Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 498: “মেয়েটির স্বামী রাজা উপাধিধারী, কলিকাতানিবাসী, জমিদার–মায়ের বুক যেন দশ হাত হইত”

    Ramakrishna 498: “মেয়েটির স্বামী রাজা উপাধিধারী, কলিকাতানিবাসী, জমিদার–মায়ের বুক যেন দশ হাত হইত”

    শ্রীরামকৃষ্ণ কাপ্তেন, নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীরাধিকাতত্ত্ব—জন্মমৃত্যুতত্ত্ব

    পুত্র-কন্যা বিয়োগ জন্য শোক ও শ্রীরামকৃষ্ণ–পূর্বকথা 

    “দেশে শ্রীরাম মল্লিককে অত ভালবাসতাম, কিন্তু এখানে যখন এলো তখন ছুঁতে পারলাম না।

    “শ্রীরামের (Ramakrishna) সঙ্গে ছেলেবেলায় খুব প্রণয় ছিল। রাতদিন একসঙ্গে থাকতাম। একসঙ্গে শুয়ে থাকতাম। তখন ষোল-সতের বৎসর বয়স। লোকে বলত, এদের ভিতর একজন মেয়েমানুষ হলে দুজনের বিয়ে হত। তাদের বাড়িতে দুজনে খেলা করতাম, তখনকার সব কথা মনে পড়ছে। তাদের কুটুম্বেরা পালকি চড়ে আসত, বেয়ারগুলো ‘হিঞ্জোড়া হিঞ্জোড়া’ বলতে থাকত।

    “শ্রীরামকে দেখব বলে (Kathamrita) কতবার লোক পাঠিয়েছি; এখন চানকে দোকান করেছে! সেদিন এসেছিল, দুদিন এখানে ছিল।

    “শ্রীরাম বললে, ছেলেপিলে হয় নাই। ভাইপোটিকে মানুষ করেছিলাম। সেটি মরে গেছে। বলতে বলতে শ্রীরাম দীর্ঘনিশ্বাস ফেললে, চক্ষে জল এল, ভাইপোর জন্য খুব শোক হয়েছে।

    “আবার বললে, ছেলে হয় নাই বলে স্ত্রীর যত স্নেহ ওই ভাইপোর উপর পড়েছিল; এখন সে শোকে অধীর হয়েছে। আমি তাকে বলি, ক্ষেপী! আর শোক করলে কি হবে? তুই কাশী যাবি?

    “বলে ‘ক্ষেপী’—একেবারে ডাইলিউট (dilute) হয়ে গেছে! তাকে ছুঁতে পারলাম না। দেখলাম তাতে আর কিছু নাই।”

    ঠাকুর শোক সম্বন্ধে এই সকল কথা বলিতেছেন, এদিকে ঘরের উত্তরের দরজার কাছে সেই শোকাতুরা ব্রাহ্মণিটি দাঁড়াইয়া আছেন। ব্রাহ্মণী বিধবা। তার একমাত্র কন্যার খুব বড় ঘরে বিবাহ হইয়াছিল। মেয়েটির স্বামী রাজা উপাধিধারী,—কলিকাতানিবাসী,—জমিদার। মেয়েটি যখন বাপের বাড়ি আসিতেন, তখন সঙ্গে সেপাই-শান্ত্রী আসিত,—মায়ের বুক যেন দশ হাত হইত। সেই একমাত্র কন্যা কয়দিন হইল ইহলোক ত্যাগ করিয়া গিয়াছে!

    ব্রাহ্মণী দাঁড়াইয়া ভাইপোর বিয়োগ জন্য শ্রীরাম মল্লিকের শোকের কথা শুনিলেন। তিনি কয়দিন ধরিয়া বাগবাজার হইতে পাগলের ন্যায় ছুটে ছুটে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করিতে আসিতেছেন, যদি কোনও উপায় হয়; যদি তিনি এই দুর্জয় শোক নিবারণের কোনও ব্যবস্থা করিতে পারেন। ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন-

  • Kerala: ‘রাজ্যে চরম দরিদ্র মানুষ নেই’, কেরল সরকারের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড়

    Kerala: ‘রাজ্যে চরম দরিদ্র মানুষ নেই’, কেরল সরকারের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাজ্যে কোনও চরম দরিদ্র মানুষ নেই।’ গত ৩১ অক্টোবর এমনই দাবি করেছিল কেরল (Kerala) সরকার। পরের দিন, রাজ্য গঠন দিবসেও বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে সেটি ফের জানানো হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। এদিন বলা হয় (Data Manipulation), যে কেরল এক সময় দেশে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যায় শীর্ষে ছিল, সেই রাজ্যই এখন হয়ে গিয়েছে চরম দারিদ্রমুক্ত রাজ্য। ওই দিনই সন্ধেবেলায় সরকার তিরুবনন্তপুরমে তাদের এই দাবির প্রচারের জন্য একটি বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে যোগ দেন জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেতা মাম্মুটি। যদিও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা মোহনলাল এবং সেরা অভিনেতার পুরস্কারজয়ী কমল হাসান।

    এলডিএফের ঘোষণা (Kerala)

    কেরলের ক্ষমতায় রয়েছে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক জোট এলডিএফ। তারাই ঘোষণাটি করেছে। তার পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরল সরকারের এই ঘোষণাটি একটি স্রেফ ফাঁপা বুলি। যদিও স্থানীয় স্বশাসনমন্ত্রী এমবি রাজেশ বিরোধীদের সমালোচনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা পরিবারগুলিকে সরকার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শনাক্ত করেছে। সমাজবিজ্ঞানীরা অবশ্য সরকারের এহেন দাবির (চরম দারিদ্রমুক্ত রাজ্য) সমালোচনায় সরব হয়েছেন।

    খোলা চিঠিতে প্রশ্ন

    কমবেশি ২০ জন অর্থনীতিবিদ ও সামাজিক কর্মীর স্বাক্ষরিত একটি খোলা চিঠিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, রাজ্য সরকার যে প্রক্রিয়ায় ৬৪ হাজার ৬টি পরিবারকে চরম দারিদ্র্যপীড়িত হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য, এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে সরকার ঘোষণা করল যে চরম দারিদ্র্য বিভাগে আর কোনও পরিবার নেই! ওই চিঠিতে যাঁরা সই করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সমাজবিজ্ঞানী তথা অধ্যাপক আরভিজি মেনন এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ কেপি কান্নানও। ওই চিঠিতে কেরল সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে, চরম দারিদ্র্যপীড়িত মানুষদের শনাক্ত করার জন্য যে সমীক্ষা করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য যেন সরকার প্রকাশ করে (Kerala)। স্বাক্ষরকারীদের প্রশ্ন, রাজ্যের ১.১৬ লাখ আদিবাসী পরিবার এবং অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার আওতায় থাকা ৫.৯২ লাখ মানুষ কি সত্যিই চরম দারিদ্র্যের বাইরে চলে গিয়েছেন? চরম দারিদ্র্য যে অতীত হয়েছে, এই দাবি প্রমাণের নির্ভরযোগ্য তথ্যই বা কী (Data Manipulation)? চরম দারিদ্র্য নির্মূল প্রকল্পের জন্য কোন সংস্থা তথ্য সংগ্রহ করেছে? সরকার কি আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ৬৪ হাজার ৬টি পরিবারকেই চরম দারিদ্র্য অবস্থায় খুঁজে পেয়েছে? তাঁদের আশঙ্কা, চরম দারিদ্র্য বিভাগের জন্য যে সব পরিবার বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে, তাদের অনেকেই এই তালিকা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে।

    বিজেপির তোপ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন, “এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী-নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের একটি নির্বাচনী চাল ছাড়া আর কিছুই নয়। সরকারের প্রকাশ করা পরিসংখ্যানে অসংখ্য বিরোধাভাস রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নথি অনুযায়ী, দারিদ্র্য দূরীকরণে কেরল (Kerala) সব চেয়ে পিছিয়ে থাকা রাজ্য। গত সাড়ে ন’বছরে সরকার কিছুই করেনি। আর এখন নানাভাবে নাটক করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে।” বিজেপিরই রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এমটি রমেশ সরকারের এই ঘোষণাকে নিছক মিথ্যাচার বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “কোন মানদণ্ড ব্যবহার করে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। গত সেপ্টেম্বর মাসে মন্ত্রী জিআর অনিলকুমার বিধানসভায় বলেছিলেন (Data Manipulation) যে রাজ্যে ছ’লাখ দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা মানুষ রয়েছেন। তাহলে সরকার কীভাবে এত দ্রুত এত বিশাল সংখ্যক মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করল? নীতি আয়োগের নথি অনুযায়ী, রাজ্যে এখনও বিপুলসংখ্যক মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন।” কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপালও বলেন, “সরকারের এই ঘোষণা নিছকই পিআর স্টান্ট। তারা ক্ষুধার্ত মানুষদের নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে (Kerala)।”

  • ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির ভারত মন্ডপমে ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’-এর (ESTIC 2025) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি ভারতের গবেষণা ও উদ্ভাবন-ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রতি সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।

    ১ লাখ কোটি টাকার ফান্ড (ESTIC 2025)

    দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবন পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১ লাখ কোটি টাকার রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (আরডিআই) স্কিম ফান্ডেরও উদ্বোধন করেন। এই তহবিলের লক্ষ্যই হল ভারতকে একটি বেসরকারি খাত–নির্ভর গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করা। চলতি বছরের ৩ থেকে ৫ নভেম্বর আয়োজিত তিন দিনের এই কনক্লেভে শিক্ষাঙ্গন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পক্ষেত্র ও সরকারি সংস্থাগুলির ৩ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে নোবেল বিজয়ী, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক এবং নীতি–নির্ধারকরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের যুগে প্রবেশ করেছে। এই তহবিল তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের নয়া স্বপ্ন পূরণের মঞ্চ করে তুলবে। এই প্রকল্পের আওতায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, শিল্পখাত এবং গবেষণা সংস্থাগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে, যাতে তারা বিশ্বমানের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়।”

    যেসব ক্ষেত্রে গুরুত্ব

    ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ ২০২৫’-এ প্রধানত যে ১১টি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে, সেগুলি হল উন্নত (ESTIC 2025) উপকরণ ও উৎপাদন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়ো–ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্লু ইকোনমি, ডিজিটাল যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উদীয়মান কৃষি প্রযুক্তি, জ্বালানি, পরিবেশ ও জলবায়ু, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, কোয়ান্টাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং মহাকাশ প্রযুক্তি। এই কনক্লেভে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, প্যানেল ডিসকাসন, উপস্থাপনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনীও হয়েছে। গবেষক, শিল্প-নেতা এবং তরুণ উদ্ভাবকদের মধ্যে সহযোগিতার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করছে এটি, যা ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরিবেশ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলেই (ESTIC 2025) ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

  • SIR: মমতা সরকারের আবেদন খারিজ, সোদপুরে শুভেন্দুর সভা-মিছিলে অনুমতি হাইকোর্টের

    SIR: মমতা সরকারের আবেদন খারিজ, সোদপুরে শুভেন্দুর সভা-মিছিলে অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ অনুমতি দেয়নি কিন্তু তবুও থেমে থাকেনি বিজেপি। প্রদীপ করের মৃত্যু প্রসঙ্গে তৃণমূলের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে মিছিল করতে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) আবেদন করেছিল বঙ্গ বিজেপি। এবার হাইকোর্ট রাজ্য প্রশাসনের আবেদন খারিজ করে শর্ত সাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য মৃত্যু নিয়ে কোনও রকম তদন্ত করার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ‘এই মৃত্যু আত্মহত্যা! এসআইআর (SIR) আবহে এনআরসির কারণে মানসিক ভাবে ভয় পেয়ে এই কাজ করেছেন। আর এখান থেকেই বিজেপির প্রশ্ন তদন্তের আগে মৃত্যু নিয়ে মমতা এতো নিশ্চিত কীভাবে?

    বিকেল ৩ টে থেকে সন্ধ্যে ৫ টা পর্যন্ত মিছিল (SIR)

    সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে মামলার (Calcutta High Court) শুনানি হয়। বিজেপিকে অনুমতি দিয়ে বিচারপতির নির্দেশ, বিকেল ৩টে থেকে সন্ধ্যে ৫টা পর্যন্ত মিছিল করতে পারবে। মিছিলের শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে পারবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১০০০ লোক নিয়ে মিছিল করা যাবে। তবে আয়োজকদের নিশ্চিত করতে হবে স্থানীয়দের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়। মানুষের ভোগান্তী যেন না হয়। পুলিশকে আইন শৃঙ্খলার বিষয়ে কড়া নজরদাড়ি রাখতে হবে। মিছিল সোদপুর থেকে আগরপাড়া তেঁতুলতলা বাস স্টপ পর্যন্ত করতে হবে।

    ২০০২ সালে প্রদীপ করের নাম রয়েছে

    রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে সোদপুরের প্রদীপ করের মৃত্যুকে এনআরসি আতঙ্ক বলে চিহ্নিত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আবার তৃণমূলের পক্ষেই পুলিশ তথ্য দিয়ে বলেছে, দেহের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়ায় নোটেও সেরকমই লেখা রয়েছে। যদিও সেই নোটের হাতের লেখা নিয়ে হাজারও সংশয় রয়েছে। ইতিমধ্যে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক টিম। তবে বিজেপির বক্তব্য, মৃত প্রদীপ বাবুর হাতের চারটি আঙ্গুল নেই। উপরন্তু তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তিনি কীভাবে আত্মহত্যার নোট লিখবেন? ফলে এটা কী হত্যা নাকি আত্মহত্যা, এই নিয়ে বিজেপি প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপির সাফ কথা পুলিশের করা কেস সম্পূর্ণ ভাবে মিথ্যা।

    তবে এই প্রদীপ করের মৃত্যু নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যেখানে ২০০২ সালে প্রদীপ করের নাম রয়েছে, তিনি কেন আত্মঘাতী হবেন।” পাল্টা বিজেপির দাবি তাঁকে খুন করা হয়েছে। ফলে ঘটনার অপপ্রচার এবং আসল মৃত্যুর কারণ জানতে রাস্তায় নামতে চলেছে বিজেপি। তৃণমূলের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি সোদপুর থেকে আগরপাড়া পর্যন্ত মিছিল করবে।

  • Nadia: জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে চাকদায় ইডির হানা! মিলেছে পাকিস্তানের যোগসূত্র, আটক ২

    Nadia: জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে চাকদায় ইডির হানা! মিলেছে পাকিস্তানের যোগসূত্র, আটক ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সাতসকালে জাল পাসপোর্ট (Fake Passport Case) কাণ্ডে ফের নড়েচড়ে বসল ইডি। নদিয়ার (Nadia) চাকদায় মিলল জাল পাসপোর্টের খবর। ইতিমধ্যে একই পরিবারের দুই ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। তবে তদন্তকারী অফিসারদের শুধু যে দুই ভাইয়ের দিকেই নজর তা নয়, নজরের রয়েছে তাদের বাবাও। জাল পাসপোর্ট নিয়ে পাকিস্তান বা বিদেশে পাঠানোর একটা বড় চক্র বহুদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় ছিল বলে জানা গিয়েছে। টাকার বিনিময়ে এই জাল পাসপোর্ট, আন্তর্জাতিক স্তরে আরও বড় কোনও চক্র রয়েছে কিনা, সেই দিকও খোঁজ খবর করছে ইডি। জাল পাসপোর্ট (Fake Passport Case) দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য কতটা ক্ষিতকর সেইদিকের কথা ভেবেই অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ মহল। গোটা ঘটনায় শোরগোল পড়েছে জেলা জুড়ে।

    ৪-৫ ঘণ্টা টানা চলে তল্লাশি (Nadia)

    এদিন ভোর বেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের একটি দল অভিযান চালায় চাকদার (Nadia) দুবড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পড়ারি গ্রামে। ইতিমধ্যে কাঠমিস্ত্রী বিপ্লব সরকার এবং তাঁর ভাই রাজমিস্ত্রী বিপুল সরকারকে আটক করা হয়েছে। তবে সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন তাঁদের বাবাও। সকাল ছটা নাগাদ চারটি গাড়িতে করে মোট চারজন ইডির আধিকারিক পৌঁছায়। এরপর বিপ্লব এবং বিপুলের বাড়িতে মোট ৪-৫ ঘণ্টা টানা চলে তল্লাশি। একে একে খতিয়ে দেখা হয় পাসপোর্ট, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মোবাইল। তবে দুই ভাইয়ের পাসপোর্টে কোনও জাল নথি (Fake Passport Case) ব্যবহার করে করা হয়েছিল কিনা তাও সবিস্তারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ৩০০-র বেশি জাল পাসপোর্ট উদ্ধার

    সম্প্রতি পাকিস্তানের নাগরিক আজাদ মল্লিক নামক এক ব্যক্তিকে জাল পাসপোর্ট মামলায় গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্ধান মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়ার (Nadia) গেদে সীমান্তের একাধিক সংযোগের তথ্য। নদিয়ার শিবপুর থেকে ইন্দুভূষণ হালদার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী অফিসাররা। তার অবশ্য নিজের একটি সাইবার ক্যাফে ছিল। সেখান থেকেই জাল পাসপোর্ট তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তদন্ত চালিয়ে, হানা দিয়ে এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করে এখনও পর্যন্ত ৩০০-র বেশি জাল পাসপোর্ট (Fake Passport Case) উদ্ধার করেছে ইডি। পাকনাগরিক আজাদের পাসপোর্ট নাকি ইন্দুভূষণই স্বয়ং রিনিউ করে দিয়েছিল। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে ইন্দুর সঙ্গে আজাদের খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। বেশ কিছু আর্থিক লেনদেনের হিসেবও মিলেছে। এবার এই তথ্যের ভিত্তিতেই বিপ্লব-বিপুল এবং তার বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

    চাকদায় অভিযান চলে ২-৩ বার!

    উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা আগেও ২-৩ বার অভিযান চালিয়েছিল চাকদায় (Nadia)। ইতিমধ্যে ধৃতদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আরও নানা তথ্যকে ক্ষতিয়ে দেখছে। মোবাইলের কল লিস্টের তথ্য অনুসন্ধান করে সমস্ত কথাবার্তার সূত্রগুলিকে খোঁজ করে দেখা হচ্ছে। ভারতের শত্রুরাষ্ট্র পাকিস্তান যোগ এবং আন্তর্জাতিক পাচারচক্র, জালিয়াতি চক্রের বড়সড় কোনও পরিকল্পনা এই জাল পাসপোর্টের (Fake Passport Case) মধ্যে রয়েছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখছেন অফিসাররা। একদিকে এসআইআর অপর দিকে সীমান্তে বাংলাদেশিদের গ্রেফতার এই ঘটনার পাশাপাশি জাল পাসপোর্টচক্র সীমান্তে চোরাকারবার এবং পাচার সম্পর্কেও বিরাট ইঙ্গিত বহন করছে।

    হাজার হাজার টাকার বিনিময়ে জাল পাসপোর্ট

    ইডির এক তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, “চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখে এই ভুয়ো পাসপোর্টের মামলায় বিরাটি থেকে আজাদ মল্লিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। কিন্তু পরে জানা যায়, সেই ব্যক্তি তার নাম মিথ্যে বলেছিল। তার আসলে আসল নাম আহমেদ হোসেন (Nadia)! হাজার হাজার টাকার বিনিময়ে জাল পাসপোর্ট তৈরি করে দিতো এই আহমেদ হোসেন। তাকে গ্রেফতার করেই ইন্দুভূষণের বিষয়ে জানতে পেরেছিল ইডি। এখন তদন্ত চলছে। কীভাবে এই জালিয়াতির (Fake Passport Case) কারবার চলতো সেই বিষয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে।”

  • Suvendu Adhikari: “নির্বাচন কমিশন গর্তে কার্বলিক অ্যাসিড দিয়েছে, এখন সাপ বেরোচ্ছে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নির্বাচন কমিশন গর্তে কার্বলিক অ্যাসিড দিয়েছে, এখন সাপ বেরোচ্ছে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় নিবিড় সমীক্ষা (SIR) ঘোষণার পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়তে শুরু করেছে। অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ৪ নভেম্বর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের ১২টি রাজ্যে এসআইআর-এর কাজ শুরু হবে। তাই অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে পালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি তোপ দেগে বলেন, “নির্বাচন কমিশন গর্তে কার্বলিক অ্যাসিড দিয়েছে। এখন সাপ বেরোচ্ছে।”

    বাংলাদেশি মুসলমানদের ডিপোর্ট করবে বিএসএফ (Suvendu Adhikari)

    ৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার থেকেই নির্বাচন কমিশনের বিএলওরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু করবেন। টানা তিন মাস কাজ চলবে। ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে। আর তাই কাগজে কলমে ধরা পড়ার আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারত ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট কথায় বলেন, “আজকে বলছি পালাও, হাতে মাত্র ২৪ ঘণ্টা রয়েছে। ৪ তারিখের আগেই পালাও। ৪ তারিখের পর যে ফর্মগুলি রিটার্ন (SIR) আসবে না, বাংলাদেশি মুসলমানদের ডিপোর্ট করবে বিএসএফ। যে রাস্তা দিয়ে এসেছেন সেই রাস্তা দিয়ে পালান। ৭ ফেব্রুয়ারি ভোটার লিস্টে নাম না থাকলে রাজ্যের পুলিশও বাঁচাতে পারবে না।”

    ২০-২৫ শতাংশ মুসলিম বাংলাদেশি পালিয়েছে

    জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর (SIR) ঘোষণার করার পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গত কয়েকদিনে প্রচুর বাংলাদেশি ধরা পড়েছে। আসলে সীমান্ত টপকে বাংলাদেশে যাতেই এই লোকগুলি ধরা পড়েছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “২০-২৫ শতাংশ মুসলিম বাংলাদেশি পালিয়েছে। সীমান্ত এলাকার গ্রাম ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। নিউটাউনে কাজের লোকেগুলি নেই। গর্তে কার্বলিক দিলে সাপ বেরোয়। জাতীয় নির্বাচন কমিশন অ্যাসিড দিয়েছে। সাপগুলি এখন বেরহচ্ছে।”

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে এতো বিরোধিতা কেন? এই নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “সারা দেশে মোট ১২টি রাজ্যে হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিন সাহেবের রাজ্যে হচ্ছে, শুধু অবিজেপি শাসিত নয়, একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যেও এইআইআর হচ্ছে। কোথাও তো কোনও আন্দোলন বা হইচই নেই। সব কিছুতেই যেন গেল গেল রব। এই রাজ্যেই কেন?”

    অপর দিকে বামনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, “এসআইআরে গরিব লোকেরা খুব কষ্টে পড়বে, তাদের কাছে কাগজ কম আছে।” আবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনকে বিজেপি ব্যবহার করছে।” তবে নরমেগরমে ভোটের আগেই এসআইআর আবহে বঙ্গরাজনীতি এখন বিরাট উত্তাল।

  • SIR: বাংলা ছেড়ে ‘দেশে’ পালাতে গিয়ে সীমান্তে ধৃত অন্তত ৪৮ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    SIR: বাংলা ছেড়ে ‘দেশে’ পালাতে গিয়ে সীমান্তে ধৃত অন্তত ৪৮ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) ঢাকে কাঠি পড়তেই পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে বাংলাদেশে (Bangladeshis) পালানোর হিড়িক অনুপ্রবেশকারীদের! রবিবার উত্তর ২৪ পরগনা এলাকায় সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক অন্তত ৪৮ জন অনুপ্রবেশকারী। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষণা হতেই সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। এদিন বসিরহাট সীমান্ত থেকেই গ্রেফতার করা হয় ওই অনুপ্রবেশকারীদের।

    বিএসএফের বক্তব্য (SIR)

    বিএসএফের আধিকারিকরা জানান, এসআইআর প্রক্রিয়া জোর কদমে শুরু হওয়ার পর গ্রেফতার বা দেশছাড়া হওয়ার ভয়ে আগেভাগেই বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে অনুপ্রবেশকারীরা। তখনই পড়ছে ধরা। বিএসএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “আটক ব্যক্তিদের বেশিরভাগই কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং সংলগ্ন এলাকায় গৃহকর্মী, শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভোটার তালিকা যাচাইয়ের সময় পরিচয় ধরা পড়ে যাবে, এই ভয়ে তারা গোপনে সীমান্তে পেরোতে চেয়েছিল।”

    সীমান্তে চলছে গ্রেফতারি

    রবিবার বিএসএফ মোট ৩৩ জনকে আটক করে স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয়। শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরও ১৫জনকে। আদালতে তোলা হলে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় তাদের। জানা গিয়েছে, গত তিন দিনে ওই এলাকায় প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশিকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুরে আরও ৪৫ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে ১১টি শিশু এবং ১৫ জন নারীও (SIR)।

    বাসিরহাটের পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান জানান, রাতে টহল দেওয়ার সময় বিএসএফ তাদের আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে। তিনি বলেন, “তারা কলকাতা ও রাজারহাটে কাজ করছিল। অনুমোদনহীন পথে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।” তাদেরও ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এসব ঘটনার পর থেকেই ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে টহলদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় কেউ যাতে অনুপ্রবেশ করতে বা অবৈধভাবে (Bangladeshis) সীমান্ত পার হতে না পারে, তাই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে নজরদারি জোরদার করেছে বলেই খবর (SIR)।

  • Kirit Somaiya: মহারাষ্ট্রে ৫১১টি বাংলাদেশি-রোহিঙ্গার জাল জন্ম প্রমাণপত্রের খোঁজ দিলেন কীর্তি সোমাইয়া  

    Kirit Somaiya: মহারাষ্ট্রে ৫১১টি বাংলাদেশি-রোহিঙ্গার জাল জন্ম প্রমাণপত্রের খোঁজ দিলেন কীর্তি সোমাইয়া  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ কীর্তি সোমাইয়া (Kirit Somaiya)। অমরাবতীতে জন্মের প্রমাণপত্র দেওয়ার কেলেঙ্কারি উন্মোচন করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ শত শত অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের (Bangladeshi Rohingya) বেআইনি ভাবে জন্ম সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট তৈরি করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। দেশজুড়ে এসআইআর আবহে এই ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    নিখোঁজ ৫০০ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা (Kirit Somaiya)

    বিজেপি নেতা সোমাইয়া (Kirit Somaiya) বলেছেন, অমরাবতী মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (এএমসি) কর্তৃক ১৭০০ টিরও বেশি জন্ম সনদ অবৈধভাবে জারি করেছে। যার মধ্যে ৫১১টি বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের (Bangladeshi Rohingya) দেওয়া হয়েছে। আর এর ফলেই তারা ভারতীয় নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট এবং সরকারের নানা জনকল্যাণ মুখী প্রকল্পের সুবিধা পেতে সক্ষম হয়েছে।” এই তথ্য জানাজানি হতেই মহারাষ্ট্র পুলিশ ৫০৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। বর্তমানে ৫০০ জনেরও বেশি সুবিধাভোগী নিখোঁজ। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কথা ভেবে ইতিমধ্যে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ধারায় মামলা

    সোমাইয়া (Kirit Somaiya) ২৫ জুলাই, ২০২৫ তারিখে অমরাবতী পুর কমিশনারকে চিঠি লিখে এই দুর্নীতির কথা জানান। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে জারি করা সকল জন্ম সনদের আরেকবার তদন্ত করে দেখা উচিত। এরপর অমরাবতী জেলাশাসক ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে একটি আদেশ জারি করেন, যাতে এই ধরণের সমস্ত সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়। পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারা প্রয়োগ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ধারা ৩৩৬(৩), ৩৪০(২), এবং ৩১৮(৪) ধারা। গোটা মামলায় তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নরেশ এম গিরঘুসেকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    আগেও মেলে ভুয়ো জন্ম প্রমাণপত্র

    তবে জানা গিয়েছে অমরাবতীর ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সোমাইয়া (Kirit Somaiya) ছত্রপতি সম্ভাজি নগর বা ঔরঙ্গাবাদে একই ধরণের ঘটনার কথা আগেও একবার প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন। সেখানে ২০২৪ সালে ২০,০০০ এরও বেশি সার্টিফিকেটে তারিখ পিছিয়ে দিয়ে জন্মসনদের আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনা ছিল মহারাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ। তদন্তে দেখা গেছে যে এই আবেদনগুলির মধ্যে ১০,০০০টি সম্পূর্ণ ভাবে ভূয়ো। সোমাইয়া মহারাষ্ট্র জুড়ে তার তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি কেবল দুর্নীতি নয়, এটি জাতির বিরুদ্ধে একটি অনুপ্রবেশ অপরাধ। যারা অবৈধভাবে বিদেশীদের (Bangladeshi Rohingya) নাগরিকত্ব পরিচয়পত্র দিয়েছে তাদের রেহাই দেওয়া হবে না। আমরা সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

  • BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে বেরলো?” দুর্গাপুরে মেডিক্যাল পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষণকাণ্ডের পর এমনই মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মহিলা এই মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের রাত ৮টার (BJP) মধ্যেই ঘরে ‘সেঁধিয়ে’ যাওয়ার পরামর্শও দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। সেই তিনিই এবার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহিলাদের একদিনের ক্রিকেটে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলকে।

    মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জয় ভারতের (BJP)

    রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের ফাইনালে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ২৯৮ রান তোলে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারত। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ২৪৬ রানে সব উইকেট হারিয়ে গোহারা হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। রাত ১২টার কিছু পরে বিশ্বকাপ ওঠে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের হাতে। তার পরেই দেশজুড়ে শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান ভারতীয় ক্রিকেট দলের মহিলা সদস্যরা। এই টিম ইন্ডিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ সমাজের বিভিন্ন জগতের মানুষ। এই তালিকায় রয়েছেন মমতাও। তার পরেই কার্যত তাঁকে ধুয়ে দিল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরেই তাঁর অভিনন্দন-বার্তাকে খোঁচা দিয়েছে পদ্মশিবির।

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন-বার্তায় খোঁচা বিজেপির

    ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট টিমকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ, গোটা দেশ উইমেন ইন ব্লু-র বিশ্বকাপ ফাইনালের কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁরা যে লড়াই এবং যে কর্তৃত্ব দেখিয়েছেন, তা তরুণীদের প্রজন্মে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আপনারা প্রমাণ করেছন যে আপনারা শীর্ষ স্তরে একটি বিশ্বমানের দল এবং আপনারা আমাদের কিছু অসাধারণ মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। আপনারা আমাদের নায়ক। ভবিষ্যতে আপনাদের জন্য আরও বড় সাফল্য অপেক্ষা করে রয়েছে। আমরা (Mamata Banerjee) আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর এহেন বক্তব্য তুলে ধরেই এক্স হ্যান্ডেলে তাঁকে খোঁচা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি (BJP)। “ওএমজি (ও মাই গড) ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন! কিন্তু আপনি তো ৮টার মধ্যেই বাড়ি ঢুকে যেতে বলেছেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “ওটি একটি প্রাইভেট কলেজ। মেয়েটির নিরাপত্তার দায়িত্ব তো সেই প্রাইভেট কলেজেরই। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মেয়েটি কীভাবে ক্যাম্পাসের বাইরে গেল? জঙ্গল এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। কী হয়েছে, জানি না। পুলিশ খতিয়ে দেখছে। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজগুলির উচিত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। বিশেষ করে ছাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা উচিত। রাতে তাদের বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিত নয়। পুলিশ কীভাবে জানবে রাতে কে কখন বেরোবে? বিভিন্ন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের অনুরোধ করব রাতে তারা যেন না বেরোয়। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজেরও একটা দায়িত্ব রয়েছে। কেউ যদি রাত সাড়ে ১২টায় কোথাও যায়, পুলিশ তো আর তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বসে থাকবে না (BJP)।”

    একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের জেরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এমন মন্তব্য করা মুখ্যমন্ত্রীই কিনা এখন রাত ১২টা পর্যন্ত খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মহিলা ক্রিকেট দলকে ‘শুভনন্দন’ (শুভ অভিনন্দন না বলে এই শব্দটি ব্যবহার (Mamata Banerjee) করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। যদিও শব্দটি কোনও অভিধানেই নেই।) জানাচ্ছেন (BJP)!

    ভূতের মুখে রাম নাম!

  • PM Modi: আরজেডি কংগ্রেসের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী পদ নিয়েছে, তোপ মোদির

    PM Modi: আরজেডি কংগ্রেসের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী পদ নিয়েছে, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার নির্বাচনে (Bihar Election) জমজমাট প্রচার সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিপক্ষ মহাজোটকে নিশানা করে বলেন, “আরজেডি কংগ্রেসকে বন্দুকের মুখে দাঁড় করিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদকে ছিনিয়ে নিতে চাইছে।” বিহার নির্বাচনে কংগ্রেস এবং আরজেডির মধ্যে মতভেদকে তুলে ধরে আমজনতাকে এনডিএ সরকারের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন মোদি। অপারেশন সিঁদুর থেকে মহাকুম্ভ একাধিক বিষয়ে লালুর দলকে আক্রমণ করলেন মোদি।

    মহাজোটে দ্বন্দ্ব চরম শিখরে (PM Modi)

    বিহারের আরাতে একটি নির্বাচনী (Bihar Election) প্রচার সভাতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেস আরজেডি নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে চাননি। কিন্তু আরজেডি কংগ্রেসের কানে বন্দুক ঠেকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর পদ দখল করে নিয়েছে। নির্বাচন আবহেই মহাজোটের একাধিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতভেদ এবং ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব চরম শিখরে উঠেছে। ভোটের পরেও তারা একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। আরজেডি নিজেদের নির্বাচনী সংকল্পে কংগ্রেসের দাবিগুলিকে উপেক্ষা করেছে। জোর করে কংগ্রেসের বিষয়গুলিকে বাদ দিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনের আগে যাদের মধ্যে এতো ঝগড়া, নির্বাচনের পরেও তাদের মধ্যে কোন্দল অব্যাহত থাকবে। তাদের বিশ্বাস করলে মস্ত বড় ভুল হবে।”

    অনুপ্রবেশকারীদের কড়া তোপ

    নির্বাচনী প্রচারে (Bihar Election) অপারেশন সিঁদুরের কথা মনে করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “যখন পাকিস্তানে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেই সময় কংগ্রেসের রাজপরিবারের ঘম ভেঙে গিয়েছিল। পাকিস্তান এবং কংগ্রেস অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা থেকে সেরে উঠতে পারেনি। আরজেডি হিন্দু ভাবাবেগকে সম্মান করে না। মহাকুম্ভকে ‘ফালতু’ শব্দ প্রয়োগ করেছিল। একই ভাবে পবিত্র ছটপুজোকেও। রাজ্যের সম্পদের উপর প্রথম অধিকার বিহারের জনগণের থাকা উচিত, অনুপ্রবেশকারীদের নয়। কংগ্রেস সরাসরি বিআর আম্বেদকরকে অপমান করেছে কারণ তিনি কংগ্রেসের প্রথম পরিবারের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছিলেন। বাবা সাহেবকে সবচেয়ে বেশি অসুবিধার মধ্যে ফেলেছিল কংগ্রেসের নেতারাই।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, “আরজেডি বিহারে জঙ্গল রাজ এবং তোষণের রাজনীতি এনেছেকংগ্রেস পরিচালিত ১৯৮৪ সালের শিখ গণহত্যার সাথে জড়িত ছিল আরজেডি আপনারা ভুলবেন না ১৯৮৪ সালের ১ ও ২ নভেম্বরের দিনগুলিকে। কংগ্রেসের সদস্যরাই দিল্লি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে কীভাবে শিখদের উপর গণহত্যা চালিয়েছিল।

LinkedIn
Share