Tag: Bengali news

Bengali news

  • Su 30 Fighter Jet: দেশেই তৈরি হবে সুখোই যুদ্ধবিমান, রফতানি করবে ভারত

    Su 30 Fighter Jet: দেশেই তৈরি হবে সুখোই যুদ্ধবিমান, রফতানি করবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সুখোই ফাইটার (Su 30 Fighter Jet) জেট রফতানি করবে ভারত। ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্যাল লিমিটেড (HAL) তৈরি করবে এই সুখোই যুদ্ধবিমান। ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এই সংস্থা এবার থেকে সুখোই ৩০ ফাইটার জেট তৈরি করবে এবং বিদেশে রফতানি করবে। ভারতের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতার এটি একটি অসাধারণ নিদর্শন। রাশিয়ার এই বিমান পৃথিবীর বহু দেশে বিমান বাহিনীতে ব্যবহার হচ্ছে। ভারতের নিজস্ব ভান্ডারেও ২৫০-র বেশি সুখোই-৩০ ফাইটার জেট রয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র ফাইটার জেট তৈরি নয়, ফাইটার জেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি ও রফতানি করা হবে।  

    ফাইটার জেট রফতানি করবে ভারত (Su 30 Fighter Jet)

    ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং হ্যালের মধ্যে ইতিমধ্যেই কথাবার্তা হয়েছে। এই নয়া সিদ্ধান্তের ফলে ভারত প্রতিরক্ষা রফতানির ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে যাবে। এর আগে ভারত শুধুমাত্র ছোটখাটো প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করত। এবার থেকে ভারত বিমান বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় (Su 30 Fighter Jet) প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিদেশে রফতানি করতে সক্ষম হবে। সরকারের এই নয়া সিদ্ধান্ত আত্মনির্ভর ভারতকে আরও মজবুত করবে।

    নাসিকে তৈরি হবে যুদ্ধ বিমান (HAL)

    সূত্রের খবর (HAL) নাসিকে এই ফাইটার জেট তৈরি করা হবে। এর জন্য রাশিয়ার তরফেও সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছে। রাশিয়া এই বিমানের আসল নির্মাতা। রাশিয়া ভারতকে প্রযুক্তি হস্তান্তর করায় ভারত নিজ দেশেই বিমান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। যৌথ উদ্যোগে বিমানগুলি তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জুলাই মাসে রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন। তারপরেই দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    ভারত এবং রাশিয়া উভয়পক্ষই যৌথ উদ্যোগে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের আওতায় এই (Su 30 Fighter Jet) রাশিয়ান বিমান তৈরি করবে। দুই দেশের বিমান বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় লড়াকু বিমান তৈরি করার পাশাপাশি তৃতীয় কোনও বন্ধু রাষ্ট্রকেও এই বিমান বিক্রি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ঢুকেছিল একজন গুন্ডা!’ স্বাতী মালিওয়ালকাণ্ডে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ঢুকেছিল একজন গুন্ডা!’ স্বাতী মালিওয়ালকাণ্ডে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার আপ সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল নিগ্রহকাণ্ডে (Swati Maliwal Assault Case) অভিযুক্ত বিভব কুমারকে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। বৃহস্পতিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সহযোগী বিভব কুমারের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। মামলায় নোট নেওয়ার সময় আদালত জানিয়েছে, তারা ‘শকড’। বিভবকে ‘গুন্ডা’ বলেও অভিহিত করেছে শীর্ষ আদালত। বলেছে, একজন গুন্ডা বাসভবনে প্রবেশ করেছিল এবং মালিওয়ালকে আক্রমণ করেছিল।

    বিভবকে তিরস্কার (Supreme Court)

    স্বাতী মালিওয়াল মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চে। এই বিচারপতিরা হলেন সূর্য কান্ত, দীপঙ্কর দত্ত এবং উজ্জ্বল ভুঁইয়া। এদিন আদালতে শুনানি হচ্ছিল বিভবের জামিনের। সম্প্রতি তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তার পরেই বিভব দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের। সেখানে তিরস্কার জোটে বিভবের ভাগ্যে।

    কী বলল আদালত?

    বেঞ্চ বলে, বিভবকে তাঁর ওপর নিগ্রহ বন্ধ করতে অনুরোধ করেছিলেন মালিওয়াল। তার পরেও অব্যাহত ছিল আক্রমণ। শীর্ষ আদালত (Supreme Court) বলে, ‘‘তিনি নিজেকে কী ভাবেন? তাঁর মাথায় কী ক্ষমতা রয়েছে? দেখে মনে হচ্ছে যেন একটা গুন্ডা প্রাঙ্গণে ঢুকেছে। বিভব কুমারের কি লজ্জা আছে? স্বাতী মালিওয়াল একজন তরুণী।’’ আদালত বলে, ‘‘আপনি প্রাক্তন সচিব ছিলেন। ভিক্টিমের যদি সেখানে থাকার কোনও অধিকার না থাকে, তাহলে তো আপনারও সেখানে থাকার কোনও অধিকার ছিল না। আপনার কি মনে হয়, ওই ঘরে উপস্থিত কারওরই বিভবের বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস ছিল?’’

    আরও পড়ুন: এসসি-এসটির মধ্যে আলাদা উপশ্রেণি সংরক্ষণ করা যাবে, বড় রায় শীর্ষ আদালতের

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৩ মে দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে ঢুকতে গিয়ে আক্রান্ত হন দলীয় সাংসদ স্বাতী। সেই সময় তিনি রজঃস্বলা ছিলেন বলে এফআইআরে উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় বিভবকে। আদালতের প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রীর বাংলো কি ব্যক্তিগত কোনও রেসিডেন্স? সেই অফিসে কি এই রকম গুন্ডা রাখা প্রয়োজন (Swati Maliwal Assault Case)? এটাই কি পন্থা? আমরা শকড। প্রশ্ন হল, কীভাবে এটা ঘটল (Supreme Court)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • BIS Recruitment 2024: কেন্দ্রীয় সংস্থায় ৫০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি, যোগ্যতা কী জানেন?

    BIS Recruitment 2024: কেন্দ্রীয় সংস্থায় ৫০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি, যোগ্যতা কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। মূলত, কেন্দ্রের উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থায় কর্মী নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কত জন কর্মী নিয়োগ (Government Job) করা হবে, তাঁদের কত বেতন হবে তাও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের কোন কোন প্রান্তে কতজনকে নিয়োগ করা হবে তার রূপরেখাও ঠিক করা হয়েছে। আর এই কাজের জন্য কী কী যোগ্যতা দরকার তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থায় কর্মী নিয়োগ করবে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস) (BIS Recruitment 2024)। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে।

    কোথায় কোথায় কর্মী নিয়োগ করা হবে? (BIS Recruitment 2024)

    বিআইএস (BIS Recruitment 2024) সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলে সাতটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে নিযুক্তদের পোস্টিং দেওয়া হবে। এরজন্য অনলাইনেই আগ্রহীদের থেকে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। সংস্থার তরফে কনসালট্যান্ট বা পরামর্শদাতা পদে কর্মীদের নিয়োগ করা হবে। মোট শূন্যপদের সংখ্যা ১৪। কলকাতা ব্রাঞ্চ অফিস-১, কলকাতা ব্রাঞ্চ অফিস-২, জামশেদপুর, গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বর, রায়পুর এবং পাটনা ব্রাঞ্চ অফিসের প্রতিটিতে দু’জন করে কর্মী নিয়োগ করা হবে। সংস্থায় আগামী ছ’মাসের জন্য স্বল্পমেয়াদে কর্মীদের নিয়োগ করা হবে।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    মাসে বেতন ৫০ হাজার টাকা

    প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের জন্য কোনও বয়ঃসীমার উল্লেখ করা হয়নি। তবে, জানানো হয়েছে নিযুক্তদের (Government Job) বেতন হবে মাসে ৫০ হাজার টাকা। আবেদনকারীদের মার্কেটিং-এ এমবিএ বা মাস কমিউনিকেশনে সমতুল ডিগ্রি বা সোশ্যাল ওয়ার্কে মাস্টার্স (এমএসডব্লিউ) ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি / রাজ্য সরকারি / রাষ্ট্রায়ত্ত্ব / স্বশাসিত সংস্থায় মার্কেটিং এবং মাস কমিউনিকেশন সংক্রান্ত কাজের দু’বছরের অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। যাঁদের আইটি সম্পর্কিত কাজের দক্ষতা এবং ইংরেজি, হিন্দি এবং স্থানীয় ভাষায় কথোপকথন এবং লেখার দক্ষতা রয়েছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: এসসি-এসটির মধ্যে আলাদা উপশ্রেণি সংরক্ষণ করা যাবে, বড় রায় শীর্ষ আদালতের

    Supreme Court: এসসি-এসটির মধ্যে আলাদা উপশ্রেণি সংরক্ষণ করা যাবে, বড় রায় শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যদি একবার একটা কমার্টমেন্টে ঢুকে পড়েন, তাহলে অন্যরা যাতে সেখানে ঢুকতে না পারেন অনবরত তার চেষ্টা করতে থাকেন তিনি।” কথাগুলি বললেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি বিআর গাভাই। সংরক্ষণের (Quota Ruling) ক্ষেত্রে এসসি-এসটির মধ্যে আরও নিখুঁত শ্রেণি বিভাজনের পক্ষে রায় দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন গাভাই।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালতের সাত বিচারপতির বেঞ্চ সম্মতি দেয় শিক্ষা ও চাকরিতে সংক্ষণের ক্ষেত্রে তফশিলি জাতি-উপজাতির মধ্যে শ্রেণি বিভাজনে। যাঁরা আক্ষরিক অর্থে পিছিয়ে পড়া, শিক্ষা ও চাকরিতে তাঁরা যাতে সুযোগ পান, তাই এই রায় বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত এও জানিয়েছে, তফশিলি জাতি-উপজাতির মধ্যে ‘ক্রিমি লেয়ার’ বা উপশ্রেণিকে সংক্ষরণের আওতায় আনার ক্ষমতা থাকবে রাজ্য সরকারের হাতে।

    কী বললেন গাভাই?

    এই রায় দিতে গিয়েই বিচারপতি গাভাই বলেন, “কেউ যদি একবার একটা কমার্টমেন্টে ঢুকে পড়েন, তাহলে অন্যরা যাতে সেখানে ঢুকতে না পারেন অনবরত তার চেষ্টা করতে থাকেন তিনি। সামাজিক ন্যায়ের কারণে তাঁরা নিজেরা সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু যখন রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নেয় যে, প্রতিনিধিত্বহীন ব্যক্তিদের সেই সুবিধা দেওয়া হবে, তখন আর তা অস্বীকার করা যায় না।”

    প্রসঙ্গত, বিচারপতি (Supreme Court) গাভাই স্বয়ং দলিত সম্প্রদায়ের। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের পর তিনিই বসবেন ওই পদে। আগামী বছর প্রধান বিচারপতি পদে অভিষিক্ত হবেন তিনি। গাভাই ওই পদে বসলে, তিনিই হবেন দেশের দ্বিতীয় দলিত প্রধান বিচারপতি, কেজি বালকৃষ্ণণের পরে। এদিনের রায়ে গাভাই জানান, তফশিলি জাতি ও উপজাতির মধ্যে একটা ছোট্ট অংশই সংরক্ষণের সুবিধা ভোগ করতে পারছেন। বাকিরা বঞ্চনার শিকার হন। এপ্রসঙ্গে গাভাই বলেন, “বিআর আম্বেডকর বলেছিলেন, সামাজিক গণতন্ত্র না থাকলে, রাজনৈতিক গণতন্ত্র থেকে কোনও লাভ নেই। তফশিলি জাতির প্রতিটি শ্রেণির প্রতিবন্ধকতা আলাদা।”

    আরও পড়ুন: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    সাত সদস্যের এই বেঞ্চের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, “অনেক সময়ই বৈষম্যের কারণে তফশিলি জাতি-উপজাতির সদস্যরা উন্নতির শিখরে পৌঁছতে পারেন না। ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে জাতির এই শ্রেণিবিন্যাসের অনুমতি দেওয়া (Quota Ruling) হয়েছে। ইতিহাসে প্রমাণ রয়েছে, পিছিয়ে পড়া শ্রেণি কখনওই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না (Supreme Court)।” সাত সদস্যের বেঞ্চের বাকি সদস্যরাও এসসি-এসটি সংরক্ষণের মধ্যে ‘ক্রিমি লেয়ার’ পৃথকীকরণের ওপর সহমত পোষণ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Durga Puja Donation: দুর্গাপুজোয় দরাজহস্ত মমতা, কিন্তু টাকা আসবে কোথা থেকে? মামলা হাইকোর্টে

    Durga Puja Donation: দুর্গাপুজোয় দরাজহস্ত মমতা, কিন্তু টাকা আসবে কোথা থেকে? মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদান (Durga Puja Donation) দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১৫,০০০ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনুদান। আগামী বছর থেকে দেওয়া হবে এক লক্ষ টাকা, এমনই ঘোষণা করেছেন মমতা। শুধু অনুদান নয়, ক্লাবগুলিকে বিদ্যুতেও ছাড় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকটাই। ৬৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুতের কর ছাড়। অনুদানের টাকা কোথা থেকে আসছে জানতে চেয়ে মামলা হয়েছে হাইকোর্টে (High Court) । সৌরভ দত্ত নামে এক ব্যক্তি এর আগেও মামলা করেছিলেন আদালতে। সেই মামলাতেই এবার নতুন করে আবেদন করা হল।

    অনুদান ঘিরে জনস্বার্থ মামলা (Durga Puja Donation)

    বেশ কয়েক বছর ধরে রাজ্য সরকারের তরফে দুর্গাপুজোয় যে অনুদান দেওয়া হচ্ছে, সেই খরচ নিয়ে তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন সৌরভবাবু। কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর আবেদন জানানো হয়েছে। জনস্বার্থ মামলায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই (Durga Puja Donation) টাকার উৎস কি? সরকারের কোন ফান্ড  থেকে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে। ক্লাবগুলি সেই টাকা গাইডলাইন মেনে খরচ করেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা দরকার দাবি সৌরভের। যদিও এ বিষয়ে আগেও মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে (High Court)। রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত, কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোনও রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি। আদালতে এমনটাই সূত্রের খবর।

    অনুদানের প্রয়োজনীয়তা ঘিরে প্রশ্ন (High Court)

    বাঙালি সেরা উৎসব দুর্গাপুজো। দুর্গাপুজো ইউনেস্কো হেরিটেজ পাওয়ার পর থেকে সারা পৃথিবীর এখন আকর্ষণ দুর্গাপুজো ঘিরে। সেই সঙ্গে বেড়েছে শহরের বিভিন্ন পূজোর আড়ম্বর। ধীরে ধীরে বাড়ছে রাজ্য সরকারের অনুদান। কিন্তু প্রথম থেকেই অনুদানের (Durga Puja Donation) প্রয়োজনীয়তা ঘিরে প্রশ্ন রয়েছে বিভিন্ন মহলে।

    আরও পড়ুন: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    পুজো কমিটিগুলি এলাকা থেকে চাঁদা তোলে। এছাড়াও ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপন ও অনুদান দিয়ে পুজো কমিটিগুলোকে সাহায্য করে থাকেন। তারপরেও সরকারিভাবে অনুদান কেন, এই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    High Court: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই ২৪ পরগনার জেলা আদালতে বহু পদ শূন্য। সেখানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (High Court) মামলা করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কোর্ট এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। দুই জেলা আদালতে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা (Kolkata) হাইকোর্ট। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। কেন জেলা আদালতে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্যও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মামলার শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য, “এমন চলতে থাকলে, এর পরে কি জেলা বিচারকও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হবে?”

    জেলা আদালতে পাঁচশোর বেশি শূন্যপদ (High Court)

    জানা গিয়েছে, দুই জেলা মিলিয়েই রয়েছে পাঁচশোর বেশি শূন্যপদ। উত্তর ২৪ পরগনায় ২৬৭ শূন্যপদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৫৭ শূন্যপদ। সম্প্রতি, এই দুই জেলা আদালতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কোর্ট এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। আদালতে কেন অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ হবে? সেই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে মামলা করে আদালত কর্মীদের সংগঠন। বুধবার সেই মামলায় অস্থায়ী নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    ১০ বছরে আদালতে কর্মী নিয়োগ হয়নি

    বুধবার মামলাকারী সংগঠনের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম কলকাতা (Kolkata) আদালতে (High Court) সওয়াল করে বলেন, “সরকারের বিশেষ কিছু দফতর বা বিভাগ রয়েছে, যেখানে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা যায় না। সেই তালিকায় রয়েছে আদালতের কর্মী নিয়োগও।” এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অতীতের নির্দেশের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সাল থেকে রাজ্যের জেলা আদালতগুলিতে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয়নি। ফলে প্রায় ২৫ শতাংশেরও বেশি শূন্যপদ পড়ে রয়েছে। আমার প্রশ্ন, ১০ বছর পরেও কেন জেলা আদালতে স্থায়ী নিয়োগ করতে চাইছে না রাজ্য সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw:  সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    Ashwini Vaishnaw: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় গঙ্গার নীচে মেট্রোর পর এবার সমুদ্র গর্ভে ছুটবে বুলেট। বুধবার লোকসভার অধিবেশনে নিজের ভাষণে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) দাবি করেন, দেশে উচ্চ গতির ট্রেন চালানোর জন্য অধিকাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এদিন বুলেট ট্রেন প্রকল্পের (Bullet Train Project) কথা বলতে গিয়ে দেশে প্রথম সমুদ্রের নিচ দিয়ে রেল টানেলের কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই প্রকল্পের জন্য সমুদ্রতলের ৩০ মিটার নীচে একটা টানেল হচ্ছে। ওই টানেলটি ২১ কিলোমিটারের। ভারতের প্রথম সমুদ্রতলের নিচ দিয়ে টানেল হবে। খুবই দ্রুত গতিতে কাজ চলছে।”

    ঠিক কী জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী? (Ashwini Vaishnaw) 

    এদিন লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে জানতে চান গুজরাটের ভালসাদের বিজেপি সাংসদ ধবল লক্ষ্মণভাই প্যাটেল। সেসময় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাপান সরকারের সহযোগিতায় এবার বুলেট ট্রেনের (Bullet Train Project) জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এসেছে ভারতে। বুলেট ট্রেন একটি অত্যন্ত জটিল এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প। যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জাপানি রেলওয়ের সাহায্যে এই প্রকল্পের নকশা তৈরি করা হয়েছে। ভারতের পরিবেশ এবং চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তি জাপানের কাছ থেকে নেওয়া হলেও এখন দেশের মাটিতে এমন অনেক প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে। 
    মহারাষ্ট্রের বান্দ্র-কুরলা কমপ্লেক্স থেকে শিলফাটা পর্যন্ত বুলেট ট্রেন চলাচলের জন্য টানেল তৈরি হবে। ২১ কিমি ওই টানেলের মধ্যে ৭ কিমি আরব সাগরের থানে খাঁড়ির নীচ দিয়ে যাবে। এদিন রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) আরও জানান, ৫০৮ কিমি দূরত্বের এই রুটে ১২টি স্টেশনে থামবে বুলেট ট্রেন। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: দুর্গতদের জন্য তৈরি মানবসেতু! বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা

    কবে থেকে চালু হবে বুলেট ট্রেন? 

    অন্যদিকে এদিন মহারাষ্ট্রের প্রাথমিক কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন,”মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে (Bullet Train Project) মোট রেললাইন ৫০৮ কিলোমিটারের। তার মধ্যে ৩২০ কিলোমিটার রেললাইনের কাজ চলছে। মহারাষ্ট্রে প্রথম দিকে কাজ শুরুতে একটু সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু, একনাথ শিন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ-সহ সমস্ত অনুমোদন দেন। সেখানে কাজ চলছে। কাঠামো, রেললাইন, বিদ্যুত সিগন্যালিং এবং টেলি যোগাযোগের কাজ সম্পন্ন হলেই বুলেট ট্রেন চালু করার দিনক্ষণ স্থির করা যাবে।”   
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: এ বছরেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি, শুরু ১১ অগাস্ট থেকে

    BJP: এ বছরেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি, শুরু ১১ অগাস্ট থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছরের মতো চলতি বছরেও অনুষ্ঠিত বিজেপির (BJP) ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি। দেশের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনের মুহূর্তে নাগরিকদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগানোর উদ্দেশ্যে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ প্রচার অভিযান শুরু হচ্ছে ১১ অগাস্ট থেকে, এমনটাই জানা গিয়েছে বিজেপি (BJP) সূত্রে। সারা দেশের মতো এই কর্মসূচি চলবে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও। 

    জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান

    জানা গিয়েছে, এই প্রচার অভিযানের মাধ্যমে গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপকভাবে জনসংযোগ করবেন ১১ অগাস্ট থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা প্রত্যেক নাগরিকের বাড়িতে, দোকানে, অফিসে সর্বত্র পৌঁছাবেন। ১৩ থেকে ১৫ অগাস্টের মধ্যে বাড়ি বা দোকানের ছাদে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানাবেন বিজেপি কর্মীরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক জনসংযোগও গড়ে তুলতে পারবে বিজেপি, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। জানা গিয়েছে, এই সময় নিজের নিজের এলাকার সাফাই অভিযানেও নামবেন বিজেপি (BJP) কর্মীরা।

    দেশভাগের যন্ত্রণাকেও স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    এর পাশাপাশি, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনও করা হবে। বিজেপির তরফ থেকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতা দিবসের ঠিক একদিন আগেই ১৪ অগাস্ট দেশ ভাগের যন্ত্রণা ও ভয়াবহ স্মৃতিকেও স্মরণ করা হবে দলের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত, ১৪ অগাস্ট দেশভাগের দিনটি স্মরণ করার কথা প্রথম ২০২১ সালে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তিনি সেই সময় এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘‘দেশভাগের সময় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, যাঁদেরকে ভিটেমাটি থেকে উৎখাত হতে হয়েছে, তাঁদেরকে স্মরণ করার জন্য এই দিনটিকে উৎসর্গ করা হবে।’’

    কী বলছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে বিজেপি (BJP) নেতা সিআর পাতিল প্রথম ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। পরবর্তীকালে, এটি সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত রবিবারও ‘মন কি বাত’-এর অনুষ্ঠানের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান সম্পর্কে ফের একবার সকলকে স্মরণ করান এবং তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক বছর ধরে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান ব্যাপক সফল হয়েছে। তিরঙ্গা উত্তোলনের মাধ্যমে সকলেই গর্বিত হয়েছেন। এই গৌরবকে বজায় রাখার জন্য প্রতিবছরের মতো চলতি বছরেও আপনারা তিরঙ্গার সঙ্গে সেলফি তুলবেন এবং তা harghartiranga.com-এ আপলোড করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anurag Thakur: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    Anurag Thakur: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সাংবাদিককে প্রশ্ন করেছিলেন “আপনার জাত কি?” জাত বিতর্ক (Caste Row) নিয়ে যখন দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে, সেই সময় এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন হামিরপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বিজেপির অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। ভিডিওটি সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদবের। একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কেউ কীভাবে জাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারে?” ভিডিওটিতে কোনও তারিখ দেখা যাচ্ছে না। তবে তাতে দেখা যাচ্ছে, অখিলেশ একজন সাংবাদিককে জাত নিয়ে প্রশ্ন করছেন।

    অনুরাগের বাক্য-বাণ (Anurag Thakur)

    ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। সংসদে চলছিল জাত গণনার দাবিতে আলোচনা। সেই সময় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন অনুরাগ। বলেন, “কংগ্রেসের শাহজাদা আমাদের জ্ঞান দেবেন? বিরোধী দলনেতার পদ কী, তা আগে বুঝতে হবে ওঁকে। ওঁদের মিথ্যে ছড়ানো বন্ধ করতে হবে। বারবার ওবিসিদের কথা বলা হয়। বারবার করে জাতিগণনার কথা বলা হয়।” এর পরেই প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “যাঁদের নিজেদের জাতের ঠিক নেই, তাঁরাই জাত গণনার দাবি করছেন।” অনুরাগের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো তথা সাংসদ অখিলেশ যাদবও। তিনি প্রশ্ন করেন, “কারও জাত কি জানতে চাওয়া যায়? কারও জাত জানতে হবে কেন? অখিলেশের এহেন প্রশ্নের প্রেক্ষিতেই অনুরাগ পোস্ট করেন পুরানো ভিডিও। অনুরাগকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানান বিরোধীরা।

    মোদির কণ্ঠে অনুরাগ প্রশস্তি

    হামিরপুরের সাংসদের প্রশস্তি শোনা গিয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়ও। লোকসভার ভাষণ শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “আমার ছোট এবং উদ্যমী সহকর্মী অনুরাগ ঠাকুরের বক্তব্য অবশ্যই শুনতে হবে। ঘটনা এবং রসবোধের যথার্থ মিশ্রণ এটি। ‘ইন্ডি’ জোটের (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) নোংরা রাজনীতির উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন তিনি।” কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ শশী থারুরের একটি বই থেকে উদ্ধৃতিও দিয়েছেন অনুরাগ। রাহুলকে দিয়েছেন এলওপি-র ব্যাখ্যা। অনুরাগ (Anurag Thakur) বলেন, “এই দলের শাহজাদার প্রথমে বোঝা উচিত এলওপি-র অর্থ কী। এর অর্থ হল ‘লিডার অফ অপোজিশন’, ‘লিডার অফ প্রোপাগান্ডা নয়’।”

    হালুয়া প্রসঙ্গ

    হালুয়া প্রসঙ্গ তুলেও এদিন রাহুলকে চাঁদমারি করেন অনুরাগ। বলেন, “রাহুলজি, আপনি হালুয়া নিয়ে বলছেন। বোফর্স দুর্নীতির হালুয়া কে খেয়েছিল? অন্তরীক্ষ দিবস (Caste Row) দুর্নীতি, কমনওয়েল্থ গেমস, ন্যাশনাল হেরাল্ড, সাবমেরিন, ২জি স্ক্যাম, কয়লা, ইউরিয়া ও পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি থেকে কারা লাভ করেছিল? রাহুলজি ওই হালুয়াটা কি মিষ্টি ছিল নাকি বিস্বাদ? অনুরাগ বলেন, “কয়েকজন ওবিসি নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু তাদের কাছে ওবিসির অর্থ হল, ‘ব্রাদার ইন ল কমিশন’। এই দল কিনা পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষদের নিয়ে কথা বলবে?

    বোমা ফাটালেন কঙ্গনা

    জাত নিয়ে কথা বলায় অনুরাগ যখন খুঁচিয়ে তুলেছেন অখিলেশের পুরানো ঘা, ঠিক তখনই পুরানো একটি ভিডিও শেয়ার করে রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন গ্ল্যামার কুইন নায়িকা সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। পুরানো ওই ভিডিওয় রাহুল গান্ধীকেও লোকের জাত নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিও শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, “আপনি নিজের জাত সম্পর্কে কিছুই জানেন না। আপনার দাদু মুসলিম, ঠাকুমা পার্সি, মা খ্রিস্টান। মনে হয় কেউ ভাত ও ডাল বানানোর জন্য কারিপাতা দিয়ে পাস্তা মেখেছেন। এদিকে উনি সবার জাত জানতে চান।” তিনি লিখেছেন, “কী করে তিনি প্রকাশ্যে মানুষকে তাঁদের জাত (Caste Row) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, এমন (Anurag Thakur) অভদ্রভাবে, ছিঃ লজ্জা, রাহুল গান্ধী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Potato Price: “আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর দমন পীড়ন নীতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার”, তোপ শুভেন্দুর

    Potato Price: “আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর দমন পীড়ন নীতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিন রাজ্যে আলু নিয়ে যাওয়ার ওপর রয়েছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আলু ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট ডেকেছিলেন। আর তারপরই চড়চড়িয়ে আলুর দাম বাড়তে শুরু করে। কোথাও ৪০ টাকা, কোথাও আবার ৫০ টাকার বেশি দরে আলু বিক্রি হয়েছে। কিন্তু, ধর্মঘট উঠলেও আলুর দাম (Potato Price) এখনও আম-জনতার নাগালের মধ্যে আসেনি। এই আবহের মধ্যেই কোচবিহারের মাথাভাঙায় ভালো দাম পাচ্ছেন না বলে চাষিরা রাস্তায় আলু ফেলে বিক্ষোভ দেখান। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু আধিকারী (Suvendu Adhikari) এই ঘটনার জন্য তৃণমূল সরকারে তুলোধনা করেছেন।

    চাষিরা কী দাবি জানালেন? (Potato Price)

    বুধবার মাথাভাঙা-২ ব্লকের কোচবিহার ফালাকাটা জাতীয় সড়কের সতীশের হাট এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন ক্ষুদ্র আলু চাষিরা। চাষিরা বলেন, “বেশ কিছুদিন ধরে আলু পাইকাররা আলু কেনা বন্ধ রাখায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। একইসঙ্গে বাজারে আলু বিক্রির জন্য নিয়ে গেলেও দাম (Potato Price) পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে, আলু বিক্রি করে আমন ধান সহ সবজি চাষের জন্য রাসায়নিক সার কিনতে পারছি না। কিনতে পারছি না অন্যান্য চাষের সামগ্রীও।” এদিন কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। পরে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। জাতীয় সড়কে অবরোধের জেরে দু’দিকে পন্যবাহী ও যাত্রীবাহী গাড়ির লাইন পড়ে যায়। অবরোধ উঠে যেতেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে সমস্যার সমাধান না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন আলু চাষিরা।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    রাজ্যকে তোপ শুভেন্দুর

    আলু নিয়ে চাষিদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্য জুড়ে আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর রাজ্য সরকার দমন পীড়ন নীতি অবলম্বন করছে। বিশেষ করে রাজ্যের সঙ্গে ওড়িশা ও অসমের সীমান্তবর্তী এলাকায়। কোচবিহারে ক্ষুব্ধ আলু ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি তারই প্রতিফলন। এক দিকে সারের কালোবাজারির জন্য আলু চাষিরা (Potato Price) জেরবার হচ্ছে, সেই ব্যাপারে রাজ্য সরকারের কোনও সদর্থক ভূমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, অথচ বিভিন্ন সময়ে হঠকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর খবরদারি ফলাতে গিয়ে তাঁদেরকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের সমস্ত ন্যায্য অধিকার ও দাবি দাওয়ার পক্ষে আমরা। অবিলম্বে রাজ্য সরকারি আধিকারিকগণ চাষিদের সঙ্গে সমন্বয় স্থাপন করে দ্বন্দ্ব মেটানোর উদ্যোগ গ্রহণ করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share