Tag: Bengali news

Bengali news

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে সময়ের ফের! শুল্ক-যুদ্ধের সময় ভারতকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই সহযোগী হাওয়ার্ড লুটনিক চুপিসারে এসেছেন ভারত সফরে। অথচ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য সচিব বড় মুখে দাবি করেছিলেন— “শেষ পর্যন্ত ভারত শুল্কের চাপে নতি স্বীকার করবে, দুঃখপ্রকাশ করবে এবং একটি চুক্তি করার চেষ্টা করবে।” সেই ছবিটাই বদলে গেল ২৬ ফেব্রুয়ারি। বৃহস্পতিবার লুটনিকই দিল্লিতে এসে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন, ঠিক সেই সময় যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আরোপিত ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দেয় (India US Trade Deal)।

    লুটনিকের সফর (India US Trade Deal)

    এই গোপন বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত—কোনও পক্ষই প্রকাশ্যে ঘোষণা করেনি। আদালতের রায়ের পর প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি, যা আগামী মাসে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল, তা নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়েল টুইট না করা পর্যন্ত ভারতে লুটনিকের সফরের খবর জানা যায়নি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর। গোয়েল টুইট করেন, “মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক ও সার্জিও গোরকে আতিথ্য জানালাম। আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।” তবে বৈঠকের বিস্তারিত তিনি জানাননি। কিন্তু “বাণিজ্য” ও “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব” শব্দের উল্লেখ থেকেই স্পষ্ট যে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি। তিন নেতাই ছবির জন্য পোজ দেওয়ার সময় হাসিমুখে ছিলেন। গয়ালের হাসি যেন একটু বেশিই চওড়া ছিল। সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে আলোচনা শান্ত পরিবেশেই হয়েছে। গোরও বেশি কিছু জানাননি। তিনি টুইট করেন, “আমাদের দুই দেশের জন্য বহু সহযোগিতার ক্ষেত্র রয়েছে। হাওয়ার্ড লুটনিক ও পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ মধ্যাহ্নভোজ।”

    পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে

    লুটনিকের সফরের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। খুব বেশিদিন আগে নয়, এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেছিলেন যে— ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি গত বছর বাস্তবায়িত হয়নি, কারণ প্রধানমন্ত্রী মোদি সরাসরি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকার করেছিলেন। এখন পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে, কারণ ট্রাম্পের প্রভাব কমেছে। শুল্ক সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা বেশ কয়েকটি দেশ নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে। কারণ ট্রাম্প এই পারস্পরিক শুল্ককে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতও ওয়াশিংটনে নির্ধারিত তার বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর স্থগিত করেছে, যা চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ছিল। ভারতের জন্য আদালতের এই আদেশ কার্যত নতুন করে দর-কষাকষির সুযোগ তৈরি করেছে এবং সম্ভবত আরও অনুকূল শর্ত আদায়ের পথ খুলে দিয়েছে (India US Trade Deal)।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করেছে। বুধবার তিনি ভারত-সহ অন্যান্য দেশকে “খেলা” না করার এবং বাণিজ্য প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে না আসার সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “যে কোনও দেশ যদি এই সুপ্রিম কোর্টের হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলা করতে চায়—বিশেষ করে যারা বছরের পর বছর, এমনকি দশকের পর দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়েছে—তাহলে তারা সম্প্রতি যে শুল্কে সম্মত হয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি শুল্ক এবং তার চেয়েও খারাপ পরিণতির সম্মুখীন হবে।” বর্তমানে ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ শতাংশ শুল্ক আরোপিত রয়েছে। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অধীনে ট্রাম্প ভারতের ওপর আরোপিত শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ  করেছিলেন। গুরুত্বপূর্ণভাবে, রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও তিনি তুলে নিয়েছিলেন (India US Trade Deal)। তবে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে আসবে না, বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। এই প্রেক্ষাপটেই লুটনিকের নীরব সফর। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কি ফের আলোচনা হবে? উত্তর দেবে সময়ই।

     

  • Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    মাধম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ নাগরিকদের কথা ভেবে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সব মিলিয়ে ৭৮টি কেন্দ্র গড়া হবে। কমিশন সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৬টি বহুতলে নেওয়া হবে ভোট। দক্ষিণ ২৪ পরগনা পঁচিশ বহুতলে হবে বুথ, দক্ষিণ কলকাতার আরও একটি বহুতলে বুথ হবে। উত্তর কলকাতার পাঁচটি বহুতলে বুথ হবে। হাওড়ায় চারটি বহুতলে হবে ভোট। পূর্ব বর্ধমানে তিনটি বহুতলে হবে বুথ (Booth Centar), হুগলিতে তিনটি বহুতলে হবে বুথ।

    কত হবে বুথ সংখ্যা (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, গোটা রাজ্যে এখনও ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটকর্মীর ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। যেদিন এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সেদিন পর্যন্ত রাজ্যে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০,৬৮১টি। কিন্তু ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে রাজ্যে কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে গোটা দেশে এবার প্রতিবুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বুথের সংখ্যা বাড়ছে। অপর দিকে হাইরাইস বিল্ডিং— বুথের (Polling Booths) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮। এসআইআরে রাজ্যের বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়ে ৯৫ হাজার। তবে প্রথম খসড়া তালিকায় যেহেতু ৫৮ হাজার নাম বাদ গিয়েছে তাই বুথের সংখ্যা কমে ৯০ হাজারে দাঁড়াতে পারে।

    মোট ভোটকর্মী

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর এই ৯০ হাজার বুথের সংখ্যাকে ধরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতির সব কাজ সেরে ফেলেছে। ৯০ হাজার বুথের জন্য রিসার্ভ নিয়ে মোট ৫,০৮,০০০ জন ভোটকর্মী লাগবে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ পুরুষ অর্থাৎ ৩,০২,৪০০ জন পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ মহিলা অর্থাৎ ২,০১,৬০০ জন মহিলা ভোট কর্মী থাকছেন। অন্যদিকে ৩০ শতাংশ রিসার্ভ নিয়ে ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট মিলিয়ে মোট ইভিএম ২,২৫,০০০টি। তবে ভিভিপ্যাট থাকছে ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ ১,২১,৫০০টি।

    ভোট ভিন রাজ্যে থেকে আনা হবে বাস

    বুথ (Polling Booths) নিয়ে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) যে নির্দেশ ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছিল সেই মোতাবেক সব বুথ প্রয়োজন অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। বয়স্ক বা প্রবীণ নাগরিকরা যাতে ঠিক করে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা সঠিক ভাবে করা হয়েছে। নির্বাচনের কাজে কত সংখ্যা বাস লাগবে তার জন্য সমীক্ষা করা হয়েছে। রাজ্যের কত সংখ্যার সরকারি এবং বেসরকারি বাস আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে ভিন রাজ্য থেকেও বাস আনার জন্য সমীক্ষা করা হচ্ছে। কমিশন নির্বাচনকে সুষ্ঠ ভাবে হিংসা মুক্ত করতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর।

  • Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    “বালকের মতো বিশ্বাস না হলে ঈশ্বরকে (Ramakrishna) পাওয়া যায় না। মা বলেছেন, ‘ও তোর দাদা’ বালকের অমনি বিশ্বাস যে, ও আমার ষোল আনা দাদা। মা বলেছেন, ‘জুজু আছে।’ ষোল আনা বিশ্বাস যে, ও-ঘরে জুজু আছে। এইরূপ বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়। সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না (Kathamrita)।”

    ডাক্তার (ভক্তদের প্রতি)—গরুর কিন্তু যা তা খেয়ে দুধ হওয়া ভাল নয়। আমার একটা গরুকে ওইরকম যা তা খেতে দিত। শেষে আমার ভারী ব্যারাম। তখন ভাবলুম, এর কারণ কি? অনেক অনুসন্ধান করে টের পেলুম, গরু খুদ ও আরও কি কি খেয়েছিল। তখন মহা মুশকিল! লখনউ যেতে হল। শেষে বার হাজার টাকা খরচ! (সকলের হো-হো করিয়া হাস্য)

    “কিসে কি হয় বলা যায় না। পাকপাড়ার বাবুদের বাড়িতে সাত মাসের মেয়ের অসুখ করেছিল —ঘুঙরী কাশি (Whooping Cough) — আমি দেখতে গিছিলাম। কিছুতেই অসুখের কারণ ঠিক করতে পারি নাই। শেষে জানতে পারলুম, গাধা ভিজেছিল, যে গাধার দুধ সে মেয়েটি খেত।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি বল গো! তেঁতুলতলায় আমার গাড়ি গিছিল, তাই আমার অম্বল হয়েছে! (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (হাসিতে হাসিতে)—জাহাজের ক্যাপ্তেনের বড় মাথা ধরেছিল। তা ডাক্তারেরা পরামর্শ করে জাহজের গায়ে বেলেস্তারা (blister) লাগিয়ে দিল। (সকলের হাস্য)

    সাধুসঙ্গ ও ভোগবিলাস ত্যাগ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—সাধুসঙ্গ সর্বদাই দরকার (Kathamrita)। রোগ লেগেই আছে। সাধুরা যা বলেন, সেইরূপ করতে হয়। শুধু শুনলে কি হবে? ঔষধ খেতে হবে, আবার আহারের কটকেনা করতে হবে। পথ্যের দরকার।

    ডাক্তার — পথ্যতেই সারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বৈদ্য তিনপ্রকার — উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ‘ঔষধ খেও হে’ এই কথা বলে চলে যায়, সে অধম বৈদ্য — রোগী খেলে কিনা, এ-খবর সে লয় না। আর যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়, মিষ্ট কথাতে বলে। ‘ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে? লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও’, সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য রোগী কোন মতে খেলে না দেখে, বুকে হাঁটু দিয়ে জোর করে ঔষধ খাইয়ে দেয়, সে উত্তম বৈদ্য (Kathamrita)।

    ডাক্তার — আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে (Social Science Text Book) বিচার বিভাগীয় দুর্নীতির উপর একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র আপত্তি করেছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষ প্রকাশের পর জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ অর্থাৎ এনসিইআরটি বইটির বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এনসিইআরটি (NCERT) স্বীকার করেছে যে বইটিতে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” শীর্ষক অধ্যায়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়কে অনুমোদন করা সম্ভবপর নয়।

    ত্রুটিটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়েছে (NCERT)

    এনসিআরটির পাঠ্যপুস্তকের (NCERT) বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” অধ্যায়। যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৫-১৪২। শিরোনামের ৪ নম্বর অধ্যায়ে কিছু অনুপযুক্ত পাঠ্য উপাদান এবং রায়ের ত্রুটি অসাবধানতাবশত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই এনসিইআরটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বইটির (Social Science Text Book) বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এনসিইআরটি জানিয়েছে, “স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগ অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই রকম পর্যবেক্ষণ করেছে এবং নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বইয়ের বিতরণ কঠোরভাবে স্থগিত রাখা হবে।” এই শিক্ষা সংস্থা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা বিচার বিভাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে এবং এই ভুলটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। উক্ত অধ্যায়ে অনুপযুক্ত উপাদান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিচার বিভাগের অপমান করতে দেওয়া যাবে না

    বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে বিচার বিভাগের উপর দুর্নীতি সম্পর্কিত অধ্যায়টি চালু করার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এটিকে বিচার বিভাগের উপর আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “পৃথিবীতে কাউকে বিচার বিভাগকে অপমান করতে দেওয়া যাবে না।” প্রধান বিচারপতি এই অধ্যায়টিকে (NCERT) বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য গভীরভাবে প্রোথিত এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে অভিহিত করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ স্তরের জনসাধারণের আস্থার কেন্দ্র, তাকে কোনও ভাবেই সন্দেহের মধ্যে ফেলা যায় না।

    ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন

    উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অধ্যায়ে আদালতের কাঠামো এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার পদ্ধতির পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার নিজেস্ব পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জগুলি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, মামলার বিশাল জট এবং বিচারকের ঘাটতি। পাঠ্যপুস্তকটিতে ভারতীয় আদালতগুলিতে বিচারাধীন মামলার পরিমাণ তুলে ধরে তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুমান করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১,০০০ মামলা, উচ্চ আদালতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ এবং জেলা ও অধস্তন আদালতে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই অধ্যায়ের (NCERT) লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের (Social Science Text Book) বিচার ব্যবস্থার বাস্তব এবং চ্যালেঞ্জগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর এটাতেই সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি।

  • Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। তবে তার আগেই রাজ্যে আছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Election Commission) সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকেই ধাপে ধেপে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রাজ্যে ঢুকবে। যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা ছিল রাজ্যে। নির্ধারিত দিনের আগেই রাজ্যে বাহিনী ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি রাজ্যে আসবে।

    কোথায় কত বাহিনী (Election Commission)?

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) ৷ একইভাবে মালদায় ১২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯, বারাসতে ৬, বনগাঁ ৪, বসিরহাট ৭ এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

    সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে মোট ৮ কোম্পানি করে জেলায় মোট ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ জেলাভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৷ হাওড়াতেও কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলা মিলিয়ে ১৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ হুগলি গ্রামীণ ও চন্দননগরে ৬ ও ৮ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে ৷

    মালদায় ১২ কোম্পানি উত্তর দিনাজপুর ১১ কোম্পানি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি থাকবে৷ একইভাবে দার্জিলিং ও কোচবিহারে ৯ কোম্পানি করে বাহিনী থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমানে আনা হচ্ছে ৮ কোম্পানি বাহিনী ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া ও বীরভূমে মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি ৷ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৫ কোম্পানি করে। সবচেয়ে কম ৩ কোম্পানি বাহিনী থাকবে কালিম্বং জেলায় ৷

    চূড়ান্ত তালিকার পর অশান্তির আশঙ্কা!

    এসআইআর-এর (Election Commission) কাজে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী তালিকা প্রকাশিত হবে। ভোটার তালিকাকে ইস্যু করে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল অবশ্য প্রথম থেকেই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছে। অপরে কেন্দ্র সরকার এবং শাসক দল বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে নান জায়গায় অশান্তি এবং হিংসার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন আঁচ করে বাহিনী (Central Forces) নিয়ে তৎপর হয়েছে।

  • Bomb Threat: আরডিএক্সের সঙ্গে সায়ানাইড বিস্ফোরণের হুমকি! কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডাকঘর-পাসপোর্ট অফিসে বোমাতঙ্ক

    Bomb Threat: আরডিএক্সের সঙ্গে সায়ানাইড বিস্ফোরণের হুমকি! কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডাকঘর-পাসপোর্ট অফিসে বোমাতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুর ১ টা নাগাদ আচমকাই রাজ্যজুড়ে পাসপোর্ট অফিস ও একাধিক ডাকঘরে (Post Office) বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। কলকাতা ছাড়াও আসানসোল এবং কাটোয়ার (Asansol Katwa Kolkata) মতো গুরুত্বপূর্ণ ডাকঘরগুলোতে সায়ানাইড গ্যাস মিশ্রিত আরডিএক্স বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। এই খবর চাউর হতেই কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Asansol Katwa Kolkata)?

    স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন দুপুরের দিকে ইমেলের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন ডাকঘরে নাশকতার হুমকি দেওয়া হয়। তাতে দাবি করা হয়, ডাকঘরের ভেতরে বিস্ফোরক রাখা আছে। সর্বপ্রথম কলকাতার রুবি মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় পাসপোর্ট অফিসে এই আতঙ্কের খবর প্রকাশ্যে হয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই, কলকাতা রুবি পাসপোর্ট অফিস (Asansol Katwa Kolkata) খালি করে দেওয়া হয়। এর পর এক এক করে চুঁচুড়া হেড পোস্ট অফিস, শ্রীরামপুর পোস্ট অফিস, পূর্ব বর্ধমানের প্রধান ডাকঘর, আরামবাগে মুখ্য ডাকঘর (Post Office), ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ময়দান তড়িঘড়ি খালি করে দেওয়া হয় অফিসগুলো।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতার জিপিও (Asansol Katwa Kolkata) সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সতর্কতা জারি করা হয়। খবর দেওয়া হয় লালবাজারের হোমিসাইড শাখা এবং বম্ব স্কোয়াডকে। পুলিশ  ও সিআইএসএফের একটি বড় দল এসে পৌঁছায় এবং স্নিফার ডগ নিয়ে প্রতিটি কোণায় তল্লাশি করা হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলেই খবর।

    আসানসোল ও কাটোয়ায় উদ্বেগ

    কলকাতার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চল আসানসোলেও (Asansol Katwa Kolkata)  একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। আসানসোল প্রধান ডাকঘরে (Post Office) হুমকির খবর আসতেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। গ্রাহক এবং কর্মীদের বাইরে বের করে এনে তল্লাশি শুরু হয়। অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতেও একই ধরণের হুমকি মেলের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

    পুলিশের তৎপরতা

    প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, এটি কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিকল্পিত ‘ভুয়া কল’ হতে পারে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। তবে বিষয়টি হালকাভাবে না নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রোটোকল মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ইমেলের উৎস বা আইপি অ্যাড্রেস (IP address) খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সাইবার ক্রাইম বিভাগ।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই দেশের বিভিন্ন স্কুল, হাসপাতাল এবং বিমানবন্দরে এই ধরণের ভুয়ো বোমাতঙ্ক ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। কয়েক দিন আগেই একইভাবে কলকাতা নগর দায়রা আদালত সহ চুঁচুড়া ও বহরমপুরের বিভিন্ন আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। বারবার আদালত এবং এবার ডাকঘরের মতো জনবহুল সরকারি দফতরকে টার্গেট করায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারা এই ইমেল পাঠাচ্ছে এবং এর পেছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সবকটি ডাকঘরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

  • PM Modi: ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন হলোকাস্ট মেমোরিয়ালেও

    PM Modi: ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন হলোকাস্ট মেমোরিয়ালেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে ইজরায়েলে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন (Holocaust Memorial)। দুই নেতার বৈঠকে ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা, কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)

    জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি আনন্দিত যে বিভিন্ন জায়গায় আগেও আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছি। আজ আপনাকে এখানে দেখতে পেয়ে আমি সম্মানিত। ভারতের মানুষ আপনাকে স্বাগত জানাতে আগ্রহী। তাই আমি বিশেষভাবে আপনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শুধু দিল্লি নয়, ভারতের অন্যান্য স্থানেও সময় বের করে যান, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আপনাকে স্বাগত জানানোর সুযোগ পান।” বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

    ইজরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    বৈঠকের আগে প্রেসিডেন্ট হারজগ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। তিনি লেখেন,
    “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইজরায়েলের জনগণ আপনাকে উন্মুক্ত হৃদয়ে স্বাগত জানাচ্ছে। আজ জেরুজালেমে আপনাকে আতিথ্য দেওয়ার অপেক্ষায় আছি!” ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ইজরায়েলে রাজনৈতিক ও জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে (Holocaust Memorial)। দুই নেতা প্রেসিডেন্ট ভবনে একটি চারা গাছ রোপণ করেন, যা তাঁদের কূটনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণ ও ব্যক্তিগত দিককে প্রতিফলিত করে (PM Modi)।

    ‘হল অব রিমেমব্র্যান্স’

    ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি জেরুজালেমে অবস্থিত ইজরায়েলের সরকারি হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ ‘ইয়াদ ভাশেমে’ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও। দুই নেতা ‘হল অব রিমেমব্র্যান্সে’ নীরবতা পালন করেন, যখন ‘কাদ্দিশ’ প্রার্থনা পাঠ করা হচ্ছিল। হলোকাস্টের শিকারদের স্মরণে এটি ছিল সম্মান, স্মৃতি ও শান্তির বার্তা (Holocaust Memorial)। প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানায়, “হলোকাস্টের শিকারদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং শান্তি ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইয়াদ ভাশেম, বিশ্ব হলোকাস্ট স্মরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় সফর (PM Modi)। তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ‘বুক অফ নেমস্ হল’ পরিদর্শন করেন, যেখানে হলোকস্টে নিহত লাখ লাখ মানুষের স্মৃতি সংরক্ষিত রয়েছে। এই স্মৃতিসৌধ অতীতের নিষ্ঠুরতার একটি গম্ভীর স্মারক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকারের প্রতীক (Holocaust Memorial)।”

    ইয়াদ ভাশেম কী?

    ইয়াদ ভাশেম জেরুজালেমে অবস্থিত ইজরায়েলের সরকারি হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি ও তাদের সহযোগীদের হাতে নিহত ৬০ লক্ষ ইহুদির স্মৃতি সংরক্ষণে নিবেদিত। এখানে রয়েছে হলোকাস্ট ইতিহাস জাদুঘর, হল অব নেমস্ এবং শিশু স্মৃতিসৌধ। এছাড়া ‘রাইটিয়াস অ্যামং দ্য নেশনস্’—অর্থাৎ যেসব অ-ইহুদি নিজেদের জীবন বিপন্ন করে (Holocaust Memorial) ইহুদিদের রক্ষা করেছিলেন—তাঁদেরও সম্মান জানানো হয় (PM Modi)।

  • India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগের কড়া জবাব দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ করেন ভারতের প্রতিনিধি। ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ‘রাইট টু রিপ্লাই’ বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ কর বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং। সেখানে পাকিস্তান এবং ইসলামিক সহযোগী সংস্থা (OIC)-এর তোলা অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, “এই জোট একটি সদস্য রাষ্ট্রকে ইকো চেম্বার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দিয়েছে।”

    অনুপমার বক্তব্য (India)

    পাকিস্তান এবং ওআইসি তাদের বক্তৃতায় ঠিক কী বলেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার প্রথম সচিব অনুপমা সিং বলেন, “পাকিস্তানের মন্তব্য ঈর্ষা থেকে প্রণোদিত।” তিনি জানান, ভারত এই ধরনের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না, তবে তা খণ্ডন ও অসত্য প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করবে। ভারত জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে, যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুও রয়েছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলটির উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি আইএমএফের কাছে যে বেইলআউট প্যাকেজ চেয়েছে, তার তুলনা করা হয়। অনুপমা বলেন, “পাকিস্তান যদি এই বাস্তবতা স্বীকার না করে, তবে তারা লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে।” তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেট পাকিস্তানের চাওয়া আইএমএফ বেইলআউট প্যাকেজের দ্বিগুণেরও বেশি। এসব মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের বয়ান মোকাবিলা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ (India)।

    জেনেভা অধিবেশন

    জেনেভায় অধিবেশনে (Pakistan) অনুপমা বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ছিল, আছে এবং সর্বদা ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবেই থাকবে। পাকিস্তানের যতই ইচ্ছাকৃত বক্তব্য বা দুঃসাহসী প্রোপাগান্ডা থাকুক না কেন, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বৈধ ও চূড়ান্ত। তাই  এই অপরিবর্তনীয় সত্য বদলানো যাবে না।” ভারতীয় কূটনীতিক অনুপমা আরও বলেন, “একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হল পাকিস্তানের দখলে থাকা ভারতের ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” তিনি ইসলামাবাদকে জোরপূর্বক দখলে রাখা অঞ্চলগুলি খালি করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আবারও বলেন, “পাকিস্তান যেন লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে (India)।”

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ ও বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সেখানকার মানুষ পাকিস্তান-প্রচারিত সন্ত্রাস ও হিংসার মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রসংঘে তিনি এও বলেন, “যদি গত বছর উদ্বোধন হওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুকে ভুয়ো বলা হয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চয়ই লা-লা ল্যান্ডে (কল্পনার জগতে) বাস করছে।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আইএমএফ বেইলআউট আবেদনের দ্বিগুণেরও বেশি (India)। অবশ্য এটি পাকিস্তানের কাছে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হতে পারে (Pakistan)।”

     

LinkedIn
Share