Tag: Bengali news

Bengali news

  • R G Kar Hospital: রাতের হাসপাতালে কী দেখেছিলেন ‘অভয়া’? কাদের আড়ালের চেষ্টা চলছে?

    R G Kar Hospital: রাতের হাসপাতালে কী দেখেছিলেন ‘অভয়া’? কাদের আড়ালের চেষ্টা চলছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দিনের বেলায় রোগীর ভিড়, ট্রলির আওয়াজ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যস্ততার ছবিটা সূর্যাস্তের পরেই দ্রুত বদলে যায়! রাত বাড়লেই একেবারে ভিন্ন ছবি! রাতের অন্ধকারে যেন এক অজানা হাসপাতাল চত্বর! এবার এমনই কথা জানালেন আরজি কর হাসপাতালের (R G Kar Hospital) এমবিবিএস পড়ুয়াদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, হাসপাতালের একাধিক কুকীর্তি জানার জেরেই নিগৃহীতার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটল। ঘটনার পর থেকেই পুলিশের তদন্ত নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠছে। আরজি করকাণ্ডে বারবার প্রশ্নের মুখে পুলিশি তদন্ত। মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক অভিযোগ উঠছে। আর সব চেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে পড়ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা। রাজ্যের চিকিৎসক মহলের একাংশের অভিযোগ, প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার একাধিক পথ থাকলেও পুলিশ কেন দেরি করছে! আর এখানেই অভিযোগ উঠছে, ক্ষমতাবান ব্যক্তির সম্পর্ক থাকার জেরেই কি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে একাধিক প্রশ্ন?

    যদিও কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে কোনও ত্রুটি থাকবে না। দ্রুত সকলের সঙ্গে কথা বলা হবে। সব রকম পদক্ষেপ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রবিবারের মধ্যে ঘটনার সম্পূর্ণ কিনারা করতে না পারলে কলকাতা পুলিশ তদন্তের (Police Investigation) দায়িত্ব থেকে সরে যাবে। যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ঘটনার পরে ১০দিন পেরিয়ে গেলে একাধিক তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট‌ হয়ে যাবে। তাই দশ দিন পরে অন্য তদন্তকারী সংস্থা দায়িত্ব নিলে কতটা তথ্য জোগাড় করতে পারবে, সে নিয়েও আশঙ্কা রয়েছে।

    কী জানাচ্ছে হাসপাতালের একাংশ? (R G Kar Hospital)

    আরজি কর হাসপাতালের একাংশ জানাচ্ছে, রাতের হাসপাতাল চত্বরে চলে একাধিক বেআইনি কাজ। নানান নিষিদ্ধ ওষুধ পাচার থেকে যৌন কেলেঙ্কারির মুক্তাঞ্চল হয়ে ওঠে হাসপাতাল চত্বর। রাতে কর্তব‌্যরত একাধিক চিকিৎসকের নজরেও পড়ে সেই ঘটনা। কলেজের ইন্টার্ন থেকে স্নাতকোত্তর ট্রেনি চিকিৎসক, রাতে পরিষেবার দায়িত্বে থাকা একাধিক পড়ুয়ার‌ চোখের সামনেই ঘটে এমন নানান অবৈধ ঘটনা। হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে এমন নানান ঘটনার অভিযোগ উঠলেও কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই। তাই অবাধে চলত বেআইনি কাজ। 
    কলেজের এমবিবিএস-র শেষ বর্ষের পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, আরজি কর হাসপাতালে (R G Kar Hospital) শাসক দলের একাধিক নেতার আত্মীয়রা পড়াশোনা করেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে এই সব বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। নির্দিষ্ট অভিযোগ জানানোর পরেও কোনও রকম প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি বলেও তাঁরা অভিযোগ করছেন। পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, মাস দুয়েক আগে থেকেই প্রভাবশালী বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের সঙ্গে নিগৃহীতার বচসা শুরু হয়। নিগৃহীতা একাধিকবার তাদের কাজের প্রতিবাদ জানান। তাকে নানা রকম হেনস্থা ও হুমকির সম্মুখীন হতে হয় বলেও অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন মহলে জানানোর পরেও কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানান, নিগৃহীতা তাঁর বাবা-মাকে বারবার জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে নাইট ডিউটি করতে তাঁর ভালো লাগে না। তাঁর মুখ বন্ধ করতেই এমন ভয়ানক অপরাধ ঘটল বলেও মনে করছেন আরজি কর হাসপাতালের অন্দর মহলের অনেকেই।

    তদন্ত নিয়ে কেন প্রশ্ন তুলছে চিকিৎসক মহল?

    ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মৃতার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট যথাযথ ভাবে বিশ্লেষণ করলেই নানান প্রশ্নের জট খুলে যাবে। ঘটনার পরে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনা একজনের পক্ষে ঘটানো সম্ভব নয় বলেই স্পষ্ট জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ (R G Kar Hospital)। চিকিৎসক সূবর্ণ গোস্বামী জানান, মৃতার দেহ থেকে ১৫০ গ্রাম রক্ত মিশ্রিত সিমেন স্যাম্পেল পাওয়া গিয়েছে। ফলে, স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, একাধিক ব্যক্তি ওই মহিলা চিকিৎসককে নিগ্রহ করেছে। আরজি কর হাসপাতালে কর্মরত আরেক চিকিৎসক-শিক্ষক বলেন, ঘটনার রাতে সেমিনার রুমের আশপাশে জনা চারেক ইন্টার্ন যাতায়াত করেছে। তার প্রমাণও রয়েছে। কিন্তু তারপরেও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। এই অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের চিকিৎসক মহলের একাংশ পুলিশের তদন্ত (Police Investigation) নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 13 August 2024: বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 13 August 2024: বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তি থেকে দূরে থাকুন। 

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতে সাফল্য পেতে পারেন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে। 

    ৩) সতর্ক থাকুন।

    কর্কট

    ১) কুসঙ্গ থেকে দূরে থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    সিংহ

    ১) বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) কাজের ব্যাপারে ভালো যোগাযোগ হতে পারে।

    ৩) সুখ লাভ।

    কন্যা

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন। 

    ৩) অর্থ লাভ হবে।

    তুলা

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন।

    ২) দাম্পত্য কলহ নিয়ে যন্ত্রণা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    ধনু

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শারীরিক কষ্টের কারণে কাজের সময় নষ্ট। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখতে হবে।

    মকর

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।

    ২) সামাজিক সম্মান পাবেন। 

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মীন

    ১) গানবাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে। 

    ৩) পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: স্বাধীনতা দিবসে অতিথি তালিকায় যুব-দরিদ্র-নারী-কৃষকদের আমন্ত্রণ, উদ্যোগী মোদি

    Narendra Modi: স্বাধীনতা দিবসে অতিথি তালিকায় যুব-দরিদ্র-নারী-কৃষকদের আমন্ত্রণ, উদ্যোগী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর দুদিন পরই দেশজুড়ে পালিত হবে স্বাধীনতা দিবস। এই স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) উদ্যোগে যুব, নারী, দরিদ্র ও কৃষকের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যুব এবং মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক থেকে কয়েকশো জনের তালিকা তৈরি করে সকলকে লাল কেল্লায় উপস্থিত থাকার  আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    অতিথি তালিকায় কারা রয়েছেন? (Narendra Modi)  

    জুন মাসে তৃতীয়বার পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পর বারাণসীতে তাঁর প্রথম সফরের সময় কৃষক, যুবক, মহিলা এবং দরিদ্রদের “উন্নত ভারতের চারটি স্তম্ভ” হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম বাজেটে কৃষক, যুবক, মহিলা এবং দরিদ্র— এই চার শ্রেণির ওপর জোর দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবার ৪ হাজার বেশি বিশেষ অতিথির তালিকায় প্রাধান্য পেয়েছেন তাঁরা। লাল কেল্লার অনুষ্ঠানে পরিবারের একজন করে সদস্যসহ বিশেষ অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, অতিথিদের ১১টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে  ১ হাজার জন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগের রয়েছেন। যুব বিষয়ক বিভাগ থেকে ৬০০ জন এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগ থেকে ৩০০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়়া, পঞ্চায়েতি রাজ এবং গ্রামীণ উন্নয়ন (প্রতিটি ৩০০ জন), উপজাতি বিষয়ক (৩৫০), স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা এবং সীমান্ত সড়ক সংস্থা/ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (প্রতিটি ২০০), স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ এবং খেলাধূলা (১৫০ জন প্রতিটি)। এছাড়াও নীতি আয়োগ বিভাগের ১২০০ জন বিশেষ অতিথি রয়েছেন। বিশেষ অতিথিদের আমন্ত্রণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে পাঠানো হয়েছে। ১৫০ জন নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। “মেরি মাটি মেরা দেশ” প্রকল্পের অধীনে ৪০০ এনএসএস স্বেচ্ছাসেবক, “মাই-ভারত” স্কিমের ১০০ জন উপভোক্তা এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রী স্কুলের ছাত্ররা তালিকায় রয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন

    একলব্য মডেল আবাসিক স্কুলের প্রায় ১৫০ জন ছাত্র, ১০০ জন আদিবাসী কারিগর এবং বন-ধন-বিকাশ যোজনার সদস্য এবং ৫০ জন আদিবাসী উদ্যোক্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সমস্ত বিশেষ অতিথি ১৪ অগাস্ট দিল্লিতে আসবেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। তাঁরা দিল্লিতে থাকার সময় কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: স্বাধীনতা দিবসের আগে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে পালিত বিজেপির তেরঙ্গা যাত্রা

    Jammu and Kashmir: স্বাধীনতা দিবসের আগে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে পালিত বিজেপির তেরঙ্গা যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ১১ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত, হর ঘর তিরঙ্গার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে সোমবার কাশ্মীরেও দেখা গেল এই চিত্র। দেশপ্রেমের চেতনা এবং স্বাধীনতা দিবসর উদ্দীপনা উদযাপন করতে এদিন জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিজেপির যুব মোর্চার নেতৃত্বে বিরাট তেরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করে। এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অশোক কৌল তেরঙ্গা র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় দেশের স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব এবং ঐক্য-অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্যের ওপর জোর দেন তিনি। একইসঙ্গে উপত্যকার উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ে বিজেপির প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন কৌল।

    ঠিক কী বললেন কাশ্মীরের বিজেপি সংগঠন সম্পাদক (Jammu and Kashmir)?

    বিজেপি নেতা অশোক কৌল বলেন, “একজন ব্যক্তির প্রথম দায়িত্ব তাঁর দেশের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা। সেইসঙ্গে, রাষ্ট্রকে সর্বোপরি সম্মান প্রদান করে মাতৃভূমির জন্য সেবা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। তাই এই রাজ্যের (Jammu and Kashmir) প্রত্যেক মানুষকে তেরঙ্গা যাত্রার সমাবেশে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করব।” এই সমাবেশে জম্মু পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের সাংসদ যুগল কিশোর শর্মা, বিজেপি সহ-সভাপতি যুধবীর শেঠি, যুবমোর্চার সভাপতি অরুণ প্রভাত এবং অন্যান্যরা সমাবেশে যোগদান করেন।

    আরও পড়ুনঃ ভারতের জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপে আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    রাজৌরি, কাঠুয়াতে পালিত হল তেরঙ্গা র‍্যালি

    এদিনই রাজৌরিতে (Jammu and Kashmir) রাজ্য বিজেপি (BJP) সাধারণ সম্পাদক বিবোধ গুপ্তা একটি তেরাঙ্গা সমাবেশে অংশ নেন। কাশ্মীরের বাস্তুচ্যুত জেলাগুলিতে এদিন বিজেপি জেলা সভাপতি রোহিত গাঞ্জু, যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ডা. হিমজা মেঙ্গি সহ আরও অনেক নেতা এদিন তেরঙ্গা র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। আবার সানাসারে রামবান বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় মিডিয়া ইনচার্জ এস আমনদীপ সিং তেরঙ্গা সমাবেশে যোগদান করেন। অপর দিকে, কাঠুয়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রবীণ বিজেপি নেতা মুনীশ শর্মা একটি জাতীয় পতাকা নিয়ে পদ যাত্রা করেন। একইভাবে, যুব মোর্চার পক্ষ থেকে নাগরোটা বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে যুব শাখার রাজ্য সম্পাদক ডাঃ সুনীল ভরদ্বাজের নেতৃত্বে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠান পালন হয়। ভাদেরওয়াহ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ সিং উপস্থিত থেকে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করেন। জম্মু উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র ও খাজুরিয়াতেও তেরঙ্গা সমাবেশে লক্ষ্য করা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি উঠল কল্যাণী এইমসে, দুর্ভোগে রোগীরা

    RG Kar Protest: আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি উঠল কল্যাণী এইমসে, দুর্ভোগে রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Protest) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে উত্তাল অবস্থা। রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। হাসপাতাল চত্বরেই চলছে বিক্ষোভ আন্দোলন। প্রতিবাদ মিছিল। নিন্দার ঝড়় উঠেছে দেশজুড়ে। সকলেই অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। সোমবার বিক্ষোভ আন্দোলনে সামিল হলেন কল্যাণী এইমস হাসপাতালের চিকিৎসকরা। বন্ধ রাখলেন আউটডোর চিকিৎসা পরিষেবাও। আর অধিকাংশ হাসপাতালে কর্মবিরতি হওয়ার কারণে রোগীরা চরম নাকাল হলেন।

    সিবিআই তদন্তের দাবি উঠল এইমস হাসপাতালে (RG Kar Protest)

    এদিন কল্যাণী এইমসের চিকিৎসকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। এদিন হাসপাতাল চত্বরে চিকিৎসকরা দল বেঁধে প্রতিবাদ মিছিল করেন। প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, হাসপাতালে জরুরি পরিষেবা বজায় রয়েছে। তবে, অন্য চিকিৎসা আমরা বন্ধ রেখেছি। আসলে ডিউটিরত অবস্থায় আমাদের সহকর্মীকে হাসপাতালের মধ্যে ধর্ষণ করে খুন করা হল। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। যত দিন না পর্যন্ত সঠিক বিচার হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। এদিন এইমস হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে দূর দূরান্ত থেকে বহু রোগী এসেছিলেন। পরিষেবা না পেয়ে সকলেই ফিরে যান। তবে, রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজন আরজি করের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করা দরকার।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    শান্তিপুরেও কর্মবিরতি

    অন্যদিকে, এদিন শান্তিপুর স্ট্রেট জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মীরা হাতে প্ল্যাকার্ড এবং কালো ব্যাজ পরে বিক্ষোভ (RG Kar Protest) প্রতিবাদে সামিল হন। হাসপাতাল চত্বরে তাঁরা প্রতিবাদ মিছিল করেন। আন্দোলনকারীরা এই ঘটনার নির্মমতা প্রসঙ্গেও ধিক্কার জানান। পাশাপাশি তাঁরা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাঁদের গ্রেফতার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

    আন্দোলনে ডায়মন্ড হারবার-কাকদ্বীপ

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার জেলা হাসপাতালে এদিন সকাল থেকে জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের কর্মবিরতি চলছে। একই সঙ্গে কাকদ্বীপ হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ রেখে আন্দোলন করছেন চিকিৎসকরা। যার জেরে এদিন সকাল থেকে বন্ধ হয়ে পড়়ে ডায়মন্ড হারবার এবং কাকদ্বীপ হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা। ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালটি মূলত প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা। আন্দোলনের জেরে আউটডোর পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই ডায়মন্ডহারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চিকিৎসা করতে এসে পরিষেবা না পেয়ে শতাধিক রোগী ফিরে যান। একই ঘটনা ঘটে কাকদ্বীপ হাসপাতালেও।

    আন্দোলন চলাকালীন দুই মহিলা জুনিয়র ডাক্তারকে হেনস্থা!

    আরজি কর কাণ্ড নিয়ে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আন্দোলন চলাকালীন দুই মহিলা জুনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগ উঠল এক মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। মদ্যপ ওই যুবককে আটক করে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন আন্দোলন চলার সময় দুই মহিলা জুনিয়র ডাক্তার দুপুরের খাবার খেতে ক্যান্টিনে যান। ক্যান্টিনে ভিড় থাকায় তাঁরা দুজন বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় এক মদ্যপ যুবক এসে তাঁদের দেখে অশালীন আচরণ করতে থাকে। এই দেখে ওই দুই মহিলা জুনিয়র ডাক্তার বিষয়টি এড়িয়ে চলে যেতে চাইলে তাঁদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে ওই যুবক। এই দেখে স্থানীয় মানুষেরা হাসপাতাল ভিতরে থাকা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পুলিশ এসে ওই মদ্যপ যুবককে আটক করে নিয়ে যায় ফাঁড়িতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম জীবন রাজবংশী। অভিযোগকারী মহিলা জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “আমরা সহকর্মীর খুনের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু, আমরা লক্ষ্য করলাম দিনের বেলায় আরজি কর কেন, এই হাসপাতালের মধ্যেও আমাদের নিরাপত্তা নেই। আমরা আমাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছি। এদিন আন্দোলনের জেরে এই হাসপাতালে (Hospital) চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়। বহু রোগী হাসপাতালে এসে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Child Care Leave: পুরুষদের চাইল্ড কেয়ার লিভ ৩০ থেকে বেড়ে ৭৩০ দিন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Child Care Leave: পুরুষদের চাইল্ড কেয়ার লিভ ৩০ থেকে বেড়ে ৭৩০ দিন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মরত মহিলাদের মত এবার পুরুষরাও সন্তানদের দেখাশোনার জন্য (Child Care Leave) সমানভাবে ছুটি নিতে পারবেন। চাইল্ড কেয়ার লিভের ক্ষেত্রে পুরুষরাও মহিলাদের মত ৭৩০ দিন অর্থাৎ দু বছর ছুটি পাবেন। এক শিক্ষকের করা মামলায় বিচারপতি অমৃত সিনহার বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।

    সন্তান পালনে বৈষম্য দূর হবে (High Court)

    বিচারপতি অমৃতা সিনহার পর্যবেক্ষণ, সন্তান মানুষ করার ক্ষেত্রে মায়ের পাশাপাশি বাবারও সমান দায়িত্ব রয়েছে। তাঁরা কেন বঞ্চিত হবেন? তাঁরাও সমান (Child Care Leave) ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এ বিষয়ে ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি নির্দেশ রয়েছে, মনে করিয়ে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। কর্তব্যরত মহিলারা সন্তানদের দেখাশোনার জন্য ৭৩০ দিন অর্থাৎ দু বছর চাইল্ড কেয়ার লিভ পেয়ে থাকেন। পুরুষদের জন্য ওই ছুটি এতদিন মাত্র ৩০ দিনের ছিল। চাইল্ড কেয়ার লিভের জন্য পুরুষ বা মহিলা কারও বেতন কাটা যেত না। নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ছুটি নিলে অবশ্য বেতন কেটে নেওয়া হয়। পুরুষ এবং মহিলাদের ছুটির পার্থক্যকে চ্যালেঞ্জ করে এক শিক্ষক মামলা করেছিলেন আদালতে। আদালতের নির্দেশ, এ বিষয়ে (Child Care Leave) তিন মাসের মধ্যে রাজ্যকে নির্দেশিকা জারি করতে হবে।

    আরও পড়ুন: এ বছর বাজারে ‘ট্রেন্ডিং’ রাম দরবার-রাম মন্দির রাখি, দাম কত জানেন?

    রাজ্যকে পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্দেশিকা জারি হয়ে গেলে মহিলাদের মত পুরুষরা ও সমান ছুটি পাবেন।

    ২০১৮ সালের নির্দেশিকা স্মরণ করিয়ে দিল আদালত (Child Care Leave)

    এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এক নির্দেশিকায় জানিয়েছিল মহিলাদের মত পুরুষরাও ৭৩০ দিন অর্থাৎ দু বছর (Child Care Leave) ছুটি পাওয়ার অধিকারী, তবে কেবলমাত্র সিঙ্গল প্যারেন্টরাই এই সুবিধে পাবেন বলে জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। সেই সঙ্গে ২০১৮ সালের ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছিল চাইল্ড কেয়ার লিভের দ্বিতীয় বছরে মূল বেতনের ২০ শতাংশ কম পাবেন আবেদনকারীরা। প্রথম দুটি সন্তানের ক্ষেত্রেই এই ছুটি পাওয়া যাবে। সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indo-US Jet Engine Deal: দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন! মার্কিন সংস্থার সঙ্গে বড় চুক্তির পথে ভারত

    Indo-US Jet Engine Deal: দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন! মার্কিন সংস্থার সঙ্গে বড় চুক্তির পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কফাইটার জেট ইঞ্জিনের (Fighter Jet Engine) প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বড় চুক্তি (Indo-US Jet Engine Deal) স্বাক্ষর করতে চলেছে ভারত। সূত্রের খবর, আগামী ৬ মাসের মধ্যেই ওই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, এই প্রযুক্তি হস্তান্তরের চূড়ান্ত আলোচনার প্রস্তুতিপর্ব হিসেবে মার্কিন ইঞ্জিন প্রস্তুতকারী সংস্থা জেনারেল ইলেকট্রিক ইতিমধ্যেই প্রযুক্তি-বাণিজ্যিক বরাতের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছে। আরও জানা গিয়েছে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই ‘জিই৪১৪-আইএনএস৬’ ইঞ্জিন (GE414-INS6) নির্মাণ করতে প্রয়োজনীয় বিশেষ উৎপাদন লাইসেন্স অনুমোদন করার প্রায় দোরগোড়ায় কেন্দ্রীয় সরকার।

    ১০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের চুক্তি (Indo-US Jet Engine Deal)

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, জিই-র জমা দেওয়া দলিলগুলির বর্তমানে পর্যালচনার পর্যায়ে রয়েছে। প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ওই চুক্তিতে বলা হয়েছে ৮০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তর করা হবে। যে তালিকায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল প্রযুক্তি রয়েছে। যেমন— ইঞ্জিনের হট এন্ডের জন্য আস্তরণ, ক্রিস্টাল ব্লেড এবং লেজার ড্রিলিং প্রযুক্তি। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই প্রযুক্তি হস্তান্তরের ব্যাপ্তি ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছেন জিই সংস্থার কর্তারা।

    হ্যালের নতুন কারখানায় তৈরি হবে নতুন ইঞ্জিন

    ভারতের তরফে এই চুক্তিতে (Indo-US Jet Engine Deal) স্বাক্ষর করবে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)। এর জন্য কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর কাছে নতুন কারখানা গড়ার জন্য জমিও দেখে রেখেছে হ্যাল। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে পরিবেশ ও দুষণ সংক্রান্ত ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছে হ্যাল। অতি শীঘ্রই শুরু হয়ে যাবে ওই কারখানা তৈরির কাজও। হ্যালের আশা, চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার দু’বছরের মধ্যেই নতুন কারখানায় নতুন ইন্দো-মার্কিন জেট ইঞ্জিনের (Fighter Jet Engine) উৎপাদনের কাজও শুরু হয়ে যাবে।

    টিইডিবিএফ, অ্যামকা-তে লাগবে এই ইঞ্জিন

    নৌসেনার জন্য স্বদেশীয় দুই-ইঞ্জিন বিশিষ্ট বিমানবাহী রণতরীতে উড়তে সক্ষম যুদ্ধবিমান নির্মাণ করছে ভারত। সেই যুদ্ধবিমানেই এই নতুন ‘জিই৪১৪-আইএনএস৬’ ইঞ্জিন (GE414-INS6) বসানো হবে (Indo-US Jet Engine Deal)। পরবর্তীকালে, ভবিষ্যতের স্বদেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের স্বদেশীয় যুদ্ধবিমান অ্যাডভান্সড মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (অ্যামকা)-র প্রথম দুটি স্কোয়াড্রনেও এই ইঞ্জিন (Fighter Jet Engine) বসানো হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayushman Bharat: দেশের দরিদ্রদের আর্থিক দুর্বলতা হ্রাস করছে আয়ুষ্মান ভারত! প্রকাশ্যে এল সমীক্ষার ফলাফল

    Ayushman Bharat: দেশের দরিদ্রদের আর্থিক দুর্বলতা হ্রাস করছে আয়ুষ্মান ভারত! প্রকাশ্যে এল সমীক্ষার ফলাফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের (India) মানুষ যাতে বিনা পয়সায় চিকিৎসার সুযোগ পেতে পারেন সেই জন্য কেন্দ্র সরকার চালু করে আয়ুষ্মান ভারত যোজনা প্রকল্প। দেশের একেবারে গরিব এবং আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির মানুষদের সুবিধার জন্য আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) যোজনা প্রকল্প চালু করা হয়। তবে সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষার তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে যে আয়ুষ্মান ভারত যোজনা প্রকল্পের দ্বারা ২০১১-১২ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের দরিদ্রদের আর্থিক দুর্বলতার একটি বিরাট অংশ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। 

    সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার ফলাফল (Ayushman Bharat) 

    এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ শমিকা রবির সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, এই দেশের (India) বেশিরভাগ পরিবারই প্রতি বছর বেশ ভালো মাত্রায় চিকিৎসা ব্যয়ের সম্মুখীন হন, কিছু কিছু  ক্ষেত্রে  গুরুতরভাবে আর্থিক চাপের সম্মুখীনও হন। এমত অবস্থায় কঠিন রোগে হসপিটালে ভর্তি রেখে রোগীর চিকিৎসাভার বহন করাও একপ্রকার দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে দরিদ্র শ্রেনির রোগীর পরিবারের পক্ষে। তবে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড থাকলে ক্যান্সার, কার্ডিয়াক সার্জারি ও অন্যান্য মারণ রোগের চিকিৎসা করানো যায় সহজে। একইসঙ্গে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও ইউরোলজিস্টদের পরামর্শ ও পরিষেবা মেলে বিনামূল্যে। এর ফলে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষগুলো আর্থিক দিক থেকে অনেকটা স্বস্তি পায়। সমীক্ষায় প্রকাশিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জানা গিয়েছে যে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ২০১১-১২ সালে ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২-২৩ সালে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে।  

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    ফলে ২০১১-১২ সাল থেকে ২০২২-২৩ সালের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পরিবারের মধ্যে স্বাস্থ্য ব্যয়ের পরিমাণ মাসিক ব্যয়ের ১০.৮ শতাংশ থেকে ৯.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। আর্থিক চাপের এই হ্রাস মূলত আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) যোজনার মতো জনস্বাস্থ্য উদ্যোগের জন্য সম্ভব হয়েছে, যা দরিদ্রদের জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী করে তুলেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hijab Row: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের নামে স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষা দিতে ময়দানে প্রশাসন

    Hijab Row: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের নামে স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষা দিতে ময়দানে প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) কানপুরের বিলহৌর এলাকায় এক সরকারি কলেজে তিন ছাত্রী কলেজের পোশাক বিধি না মেনে হিজাব পরে (Hijab Row) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসায় জেলাশাসক রাকেশ সিং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেবেন সহকারী জেলাশাসক রশ্মি লাম্বা। ১৭ অগাস্টের মধ্যে তাঁকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    হিজাবের নামে স্বচ্ছাচারিতা (Hijab Row)

    সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী পোশাক বিধি মেনেই কলেজে আসছিলেন। হঠাৎই বেঁকে বসে তিন মুসলিম ছাত্রী। জানা যায় তাঁরা পোশাক বিধির বাইরে গিয়ে হিজাব পরে (Hijab Row) কলেজে আসার জন্য গোঁ ধরে বসেন। এতে কলেজের অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যেও পোশাক বিধি ভঙ্গ করার মানসিকতা দেখা দেয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ বারণ করার পরেও অনড় ছিল ওই তিন ছাত্রী। তাঁদের বক্তব্য, এই পোশাক বিধি ধর্মীয় আচরণের অংশ। তদন্ত তিনটি বিষয়ের উপরে কেন্দ্রীভূত। এক, ছাত্রীরা কী স্বেচ্ছায় হিজাব পরেছিলেন? দ্বিতীয়, ছাত্রীরা কী কলেজের পোশাক বিধি সম্পর্কে অবহিত ছিল। তৃতীয়, পোশাক বিধি না মানার জন্য তাঁদের উপরে বহিরাগত কোনও শক্তি চাপ দেয়নি তো।

    ইউনিফর্মে আপত্তি তিন ছাত্রীর (Uttar Pradesh)

    জানা গিয়েছে, এই ঘটনা ৩ আগস্ট সামনে আসে, যখন ওই তিনজন মুসলিম ছাত্রী কলেজের ভিতরে পোশাক বিধি মান্য না করে হিজাব পরে (Hijab Row) প্রবেশ করে। জ্যোতি নামে এক শিক্ষিকা প্রথমে ঘটনাটি লক্ষ্য করেন। তিনি ওই ছাত্রীদের কলেজের পোশাক বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। শিক্ষিকার বলার পরেও, ছাত্রীরা হিজাব পরেই কলেজে আসে। এরপর হিজাব পরে কলেজ আসায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়। অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে জানতে চায়, পোশাক বিধি না মানলে সকলেই কি ছাড় পেয়ে যাবে? নাকি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ধর্মাবলম্বী বলে পোশাক-বিধি ভঙ্গ করার জন্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে। বিক্ষোভের জেরে কলেজের অধ্যক্ষ পোশাক বিধির বাইরে কোন পোশাক পরে আসার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং ওই ছাত্রীদের অভিভাবকদেরকে ডেকে পাঠান। অভিভাবকরা আশ্বাস দেন, এরপর থেকে কলেজের ইউনিফর্ম পরেই ছাত্রীরা কলেজে আসবে।

    কর্ণাটকের পরিস্থিতি চায়না উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)

    কানপুরের জেলাশাসক জানিয়েছেন, “আপাতত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা ভাবা হচ্ছে না। ছাত্রীদের ভবিষ্যতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই দিকটি ভাবা হচ্ছে। তবে কলেজের এবং যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুশাসন সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মেনে চলা উচিত। তদন্তের উদ্দেশ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হওয়া। প্রসঙ্গত ২০২১ সালে কর্নাটকে একইভাবে এক ছাত্রীর হিজাব পরে আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে দুই ধর্মীয় গোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন চায় না কর্নাটকের পরিস্থিতি উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) সৃষ্টি হোক। সেই কারণে আগেভাগেই ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেহেতু পড়াশোনার জায়গা, সেখানে ধর্মীয় গোঁড়ামির কোনও স্থান নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করতে ঝাড়খণ্ড প্রশাসনকে নির্দেশ আদালতের

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের একরকম পোশাক হয়। তার অর্থ, সকলকে এক সমান চোখে দেখা। পোশাক বিধির পিছনে নিহিত অর্থ সকলের বোঝা উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শ্রাবণের শেষ সোমবারে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ঢল

    Nadia: শ্রাবণের শেষ সোমবারে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। রাজ্যজুড়ে এই দিন শিবের মাথায় জল ঢালতে সকাল থেকে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে মন্দিরে মন্দিরে। তারকেশ্বর মন্দিরে তো লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভক্তদের ভিড়ে পিছিয়ে নেয় নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস মন্দির। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়়ে।

    কৃষ্ণচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ (Nadia)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় ১৭৫৪ সালে নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস গ্রামে (Shibnibas) শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই শিবমন্দিরসহ তিনটি মন্দির তিনি তৈরি করেছিলেন। এর মধ্যে দুটি শিবের মন্দির রয়েছে। আর একটি রাম-সীতার মন্দির। শিবলিঙ্গের উচ্চতা ৯ ফুট। স্থানীয়ভাবে বুরো শিব বা পুরাতন শিব নামে পরিচিত। শিবনিবাস গ্রামের নামটি এলাকায় শিব মন্দিরের প্রাচুর্য থেকে এসেছে। কলকাতার বিশপের নথি অনুসারে, রেজিনাল্ড হেবার ১৮২৪ সালে ঢাকায় যাওয়ার সময় শিবনিবাসকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে গ্রামে চারটি শিব মন্দির ছিল বলে জানা যায়। যদিও এই বিষয়ে এলাকার মানুষের কাছে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    ভক্তরা কী বললেন?

    এদিন শিবনিবাসের (Shibnibas) শিবের মাথায় জল ঢালতে দূর-দুরান্ত থেকে এদিন হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার আগে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে রয়েছে শিব মন্দির। রবিবার রাত বারোটা বাজতেই ভিড় সামলাতে খুলে দেওয়া হয়েছে শিব মন্দিরের গেট। পুরানো ঐতিহ্য মেনে নবদ্বীপ থেকে বাঁকে করে হাজার হাজার ভক্ত গঙ্গার জল নিয়ে শিবনিবাসে আসেন শিবের মাথায় জল ঢালতে। অগণিত ভক্তগণের লম্বা লাইন মন্দির প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে বিস্তৃত হয়েছে বহুদূর পর্যন্ত। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য পুলিশ প্রশাসন সচেষ্ট। মন্দির এলাকার নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়। বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২৭০০ পুলিশ কর্মী। পুণ্যার্থী সুমিত্রা বিশ্বাস বলেন, আমি করিমপুর থেকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এসেছি। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। এত বড় শিবলিঙ্গ আমি কোনওদিন দেখিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share