Tag: Bengali news

Bengali news

  • USA: নববর্ষে রক্তাক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাক চালিয়ে জঙ্গি পিষল ১৫ জনকে, মিলল আইসিস পতাকা

    USA: নববর্ষে রক্তাক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাক চালিয়ে জঙ্গি পিষল ১৫ জনকে, মিলল আইসিস পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। সে দেশের নিউ অরলেন্সে নববর্ষ পালন করছিলেন নাগরিকরা, সেই ভিড়ের মধ্যে ট্রাক চালিয়ে ১৫ জনকে হত্যা করল শামসুদ্দিন জব্বর নামের এক জঙ্গি। পরে ট্রাক থামিয়ে গুলি চালাতে থাকে এই সন্ত্রাসী। এর পর ৪২ বছরের এই জঙ্গি পুলিশ এনকাউন্টারে (Terrorist Attack) খতম হয়। শামসুদ্দিনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আইসিসের পতাকা। জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) জন্ম হওয়া এই জঙ্গি সেদেশের সেনাকর্মী হিসেবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছে। ২০০৭ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত সে সেনাবাহিনীর নিয়মিত সদস্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। ২০১৫ থেকে ২০২০ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য হিসেবে কাজ করে শামসুদ্দিন। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    বর্তমানে টেক্সাসের হিউস্টনে (USA) রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল শামসুদ্দিন 

    নববর্ষের ভোররাতে নিউ অরলিন্সের জনগণ বর্ষবরণের আনন্দ উৎসব পালন করছিলেন এমনই সময় সেই ভিড়ের মধ্যে দিয়ে ট্রাক চালিয়ে দেয় শামসুদ্দিন। এফবিআইয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন সেনায় আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে এক সময় কাজ করেছিল শামসুদ্দিন। আর বর্তমানে টেক্সাসের হিউস্টনে (USA) রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল সে। জানা গিয়েছে, এর আগে শামসুদ্দিন জব্বরের বিরুদ্ধে দু’টি ছোটখাটো অপরাধের অভিযোগ ছিল। ২০০২ সালে চুরি এবং ২০০৫ সালে মেয়াদ উত্তীর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালানোর অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা কাহিনীও উঠে এসেছে।

    এফবিআইয়ের ওপর সম্পূর্ণ তদন্তভার 

    জব্বর দু’বার বিয়ে করেছিল বলে জানা গিয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে ২০২২ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় শামসুদ্দিন জব্বরের। এফবিআই এখনও শামসুদ্দিন জব্বরের অতীত জানার চেষ্টা করছে বলে জানা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সে কোথায় কোথায় গিয়েছিল, তাও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। এই ঘটনার তদন্তভার সম্পূর্ণভাবে এফবিআইয়ের হাতেই দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। শামসুদ্দিন অন্য কোনও দেশ থেকে সম্প্রতি আমেরিকায় ফিরেছিল কি না, সেটাও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। আইসিস-এর সঙ্গে তার যোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হাসপাতালে ভর্তি রবীন্দ্র ঘোষ, চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে লড়বেন কে?

    Bangladesh Crisis: হাসপাতালে ভর্তি রবীন্দ্র ঘোষ, চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে লড়বেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই আদালতে উঠবে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) জেলবন্দি হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মামলা। তাঁর হয়ে লড়াই করার কথা ছিল যাঁর, সেই প্রবীণ আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষকে (Rabindra Ghosh) ভর্তি করা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা অনুভব করায় কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণের আইনজীবীকে। ২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালতে চিন্ময় দাসের জামিন মামলার শুনানিতে বর্ষীয়ান ওই আইনজীবী উপস্থিত থাকতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    রবীন্দ্রকে গ্রেফতারির ছক?

    রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণকে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম আদালতে চলছে মামলা। তাঁর হয়ে মামলা লড়ছেন রবীন্দ্র। চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন তিনি। উঠেছেন ব্যারাকপুরে ছেলের বাড়িতে। ভারতে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম আদালতের এজলাসে উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশের আচরণ সন্ত্রাসবাদীদের মতো।” মামলা লড়তে গিয়ে রীতিমতো আঘাতও পেতে হয়েছে তাঁকে। তাই চিকিৎসা করাতে এসেছেন ভারতে। তিনি বলেছিলেন, “ফিরে গিয়ে ফের সওয়াল করব চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে।” আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারবেন না বলেই খবর। তবে বাংলাদেশে পৌঁছলেই যে রবীন্দ্র মামলা লড়তে পারবেন, এমন কথা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ হিন্দু সন্ন্যাসীর হয়ে মামলা লড়ার অপরাধে একাধিকবার খুনের হুমকি পেয়েছেন তিনি। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, প্রবীণ ওই আইনজীবী বাংলাদেশে পৌঁছলেই তাঁকে গ্রেফতার করবে মহম্মদ ইউনূসের পুলিশ। চিন্ময় কৃষ্ণকে যাতে বেশি দিন গারদে আটকে রাখা যায়, তাই এই ছক।

    আরও পড়ুন: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    কী বলছেন প্রবীণ আইনজীবী?

    রবীন্দ্র বলেন, “বুধবারই দেশে ফেরার কথা ছিল আমার। কিন্তু বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশে ফিরতে পারব কিনা, নিশ্চিত নই। তবে (Bangladesh Crisis) আমি ২০ জন আইনজীবী দিয়েছি।” তিনি বলেন, “আমার দুজন জুনিয়র আইনজীবী এবং আরও ১৮ জন দাসের পক্ষে আগামিকাল আদালতে উপস্থিত থাকবেন। আমি তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব (Rabindra Ghosh)। সুস্থ হয়ে উঠলে আমি বাংলাদেশে ফিরে আসব।” বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষার জন্য তাঁর লড়াই চলবে বলেও জানান তিনি (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 237: “ভাল কর্ম করলে সুফল, মন্দ কর্ম করলে কুফল; লঙ্কা খেলে ঝাল লাগবে না? এ-সব তাঁর লীলা-খেলা”

    Ramakrishna 237: “ভাল কর্ম করলে সুফল, মন্দ কর্ম করলে কুফল; লঙ্কা খেলে ঝাল লাগবে না? এ-সব তাঁর লীলা-খেলা”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৭ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে

    তান্ত্রিকভক্ত ও সংসার—নির্লিপ্তেরও ভয়

    তান্ত্রিকভক্ত—আজ্ঞা হাঁ, পাহাড়ের উপর দেখা যায় গোলাপের ক্ষেত। যতদূর চক্ষু যায় কেবল গোলাপের ক্ষেত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—পরমহংস দেখে, এ-সব তাঁর মায়ার ঐশ্বর্য। সৎ-অসৎ, ভাল-মন্দ, পাপ-পুণ্য। সব বড় দূরের কথা। সে অবস্থায় দল টল থাকে না।

    তান্ত্রিকভক্ত ও কর্মফল, পাপ-পুণ্য—Sin and Responsibility

    তান্ত্রিকভক্ত—তবে কর্মফল আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাও আছে। ভাল কর্ম করলে সুফল, মন্দ কর্ম করলে কুফল; লঙ্কা খেলে ঝাল লাগবে না? এ-সব তাঁর লীলা-খেলা।

    তান্ত্রিকভক্ত—আমাদের উপায় কি? কর্মের ফল তো আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—থাকলেই বা। তাঁর ভক্তের আলাদা কথা।

    এই বলিয়া (Kathamrita) গান গাইতেছেন:

    মন রে কৃষি কাজ জানো না।
    এমন মানব-জমিন রইল পতিত, আবাদ করলে ফলত সোনা।
    কালীনামে দাওরে বেড়া, ফললে তছরূপ হবে না।
    সে যে মুক্তকেশীর শক্ত বেড়া, তার কাছেতে যম ঘেঁসে না ॥
    গুরুদত্ত বীজ রোপণ করে, ভক্তিবারি সেঁচে দেনা ৷
    একা যদি না পারিস মন, রামপ্রসাদকে সঙ্গে নেনা ॥

    আবার গান গাইতেছেন:

    শমন আসবার পথ ঘুচেছে, আমার মনের সন্দ ঘুচে গেছে।
    ওরে আমার ঘরের নবদ্বারে চারি শিব চৌকি রয়েছে ॥
    এক খুঁটিতে ঘর রয়েছে, তিন রজ্জুতে বাঁধা আছে।
    সহস্রদল কমলে শ্রীনাথ অভয় দিয়ে বসে আছে ॥

    “কাশীতে ব্রাহ্মণই মরুক আর বেশ্যাই মরুক শিব হবে।

    “যখন হরিনামে, কালীনামে, রামনামে, চক্ষে জল আসে তখনই সন্ধ্যা-কবচাদির কিছুই প্রয়োজন নাই। কর্মত্যাগ হয়ে যায়। কর্মের ফল (Kathamrita) তার কাছে যায় না।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার গান গাইতেছেন:

    ভাবিলে ভাবের উদয় হয়।
    যেমন ভাব, তেমনি লাভ, মূল সে প্রত্যয়।
    কালীপদ সুধাহ্রদে চিত্ত যদি রয় (যদি চিত্ত ডুবে রয়)।
    তবে পূজা-হোম যাগযজ্ঞ কিছু নয়।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 02 January 2025: সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 02 January 2025: সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গেলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। 

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সমাজের কাজে সাফল্য।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) চোখ কান খোলা রেখে বিশ্বাস করুন।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে। কপালে অপমান জুটতে পারে। 

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 238: “হাবাতেগুলোর বিশ্বাস হয় না! সর্বদাই সংশয়! আত্মার সাক্ষাৎকার না হলে সব সংশয় যায় না”

    Ramakrishna 238: “হাবাতেগুলোর বিশ্বাস হয় না! সর্বদাই সংশয়! আত্মার সাক্ষাৎকার না হলে সব সংশয় যায় না”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৭ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে

    তান্ত্রিকভক্ত ও সংসার—নির্লিপ্তেরও ভয়

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার গান গাহিতেছেন:

    ত্রিসন্ধ্যা যে বলে কালী, পূজা সন্ধ্যা সে কি চায় ৷
    সন্ধ্যা তার সন্ধ্যানে ফিরে, কভু সন্ধি নাহি পায় ॥
    গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি কাশী কাঞ্চী কেবা চায় ৷
    কালী কালী কালী বলে আমার অজপা যদি ফুরায় ॥

    “তাঁতে মগ্ন হলে আর অসদ্বুদ্ধি, পাপবুদ্ধি থাকে না।”

    তান্ত্রিকভক্ত—আপনি যা বলেছেন “বিদ্যার আমি” থাকে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—বিদ্যার আমি, ভক্তের আমি। দাস আমি, ভাল আমি থাকে। বজ্জাত আমি চলে যায়। (হাস্য)

    তান্ত্রিকভক্ত—আজ্ঞা, আমাদের অনেক সংশয় চলে গেল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আত্মার সাক্ষাৎকার হলে সব সন্দেহ ভঞ্জন হয়।

    তান্ত্রিকভক্ত ও ভক্তির তমঃ—হাবাতের সংশয়—অষ্টসিদ্ধি 

    “ভক্তির তমঃ আন। বল, কি! রাম বলেছি (Ramakrishna), কালী বলেছি, আমার আবার বন্ধন; আমার আবার কর্মফল।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার গান গাহিতেছেন:

      আমি দুর্গা দুর্গা বলে মা যদি মরি
    আখেরে এ-দীনে না তারো কেমনে, জানা যাবে গো শংকরী।
    নাশি গো ব্রাহ্মণ, হত্যা করি ভ্রূণ, সুরাপান আদি বিনাশী নারী;
       এ-সব পাতক না ভাবি তিলেক (ও মা) ব্রহ্মপদ নিতে পারি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ আবার বলিতেছেন—বিশ্বাস! বিশ্বাস! বিশ্বাস! গুরু বলে দিয়েছেন, রামই সব হয়ে রয়েছেন; ‘ওহি রাম ঘট্‌ ঘট্‌মে লেটা!’ কুকুর রুটি খেয়ে যাচ্ছে। ভক্ত বলছে, ‘রাম! দাঁড়াও, দাঁড়াও রুটিতে ঘি মেখে দিই’ এমনি গুরুবাক্যে বিশ্বাস।

    “হাবাতেগুলোর বিশ্বাস হয় না! সর্বদাই সংশয়! আত্মার সাক্ষাৎকার না হলে সব সংশয় যায় না।

    “শুদ্ধাভক্তি—কোন কামনা থাকবে না, সেই ভক্তি দ্বারা তাঁকে শীঘ্র পাওয়া যায়।

    “অণিমাদি সিদ্ধি—এ-সব কামনা। কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন, ভাই, অণিমাদি সিদ্ধাই, একটিও থাকলে ঈশ্বরলাভ হয় না; একটু শক্তি বাড়তে পারে।”

    “তান্ত্রিকভক্ত—আজ্ঞে, তান্ত্রিক ক্রিয়া আজকাল কেন ফলে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—সর্বাঙ্গীণ হয় না, আর ভক্তিপূর্বক হয় না—তাই ফলে না।

    এইবার ঠাকুর কথা সাঙ্গ করিতেছেন। বলিতেছেন (Ramakrishna), ভক্তিই সার; ঠিক ভক্তের কোন ভয় ভাবনা নাই। মা সব জানে। বিড়াল ইঁদুরকে ধরে একরকম করে, কিন্তু নিজের ছানাকে আর-একরকম করে ধরে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: মহাকুম্ভ মেলায় ৩০০০টিরও বেশি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রেলের

    Indian Railway: মহাকুম্ভ মেলায় ৩০০০টিরও বেশি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Railway) আসন্ন পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela) ৩০০০টিরও বেশি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন এই ট্রেনগুলির মধ্যে ৫৬০টি ট্রেন ডেডিকেটড রিং রেল নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিষেবা দেবে। আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলা, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই মেলায় সরকারের তরফে আগেই বলা হয়েছে আনুমানিক ৪৫ কোটিরও বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম হবে। তাই যাতায়াত থেকে বাসস্থান, খাবার, চিকিৎসা এবং স্নানের বিষয়ে বিশেষ নজর রেখেছে যোগী প্রশাসন।

    ৯টি স্টেশনে ৫৬০টি টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা থাকবে (Indian Railway)

    রেলের উত্তর মধ্য ক্ষেত্রের মহা ব্যবস্থাপক উপেন্দ্র চন্দ্র জোশী প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “মহাকুম্ভকে মাথায় রেখে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ সরল করতে রেলের ৯টি স্টেশনে ৫৬০টি টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হবে। এই স্টেশনগুলি হল, প্রয়াগরাজ জংশন, নৈনি, প্রয়াগরাজ ছেওকি, প্রয়াগ জংশন, ফাফামাউ, প্রয়াগরাজ রামবাগ, প্রয়াগরাজ সঙ্গম এবং ঝাঁসি। কাউন্টারগুলি থেকে দৈনিক ১০ লক্ষ টিকিট কাটার পরিষেবা উপলব্ধ থাকবে। ১৫ দিন আগে থেকে টিকিট কাটা যাবে।”

    ১১৮৬টি সিসিটিভি ক্যামেরায় ঢাকা থাকবে

    রেলের (Indian Railway) ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, রিং রেল সংযোগ হিসেবে প্রয়াগরাজ-অযোধ্যা-বারাণসী-প্রয়াগরাজ, প্রয়াগরাজ-সঙ্গম প্রয়াগ-জৌনপুর-প্রয়াগ-প্রয়াগরাজ এবং গোবিন্দপুরী-প্রয়াগরাজ-চিত্রকূট-গোবিন্দপুরীকে সংযুক্ত করা হবে। সেই সঙ্গে ঝাঁসি-গোবিন্দপুরী-প্রয়াগরাজ-মানিকপুর-চিত্রকূট-ঝাঁসিকেও যুক্ত করা হবে। ৩০০০টিরও বেশি বিশেষ ট্রেনের মধ্যে ১৮০০টি স্বল্প-দূরত্বের রুটে, ৭০০টি বেশি দূরত্বের রুটে এবং ৫৬০টি রিং রেলের রুটে চলাচল করবে। এছাড়াও, মেলা (Mahakumbh Mela) চলাকালীন দৈনিক ১০,০০০ টিরও বেশি নিয়মিত ট্রেন চলবে। এই কাজে রেল নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে ১৮,০০০ আরপিএফ কর্মী মোতায়েন করা হবে। মোট ১,১৮৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা চালু থাকবে। যদি ভক্তরা সাময়িকভাবে অসুস্থ হন, তাহলে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার, কনসেনট্রেটর, ইসিজি মেশিন, গ্লুকোমিটার, নেবুলাইজার এবং স্ট্রেচারের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ansarullah Bangla Team: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    Ansarullah Bangla Team: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরাই এখন আর এক জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের (Ansarullah Bangla Team), যা সংক্ষেপে এবিটি নামেও পরিচিত, খাতায় নাম লিখিয়েছে বলে আগেই জানতে পেরেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এবার রাজ্য পুলিশের এসটিএফের গোয়েন্দারাও জানালেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তথ্যই ঠিক। সোমবার মুর্শিদাবাদের নওদা থেকে গ্রেফতার হওয়া সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিন মণ্ডল ওরফে মোস্তাকিম শেখকে জেরা করেই এই তথ্যের সত্যতা মিলেছে। এসটিএফের দাবি, কয়েক বছর আগে সাজিবুল ও মুস্তাকিন জেএমবির স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেছিল। বছর খানেক ধরে তারা কাজ করছে এবিটির হয়ে।

    এসটিএফের দাবি (Ansarullah Bangla Team)

    এসটিএফের দাবি, এলাকায় ঘুরে ঘুরে ওই দুই জঙ্গি স্থানীয় যুবকদের জঙ্গিদলে ভিড়িয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বাংলায় আসা এবিটির নেতা ফারহান ইসরাক-সহ দুই জঙ্গি সংগঠনের মাথাদের থাকার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব ছিল ধৃতদের ওপর। আর্থিক দিক থেকে সংগঠনকে চাঙা করার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল তাদের। গোয়েন্দারা জেনেছেন, নানা জায়গা থেকে টাকা জোগাড় করে সাজিবুলরা পাঠাত ধরা পড়া শাদ রাডি ওরফে শাব শেখকে। তারা ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। জেএমবি এবং এবিটি এই দুই সংগঠনের সদস্যদের গোপন বৈঠক এবং শিবিরের আয়োজনের দায়িত্বও ছিল সাজিপুলদের ঘাড়ে। এই সাজিবুল (Ansarullah Bangla Team) শাবের পিসতুতো ভাই। ফারহান বাংলাদেশ থেকে শাবকে কোনও নির্দেশ দিলে, শাব তা জানাত সাজিবুলকে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ব রেমিট্যান্স তালিকায় শীর্ষে মোদির ভারত, বহু পিছনে চিন, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    ১২ জন এবিটি সদস্য গ্রেফতার

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে বাংলার দুই সহ মোট ১২ জন এবিটি সদস্যকে গ্রেফতার করে অসম পুলিশ। অসমে গিয়ে গোয়েন্দারা শাব এবং নুর ইসলাম মণ্ডলকে জেরা করে জানতে পারে সাজিবুল ও মুস্তাকিনের নাম। রবিবার রাতে নওদা থানা এলাকা থেকে আটক করা হয় এই দুজনকে। পরে করা হয় গ্রেফতার। তাদের জেরা করে কয়েকজন বাংলাদেশির নামও জেনেছেন গোয়েন্দারা। তারা কতজনকে সংগঠনের কাজে যুক্ত করেছে, তারও তত্ত্বতালাশ করছেন গোয়েন্দারা। সাব বহুবার নওদায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে এলেও, জেলা পুলিশ কেন কিছুই জানতে পারল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশিদের একাধিক ডেরা থাকলেও, জেলা পুলিশ কেন কিছুই টের পাচ্ছে না নাকি জানার চেষ্টা করছে না, সে প্রশ্নও উঠছে (Ansarullah Bangla Team)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kalpataru Utsav: কল্পতরু উৎসবে জমজমাট বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর, কাশীপুর, কামারপুকুরেও ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Kalpataru Utsav: কল্পতরু উৎসবে জমজমাট বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর, কাশীপুর, কামারপুকুরেও ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের কল্পতরু উৎসবে (Kalpataru Utsav) ভক্তদের ব্যাপক ঢল দক্ষিণেশ্বর ও কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। বছরের প্রথম দিনে এই উৎসবকে ঘিরে দূর দূরান্ত থেকে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছে। সকাল থেকেই মা কালীকে দর্শন করে পুজো দিতে লক্ষাধিক পুণ্যার্থীরা সমবেত হয়েছেন। পুলিশের কড়া নিরাপত্তা রয়েছে ভবতারিণী মন্দিরে (Dakshineswar)। অপর দিকে কাশীপুরেও সকাল থেকেই ঠাকুর দর্শন করতে প্রচুর ভক্তের সমাবেশ হয়েছে। একইভাবে যথাযথ ভাবে পালিত হচ্ছে বেলুমঠে ঠাকুরের পুজো ও আরাধনা। রামকৃষ্ণ মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “সকল ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আনুমানিক লক্ষাধিক ভক্তের আগমন হয়েছে।”

    পঞ্চবটি যোগমায়া আশ্রমে ভিড় বেশ চোখে পড়ার মতো (Kalpataru Utsav)

    আজকের দিনে কাশীপুরে খুব ধুমধাম করে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav) পালন করা হয়। পুজোর সঙ্গে চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই ভাবে হাওড়ার বেলুড়ে এদিন ভক্তদের মারাত্মক ভিড় ছিল। নতুন বছরের শুভ কামনায় ঠাকুরের কাছে সকল ভক্তরা উপস্থিত হয়েছেন। সকাল থেকেই ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। একই ভাবে হুগলির কামারপুকুরের পাশপাশি পঞ্চবটি যোগমায়া আশ্রমে ভিড় বেশ চোখে পড়ার মতো ছিল। এই বছর জনাই পঞ্চবটি যোগমায়া আশ্রমের ৫০ তম বর্ষপূর্তি পালিত হচ্ছে।

    হংসেশ্বরী দক্ষিণা কালী মন্দিরেও ব্যাপক ভিড়

    বেলা যত বেড়েছে ভিড় তত বেড়েছে। হুগলির বাঁশবেড়িয়া হংসেশ্বরী মন্দির প্রায় ২১১ বছরের পুরাতন মন্দির। রাজা নৃসিংহ দেবরায় নির্মাণ করেছিলেন এই মন্দির। দক্ষিণাকালী রূপে মায়ের পূজা করা হয় এখানে। প্রতিবছর কল্পতরুর (Kalpataru Utsav) দিনে জেলা এবং জেলার বাইরের অনেক মানুষ এখানে আরাধনা করতে আসেন। এখানেও লৌকিক বিশ্বাস, যা চাওয়া হয় তাই পাওয়া যায় মায়ের কাছে। তাই প্রতি বছর পুজো দেওয়ার জন্য অনেক লোকসমাগম হয়।  

    বারুইপুরে কল্পতরু উৎসব কয়েক হাজার ভক্তের সমাগম

    আজকের দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav) উপলক্ষে কয়েক হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। মদনহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের মধুবন টগরবেড়িয়া বিশালাক্ষী মায়ের মন্দিরে কল্পতরু উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মন্দিরে পুজোদিলে ভক্তদের মনের বাসনা পূর্ণ হয়। আজ থেকে প্রায় ৬০-৭০ বছর আগে মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সেই সময় ঘন জঙ্গলে ডাকাত থাকত এলাকায়। ডাকাতির পর এই মন্দিরে বসে লুটের মাল ভাগ হত। একই ভাবে ডাকাতির পর অর্জিত ধনের কিছু অংশ মায়ের মন্দিরে অর্পণ করা হত। মন্দিরে ঘোরা ফেরা করত প্রচুর সাপ।

    কবে থেকে চালু কল্পতরু উৎসব?

    ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কল্পতরু উৎসবের (Kalpataru Utsav) সূচনা হয়েছিল। ঠাকুর রামকৃষ্ণ ভক্তদের উদ্দেশে বলেছিলেন ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকে দিনকে স্মরণ করে পালিত হচ্ছে কল্পতরু উৎসব। এদিন ঠাকুর নিজের বিগ্রহে কল্পতরু রূপে বিরাজমান হন। মা কালী ভক্তদের সকল মনস্কামনা পূরণ করে থাকেন। উল্লেখ্য, এই দিনের কিছু মাস পরেই ঠাকুর নিজের দেহ রক্ষা করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে দিতে হবে না বিদ্যুৎ বিল, আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে দিতে হবে না বিদ্যুৎ বিল, আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে বিদ্যুতের বিল (Free Electricity) দিতে হবে না। মঙ্গলবার সন্দেশখালির সভা থেকে এমনই প্রতিশ্রুতি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে একাধিক পরিষেবা দেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি। মঙ্গলবারের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া প্রতিশ্রুতিকে ভাঁওতা বলে শুভেন্দু বলেন, ‘‘বিজেপি ক্ষমতায় এলে ৩ লক্ষ টাকার আবাসের ঘর তৈরি হবে। সঙ্গে শৌচালয়, আর নলবাহিত পানীয় জল পাবেন। সঙ্গে বাড়িতে লাগিয়ে দেওয়া হবে সৌর বিদ্যুৎ। যার ফলে বিদ্যুতের বিল দিতে হবে না।’’

    কেন্দ্রের টাকায় আবাস যোজনার ঘর দিচ্ছে মমতা সরকার, আক্রমণ শুভেন্দুর 

    একইসঙ্গে মমতা সরকারকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার কেন্দ্রের কাছ থেকে ধার করে আবাস যোজনার টাকা টাকা দিচ্ছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার কেন্দ্রের কাছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ধার করেছে। সেই টাকায় আবাস যোজনার টাকা মেটাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী বছরে আরও ধার নিয়ে বাকি কিস্তি দেবেন। তার পরে আবার ধার করবেন।’’ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মতে, ‘‘তৃণমূল সরকারের জমানায় রাজ্যে মাথাপিছু ধারের পরিমাণ পৌঁছেছে ৫৯ হাজার টাকায়।’’

    সন্দেশখালিতে গীতা বিতরণ করবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু

    বিরোধী দলনেতা মঙ্গলবার আরও বলেন, ‘‘সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) আমার ভাড়া বাড়ি আছে। সেখানে আমি মাঝে মাঝে আসব। দলের সভা করতে নয়, গীতা বিতরণ করা হবে। জানুয়ারি মাস থেকে শুরু করব। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারিখ জানিয়ে দবে। গীতা পড়ার অভ্যাস করতে হবে।’’ বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) বক্তব্য, ‘‘এত লুটপাট, চুরির পরেও বিজেপির ভোট এই রাজ্যে ৩৯ শতাংশ হয়েছে। আর মাত্র ৫ শতাংশ হিন্দু ভোট প্রয়োজন। নিরাপদবাবু মাঝে মাঝে লাল ঝান্ডা নিয়ে ঘোরেন। এরা হিন্দু ভোট কাটে তৃণমূলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য। একটা মুসলিম ভোটও কাটে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis18: অশান্ত বাংলাদেশ, আমলা-পুলিশ-বিচারপতিদেরও হেনস্থা করা হয়েছে নানাভাবে

    Bangladesh Crisis18: অশান্ত বাংলাদেশ, আমলা-পুলিশ-বিচারপতিদেরও হেনস্থা করা হয়েছে নানাভাবে

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ ষষ্ঠ পর্ব।

     

     আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব-৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএনপি-জামাতের নেতৃত্বে গণভবন দখলের পরেই ব্যাপক সন্ত্রাস নেমে আসে শেখ হাসিনার দলের ওপর। সে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ জুলাই ২০২৪ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত ৩৭০ জন আওয়ামি লিগের নেতাকে (Targeting Minority) খুন করা হয়েছে। শুধুমাত্র খুনই নয়, আওয়ামি লিগ নেতাদেরকে ব্যাপকভাবে পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে মানবাধিকার (Bangladesh Crisis18)। আওয়ামি লিগের নেতা-সমর্থকদের ওপর এই হামলার ঘটনায় আশ্চর্যজনকভাবে চুপ থাকতে দেখা গিয়েছে ইউনূস সরকারকে। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ায় একাধিক মানবাধিকার সংগঠনকে সরব হতেও দেখা গিয়েছে।

    মামলা পুলিশের বিরুদ্ধেই (Bangladesh Crisis18)

    শুধুমাত্র আওয়ামি লিগের নেতাদেরকেই নয়, টার্গেট করা হতে থাকে পুলিশ অফিসারদেরকেও। জানা গিয়েছে, ৪৪৯ জন বর্তমান এবং প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে ৩০০-এর বেশি মামলা রজ্জু করে ইউনূস সরকার। যাঁদের মধ্যে সিনিয়র পুলিশ অফিসাররাও আছেন। আইজিপি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার যেমন রয়েছেন, তেমনই ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলরাও রয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একবার সামনে এসেছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। কারণ জুলাই-অগাস্ট মাসে যেভাবে আন্দোলন শুরু হয় বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh Crisis18), তা ক্রমশই হিংসাত্মক আকার ধারণ করতে থাকে এবং জঙ্গি হামলার কায়দায় হামলাও চালাতে থাকে বিক্ষোভকারীরা। সেই সময় পুলিশ এবং সেনাবাহিনীকে যথেষ্ট ধৈর্যেরও পরীক্ষা দিতে হয়। এরপরে গণভবন দখলের পরেই প্রতিহিংসার রাজনীতি আছড়ে পড়ে।

    ১৭ জন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে খুনের মামলা

    জানা গিয়েছে, ১৭ জন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়। বিভিন্ন মিডিয়ার রিপোর্টে এই সংখ্যা আবার বিভিন্ন দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis18) একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর যে ২৬ জন প্রাক্তন এবং বর্তমান পুলিশ অফিসারকে গ্রেফতারও করা হয়েছে বিভিন্ন মামলায়। অন্যদিকে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনাল সাম্প্রতিক যে নির্দেশ দিয়েছে তাতে ১৭জন পুলিশ অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন হাজার পুলিশকে বরখাস্ত করা হতে পারে। কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে আওয়ামি লিগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রাখার।

    বরখাস্ত শতাধিক পুলিশ 

    একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসের ৫ তারিখ ও তার পরবর্তীকালে ৪৪ জন পুলিশ অফিসারকে খুন করা হয়। এখানেও ভয়ঙ্করভাবে সামনে আসে যে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ঠিক কতটা সেখানে বিপজ্জনক! যাঁরা আইন রক্ষা করবেন তাঁদেরকে খুন হতে হচ্ছে মৌলবাদীদের শাসনে। ৪৪ জন পুলিশ অফিসার খুন হওয়াতে বাংলাদেশজুড়ে এক আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়, সাধারণ মানুষ সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠেন। আইনের রক্ষাকারীদের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কতটা খারাপ হতে পারে। রিপোর্ট বলছে, হাসিনা সরকারের পতনের পরে ১৬ জন ডেপুটি ইনস্পেক্টর, পাঁচজন পুলিশ ইন্সপেক্টর, ১৪ জন সাব-ইন্সপেক্টর ৯ জন সাব-ইন্সপেক্টর, ৭ জন নায়েক ও ১৩৬ জন কনস্টেবলক  বরখাস্ত করা হয়।

    খুনের মামলা আমলাদের বিরুদ্ধে (Bangladesh Crisis18)

    জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রাক্তন সচিব মহম্মদ জাহাঙ্গির আলম, প্রাক্তন সিনিয়র সেকেন্ডারি স্বরাষ্ট্র দফতরের আমিনুল ইসলাম খান, প্রাক্তন বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিব শাহ আলম, প্রাক্তন ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রকের সেক্রেটারি মেজবাহউদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন ইলেকশন কমিশনের সচিব হেলাউদ্দিন, পাবলিক সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের প্রাক্তন সচিব মুস্তাফাকমল উদ্দিন-এই সমস্ত আমলাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। যাঁদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে খুনের মামলা পর্যন্ত দায়ের করে ইউনূস সরকার।

    মামলা দায়ের হয় বিচারপতিদের বিরুদ্ধেও

    শুধুমাত্র তাই নয়, প্রাক্তন বিচারপতিদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করতে শুরু করে ইউনূস সরকার। এমন সিদ্ধান্তে জোর বিতর্ক শুরু হয় আন্তর্জাতিকস্তরে। গণভবন দখলের পরেই বিক্ষোভকারীরা প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এরই পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ করা শুরু হয় বাংলাদেশের বিচারপতি শাহি মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফরিদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধেও। একইভাবে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদেরও আক্রমণ শুরু করে ইউনূস সরকার। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বাড়িতেও হামলা শুরু হয়। রেহাই পায়নি মানবাধিকার কর্মীরাও। খুনের মামলায় অভিযুক্ত করে গ্রেফতার করা হয় সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share