Tag: Bengali news

Bengali news

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ (Dharna Stage)। এসআইআরের প্রতিবাদে দিন কয়েক ধরে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ড লাগবে, একদম বারোটা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান, তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা।

    সুকান্তর প্রতিক্রিয়া (Mamata Banerjee)

    ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বাঁকুড়ায় দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি,  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীই ধরনা-মঞ্চ থেকে বলছেন, এক সম্প্রদায় একজোট হলে অন্যান্য সম্প্রদায়কে মেরে পুড়িয়ে ফেলবে! ওঁকে বলব, পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অনেক বেশি মুসলিম রয়েছেন উত্তরপ্রদেশ ও অসমে। সেখানে একটাও দাঙ্গা হয় না (Mamata Banerjee)। কারণ কেউ দাঙ্গা করলে তার বাড়িতে বুলডোজার চলবে।” সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আগেই ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোট হারিয়েছেন, বাকি মুসলিম ভোটও এখন চলে গিয়েছে বাবরি মসজিদ গড়তে হুমায়ুন কবীরের কাছে (Dharna Stage)। তাই প্রমাদ গুণছেন উনি।” মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের তরফে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ভাব শিষ্য হুমায়ুন কবীর লোকসভা নির্বাচনে একটা সম্প্রদায়ের নাম করে হুমকি দিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর নেত্রী সম্প্রদায়ের নাম না করে একই ইঙ্গিত করছেন। আরএসএস-বিজেপির অভিসন্ধির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে এটাও আর একটা বিপদ।”

    শঙ্কর ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন, একটি কমিউনিটি যদি চায়, জোট বেঁধে তাহলে আপনাদের বারোটা বাজিয়ে দেবে।” মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শঙ্কর বলেন, “ক্ষমতা থাকলে ওই কমিউনিটির নাম বলুন।” তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) একটি কমিউনিটির নাম করে থ্রেট করছেন হিন্দু সনাতনী মানুষকে।” এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে শঙ্করের নেতৃত্বে হয় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। শিলিগুড়ির সেবক রোডের খাটু শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা ভেনাস মোড় ও দার্জিলিং মোড় হয়ে মাটিগাড়া ও নকশালবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। ভেনাস মোড়ে আয়োজিত এক সভায় রাজ্যে তৃণমূল শাসনের অবসানের ডাকও দেন শঙ্কর। শিলিগুড়ির বিধায়কের দাবি, তৃণমূলের ভয় ও সন্ত্রাসের পরিবেশ সত্ত্বেও, পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অভাবনীয় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যাচ্ছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি রাজ্যে পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। বিজেপির এই (Dharna Stage) সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তরবঙ্গের একাধিক নেতানেত্রী (Mamata Banerjee)।

     

  • Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে  তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বর্ধমানে পরিবর্তন যাত্রায় (Parivartan Yatra) অংশগ্রহণ করেন। মমতার শাসনে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং দুর্নীতির ইস্যু মারাত্মক আকার ধারন করেছে। এই নিয়ে বিজেপি এবার কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্ধমানের একটি সভা থেকে উত্তরপ্রদেশের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও ‘বুলডোজার মডেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন বলে পরিবর্তন যাত্রায় একটি মডেলর রূপ দেখানো হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারকে বুলডোজারে চড়ে পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

    র্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ (Sukanta Majumdar)

    যোগী শাসনের প্রসঙ্গ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “উত্তরপ্রদেশে অপরাধ দমনে যেভাবে বুলডোজার ব্যবহার করা হয়েছে, বাংলার প্রেক্ষাপটেও অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ বেছে নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে। যারা জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে অট্টালিকা বানিয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই বেআইনি সম্পত্তির ওপর বুলডোজার চালানো হবে। কর্মীরা আবদার করেছিল। কর্মীরা আয়োজন করেছিল, সেজন্য বুলডোজারে চড়ে এসেছি। এ রাজ্যের মানুষ চাইছেন বুলডোজার সরকার। বুলডোজার সরকার অর্থে সেই সরকার সবসময় বুলডোজার চালাবে তা নয়, আসলে সেই সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Parivartan Yatra)  করবে।”

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    তাঁর এই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলেছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস একে ‘বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ বলে পাল্টা সমালোচনা করেছে। তবে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য মূলত দলের ‘কড়া ইমেজে’র বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে এবং নিজেদের কঠোর প্রশাসনিক মানসিকতা তুলে ধরতেই এই ধরণের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “চাই বিজেপির সরকার। বুলডোজার দরকার। গুঁড়িয়ে দেবে চোর তৃণমূলের সরকার।”

  • LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর ফলে এলপিজি উৎপাদন (LPG Production) ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০ মার্চ সরকারি এক সূত্রেই এ খবর মিলেছে। সূত্রটি জানায়, “প্রতিদিন প্রায় ৬০ লাখ সিলিন্ডার এলপিজি বিতরণ করা হচ্ছে, যা আগের মতোই রয়েছে। দেশের কোনও এলপিজি পরিবেশকের কাছে সরবরাহের ঘাটতি নেই। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল, তা এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে (India)।”

    আরও বেশি এলপিজি কার্গো (LPG Production)

    সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে যেখানে তেল বিপণন সংস্থাগুলি রেস্তরাঁ ও বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। সূত্রটির বক্তব্য, “এটি মূলত সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়। কমিটি এখন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করবে।” সরকারি সূত্র আরও জানায়, “আমরা এখন আরও বেশি এলপিজি কার্গো পাচ্ছি। অন্যান্য দেশ থেকেও এলপিজি এবং এলএনজি আসতে শুরু করেছে। আগে প্রায় ৪০টি ভিএলসিসি (Very Large Crude Carriers) জাহাজের ঘাটতি ছিল, তার প্রায় অর্ধেক এখন পৌঁছতে শুরু করেছে।” পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার প্রেক্ষাপটে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস এখন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেই ইউনিটগুলিকে সরবরাহ করা হবে, যেগুলি এলপিজি উৎপাদনে এটি ব্যবহার করে।

    গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার

    এতদিন পর্যন্ত কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG) এবং পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা রান্নার গ্যাস—এই দু’টি ক্ষেত্রকে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার দেওয়া হত। সোমবার গভীর রাতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এলপিজিকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে (LPG Production)। এলপিজি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ থেকে উৎপন্ন হয় এবং এটি অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের একটি উপজাত। প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাস পৃথক ও বিশুদ্ধ করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা হয়, যাতে সহজে পরিবহণ ও সংরক্ষণ করা যায়। এই গ্যাস সাধারণত ইস্পাতের সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, যা ঘরবাড়ি ও রেস্তরাঁয় রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। নতুন বণ্টন ব্যবস্থার অধীনে প্রথমে এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপ গ্যাস উৎপাদকদের প্রয়োজন পূরণ করা হবে, তারপর অন্য খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে (India)।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করে এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে পর্যালোচনা করেন (LPG Production)। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার এসেনসিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট (EC Act) প্রয়োগ করে দেশীয় জ্বালানি বাজারকে সম্ভাব্য বিঘ্ন থেকে সুরক্ষিত করতে পদক্ষেপ করে। মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOC), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (HPCL) জানায়, মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো এবং গৃহস্থালি গ্রাহক ও গুরুত্বপূর্ণ অ-বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করেছে।

    অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ

    বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গৃহস্থালি গ্রাহকদের পাশাপাশি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য সরবরাহ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে তেল বিপণন সংস্থার তিনজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে (LPG Production)। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, “অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং উন্নতির দিকে (India)।” তিনি আরও বলেন, “দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং পরিশোধিত তেল রফতানি বন্ধ করা হবে না। অন্যান্য দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর বাইরে থেকে আমদানি এখন ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১০ দিন আগেও ছিল ৫৫ শতাংশ। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালেও ভারতীয় রিফাইনারিগুলি পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে।”

    এলপিজি খরচ

    প্রসঙ্গত, ভারতে বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ গৃহস্থালি খাতে, অর্থাৎ রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ হোটেল ও রেস্তরাঁ-সহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৬২ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয় (LPG Production)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পথ দিয়েই ভারত তার প্রায় ৮৫–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করত, মূলত সৌদি আরব-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে (India)।

  • Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ। কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না।” মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে একথাই বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়া যাবে না। এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি জানান, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং এসআইআর অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি (Gyanesh Kumar)

    এসআইআরের লক্ষ্য হল, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করা। তিনি জানান, কিছু ভোটার রয়েছেন, যাঁদের রাজনৈতিক দলগুলি বোঝাতে পারেনি যে যাঁদের নাম নেই, তাঁরা ফর্ম ৬ পূরণ করতে পারেন এবং ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন। তাঁর দাবি, সেই কারণেই এই সংঘাত। তিনি জানান, কোনও ভোটার বা ভোটকর্মীকে ভয় দেখানো যাবে না। কমিশন এই বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেবে। কমিশন জানিয়েছে, দু’ঘণ্টা অন্তর প্রিসাইডিং অফিসাররা জানাবেন ভোটদানের (Assembly Election 2026) হার। এটি আপলোড করা হবে ইসিআইনেট অ্যাপ এবং কমিশনের সাইটে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর এক সপ্তাহের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করাতে পারবেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ইভিএমে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেওয়া থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ থাকবে।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    প্রতিটি বুথে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র। থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থাও। কোনও বুথে ১২০০-এর বেশি ভোটার থাকবে না। বুথের বাইরে করা হবে মোবাইল রাখার জায়গা। সেখানে মোবাইল রেখে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন ভোটাররা। জ্ঞানেশ কুমার জানান, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। বয়স্ক ভোটারদের কথা মাথায় রেখে সব ভোটকেন্দ্র হবে একতলায়। ব্যবস্থা থাকবে হুইল চেয়ার এবং র‌্যাম্পেরও। বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। ৮৫ বছরের বেশি যাঁদের বয়স, তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বাড়ি থেকে (Gyanesh Kumar)।

    পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান (Assembly Election 2026), সব অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করুন। কোনও সরকারি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসপি, জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটারদের সুরক্ষার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি জানান, কত দফায় ভোট হবে, তা জানানো হবে আলোচনার পর। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যুব সম্প্রদায়কে ভোটদানে উৎসাহিত করতে কমিশন প্রচার করবে রাজ্যের কলেজগুলিতে। তরুণ ভোটারদের উৎসাহিত করতে প্রতিটি বিধানসভায় ক্যাম্পেন করবেন বিশেষ অফিসাররা (Gyanesh Kumar)। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক্-স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।”

    প্রসঙ্গত, এদিন কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিংহ সান্ধু। ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী (Assembly Election 2026) আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও। সূত্রের খবর, কমিশন এ রাজ্যে ভোটের ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে পারে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি। সেদিনই জানানো হবে ভোটের নির্ঘণ্ট (Gyanesh Kumar)।

     

  • West Asia Conflict: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আঁচে গুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা পাক-পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর

    West Asia Conflict: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আঁচে গুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা পাক-পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের (West Asia Conflict) আঁচ লাগল পাকিস্তানের গায়েও। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ জনসাধারণকে সুরক্ষা দিতে ও সম্পদের উপযুক্ত বিলি-বণ্টনের জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা (Pakistan) ঘোষণা করেছেন।

    জ্বালানি বাঁচাতে পদক্ষেপ (West Asia Conflict)

    এই বিশেষ পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রাদেশিক মন্ত্রীদের জন্য সরকারি জ্বালানি সরবরাহ স্থগিত করা, সরকারি আধিকারিকদের গাড়ির জন্য পেট্রোল ও ডিজেল ভাতায় অবিলম্বে ৫০ শতাংশ কমানো, সরকারি দফতরে ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি চালু করা এবং ১০ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা। তিনি আরও ঘোষণা করেন, যেসব সরকারি অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক উৎসব হর্স অ্যান্ড ক্যাটেল শো-ও, আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

    মরিয়ম নওয়াজ শরিফের পোস্ট

    এক্স হ্যান্ডেলে মরিয়ম নওয়াজ শরিফ একটি দীর্ঘ পোস্টে এই সব পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে ব্যতিক্রমী একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সম্পদ দায়িত্বশীলভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য আমি কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পেট্রোলিয়াম সঙ্কট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত প্রাদেশিক মন্ত্রীদের জন্য সরকারি জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সরকারি আধিকারিকদের গাড়ির পেট্রোল ও ডিজেল ভাতা অবিলম্বে ৫০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছি (Pakistan)।” প্রাদেশিক মন্ত্রী এবং প্রবীণ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে থাকা প্রোটোকল গাড়ির সংখ্যাও সীমিত করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত জরুরি প্রয়োজনে কেবল একটিই গাড়ি ব্যবহার করার অনুমতি থাকবে (West Asia Conflict)।

    ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’

    তিনি জানান, সরকারি দফতরগুলিতে ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি কার্যকর হবে এবং কেবল প্রয়োজনীয় কর্মীরা অফিসে উপস্থিত থাকবেন। ১০ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চলবে। এই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি অনলাইন ক্লাস নিতে পারবে। তিনি বলেন, নাগরিকদের সুবিধার জন্য ই-বিজনেস পরিষেবা এবং “মরিয়ম কি দস্তক” পরিষেবা চালু থাকবে (Pakistan)। সরকারি কাজ অনলাইন মিটিং ও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে হবে (West Asia Conflict)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জ্বালানি সরবরাহের ওপর কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলায় জেলা পেট্রোলিয়াম মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা

    তিনি বলেন, পাঞ্জাব ইনফর্মেশন টেকনোলজি বোর্ডকে পেট্রোলিয়াম পণ্যের জন্য একটি ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ অংশ নেবে। মরিয়ম এও বলেন, “ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম নীতির অধীনে কেবল অতিরিক্ত সহায়ক কর্মীদের যাতায়াত সীমিত থাকবে, সরকারি কাজ কোনওভাবেই বন্ধ হবে না (West Asia Conflict)।” পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি খাতকেও যেখানে সম্ভব ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম ব্যবস্থা চালু করা, অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলা এবং কর্মস্থলে কেবল জরুরি কর্মী রাখার পরামর্শ দিয়েছেন (Pakistan)। তিনি বলেন, “জেলা প্রশাসনকে পরিবহণ ভাড়া কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাঞ্জাবজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ এবং দামের ওপরও নজরদারি চালানো হবে।”

    এই কঠিন সময়ে তিনি জনগণকে অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান, গভীর রাতের কেনাকাটা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত করা থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব পাকিস্তান সরাসরি অনুভব করেছে। শুক্রবার সরকার পেট্রোল ও হাই-স্পিড ডিজেলের দাম (Pakistan) প্রতি লিটারে ৫৫ রুপি বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে (West Asia Conflict)।

     

  • Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন-এর (Bhawani Bhavan) এক কড়া নির্দেশে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteers) তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা নিজেদের নির্দিষ্ট এক্তিয়ার লঙ্খন করে পুলিশের মতো আচরণ করেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গেও অভব্য আচরণ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা কেবল পুলিশকে সহায়তা করা, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া বা পুলিশের ক্ষমতা প্রদর্শন করা নয়। তবে, বদলির বিজ্ঞপ্তি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সিভিক ভলান্টিয়াররা পুলিশ বা সরকারি কর্মচারী নন। তাহলে, কীসের ভিত্তিতে তাঁদের বদলি করতে পারে রাজ্য সরকার? উঠছে প্রশ্ন।

    অভিযোগের প্রকৃতি (Civic Volunteers)

    এর আগে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট তার রায়ে সাফ জানিয়েছিল, সিভিক ভলান্টিয়াররা কোনও ভাবেই পুলিশ নয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) নিয়োগ করা যাবে না। সরকারি নীতিতেও পুলিশের মূল কাজে তাঁদের যুক্ত না থাকার কথা বলা হয়েছিল সেই মামলায়। এক কথায় সিভিক ভলান্টিয়াররা যে পুলিশ নন, তা সাংবিধানিক ভাবেই স্পষ্ট করেছিল রাজ্যের উচ্চ আদালত। তার পরেও কোন ভিত্তিতে ভবানী ভবন থেকে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারের বদলির বিজ্ঞপ্তি (Bhawani Bhavan) জারি হল? এই প্রশ্ন এখন প্রশাসনের কাছে বড় প্রশ্ন।

    ভবানী ভবনের হস্তক্ষেপ

    প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা কঠোর অবস্থান নেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁদের অবিলম্বে বদলি বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের (Civic Volunteers) বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে অহেতুক হেনস্থা এবং ট্রাফিক বা অন্যান্য ডিউটির সময় নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছিল।

    নির্দেশিকার অনুস্মরণ

    কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) কাজের পরিধি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রশাসন বার্তা দিতে চাইছে যে, সেই নির্দেশিকা অমান্য করলে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। পুলিশ মহলের মতে, সিভিক ভলান্টিয়াররা মূলত জনপরিষেবা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সাহায্য করার জন্য নিযুক্ত। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে বাকিদেরও সতর্ক করা হল, যাতে তাঁরা নির্ধারিত গণ্ডির মধ্যে থেকে কাজ করেন।

  • Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রসংঘের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রমীলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার (Major Swathi Shantha Kumar)। তাঁর পরিচালিত “ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস” (Equal Partners, Lasting Peace) প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ প্রশংসায় ভূষিত হয়েছে। মেজর স্বাতী বর্তমানে দক্ষিণ সুদানে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে (UNMISS) কর্মরত। শান্তি বজায় রাখার প্রক্রিয়ায় মহিলা ও পুরুষকে সমানভাবে শামিল করার লক্ষ্যেই তাঁর এই বিশেষ উদ্যোগ।

    পুরস্কারের প্রেক্ষাপট (Equal Partners, Lasting Peace)

    সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি স্থাপনের (Equal Partners, Lasting Peace)  কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং লিঙ্গভিত্তিক সংবেদনশীলতা প্রসারে মেজর স্বাতীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর ‘ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস’ প্রজেক্টটি মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে— দীর্ঘস্থায়ী শান্তি তখনই সম্ভব, যখন সমাজের সকল স্তরের মানুষের, বিশেষ করে নারীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

    বিদেশে ভারতের গৌরব

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন দক্ষ আধিকারিক হিসেবে বিদেশের মাটিতে এই সম্মাননা প্রাপ্তি দেশের জন্য এক বিশাল গৌরব। দক্ষিণ সুদানের মতো কঠিন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর এই মানবিক ও প্রশাসনিক কাজ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রাষ্ট্রসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মেজর স্বাতী স্থানীয় মহিলা সমাজকে মূলধারার শান্তি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং তাঁদের সুরক্ষায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছেন। শান্তিরক্ষা (Equal Partners, Lasting Peace)  মিশনে ভারতীয় সেনাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের এই কৃতিত্ব কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় নারীশক্তির জয়গান এবং বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় ভারতের দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।

    ৫,০০০-এরও বেশি নারীর জীবনকে সুরক্ষিত করেন

    মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের (Major Swathi Shantha Kumar) এই প্রচেষ্টা ৫,০০০-এরও বেশি মহিলার জন্য একটি নিরাপদ এবং আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে, যা তাঁদেরকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অর্থপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম করেছে। এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরিতেও সাহায্য করেছে, দক্ষিণ সুদানের সংঘাত-প্রবণ অঞ্চলে প্রচারণা উন্নত করেছে। রাষ্ট্রসংঘ উল্লেখ করেছে, এই উদ্যোগ ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের শান্তিরক্ষা মিশনের (Equal Partners, Lasting Peace)  জন্য একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছে। এই কাজের ভূমিকা প্রমাণ করে কীভাবে ভঙ্গুর অঞ্চলে নারী-নেতৃত্ব স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে।

  • Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    পূর্বকথা—মিয়জিয়াম দর্শন ও পীড়ার সময় প্রার্থনা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অনেকদিন হল,—আমার তখন খুব ব্যামো। কালীঘরে বসে আছি,—মার কাছে প্রার্থনা করতে ইচ্ছা হল! কিন্তু ঠিক আপনি বলতে পাল্লাম না। বললুম,—মা হৃদে বলে তোমার কাছে ব্যামোর কথা বলতে। আর বেশি বলতে পাল্লাম না—বলতে বলতে অমনি দপ্‌ করে মনে এলো সুসাইট্‌ (Asiatic Society’s Museum) সেখানকার তারে বাঁধা মানুষের হাড়ের দেহ (Skeleton) অমনি বললুম (Kathamrita), মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!

    “প্রথম প্রথম হৃদে বলেছিল,—হৃদের অণ্ডার (under) ছিলাম কি না—‘মার কাছে একটু ক্ষমতা চেও।’ কালীঘরে ক্ষমতা চাইতে গিয়ে দেখলাম ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের রাঁড়—কাপড় তুলে ভড়ভড় করে হাগছে। তখন হৃদের উপর রাগ হল—কেন সে সিদ্ধাই চাইতে শিখিয়ে দিলে।”

    শ্রীযুক্ত রামতারণের গান — ঠাকুরের ভাবাবস্থা

    গান:

    আমার এই সাধের বীণে, যত্নে গাঁথা তারের হার ৷
    যে যত্ন জানে, বাজায় বীণে, উঠে সুধা অনিবার ॥
    তানে মানে বাঁধলে ডুরী, শত ধারে বয় মাধুরী ৷
    বাজে না আলগা তারে, টানে ছিঁড়ে কোমল তার ॥

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি) — গান এ-সব কি অরিজিন্যাল (নূতন)?

    গিরিশ — না, Edwin Arnold-এর thought (আর্নল্ড সাহেবের ভাব লয়ে গান)।

    রামতারণ প্রথমে বুদ্ধরচিত হইতে গান গাহিতেছেন (Kathamrita):

    জুড়াইতে চাই, কোথায় জুড়াই,
    কোথা হতে আসি, কোথা ভেসে যাই।
    ফিরে ফিরে আসি, কত কাঁদি হাসি,
    কোথা যাই সদা ভাবি গো তাই ॥
    কর হে চেতন, কে আছে চেতন,
    কত দিনে আর ভাঙিবে স্বপন?
    কে আছে চেতন, ঘুমায়ো না আর,
    দারুণ এ-ঘোর নিবিড় আঁধার,
    কর তম নাশ, হও হে প্রকাশ,
    তোমা বিনা আর নাহিক উপায়,
    তব পদে তাই শরণ চাই ॥

    এই গান শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন।

    গান—কোঁ কোঁ কোঁ বহরে ঝড়।

    সূর্যের অন্তর্যামী দেবতাদর্শন

    এই গানটি সমাপ্ত হইলে ঠাকুর বলিতেছেন (Ramakrishna), “এ কি করলে! পায়েসের পর নিম ঝোল! —

    “যাই গাইলে—‘কর তম নাশ’, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল! আর সেই সূর্যের পায়ে সব শরণাগত হয়ে পড়ছে!”

    রামতারণ আবার গাইতেছেন:

    (১)   —   দীনতারিণী দূরিতবারিণী, সত্ত্বরজঃতমঃ ত্রিগুণধারিণী,
    সৃজন পালন নিধনকারিণী, সগুণা নির্গুণা সর্বস্বরূপিণী।

    (২)   —   ধরম করম সকলি গেল, শ্যামাপূজা বুঝি হল না!
    মন নিবারিত নারি কোন মতে, ছি, ছি, কি জ্বালা বল না ॥

    এই গান শুনিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) আবার ভাবাবিষ্ট হইলেন।

    রাঙা জবা কে দিলে তোর পায়ে মুঠো মুঠো।

  • Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধোপে টিকল না ভারত দখলের হম্বিতম্বি! শেষমেশ সেই ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশকে। জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছেও সাহায্য চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOCL) এবং অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (NRL) থেকে চার মাসের মধ্যে ৫০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা (Bangladesh)

    এদিকে, নিদারুণ জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে আজ, সোমবার থেকে  জেরে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে দেশে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে ওঠায় ঈদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং যানজটও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জেরে সাশ্রয় হবে জ্বালানি। বাংলাদেশ সরকারের কর্তাদের মতে, আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। তাই ঈদের ছুটি আগেই ঘোষণা করলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

    স্কুল-কলেজে তালা

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলি ইতিমধ্যেই পুরো রমজান মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের সীমা নির্ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি কোচিং সেন্টার এবং বিদেশি পাঠ্যক্রমভিত্তিক স্কুলগুলিকে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সঙ্কটের দরুন বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত চারটি সার কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং আমদানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ব্যবহার কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

     

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

LinkedIn
Share