Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সিডনির বন্ডি বিচে সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির ভ্রমণ ইতিহাস সম্পর্কে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলির কথাই কবুল করে নিল পাকিস্তান। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে অভিযুক্তরা রাওয়ালপিন্ডিতেই ছিল। ইসলামাবাদ থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা “নন-স্টেট অ্যাক্টর কালচারাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে”র অংশ হিসেবে রাওয়ালপিন্ডিতে ছিল। তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছিল “স্পেশাল গেস্টস অব দ্য এস্টাবলিশমেন্ট” শ্রেণির অধীনে।

    গণগুলিবর্ষণ (Bondi Beach Attacker)

    এদিকে, ভারতের তেলঙ্গনা পুলিশ বন্ডি বিচে সংঘটিত গণগুলিবর্ষণের ঘটনাকে ঘিরে একটি প্রেস নোট জারি করেছে। এতে অভিযুক্তদের পরিচয় ও ভারতের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচনা করার পর বহু প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতেই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর সিডনির বন্ডি বিচে হনুক্কা উৎসব চলাকালীন এই গণগুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে ১৫ জন নিহত হন এবং দুই হামলাকারীর মধ্যে একজন নিহত হয়।

    সাজিদ আক্রম

    হামলাকারীদের পরিচয় হিসেবে ৫০ বছর বয়সি সাজিদ আক্রম এবং তার ২৪ বছর বয়সি ছেলে নবীদ আক্রমের নাম উঠে আসে। প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলেছে যে হামলাকারীরা আইএসআইএসের মতাদর্শে প্রাণিত হয়েছিল। ওই নোটেই বলা হয়েছে, সাজিদ আক্রম ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিল। সে সেখানে বিকম পাশ করে কাজের খোঁজে ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দেয়। পরবর্তীকালে সে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত মহিলা মিস ভেরা গ্রসোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায়ই বসবাস করতে শুরু করে সে। এই দম্পতির দুই সন্তান, একজন ছেলে নবীদ আক্রম, যে হামলাকারীদের একজন, এবং এক কন্যা। সাজিদের কাছে রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট, নবীদ অষ্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

  • PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত ও জর্ডন। সোমবার স্বাক্ষরিত হয়েছে ওই চুক্তি। এর প্রধান লক্ষ্য হল নবায়নযোগ্য শক্তি, জলসম্পদ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো (PM Modi)। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আম্মান আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো শক্তিও ভারত-নেতৃত্বাধীন বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই চুক্তিগুলি জর্ডন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের সরকারি সফরের সময় চূড়ান্ত হয়।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (PM Modi)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ফলের তালিকা অনুযায়ী, এই মউগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে যৌথ কাজ, পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে ‘টুইনিং’ চুক্তি, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির নবায়ন, এবং ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি সংক্রান্ত একটি ইচ্ছেপত্র।

    জর্ডনের ইচ্ছে

    আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো জোটে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে জর্ডন। অন্যদিকে, ভারত আম্মানের আল হুসেইন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত ইন্ডিয়া–জর্ডন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এখানে তিন বছরের মধ্যে ১০ জন মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের বৈঠকের সময়ই এই অগ্রগতির কথা সামনে আসে। বৈঠকে দুই নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরমাণু সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে তিনি একটি আট দফা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আট দফা দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান। এতে বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সার ও কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ—এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আম্মানে মহামান্য রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রাণবন্ত ভারত–জর্ডন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভবিষ্যতের দিনে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে (PM Modi)।”

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই ফলাফলগুলির তালিকা শেয়ার করেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলগুলি ভারত-জর্ডন অংশীদারিত্বের এক অর্থবহ সম্প্রসারণের প্রতীক। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের সহযোগিতা পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু দায়বদ্ধতার প্রতি উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে টুইনিং চুক্তি ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবন ভাগ করে নেওয়া জর্ডনের ডিজিটাল রূপান্তরকে সাহায্য করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)।”

  • Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ করেছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপের (Arup Biswas) পদত্যাগকে নাটক বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা। তিনি অরূপের এই পদত্যাগকে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, “এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক অনেক পুরানো নাটক।” তিনি বলেন, “সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসিকাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই নাটক করছেন মমতা।

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আন্তর্জাতিক প্লেয়ার মেসিকে নিয়ে কী যে হল আপনারা তা দেখলেন। তবে এটায়ও কয়েকশো কোটি টাকা চুরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগে কিছুই হবে না মুখ্যমন্ত্রী। আমরা অরূপের গ্রেফতারি চাই। অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর গ্রেফতারি চাই।” তিনি বলেন, “আপনারা যুবক ছেলের ইমোশন নিয়ে খেলা করেছেন। তাই টাকাগুলো ফেরত দিন। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আপনার পুলিশ দর্শকদের পিটিয়েছে। যাঁদের জেলে ভরেছেন, আগে তাঁদের জামিন দিন। তারপর আপনার সঙ্গে কথা হবে।”

    এ কোন নাটক!

    রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মন্তব্য করেছেন, তা নিছক কথার কথা নয়। কারণ তিনি পদত্যগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন একটি সাদা কাগজে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সেই চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। যা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করছেন নেটাগরিকরা। কেন অরূপ বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ এমন ‘সাদা কাগজে’ পদত্যাগপত্র লিখলেন? কারণ মন্ত্রী স্থানীয় কেউ যদি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবশ্যই নিজের বা মন্ত্রীর লেটারহেডে পদত্যাগপত্র লিখতে হবে (Suvendu Adhikari)। এভাবে সাদা পাতায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো (Arup Biswas) যায় কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, কোথাও অরূপ বিশ্বাসের নাম নেই। এমনকি চিঠির শেষে অরূপ বিশ্বাসের সইও দেখা যাচ্ছে না। গোটা চিঠির একটি জায়গায় মাত্র লেখা রয়েছে, ‘তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আমি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে অব্যাহতি চাইছি।’ এছাড়া আর কোথাও ক্রীড়ামন্ত্রী বা অরূপ বিশ্বাসের নামোল্লেখ দেখা যায়নি।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন

    নেটিজেনদের তৃতীয় প্রশ্ন হল, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে যদি ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল লেটারহেড নাও থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই ডিজিটাল যুগে মেইল করে বা কেন পদত্যাগপত্র পাঠালেন না? এখন ইমেইল করে পদত্যাগ পাঠানো অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য (Suvendu Adhikari)। নেটিজেনদের অনেকে সাদা পাতায় পদত্যাগপত্র লেখার বিষয়টি নিয়ে তুলোধনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। অনেকে অবার বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই কারসাজি। কেউ আবার বলেছেন, অভিষেক আর আইপ্যাকের চাপে বাধ্য হয়েই অরূপ পদত্যাগ করেছেন। আবার কারও মতে, মেসি-মেস থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে এই নাটকের অবতারণা। যদিও অরূপ এখনও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি (Arup Biswas)।

    এখন দেখার, সাদা কাগজে অরূপের পাঠানো এই পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেন কি না (Suvendu Adhikari)!

  • IPL Auction: রেকর্ড ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর, সঙ্গে একাধিক অনামীকেও

    IPL Auction: রেকর্ড ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর, সঙ্গে একাধিক অনামীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL) ইতিহাসে এখন সবথেকে দামি বিদেশি খেলোয়াড়। ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর। এর আগে ২৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় মিচেল স্টার্ককে কিনেছিল কেকেআর (KKR)। নিলামে এই টাকাই ছিল সবচেয়ে বেশি। এবার স্টার্ককে ছাপিয়ে গেলেন গ্রিন। নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভেঙে দিয়েছে। আইপিএল-এ এই খবরে বিরাট শোরগোল পড়েছে।

    দুই দলের মধ্যেই বিরাট তোড়জোড় (IPL)

    গ্রিনকে কেনার বিষয় নিয়ে যে চড়া দাম উঠবে তাঁর অবশ্য আগে থেকেই একটা ইঙ্গিত ছিল। ছোট নিলামে যে অলরাউন্ডাররা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে ভয়ঙ্কর তিনি। গ্রিনকে কিনতে কেকেআর (IPL) আর চেন্নাই সুপার কিংস দুই দলের মধ্যেই বিরাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। আন্দ্রে রাসেলকে আগেই ছেড়ে দিয়েছিল কলকাতা। চেন্নাই ছেড়ে দিয়েছিল স্যাম কারেনকে। তাই দুই দলের পেসার এবং অল রাউন্ডার দারুণ ভাবে প্রয়োজনীয় ছিল।

    দাম ক্রমেই উর্ধমুখী

    নিলামে দেখা গিয়েছিল গ্রিনের নাম বলার পরেই সবার আগে হাত তুলেছিল মুম্বই ইন্ডিইয়ান্স। যদিও ২ কোটি ৬০ লক্ষ দাম ওঠার পর মুম্বই কেটে পড়ে। এরপর দাম হাঁকে কেকেআর (KKR)। রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে তাদের লড়াই চলছিল। এরপর ক্রমেই বাড়ছিল গ্রিনের দাম। ১৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দাম ওঠার পর রাজস্থানও সরে যায়। এরপর আসরে নামে চেন্নাই। তবে ২০২৩ সালের নিলামে ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় গ্রিনকে কিনেছিল মুম্বই। এই টাকায় ২০২৪ সালে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। এবারে সেই টাকার অঙ্কও ছাপিয়ে যায়। ২০ কোটি পার হওয়ার পরপর বোঝা যাচ্ছিল বিরাট অঙ্কে গিয়ে ঠেকবেন। অবশেষে কেকেআর ২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা হাঁকলে চেন্নাই থেমে যায়। গ্রিনকে কিনে নেয় কেকেআর।

    একাধিক অনামীকে বাছল কেকেআর

    এখানেই অবশ্য থেমে থাকেনি শাহরুখ খানের দল। ১৮ কোটি টাকায় শ্রীলঙ্কার রহস্য পেসারকে নিয়ে নেয় কেকেআর। এর পর, ২ কোটি টাকায় কিউয়ি উইকেটকিপার ফিন অ্যালেনকেও কিনে নেয় কলকাতা। পাশাপাশি, রাজস্থানের সঙ্গে দীর্ঘ ক্ষণ লড়াই করে তেজস্বী সিংকে ৩ কোটিতে কিনে নেয় কলকাতা। দিল্লি প্রিমিয়ার লিগ থেকে উঠে আসা ক্রিকেটারকে নিয়ে মুম্বই, রাজস্থান এবং কলকাতার লড়াই হয়। ৭৫ লাখে রাহুল ত্রিপাঠিকে কিনে নেয় কেকেআর। মহারাষ্ট্রের ক্রিকেটার প্রশান্ত সোলাঙ্কি এবং কার্তিক ত্যাগীকেও কিনেছে কেকেআর। দুজনের জন্যই ৩০ লক্ষ টাকা করে খরচ করল বেগুনি ব্রিগেড।

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

  • Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) সম্মতি মিলল না মমতা সরকারের পাঠানো বিলে। রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার বিল ফেরত পাঠিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি। ফলে এটা নিশ্চিত পশ্চিমবঙ্গে সহায়তা প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যপদে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ফের একবার মুখ পুড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্য এবং রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চরম আকারে নিয়েছিল। এবার তা মিটবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, সততার প্রতীক মমতার আর আচার্য হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হল না।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল (Draupadi Murmu)

    পশ্চিমবঙ্গে সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী বিল ২০২২-এর দুটি বিলে সম্মতি দেননি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে আচার্যপদে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। রাষ্ট্রপতি বিলগুলিকে অনুমতি না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। লোকপাল ভবন থেকে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল আগের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য ২০ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে রাজ্যপাল নিজে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী বিল ২০২২, রাষ্ট্রপতির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিলে বলা হয়েছিল রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্য হিসেবে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও রাজ্য সরকারে পক্ষে যুক্তি ছিল এতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি আসবে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সুবিধা হবে। তবে কেন্দ্র সরকার বিলের সবটা বিবেচনা করে সম্মত প্রদান থেকে বিরত থাকে।

    বিলে আইন গত ত্রুটি!

    আবার সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হন। সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে গেলে সাংবিধানের অবমাননা হবে। তবে নিয়ম বদলের ক্ষেত্রে সংবিধানের মান্যতাকে খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) সম্মতি দেননি তাই রাজ্যের পাশ করা বিলে আইনগত ত্রুটি অবশ্যই রয়েছে। তবে রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়েগুলি দীর্ঘ সময় ধরে যেহেতু উপাচার্য নিয়োগের সংকটে ভুগছিল তাই এই সংশোধন আনা হয়েছে। তবে বিল নিয়ে বিধানসভার প্রথম থেকেই তৃণমূলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করেছিল বিজেপি। সংবিধান এবং সংশোধন সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে বার বার দাবি করেছে বিজেপি। এই বিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্ত্ব শাসন খর্ব করবে এবং রাজনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে বলে মনে করে করছে বিজেপি।

  • India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক বার বিশ্বমঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে দিল ভারত। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশ সাফ জানিয়ে দিল, জন্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ – এই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলই (India Slams Pakistan) দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ এবং চিরকাল একই থাকবে। প্রসঙ্গত, এদিন একটি (UNSC) বিতর্ক চলাকালীন পাকিস্তান ফের জন্মু-কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরেন। তার পরেই রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতনেনি এই মন্তব্য করেন। পাকিস্তানকে তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “ভারত ও ভারতের জনগণের ক্ষতি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চকে ক্রমাগত ব্যবহার করে চলেছে। তার আবেগগ্রস্ত মনোযোগ বজায় রেখেই চলেছে।”

    পাকিস্তানকে বার্তা (India Slams Pakistan)

    তিনি বলেন, “আজকের উন্মুক্ত বিতর্কে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ অযাচিতভাবে তোলা হয়েছে, যা ভারত ও তার জনগণের ক্ষতি সাধনে পাকিস্তানের আবেশগ্রস্ত মনোযোগেরই প্রমাণ।” পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কটাক্ষ করেন। তোলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “এটি একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন ইচ্ছেকে দমন করার একটি উপায়। ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে ইমরান খান জেলবন্দি রয়েছেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং তাঁর পরিবার লাগাতারভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গ্রেফতারির সমালোচনাও করে আসছে।”

    প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে!

    পার্বতনেনি বলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই তার জনগণের ইচ্ছেকে সম্মান করার একটি অনন্য পদ্ধতি অনুসরণ করে। একজন প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে পাঠিয়ে, ক্ষমতাসীন (India Slams Pakistan) রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে এবং ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে তার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটাতে দিয়ে, পাশাপাশি প্রধান প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানকে আজীবন (UNSC) দায়মুক্ত করে।”

    সিন্ধু জলচুক্তি

    সিন্ধু জলচুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের সাফাই দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “পাকিস্তান বারবার এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, তিনটি যুদ্ধ চালিয়েছে এবং একাধিক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে।” তিনি ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, যেখানে ২৬ জন প্রাণ হারান। পার্বতনেনির বক্তব্য, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদে মদত জুগিয়ে চলেছে (India Slams Pakistan)। তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, শুভকামনা ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। এই সাড়ে ছ’দশক ধরে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে এবং হাজার হাজার সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে চুক্তির মূল ভাবনাকেই লঙ্ঘন করেছে।” পার্বতনেনি বলেন, “এই প্রেক্ষাপটেই ভারত শেষ (UNSC) পর্যন্ত ঘোষণা করেছে যে, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত থাকবে ততদিন, যতদিন না বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ-সহ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বন্ধ করে (India Slams Pakistan)।”

     

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

  • Ramakrishna 534: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    Ramakrishna 534: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    ঠাকুর (Ramakrishna) দক্ষিণে বারান্দার দিকে উঠিয়া গেলেন। মণিকে আজ্ঞা করিলেন, “আমার হাতে জল দাও।” মণি ভৃঙ্গার হইতে জল ঢালিয়া দিলেন। ঠাকুর নিজের কাপড়ে হাত পুঁছিয়া আবার বসিবার স্থানে ফিরিয়া আসিলেন। ভদ্রলোকদের জন্য রেকাবি করিয়া পান আনা হইয়াছিল। সেই রেকাবির পান ঠাকুরের কাছে লইয়া যাওয়া হইল, তিনি সে পান গ্রহণ করিলেন না।

    ইষ্টদেবতাকে নিবেদন—জ্ঞানভক্তি ও শুদ্ধাভক্তি

    নন্দ বসু (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—একটা কথা বলব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—কি?

    নন্দ বসু—পান খেলেন না কেন? সব ঠিক হল, ওইটি অন্যায় হয়েছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঈষ্টকে দিয়ে খাই;—ওই একটা ভাব আছে।

    নন্দ বসু—ও তো ইষ্টতেই পড়ত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — জ্ঞানপথ একটা আছে; আর ভক্তিপথ একটা আছে। জ্ঞানীর মতে সব জিনিসই ব্রহ্মজ্ঞান করে লওয়া যায়! ভক্তিপথে একটু ভেদবুদ্ধি হয়।

    নন্দ—ওটা দোষ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—ও আমার একটা ভাব আছে। তুমি যা বলছ ও ঠিক বটে — ও-ও আছে।

    ঠাকুর গৃহস্বামীকে মোসাহেব হইতে সাবধান করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আর একটা সাবধান! মোসাহেবরা স্বার্থের জন্য বেড়ায়। (প্রসন্নের পিতাকে) আপনার কি এখানে থাকা হয়?

    প্রসন্নের পিতা—আজ্ঞে না, এই পাড়াতেই থাকা হয়। তামাক ইচ্ছা করুন।

    নন্দ বসুর বাড়িটি খুব বড় তাই ঠাকুর বলিতেছেন (Kathamrita)— যদুর বাড়ি এত বড় নয়; তাই তাকে সেদিন বললাম।

    নন্দ— হাঁ, তিনি জোড়াসাঁকোতে নূতন বাড়ি করেছেন।

    ঠাকুর নন্দ বসুকে উৎসাহ দিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নন্দ বসুর প্রতি) — তুমি সংসারে থেকে ঈশ্বরের প্রতি মন রেখেছ, এ কি কম কথা? যে সংসারত্যাগী সে তো ঈশ্বরকে ডাকবেই। তাতে বাহাদুরি কি? সংসারে থেকে যে ডাকে, সেই ধন্য! সে ব্যক্তি বিশ মন পাথর সরিয়ে তবে দেখে।

    “একটা ভাব আশ্রয় করে তাঁকে ডাকতে হয়। হনুমানের জ্ঞানভক্তি, নারদের শুদ্ধাভক্তি।

    “রাম জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হনুমান! তুমি আমাকে কি ভাবে অর্চনা কর?’ হনুমান বললেন, ‘কখনও দেখি, তুমি পূর্ণ আমি অংশ; কখনও দেখি তুমি প্রভু আমি দাস; আর রাম যখন তত্ত্বজ্ঞান হয়, তখন দেখি, তুমিই আমি — আমিই তুমি।’ —

    “রাম নারদকে বললেন, ‘তুমি বর লও।’ নারদ বললেন, ‘রাম! এই বর দাও, যেন তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়, আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই!”

    এইবার ঠাকুর গাত্রোত্থান করিবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নন্দ বসুর প্রতি) — গীতার মত — অনেকে যাকে গণে মানে, তাতে ঈশ্বরের বিশেষ শক্তি অছে। তোমাতে ঈশ্বরের শক্তি আছে।

    নন্দ বসু — শক্তি সকল মানুষেরই সমান।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিরক্ত হইয়া)—ওই এক তোমাদের কথা;—সকল লোকের শক্তি কি সমান হতে পারে? বিভুরূপে তিনি সর্বভূতে এক হয়ে আছেন বটে, কিন্তু শক্তিবিশেষ!

    “বিদ্যাসাগরও (Kathamrita) ওই কথা বলছিল,—‘তিনি কি কারুকে বেশি শক্তি কারুকে কম শক্তি দিয়েছেন?’ তখন আমি বললাম—যদি শক্তি ভিন্ন না হয়, তাহলে তোমাকে আমরা কেন দেখতে এসেছি? তোমার মাথায় কি দুটো শিং বেরিয়েছে?”

    ঠাকুর গাত্রোত্থান করিলেন। ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে উঠিলেন। পশুপতি সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুদগমন করিয়া দ্বারদেশে পৌঁছাইয়া দিলেন।

  • Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে (SIR)। ১১ ডিসেম্বর ছিল এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন (Draft Voter List)। বিএলওরা এসআইআর ফর্ম সংগ্রহ করে আপলোড করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। এই তালিকায় নাম থাকবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন বহু মানুষ, বিশেষত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না যাঁদের।

    এসআইআর (Draft Voter List)

    উল্লেখ্য যে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে আপলোড করছেন বিএলওরা। এসবের ভিত্তিতেই এবার প্রকাশিত হতে চলেছে খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা সহজে জানার দু’টি পদ্ধতির কথা জানিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনের মাধ্যমেও জানা যাবে ওই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা কোনও ব্যক্তির।

    অনলাইন পদ্ধতি

    প্রথমে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে কীভাবে খুঁজবেন নাম রয়েছে কিনা? কমিশন জানিয়েছে, কমিশনের ওয়েবসাইট eci.gov.in, বা voters.eci.gov.in সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েব সাইট ceowestbengal.wb.gov.in  কিংবা ‘ECI NET’ অ্যাপে গিয়ে (SIR) নিজের নাম এবং এপিক নম্বর দিতে হবে। তাতেই জানা যাবে খসড়া তালিকায় সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম রয়েছে কিনা। সংশ্লিষ্ট ভোটারের জেলার তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ওয়েবসাইটে গিয়েও খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তাও দেখা যাবে (Draft Voter List)।

    অফলাইন পদ্ধতি

    এবার আসা যাক অফলাইনের বিষয়ে। রাজ্যের সব বিএলওকে দেওয়া হবে খসড়া তালিকার হার্ড কপি। ভোটাররা নিজ নিজ বুথের বিএলওর কাছে গিয়ে খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার জন্য খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন বিএলওদের যতটা সম্ভব বুথে গিয়ে বসতে অনুরোধ করা হবে। এ ছাড়া রাজ্যের স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের হাতেও খসড়া তালিকার সফট কপি দেবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। জেলাস্তর থেকে রাজনৈতিক দলের বুথ লেভেল এজেন্টদের হাতে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি দেওয়া হবে। তাঁদের (SIR) কাছে গিয়েও ভোটাররা জানতে পারবেন, তালিকায় তাঁদের নাম উঠেছে কিনা (Draft Voter List)।

    খসড়া তালিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে, তা নিয়েও আলাদা তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে ডাকা এবং আলোচনার সাক্ষেপে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরওরা করবেন ১৬ ডিসম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের অনলাইনে ফর্ম ৬ এবং অ্যানেক্সার ৪ পূরণ হবে।

    এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই দেশের সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন। সব চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশকে। যদিও সেই তালিকায় নেই পশ্চিমবঙ্গের নাম। এর অর্থ হল, পশ্চিমবঙ্গে পূর্বের সময়সূচি মেনেই এগোবে এসআইআরের কাজ। কমিশনের যুক্তি, এ রাজ্যে যেভাবে এসআইআরের কাজ এগিয়েছে, তাতে অতিরিক্ত সময় লাগার কথা নয়। এসআইআরের মূল কাজ পশ্চিমবঙ্গে প্রায় শেষ। তা ছাড়া, সামনেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচনও (Draft Voter List)। তাই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না। কমিশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এ রাজ্যে (SIR)।

    মৃত ভোটারদের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, এনুমারেশন ফর্ম যাঁরা ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা করবেন না, তাঁদের নাম ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হতে চলা খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে মৃত ভোটারদের নামও। এনুমারেশন ফর্ম বাড়ি বাড়ি গিয়েও যাঁদের কোনও ঠিকানায় পাওয়া যায়নি, যাঁদের ফর্ম দেওয়া যায়নি, তাঁদের নাম থাকবে না খসড় তালিকায়। ডাবল এন্ট্রি থাকা ভোটারদের নামও বাদ যাবে। অর্থাৎ একই ভোটারের নাম দু’টি বুথ কিংবা দু’টি কেন্দ্রে পাওয়া গেলে, তাঁদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে।

    নাম বাদ পড়লে কী করবেন

    নাম বাদ পড়লে প্রাথমিকভাবে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে। সেখানে নির্বাচন কমিশন যেসব তথ্য নিয়ে যেতে বলেছে, সেগুলি নিয়ে যেতে হবে। তাঁরা সেই ডকুমেন্টস দেখে সন্তুষ্ট হলে কোনও সমস্যা নেই। আপনার নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে। কোনও বাড়তি পদক্ষেপ করতে হবে না। একান্তই যদি সেই হিয়ারিংয়ের সন্তুষ্ট না হয় কমিশন, তাহলে নাম বাদ যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে (SIR) আপনাকে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে (Draft Voter List)।

LinkedIn
Share