Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নাড়িয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।” ঠিক এই ভাষায়ই দেশবাসীকে সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি এও বলেন, “দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত (West Asia Crisis) বিশ্বজুড়ে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।” মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই বড় ধরনের জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে, ব্যাহত করেছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলিতে চলাচল। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির একটি গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমাদের বাণিজ্য পথগুলি প্রভাবিত হয়েছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সার সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। ভারতের ওপর এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী। সরকার প্রতিটি পরিবর্তিত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।” তিনি বলেন, “এই সঙ্কট ভিন্ন ধরনের এবং এর সমাধানও ভিন্নভাবে খোঁজা হচ্ছে। আমাদের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে ধৈর্য, সংযম এবং শান্তভাবে।” এর পরেই দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে থাকতে পারে। তবে সরকার এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজও করছে।” প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে কালোবাজারি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। দরিদ্র এবং অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আগাম উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বর্তমান সঙ্কটেও একই ধরনের ‘টিম ইন্ডিয়া পদ্ধতি’ অবলম্বন করার আহ্বান জানান (West Asia Crisis)। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতিকে বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন। এই প্রণালীতে আটকে রয়েছে বহু আন্তর্জাতিক জাহাজ, সেগুলিতে রয়েছেন ভারতীয় নাবিকরাও। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে এবং সেগুলিতে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় ক্রু সদস্য রয়েছেন।” তিনি জানান, ভারত কূটনৈতিকভাবে কাজ করছে যাতে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং অঞ্চলে উত্তেজনা কমানো যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালী চালু করা (West Asia Crisis)।” উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস ও কাজ করেন। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সঙ্কটের সময় দেশে ও বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    আত্মনির্ভর হওয়ার ডাক

    তিনি জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩,৭৫,০০০-এর বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ইরান থেকে ১,০০০-এরও বেশি জন। তাঁদের মধ্যে ৭০০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কাজ করছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধে মানবজীবনের কোনও হুমকি মানবতার স্বার্থে নয়। ভারত সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে তিনি বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে এই সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছেন। সরকার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে (West Asia Crisis)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সম্ভাব্য সব উৎস থেকে গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল জোগাড়ের চেষ্টা করছি। এই প্রচেষ্টা আগামী দিনগুলিতেও চলবে।” তিনি জানান, গত ১১ বছরে ভারত ৫৩ লাখ মেট্রিক টন কৌশলগত তেল মজুত করেছে।  আরও ৬৫ লাখ মেট্রিক টন সংরক্ষণ ক্ষমতার ভাণ্ডার তৈরি করার কাজ চলছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হত। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ করা হয়েছে। তিনি ৭০,০০০ কোটি টাকার জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন এবং আত্মনির্ভরতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই (PM Modi)।”

  • Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং বর্ষীয়ান নেতা সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগ দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তর কলকাতার (West Bengal Elections 2026) রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কংগ্রেসের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যে কংগ্রেস নেতা তৃণমূলের ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের মধ্যেও নিজের ঘরকে অক্ষত রেখে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। সেই কংগ্রেস নেতা এখন বিজেপিতে। রাজনীতির একাংশের মত তাঁর এই সিদ্ধান্ত সময়পোযোগী। বিধানসভা ভোটে উত্তর কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দেবে বিজেপি নেতৃত্ব।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার (West Bengal Elections 2026)

    সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং কলকাতার রাজনীতিতে কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। তবে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চৌরঙ্গী বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেসের যেমন মুখমাত্র ছিলেন, আবার একই ভাবে এই কেন্দ্র থেকে ২০২১ সালে নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) অংশগ্রহণও করেছিলেন। তবে জয়ী না হলেও তাঁর নেতৃত্ব এবং পরিচিতি প্রবল। বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেসের জন্য বিরাট ধাক্কা সন্তোষ পাঠকের যোগদান। সন্তোষ বলেন, “আমি ব্রাহ্মণ সন্তান। পুজো-অর্চনা যেমন জানি, তেমনই শ্রাদ্ধ করতেও জানি। এবার তৃণমূলের বিসর্জন দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”

    বিজেপিতে যোগদান

    সোমবার নিউটাউনের কার্যলয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak)। তবে যতদিন কংগ্রেসে ছিলেন আগে থেকেই পদ্মশিবিরে যোগদানের কথা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য দফতরের এক অনুষ্ঠানে তিনি গেরুয়া শিবিরে শামিল হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। সন্তোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত নির্বাচনে আমার জেতা আসন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ আর তৃণমূল যা খুশি করেছে। আমি নিজে চোখে পুলিশকে ছাপ্পা মারতে দেখেছি। আমি বুঝে গিয়েছি, কংগ্রেসের পক্ষে তৃণমূলকে সরানো সম্ভব নয়। একমাত্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করা সম্ভব।” তবে দলত্যাগের কারণ স্বরূপ জানা গিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসের বর্তমান সাংগঠনিক (West Bengal Elections 2026) অবস্থান এবং নেতৃত্বের সাথে মতপার্থক্যের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    রাজনৈতিক প্রভাব

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “সন্তোষ পাঠকের (Santosh Pathak)  মতো প্রভাবশালী নেতার বিদায়ে উত্তর কলকাতায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হলো। অন্যদিকে, বিজেপির জন্য এটি একটি বড় প্রাপ্তি।” তবে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) উত্তরকলকাতায় বিজেপির জয় নিয়ে দারুণ আশাবাদী পদ্ম শিবির।

  • Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যদি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে এবং তা পালন করে, তাহলে সে আর তফশিলি জাতির মর্যাদা দাবি করতে পারে না।” মঙ্গলবার একটি রায়ে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে সাফ (Religious Conversion) জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত উল্লেখ করেছে, তফশিলি জাতির পরিচয় শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যারা সংবিধানের ১৯৫০ সালের (SC) নির্দেশ অনুযায়ী হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম অনুসরণ করেন। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ১৯৫০ সালের এই আদেশে কোনও ধরনের অস্পষ্টতার সুযোগ নেই।

    তফশিলি জাতির মর্যাদা বাতিল (Religious Conversion)

    আদালত এও জানিয়েছে, ধারা ৩-এ অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোনও ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে, ব্যক্তির জন্ম যাই হোক না কেন, তার তফশিলি জাতির মর্যাদা সঙ্গে সঙ্গে এবং সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায়। বিচারপতিরা বলেন, “এই বিধিনিষেধ চূড়ান্ত এবং অচল।” আদালত জানিয়েছে, “সংবিধান, সংসদ বা রাজ্য বিধানসভা প্রণীত কোনও আইনের অধীনে কোনও সুবিধা, সুরক্ষা, সংরক্ষণ বা অধিকার এমন ব্যক্তিকে দেওয়া যাবে না, যিনি ধারা ৩ অনুযায়ী তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য নন। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ এবং এর কোনও ব্যতিক্রম নেই। একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে ধারা ৩-এ উল্লিখিত ধর্মের বাইরে অন্য ধর্ম পালন করে তফশিলি জাতির সদস্যপদ দাবি করতে পারেন না।”

    খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন অভিযোগকারী

    এই রায়টি একটি মামলার শুনানির সময় দেওয়া হয়, যেখানে এক ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছিলেন। ধর্মান্তরের পরেও তিনি তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন, দাবি করেন যে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন (Religious Conversion)। এই দাবি চ্যালেঞ্জ করে অভিযুক্ত পক্ষ জানায়, তিনি আর তফশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত নন। তাই ওই আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার তাঁর নেই। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সঙ্গে সহমত পোষণ করে জানিয়ে দেয়, কোনও ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ ও চর্চা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর তপশিলি জাতির মর্যাদা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শেষ হয়ে যায় (Supreme Court)।

    এসসি-এসটি আইন

    জানা গিয়েছে, মামলাটি একটি ফৌজদারি আবেদনের মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে এসসি-এসটি আইনের ৩(১)(আর), ৩(১)(এস), ৩(২)(ভিএ) ধারা-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৫০৬ ও ৩২৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগকারী, যিনি পিট্টালাভানিপালেম গ্রামে রবিবারের প্রার্থনা পরিচালনা করেন, অভিযোগ করেন, তিনি বারবার হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং তাঁর পরিবারের ওপর আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে জাতিগত গালিগালাজ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে তিনি মামলা দায়ের করেন (Religious Conversion)। তদন্ত শেষ হয়ে চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর, অভিযুক্ত হাইকোর্টে আবেদন করে মামলাটি খারিজ করার দাবি জানান। অভিযুক্তের যুক্তি ছিল, এসসি এবং এসটি আইনের অধীনে এফআইআর দায়ের করা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ অভিযোগকারী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “১৯৫০ সালের সংবিধান (শিডিউল কাস্টস) আদেশ স্পষ্টভাবে জানায়, যে ব্যক্তি আর হিন্দুধর্ম অনুসরণ করেন না, তাঁকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না (Religious Conversion)।”

  • Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সংঘাত শেষ করতে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে।’ সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এহেন দাবি নস্যাৎ করে দিল ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনাই হয়নি। সোমবার ইরানি সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফের নামে পরিচালিত এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি।” গালিবাফ এই জাতীয় খবরকে ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন। তিনি লিখেছেন, “ফেক নিউজ আর্থিক ও তেল বাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে আটকে রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।”

    ইরানের বার্তা (Iran)

    তাঁর এই মন্তব্য ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আলোচনা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বাঘাই বলেন, “যুদ্ধ শেষ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধুপ্রতিম দেশ থেকে বার্তা পাওয়া গিয়েছে।” এই আদান-প্রদান এমন একটা সময়ে ঘটছে, যখন আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং উভয় পক্ষই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইজরায়েল

    ইজরায়েল জানিয়েছে, তারা সোমবার তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এদিকে, ইরানও অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এই প্রণালী বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয় এই পথেই (Donald Trump)। এই বিঘ্নের জেরে বিশ্বজুড়ে বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। উদ্বেগ বাড়ছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে।

    ট্রাম্পের দাবি

    তবে ইরান অস্বীকার করলেও, ট্রাম্প দাবি করে চলেছেন যে আলোচনা এগিয়ে চলছে। সপ্তাহান্তে তিনি সতর্ক করে বলেন, “৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের (Iran) বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে।” সোমবার এক পোস্টে অবশ্য ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত বর্তমানে চলা বৈঠক ও আলোচনা সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প (Donald Trump) আরও জানান, রবিবার ইরানের এক শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যদিও তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি (Iran)।

     

  • Ramakrishna 607: “কেবল মিছে ঘোরা! কোন কোন জায়গায় এঁরই এক আনা কি দুই আনা, কোথাও চারি আনা, এই পর্যন্ত। এইখানেই পূর্ণ ষোল আনা দেখছি!”

    Ramakrishna 607: “কেবল মিছে ঘোরা! কোন কোন জায়গায় এঁরই এক আনা কি দুই আনা, কোথাও চারি আনা, এই পর্যন্ত। এইখানেই পূর্ণ ষোল আনা দেখছি!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    কিয়ৎক্ষণ পরে শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী পরমহংসদেবকে দর্শন করিতে আসিলেন। সঙ্গে কয়েকটি ব্রাহ্মভক্ত। বিজয়কৃষ্ণ ঢাকায় অনেক দিবস ছিলেন। আপাততঃ পশ্চিমে অনেক তীর্থ ভ্রমণের পর সবে কলিকাতায় পৌঁছিয়াছেন। আসিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন। অনেকে উপস্থিত ছিলেন (Kathamrita), — নরেন্দ্র, মহিমা চক্রবর্তী, নবগোপাল, ভূপতি, লাটু, মাস্টার, ছোট নরেন্দ্র ইত্যাদি অনেকগুলো ভক্ত।

    মহিমা চক্রবর্তী (বিজয়ের প্রতি) — মহাশয়, তীর্থ করে এলেন, অনেক দেশ দেখে এলেন, এখন কি দেখলেন বলুন।

    বিজয় — কি বলব! দেখছি, যেখানে এখন বসে আছি, এইখানেই সব। কেবল মিছে ঘোরা! কোন কোন জায়গায় এঁরই এক আনা কি দুই আনা, কোথাও চারি আনা, এই পর্যন্ত। এইখানেই পূর্ণ ষোল আনা দেখছি!

    মহিমা চক্রবর্তী — ঠিক বলছেন, আবার ইনিই ঘোরান, ইনিই বসান!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — দেখ, বিজয়ের অবস্থা কি হয়েছে। লক্ষণ সব বদলে গেছে, যেন সব আউটে গেছে। আমি পরমহংসের ঘাড় ও কপাল দেখে চিনতে পারি। বলতে পারি, পরমহংস কি না।

    মহিমা চক্রবর্তী — মহাশয়! আপনার আহার কমে গেছে?

    বিজয় — হাঁ, বোধ হয় গিয়েছে। (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — আপনার পীড়ার কথা শুনে দেখতে এলাম। আবার ঢাকা থেকে —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি?

    বিজয় কোন উত্তর দিলেন না। খানিকক্ষণ চুপ করিয়া রহিলেন।

    বিজয় — ধরা না দিলে ধরা শক্ত। এইখানেই ষোল আনা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কেদার বললে, অন্য জায়গায় খেতে পাই না — এখানে এসে পেট ভরা পেলুম! মহিমা চক্রবর্তী (Kathamrita)— পেট ভরা কি? উপচে পড়ছে!

    বিজয় (হাতজোড় করিয়া শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — বুঝেছি আপনি কে! আর বলতে হবে না!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবস্থ) — যদি তা হয়ে থাকে, তো তাই।

    বিজয় — বুঝেছি (Kathamrita)।

  • SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) লিস্টে কি আপনার নাম আছে? থাকলে কীভাবে দেখবেন? আবার যদি নাম বাদ যায়, তাহলে কীভাবে কোথায় আবেদন করবেন জানেন? রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা দুই রকম ভাবে জানা যাবে। অনলাইনে দেখার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আর যদি নাম বাদ যায় তাহলে জেলা শাসকের ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন তাও বলা হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    নাম আছে কিনা কীভাবে দেখবেন (SIR)?

    • প্রথম পদ্ধতি— https://voters.eci.gov.in ওয়েব সাইটে গিয়ে West Bengal Election 2026 অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর SIR Supplementary Roll অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের জেলা, বিধানসভা এবং বুথের নাম বা নম্বর দিয়ে সার্চ করতে হবে। এরপর তালিকা বের হবে এবং পিডিএফ ডাউনলোড করতে হবে। তারপর ভোটাররা (Election Commission) নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন। যদি কোন ব্যক্তির নাম বাদ যায়, তাহলে নামের পাশে ডিলিট লেখা থাকবে। আর নিষ্পত্তি না হলে নামের পাশে বিচারাধীন লেখা থাকবে।
    • দ্বিতীয় পদ্ধতি— ECI NET APP ব্যবহার করে সেখানে সরাসরি এপিক নম্বর ব্যবহার করে সার্চ করলেই জানা যাবে। ভোটার লিস্টে নাম আছে কিনা সম্পূর্ণ তথ্য দেখে বুঝতে হবে। ভোটারের নাম Supplementary Voter List খুঁজলেই বোঝা যাবে। আর যদি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করা হয় আর No Result Found দেখায় তাহলে বুঝতে হবে নাম বাদ পড়েছে। ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি সব ডিইও বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে যাবে সাপ্লিমেণ্টারি তালিকা। বিএলও পরবর্তী সময়ে বুথে টাঙিয়ে দেওয়া দেবে। ভোটাররা নিজেদের নাম দেখাতে পাবেন।

    ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন?

    নাম বাদ গেলে অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন ট্রাইব্যুনালে। এছাড়া, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমাশাসকের কাছে অফলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে প্রশাসন এই আবেদন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে (SIR) আপলোড করবে। এদিকে আবার ট্রাইব্যুনাল গঠন নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission)। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১৯ জন প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতির অফিস ও বাড়ি-সহ প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতিদের জন্য কর্মচারী নিয়োগ নিয়েও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কত বাদ নাম

    এ রাজ্যের মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষের নাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছিল। তাতে বাকি ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারেরই নাম রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায়। অর্থাত্‍ তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, বিধানসভা ভোটের মনোনয়ন পেশের শেষদিন পর্যন্ত যতজন ছাড়পত্র পাবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন’।

  • BJP Manifesto: ২৮ মার্চ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র

    BJP Manifesto: ২৮ মার্চ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল সাজাতে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী ২৮ মার্চ রাজ্যের জন্য দলের নির্বাচনী ইস্তাহার (BJP Manifesto) বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই সফরের মধ্য দিয়ে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী প্রচার এক নতুন মাত্রা পেতে চলেছে। বিজেপির সরকার হলেই মিলবে একাধিক জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা।

    সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার (Amit Shah)

    বিজেপির এবারের বিজেপির সংকল্পপত্রের (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং নারী নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখা থাকবে এই সংকল্প পত্রে।

    অমিত শাহের মেগা ইভেন্ট

    ২৮ মার্চ কলকাতায় একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ইস্তাহার উন্মোচন করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর কেবল ইস্তাহার প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন বলে জানা গেছে।

    আঞ্চলিক উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতি

    উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের মতো পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোর জন্য বিশেষ প্যাকেজ বা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা এই ইস্তাহারে বড় জায়গা করে নিতে পারে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতে সরকারে সকল পরিষেবা (West Bengal Elections 2026) পৌঁছে দেওয়া যায় সেই দিকেই বিজেপি সরকারের লক্ষ্য থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    তবে বিজেপির সংকল্পপত্র প্রকাশ না হলেও বিজেপি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে মহিলাদের ৩০০০ টাকা করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজ্যে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবেন। সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম পে কমিশনের নিরিখে ডিএ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, যাঁরা অন্যরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হয়েছেন, তাঁদেরকে আগামী এক বছরের মধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে শিল্প এবং বিনিয়োগ করার জন্য বিজেপি সব রকম অনুকূল পরিবেশ গড়বে। রাজ্য সভাপতি আরও জানিয়েছেন, ভারী শিল্পে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃষি এবং শিল্পের সহাবস্থান হবে অবশ্যই। তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ হবে না।

    রাজনৈতিক বার্তা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে হেভিওয়েট নেতার হাত দিয়ে ইস্তাহার প্রকাশ করে বিজেপি ভোটারদের কাছে নিজেদের গুরুত্ব এবং দায়বদ্ধতা প্রমাণ করতে চাইছে।

    কেন এই ইস্তাহার গুরুত্বপূর্ণ?

    বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে, গত কয়েক বছরের রাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে ছাপিয়ে একটি গঠনমূলক ‘ভিশন ডকুমেন্ট’ বা লক্ষ্যপত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। অমিত শাহের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা (West Bengal Elections 2026) কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা তৈরি করবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করবে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ইস্তাহারের সঙ্গে বিজেপির এই ‘সংকল্প পত্র’-এর তুলনা এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

  • RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতাল (RG Kar Case)। এবার ভালো চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে মৃত্যু হয়েছে বছর ষাটেকের বিশ্বজিৎ সামন্তের। দিন কয়েক আগে এই হাসপাতালেই লিফট বিপর্যয়ের জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের একবার দুর্ঘটনার জেরে আবারও খবরের শিরোনামে এই হাসপাতাল (BJP)। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় সোচ্চার বিরোধীরা।

    আরজি করের ট্রমা কেয়ারে শৌচালয় নেই (RG Kar Case)

    বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বিশ্বজিৎকে। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। রক্ত পড়া বন্ধ করতে রবিবার থেকেই তাঁর নাকে ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এরপর সামান্য উন্নতি হয় তাঁর শারীরিক অবস্থার। পরিবারের অভিযোগ, বিশ্বজিৎ শৌচালয়ে যেতে চেয়েছিলেন। ওই বিল্ডিংয়ে শৌচালয় না থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের বাইরে থাকা সুলভ শৌচালয় ব্যবহারের পরামর্শ দেন। উপায়ান্তর না দেখে স্ট্রেচারের খোঁজ করতে থাকেন তাঁর বাড়ির লোকজন। স্ট্রেচার না মেলায় তাঁকে হাঁটিয়েই শৌচালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই অসুস্থ বোধ করেন বিশ্বজিৎ। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে শোয়ানো হয় বেডে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামী রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে বাইরে থাকা জওয়ানকে সাহায্যের জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু তিনি আসেননি বলে অভিযোগ। রাজ্যের সরকারি একটি হাসপাতালে একের পর এক দুর্ঘটনা এবং (BJP) অব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মৃতের পরিবারও। যদিও এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    লিফটে আটকে মৃত্যু

    গত শুক্রবার লিফট বিপর্যয়ের জেরে এই হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছেলের ভাঙা হাতের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। শুক্রবার ছেলের হাতের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। সেদিনই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সেকশনে দৌড়াদৌড়ি করতে (RG Kar Case) থাকেন অরূপ। পরে ট্রমা কেয়ারের লিফটে উঠে পড়েন তিনজনেই। সেখানেই ঘণ্টাখানেক আটকে থাকার পর স্ত্রী ও ছেলের সামনেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, লিফট বেসমেন্টে আটকে যাওয়ার পর তাঁর স্বামী নেমে আসার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ই লিফ্‌ট হঠাৎ উপরের দিকে উঠে যেতে শুরু করে এবং লিফ্‌ট এবং দেওয়ালের মাঝখানে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা অরূপের। প্রচণ্ড চাপের ফলে তাঁর হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও লিভার ফেটে গিয়েছে। এছাড়া তাঁর হাত, পা এবং পাঁজরের হাড়ও ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ওই ঘটনায় লিফটম্যান-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিন্দা রাজ্য বিজেপির 

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ইচ্ছে করে মেরে দিয়েছে। খুনের মামলা দায়ের হওয়া উচিত। খুনের জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী আরজি করের সুপার। পরোক্ষভাবে দায় স্বাস্থ্য দফতর, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।” আর এক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যত সরকারি হাসপাতাল রয়েছে, সবক’টিই আরজি করের মতো আদতে মৃত্যু ফাঁদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। কী (BJP) করেছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও যোগ্যতাই নেই। তাই এবার পরিবর্তন দরকার।” বিজেপির মুখপাত্র, পেশায় আইনজীবী দেবজিৎ সরকার বলেন, “যারা লিফট চালাতে পারে না, তারা আবার সরকার চালাবে কী করে?”

    হাসপাতালে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার, আরজি কর মেডিক্যালের সামনে বিক্ষোভ দেখায় আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেছেন, ‘‘মেডিক্যাল কলেজগুলোর যে বর্তমান পরিস্থিতি, মানুষ এখানে বাঁচতে আসে না। এখানে মরতে আসে। প্রত্যেকটা মেডিক্যাল কলেজ এখন মর্গখানা এবং শ্মশান ঘাটে পরিণিত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে।’’ আর এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেন, ‘‘যতক্ষণ না এই বিষয়ের তদন্ত হচ্ছে এবং যারা যারা দোষী তাদের সাসপেনশন হচ্ছে, আমরা ততক্ষণ অবধি আন্দোলন করব। মমতা ব্যানার্জির যে সরকার, আজকে কেয়ারটেকিং সরকারে পরিণত হয়েছে। মমতা ব্যানার্জি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ফেল, পুলিশমন্ত্রী হিসেবে ফেল।’’

    আরজি করেই ঘটে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারের হত্যা (RG Kar Case)

    ২০২৪ সালে এই হাসপাতালেই ঘটেছিল সেই ভয়ঙ্কর ঘটনা। কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক তিলোত্তমাকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে খুন করা হয়। প্রথমে সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল লালবাজার। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের দায় বর্তায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের ওপর। সেই ঘটনার স্মৃতি এখনও রাজ্যবাসীর মনে রয়েছে দগদগে ক্ষতের মতো। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে (RG Kar Case) বেরিয়ে তিলোত্তমাকাণ্ডকে হাতিয়ারও করছে একাধিক রাজনৈতিক দল। বিচার না পেয়ে তিলোত্তমার মা প্রার্থী হয়ে চেয়েছেন পদ্ম শিবিরের। দিন চারেক আগে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে। তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘণ্টা দেড়েক কথা বলেন অর্জুন। এই সাক্ষাতের পরেই পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন তিলোত্তমার মা। রাজনীতিতে তিলোত্তমার মায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিলোত্তমার বাবা বলেন, “যাঁরা বিরোধী দলটা করছেন, যাঁদের শিরদাঁড়া রয়েছে, তাঁরা বিজেপি পার্টির। ক্ষমতায় আসতে পারে। তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা রয়েছে বিজেপির।” তিনি বলেন, “বাংলার নারী সুরক্ষার জায়গাটা আরও নিশ্চিত করতে পারব (BJP)।” তিলোত্তমার মা বলেন, “দুঃখ-যন্ত্রণা ভেতরে রয়েছে। সেটাই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সব পরিস্থিতি। তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজেই ফোন করে বলেছি, প্রার্থী হতে চাই। আমার মেয়েকে কেউ নির্বাচনে ব্যবহার করুক, সেটা চাই না। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি (RG Kar Case)।”

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram) একটি মন্দিরে রামচন্দ্রের মূর্তি ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরাসরি শাসক দল এবং প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। ঘটনাকে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের অপকর্ম বলে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় মন্দিরে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে রামচন্দ্রের মূর্তিকে অপমান করা হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া (Suvendu Adhikari)

    মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং জনসভায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের তুষ্টিকরণ রাজনীতির কারণেই দুষ্কৃতীরা এ ধরনের দুঃসাহস দেখাচ্ছে।” আগামী ২৭ মার্চ রাম নবমী তাই এলাকায় হিন্দুদের আতঙ্কিত করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে বলে তৃণমূলকে নিশানা করেন শুভেন্দু।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে গড়িমসি করছে। হুঁশিয়ারি দিচ্ছি  দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি। জেহাদিরা রামের মূর্তি ভেঙেছে, যেটা রাম নবমীর জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। রাজ্য সরকার হিন্দুদের বিরুদ্ধে। হিন্দু উৎসবের আগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে কিছু সমাজবিরোধী সব সময় এই ধরনের কাজ করে। এমনকি মুসলিমরাও আমাদের মিছিলে থাকেন, তাঁরা এসব করেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্কের জন্য কিছু গুন্ডা তৈরি করেছেন, তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।”

    শাসক দলের অবস্থান

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। সম্প্রীতি নষ্ট করার যেকোনও প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমনের কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক প্রতীকের অবমাননার ঘটনাগুলো রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে তুলছে।

  • Bengal BJP: বঙ্গজয়ের রণকৌশল স্থির করতে সোমেই শহরে নিতিন নবীন, রামনবমীর পরেই উত্তরবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

    Bengal BJP: বঙ্গজয়ের রণকৌশল স্থির করতে সোমেই শহরে নিতিন নবীন, রামনবমীর পরেই উত্তরবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে পাখির চোখ করে কোমর বেঁধে ময়দানে নামছে ভারতীয় জনতা পার্টির (Bengal BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী মাসেই নির্বাচনী প্রচারের শঙ্খনাদ করতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরবঙ্গে মোট ৪টি সভা করার কথা মোদির। এই সফরকে কেন্দ্র করে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে এখন সাজ সাজ রব। এদিকে, সোমবার রাতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (PM Modi-Nitin Nabin) আসছেন একাধিক কর্মসূচি নিয়ে।

    প্রধানমন্ত্রীর মেগা র‍্যালি (Bengal BJP)

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই বঙ্গ বিজেপির (Bengal BJP) বিশেষ অনুরোধে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক জনসভা ও রোড-শোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষত কলকাতার ‘বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ড’-এ সভার পর থেকে নেতা কর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার উত্তরবঙ্গে কৌশলগত এলাকাগুলোতে তাঁর উপস্থিতিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৭ কিংবা ৮ এপ্রিল উত্তরবঙ্গে বিশেষত শিলিগুড়িতে রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi-Nitin Nabin)। ইতিমধ্যে সোমবার উত্তরবঙ্গের বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন।

    ভোটে মেগা প্রচার

    জানা যাচ্ছে, রামনবমীর পর পশ্চিমবঙ্গে ১৪টি জনসভা ও রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM modi-Nitin Nabin)। ৮টি রোড শো ও জনসভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৭টি জনসভা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ৬টি জনসভা করবেন জেপি নাড্ডা ও ১০টি রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির (Bengal BJP) ভোট প্রচার প্রস্তুতি তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ার ওপর কড়া নজর রাখছে বিজেপি। ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দলের আইনি সেল ও কার্যকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

    কেন এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi-Nitin Nabin) এই আগাম সফর আসলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে এক ইঞ্চি জমিও ছেড়ে না দেওয়ার বার্তা। একদিকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরা, আর অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্য সরকারকে বিঁধে জনমত গঠন করাই বিজেপির (Bengal BJP) প্রাথমিক লক্ষ্য।

    সোমবার রাতে শহরে নিতিন নবীন

    বাংলায় এসে জোন ভিত্তিক সাংগঠনিক বৈঠক করতে চলেছেন নিতিন নবীন (PM modi-Nitin Nabin)। বিজেপির যে ১০টি বিভাগ রয়েছে, তার প্রত্যেকটি বিভাগের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করবেন। দলের সাংগঠনিক হাল হকিকত খতিয়ে দেখবেন। ভোটের সাংগঠনিক কৌশল স্থির করতেই সর্বভারতীয় সভাপতি আগামী সপ্তাহে রাজ্যে আসতে পারেন বলেই বিজেপি সূত্রের দাবি। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতেই তাঁর কলকাতা পৌঁছনোর কথা। নিউটাউনের হোটেলে মঙ্গলবার কোর কমিটির বৈঠকে থাকবেন তিনি। জানা যাচ্ছে, দু’দফার প্রার্থী তালিকা নিয়ে পর্যালোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে তৃতীয় তালিকা প্রকাশ, প্রচার কৌশল ও ইস্তাহার নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা। নিতিন নবীনের রাজ্যে আসা নিয়ে রাজনৈতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে। বিজেপি ভোট প্রচারের কৌশল নিয়েও আলোচনা করতে পারেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।  মঙ্গলবারের কোর কমিটির বৈঠকে প্রচার নিয়ে এক রণকৌশল তৈরি করবেন তিনি। বুধবার বৈঠক করবেন দলের নেতাদের সঙ্গে।  সেইসঙ্গে তাঁর কর্মসূচিতে জনসভা থাকবে কি না, তাও স্পষ্ট করতে নারাজ পদ্ম ফুল শিবির।

    আসবেন অমিত শাহ সহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা

    একই ভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির (Bengal BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি সহ শীর্ষ স্তরের একঝাঁক নেতা নিয়মিত ব্যবধানে বাংলায় সফর করবেন। প্রতিটি জেলার বুথ স্তরের সাংগঠনিক শক্তি পরখ করতে দিল্লি থেকে বিশেষ পর্যবেক্ষক দল নিয়োগ করা হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে বিজেপি নেতৃত্ব এবার বিশেষ কিছু ‘ফোকাস’ সিট বা আসন চিহ্নিত করেছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা এবং তফশিলি জাতি-জনজাতি প্রধান অঞ্চলগুলোতে দলের প্রচারের ধরন নিয়ে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা।

LinkedIn
Share