Tag: Bengali news

Bengali news

  • Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরে (Jan Kalyan Shibir) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাই শিবিরের মেয়াদ আরও একদিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার ফলতা থেকে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিনই শিবিরের শেষ দিন ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারও রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির চালু থাকবে।

    মেয়াদ বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের (Jan Kalyan Shibir)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এক জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, সরকারের লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পদ্ধতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তিনি জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক জায়গায় সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত শিবির করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এবং প্রচুর মানুষ পরিষেবা নিতে শিবিরে ভিড় করছেন। সেই কারণেই শিবিরের মেয়াদ একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার তথা সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসে দেশের যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি (Suvendu Adhikari) জানান, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের পরিবারগুলি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০০ ইউনিটে ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটে ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন। এজন্য জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছে অ-লক্ষ্মীরাও!

    অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ বেআইনিভাবে ওই প্রকল্পের টাকা তুলেছেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গত ৩ জুন অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৮ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে আপলোডও করা হয়েছে (Jan Kalyan Shibir)। আগামী ২২ জুন প্রথম রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবে পদ্ম সরকার। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যুবসমাজ, সরকারি কর্মী, শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

    ফলতার জন্য বিশেষ ঘোষণা

    এদিকে, ফলতায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফলতাকে আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে এসইজেডে শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলতা গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র তৈরির অনুমোদন, ফলতা থানাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মহিলাদের জন্য (Suvendu Adhikari) পৃথক হেল্পডেস্ক চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের কথাও ঘোষণা করেন (Jan Kalyan Shibir) পদ্ম সরকারের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী।

     

  • TMC Leader: গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের উদয়ন গুহ, কোন মামলায় পুলিশের জালে উত্তরবঙ্গের ‘ক্রিমিনাল’?

    TMC Leader: গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের উদয়ন গুহ, কোন মামলায় পুলিশের জালে উত্তরবঙ্গের ‘ক্রিমিনাল’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা (TMC Leader) উদয়ন গুহকে বুধবার কলকাতার ফুলবাগানের ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার করল কোচবিহার জেলা পুলিশ। উদয়নকে (Udayan Guha) ধরে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় ফুলবাগান থানায়। সেখান থেকে কোচবিহারে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।

    উদয়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Leader)

    পুলিশ সূত্রে খবর, উদয়নের বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর হিংসা, তোলাবাজি, প্রতারণা এবং দুর্নীতির অভিযোগ-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাঁকে একটি তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগ নির্মাণের সময় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম করে অর্থ তোলার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ১২ জুন দায়ের হয় অভিযোগ। তার পাঁচ দিনের মাথায়ই পুলিশের জালে ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রয়াত নেতা কমল গুহের ছেলে উদয়ন। কোচবিহার জেলা পুলিশের একটি সূত্রের খবর, অবাস যোজনায় মেলা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে উদয়নের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আবাস যোজনায় বিপুল পরিমাণ টাকা কাটমানি পেয়েছেন তৃণমূলের এই নেতা। শুধু কাটমানি বাবদই তিনি কুড়ি কোটি টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ। এহ বাহ্য।

    তৃণমূলেরই বিক্ষুব্ধদের দাবি

    তৃণমূলের এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর কোচবিহারে সংঘটিত ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায়ও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এ সংক্রান্ত তদন্তেও উঠে এসেছে উদয়নের নাম। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকার সময় একধিকবার বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন উদয়ন। তৃণমূলেরই বিক্ষুব্ধদের দাবি, উদয়ন এতটাই ক্ষমতাশালী যে উত্তরবঙ্গের কাজকর্ম তাঁকে না জানিয়ে করা যেত না। টাকা না দিলে কোনও কাজই হত না। ধরা পড়ার পর অবশ্য উদয়ন দাবি করেন, যে মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই মামলায় তাঁর আগাম জামিন রয়েছে। তাঁকে বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে উত্তরবঙ্গের এই ‘দাপুটে’ নেতা (এখন আর অবশ্য দাপট নেই) বলেন, “আমি জানিই না কেন আমায় গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    উদয়নের ‘পালিয়ে’ আসার কারণ

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান উদয়ন। তার পর থেকেই তিনি ছিলেন কলকাতায়, তাঁর ফ্ল্যাটে। তারপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, উদয়ন কোচবিহারে থাকলে সমস্যায় পড়তেন (TMC Leader)। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে ‘কলঙ্কিত’ (অভিযোগ) তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে এবং ডিম ছুড়ে মারা হচ্ছে, সেই জনরোষের শিকার হতে পারতেন উদয়নও। তাই তৃণমূলের কোচবিহারের এই নেতা কলকাতায় ‘পালিয়ে’ এসেছিলেন বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর (Udayan Guha)।

    ‘এক নম্বরের নটোরিয়াস ক্রিমিনাল’

    দিনহাটার বিধায়ক বিজেপির অজয় রায়ের দাবি, উদয়নের বিরুদ্ধে খুন, ভোট-পরবর্তী হিংসা, আবাস যোজনায় দুর্নীতি এবং অন্যান্য একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “উনি (উদয়ন) অনেক দুর্নীতি করেছেন। উনি এক নম্বরের নটোরিয়াস ক্রিমিনাল। অনেক আগেই ওঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ভেবেছিলেন বেঁচে যাবেন। কিন্তু আইন সবার জন্য এক, এটা পরিষ্কার।” উত্তরবঙ্গে এক সময় দাপিয়ে ফরওয়ার্ড ব্লক করতেন উদয়ন। কমল গুহের পর কোচবিহারে (TMC Leader) তিনিই ধরেছিলেন এই বাম দলের রাশ। ২০১১ সালে ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে জিতে বিধানসভায়ও গিয়েছিলেন কমল-পুত্র। ২০১৫ সালে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে উদয়ন যোগ দেন তৃণমূলে। ২০১৬ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে দিনহাটা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় জায়গা পান উদয়ন। তাঁকে করা হয় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। সেই উদয়নই গ্রেফতার হলেন বুধ-দুপুরে। এই (Udayan Guha) নিয়ে গত সরকারের চার মন্ত্রীর হাতে পড়ল (TMC Leader) ‘হাতকড়া’। উদয়নের পূর্বসূরিরা হলেন, সুজিত বসু, দিলীপ মণ্ডল এবং উজ্বল বিশ্বাস।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের আগে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযান, বাগবাজার মায়ের ঘাটে সাফাই অভিযানে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের আগে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযান, বাগবাজার মায়ের ঘাটে সাফাই অভিযানে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বঙ্গে প্রথম বিজেপি-রাজ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তিনি আসছেন। তাঁর এই সম্ভাব্য সফরের আগে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ কর্মসূচি। বুধবার কলকাতার বাগবাজারের মায়ের ঘাটে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘাট পরিষ্কার করার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেওয়া (Swachhata Se Swagat Drive) হয় এই কর্মসূচির মাধ্যমে।

    স্বচ্ছতা অভিযান (Suvendu Adhikari)

    সূত্রের দাবি, ২০ জুন পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে চলবে এই স্বচ্ছতা অভিযান। প্রধান উদ্দেশ্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং গঙ্গার ঘাট-সহ বিভিন্ন জনপরিসরকে জঞ্জালমুক্ত রাখা। বুধবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, পর্যটন দফতরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসক স্মিতা পান্ডে। কর্মসূচির শুরুতে বৃক্ষরোপণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ঘাট পরিদর্শন করে নিজে হাতে ঝাঁটা নিয়ে নেমে পড়েন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত বিজেপির অন্যান্য নেতাও যোগ দেন স্বচ্ছতা অভিযানে।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    পরে সাংবাদিকদের নয়া মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর বৃহত্তর প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কোনও একদিনের বিষয় নয়, বরং এটি একটি সকলের নিয়মিত একটি অভ্যাস হওয়া উচিত। সমগ্র কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপরও জোর দেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি পরিবেশের পরিচ্ছন্নতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গঙ্গা ও গঙ্গার ঘাটগুলিকে দূষণমুক্ত রাখতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান চলবে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পুরো কলকাতা, পুরো রাজ্যকে পরিষ্কার করতে হবে। উন্নয়নও হবে। তার সঙ্গে সঙ্গে স্বচ্ছতাও জরুরি।’’

    পুজো দিয়ে শুরু সাফাই অভিযান

    ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতে এই প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে এগোয়নি। ভবিষ্যতে গঙ্গাকে আরও পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।কয়েক দিন আগেই পাঁচ দিনের স্বচ্ছতা অভিযানের ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই বুধবার বাগবাজার মায়ের ঘাট থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির সূচনা করা হয় (Swachhata Se Swagat Drive)। এদিন সাফাই অভিযান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বাগবাজার ঘাটের পাশে থাকা মন্দিরে পুজো দেন, প্রার্থনা করেন মা গঙ্গার আশীর্বাদ। এরপরেই হাতে ঝাঁটা নিয়ে সহকর্মী এবং মন্ত্রীদের নিয়ে ঘাট পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীকে স্বচ্ছতা উপহার

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যজুড়েই এই ধরনের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চলছে। আমাদের সমাজ ও পরিবেশে স্বচ্ছতার অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতায় আসছেন। আমরা তাঁকে এই স্বচ্ছতা উপহার দিয়ে কলকাতায় স্বাগত জানাতে চাই।” তৃণমূল সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিগত সরকারের নেতিবাচক ভাবনার কারণে বাংলায় নমামি গঙ্গা প্রকল্পের কোনও কাজই হয়নি। আমরা আগামী দিনে গঙ্গাকে আরও নির্মল ও দূষণমুক্ত করব। সারা বছর ধরেই এই সাফাই অভিযান ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে জারি থাকবে।” রাজ্যে যে স্বচ্ছতা অভিযান শুরু হবে, তা আগেই জানিয়েছিল নবনির্বাচিত পদ্ম সরকার। সেই মতো এদিন শুরু হয় অভিযান। চলবে পাঁচ দিন ধরে। গঙ্গা পরিষ্কারের পাশাপাশি পরিষ্কার করা হবে কলকাতার প্রতিটি গঙ্গার ঘাটও। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পান্ডে জানিয়েছিলেন, ২১ জুন যোগ দিবসে রাজ্যে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে এক স্বচ্ছ কলকাতা উপহার দেওয়া হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত অভিযান

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। সেই বছরই দেশের শহরগুলিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে তোলার পরিকল্পনা সামনে রেখে ২ অক্টোবর স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Swachhata Se Swagat Drive)। ঝাঁটা হাতে নিজেই নেমে পড়েছিলেন রাস্তায়। তখন দিল্লি ভোটের তোড়জোড় চলেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালার দল আম আদমি পার্টির নির্বাচনী প্রতীক ঝাঁটা। বস্তুত, এই ঝাঁটা হাতে তুলে নিয়েই পথে নেমে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সেবার দিল্লির নির্বাচনে তার বিশেষ প্রভাব পড়েনি।

    প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অভিযান

    তবে প্রধানমন্ত্রীর এই সাফা্ই অভিযান দেশ তো বটেই, বিদেশেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে (Suvendu Adhikari)। এই অভিযানের ১০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছিলেন বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ। তিনি জানিয়েছিলেন, প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই মিশন একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক ছুঁয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল ডঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাসও স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দশ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছিলেন (Swachhata Se Swagat Drive)। শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এহেন অভিযানের ভূয়সী প্রশংসাও করেছিলেন বিল গেটস।

     

  • Indian Rail: ভারতীয় রেলের ইতিহাস সৃষ্টি, ওভারহেড বিদ্যুতায়নে বিশ্বের প্রথম ‘ইলেকট্রিক ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন’ চালুর রেকর্ড

    Indian Rail: ভারতীয় রেলের ইতিহাস সৃষ্টি, ওভারহেড বিদ্যুতায়নে বিশ্বের প্রথম ‘ইলেকট্রিক ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন’ চালুর রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলওয়ে প্রযুক্তি এবং পণ্য পরিবহনে এক অনন্য নজির স্থাপন করল ভারত। বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র দেশ হিসেবে ওভারহেড বৈদ্যুতিক তারের (Overhead Electrification) নিচে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন চালিত ‘ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন’ একটির ওপর আরেকটি কন্টেইনার চাপানো মালগাড়ি চালিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতীয় রেল (Indian Rail)। ভারতের এই অভাবনীয় ইঞ্জিনিয়ারিং সাফল্য ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

    বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় ভারতের সাফল্য যেখানে আলাদা (Indian Rail)

    আমেরিকা বা চীনের মতো উন্নত দেশগুলোতেও ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন (Indian Rail) চালানো হয়, তবে সেগুলির বেশিরভাগই ডিজেল চালিত ইঞ্জিনে চলে। অথবা এমন রুটে চালানো হয় যেখানে মাথার ওপর কোনও বৈদ্যুতিক লাইনের (Overhead Electrification) বাধা থাকে না। কিন্তু ভারত সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়িত রেল করিডোরে ওভারহেড তারের বাধা থাকা সত্ত্বেও এই ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন সফলভাবে চালিয়ে এক জটিল প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জকে জয় করেছে। পরিবেশবান্ধব পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এটিকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কীভাবে সম্ভব হলো এই অসাধ্য সাধন?

    জানা গিয়েছে, ‘ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড’ (DFCCIL) দ্বারা নির্মিত ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর (WDFC)-এ এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

    হাই-রাইজ ওভারহেড ইকুইপমেন্ট (High-Rise OHE)

    ডাবল-স্ট্যাক ট্রেনের (Indian Rail) অতিরিক্ত উচ্চতার কথা মাথায় রেখে সাধারণ রেললাইনের চেয়ে অনেক উঁচুতে বৈদ্যুতিক তার বসিয়েছেন ইঞ্জিনিয়াররা। এই রুটে ওভারহেড তারের উচ্চতা রাখা হয়েছে প্রায় ৭.৪৫ মিটার, যা সাধারণ লাইনের চেয়ে অনেক বেশি।

    উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ও হাই-রিচ প্যান্টোগ্রাফ

    এই উঁচু তার থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের জন্য বিশেষ ধরনের শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন (Overhead Electrification) তৈরি করা হয়েছে, যাতে রয়েছে অত্যন্ত উঁচুতে পৌঁছাতে সক্ষম ‘হাই-রিচ প্যান্টোগ্রাফ’ (High-reach Pantograph)। এর ফলে ট্রেনগুলি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এবং কোনও বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ গ্রহণ করে কন্টেইনার নিয়ে ছুটতে পারে।

    দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে এর প্রভাব

    উত্তর প্রদেশের দাদরি থেকে মুম্বাইয়ের জওহরলাল নেহরু পোর্ট (JNPT) পর্যন্ত বিস্তৃত এই ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরটি দেশের পণ্য পরিবহনের মূল ধমনীতে পরিণত হয়েছে। এই ব্যবস্থার প্রধান সুবিধাগুলি হলো—

    • ১. দ্বিগুণ ধারণক্ষমতা: সাধারণ মালগাড়ির তুলনায় এই ট্রেনগুলি (Indian Rail) প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ কন্টেইনার বহন করতে পারে।
    • ২. খরচ ও সময় সাশ্রয়: এক ট্রিপেই বিশাল পরিমাণ পণ্য পরিবহন সম্ভব হওয়ায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহনের খরচ একধাক্কায় অনেকটাই কমে যাচ্ছে এবং দ্রুত গতির কারণে সময় বাঁচছে।
    • ৩. সবুজ ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন: ডিজেলের ব্যবহার বন্ধ করে পুরোপুরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে চলার কারণে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি কার্বন নির্গমন হ্রাস পাচ্ছে, যা ভারতের পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।

    রেল বিশেষজ্ঞরা এই সাফল্যকে সাম্প্রতিক দশকের অন্যতম সেরা উদ্ভাবন বলে অভিহিত করেছেন। ভারত সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘পিএম গতি শক্তি’ প্রকল্পের (Overhead Electrification) অধীনে দেশকে একটি বৈশ্বিক ম্যানুফ্যাকচারিং ও লজিস্টিকস হাব হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, এই ইলেকট্রিক ডাবল-স্ট্যাক ট্রেন ব্যবস্থা সেই স্বপ্নপূরণে এক বিরাট অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।

  • Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের কাছে অনুপ্রেরণার আর এক নাম ছত্তিশগড়ের তিলদা-নেওরার বছর তেইশের তরুণী চারু পান্ডে (Charu Pandey)। এক বা দু’টি নয়, সব মিলিয়ে মোট ১৯টি প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় (Government Exams) উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়েছেন তিনি। চারু এখন বিশাখাপত্তনমে ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) দফতরে অ্যাসিস্ট্যান্ট অডিট অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। এটি তাঁর স্বপ্নের চাকরি।

    স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু (Charu Pandey)

    চারুর এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর হাতে তুলে দেবেন স্বর্ণপদক। গণিতে স্নাতক চারু কলেজে পড়াশোনা করা কালীনই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। কোনও কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হয়ে সেল্ফ-স্টাডির মাধ্যমে একের পর এক পরীক্ষায় সফল হন তিনি। চারুর সাফল্যের তালিকায় রয়েছে এসএসসি সিজিএল, এসএসসি সিএইচএসএল, এসএসসি এমটিএস, এসএসসি জিডি, এসএসসি সিপিও, এসবিআই পিও, এসবিআই ক্লার্ক, আইবিপিএস পিও, আইবিপিএস ক্লার্কের পাশাপাশি বিভিন্ন রেলওয়ে এবং রাজ্যস্তরের নিয়োগ পরীক্ষা।

    চারুর কঠোর ‘সাধনা’

    চারু জানান, প্রথমে এতগুলি পরীক্ষায় বসার কোনও পরিকল্পনা তাঁর ছিল না। একটি পরীক্ষার ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগত, তাই অপেক্ষা না করে তিনি পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি সেরে ফেলতেন। এভাবেই একের পর এক সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে তাঁর এই অনন্য সাফল্যের ইতিহাস। প্রস্তুতির জন্য চারু ছত্তিশগড়ের রায়পুরে একটি গেস্ট হাউসে ছ’মাস একা একা কাটিয়েছেন, যাতে পড়াশোনায় কোনও বাধা না আসে। সেই সময় তিনি দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনা করতেন। তবে শুধু পড়াশোনা নয়, মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অন্যান্য কাজেও সময় দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ওই সময় তিনি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পড়াতেন, যা তাঁর নিজের বিষয়ভিত্তিক ধারণাকেও আরও শক্তিশালী করেছিল।

    সাফল্যের মূল চাবিকাঠি

    চারুর (Charu Pandey) মতে, সফলতার মূল চাবিকাঠি হল গভীরভাবে পড়াশোনা করা। তিনি বলেন, “পুরো সিলেবাস শেষ করার পেছনে না ছুটে যতটুকু পড়বেন, সেটাকে একেবারে পোক্ত করে তুলুন।” কোচিং না করেও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়েছেন চারু। বিভিন্ন শিক্ষকের ইউটিউব লেকচার দেখে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং কোনও বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হলে সাহায্য নিয়েছেন এআইয়ের (AI)। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর (Charu Pandey) পরামর্শ, সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে, ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে এবং মানসিক চাপের বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে (Government Exams)। চারুর বাবা-মা জানান, তাঁরা মেয়েকে খুব বেশি বইপত্র নিয়ে বসে থাকতে দেখতেন না, যদিও তাঁর ওপর সবসময়ই আস্থা ছিল। ছোট শহরের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে থেকে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সরকারি চাকরিতে চারুর (Charu Pandey) পৌঁছানোর এই যাত্রা প্রমাণ করে, ব্যয়বহুল কোচিং নয়, বরং ধারাবাহিকতা, আত্মনিয়োগ এবং সঠিক কৌশলই সাফল্যের আসল (Government Exams) চাবিকাঠি।

     

  • Swami Vivekananda: শিকাগোয় উন্মোচন হল স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ণাবয়ব মূর্তির, বিশ্বজুড়ে ধ্বনিত হল সেবা ও সম্প্রীতির বার্তা

    Swami Vivekananda: শিকাগোয় উন্মোচন হল স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ণাবয়ব মূর্তির, বিশ্বজুড়ে ধ্বনিত হল সেবা ও সম্প্রীতির বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার শিকাগোয় (Chicago) ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেলে উন্মোচিত হল স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি (Life-size statue)। বিবেকানন্দের সেই কালজয়ী বার্তা—বেদান্ত দর্শন, মানবসেবা এবং বৈশ্বিক সম্প্রীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৮৯৩ সালের শিকাগো (Chicago) বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় স্বামীজির দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতিবিজড়িত এই শহরে তাঁর মূর্তি উন্মোচন এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

    মানবসেবা এবং সর্বজনীন সম্প্রীতির উদাহরণ (Swami Vivekananda)

    আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা (Vinay Mohan Kwatra) আনুষ্ঠানিকভাবে এই মূর্তির উন্মোচন করেন। প্রবাসী ভারতীয়দের (Diaspora) আন্তরিক উপহার হিসেবে এই ভাস্কর্যটি কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে স্থান পেয়েছে। মূর্তি উন্মোচন করে রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, “আমাদের শিকাগো (Chicago) কনস্যুলেটে স্বামী বিবেকানন্দের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচন করতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের একটি উদার উপহার। মানবসেবা এবং সর্বজনীন সম্প্রীতির বিষয়ে ওনার চিরন্তন বার্তা আমাদের সবার মধ্যে বেঁচে রয়েছে। আমাদের প্রাণবন্ত প্রবাসী সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত হতে পারার এই সুযোগের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।”

    অনুষ্ঠান ও প্রাসঙ্গিকতা

    মূর্তি উন্মোচনের পর স্বামী বিবেকানন্দের কালজয়ী আদর্শ নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা সভার (Chicago) আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিকাগোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিবর্গ এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সমবেত কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকার সিয়াটল (Seattle) শহরে স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) আরও একটি মূর্তি উন্মোচন করা হয়েছিল, যা ছিল আমেরিকার কোনও নগর প্রশাসন (City Government) দ্বারা স্থাপিত প্রথম বিবেকানন্দ মূর্তি। ১৮৯৩ সালে শিকাগোর (Chicago) মাটিতে দাঁড়িয়েই স্বামীজি তাঁর বক্তৃতা শুরু করেছিলেন ‘‘আমেরিকার ভাই ও বোনেরা’’ বলে সম্বোধন করে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়েও তাঁর সেই বিশ্বভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং সনাতন ধর্মের উদারতার বাণী সমানভাবে প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Daily Horoscope 17 June 2026: বিপদের আশঙ্কা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 June 2026: বিপদের আশঙ্কা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে হতবুদ্ধি করে ফেলতে পারে।

    ২) আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ২) মাত্রাছাড়া রাগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিরোধে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ২) আপনার রসিকতা অপরের বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শরীর খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 669: “জড়ের সত্তা চৈতন্য লয়, আর চৈতন্যের সত্তা জড় লয়, শরীরের রোগ হলে বোধ হয় আমার রোগ হয়েছে”

    Ramakrishna 669: “জড়ের সত্তা চৈতন্য লয়, আর চৈতন্যের সত্তা জড় লয়, শরীরের রোগ হলে বোধ হয় আমার রোগ হয়েছে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ২২শে এপ্রিল

    ঠাকুরের আত্মপূজা—গুহ্যকথা—মাস্টার, হীরানন্দ প্রভৃতি সঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও যোগাবস্থা—অখণ্ডদর্শন 

    “সব দেখছি একটা খোল নিয়ে মাথা নাড়ছে।

    “দেখছি, যখন তাঁতে মনের যোগ হয়, তখন কষ্ট একধারে পড়ে থাকে।

    “এখন কেবল দেখছি একটা চামড়া ঢাকা অখণ্ড, আর-একপাশে গলার ঘা-টা পড়ে রয়েছে।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার চুপ করিলেন। কিয়ৎক্ষণ পরে আবার বলিতেছেন, জড়ের সত্তা চৈতন্য লয়, আর চৈতন্যের সত্তা জড় লয়। শরীরের রোগ হলে বোধ হয় আমার রোগ হয়েছে।

    হীরানন্দ ওই কথাটি বুঝিবার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করিলেন। তাই মাস্টার বলিতেছেন — “গরম জলে হাত পুড়ে গেলে বলে, জলে হাত পুড়ে গেল। কিন্তু তা নয়, হীট (Heat)-এতে হাত পুড়ে গেছে।

    হীরানন্দ (ঠাকুরের প্রতি) — আপনি বলুন, কেন ভক্ত কষ্ট পায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেহের কষ্ট।

    ঠাকুর আবার কি বলিবেন। উভয়ে অপেক্ষা করিতেছেন।

    ঠাকুর বলিতেছেন — “বুঝতে পারলে?”

    মাস্টার আস্তে আস্তে হীরানন্দকে কি বলিতেছেন —

    মাস্টার — লোকশিক্ষার জন্য। নজির। এত দেহের কষ্টমধ্যে ঈশ্বরে মনের ষোল আনা যোগ!

    হীরানন্দ — হাঁ, যেমন Christ-এর Crucifixion। তবে এই Mystery, এঁকে কেন যন্ত্রণা?

    মাস্টার — ঠাকুর (Ramakrishna)  যেমন বলেন, মার ইচ্ছা। এখানে তাঁর এইরূপই খেলা।

    ইঁহারা দুজন আস্তে আস্তে কথা কহিতেছেন। ঠাকুর ইশারা করিয়া হীরানন্দকে জিজ্ঞাসা করিতেছেন। হীরানন্দ ইশারা বুঝিতে না পারাতে ঠাকুর আবার ইশারা করিয়া জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “ও কি বলছে?”

    হীরানন্দ — ইনি লোকশিক্ষার কথা বলছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ও-কথা অনুমানের বই তো নয়। (মাস্টার ও হীরানন্দের প্রতি) — অবস্থা বদলাচ্ছে, মনে করিছি চৈতন্য হউক, সকলেকে বলব না। কলিতে পাপ বেশি, সেই সব পাপ এসে পড়ে।

    মাস্টার (হীরানন্দের প্রতি) — সময় না দেখে বলবেন না। যার চৈতন্য হবার সময় হবে, তাকে বলবেন।

  • PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) অংশ নিতে মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছেছি। বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়ের অপেক্ষায় রয়েছি। আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন (PM Narendra Modi)

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফ্রান্সের নিস শহরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সরকারি সফরে যান স্লোভাকিয়ায়। সেখানে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করে, এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্লোভাকিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেয়।

    মোদিকে স্বাগত জেনেভার প্রেসিডেন্টের 

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান সে দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই নেতা উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ভারত-সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এভিয়াঁয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি জি৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে নতুন অংশীদারিত্ব গঠন, আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও দ্রুত এআই (AI) বাস্তবায়ন-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে (PM Narendra Modi)।

    একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা 

    সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার, ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে। এভিয়াঁর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী যাবেন প্যারিসে। সেখানে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ইউরোপের বৃহত্তম (G7 Summit) প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক সামিটে’ যোগ দেবেন। প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর (PM Narendra Modi)।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবারই প্রথম পাহাড় সফরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এটাই ছিল তাঁর প্রথম দার্জিলিং সফর। কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘জনকল্যাণ শিবিরে’ যোগ দিয়ে পাহাড়বাসীর জন্য একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা (Suvendu Adhikari)

    এদিন পাহাড়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সর্বদলীয় এই অভ্যর্থনায় আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়বাসী এবার প্রকৃত অর্থেই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রের যে সব প্রকল্প আটকে ছিল, সেগুলি এবার দ্রুত বাস্তবায়িত হবে (Tourism Politics)। রাজনৈতিকভাবে দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও কালিম্পং— তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তাঁর সরকার যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    উন্নয়নের রোডম্যাপ

    এদিন, পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরির কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কালিম্পঙে একটি মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হবে। জোর দেওয়া হবে পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও। তিনি এও জানান, রাজ্যের সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আসবেন। ‘জিআরএমজি’ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে পাহাড়ে। যুব সমাজের খেলাধুলোর উন্নয়নের জন্য ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের অধীনে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণাও করেন শুভেন্দু। বিদ্যুৎ বিলের সরকারি ভর্তুকি আগের মতোই বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।

    আগের সরকারকে নিশানা

    তৃণমূল পরিচালিত পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের আমলে শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধই ছিল না, জিটিএতেও ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে, এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যে প্রচুর পুলিশকর্মী নিয়োগ করা হবে। কার্শিয়ঙের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে পদ্ম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকার পাহাড়কে গুরুত্ব দিত না। পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে শুধু পর্যটক হিসেবে আসতেন, উন্নয়নের জন্য কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেননি।” তিনি বলেন, “আমি পর্যটক হয়ে আসিনি, কাজ করতে এসেছি। পাহাড়ের মানুষের কাছে সরকারের সমস্ত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

    শহিদ সেনানীদের অবদান স্মরণ

    এদিনের সভা থেকে দেশ রক্ষায় পাহাড়ের বীর জওয়ান ও শহিদ সেনানীদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “দেশের সঙ্কটের সময় পাহাড়ের মানুষ সবসময় দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল মনে রাখবে।” প্রসঙ্গত, কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে প্রশাসনের ১৯টি দফতরের বিভিন্ন জনমুখী পরিষেবা নিয়ে বর্তমানে ‘জনকল্যাণ শিবির’ চলছে (Tourism Politics)। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শিবির পরিদর্শন করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার কাজকর্ম (Suvendu Adhikari)।

LinkedIn
Share