Tag: Bengali news

Bengali news

  • JP Nadda: “সেঙ্গোল জাদুঘরে রেখেছিলেন নেহরু, সংসদে স্থাপন করেছেন মোদি”, বললেন নাড্ডা

    JP Nadda: “সেঙ্গোল জাদুঘরে রেখেছিলেন নেহরু, সংসদে স্থাপন করেছেন মোদি”, বললেন নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে চোল যুগের সেঙ্গোলকে জাদুঘরে রেখে দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বৈদিক প্রথা অনুযায়ী এটিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নয়া সংসদ ভবনে।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)।

    নেহরুকে নিশানা নাড্ডার (JP Nadda)

    কাশী-তামিল সংঘম ৩.০-তে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাড্ডা বলেন, “স্বাধীনতার সময়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু সেঙ্গোল, যা ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক, সেটিকে জাদুঘরে রেখে দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈদিক ঐতিহ্য অনুযায়ী এটিকে নতুন সংসদ ভবনে স্থাপন করেছেন। পূর্ব হোক বা পশ্চিম, উত্তর হোক বা দক্ষিণ — প্রধানমন্ত্রী মোদি সারা দেশে সাংস্কৃতিক ঐক্য বজায় রাখার জন্য বহু চেষ্টা করেছেন।” প্রসঙ্গত, রূপার তৈরি ও সোনার প্রলেপযুক্ত সেঙ্গোল, যাকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২৩ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, যা সংসদ সদস্যদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে, সেটি দিল্লির নতুন সংসদ ভবনে স্থান পাওয়ার আগে এলাহাবাদ মিউজিয়ামের নেহরু গ্যালারিতে সংরক্ষিত ছিল।

    মোদি-স্তুতি

    নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “কাশী-তামিল সংঘম, কাশী-তেলুগু সংঘম এবং সৌরাষ্ট্র-তামিল সংঘম হল সেই প্রচেষ্টার উদাহরণ, যা প্রধানমন্ত্রী দেশকে ঐক্যের সুতোর মধ্যে বাঁধার জন্য করেছেন।” তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রচেষ্টা দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভাষাগুলিকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। কাশী-তামিল সংঘমকে দুটি সংস্কৃতির মিলন হিসেবে বর্ণনা করে নাড্ডা বলেন, “এই অনুষ্ঠানটি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ভারতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের সুতোর দ্বারা গেঁথে পরিকল্পিত হয়েছে।” তিনি বলেন, ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ উদ্যোগকে মাথায় রেখে ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাশী-তামিল সংঘম শুরু করেছিলেন।

    বিজেপি প্রধান মনে করিয়ে দেন, সুব্রহ্মণ্যম ভারতী, আদিভীরা পাণ্ড্যন এবং অগস্ত্য ঋষির প্রচেষ্টার কথা, যাঁরা দেশের ঐক্যকে মজবুত করতে কাজ করেছিলেন। বক্তব্য শেষে নাড্ডা বিভিন্ন মন্ত্রক আয়োজিত কাশী-তামিল সংঘম উদ্যোগের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন (PM Modi) এবং সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজোও দেন তিনি (JP Nadda)।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে শুরু মুষল পর্ব! খেয়োখেয়ি বিএনপি-ইউনূস সমর্থকদের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে শুরু মুষল পর্ব! খেয়োখেয়ি বিএনপি-ইউনূস সমর্থকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাফান ঝাঁপান শেষ। এবার নিজেদের মধ্যেই খেয়োখেয়ি লেগে গিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) ছাত্রদের মধ্যে। আওয়ামি লিগকে দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করতে কোমর কষে নেমে পড়েছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি এবং মহম্মদ ইউনূসের (Muhammad Yunus) প্রশাসন। এবার এই দুই নেতা-নেত্রীর অনুগামী ছাত্ররাই নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে।

    নয়া সঙ্কটে ইউনূস প্রশাসন (Muhammad Yunus)

    শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন ছাত্রদের আন্দোলন (পড়ুন পরিকল্পিত) ছিল সরকারের বিরুদ্ধে। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ভারতে পালিয়ে আসেন হাসিনা। তারপর থেকে নতুন খেলা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। এই খেলা খেলতে গিয়েই নয়া সঙ্কটের সম্মুখীন ইউনূস প্রশাসন। ফেরা যাক খবরে, খুলনার একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের জেরে জখম হয়েছেন ১৫০ পড়ুয়া। সংঘর্ষ হয়েছে শেখ হাসিনাকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্র সংগঠন ও তার বিরোধী গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন

    জানা গিয়েছে, বিএনপির যুব শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল (জেসিডি) বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার চেষ্টা করেছিল। বাধা দেয় ইউনূস সমর্থিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন স্টুডেন্টস এগেইনস্ট কোরাপশন (এসএডি)-এর সদস্যরা। এরাই হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল। যার জেরে দেশ ছাড়তে হয় আওয়ামি লিগ সুপ্রিমোকে। এই ঘটনার পরে পরেই জেসিডি বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন আয়োজন এবং ভাইস চ্যান্সেলর মোহাম্মদ মাসুদকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে। এসএডি এই দুই দাবিরই বিরোধিতা করেছে। তার জেরেই হয় সংঘর্ষ। জখম হন দেড়শো জন।

    ছাত্র সংঘর্ষ

    সংঘর্ষের পরে ৫০ জনেরও বেশি পড়ুয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা চাপাতি হাতে একে অপরের সঙ্গে লড়াই করছে (Muhammad Yunus)। সংঘর্ষের দায় একে অপরের ওপর চাপাচ্ছে দুই গোষ্ঠীই (Bangladesh Crisis)। জেসিডি প্রধান নাসিরউদ্দিন নাসির বলেন, “সাম্প্রতিক হিংসায় উসকানি দিয়েছে এসএডি। জামাতে ইসলামি এসএডিকে সহিংস কার্যকলাপে লিপ্ত হতে সমর্থন জোগাচ্ছে।” জেসিডির আরও অভিযোগ, এসএডি ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিয়ে এসেছে। তারা বলছে যে তারা ক্যাম্পাসকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু এসএডি তা হতে দেয়নি।

    খসে পড়েছে ঐক্যের মুখোশ

    হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্ব একটি ঐক্যবদ্ধ চিত্র তুলে ধরেছিল। তখন মনে হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস, বিএনপি এবং জামাত সবাই এক জোট হয়েছে। তাদের এই ঐক্য তখনই পর্যন্ত টিকে ছিল, যতক্ষণ তারা হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করছিল। রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে হাসিনা সরে যাওয়ার পরেই খসে পড়ে ঐক্যের মুখোশ। বিএনপি ইউনূসের প্রতি অত্যন্ত সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠেছে। বিএনপি নেতৃত্ব মনে করছে, ইউনূস এখনই দেশে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করতে আগ্রহী নন। বিএনপির অভিযোগ, ইউনূস সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা করছেন যাতে তিনি নির্বাচন না করেই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেন।

    মিলিট্যান্ট ধাঁচের সংগঠন

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Bangladesh Crisis), ইউনূস জামাত এবং এসএডি উভয়ের ওপরই যথেষ্ট জোর দিচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে, তিনি এসএডিকে এমন এক মিলিট্যান্ট ধাঁচের সংগঠন তৈরি করতে সমর্থন করছেন, যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। এই নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডাটি পর্যবেক্ষণ করলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইউনূস প্রশাসনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশকে শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত করে একটি ইসলামপন্থী রাষ্ট্রে পরিণত করা। দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সর্বশেষ সংঘর্ষটি আরও একটি ইঙ্গিত দেয়। সেটা হল, ইউনূস সমর্থিত ছাত্র শাখা এবং বিএনপির ছাত্র সংগঠনের মধ্যে বিভেদ কতটা গভীর। উভয় পক্ষই প্রতিটি স্তরে সংঘর্ষে লিপ্ত এবং এটি স্পষ্ট যে বিএনপি ইউনূসের (Muhammad Yunus) স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।

    কী বলছেন পর্যবেক্ষকরা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এটা অনিবার্যই ছিল। দুই সংগঠনের বিভেদের রেখাগুলো স্পষ্ট এবং ঐক্যের মুখোশ খুলে পড়েছে। যার জেরে কাছাকাছি আসতে শুরু করেছে বিএনপি এবং আওয়ামি লিগের ক্যাডাররা। এতদিন বিএনপি এবং ইউনূসের অনুগামীদের কমন শত্রু ছিল হাসিনার দল। আর এখন বিএনপি এবং আওয়ামি লিগ দুপক্ষই কমন শত্রু হিসেবে দেখছে ইউনূসকে। ক্ষমতার চিটে গুড়ে ইউনূসের পা আটকে যেতেই, বিপত্তি বেঁধেছে বাংলাদেশে। আজ বিএনপি এবং আওয়ামি লিগ দুই দলই ইউনূসকে (Bangladesh Crisis) কমন শত্রু হিসেবে দেখছে। তার কারণ দুই দেশই চায়, অবিলম্বে দেশে হোক সাধারণ নির্বাচন। তাদের আশঙ্কা, ইউনূস যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, ততদিন তিনি হস্তক্ষেপ করবেন এবং শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আজীবনের জন্য শাসনের রাস্তা পরিষ্কার করবেন।

    ইউনূসের অনুগামীরা বিএনপির সঙ্গে লড়াই করলেও, ইউনূস স্বয়ং এখনও আওয়ামি লিগকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখনই যদি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সাধারণ নির্বাচন হয়, তাহলে কোনও সন্দেহ নেই যে আওয়ামি লিগই দেশের ক্ষমতায় ফিরবে। প্রসঙ্গত, ইউনূস (Muhammad Yunus) যাদের টার্গেট করেছেন, তাঁদের দাবি, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার জন্য অবিলম্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত (Bangladesh Crisis)।

  • Chhaava: ‘‘গোটা দেশে ঝড় তুলেছে ছাবা’’, আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    Chhaava: ‘‘গোটা দেশে ঝড় তুলেছে ছাবা’’, আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশে ইতিমধ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছে ‘ছাবা’ (Chhaava)। ৭ দিনেই এই ছবি ভারতে ৩০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করেছে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের সর্বাধিক আয় করা সিনেমা বর্তমানে হল ‘ছাবা’। মারাঠা ছত্রপতি সম্ভাজিকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই ছবি। এবার এই সিনেমা দেখে আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার পাশাপাশি এই ছবির ভূয়সী প্রশংসাও করলেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে এই সিনেমা। মুম্বই-সহ সমগ্র মহারাষ্ট্র, হিন্দি সিনেমাকেও উচ্চস্তরে পৌঁছে দিয়েছে মারাঠি। আর আজকাল তো ‘ছাবা’ (Chhaava) নিয়ে ঝড় চলছে। শিবাজি সাওয়ান্তের মারাঠি উপন্যাসে সম্ভাজি মহারাজের বীরত্বের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছিল।’’

    কী বলেছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, দেশের দুই রাজ্যে, মধ্যপ্রদেশ ও গোয়াতে করমুক্ত করা হয়েছে ভিকি কৌশলের এই ছবিকে। সম্প্রতি ‘ছাবা’র (Chhaava) প্রশংসা করে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ বলেছিলেন, ‘‘বহু দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। ইতিহাসকে বিকৃত না করে মারাঠা সাম্রাজ্যের গৌরবগাথাকে যে এভাবে দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তার জন্য আমি ভীষণ খুশি। যদিও আমার দেখা হয়নি সিনেমাটা, তবে লোকমুখে দারুণ রিভিউ শুনছি।’’

    ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র ‘ছাবা’

    ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের জীবনের ওপর নির্ভর করে বানানো ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র ‘ছাবা’ (Chhaava)। এই ছবির পরিচালক হলেন লক্ষ্মণ উতেকার। ঐতিহাসিক নাটক ছাবা-তে ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের ভূমিকায় ভিকি কৌশল এবং মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের চরিত্রে অক্ষয় খান্নাকে দেখা গিয়েছে। ছবিতে সম্ভাজির স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দক্ষিণ ভারতের নায়িকা রশ্মিকা মান্দানা। শিবাজি সবন্তের মারাঠি উপন্যাস ‘ছাওয়া’ অবলম্বনে নির্মিত এই ছবি, এমনটাই জানা গিয়েছে। ছবিতে মোগল বাহিনী কী ভাবে সম্ভাজির উপর অত্যাচার করেছিল, তার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখানো হয়েছে সম্ভাজিকে সমস্ত দুর্গ এবং ধনসম্পদ সমর্পণ করে অবশেষে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বলেছিলেন ঔরঙ্গজেব। কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকার করেন। এর ফলস্বরূপ, তাঁকে দেওয়া হয়েছিল মৃত্যুদণ্ড। এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিও প্রশংসায় ভরালেন টিম ‘ছাবা’কে (Chhaava)।

  • New Coronavirus: বাড়ল উদ্বেগ! বাদুড়ের দেহে নয়া করোনা ভাইরাসের সন্ধান পেলেন চিনা বিজ্ঞানীরা

    New Coronavirus: বাড়ল উদ্বেগ! বাদুড়ের দেহে নয়া করোনা ভাইরাসের সন্ধান পেলেন চিনা বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও কি ফিরবে করোনা (New Coronavirus) আতঙ্কের দিন? শুরু হবে লক ডাউন? চিনে বাদুড়ের দেহে মিলেছে নয়া নয় করোনা ভাইরাসের সন্ধান, অন্তত এমনটাই দাবি চিনা বিজ্ঞানীদের। এতেই বেড়েছে উদ্বেগ। বাদুড়ের শরীর থেকে নয়া করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন তাঁরা। ২০২০ সালের ভয়াবহ সময় কি আবার ফিরছে? এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    নয়া ভাইরাসের নাম HKU5-CoV-2

    চিনা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই নয়া ভাইরাসের (New Coronavirus) নাম HKU5-CoV-2. এই HKU5-CoV-2 মানুষের দেহে কোষে প্রবেশের জন্য একই ACE2 রিসেপ্টর প্রোটিন ব্যবহার করে, ঠিক SARS-CoV-2 ভাইরাসের মতো ৷ যা COVID-19 অতিমারি সৃষ্টি করেছিল বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাদুড়ের করোনা ভাইরাস নিয়ে এই গবেষণাটি করেছেন একজন শীর্ষস্থানীয় চিনা ভাইরোলজিস্ট শি ঝেংলি। তিনি ‘ব্যাটওম্যান’ নামে পরিচিত। এই গবেষণাটি ইতিমধ্যে বৈজ্ঞানিক জার্নাল সেলে প্রকাশিত হয়েছে ।

    HKU5-CoV-2 ভাইরাস আসলে কী?

    চিনে বাদুড়ের দেহে HKU5-CoV-2 নামের এই নতুন ভাইরাসটি (New Coronavirus) আবিষ্কৃত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি মেরবেকোভাইরাস সাবজেনাসের অন্তর্গত। এই ভাইরাসটিতে রয়েছে একটি ফুরিন ক্লিভেজ সাইট। যা এটিকে মানুষের কোষে প্রবেশ করতে দেয় SARS-CoV-2-এর মতোই। গবেষকরা জানিয়েছেন, মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে এই ভাইরাসের। তা সত্ত্বেও প্রাণী থেকে মানুষের দেহে সংক্রমণ সম্পর্কে এখনও গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে অবশ্য ভালো খবরই উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, HKU5-CoV-2 নামের এই ভাইরাস SARS-CoV-2 এর মতো খুব সহজেই মানুষের কোষগুলিকে সংক্রামিত করতে পারে না। গবেষকরা তাঁদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন যে SARS-CoV-2 এর তুলনায় HKU5-CoV-2 এর মানুষের ACE2 রিসেপ্টরের সঙ্গে বন্ধন ক্ষমতা কম। এর অর্থ হল ভাইরাসটি বর্তমানে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম।

    কী বলছেন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ?

    বিজ্ঞানীরা মনোক্লোনাল অ্যান্টি-বডি এবং অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধও শনাক্ত করেছেন ইতিমধ্যে। এই ওষুধ ভাইরাসকে লক্ষ্য করতে সাহায্য করতে পারে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মাইকেল অস্টারহোম এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গবেষণা অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের তুলনায় জনগণের মধ্যে এখন SARS-এর মতো ভাইরাসের ক্ষেত্রে বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে, যা অতিমারির ঝুঁকি কমায়। সিয়াটেলের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় এবং উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি গবেষণায় উঠে এসেছে, HKU5-CoV-2 বাদুড় এবং কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণীর ACE2 রিসেপ্টরের সঙ্গে আবদ্ধ হতে পারে। তবে এই গবেষণায় মানুষের শরীরের সঙ্গে শক্তিশালী আবদ্ধতা দেখায়নি।

    উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে কাজ করতেন শি ঝেংলি

    চিন দেশে এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছিলেন শি ঝেংলি যিনি গুয়াংজু একাডেমি অফ সায়েন্সেসের একজন সুপরিচিত চিনা ভাইরোলজিস্ট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য শি ঝেংলি বাদুড়ের ওপর করোনাভাইরাসের প্রভাব নিয়েই গবেষণা করেন। তিনি এবিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ। জানা যায়, শি ঝেংলি পূর্বে উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (WIV) তে কাজ করেছিলেন। প্রসঙ্গত, উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। অনেকেই দাবি করেছিলিনে, উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল COVID-19. তবে এই বিষয় শি অস্বীকার করেছেন। করোনা ভাইরাসের পর থেকেই বিজ্ঞানীরা প্রাণীদের মধ্যে নতুন ভাইরাসগুলি অত্য়ন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। যদিও HKU5-CoV-2 নিয়ে বর্তমানে এখনও পর্যন্ত কোনও ঝুঁকি দেখা যায়নি।

    ৭০ লক্ষেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়েছে করোনা

    COVID-19 অতিমারি (New Coronavirus) শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। সেসময় চিনে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসকে শনাক্ত করা হয়েছিল। ২০২০ সালের গোড়ার দিকে, এই ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এরপরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এটিকে মহামারী হিসেবে ঘোষণা করে।সেই সময়ের মৃত্যুমিছিল, লকডাউন, চিকিৎসাক্ষেত্রে হাহাকার, ঘরবন্দি অবস্থা, চাকরি হারানো – এসব কিছুই মানুষ ভোলেনি। করোনা মহামারী সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর ব্যাপক আঘাত হেনেছিল, সেই ক্ষত সেরেছে বটে তবে দাগ এখনও স্পষ্ট। তাই করোনার ধরনের আরেকটি ভাইরাসের খোঁজ আবার ভয় ধরাচ্ছে মানুষের মনে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত, COVID-19 অতিমারি বিশ্বব্যাপী ৭০ লক্ষেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়েছে। HKU5-CoV-2 আবিষ্কার বৈজ্ঞানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এনিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। এই আবহে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যতের যেকোনও প্রাদুর্ভাবের মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।

  • Indias Reaction: কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Indias Reaction: কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান সফরে এসে কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করে বসলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট (Turkish President) রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুসারে সমস্যা সমাধনের আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে এই আপত্তিকর মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত (Indias Reaction)। তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের চিরস্থায়ী বিষয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য আমরা প্রত্যাখ্যান করি। আমরা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি। ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে এমন অযাচিত মন্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

    তুর্কি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Indias Reaction)

    সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে এসেছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। ১৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, কাশ্মীর সমস্যার সমস্যার সমাধান করা উচিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, “কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা উচিত রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে এবং কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে। অতীতের মতো আজও আমাদের রাষ্ট্র এবং আমাদের জাতি আমাদের কাশ্মীরি ভাইদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে (Indias Reaction )।”

    ভারতের মোক্ষম জবাব

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার পরিবর্তে, জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি, ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারের পাকিস্তানের নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হলে ভালো হত।” পাকিস্তানের সংসদ ভারতের প্রতি কাশ্মীরে গণভোট পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করানোর বিষয়ে আর একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং সর্বদা তাই থাকবে। তিনি বলেন, এনিয়ে কোনও সন্দেহ বা বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সবাই জানে কোন দেশ এবং কোন কার্যকলাপ সার্ককে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী (Turkish President)। জয়শঙ্কর জানিয়ে দিয়েছেন যে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদকে স্বাভাবিক করা উচিত নয় (Indias Reaction)।

  • Mahakumbh: ভক্তদের ৪০ শতাংশই মহিলা! অনন্য নজির মহাকুম্ভে, বলছে রিপোর্ট

    Mahakumbh: ভক্তদের ৪০ শতাংশই মহিলা! অনন্য নজির মহাকুম্ভে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বৃহত্তম ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। মনে করা হচ্ছে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়ে যাবে ৬০ কোটি। এই আবহে আরও এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। মহাকুম্ভে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এদেশের মহিলারা। যাঁদের প্রত্যেকেরই বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। একটি সমীক্ষা বলছে ,মহাকুম্ভে অংশগ্রহণকারী ভক্তদের মধ্যে ৪০ শতাংশই হলেন মহিলা। সমীক্ষাটি চালিয়েছে গোবিন্দ বল্লভ সোশ্যাল সায়েন্স ইন্সটিটিউট।

    মহিলারা নিজেরাই দল করে স্নান করতে আসছেন (Mahakumbh)

    এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন টিম প্রয়াগের (Women Devotees) স্নানের ঘাটগুলিতে প্রথম দিন থেকেই দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যেক জায়গাতে তাঁরা বোঝার চেষ্টা করেছেন কত সংখ্যক মানুষ এসেছেন। তখনই তাঁরা জানতে পেরেছেন যে যাঁরা এসেছেন তাদের ৪০ শতাংশ হলেন মহিলা এবং এঁদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এটি একটি বড় সামাজিক পরিবর্তন (Mahakumbh) বলে মনে করা হচ্ছে। আরও উল্লেখযোগ্য তথ্য সামনে এসেছে। দেখা যাচ্ছে এমন অনেক মহিলাদের দল কুম্ভে হাজির হয়েছেন। তাঁরা নিজেরাই আত্মনির্ভর হয়ে পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করেছেন। কোনও রকমের পরিবারের পুরষ সদস্য তাঁদের সঙ্গে আসেননি।

    কী জানালেন গবেষক দলের সদস্য

    রিসার্চ যাঁরা করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন অর্চনা সিং। তিনি এনিয়ে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে সারাদেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে শিক্ষার হার বেড়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বেড়েছে মহিলাদের। তাই স্বাভাবিকভাবে এই ধরনের সামাজিক নিয়মগুলিতে (Mahakumbh) পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অতীতে মহিলারা সাধারণত ঘরের যে কোনও আচার অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু তাঁরা এখন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন মহাকুম্ভের মতো বড় এই অনুষ্ঠানগুলিতে।

    মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে বেড়েছে অর্থনীতি

    ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025)। এই মহাকুম্ভে ডুব দিয়েছেন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান থেকে কূটনীতিক। বলিউড থেকে শিল্পপতি। দেশের রাজনৈতিক নেতা থেকে ক্রীড়া জগতের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা। প্রতিদিনই সারা ভারত যেন প্রয়াগরাজের অভিমুখে এগিয়ে চলেছে। এই আবহে মহাকুম্ভের অর্থনৈতিক দিকটি সামনে এসেছে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) একটি সমীক্ষা চালিয়েছে এবং সেখানে জানানো হয়েছে যে পৃথিবীর বৃহত্তম এই যে ধর্মীয় সমাবেশ অর্থাৎ মহাকুম্ভ এখানেই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করে ও পরিষেবা দিয়ে আনুমানিক তিন লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা হতে যাচ্ছে।

  • Ayodhya: ভোর থেকে রাত, লম্বা লাইন অযোধ্যায়, প্রয়াগে অমৃতস্নান সেরে রামলালা দর্শনে ভক্তদের ঢল

    Ayodhya: ভোর থেকে রাত, লম্বা লাইন অযোধ্যায়, প্রয়াগে অমৃতস্নান সেরে রামলালা দর্শনে ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে সম্পন্ন হচ্ছে মহাকুম্ভ। সারা দেশ এখন প্রয়াগরাজমুখী। মনে করা হচ্ছে ৬০ কোটি ভক্ত ছুঁয়ে যাবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই আবহে অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির দর্শনে দেখা যাচ্ছে ভক্তদের ঢল। ভোর থেকে রাত লম্বা লাইন। সারা দেশ থেকেই ভক্তরা হাজির হচ্ছেন রামলালার (Ramlala) দর্শনে। লাইন শুরু হচ্ছে সকাল পাঁচটা থেকে এবং তা চলছে রাত্রি দশটা পর্যন্ত। প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান সেরেই প্রচুর ভক্ত আসছেন রামলালার দর্শনে। প্রতিদিন লাখেরও বেশি ভক্তের পা পড়ছে অযোধ্যার (Ayodhya) মাটিতে। এমনটাই জানিয়েছে সেখানকার প্রশাসন।

    ভক্তদের ভিড়ে উন্নত হয়েছে অর্থনীতিও

    এই আবহে ভক্তদের ভিড়কে (Ayodhya) নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যাতে কোনও রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে রাম মন্দির চত্বরজুড়ে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন ২০১৬-১৭ সালে যেখানে অযোধ্যাতে ভক্ত সংখ্যা ছিল ২.৩৫ লক্ষ সেখানে ২০২৪ সালে অযোধ্যায় ভক্ত সংখ্যা হয়েছে ১৪ থেকে ১৫ কোটি এবং এর ফলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ হয়েছে ব্যাপকভাবে।

    কী বললেন অযোধ্যার (Ayodhya) পুলিশ সুপার?

    চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে অযোধ্যার (Ayodhya) পুলিশ সুপার রাজ করণ নায়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘প্রচুর ভক্ত অযোধ্যায় আসছেন। ২৪ ঘণ্টাই আমাদেরকে ডিউটি করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টও করতে হচ্ছে। প্রত্যেক ভক্ত একই উদ্দেশ্যে আসছেন। তাঁরা রামলালাকে দর্শন করতে চান। এখানে যে গাড়িগুলি ঢুকছে সেজন্য পার্কিংয়েরও বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ট্রাফিকের জন্য অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়ন করা হয়েছে। অযোধ্যার ছটি জায়গাতে আমরা কেন্দ্র তৈরি করেছি। যেখানে নিখোঁজ দর্শনার্থীদের সন্ধানের জন্য সাহায্য করা হবে।’’ অযোধ্যার (Ayodhya) আরেক পুলিশ কর্তা, মধুবন কুমার সিং জানিয়েছেন, প্রতিনিয়তই ভক্ত সংখ্যা বেড়ে চলেছে মহাকুম্ভে। ভক্তরা কুম্ভমেলায় পুণ্যস্নান সেরে রামলালা (Ramlala) দর্শন করতে আসছেন। একই সঙ্গে তাঁরা হনুমানজীর মন্দিরও দর্শন করছেন ।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লাইন চলছে।

  • RSS: “আরএসএস বটবৃক্ষের মতো, আমার মতো লাখো মানুষকে দেশেপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    RSS: “আরএসএস বটবৃক্ষের মতো, আমার মতো লাখো মানুষকে দেশেপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) বটগাছের মতো। আমার মতো লাখ লাখ মানুষকে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্ধুব্ধ করেছে।” কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(PM Modi)। শুক্রবার দিল্লিতে তিন দিন ব্যাপী ৯৮তম অখিল ভারতীয় মারাঠি সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি আরএসএসকে তুলনা করেন বটবৃক্ষের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই সংগঠন (আরএসএস) ভারতের মহান ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নয়া প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এক পবিত্র সাংস্কৃতিক অনুশীলন করে আসছে।” প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং এনসিপি (এসপি) সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (RSS)

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, আরএসএসের জন্যই তিনি মারাঠি সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছেন। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের মাটিতেই মারাঠিভাষী এক মহাপুরুষ একশো বছর আগে আরএসএসের বীজ বপন করেছিলেন। আজ তা বটবৃক্ষের মতো শতবর্ষ পালন করছে। বেদ থেকে বিবেকানন্দ পর্যন্ত ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নয়া প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সংস্কার যজ্ঞ চালাচ্ছে। এ নিয়ে গর্ব বোধ করতে হবে।”

    আরএসএস-স্তুতি

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মতো লাখো মানুষকে (RSS) দেশের জন্য বাঁচার প্রেরণা জুগিয়েছে আরএসএস।” তিনি বলেন, “এই সম্মেলন এমন একটা সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের অভিষেকের ৩৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে, যখন পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের ৩০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে, এবং বাবাসাহেব অম্বেডকরের প্রচেষ্টায় গঠিত সংবিধান তার ৭৫তম বছরে পদার্পণ করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই গর্বও অনুভব করব যে মহারাষ্ট্রের মাটিতেই এক মহান মারাঠি ভাষাভাষী ব্যক্তি ১০০ বছর আগে আরএসএসের বীজ বপন করেছিলেন।” তিনি বলেন, “আমার সৌভাগ্য যে আমার মতো লক্ষ লক্ষ মানুষ আরএসএসের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করার শিক্ষা পেয়েছে।” মারাঠি ভাষার ক্লাসিক্যাল ভাষার মর্যাদা পাওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোটি কোটি মানুষ এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা (PM Modi) করছিলেন। আমি একে আমার জীবনের একটি মহান মাইলফলক বলে মনে করি (RSS)।”

  • Narendra Modi: মরিশাসের জাতীয় দিবসে প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদি, ঘোষণা দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: মরিশাসের জাতীয় দিবসে প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদি, ঘোষণা দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী (Mauritius Prime Minister) নবীন রামগুলাম গতকাল শুক্রবার নিজের দেশের জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে এক বিশেষ ঘোষণা করেন। সেখানেই তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সে দেশের ৫৭তম জাতীয় দিবসে (Mauritius National Day) প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন। নিজের দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে রামগুলাম (Mauritius Prime Minister) আরও জানান যে এটা তাঁর দেশের পক্ষে অত্যন্ত সম্মানজনক যে মোদির মতো একজন নেতা তাঁর ব্যস্ততম কর্মসূচি ছেড়েও মরিশাসের জাতীয় দিবসে উপস্থিত থাকবেন। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নিজের ভাষায়, ‘‘আমার এটা ভাবতেও খুব ভালো লাগছে এবং আমি আমার হাউসকে জানাতে চাই যে আমার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রাজি হয়েছেন জাতীয় দিবসে আসতে।’’ প্রসঙ্গত, ১২ মার্চ মরিশাসের জাতীয় দিবস।

    কী বললেন মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী

    মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী (Mauritius Prime Minister) আরও বলেন, ‘‘প্রকৃতপক্ষে এটা আমাদের দেশের পক্ষে অত্যন্ত সম্মানজনক। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) মত একজন বিশ্ব বরেণ্য নেতা আমাদের দেশে উপস্থিত হচ্ছেন। তাঁর সমস্ত রকমের ব্যস্ত কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও। আমরা দেখেছি সম্প্রতি তিনি প্যারিস এবং আমেরিকার সফরে ছিলেন এবং তারপরেও তিনি আমাদের দেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আসতে রাজি হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) এই সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও উন্নত করবে।’’

    গত বছরের নভেম্বরেই ক্ষমতায় ফেরেন রামগুলাম

    প্রসঙ্গত গত বছর মরিশাসের ৫৬তম জাতীয় দিবসে (Mauritius National Day) প্রধান অতিথি হিসেবে সে দেশে হাজির ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ফের একবার মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হন রামগুলাম। সে সময় তাঁর জয়ের জন্য রামগুলামকে ব্যাপক অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। নিজের এক্স মাধ্যমের পোস্টে সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘আমি উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছি। আমার বন্ধু রামগুলামের ঐতিহাসিক জয়ের জন্য। আমি তাঁর আগামী দিনের সফলতা কামনা করি। তাঁর নেতৃত্বে মরিশাস এগিয়ে যাবে এবং নতুন উচ্চতা লাভ করবে। এই আশা রাখি। ভারত এবং মরিশাস একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।’’ প্রসঙ্গত, মরিশাস ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৬৮ সালে এবং প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৯২ সালে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে’’, পুণ্যস্নান সেরেই তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে’’, পুণ্যস্নান সেরেই তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শুক্রবারই মহাকুম্ভে স্নান করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরে ফের একবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা (Mamata Banerjee) যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে।’’ নিজের সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘১৪৪ বছর পরে মাহেন্দ্রক্ষণে আসা এই পূর্ণ মহাকুম্ভের মাহাত্ম্য সুবিশাল। মহাকুম্ভ শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার এক মহামিলন হল এই মহাকুম্ভ, যা জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক চেতনার দ্বারকে উন্মুক্ত করে দেয়।’’ শুক্রবার পুণ্যস্নান করে শুভেন্দু এক্স মাধ্যমে লেখেন, ‘‘মা গঙ্গাকে ধন্যবাদ জানাব কারণ তাঁর আশীর্বাদেই আমি মহাকুম্ভে আসতে পারলাম। এরপর নিজের জীবদ্দশায় আর কোনও দিন মহাকুম্ভ চোখে দেখতে পারব না। এটা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা।’’

    প্রধানমন্ত্রী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, ‘‘আমি যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজি, উত্তর প্রদেশের যশস্বী মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথ জি ও উত্তর প্রদেশের প্রশাসনকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সুন্দর, সু’ব্যবস্থার জন্য। মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন এই পবিত্র মহাকুম্ভের সাক্ষী থাকতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।’’ সম্প্রতি ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কুম্ভের জল অতিরিক্ত দূষিত। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছিলেন, সেই জল শুধু স্নান নয়, খাওয়ারও যোগ্য। শুভেন্দুকেও সেই জল পান করতে দেখা যায়।

    রাজ্যপালের মন্তব্যও উল্লেখ করেন শুভেন্দু

    রাজ্যপালের মন্তব্যের রেশ টেনে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মন্তব্য, ‘‘রাজ্যপাল নিজে বলেছেন মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটা আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা। আর উনি বলছেন মৃত্যুকম্ভ। তাই আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। সনাতন সমাজ যতদিন থাকবে ততদিন প্রতিবাদ চলবে।’’

    ১০০ কোটির বেশি হিন্দুরা আঘাত পেয়েছেন মমতার মন্তব্যে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মহাকুম্ভকে ‘অমৃতকুম্ভ’ বলে অভিহিত করেন। বলেন, ‘‘এটা অমৃতকুম্ভ। মুখ্যমন্ত্রীর দলের কতজন গিয়েছেন। কিছুজন ছবি ছেড়েছেন, কিছুজন ছাড়েননি। মুখ্যমন্ত্রী জানেন না, তাঁরা পাড়া-প্রতিবেশী সকলে গিয়ে কুম্ভতে স্নান করে এসেছেন।’’ এই প্রেক্ষিতেই শুভেন্দুর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে মন্তব্য করেছেন তাতে ১০০ কোটির বেশি হিন্দুরা আঘাত পেয়েছেন। ভারতের ইতিহাস, শাস্ত্র, সংস্কৃতিকে আঘাত করেছেন তিনি।’’

    মমতার মন্তব্য ক্ষমাহীন (Mamata Banerjee)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘মমতা যে মন্তব্য করেছেন তা ক্ষমাহীন অপরাধ। এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যে নানা আলোচনা হচ্ছে, তাও পাত্তা দেননি শুভেন্দু। বরং তাঁর পাল্টা বক্তব্য, ৬০ কোটি হিন্দু স্নান করেছেন, আরও ৫ কোটি ওখানে রয়েছে। অভূতপূর্ব ব্যবস্থাপনা রয়েছে প্রয়াগরাজে।’’ শুক্রবার কুম্ভে পুণ্যস্নান সেরে সেদিনই কলকাতায় ফিরেছেন শুভেন্দু।

LinkedIn
Share