Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 618: “অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায়—তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!”

    Ramakrishna 618: “অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায়—তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    FREE WILL OR GOD’S WILL

    যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমি তো মুখ্যু, আমি কিছু জানি না, তবে এ-সব বলে কে? আমি বলি, ‘মা, আমি যন্ত্র, তুমি যন্ত্রী; আমি ঘর, তুমি ঘরণী; আমি রথ, তুমি রথী; যেমন করাও তেমনি করি, যেমন বলাও তেমনি বলি, যেমন চালাও তেমনি চলি; নাহং নাহং, তুঁহু তুঁহু।’ তাঁরই জয়; আমি তো কেবল যন্ত্র মাত্র! শ্রীমতী যখন সহস্রধারা কলসী লয়ে যাচ্ছিলেন, জল একটুকুও পড়ে নাই, সকলে তাঁর প্রশংসা করতে লাহল; বলে এমন সতী হবে না। তখন শ্রীমতী বললেন (Kathamrita), ‘তোমরা আমার জয় কেন দাও; বল, কৃষ্ণের জয়, কৃষ্ণের জয়! আমি তাঁর দাসী মাত্র।’ ওই অবস্থায় ভাবে বিজয়কে বুকে পা দিলুম; এদিকে তো বিজয়কে এত ভক্তি করি, সেই বিজয়ের গায়ে পা দিলুম, তার কি বল দেখি!

    ডাক্তার — তারপর সাবধান হওয়া উচিত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) হাতজোড় করে — আমি কি করব? সেই অবস্থাটা এলে বেহুঁশ হয়ে যাই! কি করি, কিছুই জানতে পারি না।

    ডাক্তার — সাবধান হওয়া উচিত, হাতজোড় করলে কি হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তখন কি আমি কিছু করতে পারি? — তবে তুমি আমার অবস্থা কি মনে কর? যদি ঢঙ মনে কর তাহলে তোমার সায়েন্স-মায়েন্স সব ছাই পড়েছো।

    ডাক্তার — মহাশয়, যদি ঢঙ মনে করি তাহলে কি এত আসি? এই দেখ, সব কাজ ফেলে এখানে আসি; কত রোগীর বাড়ি যেতে পারি না, এখানে এসে ছয়-সাত ঘণ্টা ধরে থাকি।

    ন যোৎস্য’ — ভগবদ্‌গীতা — ঈশ্বরই কর্তা, অর্জুন যন্ত্র 

    শ্রীরামকৃষ্ণ  (Ramakrishna)— সেজোবাবুকে বলেছিলাম, তুমি মনে করো না, তুমি একটা বড়মানুষ, আমায় মানছো বলে আমি কৃতার্থ হয়ে গেলুম! তা তুমি মানো আর নাই মানো। তবে একটি কথা আছে (Kathamrita) — মানুষ কি করবে, তিনিই মানাবেন। ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে মানুষ খড়কুটো!

    ডাক্তার — তুমি কি মনে করেছো অমুক মাড় তোমায় মেনেছে বলে আমি তোমায় মানব? তবে তোমায় সম্মান করি বটে, তোমায় রিগার্ড করি, মানুষকে যেমন রিগার্ড করে —

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আমি কি মানতে বলছি গা?

    গিরিশ ঘোষ — উনি কি আপনাকে মানতে বলছেন?

    ডাক্তার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — তুমি কি বলছো — ঈশ্বরের ইচ্ছা?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে আর কি বলছি! ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে মানুষ কি করবে? অর্জুন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে বললেন, আমি যুদ্ধ করতে পারব না, জ্ঞাতি বধ করা আমার কর্ম নয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন — ‘অর্জুন! তোমায় যুদ্ধ করতেই হবে, তোমার স্বভাবে করাবে!’ শ্রীকৃষ্ণ সব দেখিয়ে দিলেন, এই এই লোক মরে রয়েছে। শিখরা ঠাকুর বাড়িতে এসেছিল; তাঁদের মতে অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায় — তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!

  • Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বিরাট ধাক্কা খেল কংগ্রেস (Congress)। অসমের (Assam Election) উদালগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুরেন দাইমারি দল ছেড়ে দিয়েছেন। ভোটের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে নিজের প্রার্থীপদও প্রত্যাহার করেছেন তিনি। বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল রিজিয়ন (বিটিআর)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে কংগ্রেস প্রার্থীর এহেন আচরণ দলের পক্ষে এক বিরাট ধাক্কা বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ (Assam Election)

    দল ছাড়ার আগে দাইমারি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে জানান, “মুসলিম তোষণ রাজনীতিই তাঁর দলত্যাগের কারণ। তিনি বলেন, “দল আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কারণ কোনও শীর্ষ নেতা আমার হয়ে প্রচারে আসেননি।” তাঁর দাবি, কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে তফশিলি উপজাতি (ST)-বিরোধী মনোভাব রয়েছে। তারা ব্যস্ত সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতিতে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, উদালগুড়ি ও আশপাশের অঞ্চলের নির্বাচনী সমীকরণে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

    অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন অসম বিধানসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রাজ্যে ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার হবে ভোটগ্রহণ। অসমের প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল জানান, সংশ্লিষ্ট সবাই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন (Congress)। আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী ব্যয়-সহ সব বিষয় কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে (Assam Election)। এসভিইইপি কর্মসূচির আওতায় রাজ্যজুড়ে ভোটারদের সচেতন করতে ব্যাপক প্রচারও চালানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩১,৪৯০টি ভোটকেন্দ্রেই (৩১,৪৮৬টি প্রধান ও ৪টি সহায়ক কেন্দ্র) এই সুবিধা চালু রয়েছে। এর ফলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক, প্রধান নির্বাচন আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, যার মধ্যে রয়েছেন সিআরপিএফ (CRPF) কর্মীরাও, মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তাই সংবেদনশীল কেন্দ্রগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে মাইক্রো-অবজারভারও (Assam Election)। সব ভোটকেন্দ্রে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, ব্যবস্থা করা হয়েছে পানীয় জল, অপেক্ষা করার জায়গা, শৌচাগার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার। ভোটারদের লাইনের পাশে বসার ব্যবস্থা (বেঞ্চ) এবং মোবাইল ফোন নিরাপদে রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে (Congress)। নির্বাচন পরিচালনায় মোট ১,৫১,১৩২ জন ভোটকর্মী নিয়োজিত। ভোটগ্রহণের জন্য ৪১,৩২০টি ব্যালট ইউনিট, ৪৩,৯৭৫টি কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৪৩,৯৯৭টি ভিভিপ্যাট মেশিন রাখা হয়েছে।

    চুম্বকে ভোট তত্ত্ব

    সব মিলিয়ে মোট ৭২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২,৫০,৫৪,৪৬৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ১,২৫,৩১,৫৫২ জন পুরুষ, ১,২৫,২২,৫৯৩ জন মহিলা এবং ৩১৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৬৩,৪২৩ জন সার্ভিস ভোটারও রয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে ১৮–১৯ বছর বয়সী রয়েছেন ৬,৪২,৩১৪ জন, ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছেন ২,৫০,০০৬ জন এবং ২,০৫,০৮৫ জন প্রতিবন্ধীও রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ৬০(সি) অনুযায়ী ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক নাগরিক ও চিহ্নিত প্রতিবন্ধীদের জন্য বাড়ি থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৬,০৩২ জন প্রবীণ (৮৫+) এবং ৮,৩৭৩ জন প্রতিবন্ধী এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন (Congress)। প্রধান নির্বাচন আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল সব পক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রত্যেক নাগরিক তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন (Assam Election)।

     

  • PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (PM Modi) জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার কারণে সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সিউড়ি ইরিগেশান কলোনির মাঠের বদলে সভা হবে সিউড়ি চাঁদমারী মাঠে। ২০০ মিটার দূরে পুলিশ লাইনের মাঠে চপার নামবে মোদির। ২ কিলোমিটার দূরে ইরিগেশন কলোনির মাঠ, নিরাপত্তার কারণে সড়কপথে যাত্রা নয়। স্থান বদলে পুলিশ লাইন লাগোয়া চাঁদমারি মাঠেই সভা।

    সিউড়িতে মোদির সভা (PM Modi)

    সিউড়িতে প্রথমবার আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে (West Bengal Elections 2026) একবার সিউড়িতে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই করোনা অতিমারি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন বড় আকারের জনসভা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট ময়দানে জয়যুক্ত করার আহ্বান নিয়েই তিনি সিউড়িতে জনসভা করবেন।

    হলদিয়া-উত্তরবঙ্গে রোড শো

    অন্যদিকে, হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রণকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই লক্ষ্যেই  আসানসোলের ঐতিহাসিক পোলো গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্পাঞ্চলের এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরকে কেন্দ্র করে আসানসোল শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও নজরদারিতে রয়েছেন। সভাস্থল ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পোলো গ্রাউন্ডে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম প্রত্যাশা করছে গেরুয়া শিবির। আসানসোল ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও সভার প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    আসানসোল লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। খনি ও শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ভোটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভা কেবল একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং আসানসোল তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে মোদি সরকারের (West Bengal Elections 2026) উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার এক বড় মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে তিনি জনতার উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। একইসাথে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন চরম তুঙ্গে।

  • Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে তারা যে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, তার নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এই অপারেশনই আপাতত স্থগিত থাকছে। যুদ্ধবিরতির খবর চাউর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানে (ইরানের রাজধানী) অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জরুরি পরামর্শ জারি করে ভারতীয় নাগরিকদের এই সময়ে  দ্রুত ইরান ছেড়ে চলে যেতে বলে। দূতাবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নাগরিকদের অবশ্যই আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নির্ধারিত পথই ব্যবহার করতে হবে।

    কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর (Iran)

    সতর্কবার্তায় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্তে নিজ উদ্যোগে যাওয়া যাবে না। আধিকারিকরা বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের যাতায়াত দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করতে হবে।” যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলেও জানান তাঁরা। ভারতীয় নাগরিকদের সাহায্যের জন্য দূতাবাস কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করেছে। এগুলি হল—

    • +৯৮৯১২৮১০৯১১৫
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০২
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০৯
    • +৯৮৯৯৩২১৭৯৩৫৯

    ইরান ছাড়ার পরিকল্পনা করার সময় নাগরিকদের দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখান আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    কী বলা হয়েছিল আগের নির্দেশিকায়

    নয়া এই নির্দেশনা জারির মাত্র ১৬ ঘণ্টা আগে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইরানে থাকা সব ভারতীয় নাগরিককে ৪৮ ঘণ্টা ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। দূতাবাস নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছিল সামরিক ও বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন, ভবনের উঁচুতলা থেকে দূরে থাকুন, চলাচল সীমিত রাখুন এবং সরকারি নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলুন। যাঁরা দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় থাকা আবাসনে রয়েছেন, তাঁদের ঘরের ভেতরে থাকার এবং সেখানে নিয়োজিত দূতাবাসের দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয়সড়কে যে কোনও ভ্রমণ অবশ্যই আধিকারিকদের জানিয়ে এবং তাঁদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে করতে হবে।

  • West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে রাজ্যজুড়ে উঠেছে গেরুয়া ঝড়। নির্বাচনী প্রচার পথে-ঘাটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিজেপি প্রার্থীরা। আর তাতেই তৃণমূলের অপশাসনের অবসান ঘটাতে প্রকাশ্যে সোচ্চার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূলসহ বিরোধীদলগুলি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ঢল নেমেছে রাজ্যজুড়ে। আর সেই প্রবণতা প্রবল ভাবে দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad)। হুমায়ুন কবিরের ঘোষণা করা আমরা ৭০ ওরা ৩০-এর জেলায় বিজেপিই যে শেষ ভরসা তা বুঝে গিয়েছেন হিন্দুরা। কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওইয়া হবে হিন্দুদের! চরম আতঙ্ক দেখেছে ওয়াকফের আন্দলনে। তাই প্রচার চলাকালীনই প্রার্থীর হাত ধরে হাতে তুলে নিচ্ছেন গেরুয়া পতাকা। ভরতপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষের হাত থেকে বিজেপির (West Benagl BJP) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বহু তৃণমূল কর্মী।

    স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান বিজেপিতে (Murshidabad)

    অন্যান্য দিনের মতো প্রচারে বেরিয়ে বিজেপির পুরনো কর্মী তথা ভরতপুরে দলীয় প্রার্থী অনামিকাদেবী। ভরতপুর (Murshidabad) ২ নম্বর ব্লকের সালু গ্রামের পথে পথে জনসংযোগ সারছিলেন তিনি। কথা বলছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তাদের অভাব অভিযোগ মন দিয়ে শুনছিলেন তিনি, আর তখনই বিজেপিতে (West Benagl BJP) যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন কয়েকজন তৃণমূলকর্মী। বিধানসভা নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে বিজেপির প্রচারের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তাঁরা। স্বতঃস্ফূর্ত এই সমর্থনে আপ্লুত প্রার্থী ও সঙ্গে থাকা বিজেপি নেতারা সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বিজেপিতে যোগদান করান। হাতে তুলে দেওয়া হয় দলীয় পতাকা। ওঠে জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা

    বিজেপির (West Benagl BJP) অভিযোগ, তৃণমূলের মদতে লাগাতার অনুপ্রবেশের জেরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জনবিন্যাস যে পরিকল্পিতভাবে বদলে ফেলা হয়েছে তা এখন বড় সমস্যা এই জেলার। এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজ্যে সব থেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে এই জেলা থেকেই। হিন্দুদের কেটে ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা বললেও দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দেওয়াল লিখনে স্পষ্ট, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে।

    তবে শুধু হিন্দুরা নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে তাঁদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন তা বুঝতে পারছেন মুর্শিদাবাদের মুসলিমরাও। তৃণমূলের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে তাদেরও। তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করে তাদের অনেকেও যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

  • Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন (ISSF) আয়োজিত বিশ্বকাপে এক অভাবনীয় কৃতিত্বের নজির গড়ল ভারত। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে কেবল সোনা জয়ই নয়, বরং বিশ্বরেকর্ড গড়ে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতের দুই কনিষ্ঠ শুটার পলক গুলিয়া এবং মুকেশ নেলাভল্লি। তাদের এই অবিস্মরণীয় জয় ভারতীয় ক্রীড়া মানচিত্রে এক নতুন মাইলফলক যোগ করল।

    অদম্য লড়াই (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli)

    প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই পলক ও মুকেশ অসামান্য একাগ্রতা ও লক্ষ্যভেদ প্রদর্শন করেন। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে কার্যত কোনও সুযোগ না দিয়েই তাঁরা শীর্ষস্থান দখল করে নেন। সোনা জয়ের পথে তাঁরা যে স্কোর খাড়া করেছেন, তা এই ইভেন্টের বিশ্বরেকর্ডকে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভেঙে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে চাপের মুখে পলকের শান্ত মেজাজ এবং মুকেশের নির্ভুল নিশানাবাজি দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছে। বিদেশের প্রতিকূল কন্ডিশনে এই দুই ভারতীয় তারকার জয় প্রমাণ করে দিল যে ভারতের তরুণ প্রজন্মের শুটাররা বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব (ISSF) করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল

    সোনাজয়ী পলক বলেছেন, “মিক্সড টিম ইভেন্টে জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল। নতুন ফরম্যাটে চারটে দল ফাইনালে খেলে। ফলে লড়াই আরও বেশি। ফলে শুরুটা ভালো হওয়া জরুরি। আমরা সেটা করতে পেরেছি। আমি অবশ্য মুকেশের সঙ্গে নয়, আমার নিজের সঙ্গে লড়াই করছিলাম। মুকেশ আমার কাজটা সহজ করে দিয়েছে।” একই ভাবে সোনাজয়ী মুকেশ বলেন, “ভারতের হয়ে সিনিয়র স্তরে এটা আমার প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। নিজের সেরাটা দিয়েছি। ফাইনালে স্নায়ুর চাপ ধরে রেখেছিলাম। আমি আর পলক নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছিলাম। কে বেশি স্কোর করতে পারে সেই লড়াই চলছিল। সেই লড়াই করতে গিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।”

    ক্রীড়ামহলে উদ্দীপনা

    পলক এবং মুকেশের এই অভাবনীয় সাফল্যে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভারতের জাতীয় রাইফেল সংস্থা এবং ক্রীড়ামন্ত্রক অভিনন্দন জানিয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, অলিম্পিকের আগে এই ধরনের সাফল্য ভারতীয় শুটিং দলের (ISSF) আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। তাঁদের এই কৃতিত্ব কেবল স্বর্ণপদকেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আগামীর তরুণ প্রজন্মের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা।

  • West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি সেই ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বিরুদ্ধে জবরদস্ত প্রার্থী দিল বিজেপি। সদ্য জামিনে মুক্ত রাকেশ সিংকে (Rakesh Singh) ওই কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছে পদ্মশিবির (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে কেবল এই কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা বাকি ছিল বিজেপির। রাকেশের নাম ঘোষণা করে প্রার্থিতালিকা সম্পূর্ণ করল পদ্মশিবির।

    রাকেশ সিংকে গ্রেফতার (West Bengal Assembly Election)

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কলকাতার ট্যাংরা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিজেপি নেতা রাকেশকে। কংগ্রেসের অফিস বিধান ভবনে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বিহারে রাহুল গান্ধীর মিছিলে ‘আপত্তিকর মন্তব্যের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের অফিসে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পর পরেই গা-ঢাকা দেন দক্ষিণ কলকাতার এই বিজেপি নেতা। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশ-সহ চারজনকে। রাকেশের বিরুদ্ধে এন্টালি থানায় অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় রুজু হয়েছিল মামলা।

    জামিনে মুক্তি পেতেই মিলল টিকিট

    সোমবার রাকেশের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই দিনই গাড়িতে বসা অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এই বিজেপি নেতা। ক্যাপশনে লেখেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘‘১৬৩ দিনের সংগ্রামের পর আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৬টি মিথ্যা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে (West Bengal Assembly Election)।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারই ষষ্ঠ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। তাতেই ছিল রাকেশের নাম। রাকেশকে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কোমর বেঁধে পুরো দমে প্রচারে নেমে পড়েছেন রাকেশ। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা বন্দরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শুরু করে দেন জনসংযোগও (Rakesh Singh)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ফিরহাদ হাকিমের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিকের বিরুদ্ধে রাকেশের মতো পরিচিত ও লড়াকু নেতাকে দাঁড় করিয়ে বিজেপি এক মস্ত চাল দিল। বন্দর এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত। সেখানেই রাকেশকে প্রার্থী করে পদ্ম শিবির বুঝিয়ে দিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’ (West Bengal Assembly Election)!

     

  • West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন প্রাক্তন বিচারপতির কমিটি গড়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এই কমিটি গঠনের কথা সোমবারই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো গড়া হল কমিটি। সোমবারই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল (West Bengal Assembly Election), ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালেরই প্রয়োজন একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। সেই প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্যই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে, কমিটিতে থাকবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব। ট্রাইবুনালের ১৯ জন বিচারপতি কোন পদ্ধতি মেনে কাজ করবেন, সেটাই নির্ধারণ করবে এই কমিটি।

    এসআইআরের তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআরের তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীনের তালিকায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই সব ভোটারের তথ্য যাচাই নিষ্পত্তির কাজ করেছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। সোমবার রাতেই সেই কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন। বিবেচনাধীন তালিকা থেকে ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের (West Bengal Assembly Election)।

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ

    এই বাদ পড়া ভোটাররা ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ১৯ জন বিচারপতি আপিল ট্রাইবুনালে ‘বিচার’ করবেন। কোন পদ্ধতিতে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করবেন ওই  বিচারপতিরা, তা ঠিক করার জন্যই গড়া হল কমিটি। প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ট্রাইবুনাল চালু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত দিনে তা চালু না হলেও, পরে হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকজনের আবেদনেরও নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। উল্লেখ্য যে, যাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরা কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। বিশেষ আবেদনের ভিত্তিতেই (Calcutta High Court) তাঁদের সমস্যার নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। যদিও সাধারণ মানুষের কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাদ পড়া ভোটাররা এবারের নির্বাচনে আদৌ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে রয়ে গিয়েছে সংশয় (West Bengal Assembly Election)।

    প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফায় ভোট গ্রহণ হবে ওই মাসেরই ২৯ তারিখে। তার মধ্যে যাতে সমস্যার নিষ্পত্তি হয়ে যায়, তারই চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন।

     

  • Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই শেষ হল ২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের (Assam Assembly Election) প্রচার। এদিনই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

    কাঠগড়ায় খাড়্গে (Assam Assembly Election)

    হিন্দুদের প্রতি চরম হতাশা ও বিদ্বেষের প্রকাশ হিসেবে, শ্রীভূমি জেলার দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের এক নির্বাচনী জনসভায় খাড়্গে দলের মুসলিম সমর্থকদের উসকানি দেন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, “প্রয়োজনে মাঝপথে নমাজ আদায় ছেড়ে দিয়েও আরএসএস এবং বিজেপি কর্মীদের আক্রমণ করতে হবে।” এই দুই সংগঠনকে তিনি তুলনা করেন বিষধর সাপের সঙ্গে। খাড়্গে বলেন, “কোরআনে বলা আছে, যদি বিষধর সাপ দেখ, তাহলে তাকে মেরে ফেলতে হবে, এমনকি যদি নমাজ আদায় মাঝপথে ছাড়তেও হয়। আরএসএস-বিজেপি সেই বিষধর সাপের মতো। যদি তাদের না মারো, তবে তোমরা নিরাপদে থাকবে না।”

    একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের

    কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যে রাজ্যজুড়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে। আরএসএসের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে দিশপুর এবং শিলচর থানায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, দক্ষিণ অসমের এক নির্বাচনী সভায় দেওয়া এই বক্তব্য অবমাননাকর, উসকানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িকভাবে সংবেদনশীল (Mallikarjun Kharge)। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যে আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে বিষধর সাপের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং তাদের নির্মূল করার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে (Assam Assembly Election)। আরএসএস জানিয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে শত্রুতা, ভয়ভীতি ও হিংসা উসকে দিতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে ধর্মীয় ভাবাবেগকে হাতিয়ার করাও খাড়্গের বক্তব্যে স্পষ্ট।

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই বক্তব্য ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮৩ নম্বর ধারার অধীনে দুর্নীতিপূর্ণ নির্বাচনী আচরণের মধ্যে পড়ে। এটি জনসাধারণকে ভয় দেখানো এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর শামিল (Assam Assembly Election)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে “বিষাক্ত” বলে চিহ্নিত করা এবং তাদের নির্মূল করার আহ্বানকে সংগঠনের সদস্য ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাতের প্ররোচনা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, এই মন্তব্য হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং অসমে জনশান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে পারে। এমন বক্তব্য সময়মতো মোকাবিলা করা না হলে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে।

    আরএসএসের বক্তব্য

    আরএসএসের তরফে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক আলোচনাকে সংবিধান ও আইনের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নির্বাচনী প্রচারে এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়, যা সামাজিক ঐক্য ও শান্তিকে বিপন্ন করে (Assam Assembly Election)। এদিকে, খাড়্গের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি থানায় এফআইআর দায়ের করেছে বিজেপিও। অসম বিজেপির দাবি, ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য কংগ্রেস এমন পর্যায়ে নেমে গিয়েছে যে তারা সনাতন সভ্যতার পবিত্র প্রতীকগুলিকেও আক্রমণ করছে। কংগ্রেস নেতার এই উসকানিমূলক মন্তব্যকে হিন্দু বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতি সরাসরি অপমান হিসেবে তীব্র নিন্দে করেছে অসম প্রদেশ বিজেপি।

    প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্য

    পদ্মশিবিরের মতে, আরএসএস-বিজেপিকে নিষিদ্ধ করার দাবি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার পরিচয় এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যও প্রকাশ করে। বিজেপির অভিযোগ, সনাতন সভ্যতায় প্রকৃতি ও জীবজগতকে পবিত্র হিসেবে মানা হয়, কিন্তু ভোটের মেরুকরণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেস (Mallikarjun Kharge) এমনভাবে উপস্থাপন করেছে, যাতে ভগবান শিবের পবিত্র অলঙ্কারকেও ক্ষতিকর হিসেবে দেখানো হয়েছে—যা লাখ লাখ ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে (Assam Assembly Election)। এই ধরনের বক্তব্য শুধু নিন্দনীয় নয়, সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে বিপজ্জনকও। অসম বিজেপি এই উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি শহরের বাসিষ্ঠ থানায় এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও। নির্বাচনী প্রচারে উত্তেজনামূলক ও সমাজবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় খাড়্গের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

  • West Bengal Elections 2026: ভোটগ্রহণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, বুথ নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেবে নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ভোটগ্রহণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, বুথ নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেবে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনের গণতন্ত্রের উৎসবে (West Bengal Elections 2026) স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। আসন্ন নির্বাচনে বুথ পর্যায়ের নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে এবার সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত স্পর্শকাতর বুথগুলোতে যেকোনও ধরনের কারচুপি বা অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতেই এই উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

    লাইভ ওয়েবকাস্টিং ও এআই বিশ্লেষণ

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এআই মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে তাঁকে ‘মার্ক’ করতে পারবে। মানুষের অস্তিত্ব টের পেয়ে তাঁকে কাল্পনিক আয়তক্ষেত্র দিয়ে ঘিরে স্ক্রিনে মার্ক করে সংকেত দেবে। কী ভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি? মনে করুন যাক, বুথের ভিতরে ১০ জন লোকের থাকার কথা। দেখা গেল ১১ জন রয়েছেন। এআই সঙ্গে সঙ্গে কন্ট্রোল রুমে জানাবে, ওই বুথে ১১ জন লোক রয়েছেন।

    ইভিএমের সামনে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি প্রায় ২ মিনিট দাঁড়িয়ে রয়েছেন, তখনও কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল দেবে এআই। ওই ব্যক্তিকে মার্ক করে রাখবে প্রযুক্তি। তার পরে কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল পাঠাবে। তখন সেই সেক্টর অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসারের নম্বর উঠে যাবে স্ক্রিনে।

    বুথ জ্যামে খবর দেবে

    প্রতিটি বুথ থেকে সরাসরি ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে ফুটেজ (West Bengal Elections 2026) সংগ্রহ করা হবে। কন্ট্রোল রুমে বসে সেই ভিডিওগুলো কেবল মানুষের চোখে নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হবে। বুথের ভেতরে বা আশেপাশে কোনও অস্বাভাবিক জমায়েত, বারবার একই ব্যক্তির প্রবেশ অথবা বুথ জ্যামের মতো ঘটনা ঘটলে এআই সিস্টেম তৎক্ষণাৎ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা (Alert) পাঠাবে।

    একসঙ্গে ৫০০টি বুথের ছবি দেখতে পারবেন মাইক্রো অবজার্ভারেরা। সেখানে ১০টি টেলিফোন লাইন রাখা থাকবে। টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে ৭২টি স্ক্রিন থাকবে পর্যবেক্ষণের জন্য। সেই সঙ্গে আরও ১৮টি স্ক্রিনে দেখা যাবে এসএসটি বা স্ট্যাটিক সার্ভেলান্স টিম এবং এফএসটি বা ফ্লায়িং সার্ভেলান্স টিম-র গাড়িতে বসানো ক্যামেরায় তোলা ছবি। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে প্রায় ২০০ জনের মতো মাইক্রো অবজ়ার্ভার থাকবেন। ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম, স্ট্যাটিক সার্ভেলান্স টিম বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে সব সময়ের জন্য থাকবে। কমিশনের সংশ্লিষ্ট নজরদারি-গাড়ির মাথায় সবদিক দেখার ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। সবটাই কমিশন কন্ট্রোল রুম থেকেই পরিচালনা করবে।

    কেন এই প্রযুক্তির প্রয়োজন?

    প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে রিটার্নিং অফিসার বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিকরা (West Bengal Elections 2026) মুহূর্তের মধ্যে ঘটনার গুরুত্ব বুঝতে পারবেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন। চিরাচরিত পদ্ধতিতে হাজার হাজার বুথের ফুটেজ একসঙ্গে মানুষের পক্ষে নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।

    এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে (AI) এই বিশাল পরিমাণ তথ্য অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এবং দ্রুত যাচাই করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভোটদাতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনার পথে এক বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    কেন সতর্ক? 

    গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরনির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে মনোনয়ন, ভোটলুট, বুথ জ্যাম, গণনায় কারচুপির অভিযোগ ব্যাপক ভাবে উঠেছিল। বিরোধীরা বার বার শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের তির দেগে ছিল। তবে শাসকদলের এই ভূমিকায় পুলিশ প্রশাসন নিজের নিরেপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি বলে অভিযোগও আনা  হয়েছিল। এইবার যাতে স্বচ্ছ ভোট হয় তাই কমিশন নিজের ভূমিকায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করেছে। এমনটাই মনে করেছেন ওয়াকিবহাল মহলের লোকজন।

LinkedIn
Share