Tag: Bengali news

Bengali news

  • International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ৮ মার্চ, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day) উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এবার শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম (Kashi Vishwanath Dham) মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মন্দির প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দর্শনের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, যাঁরা বাবা বিশ্বনাথকে প্রণাম করতে মন্দিরে আসবেন সেই মহিলা ভক্তদের জন্য একটি সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল বারাণসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলা ভক্তরা যেন বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ভিড়ের ঝামেলা ছাড়াই মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

    বিশেষ ব্যবস্থা (International Womens Day)

    বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মন্দিরে আগত মহিলা ভক্তরা কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নির্দিষ্ট প্রবেশপথটি মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে যাতায়াতকে আরও সহজ করতে এবং ব্যস্ত সময়ে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সুবিধা শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অন্যান্য জেলা, রাজ্য মায় বিদেশ থেকেও আসা মহিলা ভক্তরাও এই সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে তাঁরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়ভাবে মন্দিরের পবিত্রতা অনুভব করতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উন্নয়নের মাধ্যমে মন্দির এলাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে, যা ভক্তদের সুবিধা অনেক বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ ব্যবস্থা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ, যার লক্ষ্য তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও সুসংগঠিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের অগ্রাধিকার

    এই উদ্যোগের সবচেয়ে সহানুভূতিশীল দিকগুলির একটি হল শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের জন্য অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা করা। তীর্থস্থানগুলিতে সাধারণত প্রচুর (Kashi Vishwanath Dham) ভিড় হয় এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা ছোট শিশু সঙ্গে নিয়ে আসা মহিলাদের সব চেয়ে করুণ অবস্থা হয় (International Womens Day)। এই বিষয়টি বিবেচনা করে মন্দির প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শিশু নিয়ে আসা মায়েরা দর্শনের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার পাবেন। মায়েরা যদি শিশু কোলে নিয়ে আসেন, সে ছেলেই হোক বা মেয়ে, তাদের খুব কম সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই ব্যবস্থা মায়েদের যেন লাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সহজে প্রার্থনা করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেবে। এই ধরনের ব্যবস্থা পরিবার ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা

    এই বিশেষ প্রবেশপথ ব্যবহার করতে মহিলা ভক্তদের (Kashi Vishwanath Dham) কোনও টিকিট বা ফি দিতে হবে না। এটি ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে (International Womens Day)। যদিও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দর্শনার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তবুও মন্দির প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে বারাণসীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। স্থানীয় ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা এবং সন্ধ্যা ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত দর্শনের সময় শুধুমাত্র কাশীর স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সময়ে স্থানীয় ভক্তদের জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ীই দর্শন চলবে।

    গেট নম্বর ৪-বি

    এই নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে মহিলা ভক্তরা সহজেই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ দিনে সম্ভাব্য বিপুল ভিড় সামলানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা হবে (International Womens Day)। প্রসঙ্গত, এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,  এর গভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে ভারতীয় পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় অনুশীলন সংরক্ষণ ও লালন-পালনে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন (Kashi Vishwanath Dham)। দৈনন্দিন পূজা, উৎসব উদযাপন থেকে শুরু করে পারিবারিক তীর্থযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ মূলত নারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানাতে চেয়েছে। এই উদ্যোগ প্রতীকীভাবে সেইসব মা, মেয়ে ও বোনদের ভক্তি ও অবদানকে সম্মান জানায়, যাঁরা পরিবার ও সমাজে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখেন।

    পবিত্র কাশীর পরিবেশে, যেখানে গঙ্গা শান্তভাবে প্রাচীন ঘাটের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়, সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ আরও গভীর অর্থ বহন করে (Kashi Vishwanath Dham)। মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ দেখায় যে আমরা যেমন ঐতিহ্যকে সম্মান করি, তেমনি উপাসনালয়ের মতো জনসমাগমস্থলে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করি। ৮ মার্চ যখন মহিলা ভক্তরা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের করিডর দিয়ে এগোবেন, তখন তাঁদের এই যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি হবে তাঁদের বিশ্বাস, গর্ব এবং ‘নারী শক্তি’র উদযাপনের প্রতীক (International Womens Day)।

     

  • Draupadi Murmu: উদ্ধত মুখ্যমন্ত্রী! রাষ্ট্রপতিকেও অসহযোগিতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

    Draupadi Murmu: উদ্ধত মুখ্যমন্ত্রী! রাষ্ট্রপতিকেও অসহযোগিতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। বিধাননগরের পরিবর্তে কনফারেন্স হয় বাগডোগরা বিমানবন্দরের অদূরে, গোঁসাইপুরে। এদিনের সভায় লোক বিশেষ হয়নি। যার জেরে অসন্তুষ্ট হন রাষ্ট্রপতি। কনফারেন্সে (Tribal Conference) ভাষণ দিতে গিয়ে সে কথা চেপেও রাখেননি তিনি। বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?” এর পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি। বলেন, “কোনও কারণে তিনি বোধহয় রাগ করেছেন আমার ওপর।”

    রাষ্ট্রপতির প্রশ্ন (Draupadi Murmu)

    দর্শকাসনে অনেক চেয়ার ফাঁকা দেখে রাষ্ট্রপতি বিস্ময় প্রকাশ করেন। বলেন, “এখানে বসে আমি অনেক সাঁওতালি মানুষকে বাইরে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি। এত চেয়ার ফাঁকা কেন? মনে হচ্ছে কেউ যেন তাঁদের এখানে আসতে বাধা দিচ্ছে। যখন আমি মাঠ এবং ব্যবস্থা দেখি, তখন আমার মনে হয় সাঁওতালি সম্প্রদায়ের এত বড় আন্তর্জাতিক সমাবেশে সকলের খোলাখুলি অংশগ্রহণ করা উচিত।” এর পরেই রাষ্ট্রপতি বলেন, “কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?”

    রাজ্য সরকারকে নিশানা রাষ্ট্রপতির

    কনফারেন্সের শেষে রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে সরাসরি চলে যান বিধাননগরে, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। গোটা এলাকা ঘুরে দেখে তিনি বলেন, “আমি তো এখানেই সভা করতে চেয়েছিলাম। পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার (Tribal Conference) আমায় এখানে সভা করতে দিল না! এখানে অনুষ্ঠান হলে ভালো হত। এখানে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ আসতে পারতেন (Draupadi Murmu)। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন কেন জানি না, এখানে সভার অনুমতি দেয়নি। এমন জায়গায় আজকের অনুষ্ঠান হচ্ছে, যেখানে মানুষের আসা কঠিন।” রাজ্য সরকারকে নিশানা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “রাজ্য সরকার বোধহয় আদিবাসীদের ভালো চায় না। তাই এখানে তাঁদের আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমায় স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি। যাই হোক, এটা কোনও ব্যাপার নয় (Tribal Conference)। আপনারা সকলে ভালো থাকবেন (Draupadi Murmu)।”

     

  • Russia: ভারতে কত তেল রফতানি হল জানাবে না রাশিয়া, জানাল মস্কো

    Russia: ভারতে কত তেল রফতানি হল জানাবে না রাশিয়া, জানাল মস্কো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তারা কত পরিমাণ ক্রুড অয়েল রফতানি করল, তার নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করবে না রাশিয়া (Russia)। শুক্রবার সাফ জানিয়ে দিল মস্কো (Oil Export Data)। এদিন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে এই তথ্য গোপন রাখা হবে। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে অনেক অমঙ্গলকামী শক্তি। এই বিষয়টি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে বৈশ্বিক তেলের বাজারে যে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রেক্ষাপটেই এই মন্তব্য করা হয়েছে।

    বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি (Russia)

    এই পরিস্থিতি সামনে আসে যখন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলা অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের সমস্যার মধ্যে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে রাশিয়া তার বাণিজ্যিক স্বার্থ ও কৌশলগত পদক্ষেপকে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করতে সরবরাহের পরিমাণ গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতে ঠিক কত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, এ প্রশ্ন করা হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সরাসরি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “সঙ্গত কারণেই রাশিয়া সরবরাহের পরিমাণ সম্পর্কে কোনও তথ্য প্রকাশ করবে না।” বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অনেক পক্ষ রাশিয়ার বাণিজ্যিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি। আধিকারিকদের মতে, পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক চাপের প্রভাব কমাতে এই গোপনীয়তা রাশিয়ার বৃহত্তর রফতানি কৌশলেরই অংশ।

    ক্রুড অয়েল সরবরাহ

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া এক সপ্তাহে (Russia) ভারতে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ  ব্যারেল (২২ মিলিয়ন ব্যারেল) ক্রুড অয়েল সরবরাহ করতে সক্ষম। এই বিষয়ে পেসকভ সরাসরি সংখ্যা নিশ্চিত না করলেও রাশিয়ার শক্তিশালী সরবরাহ সক্ষমতার ইঙ্গিত দেন। এর আগে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে একটি মানচিত্র দেখানো হয়, যেখানে আরব সাগর থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে একাধিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারের গতিবিধি দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এসব ট্যাঙ্কার ভারতের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত রিফাইনারিগুলির দিকে যাচ্ছিল, যা বর্তমানে চলা সামুদ্রিক লজিস্টিক কার্যক্রমের ব্যাপকতা তুলে ধরে (Oil Export Data)।

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    এদিকে (Russia), সাম্প্রতিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা পৌঁছেছে চরমে। এই হামলায় জড়িত ইজরায়েল, আমেরিকা এবং ইরান। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হারমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ এই সামুদ্রিক পথে পরিবাহিত হয় বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারত ও চিনের মতো বড় ভোক্তা দেশগুলিকে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

    আমেরিকার অবস্থান

    অন্যদিকে, যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে রাশিয়ান তেল কেনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, সেই দেশই এখন ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দিয়েছে। এই ছাড়ের মাধ্যমে ভারতকে রাশিয়ান তেল কিনতে দেওয়া হয়েছে, যাতে বৈশ্বিক তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা যায় এবং সংকটকালে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা যায় (Russia)। রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নৌপথে বাধা তৈরি হওয়ায় রাশিয়া সরবরাহ বাড়াতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

    লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতামত

    রাশিয়ার সূত্র থেকে প্রকাশিত মানচিত্র ও স্যাটেলাইট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিপুল সংখ্যক রাশিয়ান তেলবাহী ট্যাঙ্কার ভারতের দিকে যাচ্ছে (Oil Export Data)। লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া তার রফতানি পাইপলাইন ও বিকল্প সমুদ্রপথ ব্যবহার করে সরবরাহ অব্যাহত রাখছে। হারমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে অন্যান্য পথকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভারতীয় বন্দরগুলিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল পৌঁছানো যায়। আধিকারিকরা বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময় ভারতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এই লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Russia)।”

     

  • Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের সাধারণ নির্বাচনে (Nepal Election) বড় ধরনের জয়ের পথে র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহের (Balen Shah) দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত বছরের যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পর, যা দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল।

    এগিয়ে আরএসপি (Balen Shah)

    নির্বাচনের ফলে দেখা গিয়েছে হিমালয়ের পাদদেশের এই অঞ্চলের দেশটিতে একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। এতে শাহের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এদিকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli) তাঁর নিজের শক্ত ঘাঁটিতেই পিছিয়ে পড়েছেন। নেপালের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৬৫টি আসনের মধ্যে ১৬১টির ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। এতে দেখা যাচ্ছে আরএসপি ইতিমধ্যেই সর্বাধিক আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। এটি দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থনের বড় ধরনের পতনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে

    নেপালের এই সাধারণ নির্বাচনের ফলের ইঙ্গিত, নয়া রাজনৈতিক শক্তি আরএসপির পক্ষে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী ঢেউ তৈরি হয়েছে। গত বছরের যুব আন্দোলনের পর থেকেই এই দলটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই পরিচিত, বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল – ইউএমএলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই আসনে শাহ ১৫,০০০-এরও বেশি ভোট পেয়েছেন। আর সিপিএন-ইউএমএলের চেয়ারম্যান তথা নেপালের চারবারের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি শনিবার সকাল পর্যন্ত পেয়েছেন প্রায় ৩,৩০০টি ভোট (Nepal Election)। ৩৫ বছর বয়সী ইঞ্জিনিয়ার শাহ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কাঠমান্ডুর মেয়র ছিলেন। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত রইলে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শাহ-ই।

    তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই নির্বাচনী পরিবর্তন জনগণের মধ্যে প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি বাড়তে থাকা অসন্তোষের প্রতিফলন। গত ১৮ বছরে নেপালে ১৪টি সরকার গঠিত হয়েছে, যা দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার ছবিটাই তুলে ধরে (Balen Shah)। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আরএসপি ইতিমধ্যেই ২০টি আসনে জয়ী হয়েছে, এগিয়ে রয়েছে আরও ৯৫টি আসনে। বালেন্দ্র শাহের রাজনৈতিক উত্থান কোনও বাঁধাধরা গতে হয়নি। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে। কাঠমান্ডু মেয়র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা। ওই নির্বাচনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠান-বিরোধী প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারে তাঁর জনসমর্থন নজর কেড়েছে নেপালবাসীর। তাঁর সমাবেশগুলিতে বিপুল জনসমাগম হয়, যার একটা বড় অংশই ছিল তরুণ ভোটার (Nepal Election)।

    বালেন্দ্রর জনপ্রিয়তা

    তাঁর এই জনপ্রিয়তা তৈরি হয় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া যুব আন্দোলনের সময়। তখন হাজার হাজার তরুণ দুর্নীতি ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন। এই আন্দোলনের জেরে পতন ঘটে ওলি সরকারের। অনেক পর্যবেক্ষক এই আন্দোলনকে “জেন জেড মুভমেন্ট” এমনকি “রেভেলিউশান” বলেও উল্লেখ করেছেন। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন বালেন শাহ স্বয়ং (Balen Shah)। সরকার পতনের পর নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যার দায়িত্বই ছিল সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করা। আরএসপির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রাক্তন টেলিভিশন সঞ্চালক রবি লামিছানে। শাহ গত বছরের ডিসেম্বরে এই দলে যোগ দেন এবং দ্রুত দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠেন।

    রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ

    তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল বক্তব্যই ছিল নেপালের পুরনো রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা এবং প্রজন্মগত পরিবর্তনের প্রতীক  হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। প্রধানমন্ত্রী পদে প্রচার শুরু করার সময় তিনি বক্তব্য শুরু করতেন ‘সর্বপ্রথম, মাতা জানকী কি প্রণাম’ শব্দবন্ধ দিয়ে (Nepal Election)। তিনি বক্তব্য রাখেন মৈথিলী ভাষায়, যা প্রচলিত ভারতের দুই রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং নেপালের মাধেশ প্রদেশে। তিনি তাঁর প্রচার শুরুই করেছিলেন জনকপুর থেকে। এটি মাধেশ প্রদেশের রাজধানী এবং হিন্দু দেবী সীতা বা মা জানকীর জন্মস্থান (Nepal Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি নেপালের বিভিন্ন ভাষাগত ও আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর কৌশল (Balen Shah)। প্রসঙ্গত, নেপালের এই নির্বাচন ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর যুব বিদ্রোহের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই আন্দোলনের নেপথ্যে ছিল দুর্নীতি, শাসন ব্যর্থতা এবং পুরনো রাজনৈতিক দলগুলির আধিপত্যের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জনরোষ।

    জেন জেডের শক্তি

    বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন ছিল সেই জেন জেডের শক্তির রাজনৈতিক পরীক্ষা। আরএসপির ফলেই স্পষ্ট, বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা নেপালের পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন চায় (Nepal Election)। নেপালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি জানান, এবার ভোট দিয়েছেন প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ। ভোটগ্রহণের সময় কয়েকটি জেলায় সামান্য বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে বলে খবর।এদিকে, নেপালে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় খুশি ভারত। তারা একে স্বাগত জানিয়েছে (Balen Shah)। ৫ মার্চ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত নেপালের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগকে স্বাগত জানায়।” ভারত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি এবং নেপাল সরকারের ভূমিকাকেও অভিনন্দন জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাঠমান্ডুর অনুরোধে ভারত নির্বাচন পরিচালনায় লজিস্টিক সাহায্য করেছে। ভারত ভবিষ্যতেও নেপালের সঙ্গে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।” অন্যদিকে, শনিবার সকালেও ভোট গণনা চলতে থাকায় বালেন্দ্রর দল আরএসপি বড় ব্যবধানে জয়ের দিকে এগোচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, আরএসপি ২৫টি আসনে জয়ী হয়েছে। এগিয়ে রয়েছে ৯৩টি আসনে (Nepal Election)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোট গণনা শেষ হওয়ার কথা ৯ মার্চের মধ্যে (Balen Shah)।

     

  • Ramakrishna 598: “ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়!”

    Ramakrishna 598: “ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ঠাকুরের পরমহংস অবস্থা—চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসাদর্শন —
    ভগবতীর রূপদর্শন—যেন বলছে, ‘লাগ্‌ ভেলকি’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এতক্ষণ ভাবাবস্থায় কি দেখছিলাম জান?—তিন-চার ক্রোশ ব্যাপী সিওড়ে যাবার রাস্তার মাঠ। সেই মাঠে আমি একাকী!—সেই যে পনের-ষোল বছরের ছোকরার মতো পরমহংস বটতলায় দেখেছিলাম, আবার ঠিক সেইরকম দেখলাম!

    “চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসা!—তারই ভিতর থেকে ১৩/১৪ বছরের একটি ছেলে উঠলো মুখটি দেখা যাচ্ছে! পূর্ণর রূপ। দুইজনেই দিগম্বর!—তারপর আনন্দে মাঠে দুইজনে দৌড়াদৌড়ি আর খেলা!

    “দৌড়াদৌড়ি করে পূর্ণর জলতৃষ্ণা পেল (Kathamrita)। সে একটা পাত্রে করে জল খেলে। জল খেয়ে আমায় দিতে আসে। আমি বললাম, ‘ভাই, তোর এঁটো খেতে পারব না।’ তখন সে হাসতে হাসতে গিয়ে গ্লাসটি ধুয়ে আর-একগ্লাস জল এনে দিলে (Kathamrita)।”

    ‘ভয়ঙ্করা কালকামিনী’ — দেখাচ্ছেন, সব ভেলকি

    ঠাকুর আবার সমাধিস্থ। কিয়ৎক্ষণ পরে প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার মণির সহিত কথা কহিতেছেন—

    “আবার অবস্থা বদলাচ্ছে!—প্রসাদ খাওয়া উঠে গেল! সত্য-মিথ্যা এক হয়ে যাচ্ছে! আবার কি দেখছিলাম জান? ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়! আমায় দেখাচ্ছে যে, সব শূন্য!

    “যেন বলছে, লাগ্‌! লাগ্‌! লাগ্‌ ভেলকি! লাগ!”

    মণি ঠাকুরের কথা ভাবিতেছেন (Kathamrita)! ‘বাজিকরই সত্য আর সব মিথ্যা।’

    সিদ্ধাই ভাল নয় — নিচু ঘরের সিদ্ধাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আচ্ছা, তখন পূর্ণকে আকর্ষণ কল্লাম, তা হল না কেন? এইতে একটু বিশ্বাস কমে যাচ্ছে!

    মণি—ও-সব তো সিদ্ধাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ঘোর সিদ্ধাই!

    মণি—সেই অধর সেনের বাড়ি থেকে গাড়ি করে আপনার সঙ্গে আমরা যখন দক্ষিণেশ্বরে আসছিলাম বোতল ভেঙে গেল। একজন বললে যে, এতে কি হানি হবে, আপনি একবার দেখুন। আপনি বললেন, দায় পড়েছে, দেখবার জন্য — ও-সব তো সিদ্ধাই!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওইরকম হরির লুটের ছেলে—রোগ ভাল করা—এ-সব সিদ্ধাই। যারা অতি নিচু ঘর, তারাই ঈশ্বরকে ডাকে রোগ ভালর জন্য।

  • PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। আর এই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয় নিশ্চিত করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সমাবেশের মাধ্যমেই বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিতে চাইছে বিজেপি। গত ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ কতটা পিছিয়ে পড়েছে সেই খতিয়ান তুলে ধরবেন মোদি। একদিকে দুর্নীতির পাহাড় এবং অপরদিকে নারী নির্যাতন এই ইস্যুতে চরম আক্রমণ করবে বিজেপি। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রিগেড সভা (PM Modi Mega Rally) শাসক দল তৃণমূলের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার এক বড় হাতিয়ার।

    রথযাত্রার মহামিলন (PM Modi Mega Rally)

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাংলার পাঁচটি ভিন্ন প্রান্ত থেকে যে পাঁচটি ‘পরিবর্তন রথ’ যাত্রা শুরু হয়েছে। এবার সেগুলির গন্তব্য ব্রিগেড। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল—রাজ্যের প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে আসা এই পাঁচটি রথ ১৪ মার্চ সকালেই কলকাতায় এসে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi Mega Rally) উপস্থিতিতে এই পাঁচটি রথ একসঙ্গে ব্রিগেডে মিলিত হওয়ার মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাককে আরও জোরালো করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর, ব্রিগেডের এই জনসভাটি হবে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এর আগে গত লোকসভা নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) একাধিক জনসভা করেছিলেন, তবে বিধানসভা ভোটের আগে এই ব্রিগেড সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মনে করা হচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেবেন এবং ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক দেবেন।

    পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার এই পাঁচটি রথ রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ এবং আশীর্বাদ সংগ্রহ করেছে। ব্রিগেডের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) যখন ভাষণ দেবেন, তখন এই পাঁচটি রথ হবে জনসমর্থনের প্রতীকী প্রতিফলন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ব্রিগেড সমাবেশের মূল লক্ষ্য হল, রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ব্রিগেডে নিয়ে আসা। বিশেষ করে গ্রামবাংলার ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের মতে, ব্রিগেডের জনসমাগমই প্রমাণ করে দেবে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বচ্ছ ভাবমূর্তিই মুখ

    রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যখন তাদের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে চাইছে, তখন পাল্টা বিজেপিও প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উন্নয়নের খতিয়ানকে হাতিয়ার করছে। ১৪ মার্চের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো ইস্যুগুলোতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করতে পারেন।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিগেডের এই জনসভা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী সভা নয়, বরং এটি বিজেপির শক্তিবৃদ্ধির এক বড় প্রদর্শন হতে চলেছে। মার্চ মাসের এই সময়টিকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে ভোট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যজুড়ে একটি জোরালো হাওয়া তৈরি করা যায়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) এই সফরের পর বিজেপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতারাও দফায় দফায় রাজ্যে প্রচারে আসবেন বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, ১৪ মার্চের ব্রিগেড সমাবেশকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক আঙ্গিনা।

    পোস্টার ফ্লেক্সে প্রচার তুঙ্গে

    মোদির (PM Modi Mega Rally) সমাবেশকে ঘিরে আগামী ১৪ মার্চের এই মেগা র‍্যালি সফল করতে কোমড় বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। প্রতিটি জেলা থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাসে করেও কয়েক লক্ষ কর্মীকে কলকাতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মোদির এই ব্রিগেড সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে শুরু হয়েছে পোস্টার ও ফ্লেক্সের দাপট।

    ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির

    ইতিমধ্যে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় (PM Modi Mega Rally) অংশ গ্রহণ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় হেভিওয়েট নেতারা। যেমন- কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্করসিং ধামী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, বিপব দেব, ভুপেন্দ্র সিং, অর্জুন মুন্ডা সহ আরও অনেকে। ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির হবে। সংগঠন এবার যথেষ্ট শক্তিশালী। টিকিট বিতরণের ক্ষেত্র নেওয়া হবে একাধিক পদক্ষেপ। প্রত্যেক জেলায় প্রতিটি আসনের তরফে তিন জন করে নাম প্রস্তাব করা হবে। এরপর নির্বাচন বিষয়ক কমিটির ভিত্তিতে দেওয়া হবে। জেলা স্তরের রিপোর্ট এবং কেন্দ্রীয় স্তরের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে প্রার্থী তালিকা। ইতিমধ্যে সল্টলেকের অফিসে শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, বিপ্লব দেব এবং ভুপেন্দ্র সিং যাদব ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন।

  • Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আজ নতুন দিল্লিতে ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটি ডিজিটাল টুল বা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। একইসঙ্গে, এই জনগণনার অফিশিয়াল ম্যাসকট—‘প্রগতি’ (নারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ) উন্মোচন করেছেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই হতে চলেছে প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। ভারতের মতো দেশে এই অত্যাধুনিক পদ্ধতি সত্যই অভিনব। অমিত শাহ বলেন, “প্রযুক্তির এই ব্যবহার ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    ম্যাসকট ‘প্রগতি’ ও ‘বিকাশ’ (Census-2027)

    ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) বন্ধুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মুখ হিসেবে ‘প্রগতি’ (মহিলা গণনাকারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ গণনাকারী) ম্যাসকট দুটিকে সামনে আনা হয়েছে। এই ম্যাসকটগুলি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সংকল্পে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই ম্যাসকটগুলোর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে জনগণনার উদ্দেশ্য এবং গুরুত্ব সম্পর্কে নাগরিকদের বান্ধব হিসেবে প্রচারের কাজ করবে।

    চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

    সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (C-DAC)-এর সহযোগিতায় তৈরি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি দেশের জনগণনা (Census-2027) প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নির্ভুল করবে। প্ল্যাটফর্মগুলি হল-

    হাউজলিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর (HLBC)

    স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে এলাকা নির্ধারণের জন্য এটি ব্যবহার করা হবে।

    এইচএলও (HLO) মোবাইল অ্যাপ

    গণনাকারীদের জন্য একটি সুরক্ষিত অফলাইন মোবাইল অ্যাপ, যার মাধ্যমে হাতে-কলমে কাগজের কাজ ছাড়াই সরাসরি তথ্য সংগ্রহ ও আপলোড করা যাবে। এটি ১৬টি আঞ্চলিক ভাষায় কাজ করবে।

    সেলফ-এনিউমারেশন (SE) পোর্টাল

    প্রথমবারের মতো নাগরিকদের জন্য ‘স্ব-গণনা’র সুবিধা (Census-2027) দেওয়া হচ্ছে। এই পোর্টালে নাগরিকরা নিজেরাই তাদের পরিবারের তথ্য অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি অনন্য আইডি (SE ID) তৈরি হবে, যা পরে গণনাকারীকে দেখালে তিনি তথ্য যাচাই করে নেবেন।

    সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS)

    এই কেন্দ্রীয় পোর্টালটি পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।

    জনগণনার সময়সূচী

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে:

    • প্রথম পর্যায় (এপ্রিল – সেপ্টেম্বর ২০২৬): এই পর্যায়ে ঘরবাড়ি তালিকাভুক্তকরণ এবং আবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
    • দ্বিতীয় পর্যায় (ফেব্রুয়ারি ২০২৭): এই পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা (Census-2027) করা হবে। তবে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারবৃত দুর্গম এলাকাগুলোতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই এই গণনা সম্পন্ন হবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতির সুবিধা গুলি কি কি?

    • ● এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল জনগণনা কার্যক্রম।
    • ● এতে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী এবং আধিকারিক নিযুক্ত থাকবেন।
    • ● তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১৬টি ভাষা ব্যবহারের সুবিধা থাকবে।
    • ● এবারের জনগণনায় জাতিগত তথ্যও (Caste data) সংগ্রহ করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশ জুড়ে জনগণনায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষভাবে কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশও করা হয়েছে।

  • Rajasthan: রাজস্থানের ঐতিহাসিক আলওয়ার মন্দির ভাঙচুর! শিবলিঙ্গ ধ্বংস, নন্দী ও গণেশ মূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    Rajasthan: রাজস্থানের ঐতিহাসিক আলওয়ার মন্দির ভাঙচুর! শিবলিঙ্গ ধ্বংস, নন্দী ও গণেশ মূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের (Rajasthan) আলওয়ারে একটি শ্মশানের কাছে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। সমাজবিরোধীরা মন্দিরের শিবলিঙ্গ ধ্বংস করেছে এবং বেশ কিছু দেব-দেবীর মূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত (Vandalised Shivling) করেছে। এছাড়া মন্দিরের কাছে একটি মৃত বাছুর ফেলে রাখায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার মানুষের দাবি হিন্দু সমাজের উপর এই আঘাত চরম আঘাত। হিন্দু সমাজকে ভিতর থেকে দুর্বল করতেই এই অপকর্ম করা হয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ (Rajasthan)

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আলওয়ারের (Rajasthan) এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি কয়েক দিন আগে শুরু হয়। প্রথমে নন্দী মূর্তির ঘাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এর কিছুদিন পরেই ভগবান গণেশের মূর্তির শুঁড় ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ভেবেছিলেন হয়ত বানরের উপদ্রবে এমনটা হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি গুরুতর রূপ নেয় যখন শিবলিঙ্গটি সম্পূর্ণ চূর্ণ-বিচূর্ণ (Vandalised Shivling) অবস্থায় পাওয়া যায়। শিবলিঙ্গের পাশে একটি ভাঙা পাথরও পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এটি কোনও দুর্ঘটনা নয় বরং ইচ্ছাকৃত হামলা। আর এই হামলার পিছনে রয়েছে ধর্মীয় বিদ্বেষ। শুধু ভাঙচুরের ঘটনাতেই সব কিছু থেমে ছিল না। মন্দিরের পাশেই একটি মৃত বাছুর পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    পুলিশি পদক্ষেপ

    উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। ইতিমধ্যে পুলিশ আশ্বস্ত করেছে যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং কোনো অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না। শিবলিঙ্গের (Rajasthan) পাশ থেকে উদ্ধার করা পাথরসহ অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে।

    হিন্দু সংগঠনের তোপ

    এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় (Rajasthan) হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের কাছে মন্দিরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি (Vandalised Shivling) এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। জনগণের চাপে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

  • RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই পদত্যাগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ, বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন আনন্দ বোস। এ রাজ্যের (West Bengal) অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে (RN Ravi)। তামিলনাড়ুর পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। রাজ্যপাল পদে আসীন হওয়ার আগে রবি ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবিতে। এ রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (RN Ravi)

    ঘটনায় যারপরনাই বিস্ময় এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, এর কারণ তাঁর জানা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগাম কোনও পরামর্শ ছাড়াই আরএন রবির নয়া রাজ্যপাল হিসেবে আসন্ন নিয়োগের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এই পরিবর্তনটি হয়তো নির্বাচনী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনি এমন একটি সরকার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ক্রমশ পদত্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে উঠছে।

    বোস-বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক

    বোসের সঙ্গে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। দায়িত্ব নেওয়ার পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নানা বিষয়ে মনান্তর হয়েছে রাজ্যপালের। পরে আবার মিটমাটও হয়ে গিয়েছে। ওদিকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সে রাজ্যের (RN Ravi) স্টালিন সরকারের ‘সংঘাতে’র খবরও প্রায়ই শিরোনাম হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন। এ নিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের নাম না করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যিনি প্রতিনিয়ত তামিলনাড়ুর জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছেন, তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী। চেন্নাইয়ের রাজভবনে রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরাও যাবেন না বলে জানানো হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে। তারপর ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যপালের চা চক্র এড়িয়েই চলছে তামিলনাড়ুর স্টালিন সরকার।

    দায়িত্ব আরএন রবির হাতে

    কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এর পরে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিল স্টালিন সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম নির্দেশে ২০২৫ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে বিলগুলিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রবি। তারপরেও রবির সঙ্গে স্টালিন সরকারের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই অহি-নকুলের। চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগও তোলেন রাজ্যপাল। সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই অধিবেশন ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন (West Bengal) রবি। এহেন রবির ওপরই বর্তেছে বঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্বও, তাও আবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে (RN Ravi)।

    এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

     

  • Bullet Train: ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে ভারতে ৭,০০০ কিমি উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেন ও আরও ২১,০০০ কিমি সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা স্থির

    Bullet Train: ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে ভারতে ৭,০০০ কিমি উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেন ও আরও ২১,০০০ কিমি সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা স্থির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের হাই-স্পিড রেল (High-Speed Rail) নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে দেশে ৭,০০০ কিলোমিটার উচ্চ গতির বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী রেল করিডর (High Speed Rail Corridors) নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে ২১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

    নতুন করিডর অনুমোদন (Bullet Train)

    কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যেই ৪,০০০ কিলোমিটার বিস্তৃত ৭টি নতুন উচ্চ-গতির যাত্রী করিডর (High Speed Rail Corridors) নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন। এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ১৬ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে এবং যা আগামী ১০ বছরের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে কাজের বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে তিনি আরও জানিয়েছেন, “এই লক্ষ্য পূরণের জন্য ভারতীয় রেলকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির রেললাইন চালু করতে হবে। এটি কার্যত প্রতি বছর একটি করে ‘মুম্বই-আহমেদাবাদ’ বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের সমান কাজ করার মতো কাজ হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উচ্চগতি সম্পন্ন বুলেট ট্রেন সম্পর্কে আরও বলেছেন, “আমরা এই প্রকল্পকে প্রথমে ৩,০০০ কিলোমিটার করিডর (High Speed Rail Corridors) অনুমোদন করব, এরপর তাকে ৭০০০ কিমিতে, তারপর ১৫০০০ কিমি এবং তাকেই আরও ২১০০০ কিমি পর্যন্ত পরিকল্পনার আওতায় নিয়ে আসব। সবটাই ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে মোট নেটওয়ার্ক (Bullet Train) গড়ে তোলা হবে।” ভারতীয় রেলের জন্য এই অভূতপূর্ব সাফল্য সত্যই প্রগতির এক নতুন অধ্যায়।

    মুম্বই-আহমেদাবাদ প্রকল্প প্রেরণা

    ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্প মুম্বই-আহমেদাবাদ করিডোর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী প্রকল্পগুলো (High Speed Rail Corridors) দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। সাধারণ দৃষ্টিতে ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টার বেশি গতিতে ট্রেন চালানো প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত জটিল। তবে ভারত সাফল্যের সঙ্গে এই ব্যবস্থাকে আয়ত্ত করছে। এই উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব আনবে না, বরং ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে এবং লজিস্টিকস ও পরিকাঠামো খাতের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

LinkedIn
Share