Tag: Bengali news

Bengali news

  • Al Falah University: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হত প্রতিদিন ১৫০ ভুয়ো রোগীর ফাইল!

    Al Falah University: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হত প্রতিদিন ১৫০ ভুয়ো রোগীর ফাইল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে ফরিদাবাদের (Pakistan) আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। বর্তমানে দেশের একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার নজরে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। কারণ দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার সঙ্গে যোগসূত্র সামনে এসেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রাক্তন নার্সিং কর্মী জানান, প্রতিদিন সেখানে ১০০ থেকে ১৫০টি ভুয়ো রোগীর ফাইল তৈরি করা হত। এই অবৈধ কাজটি করা হত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মুজ্জামিল শাকিল এবং পরে আত্মঘাতী হামলা চালানো উমর নাবির নির্দেশে। নির্দেশ মানতে অস্বীকার করলে তাঁদের অনুপস্থিত দেখানো হত, কেটে নেওয়া হত বেতনও। প্রাক্তন ওই কর্মী আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করা হত। কাশ্মীরি মেডিকেল কর্মী ও কিছু ডাক্তার নাইট শিফটে প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রশংসা করত, স্লোগান দিত ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলে। সূত্রের খবর, শাহিনা সাঈদ, মুজ্জামিলের সঙ্গে এনআইটি মার্কেটে যেত বিস্ফোরক ও সন্দেহজনক সামগ্রী কিনতে। তদন্তকারীরা এখন তাদের চলাফেরা, কেনা জিনিসপত্র এবং যোগাযোগের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখছেন।

    লক্ষ্মণের বক্তব্য (Al Falah University)

    রাজস্থানের নার্সিং স্টাফ লক্ষ্মণ ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। চাকরি ছেড়ে দেন অক্টোবর মাসেই। তিনি জানান, ভুয়ো ফাইলগুলি মূলত রাতের শিফটে তৈরি করা হত। প্রত্যেক কর্মীকে প্রতিদিন পাঁচটি করে ভুয়ো ফাইল তৈরি করতে হত। এই সব ফাইলে আগে থেকেই ডাক্তারদের সই করা থাকত। ভুয়ো ফাইলগুলিতে এমন সব ওষুধপত্রের রেকর্ড রাখা হত, যা রোগীদের কখনও দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন সকালে ডাক্তাররা এই ফাইলগুলি নিয়ে যেত, কিন্তু কর্মীদের কখনও জানানো হত না যে এর আসল উদ্দেশ্য কী। আসলে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অছিলায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করতে এগুলি ব্যবহার করা হত।

    বেতন বন্ধ করে দেওয়া হত

    যদি কেউ ভুয়ো ফাইল তৈরি করতে অস্বীকার করত, তাহলে তার বেতন বন্ধ করে দেওয়া হত। তবে এই কঠোর নিয়ম কাশ্মীরি কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল না। মুসলিম কর্মচারীরা প্রতি মাসে ৮০ কিলোগ্রাম বিনামূল্যে রেশন পেত। হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজে প্রায় ২০০ জন নার্সিং স্টাফ রয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মুসলিম এবং ২০ শতাংশ হিন্দু। মেডিকেল স্টাফ ও ডাক্তারদের প্রায় ৩৫ শতাংশই কাশ্মীর থেকে আসে (Al Falah University)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হিন্দু কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করত। দীপাবলিতে হিন্দু কর্মচারীদের মিষ্টি দেওয়া হত না, অথচ রমজান মাসে মুসলিম কর্মীদের বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হত। লক্ষ্মণ আরও বলেন, কাশ্মীরি চিকিৎসাকর্মী এবং ডাক্তাররা নাইট শিফটে কাজ করার সময় প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রশংসা করত। “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান দিয়ে হাসাহাসি ও ঠাট্টা করত। প্রায়ই কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হত। সেনাবাহিনী কাশ্মীরিদের ওপর অত্যাচার করছে বলেও দাবি করা হত (Pakistan)।

    একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও শিক্ষামন্ত্রী, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী-সহ বেশ কয়েকজন কর্তার কাছে চিঠি লিখেছেন আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা। তাঁদের লক্ষ্য, ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বর্তমান তদন্তের সময় যেন তাঁদের পড়াশোনা বাধাপ্রাপ্ত না হয়। আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকে ছাত্রছাত্রীরা সন্দেহ এবং বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। এর ফলে তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে বা ঠিকমতো ঘুমোতেও পারছেন না। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পাঞ্জাব, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলের ৩৬০ জনেরও বেশি অভিভাবক তাঁদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি লিখেছেন (Al Falah University)।

    ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের কাছে ব্যাপক বিস্ফোরণ হয়। একটি সাদা হুন্ডাই আই২০ গাড়ির ভিতরে শক্তিশালী বিস্ফোরণে প্রায় ১৫ জন নিহত হন, জখম হন ২০ জনেরও বেশি। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি জঙ্গি হামলা এবং আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এর যোগ ছিল।

    সুইসাইড বোমারু উমর নবি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিল। সে-ই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সাঈদকে গ্রেফতার করেছে। তাদের যোগাযোগ (Pakistan) জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর মিলেছে। শিক্ষিত পেশাজীবীদের জড়িত এই জঙ্গি মডিউলের তদন্ত এখনও চলছে (Al Falah University)।

  • Digital Survey: দেশে শুরু হবে জনগণনা, কবে থেকে জানেন?

    Digital Survey: দেশে শুরু হবে জনগণনা, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে দেশে চলছে এসআইআর। এই পর্বের শেষেই শুরু হয়ে যাবে জনগণনার (Census) কাজ। অন্তত এমনই জানাল (Digital Survey) কেন্দ্র। ২০২৭ সালে হবে জনগণনা। শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন সংসদে এমনই ঘোষণা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। যদিও এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে চলতি বছরের ১৬ জুন। মোট দু’দফায় হবে এই সেনসাসের কাজ। প্রথম পর্যায়ে হবে গৃহ তালিকাভুক্তি ও আবাসন জনগণনা। এটি চলবে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে হবে জনগণনা। এটি হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং লাদাখের মতো পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে যেহেতু তুষারপাত হয়, তাই সেই সব জায়গায় জনগণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Digital Survey)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, “দেশের সর্বত্র গণনার জন্য ২০২৭ সালের ১ মার্চকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হবে। তবে লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের বরফ-ঢাকা অঞ্চলগুলির জন্য জনগণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর রেফারেন্স তারিখ গণ্য হবে। এই প্রক্রিয়াটিতে পূর্ববর্তী অনুশীলনগুলি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

    প্রশ্নপত্র তৈরি

    প্রশ্নপত্র তৈরির বিষয়ে জনগণের মতামত সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে এমএইচএ জানিয়েছে (Digital Survey), জনগণনার প্রশ্নাবলী কেবল মাত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, ব্যবহারকারী সংস্থা এবং বিষয় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত করা হয়। জনগণনা ২০২৭ সালের মধ্যে দেশব্যাপী একটি প্রি-টেস্ট গত ৩০ নভেম্বরে শেষ হয়েছে। চূড়ান্ত প্রশ্নাবলী শীঘ্রই বিজ্ঞাপিত হবে বলেই মন্ত্রক জানিয়েছে। জনগণনা বিধি, ১৯৯০ সালের ৬ নম্বর বিধি অনুযায়ী, জনগণনার প্রশ্নাবলী এবং তফশিলগুলি আইনের ধারা ৮-এর উপধারা (১) এর অধীনে সরকারি গেজেটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপিত হয় সরকারি গেজেটের মাধ্যমে। প্রশ্নাবলী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সেনসাস কমিশনারের কার্যালয়।

    আগামী জনগণনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হবে ৭০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক গণনা অন্তর্ভুক্ত করা। এটি হবে ভারতের প্রথম ডিজিটাল জনগণনাও। এখানে তথ্য সংগ্রহ করা হবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। তবে যেসব অঞ্চলে এই সুবিধা নেই, সেখানে কাগজ-ভিত্তিক ফর্মও (Census) পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, জনগণনা হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালে। তবে করোনা অতিমারির কারণে সেই সময় হয়নি (Digital Survey)।

  • Delhi Red Fort Blast: ড্রোন-রকেটে হামাস ধাঁচে লালকেল্লা বিস্ফোরণের ছক! এনআইএ তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Delhi Red Fort Blast: ড্রোন-রকেটে হামাস ধাঁচে লালকেল্লা বিস্ফোরণের ছক! এনআইএ তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) তদন্তে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রকারীরা হামাসের (Hamas Style Attack) মতো সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। অভিযুক্তের মোবাইল থেকে মিলেছে ড্রোন এবং রকেট হামলার ভিডিও। গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে এক বিশাল বিস্ফোরণে জাতীয় রাজধানী কেঁপে ওঠে, যার ফলে ১২ জনের বেশি লোক নিহত এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছিল। পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহম্মদের সাথে যুক্ত একটি আন্তঃরাজ্য জঙ্গি মডিউল এই বিস্ফোরণের সাথে যুক্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। ইতিমধ্যে সন্ত্রাসবাদী মডিউলের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার নাশকতা মূলক জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার কাজিগুন্ডের বাসিন্দা জসির বিলাল ওয়ানিকে গ্রফতার করেছিল এনআইএ। তার মোবাইল থেকে মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    অ্যাপে হামলার ছক (Delhi Red Fort Blast)

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ অভিযুক্ত জসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশের ফোন পরীক্ষা করেছে। তাকে গত মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এনআইএ তদন্তের সময় জানতে পেড়েছে সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের (Delhi Red Fort Blast) অংশ হিসাবে হামাস (Hamas Style Attack)-ধাঁচের হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। অস্ত্রধারী ড্রোন ব্যবহার করার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। জসির বিলাল ওয়ানিওর ফোনের ফোল্ডারে ড্রোন-রকেট লঞ্চারের কয়েক ডজন ছবি এবং ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। যদিও সকল ছবি নিজেই আগে ডিলিট করে দিয়েছিল। তবে মুছে ফেলা ফোল্ডারের তথ্যে ড্রোনে বিস্ফোরক স্থাপনের ভিডিও টিউটোরিয়াল অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। ভিডিওগুলি ওয়ানির কাছে বিদেশি হ্যান্ডলাররা একটি অ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়েছিল বলে স্বীকার করেছে। এনআইএ এই নাশকতা মূলক অ্যাপটিতে বেশ কয়েকটি বিদেশী হ্যান্ডলারদেও খুঁজে পেয়েছে। এখন তাদের কাছ থেকে তথ্য জোগাড়ের কাজ করছে।

    বিস্তৃত অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পরিকল্পনা

    আবার তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসী হামলার (Delhi Red Fort Blast) ষড়যন্ত্রকারীরা ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে এমন একটি ড্রোন তৈরির কাজ করছিল। জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রকারীরা হামাসের (Hamas Style Attack) ব্যবহৃত গ্লাইডিং রকেটের মতো গ্লাইডিং রকেটও বিশেষ ভাবে পড়াশুনা করছিল। ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রস্তুতকারক সংস্থা ইন্দোউইংসের সিইও প্রতিষ্ঠাতা পারস জৈনকেও ঘটনার পিছনে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য এই রকেটগুলি মাটি থেকে বা এমনকি হাতেও নিক্ষেপ করা যেতে পারে। এগুলি মিসাইলের চেয়ে কম খরচের বিকল্প বিস্ফোরক হিসবে ব্যবহার করা যেতে পারে। একটি রকেট দিয়ে হামলা করতে ২০ সেকেন্ড সময় লাগে এবং ৩ মিনিটের মধ্যে তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা যায়। ধৃত জানিয়েছে বিস্তৃত অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে হামাস প্রচুর পরিমাণে রকেট ব্যবহার যে যাবে করেছিল তাদেরও ঠিক একই পরিকল্পনা ছিল।

    ইসালামের নামে শহিদ হতে চেয়েছিল

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ওয়ানি সন্ত্রাসী মডিউলের কারিগরি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিল। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি এবং ক্যামেরা দিয়ে ড্রোনগুলিকে পরিবর্তন করার কাজে পারদর্শী হয়ে উঠেছিল। ওয়ানি ড্রোনগুলিতে বিস্ফোরক (Delhi Red Fort Blast) পেলোড সংযুক্ত করার এবং ক্ষুদ্র রকেট তৈরির চেষ্টাও করছিল।

    ২০২৪ সালের অক্টোবরে কুলগামের একটি মসজিদে ওয়ানির সাথে লালকেল্লার বোমা হামলাকারী ডক্টর উমর উন নবীর দেখা হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বেশ কয়েক মাস ধরে নবী ওয়ানিকে গভীরভাবে জিহাদ বিষয়ে প্রভাবিত করেছিল। আত্মঘাতী বোমা হামলা (Hamas Style Attack) চালানোর জন্য তাকে রাজি করানোর চেষ্টাও করেছিল। তবে, নবী তাকে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানোর জন্য বারবার নানাভাবে প্রচেষ্টা চালায়। তা সত্ত্বেও ওয়ানি আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে ওয়ানি ২০২৫ সালের এপ্রিলে নবীর সঙ্গে সম্পর্কেকে অস্বীকার করে। আর্থিক সমস্যার জন্যই ইসলামের জন্য শহিদ হতে চেয়েছিল। তবে এনআইএ আরও জানিয়েছে, ওয়ানির আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হিসেবে রাজি না হওয়ায় তাকে সন্ত্রাসী মডিউলের প্রযুক্তিগত সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই হামলা যে হামাসের ছকে বড়সড় পরিকল্পনার অংশ ছিল তা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন।

  • Kashai: শ্বেত যজুর্বেদের অন্যতম কঠিন আবৃত্তি-প্রথা দন্তক্রাম পারায়ণম রপ্ত করে রেকর্ড গড়লেন তরুণ

    Kashai: শ্বেত যজুর্বেদের অন্যতম কঠিন আবৃত্তি-প্রথা দন্তক্রাম পারায়ণম রপ্ত করে রেকর্ড গড়লেন তরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্রই উনিশ। এই বয়সেই নজির গড়ে ফেলেছেন বারাণসীর বৈদিক প্রতিভা বেদমূর্তি দেবব্রত মহেশ রেখে (Mahesh Rekhe)। শ্বেত যজুর্বেদের অন্যতম কঠিন এবং অত্যন্ত কম অনুশীলিত (Kashai) আবৃত্তি-প্রথা দন্তক্রাম পারায়ণম সফলভাবে সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। তাঁর এই দক্ষতা কেবল প্রযুক্তিগত নিপুণতার জন্য নয়, বরং এমন একটি শাস্ত্রীয় রূপ পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ, যা প্রায় দু’শতাব্দী ধরে তাঁর বিশুদ্ধ রূপে সম্পাদিত হয়নি বলে মনে করা হয়।

    দন্তক্রাম (Kashai)

    এই সাফল্যের ব্যাপকতা দন্তক্রামের প্রকৃতিতেই নিহিত। শ্বেত যজুর্বেদের মধ্যন্দিন শাখায় প্রায় ২ হাজার মন্ত্র রয়েছে। এই আবৃত্তি প্রক্রিয়ায় ছন্দ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং স্বরের কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অসীম শৃঙ্খলার। পুরো ক্রমটি পাঠ্যগ্রন্থের কোনও সাহায্য ছাড়া, সম্পূর্ণ মুখস্থ, বিন্দুমাত্র ভুল ছাড়া এবং এমন স্বরনিয়ম মেনে আবৃত্তি করতে হয় যা ইতিহাসে মাত্র অল্প কয়েকজন পণ্ডিতই পূর্ণভাবে আয়ত্ত করতে পেরেছেন। টানা ৫০ দিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে এটি সম্পন্ন করা দেবব্রতকে ইতিহাসে এই প্রাচীন বৈদিক প্রথার সবচেয়ে বিরল অনুশীলনকারীদের মধ্যে এক অনন্য স্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর সাফল্যের মূল ভিত্তি হল তাঁর পিতা তথা গুরু, মহারাষ্ট্রের সুপ্রতিষ্ঠিত বৈদিক পণ্ডিত বেদব্রহ্মশ্রী মহেশ চন্দ্রকান্ত রেখের বহু বছরের কঠোর দিকনির্দেশনা (Kashai)।

    শুক্ল যজুর্বেদ

    শৃঙ্গেরী পীঠের বেদ পোষক সভার অধীনে শুক্ল যজুর্বেদ মধ্যন্দিন শাখার প্রধান পরীক্ষক হিসেবে মহেশ রেখে বহু দশক ধরে বৈদিক মৌখিক উচ্চারণের প্রকৃত পদ্ধতি সংরক্ষণ করে আসছেন। এটি আজ তাঁর ছেলের অসাধারণ কৃতিত্বে প্রতিফলিত হয়েছে। মহেশের এই কৃতিত্বে গর্বিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “১৯ বছর বয়সী বেদমূর্তি দেবব্রত মহেশ রেখে যা করেছেন, তা আগামী প্রজন্ম স্মরণ রাখবে! ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি (Mahesh Rekhe) যাদের ভালোবাসা আছে, তাদের প্রত্যেকেই তার জন্য গর্বিত। কাশীর সাংসদ হিসেবে আমি আনন্দিত যে এই অসাধারণ কীর্তি এই পবিত্র নগরীতে সম্পন্ন হয়েছে (Kashai)।”

  • Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের শক্তি এখন প্রকাশ পাচ্ছে, দেশ খুঁজে পাচ্ছে তার যোগ্য জায়গা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যখন কথা বলেন, তখন বিশ্বের নেতারা তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।” পুণেতে আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “কেউ যেন জয়ন্তী বা শতবার্ষিকীর মতো মাইলস্টোন উদযাপনের অপেক্ষায় না থাকে, বরং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অর্পিত কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অবিচল থাকে।”

    ভাগবতের বক্তব্য (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “সংঘ সেই কাজটাই করে আসছে। সংঘ শতবর্ষ পূরণ করেছে, নানা চ্যালেঞ্জ এবং ঝড়ঝাপটা অতিক্রম করেছে, কিন্তু এখন আত্মসমালোচনার সময়। তবে সমগ্র সমাজকে একত্রিত করার কাজ করতে এত দীর্ঘ সময় কেন লাগল?” তাঁর মতে, সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ভারত যখন উঠে দাঁড়ায়, তখন বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান হয়, সংঘাত কমে যায়, প্রতিষ্ঠিত হয় কাঙ্খিত শান্তি। সরসংঘ চালক বলেন,  “ইতিহাসে এই ঘটনা লেখা রয়েছে। আমাদের তা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বর্তমান সময়ে এটিই সবচেয়ে জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তামাম বিশ্ব ভারতের কাছ থেকে এই প্রত্যাশাই করে। আর সেই কারণেই সংঘের স্বয়ংসেবকরা প্রথম দিন থেকেই এই সংকল্প নিয়ে কাজ করে আসছেন।”

    মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে

    ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক মর্যাদা তুলে ধরে ভাগবত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে, জানেন? তাঁর কথা এখন শোনা হচ্ছে কারণ ভারতের শক্তি এখন সেই সব জায়গায় প্রকাশ পেতে শুরু করেছে, যেখানে তার থাকা উচিত। আর এই কারণেই বিশ্ব ভারতের দিকে নজর দিচ্ছে (Mohan Bhagwat)।” এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি স্মরণ করেন আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের ত্যাগ ও অবদানের কথা। তিনি বলেন, “১৯২৫ সালে নাগপুরে হিন্দুত্ববাদী এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার পর সংঘের স্বয়ংসেবকরা বহু প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তাঁদের দায়িত্ব পালনের যাত্রা শুরু করেছিলেন।” ভাগবত জানান, তাঁদের কাজ ইতিবাচক ফল দেবে, এ ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা ছিল না। বলেন, “সংঘ স্বয়ংসেবকরা সাফল্যের বীজ বপন করেছিলেন এবং নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছিলেন। তাঁদের প্রতি আমাদের সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকা উচিত (PM Modi)।”

    সরসংঘ চালক বলেন, “আমাদের ভিত্তি বৈচিত্রের মধ্য দিয়ে ঐক্যে নিহিত। তাই আমাদের এক সঙ্গে চলতে হবে। আর তার জন্য ধর্ম অপরিহার্য। ভারতের সব দার্শনিক মতবাদ একটি উৎস থেকেই উদ্ভূত। কারণ সব কিছুই পরস্পর সংযুক্ত। আমাদের সামঞ্জস্য বজায় রেখে এগোতে হবে (Mohan Bhagwat)।”

  • Suvendu Adhikari: মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল! ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল! ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআরের (SIR) কথা ঘোষণা হতেই ফুঁসে উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল। সৌজন্য তো বটেই, হেটো রাজনীতি করতে গিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করে (বিরোধীদের অভিযোগ) এসআইআরের প্রতিবাদে পথে নেমে পড়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন (Suvendu Adhikari), ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের বাঁচিয়ে রেখে দিব্যি গদি আঁকড়ে পড়ে রয়েছে তৃণমূল। এসআইআর হলে বাদ পড়বে এদের নাম। স্বাভাবিকভাবেই গদি খুইয়ে পথে বসতে হবে তৃণমূলেশ্বরীকে। রাজ্যের বিরোধী দল প্রথম থেকেই এই দাবিটাই করে আসছে।

    হাতে গরম প্রমাণ (Suvendu Adhikari)

    তাঁদের অভিযোগ, ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের কার্ড কাজে লাগিয়ে ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতে চাইছে তৃণমূল। তাই এই বিরোধিতা। বিরোধীদের এহেন দাবি যে নিছক গল্পগাছা নয়, তার ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের একটি ছবিও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর দাবি, বিভিন্ন জায়গায় বিডিওদের দিয়ে অপকর্ম করানো হচ্ছে। প্রশাসনকে অপব্যবহার করে প্রভাবিত করা হচ্ছে এসআইআর প্রক্রিয়াকে। শুভেন্দুর দাবি, “কুলতলি, জয়নগর বিধানসভা-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিএলওদের চাপ দেওয়া হচ্ছে, যাতে মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে।”

    কথোপকথনের নমুনা

    কুলতলির বিডিও যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রয়েছেন তার কথোপকথন নমুনা হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “মৃত ব্যক্তিদের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নিধেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। যে ভোটাররা ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন, তাঁদের তথ্যও অপরিবর্তিত রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে (SIR)।” বিধায়কের (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অমান্য করে প্রশাসন আদৌ কি এই রকম নির্দেশ দিতে পারে?” এই ইস্যুটি খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশনকে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছিলেন তিনি। নন্দীগ্রামের বিধায়কের পোস্টের পর এ বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

    আইপ্যাককে নিয়ে প্রশ্ন

    সোমবারই সিইও অফিসে গিয়ে মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন শুভেন্দু। সিইও-র সঙ্গে বৈঠকের সময় আইপ্যাককে নিশানা করেছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আইপ্যাকের সাহস হয় কীভাবে, ডেটা এন্ট্রিতে ঢুকছে?” এজন্য সিবিআই তদন্তও দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। আইপ্যাককে নিয়ে আগেও বোমা ফাটিয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ ছিল, তৃণমূল আইপ্যাকের সাহায্য নিয়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের নাম রাখছে (SIR)। তাঁর প্রশ্ন, “নির্বাচন কমিশন কি এই প্রশাসনিক অন্তর্ঘাত উপলব্ধি করতে পারছে না?”

    দলদাস প্রশাসনের কীর্তি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “দলদাস প্রশাসনের কীর্তি দেখুন। এই ভয়েস ক্লিপিং ফলতারই একজন বিএলওর যিনি পরিষ্কার অভিযোগ করেছেন, ফলতার বিডিও এবং এআরও গতকাল বিকেল তিনটের পর সব বিএলওদের ফোন করে নির্দেশ দেন, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া কোনও মৃত ব্যক্তির নাম কাটা যাবে না। অথচ পরিবারের লোক মৃতদের এনুমারেশন ফর্মে ডিক্লিয়ারেশন স্বাক্ষর করেছেন (Suvendu Adhikari)। বিএলওদের বলা হচ্ছে, ফর্মগুলি আপলোড না করে, অ্যানিম্যাপিং করে ছেড়ে দিতে, কেন যাতে পরে জোচ্চুরি করা যায়!” শুভেন্দু বলেন, “ফলতা নিয়ে অডিও ট্যুইট করেছি। তার পরে কুলতলিতে স্ক্রিনশট দিয়েছি। বলছে, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া মৃত ভোটারের নাম কাটা যাবে না। অথচ তাঁর বাড়ির লোক লিখে দিচ্ছেন ডেড। তবুও রাখতে হবে। এরা হাইকোর্ট, কাউকে মানে না। এদের কপালে অনেক দুঃখ আছে (SIR)।”

    অডিও ক্লিপ জমা দিয়েছিল সিপিএমও

    এদিকে, মৃত ভোটারদের নাম তালিকায় রেখে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল। এমন মারাত্মক অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনে অডিও ক্লিপ জমা দিয়েছিল সিপিএমও (Suvendu Adhikari)। এর প্রায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এক্স হ্যান্ডেলে একটি অডিও ক্লিপ পোস্ট করে কার্যত একই অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, এই অডিও ক্লিপে একটি কণ্ঠস্বর এক বিএলওর। যিনি ফলতার বিডিও এবং এআরওর নামে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছেন। সোমবার সিইওর দফতরে সিপিএমের তরফে যে অডিও ক্লিপ জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানেও শোনা গিয়েছে, মৃতদের নাম ভোটার লিস্টে রেখে দিতে, ডেথ সার্টিফিকেট না দেওয়ার প্রসঙ্গ।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে ২ হাজার ২০৮টি পোলিং স্টেশনে ১০০ শতাংশ পূরণ করা এনুমারেশন ফর্ম ফেরত এসেছে। অর্থাৎ এই পোলিং স্টেশনগুলিতে না কোনও মৃত ভোটার আছে, না কোনও স্থানান্তরিত ভোটার। এমনটা কি আদৌ সম্ভব? এই পরিসংখ্যান নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই বারংবার প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ভোটার তালিকায় মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে রাখার মরিয়া (SIR) চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল (Suvendu Adhikari)?

  • Suvendu Adhikari: হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার লিস্টে নাম না তোলার নির্দেশ মমতার, কল রেকর্ড ফাঁসে বিস্ফোরক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার লিস্টে নাম না তোলার নির্দেশ মমতার, কল রেকর্ড ফাঁসে বিস্ফোরক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নাকি খুব স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও হিন্দুদের যেন ভোটার তালিকায় নাম না ওঠে। এবার এই ইস্যুতে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনায় মতুয়া সম্প্রদায়ের মমতাবালা ঠাকুর সমর্থিত তৃণমূলের একটি মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশি শরণার্থীদের এমন মন্তব্য যে করেছেন সেই রেকর্ড নাকি শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আছে। ঠিক এমন দাবি তুলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু। তবে রাজ্যে এসআইআর আবহে বাংলাদেশি হিন্দু শরণার্থীদের সুরক্ষা নিয়ে ফের একবার রাজনৈতিক পারদ চরম শিখরে।

    হিন্দু বিরোধী মমতা (Suvendu Adhikari)

    মালদার ইংরেজ বাজারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছেন বাংলাদেশ থেকে ধর্মরক্ষার জন্য আসা হিন্দুদের নাম যেন না তোলা হয়। শুধু তাই নয় উত্তর ২৪ পরগনার ডিএম-কে কোট করে বলেছেন নাম যেন না তোলা হয় ভোটার লিস্টে। আমার কাছে রেকর্ডিং রয়েছে। আর এরপর থেকেই জেলাশাসক ভোট কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। ধর্ম বাঁচানোর জন্য যারা এই দেশে এসেছেন তাদের নাম যাতে বাদ দেওয়া হয় তার জন্যই নির্দেশ দিয়েছেন। ইনিই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী, উনি সম্পূর্ণ হিন্দু বিরোধী।”

    রাজধর্ম পালনের বদলে চলেছে তোষণ

    মালদায় এদিন বিজেপির সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষা, জাতের নামে বিভক্ত করা যাবে না। হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কেউ কেউ বলেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তবে পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম যার, রক্ষা করার দায়িত্বও তার। যদি আমরা ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র জাতের নামে বিভক্ত হয় তাহলে শত্রুরা সুযোগ নেবে। তাই হিন্দুদের নাম, জাত পাতের ভিত্তিতে আলাদা হওয়া যাবে না। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল খুব পরিকল্পনা করে আমাদের উপর আক্রমণ করছে। আমাদের লোকজন যেখানে সংখ্যা কম সেখানে আমাদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। যাদের রাজধর্ম পালনের কথা তাঁরা এখন তোষণের রাজনীতি করছে। আমরা অনেক নিরপেক্ষতার পোশাক গায়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষতি করেছি। আমরা কাউকেই আঘাত করতে চাই না। আমরা সহাবস্থানে বিশ্বাস করি। আমরাই কেন আক্রান্ত হবো?”

  • Ramakrishna 523: “রামলালার উপর যা যা ভাব হত, তাই পূর্ণাদিকে দেখে হচ্ছে! রামলালাকে নাওয়াতাম, খাওয়াতাম, শোয়াতাম”

    Ramakrishna 523: “রামলালার উপর যা যা ভাব হত, তাই পূর্ণাদিকে দেখে হচ্ছে! রামলালাকে নাওয়াতাম, খাওয়াতাম, শোয়াতাম”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৫ই জুলাই
    সুপ্রভাত ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ — মধুর নৃত্য ও নামকীর্তন

    এইবার ঠাকুর ভক্তসঙ্গে ছোট ঘরটিতে বসিয়াছেন। দিগম্বর! যেন পাঁচ বৎসরের বালক! মাস্টার, বলরাম আরও দুই-একটি ভক্ত বসিয়া আছেন।

    রূপদর্শন কখন? গুহ্যকথা—শুদ্ধ-আত্মা ছোকরাতে নারায়ণদর্শন

    রামলালা, নিরঞ্জন, পূর্ণ, নরেন্দ্র, বেলঘরের তারক, ছোট নরেন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঈশ্বরীয় রূপ দর্শন করা যায়! যখন উপাধি সব চলে যায়,—বিচার বন্ধ হয়ে যায়,—তখন দর্শন। তখন মানুষ অবাক্‌ সমাধিস্থ হয়। থিয়েটারে গিয়ে বসে লোকে কত গল্প করে,—এ-গল্প সে গল্প। যাই পর্দা উঠে যায় সব গল্প-টল্প বন্ধ হয়ে যায়। যা দেখে তাইতেই মগ্ন হয়ে যায়।

    “তোমাদের অতি গুহ্যকতা বলছি। কেন পূর্ণ, নরেন্দ্র, এদের সব এত ভালবাসি। জগন্নাথের সঙ্গে মধুরভাবে আলিঙ্গন করতে গিয়ে হাত ভেঙে গেল। জানিয়ে দিলে, “তুমি শরীরধারণ করেছ—এখন নররূপের সঙ্গে সখ্য, বাৎসল্য এইসব ভাব লয়ে থাকো।”

    “রামলালার উপর যা যা ভাব হত, তাই পূর্ণাদিকে দেখে হচ্ছে! রামলালাকে নাওয়াতাম, খাওয়াতাম, শোয়াতাম,—সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে বেড়াতাম,—রামলালার জন্য বসে বসে কাঁদতাম, ঠিক এই সব ছেলেদের নিয়ে তাই হয়েছে! দেখ না নিরঞ্জন। কিছুতেই লিপ্ত নয়। নিজের টাকা দিয়ে গরিবদের ডাক্তারখানায় নিয়ে যায়। বিবাহের কথায় বলে, ‘বাপরে! ও বিশালাক্ষীর দ!’ ওকে দেখি যে, একটা জ্যোতিঃর উপর বসে রয়েছে।

    “পূর্ণ উঁচু সাকার ঘর—বিষ্ণুর অংশে জন্ম। আহা কি অনুরাগ!

    (মাস্টারের প্রতি)—“দেখলে না,—তোমার দিকে চাইতে লাগল—যেন গুরুভাই-এর উপর—যেন ইনি আমার আপনার লোক! আর-একবার দেখা করবে বলেছে (Kathamrita)। বলে কাপ্তেনের ওখানে দেখা হবে।”

    নরেন্দ্রের কত গুণ—ছোট নরেণের গুণ

    “নরেন্দ্রের খুব উঁচু ঘর—নিরাকারের ঘর। পুরুষের সত্তা।

    “এতো ভক্ত আসছে, ওর মতো একটি নাই।

    “এক-একবার বসে বসে খতাই। তা দেখি, অন্য পদ্ম কারু দশদল, কারু ষোড়শদল, কারু শতদল কিন্তু পদ্মমধ্যে নরেন্দ্র সহস্রদল!

    “অন্যেরা কলসী, ঘটি এ-সব হতে পারে,—নরেন্দ্র জালা।

    “ডোবা পুষ্করিণী মধ্যে নরেন্দ্র বড় দীঘি! যেমন হালদার-পুকুর।

    “মাছের মধ্যে নরেন্দ্র রাঙাচক্ষু বড় রুই, আর সব নানারকম মাছ—পোনা, কাঠি বাটা, এই সব।

    “খুব আধার,—অনেক জিনিস ধরে। বড় ফুটোওলা বাঁশ!

    “নরেন্দ্র কিছুর বশ নয়। ও আসক্তি, ইন্দ্রিয়-সুখের বশ নয়। পুরুষ পায়রা। পুরুষ পায়রার ঠোঁট ধরলে ঠোঁট টেনে ছিনিয়ে লয়,—মাদী পায়রা চুপ করে থাকে।

    “বেলঘরের তারককে মৃগেল বলা যায়।

    “নরেন্দ্র পুরুষ, গাড়িতে তাই ডান দিকে বসে। ভবনাথের মেদী ভাব ওকে তাই অন্যদিকে বসতে দিই!

    “নরেন্দ্র সভায় থাকলে আমার বল।”

    শ্রীযুক্ত মহেন্দ্র মুখুজ্জে আসিয়া প্রণাম করিলেন। বেলা আটটা হইবে। হরিপদ, তুলসীরাম, ক্রমে আসিয়া প্রণাম করিয়া বসিলেন। বাবুরামের জ্বর হইয়াছে,—আসিতে পারেন নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারাদির প্রতি — ছোট নরেন এলো না? মনে করেছে, আমি চলে গেছি। (মুখুজ্জের প্রতি) কি আশ্চর্য! সে (ছোট নরেন) ছেলেবেলায় স্কুল থেকে এসে ঈশ্বরের জন্য কাঁদত। (ঈশ্বরের জন্য) কান্না কি কমেতে হয়!

    “আবার বুদ্ধি খুব। বাঁশের মধ্যে বড় ফুটোওলা বাঁশ!

    “আর আমার উপর সব মনটা। গিরিশ ঘোষ বললে (Kathamrita), নবগোপালের বাড়ি যেদিন কীর্তন হয়েছিল, সেদিন (ছোট নরেন) গিছিল,—কিন্তু ‘তিনি কই’ বলে আর হুঁশ নাই,—লোকের গায়ের উপর দিয়েই চলে যায়!

    “আবার ভয় নাই—যে বাড়িতে বকবে। দক্ষিণেশ্বরে তিনরাত্রি সমানে থাকে।”

  • Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin Modi Meet)। আগামী ৪-৫ তারিখ ভারতে কাটাবেন তিনি। এই সময়ের মধ্যেই পুতিন বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, এটি গত চার বছরে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দেশের নেতাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ করে দেবে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Putin Modi Meet)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আসন্ন রাষ্ট্রীয় সফরটি ভারত ও রাশিয়ার নেতৃত্বকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির পর্যালোচনা করার, ‘বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করার এবং পারস্পরিক স্বার্থসম্পন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলিতে মতবিনিময় করার সুযোগ করে দেবে।” ক্রেমলিনের তরফেও বলা হয়েছে, আলোচনার বিস্তৃত পরিসর রয়েছে, যেখানে রাজনীতি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও বৈশ্বিক বিষয়-সহ বহু ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকারি একটি নোটে ক্রেমলিন জানিয়েছে, “এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের ব্যাপক অ্যাজেন্ডা বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্বের আওতায় সর্বাঙ্গীনভাবে আলোচনা করার সুযোগ দেবে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও বিবেচনা করা হবে।”

    প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা

    সূত্রের খবর, শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) ভারত ও রাশিয়া মূলত প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবে। ভারত আরও এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায়। কারণ ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় এগুলি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তিনটি ইউনিট এসে গিয়েছে। আরও দুটি আসার কথা আগামী বছরে। কেন সরবরাহে দেরি হচ্ছে রাশিয়ার কাছে তা জানতে চাইবে ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি সামিটে বলেন, “এস-৪০০ সংক্রান্ত আলোচনা হলেও এই বৈঠকে এ সম্পর্কে কোনও ঘোষণা আশা করবেন না। এই বৈঠক দুপক্ষের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর দিকগুলিতে কেন্দ্রীভূত থাকবে।” শুধু তা-ই নয়, ভারত অন্যান্য প্রকল্পে দেরির বিষয়টিও উত্থাপন করবে, যার মধ্যে রয়েছে সুখোই আপগ্রেড। রাশিয়ার সু–৫৭ যুদ্ধবিমানের প্রতি সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়েও আলোচনা করবে দুই দেশ। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারত রাশিয়া থেকে কম তেল কিনছে। তাই রাশিয়া ভারতকে অপরিশোধিত তেলের ওপর অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে (Putin Modi Meet)।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানা এবং শান্তি প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই এই সংঘাতের দ্রুত অবসানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেছেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি প্রচেষ্টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, “এই সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।” প্রসঙ্গত, এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ঘনিষ্ঠ অংশীদার, এবং ভারত শান্তিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি এই সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে চায়। পুতিন-মোদির আলোচনার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে বাণিজ্য। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মূল কারণ হল, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে তেল কিনছে। তবে রাশিয়ার প্রধান তেল কোম্পানির ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দিতে পারে এই আমদানি (Annual Summit)।

    বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রভাব

    ভবিষ্যতে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ভারত ও রাশিয়া উভয় দেশই ভারতের রফতানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করবে, বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে। বৈঠকে অসামরিক বিমান চলাচল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, বিনিয়োগ প্রকল্প এবং শ্রমিকদের যাতায়াতের বিষয়গুলিও আলোচনায় থাকবে (Putin Modi Meet)। আলোচনায় উঠে আসবে ভারত-রাশিয়া অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবনের কথাও। পুতিনের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমী দেশগুলির চাপের কারণে ভারত কিছুদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে অপেক্ষাকৃত নীরব ও সীমিত রেখেছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দুই দেশের সম্পর্ক আবারও শক্তিশালী হতে শুরু করেছে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে। ভারত প্যান্টসার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ভরোনেজথ রাডার-সহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এই সফর উভয়পক্ষকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন বিষয়ে রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের বিস্তৃত অ্যাজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেবে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ

    ভারত ও রাশিয়ার এই আলোচনার নেপথ্যে একটি বড় কারণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ। ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছে এবং ভারতকে রাশিয়া থেকে কম তেল কেনার জন্য চাপ দিচ্ছে (Putin Modi Meet)। আমেরিকার নয়া আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির জন্য আরও কঠোর শাস্তি আরোপ হতে পারে। এই সব বিষয়ই ভারতকে এই সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বাধ্য করেছে। কারণ ভারত চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া – দুই দেশের সঙ্গেই শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখতে। এজন্য অবশ্য দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে রাজি নয় নরেন্দ্র মোদির ভারত (Annual Summit)।

    ভারতে আসছেন পুতিন

    সাত বছর আগে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতে সই হয়েছিল এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের ঐতিহাসিক চুক্তি। শুক্রবার সেখানেই ফের বৈঠক করতে চলেছেন এই দুই রাষ্ট্র প্রধান। সরকারি সূত্রের খবর, সেখানে অন্তত ৫৬ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সমঝোতা সংক্রান্ত মউ স্বাক্ষরিত হতে পারে।২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথমবার ভারতে আসছেন পুতিন। প্রতিরক্ষার পাশাপাশি তাঁর এই সফরে নির্মাণক্ষেত্র, বয়নশিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্র নিয়ে নতুন পথে হাঁটার সূচনা করতে পারে ভারত ও রাশিয়া। রাশিয়ার ওই ক্ষেত্রগুলিতে ভারতীয় পেশাদারদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও ঘোষণা করতে পারেন পুতিন (Putin Modi Meet)।

    পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিকে, পুতিনের ভারত সফর নিয়ে যখন নয়াদিল্লিতে চলছে চূড়ান্ত ব্যস্ততা, তখন ভারতে এসেছেন পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রী ওয়াদিস্লাও তোফিল বার্তোজুক্সি। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব আশাবাদী এই ভেবে যে উনি (পুতিন) যখন দিল্লিতে আসবেন, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বলবেন। আমি আগেই বলেছি, ছ-সাত মাস আগেই যখন আমি এখানে ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুতিনকে ইউক্রেনে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না বলেছিলেন। তাঁরা দুজনেই সঠিক কাজটিই করেছেন। তাই আমি আশা করি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনকে বলবেন, দেখুন (Annual Summit) প্রেসিডেন্ট, আপনার ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা উচিত। কারণ এই সংঘর্ষ থেকে আমাদের, আপনার বা অন্য কারও কোনও লাভ নেই। কারণ এটি ভারতকেও প্রভাবিত করে। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাশিয়ার দুটি বড় কোম্পানি থেকে তেল কেনা নিষিদ্ধ করেছেন। রাশিয়া থেকে ভারতের একটি বিশাল সরবরাহ রয়েছে, যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে (Putin Modi Meet)।”

  • SIR: আগামী ৭ দিনে কী কী করতে হবে, এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের

    SIR: আগামী ৭ দিনে কী কী করতে হবে, এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission)। অতিরিক্ত সাত দিনে কী কী করতে হবে তা নিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকা। উল্লেখ্য এনুমারেশন ফর্ম (SIR) আপলোড করার সময়সীমাকে বৃদ্ধি করে ৪ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। তাই স্পষ্ট নির্দেশ অতরিক্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে নিবিড় সংশোধনের কাজকে আরও নির্ভুল করতে হবে। কোনও বৈধ ভোটারদের নাম, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যে যেন ভুল না থাকে তা নিয়েও দেওয়া হয়েছে সতর্কবাণী।

    বিএলও এবং ইআরও-দের এক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় (SIR)

    রবিবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, “এসআইআর-এর প্রক্রিয়া সাতদিন আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কাজকে সম্পন্ন করতে হবে। বিএলও এবং ইআরও-রা এক সপ্তাহ সময় অতিরিক্ত পাবেন। তাই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ ওই সময়কে ভালো করে কাজে লাগিয়ে ভোটার তালিকাকে আরও শুদ্ধ এবং নির্ভুল করতে হবে। বিএলওদের কাছে থাকা সমস্ত এনুমারেশন ফর্ম ২ ডিসেম্বরের মধ্যে ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। এনুমারেশন ফর্ম ২ তারিখের পরে কোনওভাবেই আর গ্রহণ করা হবে না। ১১ ডিসেম্বরের পর যদি কোনও ফর্ম বাড়ি থেকে জমা নেওয়া হয় তাহলে অ্যাপে সেগুলিকে অসংগ্রহযোগ্য হিসেবে দেখানো হবে।”

    অসাবধান হলে কড়া ব্যবস্থা

    রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময়ে পাওয়া সকল তথ্য পুরনায় ভালো করে মিলিয়ে দেখতে হবে। বিএলও-দের দেওয়া অ্যাপে প্রত্যেক আপলোড করা ফর্মের সঙ্গে মূল হার্ডকপিকে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যে ফর্মগুলি কোনও সংস্থা এবং ব্যক্তি করেছেন তা ভালো করে চেক করতে হবে। সমস্ত কাজের জন্য বিএলও-রাই দায়বদ্ধ থাকবেন। আর যদি কোনও কাজে অসাবধানতার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বয়স ভালো করে যাচাই

    কাদের কাদের ক্ষেত্রে পুনরায় যাচাই করতে হবে? এই বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, যেসব ভোটাররা নিজেদের দাবি করছে পরিবারের প্রধান তারা। তাদের ক্ষেত্রে ২০০২ সালের তালিকায় বয়স ৬০ হয়েছে কিনা তা ভালো করে যাচাই করে দেখতে হবে।

    যাদের ২০০২ সালে কেবলমাত্র বাবা মায়ের নাম রয়েছে, তাদের বয়স যদি ২০২৫ সালে ৫০ হয়, আবার ২০০২ সালে বয়স ২৫ বা বেশি হয়, তাহলে কেন তালিকায় নাম নেই, এই প্রশ্নও করতে হবে। ম্যাপ করা বাবা-মায়ের নাম যদি ২০২৫ সালের তালিকার সঙ্গে না মিলে তাহলে ভোটারের বাড়ি গিয়ে বা ফোন করে তথ্যের সঠিক বিষয়কে নিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। বাবা-মায়ের সঙ্গে যদি সন্তানের বয়স ৪৫ বছরের বেশি বা ১৮ বছরের কম হয় তাহলে সেগুলিকে ভালো করে যাচাই করতে হবে।

    পরিবারে গিয়ে ভালো করে তথ্য সংগ্রহ

    পরিবারের কেউ যদি এলাকায় উপস্থিত না থাকে তাহলে বিএলওকে ভোটারের বাড়িতে গিয়ে যাচাই করতে হবে। একই ভাবে ভালো করে নিশ্চয়তার সঙ্গে জানতে হবে অন্য রাজ্য বা জেলায় ভোটার হয়েছে কিনা। অ্যাপে ভুল এন্ট্রি হলে তাকে সংশোধন করতে হবে। সংশোধন করতে গেলে বিএলও-কে ইআরও এবং এইআরও-রা সহযোগিতা করবে। ২০২১ এবং ২০২৪ সালে যেসব বুথ গুলিকে স্পর্শ কাতর বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে ফর্ম ভালো করে যাচাই করতে হবে। ৫০ শতাংশ ম্যাপিং যেখানে যেখানে হয়েছে সেখানে সেখানে তথ্য ভালো করে যাচাই করতে হবে। তালিকায় কোন রকম ভুল থাকবে না।

    মৃতদের নাম বাদ

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও জানিয়েছে, জন্ম মৃত্যু তথ্য বা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে মৃত ব্যক্তির তথ্য নিতে হবে। মৃত হয়েছে এবং রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে এমন ব্যক্তিদের তথ্য নিতে হবে। মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ করতেই হবে। তথ্য যাচাই করে ইআরওদের এই নাম বাতিলের কাজ করতে হবে। তাই খুব নিবিড় ভাবে ভালো করে তথ্য যাচাই করতে হবে। যদি এন্ট্রি ভুল হয় তাহলে তাকে ভালো করে কারেকশন করতে হবে। যে সব বুথে শূন্য থেকে ২০টি আনকালেক্টেবল ফর্ম রয়েছে বা বেশির ভাগ এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হয়ে ফেরত এসেছে, এখানে বিএলও-রা ঠিকমতো এন্ট্রি করছেন কীভাবে তাও ভালো করে পরীক্ষা করতে হবে।

LinkedIn
Share