Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 661: “আমাকে কেউ কেউ ঈশ্বর বলে, আমি বললাম, ‘হাজার লোকে ঈশ্বর বলুক, আমার যতক্ষণ সত্য বলে না বোধ হয়, ততক্ষণ বলব না”

    Ramakrishna 661: “আমাকে কেউ কেউ ঈশ্বর বলে, আমি বললাম, ‘হাজার লোকে ঈশ্বর বলুক, আমার যতক্ষণ সত্য বলে না বোধ হয়, ততক্ষণ বলব না”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ২১শে এপ্রিল

    নরেন্দ্র ও ঈশ্বরের অস্তিত্ব — ভবনাথ, পূর্ণ, সুরেন্দ্র

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করিয়া হীরানন্দ গাড়িতে উঠিতেছেন। গাড়ির কাছে নরেন্দ্র, রাখাল দাঁড়াইয়া তাঁহার সহিত মিষ্টালাপ করিতেছেন। বেলা দশটা। হীরানন্দ আবার কাল আসিবেন।

    আজ বুধবার, ৯ই বৈশাখ, চৈত্র কৃষ্ণা তৃতীয়া। ২১শে এপ্রিল, ১৮৮৬। নরেন্দ্র উদ্যানপথে বেড়াইতে বেড়াইতে মণির সহিত কথা কহিতেছেন। বাটিতে মা ও ভাইদের বড় কষ্ট — এখনও সুবন্দোবস্ত করিয়া দিতে পারেন নাই। তজ্জন্য চিন্তিত আছেন।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— বিদ্যাসাগরের ইস্কুলের কর্ম আর আমার দরকার নাই। গয়াতে যাব মনে করেছি। একটা জমিদারীর ম্যানেজারের কর্মের কথা একজন বলেছে। ঈশ্বর-টীশ্বর নাই।

    মণি (সহাস্যে) — সে তুমি এখন বলছ; পরে বলবে না। Scepticism ঈশ্বরলাভের পথের একটা স্টেজ; এই সব স্টেজ পার হলে আরও এগিয়ে পড়লে তবে ভগবানকে পাওয়া যায়, — পরমহংসদেব বলেছেন।

    নরেন্দ্র — যেমন গাছ দেখছি, অমনি করে কেউ ভগবানকে দেখেছে (Kathamrita)?

    মণি — হাঁ, ঠাকুর দেখেছেন।

    নরেন্দ্র — সে মনের ভুল হতে পারে।

    মণি — জে যে অবস্থায় যা দেখে, সেই অবস্থায় তা তার পক্ষে রীয়্যালিটি (সত্য)। যতক্ষণ স্বপন দেখছ। একটা বাগানে গিয়েছ, ততক্ষণ বাগানটি তোমার পক্ষে রীয়্যালিটি; কিন্তু তোমার অবস্থা বদলালে — যেমন জাগরণ অবস্থায় — তোমার ওটা ভুল বলে বোধ হতে পারে! যে অবস্থায় ঈশ্বরদর্শন করা যায়, — সে অবস্থা হলে তখন রীয়্যালিটি (সত্য) বোধ হবে।

    নরেন্দ্র — আমি ট্রুথ চাই। সেদিন পরমহংস মহাশয়ের সঙ্গেই খুব তর্ক করলাম।

    মণি (সহাস্যে) — কি হয়েছিল (Kathamrita)?

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— উনি আমায় বলছিলেন, ‘আমাকে কেউ কেউ ঈশ্বর বলে।’ আমি বললাম, ‘হাজার লোকে ঈশ্বর বলুক, আমার যতক্ষণ সত্য বলে না বোধ হয়, ততক্ষণ বলব না।’

    “তিনি বললেন — ‘অনেকে যা বলবে, তাই তো সত্য — তাই তো ধর্ম!’

    “আমি বললাম, ‘নিজে ঠিক না বুঝলে অন্য লোকের কথা শুনব না’।”

    মণি (সহাস্যে) — তোমার ভাব Copernicus, Berkeley — এদের মতো। জগতের লোক বললছে, — সূর্য চলছে, Copernicus তা শুনলে না; জগতের লোক বলছে External World (জগৎ) আছে, Berkeley তা শুনলে না। তাই Lewis বলেছেন, ‘Why was not Berkeley a philosophical Copernicus?’

  • Ramakrishna 662: “ঠাকুর বলছেন, তাঁকে বিচার করে জানা যায় না, বিশ্বাসেই সমস্ত হয়, —জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন, আলাপ—সব”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ২১শে এপ্রিল

    নরেন্দ্র ও ঈশ্বরের অস্তিত্ব — ভবনাথ, পূর্ণ, সুরেন্দ্র

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— উনি আমায় বলছিলেন, ‘আমাকে কেউ কেউ ঈশ্বর বলে।’ আমি বললাম, ‘হাজার লোকে ঈশ্বর বলুক, আমার যতক্ষণ সত্য বলে না বোধ হয়, ততক্ষণ বলব না।’

    “তিনি বললেন — ‘অনেকে যা বলবে, তাই তো সত্য — তাই তো ধর্ম!’

    “আমি বললাম, ‘নিজে ঠিক না বুঝলে অন্য লোকের কথা শুনব না’।”

    মণি (সহাস্যে) — তোমার ভাব Copernicus, Berkeley — এদের মতো। জগতের লোক বললছে, — সূর্য চলছে, Copernicus তা শুনলে না; জগতের লোক বলছে External World (জগৎ) আছে, Berkeley তা শুনলে না। তাই Lewis বলেছেন, ‘Why was not Berkeley a philosophical Copernicus?’

    নরেন্দ্র — একখানা History of philosophy দিতে পারেন?

    মণি — কি, Lewis?

    নরেন্দ্র  — না, Ueberweg; — German পড়তে হবে।

    মণি (Ramakrishna)—তুমি বলছো, সামনে গাছের মতন কেউ কি দেখেছে? তা ঈশ্বর মানুষ হয়ে যদি এসে বলেন, ‘আমি ঈশ্বর!’ তাহলে তুমি কি বিশ্বাস করবে? তুমি ল্যাজারাস্‌-এর গল্প তো জান? যখন ল্যাজারাস্‌ পরলোকে গিয়ে এব্রাহাম-কে বললে যে, আমি আত্মীয়বন্ধুদের বলে আসি যে সত্যই পরলোক আর নরক আছে। এব্রাহাম বললেন (Kathamrita), তুমি গিয়ে বললে কি তারা বিশ্বাস করবে? তারা বলবে, কে একটা জোচ্চোর এসে এই সব কথা বলছে।

    “ঠাকুর বলছেন, তাঁকে বিচার করে জানা যায় না। বিশ্বাসেই সমস্ত হয়, — জ্ঞান, বিজ্ঞান। দর্শন, আলাপ, — সব।”

    ভবনাথ বিবাহ করিয়াছেন। তাঁহার অন্নচিন্তা হইয়াছে। তিনি মাস্টারের কাছে আসিয়া বলিতেছেন, “বিদ্যাসাগরের নূতন ইস্কুল হবে, শুনলাম। আমারও তো খ্যাঁটের যোগাড় করতে হবে। ইস্কুলের একটা কাজ করলে হয় না?”

    রামলাল—পূর্ণের গাড়িভাড়া—সুরেন্দ্রের খসখসের পরদা

    বেলা তিনটে-চারটে। ঠাকুর শুইয়া আছেন। রামলাল পদসেবা করিতেছেন। ঘরে সিঁথির গোপাল ও মণি আছেন। রামলাল দক্ষিণেশ্বর হইতে আজ ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন।

    ঠাকুর মণিকে জানালা বন্ধ করিয়া দিতে — ও পায়ে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন।

    শ্রীযুক্ত পূর্ণকে গাড়িভাড়া করিয়া কাশীপুরের উদ্যানে আসিতে বলিয়াছিলেন। তিনি দর্শন করিয়া গিয়াছেন। গাড়িভাড়া মণি দিবেন। ঠাকুর গোপালকে ইঙ্গিত করিয়া জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “এঁর কাছে (টাকা) পেয়েছ?”

    গোপাল — আজ্ঞা, হাঁ।

    রাত নয়টা হইল। সুরেন্দ্র, রাম প্রভৃতি কলিকাতায় ফিরিয়া যাইবার উদ্যোগ করিতেছেন।

    বৈশাখ মাসের রৌদ্র — দিনের বেলা ঠাকুরের ঘর বড়ই গরম হয়। সুরেন্দ্র তাই খসখস আনিয়া দিয়াছেন। পরদা করিয়া জানালায় টাঙ্গাইয়া দিলে ঘর বেশ ঠাণ্ডা হইবে।

    সুরেন্দ্র — কই, খসখস কেউ পরদা করে টাঙ্গিয়ে দিলে না (Ramakrishna)? — কেউ মনোযোগ করে না।

    একজন ভক্ত (সহাস্যে) — ভক্তদের এখন ব্রহ্মজ্ঞানের অবস্থা। এখন ‘সোঽহম্‌’ — জগৎ মিথ্যা। আবার ‘তুমি প্রভু, আমি দাস (Kathamrita)’ এই ভাব যখন আসবে তখন এই সব সেবা হবে! (সকলের হাস্য)

  • CBSE: অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম নিয়ে প্রবল বিতর্ক, সরানো হল সিবিএসইর চেয়ারম্যান-সচিবকে

    CBSE: অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম নিয়ে প্রবল বিতর্ক, সরানো হল সিবিএসইর চেয়ারম্যান-সচিবকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন চালু হওয়া অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (On Screen Marking System) নিয়ে প্রবল বিতর্কের জেরে সরিয়ে দেওয়া হল সিবিএসই (CBSE)-এর চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তকে। এই পদক্ষেপ এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন সিবিএসই পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেমের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    তদন্তের জন্য কমিটি (CBSE)

    অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা ক্রয় প্রক্রিয়া তদন্তের জন্য একটি কমিটিও গড়া হয়েছে। এক সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন এসরাধা চৌহান। তিনি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের চেয়ারপার্সন। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে ডিপার্টমেন্ট অব পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং (DoPT)-এর কাছে তাদের রিপোর্ট পেশ করতে হবে। অনিয়মগুলির মধ্যে ছিল উত্তরপত্রের অদলবদল, মূল্যায়নে ভুল, ত্রুটিপূর্ণ যাচাই এবং নম্বর বা গ্রেড বরাদ্দে গরমিল। যেসব শিক্ষার্থী তাদের উত্তরপত্রের স্ক্যান করা কপি চেয়েছিল, তারা দেখতে পায় যে আপলোড করা কপিগুলি তাদের নিজেদের উত্তরপত্র নয়। সিবিএসই আধিকারিকরা স্বীকার করেছেন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ২০টি উত্তরপত্রের অমিলের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।

    প্রযুক্তিগত সমস্যা

    শিক্ষার্থী এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও ওয়েবসাইটের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা ও দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন। মূল্যায়ন পোর্টালে অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা, ঝাপসা বা অনুপস্থিত পৃষ্ঠা দেখানোর মতো সমস্যাও দেখা গিয়েছে। অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (On Screen Marking System) পরিচালনাকারী পরিষেবা প্রদানকারী অনমার্ক (OnMark) পোর্টালকে ঘিরে সাইবার নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য সিবিএসই একটি নতুন পোর্টাল চালু করে। রবিবার বোর্ড জানায়, তারা বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং আইআইটির সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একটি টিমকে কাজে লাগিয়েছে, যাতে প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। পোর্টালটি চালু থাকবে ৬ জুন, ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত।

    চুক্তির শর্ত

    সিবিএসই (CBSE) ডিজিটাল স্ক্যানিং এবং অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন ব্যবস্থার দায়িত্ব দিয়েছিল হায়দরাবাদ-ভিত্তিক সংস্থা Coempt Edu Teck-কে। তাদের কাজ ছিল, উত্তরপত্র স্ক্যান এবং ডিজিটাল মূল্যায়ন পরিচালনা করা। অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম ব্যবস্থাকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশের পর টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা গিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনে চুক্তি বাতিলও করা যেতে পারে, যদিও, তাদের ব্ল্যাকলিস্ট করা যাবে না। চুক্তিতে এও বলা হয়েছিল, সিবিএসইর পক্ষ থেকে চিহ্নিত কোনও গুরুতর সমস্যা সমাধানে প্রতি ১৫ মিনিট দেরির জন্য ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে (On Screen Marking System)।

    সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত করার শর্ত

    সমস্যার মূল কারণ বিশ্লেষণ এবং সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে প্রতি ৬০ মিনিট দেরির জন্যও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।গুরুতর অনিয়মের ক্ষেত্রে সিবিএসই সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত এবং চুক্তি বাতিল করতে পারবে। মঙ্গলবার দুই শীর্ষ আধিকারিককে সরানোর সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে বিষয়টি লোকসভায় ওঠার পর। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতারা সিবিএসই এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা ঝাপসা উত্তরপত্র, মোবাইল ফোন দিয়ে স্ক্যানিং এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ফাঁসের মতো ঘটনাগুলির উল্লেখ করেন। মূল্যায়নে ত্রুটি এবং পুনর্মূল্যায়নের চড়া ফি নিয়ে জবাবদিহির জন্য সিবিএসই (CBSE) আধিকারিকদের এবং শিক্ষা সচিবকে তলব করেছিল শিক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি।

     

  • ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের (Rajya Sabha Polls) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। সোমবার জারি হয় এই বিজ্ঞপ্তি। এর মধ্যে ১০টি রাজ্যের ২৪টি আসন সদস্যদের অবসরের কারণে ফাঁকা হয়েছে। পদত্যাগজনিত কারণে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার ৩টি আসনে হবে উপনির্বাচন।

    নির্বাচনের সাত-সতেরো (ECI)

    কমিশন জানিয়েছে, ২৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুন। ওই দিনই বিকেল ৫টার পর হবে ভোট গণনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৮ জুন বিকেল ৩টা পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা ৯ জুন মনোনয়নপত্র যাচাই করবেন। ১১ জুন প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন।অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশ, কর্নাটক এবং মিজোরামে ২৪টি শূন্যপদে ভোট হবে। পদত্যাগের কারণে আরও ৩টি পদ শূন্য। ফলে বিরোধী জোট রাজ্যসভায় অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন পেতে পারে বলেই ইঙ্গিত। যদিও শাসক বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ তাদের বর্তমান শক্তি বজায় রাখবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। আগামী মাসে রাজ্যসভা থেকে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং, এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু ও জর্জ কুরিয়েন।

    শক্তি বাড়ছে এনডিএর!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২৭টি আসনের মধ্যে শাসক এনডিএ তাদের শক্তি এক বাড়িয়ে ১৯-এ নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে ২৪৫ সদস্য বিশিষ্ট রাজ্যসভায় এনডিএর আসন সংখ্যা ১৪৮। কংগ্রেসের রয়েছে ৪টি আসন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর ১টি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (YSRCP)-এর ৩টি আসন। রাজ্য বিধানসভাগুলিতে (Rajya Sabha Polls) দলগুলির বর্তমান শক্তির ভিত্তিতে কংগ্রেস তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করতে পারে (ECI)। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা দু’টি আসনে জিততে পারে। শাসক তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (TVK) তামিলনাড়ুর উপনির্বাচনে একটি আসন জিতে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভায় জায়গা পেতে পারে।

    এনডিএ ভালো অবস্থায়

    এনসিপি নেতা সুনেত্রা পাওয়ার এবং এআইএডিএমকে নেতা সিভি শানমুগম বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ায় রাজ্যসভায় ইস্তফা দিয়েছেন। সেই কারণেই উপনির্বাচন হবে মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে। ওড়িশায় দেবাশিস সমান্ত রায়, বিজেডি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ছেড়েছেন রাজ্যসভার সদস্যপদও। তাই এই কেন্দ্রেও হবে উপনির্বাচন (ECI)। মহারাষ্ট্রে সুনেত্রা পাওয়ারের শূন্য পদে এনডিএ ভালো অবস্থায় রয়েছে (Rajya Sabha Polls)। তামিলনাড়ুর একটিমাত্র আসন বন্ধু দলগুলির সমর্থনে টিভিকের দখলে যেতে পারে। ওড়িশার আসনটি শাসক দলের ঝুলিতে যেতে পারে।

    কোন আসনে জিতছে কারা

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ চারটি আসনই জিততে পারে। গুজরাটে বিজেপি চারটি আসনেই জিতবে। তাই এই রাজ্য থেকে কংগ্রেস তাদের একমাত্র আসনটি খোয়াতে পারে। কর্নাটকে কংগ্রেস চারটির মধ্যে তিনটি আসনে জিততে পারে, একটি আসন যেতে পারে পদ্ম-ঝুলিতে। খাড়্গে ফের রাজ্যসভায় মনোনীত হতে পারেন (ECI)। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিজেপি দু’টি করে আসন জিততে পারে। এই দুই রাজ্যে কংগ্রেস একটি করে আসন পেতে পারে। ঝাড়খণ্ডে শাসক জেএমএম-কংগ্রেস জোট দু’টি আসনই জিততে পারে। তাদের জয়ের পথে খাড়া প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে পারে বিজেপি। অর্থাৎ, জোরদার লড়াই হতে পারে (Rajya Sabha Polls)।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক রাজ্যসভা নির্বাচনে ১০টি রাজ্যের ৩৭টি আসনের মধ্যে (ECI) বিজেপি জিতেছিল ১৩টি আসনে।

     

  • Dilip Ghosh: “তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু, যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, ততই মঙ্গল”, বললেন দিলীপ

    Dilip Ghosh: “তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু, যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, ততই মঙ্গল”, বললেন দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুরো পার্টিটাই জালি। আর কী আশা করা যাবে! মুষলপর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, বাংলার পক্ষে ততই মঙ্গল।” তৃণমূল (TMC) ভাঙনের জল্পনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সইকাণ্ডে মুখ খোলায় তৃণমূল বহিষ্কার করেছে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে। তারপরেই জল্পনা ছড়ায়, ৫০ বিধায়ককে নিয়ে ‘নতুন তৃণমূল’ গড়ছেন ঋতব্রতরা। শোনা যাচ্ছে, নিজেদের প্রধান বিরোধী দল দাবি করে তাঁরা স্পিকারের কাছে চিঠিও দেবেন। এমতাবস্থায় ভাঙনের মুখে পড়তে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল। সেক্ষেত্রে তাঁর দল বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদাও খোয়াতে পারে। কারণ বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা ধরে রাখতে প্রয়োজন ৩০ বিধায়কের সমর্থন। নতুন করে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও, তৃণমূল তা আদৌ জোগাড় করতে পারবে কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন। আজ, মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের এই হতশ্রী দশা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিলীপ।

    “নেত্রী সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন” (Dilip Ghosh)

    রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী বলেন, “যেমন যেখান যেখান থেকে লোকজন একসময় তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিল, এখন তেমন তেমন সেখানে চলে যাচ্ছে। প্রয়াত সুব্রত মুখার্জি একবার আমায় গল্পচ্ছলে বলেছিলেন, তৃণমূল আসলে একটা প্ল্যাটফর্ম। সবাই দাঁড়িয়ে আছে। যার যেমন ট্রেন আসছে, সে তেমন চলে যাচ্ছে। আজ উনি বেঁচে নেই। কিন্তু, ওঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে। শুধু পয়সা কমানোর জন্য লোকগুলো এসেছিল। দুনিয়ার ক্রিমিনাল, অ্যান্টি সোশ্যাল এসেছিল। এখন যার যার মতো পালিয়ে যাচ্ছে। দলটা বিধানসভায় ঢুকলই না, তার আগেই দু’জন সাসপেন্ড হয়ে গেল। আমার ভাবতে অবাক লাগে, এই দলটাকে বাংলার মানুষ ১৫ বছর ধরে সহ্য করেছে! দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “নেত্রী সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন। এখন তার ফল ভোগ করতে হবে। ছোটবেলায় একটা গল্প পড়েছিলাম। রাখাল স্কুলে সবার খাতা, বই, পেনসিল চুরি করত। যেদিন ধরা পড়ল সেদিন মাসির কানে কথা বলার বাহানায় মাসির কান কামড়ে ছিঁড়ে দিয়েছিল। বলল, মাসি তুমিই আমায় চুরি করতে শিখিয়েছ। এই মাসির কান কাটা এখনও বাকি আছে।”

    ‘দুই সাংসদ পালিশ খেয়েছেন’

    তিনি বলেন, “ওদের দু’জন সাংসদ পাবলিকের কাছে অলরেডি পালিশ খেয়েছেন। অথচ দু’জনের কারোর গায়ে কোনও দাগ নেই! এরমধ্যে একজন কল্যাণ ব্যানার্জি। তাঁর নাটক আমরা পার্লামেন্টে বহুবার দেখেছি। ওঁকে সেদিন কেউ একটা চাঁটি মেরেছিল। রুমাল দিয়ে রগড়েও একফোঁটা রক্ত বের করতে পারলেন না!” মন্ত্রী (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি এখন বুঝতে পারছি, আমার হরিণঘাটা ডিমের দাম এত বাড়ল কেন? এদিক-ওদিক ডিম ছোড়া হচ্ছে। অভিষেক কোনও হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি। বেলভিউ হাসপাতালের ডাক্তাররা বুঝিয়ে (TMC) দিয়েছেন, তাঁদের মেরুদণ্ড শক্ত। এটা খুব জঘন্য একটা আচরণ। সরকার কাজ করছে। মানুষ দেখছে। কয়েকদিন আপনারা ঘরের ভেতরে থাকুন। আন্দোলনের নামে ব্লকে বা থানায় ঘেরাও-ফেরাও করবেন না। দেখছেন তো চারিদিকে কী অবস্থা! হুজ্জুতি করতে যাবেন পাবলিক আবার ধরে পালিশ করে দেবে! আবার হাসপাতালে যেতে হবে। শান্তিতে থাকুন। বাড়িতে থাকুন।”

    ‘ডিম খান, শক্তি বাড়ান’

    খড়্গপুরের বিধায়ক বলেন, “আমরা বলেছি ডিমের ক্রাইসিস আছে। ডিম এঁর তাঁর গায়ে ছুড়ে নষ্ট করবেন না। ডিম খান। শক্তি বাড়ান। ফালতু লোককে ডিম মেরে লাভ নেই।” এদিনই ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “গণতান্ত্রিক কার্যকলাপ আমরা বন্ধ করতে চাই না। আন্দোলন করতে কারওর কোর্টে যাওয়ার দরকার হবে না। তবে পুলিশের অনুমতি নিয়ে করতে হবে। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীকে আন্দোলন করার অনুমতির জন্য ১০৪ বার কোর্টে ছুটতে হয়েছিল। রেড রোডের নমাজ শান্তিতে ব্রিগেডে হয়ে গেল। তাই, আমি বলব কয়েকটা মাস (TMC) শান্তিতে ঘরে থাকুন।”

    ‘মায়ের কাছেও কাটমানি খেয়েছে’

    তিনি বলেন, “তৃণমূল পঞ্চায়েত, মণ্ডল সভাপতি, প্রাক্তন বিধায়কদের অফিস সার্চ হচ্ছে। আর আজব আজব জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। ডাব, নারকেল, তেল, হাঁড়ি-কলসি-খুন্তি। আমি জানি না এগুলো কারখানা ছিল, গুদাম ছিল, নাকি অফিস ছিল! পার্টি অফিসে যাঁরা পিঠে বানাতে যেতেন, সেখানকার বাসিন্দারাই তার বদলা নিয়েছেন। তৃণমূল পার্টি ব্যান করে দেওয়া উচিত। এদের প্রতীক চিহ্ন ব্যান করে দেওয়া উচিত। এরা একটা টেরোরিস্ট সংগঠনের মতো কাজ করে গিয়েছে। গোপন সংগঠনের মতো কাজ করে গিয়েছে।” পদ্ম-মন্ত্রিসভার সদস্য দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “স্যাঁকরা নিজের মায়ের গয়না থেকেও সোনা চুরি করে। তৃণমূল নেতারা আবাস যোজনায় নিজের মা ঘর পেলে, তার থেকেও কাটমানি নিয়েছে। মেসিও রেহাই পেলেন না! তাঁর মূর্তি থেকেও কাটমানি নেওয়া হল। লোকটা ওখানে ছ’মাস দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না, ফেলে দিল তৃণমূল।”

    পিঠ বাঁচাতে পদত্যাগ!

    পদত্যাগ করেছেন বিধায়ক তারক সিং। সে প্রসঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ বলেন, “এতদিন কী করেছেন? নেতাদের বাড়িতে রেড হতেই বোঝা যাচ্ছে, কে কী কাজ করেছেন! পিঠ বাঁচানোর জন্য এখন অনেকে পদত্যাগ করছেন। বিষবৃক্ষ রোপণ করেছেন কে? তার ফল এখন সবাইকে ভুগতে হবে।” রাজ্যে শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “আমূলের কলকাতা প্রধান দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন। আজই (TMC) হয়তো দেখা হবে। কথা হবে। অনেকে ব্যবসা শুরু করতে চাইছেন। অনেক ফোনই আসছে।”

     

  • NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনের তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। ইতিমধ্যেই তারা চার্জশিটও জমা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে লস্কর-ই-তইবা (LeT), দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF), জইশ-ই-মহম্মদ (JeM), আল-কায়েদা (Al-Qaeda) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী, হামাস (Hamas) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য সম্পর্ক (Pahalgam Terror Attack Case) নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এনআইএ।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে হামাস যোগ (NIA)

    চার্জশিটে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের উল্লেখ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  কারণ এই প্রথম পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য কার্যকরী সম্পর্কের তদন্তে এনআইএ এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের নাম উল্লেখ করেছে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত একটি মামলায়।তদন্তকারীরা জানান, তদন্তের এই অংশটি (হামাস যোগ) আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সম্পর্কের প্রকৃতি, পরিসর ও ব্যাপ্তি নির্ধারণের চেষ্টাও চলছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলি জম্মু-কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া কোনও জঙ্গি কার্যকলাপে কোনও রকমের সাহায্য, সমর্থন বা প্রভাব বিস্তার করেছে কি না।

    যেসব তথ্য খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তদন্ত বৃহত্তর একটি চেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্যই হল অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ চিহ্নিত করা এবং সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হচ্ছে, তা বোঝা। এটা করতে গিয়েই এনআইএ একাধিক সূত্র অনুসরণ করছে (NIA)। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রমাণ, আর্থিক লেনদেন এবং সীমান্তপারের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। এই সব তথ্য সম্ভাব্য সংযোগগুলির ব্যাপ্তি নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে। পহেলগাঁও হামলার পর গোয়েন্দা মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে এনআইএ এই নয়া দিকটিতেই বেশি করে নজর দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সম্প্রতি হামাস এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন, যেমন লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রমাণ পেয়েছে।

    হামাসের আক্রমণের সঙ্গে মিল!

    এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই সংগঠনগুলির মধ্যে কোনও ধরনের সহযোগিতা, সমন্বয় বা কৌশল শেয়ার করা হয়েছিল কি না। শুধু তা-ই নয়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এও জানার চেষ্টা করছে, পহেলগাঁও হামলায় হামাস-স্টাইলের কোনও কৌশলগত বৈশিষ্ট্য ছিল কি না। জানা গিয়েছে, ওই হামলার পরিকল্পনা, টার্গেট ঠিক করা, এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু মিল দেখা গিয়েছে (Pahalgam Terror Attack Case)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাসের আক্রমণের সঙ্গেও এর তুলনা করা হয়েছে (NIA)। যদিও এসব সাদৃশ্য সম্পর্কে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। তদন্তকারীরা বৃহত্তর তদন্তের অংশ হিসেবে সব উপলব্ধ প্রমাণ মূল্যায়ন করে চলেছেন।

    এনআইএর চার্জশিট

    এনআইএর চার্জশিটে স্পষ্ট করা হয়েছে, সম্ভাব্য হামাস-যোগ প্রতিষ্ঠা করা এখনও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়। আধিকারিকদের মতে, এই তদন্তের ফল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক জেহাদি সংগঠনগুলির মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য দিতে পারে (Pahalgam Terror Attack Case)। কারণ এনআইএ পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে (NIA)।

     

  • Murshidabad Border: মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে, অপেক্ষায় আরও ৯

    Murshidabad Border: মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে, অপেক্ষায় আরও ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের (Infiltrators) খুঁজে বের করতে রাজ্যজুড়ে তুঙ্গে প্রশাসনিক তৎপরতা। এরই মধ্যে বড় খবর মিলল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad Border)। ভারত-বাংলাদেশের রানিনগর সীমান্ত চৌকি দিয়ে ১৭ জন বাংলাদেশিকে তাদের দেশে ফেরত পাঠাল বিএসএফ। সূত্রের খবর, শনিবার জেলা প্রশাসনের তরফে লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে থাকা এই ১৭ জনকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ওদিকে, বাংলাদেশ সরকারের তরফে ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়। বাংলাদেশ প্রশাসনের সবুজ সঙ্কেত মেলার পরেই হয় হস্তান্তর প্রক্রিয়া।

    বাংলাদেশি সন্দেহে পাকড়াও ২৬ (Murshidabad Border)

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার তরফে বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ দফায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মোট ২৬ জনকে। জেরায় তারা কবুল করে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক। সূত্রের খবর,   এদের মধ্যে অন্তত সাতজন কেরলে গিয়ে কাজ করছিল পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে। লাগাতার জেরায় অনুপ্রবেশকারীরা জানায়, সীমান্ত পারাপার করায় যেসব দালাল, কিছুদিন আগেই তারা বার্তা পাঠায় এই মর্মে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে চিরুনি তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে (Murshidabad Border)। নেওয়া হচ্ছে কড়া ব্যবস্থাও। ধরা পড়ার ভয়ে ওই বাংলাদেশিরা জলঙ্গি সীমান্তের বিদুপুরের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। যদিও সীমান্তে পৌঁছনোর আগেই ছাঁকনিতে আটকে যায় তারা। পরে ঠাঁই হয় হোল্ডিং ক্যাম্পে। এদিন হল বাংলাদেশে ফেরানো।

    বাড়ানো হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামো

    জানা গিয়েছে, শনিবারই পড়শি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১৭ জনকে। তাই লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৯ জন। যেহেতু অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করতে শুরু হয়েছে ধরপাকড়, এবং ধরাও পড়ছে, তাই তাদের রাখতে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামোও আরও বাড়ানো হচ্ছে। ভগবানগোলার স্বপন নগর মার্কেট কমপ্লেক্সে একটি নয়া হোল্ডিং সেন্টারও গড়ে তুলেছে জেলা প্রশাসন (Infiltrators)।প্রসঙ্গত, অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে পদ্ম-সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে চালানো হচ্ছে অভিযান। সেই অভিযানেই মিলছে সাফল্য (Murshidabad Border)।

  • Daily Horoscope 02 June 2026: সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 02 June 2026: সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতায় জেতার আশা রাখতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) ঘরের পরিবেশ অনুকূল থাকলেও বাইরে পরিবেশ খুব একটা উপযুক্ত হবে না।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ২) সাংসারিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 660: “প্রেম-ভক্তির পথে থাকলে দেহে মন আসে, তা না হলে আমি কে? মানুষও নই—দেবতাও নই—আমার সুখও নাই, দুঃখও নাই”

    Ramakrishna 660: “প্রেম-ভক্তির পথে থাকলে দেহে মন আসে, তা না হলে আমি কে? মানুষও নই—দেবতাও নই—আমার সুখও নাই, দুঃখও নাই”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৮ই এপ্রিল

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    “তুমি কেবল দুঃখটাই মনে করে রেখেছো। তিনি যে এত সুখ দিয়েছেন — তা ভুলে যাও কেন? তাঁর কত কৃপা! তিনটি বড় বড় জিনিস আমাদের দিয়েছেন—মানুষজন্ম, ঈশ্বরকে জানবার ব্যাকুলতা, আর মহাপুরুষের সঙ্গ দিয়েছেন। মনুষ্যত্বং মুমুক্ষুত্বং মহাপুরুষসংশ্রয়ঃ।”

    সকলে চুপ করিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আমার কিন্তু বেশ বোধ হয়, ভিতরে একটি আছে।

    রাজেন্দ্রলাল দত্ত আসিয়া বসিলেন। হোমিওপ্যাথিক মতে ঠাকুরের চিকিৎসা করিতেছেন। ঔষধাদির কথা হইয়া গেলে, ঠাকুর (Kathamrita) অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া মনোমোহনকে দেখাইতেছেন।

    ডাক্তার রাজেন্দ্র — উনি আমার মামাতো ভাইয়ের ছেলে।

    নরেন্দ্র নিচে আসিয়াছেন। আপনা-আপনি গান গাহিতেছেন:

    সব দুঃখ দূর করিলে দরশন দিয়ে, মোহিলে প্রাণ।
    সপ্তলোক ভুলে শোক, তোমারে পাইয়ে,
    কোথা আমি অতি দীন-হীন।

    নরেন্দ্রের একটু পেটের অসুখ করিয়াছে। মাস্টারকে বলিতেছেন — “প্রেম-ভক্তির পথে থাকলে দেহে মন আসে। তা না হলে আমি কে? মানুষও নই — দেবতাও নই — আমার সুখও নাই, দুঃখও নাই।”

    ঠাকুরের আত্মপূজা—সুরেন্দ্রকে প্রসাদ—সুরেন্দ্রের সেবা

    রাত্রি নয়টা হইল। সুরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তেরা ঠাকুরের কাছে পুষ্পমালা আনিয়া নিবেদন করিয়াছেন! ঘরে বাবুরাম, সুরেন্দ্র, লাটু, মাস্টার প্রভৃতি আছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) সুরেন্দ্রের মালা নিজে গলায় ধারণ করিয়াছেন, সকলেই চুপ করিয়া বসিয়া আছেন। যিনি অন্তরে আছেন, ঠাকুর তাঁহারই বুঝি পূজা করিতেছেন!

    হঠাৎ সুরেন্দ্রকে ইঙ্গিত করিয়া ডাকিতেছেন। সুরেন্দ্র শয্যার কাছে আসিলে প্রসাদীমালা (যে মালা নিজে পরিয়াছিলেন) লইয়া নিজে তাঁহার গলায় পরাইয়া দিলেন!

    সুরেন্দ্র মালা পাইয়া প্রণাম করিলেন। ঠাকুর আবার তাঁহাকে ইঙ্গিত করিয়া পায়ে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন। সুরেন্দ্র কিয়ৎক্ষণ ঠাকুরের (Kathamrita) পদসেবা করিলেন।

    কাশীপুর উদ্যানে ভক্তগণের সংকীর্তন

    ঠাকুর (Ramakrishna) যে ঘরে আছেন, তাহার পশ্চিমদিকে একটি পুষ্করিণী আছে। এই পুষ্করিনীর ঘাটের চাতালে কয়েকটি ভক্ত খোল-করতাল লইয়া গান গাইতেছেন। ঠাকুর লাটুকে দিয়া বলিয়া পাঠাইলেন — “তোমরা একটু হরিনাম কর।”

    মাস্টার, বাবুরাম প্রভৃতি এখনও ঠাকুরের কাছে বসিয়া আছেন। তাঁহারা শুনিতেছেন, ভক্তেরা গাইতেছেন:

    হরি বোলে আমার গৌর নাচে।

    ঠাকুর গান শুনিতে শুনিতে বাবুরাম, মাস্টার প্রভৃতিকে ইঙ্গিত করিয়া বলিতেছেন — “তোমরা নিচে যাও। ওদের সঙ্গে গান কর, — আর নাচবে।”

    তাঁহারা নিচে আসিয়া কীর্তনে যোগদান করিলেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর আবার লোক পাঠাইয়াছেন। বলেছেন (Kathamrita), এই আখরগুলি দেবে — “গৌর নাচতেও জানে রে! গৌরের ভাবের বালাই যাই রে! গৌর আমার নাচে দুই বাহু তুলে!”

    কীর্তন সমাপ্ত হইল। সুরেন্দ্র (Ramakrishna)  ভাবাবিষ্টপ্রায় হইয়া গাইতেছেন —

             আমার পাগল বাবা, পাগলী আমার মা।
    আমি তাদের পাগল ছেলে, আমার মায়ের নাম শ্যামা ॥
    বাবা বব বম্‌ বলে, মদ খেয়ে মা গায়ে পড়ে ঢলে,
    শ্যামার এলোকেশে দোলে;
    রাঙা পায়ে ভ্রমর গাজে, ওই নূপুর বাজে শুন না।

  • CID: সই-জালকাণ্ডে ফের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি, গরহাজিরার কী কারণ দর্শালেন তৃণমূল সাংসদ?

    CID: সই-জালকাণ্ডে ফের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি, গরহাজিরার কী কারণ দর্শালেন তৃণমূল সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সই-জালকাণ্ডে ফের তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেল সিআইডি (CID)। শনিবারই তাঁর ১৮৮-এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিশ লটকে দিয়ে এসেছিলেন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। পরে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কালীঘাটে বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতেই নোটিশ ধরিয়ে আসেন তাঁরা। আজ, সোমবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল ভবানীভবনে, সিআইডির দফতরে। যদিও গরহাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ। সিআইডিকে পাঠানো চিঠিতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শান।

    অভিষেকের বাড়িতে ফের সিআইডি (CID)

    এর পরেই এদিন বিকেল ৬টা নাগাদ তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে যায় সিআইডির টিম (CID)। যদিও বাড়ির ভেতরে ঢুকতে পারেননি আধিকারিকরা। তাই বাড়িতেই নোটিশ টাঙিয়ে ফিরে যান তাঁরা। সিআইডি-কে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। চিঠিতে অসুস্থতার কারণ জানানো হয়েছে বলে খবর। এদিন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আধিকারিকরা অভিষেকের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করেন। তার পরেও অভিষেকে দেখা যায়নি। পরে ভাতিজার বাড়ির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন অয়ন ঘোষ নামে একজন। তিনি সিআইডির কাছ থেকে একটি নোটিশ নিয়ে ভেতরে চলে যান। সিআইটির টিমও ফিরে যান। খানিকক্ষণ পরে ফের বাইরে আসেন অয়ন। তিনি জানান, নোটিশে সই করে রিসিভ করেছেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, অভিষেক ভবানীভবনে যাওয়ার জন্য কয়েকদিন সময় চেয়েছেন। যদিও সিআইডির তরফে এনিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সূত্রের খবর, ৮ জুন বেলা ১২টায় ভবানীভবনে ফের তলব করা হয়েছে ‘ডায়মন্ড মডেলের গর্বিত’ জনক অভিষেককে (Abhishek Banerjee)।

    সই জাল কাণ্ড

    প্রসঙ্গত, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হবেন, সম্প্রতি এই মর্মে একটি রেজোলিউশন নিয়েছিল তৃণমূল। দলীয় বিধায়কদের সই-সহ সেই রেজোলিউশন জমাও দেওয়া হয় বিধানসভায়। কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে সন্দেহ হয় বিধানসভার আধিকারিকদের। অভিযোগ দায়ের হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট এমএলএর বাড়িতে হানা দেন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে যান সিআইডির হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্টও। এই (Abhishek Banerjee) সই-কাণ্ডেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করেছে সিআইডি (CID)।

     

LinkedIn
Share