে একথা নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডাব্লুটিওকে (WTO)। আমেরিকা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের ওপর সুরক্ষা শুল্ক সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জেরেই ভারতের এই সিদ্ধান্ত বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ডব্লুটিও-র কাউন্সিলর ফর ট্রেড ইন গুডসকে পাঠানো একটি নোটিশে ভারত জানিয়ে দিয়েছে, তারা এগ্রিমেন্ট অন সেফগার্ডসের আর্টিকেল ৮.২ অনুযায়ী কিছু ছাড় এবং অন্যান্য বাধ্যবাধকতা স্থগিত রাখবে এবং প্রস্তাবিত পদক্ষেপ আর্টিকেল ১২.৫ এর অধীনে গ্রহণ করা হবে। যদি আলোচনার উদ্যোগ না নেওয়া হয় বা সমাধানে পৌঁছনো না যায়, তাহলে এই পাল্টা শুল্ক ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকর হতে পারে।

    ক্ষতির সম্মুখীন (India)

    হিসেব বলছে, মার্কিন সুরক্ষা শুল্কের ফলে ভারতকে প্রায় ১.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। ভারত জানিয়েছে, “এই সুরক্ষা শুল্কের কারণে মার্কিন মুলুকে ভারতে উৎপাদিত ৭.৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সংশ্লিষ্ট পণ্যের আমদানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যার ওপর শুল্ক আদায় হবে ১.৯১ বিলিয়ন ডলার। অতএব, ভারতের প্রস্তাবিত ছাড় স্থগিত করার পদক্ষেপে আমেরিকা থেকে আসা পণ্যের ওপর সমপরিমাণ শুল্ক আদায়ে পরিণত হবে।”

    বিতর্কিত শুল্ক আরোপ

    প্রসঙ্গত, আমেরিকা প্রথম ২০১৮ সালের ৮ মার্চ প্রেসিডেন্সিয়াল ঘোষণার মাধ্যমে বিতর্কিত শুল্ক আরোপ করে। সেই হার ছিল ইস্পাতের ওপর ২৫ শতাংশ এবং অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ১০ শতাংশ। এই শুল্কগুলি জানুয়ারি ২০২০ সালে এবং ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ফের একটি প্রোক্লেমেশনের মাধ্যমে পুনরায় বর্ধিত করা হয়, যা কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ১২ মার্চ থেকে।

    ভারতের যুক্তি, যদিও ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপগুলিকে ডাব্লুটিওর নিয়ম অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে সেফগার্ড হিসেবে ঘোষণা করেনি, তবুও এগুলি সেভাবেই কাজ করছে। এই কাজ ১৯৯৪ সালের সাধারণ শুল্ক ও বাণিজ্য চুক্তি এবং সেফগার্ড সংক্রান্ত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ভারত এও জানিয়ে দিয়েছে, যেহেতু এগ্রিমেন্ট অন সেফগার্ডসের (India) অনুচ্ছেদ ১২.৩ অনুসারে কোনও আলোচনাই হয়নি, তাই ভারত মার্কিন পণ্যের ওপর সমপর্যায়ের শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে। ভারতীয় এই শুল্ক (WTO) ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে জুনের শুরুতেই (India)।

  • India Bangladesh Relation: ‘গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা খর্ব’, বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ হওয়ায় কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    India Bangladesh Relation: ‘গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা খর্ব’, বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ হওয়ায় কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকারের আমলে একাধিক কাজকর্ম নিয়ে এর আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। এবার শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগকে (Awami League) নিষিদ্ধ ঘোষণা করা নিয়ে গর্জে উঠল নয়াদিল্লি (India Bangladesh Relation)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এভাবে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উদ্বেগজনক। ভারতের স্পষ্ট বার্তা – সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ছাড়া রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা গণতন্ত্র-বিরোধী।

    ভারতের প্রতিক্রিয়া (India Bangladesh Relation)

    মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আওয়ামি লিগকে প্রক্রিয়া ছাড়াই নিষিদ্ধ করার ঘটনা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। আমরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত হওয়া নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের পক্ষে ভারত। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা খর্ব নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আশা করি, বাংলাদেশে দ্রুত অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করা হবে। গণতন্ত্র ফিরবে।” বাংলাদেশ সরকারের আইনি উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা নিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও হাসিনা উচ্ছেদ আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

    বাংলাদেশের বিবৃতি

    ভারতের ওই প্রতিক্রিয়ার পর বাংলাদেশের তরফে মহম্মদ ইউনূসের একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, “আমরা দেখেছি, কীভাবে আমাদের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করেছে আওয়ামি লিগ, রাজনৈতিক পরিসর কম করে দিয়েছে, গত ১৫ বছরের শাসনকালে আমাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার কারণেই এই দলটিকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন ছিল।” অন্তর্বর্তী সরকারের (India Bangladesh Relation) তরফে আরও বলা হয়, “আমরা দেখেছি, কীভাবে ভোটের নামে প্রহসন করা হয়েছে এতদিন। আমরা দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাই। নির্বাচন একেবারেই আমাদের নিজস্ব বিষয়। আমাদের নির্বাচন, সার্বভৌমত্বকে সবাই সম্মান করি, এবং এটাই আমাদের কাম্য।”

    ছেঁদো যুক্তি!

    পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিঘাঁটিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় ভারত। তার জেরে শুরু হয় ভারত-পাক সংঘাত। এই আবহে গত শনিবার মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে আওয়ামি লিগের কার্যকলাপ।’ ইউনূস সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই (Awami League) আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষীদের সুরক্ষার স্বার্থেই আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে (India Bangladesh Relation)।

    শাহবাগ ব্লকেড

    জুলাই আন্দোলনের জেরে গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। আশ্রয় নেন ভারতে। তার পর থেকেই সে দেশে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠতে শুরু করে। আওয়ামি লিগের ছাত্র শাখা বাংলাদেশ ছাত্র লিগকে কয়েক মাস আগেই নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশের নয়া রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিতে টানা তিন দিন ধরে কর্মসূচি শুরু করেছিল। গত শুক্রবার থেকে শাহবাগ ব্লকেড নামে একটি কর্মসূচিও শুরু করেছে তারা (India Bangladesh Relation)। সেই আবহেই শনিবার উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার ওই বৈঠক শেষে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাকিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা-সহ অন্যান্য যা যা বিষয়ে বিচার চলছে, তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে নিষিদ্ধ থাকবে আওয়ামি লিগের সব রকমের কার্যক্রম। এদিনের ওই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনের সংশোধনীও অনুমোদিত হয়েছে। সংশোধনী অনুসারে ট্রাইব্যুনাল কোনও রাজনৈতিক দল, তার শাখা সংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকেও এবার থেকে শাস্তি দিতে পারবে (Awami League)।

    একাধিকবার শিরোনামে এসেছে বাংলাদেশ

    সম্প্রতি ওয়াকফ অশান্তি ও কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার আগে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে ছিল বাংলাদেশ। কারণ সেই সময় বাংলাদেশে মৌলবাদীদের দাপট চরমে ওঠে। যখন যা ইচ্ছে, তাই করে তারা। হিন্দুদের ওপর আক্রমণও করতে শুরু করে। ভাঙতে থাকে মাজারও (India Bangladesh Relation)। বাংলাদেশের মহিলা ফুটবল টিমের খেলা বন্ধ করে দেয়। এই মৌলবাদীরা ক্রেন-বুলডোজার দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বাড়িও ভাঙে। তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। দেদার লুটপাট করতে শুরু করে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়িতেও তাণ্ডব চালায়। বাংলাদেশজুড়ে আওয়ামি লিগ নেতাদের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। সব দেখে শুনেও মুখে কুলুপ এঁটে বসেছিলেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূস! যারা তাণ্ডব চালাচ্ছে, তাদের গ্রেফতার না করে, যাদের ওপর হামলা হচ্ছে (Awami League), তাদের ধরতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু করে ইউনূস সরকার। সেই ইউনূস সরকারই এবার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দিল আওয়ামি লিগকে।

    ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে গিয়েছে খোদ ইউনূসেরও (India Bangladesh Relation)!

  • ISI Operative: আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি! পাক হাইকমিশনের কর্তাকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিল্লির

    ISI Operative: আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি! পাক হাইকমিশনের কর্তাকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে চড়েছে ভারত-পাক উত্তজনার পারদ। ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যার বদলা নিতে পাকিস্তানে (Pakistan) ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় (ISI Operative) ভারত। সেই অপারেশনে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দুরমুশ করে দেওয়া হয় বেশ কিছু জঙ্গি ঘাঁটি। পরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে দুই দেশ। তবে তার পরেও যে উত্তেজনার পারা এতটুকুও নামেনি, তার প্রমাণ মিলল মঙ্গলবার। এদিন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের চরবৃত্তির অভিযোগে দিল্লির পাক হাইকমিশনের এক আধিকারিককে অবাঞ্ছিত (পার্সোনা নন গ্রাটা) ঘোষণা করে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    পাক কূটনীতিককে বহিষ্কার (ISI Operative)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, পাক হাইকমিশনের ওই কর্তা ভারতে তাঁর সরকারি মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। দিল্লির পাক শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কোন অভিযোগে ওই পাক কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানায়নি বিদেশমন্ত্রক।

    পাকিস্তানি কর্মীকে অবাঞ্ছিত

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি পাঞ্জাব পুলিশ দিল্লির পাক দূতাবাসের এক আধিকারিককে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের অভিযোগে এক মহিলা-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছিল। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পাক হাইকমিশনের ওই কর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল গৌরব যাদব জানান, সরকারি পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমন কার্যকলাপে যুক্ত থাকার জন্য নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানের হাইকমিশনে কর্মরত এক পাকিস্তানি কর্মীকে অবাঞ্ছিত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ওই কর্মীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (ISI Operative)।

    সম্প্রতি পাঞ্জাব পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে, যাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের কাছে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। ওই হ্যান্ডলার দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনে কর্মরত ছিলেন বলে খবর। তাদের জেরা করেই ফাঁস হয় পাকিস্তানি হাইকমিশনের ওই কর্মীর নাম – এহসান উর রহিম ওরফে দানিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের অনলাইন মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভারতীয় সেনার স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করানো হত। ধৃতদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার হয়েছে। গোয়েন্দা দফতরের (Pakistan) মতে, এই ঘটনা পাক চরচক্র ভাঙার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য (ISI Operative)।

  • India: পাকিস্তানের পাশে থাকার মাশুল! তুরস্ক-আজারবাইজান বয়কটের ডাক ভারতীয় পর্যটকদের

    India: পাকিস্তানের পাশে থাকার মাশুল! তুরস্ক-আজারবাইজান বয়কটের ডাক ভারতীয় পর্যটকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেইমানির জবাব পাচ্ছে তুরস্ক! পহেলগাঁওকাণ্ডের জেরে ভারত (India) যখন পাকিস্তানে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়, তখন পাকিস্তানের পাশে (Pakistan Support) দাঁড়িয়েছিল ইসলামিক রাষ্ট্র তুরস্ক। অথচ, বছর দুয়েক আগের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে যখন তছনছ হয়ে গিয়েছিল তুরস্কের বিস্তীর্ণ অংশ, তখন সবার প্রথমে ত্রাণ নিয়ে সে দেশে হাজির হয়েছিল নরেন্দ্র মোদির ভারত। সেই কারণে অন্তত ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত ছিল তুরস্কের। তা না করে তারা সমর্থন করল ইসলামাবাদকে। পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে আর একটি ইসলামিক দেশ আজারবাইজান।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ (India)

    তার পরেই এই দুই দেশের ওপর খেপে গিয়েছেন ভারতীয় পর্যটকরা। পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার জেরে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় ভারত। সেই সময়ই ওই দুই ইসলামিক রাষ্ট্র পাশে দাঁড়ায় পাকিস্তানের। তার জেরে ওই দুই দেশ ভ্রমণে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পর্যটকদের একটা বড় অংশ। শুধু তা-ই নয়, অন্যান্য পর্যটকরাও যাতে ওই দুই দেশ বয়কট করেন, সেই ডাকও দেওয়া হয়েছে। এই দুই দেশের বদলে পর্যটকরা বেছে নিয়েছে ভারতের মিত্র দেশ গ্রিস এবং আর্মেনিয়াকে।

    পর্যটকদের বয়কট আন্দোলন

    পর্যটকদের বয়কট আন্দোলন ব্যাপক সমর্থন কুড়িয়েছে দেশবাসীর। তার পরেই ভারতের (India) বেশ কয়েকটি বড় ট্রাভেল এজেন্সিও তাঁদের সঙ্গে সুর মেলায়। ট্রাভোমিন্ট, ইজিমাইট্রিপ এবং কক্স অ্যান্ড কিংসের মতো কোম্পানিগুলি তুরস্ক ও আজারবাইজান ভ্রমণের সব প্যাকেজ স্থগিত করার কথা জানিয়ে দেয়। পর্যটক ও ট্রাভেল এজেন্সির এই সিদ্ধান্তগুলি একটি প্রবণতা নির্দেশ করে। সেটি হল, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের আচরণ গঠনে ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দিন দিন আরও প্রভাব ফেলছে।

    তুরস্ক এবং আজারবাইজান বাদ

    পর্যটকদের সফরের তালিকা থেকে তুরস্ক এবং আজারবাইজান বাদ যাওয়ায় সেই লিস্টে ঢুকে পড়েছে আর্মেনিয়া এবং গ্রিস। এই দুই দেশই কূটনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ, বলা ভালো, ভারতের প্রতি সহানুভূতিশীল। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তার জেরেই এবার এই দুই দেশে কার্যত ঢল নামবে ভারতীয় পর্যটকদের। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বিরূপ মন্তব্য করায় মলদ্বীপ বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন ভারতীয় পর্যটকরা। তার জেরে বিপাকে পড়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপ। শেষমেশ ভুল কবুল করে ভারতে (India) এসে পর্যটকদের সে দেশে যেতে উৎসাহিত করেছিলেন মলদ্বীপের মন্ত্রী। তুরস্ক এবং আজারবাইনের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটবে (Pakistan Support) কিনা, তা বলবে সময়। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, জাতীয়তাবাদী বোধ জাগ্রত হওয়ায় পর্যটকরাও এখন ভারতের মিত্র দেশগুলিতে ভ্রমণ করতে আগ্রহী হচ্ছেন।

    ভিড় বাড়ছে আর্মেনিয়ায়    

    দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে আর্মেনিয়া এখন ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ অংশীদার হয়ে উঠেছে। ২০২০ সাল থেকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আর্মেনিয়া ভারতের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে এবং যৌথ সামরিক উদ্যোগেও অংশ নিয়েছে। এই কৌশলগত বন্ধুত্ব এখন নাগরিক পর্যায়েও প্রতিফলিত হচ্ছে, বিশেষত পর্যটনে। ভারতীয় পর্যটকরা, আর্মেনিয়ার ভারতের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব ও আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, দেশটির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ইউরোপ ও এশিয়ার মাঝে অবস্থিত এই দেশটির ভৌগোলিক আকর্ষণ যেমন আছে, তেমনি এর ভূরাজনৈতিক নির্ভরযোগ্যতাও ভারতীয় পর্যটকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক গির্জা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য — সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ — ভারতীয় পর্যটকদের এমন একটি গন্তব্যে আকৃষ্ট করছে, যা তাঁদের সাংস্কৃতিক কৌতূহল ও জাতীয় অনুভূতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ (India)।

    গ্রিসেও ভারতীয় পর্যটকদের ঢল

    আর্মেনিয়ার পাশাপাশি ভারতীয় পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে গ্রিসের প্রতিও। সংস্কৃতি ও কূটনৈতিক আদান-প্রদানের দীর্ঘ ঐতিহ্যের ধারা রয়েছে ভারত ও গ্রিসের মধ্যে। দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য এবং জ্বালানি সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি ও কূটনৈতিক কার্যকলাপ এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে, যা আরও বেশি ভারতীয় পর্যটকদের ভূমধ্যসাগরীয় এই দেশটি ঘুরে দেখতে উৎসাহ দিচ্ছে। প্রাচীন অ্যাথেন্সের ধ্বংসাবশেষ থেকে শুরু করে সান্তোরিনির বিখ্যাত নীল গম্বুজযুক্ত ছাদ পর্যন্ত, গ্রিস এক অনন্য ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিশ্রণ উপস্থাপন করে পর্যটকদের কাছে। দেশটির গভীর ঐতিহাসিক শেকড়, রঙিন উপকূলীয় শহর এবং আতিথেয়তাপূর্ণ মানুষ — এইসব উপাদান ভারতীয় মূল্যবোধ ও নান্দনিকতার (Pakistan Support) সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়। তার জেরেই ভারতীয় পর্যটকদের কাছে দিন দিন বাড়ছে গ্রিসের জনপ্রিয়তা (India)।

LinkedIn
Share