Tag: Bengali news

Bengali news

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • Afghan Taliban: ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর-এ, পাকিস্তানের সেই নূর খান এয়ারবেসে হামলা চালাল আফগানিস্তান

    Afghan Taliban: ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর-এ, পাকিস্তানের সেই নূর খান এয়ারবেসে হামলা চালাল আফগানিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পর আফগানিস্তান। পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নূর খান বিমানঘাঁটি সোমবার হামলা চালাল আফগান তালিবান বাহিনী। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, পাকিস্তানের একাধিক সামরিক পরিকাঠামোয় সমন্বিত বিমান অভিযানের অংশ হিসেবেই রাওয়ালপিন্ডির এই বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়।

    নূর খান বিমানঘাঁটিটি রাজধানীইসলামাবাদ থেকে ২৫ কিলোমিটারেরও কম দূরে অবস্থিত এবং পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত।  উল্লেখ্য, গত বছর মে মাসে ভারতের ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এই ঘাঁটিটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। সেই হামলার পর থেকেই ঘাঁটির পুনর্গঠন ও মেরামতির কাজ চলছিল বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেখানে সংস্কারের কাজ জোরদার করা হয়েছিল। তার মধ্যেই হামলা চালাল তালিবান।

    সোমবারের হামলার পর ঘাঁটিতে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনও সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। এই ঘটনার ফলে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকেরা। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

    নূর খান এয়ারবেসের পাশাপাশি, পাকিস্তানের (Pakistan) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক দফতরকে টার্গেট করেছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার (Afghan Taliban)। আফগান তালিবানের দাবি, তাদের বাহিনী পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি ও সামরিক দফতরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আফগান তালিবানের আধিকারিকরা জানান, বালুচিস্তানের কোয়েটায় ১২তম ডিভিশনের সদর দফতর এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার মোহমান্দ এজেন্সিতে খোয়াজাই সামরিক শিবিরের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হয়েছে। আফগানিস্তান জানিয়েছে, কাবুল, বাগরাম এবং অন্যান্য স্থানে পাকিস্তানের আগের সামরিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।

    আফগানিস্তানের বক্তব্য (Afghan Taliban)

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, আফগান বিমান বাহিনী পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক দফতরগুলি লক্ষ্য করে বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। যদিও পাকিস্তানের দাবি, সামরিক অভিযানে তারা ৪১৫ জন আফগান তালিবান সদস্যকে হত্যা করেছে। জখম হয়েছে ৫৮০ জনেরও বেশি। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ্ তারার রবিবার বলেন, এই পদক্ষেপ একটি বৃহত্তর প্রতিক্রিয়ার অংশ (Pakistan)। পাকিস্তান বৃহস্পতিবার রাতে ‘গজব লিল হক’ নামের অভিযান শুরু করে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগান তালিবান সদস্যরা ২,৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্তজুড়ে ৫৩টি জায়গায় হামলা চালিয়েছিল। পাকিস্তানের দাবি, এসব হামলায় দেশের ভেতরের সামরিক দফতরগুলিতে বিমান হামলা চালানো হয়েছিল (Afghan Taliban)।

    পাকিস্তানের দাবি

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তারার জানান, নিরাপত্তা বাহিনী অন্তত ১৮২টি আফগান চৌকি ধ্বংস করেছে এবং আরও ৩১টি চৌকি দখল করেছে। তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় ১৮৫টি ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে এবং আফগানিস্তানের ৪৬টি জায়গায় সফল বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের পার্লামেন্টারি বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী জানান, আফগান তালিবানের বিরুদ্ধে অভিযান এখনও চলছে। সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার ছড়িয়ে পড়া এমন খবর নস্যাৎ করে দেন তিনি। এদিকে, আফগান পক্ষের দাবি, তারা একটি পাকিস্তানি (Pakistan) যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। তবে পাক কর্তারা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Afghan Taliban)।

     

  • Israel: মধ্যপ্রাচ্য আরও ছড়াল সংঘাত, ইজরায়েলে রকেট-হানার জবাবে বেইরুটে বিমান হামলা তেল আভিভের

    Israel: মধ্যপ্রাচ্য আরও ছড়াল সংঘাত, ইজরায়েলে রকেট-হানার জবাবে বেইরুটে বিমান হামলা তেল আভিভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়ল সোমবার। এদিন ইজরায়েল (Israel) বেইরুট এবং লেবাননের (Lebanese Territory) অন্যান্য অংশে হিজবুল্লা-সংশ্লিষ্ট টার্গেটে বিমান হামলা চালায়। লেবাননের ভূখণ্ড থেকে উত্তর ইজরায়েলের দিকে প্রজেক্টাইল নিক্ষেপের কয়েক ঘণ্টা পরেই এই হামলা চালানো হয়।

    প্রসারিত হচ্ছে রণভূমি (Israel)

    এই হামলা এবং পাল্টা হানার জেরে ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে রণভূমের এলাকা।  সীমান্তবর্তী এলাকায় গুলিবিনিময় দিয়ে যা শুরু হয়েছিল, তা এখন যৌথ সামরিক অভিযানের আকার নিয়েছে। ইজরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা আরও বিস্তৃত সংঘাতের জন্য প্রস্তুত। ইজরায়েলি বিমানবাহিনী (IAF)-এর দাবি, বেইরুট এলাকায় হিজবুল্লার সদস্যদের লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলের একাধিক পোস্টে ইজরায়েলি বায়ুসেনা জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননেও হিজবুল্লার এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে। আইএএফ জানিয়েছে, “বৈইরুট এলাকায় হিজবুল্লা জঙ্গি সংগঠনের বর্ষীয়ান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লার এক জঙ্গি চাঁইকেও আঘাত করেছে আইডিএফ। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”

    প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে একাধিক প্রোজেক্টাইল ইজরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। এরই কয়েকটি পড়েছিল খোলা জায়গায়। অনেক ক্ষেত্রেই সাইরেন বাজানো হয়নি বলে অভিযোগ। আইএএফ এক পোস্টে জানিয়েছে, “দেশের উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কবার্তা জারি হওয়ার পর বিমানবাহিনী লেবানন থেকে ছোড়া একটি প্রোজেক্টাইলকে আকাশেই ধ্বংস করে দেয়। খোলা এলাকায় পড়ে কয়েকটি। যদিও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর মেলেনি।” এর আগে সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছিল যে লেবাননের মাটি থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছে, এটি শনাক্ত হওয়ার পর উত্তর ইজরায়েলের (Israel) বিভিন্ন অংশে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে (Lebanese Territory)।

    হিজবুল্লার টার্গেটে জোরালো জবাব

    এদিকে, ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (IDF) জানিয়েছে, তারা লেবাননজুড়ে হিজবুল্লার টার্গেটে জোরালো জবাব দিচ্ছে। তাদের অভিযোগ, ইরানের সমর্থনে হিজবুল্লা ইজরায়েলি অসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, “ইরানি জঙ্গি শাসনের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লা ইজরায়েল ও তার নাগরিকদের বিরুদ্ধে গুলি চালিয়েছে। আইডিএফ এই অভিযানে হিজবুল্লার অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এবং সংগঠনটিকে ইজরায়েলের পক্ষে হুমকি হয়ে উঠতে বা উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষতি করতে দেবে না।” পৃথক এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে (Israel), সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য হিজবুল্লা দায়ী এবং বৃহত্তর সংঘাতের জন্য তারা প্রস্তুত। “রোরিং লায়ন” অভিযানের অংশ হিসেবে বাহিনী এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে।

    আইডিএফের বক্তব্য

    আইডিএফ জানিয়েছে, “উত্তর ইজরায়েলের দিকে প্রোজেক্টাইল নিক্ষেপের জবাবে আইডিএফ লেবাননজুড়ে হিজবুল্লার টার্গেটে আঘাত হানছে। হিজবুল্লা ইরানি শাসনের হয়ে কাজ করছে, ইজরায়েলি অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং লেবাননকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে (Lebanese Territory)। ‘রোরিং লায়ন’ অভিযানের অংশ হিসেবে আইডিএফ সর্বাত্মক যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, এই ঘটনাবলী এমন একটা সময় ঘটছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনি এবং তাঁর পরিবারের (Israel) সদস্যরা নিহত হয়েছেন। ওই হামলার পর ইরান পাল্টা হিসেবে একাধিক আরব দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে খবর।

     

  • Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা হয়েছে। কোচবিহারে সূচনা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অপর দিকে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা করেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই যাত্রার সূচনা পর্বে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে (Parivartan Yatra)

    পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra) কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে ৫০০০ কিমি পথ অতক্রম করবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “মমতার সরকার দুর্নীতি, হপ্তা তোলা আর অনুপ্রবেশকারীদের উপর ভর করে চলছে। বাংলার মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন মানুষের বাড়িতে শুধু প্রতিশ্রুতি আর অহংকারই পৌঁছেছে। এ বার পৌঁছবে বিশ্বাস ও পরিবর্তনের বার্তা। দিদি, আপনার মমতা অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি, বাংলার মানুষের প্রতি নয়। এই আচরণ আর চলবে না। এ বার বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়ে উন্নয়নের রথ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই মাটির ঐতিহ্য দুর্নীতির সঙ্গে যায় না। বাংলাকে আবার উন্নয়নের পথে ফেরাতে হবে। যেখানে আইটি হাব হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দাদাগিরি চলছে।”

    মমতাকে আক্রমণ নবীনের

    মমতার সরকারকে নিশানা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, এসএসসি কেলেঙ্কারি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি— এমন কোনও ক্ষেত্র নেই যেখানে তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তোলেনি। আপনার আধ ডজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন, তাঁরা কি তীর্থ করতে গিয়েছিলেন?” দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিজেপি সভাপতির দাবি, “দেশের যত দুর্নীতিবাজ নেতা, তাঁদের সমর্থন পান আপনি !” নিতিন আরও বলেন, “মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তুলে ক্ষমতায় এসেছেন, কিন্তু মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি । উল্টে বলছেন, রাতে একা বেরোবেন না!” এর জবাবে মহিলাদের আরও বেশি করে সঙ্ঘবদ্ধভাবে প্রতিবাদ সংগঠিত করার আহ্বানও জানান তিনি ৷ হোলির উদাহরণ টেনে রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। “৪ মার্চ হোলি খেলব, আর বিধানসভা নির্বাচনের দিন বাংলায় হোলি খেলবেন বিজেপি কর্মীরা।”

    বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন আনতেই হবে। বিজেপির বর্তমান ভোটের সঙ্গে আর মাত্র ৫ শতাংশ ভোট যোগ হলেই সরকার গড়া সম্ভব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, আবাসন থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করে বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে।” অপর দিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “দিল্লি থেকে একটি ইঞ্জিন টান দেবে, আর রাজ্য থেকে আরেকটি ইঞ্জিন ঠেলা দেবে—তাহলেই বাংলার উন্নয়ন দ্রুত হবে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকা রাজ্যে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি।”

    মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে যাত্রা শুরু

    রবিবারের সভায় বাংলার মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করা হয়। ১৯৯১ সালে গড়বেতায় যে সব বিজেপি কর্মীদের হত্যা কড়া হয়েছিল তাঁদের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই বিজেপির এই যাত্রার (Parivartan Yatra) কথা জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। অপর দিকে বিজেপির এদিনের সভায় যোগদান করলেন কুড়মী সংগঠনের সভাপতি রাজেশ মাহাতো। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজে বিজেপির পতাকা তুলে দেন। রাজেশ বলেন, “আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং দাবিপত্র জমা দিয়েছি। আশা করি দাবি পূরণ হবে।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই লক্ষ্য

    বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাধিক শীর্ষ নেতা অংশ নেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবিশ প্রমুখ। রাজ্য বিজেপির  দাবি, এই যাত্রার মাধ্যমে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। রাজ্যের ন’টি আলাদা জায়গা থেকে ন’টি পৃথক র‍্যালি বেরোচ্ছে। তবে ৩ ও ৪ মার্চ ‘দোল যাত্রা’ এবং হোলির কারণে কোনও কর্মসূচি রাখা হয়নি। ৫ মার্চ থেকে আবার যাত্রা শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে রাজ্যের সব ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রকে কভার করা হবে। বিজেপির এক রাজ্য কমিটির সদস্য জানিয়েছেন, “১৫ মার্চ ব্রিগেডের জনসভা দিয়েই পরিবর্তন যাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে, যদিও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে শেষ মুহূর্তে সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।”

  • Daily Horoscope 31 March 2026: পুরনো কোনও সমস্যা মিটে যেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 March 2026: পুরনো কোনও সমস্যা মিটে যেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন দায়িত্ব আপনাকে ব্যস্ত রাখবে।
    ২) সহকর্মীদের সঙ্গে বোঝাপড়া জরুরি।
    ৩) তাড়াহুড়ো করলে ভুল হতে পারে।

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক দিক স্থিতিশীল থাকতে পারে।
    ২) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।
    ৩) অতিরিক্ত খরচ এড়িয়ে চলুন।

    মিথুন
    ১) কাজে নতুনত্ব আনতে পারবেন।
    ২) যোগাযোগের মাধ্যমে ভালো সুযোগ আসতে পারে।
    ৩) মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    কর্কট
    ১) পারিবারিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
    ২) পুরনো কোনও সমস্যা মিটে যেতে পারে।
    ৩) নিজের উপর ভরসা রাখুন।

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে আপনার গুরুত্ব বাড়বে।
    ২) নতুন সুযোগ কাজে লাগাতে প্রস্তুত থাকুন।
    ৩) অহেতুক তর্কে জড়াবেন না।

    কন্যা
    ১) কাজের চাপ বাড়লেও সামলে নিতে পারবেন।
    ২) অর্থ সংক্রান্ত পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ৩) নিজের সময় বের করা জরুরি।

    তুলা
    ১) নতুন যোগাযোগ ভবিষ্যতে লাভ দেবে।
    ২) সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
    ৩) সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবুন।

    বৃশ্চিক
    ১) কাজের ক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা।
    ২) গোপন শত্রুর ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
    ৩) রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ধনু
    ১) ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।
    ২) নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বাড়বে।
    ৩) খরচের দিকে নজর দিন।

    মকর
    ১) পরিশ্রমের ফল পেতে পারেন।
    ২) দায়িত্ব বাড়লেও সফল হবেন।
    ৩) স্বাস্থ্য অবহেলা করবেন না।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল কাজে উন্নতি হবে।
    ২) বন্ধুদের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে।
    ৩) সময় নষ্ট না করাই ভালো।

    মীন
    ১) নতুন চিন্তা আপনাকে এগিয়ে দেবে।
    ২) ব্যক্তিগত জীবনে সুখের মুহূর্ত আসবে।
    ৩) তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলুন।

  • Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার—আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— উত্তম বৈদ্য বুকে হাঁটু দিলে কোন ভয় নাই।

    “বৈদ্যের মতো আচার্যও তিনপ্রকার। যিনি ধর্ম উপদেশ দিয়ে শিষ্যদের আর কোন খবর লন না, তিনি অধম আচার্য। যিনি শিষ্যদের মঙ্গলের জন্য তাদের বারবার বুঝান, যাতে উপদেশগুলি ধারণা করতে পারে, অনেক অনুনয় বিনয় করেন, ভালবাসা দেখান (Kathamrita)—তিনি মধ্যম আচার্য। আর যখন শিষ্যেরা কোনও মতে শুনছে না দেখে, কোনও আচার্য জোর পর্যন্ত করেন, তাঁকে বলি উত্তম আচার্য।”

    স্ত্রীলোক ও সন্ন্যাসী—সন্ন্যাসীর কঠিন নিয়ম

    (ডাক্তারের প্রতি)—“সন্ন্যাসীর পক্ষে কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ। স্ত্রীলোকের পট পর্যন্ত সন্ন্যাসী দেখবে না। স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল। মনে করলে, মুখে জল সরে। আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না।

    “কিন্তু এ-কথা আপনাদের পক্ষে নয়,—এ সন্নাসীর পক্ষে। আপনারা যতদূর পার স্ত্রীলোকের সঙ্গে অনাসক্ত হয়ে থাকবে। মাঝে মাঝে নির্জনে গিয়ে ঈশ্বরচিন্তা করবে। সেখানে যেন ওরা কেউ না থাকে। ঈশ্বরেতে বিশ্বাস ভক্তি এলে, অনেকটা অনাসক্ত হয়ে থাকতে পারবে। দুই-একটি ছেলে হলে স্ত্রী-পুরুষ দুইজনে ভাই-বোনের মতো থাকবে, আর ঈশ্বরকে সর্বদা প্রার্থনা করবে, যাতে ইন্দ্রিয় সুখেতে মন না যায়,—ছেলেপুলে আর না হয়।”

    গিরিশ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি) আপনি এখানে তিন-চার ঘণ্টা রয়েছেন; কই, রোগীদের চিকিৎসা করতে যাবেন না?

    ডাক্তার—আর ডাক্তারী আর রোগী! যে পরমহংস হয়েছে, আমার সব গেল! (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ কর্মনাশা বলে একটি নদী আছে। সে নদীতে ডুব দেওয়া এক মহাবিপদ। কর্মনাশ হয়ে যায় — সে ব্যক্তি আর কোন কর্ম করতে পারে না। (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • Ayatollah Alireza Arafi: ইরানের রাশ এবার আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফির হাতে, কে তিনি জানেন?

    Ayatollah Alireza Arafi: ইরানের রাশ এবার আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফির হাতে, কে তিনি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফিকে অন্তর্বর্তীকালীন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ করেছে (Ayatollah Alireza Arafi)। এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আলি খামেইনি নিহত হওয়ার একদিন পর (Interim Supreme Leader)। উল্লেখ্য, ইরান তাদের সংবিধানের ১১১ নম্বর অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে জরুরি নেতৃত্বের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি (Ayatollah Alireza Arafi)

    আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই-এর সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের নেতৃত্ব দেবেন। ৬৭ বছর বয়সী আরাফি ইরানের একজন প্রবীণ ধর্মীয় নেতা। তিনি পূর্বে ইরানের ইসলামিক সেমিনারি নেটওয়ার্কের প্রধান ছিলেন এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন (Ayatollah Alireza Arafi)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় কার্যত বিধ্বস্ত ইরানের (Iran) বিভিন্ন শহর। তেহরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইজরায়েলের যৌথ হানায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনি। তেহরান এই তথ্য নিশ্চিত করার পর এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ছিল ইরান। আমেরিকা ও ইজরায়েল তেহরানে শাসন পরিবর্তনের আহ্বান জানালেও, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ক্ষমতা দখলের আশায় পাল্টা হামলা শুরু করেছে (Interim Supreme Leader)।

    নয়া ইরান

    এদিকে, নয়া ইরান গঠনের প্রেক্ষাপটে দেশটির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধী নেতাও নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর বিরোধী নেত্রী মরিয়ম রাজাভি এবং নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি পৃথক বার্তায় ইরানিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান, যদিও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যও স্পষ্ট করে দেন। নয়া নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ইসলামি আইনজ্ঞকে (Interim Supreme Leader) নিয়ে গঠিত একটি নেতৃত্ব পরিষদ সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবে। সেই মতো ওই পদে (Ayatollah Alireza Arafi) আপাতত বসানো হল আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি।

     

  • Iran: সামনে চলে এল তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা

    Iran: সামনে চলে এল তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় কার্যত বিধ্বস্ত ইরানের (Iran) বিভিন্ন শহর। ওই দুই দেশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা সামনে চলে এসেছে। চিন (China) থেকে সম্প্রতি সংগ্রহ করা এইচকিউ-৯বি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ইরান তার সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে যুক্ত করেছিল, প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। এর আগে, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার জবাবে পাকিস্তানে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সময়ও এইচকিউ-৯বি পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। ইরানে এর দুর্বল প্রদর্শনের পর এখন সামরিক বিশ্লেষকরা এইচকিউ-৯বি-এর সক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন।

    আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা (Iran)

    যদিও এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা এর নকশাগত ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দিতে পারে, তবুও এটাও সম্ভব যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্মিলিত বিমানশক্তি এইচকিউ-৯বি সমর্থিত পরিকাঠামোকে সম্পূর্ণভাবে চাপে ফেলে দিয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত শুরু হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে যে প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল, তা হয়তো এই আক্রমণের তীব্রতা সামাল দিতে পারেনি। চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন (CASIC) দ্বারা উন্নয়নকৃত এইচকিউ-৯বি মূলত রাশিয়ার এস-৩০০পিএমইউ এবং আমেরিকার প্যাট্রিয়ট পিএসি-২ সিস্টেম থেকে অনুপ্রাণিত হলেও পরে এটি সম্পূর্ণ দেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। এটি প্রথম ২০০৬ সালে পরীক্ষা করা হয় এবং গত এক দশক ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে (Iran)।

    লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম

    বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর পাল্লা ২৬০ কিলোমিটার এবং এটি ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা (China) পর্যন্ত উঠে উচ্চ-উচ্চতায় উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। সক্রিয় রাডার হোমিং এবং প্যাসিভ ইনফ্রারেড সিকার প্রযুক্তির কারণে এটি স্টেলথ বিমান শনাক্ত ও আঘাত করতে কার্যকর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচকিউ-৯বি একই সঙ্গে ৬-৮টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে এবং প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তু ট্র্যাক করতে পারে। বেইজিং, তিব্বত এবং দক্ষিণ চিন সাগর অঞ্চলে এইচকিউ-৯বি মোতায়েন করা হয়েছে। এই এলাকাগুলি চিনের কাছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। অর্থাৎ, এই ভূমি-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা চিনের আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের একটি প্রধান স্তম্ভ (Iran)।

    ‘তেলের-বিনিময়ে-অস্ত্র’ চুক্তি

    উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করলে ইরান তার সামরিক ভাণ্ডার শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হয়। জানা গিয়েছে, চিনের সঙ্গে ‘তেলের-বিনিময়ে-অস্ত্র’ চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান এইচকিউ-৯বি জোগাড় করে। ২০২৫ সালের সংঘাতে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এস৩০০পিএমইউ-২ দুর্বল পারফরম্যান্স দেখানোর পর এটি ছিল ইরানের বড় আপগ্রেড (China)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচকিউ-৯বি ছিল দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা স্তর। এর সঙ্গে সহায়ক হিসেবে ছিল এস-৩০০পিএমইউ এবং ব্যাভার-৩৭৩, খোড়দাদ -১৫ ও রাড, এবং স্বল্প-পাল্লার টর-এম২, প্যান্টসার-এস১, জলফাকার এবং কৌশলগত এমএএনপিএডিএস ক্ষেপণাস্ত্র। সম্ভবত এইচকিউ-৯বি মোতায়েন করা হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর আশপাশে, যেমন নাতাঞ্জ পারমাণবিক কমপ্লেক্স, ফোরদো সমৃদ্ধিকরণ কেন্দ্র, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি এবং তেহরান ও ইসফাহানের নিকটবর্তী বিমানঘাঁটি।

    যৌথভাবে হামলা

    সপ্তাহ ও মাসব্যাপী উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার পর শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের বিভিন্ন শহরে যৌথভাবে হামলা চালায়, যার জবাবে তেহরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি, রাজধানী তেহরান-সহ এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Iran)।পাল্টা হামলা ও প্রতি-হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রভাবিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে (China)। ইরান সংঘাতের পরিধি বাড়িয়ে মার্কিন মিত্র কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকেও টার্গেট করেছে—এমন বার্তা দিতে যে শত্রুপক্ষের পাশে দাঁড়ালে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে, এবং তেহরান তাঁর হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর অঙ্গীকার করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেইনিকে ইতিহাসের সবচেয়ে দুষ্ট ব্যক্তিদের একজন বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন অভিযান অব্যাহত থাকবে (Iran)।

     

  • Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তথা সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ইরান জুড়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে চলা কট্টর মুসলিম শাসনের অবসান ঘটার আশায় হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। বিশেষ করে ইরানের মহিলারা এই পরিবর্তনকে তাঁদের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    দেশজুড়ে উদযাপন (Ayatollah Khameneis)

    শিয়া ধর্মগুরু খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুকে ঘিরে তেহরান-সহ ইরানের প্রধান শহরগুলিতে মানুষ আতশবাজি ফাটিয়ে, মিষ্টি বিলি করে আনন্দ প্রকাশ করছেন। গত শনিবার মার্কিন ও ইজরায়েলি বিমান হামলায় খামেইনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই এই উল্লাস শুরু হয়। অনেক জায়গায় মানুষকে তাঁদের বাড়ির ছাদ থেকে “স্বৈরাচারী শাসকের পতন হোক” বলে স্লোগান দিতে শোনা গিয়েছে। ইতিমধ্যে খামেইনির ছবি, মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    নারীদের প্রতিবাদ ও জয়

    ইরানের কারাজ, বেসাত, ফুলাদ, বোরাজ্জন, মামাসানিটে ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক হামলা হলেও নারীরা পতাকা নিয়ে মেতে উঠেছেন আনন্দে। এই উল্লাস উদযাপনের অগ্রভাগে রয়েছেন ইরানের সাধারণ নারীরা। অনেক নারী জনসমক্ষে তাঁদের হিজাব পুড়িয়ে, চুল কেটে দীর্ঘদিনের দমনমূলক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ (Woman, Life, Freedom) স্লোগানটি আবারও তেহরানের রাস্তায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তাঁদের মতে, খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু মানে কয়েক দশকের লিঙ্গবৈষম্য ও নিপীড়নের সমাপ্তি।

    আর্ন্তজাতিক প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, প্রবাসে থাকা ইরানিরাও লন্ডন, প্যারিস এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের রাস্তায় নেমে নেচে-গেয়ে আনন্দ করছেন। তাঁরা একে “ইরানের দ্বিতীয় জন্ম” হিসেবে অভিহিত করছেন।

    নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান

    আমেরিকা এবং ইজরায়েল অপারেশন রোইয়ারিং লায়ন এবং অপারেশন এপিক ফিউড়ি নামে যৌথ অভিযান চালায়।  যদিও ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে, তবে অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভিড়ের সামনে তারা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। কিছু কিছু সামরিক সদস্য সাধারণ মানুষের মিছিলে যোগ দিচ্ছেন বলেও সূত্রের খবর।

    ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খামেইনির এই আকস্মিক বিদায় ইরানে এক বিশাল ক্ষমতাশূন্যতা তৈরি করেছে। একদিকে যেমন গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের এই জোয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান একটি গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পথে পা বাড়াতে পারে। আয়াতুল্লাহ খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু কেবল একটি রাজনৈতিক নেতার প্রস্থান নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী ধর্মতান্ত্রিক শাসনের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের রাজপথ এখন পরিবর্তনের গানে মুখরিত, যেখানে সাধারণ মানুষ একটি নতুন ও মুক্ত ইরানের স্বপ্ন দেখছেন।

LinkedIn
Share